পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
বিষয় - ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিক - ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব) ও পরিবেশ ১) বাংলাদেশ ও অঞ্চলভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব; ২) অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ (ভূ-প্রাকৃতিক), সম্পদের বণ্টন ও গুরুত্ব; ৩) বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ সম্পর্কিত অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], বাংলাপিডিয়া, ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। ------------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের কোথায় চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. পাটগ্রাম
  2. বাগলীবাজার
  3. বিজয়পুর
  4. রাণীগঞ্জ
ব্যাখ্যা
চীনামাটি: 
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের  কর্দম;
- প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূ-পৃষ্ঠে অথবা অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠে (subsurface) চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে,
- শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়,
- চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া;
- এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
.
বাংলাদেশের স্থল সীমান্ত রয়েছে-
  1. শুধু মিয়ানমারের সঙ্গে
  2. শুধু ভারতের সঙ্গে
  3. ভারতের ও চীনের সঙ্গে
  4. ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান: 
- বাংলাদেশের স্থলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত।
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয়, পূর্বে আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত।
- আর দক্ষিণে রয়েছে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর। 
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪′ উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
• বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি: 
- বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক ১৯৮৫ সালে বড়পুকুরিয়া কয়লা ক্ষেত্র আবিষ্কার করা হয়।
- বড়পুকুরিয়া কয়লা ক্ষেত্রে এম/এস ওয়ার্ডেল আর্মস্ট্রং (ইউকে ভিত্তিক সংস্থা) একটি বিস্তারিত সম্ভাব্যতা ষ্টাডি সম্পন্ন করে।
- উক্ত ষ্টাডির অন্তর্ভুক্ত প্রধান কাজ গুলো হ‘ল ৩৩ টি বোরহোল খনন,
- চাইনিজ কোম্পানি সিএমসি-এর সাথে ৭ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৪ সালে খনি উন্নয়নের জন্য টার্ন-কি ভিত্তিতে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ৪ জুন ২০০৫ সালে বিসিএমসিএল ও চাইনিজ কনসোর্টিয়াম (এক্সএমসি-সিএমসি) এর মধ্যে ৪.৭৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলনের জন্য ৭১ মাস মেয়াদী প্রথম ম্যানেজমেন্ট এন্ড প্রডাকশন (এমএন্ডপি) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির কার্যক্রম সেপ্টেম্বর ২০০৫ হতে শুরু হয় এবং আগস্ট ২০১১ সালে শেষ হয়।
- উক্ত সময়ের আওতায় ৩.৬৫১ মিলিয়ন মেট্রিক টন কয়লা সেন্ট্রাল পার্ট হতে উত্তোলন করা সম্ভব হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
মংডু কোন দুটি দেশের সীমান্ত এলাকা?
  1. বাংলাদেশ - ভারত
  2. মায়ানমার - চীন
  3. ভারত - মায়ানমার
  4. বাংলাদেশ-মায়ানমার
ব্যাখ্যা
সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।
- ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং মায়ানমারের সাথে ৩টি।
- মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
- মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বাংলাদেশ ঘেঁষা শহর মংডু।
- নাফ নদের মাধ্যমে মংডু ও বাংলাদেশের টেকনাফ শহর আলাদা হয়ে আছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।[ লিঙ্ক]
.
টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
  1. নাগাল্যান্ড
  2. মিজোরাম
  3. মণিপুর
  4. ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
টিপাইমুখ বাঁধ: 
- বাংলাদেশে রয়েছে ৫৪টি আন্তসীমান্ত নদী,
- যার বেশির ভাগই এসেছে ভারত থেকে।
- বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ১০০ কিলোমিটার উজানে ভারতের বরাক নদীর ওপর নির্মিতব্য বাঁধটিই টিপাইমুখ বাঁধ নামে পরিচিত।
- টিপাইমুখ বাঁধ, ভারতের মণিপুর রাজ্যে বরাক নদীর উপর নির্মিত একটি প্রস্তাবিত জলবিদ্যুৎ প্রকল্প।
- এই স্থানটি তুইভাই নদী ও বরাক নদীর সঙ্গমস্থল থেকে ৫০০ মিটার ভাটিতে এবং বাংলাদেশ সীমানা থেকে ২০০ কিলোমিটার উজানে।
- এই বরাক নদীই বাংলাদেশে প্রবেশের আগে দুই ভাগ হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে প্রবেশ করেছে।

উৎস: কালের কণ্ঠ। 
 
.
একক বন হিসেবে বাংলাদেশের বৃহত্তম বন কোনটি?
  1. শালবন
  2. সামাজিক বন
  3. সুন্দরবন
  4. গ্রামীন বন
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি। 
- প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের পৃথিবীর বৃহত্তম নিরবিচ্ছিন্ন জোয়ারধৌত ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। 
- একক হিসেবে বাংলাদেশের বৃহত্তম ব ন সুন্দরবন।
- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলা এবং ভারতের পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলায় অবস্থিত।
- সমগ্র সুন্দরবনের প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশে স্থিত।
- সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ বনভূমির মৃত্তিকা ও বাস্তুসংস্থান অনন্য।
- এবং এ বনভূমিতে জোয়ারভাটার কারণে জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার প্রভাব সুস্পষ্ট। 
- ১৯০৩ সালে মি. প্রেইন সুন্দরবনের গাছপালার উপর লিখিত তাঁর গ্রন্থে ৩৩৪টি উদ্ভিদ প্রজাতি লিপিবদ্ধ করেছেন।
- ১৯৯৬ সালে সুন্দরবনে তিনটি অভয়ারণ্য ও ২০১২ সালে তিনটি ডলফিন অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
- এবং ২০১৪ সালে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালে সুন্দরবন ৫৬০তম রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনের ১,৩৯,৭০০ হেক্টর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এলাকাকে ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ বিন্দু-
  1. মাউন্ট হিলাবি
  2. বেন্টলে সাবগ্লাসিয়াল
  3. ভিনসন ম্যাসিফ
  4. কিলিমানজারো
ব্যাখ্যা
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ: 
-  দক্ষিণ গোলার্ধে, দক্ষিণ মেরু ঘিরে অবস্থিত। 
-  প্রায় ১৪ মিলিয়ন বর্গ কিলোমিটার (দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে বড়)।
-  বরফে আবৃত পর্বতমালা, মালভূমি, হিমবাহ এবং বরফস্তর।
- পৃথিবীর সবচেয়ে শীতল, শুষ্ক এবং বায়ুমণ্ডলহীন মহাদেশ; তাপমাত্রা -১০°C থেকে -৮০°C পর্যন্ত।
- স্থলজ প্রাণী খুবই কম; তবে কিছু পাখি (যেমন: পেঙ্গুইন), সিল, মাছ এবং সমুদ্রজীব রয়েছে।
- ৭০টিরও বেশি গবেষণা কেন্দ্র পরিচালনা করে।
- বৈশ্বিক জলবায়ু ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে;
- পৃথিবীর ৭০% মিঠা জল এখানে বরফরূপে সংরক্ষিত।
- সাধারণত দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ প্রান্ত (উশুয়া, আর্জেন্টিনা) থেকে নৌপথে প্রবেশ
- এটি একমাত্র মহাদেশ যেখানে কোনো দেশ নেই এবং শুধুমাত্র বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত।
- অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ভিনসন ম্যাসিফ।

অন্যদিকে,
- মাউন্ট হিলাবি, বার্বাডোসের সর্বোচ্চ বিন্দু।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
- স্থলভাগের সর্বনিম্ন বিন্দু: বেন্টলে সাবগ্লাসিয়াল ট্রেঞ্চ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
নিচের কোন জেলার উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে?
  1. নেত্রকোণা
  2. বরিশাল
  3. ফরিদপুর
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের ১১টি জেলার উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি অতিক্রম করেছে।
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪′ উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম, শ্রেণি।
.
বর্তমানে সবচেয়ে বেশি কফি উৎপন্ন হয় কোন দেশে? [ জুলাই, ২০২৫]
  1. কলম্বিয়া
  2. বলিভিয়া
  3. কিউবা
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
ব্রাজিল: 
- ব্রাজিলের মোট ভূমির ৩২.৯ শতাংশ কৃষিকাজে ব্যবহার করা হয়।
- উৎপাদিত কৃষিপণ্যের মধ্যে রয়েছে কফি, সয়াবিন, গম, ধান, ভুট্টা, আখ, কোকো, সাইট্রাস ইত্যাদি।
- সাওপাওলোর প্যারাইবা উপত্যকা, রিও জাকুহী উপত্যকা, রিওগ্রান্ডে দোসুল অঞ্চলে অধিক পরিমাণে ধান উৎপাদিত হয়।
- কফি উৎপাদনে ব্রাজিল বিশ্বে প্রথম।
- কফি উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ ভিয়েতনাম।
- দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বিশাল কফি বাগান রয়েছে। 

উৎস: USA agricultre. [Link]
১০.
বঙ্গোপসাগরের কত বৰ্গ কিমি. এলাকাকে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ১২৫০ বর্গ কি.মি.
  2. ১০৫০ বর্গ কি.মি.
  3. ১৭৪৩ বর্গ কি.মি.
  4. ১৩৫০ বর্গ কি.মি.
ব্যাখ্যা
 সেন্টমার্টিন মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া ঘোষণা: 
- সময়: ২০২২ সালের ৪ জানুয়ারি।
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের ১,৭৪৩ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে "মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া (Marine Protected Area - MPA)" হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- এর গভীরতা বঙ্গোপসাগরের ৭০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এবং এর আগে ঘোষিত ৫৯০ হেক্টর সংকটাপন্ন এলাকা ছাড়াও নতুন অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

• এই পদক্ষেপের কারণ:
- জীববৈচিত্র্য হ্রাস রোধ।
- অনিয়ন্ত্রিত জাহাজ ও নৌকা চলাচল,
- অতিরিক্ত মাছ ধরা, বর্জ্য ও রাসায়নিক নিক্ষেপ, প্রবাল ধ্বংস, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ঠেকাতে।
- গোলাপি ডলফিন, হাঙ্গর, রে মাছ, সামুদ্রিক কাছিম, সামুদ্রিক পাখি, প্রবাল ইত্যাদির আবাসস্থল রক্ষা করা হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। [লিঙ্ক]
১১.
বর্তমানে লৌহ উৎপাদনে পৃথিবীর শীর্ষ দেশ- [জুলাই, ২০২৫]
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. চীন
  3. ব্রাজিল
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
 লৌহ আকরিক উৎপাদন: 
- বিশ্বের শীর্ষ লৌহ আকরিক উৎপাদনকারী দেশ অস্ট্রেলিয়া। 
- বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৩৭.৬%।
- প্রধান রপ্তানি বাজার: চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম। 

উল্লেখ্য, 
- লৌহ আকরিক উৎপাদনকারী শীর্ষ দ্বিতীয় দেশ ব্রাজিল।
- লৌহ আকরিক উৎপাদনকারী শীর্ষ তৃতীয় দেশ চীন।

উৎস: ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ ২০২৫। [লিঙ্ক]
১২.
নিচের কোন স্থানটি বাংলাদেশের রামসার সাইট?
  1. চলনবিল
  2. হাকালুকি হাওর
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. সোনাদিয়া দ্বীপ
ব্যাখ্যা
রামসার সাইট:
- রামসার কনভেনশন রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট  হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।
- বাংলাদেশের প্রথম রামসার সাইট সুন্দরবন।
- ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবনকে রামসার সাইট (রামসার কনভেনশন কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জলাভূমি) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর।
- এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি টাঙ্গুয়ার হাওরকে সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- চলনবিল, হাকালুকি হাওর, সোনাদিয়া দ্বীপ রামসার সাইট নয়।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
১৩.
নিচের কোন দুটি দেশ ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. হাইতি ও বার্বাডোস
  2. পেরু ও বাহামা
  3. ঘানা ও জামাইকা
  4. উরুগুয়ে ও কিউবা
ব্যাখ্যা
ক্যারিবিয়ান দেশসমূহ: 
- অঞ্চল: উত্তর আমেরিকার মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
- সীমানা: দক্ষিণে: দক্ষিণ আমেরিকা।
- পশ্চিমে: মধ্য আমেরিকা
- উত্তরে: মেক্সিকো উপসাগর ও উত্তর আমেরিকা

→ সার্বভৌম দেশ: মোট ১৩টি।
• হাইতি, 
• জামাইকা,
•  সেন্ট কিটস ও নেভিস,
• সেন্ট লুসিয়া,
• সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস,
• ত্রিনিদাদ ও টোবাগো,
• অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা
• বাহামাস
• বার্বাডোস।
• কিউবা
• ডমিনিকা
• ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র
• গ্রানাডা।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১৪.
নিচের কোন দেশটি বলকান রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. ডেনমার্ক
  3. পর্তুগাল
  4. সার্বিয়া
ব্যাখ্যা
- বলকান রাষ্ট্র বলতে বোঝায় সেই দেশগুলোকে যেগুলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বালকান  উপদ্বীপে অবস্থিত।
• বালকান উপদ্বীপভুক্ত দেশসমূহ; 
- আলবেনিয়া
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা
- বুলগেরিয়া
- ক্রোয়েশিয়া
- কসোভো
- মন্টেনেগ্রো
- উত্তর মেসিডোনিয়া
- রোমানিয়া (আংশিক)।
- সার্বিয়া।
- স্লোভেনিয়া (আংশিক)।

উল্লেখ্য, 
- গ্রিস ও তুরস্ককে বালকান বাদ দেওয়া হয়।
- পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড ও ডেনমার্ক এই দেশগুলো পশ্চিম ও উত্তর ইউরোপে অবস্থিত এবং বলকান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১৫.
নিচের কোন দেশটি হর্ন অব আফ্রিকার দেশ নয়?
  1. ইরিত্রিয়া
  2. জিবুতি
  3. জাম্বিয়া
  4. সোমালিয়া
ব্যাখ্যা
Horn of Africa: 
- পূর্ব আফ্রিকা  অঞ্চলের অংশ।
- অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহ: 
- ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া, সোমালিয়া, জিবুতি।
- এই দেশগুলোর সংস্কৃতি ও ইতিহাস বহু বছর ধরে একে অপরের সাথে জড়িত।
- খরা প্রবণ, আধা-আবহাওয়াগত মরুভূমি, পাহাড় ও উপত্যকাসমৃদ্ধ অঞ্চল।
- জাম্বিয়া হর্ণ অব আফ্রিকার দেশ নয়।


উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১৬.
কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. হবিগঞ্জ
  3. সুনামগঞ্জ
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ড: 
- ১৯৬১ সালে আবিষ্কৃত এ গ্যাসক্ষেত্রে এযাবৎ মোট ৮টি কূপ খনন করা হয়েছে।
- ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ ফিল্ড হতে উত্তোলিত গ্যাসের পরিমাণ ৮১২.১৭ বিলিয়ন ঘনফুট।
- কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ড সিলেটে অবস্থিত।

এছাড়াও,
- সিলেটে কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্র:
- হরিপুর গ্যাস ফিল্ড,
- রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড,
- বিয়ানীবাজার গ্যাস ফিল্ড,
- ছাতক গ্যাস ফিল্ড। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ান।
 
১৭.
বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য-
  1. ৬ ঘন্টা
  2. ৫ ঘন্টা
  3. ৫.৫ ঘন্টা
  4. ৪ ঘন্টা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রমাণ সময়:
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য ৬ ঘন্টা অগ্রবর্তী।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে
- গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
বাংলাদেশের কোথায় তেজস্ক্রিয় বালু পাওয়া যায়?
  1. কুয়াকাটা
  2. লালমাই এলাকায়
  3. কক্সবাজার
  4. সিলেটের পাহাড়ে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া হতে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলের মাটিতে তেজস্ক্রিয় বালু পাওয়া যায়।
- এছাড়াও মৌলভীবাজার জেলার হাড়গাছা পাহাড়ে ইউরেনিয়াম পাওয়া যায়।
- ইউরেনিয়াম আকরিক প্রধানত পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি ও পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে জন্য ইউরেনিয়াম আকরিক কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ ২য় পত্র, এইচ এসসি , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।[লিঙ্ক]
১৯.
ভারতীয় কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোন সীমান্ত নেই?
  1. মিজোরাম
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. ত্রিপুরা
  4. নাগাল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্ত:
- নাগাল্যান্ড সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।

- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে।
- এগুলো হলো: পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মেঘালয়।
- উল্লেখ্য ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলো হলো আসাম, মিজোরাম, মণিপুর, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, অরুনাচল ও ত্রিপুরা।
- মণিপুর, নাগাল্যান্ড ও অরুনাচল এর সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।