পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৪২
সিলেবাস
বাংলা ব্যাকরণ সম্পূর্ণ [১০০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪২ প্রশ্ন

.
চলিত ভাষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-
  1. ক) একটি উপভাষা
  2. খ) তৎসম শব্দবহুল ভাষা
  3. গ) একটি ভাষারীতি
  4. ঘ) সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়
সঠিক উত্তর:
গ) একটি ভাষারীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) একটি ভাষারীতি
ব্যাখ্যা
বাংলাভাষার একটি বিশেষ ভাষারীতি হলো চলিত। এটি কোন ভাষা নয় বরং ভাষার একটি রূপমাত্র। এটির বৈশিষ্ট্য হলো এটি সহজ, সরল, সংক্ষিপ্ত এবং গতিশীল ভাষারীতি। এতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের সংক্ষিপ্ত রুপ ব্যবহৃত হয়। বাংলা ভাষায় প্রথম চৌধুরী চলিত ভাষারীতির প্রবর্তক। তার সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা এ রীতি প্রচলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‘বীরবলের হালখাতা’ চলিত ভাষারীতিতে লিখিত প্রথমগ্রন্থ। (সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা : ড. সৌমিত্র শেখর)
.
বাকযন্ত্রের অংশ নয় কোনটি?
  1. ক) যকৃত
  2. খ) জিহ্বা
  3. গ) দাঁত
  4. ঘ) মুখবিবর
সঠিক উত্তর:
ক) যকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যকৃত
ব্যাখ্যা
ধ্বনি সৃষ্টি প্রক্রিয়ায় মানব শরীরের যেসব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ব্যবহৃত হয় তাকে হয় তাদেরকে একত্রে বাগযন্ত্র বলা হয়। আমাদের গলনালি, ‍মুখবিবর, কণ্ঠ, জিহ্বা, তালু, দাঁত, নাক, ফুসফুস ইত্যাদি অঙ্গ বাগযন্ত্রের অন্তর্গত। যকৃত বা লিভার বাগযন্ত্রের অংশ নয়। এই বাগযন্ত্রের দ্বারা উচ্চারিত অর্থবোধক ধ্বনির সাহায্যে মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যমকে ভাষা বলে। (সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
.
সাধু রীতি অনুযায়ী অশুদ্ধ কোনটি?
  1. ক) সহিত
  2. খ) তুলা
  3. গ) মাথা
  4. ঘ) শুষ্ক
সঠিক উত্তর:
গ) মাথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাথা
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত অপশন সমূহের মধ্যে সহিত, তুলা এবং শুষ্ক হলো সাধু ভাষা রূপ, যাদের চলিত রূপ হলো যথাক্রমে তুলো, শুকনো এবং সঙ্গে বা সাথে। অন্যদিকে মাথা হলো চলিত রূপ যার সাধু রূপ হলো মস্তক। সাধু ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়মকানুন মেনে চলে। এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়া পদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
.
'Protocol' শব্দের পারিভাষিক অর্থ-
  1. ক) সমঝোতা
  2. খ) সৌজন্যবিধি
  3. গ) স্মারক
  4. ঘ) আলংকারিক
সঠিক উত্তর:
খ) সৌজন্যবিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৌজন্যবিধি
ব্যাখ্যা
'Protocol' শব্দের পারিভাষিক রূপ হলো সৌজন্যবিধি, নিয়মবিধি বা শিষ্টাচারবিধি (বিশেষত কূটনৈতিক অনুষ্ঠান বা উৎসবে প্রতিপালিত শিষ্টাচারবিধি)। 'Protocol' এর আরেকটি অর্থ হলো খসড়া চুক্তি। বিশেষত দুই রাষ্ট্রের মধ্যে সাক্ষরিত খসড়া চুক্তি বুঝাতে Protocol শব্দটি ব্যবহৃত হয়। (সূত্রঃ বাংলা একাডেমি অভিধান)
.
'Quarantine' শব্দের অর্থ-
  1. ক) বিচ্ছিন্নাবস্থা
  2. খ) সুদৃঢ়করণ
  3. গ) অবশকরণ
  4. ঘ) অস্ত্রোপচার
সঠিক উত্তর:
ক) বিচ্ছিন্নাবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিচ্ছিন্নাবস্থা
ব্যাখ্যা
'Quarantine' হলো রোগসংক্রমণ প্রতিরোধকল্পে মানুষ বা প্রাণীকে আলাদা বা পৃথক বা বিচ্ছিন্ন করে রাখা অথবা বিচ্ছিন্ন রাখার সময়কাল অথবা বিচ্ছিন্ন রাখার স্থান। সাধারণত ভিনদেশ থেকে কোন প্রাণী অন্য কোন দেশে আসলে একে প্রথমে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের অধীনে আলাদা করে রাখা হয়। এতে করে প্রাণীটি রোগাক্রান্ত হলে এই সময়ের মধ্যে তার লক্ষণ প্রকাশ পায়। (সূত্রঃ বাংলা একাডেমি অভিধান)
.
'Attestation' শব্দের পারিভাষিক রূপ-
  1. ক) সত্যায়িত করা
  2. খ) লিপিবদ্ধকরণ
  3. গ) প্রত্যয়ন
  4. ঘ) জারিকরণ
সঠিক উত্তর:
গ) প্রত্যয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রত্যয়ন
ব্যাখ্যা
'Attestation' শব্দের অর্থ প্রত্যয়ন বা প্রতিপাদন৷ বা কোন কিছু সত্য বা আসল বলে ঘোষণাকরণ। এটি বিশেষ্য পদ। এর ক্রিয়ারূপ হলো 'Attest' যার অর্থ প্রত্যয়ন করা। (সূত্রঃ বাংলা একাডেমি ইংলিশ → বাংলা অভিধান)
.
ভাষাভাষী জনসংখ্যার বিচারে বাংলা পৃথিবীর কত তম ভাষা?
  1. ক) ৫ম
  2. খ) ৭ম
  3. গ) ৬ষ্ঠ
  4. ঘ) ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা
ভাষাভাষী জনসংখ্যার বিচারে বাংলা পৃথিবীর ৪র্থ বৃহত্তম ভাষা। প্রায় ত্রিশ কোটি লোক বাংলা ভাষায় কথা বলে। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ত্রিপুরা, বিহার, উড়িষ্যা এবং আসামে বাংলাভাষী মানুষ রয়েছে। এছাড়া বিশ্বের নানা প্রান্তে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাভাষী অভিবাসী রয়েছে। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
.
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ বিষয়ক গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) ভাষার ইতিবৃত্ত
  2. খ) ভাষাপ্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ
  3. গ) বাঙ্গালা ব্যাকরণ
  4. ঘ) ব্যাকরণ মঞ্জুরি
সঠিক উত্তর:
খ) ভাষাপ্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাষাপ্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ বিষয়ক গ্রন্থ হলো 'ভাষাপ্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ'। The Origin and Development of Bengali Language বাংলা ভাষার উৎপত্তি বিষয়ক তার রচিত গ্রন্থ । ভাষার ইতিবৃত্ত, বাঙ্গালা ব্যাকরণ এবং ব্যাকরণ মঞ্জুরি গ্রন্থসমূহের রচয়িতা যথাক্রমে সুকুমার রায়, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং মুহাম্মদ এনামুল হক। (সূত্রঃ বিষয় বাংলা : ড. সৌমিত্র শেখর)
.
'ইচ্ছা' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. ক) হর্ষ
  2. খ) বাঞ্ছা
  3. গ) স্পৃহা
  4. ঘ) অভিপ্রায়
সঠিক উত্তর:
ক) হর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হর্ষ
ব্যাখ্যা
ইচ্ছা শব্দের সমার্থক শব্দ হলো বাঞ্ছা, স্পৃহা, অভিপ্রায়, লালসা, প্রবৃত্তি, আকাঙ্ক্ষা, বাসনা, অভিলাষ, সাধ, প্রত্যাশা, অভিরুচি, খায়েস, মনোরথ। হর্ষ হলো আনন্দ শব্দের সমার্থক শব্দ। (সূত্রঃ বিষয় বাংলা : ড. সৌমিত্র শেখর)
১০.
সমার্থক শব্দজোড় নয় কোনটি?
  1. ক) বৃক্ষ - শৃঙ্গী
  2. খ) মিহির - আদিত্য
  3. গ) রশ্মি - ময়ূখ
  4. ঘ) শশাঙ্ক - কৌমুদী
সঠিক উত্তর:
ঘ) শশাঙ্ক - কৌমুদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শশাঙ্ক - কৌমুদী
ব্যাখ্যা
বৃক্ষ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো শৃঙ্গী, পাদপ, দ্রুম, শাখী, শিখরী, পণী ইত্যাদি। রশ্নি শব্দের সমার্থক শব্দ হলো ময়ূখ, কিরণ, প্রভা, দীপ্তি, জ্যোতি, অংশু, আলো, বিভা ইত্যাদি। আদিত্য শব্দের সমার্থক শব্দ হলো মিহির, সূর্য, আফতাব, ভাস্কর, দিবাকর, তপন, মার্তণ্ড, অর্ক, অরুণ, বিভাকর, দিনেশ, বিবস্বান ইত্যাদি। অন্যদিকে, শশাঙ্ক হলো চাঁদ এবং কৌমুদী হলো জ্যোৎস্না। (সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য : ড. সৌমিত্র শেখর)
১১.
মুগ্ধ শব্দের যথাযথ বিপতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) বিতৃষ্ণ
  2. খ) বিরক্ত
  3. গ) বিমোহিত
  4. ঘ) নির্মোহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) নির্মোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নির্মোহ
ব্যাখ্যা
মুগ্ধ শব্দের যথাযথ বিপরীতার্থক শব্দ হলো নির্মোহ। বিরক্ত শব্দের বিপরীত শব্দ অনুরক্ত। বিমোহিত হলো মুগ্ধ শব্দের সমার্থক শব্দ। (সূত্রঃ বিষয় বাংলা : ড. সৌমিত্র শেখর)
১২.
বিপরীতার্থক শব্দজোড় নয় কোনটি?
  1. ক) সুরভি - পুতি
  2. খ) অমৃত - হলাহল
  3. গ) ঘাতক - পালক
  4. ঘ) সংশয় - নির্ভয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংশয় - নির্ভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংশয় - নির্ভয়
ব্যাখ্যা
সংশয় শব্দের যথাযথ বিপরীত শব্দ হলো প্রত্যয়। ভয় - নির্ভয়। সুরভি - পুতি। ঘাতক -পালক/মহাজন। অমৃত - গরল/হলাহল। (সূত্রঃ বিষয় বাংলা : ড. সৌমিত্র শেখর)
১৩.
কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) Apenthesis - অপিনিহিতি
  2. খ) Morpheme - রূপ
  3. গ) Aspirated - অল্পপ্রাণ ধ্বনি
  4. ঘ) Anaptyxis - বিপ্রকর্ষ
সঠিক উত্তর:
গ) Aspirated - অল্পপ্রাণ ধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Aspirated - অল্পপ্রাণ ধ্বনি
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত অপশন সমূহের মধ্যে 'গ' অপশনটি যথার্থ নয়। Aspirated হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি। Unaspirated হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪.
কোন বানানটি ভুল?
  1. ক) উপর্যুক্ত
  2. খ) সুবুদ্ধি
  3. গ) সুস্বাস্থ্য
  4. ঘ) কৃচ্ছ্র
সঠিক উত্তর:
গ) সুস্বাস্থ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুস্বাস্থ্য
ব্যাখ্যা
উপর্যুক্ত, সুবুদ্ধি ও কৃচ্ছ্র সঠিক বানান। সুস্বাস্থ্য বানানটি সমার্থ শব্দের বাহুল্য জনিত ভুল। এর শুদ্ধরূপ হবে স্বাস্থ্য। (সূত্রঃ বাংলা বানানের নিয়ম : ড. মাহবুবুল হক)
১৫.
নিচের শব্দগুলোর মধ্যে বানানগত শুদ্ধ শব্দ কোনটি?
  1. ক) দরিদ্র্য
  2. খ) অগ্ন্যূৎপাত
  3. গ) উচ্চৈঃস্বরে
  4. ঘ) উজ্জল
সঠিক উত্তর:
গ) উচ্চৈঃস্বরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উচ্চৈঃস্বরে
ব্যাখ্যা
উচ্চৈঃস্বরে সঠিক বানান। অন্যদিকে দরিদ্র্য, অগ্ন্যূৎপাত এবং উজ্জল ভুল বানান। এদের সঠিক বানান যথাক্রমে দরিদ্র/দারিদ্র্য/দরিদ্রতা, অগ্ন্যুৎপাত এবং উজ্জ্বল। (সূত্রঃ বাংলা বানানের নিয়ম : ড. মাহবুবুল হক)
১৬.
সঠিক উচ্চারণ নয় কোনটি?
  1. ক) ঋণ (রীন)
  2. খ) খেল (খেলো)
  3. গ) প্রতিভা (প্রোতিভা)
  4. ঘ) যাবতীয় (যাবতীয়ো)
সঠিক উত্তর:
খ) খেল (খেলো)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খেল (খেলো)
ব্যাখ্যা
খেল, দেখ, ফেল ইত্যাদি শব্দে 'এ' কার ব্যবহৃত হলেও উচ্চারণে 'অ্যা' এর মতো হয় এবং বিবৃত উচ্চারণের জন্যে 'অ' ধ্বনির উচ্চারণ 'ও' এর মতো হয়। যার কারণে খেল, দেখ এবং ফেল এর উচ্চারণ হয় যথাক্রমে খ্যালো, দ্যাখো এবং ফ্যালো। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৭.
উষ্ম ঘোষধ্বনি কোনটি?
  1. ক) শ
  2. খ) হ
  3. গ) স
  4. ঘ) ষ
সঠিক উত্তর:
খ) হ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হ
ব্যাখ্যা
শ, স, ষ এবং হ এই ৪ টি ধ্বনি উচ্চারণে বায়ুর প্রাধান্য থাকে বিধায় এদের উষ্ম ধ্বনি বলা হয়। এর মধ্যে শ, স এবং ষ হলো শিশধ্বনি এবং হ হলো ঘোষ ধ্বনি। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৮.
দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে কী বলে?
  1. ক) সমীভবন
  2. খ) বিষমীভবন
  3. গ) ব্যঞ্জনচ্যুতি
  4. ঘ) অভিশ্রুতি
সঠিক উত্তর:
খ) বিষমীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিষমীভবন
ব্যাখ্যা
দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে। উদাহরণঃ শরীর - শরীল, লাল - নাল ইত্যাদি। শব্দমধ্যস্থ দুটো ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প-বিস্তর পরিবর্তন লাভ করাকে সমীভবন বলে। যেমনঃ জন্ম - জম্ম, কাঁদনা - কান্না। পাশাপাশি সমউচ্চারণের দুটো ব্যঞ্জনধ্বনির একটি লোপ পাওয়াকে ব্যঞ্জনচ্যুতি বলে। যেমনঃ বড়দিদি - বউদি, বড়দাদা - বড়দা। বিপর্যস্থ স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে অভিশ্রুতি বলে। যেমনঃ শুনিয়া - শুনে, বলিয়া - বলে। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৯.
অর্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ কয় ভাগে বিভক্ত?
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৫ ভাগে
  4. ঘ) ৪ ভাগে
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ ভাগে
ব্যাখ্যা
অর্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ ৩ ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো যৌগিক শব্দ, রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ এবং যৌগরূঢ় শব্দ। যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থ অভিন্ন তাদের যৌগিক শব্দ বলে। যেমনঃ গায়ক, দৌহিত্র, চিকামারা, বাবুয়ানা, মধুর, কর্তব্য ইত্যাদি। যেসব শব্দ প্রত্যয় ও উপসর্গযোগে মূল শব্দের অনুগামি না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে তাদের রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমনঃ বাঁশি, তৈল, সন্দেশ, প্রবীণ ইত্যাদি। সমাসনিষ্পন্ন যেসব শব্দ সমস্যমান পদসমূহের অনুগামি না হয়ে কোন বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে তাকে যৌগরূঢ় শব্দ বলে। যেমনঃ পঙ্কজ, রাজপুত, জলধি, মহাযাত্রা ইত্যাদি। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
২০.
কোনটি মৌলিক শব্দ নয়?
  1. ক) গোলাপ
  2. খ) হাত
  3. গ) চলন্ত
  4. ঘ) লাল
সঠিক উত্তর:
গ) চলন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চলন্ত
ব্যাখ্যা
যে সব শব্দকে বিশ্লেষণ বা ভাঙা যায় না, তাদের মৌলিক শব্দ বলে। যেমনঃ গোলাপ, হাত, লাল, মা ইত্যাদি। অন্যদিকে যেসব শব্দকে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় তাদের সাধিত শব্দ বলে। যেমনঃ চলন্ত = চল্ + অন্ত। ডুবুরি = ডুব + উরি, গরমিল = গর + মিল ইত্যাদি। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
২১.
দেশি শব্দ নয় কোনটি?
  1. ক) ঝোল
  2. খ) পেট
  3. গ) আলু
  4. ঘ) টপ্পা
সঠিক উত্তর:
ঘ) টপ্পা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টপ্পা
ব্যাখ্যা
যেসকল শব্দ আর্য ও অনার্য জাতির ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে তাদের দেশি শব্দ বলা হয়। উদাহরণঃ আলু, পেট, ঝোল, খড়, খুকি, কুলা, বাদুড়, ঢোল, ঢেঁকি, যাঁতা, মই, ডাব, চুলা, কুড়ি ইত্যাদি। অন্যদিকে টপ্পা, ঠিকানা, চাটনি, চাচা, খেলনা, জিলাপি, জায়গা ইত্যাদি হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। (সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা : ড. সৌমিত্র শেখর)
২২.
কোনটি গ্রিক শব্দ?
  1. ক) পিস্তল
  2. খ) কমা
  3. গ) বোমা
  4. ঘ) রেনেসাঁস
সঠিক উত্তর:
খ) কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কমা
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় গ্রিক ভাষার শব্দগুলো হলো দাম, কমা, সুড়ং, ইউনানি, সেমাই ইত্যাদি। পিস্তল ও বোমা পর্তুগিজ শব্দ। রেনেসাঁস ফরাসি শব্দ। (সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বিষয় বাংলা : ড. সৌমিত্র শেখর)
২৩.
বিপরীতার্থক শব্দ যোগে গঠিত দ্বিরুক্ত শব্দ কোনটি?
  1. ক) ডালভাত
  2. খ) আদান-প্রদান
  3. গ) অলিগলি
  4. ঘ) পথঘাট
সঠিক উত্তর:
খ) আদান-প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আদান-প্রদান
ব্যাখ্যা
বিপরীতার্থক শব্দ যোগে দ্বিরুক্ত শব্দ হলো আদান-প্রদান। এরূপ আরো কয়েকটি হলো- ছোট-বড়, আসা-যাওয়া, জন্ম-মৃত্যু। অন্যদিকে ডালভাত, অলিগলি, পথঘাট হলো ভিন্নার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বিরুক্ত শব্দ। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
২৪.
'দ্বাদশ' কোন জাতীয় সংখ্যা?
  1. ক) পরিমাণবাচক
  2. খ) গণনাবাচক
  3. গ) তারিখবাচক
  4. ঘ) পূরণবাচক
সঠিক উত্তর:
ঘ) পূরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়....একাদশ, দ্বাদশ ইত্যাদি হলো পূরণবাচক বা ক্রমবাচক সংখ্যা। অন্যদিকে ১, ২, ৩.... ১১, ১২, ১৩ ইত্যাদি হলো অঙ্কবাচক সংখ্যা। এক, দুই..... এগার, বার ইত্যাদি হলো পরিমাণ বা গণনাবাচক সংখ্যা। পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি হলো তারিখবাচক সংখ্যা। বাংলা ভাষায় তারিখবাচক সংখ্যাগুলোর প্রথম তিনটি হিন্দি ভাষা থেকে এসেছে। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
২৫.
উন্নত প্রাণীবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় না কোনটি?
  1. ক) বর্গ
  2. খ) গণ
  3. গ) মণ্ডলী
  4. ঘ) পাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাল
ব্যাখ্যা
উন্নত প্রাণীবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় গণ (জনগণ, দেবগণ), বর্গ (পণ্ডিতবর্গ, মন্ত্রিবর্গ), মণ্ডলী (শিক্ষকমণ্ডলী, সম্পাদক মণ্ডলী) এবং বৃন্দ (সুধীবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ)। পাল (গরুরপাল) এবং যূথ (হস্তীযূথ) কেবল জন্তুর বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
২৬.
নিচের কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. ক) তুমি নির্দোষ নও
  2. খ) একটা গোপনীয় কথা বলি
  3. গ) তিনি সত্য সাক্ষ্য দিলেন
  4. ঘ) সকালে পান্তা ভাত খাওয়া যেতে পারে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সকালে পান্তা ভাত খাওয়া যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সকালে পান্তা ভাত খাওয়া যেতে পারে
ব্যাখ্যা
'সকালে পান্তা ভাত খাওয়া যেতে পারে' বাক্যটি ভুল। এখানে পান্তা শব্দের সাথে ভাত শব্দটি বাহুল্য। এর শুদ্ধরূপ হবে- সকালে পান্তা খাওয়া যেতে পারে। (সূত্রঃ বিষয় বাংলা : ড. সৌমিত্র শেখর)
২৭.
বাংলা ভাষায় পদ কত প্রকার?
  1. ক) ৩ প্রকার
  2. খ) ৪ প্রকার
  3. গ) ৫ প্রকার
  4. ঘ) ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় পদ প্রধানত ২ প্রকার। যথা সব্যয় ও অব্যয় পদ। এর মধ্যে সব্যয় পদ ৪ প্রকার। যার কারণে সামগ্রিকভাবে বাংলা ভাষায় পদ ৫ প্রকার। এগুলো হলোঃ বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া এবং অব্যয়। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
২৮.
'পরে একবার এসো' বাক্যে 'পরে' কোন জাতীয় বিশেষণ?
  1. ক) ক্রিয়া বিশেষণ
  2. খ) বিশেষণীয় বিশেষণ
  3. গ) অব্যয়ের বিশেষণ
  4. ঘ) নাম বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রিয়া বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রিয়া বিশেষণ
ব্যাখ্যা
'পরে একবার এসো' বাক্যে 'পরে' শব্দটি ক্রিয়া বিশেষণ। এতে ক্রিয়া সংগঠনের কাল প্রকাশ পেয়েছে। যে বিশেষণ পদ ক্রিয়ার ভাব, কাল বা রূপ নির্দেশ করে তা ই ক্রিয়া বিশেষণ। বিশেষণ পদ দুই প্রকার। যথা- নাম বিশেষণ এবং ভাব বিশেষণ। ভাব বিশেষণ পদ আবার ৪ ভাগে বিভক্ত। যথা- ক্রিয়া বিশেষণ, বিশেষণের বিশেষণ, অব্যয়ের বিশেষণ এবং বাক্যের বিশেষণ। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
২৯.
'চন্দ্র পৃথিবী অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর' বাক্যে 'ক্ষুদ্রতর' কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) গুণবাচক বিশেষ্য
  2. খ) ভাববাচক বিশেষ্য
  3. গ) অব্যয়
  4. ঘ) বিশেষণের অতিশায়ন
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিশেষণের অতিশায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিশেষণের অতিশায়ন
ব্যাখ্যা
'চন্দ্র পৃথিবী অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর' বাক্যে 'ক্ষুদ্রতর' বিশেষণের অতিশায়ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বিশেষণ পদ যখন দুই বা ততোধিক বিশেষ্য পদের মধ্যে গুণ, অবস্থা, পরিমাণ প্রভৃতি বিষয়ের তুলনায় একের উৎকর্ষ বা অপকর্ষ বুঝিয়ে থাকে তখন তাকে বিশেষণের অতিশায়ন বলে। যেমন যমুনা অপেক্ষা পদ্মা দীর্ঘতর নদী, চন্দ্র পৃথিবীর তুলনায় ক্ষুদ্রতর ইত্যাদি। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩০.
কোনটি বিশেষণ পদ?
  1. ক) মোহ
  2. খ) বিষাদ
  3. গ) লাজ
  4. ঘ) বাস্তব
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাস্তব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাস্তব
ব্যাখ্যা
বাস্তব হলো বিশেষণ পদ যার বিশেষ্য রূপ হলো বস্তু। অন্যদিকে মোহ, বিষাদ এবং লাজ হলো বিশেষ্য পদ যাদের বিশেষণ হলো যথাক্রমে মুগ্ধ/মূঢ়, বিষণ্ন এবং লাজুক। (সূত্রঃ বিষয় বাংলা : ড. সৌমিত্র শেখর)
৩১.
কোনটি মিশ্র বাক্য?
  1. ক) তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা, সখিনা বিবির কপাল ভাঙলো
  2. খ) মিথ্যা কথা বলিনি, তাই বিপদে পড়েছি
  3. গ) মেঘ গর্জন করলে, তবে ময়ূর নৃত্য করে
  4. ঘ) তিনি ধনী হলেও দাতা নন
সঠিক উত্তর:
ক) তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা, সখিনা বিবির কপাল ভাঙলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা, সখিনা বিবির কপাল ভাঙলো
ব্যাখ্যা
'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা, সখিনা বিবির কপাল ভাঙলো' এটি জটিল বা মিশ্র বাক্যের উদাহরণ। যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষ ভাবে ব্যবহৃত, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। যেমনঃ যে পরিশ্রম করে, সে ই সুখ লাভ করে। তিনি ধনি হলেও দাতা নন - এটি সরলবাক্য। 'মিথ্যা কথা বলি নি, তাই বিপদে পড়েছি' এবং 'মেঘ গর্জন করে, তবে ময়ূর নৃত্য করে' বাক্য দুটি যৌগিক বাক্য। (সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বিষয় বাংলা : ড. সৌমিত্র শেখর)
৩২.
'নিজের ভাগ্য নিজেই বদলাও' এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. ক) প্রশ্নবোধক
  2. খ) অনুজ্ঞাবাচক
  3. গ) ইচ্ছাসূচক
  4. ঘ) নির্দেশাত্মক
সঠিক উত্তর:
খ) অনুজ্ঞাবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অনুজ্ঞাবাচক
ব্যাখ্যা
'নিজের ভাগ্য নিজেই বদলাও' এটি অনুজ্ঞাবাচক বাক্য। অনুজ্ঞাসূচক বাক্যে আদেশ, উপদেশ, নিষেধ, অনুরোধ ইত্যাদি প্রকাশ পায়। (সূত্রঃ বিষয় বাংলা : ড. সৌমিত্র শেখর)
৩৩.
'এ কাপড়ের রং কাঁচা' -এখানে কাঁচা কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) অপরিণত
  2. খ) অস্থায়ী
  3. গ) অপক্ব
  4. ঘ) বাজে
সঠিক উত্তর:
খ) অস্থায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অস্থায়ী
ব্যাখ্যা
'এ কাপড়ের রং কাঁচা' বাক্যে কাঁচা শব্দটি অস্থায়ী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অপরিণত অর্থে কাঁচা' শব্দের ব্যবহার হলো- কাঁচা বয়সে অত বোঝ না। অপক্ব অর্থে কাঁচা শব্দের ব্যবহার হলো- দেখেই বুঝা যাচ্ছে এটা কাঁচা হাতের লেখা। বাজে অর্থে কাঁচা শব্দের ব্যবহার হলো সোহেল সাহেব কাঁচা কথার লোক নন। (সূত্রঃ বিষয় বাংলা : ড. সৌমিত্র শেখর)
৩৪.
'আভাষ' - অর্থ কী?
  1. ক) বাসস্থান
  2. খ) ইঙ্গিত
  3. গ) আলাপ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) আলাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলাপ
ব্যাখ্যা
আভাষ শব্দের অর্থ হলো আলাপ বা ভূমিকা। অন্যদিকে আবাস অর্থ বাসস্থান এবং আভাস অর্থ ইঙ্গিত। (সূত্রঃ বিষয় বাংলা : ড. সৌমিত্র শেখর)
৩৫.
মরূদ্যান শব্দের যথাযথ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) মরুৎ + উদ্যান
  2. খ) মরূ + উদ্যান
  3. গ) মরুঃ + উদ্যান
  4. ঘ) মরু + উদ্যান
সঠিক উত্তর:
ঘ) মরু + উদ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মরু + উদ্যান
ব্যাখ্যা
মরূউদ্যান একটি স্বরসন্ধি। এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলোঃ মরু + উদ্যান। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩৬.
কোনটি বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব সমাস?
  1. ক) আয় - ব্যয়
  2. খ) হাট - বাজার
  3. গ) মা - বাবা
  4. ঘ) স্বর্গ - নরক
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্বর্গ - নরক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্বর্গ - নরক
ব্যাখ্যা
স্বর্গ - নরক হলো বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব সমাস। এরূপ অহি-নকুল, দা- কুমড়া। অন্যদিকে আয় - ব্যয়, হাট-বাজার এবং মা-বাবা যথাক্রমে বিপরীতার্থক, সমার্থক এবং মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩৭.
ক্ষুদ্র অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস কোনটি?
  1. ক) উপবন
  2. খ) উপগ্রহ
  3. গ) উপশহর
  4. ঘ) উপকূল
সঠিক উত্তর:
খ) উপগ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উপগ্রহ
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হলো উপগ্রহ। অন্যদিকে উপশহর ও উপবন সাদৃশ্য অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস। উপকূল ও উপকণ্ঠ সমীপ্যে অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস। পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তাহলে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩৮.
অদৃষ্টপূর্ব কোন জাতীয় সমাস?
  1. ক) নঞ তৎপুরুষ
  2. খ) সপ্তমী তৎপুরুষ
  3. গ) উপপদ তৎপুরুষ
  4. ঘ) অলুক তৎপুরুষ
সঠিক উত্তর:
খ) সপ্তমী তৎপুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সপ্তমী তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা
পূর্বে অদৃষ্ট = অদৃষ্টপূর্ব হলো সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস। এরূপ- ভূতপূর্ব, অশ্রুতপূর্ব, অকালপক্ব, কৃষিপ্রধান, ঘরপোড়া, গালভরা ইত্যাদি। পূর্বপদে বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বুঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। সপ্তমী তৎপুরুষ সমাসে সপ্তমী বিভক্তি লোপ পায়। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩৯.
ব্রাহ্মণ শব্দে ব্যবহৃত যুক্তবর্ণ হলো-
  1. ক) ক+ষ
  2. খ) ষ+ণ
  3. গ) হ+ম
  4. ঘ) ঞ+জ
সঠিক উত্তর:
গ) হ+ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হ+ম
ব্যাখ্যা
ব্রাহ্মণ শব্দে ব্যবহৃত যুক্তবর্ণ হলো হ্+ম= হ্ম। অন্যদিকে ক্+ষ= ক্ষ (ক্ষুধা), ষ্+ণ= ষ্ণ (উষ্ণ) এবং ঞ্+জ= ঞ্জ (গঞ্জ)। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪০.
প্রত্যয়ের নিয়মানুসারে কোনটি সঠিক নয়-
  1. ক) টিপ+সই=টিপসই
  2. খ) ইতর+আমি= ইতরামি
  3. গ) বাহাদুর+ই=বাহাদুরি
  4. ঘ) মিশ+উক=মিশুক
সঠিক উত্তর:
ক) টিপ+সই=টিপসই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টিপ+সই=টিপসই
ব্যাখ্যা
টিপসই শব্দে সই কোন প্রত্যয় নয়। এটি সহি শব্দ থেকে উৎপন্ন। কিন্তু মতো অর্থে সই প্রত্যয়যোগে জুতসই, মানানসই, চলনসই, টেকসই ইত্যাদি যথার্থ। ইতরামি, বাহাদুরি এবং মিশুক শব্দগুলো যথাক্রমে আমি, ই এবং উক প্রত্যয়যোগে গঠিত। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪১.
বিদেশী প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. ক) জমিদারি
  2. খ) চৌকিদার
  3. গ) মেঘলা
  4. ঘ) চতুরালি
সঠিক উত্তর:
খ) চৌকিদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চৌকিদার
ব্যাখ্যা
জমিদারি (জমিদার+ই), মেঘলা (মেঘ+লা) এবং চতুরালি (চতুর + আলি) বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ। অন্যদিকে চৌকাদার ফারসি দার প্রত্যয়যোগে গঠিত। এরূপ- পাহারাদার, দেনাদার, খবরদার, তাঁবেদার, রুটিদার ইত্যাদি। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪২.
ক্রিয়া সংগঠনের কাল বা আধারকে বলা হয়-
  1. ক) সম্প্রদান কারক
  2. খ) অপাদান কারক
  3. গ) করণ কারক
  4. ঘ) অধিকরণ কারক
সঠিক উত্তর:
ঘ) অধিকরণ কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অধিকরণ কারক
ব্যাখ্যা
ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা কাল বা আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। যেমনঃ 'সে রোজ স্কুলে যায়', 'আমি বিকেলে খেলাধুলা করি' বাক্যদ্বয়ে স্কুল (স্থান) এবং বিকেল (সময়) হলো অধিকরণ কারক। অধিকরণ কারকে সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি (এ, য়, তে) যুক্ত হয়। অধিকরণ কারক তিনপ্রকার। যথা- কালাধিকরণ, আধারাধিকরণ এবং ভাবাধিকরণ। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)