পরীক্ষা আর্কাইভ

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

পরীক্ষানৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৫ টপিক: i) মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি, মূল্যবোধ সম্পর্কিত বই, মূল্যবোধ ও সুশাসন। ii) দূর্নীতি, জাতীয় শুদ্ধাচার, গণতন্ত্র, আমলাতন্ত্র, মানব উন্নয়ন সূচক। [Live Class – 7 & 8]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
গণতন্ত্র ব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার উৎস কী?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. আইন
  4. জনগণ
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্র (Democracy):
- গনতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ Democracy, যা গ্রিক শব্দ Demos এবং Kratos বা Kratia থেকে উদ্ভূত। 
- Demos অর্থ জনগণ এবং Kratos বা Kratia শব্দের অর্থ শাসন ক্ষমতা সুতরাং শব্দগত অর্থে গণতন্ত্রের অর্থ হচ্ছে জনগণের শাসন ক্ষমতা।
- গণতন্ত্র আধুনিক যুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় সরকার।
- গণতন্ত্রে সকল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার উৎস জনগণ।

সংজ্ঞাসমূহ-
"গণতন্ত্র হচ্ছে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে পরিচালিত সরকার।"- বার্কার।
"গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের কল্যাণের জন্য, জনগণের দ্বারা পরিচালিত, জনপ্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থা" ("Democracy is a government of the people,by the people and for the people)"- আব্রাহাম লিংকন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
UNCAC-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. United Nations Convention Against Crime
  2. United Nations Council Against Corruption
  3. United Nations Convention Against Corruption
  4. United Nations Committee Against Crime
ব্যাখ্যা
⇒ জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী কনভেনশন (UNCAC):
- UNCAC এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention Against Corruption.
- জাতিসংঘের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা গৃহীত হয়: ৩১ অক্টোবর, ২০০৩।
- কার্যকর হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৫।
- স্বাক্ষরস্থল: মেরিডা, মেক্সিকো।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২০০৭ সালে।

উৎস: UN ওয়েরবসাইট।
.
বাংলাদেশে উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় কোনটি?
  1. নিরক্ষরতা
  2. দুর্নীতি
  3. জবাবদিহিতা
  4. অদক্ষ জনশক্তি
ব্যাখ্যা
সুশাসন ও দুর্নীতি:
- বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করার পথে প্রধান বাধা হলো দুর্নীতি।
- দুর্নীতি প্রশাসনিক কাঠামো, অর্থনীতি, আইন-শৃঙ্খলা ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করে।
- উন্নত ভবিষ্যতের জন্য সুশাসন অপরিহার্য, কিন্তু দুর্নীতির কারণে সুশাসনের মূল উপাদান- জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়।

• দুর্নীতি যেভাবে উন্নয়ন ও সুশাসন ব্যাহত করে-
- অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি;
- সামাজিক বৈষম্য বৃদ্ধি;
- সুশাসনের অবক্ষয়;
- অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পে নেতিবাচক প্রভাব;
- গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ক্ষতি।

• দুর্নীতি প্রতিরোধের উপায়-
- জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা;
- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) শক্তিশালী করা;
- আইনের শাসন নিশ্চিত করা;
- প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো;
- জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
.
নিম্নের কোনটি নৈতিকতার বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. সার্বজনীন
  2. ধর্ম নিরপেক্ষ
  3. বিবেকবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত
  4. শুধুমাত্র বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে
ব্যাখ্যা
নৈতিকতা:
- 'Morality' হলো নৈতিকতা শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ।
- এটি ল্যাটিন শব্দ Moralitas থেকে উদ্ভূত যার অর্থ সঠিক আচরণ বা চরিত্র।
- নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত ধ্যান-ধারণার সমষ্টি।
- নৈতিকতা বিবেক ও মূল্যবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত।

বৈশিষ্ট্য:

- নৈতিকতা ব্যক্তির সদ গুণ বিশেষ।
- এটি সার্বজনীন।
- নৈতিকতা ধর্ম নিরপেক্ষ।
- এটি এক ধরনের শক্তি ও আদর্শ, যা ব্যক্তির বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।

⇒ নৈতিকতা সম্পর্কিত বিষয়:
• লক্ষ্য: নৈতিকতার মৌলিক লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ সাধন।
• নিয়ন্ত্রক: নৈতিকতার নিয়ন্ত্রক হলো বিবেক ও মূল্যবোধ।
• শুরু: নৈতিক শিক্ষা প্রাথমিক ভাবে পরিবারে শুরু হয়।
• রক্ষাকবচ: নৈতিকতার রক্ষাকবচ বিবেকের দংশন।
• উপাদান: নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান হলো সততা ও নিষ্ঠা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
.
কোনটি অবস্তুগত সংস্কৃতির উদাহরণ নয়?
  1. আইন
  2. দর্শন
  3. পোশাক
  4. মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা
অবস্তুগত সংস্কৃতি:
- যেসব বিষয়ের বস্তুগুণ নেই অথচ আমাদের সংস্কৃতির অংশ তাকে অবস্তুগত সংস্কৃতি বলে।
- যেমন- চিন্তাভাবনা, ধ্যান-ধারণা, রীতিনীতি, সাহিত্য, দর্শন, ধর্ম, নীতিবোধ ইত্যাদি।
- মানুষের ভাষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, আইন, আদর্শ, মূল্যবোধ, প্রথা, শিল্পকলা, অভ্যাস, বিশ্বাস, সামর্থ্য ইত্যাদি উপাদানও অবস্তুগত সংস্কৃতির অংশ।

অন্যদিকে -
বস্তুগত সংস্কৃতি:
- সকল বস্তুগত জিনিসপত্র যা মানুষ দৈনন্দিন জীবন যাপনের জন্য ব্যবহার করে তাকে বস্তুগত সংস্কৃতি বলে।
- এসব বস্তুগত জিনিসের মধ্যে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, পোশাক, বাসন বা তৈজসপত্র, হাতিয়ার অন্যতম।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মানব উন্নয়ন সূচক (HDI) রিপোর্ট কোন সংস্থা প্রকাশ করে?
  1. বিশ্ব ব্যাংক
  2. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
  3. জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি
  4. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ব্যাখ্যা
মানব উন্নয়ন সূচক:
- মানব উন্নয়ন সূচক হল (Human Development Index, HDI) একটি পরিমাপের সূচক, যা একটি দেশের মানব উন্নয়নের বিভিন্ন মাত্রার মূল্যায়ন করে।
- মানব উন্নয়ন সূচক রিপোর্ট প্রকাশ করে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)।
- এটি মূলত তিনটি প্রধান দিক নিয়ে গঠিত:
১) এটি একটি দেশের নাগরিকদের গড় আয়ু মূল্যায়ন করে।
২) এটি সাক্ষরতার হার এবং শিক্ষার স্তর বিবেচনা করে।
৩) এটি মাথাপিছু আয় (GNI per capita) এর ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়।

- HDI-র মাধ্যমে দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সম্মিলিত চিত্র পাওয়া যায়, যা উন্নয়ন নীতি ও প্রোগ্রাম প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসূত্র: UNDP ওয়েবসাইট।
.
পরোক্ষ গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে নাগরিকেরা কীভাবে শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করেন?
  1. শুধুমাত্র রাজনৈতিক দল গঠন করে
  2. শুধুমাত্র কর প্রদানের মাধ্যমে
  3. নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করে
  4. সরাসরি আইন প্রণয়ন ও বিচারকার্য পরিচালনা করে
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্রের প্রকারভেদ:
• প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র (Direct Democracy):
- যে শাসনব্যবস্থায় নাগরিকেরা প্রত্যক্ষভাবে শাসনকার্য পরিচালনায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন, তাকে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র বলে।
- প্রাচীন গ্রিসে এই প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র প্রচলিত ছিল।
- তখন নগররাষ্ট্রের সব নাগরিক কোনো বিশেষ স্থানে জমায়েত হয়ে আইন প্রণয়ন, কর ধার্য, কর্মচারী নিয়োগ, বিচারকার্য পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন।

• পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র (Indirect or Representative Democracy):
- পরোক্ষ গণতন্ত্র বলতে সাধারণত নাগরিকদের সরাসরি অংশগ্রহণ না করে প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা করার পদ্ধতিকে বোঝায়।
- পরোক্ষ গণতন্ত্রে নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই আইন প্রণয়নসহ শাসনকার্য পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোতে পরোক্ষ গণতন্ত্র প্রচলিত।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রজাতন্ত্র রাষ্ট্র ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
  1. উত্তরাধিকার সূত্রে রাষ্ট্রপ্রধানের ক্ষমতা লাভ
  2. সামরিক বাহিনী দ্বারা শাসন
  3. জনগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচন
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রজাতন্ত্র (Republic):
- যে শাসনব্যবস্থা বা সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধান জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষ নির্বাচিত হন, তাকে "প্রজাতন্ত্র" বলে।
- প্রজাতন্ত্র হল এমন একটি সরকার ব্যবস্থা যেখানে সর্বোচ্চ ক্ষমতা ভোগ করে জনগণ বা জনগণের একাংশ।
- প্রজাতন্ত্রের উদ্ভব ঘটে প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যে। রোমান সাম্রাজ্য ছিল প্রথম প্রজাতন্ত্র।
- গনতান্ত্রিক সরকারেরই একটা রূপ প্রজাতান্ত্রিক সরকার।
- প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলি সাধারণত সার্বভৌম রাষ্ট্র হয়ে থাকে।
- প্রজাতন্ত্রের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধান হবেন নির্বাচিত ও তাদের নিকট দায়বদ্ধ।

গণতন্ত্র ও প্রজাতন্ত্রের মূল পার্থক্য-
- গণতন্ত্রে ক্ষমতা থাকে সরাসরি জনগণের হাতে। অন্যদিকে, প্রজাতন্ত্রে ক্ষমতা থাকে পৃথক নাগরিকদের হাতে।
- একটি গণতান্ত্রিক দেশে রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত হতেও পারেন আবার না-ও পারেন। কিন্তু একটি প্রজাতন্ত্রে রাষ্ট্রপ্রধানকে নির্বাচিত হতে হবে।
- গণতন্ত্রে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সংখ্যাগরিষ্ঠের মতে। প্রজাতন্ত্রে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় জনগণের প্রতিনিধিদের দ্বারা।
- গণতন্ত্রে জনগণের ইচ্ছা বা জনমত অনুযায়ী দেশ পরিচালিত হয়, যেখানে প্রজাতন্ত্রে তা সংবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়। অর্থাৎ, গণতন্ত্রে জনমত চাইলে কোনো বিষয়ে তাদের অধিকার পরিবর্তন করতে পারে, কিন্তু প্রজাতন্ত্রে সংবিধানের দেয়া অধিকারকে জনমত ছাড়িয়ে যেতে পারে না।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে _________ রাষ্ট্র গঠন হয়।
  1. অস্থিতিশীল
  2. কল্যাণমূলক
  3. দুর্নীতিপরায়ণ
  4. রাজনৈতিক
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র:
- মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব।
- যখন সমাজে নৈতিকতা, সততা এবং সহানুভূতির মতো মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন মানুষ আইন মেনে চলে এবং অপরাধ কমে যায়।
- যা সমাজে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এর ফলে রাষ্ট্রের প্রশাসন কার্যকরভাবে পরিচালিত হয় এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করতে পারে।
- মূল্যবোধের মাধ্যমে মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকার রক্ষা হয়, শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি পায়, এবং সমাজে সমতা ও সহানুভূতির পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যা সকল শ্রেণীর মানুষের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করে।
- এছাড়া, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মূল্যবোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এভাবে, মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন হয়, যেখানে সামাজিক ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত থাকে, যা সকল সদস্যের মঙ্গল নিশ্চিত করে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
মূল্যবোধ শিক্ষা সমাজে কোনটি বৃদ্ধি করে?
  1. রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব
  2. দায়িত্বশীলতা ও কর্তব্যবোধ
  3. সামাজিক বিভাজন
  4. অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসনের উপযোগিতা:
- "মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসনের উপযোগিতা" বলতে বোঝানো হয়, মূল্যবোধ শিক্ষা এবং সুশাসন সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে কীভাবে সহায়ক হতে পারে।
- মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসন একে অপরের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত এবং সমাজের উন্নয়নে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

তাদের উপযোগিতা হল:
- সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা;
- নীতি ও ঔচিত্যবোধ প্রতিষ্ঠা;
- স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা;
- আমলাতন্ত্রের জবাবদিহিতা;
- মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের প্রতিষ্ঠা;
- দুর্নীতিমূক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা;
- দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ বৃদ্ধি;
- সমাজে শৃঙ্খলাবোধ বিরাজ করা;
- নাগরিক সচেতনতা ইত্যাদি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।