পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১: পার্ট-১) বাংলা ব্যাকরণ: টপিকসমূহ ১. বাংলা ভাষা (ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়) ২. ধ্বনিতত্ত্ব (ধ্বনি ও বর্ণ-প্রকরণ; ধ্বনির উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; সন্ধি) পার্ট-২) জাতিসংঘ - History, মূল সংস্থা, জড়িত ব্যক্তি, জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ও নোবেল, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম (গুরুত্বপূর্ণ), জাতিসংঘ মিশন সমূহ, World Bank, IMF, WTO, UNCTAD. ------------------ পার্ট–১ সোর্স: উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই। তবে, সংস্থাগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটগুলো সম্ভব হলে একটু দেখে নিবেন। গাইডে অনেক সময় ভুল থাকে ও আপডেটেড তথ্য দেওয়া থাকে না।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৭ প্রশ্ন

.
কোনটি অশুদ্ধ যুক্তবর্ণ?
  1. জ্‌ + ঞ = জ্ঞ
  2. গ্ + ণ  = গু
  3. ঙ্ + গ = ঙ্গ
  4. গ্ + ধ =গ্ধ
সঠিক উত্তর:
গ্ + ণ  = গু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্ + ণ  = গু
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ যুক্তবর্ণ - গ্ + ণ  = গু। 
- এর শুদ্ধরূপ - গ্ + উ  = গু।

অন্যদিকে,
- গ্ + ধ =গ্ধ,
- ঙ্ + গ = ঙ্গ,
- জ + ঞ = জ্ঞ।
উপরিউক্ত যুক্তবর্ণগুলো শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি( ২০২২ সংস্করণ)।
.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. উৎকৃষ্ট
  2. অভিষেক
  3. অনুসঙ্গ
  4. প্রতিষেধক
সঠিক উত্তর:
অনুসঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুসঙ্গ
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান - অনুসঙ্গ

• ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে 'ষ' হয়।
যেমন:
- অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, প্রতিসেধক > প্রতিষেধক, প্রতিস্থান > প্রতিষ্ঠান, অনুস্থান > অনুষ্ঠান, বিসম> বিষম, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।

• 'ঋ' এবং ঋ কারের পর 'ষ' হয়।
যেমন:
- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট, দৃষ্টি, সৃষ্টি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
"সোনা + আলি = সোনালি" এটি কোন প্রকার সন্ধিবিচ্ছেদ?
  1. ব্যঞ্জনসন্ধি
  2. স্বরসন্ধি
  3. বিসর্গ সন্ধি
  4. নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
সঠিক উত্তর:
স্বরসন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বরসন্ধি
ব্যাখ্যা
স্বরসন্ধি:
- স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনে যে সন্ধি হয়, তাকে স্বরসন্ধি বলে।

যেমন:
- রুপা + আলি = রুপালি, 
- কুড়ি + এক = কুড়িক, 
- মা + এর = মায়ের,
- সোনা + আলি = সোনালি
- মিথ্যা + উক = মিথ্যুক, 
- নদী + এর = নদীর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
"শ্রীশ" এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. শ্রি + ঈশ
  2. শ্র + ঈশ
  3. শ্রী + ঈশ
  4. শ্রিঃ + ঈশ
সঠিক উত্তর:
শ্রী + ঈশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রী + ঈশ
ব্যাখ্যা
সন্ধির নিয়ম:
- ই, ঈ ধ্বনির সন্ধি।

যেমন:
- অতি + ইত = অতীত,
- পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা, 
- শচী + ইন্দ্র = শচীন্দ্র, 
- শ্রী + ঈশ = শ্রীশ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
চলিত রীতির নতুন নাম -
  1. মান রীতি
  2. প্রমিত রীতি
  3. কথ্য রীতি
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
 প্রমিত রীতি:
- বিশ শতকের সূচনায় কলকাতার শিক্ষিত লোকের কথ্য ভাষাকে লেখ্য রীতির আদর্শ হিসেবে চালু করার চেষ্টা হয়। এটি তখন চলিত রীতি নামে পরিচিতি পায়।
- প্রথম দিকে চলিত রীতিতে শুধু সাহিত্য রচিত হতো; দাপ্তরিক কাজ ও বিদ্যাচর্চা ইত্যাদি হতো সাধু ভাষায়।
- বিশ শতকের মাঝামাঝি নাগাদ চলিত রীতি সাধু রীতির জায়গা দখল করে। ক্রমে জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাধু রীতিকে সরিয়ে চলিত রীতি আদর্শ লেখ্য রীতিতে পরিণত হয়।
- একুশ শতকের সূচনা নাগাদ এই চলিত রীতিরই নতুন নাম হয় ‘প্রমিত রীতি'। এটি ‘মান রীতি' নামেও পরিচিত।
- বর্তমানে বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় যাবতীয় দাপ্তরিক কাজ, বিদ্যাচর্চা, সাংবাদিকতা ও যোগাযোগের ভাষা হিসেবে প্রমিত রীতি লেখ্য বাংলা ভাষার প্রধান রীতিতে পরিণত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
কোন দুটি অঘোষ ধ্বনি?
  1. থ, স
  2. ধ, ন
  3. ঢ়, জ
  4. ঙ, হ
সঠিক উত্তর:
থ, স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থ, স
ব্যাখ্যা
অঘোষ ধ্বনি:
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না, তাকে বলা হয় অঘোষ ধ্বনি।

যেমন:
- ক, খ, চ, ছ, প, ফ, ত, থ, স, ট, ঠ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
ঘোষ:
- যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় ঘোষধ্বনি।

যেমন:
- ব, ভ, ম, দ, ধ, ন, র, ল, ড, ঢ, ড়, ঢ়, জ, ঝ, গ, ঘ, ঙ, হ

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
কোনটি সাধুরীতি'র বৈশিষ্ট্য?
  1. আলাপ-আলোচনা ও নাট্যসংলাপের জন্য বেশি উপযোগী
  2. নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী
  3. পরিবর্তনশীল
  4. এ রীতি তদ্ভব শব্দবহুল
সঠিক উত্তর:
নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী
ব্যাখ্যা
সাধু রীতি:
(ক) বাংলা লেখ্য সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
(খ) এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
(গ) সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী
(ঘ) এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে।

অন্যদিকে,
চলিত রীতি:
(ক) চলিত রীতি পরিবর্তনশীল। একশ বছর আগে যে চলিত রীতি সে যুগের শিষ্ট ও ভদ্রজনের কথিত ভাষা বা মুখের বুলি হিসেবে প্রচলিত ছিল, কালের প্রবাহে বর্তমানে তা অনেকটা পরিবর্তিত রূপ লাভকরেছে।
(খ) এ রীতি তদ্ভব শব্দবহুল
(গ) চলিত রীতি সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য এবং বক্তৃতা, আলাপ-আলোচনা ও নাট্যসংলাপের জন্য বেশি উপযোগী
(ঘ) সাধু রীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে। বহু বিশেষ্য ও বিশেষণের ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
"উচ্ছ্বাস" সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. উৎ + শাস
  2. উৎ + শ্বাস
  3. ঊৎ + শ্বাস
  4. উঃ + শ্বাস
সঠিক উত্তর:
উৎ + শ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎ + শ্বাস
ব্যাখ্যা
সন্ধির নিয়ম:
• ত্ [ৎ] কিংবা দ্-এর পরে শ্ থাকলে ত্ ও দ্‌ স্থানে চ্ এবং শ্ স্থানে ছ্‌ হয় এবং দুয়ে মিলে চ্ছ হয়।

ত্ + শ্ = চ্ছ:
যেমন:
- উৎ + শ্বাস = উচ্ছ্বাস
- উৎ + শৃঙ্খল = উচ্ছৃঙ্খল, 
- উৎ + শল = উচ্ছল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
কোনটি চলিত রীতির শব্দ?
  1. শুকনো
  2. তুলা
  3. শুকনা
  4. জুতা
সঠিক উত্তর:
শুকনো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুকনো
ব্যাখ্যা
সাধু - চলিত:
→ মস্তক-মাথা, 
→ জুতা-জুতো, 
→ তুলা-তুলো, 
→ শুষ্ক/শুকনা-শুকনো
→ বন্য-বুনো ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
ব্যঞ্জনবর্ণে পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা কয়টি?
  1. ২৬টি
  2. ৩২টি
  3. ১০টি
  4. ২৭টি
সঠিক উত্তর:
২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬টি
ব্যাখ্যা
মাত্রাভেদে ব্যঞ্জনবর্ণ:
- ব্যঞ্জনবর্ণে পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা ২৬টি।
- ব্যঞ্জনবর্ণে অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা ৭টি।
- ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ৬টি।

অন্যদিকে,
- বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা বর্ণের সংখ্যা ৩২টি।
- বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা ১০টি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১১.
কোনটি সাধুরীতির শব্দ?
  1. করে
  2. পূর্বেই
  3. আগেই
  4. সঙ্গে
সঠিক উত্তর:
পূর্বেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বেই
ব্যাখ্যা
সাধু - চলিত:
→ পড়িল-পড়ল/পড়লো, 
→ করিয়া-করে, 
→ ভাঙিয়া যাইতে লাগিল-ভেঙে যেতে লাগল, 
→ ফুটিয়া রহিয়াছে-ফুটে রয়েছে, 
পূর্বেই-আগেই, 
→ সহিত-সঙ্গে/সাথে ইত্যাদি।

সাধু রীতি:
(ক) বাংলা লেখ্য সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
(খ) এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
(গ) সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী।
(ঘ) এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
'প্রতিশব্দ এবং শব্দজোড়' ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
  1. রূপতত্ত্বে
  2. বাক্যতত্ত্বে
  3. অর্থতত্ত্বে
  4. ধ্বনিতত্ত্বে
সঠিক উত্তর:
অর্থতত্ত্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থতত্ত্বে
ব্যাখ্যা
অর্থতত্ত্ব:
- ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেই অংশের নাম অর্থতত্ত্ব। একে বাগর্থতত্ত্বও বলা হয়।

অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়:
- বিপরীত শব্দ,
- প্রতিশব্দ,
- শব্দজোড়,
- বাগধারা প্রভৃতি বিষয় অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এই অংশে আলোচনা থাকে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৩.
'অ' বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. অতি
  2. পক্ষ
  3. অদ্য
  4. অনাথ
সঠিক উত্তর:
অনাথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাথ
ব্যাখ্যা
'অ' বর্ণের উচ্চারণ দুই রকম: [অ] এবং [ও]।

'অ' বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ:
- অনেক [অনেক্], কথা [কথা], অনাথ [অনাথ্]।

'অ' বর্ণের [ও] উচ্চারণ:
- অতি [ওতি], অণু [ওনু], পক্ষ [পোক্খো‌], অদ্য [ওদ্‌দো], মন [মোন্]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৪.
রামমোহন রায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ -
  1. এ গ্রামার অব দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ
  2. প্রমিত ব্যাকরণ
  3. বাংলা ব্যাকরণ
  4. গৌড়ীয় ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর:
গৌড়ীয় ব্যাকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌড়ীয় ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা
বাংলা ব্যাকরণ:
- প্রথম বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ ভাষায়। এর লেখক ছিলেন মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ। তাঁর বাংলা-পর্তুগিজ অভিধানের ভূমিকা অংশ হিসেবে তিনি এটি রচনা করেন।
- এরপর ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয় নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড প্রণীত ইংরেজি ভাষায় রচিত পূর্ণাঙ্গ একটি বাংলা ব্যাকরণ। বইটির নাম 'এ গ্রামার অব দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ'।
- ১৮০১ সালে উইলিয়াম কেরি এবং ১৮২৬ সালে রামমোহন রায় ইংরেজি ভাষায় আরো দুটি উল্লেখযোগ্য বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।
- ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত রামমোহন রায়ের 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৫.
কোনটি দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন -  স।

দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:

- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে।
- নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
- ত, থ, দ, ধ দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৬.
বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. সমাস
  2. উপসর্গ
  3. কারক বিশ্লেষণ
  4. বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা
সঠিক উত্তর:
কারক বিশ্লেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারক বিশ্লেষণ
ব্যাখ্যা
বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাক্যের নির্মাণ এবং এর গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়।
- এছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়ে থাকে।

অন্যদিকে, 
রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় - উপসর্গ, সমাস।
অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় - বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৭.
কোন শব্দটি অপিনিহিতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. তুলো
  2. সাউধ
  3. শিকে
  4. মুলো
সঠিক উত্তর:
সাউধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাউধ
ব্যাখ্যা
অপিনিহিতি: 
- পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।

যেমন: 
- আজি > আইজ,
- চারি > চাইর,
- সাধু > সাউধ,
- বাক্য > বাইক্য ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
প্রগত স্বরসঙ্গতি:
- আদিস্বর অনুযায়ী অন্ত্যস্বর পরিবর্তিত হলে প্রগত স্বরসঙ্গতি হয়।
যেমন:
- মুলা > মুলো;
- শিকা > শিকে;
- তুলা > তুলো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১৮.
কোনটি চ-বর্গীয় বর্ণ?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
স্পর্শধ্বনি:
- ক-ম পর্যন্ত ২৫ টি স্পর্শধ্বনি।
উচ্চারণস্থান অনুযায়ী এগুলোকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়।

যেমন:
কণ্ঠ্য; ক বর্গীয় বর্ণ: ক, খ, গ, ঘ, ঙ।
তালব্য; চ বর্গীয় বর্ণ: চ, ছ, জ, ঝ,
মূর্ধন্য; ট বর্গীয় বর্ণ: ট, ঠ, ড, ঢ, ণ।
দন্ত্য; ত বর্গীয় বর্ণ: ত, থ, দ, ধ, ন।
ওষ্ঠ্য; প বর্গীয় বর্ণ: প, ফ, ব, ভ, ম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৯.
শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয় -
  1. ধ্বনিতত্ত্বে
  2. অর্থতত্ত্বে
  3. বাক্যতত্ত্বে
  4. রূপতত্ত্বে
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্বে
ব্যাখ্যা
রূপতত্ত্ব বা পদক্রম:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দগঠন প্রক্রিয়া।
- উপসর্গ, সমাস, প্রত্যয়, পুরুষ রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২০.
"জানালা > জান্‌লা" কোন ধ্বনি পরিবর্তন?
  1. অভিশ্রতি
  2. বিষমীভবন
  3. অপিনিহিতি
  4. সম্প্রকর্ষ
সঠিক উত্তর:
সম্প্রকর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্প্রকর্ষ
ব্যাখ্যা
সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
- দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ।

যেমন:
- আটমেসে ˃ আটাসে,
- কুটুম্ব ˃ কুটুম,
- জানালা > জান্‌লা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২১.
উচ্চারণ স্থানের নামানুসারে 'ট-বর্গের' বর্ণগুলো কী নামে পরিচিত?
  1. মূর্ধন্য
  2. তালব্য
  3. ওষ্ঠ্য
  4. দন্ত্য
সঠিক উত্তর:
মূর্ধন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূর্ধন্য
ব্যাখ্যা
বর্গীয় ধ্বনি:
- ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি স্পর্শধ্বনিকে উচ্চারণস্থানের দিক থেকে পাঁচটি গুচ্ছ বা বর্গে ভাগ করা হয়েছে। প্রতি গুচ্ছের প্রথম ধ্বনিটির নামানুসারে সে গুচ্ছের সবগুলো ধ্বনিকে বলা হয় বর্গীয় ধ্বনি। বর্গভুক্ত বলে এ ধ্বনির চিহ্নগুলোকেও ঐ বর্গীয় নামে অভিহিত করা হয়।

যেমন-
বৰ্গ - বৰ্গীয় বৰ্ণ - বর্গের ভাষাবৈজ্ঞানিক নাম:
→ ক - ক, খ, গ, ঘ, ঙ - কণ্ঠ্য।
→ চ - চ, ছ, জ, ঝ, ঞ - তালব্য। 
- ট, ঠ, ড, ঢ, ণ - মূর্ধন্য।
→ ত - ত, থ, দ, ধ, ন - দন্ত্য।
→ প - প, ফ, ব, ভ, ম - ওষ্ঠ্য।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে বাংলাদেশ সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ২৭তম
  2. ২৯তম
  3. ৩১তম
  4. ৩৩তম
সঠিক উত্তর:
২৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ মুক্ত হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট সদস্য পদের জন্য আবেদন পাঠিয়েছিল, তবে ১১ আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বাংলাদেশের আবেদনটি পুনরায় বিবেচনার জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করতে সব সদস্যই সম্মত হয়।
- ২৩ আগস্ট বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য যুক্তরাজ্য, ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুগোস্লাভিয়া সমর্থিত একটি প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদে উপস্থাপন করা হয়।
- কিন্তু ২৫ তারিখে চীন ওই প্রস্তাবে ভেটো প্রয়োগ করার ফলে ওই সময় বাংলাদেশের পক্ষে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করা সম্ভব হয়নি।

⇒ ১৯৭৪ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ পুনরায় আবেদন করে।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশকে প্রথম জাতিসংঘ সংস্থায় সদস্যরূপে স্বাগত জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- জাতিসংঘ বাজেটে বাংলাদেশের চাঁদার হার .০১ শতাংশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২৩.
বিশ্বব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম চালু করে কবে?
  1. ১৯৪৪ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৪৬ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৬ সালে
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক:
- বিশ্বব্যাংক বলতে IBRD (International Bank for Reconstruction and Development) কে বুঝানো হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে: জুন, ১৯৪৬ সালে।
- ১৯৪৬ সালে যখন এটি কার্যক্রম শুরু করে, তখন এর সদস্য ছিল ৩৮টি।
- বর্তমান সদস্য ১৮৯টি দেশ।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: অজয় বঙ্গ (বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট সবসময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা মনোনীত এবং মার্কিন নাগরিক হয়ে থাকে)।
- প্রধান অঙ্গসংস্থা: ৫টি।

⇒ বিশ্বব্যাংকের কাজ:
* দারিদ্র্যের সবচেয়ে বড় কারণ, যুদ্ধ। তাই সদ্য যুদ্ধ থেকে মুক্তি লাভ করা দেশসমূহকে পুনর্গঠনে সাহায্য করে বিশ্বব্যাংক।
* মধ্যম আয়ের দেশসমূহকে দারিদ্রমুক্ত থাকার পথ দেখানো।
* জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধে রাষ্ট্রসমূহকে সাহায্য করা।
* এইডস থেকে মুক্তি।
* মুক্তবাণিজ্য সম্প্রসারণ।
* স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান করা; সুদ মুক্ত ধার দেওয়া; অনুদান প্রদান; শিক্ষা, অবকাঠামো ইত্যাদির উন্নয়ন; রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক, কৃষি ইত্যাদি খাতের আধুনিকায়ন; প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কাজও করে থাকে বিশ্বব্যাংক।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
২৪.
উড্রো উইলসনের ১৪ দফার কোন দফায় জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছিল?
  1. ৮ নং
  2. ১১ নং
  3. ১৪ নং
  4. ১২ নং
সঠিক উত্তর:
১৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ নং
ব্যাখ্যা
উড্রো উইলসন:
- যুক্তরাষ্ট্রের ২৮ তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি বক্তব্য প্রদান করেন।
- তাতে ছিল ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠার ও জাতিপুঞ্জ গঠনের আহ্বান।
- এ বক্তব্যটি ছিল ১৪ দফা বিশিষ্ট।

⇒ ভূমিকা: আমেরিকার রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন মিত্রপক্ষ ও জার্মানির মধ্য স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্য চোদ্দোটি শর্তযুক্ত এক ঘোষণা জারি করেন, যা 'চোদ্দোদফা শর্ত' নামে পরিচিত।
- ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দে এটি ঘোষণা হয়।
- এই প্রস্তাবনার ১৪ নং পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।
- পয়েন্ট ১৪: "একটি সাধারণ বৈশ্বিক সম্মেলন স্থাপন করা, যা আন্তর্জাতিক আইন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করবে।"

উৎস: History.com
২৫.
জাতিসংঘ ও এর সংশ্লিষ্ট মোট কতবার নোবেল পুরস্কার লাভ করে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৮ বার
  2. ১০ বার
  3. ১২ বার
  4. ১৩ বার
সঠিক উত্তর:
১২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বার
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও নোবেল পুরস্কার:
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাতিসংঘ ও এর সাথে সম্পর্কিত ব্যাক্তিবর্গ মোট ১২ বার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ জাতিসংঘের ২ জন মহাসচিব নোবেল (শান্তি) পুরস্কার লাভ করে।
- এরা হলেন - দ্যাগ হেমারশোল্ড (১৯৬১ সাল) ও কফি আনান (২০০১ সাল)।

⇒ পুরস্কার:
- ২০২০ সাল: বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP)।
- ২০১৩ সাল: অর্থনৈতিক ও রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা (OPCW)।
- ২০০৭ -সাল: আইপিসিসি (IPCC) এবং Al Gore Jr.
- ২০০৫ সাল: আইএইএ (IAEA) এবং Mohamed ElBaradei.
- ২০০১ সাল: জাতিসংঘ এবং কফি আনান।
- ১৯৮৮ সাল: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী।
- ১৯৮১ সাল: ইউএনএইচসিআর (UNHCR)।
- ১৯৬৯ সাল:  আইএলও (ILO)।
- ১৯৬৫ সাল: ইউনিসেফ (UNICEF)।
- ১৯৬১ সাল: দ্যাগ হেমারশোল্ড।
- ১৯৫৪ সাল: ইউএনএইচসিআর (UNHCR)।
- ১৯৫০ সাল: Ralph Bunche

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। [link]
২৬.
জাতিসংঘ বাজেটে বাংলাদেশের চাঁদার হার কত?
  1. ১০ শতাংশ
  2. ১ শতাংশ
  3. ০.১ শতাংশ
  4. ০.০১ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
০.০১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের বাজেট:
- জাতিসংঘ সনদের ১৭ ধারা মতে সাধারণ পরিষদ বাজেট বিবেচনা ও অনুমোদনের জন্য দায়ী।
- এ পরিষদ কর্তৃক স্থিরকৃত হারে সদস্যরাষ্ট্রগুলো সংগঠনটির ব্যয়ভার বহন করবে।
- সাধারণ পরিষদের একটি সহকারী সংস্থা চাঁদা সংক্রান্ত কমিটি-চাঁদার হার নির্ধারণ করার জন্য ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত।
- সদস্যরাষ্ট্রগুলোর চাঁদা প্রদানের ক্ষমতা অনুযায়ী তাদের দেয় চাঁদার পরিমাণ ধার্য করা হয়।
- চাঁদা প্রদানের ক্ষমতা নিরূপণে দেশগুলোর জাতীয় আয় সংক্রান্ত পরিসংখ্যান ও জনসংখ্যা বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৭২ সালে গৃহীত সাধারণ পরিষদের একটি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো একটি দেশের সর্বোচ্চ দেয় চাঁদার পরিমাণ সংস্থাটির নিয়মিত বাজেটের ২৫ শতাংশ ও সর্বনিম্ন দেয় চাঁদা ১ শতাংশের ১শ' ভাগের ১।

⇒ জাতিসংঘে বাংলাদেশের চাঁদার পরিমাণ:
- জাতিসংঘ বাজেটে বাংলাদেশের চাঁদার হার ০.০১ শতাংশ।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। [link] [link]
২৭.
বিশ্বব্যাংকের "বেসরকারি খাতের উন্নয়ন" এর কাজগুলো কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হয়?
  1. IFC
  2. IDA
  3. IBRD
  4. MIGA
সঠিক উত্তর:
IFC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IFC
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক গ্রুপ:
- বিশ্বব্যাংক ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
1. International Bank for Reconstruction and Development (IBRD).
2. International Finance Corporation (IFC).
3. Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA).
4 International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID).
5.International Development Association (IDA).

⇒ IFC (International Finance Corporation):
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০ জুলাই, ১৯৫৬।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৬টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্র।
- সংস্থাটি স্বল্প আয়ের উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতে আর্থিক সহযোগীতা করে ও উপদেশ দিয়ে থাকে।
- সংস্থাটি ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
২৮.
IMF-এর সর্বশেষ ১৯১তম দেশ কোনটি?
  1. দক্ষিণ সুদান
  2. পূর্ব তিমুর
  3. লাউস
  4. লিচেনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
লিচেনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিচেনস্টাইন
ব্যাখ্যা
IMF:
- IMF-এর পূর্ণরূপ: The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- গঠনের সিদ্ধান্ত: ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা/চুক্তি কার্যকর: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সাল।
- কার্যক্রম শুরু: মার্চ, ১৯৪৭।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: Bretton Woods Conference।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

উল্লেখ্য,
- IMF-এর সর্বশেষ ১৯১তম দেশ লিচেনস্টাইন।
- ২১ অক্টোবর, ২০২৪-এ লিচেনস্টাইন IMF-এ সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
২৯.
জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব কততম? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৯ম
  2. ১০ম
  3. ১১তম
  4. ১২তম
সঠিক উত্তর:
৯ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘের মহাসচিব নিযুক্ত হয় নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে।
- জাতিসংঘের মহাসচিবের মেয়াদকাল ৫ বছর।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।

উল্লেখ্য,
- আন্তোনিও গুতেরেস জাতিসংঘের নবম মহাসচিব।
- তিনি ইউরোপ মহাদেশের দেশ পর্তুগাল-এর নাগরিক।
- তিনি ১ জানুয়ারি, ২০১৭ সালে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩০.
জাতিসংঘের মূল সনদে কতটি অধ্যায় রয়েছে?
  1. ১৯টি
  2. ২৩টি
  3. ৩৩টি
  4. ১১১টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সনদ (UN Charter):
- জাতিসংঘ সনদটি হচ্ছে একটি সংবিধান।
- এতে রয়েছে ঐসব উদ্দেশ্য ও মূলনীতি, যেগুলোকে ভিত্তি করে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত।
- এর মূল দলিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘ মহাফেজখানায় জমা রাখা হয়েছে।
- জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা: আর্চিবাল্ড ম্যাকলিশ (Archibald Macleish)।
- সনদে মোট ১১১টি অনুচ্ছেদ ও ১৯টি অধ্যায় রয়েছে।
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ জাতিসংঘ সনদের অধায়গুলো:
- অধ্যায় ১ : উদ্দেশ্য ও মূলনীতি,
- অধ্যায় ২ : সদস্যপদ,
- অধ্যায় ৩ : অঙ্গসমূহ,
- অধ্যায় ৪ : সাধারণ পরিষদ,
- অধ্যায় ৫ : নিরাপত্তা পরিষদ,
- অধ্যায় ৬ : বিরোধাদির শান্তিপূর্ণ মীমাংসা,
- অধ্যায় ৭ : শান্তির প্রতি হুমকি, শান্তিভঙ্গ এবং আক্রমণাত্মক কার্যাদি সম্পর্কে ব্যবস্থা,
- অধ্যায় ৮ : আঞ্চলিক ব্যবস্থাসমূহ
- অধ্যায় ৯ : আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতা,
- অধ্যায় ১০: অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ,
- অধ্যায় ১১ : অস্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলসমূহ সম্পর্কে ঘোষণা,
- অধ্যায় ১২ : আন্তর্জাতিক অছি ব্যবস্থা,
- অধ্যায় ১৩: অছি পরিষদ,
- অধ্যায় ১৪ আন্তর্জাতিক আদালত,
- অধ্যায় ১৫: সচিবালয়,
- অধ্যায় ১৬: বিবিধ ধারাসমূহ,
- অধ্যায় ১৭: অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাদি,
- অধ্যায় ১৮: সংশোধনের নিয়মাবলি অধ্যায়,
- অধ্যায় ১৯: অনুমোদন ও স্বাক্ষরদান।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩১.
'World Investment Report' নিম্নের কোন সংস্থা প্রকাশ করে?
  1. IBRD
  2. IMF
  3. WTO
  4. UNCTAD
সঠিক উত্তর:
UNCTAD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNCTAD
ব্যাখ্যা
UNCTAD:
- UNCTAD এর পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Trade and Development বা জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন।
- এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষ সংস্থা।
- এটি ১৯৬৪ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এটি সাধারণ পরিষদের অধীনে গঠিত একটি সংস্থা যা অর্থনীতি ও টেকসই উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলো ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণে কাজ করে।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৫।
- সংস্থাটি World Investment Report প্রকাশ করে।

উল্লেখ্য,
• জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD) বাৎসরিক যে রিপোর্টগুলো প্রকাশ করে সেগুলো হল:
- The Trade and Development Report,
- The Trade and Environment Review,
- The World Investment Report,
- The Least Developed Countries Report,
- The Technology and Innovation Report,
- Digital Economy Report ইত্যাদি।

উৎস: UNCTAD ওয়েবসাইট।
৩২.
নিরাপত্তা পরিষদের কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কমপক্ষে কতটি সদস্য দেশের সম্মতির প্রয়োজন হয়?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ হলো জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- এর প্রধান দায়িত্ব হলো বিশ্বজুড়ে শান্তি বজায় রাখা এবং সংঘাত প্রতিরোধ করা।
- নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫ (পাঁচটি স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য)।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র। এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিলো ১১টি, ৫টি স্থায়ী এবং ৬টি অস্থায়ী।
- ১৯৬৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর গৃহিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের A/RES/1991(XVIII) রেজ্যুলেশনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য সংখ্যা ৬টি থেকে ১০টিতে উন্নীত করা হয়।
- ফলে ১৯৬৬ সাল থেকে নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দাড়ায় ১৫টিতে।

⇒ নিরাপত্তা পরিষদের কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কমপক্ষে ৯টি সদস্য দেশের সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- কোন প্রস্তাব পাশের জন্যে পাঁচটি স্থায়ীসহ মোট ৭টি সদস্য থেকে ৯টি সদস্যের বিধান গৃহিত হয়।

উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
৩৩.
কোন চুক্তির মাধ্যমে WTO প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. মারাকেশ চুক্তি
  2. জেনেভা চুক্তি
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. ব্রেটন উডস চুক্তি
সঠিক উত্তর:
মারাকেশ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাকেশ চুক্তি
ব্যাখ্যা

WTO:
- WTO-এর পূর্ণরূপ: World Trade Organization.
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
- বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি দেশ।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মহাপরিচালক: এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা।
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).

⇒ মারাকেশ চুক্তি:
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে মরক্কোর মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে WTO প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এর মাধ্যমে GATT-এর মাধ্যমে গ্যাট-এর উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তি ঘটে।

অন্যদিকে,
- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষে ১৯৪৪-এ ব্রেটন উডস চুক্তি অনুযায়ী বিশ্বব্যাংক ও IMF-এর সাথে WTO প্রতিষ্ঠার কথা ছিল।
- WTO সম্পর্কিত চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট কর্তৃক অনুমোদিত না হওয়ায় ব্রেটন উডস এ গৃহীত সূত্র অনুযায়ী আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য প্রবাহ মুক্তভাবে পরিচালনার উদ্দেশ্যে শুল্ক ও বাণিজ্য ক্ষেত্রের সাধারণ চুক্তি (GATT) সম্পাদিত হয়।

উৎস: World Trade Organization ওয়েবসাইট।

৩৪.
নিচের কোনটি জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা নয়?
  1. রুশ
  2. ফরাসি
  3. জার্মান
  4. মান্দারিন
সঠিক উত্তর:
জার্মান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মান
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা মান্দারিন, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি: ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।

অন্যদিকে,
- জার্মান ভাষা জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা নয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩৫.
২৬ জুন, ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের সনদে স্বাক্ষর না করেও জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের মর্যাদা লাভ করে -
  1. পোল্যান্ড
  2. হল্যান্ড
  3. আইসল্যান্ড
  4. সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সনদ (UN Charter):
- জাতিসংঘ সনদ হচ্ছে জাতিসংঘের সংবিধান।
- এতে রয়েছে ঐসব উদ্দেশ্য ও মূলনীতি, যেগুলোকে ভিত্তি করে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত।
- জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা: আর্চিবাল্ড ম্যাকলিশ (Archibald Macleish)।
- জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে অনুষ্ঠিত সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য পোল্যান্ড সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে উপস্থিত ছিলো না।
- ৫১তম দেশ হিসেবে পোল্যান্ড ১৯৪৫ সালের ১৫ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে।
- সনদ স্বাক্ষরের পূর্বে পোল্যান্ড জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করায় পোল্যান্ডকেও জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য বিবেচনা করা হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩৬.
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল প্রতিষ্ঠাকালে কতটি দেশ চুক্তিতে উপনীত হয়েছিল?
  1. ২৯টি
  2. ২১টি
  3. ৪৪টি
  4. ৫১টি
সঠিক উত্তর:
২৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯টি
ব্যাখ্যা
IMF:
- IMF-এর পূর্ণরূপ: The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- গঠনের সিদ্ধান্ত: ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল।
- আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫।
- কার্যক্রম শুরু করে: মার্চ, ১৯৪৭।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: Bretton Woods Conference।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৪ সালে ব্রেটন উডস সম্মেলনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ গঠন করা হয়।
- এই সংস্থা আন্তর্জাতিক মুদ্রাসংক্রান্ত সহযোগিতা বৃদ্ধি, বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা ও বিনিময় ব্যবস্থা সুবিন্যস্ত ও সহজতর করে।
- ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল প্রতিষ্ঠাকালে ২৯টি দেশ চুক্তিতে উপনীত হয়েছিল।
- এর ভিত্তিতেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয়।

⇒ ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস বিশ্বব্যাংক ও IMF গঠনের Articles of Agreement অনুমোদন করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার শহরে ২৯টি দেশ ব্রেটন উডস চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- মোট ২৯টি দেশের অনুমোদন নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাংক ও IMF প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
৩৭.
কোনটি জাতিসংঘের মূল সংস্থার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ECOSOC
  2. UNSC
  3. UNCTAD
  4. UNGA
সঠিক উত্তর:
UNCTAD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNCTAD
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।

⇒ জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
• সাধারণ পরিষদ (the General Assembly),
• নিরাপত্তা পরিষদ (the Security Council),
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (the Economic and Social Council),
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (the International Court of Justice),
• অছি পরিষদ (the Trusteeship Council),
• জাতিসংঘ সচিবালয় (the Secretariat)।

অন্যদিকে,
- UNCTAD জাতিসংঘের মূল সংস্থার অন্তর্ভুক্ত নয়।
- UNCTAD হল জাতিসংঘের একটি বিশেষ সংস্থা, যা ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি ও তাদের উন্নয়নশীল দেশের পরিস্থিতি উন্নত করা। 

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩৮.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি কত বছরের জন্য নির্বাচিত হয়?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ সংস্থা।
- জাতিসংঘের সব সদস্য এ পরিষদের সদস্য।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- বাৎসরিকভাবে এ পরিষদের অধিবেশন বসে যা সাধারণ অধিবেশন নামে পরিচিত।
- সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসের ৩য় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সনদের চতুর্থ অধ্যায়-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে ১ বছরের জন্যে সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল ১৯৪৬ সালের ২৩ অক্টোবর থেকে ১৬ ডিসেম্বর লন্ডনের ওয়েস্ট মিনিস্টার হলে (সেন্ট্রাল হল ওয়েস্টমিনিস্টার)।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম নারী সভাপতি ভারতের বিজয়লক্ষ্মী পন্ডিত।
- বাহরাইনের হায়া রশীদ আল খলিফা প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে ২০০৬ সালে সাধারণ পরিষদের ৬১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
৩৯.
SDR-এর মূল্য নিম্নের কোন মুদ্রার উপর নির্ভর করেনা?
  1. ডলার
  2. ক্রোনা
  3. ইয়েন
  4. ইউরো
সঠিক উত্তর:
ক্রোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোনা
ব্যাখ্যা
SDR-এর মূল্য ক্রোনার উপর নির্ভর করেনা।

SDR:
- SDR-এর পূর্ণরূপ: Special Drawing Rights.
- SDR হলো আইএমএফের একধরনের নিজস্ব অর্থব্যবস্থা।
- আইএমএফের সম্পদ ও ঋণকে এসডিআর এককে গণনা করা হয়।
- তবে এটি নিজে কোনো মুদ্রা নয়, একটি ধারণামাত্র।

⇒ SDR-এর মূল্য কয়েকটি প্রধান মুদ্রা: মার্কিন ডলার (USD), ইউরো (EUR), চীনা রেনমিনবি (CNY), জাপানি ইয়েন (JPY) এবং ব্রিটিশ পাউন্ড (GBP)।
- এটা সরাসরি কোনো দেশের মুদ্রার মতো ব্যবহার হয় না, কিন্তু আন্তর্জাতিক লেনদেন বা দেশগুলোর মধ্যে অর্থ সাহায্য দেওয়ার জন্য কাজ করে।
- যেকোনো মুদ্রার সঙ্গে এই ভার্চ্যুয়াল সম্পদকে বিনিময় করা যায়।
- ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো আইএমএফের এসডিআরকে যেকোনো মুদ্রায় নিজেদের রিজার্ভে গণনা করতে পারে। 
- এর মাধ্যমে একটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে যায়।
- নিয়মিত এসডিআরের মূল্যমান হালনাগাদ করা হয়।

⇒ SDR-এর মান প্রতিদিন লন্ডনের সময় দুপুরের দিকে পর্যবেক্ষণ করা স্পট এক্সচেঞ্জ হারের উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়।
- IMF ১৯৬৯ সালে SDR গঠনতন্ত্র সংশোধন করেছিল।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
৪০.
জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন?
  1. ৪১তম
  2. ৪২তম
  3. ৪৩তম
  4. ৪৪তম
সঠিক উত্তর:
৪১তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারন পরিষদে দুইবার সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- প্রথমবার ১৯৮৬ সালে, দ্বিতীয়বার ১৯৯৯ সালে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় ১৯৮৬ সালে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী।
- বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
৪১.
সর্বশেষ WTO-এর ১৩তম Ministerial conferences কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? [মার্চ, ২০২৫]
  1. আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. বুয়েনস আইরেসে, আর্জেন্টিনা
  4. নাইরোবি, কেনিয়া
সঠিক উত্তর:
আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
WTO:
- WTO-এর পূর্ণরূপ: World Trade Organization.
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
- বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি দেশ।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মহাপরিচালক: এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা।
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).

উল্লেখ্য,
- WTO-এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী শাখা হলো Ministerial conferences।
- মন্ত্রী পরিষদের অধিবেশন (Ministerial conference) সকল সদস্য নিয়ে গঠিত।
- এটি বিশ্ব-বাণিজ্য সংস্থার কার্যকরী বিভাগ।
- সাধারণ পরিষদ (General Council)-মন্ত্রী পরিষদের অধিবেশনের অন্তর্বর্তী সময়ে এটি কার্য পরিচালনা করে।
- WTO-এর "Ministerial Conference" প্রতি দুই বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) এর ১৩তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন (মিনিস্ট্রিয়াল সম্মেলন) অনুষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালের সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে।

উৎস: World Trade Organization ওয়েবসাইট।
৪২.
১৯৬৫ সাল পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ছিল -
  1. ৫টি
  2. ৮টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (United Nations Security Council বা UNSC) হলো জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫ (পাঁচটি স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিলো ১১টি, ৫টি স্থায়ী এবং ৬টি অস্থায়ী।
- ১৯৬৩ সালে সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয় যা ১৯৬৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।

⇒ বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশ হলো: ডেনমার্ক (২০২৬), গ্রিস (২০২৬), সোমালিয়া (২০২৬), পাকিস্তান (২০২৬), পানামা (২০২৬), আলজেরিয়া (২০২৫), গায়ানা (২০২৫), কোরিয়া (২০২৫), সিয়েরা লিওন (২০২৫), স্লোভেনিয়া (২০২৫)।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য।

উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
৪৩.
মার্কিন কোন প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার 'আটলান্টিক সনদে' স্বাক্ষর করেন?
  1. ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট
  2. উড্রো উইলসন
  3. হ্যারি এস ট্রুম্যান
  4. জন এফ কেনেডি
সঠিক উত্তর:
ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সম্মেলন:
- ১৯৪১ সালের আগস্ট মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক মহাসাগরের নৌবহরে মিলিত হয়ে আটটি শর্ত বিশিষ্ট শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেন।
- অতঃপর দুইদেশের রাষ্ট্রপ্রধান মিলিতভাবে একটি ঘোষণা দেন যা আটলান্টিক চার্টার বা আটলান্টিক সনদ নামে খ্যাত।
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।

⇒ এতে বলা হয় যে, সকল জাতিকে আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার ও রাষ্ট্রীয় সীমানা সম্পর্কে নিরাপত্তা দেওয়া হবে।
- প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট যুদ্ধোত্তর পৃথিবীকে বাক স্বাধীনতা, ধর্ম পালনের স্বাধীনতা এবং অনাহার ও ভীতি থেকে মুক্তির আশ্বাসবাণী শুনিয়েছিলেন।
- সমুদ্রপথে অবাধ যাতায়াত, পররাজ্য গ্রাস নীতির অবসান, নিরস্ত্রীকরণ ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি উচ্চ আদর্শের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।

⇒ ১৯৪২ সালে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া একটি ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে আটলান্টিক চার্টারের উল্লেখিত নীতি ও আদর্শকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- পরে আরও ২২টি দেশ এতে স্বাক্ষর করলে মোট সংখ্যা ২৬-এ উন্নীত হয়।
- এই ঘোষণা জাতিসংঘ ঘোষণা (United Nations Declaration) নামেও খ্যাত।
- কারণ জাতিসংঘ বা United Nations কথাটি এ সম্মেলনের ঘোষণাপত্র থেকেই নেওয়া হয়েছিল।

উৎস: Office of the Historian (.gov).
৪৪.
বর্তমানে কতটি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন চলমান আছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন:
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- ১৯৪৮ সালে সংঘটিত ১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই মিশনের নাম ছিল "United Nations Truce Supervision Organization (UNTSO)"।
- এটি ছিল জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন এবং এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ১৯৪৮ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি সঠিকভাবে পালন হচ্ছে কিনা তা মনিটর করা।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ১৯৮৮ সালে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং এশিয়া জুড়ে জাতিসংঘের ১১টি শান্তিরক্ষা মিশন চলমান রয়েছে। 

⇒ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের মূল উদ্দেশ্য:
- সংঘাতের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সশস্ত্র বিরোধী পক্ষদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বা শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন করা।
- যুদ্ধ বা সংঘাতের কারণে বিপর্যস্ত জনগণের জন্য মানবিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়া।
- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য জাতিসংঘ মিশন আঞ্চলিক সরকারের সহায়তায় কাজ করে থাকে।
- যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে পুনর্গঠন কার্যক্রম পরিচালনা, যেমন অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ইত্যাদি।

উৎস: United Nations Peacekeeping. [link]
৪৫.
কোন সংস্থা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের বিচারক নির্বাচন করে?
  1. সাধারণ পরিষদ
  2. নিরাপত্তা পরিষদ
  3. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
International Court of Justice (ICJ):
- ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস বা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত।
- জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত হলো আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত।
- এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৫ সালে (সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন দ্বারা)।
- কার্যক্রম শুরু হয়: ১৯৪৬ সালে।
- সদরদপ্তর: হেগ নেদারল্যান্ডস।
- এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট নওয়াফ সালাম।

⇒ বিচারক:
- আদালতের বিচারক সংখ্যা ১৫ জন এবং তারা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং নিরাপত্তা পরিষদ দ্বারা নির্বাচিত হন।

- একজন বিচারক নির্বাচিত হন ৯ বছরের জন্য ও একজন সভাপতি নির্বাচিত হন ৩ বছরের জন্য।

⇒ কাজ:
- আদালত আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে এবং আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদান করে।
- বিরোধ নিষ্পত্তি: রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে যে কোনো আন্তর্জাতিক আইনের বিষয় নিয়ে বিরোধ থাকলে আদালত সেগুলোর নিষ্পত্তি করে।
- আইনি পরামর্শ: জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও বিশেষভাবে আন্তর্জাতিক আইন সংক্রান্ত বিষয়ে আইনি পরামর্শ প্রদান।

উৎস: International Court of Justice ওয়েবসাইট।
৪৬.
বিশ্বব্যাংকের ঋণ কার্যক্রমে সরকার ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিরোধ নিস্পত্তি করে -
  1. MIGA
  2. IDA
  3. IFC
  4. ICSID
সঠিক উত্তর:
ICSID
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICSID
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক:
- বিশ্বব্যাংক আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে জুন, ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য ১৮৯টি দেশ।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ।
- বিশ্বব্যাংক ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
1. International Bank for Reconstruction and Development (IBRD).
2. International Finance Corporation (IFC).
3. Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA).
4 International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID).
5.International Development Association (IDA).

⇒ ICSID:
- ICSID-এর পূর্ণরূপ: International Center for Settlement of Investment Disputes.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ অক্টোবর, ১৯৬৬।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১৬৬টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্র।
- ICSID এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্পর্কিত বিরোধগুলির শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
৪৭.
জাতিপুঞ্জের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ কয়টি?
  1. ৪১টি
  2. ৪২টি
  3. ৫০টি
  4. ৫১টি
সঠিক উত্তর:
৪১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১টি
ব্যাখ্যা
জাতিপুঞ্জ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিপুঞ্জের (League of Nations) আত্মপ্রকাশ হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির একটি অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র।
- জাতিপুঞ্জ ১৯২০ সালে আত্মপ্রকাশ করে।
- জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৪১টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয়: ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬।

উল্লেখ্য,
- লীগ অব নেশনস এর দুটি শক্তিশালী অঙ্গ ছিল।
- একটি কাউন্সিল এবং সাধারণ পরিষদ।
- বিশ্বের শক্তিধর ৫ টি রাষ্ট্র ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি ও জাপান এই কাউন্সিলের সদস্য।
- এছাড়া ৪ টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র রাখা হয়।
- ত্রিশের দশকে লীগ অব নেশনস বিভিন্ন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়।
- সাংগঠনিক দুর্বলতা ও বিশ্বশান্তি বিধানে ব্যর্থ হয়ে জাতিপুঞ্জ বা লীগ অব নেশনসের আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি ঘটে ২০ এপ্রিল ১৯৪৬।

[জাতিপুঞ্জের বিলুপ্তির তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। ব্রিটানিকা অনুসারে ১৯ এপ্রিল, ১৯৪৬ তারিখে জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয়। কিন্তু জাতিসংঘের ওয়েবসাইট অনুসারে, ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬ তারিখে জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয়। তাই ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬ অধিক গ্রহণযোগ্য। বিস্তারিত জানার জন্য তথ্যকল্পদ্রুপ-৩০ দেখতে পারেন।]

উৎস: i) Office of the Historian (.gov).
ii) UN ওয়েবসাইট।