পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৯ টপিক: রিভিশন পরীক্ষা সিলেবাস - পরীক্ষা ৭ ও ৮ [Live Class – ৯, ১০, ১১, ১২]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
বেলফোর ঘোষণা কোন বিষয় সম্পর্কিত ছিল?
  1. আয়ারল্যান্ডে শান্তি স্থাপন
  2. অটোমান সাম্রাজ্যকে ভেঙে ভাগাভাগি করা
  3. ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাস প্রতিষ্ঠা
  4. স্বাধীন আরব রাষ্ট্র গঠনে সমর্থন
ব্যাখ্যা
বেলফোর ঘোষণা (১৯১৭):
- তারিখ: ২ নভেম্বর, ১৯১৭
- বেলফোর ঘোষণা ছিল ব্রিটিশ সরকারের প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাস প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন।
- এটি ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোর থেকে লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ড (দ্বিতীয় ব্যারন রথসচাইল্ড), অ্যাংলো-ইহুদি সম্প্রদায়ের এক নেতার কাছে চিঠি আকারে প্রেরিত হয়।
- ঘোষণাটি ইহুদি জনগণের জন্য একটি জাতীয় আবাসের প্রতিশ্রুতি দিলেও, এর সুনির্দিষ্ট অর্থ বিতর্কিত।
- এটি সাইকস-পিকট চুক্তি এবং হুসেইন-ম্যাকমোহন পত্রাচারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হয়।
- মূল কপিটি ব্রিটিশ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে। 
- এ ঘোষণার প্রেক্ষিতে ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরাইল রাষ্ট্রের জন্ম।

হুসেন-ম্যাকমোহন চিঠিপত্র (১৯১৫-১৯১৬)
- হুসেন-ম্যাকমোহন চিঠিপত্র হলো ১৯১৫-১৬ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন মক্কার আমির হুসেন ইবনে আলী এবং মিসরের ব্রিটিশ হাইকমিশনার স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের মধ্যে বিনিময় হওয়া একধরনের আলোচনা।
- এই চিঠিপত্রে ব্রিটিশ সরকার কার্যত অটোমান সাম্রাজ্যের বিরোধিতায় আরবদের সহযোগিতার বিনিময়ে স্বাধীন আরব রাষ্ট্র গঠনে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেয়। 
- পরে এই প্রতিশ্রুতি সাইকস-পিকট চুক্তি (১৯১৬) এবং বেলফোর ঘোষণা (১৯১৭) দ্বারা পরস্পরবিরোধী হয়ে পড়ে।
- সাইকস-পিকট চুক্তি ছিল ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মধ্যে গোপন চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের অঞ্চলগুলো ভাগাভাগির পরিকল্পনা করেছিল।
- অন্যদিকে, বেলফোর ঘোষণা প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাস প্রতিষ্ঠার ব্রিটিশ সমর্থন ঘোষণা করে।

উৎস: Britannica.
.
গোলান মালভূমি কোথায় অবস্থিত?
  1. সিরিয়া-ইসরাইল সীমান্ত
  2. জর্ডান-ইসরাইল সীমান্ত
  3. ইসরাইল-ফিলিস্তিন সীমান্ত
  4. ইসরাইল-মিশর সীমান্ত
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি:
- সিরিয়া ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত।
- তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল এটি দখল করে। 
- ইসরাইল-সিরিয়া সীমান্ত রেখা পার্পল লাইন নামে পরিচিত।
- গোলান মালভূমি পশ্চিমে জর্ডান নদীর উপত্যকা সংলগ্ন একটি পাহাড়ি এলাকা।
- ঐতিহাসিকভাবে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম সিরিয়ার অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালে এটি ইসরায়েলের সামরিক দখলে আসে।
- ১৯৮১ সালের ডিসেম্বরে ইসরায়েল এই অঞ্চলের অংশ একতরফাভাবে সংযুক্ত করে। তবে, এই পদক্ষেপটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়।
- এটি কৌশলগত এবং ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- এর উচ্চভূমি এবং পানি সম্পদ এলাকাটিকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ করেছে।

উৎস: Britannica.
.
দাহনা মরুভূমি কোথায় অবস্থিত?
  1. সৌদি আরব
  2. ওমান
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
মরুভূমি: 
যে স্থানের বৃষ্টিপাত ২৫ সে.মি. এর কম এবং বাস্পীভবন থেকে বৃষ্টিপাত কম তাকে মরুভূমি বলে। 
মরুভূমি ২ ধরনের। 
শীতল মরুভূমি – উত্তর মেরু, দক্ষিণ মেরু ও লাদাখ । 
উষ্ণ মরুভূমি – দস্ত ই লুত।

উল্লেখযোগ্য মরুভূমি: 
- দক্ষিণ মেরু মরুভূমি – পৃথিবীর সর্ববৃহৎ শীতল মরুভূমি। 
- সাহারা মরুভূমি - পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উষ্ণ মরুভূমি (আফ্রিকার দুঃখ)। 
- অ্যারাবিয়ান মরুভূমি: 
   • রাব আল খালি - সৌদি আরব, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন।
   • আন নাফুদ – সৌদি আরব
   • দাহনা-সৌদি আরব
- গোবি মরুভূমি - মঙ্গোলিয়া এবং চীন । 
- কালাহারি – আফ্রিকা (নামিবিয়া, বতসোয়ানা, দক্ষিণ আফ্রিকা)। 
- গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি – অস্ট্রেলিয়া। 
- সোনোরান মরুভূমি – যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো । 
- থর মরুভূমি – ভারত ও পাকিস্তান ।

উৎস: Britannica.
.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মাধ্যমে কোন সাম্রাজ্যের পতন ঘটে নি?
  1. অটোমান সাম্রাজ্য
  2. জার্মান সাম্রাজ্য
  3. ব্রিটিশ সাম্রাজ্য
  4. সবগুলোর পতন হয়েছে
ব্যাখ্যা
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মাধ্যমে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতন ঘটে নি। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চারটি সাম্রাজ্যকে ধ্বংস করে - জার্মান, অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়, অটোমান এবং রোমানভ - এবং মধ্যপ্রাচ্য ও ভিয়েতনামে উপনিবেশিক বিদ্রোহের সূচনা করে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল:

চৌদ্দ দফা ঘোষণা – ৮ জানুয়ারি, ১৯১৮ [জার্মান সরকারের যুদ্ধ বিরতি প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে] 
১ নং দফা – শান্তিপূর্ণ ও উন্মুক্ত কূটনীতি ।
১৪ নং দফা – জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠা। ১৯১৮ সালের ২৮ জুন জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠা।
মহামন্দা বা Great Depression ।

কয়েকটি সাম্রাজ্যের পতন: 
১৯১৭ - জার সাম্রাজ্যের পতন।
১৯১৮ - অস্ট্রো হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের পতন ।
১৯১৮ - জার্মান সাম্রাজ্যের পতন। 
১৯২২ - অটোমান সাম্রাজ্যের পতন।

উৎস: Digital History, University of Houston. (Link)
.
শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাবটি কোন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে গৃহীত হয়েছিল
  1. কোরিয়ান যুদ্ধ
  2. ইউক্রেন যুদ্ধ
  3. ইরাক যুদ্ধ
  4. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
Uniting for Peace Resolution:
- শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাবটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নভেম্বর ১৯৫০ সালে গৃহীত হয়।
- এই প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদ কোনো স্থায়ী সদস্যের ভেটোর কারণে ব্যর্থ হলে সাধারণ পরিষদকে পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা দেয়।
- প্রস্তাব অনুযায়ী, সাধারণ পরিষদ জরুরি বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করতে পারে।
- এই অধিবেশনে শান্তির জন্য সম্মিলিত পদক্ষেপের সুপারিশ করা যায়, প্রয়োজনে সশস্ত্র শক্তি ব্যবহারের কথাও বলা যেতে পারে।
- যদিও সাধারণ পরিষদের সুপারিশগুলো বাধ্যতামূলক নয়, তবে এটি নিরাপত্তা পরিষদের অচলাবস্থা কাটিয়ে জাতিসংঘকে পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ দেয়।
- এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সাধারণ পরিষদের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমিক ভূমিকা নিশ্চিত হয়।

প্রেক্ষাপট:
- শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাবটি কোরিয়ান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে গৃহীত হয়েছিল।
- ১৯৫০ সালের জুনে উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রমণ করে, যার ফলে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ রেজোলিউশন ৮৩ গ্রহণ করে, যা দক্ষিণ কোরিয়াকে সামরিক সহায়তার অনুমতি দেয়।
- তৎকালীন সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন নিরাপত্তা পরিষদ বয়কট করায় প্রস্তাবটি ভেটো ছাড়াই পাস হয়।
- তবে, পরবর্তীতে স্থায়ী সদস্যদের ভেটোর কারণে নিরাপত্তা পরিষদ কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয়।
- এর ফলে ১৯৫০ সালের নভেম্বরে সাধারণ পরিষদ "ইউনাইটিং ফর পিস" প্রস্তাব গৃহীত করে।
- এই প্রস্তাবের মাধ্যমে সাধারণ পরিষদকে নিরাপত্তা পরিষদের অচলাবস্থায় আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়।

উৎস: Britannica.
.
ভারত মহাসাগরের বৃহত্তম দ্বীপ কোনটি?
  1. মাদাগাস্কার
  2. সুমাত্রা
  3. লাক্কা দ্বীপ
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
- মাদাগাস্কার ভারত মহাসাগরের বৃহত্তম দ্বীপ। 
- মাদাগাস্কার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, যা দক্ষিণ-পূর্ব আফ্রিকার উপকূল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দ্বীপ, গ্রিনল্যান্ড, নিউ গিনি এবং বোর্নিওর পরে।
- আফ্রিকার নিকটবর্তী হওয়া সত্ত্বেও মাদাগাস্কারের জনসংখ্যা মূলত ইন্দোনেশিয়ার জনগণের সাথে সম্পর্কিত।
- ইন্দোনেশিয়া মাদাগাস্কার থেকে প্রায় ৩,০০০ মাইল (৪,৮০০ কিমি) পূর্বে অবস্থিত।
- এই অনন্য জনগোষ্ঠীগত উৎস মাদাগাস্কারের মানুষের সাংস্কৃতিক পরিচয়ে প্রতিফলিত হয়েছে, যা মূল ভূখণ্ডের আফ্রিকানদের থেকে আলাদা।
- মাদাগাস্কারের সরকারি ভাষা হলো মাদাগাসি এবং ফরাসি।
- ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসনের কারণে মাদাগাস্কারের সাথে ফ্রান্সের ঐতিহাসিক সম্পর্ক প্রতিফলিত হয়েছে।
- এই সম্পর্ক মাদাগাস্কারের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক সংযোগে প্রভাব ফেলেছে।
- মাদাগাস্কার তার অনন্য জীববৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত।
- এর প্রাণিজগৎ ও উদ্ভিদজগৎ পার্শ্ববর্তী আফ্রিকার থেকে অনেকটাই আলাদা।
- এই স্বতন্ত্র পরিবেশ বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং সংরক্ষণ প্রচেষ্টার জন্য আকর্ষণের বিষয়।
- মাদাগাস্কারের রাজধানী শহর অ্যান্টানানারিভো, যা দ্বীপের কেন্দ্রীয় মালভূমিতে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
.
অক্ষ শক্তির নেতৃত্বে ছিলেন না কে?
  1. এডলফ হিটলার
  2. হ্যারি এস ট্রুম্যান 
  3. বেনিতো মুসোলিনি
  4. হিরোহিতো
ব্যাখ্যা
অক্ষশক্তি - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিরোধী জোট:
- অক্ষশক্তি ছিল একটি সামরিক জোট, যা জার্মানি, ইতালি, এবং জাপানের নেতৃত্বে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল।
- এই জোটের উৎপত্তি ঘটে জার্মানি ও ইতালির মধ্যে একাধিক চুক্তির মাধ্যমে। ১৯৩৬ সালের ২৫ অক্টোবর, রোম-বার্লিন অক্ষ ঘোষণা করা হয়, যেখানে জার্মানি ও ইতালি দাবি করে যে পৃথিবী এখন থেকে রোম-বার্লিন অক্ষের উপর আবর্তিত হবে।
- পরবর্তীতে, ১৯৩৬ সালের ২৫ নভেম্বর, জার্মানি এবং জাপান সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে অ্যান্টি-কমিন্টার্ন প্যাক্ট স্বাক্ষর করে, যা অক্ষশক্তির কার্যক্রমকে আরও সুসংহত করে।
- এই জোটের লক্ষ্য ছিল তাদের সামরিক, রাজনৈতিক এবং কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করা এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নেতৃবৃন্দ 
অক্ষ শক্তি`: 
- এডলফ হিটলার
- বেনিতো মুসোলিনি
- হিরোহিতো

মিত্র শক্তি`:
- যোসেফ স্টালিন
- উইনস্টোন চার্চিল
- ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
- হ্যারি এস ট্রুম্যান

উৎস: Britannica.
.
দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ কোন কোন দেশের মধ্যে সংঘটিত হয়?
  1. ভিয়েতনাম ও ফ্রান্স
  2. ভিয়েতনাম ও লাওস
  3. উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
  4. দক্ষিণ ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম দেশের মধ্যে সংঘটিত হয়।  

প্রথম ইন্দোচীন যুদ্ধ (১৯৪৬-১৯৫৪) :

- প্রথম ইন্দোচীন যুদ্ধ ছিল ফরাসি ঔপনিবেশিক বাহিনী ও ভিয়েত মিনহের মধ্যে সংঘর্ষ।
- ভিয়েত মিনহ ছিল ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী আন্দোলন।
- যুদ্ধ শুরু হয় ফরাসি ও হো চি মিনের আলোচনায় ব্যর্থতার পর।
- ফরাসিরা ঔপনিবেশিক শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চাইছিল।
- ভিয়েত মিনহ সম্পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি জানায়।
- ১৯৪৬ সালের নভেম্বরে হাইফংয়ে ফরাসি নৌবাহিনীর গোলাবর্ষণ উত্তেজনা বাড়ায়।
- ডিসেম্বরে হ্যানয়ে ফরাসি সেনাদের উপর ভিয়েত মিনহ আক্রমণ করে। এর ফলে যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৯৪৯ সালের পর চীনের কমিউনিস্ট সরকার ভিয়েত মিনহকে সমর্থন দেয়।
- ভিয়েত মিনহ সফল গেরিলা যুদ্ধ চালায়।
- কমিউনিজমের প্রসার রোধে যুক্তরাষ্ট্র ফরাসিদের উল্লেখযোগ্য সহায়তা প্রদান করে।
- ১৯৫৪ সালের মে মাসে ডিয়েন বিয়েন ফুতে ফরাসি পরাজয় ঘটে।
- জেনেভা সম্মেলনে আলোচনা হয়।
- এই আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ হয়।
- ভিয়েতনামকে ১৭°N অক্ষাংশ বা ১৭তম সমান্তরালে সাময়িকভাবে ভাগ করা হয়।

দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ:
- দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ ভিয়েতনাম যুদ্ধ নামেও পরিচিত। 
- এই যুদ্ধ ছিল উত্তর ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট সরকার এবং দক্ষিণ ভিয়েতনামের সরকার ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ।
- উত্তর ভিয়েতনাম তাদের মিত্রদের দ্বারা সমর্থিত ছিল।
- দক্ষিণ ভিয়েতনাম প্রধানত যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা সমর্থিত ছিল।
- যুদ্ধের মূল কারণ ছিল উত্তর ভিয়েতনামের লক্ষ্য পুরো দেশকে কমিউনিস্ট শাসনের অধীনে ঐক্যবদ্ধ করা।
- প্রথম ইন্দোচীন যুদ্ধের পর ভিয়েতনাম ১৭তম সমান্তরালে বিভক্ত হয়।
- ১৯৬০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপকভাবে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য সংখ্যা ৫ লক্ষাধিক পৌঁছায়।
- যুদ্ধ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও ধ্বংস সৃষ্টি করে।
- ১৯৭৫ সালের এপ্রিল মাসে সাইগনের পতনের মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ হয়।
- এর ফলে ভিয়েতনাম কমিউনিস্ট শাসনের অধীনে ঐক্যবদ্ধ হয়।
- এই সংঘর্ষ ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।
- যুদ্ধে মানবিক ক্ষতি, অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও রাজনৈতিক পরিণতি দেখা দেয়।

উৎস: Britannica.
.
যুক্তরাষ্ট্রের গ্রেট লেকস বলতে কয়টি হ্রদকে বোঝানো হয়?
  1. ৪ টি
  2. ৫ টি
  3. ৩ টি
  4. ৬ টি
ব্যাখ্যা
- গ্রেট লেকস উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত পাঁচটি গভীর মিঠা পানির হ্রদের শৃঙ্খল।
- এই হ্রদগুলি হল সুপিরিয়র, মিশিগান, হুরন, ইরি এবং অন্টারিও।
- তারা বিশ্বের সর্ববৃহৎ মিঠা পানির পৃষ্ঠভূমি নিয়ে গঠিত, যা প্রায় ৯৪,২৫০ বর্গমাইল (২৪৪,১০৬ বর্গকিলোমিটার) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি যুক্তরাজ্যের এলাকা থেকেও বড়।
- এই হ্রদগুলি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রাকৃতিক সীমান্ত গঠন করে, তবে মিশিগান হ্রদ সম্পূর্ণরূপে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অবস্থিত।
- গ্রেট লেকস সেন্ট লরেন্স জলবিদ্যুৎ ব্যবস্থার অংশ, যা মিনেসোটার সেন্ট লুইস নদী থেকে শুরু করে হ্রদ ও সেন্ট লরেন্স নদী পেরিয়ে শেষ - পর্যন্ত আটলান্টিক মহাসাগরের গালফ অব সেন্ট লরেন্সে গিয়ে মিশেছে।
- এই হ্রদগুলি উত্তর আমেরিকার ইতিহাস ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- এগুলি অনুসন্ধান, বাণিজ্য ও বসতি স্থাপনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে কাজ করেছে।
- শিল্পোন্নয়নে তারা কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করলেও পরিবেশগত সমস্যা, যেমন দূষণ ও পরিবেশগত ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে।

উৎস: Britannica
১০.
ব্লিৎসক্রিগ কোন যুদ্ধের কারণে সবচেয়ে বেশি পরিচিত?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. ইরাক যুদ্ধ
  4. আইন জালুতের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ব্লিৎসক্রিগ: 
- ব্লিৎসক্রিগ একটি সামরিক কৌশল যা শত্রুপক্ষের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি এবং তাদের বাহিনীতে বিশৃঙ্খলা ঘটানোর উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত।
- এই কৌশল দ্রুততা, আকস্মিক আক্রমণ এবং শক্তিশালী অগ্নিশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কার্যকর হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির সাথে ব্লিৎসক্রিগ সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
- তবে এই কৌশল তখনকার অনেক যোদ্ধাই ব্যবহার করেছিল।
- ব্লিৎসক্রিগের মূল ধারণা উনবিংশ শতকে প্রুশিয়ার সামরিক কৌশল থেকে এসেছে।
- প্রুশিয়ার সামরিক কৌশলগুলোর ভিত্তি ছিল সীমিত সম্পদ এবং ছোট বাহিনীর কারণে দ্রুত ও শক্তিশালী পদক্ষেপের মাধ্যমে বিজয় অর্জন।
- এর ধারণা সময়ের সঙ্গে আরও উন্নত হয়ে ব্লিৎসক্রিগে পরিণত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্লিৎসক্রিগ ব্যবহৃত হয়ে শত্রুপক্ষের মধ্যে দ্রুত ভীতি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করত।
- ব্লিৎসক্রিগের অনন্যতা ছিল দ্রুত গতি এবং অপ্রত্যাশিত আক্রমণের মাধ্যমে শত্রুকে দুর্বল করে দেওয়া, যা যুদ্ধের ময়দানে বিপ্লব ঘটিয়েছিল।
- ব্লিৎসক্রিগ-এর মূল লক্ষ্য ছিল শত্রুকে সম্পূর্ণরূপে অপ্রস্তুত রেখে দ্রুত এবং শক্তিশালী আক্রমণের মাধ্যমে যুদ্ধের ভারসাম্য নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসা।
- এটি যুদ্ধক্ষেত্রে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে শত্রুকে বিভ্রান্ত করার একটি কৌশল।

উৎস: Britannica.
১১.
সুবিক বে নৌ ঘাঁটির অবস্থান কোথায় ছিল?
  1. ফিলিপাইন
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. কিউবা
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
সুবিক বে নৌ ঘাঁটি: 
- অবস্থান – ফিলিপাইন।
- ১৯০১ থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র Subic Bay Naval Station নামে একটি নৌঘাঁটি পরিচালনা করেছিল।
- এটি উপসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত ছিল।
- এটি ফিলিপাইনের সবচেয়ে বড় নৌ ঘাঁটি ছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এলাকাটি ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়।
- ১৯৪২ সালে এটি জাপানি বাহিনী দখল করে।
- ১৯৪৪ সালে মিত্রবাহিনী এটি পুনরায় দখল করে।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কাছাকাছি অবস্থানের কারণে, ভিয়েতনাম যুদ্ধ (১৯৫৫-৭৫) এবং ২০শ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে শীতল যুদ্ধে এ ঘাঁটিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৯২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ঘাঁটি ফিলিপাইনের কাছে হস্তান্তর করে।
- এরপর এলাকাটি একটি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল হিসেবে উন্নয়ন করা হয়।
- এতে মুক্ত বন্দর, উৎপাদন কারখানা, উপকূলীয় এলাকায় পর্যটন সুবিধা এবং একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরি করা হয়।
- এই কার্যক্রমগুলো আঞ্চলিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের উন্নতি সাধন করে।
- ২০১২ সালে ফিলিপাইন সরকার সুবিক বে এর বন্দর সুবিধাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজের সীমিত প্রবেশাধিকার দেওয়ার জন্য সম্মত হয়।

উৎস: Britannica.
১২.
VE Day-Victory in Europe Day পালন করা হয় কেন?
  1. ইউরোপ দখলমুক্ত করার জন্য মিত্রবাহিনীর নরম্যান্ডিতে অবতরণ
  2. ইতালির আত্মসমর্পন
  3. জার্মানীর আত্মসমর্পন
  4. জাপানের আত্মসমর্পন
ব্যাখ্যা
ঘটনাক্রম:
১৯৩৯ - জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণ । ব্লিৎসক্রিগ বা বিদুৎগতির নীতি অনুসরণ।
১৯৪০ - অক্ষ শক্তির উত্তর আফ্রিকা (মিশর) আক্রমণ।
১৯৪১ -  ৭ ডিসেম্বর জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমণ। যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে ।
১৯৪৪ - ৬ জুন (D- Day) ইউরোপ দখল মুক্ত করার জন্য মিত্রবাহিনীর নরম্যান্ডিতে অবতরণ।
১৯৪৫ - ৮ মে (VE Day-Victory in Europe Day) জার্মানীর আত্মসমর্পন ।
৬ আগষ্ট -হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ (লিটল বয়) ।
৯ আগষ্ট নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ (ফ্যাটম্যান)।
১৫ আগষ্ট জাপানের আত্মসমর্পণের ঘোষণা।
২ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিক নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ।
৮ মে, ১৯৪৫-এ, মিত্রশক্তির কাছে সমস্ত নাৎসি জার্মান বাহিনীর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইউরোপীয় পর্ব শেষ হয়েছিল।
ইভেন্টটি ইউরোপে বিজয় (Victory in Europe বা VE Day) দিবস হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। 

উৎস: Britannica.
১৩.
হেলসিঙ্কি চুক্তির উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. ফিদেল কাস্ত্রোকে ক্ষমতাচ্যুত করা
  2. শান্তিপূর্ণ মহাকাশ ব্যবস্থাপনা
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  4. ইউরোপে নিরাপত্তা, শান্তি এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
হেলসিঙ্কি চুক্তি (Helsinki Accords):
- ১৯৭৫ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি ইউরোপে নিরাপত্তা, শান্তি এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
- এটি ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংক্রান্ত সম্মেলনের (Conference on Security and Cooperation in Europe - CSCE) অংশ ছিল।

চুক্তির মূল বিষয়:
- সীমান্ত অখণ্ডতা বজায় রাখা।
- মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা।
- অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ।
- অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, এবং পরিবেশগত সহযোগিতা।

উৎস: OSCE Official Site
১৪.
ভারতের মুম্বাইতে সন্ত্রাসী হামলার জন্য দায়ী ছিল কোন সংগঠন?
  1. জম্মু কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট
  2. লস্কর-ই-তৈয়বা
  3. Liberation Tigers of Tamil Eelam-LTTE
  4. তালেবান
ব্যাখ্যা
লস্কর-ই-তৈয়বা: 
- লস্কর-ই-তৈয়বা (এলইটি) আর্মি অফ দ্য রাইটিয়াস নামেও পরিচিত। 
- এটি একটি পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যা ১৯৮০-এর দশকে গঠিত হয়েছিল।
- এলইটি ১৯৯৩ সাল থেকে ভারতীয় সৈন্য এবং বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি উচ্চ-স্তরের আক্রমণ সহ অপারেশন পরিচালনা করেছে৷
- দলটি আফগানিস্তানে জোট বাহিনীতেও হামলা করেছে৷
- ২০০৮ সালের নভেম্বরে ভারতের মুম্বাইতে সন্ত্রাসী হামলার জন্য এলইটি দায়ী ছিল। 

উৎস: Rewards for Justice, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের দাপ্তরিক ওয়েবসাইট।