পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১১৩
সিলেবাস
Full model test - 2
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১৩ প্রশ্ন

.
Who was defeated by Babar in the First Battle of Panipat (1526)?/ ১৫২৬ সালের পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবরের কাছে কে পরাজিত হন?
  1. Rana Sanga / রানা সাঙ্গা
  2. Daulat Khan Lodi / দৌলত খান লোদী
  3. Sher Shah Suri / শের শাহ সূরী
  4. Ibrahim Lodi / ইব্রাহিম লোদী
ব্যাখ্যা

১৫২৬ সালের পানিপথের প্রথম যুদ্ধ ভারতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। মোগল বিজয়ী বাবর এখানে লোধী সাম্রাজ্যের সম্রাট ইব্রাহিম লোদীকে পরাজিত করেন। এই যুদ্ধে বাবরের নতুন সামরিক কৌশল, তুর্কি এবং মোগল যুদ্ধ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। ইব্রাহিম লোদীর পরাজয়ের ফলে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপিত হয় এবং উত্তর ভারতের রাজনীতি নতুন দিক নেয়।

উৎস
প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

.
Who was the son and successor of Babar?/ বাবরের পুত্র ও উত্তরসূরি কে ছিলেন?
  1. Humayun / হুমায়ূন
  2. Jahangir / জাহাঙ্গীর
  3. Sher Shah Suri / শের শাহ সূরী
  4. Akbar / আকবর
ব্যাখ্যা

1526 সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদীকে পরাজিত করে বাবর ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন। বাবরের মৃত্যুর পর 1530 খ্রিষ্টাব্দে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র নাসিরউদ্দিন মুহাম্মদ হুমায়ূন মুঘল সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি বাবরের সরাসরি উত্তরসূরি ছিলেন এবং মুঘল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় সম্রাট। তবে হুমায়ূনের শাসনামলে তিনি শের শাহ সূরীর কাছে সাময়িকভাবে পরাজিত হন এবং নির্বাসিত হন। পরে পারস্যের সহায়তায় আবার মুঘল সাম্রাজ্য পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হন।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

.
Which title did Babar assume after establishing Mughal rule?/ মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠার পর বাবর কোন উপাধি গ্রহণ করেন?
  1. Shahenshah / শাহেনশাহ
  2. Badshah / বাদশাহ
  3. Sultan / সুলতান
  4. Ghazi / গাজী
ব্যাখ্যা

১৫২৬ সালের পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদীকে পরাজিত করার পর বাবর ভারতে মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন। বিজয়ের পর তিনি নিজেকে সাধারণ “সুলতান” হিসেবে পরিচিত না করে সম্রাটদের উপাধি “বাদশাহ” গ্রহণ করেন। “বাদশাহ” উপাধি গ্রহণের মাধ্যমে বাবর বোঝাতে চেয়েছিলেন যে তিনি কেবল একটি অঞ্চলের শাসক নন, বরং সর্বভারতীয় সম্রাট। পরবর্তী মুঘল সম্রাটরাও এই “বাদশাহ” উপাধি ব্যবহার করতেন।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

.
Who was the only Hindu member of Din-i-Ilahi?/ দ্বীন-ই-ইলাহির একমাত্র হিন্দু সদস্য ছিলেন কে?
  1. Raja Todar Mal / রাজা টোডরমল
  2. Birbal / বীরবল
  3. Raja Man Singh / রাজা মান সিংহ
  4. Tansen / তানসেন
ব্যাখ্যা

মুঘল সম্রাট আকবর ধর্মীয় সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করেছিলেন এবং বিভিন্ন ধর্মের সাদৃশ্য প্রতিষ্ঠার জন্য 1582 খ্রিষ্টাব্দে একটি নতুন ধর্মীয় মতবাদ প্রবর্তন করেন, যার নাম ছিল “দ্বীন-ই-ইলাহি” (Religion of God)। এই নতুন ধর্মে মূলত মুসলিম আমির-উমরাহরা যোগ দিলেও এর একমাত্র হিন্দু সদস্য ছিলেন আকবরের দরবারের বিখ্যাত নবরত্নদের একজন বীরবল (আসল নাম: মহেশ দাস)। বীরবল আকবরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, উপদেষ্টা এবং রসবোধের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। তাঁর দ্বীন-ই-ইলাহিতে যোগদান আকবরের হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির প্রচেষ্টার প্রতিফলন ছিল।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

.
What title did Akbar give to Raja Todar Mal?/ আকবর রাজা টোডরমলকে কী উপাধি দেন?
  1. Diwan-i-Kohi / দিউয়ান-ই-কোহি
  2. Diwan-i-Ashraf / দিউয়ান-ই-আশরাফ
  3. Diwan-i-Wizarat / দিউয়ান-ই-ওয়েজারাত
  4. Diwan-i-Kul / দিউয়ান-ই-খুল
ব্যাখ্যা

রাজা টোডরমল আকবরের দরবারের একজন প্রসিদ্ধ নবরত্ন ও সর্বশ্রেষ্ঠ অর্থনৈতিক সংস্কারক হিসেবে খ্যাত। তিনি বিশেষভাবে পরিচিত “দশশালা বন্দোবস্ত” বা জমিদারি রাজস্ব ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য। আকবর তাঁর দক্ষতা ও অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ টোডরমলকে “দিউয়ান-ই-আশরাফ” উপাধি প্রদান করেন। এই পদবি রাজস্ব বিভাগ ও আর্থিক প্রশাসনের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জন্য ব্যবহৃত হতো। টোডরমলের আর্থিক নীতি পরবর্তীকালে ব্রিটিশদের স্থায়ী বন্দোবস্ত (Permanent Settlement) নীতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

.
Who was the author of the Ain-i-Akbari?/ আইন-ই-আকবরী গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. Abul Fazl / আবুল ফজল
  2. Raja Todar Mal / রাজা টোডরমল
  3. Birbal / বীরবল
  4. Akbar / আকবর
ব্যাখ্যা

আইন-ই-আকবরী মুগল সম্রাট আকবরের (১৫৫৬-১৬০৫) দরবারের ঐতিহাসিক আবুল ফজল কর্তৃক রচিত আকবরনামা গ্রন্থের তৃতীয় খন্ড। আকবরনামা একটি ইতিহাস গ্রন্থ। সুষ্ঠু প্রশাসন প্রবর্তন ও কার্যকর করার জন্য সম্রাট আকবর যে আইন ও নীতি প্রবর্তন করেন তা আইন-ই-আকবরীতে উল্লিলখিত হয়েছে। এটি একটি প্রবিধানপূর্ণ প্রশাসনিক সারগ্রন্থহ এবং একটি আধুনিক গেজেটিয়ার এর সমতুল্য।

উৎস-বাংলাপিডিয়া

.
Which Mughal emperor built the Buland Darwaza?/ কোন মুঘল সম্রাট বুলন্দ দরওয়াজ নির্মাণ করেন?
  1. Babur / বাবর
  2. Humayun / হুমায়ূন
  3. Akbar / আকবর
  4. Shah Jahan / শাহজাহান
ব্যাখ্যা

আকবরের আমলের শিল্পকলা ও স্থাপত্য : শিল্পকলার ইতিহাসেও আকবরের আমল এক স্মরণীয় অধ্যায় । তার আমলে বহু প্রাসাদ , সমাধি , উদ্যান ও দুর্গ নির্মিত হয় । তার আমলে যে শিল্পরীতি গড়ে ওঠে তাতে ভারতীয় ও পারসিক শিল্পরীতির মিশ্রণ লক্ষ করা যায় । তার আমলে নির্মিত ফতেপুর সিক্রি , সেলিম চিস্তির সমাধি , দেওয়ান - ই - আম , দেওয়ান - ই - খাস , জামি মসজিদ , বুলন্দ দরওয়াজা , হুমায়ুনের সমাধি , সেকেন্দ্রার সমাধি ভবন মুঘল শিল্পের উল্লেখযােগ্য উদাহরণ । ফতেপুর সিক্রির স্থাপত্য - সৌন্দর্যকে ফাগুসন মহৎ প্রাণের প্রতিবিম্ব ’ বলে অভিহিত করেছেন । ডঃ স্মিথ - এর মতে , তা হল ‘ পাথরে নির্মিত কল্পনা ও স্বপ্ন ’ ।

বাংলাপিডিয়া

.
Who was Birbal?/ বীরবল কে ছিলেন?
  1. A famous Mughal general / একজন খ্যাতনামা মুঘল সেনাপতি
  2. A poet in Akbar’s court / আকবরের দরবারের একজন কবি
  3. A witty minister and one of Akbar’s Navaratnas / আকবরের নবরত্নদের একজন বুদ্ধিমান মন্ত্রী
  4. A historian of Akbar / আকবরের ইতিহাসবিদ
ব্যাখ্যা

বীরবল (আসল নাম: মহেশ দাস) ছিলেন সম্রাট আকবরের দরবারের অন্যতম বিখ্যাত নবরত্ন। তিনি তাঁর অসাধারণ বুদ্ধি, প্রখর রসবোধ ও কূটনৈতিক দক্ষতার জন্য সমাদৃত ছিলেন। আকবর তাঁকে বিশেষভাবে পছন্দ করতেন এবং ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে পাশে রাখতেন। বীরবল কেবল একজন দরবারি রসিকই ছিলেন না, বরং রাষ্ট্রীয় কাজে দক্ষ মন্ত্রী হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি আকবর প্রবর্তিত নতুন ধর্ম “দ্বীন-ই-ইলাহি”-এর একমাত্র হিন্দু সদস্যও ছিলেন।

বাংলাপিডিয়া

.
Din-i-Ilahi had how many followers?/ দীন-ই-ইলাহির অনুসারী সংখ্যা কত ছিল?
  1. 15 / ১৫
  2. 16 / ১৬
  3. 17/ ১৭
  4. 18 / ১৮
ব্যাখ্যা

দীন-ই-ইলাহি ১৫৮২ সালে মুঘল বাদশাহ আকবর প্রবর্তিত একটি ধর্ম। তিনি ধর্মীয় বিষয়ে গবেষণার জন্য ১৫৭৫ খ্রী আকবর ফতেপুর সিক্রিতে একটা উপাসনা ঘর তৈরী করেন। যা 'ধর্ম সভা' নামে পরিচিত। সেখানে তিনি বিভিন্ন ধর্মের পণ্ডিতদের কথা শুনতেন। অবশেষে সকল ধর্মের সারকথা নিয়ে তিনি নতুন একটি নিরপেক্ষ ধর্মমত প্রতিষ্ঠা করেন। এটিই 'দীন-ই-ইলাহি' (১৫৮২) নামে পরিচিত। যার পুরো অর্থ ঈশ্বরের (স্রষ্টা অর্থে) প্রতি বিশ্বাস। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ধর্মীয় সহিষ্ণুতা বৃদ্ধি এবং নৈতিক জীবন প্রচার। আকবর উপলব্ধি করেছিলেন যে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী জনগণকে শান্তিপূর্ণভাবে শাসন করতে হলে ধর্মীয় সহনশীলতা এবং নৈতিক মূল্যবোধ অপরিহার্য। দীন-ই-ইলাহি কোনো নতুন ধর্মের ব্যাপক প্রচার ছিল না; এটি মূলত আকবরের নিকটবর্তী মন্ত্রী ও বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে সীমিত ছিল। এই ধর্মমতে বিভিন্ন ধর্মের নীতি ও আচার মিলিত করে নৈতিক জীবন, সততা ও রাজনীতির মধ্যে সুষমতা বজায় রাখা হতো। এর সদস্য ছিলেন মাত্র ১৮ জন।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১০.
Who was the Finance Minister under Akbar’s reign?/ আকবর আমলে অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. Bairam Khan / বাইরাম খান
  2. Todar Mal / টোডরমল
  3. Man Singh / মানসিংহ
  4. Abul Fazl / আবুল ফজল
ব্যাখ্যা

আকবর আমলে সর্বাধিক দক্ষ আর্থিক প্রশাসক ও অর্থমন্ত্রী ছিলেন রাজা টোডরমল। তিনি ছিলেন আকবরের দরবারের নবরত্নদের একজন এবং বিশেষভাবে পরিচিত রাজস্ব ও ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য। তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান হলো “দশশালা বন্দোবস্ত” (Ten Years Settlement), যেখানে ভূমির উর্বরতা ও উৎপাদনশীলতার ভিত্তিতে কর নির্ধারণ করা হতো। এ ব্যবস্থার ফলে কৃষকদের উপর করের বোঝা কিছুটা লাঘব হয় এবং সাম্রাজ্যের আর্থিক ভিত্তি মজবুত হয়। ব্রিটিশরা পরে এই ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করেই স্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেছিল।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১১.
The Mughal Empire effectively ended after the Revolt of —/ কোন বিদ্রোহের পর কার্যত মুঘল সাম্রাজ্যের অবসান ঘটে?
  1. 1757 (Battle of Plassey) / পলাশীর যুদ্ধ
  2. 1764 (Battle of Buxar) / বক্সারের যুদ্ধ
  3. 1857 (Sepoy Mutiny) / সিপাহী বিদ্রোহ
  4. 1761 (Panipat Battle) / পানিপথের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

মুঘল সাম্রাজ্য ভারতীয় উপমহাদেশে শতাব্দী ধরে শাসন করলেও ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ (Sepoy Mutiny / First War of Indian Independence) এর পর তার ক্ষমতা কার্যত শেষ হয়ে যায়। বিদ্রোহের পর ব্রিটিশ সরকার মুঘল সম্রাট বাদশাহ শাহ জামালুদ্দিন বা বর্ধমানের শাহ বাহাদুরকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে। এরপর ব্রিটিশ ভারতের শাসন রাজা বা সম্রাটের মাধ্যমে নয়, সরাসরি ব্রিটিশ সরকার দ্বারা পরিচালিত হতে শুরু করে। যদিও পলাশী (1757) বা বক্সার (1764) যুদ্ধ ব্রিটিশ প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠা করে, কিন্তু মুঘল সম্রাট আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যমান থাকতেন। সিপাহী বিদ্রোহের পর মুঘল সাম্রাজ্য শেষ এবং ব্রিটিশ রাজ্য শাসন শুরু হয়।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১২.
The last Mughal emperor was —/ শেষ মুঘল সম্রাট কে ছিলেন?
  1. Bahadur Shah I / বাহাদুর শাহ প্রথম
  2. Bahadur Shah II / বাহাদুর শাহ দ্বিতীয়
  3. Muhammad Shah / মুহাম্মদ শাহ
  4. Akbar II / আকবর দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা

বাহাদুর শাহ দ্বিতীয় (আসল নাম: আজমুদ্দিন) ছিলেন শেষ মুঘল সম্রাট, যিনি ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ-এর সময় ভারতের মুঘল সিংহাসনে ছিলেন। বিদ্রোহের পর ব্রিটিশরা বিদ্রোহ দমন করে তাকে সুজা (Rangoon, Burma) নির্বাসনে পাঠায়। এরপর মুঘল সাম্রাজ্যের আনুষ্ঠানিক শাসন শেষ হয় এবং ভারত সরাসরি ব্রিটিশ অধীনে চলে আসে। পূর্ববর্তী সম্রাটরা যেমন মুহাম্মদ শাহ, বাহাদুর শাহ প্রথম বা আকবর দ্বিতীয়, তারা বিদ্রোহের সময় সক্রিয় ছিলেন না। তাই ইতিহাসে বাহাদুর শাহ দ্বিতীয়কে শেষ মুঘল সম্রাট হিসেবে মনে করা হয়।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১৩.
Which Sikh Guru was executed by Aurangzeb?/ আওরঙ্গজেব কোন শিখ গুরুকে মৃত্যুদণ্ড দেন?
  1. Guru Nanak / গুরু নানক
  2. Guru Tegh Bahadur / গুরু তেগ বাহাদুর
  3. Guru Arjan Dev / গুরু অর্জুন দেব
  4. Guru Gobind Singh / গুরু গোবিন্দ সিংহ
ব্যাখ্যা

মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁর ধর্মনিরপেক্ষ নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান করা ব্যক্তি ও সম্প্রদায়দের উপর কঠোর ছিলেন। বিশেষত কাশ্মীরের হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি দমনমূলক নীতি বাস্তবায়নের সময়, গুরু তেগ বাহাদুর হিন্দুদের অধিকার রক্ষা করার জন্য আওরঙ্গজেবের অনৈতিক আদেশের বিরুদ্ধে দাঁড়ান। এর ফলে ১৬৭৫ সালে গুরু তেগ বাহাদুরকে দিল্লিতে ধরে নিয়ে গিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। তিনি ইতিহাসে ধর্মের জন্য আত্মত্যাগ করা একজন শহীদ হিসেবে পরিচিত। তাঁর শিষ্য গুরু গোবিন্দ সিংহ পরবর্তীতে সিক্খ সামরিক ও ধর্মীয় পুনর্গঠন করেন।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১৪.
What was the movement called that arose in protest against the Partition of Bengal (1905)?/ বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে যে আন্দোলন গড়ে ওঠে তাকে কী বলা হয়?
  1. Quit India Movement / ভারত ছাড়ো আন্দোলন
  2. Civil Disobedience Movement / আইন অমান্য আন্দোলন
  3. Swadeshi Movement / স্বদেশী আন্দোলন
  4. Non-Cooperation Movement / অসহযোগ আন্দোলন
ব্যাখ্যা

১৯০৫ সালে বেঙ্গল ভাগ (Partition of Bengal) করা হয় ব্রিটিশ সরকারের দ্বারা। এর লক্ষ্য ছিল বঙ্গবাসীর মধ্যে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়কে বিভক্ত করা এবং জাতীয়তাবাদী আন্দোলন দমন করা। এই বিভাজনের প্রতিবাদে ভারতীয়রা স্বদেশী আন্দোলন (Swadeshi Movement) গড়ে তোলে। আন্দোলনের মূল লক্ষ্যে ছিল: বিদেশী পণ্য বর্জন করে স্বদেশী পণ্য ব্যবহারের প্রচার। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি। শিক্ষার ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে জাতীয় চেতনা জাগ্রত করা। স্বদেশী আন্দোলনটি পরবর্তীকালে ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে ইতিহাসে পরিচিত।

উৎস

ড. আবু মো: দেলোয়ার- বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

১৫.
When did the First War of Independence take place in the Indian subcontinent?/ ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম স্বাধীনতার সঙগ্রাম সংঘটিত হয় কবে?
  1. 1857/১৮৫৭
  2. 1757/১৭৫৭
  3. 1947/১৯৪৭
  4. 1905/১৯০৫
ব্যাখ্যা

ভারতে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সিপাহী ও সাধারণ জনগণের প্রতিরোধকে ইতিহাসে প্রথম স্বাধীনতার সঙ্ঘ্রম বা 1857 সালের বিদ্রোহ বলা হয়। এটি শুরু হয় মার্চ 1857-এ মেইলসিপাহিদের বিদ্রোহ থেকে এবং পরে উত্তর ও মধ্য ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। প্রধান কারণগুলো ছিল: সিপাহিদের অসন্তোষ – নতুন রাইফেল কার্তুজের কারণে ধর্মীয় অমর্যাদা। রাজনৈতিক অস্থিরতা – পূর্বের রাজাদের ক্ষমতা হ্রাস। সামাজিক-আর্থিক অশান্তি – জমিদারি ও কর নীতি নিয়ে ক্ষোভ। এই বিদ্রোহ সফল না হলেও ভারতীয় জাতীয়তাবাদের প্রেরণা হিসেবে কাজ করে।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১৬.
In which year did the Company’s rule in the Indian subcontinent come to an end?/ কত সালে উপমহাদেশে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে?
  1. 1757/১৭৫৭
  2. 1858/১৮৫৮
  3. 1947/১৯৪৭
  4. 1905/১৯০৫
ব্যাখ্যা

১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ ব্যর্থ হওয়ার পর ১৮৫৮ সালে ভারত শাসন আইন (Government of India Act, 1858) পাস হয়। এর মাধ্যমে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে এবং ভারতের শাসনভার সরাসরি ব্রিটিশ ক্রাউন বা রানী ভিক্টোরিয়ার অধীনে চলে যায়।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১৭.
At whose initiative was the All-India Muslim League founded?/ কার উদ্যোগে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. Syed Ameer Ali / স্যার সৈয়দ আমীর আলী
  2. Nawab Salimullah of Dhaka / ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ
  3. Aga Khan / আগা খান
  4. Nawab Mohsin-ul-Mulk / নবাব মহসিন-উল-মুলক
ব্যাখ্যা

১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় মোহাম্মদান এডুকেশনাল কনফারেন্সে নবাব সলিমুল্লাহর উদ্যোগে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ (All-India Muslim League) প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রথম অধিবেশন ঢাকার শাহবাগে অনুষ্ঠিত হয়।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

১৮.
Which was the provincial administrative center of the Guptas in Bengal?/ বাংলা অঞ্চলে গুপ্ত প্রাদেশিক শাসনের কেন্দ্রস্থল কোনটি ছিল?
  1. Chandraketugarh (চন্দ্রকেতুগড়)
  2. Gauda (গৌড়)
  3. Pundravardhana (পুন্ড্রবর্ধন)
  4. Tamralipta (তাম্রলিপ্ত)
ব্যাখ্যা

সমগ্র উত্তর বাংলা যে গুপ্ত সাম্রাজ্যের সরাসরি অধীন ছিল তা এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তাম্রশাসন সমূহের ভিত্তিতে প্রমাণিত। প্রথম কুমারগুপ্তের সময় (৪৩২-৪৪৮ খ্রি.) থেকে উত্তর বাংলা গুপ্ত সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে গড়ে ওঠে। এটির নাম ছিল তখন ‘পুন্ড্রবর্ধন ভুক্তি’। বুধগুপ্তের দামোদরপুর তাম্রশাসন (৪৭৮ খ্রি.) থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, পাঁচ শতকে উত্তর বাংলা ছিল পুরোপুরিভাবে গুপ্ত সাম্রাজ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অত্র অঞ্চলে গুপ্ত প্রাদেশিক শাসনের কেন্দ্রস্থল ছিল পুন্ড্রনগর (মহাস্থান)। এখানে গুপ্তদের সুনিয়ন্ত্রিত ও সুবিন্যস্ত শাসন ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল।

বাংলাপিডিয়া

১৯.
Pundravardhana corresponds to which modern site in Bangladesh?/ পুন্ড্রবর্ধন বর্তমান বাংলাদেশের কোন স্থানের সাথে সম্পর্কিত?
  1. Mahasthangarh, Bogra / মহাস্থানগড়, বগুড়া
  2. Mainamati, Comilla / ময়নামতি, কুমিল্লা
  3. Wari-Bateshwar, Narsingdi / ওয়ারী-বটেশ্বর, নরসিংদী
  4. Paharpur, Naogaon / পাহাড়পুর, নওগাঁ
ব্যাখ্যা

পুন্ড্রবর্ধন ছিল প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ নগর এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এটি বর্তমান বগুড়ার মহাস্থানগড় এলাকায় অবস্থান করেছিল। মহাস্থানগড় প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ৩ শতক থেকে খ্রিস্টাব্দের প্রথম দিকে একটি শক্তিশালী নগর এবং রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই নগরটি প্রাচীন বাংলার প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক এবং সামরিক গুরুত্বের নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। তাই পুন্ড্রবর্ধনের স্থানচিহ্ন মহাস্থানগড়ে পাওয়া যায়।

বাংলাপিডিয়া

২০.
Which principle was emphasized in the Fourteen Points?/ চৌদ্দ দফায় কোন নীতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল?
  1. Self-determination of nations / জাতিসমূহের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার
  2. Militarism / সামরিকতাবাদ
  3. Secret treaties / গোপন চুক্তি
  4. Colonization / উপনিবেশবাদ
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট উডরো উইলসন ১৯১৮ সালে তাঁর “Fourteen Points” বা চৌদ্দ দফা ঘোষণা করেন। এই নীতিতে প্রধান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল জাতিসমূহের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার (Self-determination of nations)। এর অর্থ হলো: প্রতিটি জাতি নিজস্ব সরকার ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা স্থাপন করতে পারে এবং কোনো বাইরের শক্তি বা উপনিবেশের শাসনের অধীনে থাকবে না। উইলসনের এই নীতি যুদ্ধের পর ইউরোপীয় সীমা নির্ধারণ ও নতুন রাষ্ট্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ইতিহাস ২য় পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

২১.
The 14th Point of Wilson’s Fourteen Points suggested—/ উইলসনের চৌদ্দ দফার ১৪তম দফায় বলা হয়েছিল—
  1. End of monarchy / রাজতন্ত্রের অবসান
  2. Formation of League of Nations / জাতিপুঞ্জ গঠন
  3. Punishment of Germany / জার্মানির শাস্তি
  4. Division of colonies / উপনিবেশের বিভাজন
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট উডরো উইলসন তাঁর চৌদ্দ দফা নীতি (Fourteen Points) ঘোষণা করেন। এর ১৪তম দফা বিশেষভাবে “League of Nations” বা জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাব দেয়। জাতিপুঞ্জের মূল উদ্দেশ্য ছিল: আন্তর্জাতিক শান্তি বজায় রাখা। রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব সমাধান করা। ভবিষ্যতে যুদ্ধ প্রতিরোধ করা। এই দফার মাধ্যমে উইলসন একটি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন, যা পরবর্তীকালে League of Nations হিসেবে বাস্তবায়িত হয়।

ইতিহাস ২য় পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

২২.
Who is called the Wizard of Diplomacy?/ কূটনীতির জাদুকর কাকে বলা হয়?
  1. Napoleon Bonaparte / নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  2. Kaiser William II / কাইজার উইলহেল্ম II
  3. Klemens von Metternich / ক্লেমেন্স ভন মেটারনিক
  4. Otto von Bismarck / অটো ভন বিসমার্ক
ব্যাখ্যা

অটো ভন বিসমার্ক, জার্মানির চ্যান্সেলর, কূটনীতির জাদুকর নামে পরিচিত। তিনি দক্ষ কূটনীতি ও যুদ্ধের মাধ্যমে জার্মানিকে একীভূত করেন। একীকরণের পর তিনি প্রায় দুই দশক (১৮৭১–১৮৯০) ইউরোপে শান্তি বজায় রাখতে সক্ষম হন জোট ও শক্তির ভারসাম্যের নীতি অনুসরণ করে। তাঁর পররাষ্ট্রনীতি ইতিহাসে বিসমার্কের কূটনীতি নামে পরিচিত।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

২৩.
Who was the first emperor of independent Gauda?/ স্বাধীন গৌড় রাজ্যের প্রথম সম্রাট ছিলেন—
  1. Gopala (গোপাল)
  2. Dharmapala (ধর্মপাল)
  3. Shashanka (শশাঙ্ক)
  4. Harshavardhana (হর্ষবর্ধন)
ব্যাখ্যা

গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর বাংলায় স্বাধীন গৌড় রাজ্যের উত্থান ঘটে। শশাঙ্ক (প্রায় ৬০৬–৬৩৭ খ্রি.) ছিলেন এর প্রথম স্বাধীন শাসক। তিনি রাজধানী স্থাপন করেন কর্ণসুবর্ণে (Karnasubarna, বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার নিকটে)। হিউয়েন সাঙ তাঁকে বৌদ্ধ ধর্মের নিগ্রহকারী হিসেবে উল্লেখ করলেও, তিনি ছিলেন দক্ষ সংগঠক ও শক্তিশালী রাজা। শশাঙ্কের শাসন বাংলার স্বাধীন রাজ্যব্যবস্থার সূচনা করে।

বাংলাপিডিয়া

২৪.
What was the title of Shashanka, the ruler of Gauda?/ গৌড়রাজ শশাঙ্কের উপাধি ছিল—
  1. Chakravarti (চক্রবর্তী)
  2. Paramabhagavata (পরমভাগবত)
  3. Devanampriya (দেবানমপ্রিয়)
  4. Maharajadhiraja (মহারাজাধিরাজ)
ব্যাখ্যা

শশাঙ্ক গৌড়ের স্বাধীন সম্রাট হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর মুদ্রায় ও শিলালিপিতে “মহারাজাধিরাজ শশাঙ্ক” উপাধি পাওয়া যায়। এই উপাধি বোঝায় যে তিনি অন্যান্য রাজাদের ওপর প্রাধান্য দাবি করতেন। যদিও সম্রাট হর্ষবর্ধনের সাথে তাঁর সংঘাত হয়েছিল, তিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন সম্রাট হিসেবে স্বীকৃত।

বাংলাপিডিয়া

২৫.
Who was the chief general of Devapala, the Pala emperor?/ দেবপালের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. Jayapala (জয়পাল)
  2. Gopala (গোপাল)
  3. Dharmapala (ধর্মপাল)
  4. Sandhakar Nondi (সন্ধ্যাকর নন্দী)
ব্যাখ্যা

দেবপাল (৮ম শতাব্দী) পাল বংশের শক্তিশালী সম্রাট ছিলেন। তার রাজত্বে সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করার জন্য জয়পাল প্রধান সেনাপতি হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। জয়পাল নেতৃত্বে দেবপাল সীমা সম্প্রসারণ, প্রতিরক্ষা এবং বিভিন্ন অভিযানে সফলতা অর্জন করেছিলেন। তার ভূমিকা পাল সাম্রাজ্যের সামরিক শক্তি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

ফোর ডক্টরস- বাংলাদেশের ইতিহাস

২৬.
The Deopara Prashasti inscription of Vijaya Sena was composed by:/ বিজয়সেনের দেওপাড়া প্রাশস্তি শিলালিপি কার রচনা?
  1. Dhoyi /ধোয়ী
  2. Sandhyakar Nandi / সন্ধ্যাকর নন্দী
  3. Umapati Dhara / উমাপতি ধর
  4. Halayudha Mishra / হালায়ুধ মিশ্র
ব্যাখ্যা

সেন যুগের বিখ্যাত সংস্কৃত কবি এবং লক্ষ্মণসেন এর মন্ত্রী উমাপতিধর এ প্রশস্তিলিপি রচনা করেছেন।শিলালিপিটিতে রাজা বিজয়সেনের রাজত্বকাল এবং বাংলার সেন রাজাদের বংশতালিকা সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে। ১৪-২২ নং শ্লোক বিজয়সেন চিত্রিত হয়েছেন প্রাচীন যুগের একজন মহান রাজা বা বিখ্যাত রাজা হিসেবে। এ সকল শ্লোক বলা হয়েছে, বিজয়সেন নান্য, বীর, রাঘব, বর্ধন রাজাদেরকে বন্দি এবং গৌড়, কামরূপ ও কলিঙ্গরাজকে পরাজিত করেছেন।-বাংলাপিডিয়া

বাংলাপিডিয়া

২৭.
In which year did the English East India Company obtain the Diwani rights (revenue-collection rights) of Bengal, Bihar, and Orissa?/ ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কত সালে বাংলার, বিহারের ও উড়িষ্যার দেওয়ানি (রাজস্ব আদায়ের অধিকার) লাভ করে?
  1. 1765/১৭৬৫
  2. 1772/১৭৭২
  3. 1764/১৭৬৪
  4. 1757/১৭৫৭
ব্যাখ্যা

পলাসির যুদ্ধ (1757)-এর পরে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়। 1764 সালের বক্সারের যুদ্ধের পর কোম্পানি বাংলার, বিহারের ও উড়িষ্যার দেওয়ানি অধিকার (Diwani rights) লাভের জন্য ব্রিটিশ সরকারকে প্রভাবিত করে। শেষমেষ, ১৭৬৫ সালে কোম্পানিকে বেঙ্গল, বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব আদায়ের অধিকার প্রদান করা হয়। এর অর্থ কোম্পানি শুধুমাত্র ব্যবসায় নয়, বরং রাজস্ব সংগ্রহ ও প্রশাসনিক ক্ষমতাও অর্জন করে।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

২৮.
Which religion did the subjects of the Pala kings mainly follow?/ পাল বংশের রাজাদের প্রজাগণ কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?
  1. Hinduism (হিন্দু)
  2. Buddhism (বৌদ্ধ)
  3. Jainism (জৈন)
  4. Shaivism (শৈব)
ব্যাখ্যা

বাংলায় দীর্ঘ পাল শাসনের সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল দিক তাঁদের প্রজা-বৎসল শাসন নীতি। পাল রাজগণ ছিলেন বৌদ্ধ, কিন্তু সম্ভবত: প্রজাদের অধিকাংশ ছিল হিন্দু। পাল রাজা ধর্মপাল ধর্মীয় সম্প্রীতির নীতি গ্রহণ করেছিলেন রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে। তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে, তিনি সকল শাস্ত্র সম্বন্ধে জ্ঞাত। তাই, অন্যান্য সকল ধর্ম-বর্ণ যাতে তাদের ধর্মচর্চা নির্বিঘ্নে করতে পারে সেদিকে তিনি তৎপর থাকবেন। বাংলাপিডিয়া

২৯.
In which year did Robert Clive come to Bengal for the second time?/ রবার্ট ক্লাইভ কত সালে দ্বিতীয়বার বাংলায় আসেন?
  1. 1751/১৭৫১
  2. 1756/১৭৫৬
  3. 1757/১৭৫৭
  4. 1765/১৭৬৫
ব্যাখ্যা

রবার্ট ক্লাইভ (Robert Clive) ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একজন প্রধান কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি দ্বিতীয়বার বাংলায় আসেন ১৭৫৬ সালে, যা মূলত দাকোনি ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়কাল। ১৭৫৬ সালে আওরঙ্গজেবের উত্তরসূরীর সময় বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার শাসনকালে কোম্পানির শক্তি ও বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষা করতে ক্লাইভকে পুনরায় পাঠানো হয়। এরপর তিনি পলাশীর যুদ্ধ (১৭৫৭)-এ নেতৃত্ব দেন, যা কোম্পানির রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি করে।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩০.
Who founded the Asiatic Society in Calcutta under the encouragement of Warren Hastings?/ হেস্টিংসের উৎসাহে কে কলকাতায় এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. James Prinsep / জেমস প্রিন্সেপ
  2. Henry Thomas Colebrooke / হেনরি টমাস কোলব্রুক
  3. William Jones / উইলিয়াম জোন্স
  4. Charles Wilkins / চার্লস উইলকিন্স
ব্যাখ্যা

জোনস, স্যার উইলিয়ম (১৭৪৬-১৭৯৪) প্রাচ্যবিদ, আইনবিদ, বহু ভাষাবিদ, কবি, তুলনামূলক ভাষা বিজ্ঞানের পথিকৃৎ, কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা। ১৭৮৪ সালে ওয়ারেন হেস্টিংসের উৎসাহে বিচারপতি স্যার উইলিয়াম জোন্স কলকাতায় Asiatic Society of Bengal প্রতিষ্ঠা করেন। এর উদ্দেশ্য ছিল প্রাচ্য দেশগুলোর ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা ও ঐতিহ্য নিয়ে গবেষণা করা। পরে এই প্রতিষ্ঠানটি এশিয়ার ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠে।

উৎস-

বাংলাপিডিয়া

৩১.
The Adbhuta Sagara, a Sanskrit encyclopedic text, is associated with which Sena ruler?/ সংস্কৃত বিশ্বকোষধর্মী গ্রন্থ অদ্ভুতসাগর কোন সেন রাজাদের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. Ballal Sena / বল্লালসেন
  2. Vijaya Sena / বিজয়সেন
  3. Lakshmana Sena / লক্ষ্মণসেন
  4. Hemanta Sena / হেমন্তসেন
ব্যাখ্যা

বল্লালসেন ছিলেন একজন পণ্ডিত এবং লেখক। ব্রতসাগর,আচারসাগর, প্রতিষ্ঠাসাগর, দানসাগর এবং অদ্ভুতসাগর তার উল্লেখযোগ্য রচনা। ১১৬৯ খ্রিস্টাব্দে অদ্ভুতসাগর লেখা শুরু করলেও তা শেষ করতে পারেন নি।-বাংলাপিডিয়া

৩২.
What was the main objective of the Europeans in coming to the Indian subcontinent?/ ভারতীয় উপমহাদেশে ইউরোপীয়দের আগমনের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. To spread religion / ধর্ম প্রচার করা
  2. To establish educational institutions / শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা
  3. To conduct trade and commerce / বাণিজ্য ও ব্যবসা করা
  4. To conquer land immediately / সঙ্গে সঙ্গে ভূখণ্ড দখল করা
ব্যাখ্যা

১৫শ-১৬শ শতকে ইউরোপীয় শক্তিগুলো যেমন পর্তুগিজ, ডাচ, ব্রিটিশ ও ফরাসী প্রথমে ভারতীয় উপমহাদেশে বাণিজ্য এবং ব্যবসার উদ্দেশ্যে আগমন করে। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল: মশলা, সোনা ও মূল্যবান পণ্য আমদানি ও রফতানি। বাণিজ্যিক বন্দর এবং বাজার স্থাপন। অঞ্চলীয় সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসায়িক লভ্যাংশ বৃদ্ধি। যদিও পরে কিছু শক্তি রাজনৈতিক আধিপত্য বা জমি দখলের দিকে যায়, প্রাথমিকভাবে তাদের আগমনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বাণিজ্য।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩৩.
Who was the author of the Regulating Act of 1773?/ রেগুলেটিং এ্যাক্ট ১৭৭৩ এর প্রণেতা কে ছিলেন?
  1. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. Lord North / লর্ড নর্থ
  3. Robert Clive / রবার্ট ক্লাইভ
  4. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা

রেগুলেটিং অ্যাক্ট, ১৭৭৩ বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ও দায়িত্বব সংজ্ঞায়িত করে বৃটিশ পার্লামেন্টের প্রণীত প্রথম আইন। বাংলা জয়ের আগে এখানে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসায়ে নিয়োজিত ছিল। কোম্পানির শেয়ারের মালিকরা নিয়মিতভাবে আকর্ষণীয় মুনাফা লাভ করতেন। কিন্তু বাংলা জয়ের পর থেকে কোম্পানির বাণিজ্য ক্রমাগত লোকসানে চলছিল। কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাতারাতি ধনী হওয়ার উদ্দেশ্যে বাংলার সম্পদ লুটপাটে নিজেদেরকে নিয়োজিত রাখে। এই লুটপাটের কারণে ১৭৬৯/৭০ সালে যে বিরাট দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় তার ফলে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থের সরকার উপলব্ধি করেন যে, কোম্পানি ও নববিজিত রাজ্যটিকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে হলে কোম্পানির ব্যবসাবাণিজ্য ব্যাপারে অবশ্যই হস্তক্ষেপ করতে হবে। এর সুযোগ আসে যখন ১৭৭৩ সালে কোম্পানির সনদ নবায়নের সময় আসে। কোম্পানি এ সময় সরকারের কাছে এক ‘ত্রাণ ঋণ’ প্রাপ্তির জন্য আবেদন জানায়। ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ঋণের জন্য এই আবেদন মঞ্জুর করে। তবে সেই সঙ্গে স্বদেশে ও বিদেশে কোম্পানির বিষয়াদি নিয়ন্ত্রণমূলক এক আইনও চাপিয়ে দেয়। যা রেগুলেটিং এ্যাক্ট,১৭৭৩ নামে পরিচিত।

উৎস-

বাংলাপিডিয়া

৩৪.
During whose reign did Hiuen Tsang visit Bengal?/ হিউয়েন সাং কার শাসনামলে বাংলায় আসেন?
  1. Shashanka (শশাঙ্ক)
  2. Harshavardhana (হর্ষবর্ধন)
  3. Dharmapala (ধর্মপাল)
  4. Gopala (গোপাল)
ব্যাখ্যা

হিউয়েন সাং ৭ম শতাব্দীতে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল ভ্রমণ করেছিলেন। তিনি বাংলায় আসেন শশাঙ্কের শাসনকালে, যিনি তখন গৌড়ের রাজা ছিলেন। তার ভ্রমণবৃত্তান্তে শশাঙ্ককে বৌদ্ধ ধর্মের নিগ্রহকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হিউয়েন সাং বাংলার সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অবস্থা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন।

বাংলাপিডিয়া

৩৫.
Who were called the Danes (Dinemar) in India?/ ভারতে দিনেমার কাদের বলা হয়?
  1. The Portuguese / পর্তুগিজরা
  2. The Dutch / ডাচরা
  3. The French / ফরাসিরা
  4. The Danish / ড্যানিশরা
ব্যাখ্যা

ভারতে ইউরোপীয় বাণিজ্যিক শক্তিগুলোর মধ্যে ড্যানিশরা ছিলেন অন্যতম। তাই স্থানীয়দের মধ্যে তাদের “Danes” বা “Dinemar” বলে অভিহিত করা হতো। ড্যানিশরা ভারতীয় উপমহাদেশে কিছু বাণিজ্যিক কেন্দ্র স্থাপন করেছিল, যেমন সেন্ট্রাল কলকাতা ও ত্রাভানকোর অঞ্চলে তাদের চিহ্নিত বন্দর ও ফ্যাক্টরি। যদিও পর্তুগিজ, ডাচ ও ফরাসিরাও ব্যবসা করেছিল, তাদেরকে আলাদা নামেই ডাকা হতো।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩৬.
Who separated the judiciary from the executive in India?/ বিচার বিভাগকে শাসন বিভাগ থেকে পৃথক করেছিলেন কে?
  1. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
  4. Lord William Bentinck / লর্ড উইলিয়াম বেন্টিনক
ব্যাখ্যা

বিচার বিভাগকে শাসন বিভাগ থেকে পৃথক করার প্রথম উদ্যোগ ছিল লর্ড কর্নওয়ালিস এর সময়, তবে এই বিষয়টি পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সময়ে বিতর্কিত ছিল এবং লর্ড ওয়েলেসলি এবং লর্ড হেস্টিংস এর সময়েও সংশোধন এবং পুনর্বিবেচনা করা হয়। যদিও ১৮২১ সালে লর্ড হেস্টিংসের সরকারের অধীনে কিছু বিচার ও নির্বাহী ক্ষমতা একীভূত করার প্রচেষ্টা হয়েছিল, তবে বিচার বিভাগের সম্পূর্ণ পৃথকীকরণের বিষয়ে পরবর্তীতে ১৯২১ সালে আইন প্রণয়ন করা হয়।

৩৭.
By what other name is the ‘Niyamok law’ also known?/ নিয়ামক আইন আর কি নামে পরিচিত?
  1. Pitt’s India Act / পিটের ভারত আইন
  2. Regulating Act / রেগুলেটিং অ্যাক্ট
  3. Cornwallis Code / কর্নওয়ালিস কোড
  4. Permanent Settlement / চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
ব্যাখ্যা

Niyamok Law’ (নিয়ামক আইন) হল Regulating Act 1773 / রেগুলেটিং অ্যাক্ট ১৭৭৩ এর আরেকটি পরিচিত নাম। এই আইন প্রণীত হয়েছিল: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রশাসন নিয়ন্ত্রণের জন্য। বাংলার গভর্নর-জেনারেল ও কাউন্সিলের কর্তৃত্ব স্থাপন করার জন্য। বিচার ও প্রশাসনের মধ্যে ভারসাম্য আনার জন্য।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩৮.
Who introduced the Ryotwari system for the first time?/ প্রথমবারের মত একসালা বন্দোবস্ত চালু করেন কে?
  1. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
  4. Lord William Bentinck / লর্ড উইলিয়াম বেন্টিনক
ব্যাখ্যা

একসালা বন্দোবস্ত প্রথমবারের মতো চালু করা হয় ওয়ারেন হেস্টিংসের সময়ে (1772-1773)। এই ব্যবস্থায়: প্রত্যেক রায়ত বা কৃষক সরাসরি কোম্পানির সঙ্গে রাজস্ব দিতে বাধ্য ছিল। মধ্যস্থতাকারী Zamindar বা জমিদারের ভূমিকা কমানো হয়। এর ফলে কৃষক ও প্রশাসনের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক তৈরি হয়। উদ্দেশ্য ছিল রাজস্ব সংগ্রহের প্রক্রিয়া সরল ও কার্যকর করা, এবং কৃষকদের উপর অতিরিক্ত জমিদারি চাপ কমানো।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩৯.
What was Mir Jafar’s relation to Mir Qasim?/ মীর কাশিম সম্পর্কে মীর জাফরের কি ছিল?
  1. Son / পুত্র
  2. Chief Minister / মুখ্য মন্ত্রী
  3. Son-in-Law / জামাই
  4. Brother / ভাই
ব্যাখ্যা

মীর কাশিম ছিলেন মীর জাফরের জামাই । অর্থাৎ, মীর কাশিমের স্ত্রী মীর জাফরের কন্যা ছিলেন। কাসিমের বিয়ে হয়েছিল মীর জাফর ও শাহ খানুমের কন্যা এবং বাংলার নবাব আলীবর্দী খানের নাতনী ফাতিমা বেগমের সাথে। বাংলার নবাব হওয়ার আগে তিনি প্রায় দুই দশক ধরে রংপুরের ফৌজদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

বাংলাপিডিয়া

৪০.
In which year did Lord Curzon enact the Universities Act?/ লর্ড কার্জন ‘Universities Act’ প্রণয়ন করেন কত সালে?
  1. 1895/১৮৯৫
  2. 1904/১৯০৪
  3. 1911/১৯১১
  4. 1905/১৯০৫
ব্যাখ্যা

লর্ড কার্জন (Lord Curzon) ভারতের উচ্চ শিক্ষার সংস্কার ও নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধির জন্য 1904 সালে Universities Act প্রণয়ন করেন। এই আইনের উদ্দেশ্য ছিল: কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করা। শিক্ষকদের নিয়োগ, পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করা। ব্রিটিশ সরকারের শিক্ষা নীতি ও প্রভাব বিস্তার নিশ্চিত করা। এই আইনকে ইতিহাসে কার্জনের বিশ্ববিদ্যালয় আইন নামে পরিচিত এবং এটি ভারতীয় উচ্চশিক্ষার কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনে।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৪১.
Which pact was signed jointly by the Congress and the Muslim League?/ কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ উভয়ই একসঙ্গে কোন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন?
  1. Lucknow Pact / লখনউ চুক্তি
  2. Poona Pact / পূনা চুক্তি
  3. Cabinet Mission Plan / কেবিনেট মিশন পরিকল্পনা
  4. Shimla Pact / শিমলা চুক্তি
ব্যাখ্যা

লখনউ চুক্তি (Lucknow Pact 1916) ছিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের যৌথ চুক্তি। চুক্তির মূল বিষয়সমূহ: নির্বাচনী ক্ষমতা ও প্রতিনিধিত্ব ভাগাভাগি নির্ধারণ। হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে রাজনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে যৌথ রাজনৈতিক অবস্থান নিশ্চিত করা। এই চুক্তি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী যৌথ উদ্যোগ হিসেবে পরিচিত।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৪২.
Who was assigned the responsibility to attack the European Club in Pahartali, Chittagong?/ কাকে চট্টগ্রাম পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণের দায়িত্ব দেওয়া হয়?
  1. Kalpana Dutta / কল্পনা দত্ত
  2. Pritilata Waddedar / প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
  3. Shaileshwar Chakraborty / শৈলেশ্বর চক্রবর্তী
  4. Masterda Surya Sen / মাস্টারদা সূর্য সেন
ব্যাখ্যা

চট্টগ্রাম পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম বিপ্লবীদের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। প্রধান নেতৃত্ব: মাস্টারদা সুর্য সেন , আক্রমণের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি: প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। এই অভিযানটি ১৯২৬ সালে সংঘটিত হয় এবং প্রীতিলতা সেখানে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আক্রমণের সময় তিনি শহীদ হন, কিন্তু ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবীদের সাহসিকতা ও উদ্যোগের প্রতীক হয়ে থাকেন।

ড.আশফাক হোসেন- বাংলাদেশের ইতিহাসের রূপরেখা

৪৩.
Who was the main organizer of the Dhaka Anushilan Samiti? /ঢাকার অনুশীলন সমিতির প্রধান সংগঠক কে ছিলেন?
  1. Pulin Behari Das / পুলিন বিহাড়ী দাস
  2. Kazi Nazrul Islam / কাজী নজরুল ইসলাম
  3. Prafulla Chaki / প্রফুল্ল চাকি
  4. Aurobindo Ghosh / অরবিন্দ ঘোষ
ব্যাখ্যা

ঢাকার অনুশীলন সমিতি ছিল একটি বিপ্লবী সংগঠন, যা ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে যুব সমাজকে সংগঠিত করত। প্রধান সংগঠক: পুলিন বিহাড়ী দাস, তার নেতৃত্বে সমিতি ঢাকায় ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র ও রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করত। সমিতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্দীপনা সৃষ্টি করত এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রস্তুতি দিত।

ড.আশফাক হোসেন- বাংলাদেশের ইতিহাসের রূপরেখা

৪৪.
Which institution did Lord Welesely establish/reorganize for the preservation and research of historical monuments?/ ঐতিহাসিক কীর্তিসমূহ সংরক্ষণ ও গবেষণার জন্য লর্ড ওয়েলেসলি কোনটি প্রতিষ্ঠা/পুনর্গঠন করেন?
  1. Asiatic Society / এশিয়াটিক সোসাইটি
  2. Indian Museum / ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম
  3. Victoria Memorial Hall / ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল
  4. Archaeological Survey of India / আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া
ব্যাখ্যা

আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন বস্ত্তগত সামগ্রী ও হস্তনির্মিত শিল্পকর্ম যেমন, পান্ডুলিপি, অভিলেখন (শিলালিপি, মুদ্রালিপি, তাম্রলিপি ইত্যাদি) স্মৃতিসৌধ ইত্যাদির জরিপ, সংগ্রহ এবং এগুলোর প্রামাণিক দলিল তৈরি, ব্যবহার ও প্রদর্শনের বিষয়টি স্যার উইলিয়ম জোনস কর্তৃক ১৭৮৪ সালে এশিয়াটিক সোসাইটি, কলকাতা প্রতিষ্ঠার পর পূর্ণ উদ্যোগে শুরু হয়। এই সোসাইটির উদ্যোগে বা ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভারতের প্রাচীন নিদর্শনসমূহের সংগ্রহের ধারা প্রায় শতাধিক বছর ধরে অব্যাহত থাকে। ১৮০০ সালে সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এ সময় ওয়েলেসলির মার্কুইস কর্তৃক ফ্রান্সিস বুকাননকে মহীশুর জরিপ করার কাজে নিযুক্তি করা হয়। তিনি ১৮০৭ সালে বর্তমান বিহার ও উত্তর প্রদেশের স্মৃতিসৌধ এবং প্রাচীন নিদর্শন জরিপের কাজ শুরু করেন। এ সময় স্মৃতিসৌধ সংস্কারের কথা ভাবা না হলেও তাজমহল, ফতেপুর সিক্রি এবং সিকান্দারাবাদের মতো কিছু স্মৃতিসৌধ সংস্কার করা হয়।

উৎস-

বাংলাপিডিয়া

৪৫.
Which district was the poet Charan Mukundadas from?/ চরণ কবি মুকুন্দদাস কোন জেলার বাসিন্দা ছিলেন?
  1. Dhaka / ঢাকা
  2. Barisal / বরিশাল
  3. Mymensingh / ময়মনসিংহ
  4. Chittagong / চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

চরণ কবি মুকুন্দদাস ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি, যিনি বরিশাল জেলার বাসিন্দা ছিলেন। তার কাব্য রচনায় সামাজিক ও ধর্মীয় বিষয়ের প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। বরিশাল অঞ্চলের সাংস্কৃতিক পরিবেশ তার সাহিত্যকর্মে প্রভাব ফেলে। বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনে তিনি বরিশাল অঞ্চলে কাজ করেন।

বাংলাপিডিয়া

৪৬.
Under whose leadership did the Muslims of East Bengal welcome the Partition of Bengal?/ পূর্ব বাংলার মুসলমানরা কার নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়?
  1. Surendranath Banerjee / সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী
  2. A.K. Fazlul Huq / এ.কে. ফজলুল হক
  3. Khwaja Salimullah / খাজা সলিমুল্লাহ
  4. Syed Ahmed Khan / সৈয়দ আহমদ খান
ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫)-এর সময় পূর্ব বাংলার মুসলমানরা এই বিভাগকে স্বাগত জানায়। এর পেছনে নেতৃত্বদানকারী ছিলেন খাজা সলিমুল্লাহ, যিনি দুর্বল মুসলিম জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা এবং প্রশাসনিক সুবিধা বৃদ্ধির জন্য বঙ্গভঙ্গ সমর্থন করেন। খাজা সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে মুসলিমদের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনা ও একতা বৃদ্ধি পায়, যা পরে মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ড. আবু মো: দেলোয়ার- বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৪৭.
Which community could not easily accept the Partition of Bengal?/ কোন সম্প্রদায় বঙ্গভঙ্গকে সহজে মেনে নিতে পারেনি?
  1. Muslims / মুসলমান
  2. Buddhists / বৌদ্ধ
  3. Christians / খ্রিস্টান
  4. Hindus / হিন্দু
ব্যাখ্যা

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক প্রশাসনিক সুবিধার জন্য করা হয়। হিন্দু সম্প্রদায় এই বিভাজনকে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে হুমকি হিসেবে দেখেছিল। তারা মনে করেছিল যে পূর্ব-পশ্চিম বাংলার বিভাজন হিন্দু প্রভাব কমাবে এবং মুসলিমদের প্রশাসনিক সুবিধা বাড়াবে। ফলে, হিন্দু সম্প্রদায় স্বদেশী আন্দোলন (Swadeshi Movement) এবং বিক্ষোভের মাধ্যমে বিরোধ দেখায়।

ড. আবু মো: দেলোয়ার- বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৪৮.
Who became the landowners under the Permanent Settlement of 1793?/ চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে কে জমির মালিক হয়েছিল?
  1. Peasants / কৃষক
  2. Zamindars / জমিদার
  3. British Officials / ব্রিটিশ কর্মকর্তারা
  4. Talukdars / তালুকদার
ব্যাখ্যা

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত (Permanent Settlement, 1793) লর্ড কর্নওয়ালিস কর্তৃক প্রবর্তিত। এই বন্দোবস্তের মাধ্যমে জমিদারদেরকে স্থায়ী জমির মালিক এবং রাজস্ব সংগ্রাহক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। জমিদারদের উপর নির্দিষ্ট আয়কর বসানো হয়, যা তারা কৃষকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করতেন। ফলে কৃষকরা জমির মালিক হননি, বরং জমিদারের কাছে রাজস্ব দায়িত্বে আবদ্ধ থাকতেন।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৪৯.
Who was the ruler of Sindh when Muhammad bin Qasim invaded?/মুহাম্মদ বিন কাসেম যখন সিন্ধ আক্রমণ করেন তখন শাসক কে ছিলেন?
  1. Raja Dahir / রাজা দাহির
  2. Chach / চাচ
  3. Mahmud / মাহমুদ
  4. Alor / আলোড়
ব্যাখ্যা

৭১২ খ্রিষ্টাব্দে যখন মুহাম্মদ বিন কাসেম সিন্ধ আক্রমণ করেন, তখন সেখানে শাসন করছিলেন রাজা দাহির। তিনি ছিলেন চাচ রাজবংশের শাসক এবং রাজধানী ছিল আলোড় । দাহির মুসলমান বণিকদের জাহাজ দস্যুদের হাত থেকে মুক্ত করতে অস্বীকৃতি জানান, বরং লুণ্ঠিত সম্পদ ফেরত দিতেও রাজি হননি। এর ফলেই হাজ্জাজ বিন ইউসুফ তরুণ সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসেমকে সিন্ধে পাঠান।মুহাম্মদ বিন কাসেম রাজা দাহিরকে পরাজিত করে হত্যা করেন এবং সিন্ধ-মুলতান জয় করেন।এর মাধ্যমে ভারতবর্ষে প্রথম মুসলিম রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৫০.
Who is the author of Harshacharita?/ ‘হর্ষচরিত’ এর রচয়িতা কে?
  1. Kalidasa/ কালিদাস
  2. Banabhatta/ বাণভট্ট
  3. Vishakhadatta/ বিশাখদত্ত
  4. Patanjali/ পতঞ্জলি
ব্যাখ্যা

Harshacharita (হর্ষচরিত) হলো সংস্কৃত ভাষায় রচিত একটি বিখ্যাত জীবনীমূলক গ্রন্থ। এর রচয়িতা বাণভট্ট, যিনি সম্রাট হর্ষবর্ধনের রাজকবি ছিলেন। এ গ্রন্থে সম্রাট হর্ষবর্ধনের বংশ, শৈশব, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও কৃতিত্ব বর্ণনা করা হয়েছে। এটি সংস্কৃত সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গদ্যরচনা হিসেবে পরিচিত।

বাংলাপিডিয়া

৫১.
Who introduced the Subsidiary Alliance?/ অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি প্রয়োগ করেন কে?
  1. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
  3. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  4. Lord Hastings / লর্ড হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

লর্ড ওয়েলেসলী (১৭৬০-১৮৪২) ১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল। তিনি অধীনতামূলক মিত্রতার নীতি গ্রহণ করেন। এ নীতি অনুসারে ভারতীয় রাজ্যসমূহ ব্রিটিশ নয় এমন ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত, তাদের রাজ্যে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর একটি অংশকে ভরণপোষণ ও ব্রিটিশদের নিকট বৈদেশিক বিষয়াবলি সমর্পণ করার মাধ্যমে ব্রিটিশদের নিরাপত্তার অধীনে আসতে বাধ্য হয়। এর বিনিময়ে কোম্পনি এ রাজ্যগুলির অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে স্বাধীনতার নিশ্চয়তা এবং তাদেরকে বিদেশি আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার অঙ্গীকার প্রদান করে।

উৎস-

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

৫২.
Who was the famous scholar in Mahmud’s court?/ মাহমুদের দরবারে কোন বিখ্যাত পণ্ডিত ছিলেন?
  1. Alberuni / আলবিরুনি
  2. Ibn Batuta / ইবনে বতুতা
  3. Firdausi / ফিরদৌসি
  4. Amir Khusrau / আমির খসরু
ব্যাখ্যা

১০১৭ সালে গজনীর মাহমুদের শাসনকালে আল-বেরুনী সহ অধিকাংশ পণ্ডিতদের গজনী রাজবংশের রাজধানী গজনীতে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদেরকে দরবারে জ্যোতিষী করা হয় এবং ভারতে আক্রমণের সময় মাহমুদের সাথে আল বেরুনি সেখানে কয়েক বছর বসবাস করেন। গজনীর মাহমুদের সাথে সফরে যাওয়ার সময় তার বয়স ছিলো চুয়াল্লিশ বছর। আল-বেরুনী ভারতের সাথে সম্পর্কিত সমস্ত কিছুর সাথে পরিচিত হন। এই সময়ে তিনি ভারত পাঠ সম্পর্কে লেখেন, এটি ১০৩০ সালের দিকে শেষ করেন। আল-বেরুনী ছিলেন মাহমুদ গাজনভীর দরবারের একজন বিশিষ্ট পণ্ডিত ও বিজ্ঞানী। তিনি গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান, ভূগোল, ইতিহাস ও ধর্মীয় গবেষণা–তে বিশেষ অবদান রেখেছিলেন। ভারতের প্রাচীন সভ্যতা, ধর্ম ও সংস্কৃতি নিয়ে আল-বেরুনী বিস্তৃত গবেষণা করেছিলেন। তাঁর লেখা কিতাবুল হিন্দ বা তাহকিক-ই-হিন্দ ভারতীয় ইতিহাস, ধর্ম ও সমাজের এক অমূল্য উৎস। আল-বেরুনী মাহমুদ গাজনভীর দরবারে তার জ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক দক্ষতার জন্য উচ্চ সম্মান পান।

উৎস

আব্দুল করিম, ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম রাজত্বের ইতিহাস
প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৫৩.
West Pakistan’s share in central government jobs during 1950s was around:/ ১৯৫০ এর দশকে কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে পশ্চিম পাকিস্তানের অংশ ছিল প্রায়:
  1. 50%/৫০%
  2. 60%/৬০%
  3. 70%/৭০%
  4. 80%/৮০%
ব্যাখ্যা

১৯৫০ এর দশকে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে পশ্চিম পাকিস্তানের আধিপত্য ছিল সুস্পষ্ট। যদিও পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫৫% পূর্ব পাকিস্তানে ছিল, তবুও কেন্দ্রীয় প্রশাসন, সামরিক বাহিনী এবং আমলাতন্ত্রে পশ্চিম পাকিস্তানের অংশ ছিল অনেক বেশি। কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে পশ্চিম পাকিস্তানের অংশ ছিল প্রায় ৮০%, আর পূর্ব পাকিস্তানের অংশ ছিল মাত্র ২০% এরও কম। এর কারণ ছিল— ব্রিটিশ আমলে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা ক্ষেত্রে পশ্চিম পাকিস্তানের অগ্রগামিতা। সামরিক বাহিনী ও আমলাতন্ত্রে মূলত পাঞ্জাবি ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের লোকদের আধিপত্য। পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্যমূলক নীতি এবং সুযোগ থেকে বঞ্চিতকরণ। এই বৈষম্য পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে এবং তারা মনে করে যে রাষ্ট্রের ক্ষমতা ও প্রশাসন সম্পূর্ণরূপে পশ্চিম পাকিস্তানের দখলে চলে গেছে। এ অসাম্যই পরবর্তীকালে ছয় দফা কর্মসূচির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

উৎস:
ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৫৪.
Where was the first Bangladesh mission established abroad?/ বহির্বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ মিশন কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. Washington / ওয়াশিংটন
  2. London / লন্ডন
  3. Kolkata / কলকাতা
  4. Moscow / মস্কো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের প্রথম মিশন প্রতিষ্ঠিত হয় ভারতের কলকাতায়। এটিকে বলা হয় বাংলাদেশের প্রথম বিদেশি মিশন বা দূতাবাস সদৃশ দপ্তর। এখানে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের পক্ষে কূটনৈতিক কার্যক্রম, বিদেশি সমর্থন অর্জন ও শরণার্থী বিষয়ক কাজ পরিচালিত হতো।

উৎস-

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৫৫.
What relation was Iltutmish to Qutbuddin Aibak?/ ইলতুতমিশের সঙ্গে কুতুবউদ্দিন আইবকের সম্পর্ক কী ছিল?
  1. Son / পুত্র
  2. Son-in-law / জামাতা
  3. Brother / ভাই
  4. Father / পিতা
ব্যাখ্যা

ইলতুতমিশ ছিলেন কুতুবউদ্দিন আইবকের জামাতা ।

ইলতুৎমিশ (১২১১-১২৩৬) দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিবেচিত শামসুদ্দীন ইলতুৎমিশ তুর্কিস্তানের ইলবারি গোত্রের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। এরূপ জনশ্রুতি আছে যে, ইলতুৎমিশের বুদ্ধিমত্তা, বিচক্ষণতা ও সুদর্শন চেহারা তাঁর ভাইদের মনে ঈর্ষার উদ্রেক করে এবং তারা তাঁকে বাল্যকালে ক্রীতদাসরূপে বিক্রি করে দেয়। অবশ্য দুর্ভাগ্য তার গুণাবলিকে বিনষ্ট করতে পারেনি। দিল্লির শাসনকর্তা কুতুবউদ্দীন তার নৈপূণ্যে আকৃষ্ট হয়ে তাকে উচ্চমূল্যে ক্রয় করেন। ইলতুৎমিশের পদমর্যাদা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। তিনি দিল্লির সুলতান কুতুবউদ্দীনের অধীনে বদায়ুনের শাসনকর্তা নিযুক্ত হন। তার সঙ্গে সুলতানের এক কন্যার বিবাহ দেওয়া হয়। ইলতুৎমিশ ১২১১ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।

উৎস

আব্দুল করিম, ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম রাজত্বের ইতিহাস
প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৫৬.
The Zamindari system in East Bengal was abolished in—/ পূর্ব বাংলার জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়—
  1. 1947/১৯৪৭
  2. 1950/১৯৫০
  3. 1952/১৯৫২
  4. 1956/১৯৫৬
ব্যাখ্যা

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৫৭.
The famine of 1943 caused deaths of approximately how many people?/ ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষে আনুমানিক কত লোক মারা গিয়েছিল?
  1. 10-20 lakhs/১০-২০ লাখ
  2. 20-30 lakhs/ ২০-৩০ লাখ
  3. 30-40 lakhs/৩০-৪০ লাখ
  4. 40-50 lakhs/৪০-৫০ লাখ
ব্যাখ্যা

একটি হিসাব অনুযায়ী দেখা যায় যে, ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৬ সালব্যাপী দুর্ভিক্ষে এবং এর ফলে সৃষ্ট মহামারিতে ৩৫ থেকে ৩৮ লক্ষ লোক মারা যায়। এ মৃত্যুর হার ছিল স্বাভাবিক মৃত্যুর হারের চেয়ে বেশি। প্রকৃত পক্ষে, এ উপমহাদেশের যে কোনো অংশে ১৭৭০ সালের পর যেসব দুর্ভিক্ষ আঘাত হানে তার মধ্যে এটি ছিল চরমতম।

উৎস- বাংলাপিডিয়া

৫৮.
The Lahore Resolution demanded what?/ লাহোর প্রস্তাবে কী দাবি করা হয়েছিল?
  1. Complete independence of India/ ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতা
  2. Separate Muslim States in the North-West and North-East of India/ ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্বে পৃথক মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ
  3. Dominion Status for India/ ভারতের জন্য ডোমিনিয়ন মর্যাদা
  4. Hindu-Muslim unity/ হিন্দু-মুসলিম ঐক্য
ব্যাখ্যা

লাহোর প্রস্তাব (২৩ মার্চ ১৯৪০) সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের অধিবেশনে লাহোরের মিন্টো পার্কে (বর্তমানে ইকবাল পার্ক) গৃহীত হয়। মুসলিম লীগ সভাপতি মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে এটি উপস্থাপন করেছিলেন বাংলার প্রধানমন্ত্রী এ. কে. ফজলুল হক। এই প্রস্তাবে বলা হয়, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে যেখানে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেখানে তাদের জন্য একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করতে হবে। পরবর্তীতে এই প্রস্তাবই বিকৃত হয়ে পরিচিত হয় পাকিস্তান প্রস্তাব নামে, যার অনিবার্য পরিণতি ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টি।

উৎস- বাংলাপিডিয়া,

৫৯.
Who composed the song “Amar Bhaier Rokte Rangano Ekushey February”?/ “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” গানটি কে লিখেছিলেন?
  1. Abdul Gaffar Chowdhury/আব্দুল গাফফার চৌধুরী
  2. Altaf Mahmud/আলতাফ মাহমুদ
  3. Zahir Raihan/জহির রায়হান
  4. Shamsur Rahman/শামসুর রহমান
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রচিত সবচেয়ে বিখ্যাত গান হলো “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি”। এই গানটির গীতিকার হলেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এ গানটি রচনা করেন। পরে আলতাফ মাহমুদ সুর দেন, যার ফলে গানটি ভাষা আন্দোলনের শহীদ স্মৃতির অমর সংগীতে পরিণত হয়। গানটি প্রথমে শহীদ মিনারের পাদদেশে গাওয়া হয় এবং দ্রুতই ভাষা আন্দোলনের প্রতীকী সংগীতে রূপ নেয়।

উৎস:

বাংলা একাডেমি, ভাষা আন্দোলন এনসাইক্লোপিডিয়া

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচিত স্মৃতিচারণমূলক রচনা

৬০.
What was Balban’s real name before becoming Sultan?/ সুলতান হওয়ার আগে বলবনের আসল নাম কী ছিল?
  1. Ulugh Khan / উলুঘ খান
  2. Malik Kafur / মালিক কাফুর
  3. Alauddin / আলাউদ্দিন
  4. Nasiruddin / নাসিরউদ্দিন
ব্যাখ্যা

বালবান মূলত “উলুঘ খান নামে পরিচিত ছিলেন। উলুঘ খান নাম দিয়ে তিনি ইলতুতমিশের দরবারে সেনাপতি ও প্রশাসক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি সুলতান হিসেবে শাসন গ্রহণের পর “গিয়াসউদ্দিন বলবন” নামে পরিচিত হন। বলবন তার দৃঢ় শাসন, কঠোর প্রশাসন ও অভিজাতদের নিয়ন্ত্রণের কৌশল জন্য ইতিহাসে স্মরণীয়।

প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৬১.
Why is Bhuban Mohan Park in Rajshahi famous? / রাজশাহীর ভুবন মোহন পার্ক কেন বিখ্যাত?
  1. It is the largest park in Rajshahi / এটি রাজশাহীর সবচেয়ে বড় পার্ক
  2. A language movement Shaheed Minar was built here / ভাষা আন্দোলনের শহীদ মিনার নির্মিত হয় এখানে
  3. It was the residence of kings / এটি রাজাদের বাসস্থান ছিল
  4. A historical mosque is located here / এখানে একটি ঐতিহাসিক মসজিদ অবস্থিত
ব্যাখ্যা

রাজশাহীর ভুবন মোহন পার্ক মূলত ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত স্থান হিসেবে বিখ্যাত। এখানে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। এ কারণে ভুবন মোহন পার্ক রাজশাহীর মানুষের কাছে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতীক হয়ে আছে।

৬২.
What was the time span of the Delhi Sultanate?/ দিল্লীর সুলতানি আমলের সময়কাল কত?
  1. 1106 – 1526 AD/ ১১০৬-১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ
  2. 1206 – 1526 AD/১২০৬-১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ
  3. 1192 – 1526 AD/১১৯২-১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ
  4. 1206 – 1600 AD/১২০৬-১৬০০ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা

মুহাম্মদ ঘুরীর সাফল্যকে উপজীব্য করে ভারতে যে মুসলিম রাজত্বের সূত্রপাত হয় তার শাসনকেন্দ্র রূপে নির্বাচিত হয় দিল্লি। ১২০৬ সালে কুতুবউদ্দিন আইবেক থেকে শুরু করে ১৫২৬ সাল পর্যন্ত বাবরের নেতৃত্বে এই দিল্লিকে কেন্দ্র করে মোগল শাসন পত্তনের পূর্ব পর‌্যন্ত দিল্লির মুসলমান শাসকরা সকলেই সুলতান উপাধি ধারন করতেন। তাই এ সময়কাল সুলতানি যুগ হিসেবে সমধিক পরিচিত।

উৎস

প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

এ কে এম শাহনেওয়াজ,ভারত উপমহাদেশের ইতিহাস; মধ্যযুগ: সুলতানি পর্ব

৬৩.
Who was the first Governor-General of India?/ ভারতে প্রথম গভর্নর-জেনারেল কে ছিলেন?
  1. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
  4. Robert Clive / রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা

ওয়ারেন হেস্টিংস (১৭৩২-১৮১৮) প্রথমে ফোর্ট উইলিয়ম এর গভর্নর (১৭৭২-১৭৭৪) এবং পরে গভর্নর জেনারেল (১৭৭৪-১৭৮৫)। ওয়ারেন হেস্টিংস ভারতে রাজনৈতিক প্রাধান্য স্থাপনের ব্যাপারে তাঁর পূর্বসূরিদের অনুসৃত দ্বিধাগ্রস্ত নীতি পরিহার করেন। তিনি একই সাথে শেষ গভর্নর এবং প্রথম গভর্নর জেনারেল।

উৎস-

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

বাংলাপিডিয়া

৬৪.
What was Sergeant Zahurul Haq's accused number in the Agartala Conspiracy Case? / সার্জেন্ট জহুরুল হক আগরতলা মামলার কত নং আসামি ছিলেন?
  1. 11 / ১১ নং
  2. 17 / ১৭ নং
  3. 13 / ১৩ নং
  4. 14 / ১৪ নং
ব্যাখ্যা

১৯৬৮ সালে পাকিস্তানি সরকার কর্তৃক দায়েরকৃত কুখ্যাত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মোট ৩৫ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম ছিলেন সার্জেন্ট জহুরুল হক, যিনি ছিলেন একজন বিমান বাহিনীর সৈনিক এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্দীপ্ত। মামলায় তিনি ছিলেন ১৭ নং আসামি। ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সেনা নিয়ন্ত্রিত ক্যান্টনমেন্টে তাকে হত্যা করা হয়। তার শাহাদাত সারাদেশে তীব্র গণআন্দোলনের জন্ম দেয়, যা পরবর্তীতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার এবং সকল আসামির মুক্তির পথ তৈরি করে।

উৎস-

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৬৫.
Which Sultan is known as the 'Prince of Moneyers'? /Prince of Moneyers' বলা হয় কোন সুলতানকে?
  1. Iltutmish / ইলতুৎমিশ
  2. Alauddin Khalji / আলাউদ্দিন খলজি
  3. Muhammad bin Tughlaq / মুহাম্মদ বিন তুঘলক
  4. Sher Shah Suri / শের শাহ সূর
ব্যাখ্যা

বিশাল সেনাবাহিনীর ব্যয় সংকুলান, সুলতানের দানশীলতা, শাসনকার্যে অত্যাধিক ব্যয়, দোয়াব অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ, উত্তরপশ্চিম সীমান্তে মোঙ্গল আক্রমণ প্রতিহতকরণ, রাজ্য বিজয় পরিকল্পনা, দেবগিরিতে রাজধানী স্থানান্তরজনিত ব্যয়ভার প্রভৃতি কারণে রাজকোষে আর্থিক সংকট দেখা দিলে ১৩২৯-১৩৩০ খ্রিস্টাব্দে সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলক পরীক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে প্রতীক তাম্র-মুদ্রা প্রর্বতন করেন। সুলতান ২০০ গ্রেনর স্বর্ণমুদ্রা (দিনার) এবং ১৪০ গ্রেনর রৌপ্যমুদ্রার (আদালী) প্রবর্তন করেন। এডওয়ার্ড থমাস সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলককে ÔPrince of Moneyers’ মুদ্রা প্রবর্তকদের রাজকুমার’ উপাধিতে ভূষিত করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সুলতানের এই পরিকল্পনাও বিফলতায় পর্যবসিত হয়।

উৎস

প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৬৬.
How many points of action did the All-Party Student Action Committee announce during the mass uprising? / ‘সর্বদলীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ’ গণঅভ্যুত্থানে কত দফা কর্মসূচী ঘোষণা করে?
  1. 7 / ৭
  2. 9 / ৯
  3. 11 / ১১
  4. 13 / ১৩
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রসমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আন্দোলনকে সুসংগঠিত করতে সর্বদলীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এই পরিষদ জনগণের দাবি-দাওয়া সামনে তুলে ধরতে এবং আন্দোলন পরিচালনার জন্য একটি ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে। এই ১১ দফা কর্মসূচি আসলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা কর্মসূচির সম্প্রসারিত ও ছাত্রসমাজের দাবি যুক্ত সংস্করণ ছিল। এটি জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায় এবং গণঅভ্যুত্থান সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস-

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ

৬৭.
In which language did Major Ziaur Rahman declare Bangladesh’s independence? / মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন কোন ভাষায়?
  1. Urdu / উর্দু
  2. Bengali / বাংলা
  3. English / ইংরেজি
  4. Hindi / হিন্দি
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনারা ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এ নৃশংস গণহত্যা চালায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার পর চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও মুক্তিকামী সেনারা প্রতিরোধ শুরু করেন। ২৭ মার্চ ১৯৭১ সালে মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন ইংরেজি ভাষায়। এর উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পৌঁছে দেওয়া, কারণ ইংরেজি ভাষা বিশ্বব্যাপী সহজবোধ্য ও গ্রহণযোগ্য ছিল।

https://www.bnpbd.org/leader-details/shaheed-president-ziaur-rahman?language=bn

৬৮.
Who was the Vice-Chancellor of Dhaka University during the Liberation War of Bangladesh in 1971? / মুক্তিযুদ্ধের সময় (১৯৭১ সালে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কে ছিলেন?
  1. Justice Abu Sayeed Chowdhury / বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. Dr. Mohammad Shamsuzzoha / ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা
  3. Dr. Syed Sajjad Husain / ড. সৈয়দ সাজ্জাদ হুসাইন
  4. Dr. Mafizuddin Ahmed / ড. মফিজউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

আবু সাঈদ ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান। একাত্তরের মার্চ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অধিবেশনে যোগদানের জন্য জেনেভা যান। সেখানে জেনেভার একটি পত্রিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জন ছাত্রের মৃত্যু সংবাদ দেখে বিচলিত হয়ে ২৫ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক শিক্ষা সচিবকে পাকিস্তান দূতাবাসের মাধ্যমে প্রেরিত এক পত্রে লেখেন, “আমার নিরস্ত্র ছাত্রদের উপর গুলি চালানোর পর আমার ভাইস চ্যান্সেলর থাকার কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। তাই আমি পদত্যাগ করলাম”।মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে জেনেভা থেকে তিনি লন্ডন যান এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে সচেষ্ট হন। একাজে তিনি বিশেষ সাফল্য অর্জন করেন।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৬৯.
The first general election of Pakistan was held in—/ পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়—
  1. 1954 / ১৯৫৪
  2. 1965 / ১৯৬৫
  3. 1970 / ১৯৭০
  4. 1971 / ১৯৭১
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা (Explanation in Bangla):
ইয়াহইয়া খানের সামরিক শাসনামলে ১৯৭০ সালে পাকিস্তানে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৭০ সালের অক্টোবরে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও বন্যার কারণে ডিসেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ১৯৭১ এর জানুয়ারি পর্যন্ত পিছিয়ে যায়।পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ ডিসেম্বর ১৯৭০ সালে। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন অর্জন করে এবং পশ্চিম পাকিস্তানে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (PPP) প্রধান দল হিসেবে উঠে আসে। নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে পূর্ব-পাকিস্তানের রাজনৈতিক স্বার্থ ও স্বাধীনতার দাবির পথ তৈরি হয়।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৭০.
Who was the Commander-in-Chief of Mukti Bahini?/ মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন কে?
  1. Col. M.A.G. Osmani / কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী
  2. Ziaur Rahman / জিয়াউর রহমান
  3. Khaled Mosharraf / খালেদ মোশাররফ
  4. Shafiullah / শফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকার (মুজিবনগর সরকার) তাঁকে মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক (Commander-in-Chief) হিসেবে নিয়োগ দেয়। তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনীকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং প্রতিটি সেক্টরের জন্য আলাদা কমান্ডার নিয়োগ করা হয়। কর্নেল ওসমানী সামরিক কৌশল নির্ধারণ, গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও সংগঠনের মূল দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতার ফলে মুক্তিবাহিনী পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং বিজয় অর্জন করে।

উৎস-
ড. সেলিনা হোসেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস
হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত, মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্র, খণ্ড ৮

৭১.
Which Governor-General first took the initiative to translate the Ain-i-Akbari into English? /আইন-ই-আকবরী গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের প্রথম উদ্যোগ নেন কোন গভর্নর জেনারেল?
  1. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
  4. Lord Minto / লর্ড মিন্টো
ব্যাখ্যা

ওয়ারেন হেস্টিংস (1773–1785) ভারতীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সাহিত্য সম্পর্কে গভীর আগ্রহী ছিলেন। তার পৃষ্ঠপোষকতায় পণ্ডিত আবুল ফজলের রচিত Ain-i-Akbari গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে এই অনুবাদ সম্পন্ন করেন ফ্রান্সিস গ্ল্যাডউইন এবং অন্যরা।

উৎস-

বাংলাপিডিয়া

৭২.
Who was the Chief of Staff during the Bangladesh Liberation War? / মুক্তিযুদ্ধকালীন চিফ অব স্টাফ কে ছিলেন?
  1. Major Ziaur Rahman / মেজর জিয়াউর রহমান
  2. Colonel Abdur Rob / কর্নেল আব্দুর রব
  3. Lieutenant Colonel Jafor / লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাফর
  4. Sheikh Mujibur Rahman / শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গঠিত হয় বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার (মুজিবনগর সরকার)। এই সরকারের অধীনে মুক্তিবাহিনীকে সংগঠিত করতে গঠন করা হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদর দপ্তর। কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী ছিলেন মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক (Commander-in-Chief)। তাঁর অধীনে কর্নেল আব্দুর রব ছিলেন মুক্তিবাহিনীর চিফ অব স্টাফ (Chief of Staff)। এছাড়া সেক্টর কমান্ডাররা যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন। অতএব, মুক্তিযুদ্ধকালীন চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল আব্দুর রব।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৭৩.
In which year did Louis XVI call the Estates-General?/ লুই ষোড়শ কোন সালে এস্টেটস-জেনারেল আহ্বান করেছিলেন?
  1. 1774/১৭৭৪
  2. 1789/১৭৮৯
  3. 1792/১৭৯২
  4. 1799/১৭৯৯
ব্যাখ্যা

১৭৮৯ সালে Louis XVI রাজা হিসেবে তৃতীয় estate-এর সাথে আলোচনা করার জন্য Estates-General আহ্বান করেন। এটি ১৭৫ বছরের মধ্যে প্রথমবার ছিল যখন Estates-General আহ্বান করা হয়। কারণ ফ্রান্সের অর্থনৈতিক সংকট, কৃষক ও সাধারণ মানুষের করের বোঝা, এবং রাজ্যের আর্থিক অবস্থা ভেঙে পড়েছিল। Estates-General-এর মাধ্যমে তৃতীয় estate National Assembly গঠন করে ফরাসি বিপ্লবের পথ তৈরি করে। এই ঘটনা বিপ্লবের প্রাথমিক রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস-

C.J.H. Hayes- Modern Europe to 1870

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৪৫৩-১৮১৫)

প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস-২য় পত্র

৭৪.
When did the Russo-Japanese War take place?/ রুশ-জাপান যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. 1894-1895/১৮৯৪–১৮৯৫
  2. 1920-1921/১৯২০–১৯২১
  3. 1914-1918/১৯১৪–১৯১৮
  4. 1904-1905/১৯০৪–১৯০৫
ব্যাখ্যা

রুশ-জাপান যুদ্ধ (Russo-Japanese War) হলো ১৯০৪ থেকে ১৯০৫ সালের মধ্যে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে সংঘটিত একটি যুদ্ধ। এর মূল কারণ ছিল মাঞ্চুরিয়া এবং কোরিয়া অঞ্চলের প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি শক্তির মধ্যে দ্বন্দ্ব। যুদ্ধ শুরু হয় ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯০৪ সালে জাপানের আক্রমণ দিয়ে পোর্ট আর্থারে (পোর্ট আর্থার বন্দর, মাঞ্চুরিয়া) রাশিয়ান নৌবাহিনীর ওপর। যুদ্ধের ফলাফল: জাপান বিজয়ী হয় এবং প্রথম এশীয় শক্তি হিসেবে একটি ইউরোপীয় শক্তিকে পরাস্ত করে আন্তর্জাতিক মানচিত্রে নিজেদের শক্তি প্রমাণ করে। এই যুদ্ধের ফলেও রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পায় এবং পরবর্তীতে ১৯০৫ সালের রুশ বিপ্লবের পথ প্রশস্ত হয়।

প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৭৫.
Mussolini allied with Hitler through which pact?/ মুসোলিনি কোন চুক্তির মাধ্যমে হিটলারের সাথে মিত্রতা গড়েন?
  1. Rome–Berlin Axis/রোম-বার্লিন চুক্তি
  2. Molotov Pact/মলোতভ চুক্তি
  3. Treaty of Versailles/ ভার্সাই চুক্তি
  4. Munich Pact/মিউনিখ চুক্তি
ব্যাখ্যা

১৯৩৬ সালে মুসোলিনি ইতালি ও হিটলার জার্মানির মধ্যে একটি সামরিক ও রাজনৈতিক মিত্রতা প্রতিষ্ঠা করেন।Rome–Berlin Axis (1936) এর উদ্দেশ্য: দু’দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা ও রাজনৈতিক সমর্থন। এর ফলে দু’দেশের ফ্যাসিস্ট সরকারের মধ্যে শক্তিশালী মিত্রতা,পরবর্তীতে WWII-এ যৌথভাবে Axis Powers হিসেবে লড়াই । উল্লেখযোগ্য: এই অক্ষের মাধ্যমে ইটালি ও জার্মানি বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব বৃদ্ধি করে।

উৎস-

মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৭৬.
When did the Soviet Union join the League of Nations?/ সোভিয়েত ইউনিয়ন লিগ অব নেশনসে কখন যোগদান করে?
  1. 1929/১৯২৯
  2. 1932/১৯৩২
  3. 1934/১৯৩৪
  4. 1936/১৯৩৬
ব্যাখ্যা

League of Nations (জাতিসংঘের পূর্বসূরি, লিগ অব নেশনস) হলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য কাজ করত। সোভিয়েত ইউনিয়ন দীর্ঘ সময় ধরে লিগ অব নেশনসের সঙ্গে আলাদা অবস্থান রাখছিল। ১৯৩৪ সালে, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে এবং রাশিয়ার বৈদেশিক নীতিতে পরিবর্তনের ফলে সোভিয়েত ইউনিয়ন লিগ অব নেশনসে যোগদান করে। যোগদানের মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়ন আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও নিরাপত্তা আলোচনা প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়।

উৎস-

মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৭৭.
The French Revolution of 1848 is also called—/ ১৮৪৮ সালের ফরাসি বিপ্লবকে আর কী বলা হয়?
  1. July Revolution/জুলাই বিপ্লব
  2. February Revolution/ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  3. Bastille Revolution/বাস্তিল বিপ্লব
  4. Hundred Days/ শতদিনের শাসন
ব্যাখ্যা

১৮৪৮ সালের ফরাসি বিপ্লবকে “February Revolution” বা ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়। লুই ফিলিপের লিবারেল রাজতন্ত্রে জনগণের অসন্তুষ্টি ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রত্যাশা।প্যারিসে জনবিক্ষোভ ও বিক্ষোভের চাপের কারণে লুই ফিলিপ পদত্যাগ করেন। দ্বিতীয় ফরাসি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমে প্রজাতন্ত্রে সবার সমান ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করা হয়। শ্রমিক ও মধ্যবিত্তের স্বার্থ রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার চালু করার চেষ্টা করা হয়।

উৎস-

C.J.H. Hayes- Modern Europe to 1870

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৪৫৩-১৮১৫)

৭৮.
Which country received Alsace-Lorraine after WWI?/ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর Alsace-Lorraine কে পায়?
  1. Belgium/বেলজিয়াম
  2. France/ফ্রান্স
  3. Japan/জাপান
  4. Turkey/তুরস্ক
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে Alsace-Lorraine অঞ্চলটি জার্মানির নিয়ন্ত্রণে ছিল (1871–1918), কারণ এটি Franco-Prussian War-এর পরে জার্মানিতে সংযুক্ত হয়েছিল। যুদ্ধের পর Versailles চুক্তি (1919) অনুযায়ী এই অঞ্চল পুনরায় ফ্রান্সের হাতে ফেরত দেওয়া হয়। অঞ্চলটি ছিল কৌশলগত ও শিল্পসমৃদ্ধ। চুক্তি অনুযায়ী জার্মানি এটি হারায় এবং ফ্রান্সে সংযুক্ত হয়। এটি ফ্রান্সের জাতীয় অভিমান ও সামরিক নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

৭৯.
Which treaty ended the war between Russia and Germany?/ রাশিয়া ও জার্মানির মধ্যে কোন চুক্তি যুদ্ধ শেষ করে?
  1. Treaty of Brest-Litovsk (1918)/ ব্রেস্ট-লিটোভস্ক চুক্তি
  2. Treaty of Versailles/ ভার্সাই চুক্তি
  3. Treaty of Paris/প্যারিস চুক্তি
  4. Treaty of London/লন্ডন চুক্তি
ব্যাখ্যা

রাশিয়ান বিপ্লব (১৯১৭) এর পর ব্লশেভিক সরকার প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। রাশিয়া ও জার্মানির মধ্যে শান্তি স্থাপনের জন্য March 1918-এ স্বাক্ষরিত হয় Treaty of Brest-Litovsk।

মূল শর্তসমূহ:

রাশিয়া বেশ কিছু পূর্বনির্ধারিত অঞ্চল হারায়, যেমন: পোল্যান্ড, উক্রেন, বেলারুশ, ব্যাল্টিক রাষ্ট্রগুলি (লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, এস্তোনিয়া)

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং রাশিয়া পশ্চিমা জোটের সঙ্গে যুদ্ধে আর অংশগ্রহণ করে না।

জার্মানি সাময়িকভাবে বলকান এবং পূর্ব ইউরোপে প্রভাব বৃদ্ধি করে।

লক্ষ্যণীয়: এই চুক্তি বিশ্বযুদ্ধের সম্পূর্ণ সমাপ্তি নয়, শুধুমাত্র রাশিয়া-জার্মানি যুদ্ধের সমাপ্তি। মূল যুদ্ধের সমাপ্তি হয় Treaty of Versailles (1919)-এ।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৮০.
What is Capitation?/ ক্যাপিটেশন কী?
  1. A type of land tax / জমি কর
  2. A tax on income / আয় কর
  3. A per-person tax / মাথাপিছু কর
  4. A tax on goods / পণ্যের কর
ব্যাখ্যা

Capitation মূলত একটি কর পদ্ধতি, যা ব্যক্তির ব্যক্তিগত আয় বা ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে ধার্য করা হয়। ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে এই ধরণের কর ব্যবহার করা হতো। মাথাপিছু কর (Per-person tax) অনেক সময়কে ‘capitation tax’ বলা হলেও আধুনিক অর্থনীতিতে capitation আয়ের ওপর নির্ভরশীল কর বোঝায়। উদাহরণ: ব্যক্তি বা পরিবার যদি নির্দিষ্ট আয় অর্জন করে, সেই আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশকে কর হিসাবে দিতে হয়।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

৮১.
Where was influenza first reported during World War I?/ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রথমে ইনফ্লুয়েঞ্জা কোথায় ধরা পড়ে?
  1. London, UK / লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  2. Paris, France / প্যারিস, ফ্রান্স
  3. Camp Funston, Kansas, USA / ক্যান্টন, ক্যানসাস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. Madrid, Spain / মাদ্রিদ, স্পেন
ব্যাখ্যা

1918 সালের স্প্যানিশ ফ্লু মহামারী (Influenza Pandemic) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় শুরু হয়। এর প্রথম উল্লেখযোগ্য সংক্রমণ ধরা পড়ে Camp Funston, Kansas, USA-এ। Camp Funston ছিল একটি সেনা প্রশিক্ষণ শিবির, যেখানে সৈনিকদের ঘন বসবাসের কারণে রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এই ইনফ্লুয়েঞ্জা দ্রুত ইউরোপ, এশিয়া ও অন্যান্য মহাদেশে ছড়িয়ে যায়, বিশেষত যুদ্ধকালীন সৈন্য বাহিনীর চলাচলের কারণে।যদিও স্পেনে মহামারীটি সংবাদ মাধ্যমে প্রথম প্রচারিত হয়, তাই এটিকে “Spanish Flu” নামে পরিচিত করা হয়, কিন্তু প্রথম সংক্রমণ মূলত যুক্তরাষ্ট্রে হয়েছিল।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

৮২.
The Gallipoli campaign was a major event of which war?/ গ্যালিপলি কোন যুদ্ধের ভয়াবহ ঘটনা?
  1. Second World War / দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  2. First World War / প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  3. Crimean War / ক্রিমিয়ান যুদ্ধ
  4. Napoleonic Wars / নেপোলিয়ন যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

গ্যালিপলি অভিযান (Gallipoli Campaign) সংঘটিত হয়েছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (1914–1918) সময়। এটি ছিল অলিড-ফ্রান্সীয় জোট এবং ওসমানীয় সাম্রাজ্যের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযান। লক্ষ্য ছিল দারদানেলস প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করে রাশিয়ার সাথে সংযোগ স্থাপন করা। অভিযানটি শুরু হয় 1915 সালের এপ্রিল মাসে, এবং এতে নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সের সৈন্যবাহিনী অংশগ্রহণ করে। গ্যালিপলি অভিযান ব্যর্থ হয়, কারণ ওসমানীয় প্রতিরোধ খুবই শক্তিশালী ছিল। এই অভিযান বহু সৈন্যের মৃত্যু ও আহত হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায় এবং সামরিক ইতিহাসে এক ভয়াবহ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

৮৩.
What is a “Guillotine”?/ গিলোটিন কি?
  1. A type of sword / এক ধরনের তলোয়ার
  2. A device for execution by beheading / মৃত্যুদণ্ডের জন্য মাথা কেটে ফেলার যন্ত্র
  3. A prison / কারাগার
  4. A revolutionary flag / বিপ্লবী পতাকা
ব্যাখ্যা

গিলোটিন হলো ফরাসি বিপ্লবের সময় ব্যবহৃত একটি যন্ত্র, যা অপরাধী বা বিপ্লবের শত্রুদের মাথা কেটে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হত। এটি ছিল একটি উচ্চ কাঠামো, যেখানে একটি ভারী ও ধারালো ব্লেড দ্রুত নিচে পড়ে মাথা বিচ্ছিন্ন করত। এটি দ্রুত ও মানবিক মৃত্যুদণ্ডের পদ্ধতি হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছিল। গিলোটিন Reign of Terror (১৭৯৩–১৭৯৪)-এর প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়।

উৎস-

C.J.H. Hayes- Modern Europe to 1870

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস-২য় পত্র

৮৪.
When did the British government formally recognize the Soviet Union?/ ব্রিটিশ সরকার সোভিয়েত ইউনিয়নকে আনুষ্ঠানিকভাবে কখন স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. 1917/১৯১৭
  2. 1921/১৯২১
  3. 1924/১৯২৪
  4. 1933/১৯৩৩
ব্যাখ্যা

সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯২২ সালে রাশিয়ার বাল্ক অঞ্চলগুলোকে একত্রিত করে। রাশিয়ার বোলশেভিক বিপ্লব (১৯১৭) এবং তারপর গৃহযুদ্ধের কারণে পশ্চিমা দেশগুলো প্রাথমিকভাবে সোভিয়েত সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে দ্বিধা বোধ করেছিল। ব্রিটিশ সরকার ১৯২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে স্বীকৃতি প্রদান করে। এই স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ এটি বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পথ সুগম করেছিল। আগে, ১৯১৭–১৯২৩ সালের মধ্যে ব্রিটেন ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলো সোভিয়েত সরকারের সাথে সম্পর্ক রাখতে অনিচ্ছুক ছিল।

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

৮৫.
In which year was Mussolini executed?/ মুসোলিনিকে হত্যা করা হয় কত সালে?
  1. 1944 / ১৯৪৪
  2. 1943 / ১৯৪৩
  3. 1945 / ১৯৪৫
  4. 1946 / ১৯৪৬
ব্যাখ্যা

বেনিটো মুসোলিনি (Benito Mussolini) ছিলেন ইতালির ফ্যাসিস্ট নেতা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে, ১৯৪৫ সালে তার নেতৃত্বাধীন ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস হয়। এপ্রিল ১৯৪৫ সালে, যখন মুসোলিনি ইতালিতে এগিয়ে আসা জোট সেনাদের হাত থেকে বাঁচতে চেষ্টা করছিলেন, তখন ইতালীয় প্রতিরোধ সেনারা তাকে গ্রেফতার করে। ২৮ এপ্রিল ১৯৪৫ তার হত্যা করা হয় ডোলোমাইটসের কাছে। তার মৃত্যুর পর, মুসোলিনির দেহ পাবলিকভাবে প্রদর্শিত হয় মিলান শহরের পিয়াজা লোরেটে।

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

৮৬.
In which country did the highest number of people die during the Second World War?/ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কোন দেশে সর্বাধিক সংখ্যক লোক মারা যায়?
  1. Germany / জার্মানি
  2. Japan / জাপান
  3. Soviet Union / সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. China / চীন
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯–১৯৪৫) ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক সংঘাতগুলোর একটি। এই যুদ্ধে সর্বাধিক জনধন ক্ষতি হয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়নে। সোভিয়েত ইউনিয়নের মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২০–২৭ মিলিয়ন অনুমান করা হয়, যার মধ্যে সৈন্য ও সাধারণ নাগরিক উভয়ই অন্তর্ভুক্ত। যুদ্ধের সময় লেনিনগ্রাদ অবরোধ, মার্শাল এবং বিভিন্ন বড় সামরিক অভিযানগুলোতে ব্যাপক নাগরিক ক্ষয়ক্ষতি হয়। অন্য দেশগুলোর তুলনায়: জার্মানি → প্রায় ৭ মিলিয়ন মৃত্যু, জাপান → প্রায় ২–৩ মিলিয়ন মৃত্যু, চীন → প্রায় ১০–২০ মিলিয়ন মৃত্যু (চীনের ক্ষেত্রে কিছু হিসাব বিভাজিত, তবে সোভিয়েত ইউনিয়নের মোট ক্ষয় এখনও বেশি)।

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

৮৭.
“Veto” is a word from which language?/ ভেটো কোন ভাষার শব্দ?
  1. Greek / গ্রিক
  2. Latin / লাতিন
  3. French / ফরাসি
  4. German / জার্মান
ব্যাখ্যা

“Veto” শব্দটি এসেছে লাতিন ভাষা থেকে, যার অর্থ হলো “I forbid” বা “আমি নিষিদ্ধ করি”। এটি মূলত প্রাচীন রোমের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হত, যেখানে রোমান কনসালরা আইন বা সিদ্ধান্তকে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা রাখত। আজকাল আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সংস্থাগুলোতে, যেমন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ, “veto power” হলো কোনো সদস্য দেশের ফাইনাল সিদ্ধান্ত ব্লক করার ক্ষমতা।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস-২য় পত্র

৮৮.
What was the name of Hitler's secret police force?/ হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনীর নাম কী ছিল?
  1. SS (Schutzstaffel) / এস এস (শুটস্টাফেল)
  2. Gestapo / গেস্টাপো
  3. SA (Stormtroopers) / এস এ (স্টর্মট্রুপারস
  4. Wehrmacht / ভেরমাখট
ব্যাখ্যা

Gestapo হলো নাজি জার্মানির গোপন পুলিশ বাহিনী, যা প্রধানত রাজনৈতিক শত্রুদের শনাক্ত, গ্রেফতার এবং দমন করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়। গেস্টাপো পূর্ণরূপে হলো: Geheime Staatspolizei, অর্থাৎ “Secret State Police”। এদের কাজ ছিল:রাজনৈতিক বিরোধী, ইহুদি ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের উপর নজরদারি করা।বিনা বিচারে গ্রেফতার ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা। নাগরিকদের মধ্যে নাজি সরকারকে বাধ্যতামূলকভাবে সম্মান ও ভয় তৈরি করা

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস-২য় পত্র

৮৯.
Which empire was known as the “Sick Man of Europe”?/ “সিক ম্যান অব ইউরোপ” নামে কোন সাম্রাজ্য পরিচিত ছিল?
  1. Ottoman Empire/ অটোমান সাম্রাজ্য
  2. Austrian Empire/ অস্ট্রিয়ান সাম্রাজ্য
  3. German Empire/ জার্মান সাম্রাজ্য
  4. Russian Empire/ রাশিয়ান সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা

১৯শ শতাব্দীর ইউরোপে “Sick Man of Europe” উপাধি দেওয়া হয়েছিল অটোমান সাম্রাজ্য (Ottoman Empire)-কে। অটোমান সাম্রাজ্য তখন রাজনৈতিক ও সামরিক দুর্বলতার শিকার। নানা অঞ্চলে বিদ্রোহ, অর্থনৈতিক ক্ষতি, এবং ইউরোপীয় শক্তিগুলোর দ্বারা আঞ্চলিক হস্তক্ষেপ সাম্রাজ্যকে দুর্বল করে তুলছিল। ইউরোপীয়রা বুঝেছিল, অটোমান সাম্রাজ্যের অবনতি অব্যাহত থাকলে এটি তাদের রাজনৈতিক ও সামুদ্রিক স্বার্থের জন্য বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই, “Sick Man of Europe” বলতে বোঝানো হতো যে, অটোমান সাম্রাজ্য ধীরে ধীরে শয়তানি ও রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৯০.
Blitzkrieg means—/ “ব্লিৎজক্রিগ” বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. Guerrilla War/ গেরিলা যুদ্ধ
  2. Lightning War / বিজলির মতো দ্রুত যুদ্ধ
  3. Naval War/ নৌযুদ্ধ
  4. Cold War/ শীতল যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

Blitzkrieg মানে হলো দ্রুত, আকস্মিক এবং ব্যাপক আক্রমণমূলক যুদ্ধ কৌশল। মূল লক্ষ্য শত্রুকে দ্রুতভাবে ভেঙে দেওয়া এবং রাজধানী/কেন্দ্রগুলো দখল করা। বৈশিষ্ট্য হল ট্যাঙ্ক এবং যান্ত্রিক বাহিনী ব্যবহার, বিমান হামলা (Luftwaffe) দ্বারা আঘাত, দ্রুত অগ্রগতি এবং শত্রুকে বিভ্রান্ত করা, সংযোগহীন যুদ্ধ বা দীর্ঘ লড়াই এড়ানো। জার্মানি ১৯৩৯ সালে পোল্যান্ড আক্রমণের সময় Blitzkrieg কৌশল ব্যবহার করে। এর মাধ্যমে মাত্র কয়েক সপ্তাহে পোল্যান্ড দখল করা সম্ভব হয়। পরে ফ্রান্স ও অন্যান্য দেশেও এই কৌশল প্রয়োগ করা হয়।

উৎস

প্রভাতাংশু মাইতি- ইউরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

ভিক্তর মাৎসুলেনকো- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ

৯১.
In the Battle of Waterloo, France was defeated by whom?/ ওয়াটার লু যুদ্ধে ফ্রান্স কার নিকট পরাজিত হয়?
  1. Alexander I of Russia / রাশিয়ার আলেকজান্ডার I
  2. Duke of Wellington / ডিউক অব ওয়েলিংটন
  3. Otto von Bismarck / অটো ভন বিসমার্ক
  4. Kaiser Wilhelm / কাইজার উইলহেম
ব্যাখ্যা

Battle of Waterloo (১৮১৫) হলো ইউরোপের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ। এই যুদ্ধে নেপোলিয়ন বোনাপার্টের ফরাসি সেনারা পরাজিত হয়। যুদ্ধটি সংঘটিত হয়েছিল ১৮ জুন ১৮১৫ সালে বেলজিয়ামের ওয়াটারলুতে। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন: ডিউক অব ওয়েলিংটন (ইংল্যান্ডের নেতৃত্বে),প্রুসিয়ান সেনারা (ফেল্ডমার্শাল ব্লুজ-এর নেতৃত্বে), নেপোলিয়নের পরাজয় দ্বারা ফ্রান্সের সাম্রাজ্যবাদী শক্তি চরমভাবে হ্রাস পায় এবং তিনি শেষ পর্যন্ত নির্বাসনে পাঠানো হয় সেন্ট হেলেনা দ্বীপে।

প্রভাতাংশু মাইতি- ইউরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৯২.
When was serfdom abolished in Russia?/ রাশিয়ায় ভূমিদাস প্রথা কখন বাতিল হয়?
  1. 1855/১৮৫৫
  2. 1861/১৮৬১
  3. 1871/১৮৭১
  4. 1881/১৮৮১
ব্যাখ্যা

Serfdom (ভূমিদাস প্রথা) হলো মধ্যযুগীয় রাশিয়ায় এমন একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যেখানে কৃষকরা জমির মালিকদের কাছে বাধ্যতামূলকভাবে শ্রম দিতে হতো এবং তাদের স্বাধীনতা ছিল সীমিত। সার্বিক সংস্কার এবং কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য টসার আলেকজান্ডার II ১৮৬১ সালে Emancipation Reform of 1861 জারি করেন। এই সংস্কারের মাধ্যমে: কৃষকদের জমিতে বসবাস ও চাষ করার স্বাধীনতা দেওয়া হয়। তারা নিজেদের শ্রমের বিনিময়ে জমির মালিকদের নির্দিষ্ট অর্থ প্রদান করতে বাধ্য থাকত। এটি রাশিয়ার সমাজে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ছিল এবং আধুনিক রাশিয়ার কৃষি ও সমাজনীতি গঠনে প্রভাব ফেলে।

প্রভাতাংশু মাইতি- ইউরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৯৩.
Which ruler called himself the “Father of the Revolution”?/ কোন রাজা নিজেকে ‘বিপ্লবের সন্তা’ বলেছেন?
  1. Louis XVI / লুই ষোড়শ
  2. Maximilien Robespierre / রোবসপিয়ের
  3. Napoleon Bonaparte / ন্যাপোলিয়ন বোনাপার্ট
  4. Danton / দান্তন
ব্যাখ্যা

ন্যাপোলিয়ন বোনাপার্ট ফ্রান্সের একজন বিখ্যাত সামরিক নেতা ও সম্রাট। তিনি ফরাসি বিপ্লবের পর ক্ষমতা গ্রহণ করে নিজেকে “Le Père de la Révolution” বা Father of the Revolution” (বিপ্লবের পিতা) হিসেবে অভিহিত করেন। ন্যাপোলিয়ন ফরাসি বিপ্লবের অর্জনসমূহকে সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের চেষ্টা করেছিলেন, যেমন:নাগরিক অধিকার, বৈষম্যহীন আইন প্রণয়ন (Napoleonic Code), অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব:

প্রভাতাংশু মাইতি- ইউরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৯৪.
Who is called the greatest philosopher of the Enlightenment?/ জ্ঞানদীপ্ত যুগের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক কাকে বলা হয়?
  1. Rousseau / রুশো
  2. Montesquieu / মন্টেস্কিউ
  3. Voltaire / ভলতেয়ার
  4. Descartes / দেকার্ত
ব্যাখ্যা

জ্ঞানদীপ্ত যুগ বা Enlightenment Age (১৭শ–১৮শ শতাব্দী) ছিল এক বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন, যেখানে যুক্তি, বিজ্ঞান, মানবতাবাদ ও স্বাধীন চিন্তার উপর জোর দেওয়া হয়। এই যুগের বহু দার্শনিকের মধ্যে ভলতেয়ার (Voltaire) সর্বাধিক প্রভাবশালী ও শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত।

৯৫.
Who said: “I found the crown of France lying on the ground, I picked it up with my sword”?/ “I found the crown of France lying on the ground, I picked it up with my sword.” কে বলেছেন?
  1. Louis XVI / লুই XVI
  2. Napoleon Bonaparte / নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  3. Robespierre / রবেস্পিয়ের
  4. Charlemagne / চার্লমেন
ব্যাখ্যা

১৭৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়, যা রাজতন্ত্রকে উৎখাত করে এবং লুই XVI-এর মৃত্যুর মাধ্যমে রাজশক্তি ধ্বংস করে। বিপ্লবের পর ফ্রান্সে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা এবং ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি হয়। এমন সময় নেপোলিয়ন বোনাপার্ট একটি উজ্জ্বল সামরিক নেতা হিসেবে পরিচিত হন। বিপ্লবের অস্থিতিশীলতা এবং ক্ষমতার শূন্যতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি রাজনৈতিক এবং সামরিকভাবে ক্ষমতা অর্জন করেন। ১৮ ডিসেম্বর ১৮০৪, নেপোলিয়ন ফ্রান্সের সম্রাট হন। ঐতিহ্য অনুযায়ী, সাধারণত পোপ সম্রাটকে মুকুট পরিয়ে দেন। কিন্তু নেপোলিয়ন নিজে মুকুট মাথায় পরান, যা দেখায় যে তার ক্ষমতা তার নিজের অর্জন, সৃষ্টিকর্তার নয় বা পূর্বপুরুষের উত্তরাধিকার নয়। এই উক্তি এবং কর্ম নেপোলিয়নের নির্ভীক, স্বাবলম্বী এবং ক্ষমতাশীল নেতৃত্বর প্রতীক। এটি ফরাসি বিপ্লবের পর নতুন শাসক প্রতিষ্ঠা এবং রাজতন্ত্র ও বিপ্লবের মধ্যে সংযোগ বোঝায়।

উৎস-

C.J.H. Hayes- Modern Europe to 1870

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস-২য় পত্র

৯৬.
What was the permit given by the Nawab to English traders to trade without paying customs called?/ বিনা শুল্কে বাণিজ্য করার জন্য নবাব ইংরেজ বণিকদের যে ছাড়পত্র দেন তাকে কী বলে?
  1. Dastak / দস্তক
  2. Farman / ফরমান
  3. Deewani / দেওয়ানি
  4. Jagir / জাগীর
ব্যাখ্যা

দস্তক মুগল সরকার কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে প্রদত্ত ব্যবসার অনুমতি পত্র। সম্রাট ফররুখ সিয়ারের ফরমান এর শর্তানুসারে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি আমদানি ও রপ্তানির উপর ধার্য সাধারণ শুল্ক না দিয়ে বাংলায় ব্যবসা করার অধিকার লাভ করে। রাজকীয় ফরমানে প্রাপ্ত অধিকারের উপর ভিত্তি করে কোম্পানি তাদের প্রতিনিধিদেরকে দস্তক প্রদান করত। এর বলে কোম্পানির প্রতিনিধিরা বিনাশুল্কে বাংলায় ব্যবসা করার অনুমতি দস্তকের কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতো, কারণ তারা সব শুল্ক প্রদানে বাধ্য থাকলেও কোম্পানি তা এড়িয়ে চলত। পরে এটি বাংলার দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার দুর্বলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে ইতিহাসে আসে।

উৎস-

বাংলাপিডিয়া

৯৭.
The famous novel, The Bluest Eye, is written by -
  1. American author
  2. Irish author
  3. French author
  4. Russian author
ব্যাখ্যা

The famous novel, The Bluest Eye, is written by - American author.

• The Bluest Eye:

- এটি Toni Morrison রচিত।
- এটি একটি novel.
- এটি ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয়।

• Toni Morrison ছিলেন একজন আমেরিকান Novelist, essayist এবং Editor.
- তাছাড়া তিনি Princeton University এর প্রফেসর ছিলেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম গুলো -
- Beloved,
- Song of Solomon,
- The Bluest Eye.

Source: Britannica.

৯৮.
বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের একপ্রকারের শাসন ব্যবস্থা, যার অধীনে দুইটি নির্বাচিত সরকারের মধ্যবর্তী সময়কালে সাময়িকভাবে অনির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ কোন দেশের শাসনভার গ্রহণ করে থাকে।
- বিএনপি সরকারের পদত্যাগের পর ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানে যোগ হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে সাংবিধানিকভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ছিলেন সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।
- উপদেষ্টা পরিষদের বাকিরা হলেন: ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক মো. শামসুল হক, অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, শেগুফতা বখত চৌধুরী, এ জেড এম নাছিরুদ্দিন, সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, অধ্যাপক নাজমা চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রহমান খান।
- এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার মোট ৮৬ দিন ক্ষমতায় ছিল। এই সরকার ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯০ সালে সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর জাতীয় নির্বাচন আয়োজন পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের জন্য গঠন করা হয়েছিল নির্দলীয় প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ঐ সরকার গঠিত হয়েছিল।

এছাড়াও,
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯.
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোন দেশ সহায়তা করবে?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

তিস্তা মহাপরিকল্পনা:
- তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে চীন।

⇒ তিস্তা প্রকল্পের প্রথম পর্যায় বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৭৫ কোটি ডলার। এর মধ্যে চীন থেকে ঋণ চাওয়া হয়েছে ৫৫ কোটি ডলার। বাকিটা করা হবে সরকারি অর্থায়নে।
- চীনের রাস্ট্রদূত জানান, তিস্তা প্রকল্পের বিষয়টিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সঙ্গে তারা কাজ করছেন।
- চীনের বিশেষজ্ঞ দল তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাবনা যাচাই শেষে অক্টোবর, ২০২৫-এর মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্ত হবে।
- ২০২৬ সালে এ প্রকল্পের কাজ শুরু করে ২০২৯ সালে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- মহাপরিকল্পনায় তিস্তা নদীর ডান-বাম উভয় তীর ঘেঁষে ২২০ কিলোমিটার উঁচু গাইড বাঁধ, রিভার ড্রাইভ, হোটেল-মোটেল-রেস্তোরাঁ, পর্যটন কেন্দ্র, ১৫০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুতকেন্দ্র, শিল্প-কারখানা, ইপিজেড, ইকোনমিক জোন, কয়েক লাখ হেক্টর কৃষি জমি উদ্ধার, বনায়ন ইত্যাদি রয়েছে।
- এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে তিস্তা পাড় হয়ে উঠবে পূর্ব চীনের জিয়াংসু প্রদেশের সুকিয়ান সিটির মতো সুন্দর নগরী।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

১০০.
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ড্রাগন ফল উৎপাদনে বর্তমানে শীর্ষ জেলা কোনটি? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ঝিনাইদহ
  2. কুষ্টিয়া
  3. রাজশাহী
  4. যশোর
ব্যাখ্যা

ড্রাগন ফল উৎপাদন:
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ড্রাগন উৎপাদনের শীর্ষে আছে ঝিনাইদহ জেলা।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উৎপাদন হয় ৩২ হাজার ৭৬৮ মেট্রিক টন ড্রাগন।

• উৎপাদনের ২য় স্থানে রয়েছে যশোর। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উৎপাদন হয় ১২ হাজার ৫৫৩ মেট্রিক টন ড্রাগন। আর তৃতীয় শীর্ষ জেলা রাজশাহীতে উৎপাদন হয় ৪ হাজার ৪৭৭ মেট্রিক টন ড্রাগন।

⇒ ড্রাগন ফল মূলত আমেরিকার প্রসিদ্ধ একটি ফল যা বর্তমানে আমাদের দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৭ সালে থাইল্যান্ড, ফ্লোরিডা ও ভিয়েতনাম থেকে এই ফলের বিভিন্ন জাত আনা হয়। ড্রাগন ফলের গাছ এক ধরনের ক্যাকটাস জাতীয় গাছ। এই গাছের কোন পাতা নেই। ড্রাগন ফলের গাছ সাধারনত ১.৫ থেকে ২.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।

⇒ বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সিটিউট (বারি) কতৃক উদ্ভাবিত ড্রগন ফলের নতুন জাতটি হলো বারি ড্রাগন ফল-১ যা দক্ষিণ -পূর্ব এশিয়াতে জনপ্রিয় ফল। এ ফলের আকার বড়, পাকলে খোসার রং লাল হয়ে যায় ,শাঁস গাঢ় গোলাপী রঙের, লাল ও সাদা এবং রসালো প্রকৃতির । ফলের বীজগুলো ছোট ছোট কালো ও নরম । একটি ফলের ওজন ১৫০ গ্রাম থেকে ৬০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কৃষি বাতায়ন।

১০১.
ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC এর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ৫৬টি
  2. ৫৭টি
  3. ৫৮টি
  4. ৫৯টি
ব্যাখ্যা

OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC.
- OIC এর পূর্ণরূপ The Organisation of Islamic Cooperation.
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: মরক্কো।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: হুসাইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)। (অক্টোবর, ২০২৫)
- মহাসচিবের মেয়াদ: ৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা: তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি। (অক্টোবর, ২০২৫)

⇒ দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ OIC এর সদস্য।
• গায়ানা ও
• সুরিনাম।

- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC এর সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১০২.
কার্টাগেনা প্রটোকল কার্যকর হয় কবে?
  1. ২০০১ সাল
  2. ২০০২ সাল
  3. ২০০৩ সাল
  4. ২০০৪ সাল
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol):
- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity.
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন - ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল।
- চুক্তি কার্যকর - ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।

তথ্যসূত্র - কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।

১০৩.
পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন কোনটি?
  1. ESCWA
  2. ESCAP
  3. ECLAC
  4. ECE
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীন ৫টি আঞ্চলিক কমিশন রয়েছে।

⇒ এগুলো হলো:
- এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCAP),
- পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCWA),
- ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন (ECLAC),
- ইউরোপিয়ান অর্থনৈতিক কমিশন (ECE),
- আফ্রিকান অর্থনৈতিক কমিশন (ECA).

তথ্যসূত্র - UN ওয়েবসাইট।

১০৪.
ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে চালানো সামরিক অভিযানের নাম কী? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. অপারেশন রাইজিং লায়ন
  2. অপারেশন ডেইজ অফ রিপেন্টেন্স
  3. অপারেশন নাইট ফ্যাল
  4. অপারেশন ডার্ক হরাইজন
ব্যাখ্যা

‘অপারেশন রাইজিং লায়ন':
- ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে চালানো সামরিক অভিযানটির নাম 'অপারেশন রাইজিং লায়ন'।
- 'রাইজিং লায়ন' নামটি বাইবেলের একটি অনুচ্ছেদে সিংহের প্রতীকী পরাক্রমকে তুলে ধরে, ইসরায়েলের যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।
- ১৩ জুন ২০২৫-এর ভোরে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ যৌথভাবে 'অপারেশন রাইজিং লায়ন' পরিচালনা করে।
- ইসরায়েল প্রথমে 'ড্রোন' দ্বারা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করা, এরপর প্রধান পারমাণবিক ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা করে।

উল্লেখ্য:
- এই হামলার জবাবে ইরান পাল্টা হামলা চালায়।
- এই হামলার নাম দেয়া হয় 'অপারেশন টু প্রমিজ থ্রি’।
- ইরান পাল্টা জবাবে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

১০৫.
IUCN-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. বার্ন, সুইজারল্যান্ড
  3. গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
  4. জুরিখ, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

IUCN:
- বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা (IUCN)।
- IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি নিয়ে বিশ্বের ১৭০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।

তথ্যসূত্র - IUCN অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১০৬.
IMF এর বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ক্রিস্টিন লাগার্দে
  2. ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
  3. রড্রিগো ডে রাতো
  4. মিশেল ক্যামডেসসুস
ব্যাখ্যা

IMF:
- IMF এর পূর্ণরূপ The International Monetary Fund.
- এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৪ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৪৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি। (অক্টোবর, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য: লিচেনস্টাইন। (অক্টোবর, ২০২৫)
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। (অক্টোবর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - IMF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১০৭.
P হচ্ছে Q এর পিতা কিন্তু Q, P এর ছেলে নয়। তাদের সম্পর্কটা কোন ধরনের?
  1. পিতা-মাতা
  2. ভাই-বোন
  3. মেয়ে-পিতা
  4. ছেলে-মেয়ে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P হচ্ছে Q এর পিতা কিন্তু Q, P এর ছেলে নয়। তাদের সম্পর্কটা কোন ধরনের?

সমাধান:
যেহেতু, P হচ্ছে Q এর পিতা কিন্তু Q, P এর ছেলে নয় সুতরাং Q হলো মেয়ে এবং P হচ্ছে পিতা।

সুতরাং, তাদের সম্পর্কটা মেয়ে-পিতা।

১০৮.
নিচের চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে?

  1. ১২টি
  2. ১৬টি
  3. ১৫টি
  4. ১৭টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে?

সমাধান:

একটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 = ৮ টি
দুইটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 12, 34, 56, 78, 67, 58 = ৬ টি
চারটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 1267, 3456 = ২টি
সবগুলো ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 12345678 = ১ টি

সুতরাং, মোট ত্রিভুজ আছে = ৮ + ৬ + ২ + ১ = ১৭ টি

১০৯.
একটি পানি ভর্তি বালতির ওজন ১৪ কেজি। বালতিটি অর্ধেক পানি পূর্ণ থাকলে তার ওজন হয় ৮ কেজি। খালি বালতির ওজন কত?
  1. ৩ কেজি
  2. ২.৫ কেজি
  3. ৪ কেজি
  4. ২ কেজি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি পানি ভর্তি বালতির ওজন ১৪ কেজি। বালতিটি অর্ধেক পানি পূর্ণ থাকলে তার ওজন হয় ৮ কেজি। খালি বালতির ওজন কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
পানি ভর্তি বালতির ওজন = ১৪ কেজি
অর্ধেক পানি ভর্তি বালতির ওজন = ৮ কেজি

​অর্ধেক বালতি পানির ওজন = (১৪ - ৮) কেজি = ৬ কেজি
∴ ​পূর্ণ বালতি পানির ওজন = (৬ × ২) কেজি = ১২ কেজি

​আবার,
​পূর্ণ বালতি পানির ওজন + খালি বালতির ওজন = ১৪ কেজি
⇒ ​খালি বালতির ওজন = ১৪ - ​পূর্ণ বালতি পানির ওজন
​⇒ ​খালি বালতির ওজন = ১৪ - ১২ = ২ কেজি

১১০.
যদি ORANGE = SVERKI হয় তবে GRAPES = ?
  1. UXGTMK
  2. KVETIW
  3. UGANDA
  4. KXFGDR
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি ORANGE = SVERKI হয় তবে GRAPES = ?

সমাধান:
​যদি ORANGE = SVERKI হয় তবে GRAPES = KVETIW

​ORANGE শব্দটির বর্ণগুলো থেকে 4 ধাপ এগিয়ে পাওয়া যায়,
O(15) + 4 → S(19)
​R(18) + 4 → V(22)
​A(1) + 4 → E(5)
​N(14) + 4 → R(18)
​G(7) + 4 → K(11)
​E(5) + 4 → I(9)

​অনুরূপভাবে,
GRAPES শব্দটির বর্ণগুলো থেকে 4 ধাপ এগিয়ে গেলে KVETIW শব্দটি পাওয়া যায়। অর্থাৎ,

​G(7) + 4 → K(11)
​R(18) +4 → V(24)
​A(1) + 4 → E(5)
​P(16) + 4 → T(20)
​E(5) + 4 → I(9)
​S(19) + 4 → W(23)

অর্থাৎ নির্ণেয় শব্দটি হবে KVETIW

১১১.
যদি 7 + 3 = 410, 3 + 2 = 15, 6 + 5 = 111 হয়, তবে 8 + 4 = ?
  1. 124
  2. 711
  3. 609
  4. 412
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 7 + 3 = 410, 3 + 2 = 15, 6 + 5 = 111 হয়, তবে 8 + 4 = ?

সমাধান:
এখানে
7 + 3 = 410 ⇒ 7 - 3 = 4, 7 + 3 = 10
3 + 2 = 15 ⇒ 3 - 2 = 1, 3 + 2 = 5
6 + 5 = 111 ⇒ 6 - 5 = 1, 6 + 5 = 11

একইভাবে,
8 - 4 = 4, 8 + 4 = 12
সুতরাং, 8 + 4 = 412

১১২.
A দক্ষিণ দিকে মুখ করে ৪ কি. মি. হাঁটার পর বামদিকে ঘুরল এবং ৫ কি. মি. হাঁটল। আবার ডানদিকে ঘুরে ৮ কি. মি. হাঁটল। এখন যাত্রার স্থান থেকে সরাসরি দূরত্ব কত?
  1. ১৭ কি.মি.
  2. ২৫ কি.মি.
  3. ১৩ কি.মি.
  4. ১৬ কি.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A দক্ষিণ দিকে মুখ করে ৪ কি. মি. হাঁটার পর বামদিকে ঘুরল এবং ৫ কি. মি. হাঁটল। আবার ডানদিকে ঘুরে ৮ কি. মি. হাঁটল। এখন যাত্রার স্থান থেকে সরাসরি দূরত্ব কত?

সমাধান:
প্রদত্ত তথ্যগুলোকে চিত্রের মাধ্যমে সাজিয়ে পাই,

এখন, উত্তর-দক্ষিণ দিকে- শুরুতে ৪ কি.মি. দক্ষিণ + পরে আরও ৮ কি.মি. দক্ষিণ = মোট ১২ কি.মি. দক্ষিণ
পূর্ব-পশ্চিম দিকে: শুধু পূর্ব দিকে ৫ কি.মি.

∴ সরাসরি দূরত্ব = √(১২ + ৫) = √(১৪৪ + ২৫)
= √১৬৯
= ১৩ কি.মি.

১১৩.
(A) চিত্রটির আয়নায় প্রতিবিম্ব কেমন হবে?

  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (A) চিত্রটির আয়নায় প্রতিবিম্ব কেমন হবে?

সমাধান:


সুতরাং, সঠিক উত্তর (2) নং