পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়15 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা টপিক: পূর্ববর্তী ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা। --------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
বাংলা সাহিত্যে 'অবক্ষয় যুগ' এর সূচনা হয়েছিল কত খ্রিষ্টাব্দে?
  1. ১৭৩০ খ্রি.
  2. ১৭৫০ খ্রি.
  3. ১৭৬০ খ্রি.
  4. ১৮৫০ খ্রি.
ব্যাখ্যা
• যুগসন্ধির কাল / অবক্ষয় যুগ:
- ১২০১-১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়টাকে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ হিসেবে ধরা হয়।
- আর ১৮০১ খ্রিস্টাব্দ - বর্তমান হচ্ছে আধুনিক যুগ।
- এর মধ্যে ১৭৬০ থেকে ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে বাংলা সাহিত্যের 'যুগসন্ধির কাল' বলা হয়। মধ্যযুগের শেষ ও আধুনিকযুগের সূচনালগ্নের এই শত বছরে চলেছে একটি নীরব প্রস্তুতি। এই প্রস্তুতির প্রধান পুরোহিত ছিলেন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। 
- ১৭৬০ থেকে ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে 'যুগসন্ধির কাল' বা 'যুগসন্ধিক্ষণ' বা 'অবক্ষয় যুগ' বলা হয়ে থাকে।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
.
কার পদাঙ্ক অনুসরণ করে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের পুথি সংগ্রহে নেপালে যাত্রা করেন?
  1. প্রবোধচন্দ্র বাগচী
  2. শশীভূষণ দাশগুপ্ত
  3. রাহুল সংকৃত্যায়ন
  4. রাজেন্দ্রলাল মিত্র
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ আবিষ্কারের তথ্য: 
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বৌদ্ধধর্মে'র ইতিবৃত্ত সন্ধানেই নেপাল যাত্রা করে এ-পর্যন্ত প্রাপ্ত বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। 

- শাস্ত্রী মশায়ের পূর্বে, এ-সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহে প্রথম প্রবৃত্ত হন- রাজা রাজেন্দ্রলাল মিত্র। সম্ভবত তিনিই প্রথম নেপাল যাত্রা করে সংস্কৃতে রচিত অনেকগুলি বৌদ্ধ ধর্ম' ও সাহিত্যের পুথি প্রাপ্ত হন এবং ১৮৮২ খ্রীষ্টাব্দে Sanskrit Buddhist Literature In Nepal নাম দিয়ে সে সবের একটি তালিকাও প্রকাশ করেন। 

• রাজেন্দ্রলাল মিত্রের পর তাঁরই পদাঙ্ক অনুসরণ করে নেপালে পুথি সংগ্রহের চেষ্টায় যান হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ধর্ম ঠাকুরকে প্রচ্ছন্ন বৌদ্ধ বলে মনে করেছিলেন - 'নানা কারণে আমার সংস্কার হইয়াছিল যে, ধর্মমঙ্গলের ধর্মঠাকুর বৌদ্ধ ধর্মের শেষ'। শাস্ত্রী মশায়ের এ সিদ্ধান্ত পরবর্তীকালে অসার প্রমাণিত হয়েছে। তিনবার তিনি নেপালে যান, ১৮৯৭-৯৮ খ্রীষ্টাব্দে দুবার এবং শেষবার ১৯০৭ খ্রীষ্টাব্দে।

- এই শেষবার তিনি ১৯০৭ সালে সাহিত্যের মূল্যবান সম্পদ আবিষ্কার করেন। তিনি  বলেন- নেপালে গিয়া আমি কয়েকখানি পুথি দেখিতে পাইলাম। একখানির নাম চর্য্যাচয্যবিনিশ্চয়, উহাতে কতকগুলি কীর্ত্তনের গান আছে ও তাহার সংস্কৃত টীকা আছে। গানগুলি বৈষ্ণবদের কীর্ত্তনের মত, গানের নাম চর্যাপদ।

অন্যদিকে,
• ১৯৪৬ সালে ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত সহজযান প্রসঙ্গে চর্যাপদের অর্ন্তনিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা করেন।
• ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতী ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
• বিহারের বিখ্যাত পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন বৌদ্ধ সিদ্ধাচর্য, বৈদ্ধ সহজান ও চর্যাগীতিকা নিয়ে ইংরেজি ও হিন্দিতে প্রচুর গবেষণা করেন।

উৎস: চর্যাগীতিকা- মুহম্মদ আবদুল হাই এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
‘কালিকলম’ কী ধরনের সাহিত্য পত্রিকা ছিল?
  1. সাপ্তাহিক
  2. মাসিক
  3. দৈনিক
  4. ত্রৈমাসিক
ব্যাখ্যা
• ‘কালিকলম’ পত্রিকা:
- কালিকলম সচিত্র মাসিক সাহিত্য পত্রিকা। প্রথম প্রকাশ বৈশাখ ১৩৩৩ (১৯২৬)।
- মুরলীধর বসু, শৈলেজানন্দ মুখোপাধ্যায় ও প্রেমেন্দ্র মিত্রের সম্পাদনায় কলকাতা, কলেজ স্ট্রিট মার্কেটের বরদা এজেন্সি থেকে প্রকাশিত।
- প্রথম বছর সম্পাদক ছিলেন - প্রেমেন্দ্র মিত্র; দ্বিতীয় বছর সম্পাদক ছিলেন - শৈলেজানন্দ মুখোপাধ্যায় ও মুরলীধর বসু এবং চতুর্থ বছরে সম্পাদক - মুরলীধর বসু।
- প্রত্যেক মাসের ৩০ তারিখে এটি প্রকাশিত হতো। পত্রিকাটির মেয়াদকাল ছিল মাত্র চার বছর।
- সে-সময়ের বিশিষ্ট কবি-সাহিত্যিকগণ কালিকলম কাগজে লিখেছিলেন। পত্রিকাটিতে ছাপা হতো গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ ও অনুবাদ। পত্রিকাটি পাঠকদের কাছে যাতে আকর্ষণীয় হয়, তার জন্য ‘সংগ্রহ’, ‘চয়নিকা’, ‘বিচিত্রা’, ‘অসংলগ্ন’, ‘চিত্র’ ও ‘সাহিত্যপ্রসঙ্গ’ নামে ফিচার বিভাগ ছিল।
- পত্রিকাটির প্রথম সংখ্যার প্রথম রচনা ছিল শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক বড় গল্প ‘মহাযুদ্ধের ইতিহাস’। এ ছাড়া তিনি ‘দিদিমণি’ নামে আরেকটি গল্প লিখেছিলেন ছদ্মনামে।
- প্রেমেন্দ মিত্রের উপন্যাস ‘পাঁক’-এর দ্বিতীয় পর্ব ধারাবাহিকভাবে শুরু হয়েছিল কালিকলম-এর প্রথম সংখ্যা থেকে। এ ছাড়া তাঁর ‘মগেরমুল্লুক’ ও ‘মানুষের মানে চাই’ নামে কবিতা প্রকাশিত হয়।
- পত্রিকার দ্বিতীয় সংখ্যায় (জ্যৈষ্ঠ সংখ্যা) প্রকাশিত নজরুল ইসলামের ‘মাধবী প্রলাপ’ কবিতা নিয়ে রক্ষণশীল পাঠক সমাজে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এ কবিতায় দেহজ আবেদন ও অশ্লীল শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে।

উল্লেখ্য,
• ঢাকা থেকে ২০০৪ সালে কালি ও কলম - নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. প্রিয়া
  2. ললনা
  3. কনিষ্ঠা
  4. তেজস্বিনী
ব্যাখ্যা
• নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ:
বাংলা ভাষায় বেশ কিছু শব্দ আছে যেগুলো নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে পরিচিত। এদের পুরুষবাচক শব্দ হয় না।
যেমন:
সধবা, বিধবা, সপত্নী, সতিন, বিমাতা, ললনা, অঙ্গনা, এয়ো, দাই, কুলটা, অসূর্যম্পশ্যা, অরক্ষণীয়া, লক্ষ্মী, ডাইনি, গর্ভিণী, বেশ্যা ইত্যাদি।

• নিত্য পুরুষবাচক শব্দ:

যে শব্দের স্ত্রীবাচক হয় না তাকে নিত্য পুরুষবাচক শব্দ বলে। যেমন: রাষ্ট্রপতি, বিপত্নীক, কৃতদার, অকৃতদার, কবিরাজ, কুস্তিগির, পুরোহিত, স্ত্রৈণ, কোটিপতি, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী, ঢাকি, ঢুলি, চৌকিদার, দফাদার ইত্যাদি।

----------------------
‘আ’ প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ:
• প্রিয় - প্রিয়া;
• কনিষ্ঠ - কনিষ্ঠা।

‘ইনী’ প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ:
• বিজয়ী - বিজয়িনী;
• যোগী - যোগিনী;
• তেজস্বী - তেজস্বিনী।

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
‘মিছিল’ কোন পদের উদাহরণ?
  1. ক্রিয়া
  2. বিশেষণ
  3. বিশেষ্য
  4. ক্রিয়া-বিশেষণ
ব্যাখ্যা
•  ‘মিছিল’ সমষ্টি-বিশেষ্য পদের উদাহরণ।

• বিশেষ্য পদ:
যেসব শব্দ দিয়ে ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, বস্তু, ধারণা ও গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে বিশেষ্য বলে। যেমন নজরুল, বাঘ, ঢাকা, ইট, ভোজন, সততা ইত্যাদি। বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার:
১. নাম-বিশেষ্য,
২. জাতি-বিশেষ্য,
৩. বস্তু-বিশেষ্য,
৪. সমষ্টি-বিশেষ্য,
৫. গুণ-বিশেষ্য এবং
৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য।

• নাম-বিশেষ্য:
ব্যক্তি, স্থান, দেশ, কাল, সৃষ্টি প্রভৃতির সুনির্দিষ্ট নামকে নাম-বিশেষ্য বলা হয়।
যেমন:
ব্যক্তিনাম: হাবিব, সজল, লতা, শম্পা।
স্থাননাম: ঢাকা, বাংলাদেশ, হিমালয়, পদ্মা।
কালনাম: সোমবার, বৈশাখ, জানুয়ারি, রমজান।
সৃষ্টিনাম: গীতাঞ্জলি, সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা।

• জাতি-বিশেষ্য:
জাতি-বিশেষ্য সাধারণ-বিশেষ্য নামেও পরিচিত। এ ধরনের বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো নামকে না বুঝিয়ে প্রাণী ও অপ্রাণীর সাধারণ নামকে বোঝায়। যেমন: মানুষ, গরু, ছাগল, ফুল, ফল, নদী, সাগর, পর্বত ইত্যাদি।

• বস্তু-বিশেষ্য:
কোনো দ্রব্য বা বস্তুর নামকে বস্তু-বিশেষ্য বলে। যেমন: ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।

• সমষ্টি-বিশেষ্য:
এ ধরনের বিশেষ্য দিয়ে ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়। যেমন: জনতা, পরিবার, ঝাঁক, বাহিনী, মিছিল ইত্যাদি।

• গুণ-বিশেষ্য:
গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে। যেমন: সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।

• ক্রিয়া-বিশেষ্য:
যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষ্য বলে। যেমন: পঠন, ভোজন, শয়ন, করা, করানো, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
.
সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত
  2. আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য আছে
  3. ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়
  4. সর্বনাম পদ পরিবর্তিত ও সহজতর
ব্যাখ্যা
• সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য:
- সাধু ভাষার রূপ অপরিবর্তনীয়। অঞ্চলভেদে বা কালক্রমে এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
- সাধু ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি বলে এ ভাষায় এক প্রকার আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য আছে।
- এ ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে চলে। এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
- সাধু ভাষারীতি শুধু লেখায় ব্যবহার হয়। তাই কথাবার্তা, বক্তৃতা, ভাষণ ইত্যাদির উপযোগী নয়।
- সাধু ভাষারীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।

অপরদিকে,
• চলিত ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য:
- বাংলা ভাষার সর্বজনস্বীকৃত ভাষারূপ হচ্ছে -চলিতরীতি/ চলনরীতি।
- চলিত রীতি পরিবর্তনশীল অর্থাৎ সময়ের প্রবাহের কারনে চলিত রীতি পরিবর্তিত রূপ লাভ করে।
- এই রীতি তদ্ভব শব্দবহুল। এছাড়াও এতে দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রাধান্য রয়েছে।
- চলিতরীতির লৈখিক ও মৌখিক দুটি রূপই বিদ্যমান।
- এই রীতি সহজবোধ্য, সংক্ষিপ্ত। বকৃতা, সংলাপ ও আলাপ-আলোচনার জন্য উপযোগী।
- চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলাপিডিয়া, অষ্টম শ্রেণির ব্যাকরণ বই।
.
He works his work, I mine. Here 'mine is a-
  1. Relative pronoun
  2. Possessive adjective
  3. Possessive pronoun
  4. Conjunction
ব্যাখ্যা
• Possessive: my, our, your ইত্যাদি সব সময় Adjective হিসেবেই ব্যবহৃত হয়। 
- Possessive adjective - এরপরে সর্বদা noun বসে ৷

• Double Possessive: mine, ours, yours ইত্যাদি সব সময় Pronoun হিসেবেই ব্যবহৃত হয়।
- Possessive pronoun এর পরে noun প্রয়োজন হয় না।

⇒ Possessive pronoun-এর কাজ হলো মালিকানা নির্দেশ করা, কিন্তু noun-এর পুনরাবৃত্তি না করা।
- যেমন: mine, yours, his, hers, ours, theirs। এগুলো আলাদাভাবে noun-এর স্থানে ব্যবহৃত হয়।

- He works his work, I mine.
- উল্লেখিত বাক্যটিতে "mine" একটি Possessive Pronoun। এটি "my work" অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

• Possessive pronoun: - Possessive pronoun হচ্ছে personal Pronoun এর একটি প্রকার।
- এই pronoun দ্বারা possession বা অধিকার বোঝানো হয়।
- It is the pronoun that is used after a noun.
- Mine, ours, hers, theirs, Its  ইত্যাদি হচ্ছে possessive pronoun এর উদাহরণ।

Source- GRAMMARIST. [link]
.
It is time to go home. Here 'home' is a/an-
  1. noun
  2. pronoun
  3. adverb
  4. adjective
ব্যাখ্যা
⇒ It is time to go home. Here 'home' is an - adverb.

• Adverb: 
- যেসব word noun বা pronoun ছাড়া অন্য যেকোন parts of speech, বিশেষ করে verb কে modify করে সেগুলোকে adverb বলে।
- Adverb এমন একটি part of speech যা একটি verb, adjective, অন্য আর একটি adverb অথবা পুরো একটি বাক্যকে মডিফাই করতে পারে।

• এখানে home একটি adverb যা verb ‘go’ কে modify করেছে।
- Home শব্দটি এখানে adverb of place.
- where, why, how, when ইত্যাদি শব্দগুলো দিয়ে Verb-কে প্রশ্ন করে পাওয়া উত্তরই হল adverb.
- Home শব্দটির মাধ্যমে আমরা Where-এর উত্তর পাচ্ছি এবং জানতে পারছি কোথায় যাওয়ার (go) কথা বলা হচ্ছে।
- Home, abroad, here, there, nowhere বাক্যকে adverb of place কে নির্দেশ করে এবং where প্রশ্নের উত্তর প্রদান করে।

অর্থাৎ 'Home' যদি কোনো জায়গা বা বসবাসের স্থান বোঝায়, তাহলে এটি noun (যেমন: "My home is near the park")।
কিন্তু যখন 'home' ক্রিয়ার সঙ্গে গন্তব্য বা দিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তখন এটি adverb হয়।

Source: English Current [link]
.
Opposite gender of 'lady' is -
  1. lord
  2. laddie
  3. duchess
  4. baroness
ব্যাখ্যা
⇒ Lady: সাধারণত সম্ভ্রান্ত শ্রেণির একজন নারী বা ভদ্র মহিলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
Lord: সম্ভ্রান্ত পুরুষের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং এটি Lady-র পুরুষ লিঙ্গের সমার্থক।

অর্থাৎ Lord  অর্থ হচ্ছে সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি, এর feminine gender - Lady অর্থ হচ্ছে উচ্চবংশীয় স্ত্রীলোক।

অন্যান্য অপশনগুলি কেন সঠিক নয়:
Baron হচ্ছে masculine gender এবং এর feminine হচ্ছে Baroness.
Duke হচ্ছে masculine gender এবং এর feminine হচ্ছে duchess. 
Laddie হচ্ছে masculine gender এবং এর feminine হচ্ছে Lassie. 
১০.
'Please' শব্দটির Noun হচ্ছে -
  1. Pleasing
  2. Pleased
  3. Pleasure
  4. Pleaslingly
ব্যাখ্যা
⇒ Please সাধারণত verb বা interjection হিসেবে ব্যবহৃত হয় (যেমন: "Please help me").
তবে 'Please' শব্দটির নাম হিসেবে 'Pleasure' ব্যবহার করা হয়, যা সুখ বা আনন্দের অনুভূতি বোঝায় (যেমন: "It was a pleasure to meet you").

অর্থাৎ Please থেকে Pleasure হচ্ছে সঠিক বিশেষ্য (noun) রূপ,
- Pleasure শব্দটি আনন্দ, তৃপ্তি ইত্যাদি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি বাক্যে noun হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 

- Please (verb intransitive & transitive) 
English Meaning: Cause to feel happy and satisfied.
Bangla Meaning: দয়া/মেহেরবানি/অনুগ্রহ করে, খুশি/সুখী/সন্তুষ্ট/পরিতুষ্ট করা: 

- এর noun form হচ্ছে - Pleasure
English Meaning: A feeling of happy satisfaction and enjoyment.
Bangla Meaning: সুখ; সৌখ্য; প্রীতি; আনন্দ; তুষ্ট; পরিতোষ; আমোদ; আহ্লাদ; ভোগসুখ।

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে -
Pleased (adjective) খুশি; প্রসন্ন; আনন্দিত; পরিতুষ্ট: She looks pleased with herself.
Pleasing (adjective) সুখদায়ক; রমণীয়; প্রীতিকর; প্রীতিপ্রদ।
Pleasely/ Pleaslingly: (adverb) সুখদায়কভাবে; রমণীয়ভাবে।

Source: Oxford Learner's Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১১.
দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু ১৪৪ এবং গ.সা.গু ১২ । একটি সংখ্যা ৪৮ হলে অপর সংখ্যাটি কত? 
  1. ১৮
  2. ২৪
  3. ৩৬
  4. ৪৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু ১৪৪ এবং গ.সা.গু ১২ । একটি সংখ্যা ৪৮ হলে অপর সংখ্যাটি কত? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
দুইটি সংখ্যার গুণফল = দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু × দুইটি সংখ্যার গ.সা.গু 
বা, একটি সংখ্যা × অপর সংখ্যা = দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু × দুইটি সংখ্যার গ.সা.গু
বা, ৪৮ × অপর সংখ্যা = ১৪৪ × ১২
বা, অপর সংখ্যা = (১৪৪ × ১২)/৪৮
∴ অপর সংখ্যা = ৩৬

∴ অপর সংখ্যাটি = ৩৬
১২.
ক : খ = ৪ : ৫, খ : গ = ২ : ৩ এবং গ = ৪৫০ হলে, ক = কত? 
  1. ২৪০
  2. ২৮০
  3. ৩২০
  4. ২৬০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক : খ = ৪ : ৫, খ : গ = ২ : ৩ এবং গ = ৪৫০ হলে, ক = কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
ক : খ = ৪ : ৫ = ৪ × ২ : ৫ × ২ = ৮ : ১০ এবং 
খ : গ = ২ : ৩ = ২ × ৫ : ৩ × ৫ = ১০ : ১৫ 
∴ ক : খ : গ = ৮ : ১০ : ১৫ 

এখন,
ক : গ = ৮ : ১৫
বা, ক/গ = ৮/১৫
বা, ক = ৮গ/১৫
বা, ক = (৮ × ৪৫০)/১৫
∴ ক = ২৪০ ।
১৩.
৪০ থেকে ১০০ পর্যন্ত বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার গড় কত? 
  1. ৬৭
  2. ৬৩
  3. ৬৯
  4. ৬৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪০ থেকে ১০০ পর্যন্ত বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার গড় কত? 

সমাধান: 
৪০ থেকে ১০০ এর মধ্যে বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা = ৯৭
আবার, 
৪০ থেকে ১০০ এর মধ্যে ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা = ৪১
∴ ৪০ থেকে ১০০ পর্যন্ত বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার যোগফল = (৯৭ + ৪১)
= ১৩৮

∴ ৪০ থেকে ১০০ পর্যন্ত বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার গড় = ১৩৮/২
= ৬৯ ।
১৪.
একটি জারে দুধ ও পানির অনুপাত ৬ : ১। দুধের পরিমাণ যদি পানি অপেক্ষা ১০ লিটার বেশি হয়, তবে পানির পরিমাণ কত? 
  1. ২ লিটার
  2. ৪ লিটার
  3. ৬ লিটার
  4. ৮ লিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি জারে দুধ ও পানির অনুপাত ৬ : ১। দুধের পরিমাণ যদি পানি অপেক্ষা ১০ লিটার বেশি হয়, তবে পানির পরিমাণ কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
দুধ : পানি = ৬ : ১ 
ধরি, 
দুধের পরিমাণ = ৬x লিটার 
এবং পানির পরিমাণ = x লিটার 

শর্তমতে, 
৬x - x = ১০ 
বা, ৫x = ১০ 
বা, x = ১০/৫ 
∴ x = ২ 

∴ পানির পরিমাণ = ২ লিটার।
১৫.
কোন বৃহত্তম সংখ্যা দ্বারা ২৮, ৪১ ও ৬৬ কে ভাগ করলে যথাক্রমে ৪, ৫, ৬ ভাগশেষ থাকবে? 
  1. ১২
  2. ১৬
  3. ১৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বৃহত্তম সংখ্যা দ্বারা ২৮, ৪১ ও ৬৬ কে ভাগ করলে যথাক্রমে ৪, ৫, ৬ ভাগশেষ থাকবে?

সমাধান: 
এখানে, 
২৮ - ৪ = ২৪, 
৪১ - ৫ = ৩৬ এবং 
৬৬ - ৬ = ৬০ 

বৃহত্তম সংখ্যাটি হবে ২৪, ৩৬ এবং ৬০ এর গ.সা.গু 
∴ ২৪, ৩৬ ও ৬০ এর গ.সা.গু = ১২ 

∴ বৃহত্তম সংখ্যা = ১২ ।
১৬.
কুমিল্লার নিকটবর্তী 'লালমাই' এলাকা কোন জনপদের কেন্দ্র ছিল?
  1. বঙ্গ
  2. পুন্ড্র
  3. গৌড়
  4. সমতট
ব্যাখ্যা
সমতট:
- দক্ষিণ পূর্ব বাংলার জনপদ সমতট নামটির অর্থ তটের সমান্তরাল।
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
- হিউয়েন সাঙ সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।
- হিউয়েন সাঙ বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার যে বর্ণনা রেখে গেছেন তা থেকে বোঝা যায় যে, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- মেঘনা- পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল।
-সমতটের কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী 'লালমাই' এলাকা।
- ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই নিয়েই ছিল প্রাচীন সমতট।

অন্যান্য প্রাচীন জনপদগুলোর অবস্থান:
- বঙ্গ জনপদ: বৃহত্তর ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহের কিছু অংশ।
- পুণ্ড্র জনপদ: বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে এই জনপদটি গঠিত হয়েছিলো।
- বরেন্দ্র জনপদ: বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।
- গৌড় জনপদ: বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বহরমপুর এলাকায় এটি বিস্তৃত ছিলো।
- হরিকেল জনপদ: সিলেট ও চট্টগ্রামের অংশবিশেষ ছিলো।
- চন্দ্রদ্বীপ জনপদ: বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল। এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭.
বারো ভূঁইয়ার প্রধান কে ছিলেন?
  1. ঈশা খাঁ
  2. শের খান
  3. জাহাঙ্গীর খাঁ
  4. ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
বারো ভূঁইয়া:
- বাংলায় কররানী বংশের রাজত্ব দুর্বল হয়ে পড়লে বাংলার সোনারগাঁ, খুলনা, বরিশাল প্রভৃতি অঞ্চলে কিছুসংখ্যক জমিদার স্বাধীন রাজার মতো রাজত্ব শুরু করে।
- ১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবর পশ্চিম বাংলা ও উত্তর বাংলার অধিকাংশই দখল করে নেন। 
- এক দল জমিদার বা ভূস্বামী একযোগে পূর্ব বাংলার ওপর মোগল আক্রমণ প্রতিহত করেন। এরাই বারো ভূঁইয়া নামে পরিচিত।
- বারো ভূঁইয়াদের মধ্যে সোনারগাঁওয়ের ঈশা খাঁ ছিলেন সর্বাধিক প্রভাবশালী।
- বারো ভূঁইয়াদের প্রধান ছিলেন ঈশা খাঁ।
- আকবরের সেনাপতি মানসিংহ বারবার চেষ্টা করেও ঈশা খাঁকে পরাজিত করতে পারেননি।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসন আমলেও বারো ভূঁইয়ারা মোগলবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

উল্লেখযোগ্য বারো ভূঁইয়া:
⇒ বারো ভূঁইয়াদের মধ্যে সোনারগাঁও এর ঈসা খাঁ ও তার পুত্র মুসা খাঁ, যশোহরের প্রতাপদিত্য, বিক্রমপুরের কেদার রায় ও চাঁদ রায়, বরিশালের কন্দর্প নারায়ণ, ফরিদপুরের মুকুন্দ রাম রায়, নোয়াখালীর লক্ষণ মাণিক্য, নাটোরের কংস নারায়ণ, বাকুড়ার বীর হাম্মীর, ভাওয়ালের ফজল গাজী, চন্দ্রপ্রতাপের চাঁদ গাজ, পুটিয়ার পীতাম্বর রায় এবং দিনাজপুরের প্রমথ রায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়াও বাহাদুর গাজী, সোনা গাজী, ওসমান কান, রাজা ছত্রজিৎ ও রাজা অনন্ত মাণিক্যও বারো ভূঁইয়াদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

ইসলাম খানের আগমন:
- ১৬০৮ সালে ইসলাম খান বাংলার সুবাদার হয়ে আসেন।
- তার মূল লক্ষ্য ছিল বারো ভূঁইয়াদের দমন করে মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা করা।
বারো ভূঁইয়াদের পতন:
- বারো ভূঁইয়ারা পরবর্তীতে ইসলাম খানের নেতৃত্বে মুঘল সেনাবাহিনীর হাতে পরাজিত হন।
- মুঘল শাসনের বশ্যতা স্বীকারের মাধ্যমে বাংলায় মুঘল শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: i) বাংলাপিডিয়া।
              ii) ইতিহাস, এসএএস এইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক পাশকৃত রেগুলেটিং অ্যাক্ট, ১৭৭৩ এর মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. কোম্পানির লাভ বৃদ্ধি
  2. সম্পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদান
  3. ভারতে নতুন উপনিবেশ স্থাপন
  4. কোম্পানি ও কর্মচারীদের দূর্নীতি রোধ
ব্যাখ্যা
রেগুলেটিং এ্যাক্ট (১৭৭৩ খ্রি:):
- উপমহাদেশে কোম্পানির যাবতীয় কাজ প্রথমে ইংল্যান্ডের বোর্ড অব ডাইরেক্টরস পরিচালনা করত।
- কালক্রমে এদেশে রাজ্য বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে শাসন কাজেও নানা বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
- এ বিশৃংখলা দূর করার জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সর্বপ্রথম উপমহাদেশের শাসন কাজে হস্তক্ষেপ করে।
- তদানীন্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থ ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে উপমহাদেশে শাসন আইন নামে একটি আইন পাস করেন যা 'রেগুলেটিং এ্যাক্ট' নামে ইতিহাসে বিখ্যাত।

⇒ ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হওয়ার পর ১৭৭৩ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থের সরকার সর্বপ্রথম বাংলা তথা ভারত শাসন বিষয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে রেগুলেটিং অ্যাক্ট পাস করে।
- ১৭৭৩ সালে প্রণীত রেগুলেটিং অ্যাক্ট ভারতীয় উপমহাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত।
- এই অ্যাক্ট অনুযায়ী বাংলা এবং অন্যান্য প্রেসিডেন্সির শাসনভার ও নিয়ন্ত্রণ একটি কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে ন্যস্ত হয়, যা ‘বাংলার গভর্নর জেনারেল ও ফোর্ট উইলিয়ম কাউন্সিল’ নামে পরিচিত ছিল।
- ভারতীয় উপমহাদেশে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে।
- এই আইনের মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ও দায়িত্ব সংজ্ঞায়িত করে দেওয়া হয়।
- বাংলার গভর্নরকে গভর্নর জেনারেল পদে উন্নীত করা হয়।
- এই আইনের মূল উদ্দেশ্য ছিলো কোম্পানি ও তার কর্মচারীদের দূর্নীতি রোধ করা।
- কিন্তু তা সত্ত্বেও দূর্নীতি রোধ হয়নি।

⇒ রেগুিলেটিং এ্যাক্ট এর দ্বারা বোর্ড অব ডাইরেকট্রসকে ব্রিটিশ সরকারের নিকট কোম্পানির শাসন ও রাজস্ব সম্পর্কে সকল তথ্য পাঠাতে হতো।
- বাংলার গভর্নরকে গভর্নর জেনারেল আখ্যা দেয়া হয়।
- গভর্নর জেনারেলকে সাহায্য করার জন্য ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি 'কাউন্সিল' গঠিত হয় এবং সবার সমান অধিকার দেয়া হয়।
- এই রেগুলেটিং এ্যাক্ট অনুসারে বাংলার গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- এ রেগুলেটিং এ্যাক্ট এর দোষ-ত্রুটি থাকলেও তা উপমহাদেশের শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

তথ্যসূত্র: i) বাংলাপিডিয়া।
              ii) ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
দক্ষিণ আফ্রিকার নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানীর নাম কী?
  1. প্রিটোরিয়া
  2. কেপ টাউন
  3. জোহানেসবার্গ
  4. ব্লোয়েমফন্টেইন
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দুই মহাসাগর মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় তটরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৩৯ মাইল।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- যথা: উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly.
- মুদ্রা: র‍্যান্ড।

⇒ দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা: 
• নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

উল্লেখ্য,
- আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগর উভয়ের উপকূলরেখা সহ পৃথিবীতে মাত্র তিনটি দেশ রয়েছে।
- এই দেশগুলি হলো: দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর এবং ইসরাইল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
২০.
নিচের কোনটি ল্যাটিন আমেরিকার দেশ নয়?
  1. নিকারাগুয়া
  2. কানাডা
  3. আর্জেন্টিনা
  4. মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
ল্যাটিন আমেরিকা:
- ল্যাটিন আমেরিকা সাধারণত মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ছাড়াও দক্ষিণ আমেরিকার সমগ্র মহাদেশ নিয়ে গঠিত।
- এখানকার জনগণ লাতিন ভাষা থেকে উদ্ভূত রোমান্স ভাষাসমূহে কথা বলে।
- রোমান্স ভাষা বলতে মূলত স্পেনীয় এবং পর্তুগিজ ভাষাকে বোঝায়। 
 
উল্লেখ্য,
- ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলি:
-উত্তর ও মধ্য আমেরিকা: বেলিজ, কোস্টারিকা, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, মেক্সিকো, নিকারাগুয়া, পানামা।
- দক্ষিণ আমেরিকা: আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, ফ্রেঞ্চ গায়ানা ( ফ্রান্স বিভাগ ), গায়ানা, প্যারাগুয়ে, পেরু, সুরিনাম, উরুগুয়ে, ভেনিজুয়েলা।
- ক্যারিবিয়ান দেশ: কিউবা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, হাইতি।

অন্যদিকে,
- কানাডা ল্যাটিন আমেরিকার দেশ নয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।