পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৪২
সিলেবাস
৪৬তম বি.সি.এস. প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন [রাউন্ড – ২] বিষয়ের নাম: বাংলাদেশ বিষয়াবলি-১ [১০০ নাম্বার] (টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন।) ১) বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি। ২) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ। ৩) বাংলাদেশের অর্থনীতি। ৪) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৪২ প্রশ্ন

.
কোন দ্বীপকে একসময় ’গোল্ডেন আইল্যান্ড’ বলা হতো?
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. মহেশখালী দ্বীপ
  3. ছেঁড়া দ্বীপ
  4. মনপুরা দ্বীপ
ব্যাখ্যা
• নিঝুম দ্বীপ:
- বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে নিঝুম দ্বীপের অবস্থান।
- দ্বীপের তিন দিকে সাগর অন্যদিকে মেঘনার মোহনা।
- নিঝুম দ্বীপ হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি ছোট দ্বীপ।
- এটি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত।
- একসময় এটিকে বলা হতো চর ওসমানী, বালুয়ার চর, গোল্ডেন আইল্যান্ড।

উৎস: নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন।
.
ঐতিহাসিক ছয়দফার কয়টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয়দফা: 
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের আয়তন কত?
  1. ১২০ কিঃমিঃ
  2. ১২৫ কিঃমিঃ
  3. ১৫৫ কিঃমিঃ
  4. ১৭০ কিঃমিঃ
ব্যাখ্যা
দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত:
- পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।
- ইংরেজ ক্যাপ্টেন মি. হেরাম কক্স (Captain Hiram Coxs)-এর নামানুসারে এ জায়গার নামকরণ হয় কক্সবাজার।
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার।
- সমুদ্রের তীর ঘেঁষে গড়ে উঠা সংরক্ষিত বনভূমি সমৃদ্ধ ৯৬ কিলোমিটার পাহাড়ের সারি এখানকার অন্যতম বিরল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য বলে বিবেচিত।
- সমুদ্র সৈকতের পথ ধরে ১০-১২ কিলোমিটার দক্ষিণে গেলে হিমছড়ি পিকনিক স্পট।
- এখানকার ঝর্ণা, ঝাউবন, পাহাড় আর বনানীর সৌন্দর্য্য চিত্তাকর্ষক। কক্সবাজারের সন্নিকটেই বৌদ্ধ তীর্থস্থান রামু।
- কক্সবাজারের উত্তর-পশ্চিমে সমুদ্র মাঝে রয়েছে মহেশখালী দ্বীপ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
বহিঃবিশ্বে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকার নাম কী?
  1. প্রবাসী
  2. সৈনিক
  3. জয়বাংলা
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
• মজিবনগর সরকারের প্রকাশিত পত্রিকা:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পত্র-পত্রিকা প্রকাশ করা হয়। গণমাধ্যম হিসেবে মূল্যবান অবদান রেখেছে এসব পত্র-পত্রিকা।
- সে সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় ‘সাপ্তাহিক জয়বাংলা’।
- আব্দুল মান্নান এম.এন.এ. ছিলেন এর সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি এবং জিল্লুর রহমান এম.এন.এ. ছিলেন প্রধান সম্পাদক।
- ১১ মে থেকে ১৬ ডিসেম্বর এটি প্রকাশিত হতো।

এছাড়াও -
- বহিঃবিশ্বে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে মুজিবনগর সরকার 'বাংলাদেশ' নামক একটি পত্রিকা প্রকাশ করে।
- গেরিলা আক্রমণ ও সম্মুখ সমরসহ মুক্তিযোদ্ধাদের নানা ধরনের তৎপরতার খবরের পাশাপাশি এই পত্রিকাগুলোতে থাকতো বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম ও নির্দেশাবলী, রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দের বিবৃতি ও তৎপরতা, প্রবাসী বাঙালিদের সংগঠন ও আন্দোলনের খবর এবং বাঙালি কুটনীতিকদের কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণী।

[নোট: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় ‘সাপ্তাহিক জয়বাংলা’। বহিঃবিশ্বে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে মুজিবনগর সরকার 'বাংলাদেশ' নামক একটি পত্রিকা প্রকাশ করে।]

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ্ বৃহত্তর বাংলা শাসন করেন -
  1. ১৪৯৪ - ১৫১৬ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৪৯৪ -১৫১৭ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৪৯৪ - ১৫১৮ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৪৯৪ -১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
• হোসেন শাহী বংশ:
→ হোসেন শাহ (১৪৯৪-১৫১৯) বাংলার হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
→ তিনি হাবশী সুলতান শামসুদ্দীন মুজাফফর শাহের উজির ছিলেন।
→ তিনি সুলতানকে হত্যা করে সিংহাসন অধিকার করেন।
→ ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি নেতৃস্থানীয় আমীরদের দ্বারা সুলতান নির্বাচিত হন।
→ ১৪৯৪ থেকে ১৫১৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়ে জারিকৃত মুদ্রায় তাঁকে ‘কামরূপ ও কামতা এবং জাজনগর ও উড়িষ্যা বিজয়ী’ রূপে উল্লেখ করা হয়েছে।
→ ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত চট্টগ্রাম হোসেনশাহী রাজ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। 
→ ১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে হোসেন শাহের রাজত্বের অবসান ঘটে।
→ সমকালীন কবি বিজয়গুপ্ত তাঁকে নৃপতিতিলক, জগৎভূষণ ও কৃষ্ণ-অবতার বলে উল্লেখ করেছেন।
→ সমকালীন কবি বিজয়গুপ্ত তাঁকে নৃপতিতিলক, জগৎভূষণ ও কৃষ্ণ-অবতার বলে উল্লেখ করেছেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
গারো পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ময়মনসিংহ
  3. কক্সবাজার
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
• গারো পাহাড়:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় ময়মনসিংহের গারো পাহাড়।
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণী।
- গারো পাহাড় মূলত পূর্ব গারো পাহাড়, পশ্চিম গারো পাহাড় এবং দক্ষিণ গারো পাহার এই তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ৮৯°৫০´ পূর্ব হতে ৯০°৫০´ পূর্ব অক্ষাংশ এবং ২৮°০৮´ উত্তর হতে ২৬°০১´ উত্তর  দ্রাঘিমাংশে এর আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলসমূহ এই পাহাড়ের পাদদেশীয় পালিজ সমৃদ্ধ।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।
- গারো পাহাড় মূলত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারোখাসি পাহাড়শ্রেণীর অন্তর্গত, মেঘালয়ের রাজধানী শিলং এখানে অবস্থিত। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের কোন জেলাকে ’হিমালয়ের কন্যা’ বলা হয়?
  1. নীলফামারী
  2. কক্সবাজার
  3. পঞ্চগড়
  4. পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
• পঞ্চগড় জেলা:
- পঞ্চগড় জেলা আয়তন: ১৪০৪.৬২ বর্গ কিমি।
- অবস্থান: ২৬°০০´ থেকে ২৬°৩৮´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°১৯´ থেকে ৮৮°৪৯´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
- সীমানা: উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য, দক্ষিণে দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলা, পূর্বে নীলফামারী জেলা, পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য।
- এটি বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা।
- হিমালয়ের পাদদেশে জেলাটির ভৌগলিক অবস্থান হওয়ায় পঞ্চগড়কে বলা হয় হিমালয় কন্যা।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর রিপোর্ট ও বাংলাপিডিয়া।
.
স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনী গঠিত হয় কখন?
  1. ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
  2. ২২ নভেম্বর, ১৯৭১
  3. ২৩ নভেম্বর, ১৯৭১
  4. ২৪ নভেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ২১ শে নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করেছিল।
- পাকিস্তান ৩ ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করলে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায় এবং ভারতীয় বাহিনী সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে।
- ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তি বাহিনীর সঙ্গে ভারতের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে যােগ দেয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনী যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
রানী চাঁদ সুলতানা কোন মুসলিম রাজ্যের রানী ছিলেন?
  1. খান্দেশ 
  2. গোলকুন্ডা
  3. বিজাপুর
  4. আহমদ নগর
ব্যাখ্যা
রানী চাঁদ সুলতানা আহমদ নগর মুসলিম রাজ্যের রানী ছিলেন।

• আহমদ নগর:
- সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে দাক্ষিণাত্যে আহমদনগর, বিজাপুর, গোলকুন্ডা, বিদর এবং খান্দেশ এই পাঁচটি স্বাধীন মুসলিম রাজ্য ছিল। এদের মধ্যে আহমদনগর ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী।
- আকবর প্রথমে দূত পাঠিয়ে এসব রাজ্যের সুলতানদের মোগল আধিপত্য মেনে নেয়ার প্রস্তাব দেন।
কিন্তু একমাত্র খান্দেশের সুলতান সম্রাট আকবরের আনুগত্য স্বীকার করে। ফলে আকবর সমরাভিযানের প্রস্তুতি মনোনিবেশ নেন।
- ১৫৯৫ খ্রিস্টাব্দে মোগল বাহিনী আহমদনগর অভিযানে বের হয়।
- আহমদনগরের রাণী চাঁদ সুলতানা আকবরকে বেরার প্রদেশ দান করে তাঁর সঙ্গে সন্ধি স্থাপন করেন।
- ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে চাঁদ সুলতানার মৃত্যুর পর আহমদনগর আকবরের সাম্রাজ্যভুক্ত হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
’অগ্রদূত’ কোন ফসলের জাত?
  1. বেগুন
  2. আলু
  3. বাধাঁকপি
  4. পেয়াজ
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাতঃ
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী,
- অগ্রদূত, 
এটলাস ৭০,
টোকিও প্রাইড,
লিও ৮০ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১১.
বাংলা কবে মুঘল সাম্রাজ্যভুক্ত হয়?
  1. ১৫৭৫ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৫৭৭ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৫৭৮ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
• বাংলা অধিকার:
 → ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলার শেষ আফগান শাসক দাউদ খান কররানি মোগল সেনাবাহিনীর হাতে রাজমহলের যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত হলে বাংলা মোগল সাম্রাজ্যভুক্ত হয়।
→ তবে ঢাকাসহ পূর্ব বাংলার কয়েকজন প্রভাবশালী জমিদার মোগল বাদশার আনুগত্য অস্বীকার করে সতের শতকের প্রথম দশক পর্যন্ত স্বাধীনভাবে রাজত্ব করেন। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
বাংলাদেশের কোন জেলা দুই দেশের সীমানা দ্বারা বেষ্টিত?
  1. বান্দরবান
  2. কক্সবাজার
  3. রাঙামাটি
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাথে ২টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে।
- একটি ভারত এবং অপরটি মিয়ানমার।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
১৩.
সম্রাট আকবর কত খ্রিস্টাব্দে দ্বীন-ই-ইলাহী প্রবর্তন করেন?
  1. ১৫৮২ সালে
  2. ১৫৮৩ সালে
  3. ১৫৮৪ সালে
  4. ১৫৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
• সম্রাট আকবর:
– সম্রাট আকবর ১৫৮২ সালে ‘দীন-ই-ইলাহী’ নামে একেশ্বরবাদমূলক এক নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। 
– সকল ধর্মের সারবস্তু নিয়ে এই ধর্মত গঠিত হয়।
–  এই ধর্মমতের কালেমা ছিল ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আকবর খলিফাতুল্লাহ’।
 
• দ্বীন-ই-ইলাহী রীতি-নীতি, বিধানগুলো ছিল নিম্নরূপ:
১. এই ধর্মের অনুসারীগণ পরস্পর দেখা হলে, ‘আসসালামু আলাইকুম’ এর পরিবর্তে ‘আল্লাহু আকবার’ এবং প্রত্যুত্তরে ‘ওয়া আলাইকুম আস্সালাম’ না বলে ‘জাল্লাজালালুহু’ বলা।
২. এই ধর্মীয় বিধান অনুসারে মৃত্যুর পরে নয়, মৃত্যুর পূর্বেই দাওয়াত বা আমন্ত্রণের ব্যবস্থা করা।
৩. সভ্যগণ নিজ নিজ জন্মদিন পালন এবং ভোজের আয়োজন করবেন।
৪. সভ্যগণ ভিক্ষা প্রদান করবেন কিন্তু ভিক্ষা গ্রহণ করবেন না।
৫. এই ধর্মমত গ্রহণে কাউকে বাধ্য করা হবে না। 

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
১৪.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা কী ছিল?
  1. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  3. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ - মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
বাংলাদেশে প্রথম অস্থায়ী সরকার কখন শপথ গ্রহণ করে?
  1. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  2. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ২৭ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৬.
একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার -
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. চীন
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• দেশভিত্তিক রপ্তানি:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
১৭.
দেশের একমাত্র ‘ফসফেটিক‘ সার কারখানা হচ্ছে -
  1. ঘোড়াশাল সার কারখানা
  2. টিএসপি সার কারখানা
  3. আশুগঞ্জ সার কার‌খানা
  4. শাহজালাল সার কারখানা
ব্যাখ্যা
• টিএসপি সার কারখানা:
- অবস্থান - পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
- এটি দেশের একমাত্র ফসফেটিক সার কারখানা।
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ এর স্থাপনা তৎকাতলীন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে আরম্ভ হলেও ১৯৭৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উত্‍পাদন ক্ষমতা ১,০০,০০০  মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৮.
“ফাতোয়া-ই-আলমগিরী” কার পৃষ্ঠপোষকতায় প্রণীত হয়?
  1. আওরঙ্গজেব
  2. শাহজাহান
  3. জাহাঙ্গীর
  4. আকবর
ব্যাখ্যা
ধর্মপ্রাণ ও শিক্ষানুরাগ মুসলমান:
→ সম্রাট আওরঙ্গজেব ছিলেন একজন বিদ্বান ব্যক্তি। তিনি শিক্ষাবিদদের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন এবং বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছিলেন।
→ মুসলিম ধর্মশাস্ত্রে তাঁর অগাধ পান্ডিত্য ছিল।
→ পবিত্র কুরআন তাঁর মুখস্থ ছিল এবং বহু হাদিস তাঁর জানা ছিল।
→ তাঁর উদার পৃষ্ঠপোষকতায় বিখ্যাত ফেকাহ গ্রন্থ ফতোয়া-ই-আলমগিরী প্রণীত হয়।
→ তিনি নিজ হাতে কোরআন শরীফ নকল করতেন ও টুপি সেলাই করতেন। সম্রাট আওরঙ্গজেব বহু সদগুণের অধিকারী ছিলেন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার কে?
  1. জয়নাল আবেদীন
  2. এ এন সাহা
  3. রফিকুন্নবী
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরের দিকে লেখা আছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ', নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- এ মনোগ্রামের ডিজাইনার এ এন এ সাহা।

অন্যদিকে,
- কামরুল হাসান জাতীয় প্রতীক ও পতাকার ডিজাইনার।
- সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের ডিজাইনার।
- বিমান মল্লিক প্রথম ডাকটিকিটের ডিজাইনার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।
২০.
বাংলাদেশের কোন পাহাড়কে 'পাহাড়ের রানী' বলা হয়?
  1. তাজিংডং
  2. হিমছড়ি
  3. গারো পাহাড়
  4. চিম্বুক পাহাড়
ব্যাখ্যা
• চিম্বুক পাহাড়:
- চিম্বুক পাহাড় অবস্থিত বান্দরবান জেলায়।
- বাংলার দার্জিলিং খ্যাত চিম্বুকের পরিচিত অনেক পুরনো। পাহাড়ের এই দৃশ্যটি অতি চমৎকার। এ পাহাড় থেকে সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয়ের দৃশ্য যেকোনো পর্যটককে মুগ্ধ করবে।
- এটিকে কালাপাহাড়ও বলা হয়।
- এটিকে বাংলাদেশের পাহাড়ের রানী বলা হয়।

উৎস: বান্দরবান জেলার ওয়েবসাইট।
২১.
‘নয়ন কাজল‘ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. সরিষা
  3. বেগুন
  4. ধান
ব্যাখ্যা
• বেগুনের জাত:
- বাংলাদেশে বেগুনের বহু জাত রয়েছে। এক জাত থেকে অন্যজাতে গাছের প্রকৃতি, ফলের রং, আকার, আকৃতি প্রভৃতি বিষয়ে বেশ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানতঃ লম্বা ফল, গোলাকর ফল ও গোলাকার এই তিন ধরণের বেগুনের চাষ বেশী হয়ে থাকে।

• কিছু বেগুনের উন্নত জাত হলো:
- খটখটিয়া, ইসলামপুরী, নয়ন কাজল, কেজি বেগুন, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, শুকতারা, তারাপুরী (বারি বেগুন ২), কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১, লাফাফা,  

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
২২.
কোনটি ''Wildlife sanctuary''?
  1. চর কুকরি মুকরি
  2. চর ফ্যাশন
  3. চর জব্বার
  4. চর মুহুরি
ব্যাখ্যা
''Wildlife sanctuary'' হচ্ছে - চর কুকরি মুকরি।

• চর কুকরি মুকরি:
- ভোলা জেলা শহর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে অনেকটা সাগরের কোল ঘেঁষে মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর মোহনায় গড়ে উঠেছে  এক অবারিত সৌন্দর্যের দ্বীপ চর কুকরি-মুকরি।
- এটি একটি ''Wildlife sanctuary'' বা বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য।
- নদীর ঢেউ, নির্মল বাতাস, বাহারি ম্যানগ্রোভ বন, নদীপাড়ের সারি সারি গাছ- যেন দৃষ্টি সীমানার পুরোটা জুড়ে শুধু সবুজ আর সবুজ।
- অপরূপ প্রকৃতির মাঝে সাজানো সে বনভূমি দেখে মনে হয় যেন বাংলাদেশের বুকে আরেক সুন্দরবন।

• কিছু বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য বা ''Wildlife sanctuary'' হচ্ছে - 
- রেমা কালেঙ্গা বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, হবিগঞ্জ।
- চর কুকরি মুকরি বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য, ভোলা।
- সুন্দরবন ইষ্ট বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য, বাগেরহাট।
- সুন্দরবন ওয়েস্ট বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, সাতক্ষীরা।
- সুন্দরবন সাউথ বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য, খুলনা।

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২৩.
নিচের কোনটি তরমুজের একটি উন্নত জাত?
  1. সোনালি
  2. গ্রীন ড্রাগন
  3. ঝুমকা
  4. শতাব্দী
ব্যাখ্যা
তরমুজ:
- উন্নত জাত: ভিক্টর সুপার, ওশেন সুগার, বঙ্গ লিঙ্ক, গ্রীন ড্রাগন, সুগার এম্পেরর, ভিক্টরী (FI), এম এস সি বাংলালিংক।

চাষপদ্ধতি:
- সাধারণত মাদায় সরাসরি বীজ বপনের পদ্ধতি প্রচলিত থাকলেও পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করে মাদায় রোপণ করাই উত্তম। এতে বীজের পরিমাণ কম লাগে এবং জমিতে ফাঁকা জায়গা থাকার কোনো সম্ভাবনা থাকে না।
- সাধারণত প্রতি মাদায় ৩-৪টি বীজ বপন করা হয়। বপনের ১০ দিন আগে মাদা তৈরি করে মাদার মাটিতে সার মেশাতে হবে।
- দুই মিটার দূরে দূরে সারি করে প্রতি সারিতে দুই মিটার অন্তর মাদা তৈরি করতে হবে।
- মাদার সাইজ হবে ২০×২০×২০ ইঞ্চি।

- বীজ গজানোর পর প্রতি মাদায় দুটি করে চারা রেখে বাকি চারাগুলো তুলে ফেলতে হবে।
- বীজ বপনের চেয়ে তরমুজ চাষে চারা রোপণ করাই উত্তম। চারা তৈরি করার জন্য ৪×৫ ইঞ্চি মাপের পলিথিনের ব্যাগে ৫০:৫০ অনুপাতে বালু ও পচা গোবর সার ভর্তি করে প্রতি ব্যাগে একটি করে বীজ বপন করতে হবে।
- ৩০-৩৫ দিন বয়সের ৫-৬ পাতা বিশিষ্ট একটি চারা মাদায় রোপণ করতে হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কৃষি আবহাওয়া তথ্য সেবা।
২৪.
গাড়ি চলে না চলে না, চলে না রে.... গানটির গীতিকার কে?
  1. বাপ্পা মজুমদার
  2. সঞ্জীব চৌধুরী
  3. হাছন রাজা
  4. শাহ আবদুল করিম
ব্যাখ্যা
গানটির -
ধরন: ব্যান্ড।
গীতিকার: শাহ আবদুল করিম।
সুরকার: অজ্ঞাত।
গেয়েছেন: সঞ্জীব চৌধুরী।
অ্যালবাম: হৃদয়পুর।

তথ্যসূত্র: lyrics.khichuri.net
২৫.
বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম শহীদ হন -
  1. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  2. হামিদুর রহমান
  3. মুন্সী আব্দুর রউফ
  4. মোহাম্মদ মোস্তফা
ব্যাখ্যা
• মুন্সী আব্দুর রউফ, বীরশ্রেষ্ঠ:
- জন্ম: ১৯৪৩ সালের ৮ মে, ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানার সালামতপুর গ্রামে।।
- বাবা মুন্সী মেহেদি হোসেন, মা মুকিদুননেছা।
- খেতাবের সনদ নম্বর ০২।
- মুন্সী আব্দুর রউফ ইপিআর বাহিনীতে চাকরি করতেন।
- তিনি ১৯৬৩ সালে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে যোগ দেন।
- ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। 
- ১৯৭১ সালে চট্টগ্রাম সেক্টরের অধীন ১১ নম্বর উইংয়ে কর্মরত ছিলেন। 
- তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম শহীদ।
- তিনি শহীদ ২০ এপ্রিল, ১৯৭১।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের সমাধি - রাঙামাটির বুড়িঘাটে।

তথ্যসূত্র: চিরন্তন ৭১, প্রথম আলো।
২৬.
‘স্বোপার্জিত স্বাধীনতা‘ ভাস্কর্যের স্থপতি কে?
  1. মৃণাল হক
  2. নিতুন কুণ্ড
  3. শামীম শিকদার
  4. হামিদুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি - শামীম শিকদার।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি ১৯৮৮ সালে স্থাপিত হয়।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৭.
সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের প্রধান কাজ হচ্ছে -
  1. ঋণ নিয়ন্ত্রণ
  2. অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
  3. শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ
  4. মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
• স্টক এক্সচেঞ্জ:
• সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি। একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
-  ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে - ১৯৫৬ সালে।

• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

তথ্যসূত্র:- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
২৮.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
  2. শিবগঞ্জ, বগুড়া
  3. ঈশ্বরদী, পাবনা
  4. জয়দেবপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI):
- এর পূর্ণরুপ- Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া
২৯.
কোন যুদ্ধের পর বাংলার আফগান শাসনের সমাপ্তি ঘটে?
  1. চৌসার যুদ্ধ
  2. রাজমহলের যুদ্ধ
  3. বক্সারের যুদ্ধ
  4. পানিপথের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
• রাজমহলের যুদ্ধ:
- বাংলার আফগান শাসনের সমাপ্তি  হয় - রাজমহলের যুদ্ধের পর।
- ১৫৭৬ এ রাজমহলের যুদ্ধের পর বাংলার আফগান শাসনের সমাপ্তি হলেও ঈসাখান ছিলেন সম্পূর্ণ স্বাধীন।
- তিনি বুঝতে পেরেছিলেন একা সাম্রাজ্যবাদী মোগলদের বিরুদ্ধে জয় লাভ করতে পারবেন না।
- তাই তিনি পার্শ্ববর্তী অন্যান্য জমিদার ও আফগান দলপতিদের নিয়ে একটি রাজনৈতিক ও সামরিক মৈত্রী তৈরি করেন।

- ঈসাখানের নেতৃত্বে এই সামরিক শক্তির প্রধান অবলম্বন ছিল তাদের যুদ্ধ রণতরী।
- ১৫৭৮ সালে বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলার কাস্তলে ঈসাখানের সাথে মোগলদের যুদ্ধ হয়।
- প্রাথমিক পর্যায়ে ঈসাখান হেরে গেলেও পরবর্তীতে সম্মিলিত শক্তির কাছে মোগলরা পরাজিত হয়।
- ১৫৮৩ ও ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দেও ঈসাখান আগ্রাসী সৈন্যবাহিনীকে যথাক্রমে বাজিতপুরে ও কাত্রাবোতে পরাস্ত করেন।

- ১৫৮৬ সালেও মোগলরা ঈসাখানকে পরাস্ত করতে ব্যর্থ হন।
- ঈসাখানের সাথে মোঘল বাহিনীর শেষ যুদ্ধ হয় রাজা মানসিংহের নেতৃত্বে।
- এই যুদ্ধেও মোগলরা তাঁর কাছে পরাজিত হন এবং অনেক মোগল সৈন্য বন্দি হন।
- ১৫৯৯ খ্রিস্টাব্দে ঈসাখান মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মু্ক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
শিখা অনির্বাণ কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. চট্টগ্রাম সেনানিবাস
  3. কুমিল্লা সেনানিবাস
  4. রাজশাহী সেনানিবাস
ব্যাখ্যা
শিখা অনির্বাণ:
- শিখা অনির্বান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ।
- যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সৈনিকদের স্মৃতিকে জাতির জীবনে চির উজ্জ্বল রাখার উদ্দেশ্যে এই স্মৃতিস্তম্ভে সার্বক্ষনিক ভাবে শিখা প্রজ্জ্বলন করে রাখা হয়।
- ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় এটি স্থাপিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩১.
কোন দেশের অধিবাসীদের দিনেমার বলা হয়?
  1. আয়ারল্যান্ড
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. ডেনমার্ক
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
• দিনেমার:
→ ডেনমার্কের অধিবাসীদের দিনেমার বলা হয়।
→ ১৬১৬ খ্রিস্টাব্দে দিনেমারগণ উপমহাদেশে বাণিজ্য করার জন্য ‘দিনেমার ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ গঠন করে এবং দক্ষিণ ভারতের ত্রিবাঙ্কুরে ও কলকাতার শ্রীরামপুরে তাদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
→ অবশেষে দিনেমারগণ কোনো প্রকার বাণিজ্যিক সফলতা ছাড়াই এদেশ থেকে চিরতরে বিদায় নেয়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন কে?
  1. রাজ্যবর্ধন
  2. ভাস্করবর্মা
  3. হর্ষবর্ধন
  4. বাণভট্ট
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক:
→ উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন হর্ষবর্ধন।
→ বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
→ শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। 
→ কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
→ বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
→ তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।
→ শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩.
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার, ঢাকা
  2. ঈশ্বরদী, পাবনা
  3. নশিপুর, দিনাজপুর
  4. জয়দেবপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি:
→ অবস্থান: জয়দেবপুর, গাজীপুর, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট  এর পার্শে মনোরম পরিবেশে পূর্বতন সার্ডির অবকাঠামো ও জমিতে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (এনএটিএ) আত্মপ্রকাশ করেছে।
→ ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ জাইকার সহায়তা প্রকল্প হিসাবে  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সার্ডি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
→ ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) ডিএইর অন্তর্ভুক্ত হয়।
→ ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ০৩ এপ্রিল  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) বিলুপ্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা  হিসাবে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(নাটা) এর সরকারী আদেশ জারী করা হয়।
→ ২০১৪ এর জুন মাসে মহাপরিচালক নিয়োগের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি।
৩৪.
চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ১৯১৪ সালে
  2. ১৯১৮ সালে
  3. ১৯২১ সালে
  4. ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
মাস্টারদা সূর্যসেন:
- চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে।
- ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের প্রধান সংগঠক মাস্টারদা সূর্যসেন।
- মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্ম ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে।

- পুরো নাম সূর্যকুমার সেন। ডাক নাম কালু। 
- শিক্ষকতা করার কারণে তিনি পরিচিত মহলে ‘মাস্টারদা’ আখ্যা পান।
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ফসল।
- ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩৫.
ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের গোড়াপত্তন করেন কে?
  1. ওয়েলেসলি
  2. কর্নওয়ালিস
  3. ডালহৌসি 
  4. বেন্টিংক
ব্যাখ্যা
• কর্নওয়ালিস:
→ ইংরেজ যুগে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস নামে যে উচ্চ পদস্থ কর্মচারীরা প্রসিদ্ধ হয়েছিল তার প্রথম পত্তন কর্নওয়ালিস করেছিলেন।
→ তাঁর সময়েই পুলিশ ব্যবস্থার সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন আনায়ন করা হয়।
→ তাই লর্ড কর্নওয়ালিসের শাসনকাল উপমহাদেশের ইতিহাসে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
আমন ধান উত্তোলনের সময় -
  1. মধ্য মার্চ–মধ্য এপ্রিল
  2. মধ্য নভেম্বর–মধ্য জানুয়ারি
  3. জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
  4. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।

- আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।

- বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২।
৩৭.
সর্বশেষ নিহত বীরশ্রেষ্ঠ কে?
  1. মোস্তফা কামাল
  2. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  3. হামিদুর রহমান
  4. মতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
• মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর:
 - ১৯৪৯ সালের ৭ মার্চ, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
- ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন।
- ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে পাকিস্তান থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। তখন তাঁর পদবি ছিল ক্যাপ্টেন।
- ৭ নম্বর সেক্টরের মাহদীপুর সাব-সেক্টরের অধিনায়ক ছিলেন।
- ১৪ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর দখলের যুদ্ধে শহীদ হন।
- ১৫ ডিসেম্বর মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের মরদেহ ঐতিহাসিক সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়।
- তিনি ছিলেন সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে সর্বশেষ শহীদ।

তথ্যসূত্র:- চিরন্তন ১৯৭১, প্রথম আলো।
৩৮.
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ কাদের মধ্যে সংঘটিত হয়?
  1. আহমদ শাহ আবদালি ও মারাঠা
  2. বৈরাম খাঁ ও হিমু
  3. হুমায়ুন ও শেরশাহ
  4. বাবর ও ইব্রাহিম লোদী
ব্যাখ্যা
• পানি পথের যুদ্ধ:
- পানিপথ ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।
- দিল্লি হতে পানি পথের দূরত্ব- ৯০ কি.মি.
- পানি পথে এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। যথা:

• পানি পথের প্রথম যুদ্ধ:
- সময়কাল-১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ
- পক্ষ- বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী
- ফলাফল- ইব্রাহিম লোদী পরাজিত হন এবং নিহত হন্
- এই যুদ্ধে প্রথম কামানের ব্যাবহার হয়।
- এই যুদ্ধের ফলে ভারতে মোঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং দিল্লি সালতানাতের পতন হয়।

• পানিপথের ‍দ্বিতীয় যুদ্ধ: 
 - সময়কাল-১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ 
- পক্ষ - আকবরের সেনাপতি বৈরাম খাঁ বনাম আফগান নেতা হিমু।
- ফলাফল - হিমু পরাজিত ও নিহত হন।

• পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল - ১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১ সালে।
- আহমদ শাহ আবদালি বনাম মারাঠা।
- ফলাফল - মারাঠা বাহিনী পরাজিত হন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৯.
“ইন্ডিয়া এ্যাক্ট” আইন পাস করেন কে?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. লর্ড নর্থ
  4. উইলিয়াম পিট
ব্যাখ্যা
• ইন্ডিয়া এ্যাক্ট (১৭৮৪ খ্রি:):
 - রেগুলেটিং এ্যাক্ট-এর ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য ১৭৮৪ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম পিট একটি আইন পাস করেন যা ইতিহাসে ‘পিট এর ইন্ডিয়া এ্যাক্ট’ নামে পরিচিত।
- এ আইন দ্বারা পার্লামেন্ট উপমহাদেশ শাসনের সকল ক্ষমতা গ্রহণ করে।

- এ আইনের বলে ব্রিটিশ সরকারের নিযুক্ত ৬ জন এবং ইংল্যান্ডের মন্ত্রী সভার ১ জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত ‘বোর্ড অফ কন্ট্রোল’ এর উপর উপমহাদেশ শাসন ও পর্যবেক্ষণের ভার অর্পিত হয়। গভর্নর জেনারেলের ক্ষমতা বাড়ানো হয়। সুপ্রীম কোর্টের ক্ষমতা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়।
- এছাড়া, কোম্পানির তিনজন ডাইরেক্টর নিয়ে একটি ‘সিক্রেট কমিটি’ও গঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের কতটি জেলার সীমান্ত রয়েছে?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাচঁটি
ব্যাখ্যা
সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সাথে ২টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। একটি ভারত এবং অপরটি মিয়ানমার।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত থাকা জেলাগুলো হলো - কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।

উৎসঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
৪১.
কত খ্রিস্টাব্দে বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. ১৭৬২ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৭৬৩ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৭৬৪ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
বক্সারের যুদ্ধ:
-  ১৭৬৩ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতা কাউন্সিল নবাবের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। মেজর এডামসের নেতৃত্বে প্রেরিত ইংরেজ বাহিনীর কাছে গিরিয়া, কাটোয়া ও উদয়নালার যুদ্ধে নবাব শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন।
- ১৭৬৪ সালে বিহারের বক্সার নামক স্থানে সম্মিলিত বাহিনীর সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজদের নেতৃত্ব দেন- মেজর মনরো।
- এই যুদ্ধে ইংরেজদের নিকট মীর কাশিমের সম্মিলিত বাহিনী শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়।
- বক্সারের যুদ্ধকে পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজদের নিকট হারানো বাংলার স্বাধীনতাকে পুনরুদ্ধারের শেষ প্রচেষ্টা বিবেচনা করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজ বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন - লর্ড ক্লাইভ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসা
  2. তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  4. মনোরঞ্জন ধর
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১)।

- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।