পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৮ পার্ট-১) বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ২. জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। ৩. স্বাধীনতা ও অন্যান্য আন্দোলন সংগ্রাম সংশ্লিষ্ট সাহিত্য ও চলচ্চিত্র। পার্ট-২) আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি: i) পরিবেশগত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ii) পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ও জোট [UNEP, IMO, WMO, IPCC, EEA, Greenpeace, ICAN ইত্যাদি] iii) পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি ও সম্মেলন। ২. বিশ্বের সাম্প্রতিক ও চলমান ঘটনা প্রবাহ: পার্ট-৩) বাংলা ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. বাংলা ভাষা (ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়) ২. ধ্বনিতত্ত্ব (ধ্বনি ও বর্ণ-প্রকরণ; ধ্বনির উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
ভাষার কোন রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী?
  1. সাধুরীতি
  2. কথ্যরীতি
  3. আঞ্চলিক রীতি
  4. চলিত রীতি
সঠিক উত্তর:
সাধুরীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধুরীতি
ব্যাখ্যা
সাধু ভাষারীতি:
১. সাধু ভাষারীতি সর্বজনগ্রাহ্য লেখার ভাষা।
২. সাধু ভাষারীতি সব সময় ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে।
৩. সাধু ভাষায় পদবিন্যাস রীতি সুনির্দিষ্ট।
৪. সাধু ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি।
৫. সাধু ভাষা বক্তৃতা, ভাষণ ও নাটকের সংলাপের উপযোগী নয়।
৬. সাধু ভাষায় সর্বনাম, ক্রিয়া ও অব্যয় পদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।
৭. সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর, দুর্বোধ্য ও মন্থর।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
কোনটি অন্তস্বরাগমের উদাহারণ?
  1. বেঞ্চি
  2. আলাদা
  3. ফলার
  4. শাগ
সঠিক উত্তর:
বেঞ্চি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেঞ্চি
ব্যাখ্যা
অন্ত্যস্বরাগম:
- কোনো কোনো সময় শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসে। এরুপ স্বরাগমকে বলে অন্ত্যস্বরাগম।

যেমন:
- দিস্ > দিশা;
- পোখত্ > পোক্ত;
- বেঞ্চ > বেঞ্চি;
- সত্য > সত্যি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
ব্যঞ্জন বিকৃতি - শাক > শাগ। 
অন্তর্হতি - ফলাহার > ফলার, আলাহিদা > আলাদা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'রক্ষা' শব্দের সংযুক্ত বর্ণটি কোন কোন বর্ণ নিয়ে গঠিত?
  1. হ্‌ + ম
  2. ক্‌ + হ
  3. ক্‌ + ষ
  4. ক্‌ + খ
সঠিক উত্তর:
ক্‌ + ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্‌ + ষ
ব্যাখ্যা
• 'রক্ষা' শব্দের সংযুক্ত বর্ণটি 'ক্‌ + ষ' বর্ণ নিয়ে গঠিত।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ:
- ত্ + ত = ত্ত,
- ভ্‌ + র = ভ্র,
- ত্‌ + থ = ত্থ,
- ঙ্‌ + গ = ঙ্গ,
- ঙ্‌ + ক = ঙ্ক,
- হ্‌ + ম = হ্ম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
'স্পর্ধা > আস্পর্ধা' কোন ধরনের ধ্বনির পরিবর্তন?
  1. অভিশ্রুতি
  2. র- কারের লোপ
  3. স্বরসঙ্গতি
  4. আদি স্বরাগম
সঠিক উত্তর:
আদি স্বরাগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদি স্বরাগম
ব্যাখ্যা
আদি স্বরাগম:
- উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের আদিতে স্বরধ্বনি এলে তাকে আদি স্বরাগম বলে।

যেমন:
- স্কুল > ইস্কুল,
- স্টেশন > ইস্টিশন,
- স্পর্ধা > আস্পর্ধা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
চলিত ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. গুরুগম্ভীর, দুর্বোধ্য, মন্থর
  2. তৎসম শব্দের আধিক্য
  3. পদবিন্যাস সুনির্দিষ্ট
  4. চটুল, সরল ও সাবলীল
সঠিক উত্তর:
চটুল, সরল ও সাবলীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চটুল, সরল ও সাবলীল
ব্যাখ্যা
চলিত ভাষারীতি:
১. চলিত ভাষারীতি সর্বজনবোধ্য মুখের ও লেখার ভাষা।
২. চলিত ভাষা সব সময় ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না।
৩. চলিত ভাষায় পদবিন্যাস রীতি অনেক সময় পরিবর্তিত হয়।
৪. চলিত ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার কম।
৫. চলিত ভাষা বক্তৃতা, ভাষণ ও নাটকের সংলাপের উপযোগী।
৬. চলিত ভাষায় সর্বনাম, ক্রিয়া ও অব্যয়পদের সংক্ষিপ্তরূপ ব্যবহৃত হয়।
৭. চলিত ভাষা চটুল, সরল ও সাবলীল
৮. চলিত ভাষারীতি পরিবর্তনশীল, তাই জীবন্ত।

অন্যদিকে,
পদবিন্যাস সুনির্দিষ্ট, তৎসম শব্দের আধিক্য, গুরুগম্ভীর, দুর্বোধ্য, মন্থর - সাধুরীতির বৈশিষ্ট্য।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
‘শ্রমিক’ শব্দে ‘শ’ বর্ণের উচ্চারণ কীসের মত হয়েছে?
  1. [স্‌র]
  2. [স]
  3. [ষ]
  4. [শ]
সঠিক উত্তর:
[স]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
[স]
ব্যাখ্যা
শ, ষ, স এর উচ্চারণ:
- শ কখনাে [শ]-এর মতাে উচ্চারিত হয়, কখনাে [স]-এর মতাে উচ্চারিত হয়।
- স কখনাে [শ]-এর মতাে উচ্চারিত হয়, আবার কখনাে [স]-এর মতাে উচ্চারিত হয়।
- ষ বর্ণের উচ্চারণ সব সময়ে [শ]।

যেমন:
শ বর্ণের [শ] উচ্চারণ: শত [শতো], শসা [শশা]।
শ বর্ণের [স] উচ্চারণ: শ্রমিক [স্রোমিক্‌], শৃগাল [সৃগাল্‌]।
ষ বর্ণের [শ] উচ্চারণ: ভাষা [ভাশা], ষােলাে [শােলাে]।
স বর্ণের [শ) উচ্চারণ: সাধারণ [শাধারােন], সামান্য [শামান্‌নো] ।
স বর্ণের [স] উচ্চারণ: আস্তে [আসতে], সালাম [সালাম্‌]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২১) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে বাংলা এসেছে-
  1. প্রাচীন অবহট্ঠ থেকে
  2. গৌড় অপভ্রংশ থেকে
  3. মাগধী অপভ্রংশ থেকে
  4. গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকে
সঠিক উত্তর:
গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকে
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার উৎপত্তি:
- বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-বংশের অন্তর্গত ইন্দো-ইরানীয় শাখাভুক্ত নব্য-ভারতীয় আদি আর্য ভাষা। 
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, বাংলা এসেছে মাগধী প্রাকৃত থেকে মাগধী অপভ্রংশ হয়ে। তাঁর মতে বাংলা ভাষার উন্মেষ ঘটে দশম শতাব্দীতে। 
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে গৌড়ি প্রাকৃত থেকে গৌড়ি অপভ্রংশ হয়ে বঙ্গ-কামরুপির মধ্য দিয়ে বাংলা এসেছে। এবং ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উন্মেষ ঘটে সপ্তম শতাব্দীতে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোন শব্দে ‘অ’ বর্ণের উচ্চারণ স্বাভাবিক?
  1. অতি
  2. অদ্য
  3. অনাথ
  4. অণু
সঠিক উত্তর:
অনাথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাথ
ব্যাখ্যা
'অ' বর্ণের উচ্চারণ:
- অ বর্ণের উচ্চারণ দুই রকম: [অ] এবং [ও]।
- সাধারণ উচ্চারণ [অ], কিন্তু পাশের ধ্বনির প্রভাবে [অ] কখনো কখনো [ও]-এর মতো উচ্চারিত হয়।

যেমন:
অ বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ: অনেক [অনেক্], কথা [কথা্‌], অনাথ [অনাথ্‌]।
অ বর্ণের [ও] উচ্চারণ: অতি [ওতি], অণু [ওনু], পক্ষ [পোক্খো‌], অদ্য [ওদ্‌দো], মন [মোন্]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
কোনটি বাংলা ব্যাকরণের আলােচ্য বিষয় নয়?
  1. বাক্যতত্ত্ব
  2. ভাষাতত্ত্ব
  3. ধ্বনিতত্ত্ব
  4. রূপতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
ভাষাতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষাতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
• বাংলা ব্যাকরণের আলােচ্য বিষয় নয় - ভাষাতত্ত্ব।

ব্যাকরণের আলােচ্য বিষয় ৪ টি ভাগে বিভক্ত:

ধ্বনিতত্ত্ব:
- ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি।
- লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয় তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভূক্ত।
- ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য:
- বাগ্‌যন্ত্র, বাগ্‌যন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য , ধ্বনিদল প্রভৃতি।

রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করে।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া, ক্রিয়া বিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দ গঠন প্রক্রিয়া।

বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করে।
- বাক্যের নির্মাণ ও গঠন বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে,বাক্যতুত্ত্ব তা বর্ণনা করে।
- তাছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাতক্যত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষন, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতি বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।

অর্থতত্ত্ব:
- মূল আলোচ্য - ব্যকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয় সে অংশের নাম অর্থতত্ত্ব।
- বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগধারা প্রভৃতি এর আলোচ্য বিষয়।
- এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এ অংশে আলোচন করা হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২২ সংস্করণ)।
১০.
মাগধী প্রাকৃত থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে করেন কে?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার উৎপত্তি:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ মনে করেন, ভারতীয় ভাষা থেকেই বৈদিক এবং প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার সৃষ্টি।
- খ্রিষ্টপূর্ব আটাশ অব্দে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকেই আদিম প্রাকৃত ভাষার সৃষ্টি।
- আনুমানিক দুইশ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দে এই ভাষা থেকেই গৌড়ীয় প্রাকৃত এবং আনুমানিক চারশ অব্দে গৌড়ী পাকৃত থেকে গৌড়ী অপভ্রংশের সৃষ্টি।
- জর্জ গ্রিয়ারসন, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সহ অধিকাংশ ভাষাবিজ্ঞানী মনে করেন মাগধী প্রাকৃত থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি।
- কিন্তু ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ গৌড় অপভ্রংশ থেকে আনুমানিক খ্রিষ্টীয় পাঁচশ অব্দে বঙ্গ কামরূপী ভাষার তৈরী।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে গৌড় অপভ্রংশ হয়ে বঙ্গকামরূপী ভাষার মাধ্যমে ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলা ভাষা স্বতন্ত্ররূপ পরিগ্রহ করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
'ঔ' কোন ধরনের স্বরধ্বনি?
  1. মিলিত স্বরধ্বনি
  2. তালব্য স্বরধ্বনি
  3. যৌগিক স্বরধ্বনি
  4. অর্ধস্বরধ্বনি
সঠিক উত্তর:
যৌগিক স্বরধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক স্বরধ্বনি
ব্যাখ্যা
যৌগিক স্বরধ্বনি:
- পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি থাকলে দ্রুত উচ্চারণের সময় তা একটি সংযুক্ত স্বরধ্বনিরুপে উচ্চারিত হয়। এরূপে একসঙ্গে উচ্চারিত দুটো মিলিত স্বরধ্বনিকে যৌগিক স্বর বা দ্বি-স্বর বলে।
- বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ২৫ টি। বাংলা ভাষার দ্বিস্বর বা যৌগিক স্বরধ্বনির প্রতীক ২ টি, যথা: ঔ, ঐ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১২.
পূর্বধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে, তাকে কী বলে?
  1. অপিনিহিতি
  2. অন্যোন্য সমীভবন
  3. পরাগত সমীভবন
  4. প্রগত সমীভবন
সঠিক উত্তর:
প্রগত সমীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রগত সমীভবন
ব্যাখ্যা
প্রগত সমীভবন:
- পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তনকে প্রগত সমীভবন বলে।

যেমন:
- চক্র > চক্ক,
- পক্ব > পক্ক।

অন্যদিকে,
পরাগত সমীভবন:
- পরবর্তী ধ্বনির প্রভাবে পূর্ববর্তী ধ্বনির পরিবর্তন কে পরাগত সমীভবন বলে।

যেমন:
- তৎ + জন্য > তজ্জন্য,
- তৎ + হিত >তদ্ধিত।

অন্যোন্য সমীভবন:
- যখন পরস্পরের প্রভাবে দুটো ধ্বনিই পরিবর্তিত হয় তখন তাকে বলে অনন্যান্য সমীভবন।

যেমন:
- সংস্কৃত সত্য > প্রাকৃত সচ্চ।
- সংস্কৃত বিদ্যা > প্রাকৃত বিজ্জা ইত্যাদি।

অপিনিহিতি:
- পরে উচ্চারিত হওয়া ‘ই/উ’ আগে উচ্চারিত হওয়াকে অপিনিহিতি বলে।

যেমন:
- চারি > চাইর,
- মারি > মাইর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১৩.
কোনটি কণ্ঠ্য বা জিহ্বামূলীয় বর্ণ?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
উচ্চারণস্থান অনুসারে বর্ণের নাম:

যেমন:
কণ্ঠ্য বা জিহ্বামূলীয় বর্ণ: অ, আ, ক, খ, গ, ঘ, ঙ,
তালব্য বর্ণ: ই, ঈ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, য, য়, শ।
ওষ্ঠ্য বর্ণ: উ, উ, প, ফ, ব, ভ, ম।
মূর্ধন্য বর্ণ: ঋ, ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, র, ড়, ঢ়, ষ।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১৪.
ড. মুহম্মদ এনামুল হক রচিত ব্যাকরণের নাম -
  1. ব্যাকরণ মঞ্জুরী
  2. ব্যাকরণ কৌমুদী
  3. গৌড়ীয় ব্যাকরণ
  4. আধুনকি বাংলা ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর:
ব্যাকরণ মঞ্জুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকরণ মঞ্জুরী
ব্যাখ্যা
• ড. মুহম্মদ এনামুল হক রচিত ব্যাকরণের নাম - ব্যাকরণ মঞ্জুরী।

অন্যদিকে,
- 'ব্যাকরণ কৌমুদী' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ।
- গৌড়ীয় ব্যাকরণের রচয়িতা হলেন রাজা রামমোহন রায়।

ড. মুহম্মদ এনামুল হক:
- মুহম্মদ এনামুল হক ছিলেন গবেষক, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য গবেষণায় তিনি অন্যতম প্রধান পন্ডিত ব্যক্তি।
- ১৯০২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বর্তমান চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার বখৎপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে এনামুল হক জন্মগ্রহণ করেন।
- এনামুল হকের সাহিত্যকর্মের বৈশিষ্ট্য হলো সত্যানুসন্ধান ও গবেষণা।
- তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের লুপ্তপ্রায় পাণ্ডুলিপির সন্ধান দেন।
- অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে চেতনা জাগরণই তাঁর সাহিত্যসাধনার মূল প্রেরণা। সাহিত্যের ইতিহাস সন্ধানের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫.
Fridays for Future আন্দোলনের সূচনা কোথায় হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. নরওয়ে
  3. কানাডা
  4. সুইডেন
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা
- Fridays for Future আন্দোলনের সূচনা হয় ২০১৮ সালে সুইডেনের স্টকহোমে, গ্রেটা থুনবার্গের স্কুল ধর্মঘটের মাধ্যমে

Fridays for future:
- ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত করেন সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ।
- তিনি মাত্র ১৫ বছর বয়সে ২০১৮ সালে স্কুলে না গিয়ে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতামূলক অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
- তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তোলে এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও এতে অনুপ্রাণিত হয়ে অংশ নেয়।
- ফলে এটি একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী আন্দোলনে রূপ নেয়।

উল্লেখ্য, 
- আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করা।
- এভাবেই ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূচনা ঘটে এবং এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্র: Fridays For Future ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো।
১৬.
IPCC কোন দুটি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে গঠিত?
  1. UNDP ও FAO
  2. UNEP ও WMO
  3. WHO ও UNHCR
  4. UNICEF ও UNESCO
সঠিক উত্তর:
UNEP ও WMO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNEP ও WMO
ব্যাখ্যা
IPCC:
- IPCC -এর পূর্ণরূপ Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এটি হলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক আন্তঃসরকারি প্যানেল,
- IPCC ১৯৮৮ সালে World Meteorological Organization (WMO) ও United Nations Environment Programme (UNEP)–এর যৌথ উদ্যোগে গঠিত হয় ।
- এটি গবেষণা করে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন, তার প্রভাব এবং সম্ভাব্য প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ সম্পর্কে এবং সরকারের জন্য নীতিনির্ধারণী সুপারিশ প্রদান করে।

উল্লেখ্য, 
- IPCC ২০০৭ সালে এটিকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয় ।

সূত্র: IPCC ওয়েবসাইট।
১৭.
নিচের কোন দেশ বিশ্বের প্রথম কার্বন ট্যাক্স চালু করে?
  1. ডেনমার্ক
  2. আইসল্যান্ড
  3. ফিনল্যান্ড
  4. নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
প্রথম কার্বন কর:
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ড প্রথম দেশ হিসেবে কার্বন কর (Carbon Tax) চালু করে।
- এই কর চালুর মূল উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশবান্ধব অনুশীলনকে উৎসাহিত করা এবং কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ কমানো।
- দূষণ রোধে এটি একটি অর্থনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে কার্বন নিঃসরণকারী জ্বালানির ওপর নির্দিষ্ট হারে কর আরোপ করা হয়।
- ফিনল্যান্ডের এই পদক্ষেপ বিশ্বজুড়ে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে এবং পরবর্তীতে সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড প্রভৃতি দেশও কার্বন কর প্রবর্তন করে।
- এই ব্যবস্থার মাধ্যমে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হয় এবং নবায়নযোগ্য শক্তির প্রতি ঝোঁক বাড়ানো হয়। 

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা।
১৮.
কোন সম্মেলনের মাধ্যমে UNEP গঠিত হয়েছিল?
  1. রিও+১০ সম্মেলন
  2. স্টকহোম সম্মেলন
  3. রিও+২০ সম্মেলন
  4. গ্লাসগো জলবায়ু সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
স্টকহোম সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টকহোম সম্মেলন
ব্যাখ্যা
UNEP:
- UNEP এর পূর্ণরূপ: United Nations Environment Programme.
- এটি বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- UNEP-এর জন্ম হয় ১৯৭২ সালের ৫ জুন, সুইডেনের স্টকহোম শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্বের প্রথম আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলন – United Nations Conference on the Environment–এর মধ্য দিয়ে।
- এই সম্মেলনেরই পরিপ্রেক্ষিতে UNEP গঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত এবং সংস্থার প্রধানের পদবী হলো “নির্বাহী পরিচালক”।
- পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতিসংঘ ১৯৭৩ সালে ৫ জুনকে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে, এটি ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে।

সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট।
১৯.
কিয়োটো প্রটোকল গৃহীত হয় কোন সম্মেলনে?
  1. COP-1
  2. COP-2
  3. COP-3
  4. COP-5
সঠিক উত্তর:
COP-3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP-3
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- কিয়োটো প্রটোকল বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- এটি ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বর মাসে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের তৃতীয় জলবায়ু সম্মেলন (COP-3) এ গৃহীত হয়।
- চুক্তিটির মূল লক্ষ্য ছিল শিল্পোন্নত দেশগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসে বাধ্য করা।
- পরবর্তীতে, ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।
- তবে কিয়োটো প্রটোকল থেকে প্রথম প্রত্যাহারকারী দেশ ছিল কানাডা।
- বাংলাদেশ এই চুক্তিতে ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর অন্তর্ভুক্ত হয় এবং ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন প্রদান করে। 

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স।
২০.
গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠিত হয় কোন জলবায়ু সম্মেলনের মাধ্যমে?
  1. COP-15
  2. COP-16
  3. COP-17
  4. COP-21
সঠিক উত্তর:
COP-16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP-16
ব্যাখ্যা
Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি তহবিল।
- ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুনে অনুষ্ঠিত COP-16 সম্মেলনে এই তহবিল প্রতিষ্ঠিত হয়। যদিও COP15 তে Green Climate Fund গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- এর সদরদপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়েনচিয়নে অবস্থিত।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহায়তার জন্য এই তহবিল গঠিত হয়েছে, এর লক্ষ্যমাত্রা বছরে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করা।

এছাড়াও, 
COP:
- জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP) হলো "Conference of the Parties"-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- ১৯৯৫ সাল থেকে জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- ২০২৫ সালের COP-30 ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ও UNFCCC ওয়েবসাইট।
২১.
Green Climate Fund (GCF) গঠিত হয় কোন সংস্থার অধীনে?
  1. UNICEF
  2. UNEP
  3. UNFCCC
  4. UNDP
সঠিক উত্তর:
UNFCCC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNFCCC
ব্যাখ্যা

Green Climate Fund: 
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) হলো জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (UNFCCC) অধীনে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক তহবিল।
- এটি ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুনে অনুষ্ঠিত COP-16 সম্মেলনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তহবিলটির প্রধান উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা, যাতে তারা অভিযোজন ও প্রশমনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
- এই তহবিলের সদর দপ্তর অবস্থিত দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়েনচিয়ন শহরে। 

সূত্র: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ও UNFCCC ওয়েবসাইট।

২২.
WWF এর পূর্ণরূপ কী?
  1. World Water Foundation
  2. World Weather Forum
  3. World Wildlife Fund
  4. Wildlife Welfare Federation
সঠিক উত্তর:
World Wildlife Fund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
World Wildlife Fund
ব্যাখ্যা
WWF:
- WWF এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Fund for Nature.
- এটি প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কাজ করে।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত।

উল্লেখ্য, 
- WWF ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং শুরুতে এর নাম ছিলো World Wildlife Fund.
- ১৯৮৫ সালে এর নাম পরিবর্তন করে World Wide Fund for Nature রাখা হয়।
 
সূত্র: WWF ওয়েবসাইট।
২৩.
মন্ট্রিল প্রোটোকলের মূল লক্ষ্য কোনটি?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  2. গ্রিনহাউস গ্যাস কমানো
  3. ওজোন স্তর সংরক্ষণ
  4. মিঠা পানির উৎস রক্ষা
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি, 
- এটি পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ওজোন স্তরের ক্ষয় রোধের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- এটি ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয় এবং ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- চুক্তিটির মূল লক্ষ্য ছিল ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ, বিশেষ করে CFCs (Chlorofluorocarbons), ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা এবং ধাপে ধাপে তা বন্ধ করা।
- এটি বৈশ্বিকভাবে ওজোন স্তর রক্ষায় অন্যতম সফল পরিবেশবাদী উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত।
- পরবর্তীতে, ২০১৯ সালে এই প্রটোকলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী “The Kigali Amendment” কার্যকর হয়। 

সূত্র: UNEP website & Britannica.com
২৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. সিলেট
  2. চট্টগ্রাম
  3. ঢাকা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।
- সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন)।
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৭,০৮,৫৭০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন)।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে - ঢাকা বিভাগ।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে - ময়মনসিংহ বিভাগ।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
২৫.
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র নিচের কোনটি?
  1. অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী
  2. শ্যামল ছায়া
  3. জয়যাত্রা
  4. ওরা এগারো জন
সঠিক উত্তর:
ওরা এগারো জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরা এগারো জন
ব্যাখ্যা
ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা এগারো জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।
২৬.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে কত সালে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১।
২৭.
বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
- বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।
- উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।
২৮.
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর বর্তমান চেয়ারম্যান কে? (জুন, ২০২৫)
  1. ফজলুল হক
  2. মাহফুজ আলম
  3. আনোয়ার আলদীন
  4. আরেফিন সিদ্দিক
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার আলদীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার আলদীন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর বর্তমান চেয়ারম্যান সাংবাদিক আনোয়ার আলদীন।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- এটি বাংলাদেশের প্রধান ও জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- বাসস ১ জানুয়ারী, ১৯৭২ সালে চালু হয়েছিল।
- অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অফ পাকিস্তান (এপিপি) এর ঢাকা ব্যুরো নতুন দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থায় পরিণত হয়েছিল।
- ঢাকায় এর প্রধান কার্যালয়।
- বাসস-এর এখন চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, খুলনা, বরিশাল, রাঙ্গামাটি এবং সিলেটেও ব্যুরো রয়েছে।
- দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় জাতীয় সংবাদ সংস্থার সংবাদদাতা রয়েছে।
- বাংলাদেশে বাংলা সংবাদপত্রের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ১৯৯৯ সালে বাসস বাংলা সংবাদ পরিষেবা চালু করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা ওয়েবসাইট।