পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

পরীক্ষাBJS & BARতারিখ২ এপ্রিল, ২০২৪সময়55 minutes
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
৮ম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস প্রিলিমিনারি (MCQ) পরীক্ষা-২০১৩
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

BJS & BAR · ২ এপ্রিল, ২০২৪ · ১০০ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কয়টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
তৃতীয় তফসিল:

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যথা-

স্পীকার কর্তৃক  ⇒ রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;

রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ⇒ প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি;

প্রধান বিচারপতি কর্তৃক ⇒ সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।
.
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের নিম্নবর্ণিত কোন দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগে অধিকারবলে আপীল করা যাবে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১৪ বৎসর কারাদণ্ড
  3. ১০ বৎসর কারাদণ্ড
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• সংবিধান আপীল বিভাগকে নিম্নলিখিত এখতিয়ার প্রদান করেছে:

১) আপীলের এখতিয়ার:
সংবিধানের ১০৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানী ও তা নিষ্পত্তির এখতিয়ার আপীল বিভাগের থাকবে। আপীল বিভাগের নিকট সেক্ষেত্রে অধিকার বলে আপীল করা যাবে যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ-
(ক) এই মর্মে সার্টিফিকেট প্রদান করেন যে, মামলাটির সাথে সংবিধান ব্যাখ্যার বিষয় আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত; বা
(খ) কোন মৃত্যুদণ্ড বহাল করেছেন কিংবা কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করেছেন; বা
(গ) উক্ত বিভাগের অবমাননার জন্য কোন ব্যক্তিকে দন্ড প্রদান করেছেন; এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, যদি আপীল বিভাগ আপীল করার অনুমতি দেয় এবং যদি সংসদে আইন দ্বারা এরূপ কোনো বিধান প্রণয়ন করা হয়ে থাকে।

২) আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ:
সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের অধীন কোন ব্যক্তির হাজিরা বা দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হতে পারে, আপীল বিভাগ সেরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করতে পারে।

৩) পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা:
সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি সাপেক্ষে আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত কোন রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকবে। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট (আপীল বিভাগ) বিধিমালা, ১৯৮৮ এর ৪র্থ অধ্যায় এর ২৬ আদেশে আপীল বিভাগের পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা ও পদ্ধতিগত বিষয় বর্ণিত হয়েছে।

৪) উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:
সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, যদি কোন সময় রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, যা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বপূর্ণ যে, সে সর্ম্পকে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা হলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করতে পারবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সর্ম্পকে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করতে পারবে।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিধান আছে?
  1. ১১
  2. ১০
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার

প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মুল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।

Article 11: Democracy and human rights
The Republic shall be a democracy in which fundamental human rights and freedoms and respect for the dignity and worth of the human person shall be guaranteed, and in which effective participation by the people through their elected representatives in administration at all levels shall be ensured.

• সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদের শুরুতে সুস্পষ্ট করা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্র হিসাবে বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে। সংবিধানের অন্যতম মূলনীতি গণতন্ত্র। ১১ অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র' বিধান করার মাধ্যমে গণতন্ত্র যে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সেটারই প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে কতিপয় বিষয়ের নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে-
⇒ মৌলিক মানবাধিকার;
⇒ স্বাধীনতা; এবং
⇒ মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ।

সেই সাথে, ১১ অনুচ্ছেদে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রশাসনে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
.
রাষ্ট্রপতির সুপারিশ ব্যতীত নিম্নের কোন বিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না?
  1. আইন প্রণয়ন বিল
  2. বেসরকারি বিল
  3. অর্থবিল
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অর্থবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থবিল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ৮২ অনুচ্ছেদের বিধান: আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ:

কোন অর্থ বিল, অথবা সরকারী অর্থ ব্যয়ের প্রশ্ন জড়িত রহিয়াছে এমন কোন বিল রাষ্ট্রপতির সুপারিশ ব্যতীত সংসদে উত্থাপন করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, কোন অর্থ বিলে কোন কর হ্রাস বা বিলোপের বিধান-সংবলিত কোন সংশোধনী উত্থাপনের জন্য এই অনুচ্ছেদের অধীন সুপারিশের প্রয়োজন হইবে না।

Article 82: Recommendation for financial measures:
No Money Bill, or any Bill which involves expenditure from public moneys, shall be introduced into Parliament except on the recommendation of the President:
Provided that in any Money Bill no recommendation shall be required under this article for the moving of an amendment making provision for the reduction or abolition of any tax.
.
জরুরি-অবস্থা ঘোষণার পূর্বে উক্ত ঘোষণার বৈধতার জন্য কার প্রতি-স্বাক্ষরের প্রয়োজন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পীকার
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের নবম-ক ভাগে জরুরী বিধানাবলী আলোচনা করা হয়েছে। উক্ত ভাগের ১৪১ক, ১৪১খ এবং ১৪১গ ধারায় বিধানসমূহ দেয়া হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা

(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।
 
(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা- 
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না। 
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।
.
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া গৃহীত হয়-
  1. জাতীয় পরিষদে
  2. জাতীয় সংসদে
  3. গণপরিষদে
  4. জাতীয় পার্লামেন্ট
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন কমিটি:

- সংবিধান রচনা কমিটির প্রধান ছিলেন ডঃ কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য রাজিয়া বানু।
- বাংলাদেশ সংবিধানের পাঠ ২ টি। বাংলা ও ইংরেজি।
- বাংলাদেশের সংবিধান ৭টি তফসিল।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১১ টি অনুচ্ছেদ আছে।

- গণপরিষদ ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর এটি গ্রহণ করে এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়।
- সংবিধান তৈরির জন্য ১৯৭২ সালে ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু ।
- ১৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পাঠ করা হয়।
- গণপরিষদে সদস্যগণ পক্ষে-বিপক্ষে মত দেন অবশেষে পরিমার্জিত হয়ে উক্ত সংবিধান ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে তা কার্যকর হয়।
.
হিন্দু বিধবার বিয়ে নিম্নের কোন আইন দ্বারা Regulated হয়?
  1. The Hindu Women Marriage Ceremonies Act, 1856
  2. The Hindu Women Marriage Act, 1856
  3. The Hindu Women Re-marriage Act, 1856
  4. The Hindu Widow's Re-marriage Act, 1856
সঠিক উত্তর:
The Hindu Widow's Re-marriage Act, 1856
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Hindu Widow's Re-marriage Act, 1856
ব্যাখ্যা
The Hindu Widow's Re-marriage Act, 1856 হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহকে বৈধতা প্রদান করে। এই আইনের বিধান দ্বারাই হিন্দু বিধবা বিবাহ পরিচালিত হয়।

- আইনটি ২৬ জুলাই ১৮৫৬ এ আইন প্রণয়ন করেছিল।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনাধীনে ভারতবর্ষের সকল বিচারব্যবস্থায় হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহ বৈধ করেছিল।
- বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় তৎকালীন বড়লাট লর্ড ডালহৌসি আইন প্রণয়ন করে বিধবা বিবাহ কে আইনি স্বীকৃতি দেন।
.
একজন হানাফী মুসলিম মৃত্যুকালে ত্যাজ্যবিত্তে স্ত্রীকে একমাত্র উত্তরাধিকারী রেখে যায় স্ত্রী ওয়ারিশ হিসাবে ১/৪ অংশ প্রাপ্তির পর মৃতের অবশিষ্ট সম্পত্তি অর্থাৎ ৩/৪ অংশ-
  1. রাষ্ট্রের অনুকূলে ন্যস্ত হবে
  2. অবশিষ্টভোগী হিসাবে স্ত্রী পাবে
  3. স্ত্রীর নিকট ফেরত যাবে
  4. বায়তুল মাল হিসাবে সরকারের নিকট অর্পিত হবে
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীর নিকট ফেরত যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীর নিকট ফেরত যাবে
ব্যাখ্যা
রদ বা প্রত্যর্পণ নীতি

মুসলিম সুন্নি আইনের বিধানমতে, অংশীদারগণের নির্ধারিত অংশ বা দাবি পূরণ করার পর ক্ষেত্র বিশেষে যদি সম্পত্তির কোনো অংশ অবশির থাকে তবে উক্ত অবশিষ্ট সম্পত্তি ঐ সব অংশীদারদের মধ্যে আনুপাতিক হারে পুনঃবণ্টন করা হবে, অর্থাৎ সমস্ত সম্পতি অংশীদারদের প্রাপ্য আংশ হারে বণ্টন করার পর বন্টিত অংশের সমষ্টি সব অপেক্ষা হর বেশি হলে অবশিষ্ট অংশ অংশীদারদের মধ্যে পুনরায় বণ্টন করে দেয়া হয় যার ফলে অংশীদারদের পূর্ব প্রাপ্ত অংশ বৃদ্ধি পায়, এই নীতিকে রদ বা প্রত্যর্পণ নীতি বলে।

রদের নীতি
⇒ সম্পদের অবশিষ্ট অংশ অংশীদারগণের মধ্যে পুনরায় বণ্টন করা হবে। অর্থাৎ প্রত্যেক অংশীদারের অংশ আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাবে।
⇒ স্বামী এবং স্ত্রী রদের মাধ্যমে কোনো সম্পদ পাবে না। কিন্তু স্বামী বা স্ত্রী যদি একমাত্র অংশীদার হয়। তাহলে সে রদের মাধ্যমে সম্পত্তি পেতে পারে।

উল্লিখিত প্রশ্নে স্ত্রী একমাত্র উত্তরাধিকারী। তাই, প্রথমে অংশীদার হিসেবে ১/৪ অংশ পাবে (যেহেতু সন্তান নেই, সন্তান থাকলে ১/৮ অংশ)। এখন স্ত্রীকে ১/৪ অংশ দেওয়ার পরও ৩/৪ অংশ সম্পত্তি অবশিষ্ট থেকে যাচ্ছে। তাই রদের নীতি প্রযোজ্য হবে। সাধারণ নীতি অনুসারে স্ত্রী রদে ফেরত সম্পত্তি না পেলেও, যেহেতু এখানে স্ত্রী একমাত্র উত্তরাধিকারী, সেহেতু (রদে ফেরত) বাকি ৩/৪ অংশ সম্পত্তি স্ত্রী পাবে।
.
'চ' ও 'ছ' মুসলিম নরনারী পরস্পরের সম্মতিতে কোন সাক্ষী ব্যতীত বিয়ে করলে তাদের বিয়ের আইনগত ফলাফল হবে-
  1. অবৈধ
  2. বাতিলযোগ্য
  3. নিয়মিত
  4. অনিয়মিত
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত
ব্যাখ্যা
সাক্ষী ব্যতীত বিবাহ একটি অনিয়মিত বিবাহ।

⇒ মুসলিম আইনে বিবাহ তিন প্রকার:
১) বৈধ (Valid or Sahih);
২) বাতিল (Void or Batil);
৩) অনিয়মিত (Irregular or fasid).

বৈধ (Valid or Sahih):
মুসলিম আইনের সকল নিয়ম মেনে যে বিবাহ সেটা বৈধ বিবাহ। একজন মুসলিম পুরুষ শুধুমাত্র একজন মুসলিম নারী ছাড়াও একজন কিতাবীয়া যেমন জিউস বা খ্রিষ্টান নারীর সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারে। কোন মুসলিম নারী শুধুমাত্র মুসলিম পুরুষ ছাড়া অন্যকোন পুরুষের সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারেনা। একটি বৈধ বিবাহ কোন মুসলিম নারীকে দেনমোহরের অধিকার, ভরণপোষণের অধিকার প্রদান করে এবং একই সাথে স্বামীর প্রতি বিশ্বাসী থাকার, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে এবং ইদ্দত পালনের বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। এটা উত্তরাধিকারের পারস্পরিক অধিকার সৃষ্টি করে।

বাতিল (Void or Batil):
যে বিবাহটি বৈধ না সেটা বাতিল বা অনিয়মিত হতে পারে। বাতিল হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং রক্তের সম্পর্কে, বৈবাহিক সম্পর্কে বা প্রতিপালনের সম্পর্কের কারণে স্থায়ী এবং চূড়ান্তভাবে অবৈধ। এমন বিবাহ আইনের চোখে কোন বিবাহ না এবং এমন বিবাহের কোন আইনগত ফলাফল নেই। এই বিবাহ পক্ষগণের মধ্যে কোন পারস্পরিক আইনগত অধিকার বা দায়-দায়িত্ব সৃষ্টি করে না এবং এমন বিবাহের ফলে জন্মগ্রহণ করেছে এমন সন্তান অবৈধ। যেমন Blood relationship, Consanguinity or affinity এর কারণে নিষিদ্ধ বিবাহ হলো বাতিল বিবাহ। বাতিল বিবাহের ক্ষেত্রে কারণগুলো স্থায়ী প্রকৃতির এবং এমন কারণ অপসারিত করে বিবাহ বৈধ করার কোন সুযোগ নেই।

অনিয়মিত বিবাহ (Irregular or fasid):
অনিয়মিত বিবাহ অর্থ হলো যে বিবাহের কিছু আইনগত ত্রুটি থাকে এবং যেখানে সংশোধনের মাধ্যমে বিবাহের বৈধতা দেওয়া যায়। অনিয়মিত বিবাহ হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং অবৈধ না কিন্তু অন্যকোন কারণে অবৈধ এবং যেখানে নিষিদ্ধ কারণগুলো অস্থায়ী বা যেক্ষেত্রে অবৈধতা কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট যেমন সাক্ষীর অনুপস্থিতি। যে কারণে বিবাহটি অবৈধ বা অনিয়মিত উক্ত কারণ অপসারণ করার মাধ্যমে বিবাহটি বৈধ করা যায়।
১০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় 'Res Judicata' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ৩৯
  2. ৪০
  3. ৪৫
  4. ৪৭
সঠিক উত্তর:
৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:

i) Res-judicata (দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ১১);

ii) Double Jeopardy (ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা: ৪০৩)।

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান:
দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
১১.
ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question) বলতে নিম্নের কোনটিকে বুঝায়?
  1. যে প্রশ্নের পূর্বে উত্তর বলা থাকে
  2. যে প্রশ্নের পরে উত্তর বলা থাকে
  3. যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে
  4. যে প্রশ্নে প্রশ্নকারী হ্যা বা না সূচক প্রশ্ন করে থাকে
সঠিক উত্তর:
যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারা- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন:
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
 
অর্থাৎ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই  ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
 
যেমন- প্রশ্ন: আপনার নাম কি 'ক'?
উত্তর: হ্যা, আমার নাম 'ক'। এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত রয়েছে। এটাই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question.

১৪২ ধারার বিধান- বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।

১৪৩ ধারার বিধান- জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।
১২.
নিম্নের কোনটিকে প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct Evidence) হিসাবে গণ্য করা যায়?
  1. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী উহা দেখেন নাই বা শুনেন নাই
  2. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী উহা দেখেন নাই
  3. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী স্বয়ং উহা দেখেছেন
  4. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী উহা অন্যকে অভিমতের ভিত্তিতে প্রাপ্ত
সঠিক উত্তর:
যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী স্বয়ং উহা দেখেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী স্বয়ং উহা দেখেছেন
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে-

মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে (oral evidence must be direct)। অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।

Section 60- Oral evidence must be direct: Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
১৩.
কোন আইনের মাধ্যমে দ্যা এ্যাভিডেন্স এ্যাক্ট, ১৮৭২ কে চট্টগ্রামের পার্বত্য জেলাসমূহে বলবৎ করা হয়েছে?
  1. পার্বত্য জেলাসমূহ আইন রহিত ও প্রয়োগ এবং বিশেষ বিধান আইন ১৯৮৯
  2. চিটাগাং হিল ট্রাক্টস রেগুলেশন, ১৯০০
  3. পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন, ১৮৯৮
  4. General Clauses Act, 1897 এর ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
চিটাগাং হিল ট্রাক্টস রেগুলেশন, ১৯০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিটাগাং হিল ট্রাক্টস রেগুলেশন, ১৯০০
ব্যাখ্যা
'চিটাগাং হিল ট্রাক্টস রেগুলেশন, ১৯০০' নামক আইনের ৪ ধারা ও তফসীল অনুযায়ী 'দ্যা এ্যাভিডেন্স এ্যাক্ট, ১৮৭২'-কে পার্বত্য জেলাসমূহে বলবৎ করা হয়েছে।

বি.দ্র.: আইনটি BJS পরীক্ষার সিলেবাসে নেই, তাই 'The Evidence Act, 1872'-কে কেন্দ্র করেই আলোচ্য প্রশ্নটি করা হয়েছে বলা যায়।
১৪.
যেক্ষেত্রে কোন কর্ম বা কর্মবিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক হবে?
  1. অপরাধীকে দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে অভিযুক্ত করা যাবে
  2. অপরাধীকে দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে শাস্তি দেওয়া যাবে
  3. অপরাধীকে যে কোন একটি আইনের অধীনে অভিযুক্ত ও শাস্তি প্রদান করা যাবে
  4. দুটি আইনের অধীনে দায়েরকৃত পৃথক দুটি মামলার যুগপথ Anaiogous বিচার হবে
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে যে কোন একটি আইনের অধীনে অভিযুক্ত ও শাস্তি প্রদান করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে যে কোন একটি আইনের অধীনে অভিযুক্ত ও শাস্তি প্রদান করা যাবে
ব্যাখ্যা
• The General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারা: দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিধান:

যেক্ষেত্রে কোন কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেই ক্ষেত্রে অপরাধীকে ঐ আইন সমূহের সকল বা যে কোন একটির অধীন অভিযুক্ত এবং শাস্তি প্রদান করা যাবে, কিন্তু একই অপরাধের জন্য দুইবার শাস্তি প্রদান করা যাবে না।

ধারা ২৬ এর মধ্যে দোবারা সাজা নীতি বা ‘Doctrine of Double Jeopardy' প্রতিফলিত হয়েছে। দোবারা সাজা নীতিটি আরো কয়েকটি আইনে বর্ণিত আছে। যথা:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২);
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩;
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১;
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪০; এবং
- ফৌজদারি আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা ৮।
১৫.
'জ' মিথ্যা কুৎসা রটনার ভয় দেখিয়ে 'ঝ'-কে ১ লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য করে। 'জ' নিম্নের কোন অপরাধ করেছে?
  1. দস্যুতা
  2. প্রতারণা
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. চুরি
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা- বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:

কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক', 'গ'-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, 'গ' তাকে টাকা না দিলে 'ক', 'গ'- এর বিরুদ্ধে মানহানির কুৎসা রটনা করবে। এইভাবে সে তাকে টাকা দিতে 'গ'-কে বাধ্য করে। 'ক' 'বল প্রয়োগে' সম্পত্তি আদায়' করেছে বলে পরিগণিত হবে।

বলপূর্বক গ্রহণের শাস্তি:
দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারা মোতাবেক যে ব্যক্তি জোরপূর্বক গ্রহণের অপরাধ করে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১৬.
'চ' সহ পাঁচ ব্যক্তি 'ছ'-কে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পিত দিন, তারিখ ও সময়ে তারা সকলে মিলে 'ছ' কে হত্যা করে। 'চ' সহ উক্ত পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ৩০২ ধারার সাথে নিম্নের কোন ধারাটি প্রাসঙ্গিক?
  1. ১৩৪
  2. ৩৪
  3. ১২০-এ
  4. ১১৪
সঠিক উত্তর:
৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৪ ধারামতে যখন কতিপয় ব্যক্তি (২ বা ততোধিক) দ্বারা সকলের একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে (in furtherance of Common Intention) কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদিত হয় তখন প্রত্যেকে যৌথভাবে দায়ী হবে যেন নিজে কাজটি করেছে।

⇒ অভিন্ন অভিপ্রায় ফৌজদারি আইনের একটা নীতি, যেটা দিয়ে যৌথভাবে অভিযুক্ত করা যায়। অভিন্ন অভিপ্রায় মৌলিক/স্বতন্ত্র অপরাধ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা অনুযায়ী যখন একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে একাধিক ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করে তখন তাদের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এমনভাবে দায়ী হবেন যেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে কাজটি সম্পাদন করেছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ গুরুত্বপূর্ণ:
ⅰ) কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে;
ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা ছিল উক্ত অপরাধ সংঘটন করা; এবং
iii) অভিপ্রায়কে সফল করার জন্য অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ।

⇒ কোনো ব্যক্তিকে ৩৪ ধারায় দায়ী করতে হলে এ ধারার যেকোনো একটি উপাদান থাকতে হবে। ৩৪ ধারার শাস্তি হবে মূল অপরাধের শাস্তি। 

৩৪ ধারার মূলনীতি প্রয়োগ করে ৩০২ ধারার অধীনে Common Intention এর জন্য দায়ী করে শাস্তি দেওয়া যাবে। অর্থাৎ, ৩০২ ধারার সাথে ৩৪ ধারাটি প্রাসঙ্গিক।
১৭.
নিম্নের কোন কার্যটি চুরি (Theft) হিসাবে গণ্য হবে না?
  1. চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেওয়া
  2. অপরের জমিতে দণ্ডায়মান গাছ কেটে ফেলা
  3. টোপ দিয়ে অন্যের পোষা প্রাণী নিয়ে যাওয়া
  4. অপরের জমিতে দণ্ডায়মান গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেওয়া
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে, কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

ধারা ৩৭৮- চুরি:
কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১: কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২: যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩: কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ৪: কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ৫: সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে। এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

১,২ এবং ৪ নং ব্যাখা অনুসারে, অপশন 'খ', 'গ' এবং 'ঘ' চুরি বলে গণ্য হবে। যেহেতু রাস্তায় পড়ে থাকা আংটির মালিক কে বা প্রকৃত দখলদার কে তা যে ব্যক্তি আংটি কুড়িয়ে নিয়েছে, সে জানে না, তাই সে আংটি টি মালিকের বা প্রকৃত দখলদারের অসম্মতিতে নিয়েছে তা বলা যাবে না। সুতরাং, চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেয়া চুরি বলে গণ্য হবে না।
১৮.
একজন শৈল্য চিকিৎসক সরল বিশ্বাসে একজন রােগীকে বলেন "আপনি আর বাঁচবেন না, এতে উক্ত রোগী মানসিক আঘাত পেয়ে মারা যায়। এক্ষেত্রে শৈল্য চিকিৎসক নিচের কোন ধারার অপরাধ করেছেন?
  1. খুন
  2. নরহত্যা
  3. হত্যার প্রচেষ্টা
  4. কোন অপরাধ করেন নাই
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেন নাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেন নাই
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারা- বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

উদাহরণ
ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। ক এর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রোগীটির মৃত্যু ঘটতে পারে।

Section 93- Communication made in good faith:
No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 

Illustration 
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
১৯.
পেনাল কোডে বর্ণিত অপরাধগুলির মধ্যে সর্বনিম্ন সাজা-
  1. ২৪ ঘণ্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা
  2. ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
  3. ১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
  4. ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫১০ ধারায় দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 510- Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
২০.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বলতে নিম্নের কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. ১৪ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. দণ্ডিত ব্যক্তির অবশিষ্ট জীবন ব্যাপী কারাদণ্ড
  3. ২০ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
যাবজ্জীবন সাজা অর্থ ৩০ বছরের কারাদণ্ড, তবে কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল বা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড উল্লেখ করলে তখন ওই আসামির আমৃত্যু কারাবাস হবে।

২০১৭ সালে সাভারের একজন ব্যবসায়ী জামান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে আপিল বিভাগ বলেছিলো যাবজ্জীবন মানে ত্রিশ বছর নয়, আমৃত্যু কারাবাস।

কিন্তু পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হলে এ বিষয়ক একটি রিভিউ আবেদন হয় এবং ওই আবেদনের চূড়ান্ত রায়ে আপিল বিভাগ বলেছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে ৩০ বছরের কারাদণ্ড।

আপিল বিভাগ শর্ট অর্ডারে বলেছেন- বাংলাদেশের দণ্ডবিধি ও ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী যাবজ্জীবন সাজার অর্থ হবে ত্রিশ বছর কারাদণ্ড। তবে কোনো নির্দিষ্ট আদালত বা ট্রাইব্যুনাল যদি কোনো ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাগারের আদেশ দিয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির জন্য কোনো রেয়াত বা বেনিফিট প্রযোজ্য হবেনা। তাকে আমৃত্যুই কারাগারে থাকতে হবে। তবে সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ হবে ত্রিশ বছর।
২১.
সহকারী জজ আদালতে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে জেলা জজ আদালতে কত দিনের মধ্যে আপীল দায়ের করতে হয়?
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১২০
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ২১(২) ধারা অনুযায়ী, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির অধীনে, আপিল তামাদি আইনের ১৫২ এবং ১৫৬ অনুচ্ছেদের তামাদির বিধান অনুযায়ী করতে হয়।

অনুচ্ছেদ- ১৫২:
১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে, জেলা জজের আদালতে আপিল:
তামাদি- ৩০ দিন;
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।
২২.
কোনো জলপথে বর্তস্বত্ব(Easement) অধিকার অর্জনের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র ২০ বছর ব্যবহার
  2. নিরবচ্ছিন্নভাবে ২০ বছর ব্যবহার
  3. নিরবচ্ছিন্নভাবে ও শান্তিপূর্ণভাবে ২০ বছর ব্যবহার
  4. নিরবচ্ছিন্নভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে ও অধিকার হিসাবে ২০ বছর ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
নিরবচ্ছিন্নভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে ও অধিকার হিসাবে ২০ বছর ব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরবচ্ছিন্নভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে ও অধিকার হিসাবে ২০ বছর ব্যবহার
ব্যাখ্যা
• সুখাধিকার হলাে এমন কোন এক ধরণের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যকোন ব্যক্তির জমি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে।
সুখাধিকার দুইভাবে অর্জন হতে পারে যথা:
১) প্রেসক্রিপশন এর মাধ্যমে (by prescription);
২) সুখাধিকার অর্জন এর মাধ্যমে (by easement) যখন সুখাধিকারসমূহ অর্জন হয়।

তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী-

যে ক্ষেত্রে কোন দালানে আলাে বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহত ভাবে ২০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভােগ করা হয়েছে এবং  যে ক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নেতিবাচক যাই হােক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে তাতে স্বত্ব দাবী করে অব্যাহতভাবে এবং বিশ (২০) বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভােগ করেছে; সেক্ষেত্রে অনুরূপ আলাে বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার পথ জলস্রোত পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হবে।

কিভাবে সুখাধিকার অর্জন করা হয়-
১। কোন দালানে আলাে বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসেবে এবং অধিকার হিসেবে নিরবিচ্ছিন্ন ২০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণ ভােগ করার মাধ্যমে সুখাধিকার অর্জন করা যায়।
২। কোন পথ বা জলস্রোত বা কোন পানির ব্যবহার বা ইতিবাচক-নেতিবাচক সুখাধিকার, যদি সুখাধিকার এবং অধিকার হিসেবে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে ২০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণ ভােগ করার মাধ্যমে সুখাধিকার অর্জন করা যায়।

সরকারি কোন সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত অধিকার একনাগাড়ে ৬০ বছর ধরে ভােগ করতে হবে। সরকারি কোন সম্পত্তি ছাড়া অন্যকোন সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত জমিতে একনাগারে ২০ বছর পরে ভােগ করতে হবে।
২৩.
'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের পূর্বে সম্পাদিত হয় কিন্তু 'ছ' দলিলের পরে রেজিস্ট্রি হয়। এক্ষেত্রে সঠিক আইনগত ফলাফল কি হবে?
  1. 'ছ' দলিলটি 'চ' দলিলের উপর প্রাধান্য লাভ করবে
  2. 'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের উপর প্রাধান্য লাভ করবে
  3. দুটি দলিলই সমানভাবে প্রাধান্য লাভ করবে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের উপর প্রাধান্য লাভ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের উপর প্রাধান্য লাভ করবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৭- যখন হতে নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হয়:

একটি নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হয় উক্ত দলিল সম্পাদনের (execution) তারিখ হতে, নিবন্ধনের registration তারিখ হতে নয়। যেক্ষেত্রে একই বিক্রেতা একই ভূমি বিভিন্ন ক্রেতার নিকট ভিন্ন ভিন্ন সময়ে হস্তান্তর করে, উক্ত ক্ষেত্রে কোন দলিলটি অগ্রাধিকার (priority) পাবে সেটা নির্ধারণের ৪৭ ধারা প্রযোজ্য হবে। ৪৭ ধারা শুধু প্রযোজ্য হবে নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করতে। এই ক্ষেত্রে মৌলিক নীতি হলো, নিবন্ধনের তারিখ নয় বরং দলিল সম্পাদনের তারিখ বিবেচনা করতে হবে। দলিল সম্পাদনের তারিখ হতে দলিল কার্যকর হয়। একই বিক্রেতা কর্তৃক ২টি নিবন্ধিত দলিল করা হলে, পূর্বে সম্পাদিত দলিলটি কার্যকর হবে।

'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের পূর্বে সম্পাদিত হয় কিন্তু 'ছ' দলিলের পরে রেজিস্ট্রি হয়। 'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের পরে নিবন্ধিত হলেও, এখানে 'চ' দলিলটি অগ্রাধিকার পাবে কারণ 'চ' দলিলটি, 'ছ' দলিল সম্পাদিত হওয়ার আগে সম্পাদিত হয়েছিল। দলিল সম্পাদনের তারিখ হতে কার্যকর হয়, নিবন্ধনের তারিখ হতে নয়।

অর্থাৎ পূর্বে সম্পাদিত কিন্তু পরে নিবন্ধিত বিক্রয় দলিল, পরে সম্পাদিত কিন্তু পূর্বে নিবন্ধিত দলিল অপেক্ষা অগ্রাধিকার পাবে। যেক্ষেত্রে একাধিক নিবন্ধিত দলিল থাকে, সেক্ষেত্রে কোন দলিলটি কার্যকর হবে সেটা নির্ধারণে দলিল নিবন্ধনের তারিখ নয় বরং দলিলটি সম্পাদনের তারিখ বিবেচনা করতে হবে।
২৪.
একটি বিক্রয় চুক্তি সম্পাদনের কত দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের জন্য উপস্থাপন করতে হয়?
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১২০
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭ক- বিক্রয় চুক্তি, ইত্যাদির নিবন্ধন:

(১) এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র লিখিত হইতে হইবে, তৎসঙ্গে উহা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হইতে হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিক্রয়-চুক্তি, সম্পাদনের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং এইক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

Section 17A- Registration of contract for sale, etc:
(1) Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immovable property shall be in writing, executed by the parties thereto and registered. 
 
(2) A contract for sale referred to in sub-section (1) shall be presented for registration within sixty days from the date of execution of the contract and the provisions regarding registration of instruments shall apply.

২৫.
কোন মামলায় আদালত ডিক্রির কপি রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে আইনগত বাধ্য?
  1. রেজিস্টার্ড দলিল বেআইনিমর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  2. রেজিস্টার্ড দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা
  3. রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
  4. রেজিস্টার্ড দলিল রদরহিতের মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিল সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। এই ধারানুযায়ী নিবন্ধিত দলিল বাতিল করা হলে, ডিক্রির একটি কপি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধিত হয়েছিলো।

• দলিল বাতিল সংক্রান্ত তথ্য:

⇒ দলিল বাতিলের মোকদ্দমা করতে পারে:
১) দলিলের যেকোনো পক্ষ;
২) দলিলের পক্ষ নয় এমন ব্যক্তি, কিন্তু যার ক্ষতিগ্রস্ত [Serious Injury] হওয়ার সম্ভাবনা আছে;
৩) যেকোনো ব্যক্তি; যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য।

⇒ আদালত বিবেচনামূলক/স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নোক্ত আদেশ দিবে বা প্রতিকার মঞ্জুর করবে:
১. বাতিল বা বাতিলযোগ্য বলে আইনানুযায়ী নিষ্পত্তি করবে,বা
২. দলিলটি অর্পণের আদেশ দিবে, বা
৩. দলিলটি বাতিলের আদেশ দিবে।

তামাদির মেয়াদ: অবগত হওয়ার সময় থেকে ৩ বছর (অনুচ্ছেদ ৯১, তামাদি আইন)।
কোর্ট ফিস: মূল্যানুপাতিক [অ্যাড-ভ্যালোরেম]।

২৬.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে একটি দেওয়ানী আদালত উহার বিবেচনামূলক ক্ষমতা (Discretionary Power) প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  2. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
  3. দলিল সংশোধন মোকদ্দমা
  4. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্র বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না: 
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুতরাং বলা যায় যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারা ছাড়া সকল ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। তাছাড়া উল্লেখ্য যে, অগ্রক্রয় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন নয় এবং সেই সাথে অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া যায় না। তাই, কোর্ট অগ্রক্রয়-সম্পর্কিত মোকদ্দমায় বিবেচনামূলক ক্ষমতা [Discretionary Power] প্রয়োগ করতে পারে না।
২৭.
'ক' ১০০ মণ গম 'খ' এর নিকট বিক্রয় করার চুক্তি করে। কোন কারণ ব্যতিরেকেই উক্ত গম 'খ'-কে সরবরাহ করা হয় নাই। 'খ'-এর প্রতিকার কি?
  1. 'খ' সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে
  2. 'খ' ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
  3. 'খ' ক্ষতিপূরণ পাবে না
  4. 'খ' শুধুমাত্র চুক্তির ক্রয়মূল্য ফেরত পাবে
সঠিক উত্তর:
'খ' ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন,১৮৭৭ ধারা ১৯: কতিপয় বিশেষ ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা

এই ধারা অনুযায়ী বাদী ২ রকম প্রতিকার চাইতে পারে:
১. চুক্তি সম্পাদনের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ;
২. চুক্তি সম্পাদনের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ।

এ ধারা অনুসারে, ক্ষতিপূরণ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা-
১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের পরিবর্তে [In Substitution of] ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবেন, অথবা
২. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের আদেশসহ অতিরিক্ত হিসেবে [In Addition to] ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবেন।

প্রশ্নের বর্ণনা অনুযায়ী, চুক্তির বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি এবং বৈধ চুক্তি। যেহেতু একটি বৈধ চুক্তি কোনো কারণ ছাড়াই 'ক' ভঙ্গ করে 'খ'-এর ক্ষতি করেছে, সেহেতু সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনই এর জন্য উপযুক্ত প্রতিকার নয়। বরং পাশাপাশি অতিরিক্ত হিসেবে ক্ষতিপূরণও পাবে। সুতরাং 'খ' ক্ষতিপূরণ লাভ করবে।
২৮.
'ক' একটি বাড়ী ১ লক্ষ টাকায় 'খ' এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তি করে। পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়ীটি ধ্বংস হয়ে যায়। এক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক হবে?
  1. ক, খ এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে
  2. খ, ক বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন
  3. খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে
  4. খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান- যে চুক্তির বিষয়বস্তুর আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছেঃ

চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে 'খ'-কে চুক্তিতে তার অংশের কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(খ) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন 'খ'-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।
২৯.
কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর ১৮৯৮ অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল করেন-
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. আপীল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল বা পরিবর্তন করে অন্য কোনো দণ্ড, এমনকি তা বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৩৭৪ থেকে ৩৮০ ধারা পর্যন্ত দণ্ড অনুমোদনের বিধানসমূহ রয়েছে।দণ্ড অনুমোদন বলতে মূলত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের বিষয় বোঝায়। কার্যবিধির ধারা ৩১ এ বলা আছে যে,কোনো দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে বর্ণিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন।কিন্তু যদি কোনো মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তবে তা অবশ্যই হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। 
অর্থাৎ,মৃতুদণ্ডের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট এর ৩৭৪ ধারার অধীন অনুমোদন নিতে হবে।৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দণ্ড বিষয়ে বা তার নির্দোষিতা বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করতে পারবেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দন্ড দিতে পারেন,বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।

তবে, শর্ত এই যে আসামি আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত,অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।
৩০.
১৮৩৪ সালে গঠিত প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন-
  1. G.W. Anderson
  2. F. Millet
  3. J.M. Macleod
  4. Lord Macaulay
সঠিক উত্তর:
Lord Macaulay
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Macaulay
ব্যাখ্যা
⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে।
⇒ প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)
⇒ প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod।

এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লজেসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।
৩১.
ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থায় নিচের কোন আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে?
  1. আপীল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. মহানগর দায়রা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় হাইকোর্ট বিভাগের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে।

• একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সেই বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।

Section 561A- Saving of inherent power of High Court Division
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
৩২.
আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের পূর্বে প্রসিকিউশন কোন মামলা প্রত্যাহার করলে ফলাফল হবে-
  1. আসামি খালাস
  2. আসামির মুক্তি
  3. আসামির অব্যাহতি
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আসামির অব্যাহতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামির অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল-

পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-

(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং

(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৩৩.
আগাম জামিন (Anticipatory bail) বলতে নিম্নের কোনটিকে বুঝাবে?
  1. গ্রেফতার পূর্ব জামিন
  2. বিচার পূর্ব জামিন
  3. চার্জ গঠন পূর্ব জামিন
  4. যুক্তিতর্ক শুনানী পূর্ব জামিন
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার পূর্ব জামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার পূর্ব জামিন
ব্যাখ্যা
আগাম জামিন (Anticipatory bail) বলতে গ্রেফতার পূর্ব জামিন বোঝায়।

আটক হবার বা গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই জামিন মঞ্জুর করাকে আগাম জামিন বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধানমতে আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করতে পারে, যাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশের গ্রেফতার করার সম্ভাবনা রয়েছে।

৪৯৮ ধারার বিধানমতে নিম্নোক্ত আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে:
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা আদালত

তাছাড়া এই ধারা অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail-
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৩৪.
Negotiable instrument Act, 1881 এর অধীন ১৩৮ ধারার মামলায় যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামী নিম্নের কোন আদালতে আপীল দায়ের করবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপিল বিভাগ
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. স্পেশাল জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।  

চেক ডিজঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এক্ষেত্রে CrPC এর ৪০৮ ধারার আপিলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।

চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দেয়, সে আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে, আপিল আদালতে নয়।
৩৫.
কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮ অনুসারে ১২০ দিনের মধ্যে মামলার তদন্তকার্য সম্পন্ন করার বিধানটি-
  1. নির্দেশনামূলক
  2. বিচার-বিবেচনামূলক
  3. বাধ্যতামূলক
  4. নিষেধাজ্ঞামূলক
সঠিক উত্তর:
নির্দেশনামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দেশনামূলক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় ১২০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে। এটি নির্দেশনামূলক। যদি উক্ত ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না হলেঃ

- যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন বা যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন, তিনি অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি [release the accused on bail] দিতে আদেশ দিতে পারেন; যদি না অপরাধটির জন্য শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বৎসরের অধিক কারাবাস হয়; অথবা

- দায়রা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা ১০ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত অপরাধের ক্ষেত্রেও আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।
৩৬.
কোন জেলার ফৌজদারী আদালতের ওয়ারেন্ট স্থানীয় অধিক্ষেত্র বহির্ভূত কোন মেট্রোপলিটান এলাকায় তামিলের জন্য নিম্নের কার নিকট প্রেরণ করতে হবে?
  1. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির  ৮৩ ধারার বিধান- অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরী করবার উদ্দেশ্যে পরোয়ানা প্রেরণঃ

(১) যেক্ষেত্রে কোন পরোয়ানা জারীকারী আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে উক্ত পরোয়ানা কার্যকর করা প্রয়োজন দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত পরোয়ানাটি কোন পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত না করে যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা যে জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট অথবা পুলিশ কমিশনার (মহানগরী এলাকা হলে) এর এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে তা কার্যকরী করতে হবে, তাঁর বরাবরে ডাক মারফত অথবা অন্য কোনভাবে তা পাঠাতে পারেন।

(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট বা পুলিশ কমিশনার বরাবর উক্তরূপে প্রেরণকৃত পরোয়ানার উপর তিনি তার নাম সহি করবেন এবং সম্ভব হলে ইতিপূর্বে উল্লেখিত পদ্ধতিতে নিজের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে তা কার্যকরী করার ব্যবস্থা নিবেন।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৩ ধারায় আদালতের অধিক্ষেত্রের বাহিরে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার বিধান রয়েছে। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকারক আদালতের অধিক্ষেত্রের বাহিরে পরোয়ানা কার্যকর করতে হলে, যে এলাকায় কার্যকর করতে হবে সেই এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা পুলিশ সুপারিন্টেডেন্ট; অথবা মেট্রোপলিটন এলাকা হলে পুলিশ কমিশনার এর নিকট ডাকযোগে বা অন্য কোন উপায়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা পাঠানো যায়। এক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা পুলিশ সুপারিন্টেডেন্ট অথবা মেট্রোপলিটন এলাকা হলে পুলিশ কমিশনার উক্ত গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করবেন।
৩৭.
একজন দায়রা জজ কোন আসামীকে বিচারে খালাস প্রদান করেন। উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আসামী মারা যায়। সেক্ষেত্রে আপিলটির ফলাফল কি হবে?
  1. আপিলটি মেধাতে নিষ্পত্তি হবে
  2. প্রসিকিউশনকে শুনানী করে আদেশ প্রদান করা হবে
  3. আপিলটি অ্যাবেট হবে
  4. আপিলটি খারিজ হবে
সঠিক উত্তর:
আপিলটি অ্যাবেট হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলটি অ্যাবেট হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপিল বাতিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। ৪৩১ ধারায় বলা হয়েছে-

৪১৭ বা ৪১৭ক ধারার অধীন প্রত্যেকটি আপিল অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে, এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল ব্যতীত) আপিলকারীর মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে।

• অর্থাৎ যখন আপিল চূড়ান্তভাবে পণ্ড [Abate] হবে:
খালাস আদেশের বিরুদ্ধে (ধারা ৪১৭) এবং অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ধারা ৪১৭(ক) আপিল চলাকালে অভিযুক্ত তথা আসামির মৃত্যু হলে;
⇒ অন্যান্য আপিলে অর্থাৎ, জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ছাড়া আপিলকারীর মৃত্যু হলে।

• যখন আপিল পণ্ড [Abate] হবে না:

⇒ জরিমানা/অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল হলে, আপিল বাতিল [Abate] হবে না।

কারণ, জরিমানা/অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে আপিলকারীর অর্থাৎ অভিযোগকারীর মৃত্যু হলে; আপিলকারীর প্রতিনিধি স্থলাভিষিক্ত হবে। পেনাল কোডের ৭০ ধারা অনুযায়ী, আসামির রেখে যাওয়া সম্পত্তি থেকে তা আদায় করা যাবে।
৩৮.
আদালত কারাবন্দি আসামির বিরুদ্ধে কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করলে, উক্ত দণ্ডাদেশ সংক্রান্ত ওয়ারেন্ট কার নিকট প্রেরণ করতে হবে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ সুপার
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. কারারক্ষক
সঠিক উত্তর:
কারারক্ষক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারারক্ষক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৩ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশ ব্যতীত অন্যকোনো কারাদণ্ডাদেশ কার্যকর করতে হবে পরোয়ানা জারির মাধ্যমে। দণ্ডদানকারী আদালত এমন পরোয়ানা জারি করবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৫ অনুসারে-
যখন কয়েদীকে জেলে আটক রাখতে হবে,তখন পরোয়ানাটি কারারক্ষককে (Jailor) কে প্রেরণ করতে হবে।

Section 385: Warrant with whom to be lodged
When the prisoner is to be confined in a jail, the warrant shall be lodged with the jailor.
৩৯.
একজন মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট একটি নালিশ মামলায় কারাদণ্ড প্রদান করেন। উক্ত দণ্ডাদেশ বৃদ্ধির জন্য অভিযোগকারী নিচের কোন আদালতে আপিল দায়ের করবে?
  1. মহানগর দায়রা জজ আদালত
  2. হাইকোট বিভাগ
  3. চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট
  4. দায়রা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
মহানগর দায়রা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহানগর দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। 

ধারা ৪০৭-
দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিল করতে হবে। 

ধারা ৪০৮-
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা যুগ্ম দায়রা জজ (৫ বা ৫ বছরের কম মেয়াদে কারাদণ্ড দিলে) প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ক্ষেত্রবিশেষে, দায়রা জজ বা মহানগর দায়রা জজ আদালতের নিকট আপিল করতে হবে।

তবে যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ড দিলে অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতা অপরাধের শাস্তি দিলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

ধারা ৪১০-
দায়রা আদালত প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
৪০.
একজন ১ম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পেনাল কোডের ৩৭৯ ধারায় অভিযুক্ত আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন কালে আসামী guilty plead করায় ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের হলে নিম্নের কোনটি হতে পারে?
  1. আপিলটি শুনানীর জন্য গ্রহণ করা হবে
  2. আপিলটি দায়রা জজ আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া হবে
  3. আপিলযোগ্য নয় বিধায় আপিলটি না-মঞ্জুর হবে
  4. রিভিশশন দায়েরের জন্য ফেরত দেয়া হবে
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য নয় বিধায় আপিলটি না-মঞ্জুর হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য নয় বিধায় আপিলটি না-মঞ্জুর হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]

অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 

২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

উল্লিখিত ক্ষেত্রে আসামী দোষ স্বীকার করেছে এবং সেই সাথে এক মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে। ধারা ৪১২ এবং ৪১৩ এর অধীন দণ্ডাদেশ আপীলযোগ্য নয়, তাই আপীলটি না-মঞ্জুর হবে।
৪১.
সমন বিনা জারীতে ফেরত আসার কত দিনের মধ্যে বাদী পদক্ষেপ না নিলে মামলা খারিজ হবে?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
সঠিক উত্তর:
এক মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক মাস
ব্যাখ্যা
যখন সমন জারি না হওয়ায় ফেরত আসে এবং অতঃপর এক মাস পর্যন্ত বাদী নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন না করে, তখন মোকদ্দমা খারিজ হয়।
 
• দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৯ বিধি-৫ঃ

১) বিবাদিকে কিংবা কতিপয় বিবাদির কোন একজনের প্রতি সমন দেয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারি বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদি যদি নতুন সমন দেয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদির বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দিবে। যদি না উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদি নিম্নলিখিত যে কোন কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—

ক) যে বিবাদির উপর সমন জারি হয়নি, বাদি যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও ঐ বিবাদির ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা

খ) উক্ত বিবাদি পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলতেছে; অথবা

গ) সময়ের মেয়াদ বাড়াতে কোন সঙ্গত কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নূতন সমন দেয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদি (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
৪২.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে রিভিউ দরখাস্ত দাখিল করা যায় না?
  1. কোন ডিক্রি রিভিউ এর আদেশের বিরুদ্ধে
  2. আপীলযোগ্য নহে এমন ডিক্রির বিরুদ্ধে
  3. আপীলযোগ্য নহে এমন ডিক্রির বিরুদ্ধে.
  4. স্মল কজেজ আদালত এর রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
কোন ডিক্রি রিভিউ এর আদেশের বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন ডিক্রি রিভিউ এর আদেশের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
রিভিউ:

যে আদালত ডিক্রি/আদেশদ দেয়, সে আদালতে (রায় প্রদানকারী আদালতে) রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা ও ৪৭ আদেশে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। ১১৪ ধারা এবং আদেশ ৪৭ এর ১(১) বিধি মোতাবেক রিভিউ-এর আবেদন করা যায় নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে:

⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, কিন্তু আপিল করা হয়নি;
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না;
⇒ স্মল কজ কোর্টের রেফারেন্সে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।

রিভিউ করা যায় যে কারণে: 

i) মামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন কোনো বিষয় আবিষ্কার হলে, যা মোকদ্দমার ডিক্রিপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে নানান চেষ্টা করা সত্ত্বেও আদালতে উপস্থাপন করতে অক্ষম হয়েছিল;
ii) নথিতে আপাত কোনো ভুলের কারণে;
iii) অন্য কোনো পর্যাপ্ত কারণে।

আদেশ ৪৭ বিধি ৯: কতিপয় রিভিউ আবেদনের ক্ষেত্রে বাধা: 
রিভিউ আবেদন সম্পর্কে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা রিভিউতে প্রদত্ত কোনো ডিক্রি বা আদেশের রিভিউ আবেদন যাবে না।
৪৩.
মামলার অ্যাবেইটমেন্ট আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য আদালত একজন দরখাস্তকারীর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কত Cost পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২২, বিধি ৯(ক) অনুসারে, কোনো পক্ষের মৃত্যুর কারণে মোকদ্দমা অ্যাবেট (খারিজ) হয়ে গেলে বাতিল/খারিজ সরাসরি রহিতের দরখাস্ত করে প্রতিকার পেতে পারে।

বাতিল/খারিজ সরাসরি রহিতকরণ:
দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ আদেশের ৯ক বিধিতে, বাদীকে কোনো প্রকার সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়েই মামলার অ্যাবেটমেন্ট আদেশ সরাসরি খারিজ/ বাতিলের [Directly setting-aside abatement of dismissal] বিধান রয়েছে।

খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিল/রদের শর্ত: ৯ক বিধি মোতাবেক-
⇒ আদেশদানের ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে;
আদালতের নির্দেশনানুযায়ী সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা খরচ পরিশোধ করতে হবে।
৪৪.
চূড়ান্ত ডিক্রি প্রচারের পর সংক্ষুব্ধ পক্ষ নিম্নের কোন পদক্ষেপ নিতে পারবে?
  1. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
  2. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন
  3. চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
  4. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিউ
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৭ ধারানুযায়ী, প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের বিধান:

প্রাথমিক ডিক্রিতে যে বিরোধের নিষ্পত্তি হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হলে তখন উক্ত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রির যথার্থতা/বৈধতা অস্বীকার করা যাবে না।

অর্থাৎ প্রাথমিক ডিক্রি দেওয়া হলে, প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে- যখন চূড়ান্ত ডিক্রি দেওয়া হবে তখন প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না অথবা চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হলেও প্রাথমিক ডিক্রির বৈধতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

এ ধারার সারমর্ম হচ্ছে-
প্রাথমিক ডিক্রি এবং চূড়ান্ত ডিক্রি উভয় ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করলে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
৪৫.
নিম্নের কোন আদেশটি ডিক্রি হিসাবে গণ্য হবে?
  1. আরজি ফেরত আদেশ
  2. আরজি গ্রহণ আদেশ
  3. আরজি সংশোধন আদেশ
  4. আরজি প্রত্যাখ্যান আদেশ
সঠিক উত্তর:
আরজি প্রত্যাখ্যান আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি প্রত্যাখ্যান আদেশ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(২) অনুসারে-

ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে।উল্লেখ্য যে-
আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখান এবং
১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।

যেহেতু আরজি প্রত্যাখান এর সিদ্ধান্ত মূলত একটি ডিক্রি, তার বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
৪৬.
কোন দেওয়ানী মামলায় ডিক্রি প্রচারের পর কত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রস্তুত করতে হয়?
  1. ১০
  2. ২১
  3. ৩০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে। কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করা হয়।

• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ২০ বিধি ৫ (ক) অনুযায়ী-
রায় ঘোষনার তারিখ হতে ০৭ দিনের মধ্যে আদালত ডিক্রি প্রণয়ন করবেন।
৪৭.
জেলা জজ কর্তৃক রিভিশন মামলায় প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ হাইকোর্ট বিভাগে-
  1. সরাসরি রিভিশন দায়ের করতে পারে
  2. অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করতে পারে
  3. আপীল করতে পারে
  4. অনুমতি সাপেক্ষে আপীল করতে পারে
সঠিক উত্তর:
অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় দ্বিতীয় রিভিশন এর বিধান রয়েছে।

এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ-

জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।

গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭৩] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
৪৮.
একজন জেলা জজ কোড অব সিভিল প্রসিডিউর, ১৯০৮ অনুসারে সহকারী জজের নিম্নের কোন আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. অর্ডার ৭ রুল ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরতের আদেশ
  2. অর্ডার ৮ রুল ১০ অনুসারে প্রচারিত রায়
  3. অর্ডার ৯ রুল ৯ অনুসারে দাখিলী দরখাস্তের না-মঞ্জুর আদেশ
  4. অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশ
সঠিক উত্তর:
অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে, যে আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল চলে না সেখানে রিভিশন চলে। আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এ ২৫টি আপিলযোগ্য অর্ডারের তালিকা দেওয়া হয়েছে।

৪৩ অর্ডারের ১ রুল মোতাবেক নিম্নে বর্ণিত ৪টি আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ:

(ক) অর্ডার ৭ রুল ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরতের আদেশ।
(খ) অর্ডার ৮ রুল ১০ অনুসারে প্রচারিত রায়।
(গ) অর্ডার ৯ রুল ৯ অনুসারে দাখিলী দরখাস্তের না-মঞ্জুর (প্রত্যাখান) আদেশ।
(ঘ) অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত না-মঞ্জুর আদেশ।

অর্থাৎ, ৪টি আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে বা আপিলযোগ্য আদেশ। প্রশ্নের (ঘ) নং অপশনে প্রদত্ত অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ নয়। কারন তা আদেশ ৪৩ এর আপিলযোগ্য আদেশের তালিকায় নেই। যেহেতু এটি আপিলযোগ্য আদেশ নয়, ১১৫ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুযায়ী উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।
৪৯.
সর্বপ্রথম কখন সিভিল কোর্ট সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়?
  1. ১৮৭৭ সালে
  2. ১৮৪৯ সালে
  3. ১৮৫৯ সালে
  4. ১৮৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৮৫৯ সালে প্রথম সিভিলকোর্ট সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়।

১৮৫৯ সালের পূর্বে দেওয়ানি আইন ছিল না, এই সালেই সর্বপ্রথম দেওয়ানি আইন প্রণয়ন/ বিধিবদ্ধ/Codified করা হয়। এই আইনের ধারা ছিল- ৩৮৮টি।
পরবর্তীতে আরো দুই বার দেওয়ানি সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করা হয়। সর্বশেষ দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ প্রণয়ন করা হয় করা হয়, যা বর্তমানে বলবৎ আছে।

দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮:

পূর্বে প্রণীত দেওয়ানি সম্পর্কিত আইনগুলোকে একত্রীকরণ, সংশোধন ও পরিবর্তন করে চূড়ান্তভাবে ২১ মার্চ ১৯০৮ তারিখে (Act No. V) প্রণয়ন করা হয়; যা ১ জানুয়ারি ১৯০৯ হতে কার্যকর করা হয়। দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ধারা ১৫৮টি এবং মোট অর্ডার বা আদেশ রয়েছে ৫১টি।
৫০.
কোড অব সিভিল প্রসিডিউর, ১৯০৮ এর ১০৭ ধারার বিধান অনুযায়ী নিচের কোনটি আপিল আদালতের ক্ষমতায় অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মামলা পুনঃবিচারে প্রেরণ
  2. পুনঃবিচারে প্রেরণের জন্য বিচার্য বিষয় গঠন
  3. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ
  4. আরজি গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
আরজি গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারায় আপিল আদালতকে চারটি ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে-

১)  আপিলে মোকদ্দমাটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা [To determine a case finally];

২) পুনঃবিচারের নিমিত্তে নিম্ন আদালতে মোকদ্দমা প্রেরণ করা [To remand a case]; অর্থাৎ- মোকদ্দমাটি পুনঃবিচারের জন্য নিম্ন আদালতে প্রেরণ করা/ফেরত পাঠানো;

৩) পুনঃবিচারে প্রেরণের জন্য বিচার্য বিষয় গঠন [To frame issues and refer them for trial]; অর্থাৎ, শুনানির পর্যায়ে যদি প্রতীয়মান হয় যে, যেসব ইস্যুর উপর মূল মামলাটি নিষ্পত্তি করা হয়েছে তার অতিরিক্ত আরও বিচার্য বিষয় (issues) প্রণয়ন করা প্রয়োজন, তখন বিচার্য বিষয় গঠন/প্রণয়ন করা এবং সেইগুলো বিচারের জন্য প্রেরণ করা।

8) প্রয়োজনে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ করা বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করা [To take additional evidence or to require such evidence to be taken]।

উল্লেখ্য যে, আরজি গ্রহণ-এর মাধ্যমে দেওয়ানি আদালত মোকদ্দমা গ্রহণ করে। 
৫১.
বিল গেটসের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম হলো-
  1. BASIC
  2. Tic-tak-toe
  3. Ms Dos
  4. Windows 95
সঠিক উত্তর:
Tic-tak-toe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tic-tak-toe
ব্যাখ্যা
বিল গেটসের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম হলো- Tic-tak-toe.

- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন বিল গেটস।
- ১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং তাঁর বন্ধু পল অ্যালেন মিলে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন।
- লেক সাইড স্কুলে পড়ার সময়ই বিল গেটস প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করেন।
- টিক-ট্যাক-টো (Tic-tac-toe) নামক এই প্রোগ্রামটি কম্পিউটারের বিপরীতে গেম খেলার জন্য তৈরি প্রযুক্তি দুনিয়ার প্রথম প্রোগ্রাম।
- তিনি মাত্র ১৩ বছর বয়সে তার প্রথম এই সফটওয়্যার প্রোগ্রামটি আবিষ্কার করেন। 

সূত্র: Britannica.com
৫২.
সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটারের নাম হলো-
  1. টাইটান
  2. তিয়ানহে-২
  3. সেকুইয়া
  4. সুপারমুক
সঠিক উত্তর:
তিয়ানহে-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিয়ানহে-২
ব্যাখ্যা
• এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমানে প্রযোজ্য নয়।

• বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের Frontier কম্পিউটারটি বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম সুপার কম্পিউটার।
- প্রতি সেকেন্ডে ১.১ কুইন্টিলিয়ন হিসাবের মাইলফলক ছুঁয়েছে দেশটির ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির (ওআরএনএল) ‘ফ্রন্টিয়ার সুপার কম্পিউটার’। 
- প্রায় 270 টন ওজনের Frontier-এ 40,000 এরও বেশি প্রসেসর রয়েছে।
- যা একটি সাধারণ ডেস্কটপ কম্পিউটারের চেয়ে প্রায় 1 মিলিয়ন গুণ বেশি শক্তিশালী।

উল্লেখ্য:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩.
AIDS -এর সংক্রমণের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. গর্ভবতী মহিলা এ রোগে আক্রান্ত হলে তার সন্তানের মধ্যে এ রোগ হতে পারে
  2. রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে AIDS আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত দ্বারা এ রোগ ছড়ায়
  3. স্তন পানের মাধ্যমে মহিলার দেহ থেকে শিশুর AIDS হতে পারে
  4. AIDS রোগীর সাধারণ স্পর্শের দ্বারা এ রোগ ছড়ায়
সঠিক উত্তর:
AIDS রোগীর সাধারণ স্পর্শের দ্বারা এ রোগ ছড়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AIDS রোগীর সাধারণ স্পর্শের দ্বারা এ রোগ ছড়ায়
ব্যাখ্যা
এইডস: 

- AIDS হলো Acquired Immune Deficiency Syndrome এর সংক্ষিপ্ত রূপ। 
অর্থাৎ, বিশেষ কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াকে এইডস (AIDS) বলে। 
- Human Immune Deficiency Virus সংক্ষেপে HIV নামক ভাইরাস দ্বারা এ রোগ সৃষ্টি হয়। 
- HIV ভাইরাসের আক্রমণে মানুষের শ্বেত রক্ত কণিকার ম্যাক্রোফেজ ও T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। 
- এইডস ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর শ্বেত রক্ত কণিকা ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। 
- বর্তমান বিশ্বে AIDS একটি মারাত্মক রোগ। 
- আফ্রিকার দেশসমূহে HIV র আক্রমণ বেশি লক্ষ করা যায়। 
- ধারণা করা হয় বানরের দেহে এ ভাইরাসটি ছিল যা সর্বপ্রথম আফ্রিকায় বানর থেকে মানুষে স্থানান্তরিত হয় এবং পরে তা আমেরিকা, ইউরোপ তথা সমগ্রবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। 

AIDS এর বিস্তার: বিভিন্ন উপায়ে এইডসের ভাইরাস একজন সুস্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। যেমন- 
• নারী পুরুষের অস্বাভাবিক ও অসামাজিক যৌন আচরণ, 
• সংক্রমিত সিরিঞ্জ ব্যবহার, 
• সংক্রমিত রক্ত গ্রহণ, 
• সংক্রমিত মায়ের গর্ভে জন্ম গ্রহণকারী শিশু, 
• সেলুনে একই ব্লেড বা ক্ষুর বিভিন্ন জনে ব্যবহার করা, 
• দন্ত চিকিৎসা ও শল্য চিকিৎসা গ্রহণকারী ইত্যাদি। 

অর্থাৎ সাধারণ স্পর্শের দ্বারা এ রোগ ছড়ায় না। যদিও অধিকাংশ মানুষের এই বিষয়ে ভ্রান্ত ধারনা রয়েছে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪.
বাদুড়ের শ্রাব্যতার উর্ধ্বসীমা হলো-
  1. ৪৫,০০০ Hz
  2. ১,০০,০০০ Hz
  3. ৩৫,০০০ Hz
  4. ২০,০০০ Hz
সঠিক উত্তর:
১,০০,০০০ Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,০০,০০০ Hz
ব্যাখ্যা
শ্রাব্যতার সীমা, শব্দেতর ও শব্দোত্তর তরঙ্গ: 

- শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন।
- কিন্তু কম্পন হলেই শব্দ শোনা যাবে তা কিন্তু নয়। 
- মানুষের শ্রবণ যন্ত্রের সীমাবদ্ধতা আছে। 
- মানুষ শ্রবণ ইন্দ্রিয় 20 Hz থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পারে। 
- তাই বলা হয়, মানুষের শ্রাব্যতার সীমা/পাল্লা 20 থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে। 
- এই সীমার নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দেতর তরঙ্গ এবং উপরের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দোত্তর তরঙ্গ। 

- কয়েকটি প্রাণীর গড় শ্রাব্যতার পাল্লা নিচে উল্লেখ করা হলো - 

• মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা ২০ Hz ∼ ২০,০০০ Hz,
• কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪ Hz ∼ ৪৫,০০০ Hz,
• বিড়ালের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪৫ Hz ∼ ৬৪,০০০ Hz,
• ইদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ১,০০০ Hz ∼ ৯১,০০০ Hz,
বাদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ২,০০০ Hz ∼ ১,০০,০০০ Hz।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫.
শব্দের স্রোতধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব হলো-
  1. ১৫.৬ মিটার
  2. ১৪.৬ মিটার
  3. ১৬.৬ মিটার
  4. ১৭.৬ মিটার
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার
ব্যাখ্যা
শব্দ: 

- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 
- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1। 
- 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো, শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬.
একটি আয়তাকার মাঠের বাইরে চারদিকে একটি রাস্তা আছে। মাঠের দৈর্ঘ্য ৫০ মিটার, প্রস্থ ৪০ মিটার এবং রাস্তার চওড়া ২ মিটার। রাস্তাসহ মাঠের দৈর্ঘ্য কত মিটার?
  1. ৪৪
  2. ৫০
  3. ৪৬
  4. ৫৪
সঠিক উত্তর:
৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তাকার মাঠের বাইরে চারদিকে একটি রাস্তা আছে। মাঠের দৈর্ঘ্য ৫০ মিটার, প্রস্থ ৪০ মিটার এবং রাস্তার চওড়া ২ মিটার। রাস্তাসহ মাঠের দৈর্ঘ্য কত মিটার?

সমাধান:
আয়তাকার মাঠের দৈর্ঘ্য ৫০ মিটার
রাস্তার চওড়া ২ মিটার
রাস্তাসহ মাঠের দৈর্ঘ্য = ৫০ + (২ + ২) মিটার
= (৫০ + ৪) মিটার
= ৫৪ মিটার
৫৭.
x - 1/x = 5 হলে x3 - 1/x3 এর মান নিম্নের কোনটি?
  1. 110
  2. 125
  3. 140
  4. 15
সঠিক উত্তর:
140
উত্তর
সঠিক উত্তর:
140
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x - 1/x = 5 হলে x3 - 1/x3 এর মান নিম্নের কোনটি?

সমাধান:
দেওয়া আছে
 x - 1/x = 5

প্রদত্ত রাশি = x3 - 1/x3
= (x - 1/x)3 + 3.x.1/x(x - 1/x)
= 53 + 3 × 5
= 125 + 15
= 140
৫৮.
শিহাব ১৬০০০ মিটার দৌড়াল সে কত কিলোমিটার দৌড়েছিল?
  1. ১.৬০ কি.মি.
  2. ১৬০ কি.মি.
  3. .১৬ কি.মি.
  4. ১৬ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
১৬ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ কি.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শিহাব ১৬০০০ মিটার দৌড়াল সে কত কিলোমিটার দৌড়েছিল?

সমাধান:
আমরা জানি
১০০০ মিটার = ১ কি.মি.
১ মিটার = ১/১০০০ কি.মি.
১৬০০০ মিটার = (১ × ১৬০০০/১০০০) কি.মি.
= ১৬ কি.মি.
৫৯.
১ বিলিয়নে কত মিলিয়ন?
  1. ১০০০০
  2. ১০০০
  3. ১০০
  4. ১০
সঠিক উত্তর:
১০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ বিলিয়নে কত মিলিয়ন?

সমাধান:
১ মিলিয়ন = ১০ লক্ষ
১০ মিলিয়ন = ১ কোটি
১০০ কোটি = ১ বিলিয়ন
১ বিলিয়ন = ১০০০ মিলিয়ন
৬০.
∠A ও ∠B পরস্পর সম্পূরক কোণ। ∠A = 120° হলে ∠B = কত?
  1. 50°
  2. 60°
  3. 70°
  4. 80°
সঠিক উত্তর:
60°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
60°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ∠A ও ∠B পরস্পর সম্পূরক কোণ। ∠A = 120° হলে ∠B = কত?

সমাধান: 
দুইটি কোণের সমষ্টি 180° হলো, কোন দুইটির একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।

এখন
∠A + ∠B = 180°
বা, 120° + ∠B = 180°
বা, ∠B = 180° - 120°
∴ ∠B = 60°
৬১.
ঘড়িতে যখন ৭টা বাজে তখন ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটা দুটির মধ্যবর্তী কোণ কত ডিগ্রি?
  1. 90°
  2. 120°
  3. 150°
  4. 180°
সঠিক উত্তর:
150°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
150°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ঘড়িতে যখন ৭টা বাজে তখন ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটা দুটির মধ্যবর্তী কোণ কত ডিগ্রি?

সমাধান:
মধ্যবর্তী কোণ = ।(11M - 60H)/2।   [এখানে, M = 00 মিনিট, H = 7 ঘণ্টা ]
= ।(11 × 00) - (60 × 7)/2। 
= ।- 420/2।
= 210° [যা ১৮০° থেকে বড়, তাই ৩৬০° থেকে বিয়োগ করতে হবে]

মধ্যবর্তী কোণ = (360 - 210)° = 150°
৬২.
(- 1) × (- 1) × (- 1) + (1) × (- 1) = কত?
  1. 0
  2. 2
  3. - 2
  4. 1
সঠিক উত্তর:
- 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (- 1) × (- 1) × (- 1) + (1) × (- 1) = কত?

সমাধান:
(- 1) × (- 1) × (- 1) + (1) × (- 1)
= - 1 + ( - 1)
= - 1 - 1
= - 2
৬৩.
একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ৬০% পরীক্ষার্থী পাস করেছে। যারা পান করেনি তাদের ১৫ জন বিদেশে চলে গেল এবং ৪৫ জন ব্যবসা শুরু করল। কতজন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে?
  1. ১০০
  2. ১৫০
  3. ২০০
  4. ২৫০
সঠিক উত্তর:
১৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ৬০% পরীক্ষার্থী পাস করেছে। যারা পান করেনি তাদের ১৫ জন বিদেশে চলে গেল এবং ৪৫ জন ব্যবসা শুরু করল। কতজন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে?

সমাধান:
পরীক্ষায় পাস করেছে = ৬০% পরীক্ষার্থী
পরীক্ষায় ফেল করেছে = (১০০ - ৬০)% পরীক্ষার্থী
= ৪০% পরীক্ষার্থী

মোট ফেল করা পরীক্ষার্থী = (১৫ + ৪৫) জন
= ৬০ জন

৪০ জন ফেল করে যখন মোট পরীক্ষার্থী ১০০ জন
১ জন ফেল করে যখন মোট পরীক্ষার্থী ১০০/৪০ জন
৬০ জন ফেল করে যখন মোট পরীক্ষার্থী (১০০ × ৬০)/৪০ জন
= ১৫০ জন
৬৪.
ঘণ্টায় a মাইল বেগে b দূরত্ব অতিক্রম করতে কত ঘণ্টা সময় লাগবে?
  1. ab
  2. (b/a)
  3. (a/b)
  4. (ab/b)
সঠিক উত্তর:
(b/a)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(b/a)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ঘণ্টায় a মাইল বেগে b দূরত্ব অতিক্রম করতে কত ঘণ্টা সময় লাগবে?

সমাধান:
বেগ = a মাইল/ঘণ্টা
 দূরত্ব = b মাইল 

a মাইল যায় 1 ঘণ্টায়
1 মাইল যায় 1/a ঘণ্টায়
b মাইল যায় b/a ঘণ্টায়
৬৫.
একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ১২০ বার ঘুরে। এক সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রি ঘুরবে?
  1. ৩৬০°
  2. ৪৫০°
  3. ৫৪০°
  4. ৭২০°
সঠিক উত্তর:
৭২০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ১২০ বার ঘুরে। এক সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রি ঘুরবে?

সমাধান:
৬০ সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ১২০ বার
১ সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ১২০/৬০ বার
= ২ বার 

গাড়ির চাকা ১ বার ঘুরে অতিক্রম করে =৩৬০ ডিগ্রি
গাড়ির চাকা ২ বার ঘুরে অতিক্রম করে =(৩৬০× ২) ডিগ্রি
= ৭২০ ডিগ্রি
৬৬.
নিম্নের কোন দেশটি Arctic Council-এর সদস্য নয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. কানাডা
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্য Arctic Council-এর সদস্য নয়।

Arctic council

- মূলত উত্তর মেরু অঞ্চলের আদিবাসী সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষা এবং সেখানকার ভঙ্গুর বাস্তুসংস্থান সংরক্ষণের লক্ষ্যে কাজ করে।
- Arctic council গঠিত হয় সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ সালে।
- এই কাউন্সিল- আর্কটিক সার্কেলের ৮টি দেশ নিয়ে গঠিত- কানাডা, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে, রাশিয়া, সুইডেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০১৩ সালে আর্কটিক কাউন্সিল এর পর্যবেক্ষক (Observer) এর পদমর্যাদা দেওয়া হয় সর্বমোট ৬টি দেশকে।
- দেশগুলো হলো- চীন, ভারত, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৭.
'লাল করিডোর' অঞ্চল চিহ্নিত হয় -
  1. ভারতে
  2. ভুটানে
  3. নেপালে
  4. ভিয়েতনামে
সঠিক উত্তর:
ভারতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারতে
ব্যাখ্যা
'লাল করিডোর' অঞ্চলটির অবস্থান ভারতে।

- ভারতের পূর্ব ও দক্ষিণের যেসব এলাকায় মাওবাদী বা নকশালপন্থীদের ব্যাপক তৎপরতা রয়েছে, সে এলাকা ‘লাল করিডর’ বলে পরিচিত।
- নকশালি গ্রুপ বলতে যা বোঝায়, তা হচ্ছে কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ার (মাওবাদী) সশস্ত্র ক্যাডারদের নিয়ে গঠিত দল।
- তারা মাওবাদী জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ শিবির ও গণ-আদালত পরিচালনা করে থাকে।
- গণ-আদালত হচ্ছে সরকারের অনুমোদনহীন আদালত, যেখানে মাওবাদীরা নিজস্ব নিয়মে বিচার পরিচালনা করে।
- ভারতে ১৯৬৭ সালে প্রণীত ‘বেআইনি কর্মকাণ্ড প্রতিরোধবিষয়ক আইন’ বলে নকশালদের সব ধরনের সংগঠন সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ।
- ‘লাল করিডর’ যেসব রাজ্যের মধ্য দিয়ে গেছে, সেগুলো হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ছত্তিশগড়, ঝাড়খন্ড, ওডিশা, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্র প্রদেশ ও উত্তর প্রদেশ।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৮.
'বিগ বেন' এর গ্রেট ক্লক টাওয়ার বর্তমানে কি নামে পরিচিত?
  1. ক্লক টাওয়ার
  2. ভিক্টোরিয়া টাওয়ার
  3. ওয়েস্টমিনিস্টারস টাওয়ার
  4. এলিজাবেথ টাওয়ার
সঠিক উত্তর:
এলিজাবেথ টাওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এলিজাবেথ টাওয়ার
ব্যাখ্যা
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।]

বিগ বেন:
- লন্ডনের অতি পরিচিত ও জনপ্রিয় স্থাপনাবিশেষ।
- বিগ বেন (ইংরেজি: Big Ben) লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার এলাকার সংসদ ভবনের উত্তরাংশের ক্লক টাওয়ারে অবস্থিত সুবিশাল ঘণ্টার ডাক নাম যা সময়ে সময়ে বেজে উঠে।
- আনুষ্ঠানিকভাবে টাওয়ারটি 'ক্লক টাওয়ার' কিংবা 'প্যালেস অব ওয়েস্টমিনস্টার' নামে পরিচিত।
- লন্ডনের নাগরিকদের অধিকাংশই টাওয়ারটিকে বিগ বেন নামে শখ করে ডেকে থাকেন। কেননা, ঘণ্টাটি খুবই বৃহৎ আকৃতির। সর্বসাকুল্যে এর ওজন প্রায় ১৩ টন।
- ১৮৫৮ সালে লন্ডনের 'ওয়েস্ট মিনিস্টার' স্থাপিত হয় বিগবেন এর গ্রেট ক্লক টাওয়ার।
- ২০১২ সালে রানি ২য় এলিজাবেথের সিংহাসনে আরোহণের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে 'এলিজাবেথ টাওয়ার' নামকরণ করা হয়।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৯.
জাতিসংঘ ঘোষিত Public Service Day কোনটি?
  1. ২১ জুন
  2. ২২ জুন
  3. ২৩ জুন
  4. ২৪ জুন
সঠিক উত্তর:
২৩ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ জুন
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক জনসেবা দিবস বিশ্বজুড়ে জাতিসংঘ কর্তৃক পালিত একটি বিশেষ দিন, যা এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে প্রতিবছর ২৩ জুন তারিখে উদযাপিত হয়।

- মূলতঃ জাতিসংঘের প্রস্তাবনা ও তত্ত্বাবধানে পালিত হয় বলে এই দিবসটি জাতিসংঘ জনসেবা দিবস নামেও পরিচিত।
- ২০০২ সালের ২০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ৫৭/২৭৭ ক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে প্রতিবছর ২৩ জুন তারিখে জনসেবা দিবস পালন করা হবে। 
- এর ফলশ্রুতিতে ২০০৩ সালে সর্বপ্রথম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই দিবসটি পালিত হয়।
- অন্যদিকে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০১৭ সালে দিবসটিকে জাতীয় জনসেবা দিবস নামে পালন করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭০.
টিকফা (TICFA) কী?
  1. Trade and Investment Corporation Frame Agreement
  2. Trade and Investment Conciliation Framework Agreement
  3. Trade and Investment Cooperation Forum Agreement
  4. Trade and Investment Coordination Framework Agreement
সঠিক উত্তর:
Trade and Investment Cooperation Forum Agreement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Trade and Investment Cooperation Forum Agreement
ব্যাখ্যা
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি হচ্ছে Trade and Investment Cooperation Forum Agreement (টিকফা)।

- ২০১৩ সালে ‘বাণিজ্য ও বিনিয়োগের’ স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে দুই দেশের মধ্যে টিকফা চুক্তি সই হয়।
- এরই মধ্যে চুক্তির এক দশক পার হতে চলেছে।
- ২০২৩ সালে ঢাকায় টিকফার সপ্তম কাউন্সিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং পত্রিকা রিপোর্ট।
৭১.
'কংশ' নদীর উৎপত্তিস্থল-
  1. গারো পাহাড়
  2. লুসাই পাহাড়
  3. সীতা পাহাড়
  4. কংস পাহাড়
সঠিক উত্তর:
গারো পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো পাহাড়
ব্যাখ্যা
কংস নদী বা কংশ নদী বা কংসবতী নদী বা কংসাই নদী

- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা ও সুনামগঞ্জ জেলার একটি নদী। 
- ভারতের শিলং মালভূমির পূর্বভাগে তুরার কাছে গারো পাহাড়ে এ নদীর উৎপত্তি।
- উৎস থেকে দক্ষিণদিকে প্রবাহিত হওয়ার পর শেরপুর জেলার উত্তর ভাগে নালিতাবাড়ী উপজেলা সদরের প্রায় ১৬ কিমি উত্তর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
- সেখান থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে সোমেশ্বরী নদীতে মিশেছে। কংস ও সোমেশ্বরীর মিলিত স্রোত বাউলাই নদী নামে পরিচিত। 

বিশেষ তথ্য: বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল:

- পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল আসামের লুসাই পাহাড়।
- যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল ব্ৰহ্মপুত্ৰ নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
- করতোয়া নদীর উৎপত্তিস্থল সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
- সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
- হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল মহালড্রীম, দার্জিলিং।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২.
জিএসপি GSP কী?
  1. Generalized System of Preference
  2. Generalized System of Preferences
  3. Generalized System of Progress-in-Garments
  4. Generalized System of Preference-in-Garments
সঠিক উত্তর:
Generalized System of Preferences
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Generalized System of Preferences
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD) এর উদ্যোগে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে বিশ্ব অর্থনীতিতে একীভূত করার প্রস্তাবের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন GSP সুবিধা প্রদান করে আসছে। 

Generalized System of Preferences (GSP) হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বৈদেশিক বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া এক ধরণের শুল্কমুক্ত বা শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা (Trade Preference Program)।
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে প্রথম জিএসপি সুবিধা দেয় ১ জানুয়ারি, ১৯৭৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা হারায় ২৭ জুন, ২০১৩ সালে।

অপরদিকে,
Generalised Scheme of Preferences হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেওয়া এক ধরণের শুল্কমুক্ত বা শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা (Trade Preference Program)। ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রদত্ত GSP সুবিধা মূলত নিম্নোক্ত তিনটির সমন্বয়ে গঠিত। যথা:
• Standard GSP
• GSP 
• EBA
- বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে ২০২৬ সালে।
- উন্নয়নশীল দেশ হিসেব উন্নীত হলে, বাংলাদেশ ইউরোপী ইউনিয়নের দেশসমূহে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে।
- বাংলাদেশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাবে।
- ২০২৯ সালের পর নতুন করে জিএসপি সুবিধা বাড়ানোর চিন্তা করছে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

উৎস: ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওয়েবসাইট, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট।
৭৩.
'কুসুম্বা মসজিদ'- কোন শাসকের রাজত্বকালে নির্মিত হয়?
  1. শেরশাহ
  2. বাহাদুর শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ
  4. ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ
ব্যাখ্যা
কুসুম্বা মসজিদ:

- কুসুম্বা মসজিদ আত্রাই নদীর পশ্চিমতীরস্থ নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার অন্তর্গত কুসুম্বা গ্রামের নাম অনুসারে পরিচিত।
- প্রাচীর দিয়ে ঘেরা আঙ্গিনার ভেতরে মসজিদটি অবস্থিত।
- এ আঙ্গিনায় প্রবেশের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় একটি প্রবেশদ্বার, যেখানে প্রহরীদের দাঁড়ানোর জায়গা রয়েছে।
- বাংলায় আফগানদের শাসন আমলে শূর বংশের শেষ দিকের শাসক গিয়াসউদ্দীন বাহাদুর শাহ-এর রাজত্বকালে জনৈক সুলায়মান মসজিদটি নির্মাণ করেন।

সূত্র: নওগাঁ জেলা ওয়েব সাইট।
৭৪.
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সিংহদ্বার কি নামে পরিচিত?
  1. সুবাহর তোরণ
  2. দশভুজা তোরণ
  3. ঈশ্বরী তোরণ
  4. নহবতখানা তোরণ
সঠিক উত্তর:
নহবতখানা তোরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নহবতখানা তোরণ
ব্যাখ্যা
ঢাকেশ্বরী মন্দির:

- ঢাকেশ্বরী শব্দের অর্থ 'ঢাকার ঈশ্বরী' বা 'ঢাকা শহরের রক্ষাকর্ত্রী'।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম হিন্দু মন্দির।
- এই মন্দিরটিকে বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির ও বলা হয়।
- এই মন্দিরটি ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত শক্তিপীঠ গুলির একটি।
- অনেকের মতে, দেবী ঢাকেশ্বরীর নাম থেকেই ঢাকা নামের উৎপত্তি।
- মন্দির অঙ্গনে প্রবেশের জন্য একটি সিংহদ্বার রয়েছে, যা নহবতখানা তোরণ নামে পরিচিত।
- বর্তমানে এখানে প্রতি বছর ধুমধামের সাথে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র: ঢাকা জেলা ওয়েব সাইট।
৭৫.
বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭১ সালে গঠিত মুজিবনগর সরকারের কোন পদে নিযুক্ত ছিলেন?
  1. পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী
  2. আইনস ও বিচার বিষয়ক মন্ত্রী
  3. বিশেষ কূটনৈতিক প্রতিনিধি
  4. নয়াদিল্লীস্থ বাংলাদেশ মিশন প্রধান
সঠিক উত্তর:
বিশেষ কূটনৈতিক প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ কূটনৈতিক প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:

- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ সরকারের সদর দপ্তর প্রথম স্থাপিত হয় মুজিবনগরে (মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা)।
- এ সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- এই সরকারের বিশেষ কুটনৈতিক প্রতিনিধি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় ‘সাপ্তাহিক জয়বাংলা’।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৬.
What is the antonym of the word 'baggy'?
  1. saggy
  2. load
  3. loose
  4. tight
সঠিক উত্তর:
tight
উত্তর
সঠিক উত্তর:
tight
ব্যাখ্যা
The antonym of the word 'Baggy' is: 'Tight'. 

Baggy: 

English Meaning: loose, puffed out, or hanging like a bag. 
Bangla Meaning: ঢোলা; ঝোলা; ঢলঢলে; থলথলে

• Synonyms of the word 'Baggy': 
- saggy,
- blousy,
- detached,
- untied,
- unbound,
- loose.

• Antonyms of the word 'Baggy': 
- tight,
- taut,
- tense,
- restrained,
- constrained.

Source: Merriam Webster Dictionary, Accessible Dictionary by Bangla Academy, Oxford Dictionary.
৭৭.
What is the synonym of the word 'relax'?
  1. delux
  2. swindle
  3. unwind
  4. freewind
সঠিক উত্তর:
unwind
উত্তর
সঠিক উত্তর:
unwind
ব্যাখ্যা
Relax
English Meaning: to get rid of nervous tension or anxiety.
Bangla Meaning: আরাম/আয়েশ করা।

অপশনে প্রদত্ত শব্দগুলোর অর্থ হলো - 

deluxe - শৌখিন;
swindle - প্রতারণা করা;
unwind - বিনোদন করা;
freewind - মুক্তপ্রবাহ;

এখানে relax বা আরাম আয়েশ করার সাথে মিল আছে বিনোদন করার, তাই সঠিক উত্তর হবে 'unwind'.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৭৮.
Convert the sentence into a simple one : He said that he was innocent.
  1. He published his innocence
  2. He expressed his innocence
  3. He told his innocence
  4. He declared his innocence
সঠিক উত্তর:
He expressed his innocence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He expressed his innocence
ব্যাখ্যা
• Original sentence: "He said that he was innocent."

In this sentence, someone is reporting that another person claimed their innocence. To simplify it:

⇒ "Said" is replaced with a synonym that means expressing or stating something strongly.
⇒ We don't need "that he was" because it's understood from the context that he is referring to his own state.
⇒ "Innocent" remains the same because it's the main point of the statement.

So, correct answer: "He expressed his innocence."

Source: A Passage To The English Language: S. M. Zakir Hussain.
৭৯.
'All the world's a stage,
And all the men and women merely players'.- Poet of the poem is:
  1. John Keats
  2. William Shakespeare
  3. John Milton
  4. William Wordsworth
সঠিক উত্তর:
William Shakespeare
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Shakespeare
ব্যাখ্যা
• “All the world's a stage,
And all the men and women merely players;
They have their exits and their entrances;
And one man in his time plays many parts,
His acts being seven ages.”
William Shakespeare, As You Like It.
------------------------------

As You Like It:
- As You Like It হলো Shakespeare লিখিত একটি Comedy.
- Rosalind and her cousin escape into the forest and find Orlando, Rosalind's love. Disguised as a boy shepherd, Rosalind has Orlando woo her under the guise of "curing" him of his love for Rosalind. Rosalind reveals she is a girl and marries Orlando during a group wedding at the end of the play.

The major characters in this play are-
- Rosalind;
- Celia (Cousin of Rosalind);
- Orlando (Male lead);
- Oliver;
- Duke Senior;
- Duke Frederick;
- Touchstone;
- Audrey.

Some other famous quotes of As You Like It - 
- Sweet are the uses of adversity
- The fool doth think he is wise, but the wise man knows himself to be a fool.
- I pray you, do not fall in love with me, for I am falser than vows made in wine.
- Men have died from time to time, and worms have eaten them, but not for love.
- Most friendship is feigning, most loving mere folly.
- We that are true lovers run into strange capers.

Source: Britannica and Goodreads.
৮০.
He started early. Here early is-
  1. adjective
  2. adverb
  3. noun
  4. pronoun
সঠিক উত্তর:
adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
adverb
ব্যাখ্যা
- প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটি একটি Intransitive verb যুক্ত বাক্য।
- যেসকল verb এর object বা কর্ম থাকে না তাকে Intransitive verb বলে।
- সাধারণত Intransitive verb এর পর adverb অথবা preposition ব্যবহৃত হয়।
- উপরের বাক্যে intransitive verb 'started' এর পরে adverb হিসেবে 'early' বসেছে।

Source: Advanced Learner's Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.
৮১.
Change the narration of the sentence: What do you want?
  1. What is wanted by you?
  2. Let what be wanted by you.
  3. What has been wanted by you?
  4. What was being wanted by you?
সঠিক উত্তর:
What is wanted by you?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
What is wanted by you?
ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি হওয়ার কথা ছিলো: Change the voice of the sentence: What do you want?
মূল প্রশ্নে ভুল , তবে অপশন দেখে সে অনুসারে সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা দেওয়া হলো। 

•  Active voice থেকে passive voice করার নিয়ম:
কোনো interrogative sentence যদি What দিয়ে শুরু হয়, তাহলে passive voice- এ রুপান্তর করার structure হবে:

⇒ what + be verb + verb এর past participle + by + sub.

সুতরাং, এর সঠিক passive form হবে - What is wanted by you?

Source: Applied English Grammar & Composition by P. C. Das.

৮২.
The phrase 'functus officio' means-
  1. officiating
  2. functional office
  3. functional authority
  4. having no further authority
সঠিক উত্তর:
having no further authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
having no further authority
ব্যাখ্যা
Functus officio

English Meaning: no longer holding office or having official authority.
Bangla Meaning: দায়িত্বে নেই / দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত।

Ex. Sentence: Once a court has passed a valid sentence after a lawful hearing, it is functus officio and cannot reopen the case.
Bangla Meaning: আদালত আইনানুগ শুনানির পর রায় দিয়ে দিলে তার দায়িত্ব এখানেই শেষ এবং এই মামলা আর খুলতে পারবে না।

Source: Live MCQ Lecture.
৮৩.
Plural number of 'Ultimatum' is-
  1. ultimate
  2. ultimata
  3. ultimator
  4. ultamates
সঠিক উত্তর:
ultimata
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ultimata
ব্যাখ্যা
• Ultimatum is the singular form.
- The plural forms of 'Ultimatum' are 'Ultimata' or 'Ultimatums'.

ল্যাটিন কিছু শব্দের ক্ষেত্রে Double plural হয়। যেমন -
Formula = Formulas / Formulae;
Focus = Focuses / Foci;
Syllabus = Syllabuses / Syllabi;
Ultimatum = Ultimatums / Ultimata;
Radius = Radiuses / Radii.

Source: Applied English Grammar and Composition by P. C. Das.
৮৪.
Mens Legis means-
  1. Mens rea
  2. Legal status of the men
  3. Purpose of a law
  4. Preamble of a law
সঠিক উত্তর:
Purpose of a law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Purpose of a law
ব্যাখ্যা
• Mens Legis (Latin term) - The purpose of the law.

It refers to the spirit or purpose of a law. In simpler terms, it is what the law is trying to achieve or accomplish.

For example,
the mens legis behind a law that prohibits driving under the influence of alcohol is to prevent accidents and protect public safety. The mens legis behind a law that requires employers to provide a safe working environment is to protect workers from harm.
৮৫.
'Double Jeopardy' means-
  1. judicating twice
  2. Duplicate issue
  3. Purpose of a law
  4. Preamble of a law
সঠিক উত্তর:
judicating twice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
judicating twice
ব্যাখ্যা
'Double Jeopardy' means judicating twice.

'Doctrine of double jeopardy' বা 'দোবারা সাজা মতবাদ' যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তা হলো: 'Nemo debet bis puniri pro uno delicto'.

যার অর্থ- 'No one shall be punished twice for one fault'. অর্থাৎ 'একই অপরাধের জন্য দু'বার শাস্তি দেয়া যায় না।'

দোবারা সাজা নীতিটি কয়েকটি আইনে বর্ণিত আছে। যথা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২);
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩;
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১;
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪০; এবং
- The General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারা.
৮৬.
What are the correct prepositions?
He had a need _____ and an interest _____ athletics.
  1. of, for
  2. to, at
  3. for, in
  4. with, for
সঠিক উত্তর:
for, in
উত্তর
সঠিক উত্তর:
for, in
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: He had a need for and an interest in athletics.

প্রয়োজনের অর্থে 'need' এর পরে 'for' ব্যবহৃত হবে এবং 'interest' এর পরে appropriate preposition হিসেবে 'in' হবে। যার অর্থ হলো- আগ্রহ।

সুতরাং বাক্যটি হবে- He had a need for and an interest in athletics.
৮৭.
Choose the best option to complete the sentence : Telling lies ______ a great sin.
  1. is
  2. are
  3. have
  4. highly
সঠিক উত্তর:
is
উত্তর
সঠিক উত্তর:
is
ব্যাখ্যা
• Verb+ing – noun এর কাজ করলে, সেটা Gerund হয়।
 Gerund কোনো বাক্যের subject হিসেবে ব্যবহৃত হলে, verb অবশ্যই singular হবে। 

উল্লিখিত বাক্যে 'telling' হচ্ছে gerund, তাই singular verb 'is' সঠিক উত্তর হবে।

Source: Applied English Grammar and Composition, P.C. DAS.
৮৮.
Choose the best option to complete the sentence : I look forward to ____________.
  1. meet you soon
  2. meeting you soon
  3. have met you soon
  4. be meeting you soon
সঠিক উত্তর:
meeting you soon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
meeting you soon
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হচ্ছে - 'to meeting you soon'.
- Complete Sentence: I look forward to meeting you soon.

• Use of Look forward: 
- Look forward এরপর to + verb + ing বসে।

Example: 
- I look forward to hearing from you soon.
- I am looking forward to seeing you.
- My friend is looking forward to going to London.

• এছাড়াও mind, cannot help, could not help, with a view to, look forward to ইত্যাদি শব্দের পর কোনো verb বসলে সেই verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।

Source: Applied English Grammar and Composition, P.C. DAS.
৮৯.
মতিন ও কমল মানের চরিত্রকে কেন্দ্র করে একটি শিশুর আত্মানুসন্ধান প্রকাশিত হয় হুমায়ূন আহমেদের কোন উপন্যাসে?
  1. আগুনের পরশমনি
  2. এই সব দিনরাত্রি
  3. দুই দুয়ারী
  4. কে কথা কয়
সঠিক উত্তর:
কে কথা কয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কে কথা কয়
ব্যাখ্যা
'কে কথা কয়' উপন্যাস:

- হুমায়ূন আহমেদের 'কে কথা কয়' উপন্যাসে মতিন ও কমল নামের চরিত্রকে কেন্দ্র করে একটি শিশুর আত্মানুসন্ধান ও সত্যান্বেষণের প্রয়াস লক্ষ করা যায়।
- উপন্যাসে শিশু কমলের সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে চাকরি পাওয়া মতিন কমলের সঙ্গে কাহিনিসূত্রে একটি বৃহৎবৃত্তে অধিভুক্ত হয়। 
- উপন্যাসের শেষে কমল সত্যোন্বেষণে ব্যস্ত আর মতিন সত্যের জন্য প্রাণ দান করে।

হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২) কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক এর জন্ম নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- ছাত্রজীবনে লেখা “নন্দিত নরকে” শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব। ১৯৭২ সালে তিনি উপন্যাসটি রচনা করেন এবং সে বছরই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- নন্দিত নরকে বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস “শঙ্খনীল কারাগার” (১৯৭৩)।
- গল্প, উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশন, শিশুতোষ গ্রন্থ, নাটক, প্রবন্ধ, আত্মজৈবনিক রচনা প্রভৃতি মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক।
- তাঁর শেষ উপন্যাস দেয়াল (অপ্রকাশিত-পটভূমি ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ড ও তৎকালীন রাজনৈতিক ঘটনা)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৯০.
প্রাচী শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. প্রচীতী
  2. প্রতীচী
  3. প্রতিচী
  4. প্রীতিচী
সঠিক উত্তর:
প্রতীচী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতীচী
ব্যাখ্যা
'প্রাচী' শব্দের বিপরীত শব্দ- প্রতীচী।
- প্রাচী শব্দের অর্থ পূর্বদিক। প্রতীচী শব্দের অর্থ - পশ্চিম দিক।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীত শব্দ:

'প্রাচ্য' - প্রতীচ্য;
'মৃদু' - প্রবল;
'অনুরক্ত' - বিরক্ত;
'অনুমেয়' - অননুমেয়; 
'নিয়ত' -  বিরত; 
'প্রবিষ্ট' - প্রস্থিত; 
'দরদি' - নির্দয়; 
'উদ্ধত' - বিনীত; 
'ঔদ্ধত্য' - বিনয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (সর্বশেষ সংস্করণ)।
৯১.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে থাকাবস্থায় বুদ্ধদেব বসু যে পত্রিকা সম্পাদনা করতেন তার নাম?
  1. অবধূত
  2. সমকাল
  3. শতদল
  4. বাসন্তিকা
সঠিক উত্তর:
বাসন্তিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসন্তিকা
ব্যাখ্যা
• বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা- 
- প্রগতি (১৯২৭-১৯)
- কবিতা (১৩৪২-৪৭) 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে থাকা অবস্থায় তিনি 'বাসন্তিকা' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। 
- হুমায়ুন কবিরের সাথে তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা 'চতুরঙ্গ' 

• বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র, সমর সেন এই তিন কবি 'কবিতা' পত্রিকার সূচনা পর্বের সম্পাদনা সূত্রে সাথে যুক্ত ছিলেন।
- পত্রিকাটি  ১৯৩৫ সালে প্রথম প্রকাশ পায় এবং ১৯৬১ সাল পর্যন্ত চলে। 
- এ পত্রিকায় শুধু কবিতা ও কবিতা বিষয়ক গদ্য ছাপা হতো।

----------------------------------------
বুদ্ধদেব বসু
- একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তিনি ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম গ্রহণ করেন।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপান্ডবের অন্যতম বুদ্ধদেব বসু।

বুদ্ধদেব বসুর গল্প:
- ‘অভিনয়, অভিনয় নয়',
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

বুদ্ধদেবের উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।
-------------------------------------------

উল্লেখ্য,
- 'অবধূত' হচ্ছে কালিকানন্দ এর ছদ্মনাম।
- 'শতদল' হচ্ছে পদ্ম শব্দের সমার্থক শব্দ।
- সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত মাসিক সাহিত্যপত্র ‘সমকাল'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৯২.
'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা সখিনা বিবির কপাল ভাঙল।'- এটি কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?
  1. মিশ্র
  2. সরল
  3. যৌগিক
  4. বিভ্রমপূর্ণ
সঠিক উত্তর:
মিশ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশ্র
ব্যাখ্যা
- প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি হলো 'মিশ্র' বাক্যের অন্তর্গত।

মিশ্র বা জটিল বাক্য:
যে বাক্যে একটি খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষ ভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।

যেমন-
সে যে অপরাধ করেছে (আশ্রিত বাক্য), তা মুখ দেখেই বুঝেছি (প্রধান খণ্ডবাক্য)।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯সংস্করণ)।
৯৩.
ইংরেজি ব্যাকরণের 'Adverb'-কে বাংলা ব্যাকরণে বলে -
  1. নাম বিশেষণ
  2. ভাব বিশেষণ
  3. সমুচ্চরী অব্যয়
  4. নামপদ
সঠিক উত্তর:
ভাব বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাব বিশেষণ
ব্যাখ্যা
ইংরেজি ব্যাকরণের 'Adverb' কে বাংলা ব্যাকরণে 'ভাব বিশেষণ' বলে।

• যে পদ বিশেষ্য ও সর্বনাম ভিন্ন অন্য পদকে বিশেষিত করে তাই ভাব বিশেষণ।

• ভাব বিশেষণ চার প্রকার। যথাঃ
- ক্রিয়া বিশেষণ,
- বিশেষণের বিশেষণ,
- অব্যয়ের বিশেষণ ও
- বাক্যের বিশেষণ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৪.
'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা'- নাটকের রচয়িতা কে?
  1. শামসুর রাহমান
  2. মমতাজউদ্দিন আহমদ
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন
সঠিক উত্তর:
মমতাজউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মমতাজউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা
মমতাজউদদীন আহমদ: 
- মমতাজউদদীন আহমদ মূলত একজন বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন।
- ১৯৩৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের মালদহে জন্মগ্রহণ করেন। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটক:

- স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা,
- কী চাহ শঙ্খচিল,
- হৃদয়ঘটিত ব্যাপার স্যাপার,
- প্রেম,
- বিবাহ সুটকেস,
- রাজা অনুস্বারের পালা,
- সাত ঘাটের কানাকড়ি,
- রাক্ষুসী,
- এই সেই কণ্ঠস্বর,
- পুত্র আমার পুত্র,
- হাস্য লাস্য ভাষ্য,
- ভালোবাসার দশ নাটক ইত্যাদি।

মমতাজউদ্দীন আহমেদ (১৯৩৫-২০১৯) রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কয়েকটি নাটক:
- বর্ণচোর,
- বকুলপুরের স্বাধীনতা,
- কী চাহ শঙ্খচিল,
- এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৯৫.
নাড়ী অর্থ শিরা; নারি অর্থ কি-
  1. পানি
  2. স্ত্রীলোক
  3. পারি না
  4. খড়ের শেষাংশ
সঠিক উত্তর:
পারি না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারি না
ব্যাখ্যা
• বারি অর্থ পানি;

• নারী অর্থ স্ত্রী লোক;

• বিচালি অর্থ খড়;

অর্থাৎ, 'নারি' শব্দের অর্থ হবে 'পারি না'।
৯৬.
নিচের কোন বানান শুদ্ধ নয়-
  1. কর্ণেল
  2. চক্ষুষ্মান
  3. খ্রিষ্টাব্দ
  4. বিপণী
সঠিক উত্তর:
কর্ণেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণেল
ব্যাখ্যা
• কর্নেল ফরাসি ভাষার শব্দ।

বানানরীতি অনুযায়ী বিদেশি/ অতৎসম শব্দে সবসময়ই দন্ত্য-ন হয়।
তাই 'কর্ণেল' বানানটি অশুদ্ধ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৭.
'আষাঢ়ে মেঘ আসার নামে'- এ বাক্যে 'আসার' শব্দের অর্থ কি?
  1. জলধারা
  2. জলকণা
  3. জলধর
  4. জলঝড়
সঠিক উত্তর:
জলকণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলকণা
ব্যাখ্যা
প্রায়-সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ:

আষাঢ়- বাংলা মাসের নাম।

আসার- জলকণা, বৃষ্টি, প্রবল বৃষ্টিপাত, প্রবল বর্ষণ।

জলধারা- জলস্রোত, বারিধারা।

জলধর- সাগর, বারীন্দ্র, জলনিধি, বারিশ, জলধি, মেঘ।
৯৮.
'কথায় বর্ণনা করা যায় না যা'-এ বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ কি?
  1. বর্ণনাতীত
  2. অনির্বচনীয়
  3. অবর্ণনীয়
  4. নির্বচনীয়
সঠিক উত্তর:
অবর্ণনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবর্ণনীয়
ব্যাখ্যা
• এক কথায় প্রকাশ:
"কথায় বর্ণনা করা যায় না যা" = অবর্ণনীয়।

অন্যদিকে,
- যা বচন বাক্যে প্রকাশ করা যায় না = অনির্বচনীয়।
- কথায় বর্ণনা করা যায় যা = নির্বচনীয়।
- বর্ণনার দ্বারা বোঝানো যায় না = বর্ণনাতীত।

উৎস: 
১) প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিত, ড. হায়াৎ মাহমুদ। 
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৯৯.
’বাগধারা’ কোথায় আলোচিত হয়?
  1. ধ্বনিতত্ত্বে
  2. রূপতত্ত্বে
  3. শব্দতত্ত্বে
  4. বাক্যতত্ত্বে
সঠিক উত্তর:
বাক্যতত্ত্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্যতত্ত্বে
ব্যাখ্যা
• নবম ও দশম শ্রেণির পুরাতন ব্যাকরণ অনুযায়ী, বাগ্‌ধারা ও প্রবাদ-প্রবচন বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।

- কিন্তু নতুন ব্যাকরণ ও বাংলা একাডেমি প্রণীত আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ অনুসারে, বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন অর্থতত্ত্বে আলোচিত হবে। কারণ, বাগধারা ও প্রবাদ প্রবচনে বাক্য নয়, অর্থই মুখ্য। 

প্রশ্নটি রিয়েল জবের পরীক্ষায় আসছে। তাই, অপশন বিবেচনায় উত্তর 'বাক্যতত্ত্ব' রাখা হয়েছে।

রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দগঠন প্রক্রিয়া।
- উপসর্গ, সমাস, প্রত্যয়, পুরুষ রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। 
 
অর্থতত্ত্ব: 
- ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেই অংশের নাম অর্থতত্ত্ব। একে বাগর্থতত্ত্বও বলা হয়।
অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়:
- বিপরীত শব্দ,
- প্রতিশব্দ,
- শব্দজোড়, 
- বাগধারা প্রভৃতি বিষয় অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এই অংশে আলোচনা থাকে ।

ধ্বনিতত্ত্ব: 
- ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি।
- লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয়, তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত।
- ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য বাগযন্ত্র, বাগযন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য, ধ্বনিদল প্রভৃতি।

বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- বাক্যের নির্মাণ এবং এর গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়।
- এছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২২সংস্করণ)।
১০০.
কাজী নজরুল ইসলাম প্রথম কবে ঢাকায় আসেন?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯২৬ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৬ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও বাংলাদেশ:

১৮৯৯- জন্ম: ২৪ মে ১৮৯৯ খ্রি. (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ)।

১৯২৬- প্রথম ঢাকায় আসেন ১৯২৬ সালের জুন মাসের শেষ সপ্তাহে।

১৯৭২- বঙ্গবন্ধু কর্তৃক রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে স্থায়ীভাবে ঢাকায় আনা হয়।

১৯৭৪- জাতীয় কবি ঘোষণা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ডি লিট ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৭৬- একুশে পদক লাভ করেন, বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পান;

মৃত্যু: ২৯ আগষ্ট, ১৯৭৬ খ্রি: (১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ)।

২০০৪- BBC জরিপে সর্বকালের ৩য় সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি।