পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
Exam - 14 The Evidence Act, 1872: Test-1 Topic ➝Section 1-55 • Preliminary • The relevancy of facts • Admissions • Statements by persons who cannot be called as witnesses • Statements made under special circumstances • How much of a statement is to be proved • Judgments of courts of justice when relevant • Opinions of third persons when relevant • Character when relevant
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৩ প্রশ্ন

.
সাক্ষ্য আইন কোন সালের কত নম্বর আইন?
  1. ১৮৭২ সালের ৫নং আইন
  2. ১৯৭২ সালের ১নং আইন
  3. ১৮৭২ সালের ১নং আইন
  4. ১৮৭৩ সালের ৫নং আইন
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৫০ সালে সর্ব প্রথম স্যার হেনরি সামার মেইন সাক্ষ্য আইনের খসড়া বিল তৈরি করলেও তা ভারতে ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। পরবর্তীতে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেনকে (Fitz-James Stephen) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতের দায়িত্ব দেয় এবং স্যার জেমস স্টিফেন ১৮৭১ সালে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করেন। সুতরাং সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতকারী হলো স্যার জেমস স্টিফেন।

 ⇒ স্যার জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালের ১নং আইন। The Evidence Act, 1872 ( ACT NO. I OF 1872 )

⇒ ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনটি ১১টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ১৬৭টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনে ৩টি ভাগ (Part) রয়েছে।
.
The Evidence Act, 1872 প্রণয়ন করেন-
  1. James Stephen
  2. James Stuart
  3. James Steven
  4. James Spenser
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৭২ সালের আগে উপমহাদেশে পূর্ণাঙ্গ সাক্ষ্য আইন ছিল না। ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেন সাক্ষ্য আইন প্রণয়ন করার আগে ১৮৬৮ সালে স্যার হেনরি সামারও একটি খসড়া প্রণয়ন করেছিলেন তা সহায়ক ছিল না বলে বর্জন করা হয়।

⇒ বর্তমান সাক্ষ্য আইন (১৮৭২ সালের ১ নং আইন) পাশ হয় ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ। কার্যকর হয় একই বছরের পহেলা সেপ্টেম্বর।

⇒ স্যার জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়।


⇒ সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালের ১নং আইন। The Evidence Act, 1872 ( ACT NO. I OF 1872 )

⇒ ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনটি ১১টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ১৬৭টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনে ৩টি ভাগ (Part) রয়েছে।
⇒ ১৮৫০ সালে সর্ব প্রথম স্যার হেনরি সামার মেইন সাক্ষ্য আইনের খসড়া বিল তৈরি করলেও তা ভারতে ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। পরবর্তীতে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেনকে (Fitz-James Stephen) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতের দায়িত্ব দেয় এবং স্যার জেমস স্টিফেন ১৮৭১ সালে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করেন। সুতরাং সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতকারী হলো স্যার জেমস স্টিফেন।
.
Under the Evidence Act, "Fact" means and includes-
  1. any mental condition of which any person is conscious.
  2. anything capable of being perceived by the senses;
  3. A & B
  4. None of the above.
ব্যাখ্যা
⇒ "Fact" means and includes-

(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;

(2) any mental condition of which any person is conscious.

⇒ ঘটনা (Fact): 'ঘটনা' এর অর্থ -

১। কোন কিছু, কোন কিছুর অবস্থা বা কোন কিছুর সম্পর্ক, যা ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভবযোগ্য।

২। কোন মানসিক অবস্থা, যে সম্পর্কে কোন ব্যক্তি সচেতন।
.
১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত কোন আইনের অধীন গঠিত সামরিক আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না?
  1. The Army Act, 1962.
  2. The Naval Discipline Ordinance, 1961.
  3. The Air Force Act, 1953.
  4. All of the above.
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন যে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না:

⇒ সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army (সেনাবাহিনী) Act, 1962 অথবা The Naval Discipline (নৌ-শৃঙ্খলা) Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act (বিমান বাহিনী আইন), 1953 এর ক্ষেত্রে;

ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;

iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে;

iv) তদন্ত বা অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে; এবং

ⅳ) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য নয়।

---------------------------
⇒ Extent
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the [Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953] but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator;
.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী নিম্নের কোন ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাবে?
  1. প্রাসঙ্গিক ঘটনা
  2. বিচার্য ঘটনা
  3. সম্ভাব্য ঘটনা
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে:

⇒ কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।

⇒ ব্যাখ্যাঃ দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যাক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যাক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।

--------------
⇒ Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:

Section 5. Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others. 
 
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
.
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারার বিধানকে কি বলে ধরা হয়?
  1. May Presume
  2. Shall Presume
  3. Conclusive proof
  4. কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ সংক্রান্ত কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা-

ⅰ) ৪১ ধারায় প্রবেট (উইল সংক্রান্ত), ম্যাট্রিমোনিয়াল (বিবাহ সংক্রান্ত), এডমিরালটি (নৌ-সংক্রান্ত), bankruptcy (দেউলিয়া) বিষয়ে চূড়ান্তভাবে কোন আইনগত চরিত্র কারো ওপর আরোপ করা হয় বা কারো নিকট থেকে নিয়ে ফেলা হয় বা কাউকে কোন আইনগত চরিত্রের বা সম্পত্তির অধিকারী বলে ঘোষণা করা হয়।

ii) এই ধারায় Judgement in rem নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে কেননা এই ধারার অন্তর্গত প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ বিষয়ে যে আইনগত চরিত্র নির্ধারন করা হয় যা কোন বিশেষ ব্যক্তির বিরুদ্ধে কার্যকর নয় বরং বিশ্বের সকলের বিরুদ্ধে কার্যকর।

iii) এই ধারার অন্তর্ভুক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত সমূহকে চূড়ান্ত প্রমাণ (conclusive proof) বলে ধরা হয়।

iv) ৪১ ধারা অনুযায়ী Probate, Matrimonial, Admiralty, Insolvency সম্পর্কে যে ডিক্রি বা আদেশ দেওয়া হয় তা পরবর্তী মামলায় পক্ষ এক না থাকলেও অবশ্যই প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারা- প্রবেট, এখতিয়ার ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা: প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ ও দেউলিয়াত্ব বিষয়ক এখতিয়ার প্রয়োগকালে কোন উপযুক্ত আদালত উহার চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি বলে যখন কোন আইনগত চরিত্র কাহারও উপর আরোপ করে বা কাহাকেও উহা হইতে বঞ্চিত করে, অথবা কোন ব্যাক্তিকে অনুরূপচরিত্রের অধিকারী অথবা নিদিষ্ট কোন কিছুর অধিকারী বলিয়া ঘোষণা করে এবং সেই অধিকার কোন ব্যাক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে নহে, বরং সবাত্মাক বলিয়া ঘোষণা করে তখন অনুরূপকোন আইনগত চরিত্র বা অনুরূপকোন কিছুর উপর কোন ব্যাক্তির অধিকারের অস্তিত্ব যদি প্রাসঙ্গিক হয়, তবে উহা চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি প্রাসঙ্গিক।

উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি চূড়ান্তরুপে প্রমাণ করে যে, উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যে আইনগত চরিত্র আরোপিত হয়, উহা বলবৎ হইবার সময় তাহা উদ্ভুত হইয়াছিল।

উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যাক্তিকে আইন ভিত্তিক সত্তা হইতে বঞ্চিত করা হয়, তাহা হইতে উক্ত ব্যক্তিকে উহা দ্বারা বঞ্চিত করিবার সময় উক্ত ব্যক্তি উক্ত সত্তা হারাইয়াছিল।

এবং উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তির অধিকারী ছিল বা থাকা উচিত বলিয়া ঘোষণা করা হয়, সেই সম্পত্তির উক্ত সময় তাহারই সম্পত্তি ছিল।
---------------- 
⇒ Section 41. Relevancy of certain judgments in probate, etc., jurisdiction
 A final judgment, order or decree of a competent Court, in the exercise of probate, matrimonial, admiralty or insolvency jurisdiction, which confers upon or takes away from any person any legal character, or which declares any person to be entitled to any such character, or to be entitled to any specific thing, not as against any specified person but absolutely, is relevant when the existence of any such legal character, or the title of any such person to any such thing, is relevant. 
 
Such judgment, order or decree is conclusive proof- 
that any legal character which it confers accrued at the time when such judgment, order or decree come into operation; 
 
that any legal character, to which it declares any such person to be entitled, accrued to that person at the time when such judgment, order or decree declares it to have accrued to that person; 
 
that any legal character which it takes away from any such person ceased at the time from which such judgment, order or decree declared that it had ceased or should cease; 
 
and that anything to which it declares any person to be so entitled was the property of that person at the time from which such judgment, order or decree declares that it had been or should be his property.
.
যখন কোন ঘটনা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত নয়, তখন তাকে কি বলে?
  1. প্রমাণিত
  2. অপ্রমাণিত
  3. সত্য প্রমাণিত
  4. মিথ্যা প্রমাণিত
ব্যাখ্যা
⇒ প্রমাণিত (proved): কোন ঘটনা তখনই প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘাটনাটির অস্তিত্ব আছে বলে হয় বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্ব এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন। 

⇒ মিথ্যা প্রমানিত (disproved): কোন ঘটনা তখনই মিথ্যা প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘটনাটির অস্তিত্ব নেই বলে বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্বহীনতা এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব নেই বলে অনুমান করতে পারেন।

⇒ অপ্রমাণিত (not to be proved): কোন ঘটনা তখনই অপ্রমাণিত বলা হয় যখন তা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত কোনটিই হয় না। (A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved).

----------------
⇒ A fact is said to be proved when, after considering the matters before it, the Court either believes it to exist, or considers its existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it exists.

⇒ A fact is said to be disproved when, after considering the matters before it, the Court either believes that it does not exist, or considers its non-existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it does not exist.

⇒ A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved.
.
নিম্নলিখিত কোনটি বিচার বহিভূর্ত দোষ স্বীকারোক্তি [Extra-judicial Confession]?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
  2. আদালতের নিকট দোষ স্বীকার
  3. ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ফৌজদারী মামলার আসামী তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে বলা হয় স্বীকারোক্তি। ইংরেজিতে এটাকে Confession বলা হয়। সাক্ষ্য আইনে স্বীকারোক্তির কোন সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে ২৪, ২৫ ও ২৬ ধারায় তার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ স্বীকারোক্তি কত প্রকার: কার কাছে স্বীকারোক্তি দেওয়া হচ্ছে সেদিক বিবেচনা করলে-ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে judicial Confession এবং ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কাউকে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে Extra-judicial Confession বলা হয়।


⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-

i) Inculpatory Confessional Statement; ও

ii) Ex-culpatory Confessional Statement.

⇒ আসামি নিজেকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Inculpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ আর আসামী নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বীকারোক্তিকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়, যথা-

i) বিচারিক (Judicial) স্বীকারোক্তি;

ii) বিচার বহির্ভূত (Extra-judicial) স্বীকারোক্তি; ও

iii) প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।

⇒ আসামী তার দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি যদি কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রদান করে, তবে তাকে বলা হয় বিচারিক স্বীকারোক্তি।

⇒ আর তা যদি অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রদান করা হয়, তবে তাকে বলা হয় বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি।

⇒ এছাড়া দেখা যায়, আসামী প্রথমে বিচারিক বা বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি করার পর পরবর্তীতে তার ঐ পূর্বের স্বীকারোক্তি আদালতে অস্বীকার করছে। এটাকে বলা হয় প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।
.
'Opinion as to digital signature where relevant'- এটি কোন ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান: ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
⇒ ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত প্রয়োজন হলে উক্ত স্বাক্ষরের সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে।

-----------
⇒ Opinion as to digital signature where relevant
Section 47A.  When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
১০.
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান-
  1. Character as affecting damages.
  2. Previous bad character not relevant, except in reply.
  3. In criminal cases, previous good character relevant.
  4. Grounds of opinion, when relevant.
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান: ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে (Character as affecting damages)- সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারামতে দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ Character as affecting damages:
Section 55. In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant. 
 
Explanation.– In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.
১১.
জনসংশ্লিষ্ট প্রকৃতির [Public Nature] বিষয়ে আদালতের রায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৪৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায় জনসংশ্লিষ্ট প্রকৃতির [Public Nature] বিষয়ে আদালতের রায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো রায়ের পক্ষ নয় এমন কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে উক্ত রায় বাধ্যকর হবেনা। কিন্তু এই নিয়মের প্রথম ব্যতিক্রম ৪১ ধারায় এবং দ্বিতীয় ব্যতিক্রম সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, একই পক্ষ হোক বা না হোক, জনসংশ্লিষ্ট প্রকৃতির বিষয় যেমন প্রথা, প্রেসক্রিপশন (অনুমতি সাপেক্ষে ব্যবহার অধিকার) ইত্যাদি বিষয়ে আদালতের রায় প্রাসঙ্গিক।

⇒ উদাহরণ
'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে তার জমিতে অনধিকার প্রবেশের কারণে মামলা করে। 'খ' উক্ত জমিতে সাধারণ জনগণের চলাচলের অধিকার আছে বলে দাবী করে। 'ক' এই দাবী অস্বীকার করে। 'ক' এবং 'গ' এর মধ্যে উক্ত জমি নিয়ে পূর্বের কোন এক মামলায় আদালত উক্ত জমিতে সাধারণের চলাচলের অধিকার আছে বলে ডিক্রি প্রদান করেছিল। আদালতের এই ডিক্রি বর্তমানে 'ক' এবং 'খ' এর মধ্যেকার মামলায় প্রাসঙ্গিক হবে। কিন্তু এটা চলাচলের অধিকার যে আছে তার চূড়ান্ত প্রমাণ না।

----------------
⇒ Relevancy and effect of judgments, orders or decrees, other than those mentioned in section 41:
Section 42. Judgments, orders or decrees other than those mentioned in section 41 are relevant if they relate to matters of a public nature relevant to the inquiry; but such judgments, orders or decrees are not conclusive proof of that which they state.
১২.
স্বীকৃতি [Admission] চূড়ান্ত প্রমাণ নয় কিন্তু প্রমাণের প্রতিবন্ধক [Estoppel] তৈরী করতে পারে। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।

---------------
⇒ Section-31. Admissions not conclusive proof, but may stop: Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
১৩.
বিবাহ অথবা জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩৬ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারার বিধান: কর্তব্য সম্পাদন প্রসঙ্গে সরকারী দলিলে বা ডিজিটাল রেকর্ডে লিপিবদ্ধ বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা (Relevancy of entry in public record or digital record, made in performance of duty)- সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারা অনুযায়ী কোন সরকারী বা অন্য অফিসের কোন খাতায়, রেজিস্টারে বা নথিতে যদি কোন বিচার্য ঘটনা বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ থাকে এবং কোন সরকারী কর্মচারী যদি তার চাকরির কর্তব্য পালনকালে তা লিখে থাকে অথবা অপর কোন ব্যক্তি যদি যে দেশে উক্ত খাতা, রেজিষ্টার বা নথি রাখা হয়েছে সেখানকার আইনের বিধান অনুসারে তার উপর আরোপিত কর্তব্য পালন প্রসঙ্গে তা লিখে থাকে তবে উক্ত লেখাই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা। 

⇒ যেমন- সরকারী বই, এজাহার বা এফ, আই, আর বিবরণ, বিবাহ, জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড, বিদ্যালয়ের খাতা, নথি ও প্রমাণপত্র, মিউটেশন, বেতার বার্তা প্রভৃতি সরকারী দলিলের বিষয় ৩৫ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক।

----------------
⇒ Relevancy of entry in public record or digital record, made in performance of duty.
Section 35. An entry in any public or other official book, register or record ,or digital record, stating a fact in issue or relevant fact, and made by a public servant in the discharge of his official duty, or by any other person in performance of a duty specially enjoined by the law of the country in which such book, register , record or digital record is kept, is itself a relevant fact.
১৪.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে কোন অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব (existence of right or custom) সম্পর্কে জ্ঞাত ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৪৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার বিধান: অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে মতামত যখন প্রাসঙ্গিক (Opinion as to existence of right or custom, when relevant): প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব প্রমাণের ক্ষেত্রে ঐ এলাকার যেসকল লোকের ঐ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব জানা সম্ভব তাদেরকে বিশেষজ্ঞ হিসেবে ধরে নেয়া হয়েছে এবং তাদের মতামতকে প্রাসঙ্গিক ঘোষণা করা হয়েছে।
---------------------
⇒ Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
Section 48. When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant. 

⇒ Explanation.–The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons. 
 
Illustration 
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
১৫.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অনুমান (Presumption) এর বিধান আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার বিধান অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে যোষণ করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:

১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত। (ধারা: ৮৬-৮৮, ৯০ এবং ১১৪)

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত (ধারা: ৭৯-৮৫, ৮৯ এবং ১০৫)

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না। (ধারা: ৪১ ও ১১২)

⇒ May Presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করতে পারেন অথবা পক্ষগণকে প্রমাণ করার আহবান জানাতে পারেন।

⇒ Shall presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা অবশ্যই প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) বলে ঘোষনা করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলেই অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং প্রথমোক্ত বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের অনুমতি দিবেন না।
১৬.
স্বীকৃতি (Admission) কি হিসাবে ব্যবহার করা যায়?
  1. চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof)
  2. সাক্ষ্য (Evidence)
  3. প্রতিবন্ধকতা বা বাধা (Estoppel)
  4. কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।

---------------
⇒ Section-31. Admissions not conclusive proof, but may stop: Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
১৭.
সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারার বিধান হলো-
  1. Opinion on relationship, when relevant
  2. Grounds of opinion, when relevant
  3. Opinion as to digital signature where relevant
  4. Opinion of Experts
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারার বিধান: মতামতের কারণ কখন প্রাসঙ্গিক (Grounds of opinion, when relevant)- কখন মতামতের কারণ প্রাসঙ্গিক হতে পারে, সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

⇒  ৫১ ধারা অনুযায়ী কোন জীবিত ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক হলে, তার অভিমত যে সকল ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত সেগুলো অর্থাৎ মতামতের কারণও প্রাসঙ্গিক হয়।

যেমন- কোন বিশেষজ্ঞ কোন অভিমতে উপনীত হবার জন্য তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিবরণ দিতে পারে।

----------
⇒ Grounds of opinion, when relevant:
Section 51. Whenever the opinion of any living person is relevant the grounds on which such opinion is based are also relevant. 
 
⇒ Illustration 
An expert may give an account of experiments performed by him for the purpose of forming his opinion.
১৮.
বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ্য, কারণ বা পরিণাম সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারার বিধান: বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ্য, কারণ বা পরিণাম (Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue)-
⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয়ের উপলক্ষ্য (occasion), কারণ (cause) বা পরিণাম (effect); সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। এছাড়া যে অবস্থার প্রেক্ষাপটে কোন বিষয় ঘটেছে সেই অবস্থা গঠন করে এমন বিষয় বা কোন কার্য ঘটতে যে বিষয় সুযোগ করে দিয়েছে, সেই সকল বিষয়ও সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক।

যেমন- রহিম করিমকে খুন করার জন্য অভিযুক্ত। ঘটনাস্থলে ধস্তাধস্তির চিহ্ন প্রাসঙ্গিক ঘটনা। কারণ তা বিবেচ্য ঘটনার ফল বুঝাচ্ছে।

-----------------
⇒ Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue:
Section 7. Facts which are the occasions, cause or effect, immediate or otherwise, of relevant facts, or facts in issue, or which constitute the state of things under which they happened, or which afforded an opportunity for their occurrence or transaction, are relevant.
১৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় 'শনাক্তকরণ প্যারেড' নীতি আলোচনা করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
২০.
স্বীকৃতি বিষয়ে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ১৯ থেকে ২১ ধারায়
  2. ১৭ থেকে ২০ ধারায়
  3. ২৪ থেকে ২৫ ধারায়
  4. ২২ থেকে ৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ স্বীকৃতির সংজ্ঞা (Defintion of Admission)- সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় স্বীকৃতির সংজ্ঞা রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারামতে মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি যা মামলার বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্তের সূচনা করে, তাকে স্বীকৃতি বা admission বলে।

সাক্ষ্য আইনের ১৭ থেকে ৩১ ধারা এবং দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধান রয়েছে।

-----------
⇒ Admission defined:
Section 17. An admission is a statement, oral or documentary or contained in digital record, which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact, and which is made by any of the persons, and under the circumstances, hereinafter mentioned.
২১.
কোন দেশের আইন সম্পর্কে যখন আদালতকে কোন অভিমতে উপনীত হতে হয় তখন নিচের কোনটি প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. সরকারের কর্তৃত্বে প্রকাশিত আইন সম্বলিত কোন পুস্তক
  2. কোন পুস্তকে প্রকাশিত আদালতসমূহের সিদ্ধান্তের রিপোর্ট
  3. ক ও খ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী কোন দেশের কোন আইন সম্পর্কে যখন আদালতকে কোন অভিমতে উপনীত হতে হয়, তখন উক্ত আইন সম্পর্কে ঐ দেশের সরকারের কর্তৃত্বে মুদ্রিত ও প্রকাশিত উক্ত আইন সম্বলিত কোন পুস্তকে এবং ঐ দেশের আদালতসমূহের সিদ্ধান্তের রিপোর্ট বলে কথিত কোন পুস্তকে প্রকাশিত কোন সিদ্ধান্তের রিপোর্ট প্রাসঙ্গিক হবে।

---------------------
⇒ Relevancy of statements as to any law contained in law-books:
Section 38. When the Court has to form an opinion as to a law of any country, any statement of such law contained in a book purporting to be printed or published under the authority of the Government of such country and to contain any such law, and any report of a ruling of the Courts of such country contained in a book purporting to be a report of such rulings, is relevant.
২২.
"Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, _____________ , legally authorized to take evidence.
  1. except Village Court members
  2. except Arbitrators
  3. except Court Martial Judges
  4. None of them
ব্যাখ্যা
⇒ আদালত (Court): বলতে সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সালিশ ব্যতীত  সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল ব্যক্তিকে অন্তর্ভূক্ত করবে।

⇒ Interpretation-clause:


⇒ Section 3. In this Act the following words and expressions are used in the following senses, unless a contrary intention appears from the context:-

⇒ "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally authorized to take evidence.

⇒ "Fact" means and includes-

(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;
(2) any mental condition of which any person is conscious.
২৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান অনুযায়ী দুজন ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য তৃতীয় একজন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৫০ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫০ ধারার বিধান: আত্মীয়তা সম্পর্কে মতামত যখন প্রাসঙ্গিক (Opinion on relationship, when relevant) : যখন এক ব্যক্তির সাথে অপর এক ব্যক্তির সম্পর্কের ব্যাপারে আদালতকে অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন পরিবারের সদস্য হিসাবে অথবা অন্যভাবে এই ব্যাপারে যার জ্ঞানলাভের বিশেষ সুযোগ আছে উক্ত সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কে তার আচরণের মাধ্যমে যে মতামত ব্যক্ত হয়, তা প্রাসঙ্গিক বিষয়।
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির সাথে অন্য কোন ব্যক্তির আত্মীয়তার সম্পর্কের ব্যাপারে বিশেষ জ্ঞান আছে এমন কোন তৃতীয় ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, তালাক আইনের কোন মামলায় বিবাহ প্রমাণ করার জন্য অথবা দণ্ডবিধির ৪৯৪, ৪৯৫,৪৯৭ বা ৪৯৮ ধারার কোন ফৌজদারি মামলায় এরূপ অভিমত যথেষ্ট বিবেচিত হবে না।

----------
⇒  Opinion on relationship, when relevant:
Section 50. When the Court has to form an opinion as to the relationship of one person to another the opinion, expressed by conduct, as to the existence of such relationship, of any person who, as a member of the family or otherwise, has special means of knowledge on the subject, is a relevant fact: 
 
Provided that such opinion shall not be sufficient to prove a marriage in proceedings under the Divorce Act, or in prosecutions under section 494, 495, 497 or 498 of the Penal Code.
২৪.
'ক' কোন একটি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে। অপরাধটি সংঘটিত হওয়ার অব্যবহিত পর 'ক' তার গৃহ থেকে ফেরারী হল। এটি কোন ধারা অনুযায়ী বিচার্য বিষয়ের পরবর্তী আচরণ ও বিচার্য ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার বিধান: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (Motive, preparation and previous subsequent conduct): কোন ঘটনা সংঘটনের উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক ব্যা বিবেচিত হবে। কারণ ঘটনা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অভিযুক্তের আচরণ ঘটনা প্রমাণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।

⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।

⇒ এই প্রশ্নের ঘটনাটি ৮ ধারা অনুযায়ী বিচার্য বিষয়ের পরবর্তী আচরণ ও বিচার্য ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত।

----------------
⇒ Motive, preparation and previous or subsequent conduct:
Section 8. Any fact is relevant which shows or constitutes a motive or preparation for any fact in issue or relevant fact. 
 
The conduct of any party, or of any agent to any party, to any suit or proceeding, in reference to such suit or proceeding, or in reference to any fact in issue therein or relevant thereto, and the conduct of any person an offence against whom is the subject of any proceeding, is relevant, if such conduct influences or is influenced by any fact, in issue or relevant fact, and whether it was previous subsequent thereto.
২৫.
মৃত্যুর কারন সংবলিত মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক হবে তা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায়?
  1. ৩২(২) ধারায়
  2. ৩১(২) ধারায়
  3. ৩১(৩) ধারায়
  4. ৩২(১) ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying delaration);

ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);

iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);

iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);

v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);

vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);

vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা

viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).

-------------------------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা: যে ব্যক্তি মৃত অথবা যাকে খুঁজে পাওয়া যায় না অথবা যে সাক্ষ্য দেওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়েছে অথবা যাকে হাজির করা এরূপ সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ যে, সংশ্লিষ্ট মামলার অবস্থা বিবেচনায় আদালতের মতে তা অযৌক্তিক; সেইরূপ ব্যক্তির প্রাসঙ্গিক বিষয়ে লিখিত বা মৌখিক বিবৃতি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে নিজেরাই প্রাসঙ্গিক বিষয়:

(১) যখন এটি মৃত্যুর কারণের সাথে সংশ্লিষ্ট (When it relates to cause of death): যখন মামলায় কোন মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রশ্ন উঠে, তখন সেই মামলায় ঐ ব্যক্তি কর্তৃক তার মৃত্যু সম্পর্কে অথবা যে পরিস্থিতিতে তার মৃত্যু ঘটেছে তার কোন একটি সম্পর্কে দেওয়া বিবৃতি; এরূপ বিবৃতি দেওয়ার সময় ঐ ব্যক্তি মৃত্যুর আশঙ্কা করুক বা না করুক এবং যে কার্যক্রমে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রশ্ন উঠে তার প্রকৃতি যাই হোক না কেন উক্ত বিবৃতি প্রাসঙ্গিক।

(২) সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনার সময় প্রদত্ত (Made in course of business) : যখন বিবৃতিটি ঐ ব্যক্তি কর্তৃক কাজের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় (in the ordinary course of business) দেয়া হয়, এবং বিশেষভাবে যখন তা কাজের স্বাভাবিক রীতিতে, বা পেশাগত দায়িত্ব পালনে রক্ষিত বইয়ে ঐ ব্যক্তি কর্তৃক প্রস্তুত কোনো লিখন (entry) বা স্মারকের (memorandum) অন্তর্ভূক্ত হয়; অথবা যখন তা অর্থ, মালামাল, জামানত বা যে কোনো সম্পত্তি গ্রহণের প্রক্রিয়ায় ঐ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত বা স্বাক্ষরিত স্বীকারোক্তি (acknowledgment) হয়; অথবা যখন তা ঐ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত বা স্বাক্ষরিত কোন ব্যবসায়িক ব্যবহৃত দলিলে লেখা হয়; অথবা তা সাধারণভাবে ঐ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত, স্বাক্ষরিত বা তারিখ প্রদত্ত চিঠি বা অন্য দলিলের তারিখ প্রসঙ্গে লেখা হয়।
২৬.
ব্যবসাকালীন সময়ে কোন মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৩২(২) ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩২(৩) ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩২(৭) ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying delaration);

ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);

iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);

iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);

v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);

vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);

vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা

viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).

-------------------
⇒  Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
Section 32. Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–

⇒ When it relates to cause of death;
(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question. 
 
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.

⇒ or is made in course of business;
(2) When the statement was made by such person in the ordinary course of business, and in particular when it consists of any entry or memorandum made by him in books kept in the ordinary course of business, or in the discharge of professional duty; or of an acknowledge-ment written or signed by him of the receipt of money, goods, securities or property of any kind; or of a document used in commerce written or signed by him; or of the date of a letter or other document usually dated, written or signed by him.

⇒ or against interest of maker;
(3) When the statement is against the pecuniary or proprietary interest of the person making it, or when, if true, it would expose him or would have exposed him to a criminal prosecution or to a suit for damages.

⇒ or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
(4) When the statement gives the opinion of any such person as to the existence of any public right or custom or matter of public or general interest, of the existence of which, if it existed, he would have been likely to be aware, and when such statement was made before any controversy as to such right, custom or matter has arisen.

⇒ or relates to existence of relationship;
(5) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between person as to whose relationship by blood, marriage or adoption the person making the statement had special means of knowledge, and when the statement was made before the question in dispute was raised.

⇒ or is made in will or deed relating to family affairs;
(6) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between persons deceased, and is made in any will or deed relating to the affairs of the family to which any such deceased person belonged, or in any family pedigree or upon any tombstone, family portrait or other thing on which such statements are usually made, and when such statement was made before the question in dispute was raised.

⇒ or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
(7) When the statement is contained in any deed, will or other document which relates to any such transaction as is mentioned in section 13, clause(a).

⇒ or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
(8) When the statement was made by a number of persons, and expressed feelings or impressions on their part relevant to the matter in question.
২৭.
পুলিশের নিকট আসামীর স্বীকারোক্তি কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য হিসাবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে
  2. নিরপেক্ষ স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে
  3. স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার
  4. স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলক হলে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার বিধান:  আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে: পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে পুলিশকে দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোন আলামত উদ্ধার করে, যতটুকু আলামত উদ্ধার হবে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক এবং প্রমাণযোগ্য হবে।

⇒ ২৫ ও ২৬ ধারার ব্যতিক্রম বলা আছে ২৭ ধারায়।
২৮.
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় কোনটি সম্পর্কে বলা আছে?
  1. Criminal Conspiracy
  2. Common Intention
  3. A & B
  4. none of them
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিধান: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ (Things said or done by conspirator in reference to common design): দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।

----------------------
Things said or done by conspirator in reference to common design:
Section 10. Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
২৯.
যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি এইরুপ দাবী উত্থাপন করে যে অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থল হইতে এত দূরে অবস্থান করিয়াছিল যে তাহার পক্ষে এই অপরাধে অংশগ্রহণ সম্ভব নয়, এইরুপ আর্জিকে কি বলা হয়?
  1. Plea of immunity
  2. Plea of Credibility
  3. Plea of Alibi
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে। নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয় ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৩০.
বিশেষজ্ঞদের মতামত আদালতের উপর-
  1. বিবেচনামূলক
  2. নির্দেশনামূলক
  3. উপদেশমূলক
  4. বাধ্যকর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত:-
যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒  Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

-------------------
Opinion of Experts:
Section 45.
 When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts.

Such persons are called experts.
৩১.
নিচের কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. সালিশী আদালতে
  2. স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে
  3. আপীল বিভাগীয় বিচারে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন যে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না:

⇒ সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army (সেনাবাহিনী) Act, 1962 অথবা The Naval Discipline (নৌ-শৃঙ্খলা) Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act (বিমান বাহিনী আইন), 1953 এর ক্ষেত্রে;

ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;

iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে;

iv) তদন্ত বা অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে; এবং

ⅳ) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য নয়।

---------------------------
⇒ Extent
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the [Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953] but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator;
৩২.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি কয়টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৮ টি
  4. ৬ টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying delaration);

ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);

iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);

iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);

v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);

vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);

vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা

viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).

-------------------
⇒  Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
Section 32. Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–

⇒ When it relates to cause of death;
(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question. 
 
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.

⇒ or is made in course of business;
(2) When the statement was made by such person in the ordinary course of business, and in particular when it consists of any entry or memorandum made by him in books kept in the ordinary course of business, or in the discharge of professional duty; or of an acknowledge-ment written or signed by him of the receipt of money, goods, securities or property of any kind; or of a document used in commerce written or signed by him; or of the date of a letter or other document usually dated, written or signed by him.

⇒ or against interest of maker;
(3) When the statement is against the pecuniary or proprietary interest of the person making it, or when, if true, it would expose him or would have exposed him to a criminal prosecution or to a suit for damages.

⇒ or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
(4) When the statement gives the opinion of any such person as to the existence of any public right or custom or matter of public or general interest, of the existence of which, if it existed, he would have been likely to be aware, and when such statement was made before any controversy as to such right, custom or matter has arisen.

⇒ or relates to existence of relationship;
(5) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between person as to whose relationship by blood, marriage or adoption the person making the statement had special means of knowledge, and when the statement was made before the question in dispute was raised.

⇒ or is made in will or deed relating to family affairs;
(6) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between persons deceased, and is made in any will or deed relating to the affairs of the family to which any such deceased person belonged, or in any family pedigree or upon any tombstone, family portrait or other thing on which such statements are usually made, and when such statement was made before the question in dispute was raised.

⇒ or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
(7) When the statement is contained in any deed, will or other document which relates to any such transaction as is mentioned in section 13, clause(a).

⇒ or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
(8) When the statement was made by a number of persons, and expressed feelings or impressions on their part relevant to the matter in question.
৩৩.
'উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিচারের বিষয়ীভূত না হওয়া পর্যন্ত ডিজিটাল রেকর্ডের বিবৃতি বিষয়ে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক না' The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৮ক ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ২২ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩২খ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক [When oral admissions as to contents of digital records are relevant]:

⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। ২২ক ধারায় বলা হয়েছে, উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিচারের বিষয়ীভূত না হওয়া পর্যন্ত ডিজিটাল রেকর্ডের বিবৃতি বিষয়ে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক না [Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].
৩৪.
যে সকল ঘটনা অন্য কোন ভাবে প্রাসঙ্গিক না সেইগুলি কখন প্রাসঙ্গিক হবে-
  1. যদি সেটা বিচার্য বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ন হয়
  2. যদি সেটা ন্যায় বিচারের জন্য প্রয়োজন হয়
  3. যদি সেটা প্রয়োজন হয়
  4. মূল ঘটনার ব্যাখ্যা জন্য প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারার বিধান: যে সকল ঘটনা অন্য কোনভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলি যখন প্রাসঙ্গিক হয়: যে সকল বিষয় অন্য কোন ভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, নিম্নবর্ণিত ভাবে সেগুলি প্রাসঙ্গিক-

(১) যদি সেগুলি কোন বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয়।

(২) যদি সেগুলি স্বয়ং অথবা অন্যকোন বিষয়ের সাথে যুক্ত হয়ে কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তোলে।


--------------
⇒  When facts not otherwise relevant become relevant:
Section 11. Facts not otherwise relevant are relevant– 
 
(1) If they are inconsistent with any fact in issue or relevant fact; 
 
(2) If by themselves or in connection with other facts they make the existence or non-existence of any fact in issue or relevant fact highly probable or improbable.
৩৫.
হিসাবের খাতায় বা ডিজিটাল রেকর্ডে লিপিবদ্ধ বিষয় সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩৬ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারার বিধান: হিসাবের খাতায় বা ডিজিটাল রেকর্ডে লিপিবদ্ধ বিষয় যখন প্রাসঙ্গিক (Entries in books of account when relevant)- সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী ব্যবসা প্রসঙ্গে নিয়মিত যে হিসেবের খাতা রাখা হয়, উক্ত খাতায় লিখিত কোন কিছুতে যখন এমন বিষয়ের উল্লেখ থাকে, যে বিষয়ে অনুসন্ধান করা আদালতের কর্তব্য, তখন হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ বিষয় প্রাসঙ্গিক। কিন্তু কেবলমাত্র এরূপ বিবৃতি কারও উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।

যেমন- ক ১০০০ টাকার দাবিতে খ এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। খ এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে এটি প্রমাণ করার জন্য ক তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক। কিন্তু যদি অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকে তবে খ এর দেনা প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।

------------
⇒  Entries in books of account or digital record when relevant:
Section 34. Entries in books of account or digital record, regularly kept in the course of business, are relevant whenever they refer to a matter into which the Court has to inquire, but such statements shall not alone be sufficient evidence to charge any person with liability.

Illustration
A sues B for Taka 1,000, and shows entries in his account books showing B to be indebted to him to this amount. The entries are relevant, but are not sufficient, without other evidence, to prove the debt.
৩৬.
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায় কোন বিষয় বর্ণিত আছে?
  1. অ্যাডভোকেটের নিকট স্বীকারোক্তি
  2. স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার হলে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণীয়
  3. জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)
  4. মৃত্যুকালিন ঘোষণা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার বিধান:  আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে: পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে পুলিশকে দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোন আলামত উদ্ধার করে, যতটুকু আলামত উদ্ধার হবে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক এবং প্রমাণযোগ্য হবে।

⇒ ২৫ ও ২৬ ধারার ব্যতিক্রম বলা আছে ২৭ ধারায়।
---------------
How much of information received from accused may be proved:
Section 27. Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.
৩৭.
ফৌজদারি মামলায় নিচের কোনটি প্রাসঙ্গিক?
  1. পূর্ববর্তী খারাপ চরিত্র
  2. পূর্ববর্তী সৎচরিত্র
  3. ক এবং খ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

⇒ In criminal cases, previous good character relevant:

Section 53. In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
৩৮.
সাক্ষ্য আইনের অধীন T.I.P অর্থ কি?
  1. Test Identification by Police
  2. Test Identification Parade
  3. Identification Test for Parade
  4. Police Identification Test
ব্যাখ্যা
 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

 ⇒ সাক্ষ্য আইনের অধীন T.I.P অর্থ Test Identification Parade.


⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,

২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
৩৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারাটি Judgment in personam?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩৯ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান: দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে। এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে- তাহলো:

i) Res-judicata (দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ১১)

ii) Double Jeopardy (ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা: ৪০৩)

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

-----------------
⇒ Previous judgments relevant to bar a second suit or trial:
Section 40. The existence of any judgment, order or decree which by law prevents any Court from taking cognizance of a suit or holding a trial, is a relevant fact when the question is whether such Court ought to take cognizance of such suit or to hold such trial.
৪০.
A disputed handwriting can be proved:
  1. by examining a person acquainted with the handwriting of the writer of the questioned.
  2. by comparison of the two-admitted & disputed handwritings.
  3. by calling an expert.
  4. All the above.
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারার বিধান: হস্তলিপি সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক (Opinion as to handwriting, when relevant): হস্তলিপি বা হাতের লেখা প্রমাণের ক্ষেত্রে যে ব্যক্তির দ্বারা দলিল লিখিত হয়েছে সে ব্যক্তির হাতের লেখার সাথে পরিচিত ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ ৪৭ ধারা হাতের লেখা বা হস্তলিপির সাথে পরিচিতি কোন লোকের মতামত প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য করেছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারায় একজন ব্যক্তির অভিমত অন্য ব্যক্তির হস্তলিপি বা হাতের লেখা প্রমাণের ক্ষেত্রে তখন প্রাসঙ্গিক হবে যখন কোন ব্যক্তি-
- অপর ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে
- অপর ব্যক্তির লিখিত কোন দলিল পেয়েছে।
- স্বাভাবিক কাজকর্ম হিসেবে যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতের লেখার সাথে পরিচিত হয়েছে।

------------------
⇒ Opinion as to handwriting, when relevant

Section 47. When the Court has to form an opinion as to the person by whom any document was written or signed, the opinion of any person acquainted with the handwriting of the person by whom it is supposed to be written or signed that it was or was not written or signed by that person, is a relevant fact. 
 
Explanation.–A person is said to be acquainted with the handwriting of another person when he has seen that person write, or when he has received documents purporting to be written by that person in answer to documents written by himself or under his authority and addressed to that person, or when, in the ordinary course of business, documents purporting to be written by that person have been habitually submitted to him.
৪১.
সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় কোন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. অভিপ্রায় (Motive)
  2. প্রস্তুতি (Preparation)
  3. পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct)
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার বিধান: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (Motive, preparation and previous subsequent conduct): কোন ঘটনা সংঘটনের উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক ব্যা বিবেচিত হবে। কারণ ঘটনা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অভিযুক্তের আচরণ ঘটনা প্রমাণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।

⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।

⇒ এই প্রশ্নের ঘটনাটি ৮ ধারা অনুযায়ী বিচার্য বিষয়ের পরবর্তী আচরণ ও বিচার্য ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত।

----------------
⇒ Motive, preparation and previous or subsequent conduct:
Section 8. Any fact is relevant which shows or constitutes a motive or preparation for any fact in issue or relevant fact. 
 
The conduct of any party, or of any agent to any party, to any suit or proceeding, in reference to such suit or proceeding, or in reference to any fact in issue therein or relevant thereto, and the conduct of any person an offence against whom is the subject of any proceeding, is relevant, if such conduct influences or is influenced by any fact, in issue or relevant fact, and whether it was previous subsequent thereto.
৪২.
'গ'-কে হত্যা করার অপরাধে 'ক' ও 'খ'-এর যৌথভাবে বিচার হচ্ছে। প্রমাণ করা হয়েছে যে, 'ক' বলেছিল 'খ' ও আমি 'গ'-কে হত্যা করেছি। The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী আদালতে 'ক' এর এই স্বীকারোক্তি কার্যকারিতা করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারামতে দোষ স্বীকার শুধুমাত্র দোষ স্বীকারকারীর নিজের বিরুদ্ধে নয়, বরং তা একই অপরাধে যৌথ-ভাবে অভিযুক্ত অন্য অপরাধীর (co-accused) বিরুদ্ধেও প্রমান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারার বিধান: প্রমাণিত দোষ স্বীকার উক্ত দোষ স্বীকার প্রদানকারী ও তার সাথে একই অপরাধে যৌথভাবে বিচারাধীন অন্যদেরকেও যে প্রভাবিত করে তা বিবেচনা: যখন একই অপরাধে একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে বিচার হচ্ছে এবং তাদের মধ্যে একজনের দোষ স্বীকার দ্বারা সে নিজেকে ও অন্যকে জড়িত করেছে, তা প্রমাণিত হয়েছে, তখন আদালত উক্ত দোষস্বীকারকারী ও অপর ব্যক্তির বিরুদ্ধে সেই দোষস্বীকার বিবেচনা করতে পারেন।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারায় ব্যবহৃত "অপরাধ" বলতে সেই অপরাধ করার সহায়তা ও অপরাধ করার প্রচেষ্টাও অন্তর্ভূক্ত হবে।

⇒ সাধারণত সহ-আসামীর অপরাধের স্বীকারোক্তি অন্য আসামীদের বিরুদ্ধে কোন সাক্ষ্য নয় তবে ৩০ ধারায় এর ব্যতিক্রম বলা আছে। ৩০ ধারায় প্রদত্ত শর্তগুলো পূরণ হলে আদালত এরূপ স্বীকারোক্তি সহ-আসামী ও স্বীকারোক্তি প্রদানকারী আসামীর বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে।

⇒শর্তগুলো হলো-

১. একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তি অভিযুক্ত হতে হবে।

২. উক্ত অপরাধের জন্য তাদের যৌথ বিচার (Joint Trial) হতে হবে।

৩. একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে ও অন্যদের জড়িয়ে দোষ স্বীকার করবে।

⇒ ব্যাখ্যা: এ ধারায় অপরাধ বলতে অপরাধে সহায়তা করা ও অপরাধ করার চেষ্টাও বুঝাবে।

⇒ যেমন- গ-কে হত্যা করার অপরাধে ক ও খ-এর যৌথভাবে বিচার হচ্ছে। প্রমাণ করা হয়েছে যে, ক বলেছিল খ ও আমি গ-কে হত্যা করেছি। আদালত খ-এর বিরুদ্ধে এই স্বীকারোক্তির কার্যকারিতা বিবেচনা করতে পারেন।
৪৩.
"অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশের কাছে অপরাধ স্বীকার করলে তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না" এটা The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ২৬ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ২৮ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারার বিধান: পুলিশ অফিসারের নিকট স্বীকারোক্তি প্রমাণ করা যাবে না: যে কোন অপরাধে অভিযুক্ত, পুলিশ অফিসারের নিকট দোষ স্বীকার করলে তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।

-----------------------
⇒ Confession to police-officer not to be proved:
Section 25. No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.