পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
বাংলাদেশ-০২ - বাংলাদশের কৃষিজ সম্পদঃ শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা। বাংলাদেশের অর্থনীতিঃ উন্নয়ন পরিকল্পনা, জাতীয় আয়ব্যয়, রাজস্বনীতি, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র বিমোচন। বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্যঃ শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প, বৈদেশিক লেনদেন, ব্যাংক ও বীমা
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি ‘বাঁধাকপির’ একটি জাত?
  1. ক) বীটজবা
  2. খ) ড্রামহেড
  3. গ) তারাপুরী
  4. ঘ) উত্তরণ
ব্যাখ্যা
ড্রামহেড, কে কে ক্রস, এক্সপ্রেস ক্রস, কে ওয়াই ক্রস, এটলাস ৭০, টোকিও প্রাইড, গ্রীন এক্সপ্রেস, প্রভাতী, সেভয়, রুবিবল, অগ্রদূত ইত্যাদি হলো বাঁধাকপির কতগুলো জাত।
অন্যদিকে,
তারাপুরী - বেগুন
বীটজবা - কলা
উত্তরণ - ‍ভুট্টা।
(সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ও কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
.
চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) নবম
ব্যাখ্যা
FAO এর তথ্যানুসারে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম।
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে তৃতীয়।
ইলিশ মাছ উৎপাদনে প্রথম।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে মোট মাছ উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ৪৩.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন।
এর মধ্যে চাষকৃত মাছের পরিমাণ প্রায় ২৪.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৯০)
.
Bangladesh Rice Research Institute কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ফার্মগেট
  2. খ) আগারগাঁও
  3. গ) জয়দেবপুর
  4. ঘ) সাভার
ব্যাখ্যা
Bangladesh Rice Research Institute (BRRI) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়।
BRRI এ পর্যন্ত ধানের মোট ১০৫টি আধুনিক জাত উদ্ভাবন করেছে।
(সূত্রঃ Bangladesh Rice Research Institute ওয়েবসাইট)
.
কোন সরকারি প্রতিষ্ঠানটি কৃষি উপকরণ ও বীজ সরবরাহ করে থাকে?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  2. খ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
  4. ঘ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) কৃষি উপকরণ ও বীজ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান।
এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
(সূত্রঃ BADC ওয়েবসাইট)
.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল নয়?
  1. ক) ইক্ষু
  2. খ) পাট
  3. গ) আলু
  4. ঘ) তামাক
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে।
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল সমূহের মধ্যে রয়েছে:
- পাট
- চা
- ইক্ষু
- তামাক
- তুলা
- রাবার
- ফুল প্রভৃতি।
অন্যদিকে আলু, ধান, গম, ভুট্টা, তেলবীজ প্রভৃতি হলো খাদ্যশস্য।
(সূত্রঃ ‍ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল চিংড়ি চাষের জন্যে বিখ্যাত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) সিলেট
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সবচেয়ে বেশি চিংড়ি চাষ হয়।
দেশের মোট চিংড়ি ঘেরের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই এ অঞ্চলে অবস্থিত।
চিংড়ি চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী লাভ করায় খুলনা অঞ্চলকে ‘বাংলাদেশের কুয়েত সিটি’ বলা হয়।
অন্যদিকে, রপ্তানির মাধ্যমে অধিক পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করায় বাংলাদেশে চিংড়িকে ‘হোয়াইট গোল্ড’ নামে অভিহিত করা হয়।
(সূত্র: বণিক বার্তা ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
.
নিচের কোন জেলায় চা বাগান রয়েছে?
  1. ক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. খ) সুনামগঞ্জ
  3. গ) ঠাকুরগাঁও
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে বর্তমানে দেশে ৭টি জেলায় মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।
জেলা অনুসারে চা বাগানের অবস্থান:
মৌলভীবাজার - ৯১টি
হবিগঞ্জ - ২৫টি
চট্টগ্রাম - ২১টি
সিলেট - ১৯টি
পঞ্চগড় - ৮টি
রাঙামাটি - ২টি
ঠাকুরগাঁও - ১টি।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট)
.
২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের মাথাপিছু GDP কত মার্কিন ডলার?
  1. ক) ১,৮২৮ ডলার
  2. খ) ১,৯০৭ ডলার
  3. গ) ১,৯৭০ ডলার
  4. ঘ) ২,০৬৪ ডলার
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে ২০১৯-২০২০ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের
মাথাপিছু জিডিপি – ১৯৭০ মার্কিন ডলার
মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২০৬৪ মার্কিন ডলার
জিডিপির প্রবৃদ্ধি হার – ৫.২৪ শতাংশ
মুদ্রাস্ফিতির হার – ৫.৬৫ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
.
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৪.৮৫ কি.মি.
  2. খ) ৫.২০ কি.মি.
  3. গ) ৬.১৫ কি.মি.
  4. ঘ) ৬.৫৫ কি.মি.
ব্যাখ্যা
নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। এটি দেশের দীর্ঘতম সেতু।
মুন্সিগঞ্জের মাওয়া এবং শরীয়তপুরের জাজিরা পয়েন্টে এটি নির্মিত হচ্ছে।
পদ্মাসেতুতে স্প্যান সংখ্যা ৪১টি। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রথম স্প্যান এবং ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর সর্বশেষ স্প্যান বসানো হয়।
সেতু নির্মাণের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান হলো চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি।
২০২২ সালের এপ্রিল মাসে সেতুটি যান চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা)
১০.
কোন দেশের সহায়তায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে।
সমুদ্রবন্দরটি নির্মাণে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা করছে জাপান সরকার।
প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ১৭,৭৭৭ কোটি টাকা যার অধিকাংশ জাপানি সংস্থা জাইকা সরবরাহ করবে।
২০২৬ সালে বন্দর নির্মাণের কাজ সমাপ্ত হবে। তবে এটি স্বতন্ত্র বন্দর না হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল বন্দর হিসেবে কাজ করবে।
(সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড রিপোর্ট)
১১.
বাংলাদেশ কোন বহুপাক্ষিক উৎস থেকে সর্বাধিক আর্থিক সহযোগিতা পায়?
  1. ক) IDB
  2. খ) ADB
  3. গ) AIIB
  4. ঘ) IDA
ব্যাখ্যা
International Development Association (IDA) থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আর্থিক সহযোগিতা পেয়ে থাকে।
গত অর্থবছরে বাংলাদেশ IDA থেকে ২,২৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থ সহায়তা লাভ করে। যা পরিমাণের দিকে IDA এর দ্বিতীয় বৃহৎ গ্রহীতা।
বাংলাদেশের প্রধান দ্বিপাক্ষিক সাহায্যদাতা হলো জাপান।
(সূত্র: IDA এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ওয়েবসাইট)
১২.
দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে কোথায়?
  1. ক) সাভার
  2. খ) সীতাকুণ্ড
  3. গ) রূপপুর
  4. ঘ) পার্বতীপুর
ব্যাখ্যা
পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে।
এটি নির্মাণে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা করছে রাশিয়া।
রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম এতে কারিগরি সহায়তা করছে।
অপর রাশিয়ান কোম্পানি টিভিএল জয়েন্ট স্টক এতে জ্বালানি সরবরাহ করবে।
তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পে অর্থ সহায়তা করছে ভারত সরকার।
এটির উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।
মোট ব্যয় প্রায় ১২.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে রাশিয়া সরকার ঋণ দিচ্ছে ১১.৪ বিলিয়ন ডলার।
২০২৩ সালে কেন্দ্রটি চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
(সূত্র: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড)
১৩.
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ক) ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. খ) ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. গ) ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে পণ্য ও সেবা মিলিয়ে মোট রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর মধ্যে পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৪১ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৭ বিলিয়ন ডলার।
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে রপ্তানির মোট লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৫৪ বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে পণ্য ও সেবা মিলিয়ে রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার।
(সূত্রঃ প্রথম আলো)
১৪.
চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মিত হচ্ছে কোথায়?
  1. ক) আড়াইহাজার
  2. খ) আনোয়ারা
  3. গ) সীতাকুণ্ড
  4. ঘ) সাভার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অধীনে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্যে ৫টি অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে।
এগুলো হলো:
চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল – আনোয়ারা (চট্টগ্রাম)
জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল – আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ)
ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল – মিরসরাই (চট্টগ্রাম)
ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল – মংলা (বাগেরহাট)
ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল – কুষ্টিয়া।
(সূত্র: BEZA ওয়েবসাইট)
১৫.
নিচের কোনটি অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য?
  1. ক) পাটজাত পণ্য
  2. খ) চামড়াজাত পণ্য
  3. গ) ঔষধ
  4. ঘ) হস্তশিল্পজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
যেসব রপ্তানি পণ্যের কাঁচামালের যোগান স্থানীয় উৎস থেকে অথবা যেসব পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% বা তার বেশি সেগুলো হলো প্রচলিত রপ্তানি পণ্য।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- পাট ও পাটজাত পণ্য
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
- শাকসবজি
- তাঁত ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
- চা
- মাছ
- ফল
- চিংড়ি প্রভৃতি।

অন্যদিকে, যেসব রপ্তানি পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% এর কম সেগুলোকে অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য ধরা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- বাইসাইকেল
- ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
- পেট্রোলিয়াম উপজাত
- ঔষধ
- রাসায়নিক সার
- কসমেটিকস
- হোম টেক্সটাইল
- ওভেন গার্মেন্টস
- কটন প্রোডাক্টস প্রভৃতি।

(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১৬.
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের কোন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে?
  1. ক) ক্ষুধামুক্তি
  2. খ) দারিদ্র্য নিরসন
  3. গ) সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ
  4. ঘ) জেন্ডার সমতা
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ প্রকাশিত ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট : বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রতিবেদন-২০২০’ অনুসারে এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে একমাত্র ‘দারিদ্র্য নিরসনে’ বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে।
পাঁচটি অভীষ্ট অর্জনে অবস্থা পরিমিত মাত্রায় দুর্বল তবে অগ্রসরমান।
ছয়টি অভীষ্ট অর্জনে অবস্থান দুর্বল ও স্থবির।
একটি অভীষ্টের (১৫-স্থল জীবন) বাস্তবায়ন খুবই খারাপ ও অবনতিশীল।
চারটি অভীষ্টের কোন উপাত্ত পাওয়া যায়নি।
(সূত্র: দৈনিক যুগান্তর রিপোর্ট, ২৬ আগস্ট ২০২০)