পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (ব্যাকরণ)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
বাংলাবিদ ব্যাকরণ: পরীক্ষা ⎯ ২ টপিক: বানান শুদ্ধীকরণ [লাইভ ক্লাস ⎯ ৩ ও ৪]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ) · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
কোনটি অশুদ্ধ বানান?
  1. মরীচিকা
  2. দধীচি
  3. সমীচীন
  4. বাল্মিকী
সঠিক উত্তর:
বাল্মিকী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাল্মিকী
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - 'বাল্মীকি'
- বিশেষ্য পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় = বাল্মীক + ই।
অর্থ:
- রামায়ণের প্রণেতা কবি ও মুনি, আদিকবি।

অন্যদিকে,
- সমীচীন, দধীচি, মরীচিকা - শব্দ গুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোন পদরূপে 'কি' শব্দটি লিখতে ঈ-কার ব্যবহৃত হয়?
  1. বিশেষ্য
  2. উপসর্গ
  3. বিশেষণ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া-বিশেষণ ও যোজক পদরূপে কী শব্দটি ঈ-কার দিয়ে লেখা হবে।
যেমন:
- এটা কী বই?
- কী আনন্দ!
- কী আর বলব?
- কী করছ?
- কী করে যাব?
- কী খেলে?
- কী জানি?

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম।
.
সমাস সাধিত অশুদ্ধি ঘটেছে নিচের কোন শব্দে?
  1. নিরভিমান
  2. নীরোগ
  3. নিরপরাধী
  4. নির্দোষ
সঠিক উত্তর:
নিরপরাধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরপরাধী
ব্যাখ্যা
• সমাস সাধিত অশুদ্ধি ঘটেছে ‘নিরপরাধী’ শব্দে।
- শুদ্ধ প্রয়োগ: নিরপরাধ।

কিছু সমাস ঘটিত অশুদ্ধ শব্দের সম্পর্কে সতর্কতা:
সংস্কৃত ইন্‌- প্রত্যয়ান্ত শব্দের প্রথমবার একবচনের রূপ হিসেবে বাংলায় ধনী, গুণী, মানী, পাপী ইত্যাদি হয়। কিন্তু নিঃ উপসর্গযোগে সমাসবদ্ধ হলে শব্দের শেষে ঈ- কার হয় না। সেখানে ধন, গুণ, মান, পাপ ইত্যাদি শব্দের সমান হয়।
যেমন- নেই ধন যার = নির্ধন; নেই গুণ যার = নির্গুণ; নেই পাপ যার = নিষ্পাপ। নির্ধনী, নির্গুণী, নিষ্পাপী ইত্যাদি অশুদ্ধ।

• কিছু সমাস সাধিত অশুদ্ধ শব্দের শুদ্ধ প্রয়োগ:
অশুদ্ধ শব্দ - শুদ্ধ শব্দ:
- নিরপরাধী - নিরপরাধ;
- অহর্নিশি - অহর্নিশ;
- নিরহঙ্কারী - নিরহঙ্কার;
- নির্দোষী - নির্দোষ;
- পিতাহারা - পিতৃহারা;
- অর্ধরাত্রি - অর্ধরাত্র;
- নিরভিমানী - নিরভিমান;
- দিবারাত্রি - দিবারাত্র;
- নীরোগী - নীরোগ ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
বানানের নিয়ম অনুসারে কোনটি অশুদ্ধ?
  1. গাঙ
  2. বাঙালি
  3. রাং
  4. রঙের
সঠিক উত্তর:
গাঙ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাঙ
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান - গাঙ
- এর শুদ্ধরূপ: গাং।

• বানানের নিয়ম:
- শব্দের শেষে প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে সাধারণভাবে অনুস্বার (ং) ব্যবহৃত হবে।
যেমন:
গাং, ঢং, পালং, রং, রাং, সং।

- তবে অনুস্বারের সঙ্গে স্বর যুক্ত হলে ঙ হবে।
যেমন :
বাঙালি, ভাঙা, রঙিন, রঙের

- ব্যতিক্রম: বাংলা ও বাংলাদেশ শব্দে অনুস্বার থাকবে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোনটি অশুদ্ধ বানান?
  1. উন্মিলন
  2. চাবি
  3. পাখি
  4. বাড়ি
সঠিক উত্তর:
উন্মিলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্মিলন
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - 'উন্মীলন'
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- বিকাশ,
- উন্মেষ।

অন্যদিকে,
• অপ্রাণিবাচক শব্দ ও ইতরপ্রাণিবাচক অতৎসম শব্দের শেষে ই/ঈ-কারের মধ্যে ই-কার হবে।
যেমন:
অপ্রাণিবাচক শব্দ:
- বাড়ি, গাড়ি, শাড়ি, চাবি ইত্যাদি ।

ইতরপ্রাণিবাচক শব্দ:
- পাখি, হাতি, চড়ুই, মুরগি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. প্রচণ্ড
  2. রাণী
  3. গুনতী
  4. ঠাণ্ডা
সঠিক উত্তর:
প্রচণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রচণ্ড
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - প্রচণ্ড

মূর্ধন্য-ণ ও দন্ত্য-ন এর ব্যবহার:
- অতৎসম শব্দের বানানে ণ ব্যবহার করা হবে না।
যেমন:
- ইরান, কান, কোরান, গভর্নর, গুনতি, গোনা, ঝরনা, ধরন, পরান, রানি, সোনা, হর্ন।

- তৎসম শব্দে ট, ঠ, ড, ঢ-য়ের পূর্বে যুক্ত নাসিক্যবর্ণ ণ হয়।
যেমন:
কণ্টক, প্রচণ্ড, লুণ্ঠন।

- কিন্তু অতৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ট ঠ ড ঢ-য়ের আগে কেবল ন হবে।
যেমন:
গুন্ডা, ঝান্ডা, ঠান্ডা, ডান্ডা, লন্ঠন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. আহূত
  2. দুতালি
  3. দুর্বা
  4. দুরুহ
সঠিক উত্তর:
আহূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহূত
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানান - 'আহূত'
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- আহ্বান করা হয়েছে এমন।

অন্যদিকে:
শুদ্ধ বানান - 'দূতালি'
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- দূতগিরি।

শুদ্ধ বানান - 'দূর্বা'
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- উষ্ণ ও নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে সারাবছর ঘনবিন্যস্তভাবে বেড়ে ওঠে এমন সরু পাতা ও কাণ্ডবিশিষ্ট ভেষজ-গুণসম্পন্ন গাঢ় সবুজ তৃণবিশেষ।

• শুদ্ধ বানান - দুরূহ।
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- অত্যন্ত কষ্টসাধ্য।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোন শব্দে ‘ষ’ এর ব্যবহার অশুদ্ধ?
  1. কোষ
  2. ঊষা
  3. ষ্টিমার
  4. কলুষ
সঠিক উত্তর:
ষ্টিমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষ্টিমার
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ - ষ্টিমার।
- শুদ্ধ বানান - স্টিমার।

অন্যদিকে,
- কলুষ, ঊষা ও কোষ শব্দে ‘ষ’ এর ব্যবহার শুদ্ধ।

'ষ' ব্যবহারের নয়িম:
- বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে 'ষ' ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।
যেমন:
কিশমিশ, নাশতা, পোশাক, বেহেস্ত, শখ, শয়তান, শরবত, শরম, শহর, শামিয়ানা, শার্ট, শৌখিন; আপস, জিনিস, মসলা, সন, সাদা, সাল (বৎসর), স্মার্ট, হিসাব; স্টল, স্টাইল, স্টিমার, স্ট্রিট, স্টুডিয়ো, স্টেশন, স্টোর। ইসলাম, তসলিম, মুসলমান, মুসলিম, সালাত, সালাম; এশা, শাওয়াল (হিজরি মাস), শাবান (হিজরি মাস)।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ভুতূড়ে
  2. ঘনীভূত
  3. পুঞ্জীভুত
  4. উদ্ভুত
সঠিক উত্তর:
ঘনীভূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘনীভূত
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - ঘনীভূত।

নিয়ম:

• 'অদ্ভুত' শব্দটি ছাড়া বাকি সব ক্ষেত্রে ভূত বানানে ঊ-কার হবে।
যেমন:
- ভূতুড়ে,
- উদ্ভূত,
- ভূতপূর্ব,
- পুঞ্জীভূত,
- ঘনীভূত ইত্যাদি।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১০.
বানানের নিয়ম অনুসারে কোনটি শুদ্ধ?
  1. বোমাবাজী
  2. ফরিয়াদী
  3. মাসী
  4. গোয়ালিনি
সঠিক উত্তর:
গোয়ালিনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোয়ালিনি
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - গোয়ালিনি

(ই, উ) ব্যবহারের নিয়ম:
সকল অতৎসম অর্থাৎ তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র শব্দে কেবল ই এবং উ এবং এদের কারচিহ্ন হিসেবে ‘ ি-কার’ ও ‘ু-কার’ ব্যবহৃত হবে। যেমন:
আরবি, আসামি, ইংরেজি, ইমান, ইরানি, উনিশ, ওকালতি, কাহিনি, কুমির, কেরামতি, খুশি, খেয়ালি গাড়ি, গোয়ালিনি, চাচি, জমিদারি, জাপানি, জার্মানি, টুপি, তরকারি, দাড়ি, দাদি, দাবি, দিঘি, দিদি, নানি নিচু, পশমি, পাখি, পাগলামি, পাগলি, পিসি, ফরাসি, ফরিয়াদি, ফারসি, ফিরিঙ্গি, বর্ণালি, বাঁশি, বাঙালি, বাড়ি, বিবি, বুড়ি, বেআইনি, বেশি, বোমাবাজি, ভারি (অত্যন্ত অর্থে), মামি, মালি, মাসি, মাস্টারি, রানি, রুপালি, রেশমি, শাড়ি, সরকারি, সিন্ধি, সোনালি, হাতি, হিজরি, হিন্দি, হেঁয়ালি।
চুন, পুজো, পুব, মুলা, মুলো।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১১.
বানানের নিয়ম অনুসারে কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. খেয়ালি
  2. মিতালি
  3. হেঁয়ালী
  4. রুপালি
সঠিক উত্তর:
হেঁয়ালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেঁয়ালী
ব্যাখ্যা
• বানানের নিয়ম অনুসারে অশুদ্ধ বানান: হেঁয়ালী
• এর শুদ্ধরূপ: হেঁয়ালি।

নিয়ম:
আলি প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ই-কার ব্যবহৃত হবে।
যেমন- সোনালি, মিতালি, বর্ণালি, খেয়ালি, রুপালি, হেঁয়ালি ইত্যাদি।

[ তবে ‘সোনালী ব্যাংক’ এর (সোনালী) বানানটি ব্যাংক কর্তৃক এভাবেই নিবন্ধিত। তাই সোনালী ব্যাংক লিখতে সোনালী শব্দটিই ব্যবহৃত হবে। যদিও বানানের নিয়ম অনুসারে (সোনালী) শব্দের সঠিক বানান সোনালি।]

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১২.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. অহঙ্ককার
  2. হৃদয়ংগম
  3. আকাঙ্ক্ষা
  4. সংগীত
সঠিক উত্তর:
অহঙ্ককার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অহঙ্ককার
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান - অহঙ্ককার
- শুদ্ধরূপ - অহংকার।

নিয়ম:
- সন্ধির ক্ষেত্রে ক খ গ ঘ পরে থাকলে পূর্ব পদের অন্তস্থিত ম্ স্থানে অনুস্বার (ং) হবে।
যেমন:
- অহম্ + কার = অহংকার।

• এরূপ- ভয়ংকর, সংগীত, শুভংকর, হৃদয়ংগম, সংঘটন।

- সন্ধিবদ্ধ না হলে ‘ঙ’ স্থানে ‘ং’ হবে না।
যেমন:
অঙ্ক, অঙ্গ, আকাঙ্ক্ষা, আতঙ্ক, কঙ্কাল, গঙ্গা, বঙ্কিম, বঙ্গ, লঙ্ঘন, শঙ্কা, শৃঙ্খলা, সঙ্গে, সঙ্গী।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৩.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. ইতালি
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. মালদ্বীপ
  4. পর্তুগীজ
সঠিক উত্তর:
পর্তুগীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগীজ
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান - পর্তুগীজ
- শুদ্ধ বানান - পর্তুগিজ।

নিয়ম:
যে কোন দেশ, জাতি ও ভাষার নাম লিখতে ই/ঈ কার দেয়ার প্রশ্ন এলে তাতে ই-কার ব্যবহৃত হবে।
যেমন-
• দেশ: গ্রিস, হাঙ্গেরি, ইতালি ইত্যাদি।
[ব্যতিক্রম- মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা]
• জাতি: বাঙালি, জার্মানি, পর্তুগিজ, তুর্কি ইত্যাদি।
• ভাষা: হিন্দি, আরবি, ফারসি ইত্যাদি।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার; বাংলা ভাষাও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমি অভিধান।
১৪.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. পর্বত
  2. ধর্ম্মসভা
  3. নির্দ্দিষ্ট
  4. কার্য্যালয়
সঠিক উত্তর:
পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বত
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - পর্বত

নিয়ম:

রেফ এর পর তৎসম, অতৎসম শব্দে ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না।
যেমন:
- কার্য্যালয় হবে না, সঠিক বানান হবে কার্যালয়।
- নির্দ্দিষ্ট হবে না, সঠিক বানান নির্দিষ্ট।
- ধর্ম্মসভা বানানটি ভুল, সঠিক বানান হবে ধর্মসভা।
- তেমনি ভাবে পর্ব্বত হবে না , সঠিক বানান হবে পর্বত

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. যুলুম
  2. যোহর
  3. মুয়াজযিন
  4. হজরত
সঠিক উত্তর:
যোহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোহর
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - যোহর

• জ ও য-এর ব্যবহার:
- বাংলায় প্রচলিত বিদেশি শব্দ সাধারণভাবে বাংলা ভাষার ধ্বনিপদ্ধতি-অনুযায়ী লিখতে হবে।
যেমন: কাগজ, জাদু, জাহাজ, জুলুম, জেব্রা, বাজার, হাজার।

- ইসলাম ধর্ম-সংক্রান্ত কয়েকটি শব্দে বিকল্পে 'য' লেখা যেতে পারে।
যেমন: আযান, ওযু, কাযা, নামায, মুয়াযযিন, যোহর, রমযান, হযরত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৬.
তা-প্রত্যয়যোগে কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. উৎকর্ষতা
  2. মৈত্রতা
  3. সরলতা
  4. আলস্যতা
সঠিক উত্তর:
সরলতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরলতা
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - সরলতা

• ‘তা’, ‘ত্ব’ এবং ‘য’ হলো বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। যা কেবল বিশেষণ শব্দকে বিশেষ্য করে। তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে আবারো ‘তা’, ‘ত্ব’ বা 'য' যুক্ত করলে তা ভুল হবে।
যেমন:
- কৃপণ বিশেষণ শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃপণতা হয়েছে।

অন্যদিকে:
• শুদ্ধ বানান - 'অলসতা'
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- কুঁড়েমি, জড়তা, শ্রমবিমুখতা।

• শুদ্ধ বানান - 'মিত্রতা'
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সখ্য,
- সৌহার্দ্য।

• শুদ্ধ বানান - 'উৎকৃষ্টতা'
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- উওম, শ্রেষ্ঠ, উন্নত।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৭.
কোনটি অশুদ্ধ বানান?
  1. কার্পন্য
  2. দৈন্য
  3. অধৈর্যতা
  4. দীনতা
সঠিক উত্তর:
অধৈর্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধৈর্যতা
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান - অধৈর্যতা।
- এর শুদ্ধরূপ - অধৈর্য, ধীরতা।

নিয়ম:

‘তা’ ‘ত্ব’ এবং ‘য’ হলো বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। যা কেবল বিশেষণ শব্দকে বিশেষ্য করে। তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে আবারো ‘তা’ ‘ত্ব’ বা য যুক্ত করলে তা ভুল হবে।
যেমন:
- দৈন্যতা শব্দটি অপপ্রয়োগ বা অশুদ্ধ। কারণ ‘দীন’ বিশেষণ শব্দের সঙ্গে বিশেষ্যবাচক ‘য’ প্রত্যয় যোগ করে ‘দৈন্য’ বিশেষ্য শব্দ গঠিত হয়। ফলে ‘দৈন্য’ শব্দের সঙ্গে আবারো বিশেষ্যবাচক ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত হলে তা ভুল বলে গণ্য হয়েছে।

এরূপ কিছু অশুদ্ধ শব্দের শুদ্ধরূপ হলো:
• অধৈর্যতা - অধৈর্য, ধীরতা।
• আলস্যতা - আলস্য, অলসতা।
• ঐক্যতা - ঐক্য, একতা।
• দৈন্যতা - দৈন্য, দীনতা
• কার্পণ্যতা - কার্পন্য, কৃপণতা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।