পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: [ভূগোলের গুরত্বপূর্ণ বিষয়াবলি] ১. দীর্ঘতম, উচ্চতম, বৃহত্তম, ক্ষুদ্রতম প্রভৃতি সম্পর্কিত। ২. নদী, সাগর, মহাসাগর, পর্বত, খাল, প্রণালি, সমুদ্রবন্দর, সীমারেখা প্রভৃতি সম্পর্কিত। ৩. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক স্থান ও স্থাপনা। ৪. ভৌগোলিক উপনাম
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
'চীনের দুঃখ' বলা হয় কোন নদীকে?
  1. ইয়াংসিকিয়াং নদী
  2. হুয়াংহো নদী
  3. নীলনদ
  4. সিন্ধু নদী
ব্যাখ্যা

হোয়াংহো:
- হোয়াংহো চীনের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম নদী।
- এর অপর নাম পীত নদী।
- হুয়াংহো নদীর সর্ব্বমোট দৈর্ঘ্য ৫৪৬৪ কিলোমিটার।
- এটি কুনলুন পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে নদীটি পীতসাগরে পতিত হয়েছে।
- প্রাচীন চীনে শুধু হোয়াংহো নদীকে হো নামে ডাকা হতো।
- হুয়াংহো নদী অর্থাৎ পীত নদীকে "চীনের দুঃখ" বলা হয়।
- প্রাচীন চীনে প্রায়ই হুয়াংহো নদী ছাপিয়ে উঠে সবকিছু বন্যায় ভাসিয়ে দিত বলে এই নদীর নাম ছিল "চিনের দুঃখ"।
- ইতিহাসে ২৬ বার এই নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে।
- চীনের প্রাচীনতম সভ্যতা গড়ে উঠেছিল এই নদীর অববাহিকায়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
পৃথিবীর শীতলতম মহাদেশ কোনটি?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. এন্টার্কটিকা
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা

এন্টার্কটিকা মহাদেশ:
- পৃথিবীতে ৭টি মহাদেশ রয়েছে।
- যথা- এশিয়া, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, এন্টার্কটিকা, ইউরোপ এবং অস্ট্রেলিয়া।
- আয়তনে মহাদেশসমূহের মধ্যে এশিয়া বৃহত্তম এবং অস্ট্রেলিয়া ক্ষুদ্রতম।
- এন্টার্কটিকা মহাদেশ আয়তনে বিশ্বে পঞ্চম।
- এর মোট আয়তন ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ৪০ হাজার বর্গকিলোমিটার।
- এ মহাদেশের চতুর্দিকে দক্ষিণ মহাসাগর অবস্থিত।
- মহাদেশটি সারাবছর বরফে আচ্ছন্ন থাকে বলে মনুষ্য বসবাসের অনুপযোগী।
- এই মহাদেশে কোনো দেশ নেই।
- এন্টার্কটিকা পৃথিবীর শীতলতম মহাদেশ।
- এখানকার উল্লেখযোগ্য প্রাণি অ্যালবাট্রস, পেঙ্গুইন, সীল ইত্যাদি।
- এছাড়া এ মহাদেশে মস ও শৈবাল জাতীয় উদ্ভিদ জন্মে।

 উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয় কোন দেশকে?
  1. জাপান
  2. নরওয়ে
  3. ফিনল্যান্ড
  4. কোরিয়া
ব্যাখ্যা

নরওয়ে:
- নরওয়ের রাজধানী ওসলো।
- এর জনসংখ্যা প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন।
- সরকারি ভাষা নরওয়েজিয়ান।
- রাজতন্ত্র: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র, রাজা হারাল্ড পঞ্চম বর্তমান রাজা।
- এর মুদ্রা নরওয়েজিয়ান ক্রোন (NOK)।
- নরওয়ে তার মনোমুগ্ধকর ফিয়র্ডের জন্য বিখ্যাত, যার মধ্যে আইকনিক গেইরাঙ্গারফিয়র্ড এবং নেরোয়ফিয়র্ড রয়েছে।
- দর্শনার্থীরা মোহনীয় উত্তরের আলো দেখার জন্য নরওয়েতে ভিড় করে, বিশেষ করে আর্কটিক অঞ্চলে।
- নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয় নরওয়েকে।

• কয়েকটি দেশের ভৌগোলিক উপনাম:
- হাজার হ্রদের বা দ্বীপের দেশ- ফিনল্যান্ড।
- সাত পাহাড়ের দেশ- রোম, ইতালি।
- সূর্য উদয়ের দেশ- জাপান।
- শান্ত সকালের দেশ- কোরিয়া।
- ধীবরের দেশ- নরওয়ে।
- সিল্ক রুটের দেশ- ইরান।
- পবিত্র দেশ- ফিলিস্তিন।
- দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন- নিউজিল্যান্ড।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের শস্য ভান্ডার- ইউক্রেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

.
গোবি মরুভূমি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. চীন
  2. মঙ্গোলিয়া
  3. ক+খ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

গোবি মরুভূমি: 
- এটি এশিয়া মহাদেশের ২য় সর্ববৃহৎ মরুভূমি।
- গোবি মরুভূমি চীন ও মঙ্গোলিয়ায় অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৩,০০,০০০ বর্গ কিমি।

উল্লেখ্য,
- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত।
- সাহারা মরুভূমি বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি।
- গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

.
বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু দেশ কোনটি?
  1. নেপাল
  2. তিব্বত
  3. বলিভিয়া
  4. ভুটান
ব্যাখ্যা

ভুটান:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড় উচ্চতার দিক দিয়ে ভুটানের অবস্থান বিশ্বে শীর্ষে, অর্থাৎ এটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু দেশ।
- দেশটির গড় উচ্চতা প্রায় ১০ হাজার ৭৬০ ফুট।
- ভুটানের উত্তরাঞ্চলে রয়েছে গ্রেটার হিমালয় রেঞ্জের উঁচু উঁচু সব চূড়া।
- ভুটানের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ গাংখার পুনসুমের অবস্থানও এখানে।

উল্লেখ্য, 

- বিশ্বের উচ্চতম বৃক্ষ - রেড উড (ক্যালিফোর্নিয়া)।
- বিশ্বের উচ্চতম প্রাণী - জিরাফ।
- বিশ্বের উচ্চতম পর্বতমালা - হিমালয়।
- বিশ্বের উচ্চতম পর্বত শৃঙ্গ - এভারেস্ট (নেপাল)।
- বিশ্বের উচ্চতম মালভূমি - পামির।
- বিশ্বের উচ্চতম জলপ্রপাত - অ্যাঞ্জেল (ভেনিজুয়েলা)।
- বিশ্বের সর্বাধিক দরিদ্র মানুষের বসবাস - ভারত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।

.
'র‍্যাডক্লিফ লাইন' কোন দুইটি দেশের সীমারেখা?
  1. ভারত ও পাকিস্তানের
  2. ভারত ও চীনের
  3. পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের
  4. ইসরাইল ও লেবাননের
ব্যাখ্যা

র‍্যাডক্লিফ লাইন:
- 'র‌্যাডক্লিফ লাইন' ভারত-পাকিস্তান দুটি দেশের চিহ্নিত সীমারেখা ।
- র‍্যাডক্লিফ লাইন বা র‍্যাডক্লিফ রেখা হল ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশ ও বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিকে বিভাজন করে নবগঠিত ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা নির্ধারনকারী রেখা৷
- এটি এই রেখার পরিকল্পক স্যার শেরিল র‌্যাডক্লিফ এর নামে নামাঙ্কিত৷
- তিনি প্রায় ৮.৮ কোটি মানুষের বসতি ও সর্বমোট ১, ৭৫, ০০০ বর্গকিলোমিটার বিস্তৃৃত বাংলা ও পাঞ্জাব উভয় প্রদেশের জনবিন্যাসগত সুষ্ঠু বিভাজন পরিকল্পনার যুগ্মসভাপতি হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন৷
- ১৭ই আগস্ট ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে ভারত বিভাজন সংক্রান্ত সীমানা নির্ধারন রেখার অন্তিম পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়৷
- বর্তমানে এই রেখাটির পশ্চিমভাগ ভারত - পাকিস্তান সীমান্ত ও পূর্বভাগ বাংলাদেশ - ভারত সীমান্ত নামে পরিচিত৷

• বিশ্বের বিখ্যাত সীমারেখা:
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা রেখা- লাইন অব কন্ট্রোল।
- ভারত ও চীনের সীমানা রেখা (কাশ্মীর সীমান্তে)- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল।
- বর্তমানে ডুরান্ড লাইন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- ম্যাকমোহন লাইন- স্যার ম্যাকমোহন কর্তৃক চিহ্নিত ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা রেখা।
- সনোরা লাইন- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন- পর্তুগাল ও স্পেনের সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- ব্লু লাইন- ইসরাইল ও লেবাননের সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

.
বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?
  1. অ্যাপোলো-১১
  2. স্পুটনিক-১
  3. স্পুটনিক-২
  4. চ্যালেঞ্জার
ব্যাখ্যা

স্পুটনিক ১:
- স্পুটনিক ১ ছিল বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ। 
- ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর সোভিয়েত ইউনিয়ন (তৎকালীন) উৎক্ষেপণ করে।
- স্পুটনিক ১ ছিল ৮৩.৬ কেজি (১৮৪ পাউন্ড) ওজনের একটি ক্যাপসুল।
- কাজাখস্তানের টিউরাটাম উৎক্ষেপণস্থল থেকে রাত ১০টা ২৯ মিনিটে উৎক্ষেপণ করা স্পুতনিকই প্রথম মানবসৃষ্ট কোনো যন্ত্র, যা অভিকর্ষ বলের বাইরে গিয়ে পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের প্রথম মহাকাশচারী- ইউরি গ্যাগারিন (রাশিয়া)।

উৎস: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।

.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি স্থলসীমান্ত ভারতের কোন রাজ্যের সাথে?
  1. মেঘালয়
  2. আসাম
  3. ত্রিপুরা
  4. পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা

পশ্চিমবঙ্গ:
- বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২,২৬২ কিলোমিটার, যা বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ স্থলসীমান্ত।
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের এই দীর্ঘ সীমান্তের কারণে এটি দীর্ঘতম হিসেবে বিবেচিত।

• বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত:
- বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সাথে সংযুক্ত।
- এগুলো হলো পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।
- বাংলাদেশের সাথে মেঘালয়ের স্থলসীমান্ত রয়েছে, যা প্রায় ৪৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- আসামের সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত প্রায় ২৬৪ কিলোমিটার।
- ত্রিপুরার সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত প্রায় ৮৭৪ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্থলসীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ, যা প্রায় ২,২৬২ কিলোমিটার।
- সর্বমোট স্থল সীমানা ৪১৫৬ কিলোমিটার।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ।

.
পৃথিবীর গভীরতম স্থানের নাম কী?
  1. পুয়ের্তো রিকো
  2. সুন্দা ট্রেঞ্চ
  3. মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
  4. এন্টার্কটিকা বেসিন
ব্যাখ্যা

প্রশান্ত মহাসাগর:
- পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
- এর সর্বোচ্চ গভীরতা ১০,৯২৮ মিটার এবং গড় গভীরতা ৪০৭৯ মিটার।
- প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন- ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- পৃথিবীর গভীরতম স্থান প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা ট্রেঞ্চ।
- এই স্থানের গভীরতা ১১০৩৩ মিটার বা ৩৬১৯৯ফুট।
- পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল-প্রাচীর 'গ্রেট বেরিয়ার রীফ' (Great Barrier Reef) প্রশান্ত মহাসাগরের অস্ট্রেলিয়ার উত্তরপূর্ব উপকূলে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- আটলান্টিক মহাসাগর ২য় বৃহত্তম মহাসাগর । এর গভীরতম স্থানের নাম ন্যায়ার্স (পোয়ের্তেরিকা)।
- উত্তর বা আর্কটিক মহাসাগর আয়তনে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাসাগর ও সর্বাপেক্ষা কম গভীর একটি মহাসাগর।
- ভারত মহাসাগরের গভীরতম স্থানের নাম সুন্দা ট্রেঞ্চ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১০.
পারস্য কোন দেশের পুরাতন নাম?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. ইস্তাম্বুল
  4. ইয়াঙ্গুন
ব্যাখ্যা

পারস্য (Persia): 
- পারস্য হলো বর্তমান ইরান এর প্রাচীন নাম।
- ১৯৩৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে দেশের নাম ইরান গৃহীত হয়।
- পারস্য সভ্যতা ছিল প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ সভ্যতা।
- আচার্য সাইরাস দ্য গ্রেট ছিলেন পারস্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।

বিভিন্ন দেশের পূর্ব বা পুরাতন নাম:

- ইস্তাম্বুলের পুরাতন নাম - কনস্ট্যান্টিনোপল।
- ইয়াঙ্গুনের পুরাতন নাম - রেঙ্গুন।
- জাপানের পুরাতন নাম - নিপ্পন।
- জাম্বিয়ার পুরাতন নাম- উত্তর রোডেশিয়া।
- জিম্বাবুয়ের পূর্ব নাম - দক্ষিণ রোডেশিয়া।
- থাইল্যান্ড এর পুরাতন নাম- শ্যামদেশ।
- নেদারল্যান্ডের পুরাতন নাম - হল্যান্ড।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১১.
জাতীয় সংসদ ভবনটি কার সৃষ্টিশীল ও কাব্যিক প্রকাশের নিদর্শন?
  1. হ্যারি এম পামবাম
  2. লুই আই কান
  3. হামিদুর রহমান
  4. এফ আর খান
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ ভবন: 
- রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত এই জাতীয় সংসদ ভবন ।
- জাতীয় সংসদ ভবনটি আমেরিকার স্থাপতি লুই আই কান-এর সৃষ্টিশীল ও কাব্যিক প্রকাশের নিদর্শন।
- ১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ১৯৬৪ সালে সংসদ ভবনের নকশা সম্পন্ন হয় এবং এর পরপরই  নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নির্মাণাধীন প্রধান অবকাঠামোটির কাজ বন্ধ হয়ে যায়। 
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ভবনের মূল নকশায় কোনো রকম পরিবর্তন না এনে নির্মাণ সম্পন্ন করার কৃতিত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- এর মূল ভবন কমপ্লেক্সটির নয়টি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত।
- এ ভবন কমপ্লেক্সটির সর্বমোট নির্মাণ ব্যয় ১২৮ কোটি টাকা।
- ১৯৮২ সালের প্রথম দিকে ভবনটির কাজ সম্পন্ন হয় 
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট জাস্টিস আব্দুস সাত্তার এটির উদ্বোধন করেন। 
- ১৯৮২ সালের ১৫ ফের্রুয়ারি এ ভবনে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১২.
বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ কোনটি?
  1. বৈকাল হ্রদ
  2. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
  3. কাস্পিয়ান সাগর
  4. সুপিরিয়র হ্রদ
ব্যাখ্যা

কাস্পিয়ান সাগর:
- আজারবাইজান, রাশিয়া, কাজাখস্তান, তুর্কিমেনিস্তান ও ইরান জুড়ে অবস্থিত এই কাস্পিয়ান সাগর।
- কাস্পিয়ান সাগর বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- দৈর্ঘ্য ১১৯৯ কিমি)।
- এটি মূলত ভূ-বেষ্টিত সাগর।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের বৃহত্তম সুপেয় পানির হ্রদ- সুপিরিয়র।
- বিশ্বের গভীরতম হ্রদ - বৈকাল হ্রদ।
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ - পৃথিবীর ৩য় বৃহত্তম হ্রদ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১৩.
কোন দেশকে ভূমিকম্পের দেশ বলা হয়?
  1. বাংলাদেশ
  2. জাপান
  3. ভুটান
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

জাপান:
- জাপান হল পূর্ব এশিয়ার দূরপ্রাচ্যের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
- জাপানের বৃহত্তম চারটি দ্বীপ হল হোনশু, হোক্কাইদো, ক্যুৎ ও শিকোকু।
- এর রাজধানী- টোকিও।
- এর ভাষা- জাপানিজ।
- জাপানের মুদ্রার নাম ইয়েন।
- ভূমিকম্পের দেশ- জাপান।
- জাপানকে প্রায়শই "উদীয়মান সূর্যের দেশ" বলে অভিহিত করা হয়।


• বিভিন্ন দেশের ভৌগোলিক উপনাম:
- ক্যাঙ্গারুর দেশ- অস্ট্রেলিয়া।
- প্রাচীরের দেশ- চীন।
- পিরামিড ও নীলনদের দেশ- মিশর।
- নিষিদ্ধ দেশ- তিব্বত। 
- ম্যাপল পাতা ও লিলি ফুলের দেশ- কানাডা।
- সোনালি আঁশের দেশ- বাংলাদেশ।
- সোনালি তোরণের দেশ- সানফ্রান্সিসকো।
- সোনালি প্যাগোডার দেশ- মায়ানমার।
- পঞ্চনদের দেশ- পাঞ্জাব।
- বজ্রপাতের দেশ- ভুটান।
- ভাটির দেশ- বাংলাদেশ।
- মরুভূমির দেশ- আফ্রিকা।
- মুক্তার দেশ- কিউবা।
- শ্বেতহস্তীর দেশ- থাইল্যান্ড।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১৪.
ব্রহ্মপুত্র নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে কোন জেলা দিয়ে?
  1. লালমনিরহাট
  2. কুড়িগ্রাম
  3. গাইবান্ধা
  4. জামালপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রধান নদীর প্রবেশ পথ:
- পদ্মা নদী- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও রাজশাহী–চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
- ব্রহ্মপুত্র নদী- তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
- মেঘনা নদী - ভারতের বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং পরে মেঘনা নামে পরিচিত হয়।
- যমুনা নদী- বাংলাদেশে প্রবেশের পর ব্রহ্মপুত্র নদী যমুনা নামে পরিচিত হয় এবং কুড়িগ্রাম–লালমনিরহাট অঞ্চল দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়।
- করতোয়া নদী- পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মহানন্দা নদী- ভারতের মালদহ জেলা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- কর্ণফুলী নদী- রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- সাঙ্গু নদী- বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদী- বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. বসফরাস প্রণালী
  3. পক প্রণালী
  4. বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যা

পক প্রণালী:
- পক প্রণালী ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য এবং শ্রীলঙ্কার উত্তর অঞ্চলের জাফনা জেলার মধ্যবর্তী অঞ্চল।
- এটি সংযুক্ত করেছে ভারত মহাসাগর ও আরব সাগরকে।
- পক প্রণালী পৃথক করেছে ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে।
- এই প্রণালীর নাম রবার্ট পকের নামে রাখা হয়, যিনি রাজ আমলে মাদ্রাজের গভর্নর (1755–1763) ছিলেন।

অন্যদিকে,
- জিব্রাল্টার প্রণালী উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের সাইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালী পৃথক করেছে এশিয়া ও ইউরোপকে আর সংযুক্ত করেছে মরমর সাগর ও কৃষ্ণ সাগর।
- বেরিং প্রণালী সংযুক্ত করেছে বেরিং সাগর ও উত্তর সাগর আর পৃথক করেছে এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে।
- মালাক্কা প্রণালী সংযুক্ত করেছে বঙ্গোপসাগর-জাভা সাগর আর পৃথক করেছে সুমাত্রা-মালয়েশিয়াকে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১৬.
পৃথিবীর প্রশস্ততম নদী কোনটি?
  1. নীলনদ
  2. আমাজন
  3. ইয়াংসিকিয়াং
  4. ভলগা
ব্যাখ্যা

আমাজন:
- পৃথিবীর বৃহত্তম এবং প্রশস্ততম নদী আমাজন।
- পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- নদীটি ৯টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- এ নদীর অববাহিকায় রয়েছে সেলভা বনভূমি।
- এই নদীর ২০টি উপনদী আছে।
- এই নদী দিয়ে সবচেয়ে বেশি পানি প্রবাহিত হয় (৪.২ মিলিয়ন ঘনফুট/সেকেন্ড)।
- এই নদীর উৎপত্তি গায়ানা মালভূমি এবং পতনস্থল আটলান্টিক মহাসাগর।

অন্যদিকে,
- নীলনদ আফ্রিকা তথা বিশ্বের দীর্ঘতম নদী।
- ইয়াংসিকিয়াং নদ এশিয়া এবং চীনের দীর্ঘতম নদ।
- ভলগা ইউরোপের দীর্ঘতম নদী

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১৭.
পৃথিবীর দীর্ঘতম কৃত্রিম খাল কোনটি?
  1. সুয়েজ খাল
  2. পানামা খাল
  3. গ্র্যান্ড খাল
  4. কিয়েল খাল
ব্যাখ্যা

গ্রান্ড খাল:
- গ্রান্ড খালের অবস্থান চীনে।
- এর দৈর্ঘ্য ১৭৭৬ কি.মি.।
- গ্রান্ড খাল পৃথিবীর প্রাচীনতম ও দীর্ঘতম কৃত্রিম খাল।
- ৫৮১-৬১৮ খ্রিস্টাব্দে এই খালের প্রাচীনতম অংশের খনন কাজ করা হয়।
- এটি চীনের বেইজিং এবং হ্যাংচ্যাং এর মধ্যে অবস্থিত। এর অন্য নাম বেইজিং-হাংজু গ্র্যান্ড খাল।

অন্যদিকে,
- গভীরতম কৃত্রিম খাল পানামা খাল।
- প্রশান্ত মহাসাগরের প্রবেশদ্বার বলা হয় পানামা খালকে।
- বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জাহাজ চলাচলের পথ সুয়েজ খাল।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৮.
পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল-প্রাচীর 'গ্রেট বেরিয়ার রীফ' কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. দক্ষিণ মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

প্রশান্ত মহাসাগর:
- পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
- পৃথিবীর গভীরতম স্থান প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা ট্রেজ।
- পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল-প্রাচীর 'গ্রেট বেরিয়ার রীফ' (Great Barrier Reef) প্রশান্ত মহাসাগরের অস্ট্রেলিয়ার উত্তরপূর্ব উপকূলে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- আটলান্টিক মহাসাগর ২য় বৃহত্তম মহাসাগর।
- উত্তর বা আর্কটিক মহাসাগর আয়তনে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাসাগর ও সর্বাপেক্ষা কম গভীর একটি মহাসাগর।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১৯.
আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ কোনটি?
  1. ইউরোপ
  2. আফ্রিকা
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. এশিয়া
ব্যাখ্যা

এশিয়া মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়া।
- পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক তৃতীয়াংশের কাছাকাছি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এশিয়া মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে ৯০০ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এভারেষ্ট (৮,৮৫০ মিটার)।
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত।
- দ্বীপপুঞ্জ দ্বারা গঠিত জাপান, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া এ মহাদেশে অবস্থিত। 
- এ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত জাপানকে সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয়।
- আয়তনে চীন বৃহত্তম এবং মালদ্বীপ ক্ষুদ্রতম।
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং (৫,৯৮০ কিলোমিটার)।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীতে ৭টি মহাদেশ রয়েছে।
- যথা- এশিয়া, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, এন্টার্কটিকা, ইউরোপ এবং অস্ট্রেলিয়া।
- আয়তনে মহাদেশসমূহের মধ্যে ক্ষুদ্রতম অস্ট্রেলিয়া।

 উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
বিশ্বের উচ্চতম পর্বত কোনটি?
  1. মাউন্ট এলবুজ
  2. কাঞ্চনজঙ্ঘা
  3. মাউন্ট এভারেষ্ট
  4. কিলিমাঞ্জারো
ব্যাখ্যা

মাউন্ট এভারেষ্ট:
- বিশ্বের উচ্চতম পর্বত মাউন্ট এভারেষ্ট।
- মাউন্ট এভারেস্ট, দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত।
- এটি নেপাল এবং চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের সীমান্তে অবস্থিত। 
- এর উচ্চতা ২৯,০৩২ ফুট (৮,৮৪৯ মিটার)।

অন্যদিকে,
- আফ্রিকা মহাদেশটির সর্বোচ্চ স্থান কিলিমাঞ্জারো (৫,৯৬৩ মিটার)।
- আফ্রিকা এবং ইউরোপ মহাদেশকে পৃথক করেছে ভূ-মধ্যসাগর।
- ইউরোপ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এলবুর্জ (৫,৬৩৩ মিটার)।

 উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

২১.
সুন্দরবনকে UNESCO World Heritage Site এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কবে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন।
- সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ জুড়ে বাংলাদেশের সুন্দরবন বিস্তৃত।
- পরস্পর সংযুক্ত প্রায় ৪০০ নদী-নালা, খালসহ প্রায় ২০০টি ছোট বড় দ্বীপ ছড়িয়ে আছে সুন্দরবনে।
- সুন্দরবনের দুই-তৃতীয়াংশ পড়েছে বাংলাদেশে, বাকিটা ভারতে।
- ১৮৭৫ সালে সুন্দরবনকে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এ বনভূমির প্রায় ৩২,৪০০ হেক্টর এলাকাকে বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। 
- সুন্দরবনকে ১৯৯৯ সাল থেকে UNESCO World Heritage Site-এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- সুন্দরবনের গাছপালার অধিকাংশই ম্যানগ্রোভ ধরনের।
- এখানে রয়েছে বৃক্ষ, লতাগুল্ম, ঘাস, পরগাছা এবং আরোহী উদ্ভিদসহ নানা ধরনের উদ্ভিজ্জ।
- রয়েল বেঙ্গল টাইগারের (Panthera tigris) সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আবাস এখানেই।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২২.
‘ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান’-এর বর্তমান অবস্থান কোথায়?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. সিরিয়া
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান:
- রাণীর সন্তুষ্টির জন্য নেবুচাঁদনেজার এক মনোরম উদ্যান নির্মাণ করেন।
- এই উদ্যানই বিশ্বখ্যাত ‘ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান’ বা ‘ঝুলন্ত উদ্যান’ নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের অন্যতম হিসেবে পরিচিত- ‘ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান’।
- ‘ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান’ ব্যাবিলনীয় সভ্যতার নিদর্শন যা নির্মাণ করেন রাজা নেবুচাঁদনেজার
- ব্যাবিলন শহরের (বর্তমান ইরাক) ইউফ্রেটিস নদীর তীরে অবস্থিত এই ‘ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান ’বা ‘ঝুলন্ত উদ্যান’।
- ধারনা করা হয় চার হাজার শ্রমিক রাত-দিন পরিশ্রম করে তৈরি করেছিল এই বাগান। 
- গবেষণা থেকে জানা যায়, পাঁচ থেকে ছয় হাজার প্রজাতির ফুলের চারা রোপণ করা হয়েছিল ওই ঝুলন্ত বাগানে।
 
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
কত সালে 'ষাট গম্বুজ মসজিদ' ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে মনোনীত হয়?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ: 
- ষাটগম্বুজ মসজিদ খলিফতাবাদ শহরের সবচেয়ে বড় স্থাপত্য নিদর্শন।
- স্বনামধন্য মুসলমান সাধক ও শাসক খান জাহান আলী ১৪৫৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এই মসজিদটি।
- ১৯৮৫ সালে ষাট গম্বুজ মসজিদ ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে মনোনীত হয়।
- এই মসজিদের ছাদে গম্বুজের সংখ্যা সাতাত্তরটি আর চার কোণের কর্নার টাওয়ারে গম্বুজের সংখ্যা চারটি।
- ষাটগম্বুজ মসজিদের স্থাপত্য পরিকল্পনায় দামেস্কের জামে মসজিদ ও বাংলার আদিনা মসজিদ এর প্রভাব রয়েছে।
- এই মসজিদটি খান জাহানের নান্দনিক স্থাপত্যশৈলীর সবচেয়ে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।