পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০ [মোট নম্বর - ৩০] সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা - ২ টপিক: বাংলাদেশের অর্থনীতি, সম্পদ (বন, কৃষি, শিল্প, পানি), পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাংলাদেশের সমাজজীবন, সমস্যা, জনমিতিক পরিচয়, রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সরকার ও রাজনীতি, সরকারি ও বেসরকারি লক্ষ্য, নীতি, পরিকল্পনা (অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা) কর্মসূচি, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্র নীতি, মানব সম্পদ উন্নয়ন, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষা নীতি, প্রাথমিক শিক্ষা, শিক্ষা প্রশাসন (প্রতিষ্ঠান ও ইনস্টিটিউট), শিক্ষা কার্যক্রম ও উপবৃত্তি প্রকল্প, জাতীয় পুরস্কার, খেলাধুলা, সংস্থা, স্থাপত্য ও অন্যান্য জাতীয় ইস্যু, গুরুত্বপূর্ণ সাম্প্রতিক বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রভৃতি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ কত?
  1. ক) ২৭৬৫ মার্কিন ডলার
  2. খ) ২৬৭৫ মার্কিন ডলার
  3. গ) ২৬৫৭ মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ২৭৫৫ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৬৯.৮৩ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩%।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২৭৬৫ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২৬৫৭ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৪৯৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৬,৭৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি। 
- ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ৩৬টি। 
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
'ভাওয়ালের গড় ও মধুপুর গড়' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) সাতক্ষীরা
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
শালবন:
- শালবন  এক ধরনের বনভূমি যেখানে শালগাছ মুখ্য উদ্ভিদ প্রজাতি।
- বনের শ্রেণীবিন্যাসে শালবনকে গ্রীষ্মমন্ডলীয় আর্দ্র পত্রঝরা বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ভারতেই এই শ্রেণীর বনভূমি প্রায় ১৩০ লক্ষ হেক্টর জায়গা দখল করে আছে।
- বাংলাদেশ এবং নেপালে রয়েছে মোট ১০ লক্ষ হেক্টরের বেশি স্থান জুড়ে এ ধরনের বনভূমি।
- বাংলাদেশে মোট শালবন এলাকা প্রায় ১,২১,০০০ হেক্টর অর্থাৎ দেশের বনভূমির শতকরা প্রায় ৩২ ভাগ।
- শালবন দেশের মাত্র কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো।
- বেশির ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- এ বনাঞ্চল 'ভাওয়ালের গড় ও মধুপুরের গড়' নামে পরিচিত।
- ‘মধুপুর গড়’ নামেই এটি সুপরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
কত সালে 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি' প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৪ সালে
  2. খ) ১৯৭৮ সালে
  3. গ) ১৯৮৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
- ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা- কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায় এবং ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয় ।

উৎস: i) জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট।
          ii) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
.
'ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০' বাস্তবায়নে কোন দেশ বাংলাদেশকে সাহায্য করছে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা 'ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০' দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
.
'FOSWAL সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩' লাভ করেন -
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) শেখ হাসিনা
  3. গ) ড. ইউনুস
  4. ঘ) গোলাম সারওয়ার
ব্যাখ্যা
FOSWAL সাহিত্য পুরস্কার:
- সার্ক সাহিত্য পুরস্কার হলো ২০০১ সাল থেকে এফওএসডব্লিউএএল প্রদত্ত একটি বার্ষিক পুরস্কার।
- ২৬-২৮ মার্চ, ২০২৩ ভারতের নয়াদিল্লীতে Foundation of SAARC Writers and Literature (FOSWAL) এর সাহিত্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
-  ২৬ মার্চ, ২০২৩ তারিখে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন ১৯৫২’- এই তিনটি বইয়ের জন্য বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই বিশেষ সাহিত্য পুরস্কার দিয়েছে ফাউন্ডেশন অফ সার্ক রাইটার্স অ্যান্ড লিটারেচার।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অসামান্য সাহিত্যিক শ্রেষ্ঠত্বের জন্য ৬৩তম সাহিত্য উৎসবে সার্ক সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩ প্রদান করতে পেরে ফসওয়াল সম্মানিত বোধ করছে।

অন্যদিকে -
- নেপালি কবি, গীতিকার এবং অনুবাদক সুমন পোখরেল একমাত্র লেখক যিনি দুবার এই পুরস্কার পেয়েছেন।

উৎস: ৩ এপ্রিল, ২০২৩, প্রথম আলো।
.
পদ্মা সেতুর মোট স্প্যানের সংখ্যা -
  1. ক) ৪০টি
  2. খ) ৪১টি
  3. গ) ৪২টি
  4. ঘ) ৪৩টি
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। 
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু। 
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। 
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। 
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮ দশমিক ৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: The Daily Star বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
.
বৈসাবি কাদের উৎসব?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মারমা
  3. গ) ত্রিপুরা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বৈসাবি:
- বৈসাবি  বাংলাদেশে তিন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু এই তিন নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে বৈসাবি নামের উৎপত্তি।
- তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করে বাংলা নববর্ষ।
- বর্ষবরণ উৎসবকে ত্রিপুরারা বৈসু, মারমারা সাংগ্রাই ও চাকমারা বিজু বলে অভিহিত করে এবং এগুলি বৈসাবি নামে পরিচিত।
- সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদে গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা -
  1. ৮.১৫%
  2. ৮.৩৫%
  3. ৮.১৮%
  4. ৮.৫১%
ব্যাখ্যা
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%। 
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে (UMIC) উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।
- ২০৪১ এর মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশের (HIC) মর্যাদা লাভ করার রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: portal.gov.bd.
.
কত তারিখে বাংলাদেশ-ভুটান ট্রানজিট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ২২ জানুয়ারি, ২০২৩
  2. খ) ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  3. গ) ২২ মার্চ, ২০২৩
  4. ঘ) ২২ এপ্রিল, ২০২৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ভুটান ট্রানজিট চুক্তি:
- বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে ট্রানজিট সুবিধায় যানবাহন চলাচলের বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- ২২ মার্চ, ২০২৩ তারিখে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। 
- পরস্পরের ভূমি ব্যবহার করে বাণিজ্য জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে ট্রানজিট চুক্তিতে সই করে দেশ দুটি।
- বুধবার ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে ‘প্রটোকল অব দ্য এগ্রিমেন্ট অন দ্য মুভমেন্ট অব ট্রাফিক ইন ট্রানজিট বিটুইন বাংলাদেশ অ্যান্ড ভুটান’ শীর্ষক এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং ভুটানের পক্ষে দেশটির শিল্প কাণিজ্য ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী কার্মা দর্জি সই করেন।
- এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের জল, স্থল ও আকাশপথ ব্যবহার করে ভুটান নির্ধারিত ফি দিয়ে তৃতীয় দেশের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য করতে পারবে।
- ভবিষ্যতে চীনের সঙ্গে ভুটানের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ হলে তখন এ ট্রানজিট সুবিধায় ভুটানের ভেতর দিয়ে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য করতে পারবে বাংলাদেশ।

উৎস: ২২ মার্চ, ২০২৩, প্রথম আলো।
১০.
বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর কোনটি?
  1. ক) চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর
  2. খ) মংলা সমুদ্রবন্দর
  3. গ) মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর
  4. ঘ) পায়রা সমুদ্রবন্দর
ব্যাখ্যা
পায়রা সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর ‘পায়রা বন্দর'।
- ‘পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, বালিয়াতলী, ধূলাসার, ধানখালী ও টিয়াখালী ইউনিয়নের অনত্মর্গত রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- শিপিং-বান্ধব বিস্মীর্ণ এলাকা হিসেবে এটি সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই উপযুক্ত একটি অঞ্চল।
- ১৩ আগস্ট, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
- এ উদ্বোধনের দ্বারা বাংলাদেশের আমদানি- রপ্তানি বাণিজ্য তথা দেশের সার্বিক উন্নয়নে নতুন মাইল ফলক রচিত হবে বলে আশা করা যায়।
- ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
- এটি বঙ্গোপসাগরের কাছে রামনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।

উৎস: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
১১.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের নাগরিকতা নির্ণয়ের প্রধান উপায়?
  1. ক) জন্মসূত্রে
  2. খ) অনুমোদনসূত্রে
  3. গ) উভয়টি
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নাগরিকতা:
- বাংলাদেশের নাগরিকতা প্রধানত জন্মসূত্রে নির্ণয় করা হয়।
- বাংলাদেশে জন্ম নেয়া সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।
- বাংলাদেশের নাগরিকতা অর্জন ও বিলোপ:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকত্ব আইনের ৬নং ধারা, ১৯৫১ সালে আইন এবং ১৯৮৫ সালের অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিকতা অর্জন ও বিলোপ নির্ধারিত হয়।
ক. ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর পাক হানাদার বাহিনীর ভয়ে অথবা স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য যারা দেশত্যাগ করে অন্য রাষ্ট্রে আশ্রয় নিয়েছিল তারা যদি স্বেচ্ছায় বাংলাদেশে ফিরে আসে তবে তারা বাংলাদেশের নাগরিক বলে বিবেচিত হবে।
খ. যদি কোন ব্যক্তি বা তার মাতাপিতা বা পিতামহ এমন কোন স্থানে জন্মগ্রহণ করে থাকেন যে স্থান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের অন্তর্ভূক্ত ছিল বা আছে এবং তিনি স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন; তাহলে উক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক বলে গণ্য হবেন।
গ. বাংলাদেশী দম্পত্তির কোন সন্তান বাংলাদেশে অথবা অন্য কোন রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করলে জন্মনীতি অনুযায়ী সে সন্তান বাংলাদেশী নাগরিকত্ব লাভ করবে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
বাংলাদেশের মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
  3. গ) সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের
  4. ঘ) অর্থমন্ত্রী মোস্তফা কামাল
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশের গণপরিবহনে বৈদ্যুতিক মেট্রোরেল যুক্ত হয় ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ চালিত মেট্রোরেলে প্রবেশ করে ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।

উৎস:  ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২, প্রথম আলো।
১৩.
'বানৌজা শের-ই-বাংলা নৌঘাটি' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মহেশখালি
  2. খ) নোয়াখালী
  3. গ) পটুয়াখালী
  4. ঘ) পাবনা
ব্যাখ্যা
বানৌজা শের-ই-বাংলা ঘাটি:
- আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অবস্থিত নৌ ঘাঁটি বানৌজা শের-ই-বাংলা’।
- ১২ জুলাই, ২০২৩ তারিখে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ ঘাঁটির উদ্বোধন করেন।
- ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী বানৌজা শের-ই- বাংলা ঘাঁটির নামফলক উন্মোচন করেন। 
- এ সময় ৪টি পেট্রোল ক্রাফট স্কোয়াড্রন ও ৪টি যুদ্ধ জাহাজ উদ্বোধন করা হয়।
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড নির্মিত পেট্রোল ক্রাফট স্কোয়াড্রনগুলো হলো: শহীদ দৌলত, শহীদ ফরিদ, শহীদ মহিব্বুল্লাহ, শহীদ আখতার উদ্দিন।
- চারটি ল্যান্ডিং ক্রাফট ইউটিলিটি (এলসিইউ) হলো বানৌজা ডলফিন, তিমি, টুনা ও পেঙ্গুইন।
- প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এসব জাহাজে আনুষ্ঠানিকভাবে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
- নবনির্মিত এলসিইউ সমূহ আশ্রয়ণ-৩ প্রকল্পের আওতায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে চট্টগ্রাম থেকে ভাসানচরে স্থানান্তর ও তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় রসদ সরবরাহসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকবে।
- নবনির্মিত এ সব জাহাজ ও ঘাঁটি কমিশনিংয়ের মাধ্যমে এ অঞ্চলে অবৈধ মৎস্য আহরণ রোধ, চোরাচালান দমন, মানবপাচার রোধ, জলদস্যুতা এবং মাদক পাচার রোধসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিরসনে ভূমিকা রাখবে।

উৎস: ১২ জুলাই ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
১৪.
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. ক) ভারতে
  2. খ) মায়ানমারে
  3. গ) জাপানে
  4. ঘ) শ্রীলঙ্কায়
ব্যাখ্যা
দেশ হিসেবে রপ্তানি:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ: যুক্তরাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র: জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপানে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৫.
মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কত?
  1. ক) ৪০০ মেগাওয়াট
  2. খ) ৬০০ মেগাওয়াট
  3. গ) ৮০০ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ১২০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হল বাংলাদেশের একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নের এক হাজার ৪১৪ একর জমিতে এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
- ৬০০ মেগাওয়াট এর মোট দুটি ইউনিট তৈরি হবে।
- প্রতি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৬০০ মেগাওয়াট।
- জাপানের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে মাতারবাড়ির এই বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে বাংলাদেশের অন্যতম বড় প্রকল্প।
- বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনায় মাতারবাড়িকে ‘বিদ্যুৎ হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা রয়েছে।
- ২৯ জুলাই, ২০২৩ তারিখে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় কয়লাভিত্তিক মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট।
- এই ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ৬০০ মেগাওয়াট।
- পরীক্ষামূলক উৎপাদনের শুরুতে ৩৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। 

উৎস: ২৯ জুলাই, ২০২৩, কালের কন্ঠ।