পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৮৭
সিলেবাস
Full Model Test - 5
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮৭ প্রশ্ন

.
উচ্চারণ স্থান অনুসারে 'র' কোন ধরনের ধ্বনি?
  1. কণ্ঠ্য
  2. তালব্য
  3. দন্তমূলীয়
  4. মূর্ধন্য
সঠিক উত্তর:
দন্তমূলীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দন্তমূলীয়
ব্যাখ্যা

• দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে। নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্তমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
• মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে। টাকা, ঠেলাগাড়ি, ডাকাত, ঢোল, গাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের পিছনের অংশ উঁচু হয়ে আলজিভের কাছাকাছি নরম তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। কাকা, খালু, গাধা, ঘাস, কাঙাল প্রভৃতি শব্দের ক, খ, গ, ঘ, ঙ কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• তালব্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে। চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

.
নিচের কোন শব্দটিতে ‘ণ’ - এর ভুল প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. আপণ
  2. বিপণি
  3. পিণ্ডারি
  4. নিপুণ
সঠিক উত্তর:
পিণ্ডারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিণ্ডারি
ব্যাখ্যা

• তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মকে ণ-ত্ব বিধান বলে।

• ‘ণ’ - এর ভুল প্রয়োগ ঘটেছে- পিণ্ডারি শব্দে।
• 'পিণ্ডারি' শব্দটির সঠিক বানান - পিন্ডারি।
• 'পিন্ডারি' অর্থ- মহারাষ্ট্রীয় অশ্বারোহী দস্যুদল, বর্গি।
'পিন্ডারি' মারাঠি শব্দ। বিদেশি শব্দে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম খাটে না।

অন্যদিকে,
----------------
• আপণ-

→ আপণ একটি পুরনো তদ্ভব শব্দ, যার অর্থ: নিজের মালিকানাধীন বা দোকান।
→ যদিও অনেকেই আপন ভাবেন, আসলে আপণ বানানটিও অভিধানসম্মতভাবে স্বীকৃত।
→ উদাহরণ: “আপণ প্রতিষ্ঠানে সে কর্মরত।”

• বিপণি-
→ শুদ্ধ বানান: বিপণি (অর্থ: দোকান)
→ ‘ণ’ ব্যবহারে ভুল নেই।

• নিপুণ-
→ শুদ্ধ বানান: নিপুণ (অর্থ: দক্ষ/কুশলী)
→ সঠিক প্রয়োগ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০১৯); বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
'অর্থবছর' এর ব্যাসবাক্য-
  1. অর্থ ও বছর
  2. অর্থের বছর
  3. অর্থ রূপ বছর
  4. অর্থ হিসাবের বছর
সঠিক উত্তর:
অর্থ হিসাবের বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ হিসাবের বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো - ঘ) অর্থ হিসাবের বছর।

ব্যাখ্যা:
'অর্থবছর' একটি কর্মধারয় সমাস যার ব্যাসবাক্য হলো "অর্থ হিসাবের বছর"।

'অর্থবছর' এর প্রকৃত অর্থ: সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক হিসাব-নিকাশের জন্য নির্ধারিত ১২ মাসের সময়কাল, যা সাধারণত ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হয়ে থাকে।

মধ্যপদলোপী কর্মধারয়:
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমন:
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ,
- সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা,
- হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ,
- গণ নিয়ন্ত্রিত তন্ত্র = গণতন্ত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।

.
'যথার্থ' শব্দটি সন্ধি-বিচ্ছেদর কোন নিয়মে হয়েছে?
  1. স্বরসন্ধির
  2. ব্যঞ্জনসন্ধির
  3. বিসর্গসন্ধির
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
স্বরসন্ধির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বরসন্ধির
ব্যাখ্যা

• 'যথার্থ' এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ = যথা + অর্থ।
- এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ।

• সন্ধির নিয়ম:
- আ + অ = আ; সূত্র যোগে গঠিত শব্দ।

এরূপ আরও কিছু শব্দ,
- আশা + অতীত = আশাতীত,
- কথা + অমৃত = কথামৃত,
- মহা + অর্ঘ = মহার্ঘ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড.হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
কালকেতু উপাখ্যানের কবি কে?
  1. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  2. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  3. কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ
  4. বিজয় গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

• কালকেতু উপাখ্যান মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর "চণ্ডীমঙ্গল" কাব্যের একটি অংশ।

• চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্য:

- 'চণ্ডীমঙ্গল’ চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি অবলম্বনে লিখিত কাব্য।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত।
- চণ্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান বা শ্রেষ্ঠ কবির নাম মুকুন্দরাম চক্রবর্তী৷

• এই কাব্যের দুটি উপাখ্যান রয়েছে-
১. একটি ব্যাধ দম্পতি কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি, চণ্ডী বরে কালকেতুর ধনপ্রাপ্তি নতুন রাজ্যপত্তন, ধূর্ত ভাড়ুদত্তের ষড়যন্ত্রে প্রতিবেশী রাজার সঙ্গে যুদ্ধ।
২. দ্বিতীয় উপাখ্যানের নায়ক ধনপতি সওদাগর, অন্যান্য প্রধান চরিত্র তার দুই স্ত্রী লহনা ও খুল্লনা।

- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি দ্বিজ মাধবকে 'স্বভাব কবি' বলা হয়।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে অন্যান্য কবি গুলো হলো: দ্বিজ রামদেব, মুক্তারাম সেন, হরিরাম, লালা জয়নারায়ণ সেন, ভবানীশঙ্কর দাস, অকিঞ্চন চক্রবর্তী।

• ‘কালকেতু উপাখ্যানে’ ফুল্লরার উদ্দেশ্যে কালকেতু বলেছে:
শাশুড়ি ননদি নাহি নাহি তোর সতা।
কার সঙ্গে দ্বন্দ্ব করি চক্ষু কৈলি রাতা।।

• চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলাে হলো:
- কালকেতু,
- ফুল্লরা,
- ধনপতি,
- ভাঁড়ুদত্ত,
- মুরারি শীল প্রমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া; (‘কালকেতু উপাখ্যান’: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী)।

.
'Profiteer' এর বাংলা পরিভাষা -
  1. শিক্ষানবিস
  2. মুনাফাখোর
  3. প্রতারণা
  4. কার্যক্রম-সমন্বয়ক
সঠিক উত্তর:
মুনাফাখোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুনাফাখোর
ব্যাখ্যা

• 'Profiteer' এর বাংলা পরিভাষা - মুনাফাখোর।

অন্যদিকে,
• 'Apprentice' এর বাংলা পরিভাষা- 'শিক্ষানবিস'।
• 'Deceit' এর বাংলা পরিভাষা- 'প্রতারণা'।
• ‘Programme co-ordinator’ শব্দের বাংলা পরিভাষা - 'কার্যক্রম সমন্বয়ক'।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।

.
"ঘরের খেয়ে পরের মোষ তাড়ানো।" বাক্যটি কোন কারণে অশুদ্ধ?
  1. বানান ভুল আছে
  2. প্রত্যয়সাধিত শব্দের ভুল প্রয়োগ
  3. প্রবাদের বিকৃতি
  4. বিশেষ্য-বিশেষণের অপপ্রয়োগ ঘটেছে
সঠিক উত্তর:
প্রবাদের বিকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাদের বিকৃতি
ব্যাখ্যা

• "ঘরের খেয়ে পরের মোষ তাড়ানো" বাক্যটি অশুদ্ধ কারণ এটি একটি প্রচলিত প্রবাদের বিকৃত রূপ।

সঠিক প্রবাদ: "ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো"।

প্রবাদের অর্থ: "ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো" মানে নিজের ঘরে খাওয়া-দাওয়া করে অন্যের (বনের) কাজ করা - অর্থাৎ কৃতজ্ঞতা না দেখিয়ে অন্যের পক্ষে কাজ করা।

অশুদ্ধতার ধরন:
প্রাচীন প্রবাদের প্রচলিত রূপে পরিবর্তন ঘটিয়ে ভুল শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে অশুদ্ধি ঘটে।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।

.
'বন্দর' কোন ভাষার শব্দ?
  1. তৎসম
  2. আরবি
  3. মারাঠি
  4. ফারসি
সঠিক উত্তর:
ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি
ব্যাখ্যা

• 'বন্দর':
- শব্দটি ফারসি ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
এর অর্থ:
- সমুদ্র বা নদীর তীরবর্তী স্থান যেখানে নৌযানে পণ্য বোঝাই বা খালাস করা হয়।

• ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ হলো:
গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চারপায়া, ছয়লাপ ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
‘ইচ্ছা’ এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. স্পৃহা
  2. বাঞ্ছা
  3. বাসনা
  4. আহ্লাদ
সঠিক উত্তর:
আহ্লাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহ্লাদ
ব্যাখ্যা

• ‘ইচ্ছা’ এর সমার্থক শব্দ:
- আকাঙ্ক্ষা, আশা, ইচ্ছা, প্রার্থনা, চাওয়া, স্পৃহা, অভিপ্রায়, সাধ, অভিরুচি, প্রবৃত্তি, মনোরথ, ঈপ্সা, অভীপ্সা, বাসনা, কামনা, বাঞ্ছা

অন্যদিকে,
‘আনন্দ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- খুশি, আমোদ, মজা, হর্ষ, আহ্লাদ, স্ফূর্তি, সন্তোষ, পরিতোষ, প্রমোদ, উল্লাস, উচ্ছ্বাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১০.
মুসলমান নারী কর্তৃক লিখিত বাংলা সাহিত্যকর্ম ‘রূপজালাল’–এর লেখক–
  1. বেগম রোকেয়া
  2. নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
  3. রহিমুন্নিসা
  4. শামসুর নাহার
সঠিক উত্তর:
নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• 'রূপজালাল' এর পরিচিতি:
- গদ্যে-পদ্যে নবাব ফয়জুন্নেসা রচিত রূপজালাল (১৮৭৬) গ্রন্থটি রূপকের আশ্রয়ে একটি আত্মজীবনীমূলক রচনা।
- এতে তাঁর বিড়ম্বিত দাম্পত্য জীবনের করুণ কাহিনি স্থান পেয়েছে।
- এটি ১৮৭৬ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটি সম্ভবত বাংলার একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক প্রথম রচিত একটি পূর্ণাঙ্গ সাহিত্যকর্ম।
- ফয়জুন্নেসার নিজের একটি লাইব্রেরি ছিল। সেখানে তিনি বিভিন্ন সাহিত্য ও ধর্মবিষয়ক গ্রন্থাদি পাঠ করতেন। তাঁর স্বোপার্জিত জ্ঞানের প্রতিফলন লক্ষ করা যায় উক্ত প্রতীকাশ্রয়ী গ্রন্থটিতে।
- পুথি ও জারিগানের মিশ্র ধারায় লিখিত এ গ্রন্থটি শুরু হয়েছে আল্লাহর প্রশংসা এবং নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে।
- সমকালীন বাংলায় মুসলমানদের সাহিত্যচর্চার প্রচলিত রীতি অনুযায়ী ফয়জুন্নেসা তাঁর লেখায় অনেক আরবি, ফার্সি ও উর্দু শব্দ ব্যবহার করেছেন।

------------------
নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী:
- নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী ছিলেন জমিদার, নারীশিক্ষার প্রবর্তক, সমাজসেবক ও কবি।
- কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলাধীন পশ্চিমগাঁও গ্রামে এক জমিদার বংশে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আহমদ আলী চৌধুরী ছিলেন হোমনাবাদ-পশ্চিমগাঁও-এর জমিদার।
- পারিবারিক পরিবেশে গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে বাড়িতেই তিনি শিক্ষালাভ করেন। মুসলমানদের কঠিন পর্দাপ্রথার মধ্যে থেকেও ফয়জুন্নেসা আরবি, ফারসি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায়ও ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন।

- নবাব ফয়জুন্নেসা আলোচিত আত্মজীবনীমূলক রচনা রূপজালাল।
- এছাড়া সঙ্গীতসার ও সঙ্গীতলহরী নামে তাঁর দুখানি কাব্যের কথাও জানা যায়। উল্লেখ্য যে, নবাব ফয়জুন্নেসা এমন এক সময়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা করেন যখন অভিজাত মুসলমানদের মধ্যে এই ভাষা সাধারণত ব্যবহৃত হতো না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১১.
'গন্তব্য' এর সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √ গম্‌ + অব্য
  2. √ গন্‌ + তব্য
  3. √ গম্ + তব্য
  4. √ গন্ত + অ
সঠিক উত্তর:
√ গম্ + তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√ গম্ + তব্য
ব্যাখ্যা

• 'গন্তব্য'- এর সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় - √ গম্ + তব্য।

এখানে,
- '√ গম্‌' সংস্কৃত ক্রিয়াপ্রকৃতি এবং 'তব্য' সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।
- শব্দের অর্থ: গমনের লক্ষ্য।

- ধাতুর সঙ্গে যখন কোনো ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়, তখন ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা প্রকৃতি।

- ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ-প্রত্যয়।
- যেমন- চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি)+ অন (কৃৎ-প্রত্যয়)= চলন (বিশেষ্য পদ)।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১২.
'সজ্জন' এর বিপরীত শব্দ -
  1. বর্জন
  2. অসজ্জন
  3. দুর্জন
  4. খ এবং গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

• 'সজ্জন' এর অর্থ: সৎলোক; সাধু ব্যক্তি।
- অসজ্জন অর্থ: অসাধু বা দুষ্ট লোক।
- 'দুর্জন' অর্থ - দুষ্ট বা খারাপ লোক।

সুতরাং,
• 'সজ্জন' এর বিপরীত শব্দ - "অসজ্জন এবং দুর্জন" উভয়ই।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
• 'বর্জন' এর বিপরীত শব্দ - গ্রহণ।
• 'উৎকর্ষ' এর বিপরীত শব্দ - অপকর্ষ।
• 'গৃহী' এর বিপরীত শব্দ - সন্ন্যাসী।
• 'দাতা' এর বিপরীত শব্দ - গ্রহীতা।
• 'ক্ষয়িষ্ণু' এর বিপরীত শব্দ - বর্ধিষ্ণু।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৩.
নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি —




সঠিক উত্তর:

উত্তর
সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা

• নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি — আ।

• স্বরধ্বনির উচ্চারণ:
উচ্চারণের সময়ে জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং ঠোঁটের উন্মুক্তি অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।

উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা -
১. উচ্চ স্বরধ্বনি - ই, উ।
২. উচ্চ -মধ্য স্বরধ্বনি - এ, ও।
৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি - অ্যা, অ।
৪. নিম্ন স্বরধ্বনি - আ।

• স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খোলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
- সংবৃত: [ই], [উ]।
- অর্ধ-সংবৃত: [ এ ], [ও]।
- বিবৃত: [আ]।
- অর্ধ-বিবৃত: [অ্যা], [অ]।

• সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কম খোলে; বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট বেশি খোলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৪.
"মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে,
যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে।"- কে লিখেছেন?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. হাসান আজিজুল হক
  3. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

• "মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে,
যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে।" - কবিতাংশুটুকুর রচয়িতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটি তাঁর 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থের এবার ফিরাও মোরে- কবিতার অংশবিশেষ।

'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ 'চিত্রা'।
- ১৩০২ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থে মোট ৩৫টি কবিতা রয়েছে।

এবার ফিরাও মোরে- কবিতার অংশবিশেষ-

মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে,
যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে;
যখনি দাঁড়াবে তুমি সম্মুখে তাহার, তখনি সে
পথকুক্কুরের মতো সংকোচে সত্রাসে যাবে মিশে;
দেবতা বিমুখ তারে, কেহ নাহি সহায় তাহার,
মুখে করে আস্ফালন, জানে সে হীনতা আপনার
মনে মনে। (সংক্ষেপিত)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, চিত্রা কাব্যগ্রন্থ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বাংলাপিডিয়া।

১৫.
সাকিব বলল, "আমি এখানে থাকব"। - বাক্যটির পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর কোনটি?
  1. সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।
  2. সাকিব বলল, "আমি সেখানে থাকব।"
  3. সাকিব বলল, "সে এখানে থাকবে।
  4. সাকিব জানাল যে আমি এখানে থাকব।
সঠিক উত্তর:
সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর — ক) সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।

ব্যাখ্যা:
প্রত্যক্ষ উক্তি: বলল সাকিব, "আমি এখানে থাকব"।
সঠিক পরোক্ষ উক্তি: সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।

উক্তি রূপান্তরের নিয়মসমূহ:
১. পুরুষের পরিবর্তন:
"আমি" → "সে" (প্রথম পুরুষ থেকে তৃতীয় পুরুষে)।

২. স্থানের পরিবর্তন:
"এখানে" → "সেখানে" (নিকট স্থান থেকে দূর স্থানে)।

৩. বাক্য গঠন:
উদ্ধৃতি চিহ্ন সরিয়ে "যে" সংযোজক অব্যয়।

৪. ক্রিয়ার রূপ:
"থাকব" → "থাকবে" (পুরুষ অনুযায়ী পরিবর্তন)।

অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল:
ক) এখনও প্রত্যক্ষ উক্তি (উদ্ধৃতি চিহ্ন আছে) এবং পুরুষ পরিবর্তন হয়নি।
গ) পুরুষ ও স্থান পরিবর্তন হয়নি ("আমি এখানে" রয়ে গেছে)।
ঘ) এখনও প্রত্যক্ষ উক্তি (উদ্ধৃতি চিহ্ন আছে)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬.
"বীণার ঝঙ্কারসম যে প্রীতি ধ্বনিত হয় নিতি।" - এখানে 'প্রীতি' কোন পদ?
  1. বিশেষ্য
  2. বিশেষণ
  3. অব্যয়
  4. ক্রিয়া বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য
ব্যাখ্যা

• "বীণার ঝঙ্কারসম যে প্রীতি ধ্বনিত হয় নিতি" - এই বাক্যে 'প্রীতি' একটি বিশেষ্য পদ।

তবে,
"প্রীতিময় মুখ" - এখানে 'প্রীতিময়' বিশেষণ।
------------
এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ:
- গাম্ভীর্য হলো বিশেষ্য পদ।
- গাম্ভীর্য শব্দের বিশেষণ রূপ - গম্ভীর।
- 'ইচ্ছা' শব্দটি বিশেষ্য পদ।
- জাত ও উদ্ধত - বিশেষণ পদ।
- গৈরিক - বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৭.
বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম বই-
  1. লাইলি মজনু
  2. বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি গ্রন্থমালা
  3. ব্যবহরিক বাংলা অভিধান
  4. আধুনিক বাংলা অভিধান
সঠিক উত্তর:
লাইলি মজনু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইলি মজনু
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম বই ছিল—
দৌলত উজির বাহ্‌রাম খাঁর- লাইলি মজনু।

বাংলা একাডেমি সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।

- বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর।
- প্রথম প্রকাশিত বইটি ছিল লাইলি মজনু, যা মধ্যযুগীয় বাংলা প্রেমকাব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
- পরে একাডেমি আঞ্চলিক ভাষার অভিধান, লোকসংস্কৃতি বিষয়ক গ্রন্থ এবং ব্যবহরিক বাংলা অভিধান, আধুনিক বাংলা অভিধান ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা করে।

উৎস: বাংলা একাডেমি; প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট- লিংক।

১৮.
'লালসালু'- উপন্যাসের কোন চরিত্রটি নারী বিদ্রোহ ও প্রতিবাদের প্রতীক?
  1. রহিমা
  2. আমেনা
  3. জমিলা
  4. হাসুনির মা
সঠিক উত্তর:
জমিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমিলা
ব্যাখ্যা

‘লালসালু’ উপন্যাস সম্পর্কিত আলোচনা:
• ‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।
• এই উপন্যাসে একদিকে যেমন বাংলার গ্রামজীবনের বাস্তব প্রকৃতি ধরা পড়েছে তার সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কঠোরতা নিয়ে; তেমনই রূপায়িত হয়েছে অসংখ্য গ্রামীণ মানুষের জীবন।
• নোয়াখালি অঞ্চল থেকে মজিদ নামের একটি কূটচরিত্র গারোপাহাড়ি অঞ্চলে গিয়ে সেই এলাকার মানুষকে ধর্মের নামে কীভাবে শোষণ করে, সেই বাস্তব চিত্র আছে উপন্যাসটিতে।

• ধর্ম ব্যবসায়ী মজিদ অর্থ ও প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে অল্পবয়সী দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করে। সে গ্রামের মোড়লদেরও প্রভাবিত করে। পাশের গ্রামে অন্য পিরের আগমন হলে, নিজের দাপট খর্ব হবে বিবেচনায়, তাকে মারধর দিয়ে উচ্ছেদ করে।
• তবে স্বল্পবয়সী স্ত্রী জমিলা কর্তৃক মজিদ লাঞ্ছিত হয়। উপন্যাসে জমিলা বিদ্রোহিণী, প্রতিবাদের প্রতীক।
• 'লালসালু'র একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস।
• ঔপন্যাসিক ধর্মব্যবসায়ীদের উপলক্ষ করে লিখেছেন: 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'
• উপন্যাসটি 'Tree Without Roots' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে (১৯৬৭) খ্যাতি অর্জন করে।
• ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরির ‘লালসালু'র ফরাসি অনুবাদের নাম- ল্য অরবরে সামস মায়েমে (১৯৬১)।

• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- মজিদ,
- খালেক ব্যাপারি,
- জমিলা,
- রহিমা,
- আমেনা,
- আক্কাস,
- তাহেরের বাপ,
- হাসুনির মা।

-----------------------
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার।
- তিন ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ফেনি স্কুলের ছাত্রাবস্থায় ‘ভোরের আলো’ নামে হাতে লেখ পত্রিকার সম্পাদনা করেন।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’। এটি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত কলকাতার ‘দৈনিক স্টেটসম্যান’ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
- তারঁ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো।
- দি আগলি এশিয়ান।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৯.
'চৌচির' শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. খণ্ডে খণ্ডে বিভক্ত
  2. খণ্ডবিখণ্ড
  3. চার খণ্ডে বা অংশে বিভক্ত
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান অনুসারে,
'চৌচির' শব্দের অর্থ- খণ্ডে খণ্ডে বিভক্ত; খণ্ডবিখণ্ড; চার খণ্ডে বা অংশে বিভক্ত।
অর্থ্যাৎ, সঠিক উত্তর - অপশন (ঘ)।



আরো কিছু শব্দার্থ:
- আভরণ শব্দের অর্থ - অলঙ্কার,
- আভাষ শব্দের অর্থ - ভূমিকা বা আলাপ,
- ‘সওগাত’ শব্দের অর্থ - উপঢৌকন; উপহার,
- আশীষ শব্দের অর্থ- শীর্ষ পর্যন্ত,
- আশি শব্দের অর্থ- ৮০ সংখ্যা,
- আশী শব্দের অর্থ- বিষদাঁত।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

২০.
নিচের কোনটি যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ?
  1. গরম করা
  2. উদয় হওয়া
  3. এগিয়ে চলা
  4. ঠনঠন করা
সঠিক উত্তর:
এগিয়ে চলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগিয়ে চলা
ব্যাখ্যা

• যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ - এগিয়ে চলা।
-------------------------------
• যৌগিক ক্রিয়া:
অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন
- মরে যাওয়া,
- কমে আসা,
- এগিয়ে চলা,
- হেসে ওঠা,
- উঠে পড়া,
- পেয়ে বসা, ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
সংযোগ ক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন-
গরম করা, গান করা, উদয় হওয়া, ঠনঠন করা, বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২২ সালের সংস্করণ।

২১.
"Have an axe to grind" means to _____.
  1. have a selfish reason
  2. have work for charity
  3. have preparation for the fight
  4. have a great goal
সঠিক উত্তর:
have a selfish reason
উত্তর
সঠিক উত্তর:
have a selfish reason
ব্যাখ্যা

• "Have an axe to grind" means to have a selfish reason.

• To have an axe/ax to grind (idiom):
- English Meaning: to have a selfish reason or strong opinion that influences your actions; an ulterior often selfish underlying purpose.
- Bangla Meaning: (লাক্ষণিক) ব্যক্তিস্বার্থ থাকা।

Example Sentences:
- Environmentalists have no political axe to grind - they just want to save the planet.
- The study should be conducted by a firm that has no axe to grind.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২২.
Neither of the two men wants ____ son educated.
  1. them
  2. his
  3. their
  4. its
সঠিক উত্তর:
his
উত্তর
সঠিক উত্তর:
his
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Neither of the two men wants his son educated.
- Bangla meaning: দুজনের কেউই চান না যে তার ছেলে শিক্ষিত হোক।

• One of, Each of, Either of, Neither of ইত্যাদি singular subjects হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর পরে singular possessive pronoun (his, her, or its) বসে।
- Either দ্বারা দুইয়ের প্রত্যেকটি বুঝানো হয়।
- Neither দ্বারা দুইয়ের কোনটিই নয় বুঝানো হয়।

- প্রদত্ত বাক্যে "men" is masculine gender, তাই সঠিক possessive pronoun টি হবে- his.

অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) them → "them" হলো object pronoun, not possessive.

গ) their → "their" হলো plural কিন্তু এখানে subject হলো singular.

ঘ) its → "its" ব্যবহৃত হয় non-human subjects (animals, objects) -এর জন্য।

২৩.
She slept very little that night.
Here, the underlined word 'little' is a/an-
  1. Noun
  2. Pronoun
  3. Adjective
  4. Adverb
সঠিক উত্তর:
Adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb
ব্যাখ্যা

• She slept very little that night.
- Here, the underlined word 'little' is an Adverb.

- Here, 'little' modifies the verb "slept" by describing how much she slept.
- অর্থাৎ, 'little' এখানে "slept" verb টিকে modify করায় adverb হিসেবে কাজ করছে।
- "slept" verb টিকে How much দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় Very little.

• Little (adverb)
- English Meaning: not much; in only a small quantity or degree: slightly; not at all.
- Bangla Meaning: অতিসামান্য।

• Adverb:
- যেসব word noun বা pronoun ছাড়া অন্য যেকোন parts of speech, বিশেষ করে verb কে modify করে সেগুলোকে adverb বলে।
- Adverb সাধারণত Verb, Adjective কিংবা অন্য কোনো Adverb কে modify করে।
- বাক্যে Verb কে কোথায়, কখন, কীভাবে, কেন, কতটুকু, কতবার, ইত্যাদি দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই হলো adverb.

অন্যদিকে,
- 'Little' শব্দটি "ছোট; যথেষ্ট নয়; সামান্য পরিমাণে মাত্র" অর্থে- noun, pronoun, adjective হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন:
• Little (noun)
- Example: She felt better after she'd eaten a little.

• Little (pronoun)
- Example: Little has changed.

• Little (adjective)
- Example: He gave a little smile.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৪.
Pick out the correctly spelt word:
  1. Remittance
  2. Remmitance
  3. Remmittance
  4. Rammitance
সঠিক উত্তর:
Remittance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Remittance
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is - ক) Remittance.

• Remittance (Noun)
- English Meaning: Money that is sent by a foreign worker back to their own country.
- Bangla Meaning: অর্থপ্রেরণ; প্রেরিত অর্থ; প্রবাসী শ্রমিকের পাঠানো অর্থ।

• Ex. Sentence: Bangladesh receive most of its remittances from the middle east.
- Bangla Meaning: বাংলাদেশ তার বেশিরভাগ রেমিট্যান্স মধ্যপ্রাচ্য থেকে পায়।

- অন্যদিকে, বাকি অপশনের word গুলোর spelling ভুল।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৫.
Who is the heroine character of 'Hamlet'?
  1. Desdemona
  2. Portia
  3. Ophelia
  4. Cordelia
সঠিক উত্তর:
Ophelia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ophelia
ব্যাখ্যা

• Ophelia is the heroine character of 'Hamlet'.

• Hamlet:
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• Main characters:
- King Hamlet,
- Hamlet (Prince of Denmark),
- Ophelia (Heroine),
- Claudius (Hamlet's uncle),
- Gertrude (Queen),
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet),
- Polonius (Ophelia's Father),
- Laertes (Ophelia's brother), etc.

• Famous quotations from Hamlet:
- "To be or not to be that is the question."
- "Frailty, thy name is woman."
- "Brevity is the soul of wit."
- "Listen to many, speak to a few."
- "Though this be madness, yet there is method in't."
- "Conscience does make cowards of us all."
- "One may smile, and smile, and be a villain."
- "There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
- "There is nothing either good or bad, but thinking makes it so."
- "There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

অন্যদিকে,
ক) Desdemona (Heroine) is from Othello.

খ) Portia (Heroine) is from The Merchant of Venice.

ঘ) Cordelia (One of three daughters) is from King Lear.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

২৬.
Identify the synonym for 'Succumb'.
  1. Conquer
  2. Obdurate
  3. Submit
  4. Endure
সঠিক উত্তর:
Submit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Submit
ব্যাখ্যা

• The synonym for 'Succumb' is Submit.

• Succumb (Verb)
- English meaning: Fail to resist pressure, temptation, or some other negative force; die from the effect of a disease or injury.
- Bangla Meaning: (প্রলোভন, তোষামোদ ইত্যাদির) বশীভূত হওয়া; দমিয়া যাওয়া; মারা যাওয়া; আত্মসমর্পণ করা।

• Given options:
ক) Conquer - জয় করা; শক্তিবলে দখল করা; কারো ভালোবাসা, প্রশংসা ইত্যাদি অর্জন করা।

খ) Obdurate - একগুঁয়ে; অনমনীয়; অনুশোচনাহীন।

গ) Submit - আনুগত্য/অধীনতা/বশ্যতা স্বীকার করা; অনুবর্তী হওয়া; আত্মসমর্পণ করা; পেশ/দাখিল করা।

ঘ) Endure - দুঃখকষ্ট ভোগ করা; টিকে থাকা; স্থায়ী হওয়া।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৭.
George Bernard Shaw is the author of-
  1. The Family Reunion
  2. A Farewell to Arms
  3. No Man's Land
  4. Arms and the Man
সঠিক উত্তর:
Arms and the Man
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arms and the Man
ব্যাখ্যা

• George Bernard Shaw is the author of 'Arms and the Man'.

• Arms and the Man:
- এটি George Bernard Shaw রচিত একটি জনপ্রিয় নাটক।
- এটি একটি Romantic comedy, যা যুদ্ধ, প্রেম এবং মানব স্বভাবের উপর satire করে।
- এই নাটকটি ১৮৯৪ সালে মঞ্চস্থ হয় এবং ১৮৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই নাটকটির settings হলো- Bulgaria -এর Petkoff household.
- নাটকটি যুদ্ধ এবং প্রেমের বিষয় নিয়ে গড়ে উঠেছে। এতে মূলত যুদ্ধের গৌরব এবং বাস্তবতার মধ্যে একটি বৈপরীত্য তুলে ধরা হয়েছে।
- নাটকের কেন্দ্রবিন্দুতে একজন সৈনিক এবং একজন উচ্চশ্রেণীর মহিলা রয়েছেন, এবং তাদের মধ্যে সম্পর্কের জটিলতা নাটকটিকে কৌতুকপূর্ণ এবং মজাদার করে তোলে।
- এটি George Bernard Shaw -এর রচনা ও নাট্যকর্মের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

• Main Characters:
- Captain Bluntschli,
- Raina Petkoff,
- Major Sergius Saranoff,
- Major Petkoff,
- Catherine Petkoff, etc.

• ​G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- George Bernard Shaw 'Modern period' এর একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- G.B. Shaw ছিলেন Fabian Society এর একজন সদস্য।
- তাঁর উপাধি হলো - The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature বলা হয়।

​• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Man and Superman (Comedy play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House (comedy play),
- Caesar and Cleopatra (play/tragedy),
- The Doctor's Dilemma (satire drama/play, Epilogue),
​- St. Joan of Arc,
- Candida,
- Geneva,
- You Never Can Tell,
- Androcles and the Lion,
- The Devil’s Disciple,
- Too True to Be Good,
- Widowers’ Houses,
- The Apple Cart,
- Buoyant Billions, etc.

অন্যদিকে,

ক) The Family Reunion is a play by T. S. Eliot.

খ) A Farewell to Arms is a novel by Ernest Hemingway.

গ) No Man's Land is a play by Harold Pinter.

Source:
1. Britannica.
2. Goodreads.

২৮.
He left us waiting for his reply.
Here, 'waiting' is-
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Infinitive
  4. Finite verb
সঠিক উত্তর:
Participle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Participle
ব্যাখ্যা

• He left us waiting for his reply.
- Here, 'waiting' is a Participle.

- Here, "waiting" functions as a present participle (adjective) that modifies the pronoun "us".
- অর্থাৎ, 'waiting' এখানে object "us" কে modify করায় adjective হিসেবে কাজ করছে, তাই এটি present participle.
- "Waiting" functions as an object complement that describes the state of the object "us" after the action of the verb "left".
- অর্থাৎ, verb+ing যখন noun/pronoun কে modify করে তখন তা adjective হিসেবে কাজ করে।
- এখানে বলা হয়েছে, সে আমাদের তার উত্তরের অপেক্ষায় (waiting → ongoing action) রেখে চলে গেল।

• Participle:
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle).
- Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns/pronouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Participle মূলত তিন প্রকার। যথা:
1. Present participle:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
- সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে।
- Present participle দ্বারা চলমান sense বোঝায়।
- যেমন: I saw a flying kite.

2. Past participle:
- সাধারণত verb এর সাথে -ed যোগ করে তৈরি হয় (যেমন: played, walked), তবে অপ্রচলিত verb এর আলাদা রূপ থাকে (যেমন: eaten, driven, seen)।
- এটি perfect tense এবং passive voice তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, এবং adjective হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে।
- যেমন: The broken house needs fixing.

3. Perfect participle:
- এটি having + past participle দ্বারা তৈরি হয় (যেমন: having eaten, having seen)। এটি এমন বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যে, একটি কাজ অন্য কাজের আগে সম্পন্ন হয়েছিল।
- যেমন: Having finished the task, he left.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.

২৯.
The opposite of 'Spendthrift'-
  1. Wasteful
  2. Disdainful
  3. Tightfisted
  4. Imprudent
সঠিক উত্তর:
Tightfisted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tightfisted
ব্যাখ্যা

The opposite of 'Spendthrift'- Tightfisted.

• Spendthrift (Noun, adjective)
- English Meaning: Spending money or resources freely and recklessly; wastefully extravagant.
- Bangla Meaning: অতিব্যয়ী; অপব্যয়ী; অপচেতা; অকৃপণ; মুক্তহন্ত; অপব্যয়ী ব্যক্তি।

• Synonyms:
- Wasteful (অপচয়ী), Extravagant (অপচয়কর), Waster (অমিতব্যয়ী), Prodigal (অপব্যয়ী; অপচয়ী; অমিতব্যয়ী)।
• Antonyms:
- Thrifty (মিতব্যয়ী), Parsimonious (ব্যয়কুণ্ঠ; কৃপণ), Mean (সংকীর্ণমনা), Miserly (কৃপন), Tight-fisted (ব্যয়কুন্ঠ)

অন্যদিকে,
- Disdainful - ঘৃণাপূর্ণ; তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
- Imprudent - অবিমৃষ্যকারী; অবিবেচক; অবিচক্ষণ; হঠকারী।

- সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, The opposite of 'Spendthrift'- Tightfisted.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩০.
Pick the correct verb form:
Do not let these children ____ in the sun.
  1. have playing
  2. play
  3. to play
  4. playing
সঠিক উত্তর:
play
উত্তর
সঠিক উত্তর:
play
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Do not let these children play in the sun.
- Bangla: এই বাচ্চাদের রোদে খেলতে দিও না।

• Causative Verb:

- যে Verb গুলোর সাহায্যে বাক্যের Subject নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করায় সেই Verb গুলোকে বলা হয় causative verb.
- Have, Get, Help, Let, Make ইত্যাদি হলো বহুল প্রচলিত causative verb.
- এগুলোর সাহায্যে অনেক verb- কে causative verb -এ পরিণত করা যায়।

• Causative Verb হিসাবে 'let' -এর ব্যবহার:
- Let এরপরে কোনো ব্যক্তিবাচক object (Action doer) থাকলে এরপরে verb -এর base form বসে।
- Let এরপরে কোনো বস্তুবাচক object (Action receiver) থাকলে এরপরে be + verb -এর past participle form বসে।

• Structure:
1. Subject + let (any tense) + action doer + verb -এর base form + ext.
2. Subject + let (any tense) + action receiver + be + verb -এর past participle + ext.

- তাই প্রদত্ত শূন্যস্থানে সঠিক verb টি হবে- play.

৩১.
A semi-autobiographical novel, 'Of Human Bondage' was written by-
  1. William Somerset Maugham
  2. William Faulkner
  3. Victor Hugo
  4. Joseph Conrad
সঠিক উত্তর:
William Somerset Maugham
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Somerset Maugham
ব্যাখ্যা

• A semi-autobiographical novel, 'Of Human Bondage' was written by William Somerset Maugham.

• Of Human Bondage:
- William Somerset Maugham রচিত ‘Of Human Bondage’ হলো একটি semi-autobiographical novel.
- এটি ১৯১৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং লেখকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে বিবেচিত।
- এতে মানুষের দুর্বলতা, ভালবাসা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ নিয়ে গভীর আলোচনা করা হয়েছে।

• Short Summary:
- এই উপন্যাসে মূল চরিত্র ফিলিপ কেরি (Philip Carey)-এর জীবনকাহিনি বর্ণিত হয়েছে। ছোটবেলায় বাবা-মাকে হারিয়ে সে অনাথ হয়ে যায় এবং তার খোঁড়া পা (clubfoot) থাকার কারণে সবসময় হীনমন্যতায় ভোগে। ফিলিপ জীবনে নানা পথ খুঁজে বেড়ায়—ধর্ম, শিল্প, চিকিৎসা—কিন্তু কোথাও পূর্ণতা খুঁজে পায় না।

- লন্ডনে মেডিকেল ছাত্র থাকাকালীন সবচেয়ে বড় মোড় আসে যখন সে Mildred নামের এক নিষ্ঠুর ও স্বার্থপর waitress -এর প্রেমে পড়ে।মিলড্রেডের সঙ্গে সম্পর্ক তাকে বারবার ভেঙে ফেলে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত জীবনের অর্থ ও স্বাধীনতা খুঁজে পেতে সে শিখে নেয়— মানুষ আসলে আবেগ ও আসক্তির দাস।

• Main characters:
- Philip Carey,
- Mildred Rogers,
- Sally Athelny,
- Thorpe Athelny, etc.

• William Somerset Maugham (1874-1965):
- William Somerset Maugham ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজী লেখক, নাট্যকার এবং উপন্যাসিক।
- তিনি চিকিৎসাবিদ্যায় প্রশিক্ষণ নিলেও লেখালেখিকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন।
- তাঁর চিকিৎসা অভিজ্ঞতা তার লেখায় গভীর প্রভাব ফেলেছে।
- তবে ১৯১৫ সালে প্রকাশিত তাঁর আত্মজীবনীভিত্তিক উপন্যাস Of Human Bondage তাঁকে প্রকৃত খ্যাতি এনে দেয়।
- তাঁর ছোটগল্পগুলো বিশেষভাবে জনপ্রিয়, যেখানে প্রায়ই উপনিবেশিক পটভূমিতে মানুষের মনস্তত্ত্ব, দুর্বলতা ও সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
- Maugham তাঁর পরিষ্কার ভাষা, বাস্তবধর্মী বর্ণনা ও চরিত্র বিশ্লেষণের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- তার লেখায় মানব প্রকৃতি, সামাজিক সম্পর্ক, এবং জীবনের জটিলতা সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি পাওয়া যায়।

• Notable works (Novels):
- Liza of Lambeth,
- Of Human Bondage,
- The Sacred Flames,
- The Razor's Edge,
- Cakes and Ale,
- The Musician,
- The Moon and Sixpence,
- Lady Frederick, etc.

• Short Stories:
- The Ant and the Grasshopper,
- The Luncheon.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৩২.
The news that you heard yesterday is known to all.
Here, the underlined part is a/an-
  1. Noun clause
  2. Relative clause
  3. Co-ordinate clause
  4. Principal clause
সঠিক উত্তর:
Relative clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Relative clause
ব্যাখ্যা

• The news that you heard yesterday is known to all.
- Here, the underlined part is a Relative clause/adjective clause.

- এখানে, "that you heard yesterday" clause টি "news" noun টিকে modify করছে (by specifying which news is being referred to).
- It answers the question: Which news? → The news that you heard yesterday.

• Structure:
- Main clause: The news is known to all.
- Relative clause: that you heard yesterday (dependent clause describing "news").

• Adjective clause/Relative clause:
- যেসব sub-ordinate clause বাক্যে ব্যবহার হয়ে adjective এর কাজ করে তাদেরকে Adjective clause বলে।
- অর্থাৎ, যে clause টি বাক্যে noun/pronoun -এর পরে বসে ঐ noun/pronoun -কে modify করে তাকে adjective clause বলে।
- Adjective clause -কে Relative clause ও বলা হয়।
- Relative clause গুলো সাধারণত Relative pronoun (that, which, who, whose, whom, why, when) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়।
- তবে মনে রাখতে হবে, who এবং which দ্বারা গঠিত clause টি যদি cause or purpose বোঝায় তবে সেটি Adverbial Clause হিসেবে বিবেচিত হবে।

- Adjective clause দুইটি স্থানে বসতে পারে:
1. Subject এর post-modifier হিসেবে- (Subject + adjective clause + verb + object).
- যেমন: The house where I grew up is now for sale.
2. Noun এর post-modifier হিসেবে- (Subject + verb + noun + adjective clause).
- যেমন: She wore the dress which was on sale.

• Note:
- Noun -এর পরে That যুক্ত clause টি Noun clause এবং Adjective clause উভয়ই হতে পারে।
• কখন Noun clause?
- Noun বা pronoun -এর apposition হিসেবে সাধারণত News, Hope, Belief, Fact, Rumour, ইত্যাদির পরে Noun Clause বসে।
- Apposition বলতে এমন কিছু বোঝায়, যা কোনো Noun বা pronoun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে।
- এই অতিরিক্ত তথ্য noun/pronoun কে modify করে না। তাই তা adjective clause হবে না।
- যেমন: The news that Rajib got married took everyone by surprise.
- এই বাক্যে That যুক্ত clause টি 'News' সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করছে, 'News' কে modify করছে না।
- Noun clause এর ক্ষেত্রে অর্থের দিক থেকে লক্ষ্য করলে "এটাই সেটা" এরকম তথ্য পাওয়া যায়।
- যেমন: 'that Rajib got married' টাই এখানে news.
- Noun clause এর ক্ষেত্রে আগের noun phrase টিকে বাদ দিলেও অর্থ ঠিক থাকে, কিন্তু that কে উঠিয়ে দেওয়া যায় না।
- যেমন: That Rajib got married took everyone by surprise.

• কখন Adjective clause?
- যখন noun/pronoun কে modify করে (দোষ, গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ, ইত্যাদি বুঝায়) তখন adjective clause হয়।
- যেমন: The news that you heard yesterday is known to all.
- এই বাক্যে That যুক্ত clause টি 'News' কে modify করছে, অর্থাৎ, news কে describe করছে (that you heard yesterday).
- Adjective clause এর ক্ষেত্রে that -এর পরের clause টির অর্থ পরিপূর্ণ হয় না, এবং এক্ষেত্রে that কে উঠিয়ে দেওয়া যায়।
- যেমন: The news you heard yesterday is known to all.

অন্যদিকে,
• Co-ordinate clause:

- Joins two independent clauses by Co-ordinating conjunctions (yet, but, or, otherwise, and).
- যেমন: The news is true, and everyone knows it.

• Principal clause:

- An independent clause that can stand alone.
- যে সকল clause তাদের অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোনো clause এর উপর নির্ভরশীল নয় তাদের principal clause বলে।
- আধুনিক English Grammar এ Simple sentence কেও clause বলা হয় কারণ Simple sentence গুলাে সর্বদাই principal clause হয়ে থাকে।
- Principal clause কে আবার Main clause বা Independent clause ও বলা হয়।
- যেমন: Because it was raining, we stayed indoors.

৩৩.
______ the day went on, the weather worsened.
  1. Just
  2. As
  3. Unless
  4. So
সঠিক উত্তর:
As
উত্তর
সঠিক উত্তর:
As
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: As the day went on, the weather worsened.
- Bangla meaning: দিন যতই গড়িয়েছে, আবহাওয়া ততই খারাপ হয়েছে।

- বাক্যটিতে দুটি clause কে যুক্ত করতে এমন একটি conjunction প্রয়োজন যা progression of time দেখায়।
- অর্থাৎ, সময়ের অগ্রগতির সাথে সাথে অন্য clause -এর কাজটিও ঘটে।

- As is used to mean "while" or "during the time that", indicating that two actions are happening simultaneously and one is affecting the other.
- অর্থাৎ, Conjunction হিসেবে As (while; when; during the time that) - যখন; চলাকালীন; যতই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- তাই, এখানে সঠিক উত্তর হবে- As.

• As (conjunction)
- English Meaning: while; when; during the time that.
- Bangla Meaning: যখন; চলাকালীন; যতই।

অন্যদিকে,
ক) Just
- ঠিক; মাত্র; ন্যায্য; যুক্তিযুক্ত ইত্যাদি অর্থে (adjective, adverb) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: This is just what I expected.

গ) Unless
- except if 'যদি না' অর্থে এটি শর্ত বোঝাতে conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি নিজেই negative অর্থ প্রদান করে।
- এজন্যে unless দ্বারা যে clause শুরু হয় তাতে no বা not বসে না।
- যেমন: Do not punish him unless he behaves roughly.

ঘ) So
- সুতরাং; অতএব; সে-কারণে; সেই জন্য ইত্যাদি অর্থে conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- It Indicates result of previous clause.
- যেমন: Nobody answered my knock, so I went away.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩৪.
The term "Pedagogy" refers to-
  1. The method of political rule.
  2. The art or profession of teaching.
  3. The art or science of teaching adults.
  4. The branch of medicine dealing with children.
সঠিক উত্তর:
The art or profession of teaching.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The art or profession of teaching.
ব্যাখ্যা

• The term "Pedagogy" refers to- The art or profession of teaching.

• Pedagogy (noun):
- English Meaning: The art, science, or profession of teaching; the study of the methods and activities of teaching.
- Bangla Meaning: শিক্ষণবিজ্ঞান।(আনুষ্ঠানিক) স্কুলশিক্ষক; শিক্ষকতার পেশা।

অন্যদিকে,
• Demagogy:
- English Meaning: the methods or practices of a demagogue; the method of political rule as demagogy.
- Bangla Meaning: বক্তৃতাসর্বস্ব/গলাবাজির রাজনীতি।

• Andragogy:
- English Meaning: The art or science of teaching adults.
- Bangla Meaning: বয়স্কশিক্ষা।

• Pediatric:
- English Meaning: The branch of medicine dealing with children.
- Bangla Meaning: শিশুচিকিৎসা।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩৫.
A note added at the end of a letter after it is signed is called _____ .
  1. Corrigendum
  2. Nota bene
  3. Postscript
  4. Footnote
সঠিক উত্তর:
Postscript
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Postscript
ব্যাখ্যা

• A note added at the end of a letter after it is signed is called a Postscript.

• Postscript:
- A note or series of notes appended to a completed letter, article, or book.
- চিঠিতে স্বাক্ষরের পর যুক্ত অত্তিরিক্ত বার্তা বা বাক্যাবলীকে বলা হয় - Postscript.
- একে সংক্ষিপ্ত ভাবে - PS বলে।
- It comes from the Latin - postscriptum, which literally means “written after.”
- যার বাংলা অর্থ- পুনশ্চ, পত্রের পুনশ্চ লিখন।

• অন্যদিকে,
• Corrigendum:
- English Meaning: A thing to be corrected, typically an error in a printed book.
- Bangla Meaning: সংশোধনীয় বিষয়।

• Nota bene:
- English Meaning: —used to call attention to something important.
- Bangla Meaning: (সংক্ষেপ NB) সতর্কতার সঙ্গে লক্ষ করুন; লক্ষণীয়।

• Footnote:
- English Meaning: A note of reference, explanation, or comment usually placed below the text on a printed page.
- Bangla Meaning: পাদটীকা।

৩৬.
Identify the correct sentence:
  1. She insisted with seeing her lawyer.
  2. She insisted in seeing her lawyer.
  3. She insisted on seeing her lawyer.
  4. She insisted to seeing her lawyer.
সঠিক উত্তর:
She insisted on seeing her lawyer.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
She insisted on seeing her lawyer.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: She insisted on seeing her lawyer.

• Insist on doing something
- English Meaning: to demand something or say forcefully that you want something.
- Bangla Meaning: কোনো কিছুতে জোর দেয়া বা পীড়াপীড়ি করা।

- Insist on/upon এর পরে noun/gerund (-ing form of a verb) বসে।

More Examples:
- He insisted on my going there.
- She insists on doing everything her own way.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩৭.
'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১৮ক নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৮ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২২ নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৪ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৮ক নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ক নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সংবিধানের ১৮ক নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

সংবিধানের ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদ:
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবেন।

অন্যদিকে -
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৮.
বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোন যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন?
  1. বক্সারের যুদ্ধ
  2. কর্ণাটকের যুদ্ধ
  3. এলাহাবাদের যুদ্ধ
  4. পলাশী যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
পলাশী যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলাশী যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা পলাশী যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন।

পলাশী যুদ্ধ:
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এ যুদ্ধ আট ঘণ্টার মতো স্থায়ী ছিল।
- প্রধান সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোম্পানি কর্তৃক পরাজিত হন।
- এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসাত্মক।
- এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে। নবাবের পক্ষে সৈন্যসংখ্যা ছিল প্রায় ৬৫ হাজার।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পক্ষে ছিল মাত্র ৩ হাজার।
- জেতার সব ধরণের সুযোগ সুবিধার পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- ইংরেজরা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।
- অপরদিকে ফরাসিরা এদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।
- এ ভাবেই এ যুদ্ধে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা।
- তিনি ১৭৫৭ সালের ২৩ শে জুন ইংরেজদের নিকট পলাশী যুদ্ধে পরাজিত হন। এর ফলে বাংলার স্বাধীনতার সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, বৃহৎ শিল্পে কতজনের অধিক শ্রমিক কাজ করে?
  1. ২০০
  2. ২৩০
  3. ২৫০
  4. ৩০০
সঠিক উত্তর:
৩০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। যে সকল তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের সংখ্যা ১০০০ এর অধিক কেবল সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

৪০.
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. নীলফামারী
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর:
- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়ী সীমান্ত অবস্থিত।
- স্থলপথে আমদানি রপ্তানি সহজ করার জন্য ১২ জানুয়ারি, ২০০২ সালে বাংলাবান্ধা শুল্ক স্টেশনটিকে স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়।

⇒ বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- সোনা মসজিদ স্থল বন্দর: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- হিলি স্থলবন্দর: দিনাজপুর।
- ভোমরা স্থলবন্দর: সাতক্ষীরা।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

৪১.
জুলাই ঘোষণাপত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের কী নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
  1. জাতীয় সৈনিক
  2. জুলাই বীর
  3. জাতীয় বীর
  4. জুলাই সৈনিক
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বীর
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
- ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।

⇒ জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- জুলাই ঘোষণাপত্রের ২৪ নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের 'জাতীয় বীর' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- ২৪ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৪২.
বর্তমানে বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার কোন দেশ? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের তৈরি চামড়া ও চামড়াবিহীন জুতা এবং চামড়া পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার বিস্তারের জন্য ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্পের স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরে।

উৎস: প্রথম আলো। [link]

৪৩.
কত সালে বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা

গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (ICPPED):
- ICPPED-এর পূর্ণরূপ: International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance.
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ ডিসেম্বর, ২০০৬।
- কার্যকর হয়: ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০।
- ICPPED জাতিসংঘের আওতাধীন একমাত্র আন্তর্জাতিক কনভেনশন যা এনফোর্স ডিসএপিয়ান্সকে কেন্দ্র করে গৃহীত হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া।
- সনদে মোট ৪৫টি অনুচ্ছেদ আছে।
- ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী দিবস।

⇒ আগস্ট ২৯, ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে।

উৎস: i) OHCHR ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৪৪.
দেশের ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব কে?
  1. রেহানা পারভীন
  2. জোবায়দা আক্তার
  3. সেলিনা বেগম
  4. নাজনিন খাতুন
সঠিক উত্তর:
রেহানা পারভীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেহানা পারভীন
ব্যাখ্যা

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন।

⇒ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হয়েছেন রেহানা পারভীন।
- তিনি এর আগে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- ১৮ আগস্ট, ২০২৫ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

উল্লেখ্য,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২০১৬ সালের নভেম্বরে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
- একটি হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং অন্যটি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে অবিভক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৩৩ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বিভাগ বিভক্ত হওয়ার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এখন পর্যন্ত সাতজন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের কেউ নারী ছিলেন না।

উৎস: প্রথম আলো।

৪৫.
ব্যাংক কোম্পানি আইন কত সালে কার্যকর করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাংক-কোম্পানী আইন:
- ব্যাংক-কোম্পানী আইন ১৯৯১ সালে কার্যকর হয়।

⇒ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত একটি আইন।
- এটি ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম, শেয়ার, পরিচালনা পর্ষদ, লাইসেন্স, নিরীক্ষা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতার বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- উদ্দেশ্য: ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে এই আইনের অধিকতর সংশোধন করা হয়েছে, যাতে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৪৬.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০১১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
- চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
- এই আইনের ৪ ধারার ১ উপধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করতে পারবেন না, অর্থাৎ উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: i) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫।
ii) প্রথম আলো।

৪৭.
বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল কোন দেশ? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. সৌদি আরব
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. জর্ডান
  4. লেবানন
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল:
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য মতে, বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।
- এর মধ্যে অভিবাসী নারী শ্রমিকরা সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল সৌদি আরব।
- মোট নারী অভিবাসীর ৭২ শতাংশের গন্তব্য হলো সৌদি আরব।

এছাড়াও,
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ২য় বড় গন্তব্যস্থল জর্ডান (১৮%)।
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ৩য় বড় গন্তব্যস্থল কাতার (১৮%)।
- কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে গন্তব্যের পরিমাণ ১%।

উৎস: BMET ওয়েবসাইট।

৪৮.
বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম শুরু হয় -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস:
- BCS-এর পূর্ণরূপ: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (Bangladesh Civil Service)।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে কর্মকর্তা বা ক্যাডার নিয়োগের পরীক্ষাকে বলা হয় বিসিএস পরীক্ষা (BCS Examination)।
বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission – BPSC) দ্বারা এই পরীক্ষা গৃহীত হয়ে থাকে।

⇒ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস যা ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন আমলের ইম্পেরিয়াল সিভিল সার্ভিস থেকে উদ্ভুত হয়েছে।
- জনগণের ভোটে নির্বাচিত নীতিনির্ধারকদের প্রণীত নীতি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ কর্ম কমিশন বা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) কতৃক নিয়োগকৃত যে বেসামরিক কর্মকর্তা বা কর্মচারিরা কাজ করেন, তাদেরকেই বিসিএস ক্যাডার (BCS Cadre) বলা হয়।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রণীত বিসিএস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী বিসিএস-এর নিম্নোক্ত ২৬টি ক্যাডারে উপযুক্ত প্রার্থী নিয়োগের উদ্দেশ্যে কমিশন কর্তৃক ৩ স্তরবিশিষ্ট পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। বাছাই পরীক্ষা হয় তিন ধাপে। ধাপগুলো হলো- প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা।

⇒ বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম শুরু হয় ১৯৭৩ সালে। স্বাধীনতার পর সেই বছর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) প্রথমবারের মতো বিসিএস-এর মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করে। তবে তখনকার পরীক্ষা ছিল শুধুমাত্র মৌখিক (viva-voce) ভিত্তিক। এরপর পর্যায়ক্রমে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ বিসিএস পরীক্ষা চালু হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস ক্যাডার মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আবুল কালাম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশকে এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়। তার ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের চাকরির প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যায়। সংবিধানে সিভিল সার্ভিস শব্দটা ব্যবহার করা হয় নি, তবে সকল শ্রেণীর সিভিল সার্ভেন্টকে প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চাকরি সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক অধ্যায় (১৩৬ নং অনুচ্ছেদে) অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। প্রথম, এই অনুচ্ছেদে সিভিল সার্ভিসের সদস্যদের চাকরির শর্তাবলি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদকে দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয়, এতে সরকারকে সিভিল সার্ভিস পুনর্গঠন করার এবং সিভিল সার্ভিস সদস্যদের অসুবিধা ঘটতে পারে চাকরির এমন শর্তাবলি পরিবর্তন করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

⇒ পাকিস্তান আমল থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই সিভিল সার্ভিসকে পুনর্গঠিত করার কাজেও সরকার হাত দেয়। এই লক্ষ্যে সরকার প্রশাসনিক ও চাকরি পুনর্গঠন কমিটি (এএসআরসি, ১৯৭৩) নামে একটি কমিটি গঠন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম.এ চৌধুরী ছিলেন এই কমিটির প্রধান। চাকরি পুনর্গঠনে সরকারের ক্ষমতাকে কার্যকারিতা দেয়ার জন্য ১৯৭৫ সালে চাকরি (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) অধ্যাদেশ এবং এতদসংক্রান্ত একটা আইন জারি করা হয়। এই ক্যাডারের রিক্রুটমেন্ট করা হয়েছিল ১৯৭৩ সালে, তবে বিধিবিধান প্রণীত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
iii) প্রথম আলো।

৪৯.
রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুসারে, নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ জরিমাণা কত?
  1. ৫০ হাজার টাকা
  2. ৮০ হাজার টাকা
  3. ১ লক্ষ টাকা
  4. ১.৫ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
১.৫ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫:
- ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংশোধন সাপেক্ষে, নির্বাচন কমিশন ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (পি.ও নং ১৫৫ অফ ১৯৭২)’ এর আর্টিকেল ৯১বি এর আলোকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর একটি খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।
- ২৯ জুন, ২০২৫ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮’-এর আলোকে এ খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। যেখানে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ কেমন হবে, তা নিয়ে বেশ কিছু নতুন বিষয় সংযোজন করেছে কমিশন।

• মাইকে গণসংযোগের সময় শব্দের মাত্রা ৬০ ডেসিবেলে রাখতে হবে। প্রচারণার সময় তিন সপ্তাহ থাকছে। টিভিতে সংলাপের সুযোগ রাখা হয়েছে।
• যেসব প্রার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি বা সদস্য হিসেবে পরিচালনা পর্ষদে থাকবেন বা মনোনীত হয়েছেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর সেখান থেকে তাদের পদত্যাগ করতে হবে।
• নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনে যে নরমাল শাস্তি ছিল, ছয় মাস কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, এবার জরিমানা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকার প্রস্তাব রয়েছে।
• নির্বাচনি প্রচারণায় অপচনশীল দ্রব্য যেমন- রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিকসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোন উপাদানে তৈরি কোন নির্বাচনি প্রচারপত্র, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন ও ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না।
• নির্বাচনে প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা চালাতে পারবে না। তবে প্রার্থী বা তার এজেন্টের অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করতে হবে।
• প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণায় দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ৩টির অধিক মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করতে পারবে না।
• মসজিদ, মন্দির, গির্জা বা অন্য কোন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কোন প্রকার নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

৫০.
কোন মুঘল সম্রাটের শাসনামলে ঢাকা গেইট নির্মিত হয়েছে?
  1. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  2. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. সম্রাট আকবর
  4. সম্রাট বাবর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আওরঙ্গজেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা

ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা।
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে ঢাকা গেইট নির্মিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
- মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।
- সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- সম্প্রতি ঢাকা গেট সংস্কার শেষে নতুন করে উদ্বোধন হয় ঐতিহাসিক ঢাকা গেইট।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বিবিসি বাংলা।

৫১.
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ দলিলটির শিরোনাম কী?
  1. ডিক্লারেশন অব ইন্ডিপেনডেন্স
  2. ইন্সট্রুমেন্ট অব সারেন্ডার
  3. এগ্রিমেন্ট অব বাংলাদেশ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ইন্সট্রুমেন্ট অব সারেন্ডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্সট্রুমেন্ট অব সারেন্ডার
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিল: INSTRUMENT OF SURRENDER 1971
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ দলিলটির শিরোনাম INSTRUMENT OF SURRENDER.
- এটি তিন প্রস্থে প্রস্তুত করা হয়। একটি প্রস্থ ভারত সরকার এবং দ্বিতীয় প্রস্থ পাকিস্তান সরকারের কাছে সংরক্ষিত আছে। তৃতীয় প্রস্থটি রয়েছে ঢাকার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেল পাঁচটা এক মিনিটে রমনা রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মুক্তিবাহিনী-মিত্রবাহিনী যৌথ কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী পাকিস্তানের আত্মসমপর্ণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সকালে মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান। ১৬ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্য বিনা শর্তে সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলের সম্মিলিত বাহিনী প্রধান লেঃ জেনারেল জগজিত সিং অরোরা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অধিনায়ক লেঃ জেঃ এ কে নিয়াজী।
- এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ-সেনা প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

এছাড়াও,
- এই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন এস ফোর্স অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কে এম সফিউল্লাহ, ২নং সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ টি এম হায়দার এবং টাঙ্গাইল মুক্তি বাহিনীর অধিনায়ক জনাব কাদের সিদ্দিকী।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ -ই - আর্কাইভ।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি।
iii) দৈনিক ইত্তেফাক।

৫২.
ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় -
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৬ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা

জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।
- দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

⇒ ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালে।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশ মাছের অবদান ১ শতাংশের বেশি। দেশের মৎস্য উৎপাদনে যার অংশ প্রায় ১১ শতাংশ। বিশ্বের মোট উৎপাদিত ইলিশের ৮০ শতাংশের বেশি আহরিত হয় বাংলাদেশের নদ-নদী, মোহনা ও সাগর থেকে।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৫৩.
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে কতটি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল?
  1. ২২টি
  2. ৩৪টি
  3. ৪২টি
  4. ৫৪টি
সঠিক উত্তর:
৫৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪টি
ব্যাখ্যা

পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে ‘গণভোটের’ বিধান বাদ দিয়েছিল।
- এ ছাড়া পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়। আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও পঞ্চদশ সংশোধনীতে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান সংযোজন করা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

৫৪.
জাতিসংঘ 'সনদ' কার্যকর হয় -
  1. ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
  2. ১৯৪৪ সালের ২৬ জুন
  3. ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল
  4. ১৯৪৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা:
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল-২৬ জুন ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা সানফ্রান্সিসকো শহরে মিলিত হন।
- ২৬ জুন ১১১টি ধারা সম্বলিত জাতিসংঘ সনদ অনুমোদিত হয়।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর।
- মোট ৫১টি দেশ মূল সনদে স্বাক্ষর করেছিল।
- এ কারণে এই ৫১টি দেশকে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ধরা হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৩, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫.
বর্তমানে আসিয়ান কতটি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা

আসিয়ান (ASEAN):
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
- আসিয়ান (ASEAN) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দশটি দেশের একটি আঞ্চলিক সংস্থা, যা ৮ আগস্ট ১৯৬৭ সালে ব্যাংকক, থাইল্যান্ডে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড।
- পরবর্তীতে যোগদানকারী দেশ: ব্রুনাই দারুস সালাম, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
- বর্তমানে আসিয়ান ১০টি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত।
- আসিয়ান অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।

৫৬.
নিম্নের কোন সংস্থাটি 'Soft Loan Window' নামে পরিচিত?
  1. IMF
  2. IDA
  3. IDB
  4. IFC
সঠিক উত্তর:
IDA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IDA
ব্যাখ্যা

• IDA:
- IDA (International Development Association) প্রতিষ্ঠিত হয় ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে।
- এটি সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে, তাই এটি 'International Soft Loan Window' নামে পরিচিত।
- IDA-এর মূল উদ্দেশ্য দারিদ্র্য নিয়ন্ত্রণ এবং বিকাশে সাহায্য করা।
- এটি উন্নত দেশগুলির জন্য অনুকূল শর্তে ঋণ প্রদান করে, যাতে তারা অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতি অর্জন করতে সক্ষম হতে পারে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১৭৫টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- IDA জরুরি সহায়তা প্রদানের জন্য ২০০৭ সালে Crisis Response Window চালু করে।

উৎস: আইডিএ ওয়েবসাইট ও বিশ্বব্যাংক।

৫৭.
'গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স ২০২৫ অনুযায়ী', বাংলাদেশের অবস্থান কততম? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. ৩৭তম
  2. ৩৫তম
  3. ৩৯তম
  4. ৩৩তম
সঠিক উত্তর:
৩৫তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫তম
ব্যাখ্যা

গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স (GFP)- ২০২৫:
• সূচক নির্ধারণের প্রধান মানদণ্ড:
- সামরিক ইউনিটের সংখ্যা;
- আর্থিক সক্ষমতা;
- লজিস্টিক দক্ষতা;
- ভৌগোলিক পরিস্থিতি।

• শীর্ষ তিন সামরিক শক্তিধর দেশ:
১. যুক্তরাষ্ট্র – ১ম স্থান (স্কোর: ০.০৭৪৪);
২. রাশিয়া – ২য় স্থান (স্কোর: ০.০৭৮৮);
৩. চীন – ৩য় স্থান (স্কোর: ০.০৭৮৮)।

• বাংলাদেশের অবস্থান:
মোট দেশ: ১৪৫,
- বাংলাদেশের র‌্যাংক: ৩৫তম,
- পাওয়ার ইনডেক্স স্কোর: ০.৬০৬২।

সূত্র: গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স (GFP) ওয়েবসাইট।

৫৮.
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. মেক্সিকো
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- আয়োজক দেশ: ৩টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো)।
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর।
- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ - ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

⇒ FIFA World Cup:
- ফিফা বিশ্বকাপ (ফুটবল বিশ্বকাপ) একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা।
- এখানে ফিফাভুক্ত দেশগুলোর পুরুষ জাতীয় ফুটবল দল অংশ নেয়।
- ফিফা বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।
- ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে ১৯৪২ এবং ১৯৪৬ এই ২টি বিশ্বকাপের আসর বসেনি।
- সর্বশেষ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে কাতারে, ২০২২ সালে।
- এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ফুটবল বিশ্বকাপের ২২টি আসর।
- ২০২২ এর শিরোপা জয়ী আর্জেন্টিনা।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।

৫৯.
'আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত' নিম্নের কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক
  2. সুইজারল্যান্ডের জেনেভা
  3. সুইজারল্যান্ডের জুরিখ
  4. নেদারল্যান্ডের হেগ
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডের হেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডের হেগ
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice - ICJ):
- International Court of Justice (ICJ) বা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত ও বলা হয়।
- এটি জাতিসংঘের বিচারিক অঙ্গ এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে।
- ICJ শুধুমাত্র সেই বিরোধগুলি শুনানি করে, যা রাষ্ট্রগুলি স্বেচ্ছায় আদালতে নিয়ে আসে।
- ICJ আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কিত বিরোধ যেমন সীমান্তের সমস্যা, সমুদ্রসীমা, এবং চুক্তির ব্যাখ্যা সমাধান করে।
- এটি নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত।
- বিচারক সংখ্যা ১৫ জন।
- বিচারকরা নয় বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
- প্রতি বছর এক তৃতীয়াংশ বিচারক অবসর গ্রহণ করেন।

উৎস: ICJ ওয়েবসাইট।

৬০.
'ট্রয় নগরী' বর্তমানে কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরাক
  2. গ্রীস
  3. তুরস্ক
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

ট্রয় নগরী:
- ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের হেসারলিক বা আনাতোলিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর অস্তিত্ব এবং এর ধ্বংসের ইতিহাস প্রাচীন গ্রীক হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াড-এ পাওয়া যায়।
- ট্রয় নগরী ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় যুক্ত হয়।
- ট্রয়ের যুদ্ধ শুরু খ্রিষ্টপূর্ব ১২৫০ শতকে এবং শেষ খ্রিষ্টপূর্ব ১২৪০ শতকে।
- দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলেছিল যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধ ট্রোজান যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুদ্ধের কারণ ছিল হেলেন নামের এক সুন্দরী মহিলাকে কেন্দ্র করে, যিনি ট্রয়ের রাজা প্রিয়াম এর পুত্র পারিস দ্বারা অপহৃত হন।
- গ্রীক রাজা মেনেলাউস তার স্ত্রীর ফিরিয়ে আনার জন্য ট্রয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

• ট্রয়ের ঘোড়া (Trojan Horse):
- ট্রয়ের ঘোড়া ছিল গ্রীক বাহিনীর একটি কৌশল। তারা একটি বিশাল কাঠামো, যা একটি ঘোড়ার মতো দেখতে, ট্রয়ের শহরে রেখে যায়। এতে গ্রীক সৈন্যরা লুকিয়ে ছিল। ট্রয়ের বাসিন্দারা এটি উপহার মনে করে শহরে নিয়ে আসে। রাতের বেলায় সৈন্যরা বের হয়ে শহরের দরজা খুলে দেয়, এবং গ্রীক বাহিনী ট্রয় ধ্বংস করে। এটি প্রতারণা ও কৌশলের প্রতীক হয়ে আছে।

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।

৬১.
'World Trade Organization (WTO)' এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম কী ছিল?
  1. General Agreement on Tariffs and Trade
  2. General Assessment on Tariffs and Trade
  3. General Agreement on Tarifics and Trading
  4. General Agreement on Tariffs
সঠিক উত্তর:
General Agreement on Tariffs and Trade
উত্তর
সঠিক উত্তর:
General Agreement on Tariffs and Trade
ব্যাখ্যা

• WTO:
- WTO এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).
- WTO (World Trade Organization) ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- WTO এর বর্তমান সদস্য ১৬৬টি ।
- বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- WTO এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ড।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট ও Britannica.

৬২.
মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ARSA’ এর পূর্ণরূপ -
  1. Army of Rohingya State Alliance
  2. Arakan Rohingya Salvation Army
  3. Arakan Resistance and Security Army
  4. Armed Rohingya Security Alliance
সঠিক উত্তর:
Arakan Rohingya Salvation Army
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arakan Rohingya Salvation Army
ব্যাখ্যা

• Arakan Rohingya Salvation Army (ARSA):
- ARSA হল একটি সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী যা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে (পূর্বের আরাকান) রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার নামে কার্যক্রম চালায়।
- ARSA-আনুমানিক ২০১৩ সালে গঠিত হয়েছিল।
- পূর্বে Harakah al-Yaqin (HaY) নামে পরিচিত ছিল।
- এরা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি গণতান্ত্রিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সশস্ত্র তৎপরতা চালিয়ে আসছে।
- ২০১৬ ও ২০১৭ সালে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালায়।
- ২০১৭ সালের আগস্টে ARSA-র হামলার প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী ব্যাপক দমন-পীড়ন চালায়, যার ফলে দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

সূত্র: বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।

৬৩.
'নোবেল পুরস্কার' বিজয়ী প্রথম নারী কে?
  1. মেরি কুরি
  2. বার্থাভন সুটনার
  3. মেরি কুইন
  4. গ্রাজিয়া দেলেদ্দা
সঠিক উত্তর:
মেরি কুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরি কুরি
ব্যাখ্যা

মেরি কুরি (Marie Curie):
- নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম নারী মেরি কুরি।
- তিনিই বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি, যিনি বিজ্ঞানের দুই দুইটি শাখায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- তেজস্ক্রিয়া গবেষণার পথিকৃৎ মেরি কুরি ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে এবং ১৯১১ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ৭ নভেম্বর, ১৮৬৭ সালে পোল্যান্ডের ওয়ারশ শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৯১ এর শেষের দিকে মেরি পোল্যান্ড থেকে ফ্রান্সের উদ্দেশে পাড়ি জমান।

অন্যদিকে,
- সাহিত্যে নোবেল জয়ী প্রথম নারী সেলমা লাগেরলফ।
- শান্তিতে প্রথম মহিলা নোবেল বিজয়ী বার্থাভন সুটনার।
- গ্রাজিয়া দেলেদ্দা ১৯২৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯০১ - ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট ৬৫ জন নারী ৬৬ বার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- এর মধ্যে একমাত্র মেরি কুরি যিনি দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৬৪.
'ফোর্টিফাই রাইটস' সংগঠনটি কী বিষয়ে কাজ করে?
  1. মানবাধিকার
  2. পরিবেশ
  3. রাজনৈতিক
  4. অর্থনৈতিক
সঠিক উত্তর:
মানবাধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানবাধিকার
ব্যাখ্যা

Fortify Rights:
- ফোর্টিফাই রাইটস (Fortify Rights) থাইল্যান্ডভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংগঠন।
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৩ সালে।
- এটি বিশেষভাবে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, এবং অন্যান্য অঞ্চলের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
- সম্প্রতি (মার্চ, ২০২৫] মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গৃহযুদ্ধের শিকার বেসামরিক নাগরিকদের মানবিক সহায়তা এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ ও আরাকান আর্মিকে ‘মানবিক করিডর’ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ফোর্টিফাই রাইটস।

উৎস: সমকাল পত্রিকা এবং Fortify Rights ওয়েবসাইট।

৬৫.
'বিশ্ব মানবিক ভাতৃত্ববোধ বিষয়ক সম্মেলন-২০২৫' নিচের কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ভ্যাটিক্যান সিটি
  2. চীন
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ভ্যাটিক্যান সিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যাটিক্যান সিটি
ব্যাখ্যা

• বিশ্ব মানবিক ভাতৃত্ববোধ বিষয়ক সম্মেলন-২০২৫:
- ২০২৫ সালের ১২-১৩ সেপ্টেম্বর 'বিশ্ব মানবিক ভাতৃত্ববোধ বিষয়ক সম্মেলন-২০২৫' ভ্যাটিক্যান সিটিতে অনুষ্ঠিত হবে।
- বিশ্বমানব ভ্রাতৃত্ব সম্মেলন এক ঐতিহাসিক সমাবেশে পরিণত হতে যাচ্ছে— যা ঐক্য, শান্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ গঠনে বিশ্বনেতা, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও চিন্তাবিদদের একত্রিত করবে।
- এই অনুষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে মানবতার সারণীর খসড়া, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য সর্বজনীন নীতির রূপরেখা। আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহানুভূতিশীল বিশ্বের জন্য পোপ ফ্রান্সিসের দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি নতুন মানবসনদকে সংজ্ঞায়িত করার একটি ভিত্তিমূলক দলিল।
এই উপলক্ষে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে একটি বিশাল সমাবেশ আশা করা হচ্ছে, যা অন্যতম বৃহত্তম ইভেন্ট হিসাবে চিহ্নিত হবে। অনুষ্ঠানটিতে মানবভ্রাতৃত্বের নীতিগুলো পুনরায় নিশ্চিত করে একটি বৈশ্বিক কনসার্ট, আলোচনা এবং প্রতীকী মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনাও থাকবে।

উৎস: Fondazione Fratelli tutti ওয়েবসাইট।

৬৬.
'রোমান সাম্রাজ্যের' প্রথম সম্রাট নিম্নের কে ছিলেন?
  1. জুলিয়াস সিজার
  2. অগাস্টাস সিজার
  3. তুজিয়াস সিজার
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
অগাস্টাস সিজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগাস্টাস সিজার
ব্যাখ্যা

• অগাস্টাস সিজার:
- রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট ছিলেন অগাস্টাস সিজার।
- তিনি মহাবীর জুলিয়াস সিজারের ভাগ্নে।
- অগাস্টাস সিজারের আসল নাম ছিল গাইয়াস অক্টাভিয়াস।
- জুলিয়াস সিজারের মৃত্যুর পর তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে অগাস্টাস সিজার রাখেন।
- ৬৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমের সমরনায়ক ও সিনেট সদস্যরা যখন দুই ভাগে বিভক্ত, এমনই এক সময় জন্মলাভ করেন অগাস্টাস সিজার।

⇒ সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস (খ্রিস্টপূর্ব ৩১-১৪ খ্রিস্টাব্দ) রোমের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত শাসক ছিলেন।
- তাঁর শাসনামলে রোমীয় সভ্যতায় স্বর্ণযুগের সূচনা হয়।
- তিনি একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন শাসক ছিলেন।
- তাঁর সময়ে রোমীয় ইতিহাস, সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিল্পকলা, বিজ্ঞানচর্চা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে।
- এই জন্য ইতিহাসে তাঁর সময়কালকে 'অগাস্টান যুগ' (Augustan Age) বলা হয়।

উৎস:Britannica ওয়েবসাইট এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭.
'স্ট্যাচু অব লিবার্টি'-এর মূল নকশাকার নিম্নের কে?
  1. ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি
  2. উইলিয়াম নেপোলিয়ন
  3. ফ্রেডরিক থমাস
  4. প্রিয়ালো বার্থো
সঠিক উত্তর:
ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি
ব্যাখ্যা

স্ট্যাচু অব লিবার্টি:
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে খ্যাত স্ট্যাচু অব লিবার্টি’।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লিবার্টি দ্বীপে অবস্থিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তিতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ফ্রান্সের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে ভাস্কর্যটি উপহার দিয়েছিল ২৮ অক্টোবর ১৮৮৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্ট্যাচুটি উপহার হিসেবে গ্রহণ করেন।
- তাই প্রতিবছর ২৮ অক্টোবর ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র জন্মদিন পালন করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯২৪ সালে একে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করে।
- ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ নামে বিশ্ববাসী মূর্তিটিকে চিনলেও এর প্রকৃত নাম ‘লিবার্টি এনলাইটেনিং দ্য ওয়ার্ল্ড’।
- ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র মূল নকশাকার ছিলেন ফ্রান্সের ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি।

এছাড়াও,
- মূর্তিটি একজন নারীর রূপে স্বাধীনতার মূর্তি।
- মূল ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৫১ ফুট, বেদিসহ এর উচ্চতা ৩০৫ ফুট (৯৩ মিটার)।
- এটি একহাত দিয়ে যে বইটি ধরে আছে সে বইয়ের ওপরে লেখা আছে একটি তারিখ, আর তা হল “৪ জুলাই, ১৭৭৬”।এই তারিখেই ব্রিটিশ শাসন থেকে যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীন হয়েছিল!

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।

৬৮.
নিম্নের কোন দেশ থেকে 'অস্ট্রেলিয়া' স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• অস্ট্রেলিয়া:
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়া মহাদেশের একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ওশেনিয়ার সর্ব বৃহ‌ৎ রাষ্ট্র ও পৃথিবীর ৬ষ্ঠ বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: ক্যানবেরা।
- বিখ্যাত জনবহুল শহর: সিডনি।
- মুদ্রা: অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- সিডনিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নাম: কিরিবিলি হাউস।
- অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯০১ সালে।
- ১৯০১ সালে অস্ট্রেলিয়া ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা স্বাধীন কমনওয়েলথ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।

৬৯.
'World Government Summit- 2025' নিম্নের কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. সৌদি আরব
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. ইতালি
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

বিশ্ব সরকার সম্মেলন ২০২৫:
- ২০১৩ সালে দুবাইয়ের শাসক মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ব সরকার শীর্ষ সম্মেলন।
- সরকারি অভিজ্ঞতা এবং উদ্ভাবন বিনিময়ের একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।
- এই শীর্ষ সম্মেলন সরকার ও জনগণের মধ্যে সংযোগ জোরদার করার জন্য- বৈশ্বিক সংলাপ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারগুলোর মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- ১১ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে 'বিশ্ব সরকার সম্মেলন ২০২৫' অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞরা বৈশ্বিক সরকারব্যবস্থা, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও পরিবেশসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন।
- এই সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন এবং অংশগ্রহণ করেন।

সূত্র- বাসস পত্রিকা রিপোর্ট।

৭০.

    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ৭১.

    1. 0
    2. 2
    3. - 3
    4. 5
    সঠিক উত্তর:
    5
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    5
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ৭২.
    'ALGEBRA' শব্দের বর্ণ গুলোকে কত উপায়ে সাজানো যাবে যাতে A সবসময় প্রথম বর্ণ থাকে?
    1. 920
    2. 720
    3. 5040
    4. 360
    সঠিক উত্তর:
    720
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    720
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'ALGEBRA' শব্দের বর্ণ গুলোকে কত উপায়ে সাজানো যাবে যাতে A সবসময় প্রথম বর্ণ থাকে?

    সমাধান:
    'ALGEBRA' শব্দে মোট 7 টি বর্ণ আছে। যথা A, L, G, E, B, R, A
    এখানে A বর্ণটি 2 বার আছে।

    যেহেতু প্রথম স্থান A দিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে পূরণ করা হবে, তাই প্রথম স্থানের জন্য কোনো আলাদা বাছাই নেই।

    সুতরাং বাকি 6 টি বর্ণ L, G, E, B, R, A
    এখানে কোনো বর্ণই একাধিকবার নেই (কারণ A দুটির একটি প্রথমে ব্যবহার করায় বাকি 1 টি A আছে, তাই পুনরাবৃত্তি নেই)।

    ∴ বিন্যাস সংখ্যা = 6 টি ভিন্ন বস্তুর বিন্যাস = 6! = 6 × 5 × 4 × 3 × 2 = 720

    ৭৩.
    x - 2y - 8 = 0 এবং 2x + y - 12 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?
    1. 1/3
    2. - 2
    3. 1/2
    4. - 1
    সঠিক উত্তর:
    - 1
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    - 1
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: x - 2y - 8 = 0 এবং 2x + y - 12 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?

    সমাধান:
    দেওয়া আছে,
    x - 2y - 8 = 0 এবং 2x + y - 12 = 0

    আমরা জানি,
    সরল রেখার সাধারণ সমীকরণ, y = mx + c [যেখানে, m = ঢাল]

    এখন,
    প্রথম রেখার ঢাল:
    x - 2y - 8 = 0 সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
    ⇒ 2y = x - 8
    ∴ y = (1/2)x - 4
    সুতরাং, প্রথম রেখার ঢাল, m1 = 1/2

    আবার,
    দ্বিতীয় রেখার ঢাল:
    2x + y - 12= 0 সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
    ⇒ y = - 2x + 12
    সুতরাং, দ্বিতীয় রেখার ঢাল, m2 = - 2

    ∴ ঢালদ্বয়ের গুণফল = m1 × m2 = (1/2) × (- 2) = - 1
    এই দুটি রেখা পরস্পর লম্ব, কারণ তাদের ঢালদ্বয়ের গুণফল - 1

    ৭৪.
    কোন ত্রিভুজের ১ম কোণ যদি ২য় কোণের চারগুণ এবং ৩য় কোণ যদি ১ম কোণের চেয়ে 63° বড় হয়, তাহলে ৩য় কোণটি কত ডিগ্রি?
    1. 115°
    2. 78°
    3. 52°
    4. 105°
    সঠিক উত্তর:
    115°
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    115°
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: কোন ত্রিভুজের ১ম কোণ যদি ২য় কোণের চারগুণ এবং ৩য় কোণ যদি ১ম কোণের চেয়ে 63° বড় হয়, তাহলে ৩য় কোণটি কত ডিগ্রি?

    সমাধান:
    ধরি,
    ২য় কোণ = x
    ∴ ১ম কোণ = 4x
    ৩য় কোণ = 4x + 63°

    প্রশ্নমতে,
    x + 4x + 4x + 63° = 180°
    ⇒ 9x = 180° - 63°
    ⇒ 9x = 117°
    ⇒ x = 117°/9
    ∴ x = 13°

    ∴ ৩য় কোণ = 4x + 63 = 52° + 63° = 115°

    ৭৫.
    চিনির মূল্য ৬% বেড়ে যাওয়ায় ১০৬০ টাকার পূর্বে যত কেজি চিনি কেনা যেত এখন তার চেয়ে ৩ কেজি চিনি কম কেনা যায়।পূর্বে চিনির দাম কেজি প্রতি কত ছিল?
    1. ২১.২০ টাকা
    2. ২৫ টাকা
    3. ২০ টাকা
    4. ১৮.২৫ টাকা
    সঠিক উত্তর:
    ২০ টাকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২০ টাকা
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: চিনির মূল্য ৬% বেড়ে যাওয়ায় ১০৬০ টাকার পূর্বে যত কেজি চিনি কেনা যেত এখন তার চেয়ে ৩ কেজি চিনি কম কেনা যায়। পূর্বে চিনির দাম কেজি প্রতি কত ছিল?

    সমাধান:
    মনে করি,
    পূর্বমূল্য = ১০০ টাকা
    আবার,
    ১০৬০ টাকার ৬% = ১০৬০ × (৬/১০০) = ৬৩.৬০ টাকা

    বর্তমানে ৩ কেজি চিনির দাম ৬৩.৬০ টাকা
    বর্তমানে ১ কেজি চিনির দাম ৬৩.৬০/৩ = ২১.২০ টাকা

    আবার,
    ৬% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = ১০০ + ৬ = ১০৬ টাকা

    এখন,
    ১০৬ টাকা বর্তমান দর হলে পূর্ব দর = ১০০ টাকা
    ∴ ১ টাকা বর্তমান দর হলে পূর্ব দর = ১০০/১০৬ টাকা
    ∴ ২১.২০ টাকা বর্তমান দর হলে পূর্ব দর = (১০০ × ২১.২০)/১০৬ টাকা
    = ২০ টাকা

    সুতরাং, পূর্বে চিনির দাম কেজি প্রতি ২০ টাকা।

    ৭৬.
    8 + 4√2 + 4 + 2√2+..................... ধারাটির কততম পদ √2?
    1. 6
    2. 4
    3. 8
    4. 5
    সঠিক উত্তর:
    6
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    6
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 8 + 4√2 + 4 + 2√2+..................... ধারাটির কততম পদ √2?

    সমাধান:
    এটি একটি গুণোত্তর ধারা। যার
    ১ম পদ, a = 8
    এবং সাধারণ অনুপাত, r = 4√2/8 = √2/2 = 1/√2

    আমরা জানি,
    গুণোত্তর ধারার n তম পদ = arn - 1

    প্রশ্নমতে,
    arn - 1 = √2
    ⇒ 8 × (1/√2)n - 1 = √2
    ⇒ (1/√2)n - 1 = √2/8
    ⇒ (1/√2)n - 1 = √2/(√2)6 ; [(√2)6 = 8]
    ⇒ (√2)- (n - 1) = (√2)1 - 6
    ⇒ - (n - 1) = - 5
    ⇒ - n + 1 = - 5
    ⇒ n = 1 + 5
    ∴ n = 6

    অর্থাৎ ৬ষ্ঠ পদটি √2

    ৭৭.
    4, 8 এবং 16 এর জ্যামিতিক গড় কত?
    1. 12
    2. 5
    3. 8
    4. 4
    সঠিক উত্তর:
    8
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    8
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 4, 8 এবং 16 এর জ্যামিতিক গড় কত?

    সমাধান:
    আমরা জানি,
    n সংখ্যক সংখ্যার গুণোত্তর গড় বা জ্যামিতিক গড় =

    ∴ 4, 8 এবং 16 এর জ্যামিতিক গড় = (4 × 8 × 16)1/3
    = (512)1/3
    = (83)1/3
    = 8

    ৭৮.

    1. 0
    2. 2√2
    3. 4
    4. √2
    সঠিক উত্তর:
    2√2
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    2√2
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ৭৯.
    4 মিটার ব্যাস বিশিষ্ট বৃত্তের অভ্যন্তরে একটি বর্গ অঙ্কিত হলো। বৃত্ত ও বর্গের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?
    1. π : 2√2
    2. π : 4
    3. 4 : π
    4. π : 2
    সঠিক উত্তর:
    π : 2
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    π : 2
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 4 মিটার ব্যাস বিশিষ্ট বৃত্তের অভ্যন্তরে একটি বর্গ অঙ্কিত হলো। বৃত্ত ও বর্গের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?

    সমাধান:
    দেওয়া আছে,
    বৃত্তের ব্যাস =4 মিটার
    বৃত্তের ব্যাসার্ধ, r = 4/2 = 2 মিটার

    আমরা জানি,
    ∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2
    = π × 22 বর্গমিটার
    = 4π বর্গমিটার

    বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = বৃত্তের ব্যাসের দৈর্ঘ্য = 2 × 2 = 4 মিটার
    ∴ বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = 4/√2 = 2√2 মিটার

    ∴ বর্গের ক্ষেত্রফল = (2√2)2 বর্গমিটার = 8 বর্গমিটার

    ∴ বৃত্ত ও বর্গের ক্ষেত্রফলের অনুপাত = 4π : 8
    = π : 2

    ৮০.
    নিচের কোনটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ?
    1. Linux
    2. Python
    3. Java
    4. Ruby
    সঠিক উত্তর:
    Linux
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Linux
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: নিচের কোনটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ?

    সমাধান:

    • Linux:
    - Linux হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনা করে।
    - এটি একটি প্ল্যাটফর্ম বা ভিত্তি যেখানে বিভিন্ন সফটওয়্যার রান করতে পারে।
    - Linux নিজেই কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়।
    - সাধারণত সার্ভার, ডেস্কটপ, মোবাইল বা এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।

    • Python:
    - Python হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা সাধারণত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডেটা সায়েন্স, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
    - এটি একটি ইন্টারপ্রেটেড এবং উচ্চ-স্তরের ভাষা।
    - Python Linux-এর মতো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

    • Java:
    - Java হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা এবং প্ল্যাটফর্ম।
    - এটি সাধারণত অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এবং ওয়েব সার্ভিসে ব্যবহৃত হয়।
    - Java Linux-এর মতো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

    • Ruby:
    - Ruby হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, স্ক্রিপ্টিং এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়।
    - এটি Linux-এর মতো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

    সুতরাং, অন্যগুলো প্রোগ্রামিং ভাষা হলেও Linux হলো অপারেটিং সিস্টেম।
    সঠিক উত্তর: ক) Linux.

    ৮১.
    প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

    1. 2
    2. 6
    3. 8
    4. 10
    সঠিক উত্তর:
    6
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    6
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

    সমাধান:
    প্রথম সারিতে,
    9 + 1 + 5 = 15

    দ্বিতীয় সারিতে,
    4 + 8 + 3 = 15

    তৃতীয় সারিতে,
    2 + 6 + 7 = 15

    প্রত্যেক সারির সংখ্যাগুলোকে যোগ করা হয়েছে যাদের প্রত্যেকের যোগফল 15.

    সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 6 বসবে।

    ৮২.
    বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ' ব্যঞ্জন বর্ণের অবস্থান হচ্ছে: _______।
    1. ট বর্গের চতুর্থ
    2. চ বর্গের চতুর্থ
    3. ত বর্গের চতুর্থ
    4. প বর্গের চতুর্থ
    সঠিক উত্তর:
    ত বর্গের চতুর্থ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ত বর্গের চতুর্থ
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ' ব্যঞ্জন বর্ণের অবস্থান হচ্ছে: _______।

    সমাধান:
    - বাংলা ব্যঞ্জন বর্ণমালায় বর্গ ৫ টি।
    - এগুলো হলো - ক, চ, ট, ত, প।

    প্রতিটি বর্গে ৫ টি করে বর্ণ আছে। যথা-
    - ক, খ, গ, ঘ, ঙ
    - চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
    - ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
    - ত, থ, দ, , ন
    - প, ফ, ব, ভ, ম

    - বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ' ব্যঞ্জন বর্ণের অবস্থান ”ত” বর্গের চতুর্থ স্থানে।

    ৮৩.
    যদি 11894 = ARID হয় তাহলে 172194 = ?
    1. ACID
    2. AMID
    3. QUID
    4. QUIT
    সঠিক উত্তর:
    QUID
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    QUID
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি 11894 = ARID হয় তাহলে 172194 = ?

    সমাধান:
    যদি 11894 = ARID হয় তাহলে 172194 = QUID

    ইংরেজি বর্ণমালার অবস্থান (A = 1, B = 2,..., Z = 26) বিবেচনা করে দেখা যায়-
    1 = A,
    18 = R,
    9 = I,
    4 = D
    ∴ 11894 = ARID

    একইভাবে,
    17 = Q,
    21 = U,
    9 = I,
    4 = D

    ∴ 172194 = QUID

    ৮৪.
    প্রদত্ত চিত্রে কতগুলো ত্রিভুজ রয়েছে?

    1. 18
    2. 20
    3. 24
    4. 26
    সঠিক উত্তর:
    18
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    18
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রে কতগুলো ত্রিভুজ রয়েছে?

    সমাধান:
    উপরোক্ত বৃহৎ ত্রিভুজে মোট কতটি ত্রিভুজ আছে
    = pn(n - 1)/2
    = 3 × 4(4 - 1)/2
    = (3 × 12)/2
    = 18

    এখানে,
    p = আনুভূমিক রেখার সংখ্যা
    n = লম্বালম্বি বা তির্যক রেখার সংখ্যা

    ৮৫.
    "তু, য়া, ভা" বর্ণগুলোর সাথে নিচের কোনটি যোগ করে বিন্যাস করলে একটি দেশের নাম পাওয়া যাবে?
    1. সু
    2. ভা
    3. নু

    সঠিক উত্তর:
    নু
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নু
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: "তু, য়া, ভা" বর্ণগুলোর সাথে নিচের কোনটি যোগ করে বিন্যাস করলে একটি দেশের নাম পাওয়া যাবে?

    সমাধান:
    "তু, য়া, ভা" বর্ণগুলোর সাথে "নু" বর্ণটি যোগ করে বিন্যাস করলে "ভানুয়াতু" শব্দটি পাওয়া যায়।

    • ভানুয়াতু:
    - ভানুয়াতু হলো দক্ষিণ-প্যাসিফিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
    - এটি প্রায় ৮০টি ছোট-বড় দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
    - রাজধানী হলো পোর্ট ভিলা।
    - দেশটির প্রধান ভাষা হলো বিসলামা, ইংরেজি ও ফরাসি।

    • মেলানেশিয়া:
    - মেলানেশিয়া হলো দক্ষিণ-প্যাসিফিকের একটি দ্বীপসমূহের অঞ্চল।
    - প্রধান দেশগুলো হলো পাপুয়া নিউ গিনি, ফিজি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ভানুয়াতু, ও নিউ ক্যালিডোনিয়া।
    - নামের অর্থ হলো “কালো দ্বীপসমূহ” (মেলা = কালো, নেশিয়া = দ্বীপ)।
    - এখানে মূলত আফ্রো-প্যাসিফিক জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে।

    উৎস: World Atlas.

    ৮৬.
    সাবিহা একটি বালিকা লাইনের যেকোন প্রান্ত থেকে ত্রয়োদশ অবস্থানে রয়েছে। ঐ লাইনে কতজন বালিকা আছে?
    1. ২৫ জন
    2. ২১ জন
    3. ২৭ জন
    4. ২৯ জন
    সঠিক উত্তর:
    ২৫ জন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২৫ জন
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: সাবিহা একটি বালিকা লাইনের যেকোন প্রান্ত থেকে ত্রয়োদশ অবস্থানে রয়েছে। ঐ লাইনে কতজন বালিকা আছে?

    সমাধান:
    সাবিহা সামনের দিক এবং পিছনের দিক উভয় দিক থেকেই ১৩তম অবস্থানে রয়েছে।

    ঐ লাইনে বালিকা আছে = ১২ + ১ + ১২ = ২৫ জন

    ৮৭.
    ঘড়িতে ১০ টা ১০ মিনিট বাজলে আয়নার প্রতিবিম্বে কয়টা বাজতে দেখা যাবে?
    1. ৫ টা ১০ মিনিট
    2. ৩ টা ১৫ মিনিট
    3. ২ টা ১৫ মিনিট
    4. ১ টা ৫০ মিনিট
    সঠিক উত্তর:
    ১ টা ৫০ মিনিট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১ টা ৫০ মিনিট
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ঘড়িতে ১০ টা ১০ মিনিট বাজলে আয়নার প্রতিবিম্বে কয়টা বাজতে দেখা যাবে?

    সমাধান:
    আমরা জানি,
    আয়নার সময় = ১১ : ৬০ - প্রকৃত সময়
    = ১১ : ৬০ - ১০ : ১০
    = ১ : ৫০

    সুতরাং, ঘড়িতে ১০ টা ১০ মিনিট বাজলে আয়নার প্রতিবিম্বে ১ টা ৫০ মিনিট বাজতে দেখা যাবে।

    ৮৮.
    একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আনিছ সাহেব ও তাঁর স্ত্রী, তিন পুত্র ও তাদের স্ত্রী এবং প্রত্যেক পুত্রের ৩ জন করে সন্তান ছিলেন। ঐ অনুষ্ঠানে মোট কতজন উপস্থিত ছিলেন?
    1. ২০ জন
    2. ২৪ জন
    3. ১৭ জন
    4. ১৬ জন
    সঠিক উত্তর:
    ১৭ জন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৭ জন
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আনিছ সাহেব ও তাঁর স্ত্রী, তিন পুত্র ও তাদের স্ত্রী এবং প্রত্যেক পুত্রের ৩ জন করে সন্তান ছিলেন। ঐ অনুষ্ঠানে মোট কতজন উপস্থিত ছিলেন?

    সমাধান:
    মোট লোক = আনিছ সাহেব + তাঁর স্ত্রী + তাদের তিন পুত্র + তিন পুত্রের স্ত্রী + পুত্রদের মোট ৯ সন্তান
    = ১৭ জন।

    ∴ বিয়ের অনুষ্ঠানে মোট উপস্থিত ছিলেন ১৭ জন।

    ৮৯.
    আরব ভূখন্ডকে ‘জাযিরাতুল আরব’ বলা হয় কেন?
    1. চার দিকে জল বেষ্টিত
    2. তিন দিকে জল এক দিকে স্থলবেষ্টিত
    3. চার দিকে ভূমী বেষ্টিত
    4. তিন দিকে স্থল এক দিকে জল বেষ্টিত
    সঠিক উত্তর:
    তিন দিকে জল এক দিকে স্থলবেষ্টিত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    তিন দিকে জল এক দিকে স্থলবেষ্টিত
    ব্যাখ্যা

    ⇒আরব ভূখন্ডের তিন দিক সাগর ও এক দিকে স্থল বেষ্টিত থাকার কারণে একে আরব উপদ্বীপ বা ‘জাযিরাতুল আরব’ বলা হয়।

    ৯০.
    হারুন-অর-রশীদ আলী বংশীয়দের দমন করেন কেন?
    1. খিলাফতের জন্য হুমকি স্বরূপ বলে
    2. পূর্ব শত্রুতা ছিল বলে
    3. যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল বলে
    4. বিদ্রোহ করেছিল বলে
    সঠিক উত্তর:
    খিলাফতের জন্য হুমকি স্বরূপ বলে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খিলাফতের জন্য হুমকি স্বরূপ বলে
    ব্যাখ্যা

    ⇒হারুন-অর-রশীদ খিলাফতের জন্য হুমকি স্বরূপ মনে করে আলী বংশীয়দের দমন করেন।
    - এ জন্য তিনি আলী বংশীয় শ্রেষ্ঠ জ্ঞান সাধক মুসা আলকাযিমকে কারাগারে বন্দী করেন।

    ৯১.
    রিদ্দার যুদ্ধে আবু বকর (রা.) কয়টি ভাগে সৈন্য প্রেরণ করেন?
    1. ৯টি
    2. ১০ টি
    3. ১১ টি
    4. ১২ টি
    সঠিক উত্তর:
    ১১ টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১১ টি
    ব্যাখ্যা

    ⇒আবু বকর (রা.) স্বধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
    -তিনি আরবের বিভিন্ন প্রান্ত হতে সৈন্য সমাবেশ ঘটান।
    -সমগ্র সেনা বাহিনীকে তিনি ১১ টি ভাগে বিভক্ত করে এক এক ভাগকে এক এক অংশে প্রেরণ করেন।

    ৯২.
    কার নির্দেশে গুলবদন বেগম 'হুমায়ূন নামা' গ্রন্থটি রচনা করেন?
    1. বাবরের
    2. হুমায়ুনের
    3. শেরশাহের
    4. আকবরের
    সঠিক উত্তর:
    আকবরের
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আকবরের
    ব্যাখ্যা

    ⇒১৫৮৭ খ্রি. আকবরের নির্দেশে বাবুর কন্যা গুলবদন বেগম (১৫২৩-১৬০৩) 'হুমায়ূন নামা' গ্রন্থটি রচনা করেন।
    -বাবুর ও হুমায়ুনের ব্যক্তিগত পারিবারিক জীবন এবং মুঘল হারেমের ইতিহাস জানার ক্ষেত্রে এ গ্রন্থটি প্রথম শ্রেণীর ঐতিহাসিক তথ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

    ৯৩.
    কোন মুসলিম মনিষী সর্বপ্রথম ডাক বিভাগ চালু করেন?
    1. ওমর (রা.)
    2. মুয়াবিয়া
    3. আব্দুল মালিক
    4. শেরশাহ
    সঠিক উত্তর:
    মুয়াবিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মুয়াবিয়া
    ব্যাখ্যা

    ⇒মুসলিম প্রশাসকদের মধ্যে মুয়াবিয়া সর্বপ্রথম ডাক বিভাগ চালু করেন।
    -সরকারী ও বেসরকারী তথ্য ও সংবাদ ইত্যাদি আদান প্রদানের জন্য তিনি তার সমগ্র রাজ্যে ১২ মাইল অন্তর একটি ডাকঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
    -এই বিভাগকে বলা হত ‘দিওয়ান আল-বারিদ’ (ডাক বিভাগ) এবং এর প্রধান পরিচালককে বলা হত সাহিব-আল-বারিদ।

    ৯৪.
    মহানবী (স.) কোন নবীর বংশধ্বর ছিলেন?
    1. হযরত মুসা (আ.)
    2. হযরত ইসহাক (আ.)
    3. হযরত ঈসা (আ.)
    4. হযতর ইসমাঈল (আ.)
    সঠিক উত্তর:
    হযতর ইসমাঈল (আ.)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হযতর ইসমাঈল (আ.)
    ব্যাখ্যা

    ⇒হযরত ইবরাহীম (অ.)-এর সুযোগ্য পুত্র ইসমাঈল (আ)-এর অধস্তন বংশধরদের থেকে আরবের সর্বর্শেষ্ঠ্র ও সুপ্রসিদ্ধ কুরাইশ বংশের গোড়াপত্তন হয়।
    -‘কুরাইশ’ উপাধি সবর্পথ্রম ফিহর গ্রহন করেছিলেন।
    -ফিহরের অধস্তন বংশধররাই কুরাইশ নামে পরিচিত।

    ৯৫.
    "ইন্ডিয়া এ্যাক্ট” আইন পাস করেন কে?
    1. লর্ড কর্নওয়ালিস
    2. ওয়ারেন হেস্টিংস
    3. উইলিয়াম পিট
    4. লর্ড নর্থ
    সঠিক উত্তর:
    উইলিয়াম পিট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উইলিয়াম পিট
    ব্যাখ্যা

    ⇒রেগুলেটিং এ্যাক্ট-এর ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য ১৭৮৪ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্র উইলিয়াম পিট একটি আইন পাস করেন যা ইতিহাসে পিট এর 'ইন্ডিয়া এ্যাক্ট’ নামে পরিচিত।
    -এ আইন দ্বারা পার্লামেন্ট উপমহাদেশ শাসনের সকল ক্ষমতা গ্রহণ করে।
    -এ আইনের বলে ব্রিটিশ সরকারের নিযুক্ত ৬ জন এবং ইংল্যান্ডের মন্ত্রী সভার ১ জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত ‘বোর্ড অফ কন্ট্রোল’ এর উপর উপমহাদেশ শাসন ও পর্যবেক্ষনের ভার অর্পিত হয়।

    ৯৬.
    কখন মুসলমানরা কনস্টান্টিনোপল বিজয় করেন?
    1. ১৪৫১ সালে
    2. ১৪৫২ সালে
    3. ১৪৫৩ সালে
    4. ১৪৫৪ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৪৫৩ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৪৫৩ সালে
    ব্যাখ্যা

    ⇒রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলকে বলা হয় বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য।
    -বাইজান্টাইদের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
    -যার বর্তমান নাম ইস্তাম্বুল।
    -মুয়াবিয়ার সময় ৬৬৯ সালে মুসলমানরা ইয়াজিদের নেতৃত্বে সর্ব প্রথম কনস্টান্টিনোপল অবরোধ করেন।
    -যা অটোমান সুলতান ২য় মুহাম্মদ ১৪৫৩ সালে বিজয় করেন।

    ৯৭.
    কোন খলিফা কুরআন সংকলন শুরু করেন কোন খলিফা?
    1. হযরত আবু বকর (রা.)
    2. হযরত ওমর (রা.)
    3. হযরত ওসমান (রা.)
    4. হযরত আলী (রা)
    সঠিক উত্তর:
    হযরত আবু বকর (রা.)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হযরত আবু বকর (রা.)
    ব্যাখ্যা

    ⇒৬৩৩ সালে ভন্ডনবী মুসায়লামাকে দমনের জন্য আবু বকর (রা) মহাবীর খালিদ বিন ওয়ালিদকে প্রেরণ করলে তিনি ইয়ামামার যুদ্ধে মুসায়লামাকে পরাজিত করেন।
    -এ যুদ্ধে অনেক কুরআনে হাফেজ শহীদ হলে আবু বকর (রা.) যায়েদ বিন সাবিত কে কুরআন সংকলনের দায়িত্ব দেন।

    ৯৮.
    আল-আমিন ও আল-মামুনের মধ্যকার গৃহযুদ্ধ সংঘঠিত হওয়ার কারণ কি?
    1. সাম্রাজ্যের বিভাজন
    2. চারিত্রক পার্থক্য
    3. শিক্ষাগত পাথর্ক্য
    4. কোনটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    চারিত্রক পার্থক্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চারিত্রক পার্থক্য
    ব্যাখ্যা

    ⇒আল-আমিন ও আল-মামুনের মধ্যকার গৃহযুদ্ধ সংঘঠিত বেশকিছু কারণ ছিল। যেমন-
    - চারিত্রিক পার্থক্য
    - উত্তরাধিকার নীতির অভাব
    - অর্থ আত্মসাৎ
    - আরব-পারশ্যিক দ্বন্দ্ব
    - আল আমীনের বিলাসিতা

    ৯৯.
    উন্মাদ সুলতান বলা হয় কাকে?
    1. ফিরোজ শাহ তুঘলক
    2. মুহাম্মদ বিন তুঘলক
    3. গিয়াসউদ্দিন তুঘলক
    4. আলাউদ্দিন খিলজি
    সঠিক উত্তর:
    মুহাম্মদ বিন তুঘলক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মুহাম্মদ বিন তুঘলক
    ব্যাখ্যা

    ⇒অপরিনামদর্শী ও উচ্চভিলাষী ৫ টি পরিকল্পনার জন্য ঐতিহাসিকগণ মুহাম্মদ বিন তুঘলককে উন্মাদ শাসক বলে অভিহিত করেন।
    -তার পাঁচটি পরিকল্পনাই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।

    ১০০.
    Arabian Felix বা সুখী আরব অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নিচের কোন প্রদেশটি?
    1. সিরিয়া
    2. নজদ
    3. আল-হাসসা
    4. হাজরামউত
    সঠিক উত্তর:
    হাজরামউত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হাজরামউত
    ব্যাখ্যা

    Arabia Felix বলতে প্রাচীন ভৌগোলিক পরিভাষায় দক্ষিণ-পশ্চিম ও দক্ষিণ আরব—মূলত ইয়েমেন ও আজকের আসির (SW Saudi Arabia) অঞ্চল বোঝায়; এটি Arabia Deserta (কেন্দ্রের মরু—নজদের দিক) ও Arabia Petraea (উত্তর-পশ্চিম—হেজাজের দিক) থেকে পৃথক। দক্ষিণ আরবের প্রাচীন রাজ্যগুলো—Saba, Himyar, Hadramaut, Qataban, Ma’in—এই অঞ্চলে।

    ১০১.
    বাংলার ১ম স্বাধীন সার্বভৌম শাসক কে ছিলেন?
    1. শশাঙ্ক
    2. লক্ষণ সেন
    3. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
    4. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
    সঠিক উত্তর:
    শশাঙ্ক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    শশাঙ্ক
    ব্যাখ্যা

    ⇒গুপ্ত রাজা মহাসেন গুপ্তের একজন সামন্ত শশাঙ্ক গৌড় অঞ্চলে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাঙালি রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন।
    -শশাঙ্ক (আনু. ৬০৬-৬৩৭খ্রি.) বাংলার খন্ড খন্ড রাজ্যগুলিকে একত্রিত করে বাংলাকে একটি একক শক্তিশালী রাষ্ট্র ্হিসেবে গড়ে তোলেন।
    -তার রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদের কর্ণসুবর্ণ গ্রামে।

    ১০২.
    গুপ্তঘাতক সম্প্রদায়ের নেতা কে ছিলেন?
    1. মালিক শাহ
    2. হাসান বিন সাবাহ
    3. আলপ আর-সালান
    4. নিজাম-উল-মুলক
    সঠিক উত্তর:
    হাসান বিন সাবাহ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হাসান বিন সাবাহ
    ব্যাখ্যা

    ⇒মালিক শাহের রাজত্বের শেষ দিকে গুপ্তঘাতক সম্প্রদায়ের উদ্ভব ঘটে।
    -তাদের প্রধান ঘাটি আলামুত দুর্গ।
    -এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন নিযামুল মুলকের সহপাঠি হাসান সাবাহ।
    -যিনি পর্বতের বৃদ্ধ লোক (The Old Man of the Mountain) নামে পরিচিত।

    ১০৩.
    বিখ্যাত সুফি সাধক হাসান বসরি (র.) কাকে 'ইসলামের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী' বলে অভিহিত করেছেন?
    1. আমর বিন আসকে
    2. ইয়াজিদকে
    3. মুয়াবিয়াকে
    4. আবু মুসা আশয়ারীকে
    সঠিক উত্তর:
    আমর বিন আসকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আমর বিন আসকে
    ব্যাখ্যা

    ⇒ আমর বিন আস ইসলামের অন্যতম বিজেতা ছিলেন।
    - তিনি ওমর রা.) এর সময় ৬৪২ সালে মিশর বিজয় করেন।
    - মিশরে তিনি 'ফুসতাত' শহর প্রতিষ্ঠা করেন।
    - আলী (রা.) ও মুয়াবিয়া (রা.) এর মধ্যে ৬৫৭ খ্রি. সিফফিনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
    - ৬৫৯ সালে কূটনৈতিক জ্ঞানসম্পন আমর বিন আস দুমার সালিশের মাধ্যমে কুটকৌশলে মুয়াবিয়াকে খলিফা ঘোষনা করেন।
    - এ জন্য বিখ্যাত সুফি সাধক হাসান বসরি (র.) আমর বিন আসকে 'ইসলামের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী' বলে অভিহিত করেছেন।

    ১০৪.
    মহানবী (স.) মক্কায় কত দিন প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচার করেন?
    1. ৬ বছর‌‌
    2. ৭ বছর‌‌
    3. ৯ বছর‌‌
    4. ১০ বছর‌‌
    সঠিক উত্তর:
    ৯ বছর‌‌
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৯ বছর‌‌
    ব্যাখ্যা

    ⇒মহানবী (সা.) এর দাওয়াতী কমর্কান্ড সমূহ তার জীবনের মতই সাধারণত দুভাগে ভাগ করা যায়-
    -পথ্রমত: মক্কা জীবন, এসময়টি ৬১০ সাল থেকে ৬২২ সন পর্যন্ত মোট ১৩ বছর। দ্বিতীয়ত: মদীনা জীবন, এ সময়টি ৬২২ থেকে ৬৩২ সন পর্যন্ত মোট ১০ বছর।
    -মহানবী (সা.)-এর নবুয়াতী ২৩ বছরে ইসলামের প্রতি মানুষকে আহবানের তিনটি পর্যায় উল্লেখযোগ্য যথা: ১. গোপনে ইসলাম প্রচার: অহী নাযিলের পর থেকে পথ্রম তিন বছর। ২. প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচার: নবুয়াতের চতুর্থ বছর থেকে দশম সন পর্যন্ত ৩. মক্কার বাইরে আরব ও সমগ ্বিশ্বে ইসলাম পচ্রার: নবুয়াতের দশম বছর থেকে শুরু করে মহানবী (সা.) এর ওফাতকাল পর্যন্ত।

    ১০৫.
    কোন শাসকের মৃত্যুর পর ভারতবর্ষ রাজনৈতিক বিশৃংঙ্খলায় পতিত হয়?
    1. গোপাল
    2. ধর্মপাল
    3. হর্ষবর্ধন
    4. শশাঙ্ক
    সঠিক উত্তর:
    হর্ষবর্ধন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হর্ষবর্ধন
    ব্যাখ্যা

    ⇒রাজা হর্ষবর্ধন (মৃত্যু ৬৪৫খ্রি. ) এর মৃত্যুর পর ভারতবর্ষ রাজনৈতিক বিশৃংঙ্খলায় পতিত হয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্যে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
    -এ বিশৃংঙ্খলা ও নৈরাজ্যময় অবস্থা মুসলিম বিজয়ের পূর্ব পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।
    -মুসলিম বিজয়ের সময় উত্তর-পশ্চিম ভারত ক্ষুদ্র ্ক্ষুদ্র স্বাধীন রাজ্যে বিভক্ত ছিল।

    ১০৬.
    নিযাম-উল-মুলককে আতাবেগ উপাধিতে ভূষিত করা হয় কেন?
    1. জ্যোতিষশাস্ত্রে অবদানের জন্য
    2. ফিকাহশাস্ত্রে অবদানের জন্য
    3. রসায়নশাস্ত্রে অবদানের জন্য
    4. সেবা ও আনুগত্যের জন্য
    সঠিক উত্তর:
    সেবা ও আনুগত্যের জন্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সেবা ও আনুগত্যের জন্য
    ব্যাখ্যা

    ⇒ মালিক শাহ সেবা ও আনুগত্যের জন্য তার প্রধানমন্ত্রি নিযামুল মুলককে ‘আতাবেগ’ উপাধি দেন।
    -তাঁর কর্মদক্ষতা বিচক্ষণতার ফলেই সেলজুক শাসকদের মধ্যে মালিক শাহের রাজতক্বাল স্মরণীয় হয়ে আছে।

    ১০৭.
    ‘যুন্নুরাইন’ অর্থ কি?
    1. দুই নারীর অধিকারী
    2. দুই পত্নির অধিকারী
    3. সম্পদের অধিকারী
    4. দুই জ্যোতির অধিকারী
    সঠিক উত্তর:
    দুই জ্যোতির অধিকারী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দুই জ্যোতির অধিকারী
    ব্যাখ্যা

    ⇒তিনি রাসূল (সা.) এর দুই কন্যা রুকাইয়া ও উম্মে কুলসুমকে একজনের মৃত্যুর পর অন্যজনকে বিয়ে করেন।
    -তাই তাঁকে বলা হয় ‘যুন্নুরাইন’ বা দুই-নূরের বা দুই জ্যোতির অধিকারী।

    ১০৮.
    খারেজীরা পবিত্র কুরআনের কোন সূরাকে গ্রহন করে না?
    1. সূরা আনফাল
    2. সূরা আরাফ
    3. সূরা লোকমান
    4. সূরা ইউসুফ
    সঠিক উত্তর:
    সূরা ইউসুফ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সূরা ইউসুফ
    ব্যাখ্যা

    ⇒খারেজীরা ইমান ও আমলের উপর ভেশি গুরুত্ব দেয়।
    -এ জন্য তারা পার্থিব বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় সূরা ইউসুফ কে গ্রহন করেন নাই।

    ১০৯.
    বাবরের সমাধি কোথায় অবস্থিত?
    1. লাহোরে
    2. কাবুলে
    3. দিল্লিতে
    4. আগ্রায়
    সঠিক উত্তর:
    কাবুলে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কাবুলে
    ব্যাখ্যা

    ⇒১৫৩০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ ডিসেম্বর মাত্র আটচল্লিশ বছর বয়সে মুঘল সাম্রাজ্যের ভাগ্যবিধাতা পরলোকগমন করেন।
    -বাবুরকে প্রথমদিকে আগ্রার কাছে আরামবাগে সমাহিত করা হয় ।
    -কিন্তু কয়েক বছর পর তাঁর অভিপ্রায় অনুযায়ী কাবুলে তাঁর এক প্রিয় উদ্যানে সমাহিত করা হয়।

    ১১০.
    আব্দুল মালিকের প্রবর্তিত মুদ্রা নয় কোনটি?
    1. দিনার
    2. দিরহাম
    3. রুপিয়া
    4. ফালস
    সঠিক উত্তর:
    রুপিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রুপিয়া
    ব্যাখ্যা

    ⇒তিনি ইরাকের গভর্ণর হাজ্জাজ বিন ইউসুফের সহযোগিতায় আরবি বণর্মালায় বা লিপিতে হরকত ও নুকতা সংযোজন করেন।
    -তিনি দামেস্কে ৬৯৫ সালে রাষ্ট্রীয় কেন্দ্রীয় টাকশাল প্রতিষ্ঠা করে আরবী অক্ষর যুক্ত দিনার (স্বর্ণমুদ্রা), দিরহাম (রৌপ্য মুদ্রা), ও ফালস (তাম্রমুদ্রা) প্রচলন করেন।

    ১১১.
    নবাবের পক্ষে প্রাণপণ দেশ প্রেমিকের মত যুদ্ধ করেন কে?
    1. মোহন লাল
    2. মীরজাফর
    3. ইয়ার লতিফ
    4. রায়দুর্লভ
    সঠিক উত্তর:
    মোহন লাল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মোহন লাল
    ব্যাখ্যা

    ⇒১৭৫৭ খিস্ট্রাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে যুদ্ধ শুরু হয়।
    -মীর মদন ও মোহন লাল নবাবের পক্ষে প্রাণপণ যুদ্ধ করেন।
    -কিন্তু সেনাপতি মীরজাফর ও রায়দুর্লভ সেনাদল নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থাকেন।

    ১১২.
    আব্বসীয় আন্দোলনের প্রধান উদ্যোক্তা কে ছিলেন?
    1. আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস
    2. আলী ইবনে আব্দুল্লাহ
    3. মুহাম্মদ বিন আলী
    4. আবুল আব্বাস
    সঠিক উত্তর:
    মুহাম্মদ বিন আলী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মুহাম্মদ বিন আলী
    ব্যাখ্যা

    ⇒ ৭৩৫ সালে আলীর মৃত্যুর পর তার পুত্র মুহাম্মদ আব্বাসীদের দায়িত্ব নেন।
    - তিনি ছিলেন একজন দক্ষ সংগঠক।
    - সে জন্য তিনিই আব্বসীয় আন্দোলনের প্রধান উদ্যোক্তা।
    - তিনিই প্রথম আব্বাসীয় আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রুপান্তরিত করেন।
    - তিনি ৭৪৪ সালে মৃত্যুবরণ করলে তিন পুত্র ইব্রাহিম, আবুল আব্বাস,আবু জাফরকে উত্তাধিকার মনোনিত করেন।

    ১১৩.
    দিল্লি সুলতানতের পতনের অভ্যন্তরীণ কারণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণ কোনটি?
    1. উশর আদায়
    2. সাম্রাজ্যের প্রতি উদাসীনতা
    3. উত্তরাধিকারের লড়াই
    4. দৌলতাবাদ অভিযান
    সঠিক উত্তর:
    উত্তরাধিকারের লড়াই
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উত্তরাধিকারের লড়াই
    ব্যাখ্যা

    ⇒দিল্লি সালতানাতের পতনের বেশ কিছু কারণ রয়েছে:
    -সুলতানদের সেচ্ছাতন্ত্র
    -সুষ্ঠ উত্তরাধিকার নীতির অভাব
    -প্রাদেশিক শাসনকর্তাদের স্বাধীনতার চেষ্টা
    -অভিজাত শেণ্রীর দৌরাত্ম
    প্রভৃতি।
    -দিল্লি সুলতানতের পতনের অভ্যন্তরীণ কারণের মধ্যে ক্ষমতাকে কেন্দ্র করে উত্তরাধিকারের লড়াই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

    ১১৪.
    মহাকবি ফিরদৌসি 'শাহনামা' রচনা করে কোন শাসককে উৎসর্গ করেছিল?
    1. কুতুব উদ্দিন আইবেককে
    2. মুহাম্মদ ঘুরিকে
    3. সুলতান মাহমুদকে
    4. ইলতুৎমিশকে
    সঠিক উত্তর:
    সুলতান মাহমুদকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুলতান মাহমুদকে
    ব্যাখ্যা

    ⇒ঈশ্বরী প্রসাদ সুলতান মাহমুদের যুগকে কবিতার যুগ বলে অভিহিত করেছেন।
    -ঐ যুগের প্রসিদ্ধ কবি ছিলেন আবুল কাশেম ফেরদৌসী।
    -প্রাচ্যের হোমার নামে খ্যাত এ কবি সুলতান মাহমুদের অনুরোধে জগদ্বিখ্যাত ‘শাহনামা’ মহাকাব্য রচনা করেন।
    এবং তিনি এই মহাকাব্য সুলতান মাহমুদকেই উৎসর্গ করেন।

    ১১৫.
    বিদায় হজের পর সর্বশেষ কোন সূরার আয়াত নাজিল হয়?
    1. সূরা আলাকের
    2. সূরা মায়েদার
    3. সুরা তাওবার
    4. সুরা মুলকের
    সঠিক উত্তর:
    সূরা মায়েদার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সূরা মায়েদার
    ব্যাখ্যা

    ⇒বিদায় হজের পর সর্বশেষ সূরা মায়েদার ৩নং আয়াত নাজিল হয়

    ১১৬.
    কার পৃষ্ঠপোষকতায় সুন্নী মতবাদের ভিত্তি গড়ে উঠেছিল?
    1. হিশামের
    2. ২য় মারওয়ানের
    3. আবু জাফর আল মনসুরের
    4. হারুন অর রশীদের
    সঠিক উত্তর:
    আবু জাফর আল মনসুরের
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আবু জাফর আল মনসুরের
    ব্যাখ্যা

    ⇒তিনি পার্থিব ক্ষমতার সাথে আধ্যাত্মিকতার এক সংমিসণ্র ঘটান।
    -তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় সুন্নী মতবাদের ভিত্তি গড়ে ওঠে।
    -হানাফী ও মালেকী মাযহাব গড়ে ওঠেছিল।

    ১১৭.
    ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ ব্যর্থ হওয়ার প্রধান কারণ কি ছিল?
    1. ঐক্যের অভাবে
    2. ইংরেজদের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে
    3. সৈন্যসংখ্যার কম থাকার কারণে
    4. অর্থের অভাবে
    সঠিক উত্তর:
    ঐক্যের অভাবে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঐক্যের অভাবে
    ব্যাখ্যা

    ⇒১৮৫৭ খিস্ট্রাব্দের বিপ্লব-এর ব্যাপকতা ও সময়ের দিক বিবেচনায় ছিল এক বিরাট প্রতিরোধ সংগ্রাম বা গণবিদ্রোহ।
    -বিদ্রোহীদের তৎপরতা ভারতে ইংরেজ শাসনের অবসান ঘটানোর উপক্রম করে। বিপ্লব সফল হয় নি। এর ব্যথর্তার কারণগুলো নিম্নরূপ: পূবর্পরিকল্পনার অভাব ,ঐক্যের অভাব, দক্ষ নেতৃত্বের অভাব , ইংরেজদের সামরিক শক্তি , বিদ্রোহীদের প্রয়োজনীয় শক্তির অভাব ।

    ১১৮.
    প্রাচীন আরবের অধিবাসীরা নয় কোনটি?
    1. আরবে বায়দা
    2. আরবে আরিবাহ্
    3. আরবে দাহনা
    4. আরবে মুস্তারিবাহ্
    সঠিক উত্তর:
    আরবে দাহনা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আরবে দাহনা
    ব্যাখ্যা

    ⇒প্রাচীন আরবের অধিবাসীরা ১) আরবে বায়দা ২)আরবে আরিবাহ্ ৩) আরবে মুস্তারিবাহ্ এই তিনটি জাতীতে বিভক্ত ছিল

    ১১৯.
    কুতুব মিনার কার নামানুসারে নামকরণ করা হয়?
    1. কুতুবউদ্দিন আইবেকের
    2. নূর কুতুবুল আলমের
    3. কুতুব শেখের
    4. কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকির
    সঠিক উত্তর:
    কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকির
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকির
    ব্যাখ্যা

    ⇒রাজ্য বিজয়ের স্মারক এবং ইসলামের মহিমা বিশ্বজনীনভাবে উপস্থাপনের অভিপ্রায়ে ১১৯২ সালে সুলতান কুতুবউদ্দিন ধমর্বেত্তা কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকীর নামানুসারে ‘কুতুব মিনার’ নির্মাণ আরম্ভ করেন।
    -তবে তিনি এর নির্মাণ শেষ করে যেতে পারেন নি।
    -এটির উচ্চতা ৩০০ ফুট বর্তমানে ২৩৮ ফুট।

    ১২০.
    ‘জরুস্থুস্ত্রবাদ’ ধর্ম কোথায় প্রতিষ্ঠিত ছিল?
    1. মিশরে
    2. বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যে
    3. পারস্যে
    4. উত্তর আফ্রিকায়
    সঠিক উত্তর:
    পারস্যে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পারস্যে
    ব্যাখ্যা

    ⇒মুসলমানদের পারস্য বিজয়ের মাধ্যমে পারস্যের প্রাচীন ‘জরুস্থুস্ত্রবাদ’ ধর্মের অবসান ঘটে এবং পারস্যে ইসলামের বাণী প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ১২১.
    খিলাফতের অবসান ঘটে কবে?
    1. ৬৬১ সালে
    2. ১২৫৮ সালে
    3. ১৫১৭ সালে
    4. ১৯২৪ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৯২৪ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯২৪ সালে
    ব্যাখ্যা

    ⇒মহানবী (স.) এর ওফাতের পর আবু বকর (রা.) তার স্থলে দায়ীত্ব গ্রহনের মধ্য দিয়ে ৬৩২ সালে মুসলিম খিলাফতের সূচনা ঘটে।
    -যা ৬৬১-৭৫০ পর্যন্ত উমাইয়ারা, ৭৫০-১২৫৮ পর্যন্ত আব্বসীয়রা,১২৬০-১৫১৭ পর্যন্ত মিশরে মামলুকরা এবং ১৯২৪ পর্যন্ত উসমানীরা নেতৃত্বের মাধ্যমে টিকিয়ে রাখেন।
    -১ম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯২৪ সালে তুর্কি জাতীর জনক মোস্তফা কামল পাশা খিলাফতের পরিবর্তে আধুনিক তুরস্ক প্রতিষ্ঠা করলে দীর্ঘ ১৩ শতাব্দীর মুসলিম খিলাফতের আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি ঘটে।

    ১২২.
    কোন উমাইয়া খলিফাকে আরবদের জুলিয়াস সিজার বলা হয়?
    1. আ. মালিককে
    2. আল ওয়ালিদকে
    3. ওমর বিন আ. আজিজকে
    4. মুয়াবিয়াকে
    সঠিক উত্তর:
    মুয়াবিয়াকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মুয়াবিয়াকে
    ব্যাখ্যা

    ⇒৬৬১ সালে মুয়াবিয়া ক্ষমতা দখল করেন।
    - এর পর উত্তর আফ্রিকা, ভূ-মধ্যসাগর সহ অনেক অঞ্চল বিজয় করেন।
    - তিনিই প্রথম কনস্টান্টিনোপোল অবরোধ করেন।
    - এ সবের জন্যই তাকে আরবদের জুলিয়াস সিজার বলা হয়।

    ১২৩.
    ইংরেজরা কখন থেকে বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করতে থাকে?
    1. ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে থেকে
    2. ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে থেকে
    3. ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে থেকে
    4. ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে থেকে
    সঠিক উত্তর:
    ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে থেকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে থেকে
    ব্যাখ্যা

    ⇒১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট ফররুখশিয়ারের অনুমতি নিয়ে ইংরেজগণ বাংলা, মাদ্রাজ ও মুম্বাই ইয়ে বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করতে থাকে।

    ১২৪.
    বাহিরা কে ছিলেন?
    1. ইহুদি নেতা
    2. ইয়মেনের শাসক
    3. সিরিয়ার খ্রিষ্টান পাদ্রি
    4. আবিসিনিয়ার রাজা
    সঠিক উত্তর:
    সিরিয়ার খ্রিষ্টান পাদ্রি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সিরিয়ার খ্রিষ্টান পাদ্রি
    ব্যাখ্যা

    ⇒৫৮২ খ্রিস্টাব্দে ১২ বছর বয়সে চাচার সাথে ব্যবসার উদ্দেশ্যে তিনি সিরিয়ায় যান।
    -সেখানে খ্রিষ্টান পাদ্রী ‘বাহিরা’ মহানবী(স) এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য দেখে ইন্জিল কিতাব অনুসারে তাকে শেষ নবী হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

    ১২৫.
    তারাইন দ্বিতীয় যুদ্ধে ঘুরীর সাফল্যের প্রধান কারণ কী?
    1. পৃথ্বীরাজের দুর্বলতা
    2. কুতুবুদ্দিন আইবকের কৌশল
    3. অশ্বারোহী ও তুর্কি ধনুক কৌশল
    4. ধনুক-বাণ ব্যবহারের দক্ষতা
    সঠিক উত্তর:
    অশ্বারোহী ও তুর্কি ধনুক কৌশল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অশ্বারোহী ও তুর্কি ধনুক কৌশল
    ব্যাখ্যা

    ⇒মুহম্মদ ঘুরি ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে ১,২০,০০০ সৈন্য নিয়ে আবার ভারত আক্রমণ করেন।
    -এবারও পৃথ্বীরাজের বাহিনীর সাথে তরাইনের যুদ্ধে পৃথ্বীরাজের বাহিনী পরাজিত হলে পৃথ্বীরাজ পলায়ন করেন।
    -তারাইন দ্বিতীয় যুদ্ধে ঘুরীর সাফল্যের প্রধান কারণ হচ্ছে অশ্বারোহী ও তুর্কি ধনুক কৌশলের ব্যবহার।

    ১২৬.
    কোন বংশটি শিয়া মতবাদপুষ্ট নয়?
    1. সেলজুক
    2. ইদ্রিসী
    3. বুয়াইয়া
    4. ফাতেমীয়
    সঠিক উত্তর:
    সেলজুক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সেলজুক
    ব্যাখ্যা

    ⇒ইদ্রিসী,বুয়াইয়া,ফাতেমীয়রা শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী ছিল।
    -সেলজুকরা ছিল সুন্নি মতবাদে বিশ্বাসী।

    ১২৭.
    গাছের রাণী (The Queen of the trees) বলা হয় কোন গাছকে?
    1. সামাহ্ গাছ
    2. খেজুর গাছ
    3. ঝাউ গাছ
    4. বাবলা গাছ
    সঠিক উত্তর:
    খেজুর গাছ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খেজুর গাছ
    ব্যাখ্যা

    ⇒আরবদের প্রধান ফসল খেজুর,এর রস পানীয় হিসেবে ব্যবহার করে।
    -এর বীজ উটের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। এর কাঠ জ্বালানি ও ঘরের ছাদে ব্যবহার হয়। এর আশ দিয়ে শক্ত দড়ি বানানো হয়। -সেজন্যই আরবরা এই গাছকে গাছর রাণী বলে থাকেন।

    ১২৮.
    "Battle of Hattin"বা হিট্টিনের যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
    1. ১১৮৭ সালে
    2. ১১৮৮ সালে
    3. ১১৮৯ সালে
    4. ১১৭৭ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১১৮৭ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১১৮৭ সালে
    ব্যাখ্যা

    ⇒ ক্রসেডের ২য় ধাপে মুসলামানদের নেতৃত্ব দেন বিখ্যাত বীর সালাউদ্দিন আইয়ুবী।
    -যিনি ১১৮৭ সালে "Battle of Hattin"-এ খ্রিস্টান বাহিনীকে পরাজিত করেন।
    -এ যুদ্ধে জয় লাভের পরেই মুসলমানরা জেরুজালেম পুনর্দখল করেন।

    ১২৯.
    আফ্রিকান পর্যটক ইবনে বতুতা কার শাসনামলে বাংলায় আগমন করেন?
    1. সিকান্দার শাহের শাসনামলে
    2. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের শাসনামলে
    3. গিয়াস উদ্দিন আযম শাহের শাসনামলে
    4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের শাসনামলে
    সঠিক উত্তর:
    ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের শাসনামলে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের শাসনামলে
    ব্যাখ্যা

    ⇒ইতিহাসের বিভিন্ন প্রকার উৎসের মধ্যে পর্যটকদের বিবরনী অন্যতম।
    - ভারতীয় উপমহাদেশে আগমনকারী পর্যটকদের মধ্যে আফ্রিকান পর্যটক ইবনে বতুতা একজন।
    -তিনি বাংলার শাসক ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের রাজদরবারে এসেছিলেন।

    ১৩০.
    খলিফা উমর (রা.) খালিদকে বরখাস্থ করেন কেন?
    1. যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন বলে
    2. সম্পত্তির হিসাব প্রদানে অপরাগতার জন্য
    3. শত্রুর প্ররোচনায়
    4. নিজের কৃতিত্ব বজায় রাখতে
    সঠিক উত্তর:
    সম্পত্তির হিসাব প্রদানে অপরাগতার জন্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সম্পত্তির হিসাব প্রদানে অপরাগতার জন্য
    ব্যাখ্যা

    ⇒ওমর (রা.) এর সময় ইয়ারমুকের যুদ্ধে(৬৩৬ সালে) রোমানদের পরাজিত করে সিরিয়া দখল করেন।
    -পরে তাকে সিরিয়ার শাসনকর্তা নিয়োগ করেন।
    -কিন্তু অর্থনৈতিক হিসাবকে কেন্দ্র করে ওমর (রা.) এর সাথে মনমালিন্য হলে তাকে অপসারন করে মুয়াবিয়াকে সিরিয়ার শাসক নিযুক্ত করেন।

    ১৩১.
    কোন আর্মেনিয়ান সেনাপতির ওপর মীর কাশিম তাঁর সৈন্যদল পুনর্গঠনের দায়িত্ব দেন?
    1. সেনাপতি মরকা
    2. গুর্গিন খান
    3. আরাটুন
    4. সেনাপতি মর্কট
    সঠিক উত্তর:
    গুর্গিন খান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গুর্গিন খান
    ব্যাখ্যা

    ⇒তিনি আর্মেনিয়ানদেরকে তাঁর সৈন্যদলে ভর্তি করেন এবং সৈন্যবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধির জন্য কতিপয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
    -গুর্গিন খান নামক জনৈক আর্মেনিয়ান নায়কের ওপর সেনাদল পুনর্গঠনের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।
    -গোলন্দাজ ও পদাতিক সৈন্যদেরকে ইউরোপীয় কায়দায় প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হয়।

    ১৩২.
    আইবেক’ শব্দের অর্থ কি?
    1. ক্রীতদাস
    2. চন্দ্রদেবতা
    3. সুর্যগ্রহন
    4. খোড়া
    সঠিক উত্তর:
    চন্দ্রদেবতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চন্দ্রদেবতা
    ব্যাখ্যা

    ⇒দিল্লি সালতানাতের পথ্রম সুলতান ভারতীয় উপমহাদেশের তুর্কি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কুতুবউদ্দিন আইবেক তুর্কিস্থানের বাসিন্দা ছিলেন।
    -তুর্কি ভাষায় ‘আইবেক’ শব্দের অর্থ ‘চন্দ্রদেবতা’।
    -আবার কেউ কেউ মনে করেন, তুর্কিস্থানের আইবেক পরিবারে জন্ম গ্রহণ করার কারণে কুতুবউদ্দিনকে ‘আইবেক’ বলা হতো।

    ১৩৩.
    উহুদ যুদ্ধে হামজা (রা.) এর কলিজা চর্বন করে কে?
    1. আবু জেহেল
    2. আবু লাহাব
    3. আবু সুফিয়ান
    4. হিন্দা
    সঠিক উত্তর:
    হিন্দা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হিন্দা
    ব্যাখ্যা

    ⇒উহুদ যুদ্ধে আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিন্দা হামজা (রা.) এর কলিজা চর্বন করে।

    ১৩৪.
    দ্বীন ই ইলাহীর অনুসারীদের কয়টি জিনিস উৎসর্গ করতে হয়?
    1. ৫ টি
    2. ৪টি
    3. ৩ টি
    4. ২টি
    সঠিক উত্তর:
    ৪টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৪টি
    ব্যাখ্যা

    ⇒সকল ধমের্র দ্বন্দ্বকে একপাশে রেখে ভাল দিকগুলো একত্রিত করে ১৫৮২ খ্রি. একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন।
    -এটিই দ্বীন-ই-ইলাহি নামে পরিচিত।
    -আকবর নিজে ‘ইমাম-ই-আদিল’ উপাধি গ্রহণ করেন।
    -প্রতি রবিবার নিজে এই ধর্মের দীক্ষা দিতেন।
    -এই ধর্মের অনুসারীদের চারটি জিনিস যথা ধন, জীবন, সম্মান এবং ধর্ম উৎসর্গকরতে হত।

    ১৩৫.
    আব্দুল মালিকের আরবিকরণ নীতির বা আরব জাতিয়তাবাদের অংশ নয় কোনটি?
    1. আরবি মুদ্রা চালু করেন
    2. মাওয়ালীদের উপর করারোপ
    3. আরবি বর্ণলিপির উন্নতি
    4. আরবীকে রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা দান
    সঠিক উত্তর:
    মাওয়ালীদের উপর করারোপ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মাওয়ালীদের উপর করারোপ
    ব্যাখ্যা

    ⇒৬৯৩ সালে সরকারী ক্ষেত্রে আরবী ভাষা প্রচলন করেন।
    -তিনি ইরাকের গভর্ণর হাজ্জাজ বিন ইউসুফের সহযোগিতায় আরবি বণর্মালায় বা লিপিতে হরকত ও নুকতা সংযোজন করেন।
    -তিনি দামেস্কে ৬৯৫ সালে রাষ্ট্রীয় কেন্দ্রীয় টাকশাল প্রতিষ্ঠা করে আরবী অক্ষর যুক্ত দিনার (স্বর্ণমুদ্রা), দিরহাম (রৌপ্য মুদ্রা), ও ফালস (তাম্রমুদ্রা) প্রচলন করেন।
    -এ জন্যই তিনি আরব জাতীয়তাবাদের জনক।

    ১৩৬.
    আকবরের ধর্মনীতির গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল কোনটি?
    1. রাজপুত পুনর্বাসন
    2. সুন্নি নীতি
    3. শিয়া নীতি
    4. সুলহ-ই-কুল
    সঠিক উত্তর:
    সুলহ-ই-কুল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুলহ-ই-কুল
    ব্যাখ্যা

    ⇒সকল ধমের্র দ্বন্দ্বকে একপাশে রেখে ভাল দিকগুলো একত্রিত করে একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন।
    -এটিই দ্বীন-ই-ইলাহি নামে পরিচিত।
    -আকবর নিজে ‘ইমাম-ই-আদিল’ উপাধি গ্রহণ করেন।
    -সম্রাটের ধর্মনীতির মূল কথাই ছিল পরধর্ম সহিঞ্চুতা বা “সুলহ-ই-কুল”।

    ১৩৭.
    ভারতীয় উপমহাদেশে বংশানুক্রমিক রাজতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করেন কে?
    1. কুতুবউদ্দিন আইবেক
    2. শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ
    3. গিয়াসউদ্দিন বলবন
    4. সুলতানা রাজিয়া
    সঠিক উত্তর:
    শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ
    ব্যাখ্যা

    ⇒ইলতুৎমিশ ভারতীয় উপমহাদেশে বংশানুক্রমিক রাজতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করেন।
    -তিনি ৪০ জন তুর্কি ক্রীতদাসের সমন্বয়ে ‘বন্দেগান-ই-চেহেলগান’ নামক চল্লিশ চক্রের শাসকগোষ্ঠী প্রতিষ্ঠা করেন।

    ১৩৮.
    আরবদের জীবিকার প্রধান উৎস ছিল কোনটি?
    1. লুটতরাজ
    2. কৃষিকাজ
    3. ব্যবসা বাণিজ্য
    4. পশুপালন
    সঠিক উত্তর:
    পশুপালন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পশুপালন
    ব্যাখ্যা

    ⇒বেদুইন বা শহরবাসী আরবদের জীবিকার প্রধান উৎস ছিল পশুপালন।
    -এই ছাড়াও লুটতরাজ, সুদ ব্যবসা,ব্যবসা বাণিজ্য, মুর্তি নির্মাণ ছিল তাের জীবিকার উৎস।

    ১৩৯.
    মোগল আমলের রাষ্ট্র ভাষা ছিল কী?
    1. বাংলা
    2. উর্দু
    3. আরবি
    4. ফার্সি
    সঠিক উত্তর:
    ফার্সি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ফার্সি
    ব্যাখ্যা

    ⇒মোঘল বাদশাহদের পাশাপাশি স্থানীয় শাসক ও জমিদারগণ শিক্ষার পৃষ্ঠপোষকতা করতেন।
    -এ সময়ে আরবি, ফার্সি ও সংস্কৃত ভাষায় শিক্ষা দেয়া হতো।
    -মোগল আমলে রাষ্ট্র ভাষা ছিল ফার্সি।

    ১৪০.
    কোন ঘটনার মধ্য দিয়ে ইসলামের ইতিহাসে গৃহযুদ্ধের সূতপাত ঘটে?
    1. উষ্ট্রের যুদ্ধের মধ্য দিয়ে
    2. সিফফিনের যুদ্ধের মধ্য দিয়ে
    3. হযরত উসমান (রা.) এর হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে
    4. খারেজীদের উৎপত্তির মধ্য দিয়ে
    সঠিক উত্তর:
    হযরত উসমান (রা.) এর হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হযরত উসমান (রা.) এর হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে
    ব্যাখ্যা

    ⇒৬৫৬ খ্রি. ১৭ ই জুন (১৮ ই জিলহজ্ব ৩৫ হিজরী) ৮২ বছরের বৃদ্ধ খলিফাকে পবিত্র কুরআন পাঠরত অবস্থায় বিদ্রোহীরা নিমর্মভাবে হত্যা করে।
    -হযরত উসমান (রা.) এর হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে ইসলামে গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
    - এর পরই মুসলমানরা নিজেদের বিরুদ্ধে উষ্ট্রের যুদ্ধ((৬৫৬),সিফফিনের যুদ্ধে(৬৫৭) জড়িয়ে পরে।

    ১৪১.
    মুসলিম ভারতের ইতিহাসে সর্বপ্রথম অশ্ব চিহ্নিত করার প্রথা ‘দাগ’প্রবর্তন করেন কে?
    1. শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশ
    2. আলাউদ্দিন খলজি
    3. গিয়াসউদ্দিন বলবন
    4. মুহাম্মদ বিন তুঘলোক
    সঠিক উত্তর:
    আলাউদ্দিন খলজি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আলাউদ্দিন খলজি
    ব্যাখ্যা

    ⇒দাক্ষিণাত্য বিজয়ের মাধ্যমে অজস্র ্ধন-সম্পদ উত্তর ভারতে নিয়ে আসার ফলে সাম্রাজ্যে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়।
    -নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী যাতে সেনাবাহিনীর ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকে এজন্য সুলতান মূল্যনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি প্রবর্তন করেন।
    -সেনাবাহিনীর মধ্যে বিরাজমান দুনীর্তি দূর করার লক্ষ্যে সুলতান আলাউদ্দিন মুসলিম ভারতের ইতিহাসে সর্বপ্রথম অশ্ব চিহ্নিত করার প্রথা ‘দাগ’ এবং সেনাবাহিনীর বিস্তারিত বর্ণনা সম্বলিত তালিকা করার রীতি প্রবর্তন করেন, যা ‘হুলিয়া’ নামে সবর্জন পরিচিত।

    ১৪২.
    কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে হযরত আবু বকর (রা) সিদ্দিক উপাধি লাভ করেন?
    1. নবুয়তে বিশ্বাস
    2. মিরাজে বিশ্বাস
    3. যুদ্ধে অংশগ্রহন
    4. যুদ্ধ তহবিলে
    সঠিক উত্তর:
    মিরাজে বিশ্বাস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মিরাজে বিশ্বাস
    ব্যাখ্যা

    ⇒৬২০ খ্রিস্টাব্দে রজব মাসের ২৬ তারিখ মুহাম্মদ (সা) বোরাক নামের দ্রুতগতির বাহনে আরোহন করে আরশে আজিমে মেরাজে যান।
    -বিনা বাক্যে মিরাজে বিশ্বাস করায় আবু বকর (রা) সিদ্দিক উপাধি প্রদান করেন।

    ১৪৩.
    কোন শাসকের আমলে বাগদাদ নগরী তৎকালীন বিশ্বে শ্রেষ্ঠ নগরীর মর্যাদা লাভ করে?
    1. আবু জাফর আল মনসুরে আমলে
    2. আল-মাহদীর আমলে
    3. হারুন-অর-রশীদের আমলে
    4. আল-মামুনের আমলে
    সঠিক উত্তর:
    হারুন-অর-রশীদের আমলে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হারুন-অর-রশীদের আমলে
    ব্যাখ্যা

    ⇒খলীফা হারুন-অর-রশীদের রাজত্বকালে বাগদাদ নগরী তৎকালীন বিশ্বে শ্রেষ্ঠ নগরীর মর্যাদা লাভ করে।
    -বাগদাদকে এই সময় অভিহিত করা হত ‘প্রাচ্যের রাণী’ বলে।
    -ধন-প্রাচুর্যে, শিল্প-সাহিত্যে, অথর্নীতি-বাণিজ্যে, স্থাপত্যশৈলী ও নির্মাণ সকল দিক থেকে বাগদাদ নগরী ছিল অদ্বিতীয়।

    ১৪৪.
    মোগল যুগের সমাজ ব্যবস্থা কত শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল?
    1. দুই
    2. তিন
    3. চার
    4. পাঁচ
    সঠিক উত্তর:
    তিন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    তিন
    ব্যাখ্যা

    ⇒মুঘল সমাজব্যবস্থা মূলত ৩টি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল।
    -মুঘল যুগের সমাজ ছিল মূলত সামন্ততান্ত্রিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত।
    -সমাজে সম্রাটের স্থান ছিল সর্বোচ্চ। তাঁর নিচেই অভিজাত সম্প্রদায়ের স্থান ছিল।
    -অভিজাত সম্প্রদায়ের পরেই ছিল মধ্যবিত্ত শ্রেণীর স্থান। দোকানদার, ব্যবসায়ী, বণিক, মহাজন প্রভৃতি ছিল মধ্যবিত্ত শ্রেণীভুক্ত।
    -সবর্শেষ স্তর ছিল নিম্ন শ্রেণি। এরা ছিল কৃষক, শ্রমিক, কারিগর, দাস ও সেবক ইত্যাদি।

    ১৪৫.
    সর্ব প্রথম ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে কোথায়?
    1. মক্কায়
    2. মদিনায়
    3. দামেস্কে
    4. তায়েফে
    সঠিক উত্তর:
    মদিনায়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মদিনায়
    ব্যাখ্যা

    ⇒মহানবী (সা.) মুসলিম অমুসলিম এবং জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেনীর মানুষের সদিচ্ছা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি জাতি গঠন করেন।
    -মদীনা রাষ্ট্রের সকলের অংশ্রগহ্রণ ও সমন্বয়ে শক্তিশালী-ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।

    ১৪৬.
    কোন গভর্নর-জেনারেলের স্বত্ত্ববিলোপ নীতি প্রয়োগ করেন?
    1. লর্ড ক্যানিং
    2. লর্ড ওয়েলেসলি
    3. লর্ড ডালহৌসি
    4. লর্ড কর্নওয়ালিস
    সঠিক উত্তর:
    লর্ড ডালহৌসি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লর্ড ডালহৌসি
    ব্যাখ্যা

    ⇒গভর্নর জেনারেল ডালহৌসির সময়ে স্বত্ত্ববিলোপ নীতি প্রয়োগ করে।
    -যার ফলে সাঁতারা, ঝাঁসি, নাগপুর, সম্বলপুর, ভগৎ, উদয়পুর, করাউলী প্রভৃতি অঞ্চল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করে।
    -দ্বিতীয় বাহাদুর শাহও এর ফলে চরম ক্ষিপ্ত হন।

    ১৪৭.
    কোন মুসলিম বীর জীবনে কোন যুদ্ধে পরাজিত হননি?
    1. আবু উবায়দা (রা.)
    2. আমর ইবনে আস (রা.)
    3. খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.)
    4. সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.)
    সঠিক উত্তর:
    খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.)
    ব্যাখ্যা

    ⇒ইসলাম গ্রহনের পূর্বে উহুদের(৬২৫) যুদ্ধে মুসলমানদের বিপর্যয়ে ফেলেন।
    -হুদায়বিয়ার সন্ধির(৬২৮) পর ইসলাম গ্রহন করেন।
    -মুতার(৬২৯) যুদ্ধে অসীম বীরত্বের জন্য সাইফুল্লাহ বা আল্লাহর তরবারি উপাধি লাভ করেন।
    -তিনি জীবনে কোন যুদ্ধে পরাজিত হননি।

    ১৪৮.
    গিয়াসউদ্দিন বলবনের প্রকৃত নাম কি ছিল?
    1. বাহার উদ্দিন
    2. নাসির উদ্দিন
    3. সেলিম উদ্দিন
    4. বাহাউদ্দিন
    সঠিক উত্তর:
    বাহাউদ্দিন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বাহাউদ্দিন
    ব্যাখ্যা

    ⇒গিয়াসউদ্দিন বলবন তুর্কিস্থানের বিখ্যাত ইলবারি গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন।
    -বলবনের প্রকৃত নাম ছিল বাহাউদ্দিন।
    -১২৩২ খ্রিস্টাব্দে তাকে সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশের নিকট বিক্রি করে দেন।
    -সুলতান ইলতুৎমিশ গিয়াসউদ্দিন বলবনকে তাঁর ইতিহাস প্রসিদ্ধ বিখ্যাত ‘বন্দেগান-ই-চেহেলগান’ বা ‘চলিশ্ল চক্রের’ অন্তর্ভুক্ত করেন।

    ১৪৯.
    মহানবী (স) নবুয়ত প্রাপ্ত হন কোথায়?
    1. তুর পর্বত
    2. সাওর পর্বত
    3. জাবালে রহমত পর্বত
    4. জাবালে নূর পর্বত
    সঠিক উত্তর:
    জাবালে নূর পর্বত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জাবালে নূর পর্বত
    ব্যাখ্যা

    ⇒মক্কার অদূরে জাবাল নূরের হেরা পর্বতের গুহায় ধ্যান মগ্ন থাকতেন।
    -অবশেষে ৪০ বছর বয়সে ৬১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি জিব্রাইল(আ) এর মাধ্যমে পবিত্র রমজান মাসের ২১ থেকে ২৯ তারিখের কোন এক বিজোড় রাতে ঐশী বাণী লাভ করেন।

    ১৫০.
    দামেস্ক জামে মসজিদের নির্মাতা কে?
    1. মুয়াবিয়া
    2. আব্দুল মালিক
    3. আল ওয়ালিদ
    4. হারুন অর রশীদ
    সঠিক উত্তর:
    আল ওয়ালিদ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আল ওয়ালিদ
    ব্যাখ্যা

    ⇒ যে মসজিদে ৭ টি বৈশিষ্ট বিদ্যমান থাকবে তাকেই আদর্শ নকশার মসজিদ বলা হয়।
    - ৭ টি বৈশিষ্ট হচ্ছে- ১) জুল্লাহ( নামাজঘর),২) সাহান( আঙ্গিনা)৩) রিওয়াক( বারান্দা),৪) মিম্বার,৫) মিহরাব, ৬) মিনার ৭) ওজু খানা।
    - পূর্বে গীর্জার স্থানে আল ওয়ালিদ সর্ব প্রথম দামেস্ক জামে মসজিদে ৭ টি বৈশিষ্ট সন্নিবেশ ঘটিয়ে আদর্শ নকশার মসজিদ স্থাপন করেন।

    ১৫১.
    উপমহাদেশে মধ্যযুগের শেষ এবং আধুনিক যুগের পত্তন হয় কত সালে?
    1. ১৭৫৭ সালে
    2. ১৭৫৮ সালে
    3. ১৭৬৪ সালে
    4. ১৭৬৫ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৭৫৭ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৭৫৭ সালে
    ব্যাখ্যা

    ⇒পলাশীর যুেদ্ধর পর রাজনৈতিক-অথর্নৈতিক পরিবতর্নের সাথে সাথে উপমহাদেশের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও পরিবর্তন সাধিত হয়।
    -১৭৫৭ সালের ২৩ জুন তারিখে উপমহাদেশের মধ্যযুগ শেষ আধুনিক যুগের পত্তন হয়েছিল।

    ১৫২.
    প্রাচিন আরবের কোন জাতী থেকে কুরাইশ বংশের উদ্ভব হয়?
    1. বনু কাহতান
    2. আরবে আরিবা
    3. আরবে মুস্তারিবা
    4. আরবে বায়িদা
    সঠিক উত্তর:
    আরবে মুস্তারিবা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আরবে মুস্তারিবা
    ব্যাখ্যা

    ⇒আদনান নামক হযরত ইসমাঈল (আ.)-এর এক বংশধর মুস্তারিবা গোত্রের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
    -হিজায, নজ্দ, পেত্রা ও পালমিরা অঞ্চলে বসবাসকারী মুস্তারিবা গোত্রের নিযারি (Nizari) শাখা থেকে মুহাম্মদ (সা.)-এর কুরাইশ বংশের উদ্ভব হয়।

    ১৫৩.
    চুনার দুর্গ কোন নদীর তীর অবস্থিত?
    1. যমুনা
    2. গঙ্গা
    3. ভাগীরথী
    4. বুড়িগঙ্গা
    সঠিক উত্তর:
    গঙ্গা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গঙ্গা
    ব্যাখ্যা

    ⇒আফগান বাহিনীর একটি বিরাট অংশ আফগান নেতা শের খানের নেতৃত্বে বারানসীর দক্ষিণ-পশ্চিমে গঙ্গার তীরে অবস্থিত চুনার দুর্গে আশ্রয় গ্রহণ করেন।
    -সম্রাট হুমায়ুন চুনার দুর্গের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
    -হুমায়ুন দীর্ঘ ৪ মাস ধরে চুনার দুর্গ অবরোধ করে রাখেন।
    -সম্রাট হুমায়ুন শেরখানের মৌখিক আনুগত্যে বিশ্বাস স্থাপন করে বিহার ও চুনার দুর্গ রক্ষনাবেক্ষণের দায়িত্ব অপর্ণ করে আগ্রায় প্রত্যাবর্তন করেন।

    ১৫৪.
    কোন খলিফার আমলে প্রথম অনুবাদ কার্যের সূচনা হয়?
    1. আবু জাফর আল-মনসুরের আমলে
    2. আল-মাহদির আমলে
    3. হারুন অর রশীদের আমলে
    4. আল-মামুনের আমলে
    সঠিক উত্তর:
    আবু জাফর আল-মনসুরের আমলে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আবু জাফর আল-মনসুরের আমলে
    ব্যাখ্যা

    ⇒খলিফা আল-মনসুরের সময় প্রথম অনুবাদ কাযের্র সূচনা হয়।
    -খলীফা আল-মামুনের সময় তাঁর পূর্ণ বিকাশ ঘটে।
    -তিনি সিরিয়া, এথেন্স, এশিয়া, মিসর প্রভৃতি দেশ হতে প্রাচীন গ্রন্থ সমূহ সংগ্রহ করেন এবং তা বিখ্যাত পন্ডিতদের দ্বারা অনুবাদ করেন। -প্লেটো, এরিস্টটল, গ্যালেন, হিপোক্রিটাস প্রভৃতি দার্শনিকের গ্রন্থ সমূহ আরবী ভাষায় অনুবাদ করা হয়।

    ১৫৫.
    ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
    1. ১৬০০ খ্রি.
    2. ১৬০১ খ্রি.
    3. ১৬০২ খ্রি.
    4. ১৬০৩ খ্রি.
    সঠিক উত্তর:
    ১৬০২ খ্রি.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৬০২ খ্রি.
    ব্যাখ্যা

    ⇒১৫৯৫ খ্রি. চারটি ডাচ জাহাজ উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
    -১৬০২ খ্রি. ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।

    ১৫৬.
    হিজরতের পূর্বে মহানবী (স) সংবাদ সংগ্রহের জন্য কাকে প্রেরণ করেন?
    1. হযরত আবু বকর (রা)
    2. হযরত মুসআব (রা)
    3. হযরত ওমর (রা)
    4. হযরত আলী (রা)
    সঠিক উত্তর:
    হযরত মুসআব (রা)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হযরত মুসআব (রা)
    ব্যাখ্যা

    ⇒হিজরতের পূর্বে মহানবী (স) সংবাদ সংগ্রহের জন্য হযরত মুসআব (রা)কে প্রেরণ করেন।

    ১৫৭.
    'জিন্দা পীর' নামে ডাকা হয় কোন সম্রাটকে?
    1. আকবরকে
    2. বাবরকে
    3. শাহজাহানকে
    4. আওরঙ্গজেবকে
    সঠিক উত্তর:
    আওরঙ্গজেবকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আওরঙ্গজেবকে
    ব্যাখ্যা

    ⇒রাজদরবারের মদ্যপান, সংগীত, নৃত্যকলা প্রদর্শন, ঝরোকা দর্শন, ব্যয় বহুল নওরোজ উৎসব ও বিলাসীতাকে ইসলামের পরিপন্থী হিসেবে ঘোষণা করেন।
    -রাজ দরবারের ভোগ বিলাস পরিত্যাগ করেন।
    -১৬৬৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি শিয়াদের ‘মহরম' উৎসব পালন ও তাজিয়া মিছিল নিষিদ্ধ করেন।
    -এ জন্য সুন্নী মুসলমান প্রজাগণ আওরঙ্গজেবকে ‘জিন্দাপীর' বলে মনে করতেন।

    ১৫৮.
    ঈমানের অংশ কয়টি?
    1. ০৫ টি
    2. ০৩ টি
    3. ০৪ টি
    4. ০২ টি
    সঠিক উত্তর:
    ০৩ টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ০৩ টি
    ব্যাখ্যা

    ⇒ঈমান অর্থ বিশ্বাস।
    -ঈমানের আরেক নাম হচ্ছে কালিমা।
    -ঈমানের অংশ ৩টি। মনে বিশ্বাস, মৌখিক স্বীকৃতি, কাজে প্রকাশ।

    ১৫৯.
    হযরত আলী সিফফিনের যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার কারন কি ছিল?
    1. শারীরিক দুর্বলতা
    2. যুদ্ধে অনীহা
    3. অদক্ষতা
    4. রাজনৈতিক অদূরদর্শীতা
    সঠিক উত্তর:
    রাজনৈতিক অদূরদর্শীতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাজনৈতিক অদূরদর্শীতা
    ব্যাখ্যা

    ⇒উসমান (রা.) হত্যার বিচার দাবি মুয়াবিয়া (রা.) ও হযরত আলী (রা.) এর মধ্যে ৬৫৭ খ্রি. ইউফ্রেটিস নদীর পশ্চিম তীরে সিফফিন নামে স্থানে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
    -যুদ্ধ বন্ধের জন্য মদীনা ও সিরিয়ার মধ্যবর্তী দুমাতুল জান্দাল (আজরুহ) নামক স্থানে সালিশে মুসা আল আশ্য়ারীর সরলতা ও আমর ইবন আল-আসের চালাকীর জন্য হযরত আলী (রা.)কে অপসারন করে মুয়াবিয়াকে খলিফা ঘোষনা করে।
    -হযরত আলী সিফফিনের যুদ্ধে রাজনৈতিক অদূরদর্শীতার জন্য পরাজিত হন।

    ১৬০.
    'পদ্মিনী' কোথাকার রানী ছিলেন?
    1. চিতোরের
    2. রণথম্বোরের
    3. গুজরাটের
    4. দেবগিরির
    সঠিক উত্তর:
    চিতোরের
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চিতোরের
    ব্যাখ্যা

    ⇒১৩০৩ খ্রিস্টাব্দের ২৬ আগস্ট আলাউদ্দিন খলজি চিতোর আক্রমণ করেন।
    -জনশ্রুতি আছে যে,রাজপুত রাণা রতন-সিংহের স্ত্রী পদ্মিনীকে লাভের জন্য সুলতান আলাউদ্দিন খলজি চিতোর অভিযান করেন।
    - রাজা রাণা রতন সিংহ পরাজিত হলে রাজপুত রমনীগণ আত্মসম্মান রক্ষায় অগ্নিকুন্ডে ঝাঁপ দিয়ে আত্মবিসর্জন দেন।

    ১৬১.
    সুলতান মাহমুদের আক্রমণের রাজনৈতিক প্রভাব কী ছিল?
    1. হিন্দু শক্তির উত্থান
    2. বৌদ্ধধর্মের পতন
    3. মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা
    4. রাজপুতদের দুর্বলতা প্রকাশ
    সঠিক উত্তর:
    রাজপুতদের দুর্বলতা প্রকাশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাজপুতদের দুর্বলতা প্রকাশ
    ব্যাখ্যা

    ⇒১০০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১০২৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে তিনি সতেরো বার ভারত অভিযান করেন।
    -এই ২৭ বছরে তিনি ভারতের ভিন্ন ভিন্ন ১৭ জায়গায় অভিযান পরিচালনা করেন।
    -১৭ বারই সুলতান মাহমুদের কাছে পরাজিত হওয়ার ফলে রাজপুতদের মনোবলে চিড় ধরে
    -এবং তাদের দুর্বলতা প্রকাশ পায়।

    ১৬২.
    কত সালে আল-মুতাসিম রাজধানী বাগদাদ হতে সামাররাতে স্থানান্তরিত করেন?
    1. ৮৩২ খ্রি.
    2. ৮৩৪ খ্রি.
    3. ৮৩৫ খ্রি.
    4. ৮৩৬ খ্রি.
    সঠিক উত্তর:
    ৮৩৬ খ্রি.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৮৩৬ খ্রি.
    ব্যাখ্যা

    ⇒তুর্কি বাহিনীর ক্ষমতা ও আধিপত্য এতো বৃদ্ধি পায় যে, আল-মুতাসিম রাজধানী বাগদাদ হতে ৬০ মাইল উত্তর পশ্চিমে সামাররাতে (৮৩৬ খ্রি.) স্থানান্তরিত করেন।
    -এখানে তিনি বুলকাওয়ারা নামক রাজপ্রাসাদ, সেনানিবাস ও অশ্বের আস্তাবল নির্মাণ করেন।

    ১৬৩.
    আরবিতে গোত্রকে কি বলা হয়?
    1. কাবিলা
    2. কাওম
    3. আহনাফ
    4. শায়খ
    সঠিক উত্তর:
    কাবিলা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কাবিলা
    ব্যাখ্যা

    ⇒জাহেলিয়াতের যুগে আরবের রাজনৈতিক অঙ্গনে কেন্দ্রীয় সরকারের অভাবে গোত্রতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা চালু ছিল।
    -আরবরা ছিল বিভিন্ন গোত্রে বিভক্ত। আরবিতে গোত্রকে ‘কাবিলা’ বলা হয়। প্িরতটি গোত্র বংশ হিসেবে ক্ষুদ ্রঅংশে বিভক্ত ছিল। গোত্রের বিভক্ত অংশগুলোকে একত্রে কাওম বলা হতো।

    ১৬৪.
    যাকাত ফরজ হয় কখন?
    1. ১ম হিজরীতে
    2. ২য় হিজরীতে
    3. ৩য় হিজরীতে
    4. ৫ম হিজরীতে
    সঠিক উত্তর:
    ২য় হিজরীতে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২য় হিজরীতে
    ব্যাখ্যা

    ⇒দ্বিতীয় হিজরিতে রমযানের সাওম ফরয করা হয়।
    -ঐ বছর ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতরের মহোৎসবও প্রবর্তিত হয়।
    -দরিদ্র মুসলিমদের সাহায্য দানের জন্য এবং রার্ষ্টের অথর্নৈতিক কাঠামো শক্তিশালী করার জন্য যাকাত ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

    ১৬৫.
    পরী বিবির সমাধি কোথায় অবস্থিত?
    1. ছোট কাটরায়
    2. বড় কাটরায়
    3. ঈমাম বাড়ায়
    4. লালবাগের কেল্লায়
    সঠিক উত্তর:
    লালবাগের কেল্লায়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লালবাগের কেল্লায়
    ব্যাখ্যা

    ⇒স্থাপত্য শিল্পের বিকাশের জন্য শায়েস্তা খানের আমলকে বাংলায় মুঘলদের ‘স্বর্ণযুগ’ হিসেবে অভিহিত করা যায়।
    -তাঁর আমলে নিমির্ত স্থাপত্য কার্যের মধ্যে ছোট কাটরা, লালবাগ কেল্লা, পরী বিবির সমাধি-সৌধ, হোসেনি দালান, সুফি খানের মসজিদ, বুড়িগঙ্গার মসজিদ, চক মসজিদ প্রভৃতি উল্লেখ যোগ্য।

    ১৬৬.
    কতটি হাদিস নিয়ে ‘আল মুয়াত্তা’ গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়?
    1. ৭২৭৫ টি
    2. ১৭০০ টি
    3. ১৭০০০ টি
    4. ২৮০০০ টি
    সঠিক উত্তর:
    ১৭০০ টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৭০০ টি
    ব্যাখ্যা

    ⇒মালেক ইবনে আনাস ৭১৩ খ্রিস্টাব্দে মদিনায় জন্মগ্রহণ করেন।
    -শৈশবেই তিনি কুরআন ও ফিকাহ শাস্ত্রে বুৎপত্তি অর্জন করেন।
    -তিনি মুহাদ্দিস ও আইনজ্ঞ হিসেবে অল্প দিনেই খ্যাতি অর্জন করেন।
    -হাদিস সংগ্রহে অসাধারণ দক্ষতা দেখিয়ে ১৭০০ হাদিস সম্বলিত একটি গ্রন্থ ‘আল মুয়াত্তা’ প্রকাশ করেন।

    ১৬৭.
    কোন রাজা কাবাঘর ধ্বংস করার উদ্দেশে বিশাল হস্তিবাহিনী নিয়ে মক্কা শরীফে আসে?
    1. রাজা নাজ্জাসী
    2. রাজা আবরাহা
    3. রাজা হিরাক্লিয়াস
    4. রাজা নাইসিফোরাস
    সঠিক উত্তর:
    রাজা আবরাহা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাজা আবরাহা
    ব্যাখ্যা

    ⇒৫৭০ খ্রিস্টাব্দে আবদুল মুত্তালিব হিজাযের নেতৃত্বে অধিষ্ঠিত থাকাকালে আবিসিনিয়ার রাজা আবরাহা কাবাঘর ধ্বংস করার উদ্দেশে বিশাল হস্তিবাহিনী নিয়ে মক্কা শরীফে আসে।
    -কিন্তু ‘আল্লাহ তায়ালা আবাবিল নামক ক্ষুদ্র ্পাখির দল পাঠিয়ে তাদের সমূলে ধ্বংস করেন।
    -পবিত্র কুরআনে সূরা ফীল-এ ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ রয়েছে।

    ১৬৮.
    সুলতান মাহমুদ সোমনাথ মন্দিরে কততম অভিযান করেন?
    1. ১৪ তম
    2. ১৫ তম
    3. ১৬ তম
    4. ১৭ তম
    সঠিক উত্তর:
    ১৬ তম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৬ তম
    ব্যাখ্যা

    ⇒১০২৬ খ্রিস্টাব্দে কাথিওয়ারের (বর্তমান গুজরাট) এর সোমনাথ মন্দিরে ১৬ তম অভিযান পরিচালিত হয়।
    -এই মন্দিরে বিপুল পরিমাণ ধন-রত্ন সঞ্চিত ছিল।
    -হিন্দুগণ সোমনাথ মন্দিরকে অজেয় মনে করতো।
    -পার্শ্ববর্তী রাজ্যের রাজারা সোমনাথ মন্দির রক্ষার জন্য বিপুল শক্তি সংগ্রহ করে।
    -এ মন্দির থেকে দুই কোটি স্বর্ণমুদ্রা, প্রচুর অলঙ্কার ও মণি-মানিক্য ।

    ১৬৯.
    'মাদায়েন' অর্থ কি?
    1. দুই-শহর
    2. মধ্যবর্তী শহর
    3. নিকটবর্তী শহর
    4. নতুন শহর
    সঠিক উত্তর:
    দুই-শহর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দুই-শহর
    ব্যাখ্যা

    ⇒মাদায়েন অর্থ দুই-শহর। এর পশ্চিম ভাগের নাম অলুকিয়া ও পূবর্ভাগের নাম টেসিফোন।
    -কাদিসিয়ার যুদ্ধে জয়লাভের পর সেনাপতি সাদ (রা.) খলীফার অনুমতি নিয়ে পারস্যের রাজধানী মাদায়েন অভিমুখে যাত্রা করলেন। -মার্চ, ৬৩৭ খ্রি. সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.) মাদায়েন অধিকার করলেন এবং এখানে রাজধানী স্থাপন করেন।

    ১৭০.
    শেরশাহ সূরের রাজধানী কোথায় ছিল?
    1. লাহোর
    2. আগ্রা
    3. কানৌজ
    4. দিল্লি
    সঠিক উত্তর:
    দিল্লি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দিল্লি
    ব্যাখ্যা

    ⇒১৫৩৯ খিস্ট্রাব্দের এ যুদ্ধ হুমায়ুন পরাজিত হন এবং তিনি অতি কষ্টে আগ্রা ফিরে যান।
    -শেরখান বাংলা, বিহার, জৌনপুরের একচ্ছত্র অধিপতি হন এবং ‘শেরশাহ’ উপাধি ধারণ করেন।
    -হুমায়ুন চৌসার যুেদ্ধর গ্লানি ও ব্যর্থতা সহ্য করতে না পেরে পুনরায় কনৌজের পথে অগস্রর হন। ১৫৪০ খিস্ট্রাব্দে কনৌজের অদূরে বিলগ্রামে উভয়ের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ সংঘটিত হয়। যুদ্ধ হুমায়ুন শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন।
    -শেরশাহ কনৌজ, দিল্লি ও আগ্রা অধিকার করেন। এভাবে মোগল সাম্রাজ্যের পতন ঘটিয়ে দিল্লির সিংহাসনে শেরশাহের অভ্যুত্থান ঘটে।

    ১৭১.
    আরবে ইহুদী ধর্ম প্রবর্তন করেন কে?
    1. আবু কাদির আসাদ
    2. আবু উবায়দা
    3. আবুল ফজল
    4. আবু হাফস
    সঠিক উত্তর:
    আবু কাদির আসাদ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আবু কাদির আসাদ
    ব্যাখ্যা

    ⇒ইসলামের আবির্ভাবের প্রায় ৭০০ বছর পূবের্ হিমারীয় রাজা আবু কাদির আসাদ দক্ষিণ আরবে ইহুদি ধর্ম প্রবর্তন করেন।
    -পরবর্তীতে রাজা যুনাওয়াস শক্তি প্রয়োগে ইহুদি মতবাদ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালান।
    মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আবির্ভাবের প্রাক্কালে উত্তর আরবের বিভিন্ন এলাকায় বনু নযির, বনু কোরায়যা এবং মদিনার উপকণ্ঠে বনু কায়নুকা প্রভৃতি ইহুদি উপনিবেশ ওঠে।

    ১৭২.
    নিযামুল মুলক রচিত 'সিয়াসাত নামা’ গ্রন্থ কিসের উপর ভিত্তি করে লিখিত?
    1. আত্মজীবনীমূলক
    2. ইতিহাস নির্ভর
    3. মালিক শাহের জীবনী
    4. রাজ্যশাসন কাঠামোর উপর
    সঠিক উত্তর:
    রাজ্যশাসন কাঠামোর উপর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাজ্যশাসন কাঠামোর উপর
    ব্যাখ্যা

    ⇒নিজামুল মুলক ছিলেন ইসলামের রাজনৈতিক ইতিহাসের অলংকারস্বরূপ।
    -তিনি তাঁর রাজনৈতিক পজ্ঞ্রার পম্রাণস্বরূপ রাজ্যশাসন কাঠামোর উপর ‘সিয়াসাত নামা’ নামক ফার্সি ভাষায় একটি মহামূল্যবান পুস্তক রচনা করেন।
    -সুপন্ডিত নিযামুল মুলক ১০৬৫-৬৭ খ্রি. বাগদাদে নিযামিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন যা পৃথিবীর একটি শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিত।

    ১৭৩.
    তাজমহল নিমার্ণে কত বছর সময় লেগেছিলো?
    1. ২১ বছর
    2. ২২ বছর
    3. ২৩ বছর
    4. ২৪ বছর
    সঠিক উত্তর:
    ২২ বছর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২২ বছর
    ব্যাখ্যা

    ⇒সম্রাট শাহজাহানের সবর্শ্রেষ্ঠ কীর্তি হল আগ্রার তাজমহল।
    -যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত তাজমহল হচ্ছে সম্রাট তার প্রিয়তমা পত্নী মমতাজ মহলের স্মৃতিকে অমর করে রাখার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত।
    -বিশ হাজার দক্ষ শিল্পী ও কারিগর সুদীর্ঘ ২২ বছর যাবৎ এই সমাধিসৌধ নির্মাণ করেন। (১৬৩২-৫৩)
    -সম্রাট নিজেই ছিলেন এর পরিকল্পনাকারী। প্রধান স্থাপতি ছিলেন ইসফানদিয়ার রুমী ও মাস্টার ঈসা।

    ১৭৪.
    ইসলামের ১ম শহীদ কে?
    1. ইয়াসার (রা:)
    2. আম্মার (রা.)
    3. সুমাইয়া (রা:)
    4. বেলাল (রা.)
    সঠিক উত্তর:
    সুমাইয়া (রা:)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুমাইয়া (রা:)
    ব্যাখ্যা

    ⇒আম্মারের মা হযরত সুমাইয়া (রা:)-কে ইসলাম গ্রহনের অপরাধে পাপিষ্ঠ আবু জাহল বর্শার আঘাতে পাশবিক পন্থায় হত্যা করে। -ইসলাম গহ্রণের কারণে কাফিরদের হাতে মুসলমানদের এটিই শাহাদাতের প‌্রথম ঘটনা।
    -আম্মারের বাবা ইয়াসার (রা:)ও কাফিরদের নির্যাতনে শাহাদাত বরণ করেন।

    ১৭৫.
    জলদস্যুগণ দেবল বন্দরের কাছে কতটি আরব জাহাজ লুট করে?
    1. ৪ টি
    2. ৬ টি
    3. ৮ টি
    4. ১০ টি
    সঠিক উত্তর:
    ৮ টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৮ টি
    ব্যাখ্যা

    ⇒শ্রীলংকার রাজা মুসলিম সাম্রাজ্যের রাজধানী দামেস্কে আরব বণিকদের মৃতদেহ, পরিবার-পরিজন ও অথর্সামগ্রীসহ আটটি জাহাজে বোঝাই করে প্রেরণ করেন।
    -সাথে খলিফা এবং হাজ্জাজের জন্য কিছু উপহারও ছিল।
    -সিন্ধুর দেবল বন্দরের (করাচির সন্নিকটে) কাছে এ সকল জাহাজ জলদস্যুদের দ্বারা লুন্ঠিত হয়।

    ১৭৬.
    কে মুতাজিলা মতবাদকে 'বিদায়াত' বলে আখ্যায়িত করেন ?
    1. ইমাম আবু হানিফা
    2. ইমাম মালেক
    3. ইমাম শাফেয়ী
    4. ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল
    সঠিক উত্তর:
    ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল
    ব্যাখ্যা

    ⇒হাম্বলী মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল মুতাজিলা মতবাদকে 'বিদায়াত' বলে ঘোষণা আখ্যায়িত করেন।

    ১৭৭.
    জাহেলিয়া যুগের কবি নন কে?
    1. ইমরুল কায়েস
    2. নাগিব মাহফুজ
    3. আমর বিন কুলসুম
    4. আনতারা বিন শাদ্দাদ
    সঠিক উত্তর:
    নাগিব মাহফুজ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নাগিব মাহফুজ
    ব্যাখ্যা

    ⇒আরব কবি ও পন্ডিতদের মধ্যে ইমরুল কায়েস, তোরফা বিন আবদ, আনতারা বিন শাদ্দাদ, আমর বিন কুলসুম, হারেস, লবিদ বিন রবিয়া, কাব বিন যুহায়র প্রমুখের নাম বিশেষভাবে উল্লেখ্য যোগ্য।

    ১৭৮.
    আবদুল মালিক কেন ‘উমাইয়া খিলাফতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা’ বলা হয়?
    1. বিদ্রোহ দমন
    2. শাসন প্রতিষ্ঠা
    3. আরবীকরণ
    4. সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    ⇒বিদ্রোহ দমন, শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আরবীকরণ—সবগুলো কারণেই আ. মালিককে প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।

    ১৭৯.
    ইলতুৎমিশ কোন গোত্রের লোক ছিলেন?
    1. দাস গোষ্ঠির
    2. ইলবারি তুর্কি গোষ্ঠির
    3. খলজী তুর্কি গোষ্ঠির
    4. পাঠান গোষ্ঠির
    সঠিক উত্তর:
    ইলবারি তুর্কি গোষ্ঠির
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইলবারি তুর্কি গোষ্ঠির
    ব্যাখ্যা

    ⇒সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশ ছিলেন ইলবারী তুর্কি গোষ্ঠির লোক।
    -কুতুবউদ্দিন আইবেক ক্রীতদাস হিসেবে তাকে উচ্চমূল্যে কিনে নেন।
    -তার গুণে হয়ে তাঁকে মুক্ত করে বদায়ুনের শাসনকর্তা এবং নিজ কন্যার সাথে বিয়ে দেন।

    ১৮০.
    মদিনা সনদে স্বাক্ষরকারি সম্প্রদায় নয় কোনটি?
    1. ইহুদি
    2. পৌত্তলিক
    3. কুরাইশ
    4. খ্রিস্টান
    সঠিক উত্তর:
    কুরাইশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কুরাইশ
    ব্যাখ্যা

    ⇒মদিনা সনদে স্বাক্ষরকারী ইহুদি, খ্রিস্টান, পৌত্তলিক ও মুসলিমগণ মদিনা রাষ্ট্রের সকল নাগরিক অধিকার ভোগ করবে এবং একটি জাতি (উম্মাহ) গঠন করবে।

    ১৮১.
    কাকে শল্য চিকিৎসার জনক বলা হয়?
    1. ইবনে সিনাকে
    2. আল-রাযীকে
    3. আল-তাবারীকে
    4. জাবির ইবনে হাইয়ানকে
    সঠিক উত্তর:
    আল-রাযীকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আল-রাযীকে
    ব্যাখ্যা

    ⇒চিকিৎসা বিদ্যায় আব্বাসীয়দের অবদান অনন্য।
    -এ যুগের চিকিৎসকদের মধ্যে জিবিল্র ইবনে বখতিয়াসু, জাবির ইবনে হাইয়ান, ইবনে মাসাওয়াহ, সিনান ইবনে সাবিত বিন কুররাহ, আল-তাবারী, আল-রাযী, আল-মাযুসী, ইবনে সিনা বিখ্যাত ছিলেন।
    -আল-রাযী ছিলেন বাগদাদের হাসপাতালের পধ্রান চিকিৎসক। তাকে শল্য চিকিৎসার জনক বলা হয়।
    -ইবনে সিনার ‘আল কানুন ফি আল-ত্বিব’কে বলা হয় চিকিৎসা বিদ্যার বাইবেল।

    ১৮২.
    মজলিস-আল-শুরা ব্যবস্থার বিলোপ করেন কে?
    1. মুয়াবিয়া
    2. ইয়াজিদ
    3. আল-ওয়ালিদ
    4. ওমর বিন আ.আজিজ
    সঠিক উত্তর:
    মুয়াবিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মুয়াবিয়া
    ব্যাখ্যা

    ⇒ আল-মুগীরার পরামর্শে মুয়াবিয়া তার পুত্র ইয়াজিদকে পরবর্তী উত্তরাধিকারী হিসেবে মনোনীত করলে খুলাফায়ে রাশিদীনের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ইতি ঘটে।
    -তিনি ইসলামের ইতিহাসে রাজতন্ত্রের সূত্রপাত ঘটান।
    -তিনি মজলিস-আল-শুরা ব্যবস্থার বিলোপ করেন।
    - যদিও ওমর বিন আ. আজিজ শাসন ক্ষেত্রে তিনি মজলিস-আল-শুরা অনুসরণ করতেন।
    -কিন্তু বাকী ১৩ জন উমাইয়া শাসক মজলিস-আল-শুরা অনুসরণ করতেন না।

    ১৮৩.
    কখন বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা হয় ?
    1. ১৩৩৭ খ্রিস্টাব্দে
    2. ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে
    3. ১৩৩৯ খ্রিস্টাব্দে
    4. ১৩৪০ খ্রিস্টাব্দে
    সঠিক উত্তর:
    ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে
    ব্যাখ্যা

    ⇒১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসন প্িরতষ্ঠিত হলেও ১৩৩৮ খিস্ট্রাব্দ পর্যন্ত বাংলার শাসকগণ দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতেন।
    -দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলকের শাসনামলে বাংলাকে সোনারগাঁও, লখনৌতি ও সাতগাঁও এই তিনটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
    -১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের (তাতার খান) মৃত্যু হলে ‘ফখরা’ বা ফখরুদ্দিন নামে তাঁর একজন সিলাহদার (বর্মরক্ষক) স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
    -তিনি ‘মুবারক শাহ’ উপাধি গ্রহণ করেন।

    ১৮৪.
    কোন শাসকের সময় সর্ব প্রথম মুসলিম নৌ-বাহিনী গঠিত হয়?
    1. হযরত ওমর (রা.) এর সময়
    2. হযরত উসমান (রা.) এর সময়
    3. মুয়াবিয়ার সময়
    4. আব্দুল মালিকের সময়
    সঠিক উত্তর:
    হযরত উসমান (রা.) এর সময়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হযরত উসমান (রা.) এর সময়
    ব্যাখ্যা

    ⇒হযরত উসমান (রা.) এর সময় সর্ব প্রথম মুসলিম নৌবাহিনী গঠিত হয়।
    -এই আরব নৌবাহিনীর মাধ্যমে মুসলিমগণ ভূমধ্যসাগরে, লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরে আধিপত্য বিস্তার সক্ষম হয়।
    -ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দ্বীপ যেমন- সাইপ্রাস, রোড্স, সিসিলি, ক্রীট প্রভৃতি দখল করা হয়। 
    -ভূমধ্যসাগরে বাইজানটাইন শক্তিকে কোণঠাসা করা হয়।

    ১৮৫.
    গজনি রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
    1. আলপ্তগীনে
    2. সবুক্তগীনে
    3. সুলতান মাহমুদ
    4. ইসমাঈল
    সঠিক উত্তর:
    সবুক্তগীনে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সবুক্তগীনে
    ব্যাখ্যা

    গজনি রাজবংশের (Ghaznavid Dynasty) প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আলপ্তগীনের দাস ও জামাতা সবুক্তগীন (Sabuktigin)।
    -তিনি ৯৯৭ সালে গজনীর সিংহাসনে আরোহন করেন।
    -বাগদাদের খলিফা কাদির বিল্লাহ তাকে ‘ইয়ামিন-উদ-দৌলা’ ও ‘আমিন-উল-মিল্লাত’ খেতাবে ভূষিত করেন।

    ১৮৬.
    ঈদের আনুষ্ঠানিক প্রবর্তন ঘটে কবে থেকে?
    1. নবুওতের দশম বছরে
    2. ৬২২ সালে
    3. ২য় হিজরিতে
    4. হুদায়বিয়ার সন্ধির পর
    সঠিক উত্তর:
    ২য় হিজরিতে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২য় হিজরিতে
    ব্যাখ্যা

    ⇒দ্বিতীয় হিজরিতে রমযানের সাওম ফরয করা হয়।
    -ঐ বছর ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতরের মহোৎসবও প্রবর্তিত হয়।
    -দরিদ্র মুসলিমদের সাহায্য দানের জন্য এবং রার্ষ্টের অথর্নৈতিক কাঠামো শক্তিশালী করার জন্য যাকাত ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

    ১৮৭.
    জাহেলিয়া যুগে সুদের ব্যবসা করতো কারা?
    1. ইহুদিরা
    2. খ্রিষ্টানরা
    3. পৌত্তলিকরা
    4. কুরাইশরা
    সঠিক উত্তর:
    ইহুদিরা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইহুদিরা
    ব্যাখ্যা

    ⇒জাহেলিয়া যুগে আরবে ধনী বণিক শ্রেনী ইহুদিরা সুদের ব্যবসা করতো।
    -তারা কখনো কখনো শতকরা একশ, দেড়শ বা দু'শ গুণ পর্যন্ত সুদ নিত।
    -সুদী কারাবারের নিয়মাবলি এতই জঘন্যতম ছিল যে, ঋণগ্রহীতা অনেক সময় সবর্বশান্ত হয়ে যেত।