পরীক্ষা আর্কাইভ

এনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived]

পরীক্ষাএনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৭ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান - ২ টপিক: ১. মুক্তিযুদ্ধ ২. মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী ইতিহাস, ৩. ২০২৪-এর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ, ৪. বাংলাদেশের অর্থনীতি ও শিল্প-বাণিজ্য।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

এনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived]

এনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর চালু হয়-
  1. ১ জানুয়ারি ১৯৯১
  2. ১ জুলাই ১৯৯১
  3. ১ জুন ১৯৯২
  4. ১ জুলাই ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
• মূল্য সংযোজন কর :
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হল বাংলাদেশে উৎপাদিত এবং আমদানিকৃত পণ্য বা সেবা বাংলাদেশে সরবরাহের ক্ষেত্রে আরোপিত কর।
- আইন দ্বারা সুনির্দিষ্টভাবে অব্যাহতি প্রাপ্ত বা অন্য কোনোভাবে অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য ও সেবা ব্যতীত বাংলাদেশে প্রস্তুতকৃত বা আমদানিকৃত সকল পণ্য এবং সেবা এই কর ব্যবস্থার আওতাভুক্ত।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ৩১ মে ১৯৯১ তারিখে একটি অধ্যাদেশ হিসেবে জারি করেন। 
-  মূল্য সংযোজন কর চালু হয়, ১ জুলাই ১৯৯১ তারিখে ।
-মূসকের প্রমাণ কর-হার অপরিবর্তিতভাবে ১৫%-এ স্থিরীকৃত রয়েছে
- সেবা আমদানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর আদায়ের বিধান-বাংলাদেশের বাহির হতে সেবা সরবরাহ করা হলে, যিনি উক্ত সেবা সরবরাহ গ্রহণ করবেন, তার উপর সমূদয় সেবামূল্যের ভিত্তিতে ১৫% হারে মূসক প্রযোজ্য।

উৎস: 
nbr.govt. বাংলাপিডিয়া.
.
আবু সাইদ কত তারিখে শহিদ হন?
  1. ১০ জুলাই ২০২৪
  2. ১৬ জুলাই ২০২৪
  3. ১২ জুলাই ২০২৪
  4. ১৫ জুলাই ২০২৪
ব্যাখ্যা
-আবু সাঈদ ২০০১ সালে রংপুরের জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে মকবুল হোসেন ও মনোয়ারা বেগমের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- আবু সাইদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২ ব্যাচের  শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বায়ক ছিলেন।
-  ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহিদ- আবু সাইদ।

উৎস: 
প্রথম আলো
.
বাংলাদেশ কবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে  উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হবে?
  1. ২২ নভেম্বর ২০২৬
  2. ২৩ নভেম্বর ২০২৬
  3. ২৪ নভেম্বর ২০২৬
  4. ২১ নভেম্বর ২০২৬
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ, বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতার থেকে উত্তরণের সুপারিশ করে।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৬তম বৈঠকের ৪০তম প্লেনারি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- The United Nations Committee for Development policy (CDP)  বাংলাদেশ কে উন্নয়নশীল দেশে তে যাওয়ার জন্যে সুপারিশ করে।
 CDP কোন দেশ কে ৩ টি সূচকের উপর ভিত্তি করে LDC  থেকে উত্তরণের সুপারিশ করেন।
- বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতার থেকে উত্তরণের শর্ত পূরণ করে-  ২০১৮ সালে।
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য: 
-১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
-বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।

উৎস: ডয়েছ লেভেল, প্রথম আলো।
.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান-
  1. Chowdhury Ashik Mahmud Bin Harun
  2. Nahian Rahman Rochi
  3. Dr. Khandoker Azizul Islam
  4. Shah Mohammad Mahboob
ব্যাখ্যা
Bangladesh Investment Development Authority (BIDA)
- ১৯৮৯ সালে - বিনিয়োগ বোর্ড গঠিত হয়।
- ১৯৯৩ সালে গঠিত প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড এবং ১৯৮৯ সালে গঠিত বিনিয়োগ বোর্ড একীভূত করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা  হয়। 
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা  হয়- ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- BIDA নির্বাহী চেয়ারম্যান- চৌধুরি  আশিক মুহাম্মদ বিন হারুন  (এপ্রিল ২০২৫) ।
- বিডার লক্ষ- বাংলাদেশের বিদেশি  বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করা , যাতে দেশের আত্নসামাজিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ বিনিয়োগ সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছে- ৭-১০ এপ্রিল ২০২৫ ।

উৎস: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে (বিডা) এবং বাংলাপিডিয়া।
.
সিপাহী হামিদুর রহমান কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন?
  1. ৮ নং
  2. ১১ নং
  3. ৭ নং
  4. ৪ নং
ব্যাখ্যা
• সিপাহী হামিদুর রহমান: 
- সিপাহী হামিদুর রহমান ১৯৫৩ সালে ঝিনাইদহে জন্মগ্রহণ করেন।
- কর্মস্থল- সেনাবাহিনী।
- পদবি- সিপাহী
- সেক্টর- ৪ নং
- মৃত্যু- ২৮ অক্টোবর ১৯৭১ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
.
বর্তমানে জাতীয় গণনায় দেশের অর্থনীতিকে কয়টি খাতে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ১৯ টি
  2. ১২ টি
  3. ১৫ টি
  4. ১৭ টি
ব্যাখ্যা
- জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
-বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতিবছর উৎপাদন পদ্ধতি ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে  জাতীয় আয় ও জিডিপি গণনা করে । 
-উৎপাদনের ভিত্তিতে খাতভিত্তিক জিডিপি কে ২০০৫-৬ ভিত্তি বছরে ১৫ টি খাতে ভাগ করা হয় ।
- ২০১৫-১৬ ভিত্তিবছরে জিডিপিতে ১৯ টি খাতে ভাগ করা হয়।
• যেমন-
- কৃষি- ১. কৃষি বনজ এবং মৎস্য।
- শিল্প খাত- ২. খনিজ ও খনন ৩, শিল্প ম্যানুফ্যাকচার ৪. বিদ্যুৎ, গ্যাস , বাষ্প , এবং শীতাতপ ব্যবস্থা,  ৫. পানি সরবরাহ, পয়োনিস্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা , ৬. নির্মাণ
- সেবা খাত- ৭. পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, . পরিবহণ ও সংরক্ষণ, ৯. আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম , ১০. তথ্য ও যোগাযোগ,  ১১. আর্থিক বীমা কার্যক্রম,  ১২. রিয়েল স্টেট কার্যক্রম, ১৩. পেশাদার বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত, কার্যক্রম ১৪. প্রশাসনিক ও সহায়তা মূলক কার্যক্রম ১৫ জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা 
১৬. শিক্ষা ,  ১৭. মানব স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা  কার্যক্রম,  ১৮. শিল্পকলা,  ১৯. অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস:   বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
মার্চ টু ঢাকা কত তারিখে পালিত হয়?
  1. ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে
  2. ৪ আগস্ট ২০২৪ সালে
  3. ১ আগস্ট ২০২৪ সালে
  4. ৩ আগস্ট ২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা
• বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন :
-সরকারি চাকরির সকল প্রকার কোটা বাতিল করে  সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে ৪ অক্টোবর ২০১৮ সালে। ৩০% মুক্তিযুদ্ধ কোটা ফিরে পেতে হাইর্কোটে রিট  করা হলে , হাইকোর্ট কোটা বাতিল প্রজ্ঞাপন স্থগিত করে দেন।  তারই প্রেক্ষিতে ছাত্ররা  বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আন্দোলনের ডাক দেন। যা পরর্বতীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান  রূপে পরিচিতি পায়। 
- ১ জুলাই ২০২৪ তিন দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন শুরু হয়। 
- ৬ জুলাই বাংলা ব্লকড কর্মসূচির ডাক দেন এবং ৭-১২ জুলাই তা পালন করেন।
- কিমপ্লিট শাটডাউনের ডাক দেন ১৭ জুলাই, পালিত হয় ১৮-২২ জুলাই।
- মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়- ৪ আগস্ট, পালিত হয়- ৫ আগস্ট।

উৎস: প্রথম আলো
.
বাংলাদেশ  ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ এ সমগ্র দেশকে কয়টা ভাগে  ভাগ করা হয়েছে।
  1. ৬ টি
  2. ৭ টি
  3. ৫ টি
  4. ৪ টি
ব্যাখ্যা
• ডেল্টা প্ল্যান: 
- ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডসের আদলে গ্রহণ করা শতবর্ষী  প্ল্যান তথা ডেল্টা প্ল্যান বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ‘-২১০০’
- ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বরে  জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) অনুমোদন দেয়।
-ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
-দেশের ভৌগলিক  অবকাঠামো বিবেচনায় ডেল্টা প্ল্যানে সমগ্র দেশ কে ছয়টি হটস্পট ভাগ করা হয়েছে।
১.  উপকূলীয় অঞ্চল, 
২  .বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল,
৩.  হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল, 
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল, 
৫. নদী ও মোহনা অঞ্চল এবং 
৬.  নগরাঞ্চল ।

উৎস: বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ওয়েব সাইট।
.
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছোট সোনা মসজিদ প্রঙ্গনে কাকে সমাহিত করা হয়? 
  1. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর 
  2. সিপাহি হামিদুর রহমান
  3. সিপাহি মোস্তফা কামাল
  4. ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ
ব্যাখ্যা
• ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর :
- ১৯৪৯ সালে বরিশাল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন পদবিধারী ছিলেন।
- তিনি ৭ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- মৃত্যু বরণ করেন-  ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে।
- বীর শ্রেষ্ঠদের মধ্যকার তিনি সর্বশেষ শহিদ হন।
- তাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছোট সোনা মসজিদ প্রঙ্গনে  কাকে সমাহিত করা হয়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১০.
বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের নির্বাহী পরিষদের সভাপতি-
  1. President
  2. Finance Minister
  3. Prime Minister
  4. Chief  Advisor
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের নির্বাহী পরিষদ ( ECNEC )
-জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি ( ECNEC ) হল বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীনে একটি নির্বাহী কমিটি।
-বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের নির্বাহী পরিষদের সভাপতি -  প্রধানমন্ত্রী (  সরকার প্রধান হিসেবে)।
-  বিকল্প সভাপতি-অর্থমন্ত্রী।
- একনেক  গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পগুলি যাচাই ,পর্যালোচনা এবং অনুমোদন প্রদান করে।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণ এবং উন্নয়ন প্রকল্পে অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক সংস্থা।

উল্লেখ্য: 
- বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের নির্বাহী পরিষদের-  প্রধান উপদেষ্টা ( অন্তর্ভতিকালীন সরকারে প্রধান হিসেবে - এপ্রিল-২০২৫)

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
১১.
মনসুন অভ্যুত্থান কোন দেশের সাথে সম্পর্কিত?
  1. তুরস্ক
  2. বাংলাদেশ
  3. মিশর
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
-  জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণে,  ড. মুহাম্মদ ইউনূস ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার গনঅভ্যুত্থানকে মনসুন অভ্যুত্থান আখ্যায়িত করেছেন
-  বাংলাদেশের ‘মনসুন অভ্যুত্থান’ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষকে মুক্তি ও ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়াতে প্রেরণা জুগিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য :
 
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
-সরকারি চাকরির সকল প্রকার কোটা বাতিল করে  সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে ৪ অক্টোবর ২০১৮ সালে। ৩০% মুক্তিযুদ্ধ কোটা ফিরে পেতে হাইর্কোটে রিট  করা হলে , হাইকোর্ট কোটা বাতিল প্রজ্ঞাপন স্থগিত করে দেন।  তারই প্রেক্ষিতে ছাত্ররা  বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আন্দোলনের ডাক দেন। যা পরর্বতীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান  রূপে পরিচিতি পায়। 

উৎস: প্রথম আলো
১২.
বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতির হার কত শতাংশ?
  1. ৬.৫%
  2. ৭.৫%
  3. ৯.৭৪%
  4. ৯%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪:
- চলিত মূল্যে জিডিপি- ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭৫  মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি- ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মোট জাতীয় আয় - ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি-  ৯.৭৪%।
- জিডিপিতে কৃষির অবদান - ১১.০২%।
- জিডিপিতে শিল্পের অবদান - ৩৭.৯৫%।
- জিডিপিতে সেবার অবদান -৫১.০৪%।
- অর্থনীতিতে মোট খাত - ১৯ টি (২০১৫-১৬ ভিত্তি বছর)

উৎস: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
১৩.
দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন বাংলাদেশ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন বাংলাদেশ :
-বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৮১ সনে ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- ১৯৮৩ সনে একনেক (ECNEC) কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
- বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস গাজীপুরে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ।
- ১৯৮৮ সনে পরীক্ষামূলকভাবে ১ টাকা মূল্যমানের কারেন্সি নোট এবং ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কাগজি মুদ্রা উৎপাদন শুরু হয়।
- নোট উৎপাদনের পাশাপাশি ১৯৮৯-১৯৯০ সন থেকে , প্রাইজবন্ড, সঞ্চয়পত্র, স্মারক ডাকটিকিট, ইনভেলাপ, পোস্ট কার্ড, সরকারি ট্রেজারি বন্ড, পোস্টাল স্ট্যাম্প, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, রেভিনিউ স্ট্যাম্প, সিগারেট ট্যাক্স-লেবেল, বিড়ি-ব্যান্ডরোল, বাণিজ্যিক ব্যাংকের চেকবই, সরকারি ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তামূলক ট্যাক্স-টোকেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার নম্বরপত্র ও সনদপত্রের ফরমেট, বীজ প্রত্যয়ন ট্যাগ, বিআইডব্লিউটিএ এর টার্মিনাল টিকেট, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর জিএসপি ফরম, গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন পেপার সিল ইত্যাদি মুদ্রণ করা হয়েছে এবং হচ্ছে।
-এই প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ জনগণের নিকট ‘টাকশাল’ নামে সর্বাধিক পরিচিত। 
-দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড-এর সংক্ষিপ্ত রূপ ‘এসপিসিবিএল’ বা ‘এসপিসি’ নামেও  পরিচিত।

উৎস: spcbl
১৪.
মুজিব নগর সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. কামরুজ্জামান
  4. এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার: 
- মুজিব নগর সরকার বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার ও প্রবাসী সরকার নামে ও পরিচিত।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল ১০৭১ সালে মুজিব নগর সরকার বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন।

• মুজিব নগর সরকারের মন্ত্রিসভা :
-বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান: রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক 
-সৈয়দ নজুল ইসলাম - উপ- রাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
- তাজউদ্দিন আহমেদ- প্রধানমন্ত্রী , অন্যান্য দপ্তর:  প্রতিরক্ষা, তথ্য, যোগাযোগ, পরিকল্পনা, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার, শ্রম, সমাজকল্যাণ ও সংস্থাপন মন্ত্রণালয়।
-এম মনসুর আলী- অর্থমন্ত্রী। অন্যান্য দপ্তর : পরিবহণ, খাদ্য , বস্ত্র ,বাণিজ্যও শিল্প।
- এ এইচ কামরুজ্জামান- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অন্যান্য দপ্তর- সরবরাহ, কৃষি, ত্রাণ  ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয় ।
- খন্দকার মোশতাক-  মন্ত্রী -পররাষ্ট্র , আইন ও সংসদ বিষয়ক  মন্ত্রণালয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ।
১৫.
বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত?
  1. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
  2. ২,১০০ মার্কিন ডলার
  3. ২,২০০ মার্কিন ডলার
  4. ২,২০৯ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪:
-চলিত মূল্যে জিডিপি- ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭৫  মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি- ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মোট জাতীয় আয় - ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি-  ৯.৭৪%।
- গড় আয়ু- ৭২.৩ বছর
- সাক্ষরতার হার- ৭৭.৯%
- পুরুষ ও নারী অনুপাত- ৯৬.৩ : ১০০ 
- মাথাপিছু আয় - ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার (২০২৩-২৪)(সাময়িক)।
- মুদ্রাস্ফীতি-৯.৯২% (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
১৬.
জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন কত তারিখে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  2. ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  3. ১৫সেপ্টেম্বর ২০২৪
  4. ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
ব্যাখ্যা
• জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন:
-জুলাই বিপ্লবে আহত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারকে সহায়তা করার জন্য জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
-জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে-১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ।
-সংগঠনটির লক্ষ -
• ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে স্বল্পমেয়াদি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।
•  জুলাই বিপ্লবে  জীবন উৎসর্গকারী ব্যক্তিদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা।

তথ্যসূত্র: জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন এবং প্রথম আলো {লিংক}