পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৮৯
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৫০তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯৩
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮৯ প্রশ্ন

.
ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনসংক্রান্ত ‘বাসেল কনভেনশন’ কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন:
- বাসেল কনভেনশন হলো বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এর পূর্ণরূপ: Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and Their Disposal.
- এটি গৃহীত হয়: ২২শে মার্চ, ১৯৮৯, বাসেল, সুইজারল্যান্ড।
- কার্যকরী হয়: ৫ মে, ১৯৯২।
- সদস্য: ১৯১টি।
- স্বাক্ষরকারী: ৫৩টি।
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক চুক্তিকে বাসেল কনভেনশন বলে।
- বাসেল কনভেনশন এর উদ্দেশ্য: উন্নত দেশ থেকে অনুন্নত দেশে বিপজ্জনক বর্জ্য স্থানান্তর রোধ করা।
উল্লেখ্য,
-  বাংলাদেশ বাসেল কনভেনশন কার্যকর করে ১৯৯৩ সালের ৩০ জুন।

উৎস: UN Basel Convention  ওয়েবসাইট।

.
'ডেল্টা ফোর্স' কোন দেশের সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ইউনিট?
  1. রাশিয়া 
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

ডেল্টা ফোর্স:
- ডেল্টা ফোর্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ইউনিট।
- এটি মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি অভিজাত বাহিনী।
- এটিকে কমব্যাট অ্যাপ্লিকেশন গ্রুপ (CAG), আর্মি কম্পার্টমেন্টেড এলিমেন্টস (ACE), টাস্ক ফোর্স গ্রিন এবং সহজভাবে 'ইউনিট' নামেও উল্লেখ করা হয়েছে। 
- প্রতিস্থিত হয়: ১৯৭৭ সালে। 
- ঘাঁটি: ফোর্ট ব্র্যাগ, নর্থ ক্যারোলাইনা। 
- এ ইউনিট সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে অপারেশনে অংশ নেয়।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের Joint Special Operations Command (JSOC)-এর সরাসরি অধীনে কাজ করে।

 ⇒ এ ইউনিট মূলত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, জিম্মি উদ্ধার, চড়া মূল্যের লক্ষ্যবস্তু আটক, সরাসরি সামরিক হামলা ও বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি-সংক্রান্ত কাজের জন্য প্রশিক্ষিত।
- ডেল্টা ফোর্সে রয়েছে মোট ৮টি অপারেশনাল স্কোয়াড্রন। প্রতিটি স্কোয়াড্রন নিজেই স্বয়ংসম্পূর্ণ ও অল্প সময়ের নোটিশে আক্রমণ বা উদ্ধার অভিযানে যেতে সক্ষম। 
- ডেল্টা ফোর্স–সম্পর্কিত প্রায় সব তথ্যই সর্বোচ্চ মাত্রায় গোপন রাখা হয়।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নেওয়ার অভিযানে  বিশেষায়িত বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’ ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। 
 
এছাড়াও, 
 - ১৯৯৩ সালে সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসুর লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উড়োজাহাজ গুলি করে ভূপাতিত করা হয়। কয়েকজন মার্কিন সেনা আটকা পড়েন। তাঁদের উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানে ডেল্টা ফোর্স অংশ নিয়েছিল। 
- লাতিন আমেরিকার দেশ পানামার স্বৈরশাসক ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে ধরতে ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে ‘অপারেশন জাস্ট কজ’ পরিচালনা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এতেও অংশ নিয়েছিল ডেল্টা ফোর্স।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.

.
United Nations Convention against Cybercrime কোন শহরে স্বাক্ষরিত হয়েছে?
  1. নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. হ্যানয়, ভিয়েতনাম
  3. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  4. সাঙ্ঘাই, চীন
সঠিক উত্তর:
হ্যানয়, ভিয়েতনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যানয়, ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

United Nations Convention against Cybercrime:
- UNCC জাতিসংঘের সাইবার অপরাধ প্রতিরোধের প্রথম ব্যাপক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- গৃহীত হয়: ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ (জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯/২৪৩ নম্বর রেজোলিউশনের মাধ্যমে)।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়: ২৫ অক্টোবর, ২০২৫।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত থাকবে: ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত।
- স্বাক্ষরের স্থান: হ্যানয়, ভিয়েতনাম।
- উদ্দেশ্য: সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ, তদন্ত ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা।

উল্লেখ্য,
- ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়তে স্বাক্ষরিত জাতিসংঘ সাইবার অপরাধ চুক্তিটি কেবল তখনই কার্যকর হবে, যখন কমপক্ষে ৪০টি দেশ এটি অনুমোদন করবে।
- চুক্তি অনুযায়ী স্বাক্ষরকারী দেশগুলোকে ১০টি অপরাধকে ‘অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে হ্যাকিং, জালিয়াতি ও অন্যান্য অনলাইন অপরাধ। অন্য কোনো সদস্য দেশ অনুরোধ করলে দেশগুলোকে ই-মেইলসহ প্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে।

⇒ এই কনভেনশনের মূল উদ্দেশ্য:
- সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও দমন করা। 
- দেশগুলোর মধ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো, বিশেষ করে ইলেকট্রনিক প্রমাণ শেয়ার করা।
- গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ ও বিনিময়।
- উন্নয়নশীল দেশগুলোকে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও ক্ষমতা বৃদ্ধি প্রদান।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

.
নিম্নের কোন গোয়েন্দা সংস্থা ‘অপারেশন র‍্যাথ অফ গড’ পরিচালনা করে?
  1. এমআই৬
  2. মোসাদ
  3. সিআইএ
  4. আইএসআই
সঠিক উত্তর:
মোসাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোসাদ
ব্যাখ্যা

অপারেশন র‍্যাথ অফ গড (Operation Wrath of God):
- ‘অপারেশন র‍্যাথ অফ গড’ পরিচালনা করে গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ।
- এটি অপারেশন ‘বেয়োনেট’ নামেও পরিচিত।

⇒ ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিক হত্যাকাণ্ডের পর ‘অপারেশন র‍্যাথ অফ গড’ পরিচালনা করে মোসাদ।
- ১৯৭২ সালে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছিল জার্মানির মিউনিখ শহরে। মিউনিখ অলিম্পিকে অংশ নেওয়া ইসরায়েলের অ্যাথলেটকে অপহরণ করে ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর। তাঁদের চাওয়া ছিল, ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিতে হবে, কিন্তু তা হয়নি। জার্মান পুলিশ অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানে নামে। এর ফলে অপহরণকারীরা দুজন খেলোয়াড়কে হত্যা করেন।
- এর জবাবে মোসাদ অপারেশন র‌্যাথ অব গড অভিযান পরিচালনা করে।
- এ অপারেশনের উদ্দেশ্য ছিল মিউনিখ গণহত্যায় জড়িতদের হত্যা করা।  মূল টার্গেট ছিল ফিলিস্তিনের সশস্ত্র উগ্রপন্থি গ্রুপ ‘ব্লাক সেপ্টেম্বরের’ সদস্যরা এবং প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের অপারেটিভরা। এ অপারেশন অনুমোদন দিয়েছিলেন ১৯৭২ সালের শরতে তখনকার ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী গোল্ডা মায়ার।

উল্লেখ্য,
- ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। 
- মোসাদ-এর পূর্ণরূপ: Institute for Intelligence and Special Operations.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- বর্তমান পরিচালক (Director): ডেভিড বার্নিয়া (David Barnea)।
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরাইল।
- প্রথম পরিচালক: রুভেন শিলোয়াহ (Reuven Shiloah)।
- মোসাদ ইসরায়েলের মূল গোয়েন্দা সংস্থা এবং এটি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও অত্যন্ত প্রভাবশালী। সংস্থাটি প্রধানত সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম, বিদেশি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে। মোসাদ তার দক্ষ অপারেশন এবং অসাধারণ সাফল্যের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত।

উৎস: Britannica.

.
কপ-২১ সম্মেলনে কোন বিখ্যাত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. Rio Declaration
  2. Kyoto Protocol
  3. Paris Agreement
  4. Montreal Protocol
সঠিক উত্তর:
Paris Agreement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Paris Agreement
ব্যাখ্যা

কপ-২১ সম্মেলনে Paris Agreement স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement):
- প্যারিস চুক্তি মূলত জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।

⇒ বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে। 
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি পাঁচ বছর পর পর তাদের কার্বন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা জমা দিতে হয়। প্যারিস চুক্তির অধীনে, দেশগুলো প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন করে জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে জমা দেয়।

⇒ চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

.
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কত সালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি:
- ইরানের সর্বোচ্চ নেতা  আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
- সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তিনি দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফ। দেশের সব বড় বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তার সম্মতি দরকার হয়। এমনকি ইরান পারমাণবিক ক্ষমতার অধিকারী হবে কিনা অথবা জাতিসংঘের আণবিক শক্তি সংস্থাকে সহযোগিতা করবে কিনা, এসবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনি দেন।
- আলি খামেনেয়ী রুহুল্লাহ খোমেনীর উত্তরসূরি হিসেবে খোমেনীর মৃত্যুর পর আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের অন্য অনেক দেশের তুলনায় ইরানের শাসন পদ্ধতি বেশ আলাদা।
- সেখানে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট বা সংসদ সদস্যরা নির্বাচিত হলেও দেশের মূল ক্ষমতা রয়েছে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার হাতে।

⇒ ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসনের এই ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর দেশটি দুজন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাদের পদবী হিসেবে আয়াতুল্লাহ ব্যবহার করা হয়, শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে যার অর্থ সিনিয়র ধর্মীয় নেতা।
- ১৯৬২ সালে আলী খামেনি শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বিরুদ্ধাচরণকারী আয়াতুল্লাহ খোমেনির ধর্মীয় আন্দোলনে যোগ দেন।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর আলী খামেনি বিপ্লবী পরিষদে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন এবং ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোরকে সংগঠিত করতে সহায়তাও করেন। এই বিপ্লবী গার্ড ইরানের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- ১৯৮১ সালে দেশটির বামপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ইরানের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ-আলী রাজাইকে হত্যা করে।
- রাজাইয়ের মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হিসেবে আলী খামেনি ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। আট বছর ধরে আনুষ্ঠানিক এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি।
- ১৯৮৯ সালের জুনে খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ (ধর্মীয় আলেমদের একটি পরিষদ) আলী খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।

উৎস: i) BBC.
ii) Middle East Eye.

.
নিম্নের কোন দেশটি RCEP চুক্তির অংশীদার দেশ নয়?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা

RCEP:
- RCEP-এর পূর্ণরূপ: Regional Comprehensive Economic Partnership.
- RCEP হলো Association of Southeast Asian Nations (ASEAN) এর সদস্য রাষ্ট্র।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম বাণিজ্যিক জোট এবং বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ)। 
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ২০২০।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ২০২২।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৫টি (চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ব্রুনাই, সিঙ্গাপুর, কম্বোডিয়া, লাওস ও মিয়ানমার)।

⇒ অর্থনীতির ব্যাপ্তি:
- বৈশ্বিক GDP-এর প্রায় ৩০%,
- বৈশ্বিক জনসংখ্যারও প্রায় ৩০% (প্রায় ২.২ বিলিয়ন),
- বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রায় ২৮.৮%।

 উল্লেখ্য,
- ভারত RCEP চুক্তির অংশীদার দেশ নয়।
- শুরুর দিকে ভারত এই চুক্তির আলোচনায় থাকলেও ২০১৯ সালের নভেম্বরে ভারত এই চুক্তি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয় তার দেশীয় শিল্প রক্ষার যুক্তিতে। 

উৎস: i) ASEAN ওয়েবসাইট।
ii) World Economic Forum ওয়েবসাইট।

.
ম্যারাথনের যুদ্ধ কোন দুই পক্ষের মধ্যে সংঘটিত হয়?
  1. স্পার্টা ও এথেন্স
  2. রোম ও পারস্য
  3. এথেন্স ও পারস্য
  4. স্পার্টা ও মিশর
সঠিক উত্তর:
এথেন্স ও পারস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এথেন্স ও পারস্য
ব্যাখ্যা

ম্যারাথনের যুদ্ধ (Battle of Marathon):
- ম্যারাথনের যুদ্ধ প্রাচীন গ্রীক ইতিহাসের একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধ ৪৯০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে গ্রিসের ম্যারাথন নামক স্থানে গ্রিসের এথেন্স এবং পারস্য সাম্রাজ্যের মধ্যে সংঘটিত হয়।
- পক্ষ: একদিকে ছিল এথেন্স (মিত্র প্লেটিয়াসহ) এবং অন্যদিকে ছিল পারস্যের বিশাল বাহিনী।
- যুদ্ধে গ্রিকরা জয়লাভ করে।
- এখানে অ্যাথেনীয়রা রাজা প্রথম দারিয়ুসের বিশাল পারস্য বাহিনীকে পরাজিত করে গ্রিসের স্বাধীনতা রক্ষা করেছিল। 

⇒ যুদ্ধের কারণ: পারস্য রাজা প্রথম দারিয়ুস গ্রিক নগর-রাষ্ট্রগুলোর উপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।
- এই যুদ্ধে এথেন্সের ছোট একটি বাহিনী বিশাল পারস্য বাহিনীকে পরাজিত করে, যা গ্রিকদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজয় ছিল 

উল্লেখ্য,
- পারস্যের সেনারা যখন এথেন্সের দিকে এগিয়ে আসছিল তখন গ্রিসের আরেক রাজ্য স্পার্টার কাছে সাহায্যের আবেদন জানায়। আর এই কাজের দায়িত্ব এসে পড়লো ফিডিপাইডিসের কাঁধে। ফিডিপাইডিস ছিলেন পেশায় একজন হেরাল্ড বা হেমেরোড্রোম।
- যখন পারস্যের সেনারা এথেন্সের দিকে এগিয়ে আসছিল তখন ফিডিপাইডিস সাহায্যের বার্তা নিয়ে স্পার্টার উদ্দেশ্যে দৌড়াতে শুরু করলেন। দুই দিনে সে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে স্পার্টায় এই বার্তা পৌঁছে দিয়ে আবার সে একই সমান দূরত্ব পাড়ি দিয়ে দৌড়ে এথেন্সে ফিরে আসেন।
- এসেই আবার ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ম্যারাথন নামের জায়গার উদ্দেশ্যে দৌড়ানো শুরু করেন। সেখানে পৌঁছে আবার তিনি এথেন্সের দিকে দৌড়াতে থাকেন। 
- এথেন্সে ফিরেই তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে একটা কথাই উচ্চারণ করে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন। তাঁর শেষ উচ্চারিত শব্দটি ছিল ‘নিকোমেন’। যার মানে ‘আমরা জিতেছি’।
- এখান থেকেই ম্যারাথন দৌড়ের উৎপত্তি।

উল্লেখ্য,
- এবং পারস্যের প্রথম আক্রমণ প্রতিহত করতে সাহায্য করেছিল।

উৎস: Britannica.

.
২০২৫ সালে বুকার পুরস্কার জিতেছেন কোন লেখক?
  1. বানু মুশতাক
  2. সামান্থা হার্ভে
  3. ডেভিড সালাই
  4. জেনি এরপেনবেক
সঠিক উত্তর:
ডেভিড সালাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেভিড সালাই
ব্যাখ্যা

বুকার পুরস্কার ২০২৫:
- ২০২৫ সালের 'বুকার পুরস্কার' জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান-ব্রিটিশ লেখক ডেভিড সালাই।

- ইংরেজি ভাষায় রচিত 'ফ্ল্যাশ (Flesh)' উপন্যাসের জন্য খেতাবটি জয় করেন ডেভিড সালাই।
- এখানে নির্যাতিত হাঙ্গেরিয়ান এক অভিবাসীর গল্প তুলে ধরেন তিনি। বিদেশে ভাগ্য গড়েও শেষ পর্যন্ত সবকিছু হারানোর হৃদয়বিদারক কাহিনীর কারণে ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা লাভ করে বইটি।
- 'ফ্লেশ (Flesh)' ডেভিড সালাইয়ের ষষ্ঠ উপন্যাস। 

অন্যদিকে,
- ২০২৫ সালের 'আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার' জিতেছেন ভারতীয় লেখক, আইনজীবী ও অধিকারকর্মী বানু মুশতাক। ছোটগল্পের সংকলন ‘হার্ট ল্যাম্প/ Heart Lamp’–এর জন্য তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এ ভাষার লেখকদের মধ্যে তিনি প্রথমবারের মতো মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি পেলেন।

উল্লেখ্য,
- বুকার পুরস্কার একটি সাহিত্য পুরস্কার।
- এটি যুক্তরাজ্য থেকে প্রদান করা হয়।
- পুরস্কারটির পূর্বনাম ছিল: Booker–McConnell Prize ও Man Booker Prize।
- শুরুতে পুরস্কারটি শুধু ব্রিটিশ লেখকদের প্রদান করা হত। পরবর্তীতে তা কমনওয়েলথ দেশ সমূহের ইংরেজি ভাষার লেখক এবং ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ইংরেজি ভাষার লেখকদের প্রদান করা হয়ে আসছে।
- ১৯৬৯ সাল থেকে প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- বুকারজয়ের শর্ত হলো, উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা হতে হবে এবং যুক্তরাজ্যে বা আয়ারল্যান্ডে প্রকাশিত হতে হবে।
 
উৎস: The Booker Prizes ওয়েবসাইট।

১০.
International Organization for Mediation (IOMed) কোন দেশের উদ্যোগে গঠিত?
  1. ভারত
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

International Organization for Mediation (IOMed):
- চীনের উদ্যোগে সংঘাত নিরসনে হংকংয়ে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা সংস্থা International Organization for Mediation (IOMed) নামে একটি বৈশ্বিক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ৩০ মে, ২০২৫।
- এটি কার্যকর হয়: ২৯ আগস্ট, ২০২৫।
- আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন: ২০ অক্টোবর, ২০২৫।
- সদর দপ্তর: হংকং, চীন।
- বর্তমান মহাসচিব (Secretary-General): প্রফেসর টেরেসা চেং য়ুক-ওয়াহ (eresa CHENG Yeuk-wah SC)।
- IOMed এক দেশের সঙ্গে আরেক দেশের, একটি দেশের সঙ্গে অন্য একটি দেশের নাগরিকদের এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ নিষ্পত্তিতে সালিশি বা মধ্যস্থতা করবে।

⇒  হংকংয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সভাপতিত্বে IOMed প্রতিষ্ঠার চুক্তি ‘the Convention on the Establishment of the International Organization for Mediation’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এ সময় ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, লাওস, কম্বোডিয়া ও সার্বিয়াসহ ৩১টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি জাতিসংঘসহ প্রায় ২০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
- এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) ও পার্মানেন্ট কোর্ট অফ আর্বিট্রেশন-এর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে কাজ করার প্রত্যাশা রয়েছে।

উৎস: i) International Organization for Mediation (IOMed) ওয়েবসাইট।
ii) mofa.go.ug

১১.
২০২৫ সালের বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচকে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. সুইডেন
  2. সিঙ্গাপুর
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচকে শীর্ষ দেশ সুইজারল্যান্ড।

বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক (Global Innovation Index-2025):

- প্রকাশক: জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা (WIPO)।
- প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর, ২০২৫।
- দেশ: ১৩৯টি।
- এতে একটি দেশের অবস্থান নির্ণয়ে প্রতিষ্ঠান, মানবসম্পদ ও গবেষণা, অবকাঠামো, পরিশীলিত বাজার, পরিশীলিত ব্যবসা, জ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতাসহ মোট সাতটি সূচকের মূল্যায়ন করা হয়।
- বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০২৫- শীর্ষ স্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ড এবং সর্বনিম্ন স্থানে রয়েছে নাইজার (১৩৯তম)।
- বাংলাদেশের অবস্থান ১০৬তম।

বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০২৫ শীর্ষ দেশ:
১. সুইজারল্যান্ড,
২. সুইডেন,
৩. যুক্তরাষ্ট্র,
৪. দক্ষিণ কোরিয়া, 
৫. সিঙ্গাপুর।

উৎস: WIPO ওয়েবসাইট।

১২.
কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা Everything but Arms (EBA) বাণিজ্য-সুবিধা প্রদান করে?
  1. বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা 
  2. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  3. বিশ্ব ব্যাংক
  4. আসিয়ান
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

Everything but Arms (EBA):
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন Everything but Arms (EBA) নামক বাণিজ্য-সুবিধা প্রদান করে।
- এটি জাতিসংঘের তালিকাভুক্ত স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে (LDCs) অস্ত্র ও গোলাবারুদ বাদে তাদের সমস্ত পণ্যের উপর শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার দেয়।
- এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের Generalised System of Preferences (GSP)-এর অংশ।

⇒ Everything But Arms হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা প্রোগ্রাম।
- এই প্রোগ্রামের আওতায় স্বল্পোন্নত দেশগুলি থেকে ইইউতে অস্ত্র ব্যতীত সকল পণ্য শুল্ক এবং কোটামুক্তভাবে আমদানি করা যায়। 
- এই সুবিধা ২০০১ সালের ৫ মার্চ থেকে কার্যকর হয়।

⇒ ‘Everything but Arms (EBA)’ বাণিজ্য-সুবিধাভোগী দেশ:
- জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি কমিটি (UN Committee for Development Policy) দ্বারা সংজ্ঞায়িত সবচেয়ে কম উন্নত দেশগুলো (LDCs) এই সুবিধা পায়।
- বর্তমানে ৪৪টি দেশ এই তালিকায় রয়েছে।

উৎস: EU Trade ওয়েবসাইট।

১৩.
লোম্বক প্রণালি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. ফিলিপাইন
  3. ভিয়েতনাম
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

লোম্বক প্রণালি:
- লোম্বক প্রণালি (Lombok Strait) ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি বালি দ্বীপ এবং লোম্বক দ্বীপের মাঝে অবস্থিত একটি জলপ্রণালি, যা জাভা সাগরকে ভারত মহাসাগরের সাথে সংযোগ করে।
- এর উত্তরে জাভা সাগর ও দক্ষিণে ভারত মহাসাগর।
- এটি ইন্দোনেশিয়ার লেসার সুন্দা দ্বীপপুঞ্জের অংশ।

⇒ ইন্দোনেশিয়া:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দেশটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখ- থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- স্থল সীমান্ত রয়েছে মালয়েশিয়া, বোর্নিও, পাপুয়া নিউগিনি ও পূর্ব তিমুর এবং সরু প্রণালী দ্বারা আলাদা হয়েছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনের সঙ্গে।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, সুলাওয়েসি, পাপুয়া নিউ গিনি।

উৎস: Britannica.

১৪.
আলাস্কায় পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জন্য কোন পরিবেশবাদী সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. Worldwatch Institute
  2. WWF
  3. Greenpeace International
  4. Friends of the Earth
সঠিক উত্তর:
Greenpeace International
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Greenpeace International
ব্যাখ্যা

আলাস্কায় পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ফলস্বরূপ Greenpeace International সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা মূলত  Don't Make a Wave Committee নামে শুরু হয়েছিল যা ১৯৬৯-১৯৭০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধের দাবিতে গঠিত হয়েছিল এবং পরে বিশ্বব্যাপী পরিবেশ আন্দোলনে পরিণত হয়।

Greenpeace International: 

- Greenpeace নেদারল্যান্ডসভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা। 
- এর সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে Greenpeace প্রতিষ্ঠিত হয়
- এর উদ্যোক্তাদের মধ্যে রয়েছে: বব হান্টার, ডেভিড ম্যাকটেগার্ট, ডরোথি স্টোয়ি, আরভিং স্টোয়ি প্রমুখ।

⇒ পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- পরে ১৯৭১ সালে এটি ‘গ্রিনপিস’ নামে রুপান্তরিত হয়।
- সংস্থাটির মূল উদ্দেশ্য পৃথিবী নামক এই গ্রহের সব ধরনের জীববৈচিত্রের প্রতিপালনের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো।

উৎস: Greenpeace International ওয়েবসাইট।

১৫.
৩১তম জলবায়ু সম্মেলন কবে এবং কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. তুরস্ক, ২০২৬
  2. অস্ট্রেলিয়া, ২০২৬
  3. অস্ট্রেলিয়া, ২০২৭ 
  4. জার্মানি, ২০২৬ 
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক, ২০২৬
ব্যাখ্যা

কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা। 
 
⇒ ৩১তম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-৩১):
- ২০২৬ সালের ৯ - ২০ নভেম্বর ৩১তম জলবায়ু সম্মেলন তুরস্কের আন্তালিয়া শহরে অনুষ্ঠিত হবে।
- তুরস্কই আনুষ্ঠানিকভাবে কপ-৩১-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে।
- জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ সালের কপ আয়োজনের অধিকার পশ্চিমা ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও অন্য দেশ নিয়ে গঠিত একটি গ্রুপের প্রাপ্য ছিল।
- অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে এবং প্রায় ২০০ দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সমঝোতা গড়ে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাগুলো অস্ট্রেলিয়াই পরিচালনা করবে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের ১০ - ২১ নভেম্বর ব্রাজিলের আমাজনের রেইনফরেস্ট এলাকায় বেলেমে ৩০তম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-30) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এই সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছেন ব্রাজিলীয় কূটনীতিক আন্দ্রে কোরেয়া দো লাগো।
- কপ৩০–এর স্লোগান Global Mutirão (বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত প্রচেষ্টা)। 

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১৬.
OPEC কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. রিয়াদ, সৌদি আরব
  2. তেহরান, ইরান
  3. বাগদাদ, ইরাক
  4. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
সঠিক উত্তর:
বাগদাদ, ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগদাদ, ইরাক
ব্যাখ্যা

পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা OPEC ১৯৬০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর বাগদাদ, ইরাকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

OPEC:

- OPEC-এর পূর্ণরূপ: Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- এটি পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা।
- OPEC তেল রপ্তানীকারক দেশসমূহের একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন।
- প্রধান উদ্দেশ্য: সদস্য দেশসমূহের পেট্রোলিয়ামের নীতি নির্ধারণ ও সমন্বয় এবং বৈশ্বিক তেলের দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রন করা।

উল্লেখ্য,
- ওপেক গঠনের প্রস্তাবক দেশ ভেনেজুয়েলা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে। 
- প্রতিষ্ঠার স্থান: বাগদাদ, ইরাক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫টি (ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা)।
- বর্তমান সদস্য: ১২টি।
- সদস্য দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, কঙ্গো, নিরক্ষীয় গিনি, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভেনিজুয়েলা।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উল্লেখ্য,
- ইন্দোনেশিয়া ২০০৮ সালে ওপেক থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
- এছাড়া ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি কাতার এবং ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি ইকুয়েডর সদস্যপদ ছেড়ে দেয়।
- ১ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী অ্যাঙ্গোলা OPEC থেকে বেরিয়ে এসেছে।

উৎস: i) OPEC ওয়েবসাইট।
ii) History.com

১৭.
আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস কবে পালিত হয়?
  1. ৮ ফেব্রুয়ারি
  2. ১৮ এপ্রিল
  3. ২২ মে
  4. ৬ জুন
সঠিক উত্তর:
২২ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ মে
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস:
- ২২ মে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস পালিত হয়।
- ১৯৯২ সালের ২২ মে কনভেনশন গৃহীত হওয়ার পর ২০০০ সালে জাতিসংঘ ২২ মে তারিখটিকে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। 

⇒ জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করতেই ১৯৯২ সালের ২২ মে কেনিয়ার নাইরোবিতে বায়োডাইভার্সিটি (সিবিডি) চুক্তির অনুযায়ী প্রতিবছর এই দিন দিবসটি পালিত হয়। 
- দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো—জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- ৫ জুন ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচীর ধরিত্রী সম্মেলনে সিবিডি বিভিন্ন দেশের স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিশ্বের প্রায় ১৬৮টি দেশ সিবিডি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং সিবিডি ওই বছরের ২৯ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। 

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

১৮.
The Art of the Deal কার আত্মজীবনীমূলক বই?
  1. বিল গেটস
  2. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  3. বারাক ওবামা
  4. স্টিভ জবস
সঠিক উত্তর:
ডোনাল্ড ট্রাম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোনাল্ড ট্রাম্প
ব্যাখ্যা

ডোনাল্ড ট্রাম্প:
- ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম এবং বর্তমান ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।
- ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।
- শপথ গ্রহণের দিনটিকে, ২০শে জানুয়ারি ২০২৫-কে তিনি 'মুক্তির দিন' বলে বর্ণনা করেন।
- তিনি ২০২৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের হয়ে নির্বাচনে অংশ নেন এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

উল্লেখ্য,
- তিনি একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, বিশিষ্ট সামাজিক ব্যক্তিত্ব, লেখক হিসেবে আলোচিত।
- তিনি দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশ্যানের পরিচালক এবং ট্রাম্প এন্টারটেইনম্যান্ট রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা।

⇒ The Art of the Deal:
- The Art of the Deal বইটি ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প-এর আত্মজীবনীমূলক বই।
- এটি সাংবাদিক টনি শোয়ার্জ (Tony Schwartz)-এর সহায়তায় লেখা হয়েছিল।
- যদিও এর কৃতিত্ব মূলত ট্রাম্পকেই দেওয়া হয় এবং এটি তার ব্যবসায়িক জীবনের গল্প বলে।
- বইটি ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ট্রাম্পের রিয়েল এস্টেট সাম্রাজ্য এবং চুক্তি করার পদ্ধতি নিয়ে লেখা, যা তাকে একজন বিখ্যাত ব্যবসায়ীতে পরিণত করতে সাহায্য করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) Amazon.com

১৯.
জি-৭-এর কয়টি সদস্যরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

জি-৭ (G7) জোটের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ৩টি দেশ যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং ফ্রান্স আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

G-7:

- বিশ্বের ধনী দেশগুলোর সংগঠন G-7 এর পূর্ণরূপ: Group of Seven.
- এটি বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা।

উল্লেখ্য,
⇒ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয় ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে।
- ১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজেয়ার্সে প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল কাউন্সিলের সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
- স্বাধীন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ আলজেরিয়া।
- কানাডা ও যুক্তরাজ্য ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- ফ্রান্স ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ইতালি, জাপান ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি প্রদান করেনি।
- এ নিয়ে জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্যদেশের মধ্যে ১৫৭টি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিল। সেই হিসাবে বিশ্বের ৮০ শতাংশের বেশি দেশের কাছ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে ফিলিস্তিন।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

২০.
‘সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল’ কোন অঞ্চলের প্রধান বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী?
  1. ইরান
  2. ইসরায়েল
  3. ইয়েমেন
  4. ফিলিস্তিন
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন
ব্যাখ্যা

সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল:
- দক্ষিণ ইয়েমেনের প্রধান বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (এসটিসি)।
- বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ‘সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের মদদপুষ্ট। 
- এটি ২০১৭ সালের ১১ মে গঠিত হয়।
- তাদের ঘোষিত লক্ষ্য ১৯৬৭–১৯৯০ সময়কালের মতো ‘দক্ষিণ রাষ্ট্র’ পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

উল্লেখ্য, 
- সম্প্রতি ইয়েমেনের বন্দরনগরী মুকাল্লায় ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বোমা হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব।
- সৌদি আরবের দাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীর জন্য অস্ত্রের একটি চালান পাঠানো হয়েছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই হামলা চালানো হয়েছে।
- ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ইয়েমেনের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মাঝে তেলের কোটা ও এর উপর প্রভাব বিস্তার নিয়ে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দ্বন্দ্বই বর্তমান উত্তেজনার মূল উৎস।
- আমিরাত দক্ষিণ ইয়েমেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এসটিসি-কে সমর্থন করছে। এই গোষ্ঠী বিগত মাসে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার থেকে দক্ষিণ ইয়েমেনের কিছু অংশ দখল করেছে।

উৎস: Al Jazeera.

২১.
গাজার পুনর্গঠন ও অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন তদারকির জন্য প্রস্তাবিত কমিটির নাম কী?
  1. Board of Reconstruction 
  2. Board of Peace
  3. Gaza Peace Council
  4. International Gaza Authority
সঠিক উত্তর:
Board of Peace
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Board of Peace
ব্যাখ্যা

গাজা বোর্ড অব পিস (Board of Peace) :
- বোর্ড অব পিস হলো ২০২৫-২৬ সালের গাজা যুদ্ধবিরতি ও পুনর্গঠন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রস্তাবিত একটি আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধায়ক কমিটি।
- এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গাজার অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন তদারকি, পুনর্গঠন ও শান্তি প্রক্রিয়া তদারকির জন্য গঠিত হয়েছে। 
- এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা দাবির দ্বিতীয় ধাপের (Phase II) অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রথম ধাপে যুদ্ধবিরতি কার্যকর ও মানবিক সহায়তা প্রবাহ নিশ্চিত করার পর, দ্বিতীয় ধাপে গাজায় যুদ্ধ-পরবর্তী প্রশাসনিক কাঠামো দাঁড় করানোই হবে মূল লক্ষ্য। সেই প্রেক্ষাপটেই ‘গাজা বোর্ড অফ পিস’ গঠনের পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, মূলত এটি হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর প্রধানদের বোর্ড।
- এই বোর্ডের দায়িত্ব হবে গাজায় শান্তিপ্রক্রিয়ার বাস্তবায়ন তদারক করা।

⇒ ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজোলিউশন ২৮০৩ দিয়ে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদও এর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি অস্থায়ী আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (International Stabilization Force) অনুমোদন করেছে।
- জানুয়ারি ৮, ২০২৬ তারিখে সাবেক জাতিসংঘ মধ্যপ্রাচ্য দূত ও বুলগেরীয় কূটনৈতিক নিকোলাই স্লাদেনভ ‘বোর্ড অব পিস’-এর মহাপরিচালক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। 
- উল্লেখ্য যে, টনি ব্লেয়ার প্রথমে সদস্য হিসেবে আলোচনায় ছিলেন, কিন্তু ইরাক যুদ্ধে ভূমিকার কারণে আরব দেশগুলোর আপত্তিতে তাকে পূর্ণ সদস্যপদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১১ অক্টোবর, ২০২৫ থেকে গাজায় মার্কিন মধ্যস্ততায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি গণহত্যার যুদ্ধ অঞ্চলজুড়ে নিহতের সবশেষ সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি বেশি মানুষ আহত হয়েছে। অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।

উৎস: i) Reuters.
ii) Al Jazeera.

২২.
SDG-এর ১০ নং লক্ষ্যমাত্রার মূল বিষয়বস্তু কী?
  1. দারিদ্র্য বিমোচন
  2. অসমতা হ্রাসকরণ
  3. জেন্ডার সমতা
  4. জলবায়ু পরিবর্তন 
সঠিক উত্তর:
অসমতা হ্রাসকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসমতা হ্রাসকরণ
ব্যাখ্যা

Sustainable Development Goals (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে Sustainable Development Goals (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজি-এর মূলনীতি: Leaving no one behind.
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।

⇒ এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০. অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব।

⇔ অভীষ্ট ১০ এর লক্ষ্যমাত্রা:
- ১০.১   ২০৩০ সালের মধ্যে আয়ের দিক থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে অবস্থানকারী ৪০% জনসংখ্যার আয়ের প্রবৃদ্ধি হার পর্যায়ক্রমে জাতীয় গড় আয়ের চেয়ে বেশি অর্জন করা এবং অর্জিত হার বজায় রাখা।
- ১০.২   বয়স, লিঙ্গ, অসামর্থ্য (প্রতিবন্ধিতা), জাতিসত্ত্বা, নৃতাত্ত্বিক পরিচয়, উৎস (জন্মস্থান), ধর্ম অথবা অর্থনেতিক বা অন্যান্য অবস্থা নির্বিশেষে ২০৩০ সালের মধ্যে সকলের ক্ষমতায়ন এবং এদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, ও রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তির প্রবর্ধন।
- ১০.৩   বৈষম্যমূলক আইন, নীতিমালা ও প্রার অবসান ঘটিয়ে এবং যথোপযুক্ত আইন, নীতিমালা ও কর্মব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমেসহ বিভিন্ন উদ্যোগের সুফল ভোগের ক্ষেত্রে বৈষম্য হ্রাসসহ সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।
- ১০.৪   নীতিমালা, বিশেষ করে রাজস্ব, মজুরি ও সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ক নীতিমালা গ্রহণ ও ক্রমান্বয়ে অধিকতর সমতা অর্জন ।
- ১০.৫   বিশ্বব্যাপী আর্থিক বাজার ও প্রতিষ্ঠানসমূহের নিয়ন্ত্রণ (প্রবিধান) ও পরিবীক্ষণ ব্যবস্থা উন্নত করা এবং অনুরূপ প্রবিধানমালার বাস্তবায়ন শক্তিশালী করা।
- ১০.৬   অধিকতর কার্যকর, বিশ্বাসযোগ্য, জবাবদিহিতামূলক ও বৈধ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার স্বার্থে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অধিকতর প্রতিনিধিত্ব ও মতামত প্রদানের সুযোগ নিশ্চিত করা।
- ১০.৭   পরিকল্পিত ও সুষ্ঠু অভিবাসন নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে এবং অপরাপর উদ্যোগ গ্রহণ করে সুশৃঙ্খল, নিরাপদ, নিয়মিত ও দায়িত্বশীল উপায়ে জনগণের অভিবাসন ও যাতায়াত সহজতর করা।
- ১০.ক   উন্নয়নশীল দেশ, বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার চুক্তি অনুযায়ী ’বিশেষ ও প্রাধিকারমূলক ব্যবস্থা নীতি’ বাস্তবায়ন।
- ১০.খ   প্রয়োজনের নিরিখে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে স্বল্পোন্নত দেশ, আফ্রিকার দেশসমূহ, উন্নয়নশীল ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র ও স্থলবেষ্টিত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে তাদের জাতীয় পরিকল্পনা ও কর্মসূচি অনুযায়ী বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ সহ সরকারি উন্নয়ন সহায়তা ও আর্থিক প্রবাহে উৎসাহ প্রদান করা।
- ১০.গ  ২০৩০ সালের মধ্যে অভিবাসীদের পাঠানো অর্থ বা রেমিট্যান্সের লেনদেন খরচ ৩ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা এবং ৫ শতাংশের বেশিখরচ হয় এমন রেমিট্যান্স করিডরের বিলুপ্তি সাধন।

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।

২৩.
কোন দেশ প্রথম ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-৫ প্রয়োগ করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- ন্যাটোর গঠনতন্ত্র ও চুক্তিগুলো শুধু সদস্য দেশগুলোর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। 

⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে। ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।

• ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রথম ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-৫ প্রয়োগ করে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য, ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

২৪.
কার্বন সনদ ধারণাটি পরিবেশ বিষয়ক কোন প্রটোকলের সাথে সম্পর্কিত?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. কিয়োটো প্রটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।

⇒ কার্বন সনদ:
- কার্বন সনদ (Carbon Credit) ধারণাটি মূলত কিয়োটো প্রোটোকল -এর সাথে সম্পর্কিত। 
- এই প্রটোকলের প্রধান লক্ষ্য ছিল গ্রীনহাউস গ্যাস, বিশেষ করে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) নির্গমন কমানো।
- কারণ, কার্বন ডাই অক্সাইড প্রধান গ্রীনহাউস গ্যাস এবং এটি বিশ্ব উষ্ণতা বৃদ্ধির (গ্লোবাল ওয়ার্মিং) জন্য দায়ী প্রধান উপাদান।

⇒ কার্বন সনদের ধারণাটি আসে বিশেষত কার্বন ডাই অক্সাইডের নির্গমন কমানোর উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিকভাবে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং দেশগুলোর জন্য নির্দিষ্ট সীমা আরোপ করা।
- কিয়োটো প্রটোকল কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের নির্গমন কমানোর জন্য 'কার্বন ক্রেডিট' ব্যবস্থাও চালু করেছিল, যার মাধ্যমে এক দেশ অন্য দেশের নির্গমন কমানোর প্রচেষ্টা কিনতে পারে বা বিক্রি করতে পারে।
- এর মাধ্যমে একটি বৈশ্বিক বাজার তৈরি হয়েছিল, যা 'কার্বন সনদ' বা 'কার্বন ক্রেডিট' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- কিয়োটো প্রটোকলের অংশ হিসেবে অনেক উন্নত দেশ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসকরণের জন্য নৈতিকভাবে দুটি পর্যায়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।
- প্রথম প্রতিশ্রুতির সময় ২০০৮-২০১২ এবং দ্বিতীয়টি ২০১৩-২০২০ সাল পর্যন্ত।
- প্রথম চুক্তির মেয়াদ ২০১২ সালে শেষ হলে দ্বিতীয় দফায় সেই চুক্তি সংশোধন করে ২০২০ সাল নাগাদ বর্ধিত করা হলেও এখন পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়নি।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

২৫.
'অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ' কোন দেশের প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছিল?
  1. ব্রাজিল
  2. পানামা
  3. ভেনেজুয়েলা
  4. কলম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
ভেনেজুয়েলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেনেজুয়েলা
ব্যাখ্যা

অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ:
- 'অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ' ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছিল।
- পরিচালনাকারী: মার্কিন ডেল্টা ফোর্স ও এলিট ইউনিট।

⇒ ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে কারাকাসে চালানো এক বিশেষ অভিযানে মার্কিন ডেল্টা ফোর্স মাদুরোর বাসভবনে ঢুকে তাকে সস্ত্রীক আটক করে। 
- 'অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ' নামের এই মিশনের নীল নকশা তৈরি হয়েছিল অন্তত চার মাস আগে।
- গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ভেনিজুয়েলার ভেতরে একটি গোপন দল মোতায়েন করেছিল। তাদের একমাত্র কাজ ছিল মাদুরোর প্রতিটি পদক্ষেপের ওপর নজর রাখা। 
- অভিযান শুরু হতেই ২০টি ভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি থেকে ১৫০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার আকাশে ওড়ে। রাডার ফাঁকি দিতে হেলিকপ্টারগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০০ ফুট ওপর দিয়ে উড়ে কারাকাসে পৌঁছায়। মার্কিন সাইবার কমান্ডের মাধ্যমে কারাকাসের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও যোগাযোগ মাধ্যম সম্পূর্ণ বিকল করে দেয়া হয়।
- বর্তমানে মাদুরো ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
- অভিযান শেষে ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ভেনিজুয়েলা ‘পরিচালনা’ করবে এবং দেশটির তেল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নেবে।

উৎস: The New York Times.

২৬.
রাখাইন জাতিসত্তার বর্ষবরণ উৎসব কী নামে পরিচিত?
  1. বৈসুক
  2. বিঝু
  3. বৈসাবি
  4. সাংগ্রাই 
সঠিক উত্তর:
সাংগ্রাই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংগ্রাই 
ব্যাখ্যা

• রাখাইন জনগোষ্ঠী:
- রাখাইন  জাতিসত্তার বর্ষবরণ উৎসবের নাম সাংগ্রাই।

- চৈত্র মাসের শেষ দুদিন ও বৈশাখ মাসের প্রথম দিন এই উৎসব পালিত হয়।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নামও সাংগ্রাই।

অপরদিকে,
- বৈসুক বা বৈসু হলো ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- বিঝু হলো চাকমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- বৈসাবি হলো চাকমা (বিঝু), ত্রিপুরা (বৈসুক), মারামা-রাখাইন (সাংগ্রাই), অহমিয়া (বিহু) জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত বর্ষবরণ উৎসব।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী।

২৭.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে ‍বাহাত্তরের মূল সংবিধানের মূলনীতিগুলো পুনঃস্থাপন করা হয়?
  1. সপ্তম সংশোধনী 
  2. পঞ্চম সংশোধনী
  3. চতুর্থ সংশোধনী 
  4. পঞ্চদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান: 
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী মাধ্যমে প্রথম রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি প্রধান মূলনীতিতে (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)পুনঃস্থাপন করা হয়।

• পঞ্চদশ সংশোধনী:
- জুলাই, ২০১১  আইন পাস হয়।
• পঞ্চদশ সংশোধনী সমূহ:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়।
- ১৯৭২ মূল সংবিধানের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি যথা: জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রাখার পাশাপাশি সকল ধর্মচর্চার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।

অপরদিকে,
- পঞ্চম সংশোধনী মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পরে সামরিক সরকার কর্তৃক যেসব বিধিবিধান প্রণয়ন ও সংবিধানের সংশোধনী আনা হয়েছে, সেগুলো পঞ্চম সংশোধনী আইনে বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়।
- রাষ্ট্রীয় মূলনীতি পরিবর্তন করা হয়।
- বাংলাদেশের নাগরিকতা 'বাঙালি' থেকে 'বাংলাদেশি' করা হয়।

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

২৮.
শিশুর জন্মের কত দিনের মধ্যে নবজাতকের জন্ম নিবন্ধনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়?
  1. ৪৫ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৪৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ দিন
ব্যাখ্যা

নবজাতকের নিবন্ধনপ্রক্রিয়া: 
- সরকারি নিয়মে জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে নবজাতকের নিবন্ধনপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হয়।

উল্লেখ্য,
-'রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন'-এর তথ্য অনুসারে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে মোট জন্মনিবন্ধন হয়েছে ৭৭ লাখ ৮১ হাজার ৩৯০ জনের।
- এর মধ্যে ৬ লাখ ৫৭ হাজার ৮৪৮ শিশুর নিবন্ধন হয়েছে জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে,

উৎস: 'রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় এবং প্রথম আলো।

২৯.
বাংলাদেশ ন্যামের কততম শীর্ষ সম্মেলনে প্রথম অংশগ্রহণ করে? 
  1. তৃতীয় সম্মেলন
  2. দ্বিতীয় সম্মেলন
  3. চতুর্থ সম্মেলন
  4. প্রথম সম্মেলন 
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সম্মেলন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ৫-৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ সম্মেলনে অংশগ্রহণ ও সদস্যপদ লাভ করে।

ন্যাম(NAM): 
- এর পূর্ণরূপ:Non-Aligned Movement.
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন: ১-৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১ সালে।
- স্থান: বেলগ্রেড, যুগোস্লাভিয়া।
- অংশগ্রহণকারী দেশ সংখ্যা: ২৫টি।

উল্লেখ্য,
- NAM- এর উৎপত্তি ঘটে এশীয়-আফ্রিকান সম্মেলন থেকে।
- এই সম্মেলনটি বান্দুং, ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি “Bandung Conference” নামে পরিচিত।
- ২৯টি দেশের প্রতিনিধিদল এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- অধিকাংশ ছিল এশীয়, কারণ অনেক আফ্রিকান দেশ তখনও উপনিবেশ ছিল।
- বর্তমান সদস্য: ১২১ টি সদস্য দেশ। [জানুয়ারি,২০২৬]
- পর্যবেক্ষক দেশ: ১৮ টি।
- পর্যবেক্ষক সংগঠন: ১০ টি।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।

৩০.
বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল প্রাচীন বাংলার কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিলো?
  1. হরিকেল
  2. সমতট
  3. বঙ্গ
  4. গৌড় 
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা

প্রাচীন জনপদ: 
- প্রাচীন বাংলায় কোন কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থা ছিলো না। বাংলা তখন ছোট ছোট কতগুলো অঞ্চলে বিভক্ত ছিলো। এসব অঞ্চল জনপদ নামে পরিচিত। বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাচীন বাংলায় মোট ১৬টি জনপদের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- এদের মধ্যে বর্তমান বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল প্রাচীন সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিলো।
- সমতটের রাজধানী ছিলো বড়কামতা।


অপরদিকে,
- বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর ও ঢাকা অঞ্চল।
- হরিকেল জনপদের অন্তর্গত ছিলো বৃহত্তর সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল
- বৃহত্তর রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহীর অংশবিশেষ নিয়ে প্রাচীন গৌড় জনপদ গঠিত ছিলো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।

৩১.
“জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।” –এটি সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে? 
  1. ২৮(২)
  2. ২৯(২) 
  3. ২৮(৩
  4. ১৯(৩)
সঠিক উত্তর:
১৯(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯(৩)
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৯ নং অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে।
- ১৯ (৩)নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
“জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।”

অপরদিকে,
- ২৮(২) নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভের কথা বলা হয়েছে।
- ২৮(৩) নং অনুচ্ছেদে বিনোদন, বিশ্রাম ও শিক্ষাক্ষেত্রে ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী ও লিঙ্গগত পার্থক্যের কারণে বৈষম্য না করার কথা বলা হয়েছে।
- ২৯(২) নং অনুচ্ছেদে ধর্ম, বর্ণ ও লিঙ্গগত পার্থক্যের কারণে কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য না করার কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩২.
সম্প্রতি, বৈশ্বিক খাদ্য ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সংস্কারে প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূস কতটি প্রস্তাবনা করেন? 
  1. ৪টি
  2. ১১টি
  3. ৬টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

বিশ্ব খাদ্য ফোরাম (ডব্লিউএফএফ) ২০২৫: 
- বৈশ্বিক খাদ্য ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সংস্কারে প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূস ৬টি প্রস্তাব করেন।
- বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বৈশ্বিক খাদ্য ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পূর্ণ সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গঠনের জন্য ছয় দফা প্রস্তাব দিয়েছেন।
- ১৩ অক্টোবর ২০২৫ ইতালির রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সদর দপ্তরে আয়োজিত হয় বিশ্ব খাদ্য ফোরাম (ডব্লিউএফএফ) ২০২৫-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

• প্রস্তাবসমূহ ৬টি মূল দিক:

১.যুদ্ধ বন্ধ করুন, সংলাপ শুরু করুন ও সংঘর্ষ এলাকায় খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করুন;
২. দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুন SDG অর্থায়ন, জলবায়ু পদক্ষেপ গ্রহণ করুন, দুর্বলদের রেজিলিয়েন্স বাড়ান;
৩. আঞ্চলিক খাদ্য ব্যাংক গঠন করুন -শক (ঝড়, দুর্যোগ, হামলা) মোকাবিলায়, সরবরাহ চেইন স্থিতিশীল রাখতে;
8. স্থানীয় উদ্যোক্তা, বিশেষ করে যুবকদের (কৃষি, এগ্রি-টেক) সাপোর্ট করুন অর্থ, অবকাঠামো, বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব;
৫. রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা (export bans) বন্ধ করুন; বাণিজ্য নীতিগুলোকে খাদ্য নিরাপত্তাকে সমর্থন করার মতো সংস্কার করুন;
৬. প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের অ্যাক্সেস নিশ্চিত করুন, বিশেষ করে গ্লোবাল সাউথ ও গ্রামীণ যুবকদের জন্য।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ। [লিঙ্ক]

৩৩.
বাজারে উৎপাদন অপেক্ষা মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়াকে বলা হয়- 
  1. মুদ্রার অবমূল্যায়ন
  2. মুদ্রা সংকোচন
  3. কারেন্সি সোয়াপ
  4. মুদ্রাস্ফিতি
সঠিক উত্তর:
মুদ্রাস্ফিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রাস্ফিতি
ব্যাখ্যা

- বাজারে উৎপাদন অপেক্ষা মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে মুদ্রাস্ফিতি বলা হয়।
- মুদ্রাস্ফিতির ফলে বাজারে পণ্যের দাম ‍বৃদ্ধি পায়।

অন্যদিকে,
- মুদ্রা সংকোচন হলো উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ হ্রাস পাওয়া।
- মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলো ডলারের বিপরীতে কোন মুদ্রার মূল্যমান হ্রাস করা।
- কারেন্সি সোয়াপ হলো দুটি ভিন্ন মুদ্রায় ঋণ ও সুদের অর্থ বিনিময়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ও ইনভেস্টোপিডিয়া। 

৩৪.
বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য বেশি রপ্তানি হয় কোন দেশে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৌদি আরব
  3. ওমান
  4. বাহরাইন
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য বেশি রপ্তানি হয় সংযুক্ত আরব আমিরাত।
• বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ১৭২ ধরনের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি করে।
- এর মধ্যে ১০৬টি দেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হয়।
- এ খাতের প্রধান পাঁচ রপ্তানি পণ্যের বাজার হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, ভারত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ দেশেই মোট রপ্তানির প্রায় ৬০ শতাংশ যায়।
- সর্বোচ্চ প্রায় ৯৩ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয় ইউএইতে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

৩৫.
কতজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে 'বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ, ২০২৫' প্রদান করা হয়েছে?
  1. ৪  জন
  2. ৭ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬  জন
সঠিক উত্তর:
৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জন
ব্যাখ্যা

- বাংলা একাডেমির সাধারণ পরিষদের ৪৮তম বার্ষিক সভায় সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে বাংলা একাডেমি সাম্মানিক ফেলোশিপ দেওয়া হয়েছে।
- প্রতিবছর নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তারা সাম্মানিক পুরস্কার পেয়ে থাকেন।
- ফেলোশিপ প্রাপ্তরা হচ্ছেন:
- ফিলিপ গাইন (সাংবাদিকতা),
- মাহবুব উল্লাহ (অর্থনীতি),
- সমর মজুমদার (শিল্পকলা),
- পারভীন হাসান (ইতিহাস),
- মেরিনা তাবাসসুম (শিল্পকলা),
- মতেন্দ্র মানখিন (সাহিত্য)
- এবং বিজন কুমার শীল (বিজ্ঞান)।] 

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসািইট।

৩৬.
সতীদাহ প্রথা রহিত করেন কে? 
  1. লর্ড লিনলিথগো
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  4. লর্ড ডালহৌসি
সঠিক উত্তর:
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
ব্যাখ্যা

সতীদাহ প্রথা:
- সতীদাহ প্রথা হলো হিন্দু সমাজের একটি প্রথা যেখানে স্বামীর শবের সাথে বিধবা স্ত্রীকেও দাহ করা হতো।
- ভারতীয় হিন্দু সমাজে যুগ যুগ ধরে এই প্রথা প্রচলিত ছিলো।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে আইনের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা রহিত করেন।
- তবে এ প্রথা পুরোপুরি বন্ধ হয় উনিশ শতকের শেষ দিকে।
- রাজা রামমোহন রায়সহ আরো কিছু ভারতীয় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৭.
বাংলাদেশ কত সালে ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষর করে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

- ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়েতে যুক্ত হতে ২০০৭ সালে চুক্তি করে বাংলাদেশ। 
- এ নেটওয়ার্কের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, চীন, মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোর মধ্যে সহজেই পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- রেল নেটওয়ার্কটিতে যোগ দিতে পদ্মা সেতু, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ।
- গত দেড় দশকে এ বহুপক্ষীয় নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে রেল অবকাঠামো উন্নয়নে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে বাংলাদেশ।

উৎস: পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এবং ডেইলি স্টার বাংলা।

৩৮.
বাংলাদেশে জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চলের অবস্থান কোথায়?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. কক্সবাজার 
  3. চট্টগ্রাম
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

- জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অধীনে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলায় জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মিত হয়েছে।
-  ৬ ডিসেম্বর ২০২২ এটি উদ্বোধন করা হয়।
- এটির আয়তন মোট ১০০০ একর। অঞ্চলটিতে প্রায় ১ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হবে।
- এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে অটোমোবাইল, ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি, মোবাইল ইকুইপমেন্টসহ প্রভৃতি উৎপাদন হবে।
- এটি হবে এশিয়ায় জাপানের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ কেন্দ্র।
- জিটুজি  ব্যবস্থার অধীনে নির্মিত এটি দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

৩৯.
বাংলাদেশে গত ৫০ বছরে ধানের উৎপাদন কত গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. দ্বিগুন
  2. তিনগুণের বেশি
  3. দ্বিগুনের কম
  4. তিনগুন
সঠিক উত্তর:
তিনগুণের বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনগুণের বেশি
ব্যাখ্যা

• উচ্চফলনশীল ধানের অবদান: 
- ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে উচ্চফলনশীল ধানের জাত এবং ধান উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে ব্রি।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এই পর্যন্ত ১২১টি (১১৩টি ইনব্রিড ও ৮টি হাইব্রিড) উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে।
- কালিজিরা এবং কাটারিভোগ ধানের বাংলাদেশের ভৌগলিক নির্দেশক পন্য হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে।​ 
- গত ৫০ বছরে ধান উৎপাদন তিনগুণের বেশি বেড়েছে। ফলে ধান গবেষণায় ব্রি সারা বিশ্বে খ্যাতি অর্জন করেছে।

এছাড়াও, 
• বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, 
- যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- ঢাকা থেকে উত্তরে গাজীপুরের জয়দেবপুরে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট,
- যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত।
- এ প্রতিষ্ঠানের ১৯টি গবেষণা বিভাগ, ১৭টি আঞ্চলিক কার্যালয়, 

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। [লিঙ্ক]

৪০.
ভাষা আন্দোলনের সময় সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন কে?
  1. আবুল কাসেম
  2. অধ্যাপক নুরুল হক ভূইয়া
  3. কাজী গোলাম মাহবুব
  4. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
কাজী গোলাম মাহবুব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী গোলাম মাহবুব
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন: 
- ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ৩১শে জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সভা হয়।
 - উক্ত সর্বদলীয় সভায় কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়।

- ২০শে ফেব্রুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগের কার্যালয়ে এই পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখের জোরালো ভূমিকায় পরদিন ২১শে ফেব্রুয়ারি সরকার ঘোষিত ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এছাড়াও, 
- ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ এর আহবায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ পুনর্গঠন করা (দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ) হলে এর আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।


উৎস:বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ,নবম-দশম শ্রেণী, এবং বাংলাপিডিয়া 

৪১.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি হয়েছেন কে?
  1. নুসরাত জাহান চৌধুরী 
  2. সোমা সাইদ
  3. রুবি কাজি 
  4. শালিনা মিয়া
সঠিক উত্তর:
সোমা সাইদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমা সাইদ
ব্যাখ্যা

সোমা এস সাইদ: 
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের প্রথম মুসলিম বিচারপতি হিসেবে নিউইয়র্ক স্টেট - সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন সোমা এস সাইদ।
- আইন পেশায় যুক্ত ছিলেন :দেড় দশকের বেশি সময় ।
-  ২০২১ সালে ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়নে কুইন্স কাউন্টি সিভিল কোর্টের বিচারক নির্বাচিত হন সোমা সাইদ। 
- ২০২২ সালে তাকে নিউ ইয়র্ক কাউন্টি ক্রিমিনাল কোর্টে দায়িত্ব দেওয়া হয়,
- সেখানে তিনি ২০২৩ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

৪২.
ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশের সর্বশেষ স্থান কোনটি? 
  1. টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. সুন্দরবন
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা

বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান:
• বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি।
- এগুলো হলো:
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (৩২২তম, ১৯৮৫)
- বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (৩২১তম, ১৯৮৫)
- সুন্দরবন (৭৯৮তম, ১৯৯৭)।
- ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশের সর্বশেষ স্থান সুন্দরবন।


উৎস: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট।

৪৩.
২৭তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ দল মোট কয়টি পদক লাভ করেছে?
  1. ১২টি
  2. ১৩টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

রোবট অলিম্পিয়াড: 
-  ১৭ থেকে ২০ ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্ট শহরের মান্ত্রা সাউথপোর্ট শার্ক কনভেনশন সেন্টারে ২৭তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড (আইআরও) অনুষ্ঠিত হয়।
- ২৭তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে ১টি গোল্ড, ৬টি ব্রোঞ্জ ও ৪টি টেকনিক্যাল পদকসহ মোট ১১টি পদক জয় করেছে বাংলাদেশ দল।
- রোবট অলিম্পিয়াডে ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরির সিনিয়র গ্রুপে স্বর্ণপদক জয় করেছেন আনন্দ মোহন কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল টিটু।

উৎস:দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা।

৪৪.
ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫' তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান কত?
  1. ৬০তম
  2. ৭৮তম
  3. ৬৮তম
  4. ৫৮তম
সঠিক উত্তর:
৬৮তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮তম
ব্যাখ্যা

'ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫' তালিকা:
- ২০২৪ সালে বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরের কনটেইনার পরিবহনের সংখ্যা হিসাব করে 'ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫' তালিকা প্রকাশ করেছে লন্ডনভিত্তিক শিপিং-বিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো সংবাদমাধ্যম লয়েডস লিস্ট।
- বৈশ্বিক তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন অবস্থান এখন ৬৮তম।
- ২০২৪ সালে এই বন্দর ৩২ লাখ ৭৫ হাজার একক কনটেইনার পরিবহন করেছে।
লয়েডস লিস্টের ক্রমতালিকা অনুযায়ী, গত বছর চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ছিল ৬৭তম।

উল্লেখ্য,
- তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চীনের সাংহাই বন্দর।
- ২০২৪ সালে বন্দরটি দিয়ে ৫ কোটি ১৫ লাখ একক কনটেইনার পরিবহন হয়েছে।
- তালিকায় সবার শেষে, অর্থাৎ ১০০তম স্থানে রয়েছে চিলির সান অন্তোনিও বন্দর।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।লিঙ্ক]

৪৫.
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের বনাঞ্চল কোন ধরনের বনভূমি?
  1. পত্রপতনশীল
  2. স্রোতজ
  3. চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
  4. চিরহরিৎ
সঠিক উত্তর:
পত্রপতনশীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পত্রপতনশীল
ব্যাখ্যা

মধুপুর ও ভাওয়াল গড়: 
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত বনভূমি শালবন নামে পরিচিত। 
- শাল বা গজারি বৃক্ষের আধিক্যের কারণে এই বনভূমিকে শালবন বলা হয়।
- শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।

উৎস: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

৪৬.
নিম্নে উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারো পরামর্শ গ্রহণে বাধ্য নয়?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. সংসদ ভেঙে দেওয়া
  3. জরুরি অবস্থা ঘোষণা
  4. বর্ণিত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

অপশনে সঠিক উত্তর হওয়ার কথা ছিল -  প্রধান বিচারপতি নিয়োগ প্রদান করা। অন্য অপশন বিবেচনায় সঠিক উত্তর হিসেবে 'প্রধান বিচারপতি' উত্তর নেওয়া হয়েছে। 

রাষ্ট্রপতি:

- রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তি।
- কিন্তু সাংবিধানিকভাবে তার ক্ষমতা খুবই সীমিত।
- তিনি প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করে থাকেন।
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারি প্রধানমন্ত্রী ও তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের  ৫১ (১) এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটাইয়া বিধান করা হইতেছে যে, রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করিবে না।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং সংবিধান।

৪৭.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত চরমপত্র এর এর নামকরণ করেন কে?
  1. কামাল লোহানী 
  2. এম আর আখতার মুকুল 
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. আশফাকুর রহমান খান
সঠিক উত্তর:
আশফাকুর রহমান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশফাকুর রহমান খান
ব্যাখ্যা

চরমপত্র:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র- থেকে প্রচারিত সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান চরমপত্র।
- চরমপত্র মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র- থেকে প্রচারিত সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান।
- এর নামকরণ করেন বেতার কেন্দ্রের একটি বিভাগের সমন্বয়কারী আশফাকুর রহমান খান।
- এটি রচনা ও প্রচার করেন এম আর আখতার মুকুল।
- এম আর আখতার মুকুল ছাত্রজীবনে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন ভাষাসৈনিক। তিনি বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি তথ্য ও প্রচার অধিকর্তা ছিলেন।
- চরমপত্র হলো একটি কথিকা যা ১৯৭১ সালের ২৫ মে থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত হতো।
- এটির পরিচালক, লেখক ও কথক ছিলেন এম আর আখতার মুকুল।
- ঢাকাইয়া ভাষায় তার এ অনুষ্ঠানটি মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছিলো।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র।

৪৮.
নিম্নের কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত রয়েছে?
  1. ESCAP 
  2. ACU
  3. BIMSTEC
  4. SAARC
সঠিক উত্তর:
BIMSTEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BIMSTEC
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে যেসব সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত:
- IJSG
- CIRDAP
- BIMSTEC
- SAARC Agricultural Centre প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- SAARC (সার্ক) সদরদপ্তর : কাঠমুণ্ডু, নেপাল
- ESCAP (এসকাপ) সদরদপ্তর : ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
- ACU (আকু) সদরদপ্তর : তেহরান, ইরান।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট।

৪৯.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত শতাংশ?
  1. ১.২২ শতাংশ
  2. ১.৩৭ শতাংশ
  3. ১.২৫ শতাংশ
  4. ১.১২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১.১২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

​• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-facto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।

এছাড়াও,
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।

​উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।

৫০.
নিচের কোন ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হতে পারে না?
  1. দেউলিয়া ঘোষিত হলে
  2. বয়স ২৫ এর কম হলে
  3. বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।

• জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা।
- ৬৬ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তার বয়স ২৫ বৎসর পূর্ণ হলে তিনি সংবিধানের ৬৬(২) নং অনুচ্ছেদের বিধানাবলী সাপেক্ষে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হতে পারেন।

• ৬৬(২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কোন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য বিবেচিত হয়:
- উপযুক্ত আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ ঘোষিত হলে
- দেউলিয়া ঘোষিত হলে,
- বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন বা বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করলে।
- তবে জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিকদের দ্বৈত নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে বা পুনরায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে কোন ব্যক্তি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবার যোগ্য বিবেচিত হবেন।
- নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে অন্যূন দুইবছরের জন্যে দণ্ডিত হয়ে মুক্তি লাভের পর পাঁচ বছর অতিবাহিত নাহলে
- ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী আদেশের অধীনে দণ্ডিত হলে
- রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার ব্যতীত প্রজাতন্ত্রের কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকলে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৫১.
  1. 4.5
  2. 5.25
  3. 2.6
  4. 3.75
সঠিক উত্তর:
4.5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4.5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

৫২.
যদি একটি সমবাহু ত্রিভুজে এক শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দু পর্যন্ত অঙ্কিত রেখাংশের দৈর্ঘ্য ২৭ সেন্টিমিটার হয়, তবে ত্রিভুজটির ঐ শীর্ষবিন্দু থেকে ভরকেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্ব কত হবে?
  1. ২৭ সে.মি.
  2. ১৮ সে.মি.
  3. ৯ সে.মি.
  4. ১৩.৫ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
১৮ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি একটি সমবাহু ত্রিভুজে এক শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দু পর্যন্ত অঙ্কিত রেখাংশের দৈর্ঘ্য ২৭ সেন্টিমিটার হয়, তবে ত্রিভুজটির ঐ শীর্ষবিন্দু থেকে ভরকেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্ব কত হবে?

সমাধান:


দেওয়া আছে,
মধ্যমা, AE = ২৭
ভরকেন্দ্র মধ্যমাকে ২ : ১ অনুপাতে বিভক্ত করে।

∴ শীর্ষবিন্দু থেকে ভরকেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্ব, AD = (২/৩) × ২৭ = ১৮ সে.মি.

৫৩.
রহিম তার ভবিষ্যৎ সঞ্চয়ের কথা ভেবে একটি ব্যাংকে ৫,০০০ টাকা জমা রাখল এবং তার জমাকৃত টাকার উপর বার্ষিক ১০% হারে চক্রবৃদ্ধি মুনাফা পাবে। ২ বছর শেষে তার জমাকৃত টাকার উপর মুনাফা বাবদ কত টাকা লাভ পাবে?
  1. ১০৫০ টাকা
  2. ১০৬৫.২৫ টাকা
  3. ১১১০ টাকা
  4. ১১৯৫ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রহিম তার ভবিষ্যৎ সঞ্চয়ের কথা ভেবে একটি ব্যাংকে ৫,০০০ টাকা জমা রাখল এবং তার জমাকৃত টাকার উপর বার্ষিক ১০% হারে চক্রবৃদ্ধি মুনাফা পাবে। ২ বছর শেষে তার জমাকৃত টাকার ওপর মুনাফা বাবদ কত টাকা লাভ পাবে?

সমাধান:
এখানে,
মূলধন, P = ৫০০০ টাকা
বার্ষিক সুদের হার, r = ১০% 
সময়, n = ২ বছর

চক্রবৃদ্ধি মূলধন, C = P(1 + r/১০০)n
= ৫০০০ × (১ + ১০/১০০)
= ৫০০০ × (১১০/১০০)
= ৫০০০ × (১১০/১০০) × (১১০/১০০) 
= ৬০৫০ টাকা

∴ চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = চক্রবৃদ্ধি মূলধন - মূলধন
= ৬০৫০ - ৫০০০
= ১০৫০ টাকা

৫৪.
1 + 0.1 + 0.01 + 0.001 + …......... ধারাটির অসীমতক সমষ্টি নির্ণয় করুন।
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 1 + 0.1 + 0.01 + 0.001 + …......... ধারাটির অসীমতক সমষ্টি নির্ণয় করুন।

    সমাধান:
    প্রদত্ত গুণোত্তর ধারাটি হলো:
    1 + 0.1 + 0.01 + 0.001 + …......

    এখানে,
    প্রথম পদ, a = 1
    সাধারণ অনুপাত, r = 0.1/1 = 0.1

    যেহেতু |r| < 1, তাই ধারাটির অসীমতক সমষ্টি বিদ্যমান।

    আমরা জানি,
    অসীমতক সমষ্টি, S = a/(1 - r)
    ⇒ S = 1/(1 - 0.1)
    ⇒ S = 1/0.9
    ⇒ S = 1/(9/10)
    ⇒ S = 10/9

    ∴ ধারাটির অসীমতক সমষ্টি =

    ৫৫.
    একটি ঘড়ি ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য ৬০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হতো। ঘড়িটির ক্রয়মূল্য কত?
    1. ৩৬০ টাকা
    2. ৪০০ টাকা
    3. ৪৫০ টাকা
    4. ৫০০ টাকা
    সঠিক উত্তর:
    ৪০০ টাকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৪০০ টাকা
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি ঘড়ি ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য ৬০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হতো। ঘড়িটির ক্রয়মূল্য কত?

    সমাধান:
    মনে করি,
    ঘড়িটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা।

    ১০% ক্ষতিতে, বিক্রয়মূল্য = (১০০ - ১০) টাকা = ৯০ টাকা।
    এবং ৫% লাভে, বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ৫) টাকা = ১০৫ টাকা।

    সুতরাং বিক্রয়মূল্য বেশি হয় = (১০৫ - ৯০) = ১৫ টাকা।

    বিক্রয়মূল্য ১৫ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
    ∴ বিক্রয়মূল্য ১ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য ১০০/১৫ টাকা
    ∴ বিক্রয়মূল্য ৬০ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য (১০০ × ৬০)/১৫ টাকা
    = ৪০০ টাকা।

    ∴ ঘড়িটির ক্রয়মূল্য ৪০০ টাকা।

    ৫৬.
    1. 12
    2. 15
    3. 8/15
    4. 10
    সঠিক উত্তর:
    12
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    12
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ৫৭.
    1. 84
    2. 90
    3. 110
    4. 155
    সঠিক উত্তর:
    110
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    110
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ৫৮.
    যদি nC11 = nC5 হয়, তবে 18Cn এর মান কত?
    1. 120
    2. 153
    3. 171
    4. 231
    সঠিক উত্তর:
    153
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    153
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি nC11 = nC5 হয়, তবে 18Cn এর মান কত?

    সমাধান:
    দেওয়া আছে,
    nC11 = nC5
    nCn - 11 = nC5
    ⇒ n - 11 = 5
    ∴ n = 16

    সুতরাং, প্রদত্ত রাশি:
    18Cn
    = 18C16
    = 18C(18 - 16) [আমরা জানি, nCr = nCn - r]
    = 18C2
    = 18!/{2! × (18 - 2)!}
    = 18! /(2! × 16!)
    = (18 × 17 × 16!) /(2 × 1 × 16!)
    = (18 × 17)/2
    = 306/2
    = 153

    ৫৯.
    40 এবং 80 সংখ্যা দু’টির গড় ব্যবধান কত?
    1. 10.5
    2. 20
    3. 40
    4. 60
    সঠিক উত্তর:
    20
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    20
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 40 এবং 80 সংখ্যা দু’টির গড় ব্যবধান কত?

    সমাধান:
    সূত্র: গড় ব্যবধান (Mean Deviation) = (Σ|x - x̄|)/n

    এখানে, x হলো উপাত্তের মান, x̄ হলো গাণিতিক গড় এবং n হলো মোট উপাত্তের সংখ্যা।

    40 এবং 80 এর গড় = (40 + 80)/2 = 60

    ∴ গড় ব্যবধান = (|40 - 60| + |80 - 60|)/2
    = (20 + 20)/2
    = 40/2
    = 20

    ৬০.
    1. 8
    2. 81
    3. 125
    4. 243
    সঠিক উত্তর:
    243
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    243
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ⇒ log√27 x = 10/3
    ⇒ x = (√27)10/3 [loga M = n ⇒ an = M]
    ⇒ x = (√33)10/3
    ⇒ x = (33/2)10/3
    ⇒ x = 310/2
    ⇒ x = 35
    ∴ x = 243

    ৬১.
    a2 - b2 - 2b - 1 এর একটি উৎপাদক কোনটি?
    1. (a - b)
    2. (a - b + 1)
    3. (a + b - 1)
    4. (a - b - 1)
    সঠিক উত্তর:
    (a - b - 1)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    (a - b - 1)
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: a2 - b2 - 2b - 1 এর একটি উৎপাদক কোনটি?

    সমাধান:
    a2 - b2 - 2b - 1
    = a2 - (b2 + 2b + 1)
    = a2 - (b + 1)2
    = {a + (b + 1)}{a - (b + 1)}
    = (a + b + 1)(a - b - 1)

    ∴ রাশিটির উৎপাদকদ্বয় হলো (a + b + 1) এবং (a - b - 1)

    ৬২.
    ৮০ লিটার অকটেন ও পেট্রোলের মিশ্রণের অনুপাত ৫ : ৩। পেট্রোল আরও কত লিটার মেশালে অনুপাত হবে ৪ : ৫?
    1. ৩০ লিটার
    2. ৩২.৫ লিটার
    3. ৩৫ লিটার
    4. ৩৬.২ লিটার
    সঠিক উত্তর:
    ৩২.৫ লিটার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩২.৫ লিটার
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ৮০ লিটার অকটেন ও পেট্রোলের মিশ্রণের অনুপাত ৫ : ৩। পেট্রোল আরও কত লিটার মেশালে অনুপাত হবে ৪ : ৫?

    সমাধান:
    ৮০ লিটার অকটেন ও পেট্রোলের মিশ্রণের অনুপাত ৫ : ৩

    অনুপাতের যোগফল = ৫ + ৩ = ৮
    ∴ অকটেন আছে = (৮০ × ৫/৮) = ৫০ লিটার
    ∴ পেট্রোল আছে = (৮০ - ৫০) = ৩০ লিটার

    ধরি, পেট্রোল 'ক' লিটার যুক্ত করলে অনুপাত ৪ : ৫ হবে।

    নতুন মিশ্রণে পেট্রোলের পরিমাণ হবে (৩০ + ক) লিটার।

    প্রশ্নমতে,
    ৫০/(৩০ + ক) = ৪ / ৫
    ⇒ ৪(৩০ + ক) = ২৫০
    ⇒ ১২০ + ৪ক = ২৫০
    ⇒ ৪ক = ২৫০ - ১২০
    ⇒ ৪ক = ১৩০
    ∴ ক = ৩২.৫ লিটার

    ∴ ৩২.৫ লিটার পেট্রোল আরও মেশাতে হবে।

    ৬৩.
    4x2 - 12x + 9 = 0 সমীকরণের মূলদ্বয়ের প্রকৃতি কোনটি?
    1. বাস্তব ও অসমান
    2. বাস্তব ও সমান
    3. বাস্তব মূল নেই
    4. বাস্তব, অসমান ও মূলদ
    সঠিক উত্তর:
    বাস্তব ও সমান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বাস্তব ও সমান
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 4x2 - 12x + 9 = 0 সমীকরণের মূলদ্বয়ের প্রকৃতি কোনটি?

    সমাধান:
    প্রদত্ত সমীকরণটি হলো 4x2 - 12x + 9 = 0।
    এই সমীকরণটিকে ax2 + bx + c = 0 আদর্শ রূপের সাথে তুলনা করে পাই,
    a = 4, b = -12, c = 9

    এখন, সমীকরণের নিশ্চায়ক (D) নির্ণয় করি।
    নিশ্চায়ক, D = b2 - 4ac
    = (-12)2 - 4 × 4 × 9
    = 144 - 144
    = 0

    যেহেতু নিশ্চায়ক (D) এর মান শূন্য (D = 0), তাই সমীকরণের মূলদ্বয় বাস্তব ও পরস্পর সমান হবে।
    ∴ মূলদ্বয়ের প্রকৃতি হলো বাস্তব ও সমান

    উল্লেখ্য:
    • b2 - 4ac > 0 এবং পূর্ণবর্গ হলে মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও মূলদ।
    • b2 - 4ac > 0 কিন্তু পূর্ণবর্গ নয় হলে মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও অমূলদ।
    • b2 - 4ac = 0 হলে মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান।
    • b2 - 4ac < 0 হলে বাস্তব মূল নেই (কাল্পনিক মূল)।

    ৬৪.
    হাসান তার বেতন থেকে প্রথম মাসে 1200 টাকা সঞ্চয় করে এবং পরবর্তী প্রতিমাসে এর পূর্ববর্তী মাসের তুলনায় 100 টাকা বেশি সঞ্চয় করে। সে কত বছরে মোট 106200 টাকা সঞ্চয় করে?
    1. 3 বছর
    2. 4 বছর
    3. 5 বছর
    4. 7 বছর
    সঠিক উত্তর:
    3 বছর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    3 বছর
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: হাসান তার বেতন থেকে প্রথম মাসে 1200 টাকা সঞ্চয় করে এবং পরবর্তী প্রতিমাসে এর পূর্ববর্তী মাসের তুলনায় 100 টাকা বেশি সঞ্চয় করে। সে কত বছরে মোট 106200 টাকা সঞ্চয় করে?

    সমাধান:
    এটি একটি সমান্তর ধারা।
    এখানে, 
    প্রথম মাসের সঞ্চয়, প্রথম পদ a = 1200
    প্রতি মাসে সঞ্চয় বৃদ্ধি, সাধারণ অন্তর d = 100
    মোট সঞ্চয়, S = 106200 টাকা

    মনে করি, তিনি n মাসে 106200 টাকা সঞ্চয় করেন।
    প্রশ্নানুসারে,
    n/2 × {2a + (n - 1) × d} = 106200
    বা, n/2 × {2 × 1200 + (n - 1) × 100} = 106200
    বা, n(2400 + 100n - 100) = 212400
    বা, 100n2 + 2300n - 212400 = 0
    বা, n2 + 23n - 2124 = 0
    বা, n2 + 59n - 36n - 2124 = 0
    বা, (n + 59)(n - 36) = 0
    অর্থাৎ, n = - 59 অথবা n = 36
    মাস কখনো ঋণাত্মক হতে পারে না।

    ∴ নির্ণেয় সময়: 36 মাস বা 3 বছর।

    ৬৫.
    100 জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কোনো পরীক্ষায় 88 জন বাংলায়, 80 জন গণিতে এবং 70 জন উভয় বিষয়ে পাশ করেছে। কতজন শিক্ষার্থী উভয় বিষয়ে ফেল করেছে?
    1. 2 জন
    2. 10 জন
    3. 12 জন
    4. 4 জন
    সঠিক উত্তর:
    2 জন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    2 জন
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 100 জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কোনো পরীক্ষায় 88 জন বাংলায়, 80 জন গণিতে এবং 70 জন উভয় বিষয়ে পাশ করেছে। কতজন শিক্ষার্থী উভয় বিষয়ে ফেল করেছে?

    সমাধান:
    উভয় বিষয়ে পাশ করেছে = 70 জন
    ∴ শুধু বাংলায় পাশ করেছে = 88 - 70 = 18 জন
    ∴ শুধু গণিতে পাশ করেছে = 80 - 70 = 10 জন 

    অন্তত একটি বিষয়ে পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা =(যেকোন বিষয়ে পাস + উভয় বিষয়ে পাস) 
    = 18 + 10 + 70
    = 98 জন

    ∴ উভয় বিষয়ে ফেল = (100 - 98) জন
    = 2 জন

    ৬৬.
    একটি সমবৃত্তভূমিক কোণকের উচ্চতা 12 সে.মি. এবং ভূমির ব্যাস 10 সে.মি. হলে তার আয়তন কত?
    1. 100π ঘন সে.মি.
    2. 169π ঘন সে.মি.
    3. 300π ঘন সে.মি.
    4. 150π ঘন সে.মি.
    সঠিক উত্তর:
    100π ঘন সে.মি.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    100π ঘন সে.মি.
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি সমবৃত্তভূমিক কোণকের উচ্চতা 12 সে.মি. এবং ভূমির ব্যাস 10 সে.মি. হলে তার আয়তন কত?

    সমাধান:
    প্রদত্ত আছে, কোণকের উচ্চতা, h = 12 সে.মি.
    কোণকের ভূমির ব্যাস = 10 সে.মি.
    ∴ কোণকের ভূমির ব্যাসার্ধ, r = 10/2 = 5 সে.মি.

    আমরা জানি, কোণকের আয়তন = (1/3)πr2h
    = 1/3 × π × (5)2 × 12
    = 1/3 × π × 25 × 12
    = π × 25 × 4 
    = 100π

    ∴ কোণকটির আয়তন = 100π ঘন সে.মি.

    ৬৭.
    x2 - x - 12 > 0 অসমতাটির সমাধান কোনটি?
    1. (- 3, 4)
    2. (∞, - 4) ∪ (3, ∞)
    3. (- ∞, - 5) ∪ (3, ∞)
    4. (- ∞, - 3) ∪ (4, ∞)
    সঠিক উত্তর:
    (- ∞, - 3) ∪ (4, ∞)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    (- ∞, - 3) ∪ (4, ∞)
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: x2 - x - 12 > 0 অসমতাটির সমাধান কোনটি?

    সমাধান:
    x2 - x - 12 > 0
    x2 - 4x + 3x - 12 > 0
    x(x - 4) + 3(x - 4) > 0
    (x - 4)(x + 3) > 0

    অসমতার সমাধান বিন্দু দুটি হলো x = - 3 এবং x = 4

    (x - 4)(x + 3) > 0-এর গুণফল ধনাত্মক হয়, যখন:
    • উভয় উৎপাদকই ধনাত্মক (x > 4) অথবা
    • উভয় উৎপাদকই ঋণাত্মক (x < - 3)

    অর্থাৎ, x < - 3 অথবা x > 4

    ব্যবধি আকারে লিখলে হয়: (- ∞, - 3) ∪ (4, ∞)

    ৬৮.
    একটি সামান্তরিকের ভূমির দৈর্ঘ্য 25 সে.মি. এবং উচ্চতা 16 সে.মি.। সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল হবে:
    1. 400 বর্গ সে.মি.
    2. 200 বর্গ সে.মি.
    3. 800 বর্গ সে.মি.
    4. সঠিক উত্তর নেই 
    সঠিক উত্তর:
    400 বর্গ সে.মি.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    400 বর্গ সে.মি.
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি সামান্তরিকের ভূমির দৈর্ঘ্য 25 সে.মি. এবং উচ্চতা 16 সে.মি.। সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল হবে:

    সমাধান:
    দেওয়া আছে,
    সামান্তরিকের ভূমি = 25 সে.মি.
    এবং উচ্চতা = 16 সে.মি.

    আমরা জানি,
    সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা
    = (25 × 16)
    = 400 বর্গ সে.মি.

    ∴ সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল 400 বর্গ সে.মি.

    ৬৯.
    একটি ব্যাগে ৩টি লাল, ৪টি সাদা এবং ৩টি কালো বল আছে। যদি দৈবভাবে ২টি বল নেওয়া হয়, তবে বল দুটির কোনটিই লাল না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
    1. ৭/১৫
    2. ৩/১০
    3. ১০/২১
    4. ৮/১৫
    সঠিক উত্তর:
    ৭/১৫
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৭/১৫
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি ব্যাগে ৩টি লাল, ৪টি সাদা এবং ৩টি কালো বল আছে। যদি দৈবভাবে ২টি বল নেওয়া হয়, তবে বল দুটির কোনটিই লাল না হওয়ার সম্ভাবনা কত?

    সমাধান:
    মোট বলের সংখ্যা = ৩ + ৪ + ৩ = ১০টি
    লাল নয় এমন বলের সংখ্যা = ১০ - ৩ = ৭টি

    এখন, ১০টি বলের মধ্যে ৭টি বল লাল নয়।
    ∴ P(প্রথম বলটি লাল নয়) = ৭/১০

    আবার, প্রথম বলটি তোলার পরে, বাকি ৯টি বলের মধ্যে ৬টি বল লাল নয়।
    ∴ P(দ্বিতীয় বলটি লাল নয়) = ৬/৯ = ২/৩

    ∴ P(টানা দুটি বলের কোনটিই লাল নয়) = (৭/১০) × (২/৩)
    = ১৪/৩০
    = ৭/১৫

    ৭০.
    'চেরনোবিল'-এর সাথে ইউক্রেনের যেভাবে সম্পর্কিত, ঠিক সেভাবে 'ফোর্দো'-এর সাথে কোন দেশ সম্পর্কিত?
    1. ইরান 
    2. রাশিয়া
    3. যুক্তরাষ্ট্র 
    4. ইসরায়েল 
    সঠিক উত্তর:
    ইরান 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইরান 
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'চেরনোবিল'-এর সাথে ইউক্রেনের যেভাবে সম্পর্কিত, ঠিক সেভাবে 'ফোর্দো'-এর সাথে কোন দেশ সম্পর্কিত?

    সমাধান:
     
    ‘চেরনোবিল’ হলো ইউক্রেনে অবস্থিত একটি পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র, যা ১৯৮৬ সালে ঘটানো ভয়াবহ পারমাণবিক দুর্ঘটনার জন্য বিশ্ববিখ্যাত।

    একইভাবে, ‘ফোর্দো’ হলো ইরানে অবস্থিত একটি পারমাণবিক স্থাপনা, যা মূলত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত হয়। 

    ৭১.
    25 যান্ত্রিক সুবিধা বিশিষ্ট একটি লিভার ব্যবহার করে 40 নিউটন বল প্রয়োগ করলে কত ওজন তোলা যায়?
    1. 1500 নিউটন
    2. 1010 নিউটন
    3. 1000 নিউটন
    4. 1200 নিউটন
    সঠিক উত্তর:
    1000 নিউটন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    1000 নিউটন
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 25 যান্ত্রিক সুবিধা বিশিষ্ট একটি লিভার ব্যবহার করে 40 নিউটন বল প্রয়োগ করলে কত ওজন তোলা যায়?

    সমাধান:
    লিভার হলো এমন একটি দণ্ড বা অবলম্বন, যা কোনো বস্তুর ওপর ভর করে মুক্তভাবে ওঠানামা করে।
    লিভারের যান্ত্রিক সুবিধা নির্ণয়ের সূত্রটি হলো: যান্ত্রিক সুবিধা = ভার/প্রযুক্ত বল

    এখানে,
    যান্ত্রিক সুবিধা 25
    প্রযুক্ত বল 40 নিউটন
    ⇒ 25 = ভার/40
    ⇒ ভার = 1000

    ∴ 25 নিউটন বল প্রয়োগ করে 1000 নিউটন ভার তোলা যাবে।

    ৭২.
    কোন স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গফলের সাথে ১১ যোগ করলে যোগফল ৬০ হয়? 
    1. ৭ 
    2. ±৭ 
    3. - ৭
    4. ৫ 
    সঠিক উত্তর:
    ৭ 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৭ 
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: কোন স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গফলের সাথে ১১ যোগ করলে যোগফল ৬০ হয়? 

    সমাধান:
    ধরি, সংখ্যাটি  ক
    + ১১ = ৬০ 
    ⇒ ক = ৬০ - ১১
    ⇒ ক = ৪৯
    ⇒ ক = ৭ 

    যেহেতু, স্বভাবিক সংখ্যা বলা হয়েছে, তাই ± বা, - হবে না। 

    স্বাভাবিক সংখ্যা = ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যা ১, ২, ৩, ৪, .......
    তাই ক = ৭ গ্রহণযোগ্য। 
    ক = -৭ গ্রহণযোগ্য নয়। 

    ৭৩.

    প্রশ্নবোধক স্থানে কোন চিত্রটি হবে?
    1. 1
    2. 2
    3. 3
    4. 4
    সঠিক উত্তর:
    2
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    2
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:


    প্রশ্নবোধক স্থানে কোন চিত্রটি হবে?


    সমাধান:

    চিত্র-B তে চিত্র-A উপরের উপাদানকে নিচের উপাদান-এর মত করে একটি উপাদান দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে
    এবং প্রতিটি নিচের উপাদানকে উপরের উপাদান-এর মত করে একটি উপাদান দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

    একইভাবে,
    চিত্র-D তে চিত্র-C উপরের উপাদানকে নিচের উপাদান-এর মত করে একটি উপাদান দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে
    এবং প্রতিটি নিচের উপাদানকে উপরের উপাদান-এর মত করে একটি উপাদান দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

    সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে: চিত্র-২

    ৭৪.
    নিম্নের এলোমেলো বর্ণগুলোর সঠিক বিন্যাসে যে শব্দটি পাওয়া যায়, তা কোন ক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত?
    "A, L, I, A, M"
    1. Autobiography
    2. Essay 
    3. Poem
    4. উপরের সবগুলো 
    সঠিক উত্তর:
    Poem
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Poem
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: নিম্নের এলোমেলো বর্ণগুলোর সঠিক বিন্যাসে যে শব্দটি পাওয়া যায়, তা কোন ক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত?
    "A, L, I, A, M"

    সমাধান:
    প্রদত্ত বর্ণগুলোকে সঠিক ক্রমে সাজালে যে শব্দটি পাওয়া যায় সেটি হলো- LAMIA 

    LAMIA হলো John Keats এর একটি Poem/কবিতা। 

    ৭৫.
    "স্থির সৌদামিনীর মত সেগুলো শুধু জালাময়ী প্রখর তেজে জ্বলছে" - কাজী নজরুল ইসলাম। 
    এখানে, "সৌদামিনী" অর্থ হচ্ছে - 
    1. আগুন 
    2. নদী 
    3. জল 
    4. বিদ্যুৎ
    সঠিক উত্তর:
    বিদ্যুৎ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিদ্যুৎ
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: "স্থির সৌদামিনীর মত সেগুলো শুধু জালাময়ী প্রখর তেজে জ্বলছে" - কাজী নজরুল ইসলাম। 
    এখানে, "সৌদামিনী" অর্থ হচ্ছে - 

    সমাধান:
    "স্থির সৌদামিনীর মত সেগুলো শুধু জালাময়ী প্রখর তেজে জ্বলছে" - কাজী নজরুল ইসলাম। 

    এখানে, "সৌদামিনী" অর্থ হচ্ছে - বিদ্যুৎ; তড়িৎ। 

    ৭৬.
    আহসান একজন নারীকে ইশারা করে বললেন,"উনার পৌত্রী হলো আমার ভাইয়ের একমাত্র কন্যা।"
    - আহসানের সঙ্গে নারীর সম্পর্ক কেমন?
    1. শ্বাশুড়ি
    2. মা
    3. দাদী
    4. বোন
    সঠিক উত্তর:
    মা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মা
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: আহসান একজন নারীকে ইশারা করে বললেন,"উনার পৌত্রী হলো আমার ভাইয়ের একমাত্র কন্যা।" 
    - আহসানের সঙ্গে নারীর সম্পর্ক কেমন?

    সমাধান:
    নারীর পৌত্রী অর্থাৎ ছেলের মেয়ে হলো আহসানের ভাইয়ের মেয়ে।
    অর্থাৎ আহসানের ভাই ঐ নারীর ছেলে। 
    সুতরাং, আহসানও ঐ নারীর ছেলে। 

    ∴ নারীটি আহসানের মা। 

    ৭৭.
    যদি বাম দিকের প্রথম গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরানো হয়, তাহলে বাম দিকের সপ্তম গিয়ারটি কোন দিকে ঘুরবে?
    1. ঘড়ির কাঁটার দিকে
    2. যেকোনো দিকেই ঘুরতে পারে
    3. ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
    4. কোনটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    ঘড়ির কাঁটার দিকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘড়ির কাঁটার দিকে
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি বাম দিকের প্রথম গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরানো হয়, তাহলে বাম দিকের সপ্তম গিয়ারটি কোন দিকে ঘুরবে?

    সমাধান: 


    - প্রথম গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরছে।
    - ১ম গিয়ারটির সাথে দ্বিতীয় গিয়ারের সাথে যুক্ত থাকায় দ্বিতীয় গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুরবে।
    - একইভাবে ৩য় গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।
    - তাহলে চতুর্থ গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুরবে।
    - পঞ্চম গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।
    - ষষ্ঠ গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরবে।
    - সপ্তম গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।

    ৭৮.
    নিচের সংখ্যা রেখায় A বিন্দুটি কোন পয়েন্টে অবস্থান করছে?
     
    1. 2.5
    2. - 2.5
    3. - 1.5
    4. - 3.5
    সঠিক উত্তর:
    - 2.5
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    - 2.5
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: নিচের সংখ্যা রেখায় A বিন্দুটি কোন পয়েন্টে অবস্থান করছে?



    সমাধান: 

    A বিন্দুটি -2 এবং -3 এর মধ্যে মধ্যবিন্দুতে অবস্থান করছে;
    সুতরাং A এর মান -2.5

    ৭৯.
    ঘড়িতে ১১টা ৫৯ মিনিট বাজলে ঘণ্টার ও মিনিটের কাঁটার মাঝে কত ডিগ্রি কোণ তৈরি হয়?
    1. ৭.৫°
    2. ২৭°
    3. ১৫.৫°
    4. ৫.৫°
    সঠিক উত্তর:
    ৫.৫°
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৫.৫°
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ঘড়িতে ১১টা ৫৯ মিনিট বাজলে ঘণ্টার ও মিনিটের কাঁটার মাঝে কত ডিগ্রি কোণ তৈরি হয়?

    সমাধান:
    মধ্যবর্তী কোণ = ।(11M - 60H)/2। [এখানে, M = ৫৯ মিনিট, H = ১১ ঘণ্টা ]
    = ।(১১ × ৫৯) - (৬০ × ১১)/২।
    = ।৬৪৯ - ৬৬০/২।
    = ১১/২
    = ৫.৫°

    ৮০.
    X পয়েন্ট থেকে শুরু করে, আনিস সাহেব প্রথমে পশ্চিমে 17 মিটার হাঁটলেন। এরপর তিনি বাঁ দিকে ঘুরে 23 মিটার গেলেন। তারপর আবার বাঁ দিকে ঘুরে 17 মিটার হাঁটলেন। শেষ সময়ে ডান দিকে ঘুরে 13 মিটার গেলেন। X থেকে আনিস সাহেবের বর্তমান দূরত্ব কত এবং তিনি সবশেষে  কোন দিক বরাবর ছিলেন?
    1. 36 মিটার, পূর্ব দিক
    2. 28 মিটার, উত্তর দিক
    3. 36 মিটার, দক্ষিণ দিক
    4. 28 মিটার, পশ্চিম দিক
    সঠিক উত্তর:
    36 মিটার, দক্ষিণ দিক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    36 মিটার, দক্ষিণ দিক
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: X পয়েন্ট থেকে শুরু করে, আনিস সাহেব প্রথমে পশ্চিমে 17 মিটার হাঁটলেন। এরপর তিনি বাঁ দিকে ঘুরে 23 মিটার গেলেন। তারপর আবার বাঁ দিকে ঘুরে 17 মিটার হাঁটলেন। শেষ সময়ে ডান দিকে ঘুরে 13 মিটার গেলেন। X থেকে আনিস সাহেবের বর্তমান দূরত্ব কত এবং তিনি সবশেষে  কোন দিক বরাবর ছিলেন?

    সমাধান:




    যাত্রাশুরুর স্থান X এবং গন্তব্যস্থান D 
    ∴ নির্ণেয় দূরত্ব = (23 + 13) = 36 মিটার

    সবশেষে, X থেকে আনিস সাহেবের বর্তমান দূরত্ব 36 মিটার এবং তিনি সবশেষে দক্ষিণ দিক বরাবর ছিলেন। 

    ৮১.
    আমরা পূর্বে _______ পরিবারের মধ্যে ছিলাম। 
    1. একান্নবর্ত্তী
    2. একান্নবর্তী
    3. একান্নবর্তি
    4. একান্নবত্তী
    সঠিক উত্তর:
    একান্নবর্তী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    একান্নবর্তী
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: আমরা পূর্বে _______ পরিবারের মধ্যে ছিলাম। 

    সমাধান:

    • আমরা পূর্বে একান্নবর্তী পরিবারের মধ্যে ছিলাম। 

    - শুদ্ধ বানানটি হলো - একান্নবর্তী
    - এর অর্থ হলো- একসাথে আহার ও বসবাস করে এমন পরিবার পরিবার।

    উৎস:
    - বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

    ৮২.
    2.3(4 - 3.1x) = 1 - 6.13x
    এখানে, x এর মান কত? 
    1. 8.5
    2. 41/5
    3. 8.1
    4. -8.5
    সঠিক উত্তর:
    41/5
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    41/5
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 2.3(4 - 3.1x) = 1 - 6.13x
    এখানে, x এর মান কত? 

    সমাধান: 

    2.3(4 - 3.1x) = 1 - 6.13x
    ⇒ 9.2 - 7.13x = 1 - 6.13x
    ⇒ 9.2 - 7.13x + 7.13x = 1 - 6.13x + 7.13x
    ⇒ 9.2 = 1 + x
    ⇒ 9.2 - 1 = 1 + x - 1
    ⇒ x = 8.2
    ∴ x = 41/5

    ৮৩.
    ধরা যাক, আপসাইড ডাউনের মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীর চেয়ে একটু কম শক্তিশালী। সেক্ষেত্রে কোন পরিবর্তনটি আগে লক্ষ্য করা যেত?
    1. শব্দের গতি বেড়ে যেত
    2. বস্তু ধীরে নিচে পড়ত
    3. সময় পিছিয়ে যেত
    4. আলোর বক্রতা কমে যেত
    সঠিক উত্তর:
    বস্তু ধীরে নিচে পড়ত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বস্তু ধীরে নিচে পড়ত
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ধরা যাক, আপসাইড ডাউনের মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীর চেয়ে একটু কম শক্তিশালী। সেক্ষেত্রে কোন পরিবর্তনটি আগে লক্ষ্য করা যেত?

    সমাধান: 

    • আপসাইড ডাউনের মাধ্যাকর্ষণ যদি পৃথিবীর চেয়ে একটু কম শক্তিশালী হতো, তবে প্রথমে যে পরিবর্তনটি লক্ষ্য করা যেত তা হলো খ) বস্তু ধীরে নিচে পড়ত। কারণ মাধ্যাকর্ষণের মান কম হলে বস্তুর উপর আকর্ষণ বলও কমে যায়, ফলে মুক্তপতনে বস্তুর ত্বরণ হ্রাস পায় এবং পড়তে বেশি সময় লাগে। শব্দের গতি মূলত মাধ্যমের ঘনত্ব ও তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে, সময় পিছিয়ে যাওয়া আপেক্ষিকতাবাদের জটিল প্রভাব, আর আলোর বক্রতা খুব দুর্বল মাধ্যাকর্ষণে নগণ্য পরিবর্তন দেখায়। তাই দৈনন্দিন পর্যবেক্ষণে বস্তু ধীরে পড়াই আগে চোখে পড়ত।

    • মাধ্যাকর্ষণের প্রভাব (Gravity Effect):
    - মাধ্যাকর্ষণ কোনো বস্তুকে নিচের দিকে টানার জন্য দায়ী।
    - মাধ্যাকর্ষণের মান কম হলে সেই টানও তুলনামূলকভাবে কম হয়।
    - ফলে বস্তু পড়ার সময় ত্বরণ (acceleration) কমে যায়।
    - এই পরিবর্তন সরাসরি ও সহজেই দৈনন্দিন পর্যবেক্ষণে ধরা পড়ে।

    • বস্তুর পতনের গতি:
    - পৃথিবীতে বস্তু নির্দিষ্ট ত্বরণে নিচে পড়ে (g ≈ 9.8 m/s2)।
    - যদি আপসাইড ডাউনে মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীর চেয়ে কম হয়, তবে g-এর মানও কম হবে।
    - এর ফলে বস্তু আগের তুলনায় ধীরে নিচে পড়বে।
    - এটি চোখে দেখা যায় এবং খুব সহজে অনুভবযোগ্য পরিবর্তন।

    • অন্যান্য অপশন গুলোর ব্যাখ্যা:
    - শব্দের গতি বেড়ে যাওয়া: শব্দের গতি মূলত মাধ্যমের ঘনত্ব ও তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে, মাধ্যাকর্ষণের উপর নয়।
    - সময় পিছিয়ে যাওয়া: সময়ের পরিবর্তন আপেক্ষিকতাবাদের সাথে সম্পর্কিত এবং দুর্বল মাধ্যাকর্ষণে তা সাধারণভাবে বোঝা যায় না।
    - আলোর বক্রতা কমে যাওয়া: আলোর বক্রতা খুব শক্তিশালী মাধ্যাকর্ষণে লক্ষণীয় হয় (যেমন ব্ল্যাক হোলের কাছে), সামান্য পরিবর্তনে নয়।

    সুতরাং, আপসাইড ডাউনে মাধ্যাকর্ষণ কম হলে প্রথম যে পরিবর্তনটি লক্ষ্য করা যাবে তা হলো বস্তু ধীরে নিচে পড়া।

    সঠিক উত্তর: - বস্তু ধীরে নিচে পড়ত। 

    ৮৪.
    বাংলাদেশের স্বাধীনতার ২০৩১ সালে ষাট বছর পূর্ণ হবে। 
    - 'তখন ষাট বছর পূর্তিতে যে উৎসব হবে' এর এককথায় প্রকাশ কী হবে?
    1. সুবর্ণ জয়ন্তী
    2. হীরক জয়ন্তী
    3. রজত জয়ন্তী
    4. প্লাটিনাম জয়ন্তী
    সঠিক উত্তর:
    হীরক জয়ন্তী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হীরক জয়ন্তী
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: বাংলাদেশের স্বাধীনতার ২০৩১ সালে ষাট বছর পূর্ণ হবে। 
    - 'তখন ষাট বছর পূর্তিতে যে উৎসব হবে' এর এককথায় প্রকাশ কী হবে?

    সমাধান: 
    বাংলাদেশের স্বাধীনতার ২০৩১ সালে ষাট বছর পূর্ণ হবে। 
    - 'তখন ষাট বছর পূর্তিতে যে উৎসব হবে' এর এককথায় প্রকাশ হবে - হীরক জয়ন্তী। 

    জয়সূচক যে উৎসব, জয়ের জন্য যে উৎসব - জয়ন্তী।
    - ষাট বছর পূর্তিতে = হীরক জয়ন্তী
    - একাদিক্রমে পঁচিশ বছর পূর্তিতে = রজত জয়ন্তী;
    - পঞ্চাশ বছর পূর্তিতে = সুবর্ণ জয়ন্তী
    - পঁচাত্তর বছর পূর্তিতে = প্লাটিনাম জয়ন্তী হয়।

    উৎস: বাংলা একাডেমী অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

    ৮৫.
    নিচের কোন শব্দে সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
    1. নিরভিমানী
    2. অদ্যবধি
    3. সুবুদ্ধিমান
    4. পৌরুষত্ব
    সঠিক উত্তর:
    সুবুদ্ধিমান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুবুদ্ধিমান
    ব্যাখ্যা

    সুবুদ্ধিমান - শব্দে সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে।
    - 'সুবুদ্ধিমান' শব্দের শুদ্ধ প্রয়োগ - সুবুদ্ধি/বুদ্ধিমান।

    অন্যদিকে,
    • 'নিরভিমানী' - শব্দে সমাসঘটিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে।
    - 'নিরভিমানী' শব্দের শুদ্ধ প্রয়োগ - নিরভিমান।

    • 'অদ্যবধি' -  শব্দে সন্ধিঘটিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে।
    - 'অদ্যবধি' শব্দের শুদ্ধ প্রয়োগ - অদ্যাবধি।

    • 'পৌরুষত্ব' -  শব্দে '-তা' এবং 'ত্ব' প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ ঘটেছে।
    - 'পৌরুষত্ব' - শব্দের শুদ্ধ প্রয়োগ - পুরুষত্ব।

    উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

    ৮৬.
    নিচের কোনটি বিশেষণ পদ?
    1. সামর্থ্য
    2. বিচিত্র
    3. সামগ্র্য
    4. নৈষ্কর্ম
    সঠিক উত্তর:
    বিচিত্র
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিচিত্র
    ব্যাখ্যা

    • বিশেষণ পদ - বিচিত্র
    - 'বিচিত্র' শব্দের বিশেষ্য পদ - বৈচিত্র্য।
    - এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।

    শব্দের অর্থ:
    - নানা বর্ণবিশিষ্ট, নানারূপে চিত্রিত, নকশাদার।
    - মনোরম, মনোহর, সুন্দর, বিস্ময়কর।

    অন্যদিকে,
    বিশেষ্য পদ - সামর্থ্য, সামগ্র্য, নৈষ্কর্ম।

    উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

    ৮৭.
    নিচের কোন দুটি ব্যঞ্জন ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি হয়?
    1. র, ছ
    2. থ, স
    3. ঢ়, জ
    4. ফ, ঘ
    সঠিক উত্তর:
    ঢ়, জ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঢ়, জ
    ব্যাখ্যা

    • 'ঢ়, জ' - দুটি ব্যঞ্জন ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি হয়।

    ধ্বনির কম্পনমাত্রা অনুযায়ী বিভাজন:
    - ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে স্বরযন্ত্রের ধ্বনিদ্বারে বায়ুর কম্পন কমবেশি হওয়ার ভিত্তিতে ব্যঞ্জনধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
    যেমন:
    - ঘোষ ও
    - অঘোষ ব্যঞ্জন।

    ঘোষ ব্যঞ্জন:
    - যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় ঘোষ ব্যঞ্জন ধ্বনি।
    যথা-
    - ব, ভ, ম, দ, ধ, ন, র, ল, ড, ঢ, ড়, ঢ়, জ, ঝ, গ, ঘ, ঙ, হ।

    অঘোষ ব্যঞ্জন:
    - যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম, সেসব ধ্বনিকে অঘোষ ব্যঞ্জন বলা হয়।
    যথা:
    - প, ফ, ত, থ, স, ট, ঠ, চ, ছ, শ, ক, খ।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

    ৮৮.
    নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?
    1. বিপদদ্ধুার
    2. বিপধদ্ধার
    3. বিপদোদ্ধার
    4. বিপদুদ্ধার
    সঠিক উত্তর:
    বিপদুদ্ধার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিপদুদ্ধার
    ব্যাখ্যা

    • শুদ্ধ বানান - বিপদুদ্ধার
    - এটি একটি বিশেষ্য পদ।
    - শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

    শব্দের অর্থ:
    - বিপদ থেকে রক্ষা, বিপমুক্তি।

    উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

    ৮৯.
    'পাদপ' শব্দের সমার্থক শব্দ কী?
    1. বৃক্ষ
    2. বন
    3. পদ্ম
    4. পর্বত
    সঠিক উত্তর:
    বৃক্ষ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বৃক্ষ
    ব্যাখ্যা

    'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
    - গাছ, পাদপ, দ্রুম, তরু, বিটপী, শাখী, শিখরী, মহীরুহ ইত্যাদি।

    অন্যদিকে,
    'বন' শব্দের সমার্থক শব্দ:
    - অরণ্য, জঙ্গল, কানন, বনানী, বনবাদাড়, কুঞ্জ, কান্তার, বিপিন, অটবী।

    'পদ্ম' শব্দের সমার্থক শব্দ:
    - কমল, উৎপল, পঙ্কজ, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, রাজীব, নলিনী, সরোজ।

    'পর্বত' শব্দের সমার্থক শব্দ:
    - গিরি, শৈল, পাহাড়, ভূধর, নগ, অচল, শৃঙ্গধর, অগ, ক্ষিতিধর, পৃথিবীধর, পৃথ্বীধর।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

    ৯০.
    'Granary' শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?
    1. ব্যায়ামাগার
    2. শস্যাগার
    3. সাজঘর
    4. যানশালা
    সঠিক উত্তর:
    শস্যাগার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    শস্যাগার
    ব্যাখ্যা

    • 'Granary' শব্দের বাংলা পরিভাষা - শস্যাগার

    অন্যদিকে,
    Gymnasium - ব্যায়ামাগার।
    Green room - সাজঘর।
    Garage - যানশালা।

    উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং অভিগম্য অভিধান।

    ৯১.
    'ঔচিত্য' এর বিপরীতার্থক শব্দ কী হবে?
    1. উনচিত্য
    2. আচিত্য
    3. অন্যায্যতা
    4. উপযোগিতা
    সঠিক উত্তর:
    অন্যায্যতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অন্যায্যতা
    ব্যাখ্যা

    • 'ঔচিত্য' এর বিপরীতার্থক শব্দ - অন্যায্যতা

    উল্লেখ্য,
    'ঔচিত্য' শব্দের অর্থ - ন্যায্যতা, যথাযোগ্যতা, উপযোগিতা, সত্য, অভ্যস্ততা।
    ‘অনৌচিত্য’ শব্দের অর্থ - অন্যায্যতা; অযৌক্তিকতা।

    উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

    ৯২.
    'কাঠখোট্টা' - শব্দে "খোট্টা" শব্দের অর্থ কী?
    1. নির্লজ্জ
    2. নীরস
    3. কুটিল
    4. অপদার্থ
    সঠিক উত্তর:
    নীরস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নীরস
    ব্যাখ্যা

    • 'কাঠখোট্টা' শব্দে "খোট্টা" শব্দের অর্থ - নীরস

    'খোট্টা'
    - এটি একটি বিশেষ্য পদ।
    - শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

    শব্দের অর্থ:
    - নীরস,
    - শুষ্ক।

    উল্লেখ্য,
    'কাঠখোট্টা' বাগ্‌ধারার অর্থ - নীরস ও অনমনীয়।

    উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

    ৯৩.
    'চৈতন' শব্দটির উৎপত্তি কোন শব্দ থেকে?
    1. চেতনা
    2. চৈতন্য
    3. চিন্তা
    4. চৈত
    সঠিক উত্তর:
    চৈতন্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চৈতন্য
    ব্যাখ্যা

    • 'চৈতন' শব্দটির উৎপত্তি 'সংস্কৃত / তৎসম' 'চৈতন্য' শব্দ থেকে।
    - এটি একটি বিশেষ্য পদ।

    শব্দের অর্থ:
    - মুণ্ডিত মস্তকে রেখে দেওয়া চুলের গোছা, টিকি।

    তৎসম শব্দ:
    -যেসব শব্দ পরিবর্তন ছাড়াই সংস্কৃত থেকে বাংলায় সরাসরি এসেছে সেগুলোকে 'তৎসম শব্দ' বলে।
    - কিছু তৎসম শব্দ:
    - চন্দ্র,
    - সূর্য,
    - নক্ষত্র,
    - হস্ত,
    - ভবন,
    - ধর্ম,
    - পাত্র,
    - মনুষ্য ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

    ৯৪.
    কোনটি প্রগত স্বরসঙ্গতির উদাহরণ?
    1. দেশি > দিশি
    2. কুমড়া > কুমড়ো
    3. বিলাতি > বিলিতি
    4. জিলাপি > জিলিপি
    সঠিক উত্তর:
    কুমড়া > কুমড়ো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কুমড়া > কুমড়ো
    ব্যাখ্যা

    • প্রগত স্বরসঙ্গতির উদাহরণ - কুমড়া > কুমড়ো।

    স্বরসঙ্গতি:

    - একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে স্বরসঙ্গতি বলে।
    যেমন: 
    - দেশি > দিশি,
    - বিলাতি > বিলিতি,
    - মুলা > মুলো ইত্যাদি।

    প্রগত:
    - আদিস্বর অনুযায়ী অন্ত্যস্বর পরিবর্তিত হলে প্রগত স্বরসঙ্গতি হয়।
    যেমন:
    - মুলা > মুলো,
    - শিকা > শিকে,
    - তুলা > তুলো, 
    - কুমড়া > কুমড়ো

    পরাগত:
    - অন্ত্যস্বরের কারণে আদ্যস্বর পরিবর্তিত হলে পরাগত স্বরসঙ্গতি হয়।
    যেমন:
    - আখো > আখুয়া > এখো,
    - দেশি > দিশি

    মধ্যগত:
    - আদ্যস্বর ও অন্ত্যস্বর অনুযায়ী মধ্যস্বর পরিবর্তিত হলে মধ্যগত স্বরসঙ্গতি হয়।
    যেমন:
    - বিলাতি > বিলিতি,
    - জিলাপি > জিলিপি

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

    ৯৫.
    বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ কোনটি?
    1. ইক
    2. আই
    3. আনা
    4. উক
    সঠিক উত্তর:
    আনা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আনা
    ব্যাখ্যা

    বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়:
    - শব্দের পরে যেসব বিদেশি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে সেসব প্রত্যয়কে বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
    যেমন:
    - মুসাফির + খানা = মুসাফিরখানা;
    - বিবি + আনা = বিবিয়ানা।

    অন্যদিকে,
    সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় - অণু + ইক = আণবিক।
    বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় - চোর + আই = চোরাই, পেট + উক = পেটুক।

    উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

    ৯৬.
    নিম্নের কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
    1. তাহার বৈমাত্রেয় ভ্রাতা অসুস্থ।
    2. এই কাজে স্বার্থকতা লাভ করিতে চাইলে আরো মনযোগ করিতে হইবে।
    3. চোখের জলে বুক ভেসে গেল।
    4. সবগুলোই
    সঠিক উত্তর:
    এই কাজে স্বার্থকতা লাভ করিতে চাইলে আরো মনযোগ করিতে হইবে।
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    এই কাজে স্বার্থকতা লাভ করিতে চাইলে আরো মনযোগ করিতে হইবে।
    ব্যাখ্যা

    অশুদ্ধ বাক্য: এই কাজে স্বার্থকতা লাভ করিতে চাইলে আরো মনযোগ করিতে হইবে। (এখানে, 'মনযোগ' বানানটি' অশুদ্ধ)
    শুদ্ধ বাক্য: এই কাজে সার্থকতা লাভ করতে চাইলে আরো মনোযোগ দিতে হবে।

    অন্যদিকে,
    শুদ্ধ বাক্য: তাহার বৈমাত্রেয় ভ্রাতা অসুস্থ।
    শুদ্ধ বাক্য: চোখের জলে বুক ভেসে গেল।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

    ৯৭.
    কোনটি যৌগিক বাক্য?
    1. যখন বিপদ আসে, তখন দুঃখও আসে।
    2. সে নিরপরাধ, অতএব সে মুক্তি পাবে।
    3. বিপদ আসলে তখন দুঃখও আসে।
    4. যেহেতু সে নিরপরাধ, সেহেতু সে মুক্তি পাবে।
    সঠিক উত্তর:
    সে নিরপরাধ, অতএব সে মুক্তি পাবে।
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সে নিরপরাধ, অতএব সে মুক্তি পাবে।
    ব্যাখ্যা

    যৌগিক বাক্য:
    - দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
    - এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), ড্যাশ (-) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।

    যেমন:
    - সে নিরপরাধ, অতএব সে মুক্তি পাবে।
    - সে ভালো ফল করেছে তাই আমরা আনন্দিত হয়েছি।
    - সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছল, তারপর পড়তে বসল ।
    - অন্ধকার হয়ে এসেছে অথচ সে বাসাই ফিরেনি।
    তোমরা চেষ্টা করেছ, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওনি এতে দোষের কিছু নেই।

    অন্যদিকে,
    জটিল বাক্য - যেহেতু সে নিরপরাধ, সেহেতু সে মুক্তি পাবে। যখন বিপদ আসে, তখন দুঃখও আসে।

    উল্লেখ্য, 
    - বিপদ আসলে তখন দুঃখও আসে। - এটি ভুল বাক্য। 
    - এর সঠিক যৌগিকরূপ = বিপদ এবং দুঃখ একই সঙ্গে আসে।

    উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

    ৯৮.
    "হৃৎস্পন্দন" - শব্দটি সন্ধির কোন নিয়মে গঠিত হয়েছে?
    1. ব্যঞ্জন
    2. স্বর
    3. বিসর্গ
    4. নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
    সঠিক উত্তর:
    ব্যঞ্জন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যঞ্জন
    ব্যাখ্যা

    • "হৃৎস্পন্দন" শব্দটি 'ব্যঞ্জন' সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে।
    - "হৃৎস্পন্দন" শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ - হৃদ্ + স্পন্দন = হৃৎস্পন্দন।

    সন্ধির নিয়ম:

    - আগে দ্‌ বা ধ্‌ এবং পরে ক্‌ প্‌ স্ ধ্বনি থাকলে দ্ বা ধ্‌ স্থানে ৎ হয়।

    যেমন:
    - তদ্ + কাল = তৎকাল,
    - তদ্ + পর = তৎপর,
    - তদ্‌ + সম = তৎসম,
    - ক্ষুধ + পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা।

    উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

    ৯৯.
    কোন শব্দটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
    1. নৌবহর
    2. গৃহস্থ
    3. ধানখেত
    4. পুষ্পসৌরভ
    সঠিক উত্তর:
    গৃহস্থ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গৃহস্থ
    ব্যাখ্যা

    উপপদ তৎপুরুষ সমাস:
    - যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস।

    যেমন:
    - কল্পনায় বিলাস করে যে = কল্পনাবিলাসী,
    - গৃহে থাকে যে = গৃহস্থ,
    - গায়ে পড়ে যে = গায়েপড়া,
    - জল দেয় যে = জলদ,
    - পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ।

    অন্যদিকে,
    ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস - ধানের খেত = ধানখেত, নৌয়ের বহর = নৌবহর, পুষ্পের সৌরভ = পুষ্পসৌরভ।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

    ১০০.
    কত সালে চর্যাগীতির অন্তর্নিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়?
    1. ১৯২৬ সালে
    2. ১৯২০ সালে
    3. ১৯৪৬ সালে
    4. ১৯২৭ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৪৬ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৪৬ সালে
    ব্যাখ্যা

    • ড. শশিভূষণ দাশগুপ্ত ১৯৪৬ সালে চর্যাগীতির অন্তর্নিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রকাশ করেন।

    চর্যাপদ বিষয়ক গবেষণা:

    - বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে প্রথম চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন।
    - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে ভাষা আলোচনা করে স্বীকৃত দেন যে, চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত। ১৯২৬ সালে ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় 'অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ' গ্রন্থে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিস্তারিতভাবে চর্যাপদের ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন চর্যাপদ বাংলা ভাষার সম্পদ। অধিকাংশ ভাষাবিজ্ঞানী এ অভিমত সমর্থন করেন।
    ১৯২৭ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ প্রথম চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব বিশ্লেষণ করেন।
    - ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, ড. সুকুমার সেন, ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত চর্যাপদের ভাষা, বিষয়বস্তু, প্রভৃতি আলোচনা করে প্রমাণ করেন যে-চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।
    - বিহারের বিখ্যাত পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন বৌদ্ধ সিদ্ধাচর্য, বৈদ্ধ সহজান ও চর্যাগীতিকা নিয়ে ইংরেজি ও হিন্দিতে প্রচুর গবেষণা করেন।

    উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

    ১০১.
    'স্বর্ণলতা' উপন্যাসটি রচনা করেন কে?
    1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    3. তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়
    4. ভূদেব মুখোপাধ্যায়
    সঠিক উত্তর:
    তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়
    ব্যাখ্যা

    'স্বর্ণলতা' উপন্যাস:
    - আজ থেকে একশো তেরো বছর আগে অর্থাৎ ইংরাজী ১৮৭৪ সালের ২৮শে এপ্রিল (বাং ১২৮১ সাল) তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের 'স্বর্ণলতা' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
    - যে সময়ে ইংরাজী উপন্যাস সাহিত্য, বাংলা উপন্যাসের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করেছিল-সেই সমরে তারকনাথ গ্রামবাংলার মধ্যবিত্ত পরিবারের সুখন্দুঃখের এক নিখত চিত্র এই 'স্বর্ণ'লতা' উপন্যাসের মাধ্যমে তুলে ধরেন। বাঙালি পাঠক-পাঠিকাদের কাছে 'স্বর্ণলতা' অত্যন্ত সমাদর
    লাভ করে।

    তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়:

    - তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম ১৮৪৩ সালের ৩১শে অক্টোবর, নদীয়া জেলার অন্তগত বাগআঁচড়া গ্রামেবর্তমান যশোহর জেলা)।
    - তাঁর পিতা মহানন্দ গঙ্গোপাধ্যায় অত্যন্ত ধার্মিক ও উদারচেতা ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর ইংরাজী শিক্ষার প্রতি যথেষ্ট অনুরাগ ছিল।
    - তাই তারকনাথের যখন মাত্র দশ বৎসর বয়েস তখন তাঁকে লেখাপড়া শেখানোর জন্য কলকাতায় পাঠিয়ে দেন।
    - তাঁর বাসায় থেকে তিনি লন্ডন মিশনারী সোসাইটির স্কুলে পড়াশুনা করেন।
    - ১৮৬৩ সালের ফিসেশ্বর মাসে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ' হয়ে ১৪ টাকা বৃত্তিলাভ করেন।

    উৎস: 'স্বর্ণলতা' উপন্যাস।

    ১০২.
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত সম্পর্কে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
    1. অক্ষরবৃত্ত ছন্দে 'পদ্মাবতী' নাটক রচিত।
    2. "হেক্টরবধ" গ্রন্থটি 'ভূদেব মুখোপাধ্যায়কে' উৎসর্গ করেন।
    3. 'বীরাঙ্গনা' একটি পত্রকাব্য।
    4. ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারিতে জন্মগ্রহণ করেন।
    সঠিক উত্তর:
    অক্ষরবৃত্ত ছন্দে 'পদ্মাবতী' নাটক রচিত।
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অক্ষরবৃত্ত ছন্দে 'পদ্মাবতী' নাটক রচিত।
    ব্যাখ্যা
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
    - মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার। তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
    - তিনি বাংলা ভাষার সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
    - মাইকেল মধুসুদন দত্ত প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন 'পদ্মাবতী' নাটকে। (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে)
    - অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য। অর্থ্যাৎ, এই কাব্যটি সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
    - তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ দ্য ক্যাপটিভ লেডি। এটি ইংরেজিতে রচিত।

    • মাইকেল মধুসূদন দত্ত সম্পর্কে যে তথ্যটি সঠিক নয়, তা হলো: "অক্ষরবৃত্ত ছন্দে 'পদ্মাবতী' নাটক রচিত"। মাইকেল মধুসুদন দত্ত প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন 'পদ্মাবতী' নাটকে।
    - বাকি অপশনের তথ্যগুলো সঠিক।

    অন্যদিকে,
    - "হেক্টরবধ" গ্রন্থটি 'ভূদেব মুখোপাধ্যায়কে' উৎসর্গ করা হয়েছিল।
    - 'বীরাঙ্গনা কাব্য' মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য।

    উৎস:
    ১) বাংলাপিডিয়া।
    ২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

    ১০৩.
    নিচের কোন চরিত্র দুটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সৃষ্ট?
    1. রোহিনী ও ভ্রমর
    2. মহিম ও সুরেশ
    3. নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী
    4. জগৎসিংহ ও তিলোত্তমা
    সঠিক উত্তর:
    মহিম ও সুরেশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মহিম ও সুরেশ
    ব্যাখ্যা

    'গৃহদাহ' উপন্যাস:
    - ১৯২০ সালে রচিত এই উপন্যাসটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর একটি শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। এটি মাসিক 'ভারতবর্ষে' প্রকাশিত হয়।
    - 'মহিম ও সুরেশ' শরৎচন্দ্রের গৃহদাহ উপন্যাসের দুইটি প্রধান চরিত্র।
    - উপন্যাসের নায়িকা অচলা। মহিম ও সুরেশ দুই পুরুষের প্রতি অচলার আকর্ষণ বিকর্ষণ উপন্যাসের আলোচ্য বিষয়।
    - বিবাহ - বহির্ভূত কথিত অসামাজিক প্রেমের কাহিনিটি নিপুণ ঘটনা সংস্থানে ও বর্ণনার মনস্তাত্ত্বিক সুক্ষ্মতার দ্বারা সমস্যায়িত হয়ে উঠেছে।
    - এই উপন্যাসে শরৎচন্দ্র হিন্দু বিধবা মৃণালকে আদর্শ হিসেবে রূপায়িত করেছেন।

    অন্যদিকে,
    - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়েরের 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাসের চরিত্র  'নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী।
    - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়েরের 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাসের চরিত্র গোবিন্দলাল, রোহিনী, ভ্রমর।
    - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়েরের 'দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাসের চরিত্র জগৎসিংহ ও তিলোত্তমা।

    উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য সাহিত্য।

    ১০৪.
    ‘কিশোর কবি’ সুকান্ত ভট্টাচার্য কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
    1. ১৯১৮ সালে
    2. ১৯৩৩ সালে
    3. ১৯২৬ সালে
    4. ১৯২৩ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৯২৬ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯২৬ সালে
    ব্যাখ্যা

    সুকান্ত ভট্টাচার্য:
    - ‘কিশোর কবি’ সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন
    - তিনি কিশোর কবি, মাকর্সবাদী কবি এবং মানবতার কবি।
    - তাঁর কাব্যে পৃথিবীর মানুষের, শোষিত মানুষের জীবন-যন্ত্রণা, বিক্ষোভ ও বিদ্রোহের কথা উচ্চারিত হয়েছে।
    - নজরুলের পরে সুকান্তের কবিতায় সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহের বাণী লক্ষ্য করা যায়।

    সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্যগ্রন্থ:
    - পূর্বাভাস,
    - হরতাল,
    - ঘুম নেই,
    - ছাড়পত্র,
    - অভিযান।

    উৎস:
    ১) বাংলাপিডিয়া।
    ২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

    ১০৫.
    চর্যাপদের কবি ভুসুকুপা জীবনের শেষ পর্যায়ে কোথায় অবস্থান করেন?
    1. পাটনা
    2. নালন্দা
    3. সৌরাষ্ট্র
    4. বিহার
    সঠিক উত্তর:
    নালন্দা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নালন্দা
    ব্যাখ্যা

    ভুসুকুপা:
    - চর্যাগীতি রচনার সংখ্যাধিক্যে দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী হলেন ভুসুকু পা। তাঁর রচিত আটটি পদ চর্যাপদ গ্রন্থে সংগৃহীত হয়েছে। নানা কিংবদন্তি বিচারে ভুসুকু নামটিকে ছদ্মনাম বলে মনে করা হয়। তাঁর প্রকৃত নাম শান্তিদেব।
    - তিনি সৌরাষ্ট্রের রাজপুত্র ছিলেন এবং শেষ জীবনে নালন্দায় বৌদ্ধ ভিক্ষু হিসেবে নিঃসঙ্গভাবে অবস্থান করেন। সেজন্য ভুক্তির ভু, সুপ্তির সু এবং কুটিরের কু-এই তিন আদ্যক্ষর যোগে তাঁকে ভুসুকু বলে পরিহাস করা হত।
    - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র মতে শান্তিদেব ভুসুকু সাত শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বর্তমান ছিলেন। রাহুল সংকৃত্যায়নের মতে ভুসুকুর জীবৎকালের শেষ সীমা ৮০০ সাল। ধর্মপালের রাজত্বকালে (৭৭০-৮০৬ সাল) ভুসুকু জীবিত ছিলেন।
    - তিনি রাউত বা অশ্বারোহী সৈনিক ছিলেন। পরে ভিক্ষু ও সিদ্ধা হন। তবে অনেকে এই শান্তিদেব ভুসুকু ও চর্যা রচয়িতা ভুসুকুকে পৃথক ব্যক্তি বলে অনুমান করেছেন।
    - কারও কারও অনুমান চর্যার ভুসুকুর সময় একাদশ শতকের মধ্যভাগ। 'আজি ভুসুকু বঙ্গালী ভইলী। নিঅ ঘরিণী চণ্ডালে লেলী।'-ভুসুকুর এই উক্তিকে প্রমাণ স্বরূপ মনে করে তাঁকে বাঙালি অনুমান করা হয়।

    উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

    ১০৬.
    "পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন;
    মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে।" - কবিতাংশের রচয়িতা কে?
    1. বুদ্ধদেব বসু
    2. জীবনানন্দ দাশ
    3. জসীম উদ্‌দীন
    4. সুকান্ত ভট্টাচার্য
    সঠিক উত্তর:
    জীবনানন্দ দাশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জীবনানন্দ দাশ
    ব্যাখ্যা

    • "পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন;
    মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে।" কবিতাংশের রচয়িতা - জীবনানন্দ দাশ। কবিতাংশটি 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থের 'সুচেতনা' কবিতা অংশবিশেষ।

    সুচেতনা
    কবি- জীবনানন্দ দাশ

    সুচেতনা, তুমি এক দূরতর দ্বীপ
    বিকেলের নক্ষত্রের কাছে;
    সেইখানে দারুচিনি-বনানীর ফাঁকে
    নির্জনতা আছে।
    এই পৃথিবীর রণ রক্ত সফলতা
    সত্য; তবু শেষ সত্য নয়।
    কলকাতা একদিন কল্লোলিনী তিলোত্তমা হবে;
    তবুও তোমার কাছে আমার হৃদয়।

    আজকে অনেক রূঢ় রৌদ্রে ঘুরে প্রাণ
    পৃথিবীর মানুষকে মানুষের মতো
    ভালোবাসা দিতে গিয়ে তবু
    দেখেছি আমারি হাতে হয়তো নিহত
    ভাই বোন বন্ধু পরিজন প’ড়ে আছে;
    পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন;
    মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে

    জীবনানন্দ দাশ:
    - তিনি কবি, শিক্ষাবিদ ছিলেন।
    - তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
    - তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
    - তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক।
    - মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।
    - জীবনানন্দ বরিশাল ব্রজমোহন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক (১৯১৫), বি এম কলেজ থেকে আই.এ (১৯১৭) এবং কলকাতার  প্রেসিডেন্সি কলেজ
    থেকে ইংরেজিতে অনার্সসহ বি.এ (১৯১৯) ও ইংরেজিতে এম.এ (১৯২১) পাস করেন।
    - ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ অক্টোবর জীবনানন্দ দাশ কলকাতায় এক ট্রাম-দুর্ঘটনায় আহত হন এবং ২২ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।

    জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
    - ঝরা পালক,
    - ধূসর পাণ্ডু লিপি,
    - বনলতা সেন,
    - মহাপৃথিবী,
    - সাতটি তারার তিমির,
    - রূপসী বাংলা,
    - বেলা অবেলা কালবেলা।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

    ১০৭.
    বৈষ্ণব পদাবলিতে সাহিত্যে বৈষ্ণবসমাজে পদকর্তাদের কী নামে পরিচিত?
    1. সিদ্ধাচার্য
    2. আচার্য
    3. মহাজন
    4. গোস্বামী
    সঠিক উত্তর:
    মহাজন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মহাজন
    ব্যাখ্যা

    বৈষ্ণব পদাবলি:
    - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রধানতম গৌরব বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্য। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ফসল বৈষ্ণব পদাবলি।
    - রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে এই অমর কবিতাবলির সৃষ্টি এবং বাংলাদেশে শ্রীচৈতন্যদেব প্রচারিত বৈষ্ণব মতবাদের সম্প্রসারণে এর ব্যাপক বিকাশ।
    - জয়দেব-বিদ্যাপতি-চণ্ডীদাস থেকে সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত বৈষ্ণব গীতিকবিতার ধারা প্রবাহিত হলেও প্রকৃতপক্ষে ষোল-সতের শতকে এই সৃষ্টিসম্ভার প্রাচুর্য ও উৎকর্ষপূর্ণ ছিল।
    - পদাবলি সাহিত্য বৈষ্ণবতত্ত্বের রসভাষ্য। বৈষ্ণব পদাবলি বৈষ্ণব সমাজে মহাজন পদাবলি এবং বৈষ্ণব পদকর্তাগণ মহাজন নামে পরিচিত।
    - বৈষ্ণবমতে স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক বিদ্যমান। এই প্রেম সম্পর্ককে বৈষ্ণব মতাবলম্বীগণ রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলার রূপকের মাধ্যমে উপলব্ধি করেছেন।
    - রাধা ও শ্রীকৃষ্ণের রূপাশ্রয়ে ভক্ত ও ভগবানের নিত্যবিরহ ও নিত্যমিলনের অপরূপ আধ্যাত্মিক লীলা কীর্তিত হয়েছে। বৈষ্ণবদের উপাস্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। তাঁর আনন্দময় আনন্দময় তথা তথা প্রেমময় প্রকাশ ঘটেছে রাধার মাধ্যমে। রাধা মানবী নয়, শ্রীকৃষ্ণরূপ পূর্ণ ভগবৎ-তত্ত্বের। ভগবৎ-তত্ত্বের অংশ।

    উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

    ১০৮.
    নিচের কোন কবিতাটি 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত নয়?
    1. মানুষ
    2. বারাঙ্গনা
    3. কুলি মজুর
    4. মহররম
    সঠিক উত্তর:
    মহররম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মহররম
    ব্যাখ্যা

    • 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত কবিতা নয় - মহররম। এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত কবিতা।

    'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থ:

    - 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়।
    - 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থে মোট ১১ টি কবিতা রয়েছে।
    - সবগুলোতেই মানুষের সমতা নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে।

    'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থটির উল্লেখযোগ্য কবিতা:
    - ঈশ্বর,
    - মানুষ,
    - পাপ,
    - চোর-ডাকাত,
    - বারাঙ্গনা,
    - মিথ্যাবাদী,
    - নারী,
    - রাজা-প্রজা,
    - সাম্য,
    - কুলি মজুর

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

    ১০৯.
    শেখ ফয়জুল্লাহ কত শতকের কবি?
    1. পনের শতক
    2. ষোলো শতক
    3. সতের শতক
    4. আঠার শতক
    সঠিক উত্তর:
    ষোলো শতক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ষোলো শতক
    ব্যাখ্যা

    শেখ ফয়জুল্লাহ:
    - তিনি ১৬শ শতক মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের কবি।
    - তাঁর জন্মস্থান নিয়ে মতভেদ আছে।
    - বিভিন্ন মতে তাঁর জন্মস্থান হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের বারাসাত, দক্ষিণ রাঢ় এবং কুমিল্লার নাম উল্লিখিত হয়েছে।

    শেখ ফয়জুল্লাহ রচিত সাহিত্যকর্ম:
    - গোরক্ষবিজয়,
    - গাজীবিজয়,
    - সত্যপীর,
    - জয়নবের চৌতিশা।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; এবং বাংলাপিডিয়া।

    ১১০.
    'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
    1. মাসিক পত্রিকা
    2. বঙ্গদর্শন
    3. সংবাদ প্রভাকর
    4. ভারতী
    সঠিক উত্তর:
    বঙ্গদর্শন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বঙ্গদর্শন
    ব্যাখ্যা

    'চন্দ্রশেখর' উপন্যাস:
    - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত চন্দ্রশেখর (১৮৭৫) উপন্যাসটি প্রথমে 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।
    - প্রতাপ ও শৈবলিনীর বাল্যপ্রণয় এবং সেই প্রেমের করুণ পরিণতি এই উপন্যাসের প্রধান কাহিনি। প্রেম, দাম্পত্য আদর্শ, সমাজের শাসন, সতীত্ব ইত্যাদি এই কাহিনিতে বিশেষভাবে সমস্যায়িত হয়েছে।
    - এই উপন্যাসের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ বঙ্কিমের নীতি ও প্রথানুগত্য। কেননা, লেখক এখানে 'তবে যাও প্রতাপ, স্বর্গধামে' বলে নায়ককে পরলোকের পথ দেখিয়েছেন।
    - উপন্যাসটির পটভূমি ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠা এবং মির কাসিমের সঙ্গে ইংরেজদের সংগ্রাম।
    - ইতিহাসাশ্রয়ী ঘটনার সঙ্গে গার্হস্থ্য জীবনের কাহিনির রূপায়ণ ঘটেছে বলে মির কাসিম-দলনি বেগমের সঙ্গে চন্দ্রশেখর-প্রতাপ-শৈবলিনীর আখ্যান রচিত হয়েছে এই উপন্যাসে।

    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস সমূহ:
    - কপালকুণ্ডলা,
    - মৃণালিনী,
    - বিষবৃক্ষ,
    - ইন্দিরা,
    - যুগলাঙ্গুরীয়,
    - চন্দ্রশেখর,
    - রাধারানী,
    - রজনী।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

    ১১১.
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাজী নজরুল ইসলামকে কোন প্রকার সাহিত্য উৎসর্গ করেন?
    1. কাব্যনাট্য
    2. গীতিনাট্য
    3. নৃত্যনাট্য
    4. গল্পগ্রন্থ
    সঠিক উত্তর:
    গীতিনাট্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গীতিনাট্য
    ব্যাখ্যা

    'বসন্ত' গীতিনাট্য:
    - 'বসন্ত' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি গীতিনাট্য। এটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়।
    - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত বসন্ত নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন এবং কাজী নজরুল ইসলাম তার সঞ্চিতা কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:

    - তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
    - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
    - তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
    - এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
    - ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

    ১১২.
    ‘রত্নবতী’ উপন্যাসের মূল বিতর্ক কোনটি?
    1. যুদ্ধ বড় না শান্তি বড়
    2. প্রেম বড় না বিদ্রোহ বড়
    3. ধর্ম বড় না রাজনীতি বড়
    4. ধন বড় না বিদ্যা বড়
    সঠিক উত্তর:
    ধন বড় না বিদ্যা বড়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ধন বড় না বিদ্যা বড়
    ব্যাখ্যা

    মীর মশাররফ হোসেন:
    - মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
    - ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
    - মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির  গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
    - তিনি আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
    - মীর মোশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।

    'রত্নবতী' উপন্যাস: 

    - মীর মশাররফ হোসেন রচিত উপন্যাস 'রত্নবতী'।
    - এটি ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয়। এটি মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম কোন গ্রন্থ যা ঐতিহাসিকভাবে মূল্যবান।
    - প্রকৃতপক্ষে এটি রূপকথা জাতীয় শিক্ষামূলক একটি দীর্ঘ গল্প।
    - রাজপুত্র সুকুমার ও মন্ত্রীপুত্র সুমন্তের মধ্যে 'ধন বড় না বিদ্যা ব' - এ বিতর্ক ও বিতর্কের সমাধানই 'রত্নবতী'র মূল বিষয়।

    মীর মশাররফ হোসেন রচিত নাটক:
    - বসন্তকুমারী, 
    - জমীদার দর্পণ, 
    - বেহুলা গীতাভিনয়,
    - টালা অভিনয়।

    উৎস:
    ১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
    ২) বাংলাপিডিয়া।

    ১১৩.
    নিচের কোনটি রামায়ণ সপ্তকাণ্ডের অন্তর্গত নয়?
    1. যুদ্ধকাণ্ড
    2. সুন্দরকাণ্ড
    3. অযোধ্যাকাণ্ড
    4. আরণ্যকাণ্ড
    সঠিক উত্তর:
    যুদ্ধকাণ্ড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুদ্ধকাণ্ড
    ব্যাখ্যা

    • রামায়ণ সপ্তকাণ্ডের অন্তর্গত নয় - যুদ্ধকাণ্ড।

    রামায়ণ:

    - রামায়ণ আদি মহাকাব্য।
    - শিল্পসম্মত ও আলঙ্কারিক কাব্যকৃতি রূপে রামায়ণই প্রথম কাব্য। সংস্কৃত ভাষায় রামায়ণ রচনা করেন বাল্মীকি।
    - রামায়ণ মহাকাব্যে আর্য-সভ্যতা ও সংস্কৃতির সর্বাত্মক বিকাশের রূপ ফুটে উঠেছে।
    - রামায়ণ সপ্তকাণ্ডে বিভক্ত। কাণ্ডগুলো হল বাল, অযোধ্যা, আরণ্য, কিষ্কিন্ধ্যা, সুন্দর, লঙ্কা ও উত্তর কাণ্ড।
    - চব্বিশ হাজার অনুষ্টুপ শ্লোকে এটি রচিত। দুই কাণ্ডে রামকে বিষ্ণুর অবতার বলে নির্দেশ করে ভক্তি দেখানো হয়েছে।
    - কিন্তু বাকি পাঁচটি কাণ্ড সংহত ও মহাকাব্যের রীতি অনুসারে রচিত এবং এগুলোতে রাম বীর ও আদর্শ চরিত্র রূপে অঙ্কিত হয়েছে।

    উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

    ১১৪.
    "যুবনাশ্ব" ছদ্মনামটি কোন লেখকের?
    1. চারুচন্দ্র চক্রবর্তী
    2. মণীশ ঘটক
    3. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    4. সুভাষ মুখোপাধ্যায়ে
    সঠিক উত্তর:
    মণীশ ঘটক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মণীশ ঘটক
    ব্যাখ্যা

    মণীশ ঘটক এর ছদ্মনাম - যুবনাশ্ব

    অন্যদিকে,
    - চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম - জরাসন্ধ।
    - সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম - সুবচনী।
    - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম - হাবু শর্মা।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

    ১১৫.
    Who composed the poem "The Good-Morrow"?
    1. William Blake
    2. Andrew Marvell
    3. John Donne
    4. Robert Herrick
    সঠিক উত্তর:
    John Donne
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    John Donne
    ব্যাখ্যা

    • The poem "The Good-Morrow" was composed by John Donne.

    • The Good Morrow:
    - John Donne রচিত বিখ্যাত কবিতা।
    - It was published in 1633 in his posthumous collection Songs and Sonnets.
    - 'The Good Morrow' একটি প্রেমের কবিতা, যেখানে দুটি প্রেমিক একে অপরের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও আত্মিক সম্পর্কের কথা ব্যক্ত করেছেন।
    - It mainly describes a conversation between the speaker and his lover.
    - It has also been categorized as a sonnet.

    • John Donne (1572-1631):
    - John Donne ছিলেন Renaissance যুগের একজন অন্যতম বিখ্যাত কবি।
    - Metaphysical poetry -এর জনক বলা হয় John Donne কে।
    - তিনি আধ্যাত্মিক কবিতার সূচনা করেছিলেন তাই তাকে Father of Metaphysical poetry বলা হয়।
    - এছাড়াও তিনি Poet of Love and Religious হিসেবেও পরিচিত।
     
    • Notable works (Poems):
    - The Sun Rising,
    - The Canonization,
    - The Good-Morrow,
    - The Flea,
    - The Ecstasy,
    - Twicknam Garden,
    - For Whom The Bell Tolls, etc.
     
    • উল্লেখ্য যে,
    - The Sun also Rises ও For Whom The Bell Tolls শিরোনামে Ernest Hemingway এর উপন্যাস রয়েছে।

    Source:
    1. Britannica.
    2. Poetry Foundation.

    ১১৬.
    The two cities featured in "A Tale of Two Cities" are-
    1. London and Paris
    2. London and New York
    3. Paris and New York
    4. Paris and Geneva
    সঠিক উত্তর:
    London and Paris
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    London and Paris
    ব্যাখ্যা

    • The two cities featured in "A Tale of Two Cities" are London and Paris.

    • A Tale of Two Cities:
    - এটি Charles Dickens -এর অন্যতম একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
    - এই Novel টিতে London and Paris এই দুইটি city-কে ঘিরে কাহিনি গড়ে উঠেছে।
    - ফরাসী বিপ্লবের সাথে সংশ্লিষ্ট এই উপন্যাসটি।
    - কাহিনির সূত্রপাতে দেখা যায় Lucie Manette একজন তরুণী যে বিস্ময়ে ফেটে পড়ে তার বাবা Doctor Alexandre Manette এর জীবিত থাকার কথা শুনে ।
    - অত্যাচারি জমিদারের ষড়যন্ত্রে পড়ে নির্দোষ Doctor Manette জেল খাটতে বাধ্য হন।
    - জেলে থাকা অবস্থায়ই তিনি মুচির কাজ শিখেন।
    - তার মেয়ে Lucie বড় হবার পর বাবার কথা জানতে পেরে বাবাকে প্যারিস থেকে লন্ডনে নিয়ে আসেন।
    - পথিমধ্যে তাদের সাথে পরিচয় হয় Charles Darnay এর সাথে। যে ফরাসী রাজপরিবারের সদস্য হলেও তার পরিবারের পাপের জন্য অনুতপ্ত ছিল এবং প্রায়শ্চিত্ব করতে চেয়েছিল।
    - এছাড়া পরবর্তীতে Sydney Carton নামক একজন পারিবারিক বন্ধু প্রেমে পড়ে Lucie Manette -এর।

    • Main characters:
    - Sydney Carton,
    - Lucie Manette,
    - Charles Darnay,
    - Dr. Alexandre Manette,
    - Madame Defarge.

    • উপন্যাসটি শুরু হয়েছে এই উক্তির মাধ্যমে-
    - “It was the best of times, it was the worst of times, it was the age of wisdom, it was the age of foolishness, it was the epoch of belief, it was the epoch of incredulity, it was the season of light, it was the season of darkness, it was the spring of hope, it was the winter of despair.” (First Line)
    ----------
    • Charles Dickens (1812-1870):
    - Charles Dickens ছিলেন একজন ইংরেজ উপন্যাসিক।
    - তাকে ভিক্টোরিয়ান যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
    - তার কাজ সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে জ্ঞানী, দরিদ্র ও রাজার মতো সব ধরনের মানুষের কাছে আকর্ষণীয় ছিল।
    - প্রযুক্তিগত উন্নতি সহ তাঁর কাজের গুণাবলী তাঁর খ্যাতি বিস্তার করতে সহায়ক হয়েছিল।

    • Notable Works (Novels):
    - A Christmas Carol,
    - A Tale of Two Cities,
    - Great Expectations,
    - David Copperfield,
    - Oliver Twist,
    - Our Mutual Friend,
    - Dombey and Son,
    - Bleak House,
    - Hard Times,
    - The Pickwick Papers.

    • Non-fiction book:
    - American Notes.

    Source:
    1. Britannica.
    2. SparkNotes.

    ১১৭.
    The line "Life's but a walking shadow, a poor player" occurs in Shakespeare's play-
    1. Julius Caesar
    2. Macbeth
    3. As You Like It
    4. Hamlet
    সঠিক উত্তর:
    Macbeth
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Macbeth
    ব্যাখ্যা

    • The line "Life's but a walking shadow, a poor player" occurs in Shakespeare's play Macbeth.
    - Macbeth জীবনের অর্থহীনতা ও ক্ষণস্থায়িত্ব বোঝাতে উক্তিটি করেছেন Shakespeare এর Macbeth নাটকে।

    • Macbeth:
    - এই tragedy টি William Shakespeare রচিত Tragedy গুলোর মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত।
    - এটি ১৬০৭-০৭ সালের দিকে লেখা এবং ১৬২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
    - নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো King Duncan এর হত্যা ও তার ফলে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলি।
    - এই Tragedy টি হচ্ছে William Shakespeare এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ tragedy এবং Macbeth হলো এর মূল চরিত্র/tragic hero.
    - William Shakespeare -এর Macbeth নাটকটির মূল সেটিং বা প্রেক্ষাপট হলো স্কটল্যান্ড।
    - নাটকটির প্রধান চরিত্র Macbeth ছিলেন স্কটল্যান্ডের রাজা Duncan এর একজন বিশ্বস্ত General, যিনি স্কটল্যান্ডের রাজা হওয়ার জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী হয়ে ওঠেন।
    - নাটকটির বেশিরভাগ ঘটনাই স্কটল্যান্ডের বিভিন্ন রাজপ্রাসাদ, যুদ্ধক্ষেত্র এবং প্রাসাদে ঘটে।

    • Main characters:
    - Macbeth,
    - Lady Macbeth,
    - Duncan,
    - Banquo,
    - Three Witches.

    • Famous quotations from Macbeth:
    - "Fair is foul, and foul is fair."
    - "Life is but a walking shadow, a poor player."
    - "All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand"
    - "What's done cannot be undone."
    - “Look like the innocent flower,
       But be the serpent under it.”

    • William Shakespeare (1564-1616):
    - William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
    - তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
    - Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
    - তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
    - Shakespeare occupies a unique position in world literature.
    - William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
    - তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
    - এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

    Source:
    1. Britannica.
    2. SparkNotes.

    ১১৮.
    The writer of 'A Farewell to Arms' is-
    1. G. B. Shaw
    2. James Joyce
    3. Ernest Hemingway
    4. D. H. Lawrence
    সঠিক উত্তর:
    Ernest Hemingway
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Ernest Hemingway
    ব্যাখ্যা

    • The writer of 'A Farewell to Arms' is Ernest Hemingway.

    • A Farewell to Arms:
    - এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত Ernest Hemingway -এর  তৃতীয় novel.
    - The title is taken from a poem by the 16th-century English dramatist George Peele.
    - আত্মজৈবনিক উপাদান থাকার কারণে এই উপন্যাসটিকে লেখক রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে গণ্য করা হয়।
    - এই novel এ arms বলতে একই সাথে অস্ত্র এবং প্রেমিকার হাত বোঝানো হয়েছে।
    - এটি তার সবচেয়ে বিখ্যাত কাজগুলির মধ্যে একটি এবং আমেরিকান সাহিত্যিক ক্লাসিক হিসেবে গণ্য হয়।
    - উপন্যাসটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।
     
    • Main characters:
    - Lieutenant Frederic Henry (Protagonist),
    - Henry Catherine Barkley,
    - Helen Ferguson,
    - Lieutenant Rinaldi, etc.

    • উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি:
    - “All thinking men are atheists".
     
    • Ernest Hemingway (1899-1961):
    - In full Ernest Miller Hemingway.
    - Ernest Hemingway ছিলেন একজন বিশ্ববিখ্যাত আমেরিকান ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও সাংবাদিক।
    - তিনি তার সংক্ষিপ্ত, স্পষ্ট এবং প্রাঞ্জল লেখনীর জন্য বিখ্যাত, যা “iceberg theory” বা theory of omission নামে পরিচিত।
    - Hemingway এর লেখায় যুদ্ধ, সাহস, পুরুষত্ব, নিঃসঙ্গতা এবং জীবনের অর্থহীনতা বারবার উঠে আসে।
    - তিনি ছিলেন একজন যুদ্ধসংবাদদাতা এবং World War I ও Spanish Civil War-এ সরাসরি অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
    - ১৯৫৪ সালে তিনি সাহিত্যে Nobel Prize লাভ করেন।
    - Hemingway সারাজীবন মানসিক চাপ, হতাশা এবং শারীরিক জটিলতায় ভুগেছেন।
    - ১৯৬১ সালে তিনি আত্মহত্যা করেন।

    • Notable works:
    - The Sun Also Rises,
    - The Old Man and the Sea,
    - A Farewell to Arms,
    - Green Hills of Africa,
    - The Fifth Column,
    - In Our Time, etc.

    Source:
    1. Britannica.
    2. SparkNotes.

    ১১৯.
    Samuel Taylor Coleridge is the poet of-
    1. Queen Mab
    2. Christabel
    3. Tintern Abbey
    4. Ode to a Nightingale
    সঠিক উত্তর:
    Christabel
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Christabel
    ব্যাখ্যা

    • Samuel Taylor Coleridge is the poet of Christabel.

    • Christabel:

    - It is an unfinished Gothic ballad by Samuel Taylor Coleridge.
    - অর্থাৎ, একটি রহস্যময় ও অতিপ্রাকৃত কাব্য। যা ১৭৯৭-১৮০০ সালের মধ্যে লেখা হয়, তবে সম্পূর্ণ হয়নি।
    - কবিতাটি রোমান্টিক যুগের গথিক (Gothic) আবহে লেখা এবং এতে রহস্য, অতিপ্রাকৃত বিষয় ও মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছে।

    • Summary:
    - Christabel নামের এক তরুণী এক রাতে বনে গিয়ে Geraldine নামের এক রহস্যময় মহিলাকে দেখতে পায়, যে বলে সে বিপদে পড়েছে।
    - Christabel তাকে নিজের প্রাসাদে নিয়ে আসে, কিন্তু ধীরে ধীরে Geraldine -এর অদ্ভুত আচরণ প্রকাশ পায়।
    - কবিতাটি Geraldine-এর প্রকৃত পরিচয় এবং Christabel-এর উপর তার প্রভাব ঘিরে রহস্যময় আবহ তৈরি করে।
    - এই কবিতায় একই সাথে Sin versus Religiosity, Evil versus Devoutness, and Sexuality versus Purity কে উপস্থাপন করা হয়েছে।
    - Christabel হচ্ছে religiosity -এর প্রতীক, অপরদিকে Geraldine হচ্ছে sin -এর প্রতীক।

    • Samuel Taylor Coleridge (1772-1834):
    - তিনি একজন English lyrical poet, critic, and philosopher.
    - Samuel Taylor Coleridge ছিলেন ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত রোমান্টিক কবি, সমালোচক এবং দার্শনিক।
    - তার কবিতা, বিশেষ করে "The Rime of the Ancient Mariner" ও "Kubla Khan", আজও সাহিত্যে বিশাল প্রভাব বিস্তার করে।

    • Notable Works:
    - Biographia Literaria (Critical Autobiography),
    - Ode to the Departing Year,
    - Dejection: An Ode (Poem),
    - Christabel (Poem),
    - Kubla Khan (poem),
    - Frost at Midnight (Poem),
    - Lyrical Ballads (Book),
    - The Rime of the Ancient Mariner (Poem).

    অন্যদিকে,
    ক) Queen Mab: This is a philosophical poem by Percy Bysshe Shelley.

    গ) Tintern Abbey: The full title is "Lines Composed a Few Miles above Tintern Abbey," a poem by William Wordsworth.

    ঘ) Ode to a Nightingale: This is a famous ode by John Keats.

    Source:
    1. Britannica.
    2. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.

    ১২০.
    Who introduced the character 'Elizabeth Bennet'?
    1. Emily Bronte
    2. D. H. Lawrence
    3. Charles Dickens
    4. Jane Austen
    সঠিক উত্তর:
    Jane Austen
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Jane Austen
    ব্যাখ্যা

    • Jane Austen introduced the character 'Elizabeth Bennet'.
    - Elizabeth Bennet হলো Jane Austen-এর উপন্যাস Pride and Prejudice–এর প্রধান নারী চরিত্র। 

    • Pride and Prejudice:
    - Romantic period -এর উপন্যাসিক Jane Austen -এর লেখা novel.
    - উপন্যাসটি ১৮১৩ সালে তিনটি ভলিউমে প্রকাশিত হয় এবং প্রাথমিক অবস্থায় এই উপন্যাসের নামকরণ করা হয়েছিল: First Impressions.
    - বুদ্ধিদীপ্ত উপমা এবং চরিত্রগুলোর চমৎকার উপস্থাপনা ও বর্ননার কারনে ইংরেজি সাহিত্যে এই উপন্যাসটি একটি classic হিসেবে বিবেচিত।
    - কাহিনির শুরু হয় Bennet পরিবারের সদস্য বিশেষ করে পরিবারের বড় মেয়ে Elizabeth Bennet এর সাথে Fitzwilliam Darcy নামক একজন জমিদারের সম্পর্কে নিয়ে।
    - Elizabeth Bennet এবং Fitzwilliam Darcy একে অপরের প্রেমে পড়তে চায়, কিন্তু বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় যুক্তিহীন কিছু পূর্ব ধারণার কারণে।
    - উপন্যাসে Bennet প্রথমে Mr. Darcy–কে অহংকারী ও গর্বিত মনে করলেও ধীরে ধীরে ভুল ধারণা ভেঙে যায়। এলিজাবেথের চরিত্রের মাধ্যমে জেন অস্টেন নারীর বুদ্ধিমত্তা, নৈতিক দৃঢ়তা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

    • Major characters:
    - Mr. Bennet,
    - Mrs. Bennet,
    - Elizabeth Bennet,
    - Fitzwilliam Darcy,
    - Mary Bennet,
    - Jane Bennet,
    - Catherine Bennet,
    - Charles Bingley,
    - George Wickham, etc.

    • এই উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি-
    - 'It is a truth universally acknowledged, that a single man in possession of a good fortune, must be in want of a wife'.'

    • Jane Austen (1775-1817):
    - Jane Austen ছিলেন একজন ইংরেজ উপন্যাসিক।
    - তিনি একজন English novelist from the Romantic Period and known as an anti romantic novelist.
    - যিনি সামাজিক আচরণ, নারীদের জীবন, এবং তাঁর চরিত্রগুলোর রোম্যান্টিক জটিলতা নিয়ে গভীর পর্যবেক্ষণের জন্য পরিচিত।
    - তাঁর লেখা উপন্যাসগুলো সাধারণত ১৮শ শতকের শেষ ও ১৯শ শতকের প্রাথমিক সময়ের ব্রিটিশ জমিদার শ্রেণির সমালোচনা করে।
    - She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.

    • Notable works:
    - Emma,
    - Pride and Prejudice,
    - Persuasion,
    - Lady Susan,
    - Mansfield Park,
    - Northanger Abbey,
    - Sense and Sensibility, etc.

    Source:
    1. Britannica.
    2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

    ১২১.
    The writer of the famous novel "The Return of the Native" is-
    1. Emily Bronte
    2. Thomas Hardy
    3. Charlotte Bronte
    4. Charles Dickens
    সঠিক উত্তর:
    Thomas Hardy
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Thomas Hardy
    ব্যাখ্যা

    • The writer of the famous novel "The Return of the Native" is Thomas Hardy.

    • The Return of the Native:
    - এটি ইংরেজ লেখক Thomas Hardy -এর একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত হয়।
    - উপন্যাসটির পটভূমি ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের Wessex অঞ্চলের কাল্পনিক Egdon Heath.

    • Short-Summary:
    - কাহিনীর প্রধান চরিত্র Clym Yeobright প্যারিসে সফল জুয়েলারি ব্যবসায়ী হিসেবে কর্মজীবন শেষে, নিজ জন্মভূমি ইগডন হিথে ফিরে আসেন। তিনি স্থানীয় স্কুলে শিক্ষকতা করতে চান। এদিকে, তার স্ত্রী Eustacia Vye শহুরে জীবনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ইগডন হিথে বসবাস করছেন। ইউস্টেসিয়া স্থানীয় মদ্যপানকারী Damon Wildeve -এর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন, যা পরবর্তীতে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। পরিণামে, Eustacia এবং Damon উভয়ই দুঃখজনক পরিণতির শিকার হন।
    - Thomas Hardy এই উপন্যাসে নিয়তির নির্মমতা ও মানুষের অসহায়ত্ব তুলে ধরেন।

    • Major characters:
    - Clym Yeobright,
    - Thomasin Yeobright,
    - Eustacia Vye,
    - Damon Wildeve,
    - Mrs. Yeobright,
    - Diggory Venn, etc.

    • Thomas Hardy (1840-1928):
    - Thomas Hardy ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি, যিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম প্রধান লেখক হিসেবে পরিচিত।
    - তিনি মূলত বাস্তববাদ (Realism) এবং প্রকৃতিবাদ (Naturalism) সাহিত্যধারার অনুসারী ছিলেন।
    - তার উপন্যাসগুলোতে ইংল্যান্ডের গ্রামীণ জীবন, সামাজিক কুসংস্কার, প্রেম, ট্র্যাজেডি এবং নিয়তির বিরুদ্ধে মানুষের সংগ্রামকে গভীরভাবে চিত্রিত করা হয়েছে।
    - He was also a regional novelist and a poet.
    - একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।

    • His Famous Novels:
    - Tess of the d'Urbervilles,
    - Far from the Madding Crowd,
    - The Return of the Native,
    - A Pair of Blue Eyes,
    - Jude the Obscure,
    - The Woodlanders,
    - The Mayor of Casterbridge,
    - The Well-Beloved,
    - The Poor Man and the Lady, etc.

    Source:
    1. Britannica.
    2. SparkNotes.

    ১২২.
    "All the world’s a stage" is an example of-
    1. Alliteration
    2. Personification
    3. Metaphor
    4. Simile
    সঠিক উত্তর:
    Metaphor
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Metaphor
    ব্যাখ্যা

    • "All the world’s a stage" is an example of Metaphor.
    - এই লাইনটি Metaphor -এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ; এখানে 'world' -কে 'stage' -এর সাথে তুলনা করা হয়েছে।

    - এটি Shakespeare -এর comedy 'As You Like It' -এর একটি বিখ্যাত উক্তি।
    - এখানে Shakespeare সরাসরি "like" বা "as" ব্যবহার না করে "বিশ্ব" (World) এবং "নাট্যমঞ্চ" (Stage) -এর মধ্যে তুলনা করেছেন।

    • Metaphor:
    - An expression, often found in literature, that describes a person or object by referring to something that is considered to have similar characteristics to that person or object
    - Metaphor হলো এক ধরনের অলংকার বা ভাষাগত উপায়, যেখানে দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে গুণগত সাদৃশ্য স্থাপন করে একটিকে অন্যটির সাথে তুলনা করা হয়, তবে "like" বা "as" ব্যবহার না করে।
    - এটি ভাষাকে আরও চিত্রময়, শক্তিশালী এবং গভীর অর্থপূর্ণ করে তোলে।
    - সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয়, যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।

    • Metaphor -এর আরো কিছু উদাহরণ:
    - My heart is a lonely hunter.
    - Knowledge is light.

    অন্যদিকে,
    • Alliteration: (অনুপ্রাস)
    - The Repetition of a consonant at the beginning of two or more words or stressed syllables is called Alliteration.
    - যখন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত বা পাশাপাশি স্থাপিত শব্দের শুরুতে একই বর্ণ বা একই ধরনের উচ্চারণ থাকে তাকে অনুপ্রাস (Alliteration) বলে।

    - Ex: 'The fair breeze blew, the white foam flew, The furrow followed free.'
    - এখানে 'f' এবং 'b' দ্বারা শুরু হওয়া শব্দ পাশাপাশি বসেছে অর্থাৎ consonant sound এর repetition ঘটেছে।

    • Personification (ব্যক্তিরূপে প্রকাশ)
    - The description of an object or an idea as if it had human characteristics.
    - Personification হল একটি অলঙ্কারশাস্ত্রের কৌশল, যেখানে অজীব, নির্জীব বস্তু বা ধারণাকে মানুষের গুণাবলী বা বৈশিষ্ট্য প্রদান করা হয়।
    - অর্থাৎ, কোনো বস্তু, প্রাণী বা বিমূর্ত ভাবনাকে এমনভাবে বর্ণনা করা হয় যেন তা মানুষের মতো আচরণ করছে বা অনুভূতি প্রকাশ করছে।
    - Ex: Time’s cruel hand has stolen my youth.

    • Simile (উপমা)
    - A figure of speech comparing two unlike things that is often introduced by like or as.
    - Usually, as and like are used in it. In a simile, the resemblance is explicitly indicated by the words.
    - দুটি ভিন্নধর্মী জিনিসের মধ্যে As ও Like দ্বারা তুলনা বোঝালে তাকে Simile বলে।
    - উপমেয়ের সাথে উপমানের সাদৃশ্য কল্পনা করা।
    - Ex: All the world is like a stage.

    Source:
    1. Literary terms.net
    2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

    ১২৩.
    "Caesar and Cleopatra" was written by whom?
    1. George Bernard Shaw
    2. William Shakespeare
    3. Jonathan Swift
    4. John Webster
    সঠিক উত্তর:
    George Bernard Shaw
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    George Bernard Shaw
    ব্যাখ্যা

    • "Caesar and Cleopatra" was written by George Bernard Shaw.

    • Caesar and Cleopatra:
    - এটি George Bernard Shaw রচিত একটি 4 act -এর ঐতিহাসিক tragedy play.
    - এই play টি ১৮৯৮ সালে রচিত এবং ১৯০১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
    - এটি Shaw -এর first great play হিসেবে বিবেচিত।
    - Caesar and Cleopatra was extraordinarily successful, largely because of Shaw’s talent for characterization.
    - নাটকটি প্রাচীন রোম ও মিশরের পটভূমিতে রচিত এবং এতে রোমান সেনাপতি Julius Caesar ও মিশরের রানি Cleopatra–র সম্পর্ককে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    • Major Characters:
    - Julius Caesar,
    - Cleopatra,
    - Rufio,
    - Ftatateeta,
    - Pothinus,
    - Britannus,
    - Apollodorus,
    - Mark Antony,
    - Pompey,
    - Achilles,
    - Theodotus, etc.

    • G. B. Shaw (1856-1950):
    - তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
    - তিনি 'Modern period' এর বিখ্যাত নাট্যকার।
    - George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
    - তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।

    • Famous Plays of G.B. Shaw:
    - Pygmalion (Romantic play),
    - Major Barbara (Social satire),
    - Mrs. Warren's Profession (play),
    - Caesar and Cleopatra (tragedy),
    - Arms and the Man (Romantic comedy),
    - Heartbreak House (play),
    - Man and Superman (Comedy play),
    - The Doctor's Dilemma (satire drama/play, Epilogue),
    - St. Joan of Arc, etc.

    • উল্লেখ্য যে,
    - "Antony and Cleopatra" শিরোনামে William Shakespeare এর একটি tragedy রয়েছে।

    Source:
    1. Britannica.
    2. SparkNotes.

    ১২৪.
    O. Henry was from which of the following countries?
    1. England
    2. America
    3. Ireland
    4. France
    সঠিক উত্তর:
    America
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    America
    ব্যাখ্যা

    • O. Henry was from America.

    • O. Henry (1862-1910):
    - তিনি একজন বিখ্যাত American ছোট গল্প লেখক এবং Modern Period এর অন্যতম সাহিত্যিক।
    - O. Henry -এর প্রকৃত নাম ছিল William Sydney Porter.
    - O. Henry হলো তার pen name.
    - তিনি O. Henry হিসেবেই সাহিত্য জগতে অধিক পরিচিতি লাভ করেছেন।
    - O. Henry is best known for his short stories.
    - বলা হয়ে থাকে O. Henry is the short-story writer whose tales romanticized the commonplace - বিশেষ করে New York City এর সাধারণ মানুষের জীবন।
    - তাঁর সাহিত্যে আমেরিকার নিউইর্ক এর সাধারণ মানুষের জীবন ধারনের চিত্র নতুন মাত্রায় স্থান পেয়েছে।

    • Famous Short Stories:
    - Heart of the West,
    - The Gift of the Magi,
    - The Last Leaf,
    - Roads of Destiny,
    - The Furnished Room,
    - The Ransom of Red Chief,
    - The Trimmed Lamp,
    - The Four Million,
    - Whirligigs,
    - The Voice of the City.

    Source: Britannica.

    ১২৫.
    "All for Love" is a famous tragedy written by-
    1. John Bunyan
    2. Nicholas Udall
    3. John Dryden
    4. William Congreve
    সঠিক উত্তর:
    John Dryden
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    John Dryden
    ব্যাখ্যা

    • "All for Love" is a famous tragedy written by John Dryden.

    • All for love:
    - "All for Love" হলো John Dryden -এর লেখা একটি বিখ্যাত Tragedy play, যা ১৬৭৭ সালে প্রকাশিত হয়।
    - এটি একটি Heroic Tragedy.
    - It was written in a flowing but controlled blank verse.
    - এটি মূলত William Shakespeare এর "Antony and Cleopatra" নাটকের একটি রূপান্তর, তবে Dryden এটিকে তার নিজস্ব শৈলীতে (neo-classical) লিখেছেন।

    • John Dryden (1631-1700): 
    - তিনি একজন English poet, dramatist, and literary critic. 
    - তাকে বলা হয় Father of Modern English Criticism.
    - তিনি (1668-1689) পর্যন্ত ইংল্যান্ডের poet laureate ছিলেন।

    • Notable Works:
    - Absalom and Achitophel (poetry),
    - Mac Flecknoe (poem),
    - All for Love (tragedy),
    - The Indian Emperour (play),
    - The Indian Queen (play),
    - Aureng-Zebe,
    - The Mistaken Husband,
    - The Medall (satire),
    - "Essay of Dramatic Poesy", etc.

    • উল্লেখ্য যে,
    - 'Love for Love' is a play by William Congreve.
    - 'All for Love' is a heroic tragedy written by John Dryden.

    Source: Britannica.

    ১২৬.
    Don Juan was penned by-
    1. Alexander Pope
    2. George Gordon Byron
    3. E.B. Browning
    4.  W.B. Yeats
    সঠিক উত্তর:
    George Gordon Byron
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    George Gordon Byron
    ব্যাখ্যা

    → (45th BCS Preli)
    • Don Juan was penned by George Gordon Byron.


    • Don Juan:
    - Romantic period -এর অন্যতম poet and satirist Lord Byron -এর অনবদ্য সৃষ্টি "Don Juan" হচ্ছে একটি epic satire.
    - এই কবিতার কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো- Don Juan.
    - তাকে ঘিরে কবিতার মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।
    - তার নামেই কবিতাটির নামকরণ করা হয়েছে।
    - এটি ১৮১৯ থেকে ১৮২৪ সালের মধ্যে রচিত হয় এবং অসমাপ্ত অবস্থায় রয়ে যায়।
    - এই কবিতাটি Byron -এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এতে সমাজ, নৈতিকতা, রাজনীতি ও প্রেম নিয়ে তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ করা হয়েছে।

    • Major characters:
    - Don Juan,
    - Donna Inez,
    - Donna Julia,
    - Don Alfonso, etc.

    • Lord Byron (1788-1824):
    - তার পুরো নাম George Gordon Byron.
    - তিনি একজন British poet.
    - Lord Byron রোমান্টিক যুগের কবি ছিলেন।
    - তিনি 'Rebel Poet' নামেও পরিচিত।
    - তার বিখ্যাত epic (মহাকাব্য) হচ্ছে- Don Juan.
    - তিনি একজন Romantic poet এবং satirist যার poetry ও personality Europe এর image কে ধারণ করে।

    • Notable works:
    - Beppo,
    - Don Juan,
    - Giaour,
    - Lara,
    - Manfred,
    - Childe Harold’s Pilgrimage,
    - Hours of Idleness,
    - The Prisoner of Chillon, etc.

    Source: Britannica.

    ১২৭.
    ‘Better to reign in Hell, than serve in heaven’ is from-
    1. Jonathan Swift's work
    2. Marlowe's work
    3. Milton's work
    4. Keats's work
    সঠিক উত্তর:
    Milton's work
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Milton's work
    ব্যাখ্যা

    • ‘Better to reign in Hell, than serve in heaven’ is from Milton's work.
    - এটি John Milton রচিত Paradise lost -এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Satan এর বলা উক্তি।

    • Paradise Lost:
    - John Milton Blank verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দ)- এ রচিত Epic.
    - তার লেখা Paradise lost কে the great Epic in English হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
    - ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি মোট বারো খণ্ডে বিভক্ত।
    - The theme of Paradise Lost, or 'Paradise Lost' attempted to justify the ways of God to men.
    - খ্রিষ্টীয় ধর্মীয় মতবাদকে প্রাধান্য দিয়ে আদি মানব এবং মানবী Adam & Eve এর স্বর্গ থেকে মর্ত্যে আগমনের কাহিনী হচ্ছে এই মহাকাব্যটির মূল উপজীব্য বিষয়।

    • এই Epic এর আরো বিখ্যাত কিছু quotations-
    - Of Man's First Disobedience, and the Fruit Of that Forbidden Tree, whose mortal taste Brought Death into the World, and all our woe. (First line)
    - Death is the golden key that opens the place of eternity.
    - Solitude sometimes is the best society.
    - Awake, arise or be forever fall'n.
    - The mind is its own place, and in itself can make a heaven of hell, a hell of heaven.
    - What hath night to do with sleep?
    - So farewell hope, and with hope farewell fear.

    • John Milton (1608-1674):
    - He was born in London, England, in 1608.
    - তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
    - তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
    - মূলত কবি হিসেবে প্রসিদ্ধ হলেও মিল্টন কিছু উচ্চমানের রাজনৈতিক প্রবন্ধও লিখেছিলেন।
    - তাকে বলা হয় the Epic Poet. এছাড়া great master of Blank Verse ও বলা হয়।

    • Some notable works:
    - Paradise Lost (Epic),
    - Paradise Regained (Epic),
    - Of Education (Prose),
    - Lycidas (Elegy),
    - Comus (masque/ a type of theatre entertaining poetry),
    - On Shakespeare (First published poem),
    - Samson Agonistes,
    - Areopagitica, etc.

    Source:
    1. Britannica.
    2. English Essence by Live MCQ.

    ১২৮.
    The jury delivered a verdict of not guilty.
    Here, the underlined word is a/an-
    1. Abstract noun
    2. Collective noun
    3. Common noun
    4. Proper noun
    সঠিক উত্তর:
    Collective noun
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Collective noun
    ব্যাখ্যা

    • The jury delivered a verdict of not guilty.
    - Here, the underlined word is a Collective noun.

    • Jury (noun)
    - English Meaning: a group of people who have been chosen to listen to all the facts in a trial in a law court and to decide if a person is guilty or not guilty.
    - Bangla Meaning: বিচারালয়ে কোনো মামলার সত্যবিষয় নির্ণয় করার জন্য শপথবদ্ধ একদল ব্যক্তি; নির্ণায়কবর্গ; জুরিবর্গ।
    -------------
    • Collective Noun:
    - A Collective Noun is the name of a number (or collection) of persons or things taken together and spoken of as one whole.
    - যে সকল Noun দ্বারা সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি, বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় তাদেরকে Collective Noun বলে।
    - অর্থাৎ কিছু Common Noun এর সমষ্টিকেই collective noun বলে।
    - কিছু collective noun হচ্ছে- cattle, herd, army, public, jury, committee, crew, majority, minority etc.

    - Collective noun এর পূর্বে article বসলেও তা collective noun থাকে, common noun হয় না।

    ১২৯.
    The board chairman asked the candidate to find Bangladesh _____ the world map.
    1. at
    2. in
    3. on
    4. over
    সঠিক উত্তর:
    on
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    on
    ব্যাখ্যা

    • Complete sentence: The board chairman asked the candidate to find Bangladesh on the world map.

    • মানচিত্রে দেখানোর ক্ষেত্রে ইংরেজিতে আমরা সবসময় "on" preposition ব্যবহার করি।
    - কারণ মানচিত্রকে একটি surface বা পৃষ্ঠতল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
    - যেকোনো স্থান বা দেশ মানচিত্রের উপরে (on) দেখানো হয়।

    - সুতরাং, এক্ষেত্রে সঠিক preposition টি হলো- on.

    ১৩০.
    Find the masculine gender of ''Mare''-
    1. Bear
    2. Stallion
    3. Hind
    4. Mermaid
    সঠিক উত্তর:
    Stallion
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Stallion
    ব্যাখ্যা

    • The masculine gender of ''Mare'' is- Stallion.

    • Mare: [feminine gender]
    - English Meaning: an adult female horse.
    - Bangla Meaning: ঘোটকী; মাদি ঘোড়া।

    - এর Masculine gender হলো: Stallion ((সাধারণত প্রজননার্থে রক্ষিত) খোজা করা হয়নি এমন ঘোড়া।).

    অন্যদিকে,
    • Bear (common) - শরীরে ঘন পুরু কেশযুক্ত (ফার) এক রকম বিশাল জন্তু; ভল্লুক।

    • Hind (feminine) - মাদি (বিশেষত লাল) হরিণ; হরিণী; মৃগী; কুরঙ্গী।
    - এর Masculine gender হচ্ছে-  Stag (হরিণ)।

    • Mermaid (feminine) - মৎসকুমারী।
    - এর masculine gender হচ্ছে- Merman (মৎসকুমার)।

    Source:
    1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
    2. Cambridge Dictionary.

    ১৩১.
    The audience clapped loudly in the gallery.
    Here, the underlined verb 'clapped' is-
    1. Causative
    2. Transitive
    3. Intransitive
    4. Factitive
    সঠিক উত্তর:
    Intransitive
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Intransitive
    ব্যাখ্যা

    • 'The audience clapped loudly in the gallery.
    - Here, the underlined verb 'clapped' is Intransitive.

    - Intransitive verb হলো এমন verb যার কোনো direct object (কর্ম) থাকে না।
    - অর্থাৎ, Direct object ছাড়াই সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে।
    - এই বাক্যে clapped এর পর কোনো object নেই। "Loudly" হলো adverb (কীভাবে clapped?), আর "in the gallery" হলো prepositional phrase.
    - Audience শুধু subject (কর্তা), clapped হলো action যা audience নিজেরাই করছে (তালি বাজিয়েছে)।
    -  অর্থাৎ এটি কেবল subject -এর কাজ বোঝাচ্ছে, 'clapped' কোনো বস্তু বা ব্যক্তিকে (object) প্রভাবিত করছে না।

    • Intransitive verb:
    - An intransitive verb is a verb that denotes an action which does not pass over to an object, or which expresses a state or being.
    - অর্থাৎ, intransitive verb হলো subject নিজের দ্বারাই যে কাজ সম্পন্ন হয়, action (কাজ) সম্পন্ন হওয়ার জন্য object -এর দ্বারস্থ হতে হয় না। 
    - যে verb -এর কর্ম (direct object) নেই তাকে Intransitive verb বলে।
    - এই verb কে 'কি' বা 'কাকে' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় না। Direct object থাকে না বলে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় না।
    - সাধারণত verb-এর পরে কোনো word না থাকলে অথবা verb-এর পরে adverb/preposition থাকলে সেটি Intransitive verb হবে।
    -----------

    অন্যদিকে,
    • Causative Verb:
    - Subject যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তখন এই অর্থে causative verb ব্যবহৃত হয়। 
    - Help, Get, Have, Let, Make ইত্যাদি বহুল প্রচলিত causative verb.
    - Make, have, get প্রভৃতি যোগে অনেক verb- কে causative verb এ পরিণত করা যায়।

    - যেমন: He always has me do his work. (সে সব সময় আমাকে দিয়ে তার কাজ করিয়ে নেয়।)

    • Transitive verb:
    - যে verb এর object আছে তাকে transitive verb বলে৷
    - Transitive verbs এর সাধারণ Structure হচ্ছে: subject + verb + object.
    - Object সর্বদাই Noun অথবা Pronoun হয়।
    - তাই বাক্যে verb এর পরে Noun অথবা Pronoun থাকলে verb টি সাধারণত transitive verb হবে।
    - আবার intransitive verb এর শেষে preposition + object যুক্ত করেও তাকে transitive verb এ পরিণত করা যায়।

    - যেমন: He writes a letter. write হলো transitive verb, কারণ এর object হলো a letter.

    • Factitive Verb:
    - যে Verb এর Object বসানোর পরও Objective Complement ছাড়া বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না, তাকে Factitive Verb বলে।
    - Factitive Verb হলো এমন ক্রিয়া যা দুটি object নেয় - একটি direct object এবং একটি object complement।
    - এই verb direct object কে object complement হিসেবে বর্ণিত অবস্থায় পরিণত করে বা নিয়োগ দেয়।
    - কিছু factitive verbs হলো: Elect, Select, Make, Appoint, Call, Name, etc.

    - যেমন: The manager appointed him secretary.

    Source: 
    1. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
    2. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain. 

    ১৩২.
    Select the word that is synonymous with 'authoritarian'.
    1. Potential
    2. Totalitarian
    3. Indecisive
    4. Elderly
    সঠিক উত্তর:
    Totalitarian
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Totalitarian
    ব্যাখ্যা

    • The correct answer is- Totalitarian.

    • Authoritarian (adjective)
    - English Meaning: someone who demands that people obey completely and refuses to allow them freedom to act as they wish.
    - Bangla Meaning: ব্যক্তিস্বাধীনতাকে উপেক্ষা করে কর্তৃপক্ষের, বিশেষত রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের বশ্যতা স্বীকারের উপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করে এমন; কর্তৃত্ববাদী; কর্তৃত্বপরায়ণ; প্রভুত্বপরায়ণ।

    • Given options:
    ক) Potential - সম্ভাব্য; সম্ভাবনাত্মক; সম্ভাবনীয়; অনুভূত।

    খ) Totalitarian - সমগ্রতাবাদী; কর্তৃত্ববাদী; যে রাজনৈতিক দল একটি দল ভিন্ন অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে মানতে রাজি নয়।

    গ) Indecisive - অনিশ্চায়ক; অনির্ণায়ক; অনিশ্চিত।

    ঘ) Elderly - বয়োজ্যেষ্ঠ; প্রৌঢ়; প্রবীণ।

    • সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The correct answer is- Totalitarian.

    Source: 
    1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
    2. Oxford Dictionary.

    ১৩৩.
    Twenty thousand dollars _____ lots of money.
    1. it's a
    2. are
    3. is
    4. have
    সঠিক উত্তর:
    is
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    is
    ব্যাখ্যা

    • Complete sentence: Twenty thousand dollars is lots of money.
    - Bangla meaning: বিশ হাজার ডলার অনেক টাকা।

    • Subject-Verb Agreement অনুযায়ী,
    - Time, Distance, Length, Weight, Money -এদের এককের সমষ্টি দেখতে plural হলেও যখন এই সমষ্টিকে একটি unit হিসেবে বিবেচনা করা হয় তখন সেটি singular verb গ্রহণ করে।

    - যখন কোনো sum of money, distance, time, weight ইত্যাদি একক হিসেবে বিবেচিত হয়, তখন তাকে singular ধরা হয়—যদিও তা plural-এর মতো দেখতে হয়।

    - অর্থাৎ, অবিচ্ছেদ্য একটি সমষ্টি হিসেবে একই দৈর্ঘ্য, পরিমাণ, সময়, দূরত্ব, বয়স, টাকা, ইত্যাদি Plural হলেও verb - Singular হয়।
    - এখানে, "Expressions of time/distance/Money" কে "single entities" হিসেবে ধরা হয়।

    - প্রশ্নে প্রদত্ত বাক্যে 'Twenty thousand dollars' কে একত্রে একটি unit হিসেবে ধরা হয়।
    - তাই শূন্যস্থানে সঠিক verb টি হবে- 'is'.

    ১৩৪.
    Which is the verb of the word ‘Public’?
    1. Publicity
    2. Press
    3. Publishable
    4. Publicize
    সঠিক উত্তর:
    Publicize
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Publicize
    ব্যাখ্যা

    • The verb of the word ‘Public’ is- ঘ) Publicize.

    • Public (adjective, noun)
    - English Meaning: relating to or involving people in general, rather than being limited to a particular group of people.
    - Bangla Meaning: জনসাধারণ বা সর্বসাধারণ সম্বন্ধীয়; সর্বজনীন; জনসাধারণ; লোকসাধারণ।

    • Publicize (verb) - প্রচার করা, জনসমক্ষে আনা, প্রকাশ্যে ঘোষণা করা, বিজ্ঞাপন দেওয়া ইত্যাদি।

    • অন্যদিকে,
    ক) Publicity (noun) → প্রচার, প্রচারকার্য।
    খ) Press (noun, verb) → (চাপ; চাপ দেওয়া, প্রেস করা), কিন্তু এটি public এর verb নয়।
    গ) Publishable (adjective) → প্রকাশযোগ্য।

    - সুতরাং, 'Public' শব্দের সঠিক verb হলো- Publicize.

    ১৩৫.
    The meaning of the phrase: By and large.
    1. Before long
    2. Far away
    3. On the whole
    4. Very large
    সঠিক উত্তর:
    On the whole
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    On the whole
    ব্যাখ্যা

    • The meaning of the phrase: By and large is- On the whole.

    • By and large (idiom): 
    - English Meaning: on the whole; everything considered; in general.
    - Bangla Meaning: মোটকথা; সামগ্রিকভাবে।

    • Example Sentences: 
    - By and large, the people of this state are not happy with the governor's policies.
    - By and large, that information is accurate.

    Source:
    1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
    2. Cambridge Dictionary.

    ১৩৬.
    Choose the right form of verb:
    It is high time you ______ on the matter.
    1. could act
    2. have acted
    3. acted
    4. act
    সঠিক উত্তর:
    acted
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    acted
    ব্যাখ্যা

    • Complete Sentence: It is high time you acted on the matter.
    - Bangla Meaning: এই বিষয়ে তোমার পদক্ষেপ নেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়।

    • It is time/It is high time -যুক্ত বাক্যকে complete করার নিয়ম:
    - It is time/It is high time থাকলে এবং এর পরে subject বসলে subject -এরপরের verb টি past form হয়।
    - তাই, নিয়মানুযায়ী প্রদত্ত বাক্যটির verb হবে- acted.

    • আবার, It is time ও It is high time এর পরে subject না এসে, সরাসরি কোন verb আসলে ঐ verb এর Infinitive form বসবে। 
    - যেমন: It is high time to change your attitude.

    Source: A Passage To The English Language: S. M. Zakir Hussain.

    ১৩৭.
    I have never contemplated living abroad.
    Here 'living' is a/an-
    1. Gerund
    2. Present participle
    3. Verb
    4. Infinitive
    সঠিক উত্তর:
    Gerund
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Gerund
    ব্যাখ্যা

    • I have never contemplated living abroad.
    - Here 'living' is a Gerund.

    - এই বাক্যে 'contemplated' হলো transitive verb (object নিতে পারে), আর তার পরে living abroad হলো direct object.
    - 'Living' এখানে transitive verb -এর object হিসেবে noun-এর কাজ করছে, তাই এটি হলো- gerund.

    • Gerund:
    - Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
    - সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
    - Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

    • Functions of the Gerund:
    1. Subject of a verb: Rising early is a good habit.
    2. Object of a verb: I like reading poetry.
    3. Object of a preposition: I am tired of waiting.
    4. Complement of a verb: Seeing is believing.
    5. As absolutely (part of a compound noun): This is my writing-table.

    অন্যদিকে,
    • Present participle:
    - Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
    - সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে।
    - Present participle দ্বারা চলমান sense বোঝায়।
    - যেমন: The living child cried.

    Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.

    ১৩৮.
    Which of the following is the correct superlative degree?
    1. Rose is the finest of all flowers.
    2. The rose is the finest of all flowers.
    3. The rose is finest of all flowers.
    4. The rose is the finest of all flower.
    সঠিক উত্তর:
    The rose is the finest of all flowers.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    The rose is the finest of all flowers.
    ব্যাখ্যা

    • সঠিক উত্তর: খ) The rose is the finest of all flowers.

    • Superlative degree-এর সঠিক নিয়ম অনুসারে:
    - Superlative degree- এর পূর্বে Definite article “The” ব্যবহার করতে হবে।
    - Superlative degree-এ (the + finest, the best, the most beautiful, etc) সবসময় the বসে।

    - আবার, সমগ্র জাতি বুঝাতে singular noun -এর পূর্বে the বসাতে হয়।
    - তাই 'Rose' -এর পূর্বে the বসবে।

    - আবার, কোনো countable noun -এর পূর্বে 'all' বসলে এর পরে plural noun বসে।
    - তাই, “of all” এর পরে  flowers (plural) বসবে।

    - সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক Superlative degree যুক্ত বাক্যটি হলো- খ) The rose is the finest of all flowers.

    অন্যদিকে,
    ক) Rose is the finest of all flowers.
    → subject-এর আগে “The” নেই → তাই ভুল (এখানে specific rose-এর কথা বলা হচ্ছে)।

    গ) The rose is finest of all flowers.
    → Superlative-এর আগে the নেই → তাই ভুল।

    ঘ) The rose is the finest of all flower.
    → “flower” singular → তাই এটিও ভুল।

    ১৩৯.
    The candidate has a large following among young people.
    The underlined word is a/an-
    1. Noun
    2. Preposition
    3. Adjective
    4. Pronoun
    সঠিক উত্তর:
    Noun
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Noun
    ব্যাখ্যা

    • The candidate has a large following among young people.
    - The underlined word is a noun.

    - প্রদত্ত বাক্যে a large following — এখানে a (article) + large (adjective) + following (noun).
    - সাধারণত article এবং preposition -এর মাঝে দুইটি শব্দ থাকলে প্রথমটি adjective এবং দ্বিতিয়টি noun হয়।

    • Following (noun):
    - English Meaning: a group of people who support, admire, or believe in a particular person, group, or idea.
    - Bangla Meaning: সমর্থকমণ্ডলী; অনুগামীবৃন্দ।

    এছাড়াও,
    - 'Following' শব্দটি adjective ও noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

    • Following (Preposition):
    - এটা হচ্ছে Participle Preposition, যা after বা পরে অর্থে ব্যবহৃত হয়।
    - অর্থাৎ, 'following' শব্দটি Noun/noun phrase এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্যান্য অংশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করলে Preposition হয়।
    - যেমন: He died following the incident.

    • Following (adjective):
    - 'following' শব্দটি যখন Noun-কে modify করে তখন সেটি adjective হয়।
    - যেমন: The following day, morning, etc. is the next one.

    Source:
    1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
    2. Cambridge Dictionary.
    3. Merriam-Webster Dictionary.

    ১৪০.
    Antonym of 'Transitory'-
    1. Perpetual
    2. Admire
    3. Ephemeral
    4. Transferable
    সঠিক উত্তর:
    Perpetual
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Perpetual
    ব্যাখ্যা

    • Antonym of 'Transitory'- Perpetual.

    • Transitory: (adjective) 
    - English Meaning: lasting for only a short time.
    - Bangla Meaning: স্বল্পকালস্থায়ী।

    • Given options:
    ক) Perpetual -
    অনন্ত; অন্তহীন; বিরতিহীন।

    খ) Admire - প্রশস্তি/প্রশংসা করা।

    গ) Ephemeral - স্বল্পজীবী; স্বল্পস্থায়ী।

    ঘ) Transferable - বদলিযোগ্য; স্থানান্তরযোগ্য; হস্তান্তরযোগ্য।

    • সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, Antonym of 'Transitory'- Perpetual.

    Source:
    1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
    2. Merriam-Webster Dictionary.

    ১৪১.
    Reading newspapers daily increases general knowledge.
    The underlined part is a/an-
    1. verbal phrase
    2. noun phrase
    3. adjective phrase
    4. adverbial phrase
    সঠিক উত্তর:
    noun phrase
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    noun phrase
    ব্যাখ্যা

    Reading newspapers daily increases general knowledge.
    - The underlined part is a noun phrase.

    - এই বাক্যে 'Reading newspapers daily' phrase টি বাক্যের Subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং একই সাথে এটি একটি Gerund phrase.
    - তাই, Gerundial phrase হিসেবে 'Reading newspapers daily' হলো- Noun phrase.
    --------------------

    • Noun Phrase:
    - যে phrase বা শব্দগুচ্ছ noun -এর কাজ করে তাই মূলত Noun phrase.
    - অর্থ এবং বাক্যে অবস্থান অনুযায়ী Noun phrase বিভিন্ন ভূমিকা পালন করে।
    - যেমন:
    - Subject হিসেবে; (এই বাক্যে 'Writing daily' phrase টি Subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটি Noun Phrase.)
    - Object of a verb হিসেবে।
    - Object of a preposition হিসেবে।
    - Subject complement হিসেবে।
    - Object complement হিসেবে।
    -------

    • The three types of noun phrases are:
    i. Appositive phrase:
    - It renames another noun in the sentence.
    - যে noun phrase অন্য একটি noun সম্মন্ধে comma ব্যবহার করে নতুন তথ্য যোগ করে তাকে appositive বলে।
    - যেমন: Mr. Alam, my favorite English teacher, is doing this assignment for me.

    ii. Gerund phrase:
    - Gerund phrase starts with a gerund.
    - Gerund (verb + ing) দিয়ে শুরু হওয়া phrase কে gerund phrase বলে।
    - যেমন: The ringing of the phone during the prayers in the mosque disturbs me much.

    iii. Infinitive phrase:
    - It has an infinitive (to + the present form of the verb) and modifiers linked to the infinitive.
    - Infinitive (to+verb) দিয়ে শুরু হওয়া phrase কে infinitive phrase বলে।
    - যেমন: I took a determination to pass the exam.

    Source: Cliff's TOEFL.

    ১৪২.
    Identify the correct sentence:
    1. Dipika speaks English like English.
    2. Dipika speaks the English like the English.
    3. Dipika speaks the English like English.
    4. Dipika speaks English like the English.
    সঠিক উত্তর:
    Dipika speaks English like the English.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Dipika speaks English like the English.
    ব্যাখ্যা

    • Correct sentence: Dipika speaks English like the English.(45th BCS preliminary)

    - It indicates that she speaks English like how English people generally speak the language.
    - এখানে বলা হচ্ছে যে, দীপিকা ইংরেজদের মতো করেই ইংরেজি বলে।

    • Article এর নিয়মানুযায়ী:
    - ভাষার নামের পূর্বে সাধারণত কোনো article ব্যবহৃত হয় না এবং
    - যেকোনো জাতির নামের পূর্বে article হিসাবে the ব্যবহৃত হয়।

    • অন্য বাক্য গুলো Article এর নিয়মানুযায়ী ভুল:
    ক) Dipika speaks English like English.
    - এখানে "the English" না থাকার কারণে বাক্যটি অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।

    খ) Dipika speaks the English like the English.
    - এখানে "the English" দুইবার ব্যবহৃত হয়েছে, যেখানে প্রথমটি ভাষার জন্য, যা ভুল।

    গ) Dipika speaks the English like English.
    - এখানে "the English" ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে ভাষার নামের আগে, যা সঠিক নয়।

    - সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক বাক্যটি হলো- ঘ) Dipika speaks English like the English.

    ১৪৩.
    পরিবেশ অধিদপ্তর কত সালে সেন্ট মার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করে?
    1. ১৯৯১ সালে
    2. ১৯৯৩ সালে
    3. ১৯৯৪ সালে
    4. ১৯৯৯ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৯৯ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৯৯ সালে
    ব্যাখ্যা

    সেন্ট মার্টিন পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
    - বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমার সীমান্তের কাছে সাগরের বুকে ৮ দশমিক ৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ছোট্ট প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন।
    - এ দ্বীপ সামুদ্রিক কাছিমের প্রজনন ক্ষেত্র। এছাড়া এখানে ৬৮ প্রজাতির প্রবাল, ১৫১ প্রজাতির শৈবাল, ১৯১ প্রজাতির মোলাস্ট বা কড়ি জাতীয় প্রাণী, ৪০ প্রজাতির কাঁকড়া, ২৩৪ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ, পাঁচ প্রজাতির ডলফিন, চার প্রজাতির উভচর প্রাণী, ২৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ১২০ প্রজাতির পাখি, ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ১৭৫ প্রজাতির উদ্ভিদ, দুই প্রজাতির বাদুড়সহ নানা প্রজাতির প্রাণীর বসবাস ছিল এককালে।
    - জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর ১৯৯৯ সালে সেন্ট মার্টিনের ৫৯০ হেক্টর এলাকাকে ‘পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ ঘোষণা করেছিল সরকার।
    - এছাড়াও, সমুদ্র সম্পদের টেকসই আহরণের লক্ষে বঙ্গোপসাগরের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে ২০২২ সালে ‘সেন্ট মার্টিন মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া’ ঘোষণা করেছে সরকার।

    ⇒ বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
    - দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
    - এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
    - এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

    উৎস: i) পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
    ii) প্রথম আলো।

    ১৪৪.
    বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাহাড়সমূহ কোন যুগের ভূমিরূপের উদাহরণ?
    1. টারশিয়ারি যুগের
    2. প্লাইস্টোসিন যুগের
    3. সাম্প্রতিক কালের
    4. খ ও গ
    সঠিক উত্তর:
    টারশিয়ারি যুগের
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    টারশিয়ারি যুগের
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাহাড়গুলো মূলত টারশিয়ারি যুগের ভূমিরূপের উদাহরণ।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম:

    - পার্বত্য চট্টগ্রাম (Chittagong Hill Tracts) দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাপক পাহাড়ি অঞ্চল (২১°২৫´ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৩°৪৫´ উত্তর অক্ষাংশ ও ৯১°৫৪´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৫০´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ)।
    - এর দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে মায়ানমার, উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, পূর্বে মিজোরাম এবং পশ্চিমে চট্টগ্রাম জেলা অবস্থিত। 

    টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
    - টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের উৎপত্তি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় হিসেবে পরিচিত।
    - বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
    - আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
    - এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।
    - রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগের অন্তর্ভুক্ত।
    - এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়। 

    ⇒ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
    ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
    - রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
    খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
    - ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

    উল্লেখ্য,
    - ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
    • টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
    • প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
    • সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

    উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
    ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১৪৫.
    ভারতের কোন রাজ্যে কর্ণফুলী নদী উৎপত্তি লাভ করেছে?
    1. মিজোরাম
    2. ত্রিপুরা
    3. মেঘালয়
    4. আসাম
    সঠিক উত্তর:
    মিজোরাম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মিজোরাম
    ব্যাখ্যা

    কর্ণফুলী নদী ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড়ের মমিত জেলার শৈতা গ্রাম থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে এবং মিজোরাম থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। 

    কর্ণফুলী নদী:

    - বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
    - এটি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে ।
    - এই নদীর মোহনাতে বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম বন্দর অবস্থিত।
    - এই নদীর দৈর্ঘ্য ৩২০ কিলোমিটার।
    - এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির প্রধান নদী।
    - এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী।
    - উপ- নদী (Tributary): ইছামতি, হালদা, তুইলিয়ান পুই অথবা সাজাল লুই, থেগা অথবা কাওপুই, শুভলং-মরম ছড়া, ভান্দরজুরি খাল, শাইলক খাল, হীরার ছড়া।
    - শাখা-নদী (Distributary): নাই।

    ⇒ ১৯৬৪ সালে কর্ণফুলী নদীর ওপর বাঁধ দিয়ে রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় কাপ্তাই বাঁধ তৈরি করা হয়।
    - এই বাঁধে সঞ্চিত পানি ব্যবহার করে কাপ্তাই জলবিদ্যুেকন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।

    উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
    ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১৪৬.
    বাংলাদেশের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় 'ভোলা সাইক্লোন বা গোর্কি' কত সালে আঘাত হেনেছিল?
    1. ১৯৭০ সালে
    2. ১৯৮৮ সালে
    3. ১৯৯১ সালে
    4. ২০০৭ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৭০ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৭০ সালে
    ব্যাখ্যা

    ভোলা সাইক্লোন বা গোর্কি:
    - বাংলাদেশের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় 'ভোলা সাইক্লোন বা গোর্কি' ১৯৭০ সালে আঘাত হেনেছিল।

    ⇒ ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে উপকূলে আঘাত হানে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় "ভোলা" সাইক্লোন বা গোর্কি। 
    - প্রলয়ংকরী এ ঘূর্ণিঝড়টি মূহুর্তেই ব্যাপক জলোচ্ছ্বাসে ফুলে ফেপে শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল। পানির প্রবল স্রোত, ঝড়ের হিংস্রতা আর কালো মেঘের পেট থেকে নিক্ষিপ্ত বজ্রপাতে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিলো উপকূলীয় ভোলা ও তৎসংলগ্ন জেলাগুলোর প্রতিটি জনপদ।
    - ওই সময়ে পুরো উপকূলজুড়ে ১০ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিলো। এর মধ্যে শুধু ভোলাতেই লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হয়।
    - তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘূর্ণিঝড়ে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে দ্বীপ জনপদ ভোলা এবং পার্শ্ববর্তী জেলা নোয়াখালী উপকূলে। সেইসময় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় নোয়াখালী উপকূলের রামগতি, হাতিয়া, সন্দ্বীপ এবং পটুয়াখালীর জনপদ।
    - জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী,"ভোলা সাইক্লোন" পৃথিবীর ইতিহাসে ভয়ঙ্করতম প্রাণঘাতী একটি ঘূর্ণিঝড়। 
    - তথ্য অনুযায়ী, এটি ১৯৭০-এর উত্তর ভারতীয় ঘূর্ণিঝড় মৌসুমের ৬ষ্ঠ ঘূর্ণিঝড় এবং মৌসুমের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ছিল। এটি সিম্পসন স্কেলে ক্যাটাগরি ৩ মাত্রার ঘূর্ণিঝড় ছিল। এ ঘূর্ণিঝড়ে ১৫ থেকে ২৫ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসে দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চল ও দ্বীপগুলো প্লাবিত হয়ে ধংসযজ্ঞে পরিণত হয়। 

    উল্লেখ্য,
    - বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব-দ্বীপ বাংলাদেশ।
    - গ্রীষ্মকালে কিউমুলাস মেঘের কারণে বাংলাদেশ ঝড়ো হাওয়া আর বৃষ্টিপাত নিয়মিত ঘটনা। তবে এপ্রিল- মে মাসে সমুদ্রে যে লঘুচাপগুলো সৃষ্টি হয়, তার মধ্য দু’একটি মূলত ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়।
    - তবে বছরের শেষভাগের ঘূর্ণিঝড়গুলো অনেক বেশী শক্তিশালী আর বিধ্বংসী হয়ে থাকে।
    - ১৯৮৮ সালের নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড়ও ছিলো বেশ বিধ্বংসী। এই ঝড় বয়ে যায়, যশোর, কুষ্টিয়া আর ফরিদপুরসহ বাংলাদেশে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বেশকিছু জেলার ওপর দিয়ে। সেসময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬২ কিলোমিটার৷ এই ঘূর্ণিঝড়ে মারা যায় প্রায় ছয় হাজার মানুষ।
    - ১৫ নভেম্বর ২০০৭। এদিন বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে আঘাত হানে ভয়ানক ঘূর্ণিঝড় সিডর। আঘাতের সময় সিডরের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার। তবে এ সময় দমকা হাওয়ার বেগ উঠছিল ঘণ্টায় ৩০৫ কিলোমিটার পর্যন্ত। সিডরের প্রভাবে উপকূলে ১৫ থেকে ২০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়।

    উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। 

    ১৪৭.
    সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের কত শতাংশ ভূমি প্লাবিত হতে পারে?
    1. ১০ শতাংশ 
    2. ১১ শতাংশ 
    3. ১৭ শতাংশ 
    4. ২২ শতাংশ 
    সঠিক উত্তর:
    ১৭ শতাংশ 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৭ শতাংশ 
    ব্যাখ্যা

    জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ:
    - জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের জিডিপির দুই শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং ২১০০ সাল নাগাদ এই হার বৃদ্ধি হবে নয় শতাংশ।
    - সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের ১৭ শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং একই সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে দেশের মোট উৎপাদনের ৩০ শতাংশ হ্রাস পাবে।
    - এর ফলে প্রায় ২ কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে। 
    - এর ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাবে যা ৩২% ভূমিকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
    - উপকূলীয় এলাকার ২৭% মানুষ বর্তমানে বন্যার ঝুঁকিতে আছে। 
    - তাছাড়া, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
    - এ ছাড়া অনিয়মিত বৃষ্টি, নদীভাঙন, খরা ও ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগ ইতিমধ্যে কৃষি, অর্থনীতি ও জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

    উল্লেখ্য,
    - বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে প্রতি বছর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় গড়ে ৩ দশমিক ৪২ মিলিমিটার।

    উৎস: i) Transparency International Bangladesh ওয়েবসাইট।
    ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
    ii) প্রথম আলো।

    ১৪৮.
    পৃথিবীর ভূত্বকীয় প্রধান টেকটোনিক প্লেট কয়টি? 
    1. ৫টি
    2. ৬টি
    3. ৭টি
    4. ৮টি
    সঠিক উত্তর:
    ৭টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৭টি
    ব্যাখ্যা

    টেকটোনিক প্লেট:
    - পৃথিবীর ভূত্বক কোনো স্থির বা শক্ত একক স্তর নয়; বরং এটি বিভিন্ন স্তরে বিন্যস্ত, যেগুলোকে বলা হয় টেকটনিক প্লেট।
    - টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
    - পৃথিবীর ভূত্বক প্রধানত ৭টি প্রধান টেকটোনিক প্লেট দ্বারা গঠিত। 
    - এগুলো পৃথিবীর পৃষ্ঠের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে রয়েছে। এছাড়াও অনেকগুলো ছোট প্লেট রয়েছে। এই প্লেটগুলোর ধীর গতির কারণে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির মতো ভূতাত্ত্বিক ঘটনা ঘটে। 

    ⇒ পৃথিবীর ভূত্বক ৭টি প্রধান টেকটোনিক প্লেট দ্বারা গঠিত। প্লেটগুলো হলো:
    - প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate),
    - উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate),
    - ইউরেশিয়ান প্লেট (Eurasian Plate),
    - আফ্রিকান প্লেট (African Plate),
    - অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate),
    - ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান প্লেট (Indo-Australian Plate) ও
    - দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate)।

    উল্লেখ্য,
    - সর্বপ্রথম ১৯১২ সালে জার্মান আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগনার ‘কন্টিনেন্টাল ড্রিফট’ নামে একটি তত্ত্ব প্রদান করেন। তাঁর এই তত্ত্বে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে ‘বহুকাল আগে সবগুলো মহাদেশ পরস্পর সংযুক্ত ছিল। একত্রে এদের প্যানজিয়া বা সুপারকন্টিনেন্ট বলা হতো।
    - পরে কালের আবর্তে ভূত্বকীয় পাতের নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে যায়।
    - পরবর্তী বিজ্ঞানীরা তাঁর এই তত্ত্বটির ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন গবেষণা ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আধুনিকতম তত্ত্ব বের করেন, যা সবার কাছে প্লেট টেকটোনিক হিসেবে পরিচিত।
    - এই তত্ত্বের মূল ধারণা হলো, ভূপৃষ্ঠের নিচে পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতগুলো অংশে বা খণ্ডে বিভক্ত। এগুলোকে প্লেট বলে।
    - এই প্লেটগুলো গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের ওপরে ভাসমান অবস্থায় আছে। এই প্লেটগুলো প্রতিবছর কয়েক সেন্টিমিটার কোনো এক দিকে সরে যায়। বিজ্ঞানীরা এ তত্ত্ব ব্যবহার করে পর্বত সৃষ্টি এবং মহাসাগর ও মহাদেশ সৃষ্টির ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন।

    উৎস: Worldatlas.

    ১৪৯.
    ‘দেখার হাওর’ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
    1. সুনামগঞ্জ
    2. নেত্রকোনা
    3. কিশোরগঞ্জ
    4. পাবনা
    সঠিক উত্তর:
    সুনামগঞ্জ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুনামগঞ্জ
    ব্যাখ্যা

    দেখার হাওর:
    - 'দেখার হাওর' বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
    - জেলার চারটি উপজেলায় হাওটির অবস্থান। 
    - সুনামগঞ্জ সদর, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, দোয়ারাবাজার ও ছাতক চার উপজেলা নিয়ে সুনামগঞ্জের অন্যতম বৃহত্তম হাওর ‘দেখার হাওর’।
    - এতে রয়েছে ১২ হাজার হেক্টর ফসলি জমি। 
    - দেখার হাওরকে বলা হয় বোরো ভান্ডার।
    - ভরা বর্ষায় হাওরের সৌন্দর্য মানুষের নজর কাড়ে। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকেরা বোরো রোপণ করেন।

    উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
    ii) প্রথম আলো।

    ১৫০.
    নেতৃত্ব কোন প্রকারের গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়?
    1. আদর্শিক
    2. রাজনৈতিক
    3. সামাজিক
    4. কোনটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    সামাজিক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সামাজিক
    ব্যাখ্যা

    নেতৃত্ব:
    - নেতৃত্ব বলতে সাধারণত নেতার গুণাবলিকে বুঝায়।
    - নেতৃত্ব একটি সামাজিক গুণ।
    - সমাজ ও রাষ্ট্রকে অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে পরিচালিত করাই নেতৃত্বের মূল লক্ষ্য।
    - সুসংহত ও পরিকল্পিত কর্মসূচি প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নেতৃত্ব বিকশিত হয়।

    ⇒ উল্লেখ্য:
    - গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যোগ্য নেতৃত্বের গুরুত্ব অপরিসীম।
    - জনগণকে সঠিকভাবে পরিচালিত করে, জাতিকে উন্নতির দিকে অগ্রসর করার জন্য রাজনৈতিক নেতাদের সুযোগ্য নেতৃত্ব আবশ্যক।
    - জনপ্রিয় নেতা ও যোগ্য নেতৃত্বই গণতন্ত্রের বাহন।

    ⇒ নেতৃত্বের প্রয়োজনীয় গুণাবলি:
    - ব্যক্তিত্ব, দূরদৃষ্টি, বুদ্ধিমত্তা, উদারতা, অভিজ্ঞতা, নিরপেক্ষতা, ন্যায়নীতিপরায়ণতা, দায়িত্ববোধ, চারিত্রিক কঠোরতা ও কোমলতা, স্বার্থহীনতা, শিক্ষা, বাগ্মিতা ও উত্তম শ্রোতা, কথা ও কাজের মিল, আত্মসংযম, সত্য ও সুন্দরের পূজারী, মানসিক ও দৈহিক সুস্থতা।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

    ১৫১.
    রাষ্ট্রের উপাদানসমূহের মধ্যে সরকার কততম স্থানে রয়েছে?
    1. ১ম
    2. ২য়
    3. ৩য়
    4. ৪র্থ
    সঠিক উত্তর:
    ৩য়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩য়
    ব্যাখ্যা

    রাষ্ট্রের উপাদান:
    - রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান রয়েছে।

    ⇒ উপাদান সমূহ:
    ১) জনসমষ্টি।
    ২) নির্দিষ্ট নির্দিষ্ট ভূখন্ড।
    ৩) সরকার।
    ৪) সার্বভৌমত্ব।

    - সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও
    সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

    তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৫২.
    ইমানুয়েল কান্ট-এর মতে নিম্নের কোনটি নীতিবিদ্যার মূলকথা?
    1. সৎ ইচ্ছা
    2. শর্তহীন আদেশ
    3. কর্তব্যের জন্য কর্তব্য
    4. উপরের সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    ইমানুয়েল কান্ট:
    - ইমানুয়েল কান্ট জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
    - 'কর্তব্যের জন্য কর্তব্য'-ধারণাটির প্রবর্তক - ইমানুয়েল কান্ট।
    - তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা: সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।

    ⇒ নীতিশাস্ত্রের উপর তাঁর রচিত বই:
    - Groundwork for Metaphysics of Morals.
    - Critique of Pure Reason.
    - Critique of Practical Reason.
    - Critique of Judgement.

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

    ১৫৩.
    নীতিবিদ্যাকে 'নৈতিকতার প্রকৃতি এবং ভিত্তি সম্পর্কে দার্শনিক অনুসন্ধান' বলেছেন কে?
    1. উইলিয়াম. কে. ফ্রাংকেনার
    2. উইলিয়াম লিলি
    3. পি. ডব্লিও, টেইলার
    4. জে.এস. ম্যাকেনজি
    সঠিক উত্তর:
    পি. ডব্লিও, টেইলার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পি. ডব্লিও, টেইলার
    ব্যাখ্যা

    নীতিবিদ্যার কিছু প্রচলিত সংজ্ঞা:
    - উইলিয়াম. কে. ফ্রাংকেনার মতে নীতিবিদ্যা হচ্ছে, "নৈতিকতা, নৈতিক সমস্যা এবং নৈতিক অবধারণ সম্পর্কিত দার্শনিক চিন্তা”।
    - পি. ডব্লিও. টেইলার নীতিবিদ্যাকে বলেছেন, “নৈতিকতার প্রকৃতি এবং ভিত্তি সম্পর্কে দার্শনিক অনুসন্ধান।"
    - ডি.ডি. রাফায়েলের মতে, "আদর্শ বা মূল্য সম্পর্কে, যথোচিত-অযথোচিত এবং শুভ-অশুভের ধারণা সম্পর্কে অথবা কি করা উচিত এবং কি করা উচিত নয় সে সম্পর্কে দার্শনিক অনুসন্ধান হচ্ছে নীতিদর্শন"।
    - জে.এস. ম্যাকেনজি নীতিবিদ্যাকে এমন একটি বিদ্যা হিসেবে গণ্য করেছেন যা মানুষের আচরণের যথোচিত্য বা ভালত্ব নিয়ে আলোচনা করে।

    তথ্যসূত্র - নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৫৪.
    ব্যক্তির কোন আচরণের উপর সামাজিক মূল্যবোধ প্রভাব বিস্তার করে?
    1. ধর্মীয়
    2. ব্যক্তিগত
    3. রাজনৈতিক
    4. সাংস্কৃতিক
    সঠিক উত্তর:
    ব্যক্তিগত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যক্তিগত
    ব্যাখ্যা

    ⇒ ব্যক্তির ব্যক্তিগত আচরণের উপর সামাজিক মূল্যবোধ প্রভাব বিস্তার করে

    সামাজিক মূল্যবোধ:

    - সামাজিক মূল্যবোধ সমাজের অন্যতম ভিত্তি।
    - মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাস, আদর্শ ও নীতির সমষ্টি যা ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট কাজে পরিচালিত করে এবং অন্যের কাজের ভাল মন্দ বিচারের মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়।
    - মূল্যবোধ, ব্যক্তিদল, পরিবার, সমষ্টি, সমাজ, পেশা, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি সকল পর্যায়েই থাকে।
    - মূল্যবোধ ছন্দময় এবং পরিবর্তনশীল।
    - সামাজিক মূল্যবোধ হলো সমাজের সদস্যদের সিংহভাগের সর্ব সম্মত বিশ্বাস, আদর্শ, নীতি ইত্যাদির সমষ্টি যা তারা ভাল বলে গ্রহণ করে।
    - সমাজের মানুষের ভাল মন্দ আচরণ বিচারের মানদন্ড হলো সামাজিক মূল্যবোধ।
    - এটি মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
    - সামাজিক পরিবর্তনের সাথে সাথে মূল্যবোধেও পরিবর্তন ঘটে।
    - ব্যক্তি ও সমাজের অভিন্ন আকাংখার অভিব্যক্তিই হলো সামাজিক মূল্যবোধ।

    তথ্যসূত্র - সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নৈতিকতার বিষয়সমূহ, এমবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৫৫.
    সুশাসনের মূল চাবিকাঠি কোনটি?
    1. গণতান্ত্রিক সরকার
    2. মূল্যবোধ
    3. জবাবদিহিতা
    4. নৈতিক চেতনা
    সঠিক উত্তর:
    জবাবদিহিতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জবাবদিহিতা
    ব্যাখ্যা

    সুশাসন:
    - সুশাসনের মূল চাবিকাঠি হলো জবাবদিহিতা।
    - সুশাসন নিশ্চিতকরণের জন্য সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে পারে জবাবদিহিতা।
    - আমলাতান্ত্রিক জবাবদিহিতা, পেশাগত জবাবদিহিতা, আইনগত জবাবদিহিতা, রাজনৈতিক জবাবদিহিতা প্রভৃতি সুনিশ্চিত হলে দুর্বল ও ভঙ্গুর শাসন ব্যবস্থার লক্ষণগুলো পর্যায়ক্রমে দূরীভূত হবে।
    - সেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।
    - আমলাতন্ত্রের জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রের সার্বিক কল্যাণ সাধন সুনিশ্চিত।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

    ১৫৬.
    নৈতিকতার উৎস নিচের কোনটি?
    1. বুদ্ধি
    2. চিন্তা
    3. বিবেক
    4. উপরের সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    নৈতিকতা:
    - Morality শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ Moralitas থেকে।
    - নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত ধ্যান-ধারণার সমষ্টি যা মানুষকে সুকুমার বৃত্তি অনুশীলনে অনুপ্রাণিত করে।
    - নৈতিক অনুশাসনের প্রভাবে মানুষ আইন মানে, শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করে না এবং রাষ্ট্রের অনুশাসনকে শ্রদ্ধা করে।
    - বিবেক, চিন্তা, বুদ্ধি ও ন্যায়পরায়ণতা হচ্ছে নৈতিকতার উৎস।
    - নৈতিকতা বিকাশের লালন ক্ষেত্র সমাজ।
    - নৈতিকতার মানকে আদর্শ করে উপযুক্ত শিক্ষা।
    - নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান হলো সততা ও নিষ্ঠা।
    - নৈতিকতা বলতে আমরা বুঝি মানুষের সদাচরণ, সচ্চরিত্র, সততা ও নিষ্ঠার বহিঃপ্রকাশ।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৫৭.
    সর্বপ্রথম 'সুশাসন প্রত্যয়টি' ব্যবহার করে -
    1. জাতিসংঘ
    2. বিশ্বব্যাংক
    3. আইএমএফ
    4. ইউএনডিপি
    সঠিক উত্তর:
    বিশ্বব্যাংক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিশ্বব্যাংক
    ব্যাখ্যা

    সুশাসন:
    - সুশাসনের অর্থ নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন।
    - ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল।
    - এ চারটি স্তম্ভ হলো: দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা, আইনি কাঠামো ও অংশগ্রহণ।
    - 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্বব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
    - ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম 'সুশাসন প্রত্যয়টি' ব্যবহার করা হয়।
    - এতে উন্নয়নশীল দেশের অনুন্নয়ন চিহ্নিত করা হয় এবং বলা হয় যে, সুশাসনের অভাবেই এরূপ অনুন্নয়ন ঘটেছে।
    - সুশাসন নিশ্চিতকরণের জন্য যেসব শর্ত রয়েছে তা' পূরণের শর্তে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের ঋণ সাহায্য ও প্রকল্প সাহায্য কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

    ১৫৮.
    নীতিবিদ্যা মানুষের কোন ক্রিয়া আলোচনা করে?
    1. প্রারম্ভিক ক্রিয়া
    2. আবশ্যিক ক্রিয়া
    3. ঐচ্ছিক ক্রিয়া
    4. অনৈচ্ছিক ক্রিয়া
    সঠিক উত্তর:
    ঐচ্ছিক ক্রিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঐচ্ছিক ক্রিয়া
    ব্যাখ্যা

    নীতিবিদ্যা:
    - মানুষের আচরণের নৈতিক মূল্য ও আদর্শ নির্ধারণ করা নীতিবিদ্যার কাজ।
    - নীতিবিদ্যায় মানুষের আচরণ বলতে মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়াকে বুঝানো হয়।
    - নীতিবিদ্যা শুধু মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া বিচার করে।
    - ঐচ্ছিক ক্রিয়ার স্বরূপ, ঐচ্ছিক ক্রিয়ার সাথে অনৈচ্ছিক ক্রিয়ার পার্থক্য, ঐচ্ছিক ক্রিয়ার ধাপ, ঐচ্ছিক ক্রিয়ার উৎস, উদ্দেশ্য, অভিপ্রায় প্রভৃতি নীতিবিদ্যার অন্তর্ভুক্ত।

    তথ্যসূত্র - নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৫৯.
    'Marriage and Morals' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
    1. জন স্টুয়ার্ট মিল
    2. ম্যাকিয়াভেলি
    3. বার্ট্রান্ড রাসেল
    4. ম্যাক্স ওয়েবার
    সঠিক উত্তর:
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    ব্যাখ্যা

    বার্ট্রান্ড রাসেল:
    - বার্ট্রান্ড রাসেল (১৮ মে, ১৮৭২ ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ব্রিটিশ দার্শনিক, গণিতবিদ, এবং সমাজ চিন্তাবিদ।
    - তাঁর সমাজসচেতন লেখনী এবং কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৫০ সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পান।

    ⇒ তার গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে:
    - The Problem of Philosophy,
    - The Conquest of Happiness,
    - Religion and Science,
    - The Principles of Mathematics,
    - The Analysis of Mind,
    - Marriage and Morals,
    - Philosophical Essays,
    - Political Ideals,
    - Principles of Social Reconstruction,
    - The Analysis of Matter and
    - Logic and knowledge.

    তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

    ১৬০.
    ই-গভর্নেন্স এর মূল লক্ষ্য নিচের কোনটি?
    1. সমাজে কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করা
    2. দুর্নীতি রোধ করা
    3. সুশাসন প্রতিষ্ঠা
    4. গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
    সঠিক উত্তর:
    সুশাসন প্রতিষ্ঠা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুশাসন প্রতিষ্ঠা
    ব্যাখ্যা

    ই-গভর্নেন্স:
    - শাসন শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে- Governance.
    - সুশাসন শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ Good Governance.
    - ই-গভর্নেন্স এর পূর্ণরুপ ইলেক্ট্রনিক গভর্নেন্স।
    - ই-গভর্নেন্স এর মূল উপাদান কম্পিউটার।
    - ই-গভর্নেন্স এর মূল বাহন - ইন্টারনেট।
    - দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে ই-গভর্নেন্সের লক্ষ্য।
    - ই-গভর্নেন্স সর্বস্তরের মানুষের কাছে সরকারি সেবা পাবার একটি জানালা উন্মোচন করে দেয়।
    - ই-গভর্নেন্স সরকার ও জনগণের মধ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য এবং দক্ষ আন্ত:সম্পর্ক সৃষ্টি করে।
    - ই-গর্ভনেন্স অধিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করে এবং ব্যয় সাশ্রয়ী ও উচ্চমানের জনকল্যাণের প্রতিফলন ঘটায়।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৬১.
    অধ্যাপক হল্যান্ড এর মতে আইনের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
    1. সুস্পষ্ট
    2. গতিশীল
    3. সর্বজনীন
    4. উপরের সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    আইন:
    ⇒ অধ্যাপক হল্যান্ড এর মতে আইন হচ্ছে, 'সেই সাধারণ নিয়ম যা মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সার্বভৌম রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ যা প্রয়োগ করেন'।
    ⇒ জন অস্টিন বলেন, 'আইন হল সার্বভৌম শাসকের আদেশ'।
    আইনের বৈশিষ্ট্য বা প্রকৃতি।
    ⇒ আইন সম্পর্কে বিশেষজ্ঞগণের মতামত থেকে আইনের কিছু বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। যেমন:
    • ব্যক্তিস্বাধীনতার রক্ষক।
    • সুস্পষ্ট।
    • গতিশীল।
    • দেশকাল ভেদে পরিবর্তনশীল।
    • সার্বভৌম ক্ষমতা কর্তৃক অনুমোদিত।
    • সর্বজনীন।
    • বিধিবদ্ধ নিয়মাবলি।
    • বাহ্যিক আচরণের নিয়ন্ত্রক।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন,এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৬২.
    সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের করণীয় কোনটি?
    1. জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন
    2. ক্ষমতা নেতা ও দলের মধ্যে কেন্দ্রীভূত করা
    3. ব্যক্তিস্বাধীনতাকে গুরুত্ব না দেওয়া
    4. সাম্যে বিশ্বাস না করা
    সঠিক উত্তর:
    জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন
    ব্যাখ্যা

    সুশাসন:
    - একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিককে বেশ কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়।
    - সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে শুধু সরকারকেই সচেষ্ট হতে হবে তা নয়।
    - এজন্য নাগরিকেরও অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।
    - কেননা কর্তব্যবিমুখ জাতি কখনো উন্নতি লাভ করতে পারেনা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারে না।

    ⇒ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের সরকারের করণীয়:
    - সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সন্নিবেশ।
    - মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
    - শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান।
    - দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা।
    - জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন।
    - দক্ষ ও কার্যকর সরকার।
    - জনসম্মতি।
    - সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
    - স্পষ্টতা ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা।
    - একাধিক রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি।
    - অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

    ১৬৩.
    মোমের জ্বলনের সময় কোন গ্যাসের উৎপত্তি হয়?
    1. সালফার ডাই-অক্সাইড
    2. হাইড্রোজেন
    3. কার্বন ডাই-অক্সাইড
    4. অক্সিজেন
    সঠিক উত্তর:
    কার্বন ডাই-অক্সাইড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কার্বন ডাই-অক্সাইড
    ব্যাখ্যা

    মোমের তিন অবস্থা: 
    - মোম হলো বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ। 
    - হাইড্রোজেন এবং কার্বন মিলে গঠিত জৈব যৌগই হলো হাইড্রোকার্বন। 
    - মোমের প্রজ্বলনে মোমের কঠিন, তরল এবং গ্যাসীয় এই তিনটি অবস্থাই দেখা যায়। 
    - মোম বাতিতে মোমের মধ্যে একটি সুতা থাকে। এ সুতাতে আগুন জ্বালালে সুতার চারদিকে হাইড্রোকার্বন অণুগুলো তাপে গলে তরলে পরিণত হয়। অর্থাৎ, কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় পরিণত হয়। ঐ তরল মোম আগুনের তাপে প্রথমে বাষ্পে পরিণত হয়।
    - অতপর ঐ বাষ্পীয় মোম বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, আলো এবং তাপ উৎপন্ন করে।
    - তরল মোমের কিছু অংশ ঠান্ডা হলে আবার কঠিন মোমে পরিণত হয়। 
    অর্থাৎ, তাপের প্রভাবে মোমের কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় এই তিন অবস্থারই অস্তিত্ব পাওয়া যায়। 

    উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১৬৪.
    কোন কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় নিউক্লিয়াস দুইবার বিভক্ত হয় এবং চারটি অপত্য কোষ তৈরি হয়? 
    1. সাইটোকাইনেসিস
    2. মায়োসিস
    3. মাইটোসিস 
    4. অ্যামাইটোসিস
    সঠিক উত্তর:
    মায়োসিস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মায়োসিস
    ব্যাখ্যা

    কোষ বিভাজন: 
    - যে প্রক্রিয়ায় একটি থেকে একাধিক কোষের সৃষ্টি হয় তাকে কোষ বিভাজন বলা হয়। 
    - জীবজগতে তিন প্রকারের কোষ বিভাজন দেখা যায়। 
    যথা- অ্যামাইটোসিস, মাইটোসিস এবং মায়োসিস কোষ বিভাজন। 
    ১। অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন: 
    - যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস এবং সাইটোপ্লাজম উভয়েই সরাসরি বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি করে তাকে অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন বলা হয়। 

    ২। মাইটোসিস কোষ বিভাজন: 
    - যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি প্রকৃতকোষের নিউক্লিয়াস এবং ক্রোমোসোম উভয়েই একবার করে বিভক্ত হয় তাকে মাইটোসিস কোষ বিভাজন বলা হয়। 

    ৩। মায়োসিস কোষ বিভাজন: 
    - যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় ক্রোমোসোম মাত্র এক বার এবং নিউক্লিয়াস পরপর দু'বার বিভক্ত হয়, ফলে সৃষ্ট চারটি অপত্য কোষে ক্রোমোসোম
    সংখ্যা (n) মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার (2n) অর্ধেক হয়, তাকে মায়োসিস কোষ বিভাজন বলা হয়। 

    উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৬৫.
    নিম্নলিখিত কোন মৌলের যোজ্যতা শূন্য? 
    1. হিলিয়াম 
    2. নাইট্রোজেন
    3. হাইড্রোজেন
    4. অক্সিজেন
    সঠিক উত্তর:
    হিলিয়াম 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হিলিয়াম 
    ব্যাখ্যা

    রাসায়নিক বন্ধন ও রাসায়নিক বন্ধন গঠনের কারণ: 
    - কোনো একটি পরমাণুর বন্ধন গঠনের ক্ষমতাকে তার যোজ্যতা বলে। 
    - নিষ্ক্রিয় মৌল হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar) এসব মৌলের বন্ধন গঠনের ক্ষমতা নেই, ফলে এদের যোজ্যতা শূন্য। 
    - আবার H এর যোজ্যতা এক, O এর যোজ্যতা দুই, N এর যোজ্যতা তিন ও C এর যোজ্যতা সাধারণত চার হয়। 
    - কোনো পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরে বর্তমান ইলেকট্রনগুলোকে যোজ্যতা ইলেকট্রন বলে, এই ইলেকট্রনগুলোই বিভিন্ন প্রকারের রাসায়নিক বন্ধনে অংশগ্রহণ করে। 
    - পরমাণুর সর্ববহি:স্থ শক্তিস্তরকে যোজ্যতাস্তর বলে। 
    - রাসায়নিক বন্ধনের আধুনিক মতবাদ অনুসারে রাসায়নিক বন্ধন গঠনকালে পরমাণুগুলো সর্বাধিক স্থায়ী ইলেকট্রন গঠন কাঠামো অর্জনের চেষ্টা করে। - নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর ইলেকট্রন গঠনের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় He ভিন্ন প্রত্যেকেরই যোজ্যতা স্তরে আটটি করে ইলেকট্রন বর্তমান। 
    - He পরমাণুর যোজ্যতা স্তর প্রথম শক্তি স্তর, এখানে মাত্র দুটি ইলেকট্রন বর্তমান থেকেই যোজ্যতাস্তরকে ইলেকট্রন দ্বারা পরিপূর্ণ করে। 

    উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৬৬.
    অভ্যন্তরীণ রেডিওথেরাপির ক্ষেত্রে রোগী কীভাবে তেজস্ক্রিয় পদার্থ গ্রহণ করে?
    1. বাহ্যিক বীমের মাধ্যমে
    2. পানীয় বা ইনজেকশনের মাধ্যমে
    3. শ্বাসের মাধ্যমে
    4. চুলের মধ্যে প্রয়োগ করে
    সঠিক উত্তর:
    পানীয় বা ইনজেকশনের মাধ্যমে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পানীয় বা ইনজেকশনের মাধ্যমে
    ব্যাখ্যা

    রেডিওথেরাপি: 
    - রেডিওথেরাপি শব্দটি ইংরেজী 'Radiation Therapy' শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ। 
    - এটি ব্যবহার করে বিভিন্ন রোগ যেমন- ক্যান্সার, থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক প্রকৃতি, রক্তের কিছু ব্যাধির চিকিৎসা করা হয়। 
    - সাধারণত রেডিওথেরাপি উচ্চ শক্তি সম্পন্ন এক্সরে ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে। 
    - এটি টিউমার কোষের অভ্যন্তরস্থ ডিএনএ (DNA)-কে ধ্বংসের মাধ্যমে কোষের সংখ্যাবৃদ্ধি করার ক্ষমতা বিনষ্ট করে ফেলে।
    - রেডিওথেরাপি দুই ধরনের। 
    যথা- 
    (১) বাহ্যিক রেডিওথেরাপি: 
    - বাহ্যিক রেডিওথেরাপির ক্ষেত্রে শরীরের বাহির থেকে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন এক্সরে, কোবাল্ট বিকিরণ, ইলেকট্রন বা প্রোটন বীম ব্যবহার করা হয়। 
    - শরীরের যে স্থানে টিউমারটি অবস্থিত, সেই দিকে তাক করে বীমটি প্রয়োগ করা হয়। এর ফলে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি এবং বিভাজন ক্ষমতা ধ্বংস হয়ে যায়। এ প্রক্রিয়ায় অল্প সংখ্যক সুস্থ কোষও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। 
    - তবুও এর মূল উদ্দেশ্য হলো যত কম সংখ্যক সুস্থ কোষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে যত বেশি সংখ্যক ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করা। ক্ষতিগ্রস্থ অধিকাংশ সুস্থ কোষ নিজে থেকে এই ক্ষতি মেরামত করে ফেলে। 

    (২) অভ্যন্তরীণ রেডিওথেরাপি: 
    - অভ্যন্তরীণ রেডিওথেরাপির ক্ষেত্রে রোগীকে শরীরের ভেতর থেকে রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়। 
    - এই প্রক্রিয়ায় রোগী তেজস্ক্রিয় তরল পদার্থ পানীয় হিসেবে গ্রহণ করে অথবা ইনজেকশনের মাধ্যমে রোগীর দেহে তেজস্ক্রিয় তরল পদার্থ প্রবেশ করিয়ে দেওয়া হয়। 
    - রক্তের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে তরল পদার্থে তেজস্ক্রিয় ফসফরাস, হাড়ের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় স্ট্রনশিয়াম এবং থাইরয়েড ক্যান্সারের ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আয়োডিন ব্যবহার করা হয়। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৬৭.
    অণুচক্রিকা মূলত কোথায় উৎপন্ন হয়?
    1. হৃৎপিণ্ড
    2. ত্বক 
    3. লিভার 
    4. অস্থিমজ্জা
    সঠিক উত্তর:
    অস্থিমজ্জা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অস্থিমজ্জা
    ব্যাখ্যা

    অণুচক্রিকা: 
    - ইংরেজিতে এদেরকে প্লাটিলেট (Platelet) বলে।
    - অণুচিক্রকা আকারে ছোট, বর্তুলাকার ও বর্ণহীন, এরা গুচ্ছাকারে থাকে। 
    - অণুচক্রিকা মূলত অস্থিমজ্জার মধ্যে উৎপন্ন হয়। 
    - অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন। 
    - পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ। 
    - অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 
    - কোন রক্তবাহী নালির ক্ষতি হলে এরা অনতিবিলম্বে থ্রোম্বোপ্লাষ্টিন নামক এক প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য নিঃসরণ করে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 

    উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৬৮.
    জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কর্তৃক শনাক্তকৃত সর্বাধিক পুরোনো সুপারনোভা কোনটি? 
    1. জিআরপি ৯৯৯
    2. জিআরপি ১৮০ 
    3. জিআরপি ২৫০৩১৪এ
    4. জিআরপি ১০০১
    সঠিক উত্তর:
    জিআরপি ২৫০৩১৪এ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জিআরপি ২৫০৩১৪এ
    ব্যাখ্যা

    সুপারনোভা: 
    - সুপারনোভা হলো শক্তিশালী ও আলোকিত নাক্ষত্রিক বিস্ফোরণ, যা সাধারণত বিশাল নক্ষত্রের জীবনের শেষে ঘটতে দেখা যায়। বিশাল এ বিস্ফোরণের মাধ্যমে মূলত নক্ষত্র ধ্বংস হওয়ার পর তারা বা কৃষ্ণবিবরে পরিণত হয়। 
    - মহাবিশ্বের শুরুর দিকে বিশাল এক নক্ষত্র বিস্ফোরিত হয়েছিল। সেই বিস্ফোরণের আলো শত শত কোটি বছর মহাকাশে পাড়ি দিয়ে অবশেষে নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে সুপারনোভা জিআরপি ২৫০৩১৪এ। 
    - নাসার তথ্যমতে, এই সুপারনোভার সময় মহাবিশ্বের বয়স ছিল ৭৩০ মিলিয়ন বা ৭৩ কোটি বছর, জিআরপি ২৫০৩১৪এ এখন পর্যন্ত সরাসরি শনাক্ত করা সবচেয়ে পুরোনো সুপারনোভা। 
    - এর মাধ্যমে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ তার নিজের আগের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এর আগে ওয়েব টেলিস্কোপ ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন বা ১৮০ কোটি বছর পুরোনো একটি সুপারনোভা শনাক্ত করেছিল। 

    - নেদারল্যান্ডসের র‍্যাডবাউড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী অ্যান্ড্রু লেভান বলেন, ‘একমাত্র ওয়েব টেলিস্কোপের পক্ষেই এটি সরাসরি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এই আলো আসলে একটি সুপারনোভা বা বিশালাকার নক্ষত্রের মৃত্যু থেকে এসেছে। এই পর্যবেক্ষণ এটিও প্রমাণ করে, মহাবিশ্বের বয়স যখন বর্তমানের তুলনায় মাত্র ৫ শতাংশ ছিল, সেই সময়েরও একক কোনো নক্ষত্রকে আমরা এখন খুঁজে পেতে পারি।’ 
    - ২০২৪ সালে ফ্রান্স ও চীনের উৎক্ষেপণ করা এসভিওএম টেলিস্কোপ মহাকাশে একটি শক্তিশালী গামা–রে বার্স্ট বা তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ঝলক দেখতে পায়। সাধারণত বিশালাকার নক্ষত্রের মৃত্যুর সময় এমন দীর্ঘস্থায়ী ঝলক দেখা যায়। 
    - নাসার সুইফট অবজারভেটরি দ্রুত এর অবস্থান শনাক্ত করে। এরপর ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের নর্ডিক অপটিক্যাল টেলিস্কোপে শনাক্ত করা হয় ইনফ্রারেড আভা। পরে চিলিতে অবস্থিত ভেরি লার্জ টেলিস্কোপ নিশ্চিত করে যে নক্ষত্র বিস্ফোরণের এ ঘটনা বিগ ব্যাংয়ের মাত্র ৭৩ কোটি বছর পর হয়েছে। 

    উৎস: আর্থ ডটকম এবং প্রথম আলো পত্রিকা (২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫) [লিঙ্ক]।

    ১৬৯.
    অ্যামিটার মূলত কোনটি পরিমাপ করে?
    1. তড়িৎ প্রবাহ
    2. ভোল্টেজ 
    3. বিভব পার্থক্য
    4. রোধ 
    সঠিক উত্তর:
    তড়িৎ প্রবাহ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    তড়িৎ প্রবাহ
    ব্যাখ্যা

    অ্যামিটার: 
    - অ্যামিটার একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র। 
    - অ্যামিটারের সাহায্যে বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহ সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে পরিমাপ করা যায়। 
    - অ্যামিটার বর্তনীর সাথে শ্রেণি সংযোগে যুক্ত থাকে। 
    - এই যন্ত্রে মূলত একটি গ্যালভানোমিটার থাকে। গ্যালভানোমিটার হচ্ছে সেই যন্ত্র যার সাহায্যে বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাণ নির্ণয় করা যায়। 
    - এই গ্যালভানোমিটারে বিক্ষেপ নির্ণয়ের জন্য একটি সূচক বা কাঁটা লাগানো থাকে। সূচকটি অ্যাম্পিয়ার, মিলিঅ্যাম্পিয়ার বা মাইক্রোঅ্যাম্পিয়ার এককে দাগকাটা একটি স্কেলের উপর ঘুরতে পারে। 
    - বিদ্যুৎ কোষের মতো অ্যামিটারেও দুটি সংযোগ প্রান্ত থাকে, একটি ধনাত্মক ও একটি ঋণাত্মক প্রান্ত। 
    - সাধারণত ধনাত্মক প্রান্ত লাল এবং ঋণাত্মক প্রান্ত কালো রঙের হয়। 

    ভোল্টমিটার: 
    - যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যেকোনো দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা যায়, তাকে ভোল্টমিটার বলে। 
    - বর্তনীর যে দুই বিন্দুর বিভব পার্থক্য পরিমাপ করতে হবে, ভোল্টমিটারকে সেই দুই বিন্দুর সাথে সমান্তরালে সংযুক্ত করতে হয়। 
    - ভোল্টমিটারে মূলতঃ এই যন্ত্রে একটি গ্যালভানোমিটার থাকে। 
    - এর বিক্ষেপ নির্ণয়ের জন্য একটি সূচক বা কাঁটা লাগানো থাকে। সূচকটি ভোল্ট এককে দাগাঙ্কিত একটি স্কেলের উপর ঘুরতে পারে। 
    - বর্তনীর যে দুই বিন্দুর বিভব পার্থক্য পরিমাপ করতে হয় ভোল্টমিটারটিকে সেই দুই কিন্দুর সাথে সমান্তরালে সংযুক্ত করতে হয়। 
    - তড়িৎ কোষ বা অ্যামিটারের মতো ভোল্টমিটারেও দুটি সংযোগ প্রান্ত থাকে, একটি ধনাত্মক ও একটি ঋণাত্মক প্রান্ত। 
    - সাধারণত ধনাত্মক প্রান্ত লাল এবং ঋণাত্মক প্রান্ত কালো রঙের হয়। 

    উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

    ১৭০.
    কাণ্ডের কোন অংশ থেকে পাতা উৎপন্ন হয়?
    1. মুকুল 
    2. পর্ব 
    3. পর্বমধ্য
    4. মূল
    সঠিক উত্তর:
    পর্ব 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পর্ব 
    ব্যাখ্যা

    কাণ্ডের বিভিন্ন অংশ: 
    - উদ্ভিদের যে অংশ থেকে শাখা-প্রশাখা পাতা উৎপন্ন হয়, তাই কাণ্ড। 
    - এতে পর্ব, পর্বমধ্য ও মুকুল থাকে।
    ১। পর্ব: 
    - কাণ্ডের যে স্থান থেকে পাতা বের হয় তাকে পর্ব বা সন্ধি বলে। 

    ২। পর্বমধ্য: 
    - পাশাপাশি দুটি পর্বের মধ্যবর্তী অংশটি পর্বমধ্য। 
    - পর্বমধ্য গাছকে খাড়া রাখতে ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। 
    - পর্বমধ্য থেকে কোনো ধরনের মূল, পাতা বা শাখা সৃষ্টি হয় না। 

    ৩। মুকুল: 
    - কাণ্ডের সাথে পাতা যে কোণ সৃষ্টি করে তাকে পত্রকক্ষ বলে। 
    - সাধারণত মুকুল এ পত্রকক্ষে জন্মে। 
    - তবে শাখার অগ্রভাগেও মুকুল সৃষ্টি হয়। 
    - কাক্ষিক মুকুল পত্রকক্ষে এবং শীর্ষ মুকুল কাণ্ড বা শাখার অগ্রভাগে জন্মে। 

    কাণ্ডের কাজ: 
    ১। কাণ্ড পাতা, ফুল ও ফল এবং শাখা-প্রশাখার ভারবহন করে। 
    ২। কাণ্ড শাখা-প্রশাখা ও পাতাকে আলোর দিকে তুলে ধরে যাতে সূর্যের আলো যথাযথভাবে পায়। 
    ৩। কাণ্ড শোষিত পানি ও খনিজ লবণ শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুলে এবং ফলে পরিবহন করে। 
    ৪। পাতায় প্রস্তুত খাদ্য কাণ্ডের মাধ্যমে দেহের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। 
    ৫। কচি অবস্থায় সবুজ কাণ্ড সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে কিছু পরিমাণ খাদ্য প্রস্তুত করে। 

    উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

    ১৭১.
    নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রে বলের মান কোন বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে? 
    1. মাধ্যমের ধরন ও তড়িৎ প্রবাহ
    2. কণাদ্বয়ের আয়তন ও তাপমাত্রা
    3. কণাদ্বয়ের আকার ও তাদের রঙ
    4. কণাদ্বয়ের ভর ও মধ্যবর্তী দূরত্ব
    সঠিক উত্তর:
    কণাদ্বয়ের ভর ও মধ্যবর্তী দূরত্ব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কণাদ্বয়ের ভর ও মধ্যবর্তী দূরত্ব
    ব্যাখ্যা

    মহাকর্ষ: 
    - লাফ দিয়ে উপরের দিকে উঠতে চাইলে বেশি দূর উঠা যায় না, আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে; এমনকি গাছের ফল মাটিতে পড়ে বা ক্রিকেট বলকে উপরের দিকে ছুড়ে দিলে মাটিতে পড়ে কারণ পৃথিবী সবকিছুকে তার নিজের দিকে টানে বা আকর্ষণ করে। 
    অর্থাৎ, পৃথিবী সকল বস্তুকে তার নিজের দিকে টানে। 
    - শুধু পৃথিবী নয়, এ মহাবিশ্বের সকল বস্তুকণাই একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। 
    - এ বিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল তাই মহাকর্ষ বল। 

    নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: 
    - দুটি বস্তুকণার মধ্যকার এ আকর্ষণ বলের মান শুধু কণাদ্বয়ের ভর এবং এদের মধ্যকার দূরত্বের উপর নির্ভর করে। 
    - এদের প্রকৃতি কিংবা মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে না। 
    - বস্তু কণাদ্বয়ের ভর বেশি হলে আকর্ষণ বলও বেশি হয় আর তাদের মধ্যে দূরত্ব বেশি হলে বল কম হয়। 
    - এ আকর্ষণ সম্পর্কে নিউটনের একটি সূত্র আছে যা নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র নামে পরিচিত। 
    সূত্র: 
    - মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক এবং এদের দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এ বল বস্তুকণাদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে। 

    উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

    ১৭২.
    নিম্নলিখিত রোগগুলির মধ্যে কোনটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্টি হয়?
    1. হাম
    2. ইনফ্লুয়েঞ্জা 
    3. কলেরা
    4. সোয়াইন ফ্লু
    সঠিক উত্তর:
    কলেরা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কলেরা
    ব্যাখ্যা

    ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: 
    - ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ বলে। 
    - কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগের নাম দেওয়া হলো- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ঠ ইত্যাদি। 

    • ভাইরাসজনিত রোগ: 
    - ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাসজনিত রোগ বলে। 
    - কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাসজনিত রোগের নাম দেওয়া হলো- জন্ডিস, পোলিও, জলাতঙ্ক, কোভিড-১৯, হার্পিস, দাদ, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু ইত্যাদি। 

    উল্লেখ্য যে, 
    - 'নিউমোনিয়া' রোগটি ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও বিভিন্ন অণুজীব দ্বারা সংক্রমিত হয়। 

    উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৩.
    ডায়োডের প্রধান ব্যবহার কোনটি?
    1. ভোল্টেজ বৃদ্ধি করতে 
    2. একমুখীকরণে 
    3. রেজিস্টর হিসেবে 
    4. ট্রানজিস্টরের বিকল্প হিসেবে 
    সঠিক উত্তর:
    একমুখীকরণে 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    একমুখীকরণে 
    ব্যাখ্যা

    p-n জাংশন বা ডায়োড: 
    - p-n জাংশন দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলে সম্মুখী ঝোঁকে। 
    - একটি p- টাইপ এবং একটি n- টাইপ অর্ধপরিবাহীকে বিশেষ ব্যবস্থায় সংযুক্ত করলে সংযোগ পৃষ্ঠকে p-n জাংশন বলে। 
    - একটি বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী কেলাসের এক অংশ p- বা n- টাইপ সৃষ্টিকারী অপদ্রব্য এবং অপর অংশে যথাক্রমে n- বা p- টাইপ সৃষ্টিকারী অপদ্রব্য অত্যন্ত সুনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে উচ্চ তাপমাত্রায় মিশিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়। 
    - p-n জাংশন মধ্য দিয়ে শুধুমাত্র একধরনের আধান বাহক অনায়েসে প্রবাহিত হতে পারে কিন্তু বিপরীতধর্মী বাহক প্রবাহিত হতে পারেনা। 
    - p-n জাংশনকে জাংশন ডায়োড বলে। 
    - বিদ্যুৎ প্রবাহ একমুখীকরণে এবং অনেক ইলেকট্রনিক ডিভাইসে p-n জাংশন বা ডায়োডের বহুল ব্যবহার রয়েছে। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৪.
    জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির প্রধান কারণ কোনটি?
    1. অন্যান্য নক্ষত্রের আকর্ষণ 
    2. পৃথিবীর ঘূর্ণন
    3. চন্দ্রের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ
    4. সূর্যের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ
    সঠিক উত্তর:
    চন্দ্রের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চন্দ্রের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ
    ব্যাখ্যা

    জোয়ার-ভাটা: 
    - মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
    - সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
    - চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এ কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি, ফলে জোয়ার ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বা চাঁদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। 
    - জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
    যথা: 
    ১. মুখ্য জোয়ার: 
    - চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

    ২. গৌণ জোয়ার: 
    - চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

    ৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
    - অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।

    ৪. মরা কটাল: 
    - চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৫.
    কে প্রথম বোসন কণার ধারণা ব্যবহার করে কোয়ান্টাম সংখ্যায়নতত্ত্ব প্রদান করেন?
    1. ম্যাক্স প্ল্যাংক
    2. জগদীশচন্দ্র বসু
    3. প্রফুল্ল চন্দ্র বসু 
    4. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
    সঠিক উত্তর:
    সত্যেন্দ্রনাথ বসু
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সত্যেন্দ্রনাথ বসু
    ব্যাখ্যা

    আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা: 
    - ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা হয়। 
    - 1803 সালে ডাল্টন পারমাণবিক তত্ত্ব দিয়েছেন, 1897 সালে থমসন সেই পরমাণুর ভেতর ইলেকট্রন আবিষ্কার করেছেন, 1911 সালে রাদারফোর্ড দেখিয়েছেন, পরমাণুর কেন্দ্রে খুবই ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াসে পজিটিভ চার্জগুলো থাকে। কিন্তু দেখা গেল নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ঘুরন্ত ইলেকট্রনের মডেলটি কোনোভাবে ব্যাখ্যা করা যায় না, কারণ বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় সূত্র অনুযায়ী এই অবস্থায় ইলেকট্রন তার শক্তি বিকিরণ করে নিউক্লিয়াসের ভেতর পড়ে যাবে; কিন্তু বাস্তবে তা কখনো ঘটে না। 
    - 1900 সালে ম্যাক্স প্ল্যাংক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন, যা ব্যবহার করে কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়। পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞানী বোর পরমাণুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করার জন্য কোয়ান্টাম তত্ত্ব ব্যবহার করেন। 
    - বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু 1924 সালে কোয়ান্টাম তত্ত্বের ধারণা ব্যবহার করে বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়নতত্ত্ব প্রদান করেন। এজন্য বিজ্ঞানী বসুকে কোয়ান্টাম সংখ্যায়নতত্ত্বের জনক হিসেবে অভিহিত করা হয়, এবং তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একশ্রেণির মৌলিক কণাকে বোসন (Boson) নাম দেওয়া হয়। 
    - 1900 থেকে 1930 সাল পর্যন্ত এই সময়টিতে হাইজেনবার্গ, শ্রোডিঙ্গার, ডিরাকসহ অনেক বড় বড় বিজ্ঞানী মিলে পদার্থের কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেন। 

    - বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের বাহক হিসেবে ইথার নামে একটি বিষয় কল্পনা করে নেওয়া হয়েছিল এবং 1887 সালে মাইকেলসন ও মোরলি তার অস্তিত্ব আবিষ্কার করার চেষ্টা করে দেখান যে প্রকৃতপক্ষে ইথার বলে কিছু নেই এবং আলোর বেগ স্থির কিংবা গতিশীল সব মাধ্যমে সমান। 
    - 1905 সালে আইনস্টাইনের থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকে এই বিষয়টির ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকেই সর্বকালের সবচেয়ে চমকপ্রদ সূত্র E = mc2 বের হয়ে আসে, যেখানে দেখানো হয় বস্তুর ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। 
    - কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাথে থিওরি অব রিলেটিভিটি ব্যবহার করে ডিরাক 1931 সালে প্রতি কণা (Anti Particle) অস্তিত্ব ঘোষণা করেন, যেটি পরের বছরেই আবিষ্কৃত হয়ে যায়।
    - 1895 সালে রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন। 
    - 1896 সালে বেকেরেল দেখান যে পরমাণুর কেন্দ্র থেকে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ হচ্ছে। 
    - 1899 সালে পিয়ারে ও মেরি কুরি রেডিয়াম আবিষ্কার করেন এবং বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন পরমাণুগুলো আসলে অবিনশ্বর নয়, সেগুলো ভেঙে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ হতে পারে। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১৭৬.
    ক্যাশ মেমরি সাধারণত কোথায় অবস্থিত?
    1. হার্ড ডিস্কের ভিতরে
    2. CPU-এর ভিতরে বা এর খুব কাছাকাছি
    3. বাহ্যিক স্টোরেজ ড্রাইভে
    4. CPU থেকে দূরে মাদারবোর্ডে
    সঠিক উত্তর:
    CPU-এর ভিতরে বা এর খুব কাছাকাছি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    CPU-এর ভিতরে বা এর খুব কাছাকাছি
    ব্যাখ্যা

    • ক্যাশ মেমরি সাধারণত CPU-এর ভিতরে বা CPU-এর খুব কাছাকাছি অবস্থিত, তাই সঠিক উত্তর হলো খ)। ক্যাশ মেমরির মূল কাজ হলো প্রসেসরের কাজের গতি বৃদ্ধি করা। CPU যখন বারবার কোনো ডেটা বা নির্দেশনা ব্যবহার করে, তখন সেটি ক্যাশ মেমরিতে সংরক্ষণ করা হয় যাতে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়। যেহেতু ক্যাশ মেমরি অত্যন্ত দ্রুতগতির, তাই এটি CPU-এর কাছেই রাখা হয়, অনেক সময় CPU চিপের ভেতরেই (L1, L2, L3 ক্যাশ)। হার্ড ডিস্ক বা বাহ্যিক স্টোরেজ অনেক ধীর হওয়ায় সেখানে ক্যাশ মেমরি থাকে না।
     
    ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
    - এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
    - মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
    - ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
    - কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
    - এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
    - যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
    - ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

    উৎস:
    ১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২. ব্রিটানিকা।

    ১৭৭.
    ডকুমেন্টের জন্য কোন OCR ফরম্যাটটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
    1. GIF
    2. MP3
    3. JPEG
    4. PDF
    সঠিক উত্তর:
    PDF
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    PDF
    ব্যাখ্যা

    • ডকুমেন্টের জন্য OCR (Optical Character Recognition) ফরম্যাট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় PDF। কারণ PDF ফরম্যাটে লেখা, ছবি ও লেআউট একসাথে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা যায়। OCR করা হলে স্ক্যান করা ডকুমেন্টের ছবি থেকে লেখা শনাক্ত করে সেটিকে সার্চযোগ্য ও এডিটযোগ্য করা সম্ভব হয়, যা PDF ফাইলে খুব কার্যকরভাবে কাজ করে। অফিসিয়াল নথি, বই, রিপোর্ট ও একাডেমিক ডকুমেন্ট সংরক্ষণে PDF সবচেয়ে জনপ্রিয়। অন্যদিকে GIF ও JPEG মূলত ছবি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং MP3 অডিও ফরম্যাট, যা OCR-এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
    - তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) PDF.


    • অপশন আলোচনা: 
    ​ক) GIF – সাধারণত ছবি বা অ্যানিমেশন ফাইলের জন্য ব্যবহৃত।
    খ) MP3 – অডিও ফাইল ফরম্যাট।
    গ) JPEG – ছবির ফরম্যাট।
    ঘ) PDF – সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত OCR ফরম্যাট, কারণ এটি স্ক্যান করা ডকুমেন্ট এবং টেক্সট উভয়কে সাপোর্ট করে।

    ​OCR:
    - OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
    - এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
    - সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
    - এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধু ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
    - OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
    - এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
    - অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

    ​OCR এর ব্যবহার:
    - ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
    - চিঠির পিনকোড,
    - ক্যাশ রেজিস্টার,
    - ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৮.
    ফায়ারওয়াল প্রধানত ব্যবহৃত হয়:
    1. নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করতে
    2. ফাইলগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিলেট করতে
    3. ইন্টারনেটের গতিবেগ বৃদ্ধি করতে
    4. ডেটা প্রসেস করতে
    সঠিক উত্তর:
    নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করতে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করতে
    ব্যাখ্যা

    • ফায়ারওয়াল প্রধানত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি নেটওয়ার্কে আসা এবং যাওয়া ডেটা ট্রাফিককে পর্যবেক্ষণ করে এবং নির্ধারিত নিরাপত্তা নীতিমালা অনুযায়ী অনুমোদিত এবং অননুমোদিত সংযোগ পৃথক করে। ফায়ারওয়াল হ্যাকিং, ম্যালওয়্যার আক্রমণ, এবং অন্যান্য সাইবার হুমকি থেকে নেটওয়ার্ককে সুরক্ষা দেয়। এটি ইন্টারনেট এবং অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্কের মধ্যে একটি প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে, যাতে কেবল অনুমোদিত ব্যবহারকারীরাই সংযোগ করতে পারে। ফলে, ফায়ারওয়াল নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ।

    - সঠিক উত্তর: ক) নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করতে।
     
    • ফায়ারওয়াল (Firewall):
    - অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
    - ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
    - কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
    - সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
    - ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
    - ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৯.
    Python-এর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য?
    1. ম্যানুয়াল মেমরি ম্যানেজমেন্ট
    2. প্ল্যাটফর্ম নির্ভরশীলতা
    3. জটিল সিনট্যাক্স
    4. পাঠযোগ্যতা এবং সরলতা
    সঠিক উত্তর:
    পাঠযোগ্যতা এবং সরলতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পাঠযোগ্যতা এবং সরলতা
    ব্যাখ্যা

    • Python-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো পাঠযোগ্যতা এবং সরলতা। Python-এর কোড লেখা সহজ, পরিষ্কার এবং মানুষের জন্য বোঝা সহজ। এর সিনট্যাক্স অন্য অনেক প্রোগ্রামিং ভাষার তুলনায় সরল এবং স্বাভাবিক ভাষার মতো হওয়ায় নতুন প্রোগ্রামাররা দ্রুত শিখতে পারে। Python প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ, জটিল মেমরি ম্যানেজমেন্ট প্রয়োজন হয় না এবং কোডকে স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা যায়। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে Python বড় প্রকল্প থেকে শুরু করে ছোট স্ক্রিপ্ট পর্যন্ত ব্যবহারে সুবিধাজনক। কোডের পাঠযোগ্যতা উন্নত হলে সমস্যা শনাক্ত করা, ডিবাগ করা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ হয়। তাই Python-এর সরলতা এবং পাঠযোগ্যতা এর মূল শক্তি।

    - সঠিক উত্তর: ঘ) পাঠযোগ্যতা এবং সরলতা।
     
    ​পাইথন (Python):
    - পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
    - ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
    - ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
    - পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
    - অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
    - সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
    - যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
    - ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
    - এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।

    ১৮০.
    যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন করে, তবে সেটিকে বলা হয়:
    1. ১ জি‌ফ্লপস
    2. ১ টেরাফ্লপস
    3. ১ মেগাফ্লপস
    4. ১ পেটাফ্লপস
    সঠিক উত্তর:
    ১ জি‌ফ্লপস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১ জি‌ফ্লপস
    ব্যাখ্যা

    • যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন করতে পারে, তবে সেটিকে ১ জি‌ফ্লপস (GFLOPS) বলা হয়। “ফ্লপস” মানে Floating Point Operations Per Second, অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো দশমিক ভিত্তিক গণনা করা হচ্ছে। এখানে “জি” মানে Giga, যা ১ বিলিয়নের সমান। তাই ১ জি‌ফ্লপস মানে প্রতি সেকেন্ডে ১,০০০,০০,০০০০ (১০) ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন। তুলনামূলকভাবে, মেগাফ্লপস (MFLOPS) প্রতি সেকেন্ডে ১ মিলিয়ন অপারেশন নির্দেশ করে, টেরাফ্লপস (TFLOPS) ট্রিলিয়ন অপারেশন, আর পেটাফ্লপস (PFLOPS) কোয়াড্রিলিয়ন অপারেশন নির্দেশ করে। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো ক) ১ জি‌ফ্লপস।
     
    • FLOPS:
    - FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
    - এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
    - এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

    উদাহরণ:
    - আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
    - যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪২ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

    উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

    ১৮১.
    XOR গেটকে সাধারণত বলা হয়:
    1. Exclusive OR gate
    2. AND gate
    3. NOR gate
    4. NAND gate
    সঠিক উত্তর:
    Exclusive OR gate
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Exclusive OR gate
    ব্যাখ্যা

    • XOR গেটকে সাধারণত বলা হয় Exclusive OR gate. এটি একটি ডিজিটাল লজিক গেট যা দুটি ইনপুট নিয়ে কাজ করে এবং শুধু তখনই আউটপুট দেয়, যখন ইনপুট দুটি আলাদা থাকে। অর্থাৎ, যদি ইনপুট উভয়ই ০ বা উভয়ই ১ হয়, আউটপুট হবে ০, আর যদি একটি ইনপুট ১ এবং অন্যটি ০ হয়, আউটপুট হবে ১। এটি সাধারণ OR গেটের মতো নয়, কারণ সাধারণ OR গেট ইনপুট যেকোনো একটি ১ থাকলেই আউটপুট ১ দেয়। XOR গেট ডিজিটাল সার্কিট এবং কম্পিউটার লজিকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেমন বাইনারি অ্যাডিশন এবং লজিক্যাল কন্ডিশন চেক করার কাজে।
    - তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Exclusive OR gate.

     
    • এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate):
    -  XOR গেইট হল একটি লজিক গেইট, যা দুটি ইনপুট ভিন্ন হলে আউটপুট 1 দেয়, আর একই হলে আউটপুট 0 দেয়।
    - অর্থাৎ, একটি ইনপুট 1 এবং অন্যটি 0 হলে আউটপুট 1 হবে। যদি উভয় ইনপুট একই হয় (উভয় 0 বা উভয় 1), তাহলে আউটপুট 0 হবে।



    মৌলিক লজিক গেইট:
    - ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
    - কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
    ১. অর গেইট (OR Gate),
    ২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
    ৩. নট গেইট (NOT Gate).

    • সার্বজনীন গেইট:
    - যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
    - NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
    - কারণ, শুধু NAND গেইট বা শুধু NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

    • মৌলিক লজিক গেইট:
    - OR Gate,
    - AND Gate,
    - NOT Gate.

    • সার্বজনীন লজিক গেইট:
    - NAND Gate,
    - NOR Gate.

    • বিশেষ লজিক গেইট:
    - XOR Gate,
    - XNOR Gate.

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

    ১৮২.
    ব্লকচেইনে ‘ব্লক’ বলতে কী বোঝায়?
    1. ডেটাবেসের একটি প্রকার
    2. একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
    3. মুদ্রার একটি ইউনিট
    4. লেনদেনের তথ্যের একটি সমষ্টি
    সঠিক উত্তর:
    লেনদেনের তথ্যের একটি সমষ্টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লেনদেনের তথ্যের একটি সমষ্টি
    ব্যাখ্যা

    • ব্লকচেইনে ‘ব্লক’ বলতে মূলত লেনদেনের তথ্যের একটি সমষ্টিকে বোঝায়। প্রতিটি ব্লকে বিভিন্ন লেনদেনের রেকর্ড থাকে, যা ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহার করে সুরক্ষিত থাকে। ব্লকগুলো ক্রমান্বয়ে একটি চেইনের মতো যুক্ত থাকে, যা ব্লকচেইন তৈরি করে। প্রতিটি নতুন ব্লক পূর্ববর্তী ব্লকের সঙ্গে সংযুক্ত হয়, ফলে তথ্য পরিবর্তন বা মিথ্যা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়। এই পদ্ধতিতে, ব্লকচেইন স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য থাকে। তাই, এখানে ব্লক কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা, মুদ্রার ইউনিট বা সাধারণ ডেটাবেস নয়, বরং লেনদেনের তথ্যের একটি সুরক্ষিত এবং ক্রমাগত সংরক্ষিত সমষ্টি।

    - সঠিক উত্তর: ঘ) লেনদেনের তথ্যের একটি সমষ্টি।
     
    • ব্লকচেইন:
    - ব্লকচেইন হলো একটি ডেটাবেজ প্রযুক্তি যা একটি লেজার বা রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এই লেজারটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিতরণ করা থাকে। 
    - এই রেকর্ডগুলোকে ব্লক বলা হয়। 
    - ব্লকচেইন প্রযুক্তি সর্বপ্রথম তৈরি করেন সাতোশি নাকামোতো নামে পরিচিত এক গোপন পরিচয়ের প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল। 
    - ২০০৯ সালে তারা এই প্রযুক্তিটি বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সির কাঠামোর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন করেন।
    - লেনদেনগুলো ব্লক নামে পরিচিত গ্রুপে একত্রিত হয়। 
    - ব্লকগুলো একটি ক্রমানুসারী সিকোয়েন্সে সাজানো থাকে, যাকে ব্লকচেইন বলা হয়। 
    - ব্লকগুলো চেইনে যুক্ত করা হয় একটি গাণিতিক পদ্ধতির মাধ্যমে, যা একক ব্যবহারকারীর জন্য ব্লকচেইন পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

    • বিটকয়েন (Bitcoin)
    - বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
    - বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
    - এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

    উৎস: ব্রিটানিকা।

    ১৮৩.
    যদি একাধিক কর্মী একজন ম্যানেজারের কাছে রিপোর্ট করে, তখন কর্মী এবং ম্যানেজারের মধ্যে সম্পর্ক নির্দেশিত হয়:
    1. One-to-One
    2. One-to-Many
    3. Many-to-One
    4. Many-to-Many
    সঠিক উত্তর:
    Many-to-One
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Many-to-One
    ব্যাখ্যা

    • যদি একাধিক কর্মী একজন ম্যানেজারের কাছে রিপোর্ট করে, এটি একটি Many-to-One সম্পর্ককে নির্দেশ করে। অর্থাৎ অনেক কর্মী (Many) একজন ম্যানেজার (One)-এর অধীনে কাজ করে। এখানে প্রতিটি কর্মীর জন্য একটি নির্দিষ্ট ম্যানেজার থাকে, কিন্তু একজন ম্যানেজারের অধীনে একাধিক কর্মী থাকতে পারে। এটি তথ্যব্যবস্থাপনা বা ডাটাবেস ডিজাইনে সাধারণভাবে ব্যবহৃত সম্পর্কের উদাহরণ। One-to-One সম্পর্কের ক্ষেত্রে একজন কর্মী এবং একজন ম্যানেজারের মধ্যে কেবল একক সম্পর্ক থাকে। One-to-Many হলে একজন কর্মী একাধিক ম্যানেজারের অধীনে থাকতে পারে, আর Many-to-Many হলে একাধিক কর্মী একাধিক ম্যানেজারের অধীনে কাজ করতে পারে। তাই এখানে সঠিক উত্তর গ) Many-to-One.
     
    ডাটাবেজ রিলেশন:
    বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

    রিলেশনের প্রকারভেদ:
    - One to One রিলেশন,
    - One to Many রিলেশন,
    - Many to One রিলেশন,
    - Many to Many রিলেশন।

    One to One রিলেশন:
    - যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

    One to Many রিলেশন:
    - যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

    Many to One রিলেশন:
    - এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত। 
    - যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

    Many to Many রিলেশন:
    - যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
    - রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

    সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৪.
    IPv6 ঠিকানা কোন ফরম্যাটে লেখা হয়?
    1. অষ্টমিক সংখ্যা
    2. বাইনারি সংখ্যা, ডট দ্বারা পৃথক
    3. শুধু দশমিক সংখ্যা
    4. হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা, কোলন দ্বারা পৃথক
    সঠিক উত্তর:
    হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা, কোলন দ্বারা পৃথক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা, কোলন দ্বারা পৃথক
    ব্যাখ্যা

    • IPv6 ঠিকানা হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা এবং কোলন দ্বারা পৃথক ফরম্যাটে লেখা হয়। এটি মোট ১২৮-বিটের একটি ঠিকানা যা ১৬-বিট করে অংশে ভাগ করা হয়। প্রতিটি অংশকে চারটি হেক্সাডেসিমাল অঙ্ক দিয়ে প্রকাশ করা হয় এবং অংশগুলোকে “:” চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি IPv6 ঠিকানা হতে পারে 2001:0db8:85a3:0000:0000:8a2e:0370:7334। এটি IPv4-এর চেয়ে দীর্ঘ এবং অনেক বেশি ঠিকানা প্রদানের সুবিধা দেয়। তাই সঠিক উত্তর হবে: ঘ) হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা, কোলন দ্বারা পৃথক।
     
    • আইপি অ্যাড্রেস:
    - ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) বলা হয়।
    - আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) এর পূর্ণ রূপ হলো Internet Protocol Address.

    • IP Address এর দুটি ভার্সন রয়েছে:
    1. IPv4:
    - এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 4 টি অকটেট থাকে।
    - প্রতিটি অকটেট ৪ বিটের বাইনারি সংখ্যা।
    - প্রতিটি অকটেট ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে। যেমন: 11110000.01010110.11100010.01011100
    - মোট 32 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
    - এই ভার্সনের সাহায্যে 232 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায় ৷

    2. IPv6:
    - এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট ৪ টি ভাগ থাকে।
    - প্রতিটি ভাগে 16 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
    - প্রতিটি ভাগ ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
    - মোট 128 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
    - এই ভার্সনের সাহায্যে 2128 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায়।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

    ১৮৫.
    যদি স্টার টপোলজির কেন্দ্রীয় হাব কাজ না করে, তাহলে কী ঘটে?
    1. কেবল একটি নোড কাজ করা বন্ধ করে
    2. সমগ্র নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হয়
    3. নেটওয়ার্কের গতি বৃদ্ধি পায়
    4. কিছুই হয় না
    সঠিক উত্তর:
    সমগ্র নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হয়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সমগ্র নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হয়
    ব্যাখ্যা

    • স্টার টপোলজিতে সব নোড একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচের সাথে সংযুক্ত থাকে। এই হাব হল নেটওয়ার্কের মূল নিয়ন্ত্রক, যা ডেটা এক নোড থেকে অন্য নোডে প্রেরণ করে। যদি এই কেন্দ্রীয় হাব কাজ করা বন্ধ করে, তাহলে সমস্ত নোড একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে না। অর্থাৎ, নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। তাই, শুধু একটি নোডের সমস্যা নয়, সমগ্র নেটওয়ার্কের কার্যক্রম প্রভাবিত হয়। হাবের ব্যর্থতার কারণে ডেটা আদানপ্রদানে বাধা আসে, নোডগুলো অকার্যকর হয়ে যায় এবং নেটওয়ার্ক ব্যবহারে অসুবিধা হয়।
    - সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) সমগ্র নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হয়।

     
    • স্টার টপোলজি:
    - স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
    - এটি হাব ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
    - এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
    - প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
    - কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
    - কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
    - কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধু ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়।
    - নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।
     
    উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৬.
    SFTP এর পূর্ণরূপ কী? 
    1. Secure File Transfer Protocol 
    2. Simple File Transfer Protocol
    3. Standard File Transport Protocol
    4. System File Transfer Process
    সঠিক উত্তর:
    Secure File Transfer Protocol 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Secure File Transfer Protocol 
    ব্যাখ্যা

    • SFTP এর পূর্ণরূপ হলো Secure File Transfer Protocol. এটি একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল যা ইন্টারনেট বা অন্য কোনো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিরাপদভাবে ফাইল স্থানান্তরের সুযোগ দেয়। SFTP ব্যবহার করে ফাইল আপলোড, ডাউনলোড এবং রিমোট সার্ভারে ফাইল ম্যানেজমেন্ট করা যায়, এবং সব ডেটা এনক্রিপ্টেড থাকে, যার ফলে তথ্য চুরি বা হ্যাকিং থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়। এটি মূলত SSH (Secure Shell) প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং পাসওয়ার্ডসহ সমস্ত তথ্য এনক্রিপ্ট করে পাঠায়। SFTP সাধারণ FTP এর তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ, তাই এটি ব্যাংকিং, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

    - সঠিক উত্তর: ক) Secure File Transfer Protocol.

    • ই-মেইল:
    - ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
    - ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
    - ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
    - একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
    - abc@gmail.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
    - ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
     
    • POP:
    - POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
    - ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
    - ব্যবহারকারীর মেইল ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
    - মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.
    - POP3 প্রোটোকলের মূল কাজ হলো সার্ভার থেকে ইমেইলগুলো ডিভাইসে ডাউনলোড করে নেওয়া এবং সাধারণত ডাউনলোড করার পর সার্ভার থেকে সেগুলোকে মুছে ফেলা।
    - এই প্রোটোকলের একটি বড় সুবিধা হলো, একবার ইমেইল ডাউনলোড হয়ে গেলে অফলাইনেও তা পড়া যায়।

    • SMTP:
    - SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
    - SMTP হলো ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
    - এটি মেইল সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানোর কাজ করে।

    • HTTP:
    - HTTP এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Transfer Protocol.
    - HTTP হলো ওয়েব ব্রাউজারে ওয়েব পেজ দেখার জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
    - এটি ওয়েব সার্ভার থেকে ডেটা (যেমন- HTML, ছবি, ভিডিও) পুনরুদ্ধার করতে ব্যবহৃত হয়।

    • SFTP:
    - SFTP (SSH File Transfer Protocol) হলো একটি নিরাপদ ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল।
    - এটি SSH (Secure Shell) প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এটি ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়, ইমেইলের জন্য নয়।

    উৎস:
    ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ২. ব্রিটানিকা।

    ১৮৭.
    SQL ইনজেকশন হলো একটি সাইবার আক্রমণের ধরন যার উদ্দেশ্য মূলত - 
    1. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
    2. ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট
    3. সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট
    4. ইমেইল সার্ভার
    সঠিক উত্তর:
    ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট
    ব্যাখ্যা

    • SQL ইনজেকশন হলো একটি সাইবার আক্রমণের ধরন যা মূলত ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট লক্ষ্য করে। এই আক্রমণে হ্যাকাররা ওয়েব ফর্ম বা URL ইনপুটে ক্ষতিকর SQL কোড ঢুকিয়ে ডেটাবেজের তথ্য চুরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, লগইন ফর্মে সাধারণ টেক্সটের পরিবর্তে বিশেষ SQL স্টেটমেন্ট প্রবেশ করিয়ে তারা অপ্রত্যাশিতভাবে অ্যাক্সেস পেতে পারে। SQL ইনজেকশন প্রতিরোধে প্রস্তুত ওয়েব কোডে ইনপুট যাচাই, প্রিপেয়ার্ড স্টেটমেন্ট ব্যবহার এবং যথাযথ অনুমতি সীমাবদ্ধতা রাখা জরুরি। এটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, সোশ্যাল মিডিয়া বা ইমেইল সার্ভার নয়, বরং সরাসরি ওয়েবসাইটের ব্যাকএন্ড ডেটাবেজের উপর প্রভাব ফেলে।

    - সঠিক উত্তর: খ) ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট। 

    • সাইবার ক্রাইম:
    - ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
    - ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
    - ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
    - বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
    - ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

    • উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
    - হ্যাকিং,
    - স্প্যামিং,
    - সাইবার থেফ্ট,
    - সাইবার বুলি,
    - স্ফুফিং,
    - ফিশিং (Phishing),
    - ভিশিং,
    - স্নিকিং,
    - প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism),
    - Cyberstalking,
    - DDoS Attacks প্রভৃতি।

    উৎস:
    - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    - Microsoft. [link]

    ১৮৮.
    চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) মূলত কোন বিষয়ের উদাহরণ?
    1. Narrow AI 
    2. General AI
    3. Superintelligent AI
    4. Robotics
    সঠিক উত্তর:
    Narrow AI 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Narrow AI 
    ব্যাখ্যা

    • চ্যাটজিপিটি মূলত Narrow AI বা সংকীর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উদাহরণ। Narrow AI এমন ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যা নির্দিষ্ট একটি কাজ বা সীমিত ক্ষেত্রে দক্ষতা প্রদর্শন করতে পারে, যেমন ভাষা বোঝা, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, বা চিত্র সনাক্তকরণ। এটি মানুষের সাধারণ বুদ্ধিমত্তার মতো সব ধরনের সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম নয়, বরং নির্দিষ্ট সমস্যার জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত। চ্যাটজিপিটি ভাষা প্রক্রিয়াকরণে পারদর্শী এবং মানুষের সঙ্গে প্রাকৃতিকভাবে যোগাযোগ করতে পারে, কিন্তু এটি স্বতন্ত্র চিন্তাশীল বা জেনারেল নলেজ তৈরি করতে পারে না। তাই এটি General AI বা Superintelligent AI নয়, এবং এটি রোবটিক্সের সরাসরি উদাহরণও নয়।

    • ChatGPT (চ্যাটজিপিটি):
    - ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot), যার নাম ChatGPT.
    - ChatGPT এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
    - এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
    - OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।

    • এটির রয়েছে আকর্ষণীয় কিছু বৈশিষ্ট্য:
    - এটি কম্পিউটার কোড তৈরি করতে পারে।
    - সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট লিখতে পারে।
    - এমনকি টেলিভিশন শোয়ের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখতে পারে।
    - এটি মানুষের সাথে মানুষের মত স্বাভাবিক আলাপচারিতা করতে পারে।
    - যে কোনো গাণিতিক সমস্যা সহজেই সমাধান করতে পারে।
    - যে কোনো টপিকের উপর কন্টেন্ট তৈরি করতে পারে।
    - অবাক করা বিষয় হচ্ছে এটি আপনার জন্য গানও লিখে দিতে পারে।

    অপশন আলোচনা:
    - Narrow AI: চ্যাটজিপিটি হলো Narrow AI-এর উদাহরণ কারণ এটি শুধু নির্দিষ্ট কাজ (ভাষা বোঝা ও তৈরি করা) করতে সক্ষম।
    - General AI: General AI এমন যন্ত্র যা মানুষের মতো সমস্ত বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করতে পারে, চ্যাটজিপিটি তা করতে পারে না।
    - Superintelligent AI: Superintelligent AI হলো মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে অনেক ছাড়িয়ে যাওয়া কল্পিত AI; চ্যাটজিপিটি তা নয়।
    - Robotics: চ্যাটজিপিটি কোনো ফিজিক্যাল রোবট নয়, এটি সফটওয়্যার ভিত্তিক AI.
     
     উৎস:
    - Britannica.
    - IBM. [link]

    ১৮৯.
    নিচের কোনটি BCD-এর একটি সুবিধা?
    1. বাইনারি ভগ্নাংশের সহজ অঙ্কগণনা
    2. কম স্টোরেজ প্রয়োজন
    3. দশমিক এবং বাইনারির মধ্যে সহজ রূপান্তর 
    4. দ্রুত কম্পিউটেশন
    সঠিক উত্তর:
    দশমিক এবং বাইনারির মধ্যে সহজ রূপান্তর 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দশমিক এবং বাইনারির মধ্যে সহজ রূপান্তর 
    ব্যাখ্যা

    • BCD বা Binary-Coded Decimal হলো একটি সংখ্যা উপস্থাপনার পদ্ধতি যেখানে প্রতিটি দশমিক সংখ্যা (0-9) ৪-বিট বাইনারিতে প্রকাশ করা হয়। BCD-এর প্রধান সুবিধা হলো দশমিক এবং বাইনারির মধ্যে সহজ রূপান্তর করা যায়। যেহেতু প্রতিটি দশমিক অঙ্ককে সরাসরি চারটি বিটে কোড করা হয়, তাই কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসে দশমিক সংখ্যা বাইনারি ফর্মে দ্রুত রূপান্তর করা যায় এবং বিপরীতরূপেও সহজে দশমিক আকারে দেখানো যায়। BCD ব্যবহারে অঙ্কগণনার গতিতে কিছুটা সীমাবদ্ধতা থাকে, এবং স্টোরেজও সাধারণ বাইনারি পদ্ধতির তুলনায় বেশি লাগে। তাই মূল সুবিধা দ্রুত কম্পিউটেশন বা স্টোরেজ নয়, বরং দশমিক-বাইনারি রূপান্তরের সহজতা।

    - সঠিক উত্তর: গ) দশমিক এবং বাইনারির মধ্যে সহজ রূপান্তর।
     
    • বিসিডি কোড:
    - বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
    - দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
    - এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
    - 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
    - এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।