পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৫ (Revised রুটিন) পার্ট-১: সাধারণ জ্ঞান – বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক: ভাষা আন্দোলন, যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ছয়দফা, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন। উৎস: ইতিহাস সংক্রান্ত বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] পার্ট-২: English Grammar Topic: English Transformation of sentences, উৎস: প্রচলিত যেকোনো গাইড বই, High School English Grammar and Composition by Wren and Martin, Advanced Learner's Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain, A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hossain, Applied English Grammar and Composition by P. C. Das, English Grammar in Use by Raymond Murphy, Cliffs TOEFL Dictionaries (Oxford, Cambridge, Merriam-Webster etc.) [সকল বই পড়া জরুরি নয়। গাইড বইয়ের পাশাপাশি উপর্যুক্ত বইগুলোর যেকোনো একটি বেছে নিন] পার্ট-৩: বাংলা ব্যাকরণ টপিক: ভুল সংশোধন বা শুদ্ধকরণ/প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, লিঙ্গ পরিবর্তন। উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
কোনটি ‘আনী’ প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. কাঙালিনী
  2. মেথরানী
  3. গোয়ালিনী
  4. বাঘিনী
সঠিক উত্তর:
মেথরানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেথরানী
ব্যাখ্যা
• ‘আনী’ প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ হলো:
- ঠাকুর - ঠাকুরানী;
- নাপিত - নাপিতানী;
- মেথর - মেথরানী;
- চাকর - চাকরানী ইত্যাদি।

• কিছু শব্দ ‘ইনী’ প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক করা হয়। যথা:
- কাঙাল - কাঙালিনী,
- গোয়ালা - গোয়ালিনী,
- বাঘ - বাঘিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
নিচের কোন বাক্যে প্রবাদ-প্রবচনের শুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. শকুনের দোয়ায় হাতি মরে না।
  2. শ্রবণের তর্জনগর্জন।
  3. বাজনার চেয়ে খাজনা বেশি।
  4. চোরে চোরে মাসতুত ভাই
সঠিক উত্তর:
চোরে চোরে মাসতুত ভাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোরে চোরে মাসতুত ভাই
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ প্রয়োগ: চোরে চোরে মাসতুত ভাই।
- প্রবাদ-প্রবচনটির অর্থ: খারপ লোকের সঙ্গে খারাপ লোকের সম্পর্ক।

অশুদ্ধ প্রবাদগুলোর শুদ্ধরূপ হলো:
• শকুনের দোয়ায় গরু মরে না।
- প্রবাদ-প্রবচনটির অর্থ: লোভী বা স্বার্থান্বেষীর আশা সর্বদা পূরণ হয় না।

• খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি।
- প্রবাদ-প্রবচনটির অর্থ: আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি।

• আসারের তর্জনগর্জন।
- প্রবাদ-প্রবচনটির অর্থ: অক্ষম লোকের হাঁকডাক বেশি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোন শব্দের দুটি স্ত্রী-বাচক শব্দ রয়েছে?
  1. কামার
  2. শিক্ষক
  3. জেলে
  4. ধোপা
সঠিক উত্তর:
শিক্ষক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষক
ব্যাখ্যা

⇒ কিছু পুরুষবাচক শব্দের দুটি করে স্ত্রীবাচক শব্দ রয়েছে। যথা- 
• দেবর - ননদ (দেবরের বোন)/জা (দেবরের স্ত্রী), 
• ভাই - বোন এবং ভাবী (ভাইয়ের স্ত্রী), 
• শিক্ষক - শিক্ষয়িত্রী (শিক্ষিকা) (পেশা অর্থে) এবং শিক্ষকপত্নী (শিক্ষকের স্ত্রী), 
• বন্ধু - বান্ধবী (মেয়ে বন্ধু) এবং বন্ধুপত্নী (বন্ধুর স্ত্রী), 
• দাদা - দিদি (বড় বোন) এবং বৌদি (দাদার স্ত্রী)।

অন্যদিকে,
⇒ নী/নি-প্রত্যয় যোগে গঠিত নারীবাচক শব্দ হলো:
• কামার - কামারনী/কামারন,
• জেলে - জেলেনী/জেলেন,
• ধোপা - ধোপানী/ধোপানি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
শুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে কোন বাক্যে?
  1. সে সম্ভ্রান্তশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।
  2. ইহার আবশ্যক নাই।
  3. রাঙ্গামাটি পার্বতীয় এলাকা।
  4. অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে : অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।

⇒ বিশেষ্যের জায়গায় বিশেষণের কিংবা বিশেষণের বাহুল্য প্রয়োগজনিত ভুল:

বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত বিশেষ্য পদকে বিশেষণ কিংবা বিশেষণ পদকে বিশেষ্য ভেবে পদ পরিবর্তন করে এ ধরনের ভুল করা হয়। যেমন : আবশ্যক শব্দটি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর বদলে -ঈয় প্রত্যয় যোগ করে আবশ্যকীয় শব্দের ব্যবহার যথাযথ নয়। 

প্রচলিত কিছু অশুদ্ধ বাক্যের শুদ্ধরূপ হলো- 

• অশুদ্ধ: ইহার আবশ্যক নাই।
• শুদ্ধ বাক্য: ইহার আবশ্যকতা নাই।

• অশুদ্ধ: সে সম্ভ্রান্তশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।
• শুদ্ধ বাক্য: সে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।

• অশুদ্ধ: রাঙ্গামাটি পার্বতীয় এলাকা।
• শুদ্ধ বাক্য: রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোনটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ?
  1. ব্যাঙ্গমা
  2. ঢুলি
  3. কলু
  4. বেদে
সঠিক উত্তর:
ঢুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢুলি
ব্যাখ্যা
• নিত্য পুরুষবাচক শব্দ:
যে শব্দের স্ত্রীবাচক হয় না তাকে নিত্য পুরুষবাচাক শব্দ বলে।
যেমন- কবিরাজ, কৃতদার, অকৃতদার, ঢাকি, ঢুলি, রাষ্ট্রপতি, বিপত্নীক ইত্যাদি।

• নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ:
বাংলা ভাষায় বেশ কিছু শব্দ আছে যেগুলো নিত্য স্ত্রীবাচাক শব্দ হিসেবে পরিচিত।
যেমন- এয়ো, ললনা, সতীন, সৎমা, সধবা, বিমাতা, দাই, কুলটা, অর্ধাঙ্গিনী, লক্ষী, ডাইনি, গর্ভিণী ইত্যাদি। 

অন্যান্য অপশনগুলোর পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক শব্দ হলো:
• ব্যাঙ্গমা = বেঙ্গমি; (ব্যাঙ্গমা অর্থ: রূপকথায় বর্ণিত পাখিবিশেষ যা মানুষের মতো কথা বলতে পারে।)
• কলু = কলুনি; ( কলু অর্থ: তৈল উৎপাদনকারী ব্যক্তি বা তৈলকার জাতিবিশেষ।)
• বেদে = বেদেনি।
 
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
বাক্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহারে কোন দোষ ঘটে?
  1. বাহুল্য দোষ
  2. গুরুচণ্ডালী দোষ
  3. বাচ্যজনিত ভুল
  4. প্রবাদ-প্রবচনের বিকৃতিজনিত ত্রুটি
সঠিক উত্তর:
বাহুল্য দোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাহুল্য দোষ
ব্যাখ্যা
⇒ বাহুল্য দোষ:
প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে বাহুল্য দোষ ঘটে এবং শব্দ তার যোগ্যতা গুণ হারায়। 
যেমন
• অশুদ্ধ বাক্য: 'দেশের সকল শিক্ষকগণ এখানে উপস্থিত হয়েছেন।'
• শুদ্ধ বাক্য হবে: 'দেশের সব শিক্ষক এখানে উপস্থিত হয়েছেন' অথবা 'দেশের শিক্ষকগণ এখানে উপস্থিত হয়েছেন'।

⇒ বাংলা ভাষায় একই বাক্যে দুইবার বহুবচন ব্যবহৃত হয় না। দুইবার বহুবচনবাচক চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করলে বাক্য বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বহুবচনের অপপ্রয়োগ ঘটেছে কোন বাক্যে?
  1. যাবতীয় প্রাণী এই গ্রহের বাসিন্দা।
  2. সকল বালিকা প্রভাতফেরিতে গেছে।
  3. সমুদয় পক্ষীরাই নীড় বাঁধে।
  4. সভায় অনেক ছাত্র এসেছে।
সঠিক উত্তর:
সমুদয় পক্ষীরাই নীড় বাঁধে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদয় পক্ষীরাই নীড় বাঁধে।
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বাক্য: সমুদয় পক্ষীরাই নীড় বাঁধে।
• শুদ্ধ বাক্য: সমুদয় পক্ষীই নীড় বাঁধে।

⇒ সূত্র:
বহুত্ব বোঝাতে আমরা বহুবচন ব্যবহার করি। বিশেষ্য পদের সঙ্গে গুলি/গুলো/রা, এর ইত্যাদি যুক্ত করে বহুবচন তৈরি করা হয়। স্মরণ রাখতে হবে যে বহুবচনের পরে দ্বিত্ব প্রয়োগ হয় না, অর্থাৎ কোনো শব্দকে একবার বহুবচনে রূপান্তরিত করলে পুনরায় তার বহুত্ব অপ্রয়োজনীয়। তাই অগণিত, অনেক, বহু, যাবতীয়, সব ইত্যাদি যত বহুত্ববাচক শব্দ আছে, তাদের পরে সংশ্লিষ্ট বিশেষ্য পদের সঙ্গে গুলি/গুলো/রা ইত্যাদি যুক্ত হবে না।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোনটি পত্নীবাচক অর্থে স্ত্রীবাচক শব্দের উদাহরণ?
  1. তেজস্বিনী
  2. পাগলি
  3. নেত্রী
  4. জেঠী
সঠিক উত্তর:
জেঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেঠী
ব্যাখ্যা
• সাধারণ নারীবাচক শব্দ দুই ধরনের: 
- পত্নীবাচক;
- অপত্নীবাচক।

⇒ পত্নীবাচক:
স্বামী- স্ত্রী সম্পর্ক বোঝালে পত্নীবাচক হয়। 
যেমন: পিতা - মাতা, চাচা - চাচি, দাদা - দাদি, জেলে - জেলেনি, গুরু - গুরুপত্নী, নন্দাই - ননদ, জেঠা-জেঠী ইত্যাদি। 

⇒ অপত্নীবাচক: 
স্বামী- স্ত্রী সম্পর্ক না বোঝালে অপত্নীবাচক হয়। 
যেমন: খোকা- খুকি, ছাত্র - ছাত্রী, শিক্ষক - শিক্ষিকা, নেতা - নেত্রী, পাগল - পাগলি, তেজস্ব- তেজস্বিনী, বালক - বালিকা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
নিচের কোন শব্দে প্রত্যয়জনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. পূজনীয়
  2. গণ্যনীয়
  3. দূষণীয়
  4. পুষ্করিণী
সঠিক উত্তর:
গণ্যনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণ্যনীয়
ব্যাখ্যা
• প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ-জনিত অশুদ্ধি:
প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগের ফলে শব্দগঠন বা বাক্যে পদ ব্যবহারের সময় বানানে যে সব ভুল হয় সেরকম কিছু শব্দের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

• অশুদ্ধ ⇒ শুদ্ধ:
- আবশ্যকীয় ⇒ আবশ্যক;
- একত্রিত ⇒ একত্র;
- পুজ্য ⇒ পূজ্য;
- বাহ্যিক ⇒ বাহ্য;
- গণ্যনীয় ⇒ গণনীয়;
- পুজ্যনীয় ⇒ পূজনীয়
- দোষণীয় ⇒ দূষণীয়
- পুষ্কর্ণী  ⇒ পুষ্করিণী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১০.
‘যোগিনী’ শব্দটি কোন প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত হয়েছে?
  1. ঈনী
  2. নী
  3. ইনী
  4. নীন
সঠিক উত্তর:
ইনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনী
ব্যাখ্যা
নরবাচক শব্দকে নারীবাচক শব্দে পরিবর্তন করতে সাধারণত কিছু প্রত্যয় যোগ করতে হয়। যেমন:
⇒ ‘ইনী’ প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ:
• বিজয়ী - বিজয়িনী;
• যোগী - যোগিনী;
• তেজস্বী - তেজস্বিনী।

⇒ ‘নি’ প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ:
• জেলে - জেলেনি;
• বেদে - বেদেনি;
• ধোপা - ধোপানি।

⇒ ‘ইনি’ প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ:
• কাঙাল - কাঙালিনি;
• বাঘ - বাঘিনি।

⇒ ‘ই’ প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ:
• দাদা - দাদি;
• জেঠা - জেঠি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
১১.
ণ-ত্ব বিধান অনুসারে কোনটি অশুদ্ধ?
  1. উষ্ণ
  2. রুক্মিণী
  3. ভাষণ
  4. ক্রন্দণ
সঠিক উত্তর:
ক্রন্দণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রন্দণ
ব্যাখ্যা
⇒ ণ-ত্ব বিধান:
• বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য-ন এর ব্যবহার রয়েছে। এগুলো বাংলা বানানেও অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়।
তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ-ত্ব বিধান।

• ‘ণ’ ব্যবহারের নিয়ম:
- ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় 'ণ' ব্যবহৃত হয়। যেমন: ঘণ্টা, কাণ্ড, লুণ্ঠন ইত্যাদি।
- ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' হয়। যেমন: ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।
- ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, ষ, য, ব, হ, ং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যমন: কৃপণ, হরিণ, অর্পণ, লক্ষণ, রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।
- কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ণ’ হয়। যেমন:পুন্য, লাবণ্য, কল্যাণ, আপণ, গৌণ, ভাণ, শাণ, চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, স্থাণু, ফণী, পিণাক ইত্যাদি।

যেসকল ক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
১. সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে ‘ন’ হয়। যেমন- ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক ইত্যাদি।
২. ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত ‘ন’ কখনো (ণ) হয় না। যেমন- অন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন ইত্যাদি।
৩. বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে 'ণ' লেখার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
ষ-ত্ব বিধান অনুসারে নিচের কোনটি অশুদ্ধ?
  1. অভিষেক
  2. সুষুপ্ত
  3. ষ্ট্রিট
  4. অনুষঙ্গ
সঠিক উত্তর:
ষ্ট্রিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষ্ট্রিট
ব্যাখ্যা
⇒ ষ-ত্ব বিধান অনুসারে, বিদেশি শব্দের বানান বাংলায় লেখার সময় কখনো ‘ষ’ লেখা যাবে না।
যেমন: 
- ফটোষ্ট্যাট হবে না, সঠিক বানান হবে ফটোস্ট্যাট।

⇒ তেমনইভাবে ষ্টেশন, ষ্ট্রিট ও কিষমিশ লিখলে ভুল হবে।
- সঠিক বানান হবে স্টেশন, স্ট্রিট এবং কিশমিশ।

-----------------------
⇒ ষ-ত্ব বিধান:
বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই। তাই দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ লেখার প্রয়োজন হয় না। কেবল কিছু তৎসম শব্দে ষ-এর প্রয়োগ রয়েছে। তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ এর ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে।

• ‘ষ’ ব্যবহারের নিয়ম:
১. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়। যেমন: ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি।
২. ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। যেমন: কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।
৩. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের ‘স’ ‘ষ’ হয়। যেমন: ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
৪. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ” হয়। যেমন: অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।
৫. তৎসম শব্দে ‘র’-এর পর ‘ষ’ হয়। যেমন: বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ।
৬. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়। যেমন: ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ঊষা, পৌষ ইত্যাদি।

• যে সব ক্ষেত্রে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে ‘ষ’ হয় না। যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।
- সংস্কৃত ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত পদেও ‘ষ’ হয় না। যেমন: অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
নিচের কোন বাক্যে বানানের অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. সে ক্রোধান্ধ হইয়াছে।
  2. নিস্ফল পরিশ্রম করলে।
  3. তাহার অপরিসীম আনন্দ হইল।
  4. মুমূর্ষু রোগীকে শুশ্রূষা করো।
সঠিক উত্তর:
নিস্ফল পরিশ্রম করলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিস্ফল পরিশ্রম করলে।
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বাক্য: নিস্ফল পরিশ্রম করলে।
• শুদ্ধ বাক্য: নিষ্ফল পরিশ্রম করলে।

• নিয়ম:
⇒ বিসর্গযুক্ত অ-ধ্বনির সঙ্গে সন্ধি হলে বর্ণে সাধারণত 'স' যুক্ত হয় (পুরঃ + কার = পুরস্কার) এবং বিসর্গযুক্ত ই-ধ্বনির সঙ্গে সন্ধি হলে সাধারণত 'ষ' যুক্ত হয় (বহিঃ + কার = বহিষ্কার)।

⇒ তবে স্ক / স্ক সংক্রান্ত সমস্যার সহজ সমাধানকল্পে বলা যায়: অ-যুক্ত বা মুক্ত বর্ণের পরে সাধারণত 'স' হবে। যেমন: নমস্কার, পুরস্কার, বনস্পতি, তিরস্কার, বাচস্পতি ইত্যাদি।

⇒ অন্যদিকে ই-যুক্ত বর্ণের পর সাধারণত 'ষ' হবে। যেমন: আবিষ্কার, নিষ্কলঙ্ক, পরিষ্কার, নিষ্ফল, নিষ্প্রভ, নিষ্পাপ, নিষ্পন্ন, নিষ্কর, জ্যোতিষ্ক ইত্যাদি।
⇒ (স্প / স্ত / স্থ থাকলে 'ষ' হয় না। যেমন: নিস্পন্দ / নিস্তব্ধ / দুস্থ ইত্যাদি)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৪.
The superlative degree of the word 'able' is -
  1. most able
  2. ablest
  3. best able
  4. abler
সঠিক উত্তর:
ablest
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ablest
ব্যাখ্যা
• এখানে ablest হচ্ছে সঠিক উত্তর।
- Able হলো এক syllable বিশিষ্ট word.
- সুতরাং এর পূর্বে কোনো অতিরিক্ত word যুক্ত হয়ে superlative degree গঠিত হয় না।
- able এর সাথে 'est' suffix যুক্ত হয়ে superlative degree গঠিত হয়। যেমনঃ able + est= ablest.
- আর er suffix যুক্ত হয়ে comparative degree গঠিত হয়। যেমনঃ able + er= abler.

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
১৫.
Shammi is taller than Nupur. (make it positive)
  1. Nupur is not so tall as Shammi.
  2. Nupur is not tall as Shammi.
  3. Nupur is not tall than Shammi.
  4. Nupur is not less tall than Shammi.
সঠিক উত্তর:
Nupur is not so tall as Shammi.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nupur is not so tall as Shammi.
ব্যাখ্যা
♦ Than যুক্ত comparative sentence কে positive করার নিয়ম:
- প্রদত্ত sentence এর than এর পরের অংশ প্রথমে বসে।
- verb বসে।
-not বসে। (মূল sentence টি affirmative হলে কিন্তু মূল sentence টি negative হলে not উঠে যায়।)
-so বসে।
-comparative degree এর positive form বসে।
- as বসে।
-প্রদত্ত sentence এর প্রথম subject বসে।

• Affirmative sentence - এর positive degree - তে 'as...as' এবং negative sentence - এ 'so...as' ব্যবহৃত হয়।
comparative sentence: Shammi is taller than Nupur.
positive sentence: Nupur  is not so tall as Shammi .

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
১৬.
'She is absent, for she is sick.' This is an example of -
  1. Simple Sentence
  2. Complex Sentence
  3. Compound Sentence
  4. Optative Sentence
সঠিক উত্তর:
Compound Sentence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Compound Sentence
ব্যাখ্যা
♦ Compound Sentence (যৌগিক বাক্য)
• At least দুটি Clauses থাকবে এবং সেই Clause কেই হতে হবে Independent Clauses.
• Co-ordinate Conjunction যেমন and, or, but, for, yet, so, therefore, otherwise, else ইত্যাদি দ্বারা যুক্ত থাকে।
যেমন-
• Work hard and you can prosper in life.
• Do or die.
• She is absent, for she is sick.
• Do the work, else I will punish you.
• She is absent, for she is sick.

- for অর্থ এখানে 'কারণ'।
- for একটি Co-ordinate Conjunction,
- আর Co- ordinate Conjunction দিয়ে যখন দুটি Clause যুক্ত হয় তখন তাকে বলা হয় Compound Sentence.

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
১৭.
Change the voice: I am to make a note.
  1. A note is to be made by me.
  2. A note was to be made by me.
  3. A note had to be made by me.
  4. A note has to be made by me.
সঠিক উত্তর:
A note is to be made by me.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A note is to be made by me.
ব্যাখ্যা
♦ Active voice থেকে passive voice করার নিয়ম:
• Active voice এর object টি passive voice এর subject হয়।
• Tense অনুযায়ী auxiliary verb বসে।
• তারপর মূল verb এর past participle হয়।
• Active voice এর subject টি passive voice এর object হয়।
• তার পূর্বে preposition (by, with, at, to, in) বসে।

Active voice: I am to make a note.
Passive voice: A note is to be made by me.
১৮.
Change the sentence. I may help you. ( Passive voice)
  1. You might be helped by me.
  2. I might be helped by you.
  3. You may be helped by me.
  4. You might be helped me.
সঠিক উত্তর:
You may be helped by me.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
You may be helped by me.
ব্যাখ্যা
• May, might, can, could, must, ought to, going to active voice কে passive voice এ রুপান্তর করার নিয়ম-
• Structure:
Object বসবে subject হিসাবে + may, might, can, could, must, ought to, going to এর পরে be + verb এর past participle form + by + subject বসবে object হিসেবে।
Active: I may help you.
Passive: You may be helped by me.

এ বাক্যে Object হচ্ছে you এবং এটি হবে এখন subject এর পরে may be বসবে
- verb (help) এর past participle form - helped বসবে
- by + Subject - We এর objective form us বসবে।

এ জাতীয় আরোও একটি উদাহরণ
Active: You must do the work.
Passive: The work must be done by you.

Source: Advanced Learners Communicative English Grammer & Composition By Chowdhury & Hossain.
১৯.
'Going to market he bought a pen'. This is a -
  1. Compound Sentence
  2. Complex Sentence
  3. Simple Sentence
  4. Interrogative Sentence
সঠিক উত্তর:
Simple Sentence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simple Sentence
ব্যাখ্যা
যে বাক্যতে একটি মাত্র Subject  এবং একটিমাত্র finite verb থাকে, তাকে simple sentence বলে। 
'Going to market he bought a pen'. 
এই বাক্যতে He একমাত্র Subject এবং  bought একমাত্র finitie verb. তাই Sentence টি simple sentence.

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
২০.
The roads of Rajshahi are wider ____
  1. than those of Dhaka.
  2. than Dhaka.
  3. than that of Dhaka.
  4. than Dhaka's roads.
সঠিক উত্তর:
than those of Dhaka.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
than those of Dhaka.
ব্যাখ্যা
• কোনো comparative sentence এর প্রথম অংশ যদি The + Noun + of + Noun হয়, তবে verb এর পরের অংশ হবে than + that/those of ( noun যদি singular হয় তবে that আর noun যদি plural হয় তবে those) + বাকি noun টি।

তাই, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে - than those of Dhaka.
- Complete Sentence: The roads of Dhaka are wider than those of Dhaka.

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
২১.
Make it simple: I went there and met him.
  1. Going there I met him.
  2. I went there to met him.
  3. I went there then met him.
  4. I have gone there to meet him.
সঠিক উত্তর:
Going there I met him.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Going there I met him.
ব্যাখ্যা
♣ Compound to Simple:
• And যুক্ত Compound Sentence এর উভয় অংশের Subject যদি একই হয় এবং উভয় অংশে মূল verb থাকলে
• যদি compound sentence এ বোঝানো হয় যে কেউ দুটো কাজ করছে, একটি আগে ও আরেকটি পরে এবং যদি কাজ দুটো "and" conjunction দিয়ে যুক্ত থাকে, তবে simple sentence এ রূপান্তরিত করার সময় প্রথম verb এর সাথে "ing” যোগ করে প্রথম clause টিকে সংক্ষিপ্ত করা হয়।

- প্রথমে প্রথম বাক্যের মূল verb এর present fom go এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
- প্রথম বাক্যের মূল verb এর পরের অংশ there বসে। And এর পরিবর্তে comma বসে।
- প্রথম বাক্যের Subject বসে।
- ২য় বাক্যের বাকী অংশ বসে।
Compound: I went there and met him.
Simple: Going there I met him.

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
২২.
Dr. Adiba is the best girl in the class. (Comparative)
  1. Very few girls in the class as good as Dr. Adiba.
  2. Dr. Adiba is a good girl in the class.
  3. Dr. Adiba is better than any other girl in the class.
  4. Dr. Adiba is better girl then any other girls in the class.
সঠিক উত্তর:
Dr. Adiba is better than any other girl in the class.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dr. Adiba is better than any other girl in the class.
ব্যাখ্যা
Superlative: Dr. Adiba  is the best girl in the class.
Comparative: Dr. Adiba  is better than any other girl in the class.
Superlative Degree-কে Comparative Degree-তে পরিণত করার নিয়ম:
(i) প্রদত্ত Sentence এর Subject ও Verb বসে +
(ii) the উঠে যায় +
(iii) Superlative এর Comparative form বসে +
(iv) than any other বসে +
(v) প্রদত্ত Sentence-এর বাকী অংশ বসে।
• Structure: Subject + Verb + Superlative
Degree- এর Comparative form than any other + প্রদত্ত Sentence-এর বাকি অংশ।
- Superlative- এ 'of all' থাকলে Comparative- এ 'than all other' বসে।
More Examples:
Superlative: He is the oldest man in the village.
Comparative: He is older than any other man in the village.

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
২৩.
Which one of the following is a superlative degree?
  1. Less
  2. Farther
  3. Worst
  4. Better
সঠিক উত্তর:
Worst
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Worst
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে Worst হচ্ছে superlative degree.
- Worst - সবচেয়ে খারাপ
- এর comparative form হচ্ছে worse (অধিকতর - মন্দ) এবং positive form হচ্ছে Bad (খারাপ)

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে -
- Better- অধিকতর ভালো (Good এর positive form এবং Best এর comparative form).
- Farther (adverb) (for -এর 'comparative) অধিকতর দূরত্বে বা গভীরতায়; আরো দূরে বা অভ্যন্তরে।
- Less (অল্পতর) (Little এর comparative form এবং Least এর comparative form)

Source: Bangla Academy Dictionary.
২৪.
ঐতিহাসিক ছয় দফার পঞ্চম দফা কী বিষয়ক ছিল?
  1. বাণিজ্য বিষয়ক
  2. প্রতিরক্ষা বিষয়ক
  3. শুল্কনীতি বিষয়ক
  4. প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য বিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য বিষয়ক
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
২৫.
তমদ্দুন মজলিস কার নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল?
  1. অধ্যাপক আব্দুল মজিদ
  2. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  3. অধ্যাপক আবুল কালাম
  4. অধ্যাপক তমিজউদ্দীন
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য,
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
২৬.
বঙ্গবন্ধু আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কী নামকরণ করেছিলেন?
  1. রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
  2. ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
  3. লাহোর ষড়যন্ত্র মামলা
  4. পশ্চিম পাকিস্তান ষড়যন্ত্র মামলা
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:
- ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'। 
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবে। 
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা' নামে।
- ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল বিচারপতি এস.এ. রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন, মোঃ মোজাম্মেল হক।
২৭.
গণপরিষদের অধিবেশনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন কত তারিখ?
  1. ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে
  2. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে
  3. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে
  4. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন। 
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংরাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।
২৮.
'ছয় দফা' কোথায় উত্থাপন করা হয়?
  1. ঢাকায়
  2. লাহোরে
  3. করাচিতে
  4. রাওয়ালপিন্ডিতে
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
ব্যাখ্যা
মুক্তির সনদ:
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
২৯.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কোন আসামীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল?
  1. সার্জেন্ট জহুরুল হক
  2. সার্জেন্ট আমিনুল ইসলাম
  3. সার্জেন্ট মহিদুল ইসলাম
  4. সার্জেন্ট শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:
- ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল বিচারপতি এস.এ. রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন, মোঃ মোজাম্মেল হক।