পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

পরীক্ষাপ্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes৩২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৭ বিগত ৫টি বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষার উপর রিভিশন পরীক্ষা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫ · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
’অগ্নি-বীণা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত কবিতা নয় কোনটি?
  1. বিদ্রোহী
  2. শাহ্-ইল-আরব
  3. খেয়া-পারের তরুণী
  4. মোহররম
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

- ’অগ্নি-বীণা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত কবিতা নয় গ)- খেয়া-পারের তরুণী।
- এটি মূলত -খেয়া-পারের তরণী।

অপশন খ)- কবিতাটির নাম হবে- শাত-ইল-আরব।
লাইভ পরীক্ষায় একাধিক উত্তর থাকার কারণে প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।


- 'অগ্নি-বীণা' ১৯২২ খ্রীস্টাব্দের অক্টোবর মুতাবিক ১৩২৯ বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- 'উৎসর্গ' গানটি 'অগ্নি-ঋষি' শিরোনামে ১৩২৮ শ্রাবণের 'উপাসনায়' প্রকাশিত হইয়াছিল।
- শিরোনামের নিচে লেখা ছিলো: "তিলক-কামোদ-ঝাঁপতাল"। "সুরের ব্যথায় প্রাণ উদাসী" 'চরণের প্রাণ' স্থানে 'উপাসনা'য় ছাপা হইয়াছিল 'জান'।

⇒ 'অগ্নি-বীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত কবিতা সমূহ:
- প্রলয়োল্লাস;
- বিদ্রোহী;
- রক্তাম্বরধারিণী মা;
- আগমনী;
- ধূমকেতু;
- কামাল পাশা;
- আনোয়ার;
- রণ-ভেরী;
- "শাহ্-ইল-আরব”;
- খেয়া-পারের তরণী;
- কোরবানী;
- মোহররম।

উৎস: অগ্নি-বীণা গ্রন্থ।

.
’ধেয়াই কাহারে দেবী নিজে আমি জানিনে/ কবিগুরু বাল্মীকির ধ্যান-ধনে চিনিনে’ পঙ্‌ক্তিটির লেখক কে?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  3. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. জীবনানন্দ দাশ
সঠিক উত্তর:
বিহারীলাল চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

- ’ধেয়াই কাহারে দেবী নিজে আমি জানিনে/ কবিগুরু বাল্মীকির ধ্যান-ধনে চিনিনে’ পঙ্‌ক্তিটির লেখক: বিহারীলাল চক্রবর্তী।
- পঙ্‌ক্তিটি  “সাধের আসন” কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

• “সাধের আসন” কাব্যগ্রন্থ:

- বিহারীলাল চক্রবর্তীর শেষ কাব্যগ্রন্থ ‘সাধের আসন’ (১৮৮৯)।
- ‘সাধের আসন’কে ‘সারদামঙ্গল’ কাব্যের পরিশিষ্ট বলা যায়।
- কোনো এক সম্ভ্রান্ত বিবাহিত নারী কবির ‘সারদামঙ্গল’ কাব্য পাঠ করে নিজ হাতে একটি আসন বুনে কবিকে প্রশ্ন করেছিলেন , “তুমি কাকে ধ্যান কর?”।এর উত্তর স্বরূপ বিহারীলাল ‘সাধের আসন’ লিখেছিলেন।
- কাব্যটি শুরু করেছিন এভাবে- ’ধেয়াই কাহারে দেবী নিজে আমি জানিনে/ কবিগুরু বাল্মীকির ধ্যান-ধনে চিনিনে’ 

⇒ বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- বিহারীলাল চক্রবর্তী আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৮৩৫ সালের ২১ মে কলকাতায়  জন্মগ্রহণ করেন। 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন।
- কারণ বিহারীলালই প্রথম বাংলায় ব্যক্তির আত্মলীনতা, ব্যক্তিগত অনুভূতি ও গীতোচ্ছ্বাস সহযোগে কবিতা রচনা করে বাংলা কবিতাকে নতুন এক প্রেরণা দান করেন। এ ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন প্রথম।এইজন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন।

বিহারীলাল চক্রবর্তী কাব্যগ্রন্থ গুলো:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীতশতক 
- বন্ধুবিয়োগ,
- প্রেমপ্রবাহিণী,
- নিসর্গসন্দর্শন,
- বঙ্গসুন্দরী,
- সারদামঙ্গল,
- নিসর্গসঙ্গীত,
- মায়াদেবী,
- দেবরাণী,
- বাউলবিংশতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
’প্রেমাংশুর রক্ত চাই’ কাব্যগ্রন্থের লেখক কে?
  1. রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. হুমায়ুন আজাদ
  4. নির্মলেন্দু গুণ
সঠিক উত্তর:
নির্মলেন্দু গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যা

• নির্মলেন্দু গুণ:
- নির্মলেন্দু গুণ ১৯৪৫ সালে নেত্রকোনার বারহাট্টার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নির্মলেন্দু গুণ এর সম্পূর্ণ নাম ‘নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণ চৌধুরী’।
- বাংলাদেশের কবিদের কবি বলা হয় নির্মলেন্দু গুণ কে।
- তাঁকে ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- এছাড়া ১৯৮২ সালেই আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, ২০০১ সালে একুশে পদক প্রদান করা হয়।

⇒ নির্মলেন্দু গুণ রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- প্রেমাংশুর রক্ত চাই,
- না প্রেমিক না বিপ্লবী,
- বাংলার মাটি বাংলার জল,
- কবিতা অমীমাংসিত রমণী,
- দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী,
- চৈত্রের ভালোবাসা,
- তার আগে চাই সমাজতন্ত্র,
- চাষাভুষার কাব্য,
- দূর হ দু্ঃশাসন,
- প্রথম দিনের সূর্য,
- নিরঞ্জনের পৃথিবী,
- নেই কেন সে পাখি,
- মুজিব-লেনিন-ইন্দিরা,
- চিরকালের বাঁশি,
- শিয়রে বাংলাদেশ,
- দুঃখ করো না, বাঁচো ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
নিচের কোন উপন্যাসটি ব্যতিক্রম?
  1. আর কতদিন
  2. আরেক ফাল্গুন
  3. দুই সৈনিক
  4. জাহান্নম হইতে বিদায়
সঠিক উত্তর:
আরেক ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

- আরেক ফাল্গুন উপন্যাসটি - ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক।

অন্যদিকে,
- জহির রায়হান রচিত ’আর কতদিন’ উপন্যাসটি যুদ্ধকালীন প্রক্ষাপটে রচিত।
- জাহান্নম হইতে বিদায়, দুই সৈনিক, শওকত ওসমানের রচিক দুটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস ।

• 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস:

- বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও ১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় জহির রায়হান 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি রচনা করেন।
- 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।  
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ হয়ে ১৯৫৫ পর্যন্ত চলমান আন্দোলন, জনতার সম্মিলন, ছাত্রছাত্রীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, তাদের প্রেম- প্রণয় ইত্যাদি উপন্যাসটির মূল বিষয়।
- 'আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হবো' - এই উপন্যাসের সংলাপ।

• জহির রায়হান:
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- জহির রায়হান একাধারে চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক ছিলেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ।
- হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৭২ সালে তাঁকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- শেষ বিকেলের মেয়ে।
- হাজার বছর ধরে।
- আরেক ফাল্গুন।
- বরফ গলা নদী।
- আর কত দিন।
- কয়েকটি মৃত্যু।

• তাঁর পরিচালিত সিনেমা:
- সোনার কাজল।
- কাঁচের দেয়াল।
- বেহুলা।
- জীবন থেকে নেয়া।
- আনোয়ারা।
- সঙ্গম।
- বাহানা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
’নিজ বাসভূমে’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. নির্মলেন্দু গুণ
  3. শামসুর রহমান
  4. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
শামসুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুর রহমান
ব্যাখ্যা

• শামসুর রাহমান:
- শামসুর রাহমান ছিলেন একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক।
- তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পৈত্রিক বাড়ি ঢাকা জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে।
- শামসুর রাহমানের ডাক নাম ছিল- বাচ্চু।
- শামসুর রাহমানকে প্রধানত “নাগরিক কবি” বলা হয়।
- কারণ তার কবিতায় নগর জীবনের প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি “মজলুম আদিব” ছদ্মনামে লিখতেন।
-  তিনি দৈনিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অক্টোপাস, 
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- 'বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে'
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়, 
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।   

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসটি প্রথম কোন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়?
  1. কালি ও কলম
  2. ভারতবর্ষ
  3. দেশ
  4. পূর্বাশা 
সঠিক উত্তর:
পূর্বাশা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বাশা 
ব্যাখ্যা

 ‘পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাস:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত 'পদ্মানদীর মাঝি' নামক উপন্যাসটি ১৯৩৪ সাল থেকে 'পূর্বাশা' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে।
- পদ্মা তীরবর্তী ধীবর-জীবন এর মূল কাহিনি।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: কুবের, কপিলা, মালা, ধনঞ্জয়, গণেশ, শীতলবাবু, হোসেন মিয়া ইত্যাদি।
- উপন্যাসে "আমারে নিবা মাঝি লগে?"- বিখ্যাত সংলাপটি কপিলা, কুবের কে উদ্দেশ্য করে বলে ।
- কুবের-কপিলা এই দুই প্রধান চরিত্রের আন্তঃ-সম্পর্কও উপন্যাসটির ভিন্নমাত্রা সংযোজন করেছে।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি' ইংরেজি, রুশ, চীনা, চেক, নরওয়েজিয়া, সুইডিশ প্রভৃতি ভাষায় অনূদিত হয়।

• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
-  ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।  
- তাঁর প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দোপাধ্যায়, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- জননী,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পদ্মানদীর মাঝি,
- পুতুলনাচের ইতিকথা,
- শহরতলী,
- অহিংসা,
- স্বাধীনতার স্বাদ,
- আরোগ্য প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং পদ্মানদীর মাঝি।

.
পঞ্চপাণ্ডবের মধ্যেকার স্বাতন্ত্র্য ছিলেন কে?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  3. অমিয় চক্রবর্তী
  4. জীবনানন্দ দাশ
সঠিক উত্তর:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

পঞ্চপাণ্ডবের মধ্যেকার স্বাতন্ত্র্য ছিলেন- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ।
- অন্যচার জনের সঙ্গে তাঁর পার্থক্য হলো, তিনি ক্লাসিক ভাষারীতির সঙ্গে পাশ্চত্য কাব্যরীতির সংমিশ্রণে কবিতায় বিশিষ্টতা এনেছেন।

• পঞ্চপাণ্ডব:
- তিরিশের দশকে বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনে প্রধান পাঁচজন কবি ছিলেন। 
- তাদের পঞ্চপাণ্ডব বলা হত। 
- তাঁরা কাব্যচর্চায় রবীন্দ্র বলয় থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিলেন। 
- পঞ্চপাণ্ডবের অন্তর্ভুক্ত কবিরা রবীন্দ্র কাব্য-ধারার বিরোধী ছিলেন।

• আধুনিকতাবাদী পঞ্চপাণ্ডব লেখক হচ্ছেন -
- জীবনানন্দ দাশ,
- অমিয় চক্রবর্তী,
- বুদ্ধদেব বসু,
- বিষ্ণু দে,
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ।

.
ABC সমকোণী ত্রিভুজের ∠B কোণটি সমকোণ। tanA = 1 হলে, 2sinAcosA = ? 
  1. 1/2
  2. 1
  3. √2
  4. 1/√2
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ABC সমকোণী ত্রিভুজের ∠B কোণটি সমকোণ। tanA = 1 হলে, 2sinAcosA = ? 

সমাধান: 

দেওয়া আছে,
tan A = 1
অতএব, বিপরীত বাহু = সন্নিহিত বাহু = a
∴ অতিভুজ = √(a2 + a2) = √(2a2) = √2a

প্রদত্ত রাশি, 
2sinAcosA
= 2(a/√2a) × (a/√2a)  ; [sinA = লম্ব/অতি, cosA = ভূমি/অতি]
= 2(1/√2) × (1/√2)
= 2/2 
= 1

.
একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের অনুপাত ২ : ৩ এবং উচ্চতা ১০ সে.মি.। যদি ক্ষেত্রফল ১০০ বর্গ সে.মি. হয়, তবে ছোট বাহুটির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১০ সে.মি.
  2. ৬ সে.মি.
  3. ১২ সে.মি.
  4. ৮ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
৮ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের অনুপাত ২ : ৩ এবং উচ্চতা ১০ সে.মি.। যদি ক্ষেত্রফল ১০০ বর্গ সে.মি. হয়, তবে ছোট বাহুটির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
ক্ষেত্রফল = ১০০ বর্গ সে.মি.
উচ্চতা = ১০ সে.মি.

সমান্তরাল বাহু দুটির অনুপাত ২ : ৩
ধরি, ছোট বাহু = ২ক এবং বড় বাহু = ৩ক সে.মি.

আমরা জানি, 
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = (১/২) × (সমান্তরাল বাহু দুটির যোগফল) × উচ্চতা
⇒ ১০০ = (১/২) × (২ক + ৩ক) × ১০
⇒ ১০০ = (১/২)× ৫ক × ১০
⇒ ১০০ = ৫ক × ৫
⇒ ১০০ = ২৫ক
⇒ ক = ১০০/২৫ = ৪
∴ ক = ৪ 

অতএব, ছোট সমান্তরাল বাহু = ২ক = ২ × ৪ = ৮ সে.মি.

১০.
secA + tanA = 13/5 হলে (secA - tanA) এর মান কত?
  1. 1​
  2. 12/5
  3. 5/12
  4. 5/13
সঠিক উত্তর:
5/13
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5/13
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: secA + tanA = 13/5 হলে (secA - tanA) এর মান কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
secA + tanA = 13/5

আমরা জানি,
sec2A − tan2A = 1
⇒ (sec A + tan A)(sec A - tan A) = 1
⇒ sec A - tan A = 1/(sec A + tan A)
⇒ sec A - tan A = 1/(13/5)
∴ sec A - tan A = 5/13

অতএব, sec A - tan A = 5/13

১১.
একটি ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য ৫ সে.মি. হলে এর সমগ্র পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১৫০ বর্গ সে.মি.
  2. ১২৫ বর্গ সে.মি.
  3. ১০০ বর্গ সে.মি.
  4. ১৬০ বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
১৫০ বর্গ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য ৫ সে.মি. হলে এর সমগ্র পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
 দেওয়া আছে,
বাহুর দৈর্ঘ্য, a = ৫ সে.মি.

আমরা জানি, 
সমগ্র পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল = ৬a
= ৬ × ৫
= ৬ × ২৫
= ১৫০ বর্গ সে.মি.

সুতরাং, ঘনকের সমগ্র পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল ১৫০ বর্গ সে.মি.

১২.
সরল করুন: cot90° × tan0° × sec30° + cosec60°
  1. 0
  2. 2
  3. 2/√3
  4. √2
সঠিক উত্তর:
2/√3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2/√3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সরল করুন: cot90° × tan0° × sec30° + cosec60°

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
cot90° × tan0° × sec30° + cosec60°
= 0 × 0 × (2/√3) + 2/√3  ; [cot90° = 0, tan0° = 0, sec30° = 2/√3 এবং cosec60° = 2/√3] 
= 0 + 2/√3
= 2/√3

১৩.
একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল ৫০ বর্গ সে.মি. এবং একটি বাহু ২০ সে.মি.। যদি বাহুদ্বয়ের অন্তর্ভুক্ত কোণ ৩০° হয়, তবে অপর বাহুটি কত?
  1. ১৫ সে.মি.
  2. ১২ সে.মি.
  3. ২৫ সে.মি.
  4. ১০ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
১০ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল ৫০ বর্গ সে.মি. এবং একটি বাহু ২০ সে.মি.। যদি বাহুদ্বয়ের অন্তর্ভুক্ত কোণ ৩০° হয়, তবে অপর বাহুটি কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ৫০ বর্গ সে.মি.
একটি বাহু, a = ২০ সে.মি.
অন্তর্ভুক্ত কোণ, θ = ৩০°

আমরা জানি, 
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × a × b × sin θ  ; [দুই বাহু ও তাদের অন্তর্ভুক্ত কোণ থাকলে] 
⇒ ৫০ = (১/২) × ২০ × b × sin৩০°
⇒ ৫০ = ১০ × b × sin৩০°
⇒ ৫০ = ১০ × b × (১/২)  ; [sin৩০° = ১/২] 
⇒ ৫০ = ৫ × b
⇒ b = ৫০/৫
∴ b = ১০ সে.মি.

সুতরাং, অপর বাহুটি ১০ সে.মি.

১৪.
’বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২৬’ মোট কতটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ১২
  2. ২৪
  3. ৪৮
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬:
- এটি ২৩ তম বিশ্বকাপ আসর।
- দল: ৪৮টি দল (আগে ছিল ৩২টি)। 
- আয়োজক: কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র।
- সময় সূচী : ১১ জুন, ২০২৬ – ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- গ্রুপ : ১২টি।
- ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বলের নাম ‘ট্রাইওন্ডা’ (Trionda)।
- ‘ট্রাইওন্ডা’ প্রস্তুতকারক বিশ্ববিখ্যাত ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস।

উৎস: ফিফা ওয়েবসাইট।

১৫.
বিমসটেকের ৬ষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ভারত
  2. নেপাল
  3. শ্রীলংকা
  4. থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

বিমসটেক ৬ষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৫:
- থাইল্যান্ডে বিমসটেক ৬ষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয় ২- ৪ এপ্রিল।
- বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে বিমসটেকের পরবর্তী সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ দায়িত্ব গ্রহণ করে। 
- বাংলাদেশ ২ বছর এ দায়িত্ব পালন করবে।
- বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য - “PRO BIMSTEC: Prosperous, Resilient and Open BIMSTEC”

BIMSTEC:

- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংগঠন।
- সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ।
- এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড। 


উৎস: BIMSTEC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৬.
২০২৭ সালে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. আলবেনিয়া
  2. তুরস্ক
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
আলবেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা

⇒ ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট  (১৯ আগস্ট ২০২৫) ঘোষণা অনুযায়ী-
- ২০২৭ সালে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে- তিরান, আলবেনিয়া।
- ২০২৬ সালের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে-  =তুরস্কের আঙ্কারার ।

• ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৫:
- স্থান: হেগ, নেদারল্যান্ডস। 
- সময়: দুই দিনব্যাপী (২৪ ও ২৫ জুন) শীর্ষ সম্মেলন।
- মূল আলোচ্য বিষয়: ন্যাটোর প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা ব্যয় সংক্রান্ত।

উল্লেখ্য,
• ন্যাটো (NATO):
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর: লন্ডন।
- বর্তমান সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২ টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্যদেশ: সুইডেন।
- ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

উৎস: NATO ওয়েবসাইট ও টেলিগ্রাফ  লিংক ।

১৭.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) -এ স্বাক্ষরিত দেশ কতটি? (ফেব্রুয়ারি-২০২৬)
  1. ১৯৩টি
  2. ১৯০টি
  3. ১৯২টি
  4. ১৯১টি
সঠিক উত্তর:
১৯১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১টি
ব্যাখ্যা

 পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) :
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- ১৯৯৫ সালের ১১ মে চুক্তিটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়। 
- পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধের লক্ষ্য অর্জন এবং রাষ্ট্রপক্ষগুলির মধ্যে আস্থা তৈরির ব্যবস্থা হিসেবে, চুক্তিটি  আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা  (IAEA) এর দায়িত্বে একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৮.
২০২৫ সালের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে কতজন নারী ছিলেন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ১ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা

- নোবেল পুরস্কার ২০২৫ মোট বিজয়ী ১৪ জন তারমধ্যে ১২ জন পুরুষ ২ নারী ( চিকিৎসাবিজ্ঞান-ম্যারি ই. ক্রনকো) এবং ( শান্তি- মাচাদো)

নোবেল পুরস্কার ২০২৫ 
⇒ সাহিত্য:
- ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- অবদান: 'ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতেও শিল্পের শক্তি দেখানো তার প্রভাবশালী ও দূরদর্শী সাহিত্যকর্মের জন্য' তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

⇒ শান্তি:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

⇒ চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ম্যারি ই. ক্রনকো,
• ফ্রেড রামসডেল ও
• শিমন সাকাগুচি।
- অবদান: মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিষয়ে গবেষণার জন্য দুই মার্কিন ও এক জাপানি গবেষক এই পুরস্কার পান।

⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• জন ক্লার্ক,
• মিশেল দেভরেট ও
• জন এম মার্টিনিস।
- অবদান: ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং ইলেকট্রিক সার্কিটে এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন গবেষণার জন্য তারা নোবেল পান।

⇒ রসায়ন:
- ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• সুসুমু কিতাগাওয়া,
• রিচার্ড রবসন ও
• ওমর এম. ইয়াগি।
- অবদান: মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক নামে নতুন একধরনের আণবিক কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান।

⇒ মিশেল দেভরেট:
- ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ইওয়েল মোকিয়র,
• ফিলিপ আগিয়োঁ ও
• পিটার হাউইট।
- অবদান: উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাখ্যা করার জন্য ২০২৫ সালে তাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলো।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

১৯.
দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (SAFTA) কোন সংস্থার মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থার অংশ?
  1. ASEAN
  2. SAARC 
  3. ADB
  4. NDB
সঠিক উত্তর:
SAARC 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SAARC 
ব্যাখ্যা

• South Asian Free Trade Area (SAFTA):
- দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (SAFTA) হল দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (SAARC) এর মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থা। 
- এই চুক্তিটি ১৯৯৩ সালের সার্ক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য ব্যবস্থার স্থলাভিষিক্ত হয়ে ২০০৬ সালে কার্যকর হয়। 
-  SAFTA স্বাক্ষরকারী দেশগুলি হল:
আফগানিস্তান,
বাংলাদেশ,
ভুটান,
ভারত,
মালদ্বীপ,
নেপাল,
পাকিস্তান
এবং শ্রীলঙ্কা।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২০.
জেমস মনরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কততম রাষ্ট্রপতি ছিলেন?
  1. তৃতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম 
  4. ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম 
ব্যাখ্যা

 জেমস মনরো (১৭৫৮-১৮৩১)
 - তিনি ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম রাষ্ট্রপতি, যিনি ১৮১৭ থেকে ১৮২৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- তাঁর কার্যকালকে প্রায়শই ভালো অনুভূতির যুগ হিসাবে উল্লেখ করা হয় ।

- মনরো ডকট্রিনের মাধ্যমে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন ।
- এই মতবাদ ইউরোপীয় দেশগুলিকে পশ্চিম গোলার্ধে হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছিল, এই নীতি প্রতিষ্ঠা করেছিল যে পুরাতন বিশ্ব এবং নতুন বিশ্ব আলাদা থাকা উচিত।

⇒ রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে, মনরো আমেরিকান বিপ্লবে লড়াই করেছিলেন এবং পরে টমাস জেফারসনের অধীনে আইন অধ্যয়ন করেছিলেন। তিনি মার্কিন সিনেটর এবং ফ্রান্সের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফ্লোরিডা অধিগ্রহণ করে এবং মিসৌরি সমঝোতা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২১.
দক্ষিণ আমেরিকার কোন দেশ প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে? 
  1. উরুগুয়ে 
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. আর্জেন্টিনা
  4. পানামা 
সঠিক উত্তর:
ভেনিজুয়েলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেনিজুয়েলা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী দ্বিতীয় দেশ  ভারত (৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১)।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি (১১ জানুয়ারি, ১৯৭২)।
- বাংলাদেশকে ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 
- প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইরাক ৮ জুলাই, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- দক্ষিণ আমেরিকার প্রথম স্বীকৃতি দানকারী দেশ- ভেনিজুয়েলা (২ মে, ১৯৭২)।
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ ও প্রথম আলো।  

২২.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদের নাম কী? 
  1. রিফাত
  2. আহাদ
  3. নাঈম
  4. সাদ
সঠিক উত্তর:
আহাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহাদ
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ আব্দুল আহাদ।
- ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নিহত হয় ৪ বছরের শিশু আব্দুল আহাদ।
- শহীদ আব্দুল আহাদ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের আবুল হাসান ও মা সুমি আক্তারের পুত্র।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ এলাকায় ৮ তলার উপর তার বাবা-মায়ের মাঝে বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল আব্দুল আহাদ।
- এ সময় বাসার নিচে ছাত্রলীগ ও পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে নিহত হয় আহাদ।
- সে 'জুলাই সর্বকনিষ্ঠ যোদ্ধা' হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: i) জুলাই আর্কাইভ।
ii) যুগান্তর।

২৩.
'ফোর্ট উইলিয়াম' দুর্গ কোথায় নির্মিত হয়েছিল? 
  1. দিল্লী 
  2. কলকাতা
  3. হায়দ্রাবাদ
  4. মাদ্রাজ
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা

• ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ: 
- ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের সর্বাধিক বিখ্যাত দুর্গ হলো ফোর্ট উইলিয়াম।
- ফোর্ট উইলিয়ামের মাধ্যমেই ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের ঘাঁটি নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- বিখ্যাত এই দুর্গটি কলকাতায় অবস্থিত।
- ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের সামরিক শক্তি প্রদর্শনের একটি বড় নিদর্শন এই দুর্গ।
- বাস্তবে দুটি ফোর্ট উইলিয়াম ছিল : একটি পুরনো, অন্যটি নতুন। পুরনো দুর্গটি ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির সূচনাকালের সৃষ্টি।
- স্যার চার্লস আইয়ার এই দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তাঁর উত্তরসূরি জন বিয়ার্ড ১৭০১ সালে ফোর্ট উইলিয়ামের উত্তর-পূর্বাংশের দুর্গপ্রাচীর সংযোজন করেন।
- ১৭০২ সালে তিনি দুর্গের মধ্যভাগে বাণিজ্যকুঠি বা 'গভর্নমেন্ট হাউস' নির্মাণ শুরু করেন, যা ১৭০৬ সালে শেষ হয়।
- এরপর ইংল্যান্ডের রাজার সম্মানে দুর্গটির নামকরণ করা হয় ফোর্ট উইলিয়াম।
- ১৯৫৬ সালে নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলকাতা আক্রমণ করে ফোর্ট উইলিয়াম দখল করেন এবং ইংরেজদের তাড়িয়ে দেন।
- পরে পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজরা জয়ী হলে উপমহাদেশে ইংরেজদের অবস্থান সংহত হতে থাকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

২৪.
'পাঁচসালা বন্দোবস্ত’ প্রবর্তন করেছিলেন কে?
  1. লর্ড বেন্টিঙ্ক
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. লর্ড ওয়েলেসলি
  4. লর্ড মিন্টো
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

• পাঁচসালা বন্দোবস্ত:
- ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস পাঁচসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- পাঁচসালা বন্দোবস্তের মূল লক্ষ্য ছিল রাজস্ব আদায় করা।
- জমি বন্দোবস্তের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকায় জমিদাররা অর্থ আদায়ের জন্য কৃষকদের প্রতি চরম নির্যাতন মূলক ব্যবস্থা নিতো।
- অথচ কৃষকের বা জমির উন্নয়নের প্রতি তাদের কোনো লক্ষ ছিল না।
- এ অবস্থায় হেস্টিংস জমিদারদের সঙ্গে এক সালা বন্দোবস্ত চালু করেন।
- ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে কর্নওয়ালিস দশসালা বন্দোবস্ত চালু করেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
বাংলার সবচেয়ে 'সমৃদ্ধ জনপদ' হিসাবে পরিচিত কোনটি?
  1. বঙ্গ 
  2. হরিকেল
  3. পুণ্ড্র
  4. গৌড় 
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

• পুণ্ড্র:
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্র ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ।
- বলা হয় যে, পুণ্ড্র বলে একটি জাতি এ জনপদ গড়ে তুলেছিল।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- পুণ্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- পরবর্তীকালে এর নাম হয় মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্র ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ।
- পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি এখানে পাওয়া যায়। ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে প্রাপ্ত এটিই প্রাচীনতম শিলালিপি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের  ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি। 

২৬.
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেছিলেন কে? 
  1. ইস্কান্দার মির্জা
  2. ইয়াহিয়া খান
  3. আইয়ুব খান
  4. মোনায়েম খান 
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মির্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মির্জা
ব্যাখ্যা

• পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি:
- ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- পাকিস্তানের শাসন ব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২৭.
জাতীয় শিক্ষা নীতি–২০১০ অনুযায়ী, প্রাথমিক শিক্ষার স্তর কোন শ্রেণি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে?  
  1. চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত 
  2. পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত
  3. অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত
  4. দশম শ্রেণি পর্যন্ত  
সঠিক উত্তর:
অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

• জাতীয় শিক্ষানীতি - ২০১০:
- জাতীয় শিক্ষানীতি–২০১০ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ পূর্বের পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। 
- এর সঙ্গে এক বছরের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা যুক্ত করা হয়েছে। 
- নীতিতে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণিকে প্রাথমিক ও নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণিকে মাধ্যমিক স্তর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
- নীতিতে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণ করে একটি সমন্বিত স্তর গঠনের পাশাপাশি ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তিমূলক ও তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। 
- যদিও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন কারণে এটি সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়নি;
- তবে সরকার ধীরে ধীরে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। 

২৮.
মেরিনা তাবাশ্যুম কোনো প্রকল্পের জন্য দ্বিতীয় দফায় আগা খান স্থাপত্য পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন?
  1. ভাস্কর্য 
  2. মানবিক বাড়ি 
  3. কমিউনিটি হাউজিং
  4. খুদি বাড়ি
সঠিক উত্তর:
খুদি বাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুদি বাড়ি
ব্যাখ্যা

• আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার:
- ২০২৫ সালে আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার লাভ করে মেরিনা তাবাশ্যুম।
- মেরিনা তাবাশ্যুম ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’–এর প্রধান পরামর্শক।

⇒ বাংলাদেশের খ্যাতিমান স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুম দ্বিতীয় দফায় স্থাপত্যের সম্মানজনক স্বীকৃতি আগা খান পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- তাঁর নকশা করা ‘খুদি বাড়ি’ প্রকল্প আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার–২০২৫–এর জন্য মনোনীত হয়েছে।
- সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে এই পুরস্কারের জন্য মেরিনা তাবাশ্যুমসহ সাত বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।
- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারপারসন মেরিনা তাবাশ্যুম প্রথম বাংলাদেশি স্থপতি, যিনি দ্বিতীয়বার এ পুরস্কার জিতেছেন। 
- মেরিনা তাবাশ্যুম এর আগে ২০১৬ সালে ঢাকার দক্ষিণখানে বাইতুর-রউফ মসজিদের নকশার জন্য আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার জিতেছিলেন। সুলতানি আমলের স্থাপত্যের আদলে নকশা করা এ মসজিদ ২০১২ সালে নির্মিত হয়।

উল্লেখ্য,
- প্রয়াত প্রিন্স করিম আগা খান চতুর্থ ১৯৭৭ সালে আগা খান পুরস্কার প্রবর্তন করেন। এ পুরস্কারের মাধ্যমে এমন নির্মাণশৈলী চিহ্নিত করে উৎসাহ দেওয়া হয়, যাতে মুসলিম অধ্যুষিত জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

২৯.
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন কর্তৃক প্রণীত রিপোর্ট পেশ করা হয় কবে?   
  1. ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২ সাল  
  2. ১২ জুন, ১৯৭৩ সাল
  3. ৩০ মে, ১৯৭৪ সাল
  4. ১৬ জুলাই, ১৯৭৪ সাল 
সঠিক উত্তর:
৩০ মে, ১৯৭৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ মে, ১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম - কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- জাতীয় শিক্ষা কমিশন (১৯৭২) বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৩০.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE) নিচের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. কুমিল্লা
  3. ময়মনসিংহ
  4. বগুড়া 
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
- ইংরেজি নাম: National Academy for Primary Education (NAPE)
-  ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায় এবং ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

তথ্যসূত্র:  জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও দৈনিক প্রথম আলো, ০১ নভেম্বর ২০১৪।

৩১.
গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে নির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত? 
  1. ধানমন্ডি
  2. শেরে বাংলা নগর
  3. মতিঝিল
  4. মিরপুর
সঠিক উত্তর:
শেরে বাংলা নগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেরে বাংলা নগর
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর/ July Memorial Museum:  
- অবস্থান: শেরে বাংলা নগর, ঢাকা। 
- ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর গণভবন জনতার দখলে চলে যায়।
- এরপর সরকারি বাসভবন 'গণভবন' -কে রূপান্তর করে তৈরি করা হয়েছে।
- এটি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের সংগ্রাম, দলিল-দস্তাবেজ এবং ঐতিহাসিক ঘটনাবলী সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

- ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে গণভবনকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এটির নির্মাণকাজ চলে।
- জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর মাধ্যমে এটিকে আইনগত ভিত্তি প্রদান করে। 

উল্লেখ্য, 
- জাদুঘরের অন্যতম উল্লেখযোগ্য নিদর্শন হলো সেখানে সংরক্ষিত একটি রেড টেলিফোন, যেখানে শেখ হাসিনার ফোনালাপের অডিও রেকর্ড রাখা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: 
i) ডেইলি স্টার। 
ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। 
iiii) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

৩২.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটার উইজডেনের বর্ষসেরা টি-টুয়েন্টি দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬] 
  1. লিটন কুমার দাস 
  2. সাইফ হোসেন 
  3. মোস্তাফিজুর রহমান
  4. শরিফুল ইসলাম 
সঠিক উত্তর:
মোস্তাফিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোস্তাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা

•  উইজডেনের বর্ষসেরা একাদশ - ২০২৫: 
 - ক্রিকেটের বাইবেল খ্যাত উইজডেনের বর্ষসেরা (২০২৫ সালের) পুরুষ টি-টোয়েন্টি দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমান।
- উইজডেনের সম্পাদকীয় বিভাগ গত বছরের সব ধরনের স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পারফরম্যান্স বিবেচনা করে এই একাদশ সাজিয়েছে। 
- ২০২৫ সালে তিনি মোট ৫৯টি উইকেট শিকার করেন। তার ইকোনমি রেট ছিল মাত্র ৬.৭৮। 
- ১১ রান খরচায় ৩ উইকেট ছিল তার সেরা বোলিং পারফরম্যান্স।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার। 

৩৩.
বাংলাদেশের শিক্ষা দিবস কোন তারিখে পালিত হয়? 
  1. ১২ মে
  2. ১৬ জুলাই 
  3. ১৭ সেপ্টেম্বর
  4. ২১ নভেম্বর 
সঠিক উত্তর:
১৭ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

• শিক্ষা দিবস:
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর শিক্ষানীতি প্রণয়নের জন্য একটি কমিশন গঠনের ঘোষণা দেন,যা ৫ জানুয়ারি ১৯৫৯ সালে কার্যকর হয়। 
- কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের শিক্ষা বিভাগের সচিব এস এম শরীফ।
- পূর্ব পাকিস্তানের চারজন সদস্যসহ মোট ১১ জনের এই কমিশনকে জাতীয় শিক্ষা সংক্রান্ত কমিশন বা “শরিফ কমিশন” বলা হয়।
- ২৬ আগস্ট ১৯৫৯ কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়, যা ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- প্রতিবেদনে শিক্ষাকে পণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এবং বলা হয় যে জনগণের ঐতিহ্যগত শিক্ষা চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করতে হবে। 
- এছাড়াও বাংলা বর্ণমালার পরিবর্তে রোমান বর্ণমালা, উর্দু ভাষা প্রয়োগ এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ইংরেজি বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দেয়া হয়।
- প্রতিবেদনের বিরোধিতায় পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্ররা আন্দোলন শুরু করে।
- ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানি শাসন ও শিক্ষা নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে শহীদ হন ওয়াজিউল্লাহ, গোলাম মোস্তফা, বাবুল এবং অনেক অজ্ঞাতনামা ছাত্র।
- তাদের স্মরণে ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা- নবম-দশম শ্রেণি (মাধ্যমিক)।