পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২০ টপিক: রিভিশন পরীক্ষা [GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সম্পূর্ণ সিলেবাস]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪০ প্রশ্ন

.
এশিয়া মাইনরে কারা প্রথম লৌহের ব্যবহার শুরু করে?
  1. আরবীয়রা
  2. নিয়ানডারথালরা
  3. আসরীয়রা
  4. হিট্টাইটরা
ব্যাখ্যা
লৌহযুগ:
- লোহার আবিষ্কার ও ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে ব্রোঞ্জযুগের একচেটিয়া অধিকার ও কর্তৃত্ব হ্রাস পেয়েছিল।
- ব্রোঞ্জ ছিল দুষ্প্রাপ্য ও মূল্যবান ধাতু।
- এর ব্যবহার মূলত অভিজাত শ্রেণির হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল।
- সহজলভ্য ও দামে সস্তা হওয়ায় লোহার ব্যাপক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।
- সাধারণ মানুষও তাদের দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে লৌহ নির্মিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে শুরু করে।
- এভাবেই লৌহযুগ নামে নতুন এক সভ্যতার বিকাশ লাভ ঘটে।

⇒ এশিয়া মাইনরে হিট্টাইটরা (Hittites) প্রথম লোহার আবিষ্কার ও এর ব্যবহার শুরু করে।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে মধ্যপ্রাচ্যে লোহার ব্যবহার শুরু হয়।
- লৌহযুগে বর্ণমালাভিত্তিক লিখন পদ্ধতির প্রচলন শুরু হয়।
- ব্যবসাবাণিজ্য ও মুদ্রা-অর্থনীতি ব্যাপকতা লাভ করে।
- জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে শুরু হওয়ার ফলে যাতায়াতব্যবস্থা সহজ হয়।
- এর ফলে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের মানুষের মধ্যে আর্থ- সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লেনদেন ও ভাবের আদান-প্রদান বৃদ্ধি পায়।
- গৃহনির্মাণ, বিভিন্ন ধরনের গৃহসামগ্রী, আসবাবপত্র, রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কুঠার, লাঙলের ফলা, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে লোহার ব্যবহারের মাধ্যমে সভ্যতার দ্রুত উত্থান ঘটে।
- উৎপাদন ব্যবস্থায় যন্ত্রশক্তির প্রয়োগ আরও সহজ হয়।
- ফলে শিল্পবিপ্লব ত্বরান্বিত হয়।
- লৌহযুগে শিল্প, বাণিজ্য, নগরায়ন প্রভৃতিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পেশাভিত্তিক সামাজিক শ্রেণির উদ্ভব ঘটে।
- লৌহযুগে গ্রিসে এক উন্নত গণতান্ত্রিক নগরসভ্যতার বিকাশ ঘটে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল কয়টি?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ২৭টি
  4. ২৮টি
ব্যাখ্যা
ভারত:
- ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- আয়তনে এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: নয়া দিল্লি।
- মুদ্রা: রুপি।
- প্রেসিডেন্ট: দ্রৌপদী মুর্মু।
- প্রধানমন্ত্রী: নরেন্দ্র মোদি।
- প্রধান পর্বতমালা: হিমালয়।
- প্রধান নদী: গঙ্গা, যমুনা, সিন্ধু, ব্রহ্মপুত্র।
- ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ দুই ভাগে ভাগ হয়ে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ ভারত ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তান নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় সংবিধান কার্যকর হয়।
- তাই প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করা হয়।
- ভারতে বর্তমানে ২৮টি অঙ্গরাজ্য ও ৮টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল রয়েছে।

⇒ বর্তমানে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ৮টি।
এগুলো হলো:
১. লাদাখ (রাজধানী: লেহ),
২. জম্মু ও কাশ্মীর (রাজধানী: শ্রীনগর/জম্মু),
৩. দিল্লি (রাজধানী: দিল্লি),
৪. দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দামান ও দিউ (রাজধানী: দামান),
৫. পুডুচেরি (রাজধানী: পুডুচেরি),
৬. চন্ডিগড় (রাজধানী: চন্ডিগড়),
৭. আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (রাজধানী: শ্রী বিজয় পুরম),
৮. লাক্ষাদ্বীপ (রাজধানী: কাভারাত্তি)।

উৎস: Britannica.
.
মার্কিন কোন প্রেসিডেন্ট 'The President is Missing' গ্রন্থটির রচয়িত?
  1. রিচার্ড নিক্সন
  2. জন এফ কেনেডি
  3. বিল ক্লিনটন
  4. বারাক ওবামা
ব্যাখ্যা
বিল ক্লিনটন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- তিনি ১৯ আগস্ট, ১৯৪৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাসে জন্ম গ্রহন করেন।
- তিনি দুই মেয়াদে (১৯৯৩-২০০১) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- তাঁর রাজনৈতিক দল ডেমোক্রেটিক পার্টি।
- তিনি নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সিনেটর হিলারি ক্লিনটনের স্বামী।

⇒ তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- My Life (2004).

উল্লেখ্য,
- তার লিখা আরও কিছু বইসমূহ,
• Giving: How Each of Us Can Change the World (2007).
• Back to Work: Why We Need Smart Government for a Strong Economy (2011).
• The President's Daughter (2021).
• The President is Missing (Novel).

উৎস: Britannica.
.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত 'D-Day' বলতে কোন দিনটি বুঝানো হয়?
  1. ২ জুন, ১৯৪৪
  2. ৬ জুন, ১৯৪৪
  3. ৮ জুন, ১৯৪৪
  4. ১১ জুন, ১৯৪৪
ব্যাখ্যা
D-Day:
- D-Day দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত।
- 'D-Day' ২য় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪৪ সালের ৬ জুন দখলকৃত ফ্রান্স উদ্ধারের জন্য মিত্রবাহিনী স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে এক অপারেশন পরিচালনা করে যার কোড নাম ছিলো Operation Overlord।
- ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন, নাৎসী বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে প্রায় ১ লক্ষ ৫৬ হাজার যৌথ বাহিনীর সদস্য ফ্রান্সের নরম্যান্ডি উপকূলের ৫টি সৈকতে অবতরণ করেন।
- ৬ জুন দিনটিকে ডি ডে (D-Day) হিসাবে পালন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৪ সালের ৬ জুন ফ্রান্সে মিত্রপক্ষের সেনাবাহিনীর অবতরণের দিন স্থির হয়।
- ৬ জুন ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে চার হাজারেরও বেশি জাহাজে করে ১ লক্ষ ৫৬ হাজার মিত্রবাহিনীর সেনা নর্মান্ডি উপকূলে অবতরণ করে।
- তাদের নিরাপত্তার জন্য ১১ হাজার বিমান প্রস্তুত রাখা হয়।
- মিত্র পক্ষের সেনাবাহিনীতে আমেরিকান, ইংরেজ, কানাডীয়, ওলন্দাজ, পোল নরওয়েজিও, ফরাসি ও গ্রিক সৈনিক ছিল।
- ডি দিবস (D Day) বা অবতরণ দিবসের দিন ধার্য হয় ১৯৯৪ সালের ১ জুন।
- কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য পিছিয়ে ৬ জুন করা হয়।
- এই সুবিশাল সামরিক অভিযানের নেতা ছিরেন আমেরিকান সেনাপতি আইজেনহাওয়ার।

উৎস: History.com
.
সেন্ট হেলেনা দ্বীপের সাথে নিম্নের কোন ব্যক্তি জড়িত?
  1. নেলসন ম্যান্ডেলা
  2. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  3. ষোড়শ লুই
  4. এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক
ব্যাখ্যা
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন একাধারে ফ্রান্সের অবিসংবাদিত সম্রাট ও তুখোড় সেনাপ্রধান।
- তিনি ফরাসি বিপ্লবের ক্রান্তিলগ্নে ফ্রান্সের হাল ধরেছিলেন।
- ফ্রান্সকে ইউরোপের শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করতে নেপোলিয়ন সক্ষম হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- যেখানে ১৮২১ সালে আর্সেনিকের বিষক্রিয়ায় নেপোলিয়ন মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ সেন্ট হেলেনা দ্বীপ:
- সেন্ট হেলেনা যুক্তরাজ্যের অন্তর্গত দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের একটি আগ্নেয়গিরির ক্রান্তীয় দ্বীপ।
- রোমান সম্রাজ্ঞী সেন্ট হেলেনার নামে দ্বীপের নামকরণ হয়।
- একসময় ব্রিটিশরা এ দ্বীপে কয়েদিদের নির্বাসনে পাঠাত।

অন্যদিকে,
- বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কারণে নেলসন ম্যান্ডেলা ১৯৬৩-১৯৯০ পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ২৭ বছর রোবেন দ্বীপে কারান্তরীণ ছিলেন।

উৎস: Britannica.
.
WMD-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Weapons of Mass Destruction
  2. Water Management Department
  3. Worldwide More Destruction
  4. Worldwide Mass Deforestation
ব্যাখ্যা
WMD:
- WMD-এর পূর্ণরূপ: Weapons of Mass Destruction.
- WMD বা গণবিধ্বংসী অস্ত্র।
- ২০০৩ সালে WMD আছে এমন আশঙ্কায় মার্কিন জোট ইরাকে আক্রমণ করেছিল।
- বোমারু বিমানের ব্যাপক ধ্বংসের ক্ষমতা বর্ণনা করতে ১৯৩৭ সালে এই শব্দের প্রথম ব্যবহার করা হয়।

⇒ Weapons of mass destruction অন্তর্ভুক্ত অস্ত্রগুলো হলো:
- Nuclear Weapon,
- Chemical Weapon,
০ Biological weapon.

উৎস: Britannica.
.
বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. ফেডারেল রিজার্ভ, যুক্তরাষ্ট্র
  2. পিপলস ব্যাংক অব চায়না
  3. নরজেস ব্যাংক, নরওয়ে
  4. ডয়েশে বুন্ডেসব্যাংক, জার্মানি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

কেন্দ্রীয় ব্যাংক:

- একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মূল কাজ হচ্ছে রাষ্ট্রের হয়ে মুদ্রা সরবরাহ ও সুদের হার ব্যবস্থাপনা করা।
- এছাড়া মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম কাজ।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমেই দেশের অর্থনীতি ও মুদ্রাবাজার এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- বিশ্বের সিংহভাগ কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্বাধীন, তবে সরকারের কাছে জবাবদিহি করতে হয়।

⇒ বিশ্বের অর্থনীতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
- তাই যেসব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্পদের পরিমাণ যত বেশি, বিশ্ব অর্থনীতিতে ওই সব ব্যাংকের প্রভাবও তত বেশি।
- সম্পদের পরিমাণ থেকে বোঝা যায় আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে কোন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রভাব কেমন।
- মার্কিন প্রতিষ্ঠান সভরেইন ওয়েলথ ফান্ড ইন্সটিটিউট বিশ্বের সবচেয়ে ধনী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর তালিকা করেছে।

⇒ বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ধনী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো হলো:
১. ফেডারেল রিজার্ভ, যুক্তরাষ্ট্র;
২. পিপলস ব্যাংক অব চায়না;
৩. ব্যাংক অব জাপান;
৪. ডয়েশে বুন্ডেসব্যাংক (জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংক);
৫. ব্যাংক অব ফ্রান্স;
৬. নরজেস ব্যাংক, নরওয়ে;
৭. ব্যাংক অব ইতালি;
৮. ব্যাংক অব ইংল্যান্ড;
৯. ব্যাংক অব স্পেন;
১০. সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক।

উৎস: Sovereign Wealth Fund Institute ওয়েবসাইট। [link]
.
এশিয়ার সর্বশেষ স্বাধীন রাষ্ট্র কোনটি?
  1. কিরগিজস্তান
  2. পূর্ব তিমুর
  3. তুর্কমেনিস্তান
  4. উজবেকিস্তান
ব্যাখ্যা
পূর্ব তিমুর:
- পূর্ব তিমুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
- পূর্ব তিমুর এশিয়ার সর্বশেষ স্বাধীন রাষ্ট্র।
- রাজধানী: দিলি।
- মুদ্রা: ডলার।

এছাড়াও,
- ১৮৬০ ও ১৮৯৩ সালে বিবাদমান উপনিবেশিক শক্তিগুলোর মধ্যে চুক্তির মাধ্যমে পূর্ব তিমুর শাসনের অধিকার লাভ করে পর্তুগীজরা।
- চুক্তি ১৯১৪ সালে কার্যকর হয়।
- ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত পূর্ব তিমুর পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল।
- ১৯৭৫ সালে Revolutionary Front for an Independent East Timor গঠিত হয় এবং এর বেশিরভাগ অঞ্চল তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- ১৯৭৬ সালে ইন্দোনেশিয়া পূর্ব তিমুর আক্রমন করে দখল করে এবং এটি নিজেদের অঞ্চল বলে ঘোষণা করে।
- ১৯৯৯ সালের ৩০ আগস্ট পূর্ব তিমুরে স্বাধীনতার স্বপক্ষে গণভোট অনুষ্ঠিত হয় এবং জনসাধারণ স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দেয়। পশ্চিম তিমুর ইন্দোনেশিয়ার সাথে থেকে যায়।
- তারপর থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পূর্ব তিমুর জাতিসংঘের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ২০০২ সালের এপ্রিলে Xanana Gusmão প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় এবং জাতিসংঘ তার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে এবং পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা লাভ করে।

উৎস: Britannica.
.
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে কে এক ওভারে ছয় ছক্কা মেরেছিলেন?
  1. কিরণ পোলার্ড
  2. হার্শেল গিবস
  3. যুবরাজ
  4. জাসকরন মালহোত্রা
ব্যাখ্যা
ছয় বলে ছয় ছক্কা:
- ২০০৭ সালে নেদারল্যান্ডস লেগ স্পিনার ড্যান ফন বাঞ্জির এক ওভারে ছয় ছক্কা মেরেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার হার্শেল গিবস।
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেটিই ছিল এক ওভারে সবগুলো ছয় মারার প্রথম ঘটনা।

অন্যদিকে -
- ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের স্টুয়ার্ট ব্রডকে এক ওভারে ছয়টি ছয় মেরেছিলেন যুবরাজ।
- ২০২১ সালে মার্চে শ্রীলঙ্কার আকিলা দনাঞ্জয়াকে এক ওভারে ছয় ছক্কা মেরেছিলেন পোলার্ড।
- ২০২১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিশ্বের চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে এক ওভারে ছয় ছক্কা হাকালেন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাটসম্যান জাসকরন মালহোত্রা।

উৎস: i) ESPN Cricinfo।
ii) ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
১০.
পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিস, ফ্রান্স
  2. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  3. হেগ, নেদারল্যান্ডস
  4. মিউনিখ, জার্মানি
ব্যাখ্যা
CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান নির্বাহী প্রধান: রবার্ট ফ্লয়েড।

⇒ CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- অনুমোদিত দেশ: ১৭৮টি।

⇒ বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (দক্ষিণ এশিয়ায় ১ম)।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষরকারী ১২৯তম দেশ।
- বাংলাদেশ ৫৪তম দেশ হিসেবে CTBT অনুমোদন করে ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১১.
নিম্নের কোন দেশ 'NPT' চুক্তি প্রত্যাহার করেছে?
  1. ভারত
  2. ইসরায়েল
  3. ফ্রান্স
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
⇒ ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি।
- কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।

⇒ উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল।
- কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ii) UNODA ওয়েবসাইট।
১২.
খলিফা আবু বকর (রা) ভন্ড নবীদের বিরুদ্ধে কোন যুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন?
  1. আজনাদাইনের যুদ্ধ
  2. রিদ্দার যুদ্ধ
  3. কাদেসিয়ার যুদ্ধ
  4. সেতুর যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
রিদ্দা যুদ্ধ:
- খলিফা আবু বকরের শাসনামলে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয় তাকে বলে রিদ্দার যুদ্ধ।
- এটি একটি ধর্মযুদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- 'রিদ্দা' আরবী শব্দ।
- এর অর্থ প্রত্যাবর্তনকরণ বা পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাওয়া।
- মহানবী (স.) এর মৃত্যুর পর এক শ্রেণির মুসলিম ইসলাম ধর্মকে বর্জন করে, তাদের পৌত্তলিকতায় প্রত্যাবর্তন করে।
- ইসলাম প্রচারের পর মক্কা ও মদীনা কেন্দ্রীক ইসলাম ধর্ম সীমাবদ্ধ হয়ে রইল।
- এই সময় মহানবীর মৃত্যুর পরে কতিপয় ভণ্ডনবীর আবির্ভাব ঘটল, কেউ কেউ পৌত্তলিকতায় ফিরে গেল।
- সমগ্র আরব উপদ্বীপের বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে অর্ন্তদ্বন্দ্ব সৃষ্টি হল।
- ইসলামের প্রথম খলীফা এই সকল স্বধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন, যা ইতিহাসে 'রিদ্দার যুদ্ধ' হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
গাম্বিয়ার সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মধ্যে দেশের ক্ষমতা দখল করে -
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
গাম্বিয়া:
- পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশের মূল ভূখন্ডের ক্ষুদ্রতম দেশ।
- এটি উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে সেনেগাল দ্বারা পরিবেষ্টিত।
- পশ্চিমে রয়েছে আটলান্টিক মহাসাগর।
- গাম্বিয়া নদী দেশটির মধ্যভাগ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়েছে।
- রাজধানী: বানজুল।
- বৃহত্তম নগরী: সেরেকুন্ডা।
- মুদ্রা: ডালাসি।

উল্লেখ্য,
- গাম্বিয়া ১৯শ শতকে একটি ব্রিটিশ উপনিবেশে পরিণত হয়।
- ১৯৬৫ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে গাম্বিয়া।
- পরে ১৯৮২ সালে সেনেগালের সঙ্গে একত্র হয়ে ‘সেনেগাম্বিয়া’ নামের একটি কনফেডারেশন হয়েছিল।
- কিন্তু ১৯৮৯ সালে সে কনফেডারেশন ভেঙে যায়।
- ১৯৯৪ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গাম্বিয়ায় ক্ষমতা দখল করেন লেফটেন্যান্ট ইয়াহিয়া জামেহ্।
- তিনি ২২ বছর দেশ শাসন করেন।
- ২০১৫ সালে গাম্বিয়াকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়।
- ২০১৬ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে জাম্মেহ্কে পরাজিত করার পরে ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে অ্যাডামা ব্যারো গাম্বিয়ার তৃতীয় প্রেসিডেন্ট হন।

উৎস: Britannica.
১৪.
১৯৬৫ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কয়টি ছিল?
  1. ৬টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।

⇒ নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে।
- নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।

⇒ জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গঠনের কথা বলা হয়েছে।
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে এর সদস্য সংখ্যা মোট ১৫টি।
- তার মধ্যে স্থায়ী সদস্য ৫টি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স ও চীন) এবং ২ বছরের মেয়াদে বাকি ১০টি সদস্য নির্বাচন করা হয়ে থাকে।
- সব সদস্য রাষ্ট্রের একটি করে ভোট দেওয়া ক্ষমতা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিলো ১১টি, ৫টি স্থায়ী এবং ৬টি অস্থায়ী।
- ১৯৬৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর গৃহিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের A/RES/1991(XVIII) রেজ্যুলেশনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য সংখ্যা ৬টি থেকে ১০টিতে উন্নীত করা হয়।
- এটি কার্যকর হয় ১৯৬৫ সালের ৩১ আগস্ট।
- ফলে ১৯৬৬ সাল থেকে নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দাড়ায় ১৫টিতে।
- কোন প্রস্তাব পাশের জন্যে পাঁচটি স্থায়ীসহ মোট ৭টি সদস্য থেকে ৯টি সদস্যের বিধান গৃহিত হয়।
- ১৯৬৩ সালে সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয় যা ১৯৬৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য।

উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
১৫.
ইয়াসির আরাফাত প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (PLO)-এর চেয়ারম্যান ছিলেন -
  1. ১৯৬৯-২০০৪ সাল
  2. ১৯৬৯-২০০৬ সাল
  3. ১৯৯৬-২০০৪ সাল
  4. ১৯৯৬-২০০৬ সাল
ব্যাখ্যা
ইয়াসির আরাফাত:
- মুসলিম বিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা ও ফিলিস্তিনি মুক্তিসংগ্রামের মহান নেতা ইয়াসির আরাফাত।
- ইয়াসির আরাফাত একজন ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক নেতা ছিলেন।
- ইয়াসির আরাফাতের জন্ম ১৯২৯ সালে মিসরের কায়রোতে।
- তিনি ১৯৬৯-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (PLO)-এর চেয়ারম্যান এবং ১৯৯৬-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্যালেস্টাইন অথরিটির (PA) সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৯৩ সালে তিনি ইসরায়েলি সরকারের সাথে শান্তি চুক্তিতে পিএলওকে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৪ সালে আরাফাত এবং ইজহাক রাবিন এবং ইসরায়েলের শিমন পেরেস যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

⇒ ১৯৫০ সালে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যোগ দেন রাজনীতিতে।
- ১৯৫৯ সালে কুয়েতে নির্বাসিতকালে ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মুক্তির সংগঠন ‘ফাতাহ’ গঠন করেন।
- পরবর্তী সময়ে এই সংগঠনের নাম হয় প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)।
- ১৯৬৭-৬৮ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে সম্মুখসারিতে থেকে যুদ্ধ করেন ইয়াসির আরাফাত।
- ১৯৬৯ সালে তিনি নির্বাচিত হন পিএলওর চেয়ারম্যান হিসেবে।
- ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে ইয়াসির আরাফাত নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন।
- ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৯৯১ সালে মাদ্রিদ সম্মেলন, ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তি এবং ২০০০ সালে ক্যাম্পডেভিড সম্মেলনের মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করেন তিনি।
- এই সময় হামাস ও অন্যান্য সংগঠনের উত্থান ঘটে, যারা ইয়াসির আরাফাতের ভিত্তি দুর্বল করে দিয়ে ফিলিস্তিনের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে নেয়।
- ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ২০০২ সাল থেকে ইয়াসির আরাফাতকে পশ্চিম তীরের রামাল্লায় তাঁর সদর দপ্তরে অবরুদ্ধ করে রাখে।

উল্লেখ্য,
- জীবনের শেষ দিনগুলোতে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী তাঁকে গৃহবন্দী করে রাখে।
- গৃহবন্দী থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ২০০৪ সালের ১১ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: Britannica.
১৬.
ইয়াল্টা সম্মেলনে কোন দেশের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়?
  1. জার্মানি
  2. পোল্যান্ড
  3. ফ্রান্স
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
ইয়াল্টা সম্মেলন:
- ১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে মিত্র পক্ষের এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয় যখন সুনিশ্চিত তখন মিত্রপক্ষীয় তিন রাষ্ট্রপ্রধান রুজভেল্ট, চার্চিল ও স্ট্যালিন ক্রিমিয়ার ইয়াল্টা প্রদেশে এক বৈঠকে মিলিত হন।
-  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ইউরোপের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে তিন বিশ্বনেতা এই সম্মেলনে অংশ নেন।
- সেখানে তাঁদের মধ্যে আন্তর্জাতিক সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা হয়।
- যা জাতিসংঘ গঠনের ইতিহাসে 'Yalta Conference' নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের 'ভেটো ক্ষমতা' (Veto Power) নির্ধারিত হয়।
- এটি ক্রিমিয়া সম্মেলন নামেও পরিচিত।

⇒ এই সম্মেলনের প্রধান বিষয়:
- বিশ্বশান্তির জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গঠন,
- জার্মানির ভাগ্য নির্ধারণ,
- পোল্যান্ডের ভবিষ্যত সমস্যার সমাধানকল্পে আলোচনা।

উল্লেখ্য,
- জার্মানির কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্যে জার্মানিকে চারভাগে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রত্যেকের অধীনে একটি করে অংশ থাকবে এবং তখন তারা ক্ষতিপূরণ আদায় করে নেবে।
- প্রাথমিক আলোচনার পর নেতৃবৃন্দ মস্কোতে ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত একটি কমিশন (Reparation Commission) স্থাপনে সম্মত হন।

উৎস: History.com
১৭.
'BGP' কোন দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. মায়ানমার
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী:
- বাংলাদেশ: বর্ডার গার্ডস বাংলাদেশ (BGB),
- ভারত: বিএসএফ( BSF),
- মিয়ানমার: বর্ডার গার্ড পুলিশ (BGP),
- পাকিস্তান: রেঞ্জার্স,
- যুক্তরাষ্ট্র: ইউনাইটেড স্টেট বর্ডার পোর্টাল,
- স্পেন: গার্ডিয়া সিভিল,
- জার্মানি: জার্মান ফেডারেল পুলিশ,
- ফিনল্যান্ড: ফিনিশ বর্ডার গার্ড।

উৎস: Britannica.
১৮.
কত সালে The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
TPNW:
- TPNW-এর পূর্ণরূপ: The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons বা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- TPNW-তে যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।
- পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি গৃহিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- কার্যকর হয়: ২২শে জানুয়ারি, ২০২১।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৯৩টি।

⇒ বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
১৯.
UKUSA চুক্তির উপর ভিত্তি করে কোন গোয়েন্দা জোটটি গঠিত হয়েছে?
  1. ফাইভ আইস
  2. সিবিআই
  3. ফেয়ারফ্যাক্স
  4. মোসাদ
ব্যাখ্যা
Five Eyes:
- ফাইভ আইস ইন্টেলিজেন্স অ্যালায়েন্স, যা FVEY নামেও পরিচিত।
- ‘এটি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং নিউজিল্যান্ডের একটি গোয়েন্দা জোট।
- জোটটি UKUSA চুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে
- তারা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে একসাথে কাজ করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে তারা তাদের দেশকে নিরাপদ রাখতে একে অপরকে সাহায্য করছে।
- সন্ত্রাসবাদ, সাইবার হুমকি এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সম্পর্কিত তথ্য তারা শেয়ার করে।

উল্লেখ্য,
⇒ UKUSA চুক্তি:
- ১৯৪৩ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য একটি সমবায় গোয়েন্দা চুক্তি গঠন করে যা BRUSA চুক্তি নামে পরিচিত।
- এই গোপন চুক্তিটি পরবর্তীতে UKUSA চুক্তি হিসাবে আনুষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
- এই চুক্তিটি ফাইভ আই দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের ভিত্তি স্থাপন করে।

উৎস: Five Eyes ওয়েবসাইট।
২০.
আটলান্টিক চার্টারে কয়টি দেশ স্বাক্ষর করেছিল?
  1. ১৬টি
  2. ১৮টি
  3. ২২টি
  4. ২৬টি
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সম্মেলন:
- ১৯৪১ সালের আগস্ট মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক মহাসাগরের নৌবহরে মিলিত হয়ে আটটি শর্ত বিশিষ্ট শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেন।
- অতঃপর দুইদেশের রাষ্ট্রপ্রধান মিলিতভাবে একটি ঘোষণা দেন যা আটলান্টিক চার্টার নামে খ্যাত।

⇒ এতে বলা হয় যে, সকল জাতিকে আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার ও রাষ্ট্রীয় সীমানা সম্পর্কে নিরাপত্তা দেওয়া হবে।
- প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট যুদ্ধোত্তর পৃথিবীকে বাক স্বাধীনতা, ধর্ম পালনের স্বাধীনতা এবং অনাহার ও ভীতি থেকে মুক্তির আশ্বাসবাণী শুনিয়েছিলেন।
- সমুদ্রপথে অবাধ যাতায়াত, পররাজ্য গ্রাস নীতির অবসান, নিরস্ত্রীকরণ ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি উচ্চ আদর্শের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।

⇒ ১৯৪২ সালে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া একটি ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে আটলান্টিক চার্টারের উল্লেখিত নীতি ও আদর্শকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- পরে আরও ২২টি দেশ এতে স্বাক্ষর করলে মোট সংখ্যা ২৬-এ উন্নীত হয়।
- এই ঘোষণা জাতিসংঘ ঘোষণা (United Nations Declaration) নামেও খ্যাত।
- কারণ জাতিসংঘ বা United Nations কথাটি এ সম্মেলনের ঘোষণাপত্র থেকেই নেওয়া হয়েছিল।

উৎস: Office of the Historian (.gov).
২১.
International Meteorological Organization-এর উত্তরসূরী হিসাবে কোন সংস্থাটি গঠিত হয়?
  1. Greenpeace International
  2. WMO
  3. IUCN
  4. World Watch
ব্যাখ্যা
WMO:
- WMO-এর পূর্ণরূপ: World Meteorological Organization বা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা।
- এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ২৩ মার্চ, ১৯৫০।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৭ মার্চ, ১৯৫১।
- এর বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মহাসচিব: সেলেস্তে সাওলো (আর্জেন্টিনা)।
- বৈশ্বিক আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ন্ত্রণকারী উপাদান নিয়ে কাজ করে।

⇒ বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার প্রথম নারী মহাসচিব সেলেস্তে সাওলো।
- সাওলো ২০১৪ সাল থেকে আর্জেন্টিনার জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- তিনি ১ জুন, ২০২৩ থেকে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

⇒ ১৮৭৩ সালে International Meteorological Organization (IMO) গঠিত হয়।
- এই সংস্থার উত্তরসূরী হিসাবে WMO গঠিত হয়।

⇒ WMO-এর কাজ:
- আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রদানের জন্য পর্যবেক্ষণ।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা সম্পর্কিত কার্যক্রম।
- নিরাপদ পানি সরবরাহ সংক্রান্ত কার্যক্রম।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ২৪ আগস্ট WMO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: WMO ওয়েবসাইট।
২২.
দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপে কোন দেশের সামরিক ঘাটি রয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. ইরান
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
দিয়েগো গার্সিয়া:
- দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপ ভারত মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত চাগোস দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপ।
- পর্তুগীজরা এ দ্বীপ আবিষ্কার করে এবং তারাই এ দ্বীপের নামকরণ করে।
- ১৭৯০ সালে ফরাসিরা এখানে প্রথমে বসতি স্থাপন করে।
- ১৮১৪ সালে নেপোলিয়ানিক যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে প্যারিস ট্রিটি অনুযায়ী ফ্রান্স এ দ্বীপ ব্রিটিশদের কাছে হস্তান্তর করে।
- দেশটি যুক্তরাজ্যের অধীনে একটি দেশ।
- দিয়েগো গার্সিয়াসহ চাগোস দ্বীপপুঞ্জ এক সময় মরিশাসের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

উল্লেখ্য,
- দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপটি ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রনে হলেও দ্বীপটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে লিজ দেয়া হয়েছে।
- এর মেয়াদ ২০৩৬ সাল পর্যন্ত।
- এখানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বড় একটি সামরিক ঘাটি।
- চীন ও ভারতের মধ্যে ভারত মহাসহাগর ও বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক আধিপত্য লড়াইয়ের প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে এ দ্বীপ।
- ২০১৯ সালের ফ্রেব্রুয়ারি মাসে জাতিসংঘের ইন্টারন্যশনাল কোর্ট অব জাস্টিস রায় দেয় ব্রিটেনকে অবশ্যই দিয়েগো গার্সিয়াসহ চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
- তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে লিখিত বিবৃতিতে বলা হয় যুক্তরাষ্ট্র বা ব্রিটেন কারোর তরফ থেকেই সেখানে সামরিক ঘাটি ব্যবহার বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই।

উৎস: Britannica.
২৩.
কঙ্গোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. শোচিত গালভেজ
  2. ক্লডিয়া শিনবাউম
  3. জুডিথ সুমিনওয়ার
  4. ক্রিস্টিনা পিসকোভা
ব্যাখ্যা
কঙ্গোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী:
- মধ্য আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো।
- কঙ্গোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী জুডিথ সুমিনওয়া।
- কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেদি দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জুডিথ সুমিনওয়ারকে নিয়োগ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- জানুয়ারি, ২০২৪-এ দ্বিতীয় মেয়াদে কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ফেলিক্স শিসেকেদি।
- জাতিসংঘের হিসাব অনুসারে, বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ ডিআর কঙ্গো।
- সংঘাতের কারণে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- লিডিয়া গুইলার তেজাদা বলিভিয়ার প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট।
- গোল্ডা মীর ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
- জ্যানেট ইয়েলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী অর্থমন্ত্রী।

উৎস: ১ এপ্রিল ২০২৪, রয়টার্স।
২৪.
কোন চুক্তির সূত্র ধরে Anti-Ballistic Missile Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. SALT-I
  2. TPNW
  3. START
  4. CPNW
ব্যাখ্যা
SALT:
- SALT-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Limitation Talks।
- আলোচ্য বিষয়: কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা।
- এই আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে।
- আলোচনার সময়: ১৯৬৯ সাল।
- পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দুইটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা SALT-I ও SALT-II নামে পরিচিত।

⇒ SALT-I চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ২৬ মে, ১৯৭২ সালে।

উল্লেখ্য,
- SALT-I চুক্তি আলোচনার সূত্র ধরেই Anti-Ballistic Missile Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তি অনুযায়ী কৌশলগত যত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র আছে, তা 'ফ্রিজ' করা হয়।
- এতে করে কোনো পক্ষ আর তার সংখ্যা বাড়াতে পারে না।
- এর মাধ্যমে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

⇒ ABM Treaty:
- ABM-এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty.
- এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।

⇒ চুক্তি বাতিল: ১৩ জুন, ২০০২ সাল।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
২৫.
জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট সূচক-২০২৪ অনুসারে, কোন দেশ শীর্ষস্থানে রয়েছে?
  1. নরওয়ে
  2. সুইডেন
  3. ডেনমার্ক
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট সূচক (UN E-Government Index 2024):

- এই জরিপটি সব সদস্য রাষ্ট্রের ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট মূল্যায়নে বিভিন্ন প্রকাশনা এবং অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন সেবার তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়।
- এছাড়া এতে শগুলোর অনলাইনে সেবা প্রদান, আইন ও পলিসি কাঠামো, ই-পার্টিসিপেশনের অবস্থার পাশাপাশি টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো এবং হিউম্যান ক্যাপিটালকেও মূল্যায়ন করা হয়।
- প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর, ২০২৪।

⇒ ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স শীর্ষ ১০টি দেশ:
১. ডেনমার্ক,
২. এস্তোনিয়া,
৩. সিঙ্গাপুর,
৪. কোরিয়া প্রজাতন্ত্র,
৫. আইসল্যান্ড,
৬. সৌদি আরব,
৭. গ্রেট ব্রিটেন এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের যুক্তরাজ্য,
৮. অস্ট্রেলিয়া,
৯. ফিনল্যান্ড,
১০. নেদারল্যান্ডস।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের অবস্থান ১০০তম।

অন্যদিকে,
- সূচকে সর্বনিম্নে রয়েছে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
২৬.
২০২৪ সালে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করে -
  1. কর্ম ফুন্টশো
  2. ফারউইজা ফারহার
  3. এনগুয়েন থি এনজিওক ফুং
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার:

- এই পুরস্কারটি ফিলিপাইনের রাষ্ট্রপতি র‍্যামন ম্যাগসেসের নামে প্রবর্তিত হয়।
- ১৯৫৭ সালে বিমান দুর্ঘটনায় র‍্যামন ম্যাগসেসের মৃত্যু ঘটে।
- ভূমি সংস্কার এবং দেশে কমিউনিস্ট শক্তি দমনের জন্য ১৯৫০ এর দশকে তিনি পৃথিবীর একজন যশশ্রী ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিচিত।

⇒ জনসেবা, সামাজিক নেতৃত্ব, সাংবাদিকতা, সাহিত্য বিসৃজনশীল কলা এবং আন্তর্জাতিক সমঝোতার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- ১৯৫৮ সালে প্রথম এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এই পুরস্কারটি এশিয়ার নোবেল পুরস্কার নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের আগস্টে ৬৬তম র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
- ২০২৪ সালে ৪জন ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠান র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন।
- নভেম্বর, ২০২৪-এ ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হবে।

⇒ পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন:
- কর্ম ফুন্টশো, ভুটান;
- হায়াও মিয়াজাকি, জাপান;
- এনগুয়েন থি এনজিওক ফুং, ভিয়েতনাম;
- ফারউইজা ফারহার, ইন্দোনেশিয়া;
- প্রতিষ্ঠান: Rural Doctors Movement, থাইল্যান্ড।

উৎস: The Ramon Magsaysay Award Foundation ওয়েবসাইট।
২৭.
ভিয়েতনামকে বলা হয় -
  1. Sugar Bowl of the World
  2. Land of proteas
  3. Country of copper
  4. The Tiger of Bicycle
ব্যাখ্যা
The Tiger of Bicycle:
- 'The Tiger of Bicycle' বলা হয় ভিয়েতনামকে।

⇒ ভিয়েতনাম:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ ভিয়েতনাম।
- দেশটিতে একদলীয় সমাজতান্ত্রিক শাসন বিদ্যমান।
- ১৯৭৫ সালে দক্ষিণ ভিয়েতনাম দখল করে সমাজতান্ত্রিক উত্তর ভিয়েতনাম।
- এর মাধ্যমে একক সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ দেশটি।
- রাষ্ট্রীয় নাম: সোশালিস্ট রিপাবলিক অব ভিয়েতনাম।
- রাজধানী: হ্যানয়।
- বৃহত্তম নগরী: হো চি মিন শহর।
- ভাষা: ভিয়েতনামিজ।
- মুদ্রা: ভিয়েতনামি ডং।

অন্যদিকে,
- Sugar Bowl of the World: কিউবা।
- Land of proteas: দক্ষিণ আফ্রিকা।
- Country of copper: জাম্বিয়া।

উৎস: Britannica.
২৮.
কোনটি বর্তমানে G-7 এর সদস্য দেশ নয়?
  1. কানাডা
  2. ফ্রান্স
  3. রাশিয়া
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
Group of Eight (G-8):
- এটি ছিল বিশ্বের শিল্পোন্নত ৮টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- এই জোট গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।

⇒ G-8-এর অন্তর্ভুক্ত সদস্য দেশ:
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য।

⇒ G-7:
- G-7 এর পূর্ণরূপ: Group of Seven.
- এটি বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট।
- এটি বিশ্বের ধনী দেশগুলোর সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- G-7 এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৭টি।
- জি-৭ এর বর্তমান সদস্য দেশ গুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- এই সংস্থার একমাত্র এশীয় দেশ জাপান।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি।
- তবে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।

⇒ ১ জানুয়ারি, ২০২৪ থেকে, ইতালি G-7-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।
- জর্জিয়া মেলোনি ২০২৪ সালের G-7 সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন।
- G-7-এর সভাপতিত্ব তার সদস্য দেশগুলির মধ্যে প্রতি বছর আবর্তিত হয়।
- এটি প্রতিটি সদস্যের এজেন্ডা এবং অগ্রাধিকারগুলিকে প্রভাবিত করার সুযোগ নিশ্চিত করে।

উৎস: G-7 ওয়েবসাইট।
২৯.
'আজভ ব্যাটালিয়ন' গোষ্ঠী নিম্নের কোন ব্যক্তির আদর্শে বিশ্বাসী?
  1. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  2. উইনস্টোন চার্চিল
  3. এডলফ হিটলার
  4. নিকিতা ক্রুশ্চেভ
ব্যাখ্যা
আজভ ব্যাটালিয়ন:
- আজভ ব্যাটালিয়ন হলো ইউক্রেনের একটি সশস্ত্র আধা-সামরিক গোষ্ঠী।
- এর সব সদস্যই স্বেচ্ছাসেবী।
- এই গোষ্ঠীটি অতি-জাতীয়তাবাদী।
- হিটলারের আদর্শে বিশ্বাসী এই আধাসামরিক গোষ্ঠী। 
- এরা নব্য-নাৎসিবাদ ও শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।
- এরা নিজেদের নব্য-নাৎসি পরিচয় দিয়ে থাকে।
- ২০১৪ সালের মে মাসে স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠী হিসেবে আজভ ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্যোক্তা ছিল একদল ইউক্রেনীয় অতি-জাতীয়তাবাদী এবং নব্য-নাৎসি সোশ্যাল ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (এসএনএ) গোষ্ঠী।
- পরে একে ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে 'ইনটারভেনশন ইউনিট' হিসেবে যুক্ত করা হয়।
- আজভ ব্যাটালিয়নের প্রতিষ্ঠাতা আন্দ্রেই বিলেতস্কি।

উল্লেখ্য,
- আজভ ব্যাটালিয়নের সদস্যসংখ্যা প্রায় ৯০০।
- তাদের অধিকাংশই প্যারামিলিটারি।
- এই ব্যাটালিয়নের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয় ইসরায়েলি আর্মির কর্মকর্তারা।
- বর্তমানে আজভ ব্যাটালিয়নের খরচ বহন করেন অলিগার্ক ইগর কলোময়েস্কি (ইউক্রেনিয়ান বিদ্যুৎ গ্রিডের মালিক)।

⇒ ২০১৪ সালে ২ মে এই প্যারামিলিটারি বাহিনী ওডেসায় হাউস অভ ট্রেড ইউনিয়নসে হামলা চালিয়ে গণহত্যা চালায়।
- এছাড়া দনবাস (ইউক্রেনের রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদী দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল) অঞ্চলে রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ওপর হামলা চালিয়ে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে এই আজভ গোষ্ঠী।
- ২০১৫ সালে এক ব্যক্তিকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার পর কুখ্যাত হয়ে ওঠে আজভ ব্যাটালিয়ন।
- ২০১৮ সালে আজভ ইউনিট রোমা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সুসংগঠিত লুণ্ঠন ও হত্যাকাণ্ড চালায়।

উৎস: i) ১ মার্চ, ২০২২, Al Jazeera।
ii) ১৭ মার্চ, ২০২২, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৩০.
আয়তনে এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি?
  1. থাইল্যান্ড
  2. ভুটান
  3. মালদ্বীপ
  4. তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
মালদ্বীপ:
- ভারতীয় উপমহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের দেশ মালদ্বীপ।
- এটি এশিয়া মহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্রতম।
- ১১০০ দ্বীপ নিয়ে দেশটি গঠিত।
- এর আয়তন প্রায় ২৯৮ বর্গ কিলোমিটার।
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক জোট সার্কের সদস্য।
- মালদ্বীপ বিশ্বের সবচেয়ে নিচু দেশ।
- দ্বীপ রাষ্ট্রটির অর্থনীতি মূলত পর্যটন নির্ভর।
- পর্যটনের জন্য বিখ্যাত এ দেশের সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সর্বোচ্চ উচ্চতা মাত্র দুই দশমিক তিন মিটার।
- রাজধানী: মালে।
- ভাষা: দিভেহী ও ইংরেজি।
- পার্লামেন্ট : পিপলস মজলিস।
- মুদ্রা : মালদ্বীপীয় রুপাইয়া।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.
৩১.
ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ অনুযায়ী, কোন দেশে ন্যাটো প্রথমবারের মতো হামলা চালায়?
  1. কসোভো
  2. লিবিয়া
  3. ইরাক
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

⇒ উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এই সংগঠনের মূলমন্ত্র হল "A mind unfettered in deliberation".

⇒ ইউরোপের বাইরে প্রথম মিশন: আফগানিস্তান, ২০০৩।

⇒ ন্যাটোর গঠনতন্ত্র ও চুক্তিগুলো শুধু সদস্য দেশগুলোর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। 
- ন্যাটোর আর্টিকেল-৪-এ কোনো সদস্য দেশ অন্য কোনো দেশ বা সন্ত্রাসী সংগঠনের কাছ থেকে হুমকি বোধ করলে সে বিষয় নিয়ে সংগঠনের অবস্থান ও করণীয় নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।
- ন্যাটোর গঠনতন্ত্রে আর্টিকেল-৫-এর সঙ্গে আর্টিকেল-৪-এর বিস্তর পার্থক্য রয়েছে।
- আর্টিকেল-৫ অনুযায়ী, কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকি সবার সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বলা হয়েছে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। 

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৩২.
জাতিসংঘে 'মিস্টার না' হিসেবে পরিচিত ছিলেন -
  1. দিমিত্রি শেপিলভ
  2. ব্যাচেস্লাভ মোলোটভ
  3. এডুয়ার্ড শেভার্ডনাদজে
  4. আন্দ্রেই গ্রোমিকো
ব্যাখ্যা
আন্দ্রেই গ্রোমিকো:
- জাতিসংঘে 'মিস্টার না' হিসেবে পরিচিত ছিলেন আন্দ্রেই গ্রোমিকো।
- সোভিয়েত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই গ্রোমিকো।
- আন্দ্রেই গ্রোমিকো শীতল যুদ্ধের সময় সোভিয়েত কমিউনিস্ট রাজনীতিবিদ ছিলেন।
- ১৯৪৬ থেকে ১৯৪৮ পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন।
- ১৯৫৭ থেকে ১৯৮৫ পর্যন্ত তিনি ছিলেন সোভিয়েত পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
- তিনি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সোভিয়েত ভেটোর ঘন ঘন ব্যবহার করেছিলেন।
- জাতিসংঘে থাকার সময় তিনি এত বেশিবার ভেটোক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন যে তিনি মিস্টার ভেটো বা মিস্টার নো নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩৩.
মোসাদ (MOSSAD) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১১ ডিসেম্বর, ১৯৪৭
  2. ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৭
  3. ১১ ডিসেম্বর, ১৯৪৯
  4. ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
মোসাদ (MOSSAD):
- মোসাদ হলো ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- মোসাদ গঠিত হয়: ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- বর্তমান প্রধান: ডেভিড বার্নিয়া। (২০২৪ সাল)
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরাইল।

⇒ এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচরবৃত্তি সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম।
- মোসাদ সাধারণভাবে বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বৈদেশিক নীতি-নির্ধারণে সহায়তা, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি, বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি, শত্রু এজেন্টদের সন্ধান, সাইবার ওয়ারফেয়ার পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ, ক্ল্যান্ডেস্টাইন অপারেশন পরিচালনা, ড্রোন আক্রমণ, গুপ্ত কারাগার পরিচালনা, বিশ্বের বড় বড় করপোরেশনের নীতিনির্ধারণের চেষ্টা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পিওনাজ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
⇒ ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের বিখ্যাত অপারেশনগুলো হচ্ছে -
- ১৯৬০ সালে আর্জেন্টিনায় আইখম্যান হান্ট, ১৯৬৫ সালে হেবাররত চুকারস হত্যা,
- ১৯৬৩-৬৬ সালের অপারেশন ডায়মন্ড,
- ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ,
- ১৯৯০ সালের অপারেশন জেরাল্ড বুল কিলিং,
- ১৯৯২ সালের আতেফ বেইসো হত্যাকাণ্ড,
- ২০১০ সালের মোহাম্মদ আল মাবহু হত্যাকাণ্ড।

উৎস: i) Center for Israel Education ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
৩৪.
The Associated Press কোন দেশের সংবাদ সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাজ্য
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
The Associated Press (AP):
- AP বা The Associated Press একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা।
- এটি পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ একটি আমেরিকান সংবাদ সংস্থা।
- সংস্থাটি ১৮৪৬ সালে গঠিত হয়।
- এর প্রধান সদর দপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- নিউইয়র্কে প্রতিষ্ঠিত বার্তা সংস্থাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সংবাদপত্র ও সম্প্রচার কেন্দ্রের মালিকানাধীন একটি সমবায় প্রতিষ্ঠান।
- এর ফটো লাইব্রেরিতে এক কোটির বেশি ছবি আছে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বিশ্বের অনেক গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষ ফির বিনিময়ে এপির সংগৃহীত তথ্য ও ছবি ব্যবহার করে।

উল্লেখ্য,
- কয়েক দশক ধরে, সংবাদ সংস্থাটি চার ডজনেরও বেশি পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে।

উৎস: Britannica.
৩৫.
কত সালে মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা তাদের নাগরিকত্ব হারায়?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
মিয়ানমার:
• ১৯৪৮ সালে মিয়ানমার স্বাধীনতা লাভ করে।
• ১৯৬২ সালে মিয়ানমারের সামরিক সরকার নে উইন রোহিঙ্গাদের প্রতি অমানবিক নির্যাতন করে।
• ১৯৭৮ সালে নে উইন সামরিক সরকার রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে 'অপারেশন ড্রাগন কিং' চালায়।
• ১৯৮২ সালে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব আইনে ১৩৫টি গোত্রের জনগোষ্ঠীকে নাগরিকত্ব প্রদান করা হয় কিন্তু রোহিঙ্গাদের সেই তালিকার বাইরে রাখা হয়।

⇒ রোহিঙ্গা সম্প্রদায় হচ্ছে মায়ানমার রাষ্ট্রের উত্তর রাখাইন প্রদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠী।
- যদিও কয়েকশ বছর আগে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বাসস্থান ছিল রাখাইন প্রদেশে কিন্তু ১৯৮২ সালে মায়ানমার রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব আইনেও তাদের বঞ্চিত করা হয়।
- এর আগে ১৯৭৮ সাল থেকে রোহিঙ্গা সম্প্রদায় বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছে যেমন বলপূর্বক শ্রম, বেআইনি গ্রেফতার, অনির্দিষ্ট কালের জন্য আটক, নির্যাতন, হত্যা, শ্লীলতাহানি, বাড়িঘের ও মসজিদ ভাঙচুর, গতিবিধির নিয়ন্ত্রণ, উৎখাত, শিক্ষার ওপর নিষেধাজ্ঞা, চিকিৎসা থেকে বঞ্চনা এবং বাধ্যতামূলক জন্মনিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি।
- সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায় এবং রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হওয়ায় বহু রোহিঙ্গা প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হন।

উল্লেখ্য,
- মিয়ানমার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ।
- প্রাচীন নাম ব্রহ্মদেশ।
- রাজধানীর নাম ইয়াঙ্গুন।
- আগে নাম ছিল রেঙ্গুন।
- এর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ উপকূল, পশ্চিমে বাংলাদেশ ও ভারত, উত্তরে চীন, পূর্বে চীন, লাওস ও থাইল্যান্ড।
- মিয়ানমারের সরকারী ভাষা বর্মী।
- কিয়াট হল মিয়ানমারের মুদ্রা।

উৎস: Britannica.
৩৬.
নামিবিয়া ও অ্যাঙ্গোলাকে পৃথককারী সীমারেখা কোনটি?
  1. ১৭তম প্যারালাল
  2. ৩৮তম প্যারালাল
  3. ১৬তম প্যারালাল
  4. ২৪তম প্যারালাল
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- তিন বিঘা করিডোর: ভারত ও বাংলাদেশ,
- লাইন অব কন্ট্রোল (LOC ): ভারত ও পাকিস্তান,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC ): ভারত ও চীন,
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ১৬তম প্যারালাল: নামিবিয়া ও অ্যাঙ্গোলা,
- ১৭তম প্যারালাল: উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম,
- ২৪তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ২৮তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ৩৭তম প্যারালাল: ভারত ও মায়ানমার,
- ৩৮তম প্যারালাল: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া,
- ৪৯তম প্যারালাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা,
- ৮⁰ চ্যানেল: ভারত (মিনিকয় দ্বীপ) ও মালদ্বীপ,
- ইংলিশ চ্যানেল: ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স,
- ওডার-নাইসে লাইন: পূর্বতন পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ড,
- গ্রেট চ্যানেল: ভারত (আন্দামান, নিকোবর) ও সুমাত্রা,
- ডানকান প্যাসেজ: গ্রেট আন্দামান ও লিটন আন্দামান,
- ম্যাগিনট লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- সিগফ্রেড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- হিনডেন বার্গ লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।

উৎস: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
৩৭.
কোন দেশের পরমাণু বিরোধী নীতি চালুর কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ANZUS চুক্তির বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে?
  1. কানাডা
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- এটি একটি সামরিক জোট।
- ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- লক্ষ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে বৈদেশিক আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- সদরদপ্তর : ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া।

উল্লেখ্য,
- ANZUS চুক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা নিশ্চিত করতে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- ১৯৮০ এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পরমাণু বিরোধী নীতি চালুর কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে।
- এর ফলে ANZUS চুক্তি বাস্তবে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- যদিও চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি, কিন্তু নিষ্ক্রিয় রয়েছে।

⇒ ১৯৮৪ সালে নিউজিল্যান্ড নিজেকে পারমাণবিক মুক্ত অঞ্চল ঘোষণা করে।
- ফলে মার্কিন পরমাণু চালিত সাবমেরিনগুলিকে তার বন্দরগুলি দেখার অনুমতি দিতে অস্বীকার করে।
- দুই বছর পর, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ পি. শল্টজ এবং অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিল হেডেন একটি সিরিজ দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সমাপ্তি ঘটিয়েছিলেন।
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৬-এ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ডের প্রতি চুক্তির বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে।

উৎস: i) Office of the Historian (.gov).
ii) Britannica.
৩৮.
Rotary International-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. মেলভিন জন্স
  2. রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েল
  3. লেস্টার ব্রাউন
  4. পল পি. হ্যারিস
ব্যাখ্যা
Rotary International:
- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ব্যবসায়িক ও পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়ে গড়ে উঠা সেবামূলক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯০৫ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: শিকাগোর মার্কিন অ্যাটর্নি পল পি. হ্যারিস।
- নীতিবাক্য: নিজের উপরে সেবা।
- সদরদপ্তর: ইভানস্টন, ইলিনয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল হলো মানবকল্যাণমুখী সমাজ উন্নয়নমূলক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- রোটারি নামটি মূলত হ্যারিস দ্বারা প্রস্তাবিত।
- রোটারি আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি সারা বিশ্বের রোটারিয়ানদের মধ্যে আন্তর্জাতিক চৈতনাকে প্রচার করে।
- রোটারি ক্লাবগুলি সমাজকল্যাণ এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম যৌথ বা একক উভয়ভাবে পরিচলানা করে থাকে।

এছাড়াও,
- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ ১৯৩৭ সালের ২২ ডিসেম্বর ঢাকায় রোটারি ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাত্র ৮৮ জন ডিস্ট্রিক্ট সদস্যকে নিয়ে পরবর্তী বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি সনদ প্রাপ্ত হয়।
- তখন থেকে রোটারি কার্যক্রম প্রসারিত হচ্ছে।
- এখন পর্যন্ত রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮০ এর তত্ত্বাবধানে ২০৫ টি ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- যার মোট সদস্য সংখ্যা হলো ৪৩০০।
- এছাড়াও এর অনেক জুনিয়র ক্লাব রয়েছে যেমন, রোটারাক্ট ক্লাব, ইন্টারাক্ট ক্লাব এবং রোটারি কমিউনিটি কোর্পস।

অন্যদিকে -
- লেস্টার ব্রাউন Worldwatch Institute এর প্রতিষ্ঠাতা।
- রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েল স্কাউট আন্দোলন-এর প্রতিষ্ঠাতা।
- মেলভিন জন্স লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল-এর প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: i) Rotary International ওয়েবসাইট।
ii) সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
৩৯.
কোন গেরিলা সংগঠনের সাথে শান্তিচুক্তির কারণে জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. M-19
  2. ফার্ক
  3. টুপাক আমারু
  4. শাইনিং পাথ
ব্যাখ্যা
জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস:
- জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস কলম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ২০১০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস মার্কসবাদী গেরিলা সংগঠন 'ফার্ক'-এর সাথে ২০১৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
- দীর্ঘ ৪ বছর ধরে আলোচনার পর তিনি শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- কলম্বিয়ার পার্লামেন্ট ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর এই শান্তি চুক্তিটি অনুমোদন করেছে।
- তিনি বামপন্থি ফার্ক বিদ্রোহীদের সঙ্গে ৫২ বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসানের প্রচেষ্টা চালানোর জন্য ২০১৬ দালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন।

⇒ ফার্ক (FARC):
- FARC-এর পূর্ণরূপ: Revolutionary Armed Forces of Colombia.
- এটি ল্যাটিন আমেরিকার একটি পুরনো গেরিলা সংগঠন।
- এটি কলম্বিয়ার কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়।
- ফার্কের প্রতিষ্ঠাতা ম্যানুয়েল মারুলেন্দা।
- এরা মূলত মার্কসবাদী আদর্শে বিশ্বাসী।

উৎস: Britannica.
৪০.
‘ফেস্টিভ্যাল দে কানস’ কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
কান চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৪:
- দক্ষিণ ফ্রান্সের সমুদ্র তীরবর্তী কান শহরে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব ‘ফেস্টিভ্যাল দে কানস’।
- চলচ্চিত্রশিল্পের অন্যতম বড় প্রদর্শনীর নাম কান চলচ্চিত্র উৎসব।
- এটি বিশ্বের চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিনয়শিল্পী ও প্রযোজকদের অন্যতম একটি মিলনমেলা।
- ১৯৪৬ সালে প্রথম কান চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
- আসরের সেরা পুরস্কার ‘পাম দি’অর’ বা ‘স্বর্ণপাম’ প্রথম প্রদান করা হয় ১৯৫৫ সালে।
- প্রতিবছরের মে মাসে ১২ দিনের জন্য এ আসর অনুষ্ঠিত হয়।

⇒ ২০২৪ সালে ৭৭তম কান চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হয়।

⇒ ৭৭তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে বিজয়ীদের তালিকা:
- স্বর্ণপাম: আনোরা (শন বেকার, যুক্তরাষ্ট্র),
- গ্র্যাঁ প্রিঁ: অল উই ইমাজিন অ্যাজ লাইট (পায়েল কাপাডিয়া, ভারত),
- জুরি প্রাইজ: এমিলিয়া পেরেস (জ্যাক অদিয়াঁর, ফ্রান্স),
- স্পেশাল জুরি প্রাইজ: দ্য সিড অব দ্য স্যাক্রেড ফিগ (মোহাম্মদ রাসুলফ, ইরান),
- সেরা অভিনেতা: জেসি প্লেমন্স (কাইন্ডস অব কাইন্ডনেস, যুক্তরাষ্ট্র),
- সেরা অভিনেত্রী: সেলেনা গোমেজ, জোয়ি স্যালডানা, আদ্রিয়ানা পাজ, কার্লা সোফিয়া গাসকোন (এমিলিয়া পেরেস),
- সেরা পরিচালক: মিগেল গোমেজ (গ্র্যান্ড ট্যুর, পর্তুগাল),
- সেরা চিত্রনাট্যকার: কোরালি ফারজাঁ (দ্য সাবস্ট্যান্স, ফ্রান্স),
- সেরা চলচ্চিত্র: ব্ল্যাক ডগ (গুয়ান হু, চীন)।
 
উৎস: Festival de Cannes ওয়েবসাইট।