পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৯: বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. ডাটাবেজ সিস্টেম ও এর উপাদান, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ২. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও এর প্রতিকার ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক [ল্যান, ম্যান, ওয়াই-ফাই, ওয়াইম্যাক্স] ও ইন্টারনেটের ধারণা ও বিবর্তন। ৪. ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW), নিত্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি: ই-মেইল, ফ্যাক্স ইত্যাদি; ৫. দৈনন্দিন জীবনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার। এবং বিষয় - বাংলা সাহিত্য টপিক - বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নীলিমা ইব্রাহিম, প্রমথ চৌধুরী, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মীর মশাররফ হোসেন, মুনীর চৌধুরী। ২. অন্যান্য লেখকগণ: গোবিন্দচন্দ্র দাস, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড, নওয়াব ফয়জুন্নেসা, নবীনচন্দ্র সেন, নির্মলেন্দু গুণ, নুরুল মোমেন, প্রেমেন্দ্র মিত্র, প্যারীচাঁদ মিত্র, ফররুখ আহমদ, বদরুদ্দীন ওমর, বন্দে আলী মিয়া, বিজন ভট্টাচার্য, বিষ্ণু দে, মনোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ, মামুনুর রশিদ, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ নজিবর রহমান, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩১ প্রশ্ন

.
ডাটাবেজে কোনো রেকর্ড সংযোজন বা সংশোধন করলে কী হয়?
  1. ইনডেক্স করা ফাইল আপডেট হয়
  2. সর্ট করা ফাইল আপডেট হয়
  3. নতুন করে ইনডেক্স করতে হয়
  4. রেকর্ডগুলোর অ্যাড্রেস সাজানো হয়
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্স করা ফাইল আপডেট হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্স করা ফাইল আপডেট হয়
ব্যাখ্যা
ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। তবে-
• সর্ট করা ফাইলকে অন্য নামে ডাটাবেজ ফাইল হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। 
• সাধারণ কী ফিল্ডের উপর ইনডেক্স করা হয়।
• পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে সর্ট করা ফাইলে তা আপডেট হয় না। 
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর।
- সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
ই-মেইলের মাধ্যমে কাউকে নকল ওয়েবসাইটে নিয়ে তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে নেয়াকে কী বলে?
  1. Sneaking
  2. Spoofing
  3. Phishing
  4. Vishing
সঠিক উত্তর:
Phishing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phishing
ব্যাখ্যা
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। 

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোনো ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
কম্পিউটার যখন চালু থাকে তখন কক্ষ তাপমাত্রা কত থাকা উচিত?
  1. ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
  2. ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
  3. ২০ থেকে ৬০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
  4. ৮০ থেকে ৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা উভয়েই ক্ষতিকর, তাই কম্পিউটার সিস্টেমকে অবশ্যই সার্বক্ষণিক একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার রাখতে হবে।
- মাইক্রোকম্পিউটারের ক্ষেত্রে যখন সিস্টেম চালু থাকবে তখন আদর্শ রুম তাপমাত্রা ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট আর যখন সিস্টেম বন্ধ থাকবে তখন ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রি ফারেনহাইট।

যদি কখনো কম্পিউটারে অল্প সময়ের ব্যবধানে ব্যাপক তাপমাত্রা পরিবর্তনের সম্মুখীন হয় তবে নিম্নোক্ত সমস্যাসমূহ হতে পারে-
১. সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে যে চিপস রয়েছে সেগুলো তাদের নির্দিষ্ট সকেটের বাইরে কাজ করতে শুরু করবে। পাশাপাশি চিপ কানেক্টর দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
২. তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তনের কারণে হার্ডডিস্কের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।

- উক্ত সমস্যাগুলো সাধারণত হয়ে থাকে যান্ত্রিক সরঞ্জামের দ্রুত ঠাণ্ডা অথবা গরম হয়ে উঠার জন্য। মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য এ ধরনের তাপমাত্রার পরিবর্তন অত্যন্ত বিপদজনক। তাই কম্পিউটার কখনো কোনো উত্তপ্ত বা অধিক ঠাণ্ডা স্থানে রাখা উচিত নয় বা সরাসরি সূর্যালোকেও রাখা উচিত নয়।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম (ইউনিট ১০), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
একটি LAN এ সর্বোচ্চ কয়টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যায়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
• LAN: 
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- তারবিহীন প্রযুক্তির মাধ্যমে LAN তৈরি করা হলে থাকে WLAN (Wireless Local Area Network) বলে।
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত (ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়)।
- একটি LAN এ সর্বোচ্চ ৪টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
ইমেইল এড্রেস এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. প্রথমে 'ইউজার নেম' তারপর 'ডোমেইন নেম' থাকে
  2. প্রথমে 'ডোমেইন নেম' তারপর 'ইউজার নেম' থাকে
  3. শুধুমাত্র 'ইউজার নেম' থাকে
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
প্রথমে 'ইউজার নেম' তারপর 'ডোমেইন নেম' থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথমে 'ইউজার নেম' তারপর 'ডোমেইন নেম' থাকে
ব্যাখ্যা
সাধারণত ইমেইল এড্রেসে তিনটি অংশ থাকে যেমন: a username, an @ sign, and a domain name
এখানে @ এর আগের অংশটুকু ইউজার নেম এবং @ এর পরের অংশটুকু ডোমেইন নেম। ডোমেইন নেমের পর এক্সটেনশন বসে।
যেমন:
username@domainname.extension

• The username is the name you choose to be identified with for e-mail purposes and that you have provided to the e-mail host to create your e-mail account.

• The domain name is the internet designation for the e-mail host, which may be a private site, company, organization, or government entity.
.
ডাটাবেজ তৈরি করার যাবতীয় নিয়মগুলোকে কী বলে?
  1. ইন্সটেন্স
  2. স্কিমা
  3. রেকর্ড
  4. কুয়েরি
সঠিক উত্তর:
স্কিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্কিমা
ব্যাখ্যা
স্কিমা:
- ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।
- ডাটাবেজের স্কিমা নিয়মিত পরিবর্তনশীল।
- কোনো ডাটাবেজের স্কিমা মূলত চলকের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ডিক্লারেশনের সাথে জড়িত।
- ডাটাবেজের স্কিমা সাধারণত তিন ধরনের। যথা-
- physical schema,
- logical schema,
- subschemas.
- physical schema হলো ডাটাবেজের ফিজিক্যাল লেভেল ডিজাইন সংক্রান্ত বর্ণনা আর logical schema হলো ডাটাবেজের লজিক্যাল লেভেল ডিজাইন সংক্রান্ত বর্ণনা।
- প্রোগ্রামারগণ logical schema তৈরির মাধ্যমে প্রোগ্রাম ডিজাইন করেন।
- অন্যদিকে, subschemas ডাটাবেজের বিভিন্ন ধরনের ভিউ সংক্রান্ত বর্ণনা প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
.
সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে বলে-
  1. ব্রাউন আউট
  2. ব্লাক আউট
  3. ট্রানসিয়েন্ট
  4. নয়েজ
সঠিক উত্তর:
ব্রাউন আউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাউন আউট
ব্যাখ্যা
• বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ একটি সাধারণ ব্যাপার। বিদ্যুৎ পাওয়ার লাইনে সাধারণত চার ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যথা-
১. ব্রাউন আউট (Brown Out)
২. ব্লাক আউট (Black Out)
৩. ট্রানসিয়েন্ট (Transient) ও
৪. নয়েজ (Noise)

ব্রাউন আউট (Brown Out):
পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়। সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে। এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

ব্লাক আউট (Black Out):
হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে। সাধারণত প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে ব্লাক আউট হতে পারে। ব্লাক আউটের কারণে কম্পিউটারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাই ঝড়, তুফান ও বজ্রপাতের সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

ট্রানসিয়েন্ট (Transient):
বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়। অনেক ট্রানসিয়েন্ট পাওয়ার সাপ্লাই দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে নিঃশ্বেষ হয় কিন্তু অনেক ট্রানসিয়েন্ট এ বাধা অতিক্রম করে কম্পিউটারের ভেতরের অনেক বর্তনীসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট করে দিতে পারে।

নয়েজ (Noise):
সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে। প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়। এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

 উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি করা কী ধরণের সাইবার অপরাধ?
  1. Spamming
  2. Cyber bully
  3. Cyber theft
  4. Spoofing
সঠিক উত্তর:
Cyber theft
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cyber theft
ব্যাখ্যা
• সাইবার চুরি (Cyber theft):
- অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থায় তথ্য চুরির সাথে সাথে অনেক সময় টাকা পয়সাও চুরি হয়। 
- এ ক্ষেত্রে অপরাধীরা কোনো নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে লুকিয়ে থাকে এবং ইউজার কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত তথ্য ডেটাবেজের কপি তৈরি করে। সেই তথ্যগুলো ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে কারো অ্যাকাউন্ট থেকে তার সমস্ত টাকা নিজ অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে নেয়। 

• স্প্যামিং (Spamming):
- ই-মেইল অ্যাকাউন্টে অচেনা ও অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল পাওয়া যায়। এ ধরনের ই-মেইলকে স্প্যাম মেইল বলে।
- কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোনো নিদিষ্ট ই-মেইলে শত শত মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এ পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে। 
- সাধারণত কোনো ওয়েব সার্ভারকে ব্যস্ত রাখা অথবা এর মেমোরি ও ষ্টোরেজ অপ্রয়োজনীয় ইনফরমেশন দ্বারা পূর্ণ করে এর পারফরমেন্সের ক্ষতি করার জন্য স্প্যামিং করা হয়।  
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• সাইবার সন্ত্রাস/উৎপীড়ক বা সাইবার বুলি (Cyber bully):
- তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে জোরপূর্বক কোনো কিছু করতে বাধ্য করাকে সাইবার সন্ত্রাস বা সাইবার বুলি বলা হয়। 

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোনো ব্যক্তি বা একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. সংক্ষিপ্ত ও সহজে মনে রাখার উপযোগী।
  2. নাম ও জন্ম তারিখের মতো ব্যক্তিগত তথ্যবহুল।
  3. বড় হাতের এবং ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ অক্ষরের সংমিশ্রণ।
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বড় হাতের এবং ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ অক্ষরের সংমিশ্রণ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড় হাতের এবং ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ অক্ষরের সংমিশ্রণ।
ব্যাখ্যা
- মূলত পাসওয়ার্ড বলতে বোঝায় একটি মৌলিক সুরক্ষা ব্যবস্থা যা বর্ণমালা, সংখ্যাসূচক, বর্ণানুক্রমিক এবং প্রতীকী অক্ষর বা একটি সংমিশ্রণ ব্যবহার করে তৈরি একটি কোড।
- পাসওয়ার্ডকে অ্যাক্সেস কোড, পিন বা গোপন কোডও বলা যেতে পারে। 

পাসওয়ার্ড নির্বাচনে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে- 
- নিজের বা পরিবারের কারাে নাম বা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার না করা।
- সংখ্যা, চিহ্ন ও অক্ষর ব্যবহারের ক্ষেত্রে ছােটো হাতের ও বড় হাতের দুই ধরনের অক্ষর মিশিয়ে নেয়া ভালাে।
- পাসওয়ার্ডটি বড় আকারের করা।
- পাসওয়ার্ড মনে রাখার জন্য নিজের পছন্দমত সংকেত ব্যবহার করা কিন্তু সহজ পাসওয়ার্ড না দেয়া।


কঠিন পাসওয়ার্ড দিন:
আপনার কম্পিউটার, মোবাইলে, ইমেইলে সব সময় hard পাসওয়ার্ড দেওয়ার চেষ্টা করুন। 1-8, আটটা 1 এই সমস্ত পাসওয়ার্ড দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। পাসওয়ার্ড এ সব সময় @, নাম্বার, বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর ব্যবহার।

সূত্র: TCNJ College of New Jersey Website.
১০.
একটি ওয়েবপেইজের সাথে আরেকটি ওয়েব পেইজের সংযোগ করা হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. Hyperlink
  2. Rel Link
  3. JavaScript Link
  4. No-follow Link
সঠিক উত্তর:
Hyperlink
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hyperlink
ব্যাখ্যা
হাইপার লিঙ্ক ব্যবহার করে একটি ওয়েবপেইজের সাথে আরেকটি ওয়েব পেইজের সংযোগ করা হয়।

- একটি ডকুমেন্ট বা পেজ এর সাথে অন্য আরেকটি ডকুমেন্ট বা পেজের আন্তঃসংযোগ স্থাপন বা লিঙ্ক করাকে হাইপার লিঙ্ক বলে।

হাইপারলিঙ্কের সুবিধাবলী- 
- লিংকআপ করার মাধ্যমে একই ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পেজ বা অন্য ওয়েবসাইটে খুব সহজে যওয়া যায়। 
- ব্রাউজারকারীর সময় বাঁচে।
- হাইপারলিংক এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত প্রদর্শন করবার সুযোগ থাকে। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
১১.
নিচের কোনটি DBMS- এর উদাহরণ?
  1. PHP
  2. Python
  3. Sorcim
  4. Microsoft Access
সঠিক উত্তর:
Microsoft Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft Access
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সেই তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার হলো:
- মাইক্রোসফট এক্সেস,
- মাই এসকিউএল,
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার,
- কোরেল প্যারাডক্স
- ওরাকল ইত্যাদি।
----------------
- একটি ডাটাবেজে চলকের মানসমূহ (values) ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পরিবর্ধন, সংরক্ষণ, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায়ই পরিবর্তিত হয়।
- একটি সুনির্দিষ্ট মুহুর্তে ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের সমষ্টিকে ঐ ডাটাবেজের ইন্সট্যান্স (Instance) বলে।
- ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
UPS- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Unportable power Source
  2. Uninterrupted Power Supply
  3. United Parcel Source
  4. United Power Supply
সঠিক উত্তর:
Uninterrupted Power Supply
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Uninterrupted Power Supply
ব্যাখ্যা
ইউপিএস (UPS):
- UPS- এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Uninterrupted Power Supply. এটি এক ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা কিছু সময়ের জন্য বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে পারে।
- সাধারণত কোনো কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে কিছু সময় এর জন্য কম্পিউটারকে সচল রাখার জন্য কম্পিউটারে ইউপিএস (UPS) ব্যবহার করা হয়।
- ইউপিএস যন্ত্রটি সরাসরি বিদ্যুৎ লাইনের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং এর আউটপুট লাইনের সাথে কম্পিউটারের পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট সংযুক্ত থাকে। ফলে হঠাৎ করে বিদ্যুৎ চলে গেলে ইউপিএস (UPS) থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।
- প্রকারভেদে UPS পাঁচ মিনিট, দশ মিনিট বা কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত ক্রমাগত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে।
- কম্পিউটার, প্রিন্টার, প্লটার, রেফ্রিজারেটর, টিভি ইত্যাদিতে UPS ব্যবহার করা যায়।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম (ইউনিট ১০), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
ইন্টারনেট হতে প্রাপ্ত কোন আর্টিকেল বা গবেষণা সম্পূর্ণ অনুলিপি করাকে কী বলে?
  1. হ্যাকিং
  2. স্প্যামিং
  3. সফটওয়্যার পাইরেসি
  4. প্লেজিয়ারিজম
সঠিক উত্তর:
প্লেজিয়ারিজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা
প্লেজিয়ারিজম:
ইন্টারনেট হতে প্রাপ্ত কোন আর্টিকেল বা গবেষণা সম্পূর্ণ অনুলিপি করা কিংবা ওয়েব হতে প্রাপ্ত কোন ধারণা প্রকৃত সূত্র উল্লেখ না করে ব্যবহার করাকে বলা হয় প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism).
অর্থাৎ অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।

অন্য অপশনগুলো –
হ্যাকিং: 
- কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক ও ডেটার উপর অননুমোদিত অধিকার লাভ করার উপায়কে বুঝায়। 
- যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার (Haker) বলে। 
- হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ হতে পারে। 
- বৈধ হ্যাকারকে বলা হয় - হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও অবৈধভাবে হ্যাকার করাকে বলা হয় - ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার।

স্প্যামিং: 
- অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে বুঝায়। 
- এই কাজ যারা করে তাদের স্প্যামার বলা হয়।

সফটওয়্যার পাইরেসি: 
- পেশাগত দক্ষতা ও মেধার সর্বোচ্চ প্রয়োগ ঘটিয়ে প্রোগ্রামারগণ সফটওয়্যার পাইরেসি করে এবং স্বত্বাধিকারী হন।
- Business Software Alliance(BSA) এর তথ্যমতে ব্যবহৃত সকল সফটওয়্যারের প্রায় ৩৬ ভাগ পাইরেটেড সফটওয়্যার। 

সোর্স:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
 
১৪.
কোন ডেটা ট্রান্সমিশনকে স্টার্ট/স্টপ ট্রান্সমিশন বলা হয়?
  1. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. এসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা
এসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission):
যে ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমে প্রেরক হতে ডেটা গ্রাহকের কাছে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয় তাকে এসিনক্রোনা ট্রান্সমিশন বলে।

এই ডেটা ট্রান্সমিশনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো
১। প্রেরক যে কোন সময় ডেটা ট্রান্সমিট করতে পারবে এবং গ্রাহকও তা গ্রহণ করবে। 
২.  একটি ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হবার পর আরেকটি ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট করার মাঝখানের বিরতি সবসময় সমান না হয়ে ভিন্ন ভিন্নও হতে পারে।
৩। প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরুতে একটি স্টার্ট বিট এবং শেষে একটি অথবা দু'টি স্টপ বিট ট্রান্সমিট করা হয়।

এ ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশনকে স্টার্ট/স্টপ ট্রান্সমিশনও বলা হয়।
সাধারণত যখন কোন CPU এর সাথে এক বা একাধিক টার্মিনাল (কী-বোর্ড অথবা কী-বোর্ড ও মনিটর) সংযুক্ত করা হয় তখন Terminal থেকে CPU পর্যন্ত এ ধরনের অর্থাৎ এসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি
১৫.
ডেটাকে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠায় কে?
  1. রাউটার
  2. হাব
  3. গেটওয়ে
  4. সুইচ
সঠিক উত্তর:
সুইচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইচ
ব্যাখ্যা
• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• হাব:
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে।

• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডেটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়। 
- তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়। 

• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়। 
- গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
কোনটি ওয়েব ব্রাউজার?
  1. Chrome
  2. Viber
  3. Skype
  4. Facebook
সঠিক উত্তর:
Chrome
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chrome
ব্যাখ্যা
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।   
- ওয়েব  ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 

-ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
-২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।

• কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম- 
- Google Chrome 
- Mozilla Firefox
- Safari 
- Opera 
- Microsoft Edge 
- Maxthon 
- Brave
- UC Browser 
 
অন্যদিকে Facebook, Viber, Skype হচ্ছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১৭.
ডিস্ক ডিফ্রেগমেন্টার ব্যবহার করা হয় কেন?
  1. ডিস্ক ফরমেট করতে
  2. হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ সাজিয়ে রাখতে
  3. ভাইরাস দূর করতে
  4. খারাপ সেক্টরসমূহ পরীক্ষা করতে
সঠিক উত্তর:
হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ সাজিয়ে রাখতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ সাজিয়ে রাখতে
ব্যাখ্যা
- ডিস্ক ডিফ্রেগমেন্টার শুধুমাত্র হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ বা তথ্যসমূহ সাজিয়ে রাখে।
- ফলে প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তাড়াতাড়ি প্রয়োজনীয় ডেটাসমূহ খুঁজে পায়।
- এতে প্রোগ্রাম লোড হতে কম সময় লাগে এবং প্রোগ্রাম দ্রুত রান হয় বিধায় কম্পিউটারের স্পিড ঠিক থাকে।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৮.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Symantec
  2. McAfee
  3. Perrin
  4. ESET NOD32
সঠিক উত্তর:
Perrin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Perrin
ব্যাখ্যা
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- Symantec,
- McAfee,
- AVG Anti-Virus,
- AVIRA,
- AVAST Anti-Virus,
-TREND micro,
- ESET NOD32,
- Kaspersky Anti-Virus,
- Microsoft Security Essential,
- ZoneAlarm Anti-Virus,
- Cobra Anti-Virus,
- Bitdefender,
- Norton Anti-Virus,
- Panda Anti-Virus,
- PC Tool Anti-virus ইত্যাদি।

অপরদিকে,
Perrin.Exeহলো কম্পিউটার ভাইরাস। 

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়); তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল
১৯.
কোনটি কো-এক্সিয়েল ক্যাবলকে বাইরের তাপ, চাপ ও EMI থেকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. মেটালিক ফরেন
  2. প্লাস্টিকের জ্যাকেট
  3. সলিড কপার ওয়্যার
  4. কপার শিল্ড
সঠিক উত্তর:
কপার শিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপার শিল্ড
ব্যাখ্যা
• কপার শিল্ড কো-এক্সিয়েল ক্যাবলকে বাইরের তাপ, চাপ ও EMI থেকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
• কো-এক্সিয়েল ক্যাবল (Coaxial Cable): সাধারণত ডিশ টিভি, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং কমার্শিয়াল ভিডিও কম্পোজিটে ব্যবহৃত হওয়া মূলত তিন স্তর বিশিষ্ট তামা বা কপার নির্মিত ক্যাবলকে কো-এক্সিয়েল ক্যাবল বলা হয়। 
• কো-এক্সিয়েল ক্যাবলের বিভিন্ন অংশের নাম-
১. কন্ডাক্টর: কো-এক্সিয়েল ক্যাবলের কেন্দ্রস্থ কপার ওয়্যারের কন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে ডেটা প্রবাহিত হয়।
২. প্লাস্টিক ফোমের ইনসুলেশন: কপার ওয়্যার যাতে বেঁকে বা কুঁচকে না যায় সেজন্য প্লাস্টিক ফোমের ইনসুলেশন ব্যবহৃত হয়।
৩. কপার শিল্ড বা মেস: জালির মত ওভেন বা জড়ানো এ অংশটি কপার ওয়্যারকে বাইরের তাপ, চাপ ও EMI থেকে রক্ষা করে যাতে নির্বিঘ্নে ডেটা চলাচল করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২০.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গদ্যছন্দে রচিত প্রথম ও সার্থক কাব্যগ্রন্থ-
  1. সেঁজুতি
  2. পুনশ্চ
  3. কণিকা
  4. খেয়া
সঠিক উত্তর:
পুনশ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনশ্চ
ব্যাখ্যা
⇒ 'পুনশ্চ' কাব্যগ্রন্থ:
- 'পুনশ্চ' (১৯৩২) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গদ্যছন্দে রচিত প্রথম ও সার্থক কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যের ভূমিকায় রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, 'অসংকুচিত গদ্যরীতিতে কাব্যের অধিকারকে অনেকদূর বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব এই আমার বিশ্বাস এবং সেই দিকে লক্ষ্য রেখে এই গ্রন্থে প্রকাশিত কবিতাগুলি লিখেছি।'
- এই কাব্যের অর্ধপৃষ্ঠা বিশিষ্ট একটি ভূমিকা লেখেন কবি।
- রবীন্দ্রনাথের কাব্যের ইতিহাসে তথা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে এই কাব্যের ভূমিকা বৈপ্লবিক।
- গদ্যকবিতার অসংকোচ প্রতিষ্ঠা হলো এই কাব্যে।
- উল্লেখযোগ্য কবিতা: ছেলেটা, শেষ চিঠি, ক্যামেলিয়া, সাধারণ মেয়ে, বাঁশি, খ্যাতি ইত্যাদি।

---------------------
⇒ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২১.
কোনটি নীলিমা ইব্রাহিম রচিত প্রবন্ধ-গবেষণা গ্রন্থ?
  1. যে অরণ্যে আলো নেই
  2. আমি বীরাঙ্গনা বলছি
  3. বিশ শতকের মেয়ে
  4. সূর্যাস্তের পর
সঠিক উত্তর:
আমি বীরাঙ্গনা বলছি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমি বীরাঙ্গনা বলছি
ব্যাখ্যা
⇒ আমি বীরাঙ্গনা বলছি:
• 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি' নীলিমা ইব্রাহিম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রবন্ধ-গবেষণাগ্রন্থ।
• গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে।
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলার যেসব নারী কোনো না কোনোভাবে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে দিনের পর দিন পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, সেসব যুদ্ধাহত কয়েকজনের সত্যকাহিনিনির্ভর জীবন ইতিহাস 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি'। 
• যাদের দুঃখ কাহিনি বর্ণনা করা হয়েছে তাঁরা হলেন - তারা ব্যানার্জি, মেহেরজান, রীনা, শেফা, ময়না, ফাতেমা, মীনা। 
• তবে লেখকের বর্ণনাতে এই কাহিনি কেবল সাতজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে নি তা হয়ে উঠেছে দু লক্ষ মা-বোনের প্রতিনিধি।
• বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর মহিমাময় ভূমিকা, হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের অপকীর্তি ইত্যাদি।

===============
⇒ নীলিমা ইব্রাহিম:
- তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী।
- ১৯২১ সালের ১১ অক্টোবর বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর গ্রামের এক জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা প্রফুল্লকুমার রায়চৌধুরী এবং মাতা কুসুমকুমারী দেবী।
- তিনি ১৯৯৬ সালে রোকেয়া পদক এবং ২০০০ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বিশ শতকের মেয়ে,
- এক পথ দুই বাঁক,
- কেয়াবন সঞ্চারিণী,
- বহ্নিবলয় ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- যে অরণ্যে আলো নেই,
- দুয়ে দুয়ে চার,
- রোদ জ্বলা বিকেল,
- সূর্যাস্তের পর ইত্যাদি।

• প্রবন্ধ গবেষণাগ্রন্থ:
- আমি বীরাঙ্গনা বলছি (২ খণ্ড ১৯৯৬-৯৭)।

• তাঁর রচিত আত্মজীবনী:
- বিন্দু বিসর্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২২.
নুরুল মোমেন রচিত কমেডি নাটক কোনটি?
  1. আলোছায়া
  2. নেমেসিস
  3. কেউ কিছু বলতে পারে না
  4. রূপার কৌটা
সঠিক উত্তর:
আলোছায়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোছায়া
ব্যাখ্যা
⇒ ‘আলোছায়া’ নাটক:
- আলোছায়া’ ১৯৬২ সালে প্রকাশিত একটি কমেডি।
- নাটকটি ভালোমন্দের প্রতীক।
- নাটকের মূল বক্তব্য হচ্ছে- ‘ভালো বা আলোর প্রভাব যার মধ্যে সে-ই স্মরণীয় হয়ে থাকবে, কালো বা ছায়ার প্রাধান্যধারীরা স্মরণযোগ্য হবেন না।’
- নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো: হাম্মাদ, জামিল, জাহানারা, সুলতান, পারভীন।

==============
⇒ নুরুল মোমেন: 
- নুরুল মোমেন এর জন্ম ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গায় ১৯০৬ সালে।
- নুরুল মোমেনের প্রথম নাটক রূপান্তর ১৯৪২ সালে ঢাকা বেতার-এ প্রচারিত হয়। তিনি নিজে নাটকটি পরিচালনা করেন। ১৯৪৭ সালে নাটকটি গ্রন্থরূপে প্রকাশিত হয়।
- তাঁর 'নেমেসিস' নাটকটি প্রথম শনিবারের চিঠি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 'নেমেসিস' নাটকটি পঞ্চাশ-দশকের মন্বন্তরের পটভূমিতে রচিত। 
- নুরুল মোমেন রচিত প্রথম রম্যগ্রন্থ 'বহুরূপা'। 

• নুরুল মোমেন এর বিখ্যাত নাটক:
- যদি এমন হতো,
- নয়া খান্দান, 
- আলোছায়া,
- আইনের অন্তরালে, 
- শতকরা আশি, 
- রূপলেখা, 
- যেমন ইচ্ছা তেমন।

অন্যদিকে,
মুনীর চৌধূরী রচিত নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
২৩.
নির্মলেন্দু গুণ রচিত ভ্রমণকাহিনি নয় কোনটি?
  1. ভলগার তীরে
  2. পৃথিবীজোড়া গান
  3. গীনসাবার্গের সঙ্গে
  4. ভ্রমি দেশে দেশে
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীজোড়া গান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীজোড়া গান
ব্যাখ্যা
⇒ ‘পৃথিবীজোড়া গান’ নির্মলেন্দু গুণ রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ১৯৮২ সালে প্রকাশিত হয়।

⇒ নির্মলেন্দু গুণ: 
- নির্মলেন্দু গুণ ১৯৪৫ সালে নেত্রকোনার বারহাট্টার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নির্মলেন্দু গুণ এর সম্পূর্ণ নাম ‘নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণ চৌধুরী’।
- বাংলাদেশের কবিদের কবি বলা হয় নির্মলেন্দু গুণ কে। 
- তাঁকে  ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- এছাড়া ১৯৮২ সালেই আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, ২০০১ সালে একুশে পদক প্রদান করা হয়। 

নির্মলেন্দু গুণ রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো -
• প্রেমাংশুর রক্ত চাই,
• না প্রেমিক না বিপ্লবী,
• দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী,
• ও বন্ধু আমার,
• চাষাভূষার কাব্য,
• পৃথিবীজোড়া গান,
• দূর হ দুঃশাসন,
• ইসক্রা,
• নেই কেন সেই পাখি,
• মুজিব-লেনিন-ইন্দিরা,
• শিয়রে বাংলাদেশ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত ভ্রমণ কাহিনি:
- ভলগার তীরে,
- গীনসবার্গের সঙ্গে,
- আমেরিকায় জুয়া খেলার স্মৃতি,
- ভ্রমি দেশে দেশে।

তাঁর রচিত কিশোর উপন্যাস:
- কালো মেলা,
- বাবা যখন ছোট্ট ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘ভ্রমি দেশে দেশে’ নির্মলেন্দু গুণ ।
২৪.
'গিনিপিগ' নাটকটি কার রচনা?
  1. মীর মশাররফ হোসেন
  2. মুনীর চৌধুরী
  3. মামুনুর রশীদ
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
মামুনুর রশীদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামুনুর রশীদ
ব্যাখ্যা
⇒ 'গিনিপিগ' নাটকের রচয়িতা হলেন মামুনুর রশীদ।
- নাটকটি ১৯৮৫ সালে প্রাকাশিত হয়।

⇒ মামুনুর রশীদ:
- মামুনুর রশীদ মূলত নাট্যকার হিসেবে পরিচিত।
- টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ১৯৪৮ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারিতে মামুনুর রশীদ জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৯০ সালে আলাওল সাহিত্য পুরস্কার পান৷

• তাঁর রচিত অন্যান্য নাটক:
- ওরা আছে বলেই,
- মে দিবস,
- ইবলিশ,
- এখানে নোঙর,
- গিনিপিগ,
- সমতট,
- পাথর,
- লেবেদেফ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৫.
‘যত বড় ক্ষতি ততো বড় লাভ-এই তো জগতের নিয়ম।’ উক্তিটি কোন নাটকের অন্তর্গত?
  1. রক্তাক্ত প্রান্তর
  2. কবর
  3. রূপার কৌটা
  4. দণ্ডকারণ্য
সঠিক উত্তর:
রক্তাক্ত প্রান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তাক্ত প্রান্তর
ব্যাখ্যা
⇒ ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটক: 
- মুনীর চৌধুরী রচিত 'রক্তাক্ত প্রান্তর' রচিত হয়েছে মহাকবি কায়কোবাদের 'মহাশ্মশান' গ্রন্থের কাহিনি থেকে।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' মুনীর চৌধুরীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌলিক নাটক।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের (১৭৬১) ঘটনা অবলম্বনে তিন অঙ্ক বিশিষ্ট নাটকটি রচিত।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ঐতিহাসিক নাটক নয়, এটি ইতিহাস-আশ্রিত নাটক। 
- চরিত্র: ইব্রাহিম কার্দি, জোহরা, হিরণবালা ইত্যাদি।

নাটকে ব্যবহৃত কিছু উক্তি হলো:
- ‘মানুষ মরে গেলে পচে যায়। বেঁচে থাকলে বদলায়।' - রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের একটি জনপ্রিয় উক্তি। নাটকে উক্তিটি বলেছেন নবাব সুজাউদ্দৌলা।
- ‘যত বড় ক্ষতি ততো বড় লাভ-এই তো জগতের নিয়ম।’- রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকে উক্তিটি করেছেন নজীবদ্দৌলা। 
- ‘আমরা হচ্ছি পাহারাদার। টুলি-পরা কলুর বলদ।’- রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকে উক্তিটি করেছেন বশির।

-------------------
⇒ মুনীর চৌধুরী:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- মুনীর চৌধুরী শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক: 
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দণ্ডকারণ্য।

অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৬.
‘চোর জামাই’ শিশুতোষ গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. ফররুখ আহমেদ
  3. বন্দে আলী মিয়া
  4. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
সঠিক উত্তর:
বন্দে আলী মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্দে আলী মিয়া
ব্যাখ্যা
⇒ বন্দে আলী মিয়া: 
- বন্দে আলী মিয়া একজন কবি, ঔপন্যাসিক  ও শিশু সাহিত্যিক।
- তিনি তার কবিতায় পল্লী প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ণনায় নৈপুণ্যের পরিচয় দিয়েছেন।
- তিনি প্রথম ‘ইসলাম দর্শন’ পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন।
- শিশুসাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬২), প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫) এবং উত্তরা সাহিত্য মজলিস পদক (১৯৭৭) লাভ করেন।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো:
- কাব্য ময়নামতীর চর,
- অনুরাগ,
- পদ্মানদীর চর, 
- মধুমতীর চর ইত্যাদি। 

তাঁর রচিত শিশুতোষ গ্রন্থগুলোর নাম:
- চোর জামাই,
- রূপকথা,
- ডাইনী বউ,
- মৃগপুরি,
- কুচবরণ কন্যা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৭.
বিষ্ণু দে রচিত কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. সাত ভাই চম্পা
  2. নাম রেখেছি কোমল গান্ধার
  3. রুচি ও প্রগতি
  4. তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ
সঠিক উত্তর:
রুচি ও প্রগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুচি ও প্রগতি
ব্যাখ্যা
⇒ ‘রুচি ও প্রগতি’ বিষ্ণু দে রচিত প্রবন্ধ।
- এটি আর্ট, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিষয়ক প্রবন্ধ।

⇒ বিষ্ণু দে:

- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই  কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা অবিনাশচন্দ্র দে ছিলেন অ্যাটর্নি।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হল:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- সাত ভাই চম্পা,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।

• অনুবাদ সাহিত্য:
- এলিয়টের কবিতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২৮.
বাংলা গদ্যের আদিপর্বের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ কোনটি?
  1. রাজসিংহ
  2. বত্রিশ সিংহাসন
  3. যুগলাঙ্গুরীয়
  4. চন্দ্রশেখর
সঠিক উত্তর:
বত্রিশ সিংহাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বত্রিশ সিংহাসন
ব্যাখ্যা
• বত্রিশ সিংহাসন:
- ‘বত্রিশ সিংহাসন' (১৮০২) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার অনূদিত কাহিনি সংকলন।
- বাংলা গদ্যের আদিপর্বের ইতিহাসে এই রচনাটি উল্লেখযোগ্য।

• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার:

- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, ভাষাবিদ ও লেখক।
- উইলিয়াম কেরির সুপারিশে তিনি ১৮০১ সালের ৪ মে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ এর বাংলা বিভাগের হেড-পণ্ডিত নিযুক্ত হন।
- তিনি উনিশ শতকের প্রথম ভালো বাংলা গদ্য লেখক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
- এছাড়াও তিনি কাজ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির জজ-পণ্ডিত হিসেবে।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: 
- বত্রিশ সিংহাসন,
- হিতোপদেশ,
- রাজাবলি,
- প্রবোধচন্দ্রিকা,
- বেদান্তচন্দ্রিকা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস হচ্ছে-
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাজসিংহ।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
২৯.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত গল্পগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. তিন সঙ্গী
  2. লিপিকা
  3. সে
  4. কণিকা
সঠিক উত্তর:
কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কণিকা
ব্যাখ্যা
• কণিকা:
- ‘কণিকা’ (১৮৯৯) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ১১০টি ছোট ছোট পদ্যের সংকলন।
- অধিকাংশ কবিতাই নীতিমূলক, সংস্কৃত কাব্যের সুভাষিতাবলির আদর্শে রচিত।
- এই কবিতাকণাগুলোতে কবির তাত্ত্বিক দৃষ্টির প্রকাশ ঘটেছে।

--------------------
⇒ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:

- বাংলা ছোট গল্পের জনক হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তিনি ১১৯ টি ছোট গল্প রচনা করেন।
- তার রচিত প্রথম ছোট গল্প ‘ভিখারিনী’।
- ‘ভারতী’ পত্রিকার ১২৮৪ বঙ্গাব্দের (১৮৭৭ খ্রিষ্টাব্দ) শ্রাবণ-ভাদ্র সংখ্যায় প্রকাশিত হয় - রবীন্দ্রনাথের ভিখারিণী গল্পটি।
- এই গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে মাত্র ষোলো বছর বয়েসেই রবীন্দ্রনাথ ছোট গল্পকার হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মোট ৫টি গল্পগ্রন্থ রয়েছে। এগুলো হলো: 
• গল্পগুচ্ছ,
• লিপিকা,
• সে,
• তিন সঙ্গী,
• গল্পসল্প।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সমাজসমস্যামূলক ছোটগল্প: 
- দেনাপাওনা,
- রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা,
- যজ্ঞেশ্বরের যজ্ঞ,
- অনধিকার প্রবেশ। 

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত চারটি অতিপ্রাকৃতিক গল্প:
- ক্ষুধিত পাষাণ,
- নিশীতে,
- মণিহারা,
- কঙ্কাল।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আধুনিক মনস্তত্ত্ব নিয়ে ছোটগল্প: 
- রবিবার,
- শেষকথা,
- ল্যাবরেটরি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩০.
'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হতো কাকে?
  1. মনােএল দা আসসুম্পসাঁউ
  2. প্যারীচাঁদ মিত্র
  3. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  4. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
ব্যাখ্যা
⇒ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫-১৯৬৯) ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন।  তিনি ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।

• তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।
• ১৯৫৫-৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস নিযু্ক্ত হন।

• ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে শহীদুল্লাহ্ বহু মননশীল ও জ্ঞানগর্ভ প্রবন্ধ নানা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করেন। আল এসলাম পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ও বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক  হিসেবে তিনি যোগ্যতার পরিচয় দেন।

• তাঁরই সম্পাদনা ও প্রকাশনায় মুসলিম বাংলার প্রথম শিশুপত্রিকা আঙুর আত্মপ্রকাশ করে। এছাড়াও তিনি ইংরেজি মাসিক পত্রিকা দি পীস, বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বঙ্গভূমি এবং পাক্ষিক তকবীর সম্পাদনা করেন।

• ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তি- ''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।''

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৩১.
‘ রৈবতক’, ‘কুরুক্ষেত্র’ ও ‘প্রভাস’ ত্রয়ী কাব্যের রচিয়তা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. নবীনচন্দ্র সেন
  3. নির্মলেন্দু গুণ
  4. প্রেমেন্দ্র মিত্র
সঠিক উত্তর:
নবীনচন্দ্র সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবীনচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা
• ‘রৈবতক’, ‘কুরুক্ষেত্র’ ও ‘প্রভাস’:
- রৈবতক, কুরুক্ষেত্র ও প্রভাস নবীনচন্দ্রের কাব্যত্রয়ী এবং তাঁর কবিপ্রতিভার শ্রেষ্ঠ প্রকাশ।
-  এ গুলির নায়ক  কৃষ্ণ এবং এতে যথাক্রমে কৃষ্ণের আদি, মধ্য ও অন্তলীলা বর্ণিত হয়েছে।
- নবীনচন্দ্রের এই তিনটি কাব্যও মহাকাব্যের লক্ষণাক্রান্ত।
- কাহিনির বিশালতা এবং বহুমুখী বৈচিত্র্যের কারণে গ্রন্থত্রয়ের কাব্যবন্ধন অনেকটা শিথিল ও দুর্বল।

⇒ নবীনচন্দ্র সেন:
- নবীনচন্দ্র সেন ছিলেন কবি। ১৮৪৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের নোয়াপাড়া গ্রামে তাঁর জন্ম।
- নবীনচন্দ্র সেন ছাত্রজীবন থেকেই নবীনচন্দ্র কবিতা রচনা শুরু করেন। প্যারীচরণ সরকার সম্পাদিত এডুকেশন গেজেটে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হতো।
- তাঁর প্রথম কাব্যসংকলন অবকাশরঞ্জিনী প্রকাশিত হয় ১৮৭১ সালে।
- ১৮৭৫ সালে তাঁর পলাশীর যুদ্ধ মহাকাব্য প্রকাশিত হলে তিনি ব্রিটিশ সরকারের রোষানলে পড়েন।

• নবীনচন্দ্রের আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- আমার জীবন,
- খৃস্ট,
- ক্লিওপেট্রা,
- ভানুমতী,
- প্রবাসের পত্র ইত্যাদি।

- তিনি ভগবদ্গীতা ও চণ্ডীর কাব্যানুবাদ করেন।
- তাঁর আত্মজীবনী আমার জীবন  গ্রন্থখানি উপন্যাসের মতো সুখপাঠ্য এবং সমকালীন সমাজ, রাজনীতি ও প্রশাসন সম্পর্কিত একটি প্রামাণ্য দলিল।