পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ০১: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বিজ্ঞান) টপিক: প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান (পদার্থ বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট) গুরুত্বপূর্ণ টপিক: বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র, বলবিদ্যা, ধাতু ও অধাতু, চৌম্বক, তরঙ্গ ও শব্দ, কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি, তাপ, আলো, মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ, তড়িৎ, ইত্যাদি। উৎস: বিজ্ঞান বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
নিউটনের প্রথম সূত্র কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জড়তা
  2. ত্বরণ
  3. বল
  4. শক্তি
ব্যাখ্যা
নিউটনের প্রথম সূত্র:
-"বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু সমবেগে চলতে থাকবে।"

জড়তা:
-  বল প্রয়োগ না করা পর্যন্ত স্থির বস্তু বা গতিশীল বস্তুর  অবস্থান পরিবর্তন করতে না চাওয়ার যে প্রবণতা তাকে বলা হয় জড়তা। 
• উদাহারন: চলন্ত বাস হঠাৎ থেমে গেলে যাত্রীরা সামনে হেলে পড়ে এবং স্থির বাস হঠাৎ চলতে শুরু করলে যাত্রীরা পেছনে হেলে পড়ে।  

অর্থাৎ বলা যায় যে জড়তার মূল আলোচ্য বিষয় হলো বল প্রয়োগ না করলে বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তন হয় না, যা নিউটনের প্রথম সূত্রের সাথে সম্পর্কিত। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী। 
.
তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে বিটা রশ্মি বা ইলেকট্রন বের হয় কোন বলের কারণে?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. সবল নিউক্লিয় বল
  3. তড়িৎ চৌম্বক বল
  4. দুর্বল নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা
দুর্বল নিউক্লিয় বল:
- যে স্বল্প পাল্লার ও স্বল্প মানের বল নিউক্লিয়াসের মধ্যে মৌলিক কণাগুলোর মধ্যে ক্রিয়া করে অনেক নিউক্লিয়াসের অস্থিতিশীলতার উদ্ভব ঘটায় তাকে দুর্বল নিউক্লিয় বল বলে।
- নিউক্লিয়াস থেকে বিটা কণিকা ক্ষয়ের জন্য এই মৌলিক বল ক্রিয়াশীল থাকে। 

• প্রকৃতিতে বেশ কিছু মৌলিক পদার্থ রয়েছে যাদের নিউক্লিয়াস স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যায় (যেমন ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম ইত্যাদি)।  
•  এই সমস্ত নিউক্লিয়াস থেকে তিন ধরনের কণিকা ও রশ্মি নির্গত হয় যাদেরকে আলফা কণিকা (a-particle), বিটা কণিকা (B-particle) এবং গামা রশ্মি (y-ray) বলা হয়।
•   β রশ্মির নির্গমনের সময় নিউক্লিয়াস থেকে একটি ইলেকট্রন এবং একটি অনাহিত কণা নিউট্রিনো (neutrino) নির্গত হয়।

•  দুর্বল নিউক্লিয় বল মহাকর্ষ বল অপেক্ষা শক্তিশালী কিন্তু তাড়িতচৌম্বক বল অপেক্ষা কম শক্তিশালী। এই বলের পাল্লা অত্যন্ত কম, যেখানে সৃষ্টি হয় সেখানেই শুধুমাত্র কার্যকর থাকে। এর পাল্লা 10-m।
• মাধ্যমিক ভেক্টর বোসন (Intermediate vector bosons) নামক এক প্রকার কণার পারস্পরিক বিনিময়ের মাধ্যমে এ বল কার্যকর হয়। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন বস্তুর বেগ দ্বিগুণ করা হলে গতিশক্তির কীরূপ পরিবর্তন হয়?
  1. দ্বিগুণ হয়
  2. অর্ধেক হয়
  3. চারগুন হয়
  4. অপরিবর্তিত হয়
ব্যাখ্যা
• গতিশক্তি: কোনো গতিশীল বস্তু গতিশীল থাকার জন্য কাজ করার যে সামর্থ্য অর্থাৎ শক্তি অর্জন করে তাকে গতিশক্তি বলে।

• বেগ: সময়ের সাথে সাথে কোনো বস্তুর সরণের হারকে বেগ বলা হয়।

• গতিশক্তি ও বেগের মধ্যকার সম্পর্ক- 
Ek= (1/2) mv2
এখানে,
Ek=গতিশক্তি
v= বেগ
এই সূত্রানুযায়ী নির্দিষ্ট ভরের কোনো বস্তুর গতিশক্তি তার বেগের বর্গের সমানুপাতিক।

অর্থাৎ নির্দিষ্ট ভরের কোন বস্তুর বেগ দ্বিগুণ করা হলে তার গতিশক্তি চারগুন হবে। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
অপটিক্যাল ফাইবার কোন নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. প্রতিফলন
  2. প্রতিসরণ
  3. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  4. বিচ্ছুরণ
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন:
- যখন আলো ঘন মাধ্যম (যেমন: কাচ) থেকে হালকা মাধ্যমের দিকে যায় এবং আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে বেশি হয়, তখন সমস্ত আলো প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে। এটিই পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন।

• অপটিক্যাল ফাইবার:
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু কাচের তন্তু। এটি আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের নীতিতে কাজ করে।
- অপটিক্যাল ফাইবারের ভিতরের দেয়ালে আলো এভাবেই বারবার প্রতিফলিত হয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে।
- এর ভেতরের অংশকে বলে কোর (core), বাইরের অংশকে বলে ক্ল্যাড (clad)।
- দুটিই একই কাচ দিয়ে তৈরি হলেও ভেতরের অংশের (কোর) প্রতিসরণাঙ্ক বাইরের অংশ থেকে বেশি। এ কারণে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকে কোরের মাঝে আটকে রেখে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া যায়।
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলো শত শত কিলোমিটার নিয়ে যাওয়া যায় কারণ, এই কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ হয় খুবই কম।
- দৃশ্যমান আলো হলে শোষণ বেশি হয় বলে ফাইবারে লম্বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
.
তাপ সঞ্চালনের সবচেয়ে দ্রুততম পদ্ধতি কোনটি?
  1. পরিবহন
  2. পরিচলন
  3. বিকিরণ
  4. আবেশ
ব্যাখ্যা
• তাপ সঞ্চালন-
- উচ্চ তাপমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন তাপমাত্রার স্থানে তাপের প্রবাহকে তাপ সঞ্চালন বলা হয়।

• তাপ সাধারনত ৩ টি উপায়ে সঞ্চালিত হয়। যথা- 
- পরিবহন
- পরিচলন
-  বিকিরন

• বিকিরন-
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে।

• বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলা হয়।
- বিকীর্ণ তাপের শক্তি সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন হয় না, বা জড় মাধ্যম থাকলেও তাকে উত্তপ্ত করে না।
-  বিকীর্ণ তাপশক্তি আলোর বেগে সঞ্চালিত হয়। শূন্যস্থানে এই তরঙ্গের বেগ 3 × 108  ms-1
অর্থাৎ তাপ সঞ্চালনের জন্য সবচেয়ে দ্রুততম পদ্ধতি হলো বিকিরন। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্ণয় করা যায় কোন যন্ত্রের সাহায্যে?
  1. তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
  2. গ্যালভানোমিটার
  3. কম্পাস
  4. ভোল্টমিটার
ব্যাখ্যা
• চৌম্বকক্ষেত্র: 
 - কোন চুম্বক যেখানে অবস্থান করে সেখানে তার চারিদিকে যতদূর পর্যন্ত তার বলের প্রভাব ( আকর্ষণ জনিত কিংবা বিকর্ষণ জনিত ) বিস্তৃত থাকে, সেই অঞ্চলকে চৌম্বক ক্ষেত্র (Magnetic Field) বলা হয়।  

কম্পাস-
- কম্পাস একটি ছোট চৌম্বক সূঁচবিশিষ্ট যন্ত্র, যা পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
-  এটি চৌম্বক ক্ষেত্রের উপস্থিতিতে ঘুরে গিয়ে চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্দেশ করে।
- চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্ণয়ের জন্য কম্পাসকে চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে স্থাপন করা হয়।
-  সূঁচটি যেদিকে স্থির হয়, সেটিই চৌম্বক ক্ষেত্ররেখার দিক।

অন্যদিকে,
• তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তুতে আধানের উপস্থিতি নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। 
• গ্যালভানোমিটার তড়িৎ প্রবাহ ও তড়িৎ প্রবাহের দিক নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
• ভোল্টমিটার তড়িৎ বিভব নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।
.
মানুষের শ্রবণযোগ্য শব্দের কম্পাঙ্ক সীমা কত?
  1. 20 Hz - 20,000 Hz
  2. 10 Hz - 10,000 Hz
  3. 5 Hz - 50,000 Hz
  4. 50 Hz - 50,000 Hz
ব্যাখ্যা
• মানুষের কান সাধারণত ২০ হার্জ (Hz) থেকে ২০,০০০ হার্জ (Hz) পর্যন্ত কম্পাঙ্কযুক্ত শব্দ শুনতে সক্ষম।

• এর নিম্নসীমা হলো ২০ হার্জ (Hz) ও ঊর্ধ্বসীমা হলো ২০,০০০ হার্জ (Hz)।

- শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ Hz-এর কম হলে তাকে বলা হয় ইনফ্রাসাউন্ড বা শব্দেতর তরঙ্গ। — এটি মানুষ শুনতে পায় না।

- শব্দের কম্পাঙ্ক ২০,০০০ Hz-এর বেশি হলে তাকে বলা হয় আল্ট্রাসাউন্ড বা শব্দোত্তর তরঙ্গ। — এটিও মানুষ শুনতে পারে না, তবে ডলফিন, বাদুড়ের মতো প্রাণী শুনতে পারে।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
.
ঘর্ষণ বলের দিক কেমন হয়?
  1. গতির দিকে
  2. গতির বিপরীতে
  3. লম্বভাবে
  4. কোন দিক থাকে না
ব্যাখ্যা
• ঘর্ষণ বল: 
- যখন কোনো বস্তু অন্য বস্তুর উপর দিয়ে চলতে চেষ্টা করে বা চলতে থাকে তখন বস্তুদ্বয়ের স্পর্শতলে এ গতির বিরুদ্ধে যে বাধাদানকারী বল সৃষ্টি হয়, তাই ঘর্ষণ বল।

• ঘর্ষণ বল সব সময়ই প্রয়োগ করা বলের বিপরীত দিকে কাজ করে অর্থাৎ গতির বিপরীতে কাজ করে।
- সেজন্য স্বাভাবিকভাবেই ঘর্ষণ বল গতিকে কমিয়ে দেয়। 

• ঘর্ষণের সময় তাপ উৎপন্ন হয়। ঘর্ষণ যেমন উপকারী তেমনি অপকারী ও ।
- এই কারনে ঘর্ষণকে বলা হয় প্রয়োজনীয় উপদ্রব।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
.
পদার্থ কোন তাপমাত্রায় চুম্বকত্ব হারায় ?
  1. পরম শূন্য তাপমাত্রায়
  2. কক্ষ তাপমাত্রায়
  3. কুরি তাপমাত্রায়
  4. স্ফুটনাংকে
ব্যাখ্যা
• চুম্বকত্ব (Magnetism):
- চুম্বক পদার্থের ধর্মই হলো চুম্বকত্ব। চুম্বকত্ব পদার্থের ভৌত ধর্ম।
- কারণ পদার্থকে চুম্বকে পরিণত করলে এর ভর, ঘনত্ব, আয়তন ও তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- তবে চুম্বকত্বের উপর তাপমাত্রার বাহ্যিক প্রভাব রয়েছে। অর্থাৎ বাহ্যিকভাবে তাপ প্রয়োগে পদার্থের চুম্বকত্ব নষ্ট হয়ে যায়। 

• কুরি তাপমাত্রা বা কুরি বিন্দু (Curie temperature or Curie point):
- যে তাপমাত্রায় কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণ নষ্ট হয় তাকে কুরি তাপমাত্রা বলে। এই তাপমাত্রার পর পদার্থের আর কোন চুম্বকত্ব থাকে না।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
ধাতুর সাধারণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. তাপ ও বিদ্যুৎ অপরিবাহী
  2. নমনীয়
  3. ভঙ্গুর
  4. অনুজ্জ্বল
ব্যাখ্যা
• ধাতুর সাধারণ বৈশিষ্ট্য বলতে এমন কিছু গুণ বোঝানো হয় যা বেশিরভাগ ধাতব পদার্থে দেখা যায়। 

• ধাতুর সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- নমনীয়তা (Malleability) – চাপ প্রয়োগ করলে ধাতুকে পাত বা বিভিন্ন আকারে গড়া যায়।
- তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী (Conductivity) – ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবহন করে। (উদাহরণ: তামা, রূপা)
- উজ্জ্বলতা (Luster) – অধিকাংশ ধাতু চকচকে বা উজ্জ্বল হয়।
-  প্রসারণযোগ্যতা (Ductility) – ধাতুকে প্রসারিত করে তারে পরিণত করা যায়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।  
১১.
ওহমের সূত্রের গাণিতিক রূপ কোনটি?
  1. F = ma
  2. P = VI
  3. V = IR
  4. Q = It
ব্যাখ্যা
• ওহমের সূত্র বৈদ্যুতিক বর্তনীতে ভোল্টেজ (V), প্রবাহিত কারেন্ট (I), এবং রোধ (R)–এর মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে।

• সূত্রটির গাণিতিক রূপ হলো-
V=IR

এখানে,
V = ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য (Volt)
I = কারেন্ট বা বিদ্যুৎ প্রবাহ (Ampere)
R = রোধ  (Ohm)
এই সূত্র অনুসারে, কোনো পরিবাহকের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য পরিবাহকের রোধ ও পরিবাহকের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্টর সাথে সম্পর্কযুক্ত।

অন্যদিকে,
• P = VI – এটি বিদ্যুৎ শক্তি বা Power-এর সূত্র।
• Q = It – এটি আধান (Charge) নির্ণয়ের সূত্র।
• F = ma – এটি নিউটনের দ্বিতীয় গতি সূত্র (বলের সূত্র)। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
চৌম্বকক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে কোনটি তৈরি হয়?
  1. শব্দতরঙ্গ
  2. বিদ্যুৎপ্রবাহ
  3. আলোকতরঙ্গ
  4. তাপশক্তি
ব্যাখ্যা
• তাড়িতচৌম্বক আবেশ:
- একটি তারের কুণ্ডলীতে চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন করার মাধ্যমে কুণ্ডলীর ভেতর ভোল্টেজ এবং বিদ্যুৎ প্রবাহ সৃষ্টি করাকে তাড়িতচৌম্বক আবেশ বলা হয়। 

যখন চৌম্বক ক্ষেত্র পরিবর্তন হয় শুধু তখন বিদ্যুৎপ্রবাহ সৃষ্টি হয়।
- একটা কয়েলের মাঝখানে প্রচণ্ড শক্তিশালী একটা চুম্বক রেখে দিলে কিন্তু নড়াচড়া না করলে কয়েল দিয়ে কোনো বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে না।
- শুধু যখন চুম্বকটি নাড়িয়ে চৌম্বক ক্ষেত্র পরিবর্তন করা হবে তখনই এর ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
১৩.
মাটির নিচ থেকে যে অপরিশোধিত তেল তোলা হয় তাকে কি বলা হয়?
  1. পেট্রোল
  2. ডিজেল
  3. ক্রুড অয়েল
  4. কেরোসিন
ব্যাখ্যা
• জ্বালানি শক্তি:
- জ্বালানি বলতে সেই সব পদার্থকে বোঝায় যাদের ভৌত বা রাসায়নিক গঠন বা অবস্থার পরিবর্তন ঘটলে শক্তির নিঃসরণ ঘটে।

• এই মুহূর্তে পৃথিবীর শক্তির সবচেয়ে বড় উৎস হচ্ছে তেল, গ্যাস এবং কয়লা।
- তেল, গ্যাস এবং কয়লা তিনটিই হচ্ছে ফসিল জ্বালানি, অর্থাৎ লক্ষ-কোটি বছর আগে গাছপালা মাটির নিচে চাপা পড়ে দীর্ঘদিনের তাপ আর চাপে এই রূপ নিয়েছে।
- মাটির নিচ থেকে কয়লা, তেল আর গ্যাসকে তুলতে হয়।
- মাটির নিচ থেকে যে তেল তোলা হয় তাকে বলা হয় ক্রুড অয়েল। প্রাথমিক অবস্থায় সেগুলো অনেক ঘন থাকে।
- রিফাইনারিতে সেগুলো পরিশোধন করে পেট্রল, ডিজেল বা কেরোসিনে রূপান্তর করা হয় এবং সাথে সাথে আরো ব্যবহারযোগ্য পদার্থ বের হয়ে আসে। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
১৪.
ভরবেগ কী ধরনের রাশি?
  1. ভেক্টর
  2. স্কেলার
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ভরবেগ:
- ভরবেগ হলো কোনো বস্তুর ভর ও তার বেগের গুণফল।

• ভরবেগ,
p = mv 
এখানে,
p = ভরবেগ
m = ভর (স্কেলার রাশি)
v = বেগ (ভেক্টর রাশি)

• যেহেতু বেগ একটি ভেক্টর রাশি, তাই ভরবেগও একটি ভেক্টর রাশি । 
• ভরবেগের মান এবং দিক উভয়ই থাকে।
• এটির দিক বেগের দিকেই নির্দেশ করে।