পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ৬ টপিক: রিভিশন পরীক্ষা [Exam – 4 & 5] ক্লাস মেন্টর: তপন ভট্টাচার্য"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বর্তমানে কোন আইন অনুসারে পরিচালিত হচ্ছে?
  1. Statistics-Acts-2010
  2. Statistics-Acts-2011
  3. Statistics-Acts-2012
  4. Statistics-Acts-2013
সঠিক উত্তর:
Statistics-Acts-2013
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Statistics-Acts-2013
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো:
- ১৯৭৪ সালের ২৬ আগস্ট তৎকালীন ০৪ (চার)টি সংস্থা যথা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিসংখ্যান ব্যুরো, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি পরিসংখ্যান ব্যুরো ও কৃষি শুমারি কমিশন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন আদমশুমারি কমিশনকে একীভূত করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বিবিএস জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা (এনএসও) হিসেবে নিয়মিতভাবে সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য আর্থ-সামাজিক, জনমিতিক, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাণিজ্য, জাতীয় উৎপাদ, জাতীয় আয় নিরূপণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে।
- পরিসংখ্যান আইন, ২০১৩ (Statistics Act, 2013) এর আওতায় বর্তমানে বিবিএস এর সকল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
.
প্রধানত কোন জেলায় চাকমা সার্কেল এর অবস্থান?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. কক্সবাজার
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ৩টি সার্কেল রয়েছে।
- বোমাং সার্কেল: বান্দরবান জেলার বৃহত্তর অংশ ও রাঙামাটি জেলার কিছু অংশ নিয়ে বোমাং সার্কেল।
- চাকমা সার্কেল: রাঙামাটি জেলার বৃহত্তর অংশ ও খাগড়াছড়ি জেলার কিছু অংশ নিয়ে চাকমা সার্কেল।
- মং সার্কেল: খাগড়াছড়ি জেলার বৃহত্তর অংশ নিয়ে মং সার্কেল।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের এই ৩ সার্কেল প্রধান্রা স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের কাছে 'রাজা' হিসেবে পরিচিত।
- সরকারিভাবে তাদের সার্কেল চীফ বলা হয়। 

উৎস: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ওয়েবসাইট।
.
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে কবে?
  1. ২৭ মে ১৯৯৭
  2. ২৭ মে ১৯৯৮
  3. ১৭ মে ১৯৯৯
  4. ২৭ মে ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
২৭ মে ১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ মে ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ:
- পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন-১৯৯৮ (১৯৯৮ সনের ১২ নং আইন) অনুসারে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ২৭ মে ১৯৯৯ ইং তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।

কর্মপরিধি:
(ক) পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে পরিচালিত সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডসহ উহাদের আওতাধীন এবং উহাদের উপর অর্পিত বিষয়াদি সার্বিক তত্বাবধান ও সমন্বয়:
(খ) পৌরসভাসহ স্থানীয় পরিষদসমুহ তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় সাধন;
(গ) পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এর কার্যাবলীর সার্বিক তত্ত্বাবধান;
(ঘ) পার্বত্য জেলার সাধারন প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা ও উন্নয়নের তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় সাধন;
(ঙ) উপজাতীয় রীতিনীতি, প্রথা ইত্যাদি এবং সামাজিক বিচার সমন্বয় ও তত্ত্বাবধান;
(চ) জাতীয় শিল্পনীতির সহিত সংগতি রাখিয়া পার্বত্য জেলাসমুহে ভারী শিল্প স্থাপনের লাইসেন্স প্রদান;
(ছ) দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান কার্যক্রম পরিচালনা এবং এনজিও কার্যাবলীর সমন্বয় সাধন;

উৎস: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
.
SDG এর অনন্য সূচক সংখ্যা কতটি?
  1. ২৪৮টি
  2. ২৩১টি
  3. ১৬৯টি
  4. ২৪১টি
সঠিক উত্তর:
২৩১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩১টি
ব্যাখ্যা
SDG:
- গ্লোবাল ইন্ডিকেটর ফ্রেমওয়ার্ক ২৩১টি অনন্য সূচক অন্তর্ভুক্ত করে। 
- SDG সূচকগুলির বৈশ্বিক নির্দেশক কাঠামোতে তালিকাভুক্ত মোট সূচকের সংখ্যা হল 248৷
- তেরোটি সূচক দুটি বা তিনটি ভিন্ন লক্ষ্যের অধীনে পুনরাবৃত্ত হয়েছে।

উৎস: UN Stats ওয়েবসাইট।
.
বয়স্ক ভাতার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়সসীমা কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. পুরুষ: ৬০ বছর, নারী: ৫৭ বছর
  2. পুরুষ: ৬৫ বছর, নারী: ৬২ বছর
  3. পুরুষ: ৭০ বছর, নারী: ৬৭ বছর
  4. পুরুষ: ৭৫ বছর, নারী: ৭২ বছর
সঠিক উত্তর:
পুরুষ: ৬৫ বছর, নারী: ৬২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরুষ: ৬৫ বছর, নারী: ৬২ বছর
ব্যাখ্যা
বয়স্কভাতা কর্মসূচি:
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬০ লক্ষ ০১ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ৬০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- বর্তমানে সকল উপকারভোগীকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- বয়স পুরুষের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬৫ বছর এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬২ বছর  হতে হবে।

বাস্তবায়নকারী দফতর:
সমাজসেবা অধিদফতর

কার্যক্রম শুরুর বছর:
১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর

উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো কয় স্তর বিশিষ্ট?
  1. ১ স্তর
  2. ২ স্তর
  3. ৩ স্তর
  4. ৪ স্তর
সঠিক উত্তর:
২ স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ স্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর দুইটি স্তর রয়েছে।এগুলো হলো-
ক) কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো এবং
খ) মাঠ পর্যায় প্রশাসনিক কাঠামো।
এই কাঠামোর প্রশাসনিক ইউনিটগুলো হচ্ছে
- বিভাগ
- জেলা
- উপজেলা
- ইউনিয়ন পরিষদ
- সিটি কর্পোরেশন 
- পৌরসভা।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর প্রথম স্তর হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো (সচিবালয়) যা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর/অধিদপ্তর নিয়ে গঠিত।
- সচিবালয় হলো প্রশাসনিক কার্যাবলি এবং সমস্ত সরকারি কার্যক্রমের মূল কেন্দ্র।
- সংবিধানের ৫৫ (৬) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত Rules of Business এর নিয়ম অনুসারে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের কার্যাদি নির্ধারণ করা হয়।
- এছাড়াও সচিবালয়ের নির্দেশাবলী (Secretariate Instructions) নামে আলাদা একটি ডকুমেন্টও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের কার্যাবলি নির্ধারণ করে থাকে।
- সচিব একটি মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান হন এবং তিনিই এর শৃঙ্খলা রক্ষায় সচেষ্ট থাকেন।


বাংলাদেশের মাঠ পর্যায় প্রশাসনিক কাঠামো (স্থানীয় সরকার):
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর দ্বিতীয় স্তর হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রধান দু'টি ক্ষেত্র হচ্ছে জেলা এবং উপজেলা প্রশাসন।
- জেলা এবং উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয় এবং নেতৃত্বে রয়েছে বিভাগীয় প্রশাসন।
- এটি মূলত প্রশাসন বা আমলাতন্ত্রের বিন্যাস।
- অন্যদিকে সরকারের কাঠামোগত বিন্যাসে মাঠ পর্যায়ে রয়েছে স্থানীয় সরকার।
- স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদ। 

রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন ও নাগরিকসেবা নিশ্চিতকরণ এবং কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে স্থানীয় সরকার ও মাঠ প্রশাসনের যুগপৎ এবং সমন্বিত কর্মসূচির বিকল্প নেই।


উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বর্তমানে বাংলাদেশে কয়টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন ১২টি। যথা: 
১. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন 
২. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন 
৩. চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন 
8. খুলনা সিটি কর্পোরেশন 
৫. রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন 
৬. বরিশাল সিটি কর্পোরেশন 
৭. সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সবচেয়ে ছোট)
৮. নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন 
৯. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
১০. রংপুর সিটি কর্পোরেশন 
১১. 16 গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন (সবচেয়ে বড়) 
১২. ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন 

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাস:
১৮৬৪ সালের ১ আগস্ট ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি'র সৃষ্টি হয় এবং ঢাকার তৎকালীন ম্যাজিষ্ট্রেট মিঃ স্কিনার পদাধিকার বলে ঢাকার চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন।
১৮৮৫ সালে সর্বপ্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান হন আনন্দ চন্দ্র রায়।
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর হতে সরকার কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিই চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৭৭ সালের পৌরসভা অধ্যাদেশ জারি হবার পর হতেই চেয়ারম্যানের সাথে সাথে ওয়ার্ড কমিশানার নির্বাচিত হবার পদ্ধতি চালু হয়।
ঐ অধ্যাদেশ বলে ১৯৭৮ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে পরিবর্তিত হয়।

উৎস: স্থানীয় সরকার বিভাগ।
.
জেলা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১৫ জন
  2. ১৬ জন
  3. ২০ জন
  4. ২১ জন
সঠিক উত্তর:
২১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জন
ব্যাখ্যা
- জেলা পরিষদের সদস্য সংখ্যা মোট ২১ জন।

জেলা পরিষদ:

জেলা পরিষদ আইন,২০০০ এ পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে ০১ (এক) জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনের ০৫ (পাঁচ) জন মহিলা সদস্য সমন্বয়ে পরিষদ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

- ২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী জেলা পরিষদ গঠিত 
- ১জন চেয়ারম্যান, ১৫জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনে ৫ জন মহিলা সদস্য 
- এরা সবাই পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হবেন একটি নির্দিষ্ট জেলার অধীনে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, কমিশনারবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের ভোটে।
- এই পরিষদের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।

উৎস: সরকারি পোর্টাল ও জেলা পরিষদের ওয়েবসাইটসমূহ।
.
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন?
  1. ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত
  2. মোহাম্মদ হানিফ
  3. মোহাম্মদ সাঈদ খোকন
  4. সাদেক হোসেন খোকা
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ হানিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ হানিফ
ব্যাখ্যা

- প্রথম জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান হিসেবে জনাব মোহাম্মদ হানিফ মেয়র নির্বাচিত হন। 
- ২০০২ সালে জনাব সাদেক হোসেন খোকা এমপি নগরবাসীর প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত মেয়র হন।
- ২০১৫ সালের ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মেয়র পদে নির্বাচনে জনাব মোহাম্মদ সাঈদ খোকন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে মেয়র নির্বাচিত হন। 

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন আর্কাইভ।