পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (ব্যাকরণ)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
বাংলাবিদ ব্যাকরণ পরীক্ষা - ২: টপিক সমূহ: বানান শুদ্ধিকরণ [লাইভ ক্লাস ⎯ ৩ ও ৪]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ) · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
সমাস সাধিত অশুদ্ধি ঘটেছে নিচের কোন শব্দে?
  1. নির্দোষ
  2. অহর্নিশি
  3. অর্ধরাত্র
  4. নিরহঙ্কার
সঠিক উত্তর:
অহর্নিশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অহর্নিশি
ব্যাখ্যা
• সমাস সাধিত অশুদ্ধি ঘটেছে ‘অহর্নিশি’ শব্দে।
- শুদ্ধ প্রয়োগ: অহর্নিশ।

• কিছু সমাস ঘটিত অশুদ্ধ শব্দের সম্পর্কে সতর্কতা:
সংস্কৃত ইন্‌- প্রত্যয়ান্ত শব্দের প্রথমবার একবচনের রূপ হিসেবে বাংলায় ধনী, গুণী, মানী, পাপী ইত্যাদি হয়। কিন্তু নিঃ উপসর্গযোগে সমাসবদ্ধ হলে শব্দের শেষে ঈ- কার হয় না। সেখানে ধন, গুণ, মান, পাপ ইত্যাদি শব্দের সমান হয়।
যেমন- নেই ধন যার = নির্ধন; নেই গুণ যার = নির্গুণ; নেই পাপ যার = নিষ্পাপ। নির্ধনী, নির্গুণী, নিষ্পাপী ইত্যাদি অশুদ্ধ।

• কিছু সমাস সাধিত অশুদ্ধ শব্দের শুদ্ধ প্রয়োগ:
অশুদ্ধ শব্দ - শুদ্ধ শব্দ:
- নিরপরাধী - নিরপরাধ;
- অহর্নিশি - অহর্নিশ;
- নিরহঙ্কারী - নিরহঙ্কার;
- নির্দোষী - নির্দোষ;
- পিতাহারা - পিতৃহারা;
- অর্ধরাত্রি - অর্ধরাত্র;
- নিরভিমানী - নিরভিমান;
- দিবারাত্রি - দিবারাত্র;
- নীরোগী - নীরোগ ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোনটি শুদ্ধ?
  1. দায়ী - দায়ীত্ব
  2. সহযোগী - সহযোগীতা
  3. মন্ত্রী - মন্ত্রিত্ব
  4. প্রতিযোগি - প্রতিযোগিতা
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী - মন্ত্রিত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী - মন্ত্রিত্ব
ব্যাখ্যা
• নিয়ম:
তৎসম শব্দে ইন্-প্রত্যয়ান্ত শব্দের সঙ্গে ‘ত্ব’ ও ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত হলে ই-কার হবে।
যেমন:
কৃতী - কৃতিত্ব,
দায়ী - দায়িত্ব,
প্রতিযোগী - প্রতিযোগিতা,
মন্ত্রী - মন্ত্রিত্ব,
সহযোগী - সহযোগিতা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
শুদ্ধ বানান নয় কোনটি?
  1. মধ্যাহ্ন
  2. পূর্বাহ্ন
  3. অপরাহ্ণ
  4. সায়াহ্ন
সঠিক উত্তর:
পূর্বাহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বাহ্ন
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান: পূর্বাহ্ন।

• শুদ্ধ: পূর্বাহ্ণ (বিশেষ্য পদ),
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- দিবসের প্রথম অর্ধ,
- পূর্ববর্তী সময়।

অন্যদিকে
• শুদ্ধ বানান: মধ্যাহ্ন।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ: দিনের মধ্যভাগ, দুপুরবেলা, দ্বিপ্রহর।

• শুদ্ধ বানান: অপরাহ্ণ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ: মধ্যাহ্ন থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়, বিকেল।

• শুদ্ধ বানান: সায়াহ্ন (বিশেষ্য পদ),
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সন্ধ্যা,
- সাঁঝ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।শুদ্ধ
.
কোটি শুদ্ধ বানান?
  1. কার্য্যালয়
  2. নির্দ্দিষ্ট
  3. ধর্মসভা
  4. পর্ব্বত
সঠিক উত্তর:
ধর্মসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মসভা
ব্যাখ্যা
• নিয়ম:
রেফ এর পর তৎসম, অতৎসম শব্দে ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না।
যেমন:
- কার্য্যালয় হবে না, সঠিক বানান হবে কার্যালয়।
- নির্দ্দিষ্ট হবে না, সঠিক বানান নির্দিষ্ট।
- ধর্ম্মসভা বানানটি ভুল, সঠিক বানান হবে ধর্মসভা।
- তেমনি ভাবে পর্ব্বত হবে না , সঠিক বানান হবে পর্বত।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘তা’ প্রত্যয়ের অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে নিচের কোন শব্দে?
  1. অধৈর্যতা
  2. একতা
  3. কৃপণতা
  4. অলসতা
সঠিক উত্তর:
অধৈর্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধৈর্যতা
ব্যাখ্যা
• ‘অধৈর্যতা’ শব্দে ‘তা’ প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ ঘটেছে।
- শুদ্ধ প্রয়োগ: অধৈর্য, ধীরতা।

• নিয়ম:
‘তা’ ‘ত্ব’ এবং ‘য’ হলো বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। যা কেবল বিশেষণ শব্দকে বিশেষ্য করে। তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে আবারো ‘তা’ ‘ত্ব’ বা য যুক্ত করলে তা ভুল হবে।
যেমন:
- দৈন্যতা শব্দটি অপপ্রয়োগ বা অশুদ্ধ। কারণ ‘দীন’ বিশেষণ শব্দের সঙ্গে বিশেষ্যবাচক ‘য’ প্রত্যয় যোগ করে ‘দৈন্য’ বিশেষ্য শব্দ গঠিত হয়। ফলে ‘দৈন্য’ শব্দের সঙ্গে আবারো বিশেষ্যবাচক ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত হলে তা ভুল বলে গণ্য হয়েছে।

এরূপ কিছু অশুদ্ধ শব্দের শুদ্ধরূপ হলো:
• অধৈর্যতা - অধৈর্য, ধীরতা।
• আলস্যতা - আলস্য, অলসতা।
• ঐক্যতা - ঐক্য, একতা।
• দৈন্যতা - দৈন্য, দীনতা।
• কার্পণ্যতা - কার্পন্য, কৃপণতা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোন শব্দে ‘ষ’ এর ব্যবহার অশুদ্ধ?
  1. দ্বেষ
  2. ষ্টল
  3. বিষম
  4. কলুষ
সঠিক উত্তর:
ষ্টল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষ্টল
ব্যাখ্যা
- অশুদ্ধ: ষ্টল।
- শুদ্ধ বানান: স্টল।

অন্যদিকে,
দ্বেষ, বিষম ও কলুষ শব্দে ‘ষ’ এর ব্যবহার শুদ্ধ।

-----------------------
• 'ষ' ব্যবহারের নয়িম:
- বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে 'ষ' ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।

যেমন:
কিশমিশ, নাশতা, পোশাক, বেহেস্ত, শখ, শয়তান, শরবত, শরম, শহর, শামিয়ানা, শার্ট, শৌখিন; আপস, জিনিস, মসলা, সন, সাদা, সাল (বৎসর), স্মার্ট, হিসাব; স্টল, স্টাইল, স্টিমার, স্ট্রিট, স্টুডিয়ো, স্টেশন, স্টোর। ইসলাম, তসলিম, মুসলমান, মুসলিম, সালাত, সালাম; এশা, শাওয়াল (হিজরি মাস), শাবান (হিজরি মাস)।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
বানানের নিয়ম অনুসারে নিচের কোনটি শুদ্ধ?
  1. পুঞ্জীভুত
  2. উদ্ভুত
  3. ঘনীভুত
  4. অদ্ভুত
সঠিক উত্তর:
অদ্ভুত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অদ্ভুত
ব্যাখ্যা
নিয়ম:
• অদ্ভুত শব্দটি ছাড়া বাকি সব ক্ষেত্রে ভূত বানানে ঊ-কার হবে।
যেমন:
- ভূতুড়ে,
- উদ্ভূত,
- ভূতপূর্ব,
- পুঞ্জীভূত,
- ঘনীভূত ইত্যাদি।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোনটি অশুদ্ধ?
  1. আতংক
  2. রঙিন
  3. সং
  4. অঙ্ক
সঠিক উত্তর:
আতংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আতংক
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ: আতংক।

• শুদ্ধ বানান: আতঙ্ক (বিশেষ্য পদ),
-  এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- ভয়,
- শঙ্কা,
- ত্রাস।

• বানানের নিয়ম:

- শব্দের শেষে প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে সাধারণভাবে অনুস্বার (ং) ব্যবহৃত হবে।
যেমন:
গাং, ঢং, পালং, রং, রাং, সং।

- তবে অনুস্বারের সঙ্গে স্বর যুক্ত হলে ঙ হবে।
যেমন :
বাঙালি, ভাঙা, রঙিন, রঙের।

- ব্যতিক্রম: বাংলা ও বাংলাদেশ শব্দে অনুস্বার থাকবে।

অন্যদিকে,
বাংলা লেখার নিয়ম কানুন, ড. হায়াৎ মামুদ ও প্রমীত বানানের নিয়ম অনুসারে,
• কিছু শব্দে কখনোই ং প্রযুক্ত হবে না, কেবল ঙ ব্যবহৃত হবে।
- যেমন: অঙ্ক, আতঙ্ক, আকাঙ্ক্ষা, অঙ্কন, অঙ্গন, ইঙ্গিত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
বানানের নিয়ম অনুসারে কোনটি শুদ্ধ?
  1. বাঙালী
  2. পাগলামী
  3. রানি
  4. শাড়ী
সঠিক উত্তর:
রানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রানি
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান: রানি।

• (ই, উ) ব্যবহারের নিয়ম:

সকল অতৎসম অর্থাৎ তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র শব্দে কেবল ই এবং উ এবং এদের কারচিহ্ন হিসেবে ‘ ি-কার’ ও ‘ু-কার’ ব্যবহৃত হবে। যেমন:
আরবি, আসামি, ইংরেজি, ইমান, ইরানি, উনিশ, ওকালতি, কাহিনি, কুমির, কেরামতি, খুশি, খেয়ালি গাড়ি, গোয়ালিনি, চাচি, জমিদারি, জাপানি, জার্মানি, টুপি, তরকারি, দাড়ি, দাদি, দাবি, দিঘি, দিদি, নানি নিচু, পশমি, পাখি, পাগলামি, পাগলি, পিসি, ফরাসি, ফরিয়াদি, ফারসি, ফিরিঙ্গি, বর্ণালি, বাঁশি, বাঙালি, বাড়ি, বিবি, বুড়ি, বেআইনি, বেশি, বোমাবাজি, ভারি (অত্যন্ত অর্থে), মামি, মালি, মাসি, মাস্টারি, রানি, রুপালি, রেশমি, শাড়ি, সরকারি, সিন্ধি, সোনালি, হাতি, হিজরি, হিন্দি, হেঁয়ালি।
চুন, পুজো, পুব, মুলা, মুলো।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১০.
শুদ্ধ বানানে লিখিত শব্দ কোনটি?
  1. পূজো
  2. জমিদারী
  3. পূব
  4. কেরামতি
সঠিক উত্তর:
কেরামতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেরামতি
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানানে লিখিত শব্দ- কেরামতি।

• (ই, উ) ব্যবহারের নিয়ম:

সকল অতৎসম অর্থাৎ তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র শব্দে কেবল ই এবং উ এবং এদের কারচিহ্ন হিসেবে ‘ ি-কার’ ও ‘ু-কার’ ব্যবহৃত হবে। যেমন:
আরবি, আসামি, ইংরেজি, ইরানি, উনিশ, ওকালতি, কাহিনি, কুমির, কেরামতি, খুশি, খেয়ালি গাড়ি, গোয়ালিনি, চাচি, জমিদারি, জাপানি, জার্মানি, টুপি, তরকারি, দাড়ি, দাদি, দাবি, দিঘি, দিদি, নানি নিচু, পশমি, পাখি, পাগলামি, পাগলি, পিসি, ফরাসি, ফরিয়াদি, ফারসি, ফিরিঙ্গি, বর্ণালি, বাঁশি, বাঙালি, বাড়ি, বিবি, বুড়ি, বেআইনি, বেশি, বোমাবাজি, ভারি (অত্যন্ত অর্থে), মামি, মালি, মাসি, মাস্টারি, রানি, রুপালি, রেশমি, শাড়ি, সরকারি, সিন্ধি, সোনালি, হাতি, হিজরি, হিন্দি, হেঁয়ালি।

- চুন, পুজো, পুব, মুলা, মুলো।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১১.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. হাঙ্গেরী
  2. মালদ্বীপ
  3. শ্রীলঙ্কা
  4. গ্রিস
সঠিক উত্তর:
হাঙ্গেরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাঙ্গেরী
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ: হাঙ্গেরী।
• শুদ্ধ বানান: হাঙ্গেরি।

• নিয়ম:

যে কোন দেশ, জাতি ও ভাষার নাম লিখতে ই/ঈ কার দেয়ার প্রশ্ন এলে তাতে ই-কার ব্যবহৃত হবে।
যেমন-
• দেশ: গ্রিস, হাঙ্গেরি, ইতালি ইত্যাদি।
[ব্যতিক্রম- মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা]
• জাতি: বাঙালি, জার্মানি, পর্তুগিজ, তুর্কি ইত্যাদি।
• ভাষা: হিন্দি, আরবি, ফারসি ইত্যাদি।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার; বাংলা ভাষাও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমি অভিধান।
১২.
শুদ্ধ বানান নয় কোনটি?
  1. যুলুম
  2. মুয়াযযিন
  3. কাযা
  4. আযান
সঠিক উত্তর:
যুলুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুলুম
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান: যুলুম।

• জ ও য-এর ব্যবহার:

- বাংলায় প্রচলিত বিদেশি শব্দ সাধারণভাবে বাংলা ভাষার ধ্বনিপদ্ধতি-অনুযায়ী লিখতে হবে।
যেমন: কাগজ, জাদু, জাহাজ, জুলুম, জেব্রা, বাজার, হাজার।

- ইসলাম ধর্ম-সংক্রান্ত কয়েকটি শব্দে বিকল্পে 'য' লেখা যেতে পারে।
যেমন: আযান, ওযু, কাযা, নামায, মুয়াযযিন, যোহর, রমযান, হযরত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৩.
নিচের কোন শব্দের বানানে ‘ন’ ও ‘ণ’ উভয়ের ব্যবহারই শুদ্ধ?
  1. ক্ষণ ও ক্ষন
  2. অঘ্রান ও অঘ্রাণ
  3. ঘর্ষণ ও ঘর্ষন
  4. লুণ্ঠণ ও লুণ্ঠন
সঠিক উত্তর:
অঘ্রান ও অঘ্রাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অঘ্রান ও অঘ্রাণ
ব্যাখ্যা
• ‘ন’ ও ‘ণ’ উভয়ের শুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে-  অঘ্রান ও অঘ্রাণ শব্দে।

• অঘ্রান (বিশেষ্য পদ),
- এটি তদ্ভব শব্দ।
অর্থ:
- অগ্রহায়ণ -এর কথ্য রূপ।

• অঘ্রাণ (বিশেষণ পদ),
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- ঘ্রাণহীন।

অন্যদিকে,
• শুদ্ধ বানান: ক্ষণ,
অর্থ: সময়ের পরিমাণবাচক শব্দ।

• শুদ্ধ বানান: ঘর্ষণ,
অর্থ: ঘষটানি।

• শুদ্ধ বানান: লুণ্ঠন,
অর্থ: বলপূর্বক অপহরণ, লুট।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।