পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন২২
সিলেবাস
সাধারণ বিজ্ঞান: টপিকসমূহ: জীববিজ্ঞান: ১. পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, উদ্ভিদ টিস্যু, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি ও পরাগায়ন ইত্যাদি। ২. প্রাণিজগৎ ও প্রাণিবিজ্ঞান, জেনেটিক্স, জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববৈচিত্র্য ও প্রজনন, প্রাণী টিস্যু, প্রাণী অর্গান ও অর্গান সিস্টেম, মানব হৃদ্পিণ্ড ও হৃদরোগ, স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির জীববিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ২২ প্রশ্ন

.
ক্রোমোসোম শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন কে?
  1. ক) মেন্ডেল
  2. খ) ওয়াটসন ও ক্রিক
  3. গ) ওয়ালডেয়ার
  4. ঘ) স্ট্রাসবার্গার
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়ালডেয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়ালডেয়ার
ব্যাখ্যা
ক্রোমোসোম (Chromosome):
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোসোম। এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু ।
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোসোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি।
- Weldeyer (১৮৮৮) সর্বপ্রথম ক্রোমোসোম শব্দটি ব্যবহার করেন
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোসোম থাকে। তবে একই প্রজাতির বিভিন্ন নমুনায় ক্রোমোসোম সংখ্যা একই থাকে।
- প্রজাতির বৈশিষ্ট্যভেদে এর সংখ্যা ২ থেকে ১৬০০ পর্যন্ত হয়।
- পুষ্পক উদ্ভিদে সর্বনিম্ন সংখ্যক ক্রোমোসোম পাওয়া গেছে Haplopappus gracilis-এ যার সংখ্যা ৪টি এবং সর্বোচ্চ পাওয়া গেছে Poa littarosa-তে যার সংখ্যা ৫০৬- ৫৩০টি।
- প্রাণীতে সর্বনিম্ন ক্রোমোসোম সংখ্যা গোলকৃমিতে (Ascaris megalocephala) যা ২টি এবং সর্বোচ্চ Olacantha sp-এ যা ১৬০০টি।
- আদি কোষে কোন সুগঠিত নিউক্লিয়াস না থাকায় তাতে কোন সুগঠিত ক্রোমোসোম থাকে না।
- এখানে ডিএনএ (DNA) অথবা আরএনএ (RNA) সাইটোপ্লাজমের মধ্যে বিক্ষিপ্ত অবস্থায় থাকে। এদেরকে আদি ক্রোমোসোম বলা হয়।
- প্রকৃত কোষের নিউক্লিয়াসের মধ্যে অবস্থিত অনুলিপন ক্ষমতা সম্পন্ন, রং ধারণকারী নিউক্লিয়োপ্রোটিন দ্বারা গঠিত যে সব সূত্রাকৃতির ক্ষুদ্রাঙ্গ বংশগতীয় উপাদানের পরিবহন, বিবর্তন, মিউটেশন, প্রকরণ প্রভৃতি কাজে বিশেষ ভূমিকা পালন করে তাদেরকে বলা হয় ক্রোমোসোম।
- ক্রোমোসোম কখনও কখনও নিউক্লিয়াসের বাইরে সাইটোপ্লাজমেও থাকতে পারে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
বিবর্তন শব্দটি কোন শব্দ থেকে এসেছে?
  1. ক) গ্রীক
  2. খ) ল্যাটিন
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) ফরাসি
সঠিক উত্তর:
খ) ল্যাটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ল্যাটিন
ব্যাখ্যা
বিবর্তন
- গভীর যুক্তিনির্ভর চিন্তাভাবনা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আধুনিক মানুষের ধারণা হয়েছে যে জীব সৃষ্টির মূলেই রয়েছে বিবর্তন।
- ল্যাটিন শব্দ ‘Evolveri' থেকে বিবর্তন শব্দটি এসেছে
- ইংরেজ দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ হার্বার্ট স্পেনসার (Herbert Spencer) প্রথম ইভোলিউশন কথাটি ব্যবহার করেন।
- যে ধীর, অবিরাম এবং চলমান পরিবর্তন দ্বারা কোনো সরলতর উদবংশীয় জীব পরিবর্তিত হয়ে জটিল ও উন্নততর নতুন প্রজাতির বা জীবের উদ্ভব ঘটে, তাকে বিবর্তন বা অভিব্যক্তি বা ইভোলিউশন বলে।
- সময়ের সথে কোনো জীবের পরিবর্তনের ফলে যখন নতুন কোনো প্রজাতি সৃষ্টি হয়, তখন তাকে বলে জৈব বিবর্তন।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে যে পরিমাণ রক্ত থাকে তা দেহের মোট ওজনের শতকরা কত?
  1. ক) প্রায় ৬%
  2. খ) প্রায় ১০%
  3. গ) প্রায় ১২%
  4. ঘ) প্রায় ৮%
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রায় ৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রায় ৮%
ব্যাখ্যা
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
রক্ত জমাট বাঁধায় কোন ধাতুর আয়ন সাহায্য করে?
  1. ক) সোডিয়াম
  2. খ) ম্যাগনেসিয়াম
  3. গ) ক্যালসিয়াম
  4. ঘ) আয়রন
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
অণুচক্রিকা
- ইংরেজিতে এদেরকে প্লেইটলেট (Platelet ) বলে। এগুলো গোলাকার, ডিম্বাকার অথবা রড আকারের হতে পারে।
- এদের সাইটোপ্লাজম দানাদার এবং সাইটোপ্লাজমে কোষ অঙ্গাণু- মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বস্তু থাকে; কিন্তু নিউক্লিয়াস থাকে না।
- অনেকের মতে, অণুচক্রিকাগুলো সম্পূর্ণ কোষ নয়; এগুলো অস্থিমজ্জার বৃহদাকার কোষের ছিন্ন অংশ।
- অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন।
- পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ।
- অসুস্থ দেহে এদের সংখ্যা আরো বেশি হয়।
- অণুচক্রিকার প্রধান কাজ হলো রক্ত তঞ্চন করা বা জমাট বাঁধানোতে (blood clotting) সাহায্য করা।
- যখন কোনো রক্তবাহিকা বা কোনো টিস্যু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কেটে যায়, তখন সেখানকার অণুচক্রিকাগুলো সক্রিয় হয়ে উঠে অনিয়মিত আকার ধারণ করে এবং থ্রম্বোপ্লাসটিন (Thromboplastin) নামক পদার্থ তৈরি করে। এ পদার্থগুলো রক্তের প্রোটিন প্রোথ্রমবিনকে থ্রমবিনে পরিণত করে।
- থ্রমবিন পরবর্তী কালে রক্তরসের প্রোটিন- ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিন জালকে পরিণত করে রক্তকে জমাট বাধায় কিংবা রক্তের তঞ্চন ঘটায়।
- ফাইব্রিন একধরনের অদ্রবণীয় প্রোটিন, যা দ্রুত সুতার মতো জালিকা প্রস্তুত করে।
- এটি ক্ষত স্থানে জমাট বাঁধে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করে।
- তবে রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়াটি আরও জটিল, এ প্রক্রিয়ার জন্য আরও বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ এবং ভিটামিন K ও ক্যালসিয়াম আয়ন জড়িত থাকে।  

উৎস
: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ক্রোমোসোমের প্রধান এবং স্থায়ী উপাদান নিম্নের কোনটি?
  1. ক) আরএনএ
  2. খ) ডিএনএ
  3. গ) ইউরাসিল
  4. ঘ) আরএনএ ও হ্যালিক্স
সঠিক উত্তর:
খ) ডিএনএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডিএনএ
ব্যাখ্যা
ডিএনএ (DNA)
- Deoxyribo Nucleic Acid (DNA) হলো ক্রোমোসোমের প্রধান এবং স্থায়ী উপাদান
- ক্রোমোসোমের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে ডিএনএ এর পরিমাণ হচ্ছে ৪৫%। এটি ৯০% ক্রোমোসোমে থাকে।
- DNA একটি পলিমার। এর একককে নিউক্লিয়োটাইড বলে।
- নিউক্লিয়োটাইডের তিনটি উপাদান থাকে। যথা- পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ স্যুগার, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, থায়ামিন, সাইটোসিন) এবং ফসফরিক অ্যাসিড।
- রাইবোজ স্যুগারের ২নং কার্বনে একটি অক্সিজেন অণু কম থাকায় একে Deoxyribo' বলা হয়।
- এতে ফসফরিক অ্যাসিড আছে তাই প্রকৃতিগতভাবে এটি একটি অ্যাসিড। একে যেহেতু নিউক্লিয়াসে পাওয়া যায় তাই সামগ্রিকভাবে একে ‘Deoxyribo Nucleic Acid (DNA)' বলে।
- অনেকগুলো নিউক্লিয়োটাইড একত্রে তৈরি করে পলিনিউক্লিয়োটাইড।
- DNA দ্বিসূত্রক এবং সর্পিলাকার। একটি সূত্র অন্যটির পরিপূরক। সূত্র দুটি নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ ক্ষারক দ্বারা আবদ্ধ।
- একটি সূত্রের অ্যাডিনিন অন্য সূত্রের একইস্থানে অবস্থিত থাইমিনের সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা যুক্ত থাকে।
- আবার একটি সূত্রের গুয়ানিন অপর সূত্রের সাইটোসিনের সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা যুক্ত থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
একজন সুস্থ মানুষের হৃৎস্পন্দন প্রতি মিনিটে কত বার হয়?
  1. ক) ৬০-৮০ বার
  2. খ) ৭০-৯০ বার
  3. গ) ৬০-১০০ বার
  4. ঘ) ১০০-১২০ বার
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০-১০০ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০-১০০ বার
ব্যাখ্যা
- একটি সিস্টোল ও একটি ডায়াস্টোলের সমন্বয়ে একটি হৃৎস্পন্দন সম্পন্ন হয় এবং সময় লাগে প্রায় ০.৮ সেকেন্ড।
- একজন সুস্থ মানুষের হৃৎস্পন্দন প্রতি মিনিটে ৬০-১০০ বার হয়
- এটাকে হার্ট-বিট বলা হয়।
- আমাদের হাতের কবজির রেডিয়াল ধমনিতে এই স্পন্দন গোনা যায় আবার বুকের বাম দিকে নির্দিষ্ট স্থানে স্টেথোস্কোপ বসিয়ে শব্দ শোনা যায়।
- হাতের কবজিতে হৃৎস্পন্দন অনুভব করাকে পালস বলে।
- স্টেথোস্কোপের সাহায্যে হৃৎস্পন্দনের যে শব্দ শোনা যায়, তাকে হার্টসাউন্ড বলে।
- হৃৎস্পন্দন বা হার্ট-বিটকে যখন প্রতি মিনিটে হাতের কবজিতে গণনা করা হয়, তখন তাকে পালস রেট বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
কোন খাদ্যে লৌহের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) পালংশাক
  2. খ) লালশাক
  3. গ) কঁচুশাক
  4. ঘ) পুঁইশাক
সঠিক উত্তর:
গ) কঁচুশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কঁচুশাক
ব্যাখ্যা
খনিজ লবণ:
- দেহ কোষ ও দেহের তরল অংশের জন্য খনিজ লবণ অত্যাবশ্যক।
- মানব দেহে Ca, Fe, S, Zn, Na, K, ইত্যাদি খনিজ লবণ থাকে। এগুলো খাদ্য ও মানব দেহে বিভিন্ন পরিমাণে অন্য পদার্থের সাথে মিলিত হয়ে নানা জৈব ও অজৈব যৌগের লবণ তৈরি করে।
- খনিজ লবণ দেহ গঠন ও দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- হাড়, দাঁত, পেশি, এনজাইম ও হরমোন গঠনের জন্য খনিজ লবণ একটি অপরিহার্য উপাদান।
- দুধ, দই, ছানা, পনির, ছোট মাছ, নানা রকম ডাল, সবুজ শাকসব্জি, লাল শাক ইত্যাদিতে প্রচুর ক্যালসিয়াম। 
- কলিজা, মাংস, ডিমের কুসুম, কঁচু শাক ইত্যাদিতে লৌহ থাকে
- দুধ, মাছ, বাদাম, ডাল হতে ফসফরাস পাওয়া যায়।
- খাবার লবণ, চিপস, নোনতা খাবার, পনির, বাদাম, আচার ইত্যাদিতে সোডিয়াম থাকে।
- মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল, কলা, আলু, আপেল, গাজর ইত্যাদিতে পটাসিয়াম থাকে।
- মাছ, মাংস ও খাবার লবণে ক্লোরিন থাকে।
- সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ, মাংস ও শ্যাওলায় আয়োডিন থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
শক্তি উৎপাদনের উৎস বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) প্লাস্টিড
  2. খ) মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. গ) রাইবোসোম
  4. ঘ) নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
খ) মাইটোকন্ড্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাইটোকন্ড্রিয়া
ব্যাখ্যা
মাইটোকন্ড্রিয়া:
- প্রতিটি মাইটোকন্ড্রিয়া দ্বিস্তরবিশিষ্ট ঝিল্লী দ্বারা আবৃত থাকে। ঝিল্লীটি প্রোটিন ও লিপিড দিয়ে তৈরি ।
- এটি কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু যেখানে শ্বসন প্রক্রিয়ার ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম এবং অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন ঘটে এবং শক্তি উৎপন্ন হয়।
- বেন্ডা ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে মাইটোকন্ড্রিয়া নামকরণ করেন।
- একটি কোষে মাইটোকন্ড্রিয়ার সংখ্যা গড়ে প্রায় ৩০০-৪০০টি। তবে যকৃত কোষে ১০০০ বা তার অধিক মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে ।
- ঝিল্লীর বাইরের আবরণটি মসৃণ কিন্তু ভেতরের আবরণটি স্থানে স্থানে ভাঁজ হয়ে ভেতরের দিকে ঝুলে থাকে, এ ভাঁজগুলোকে ক্রিস্টি বলা হয়।
- ক্রিস্টিতে শ্বসনের অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন পর্যায়টি সম্পন্ন হয়।
- ক্রিস্টির উপরের চারদিকে ছোট ছোট সবৃন্তক বৃত্তাকার বস্তু দেখা যায়, এগুলোকে অক্সিসোম বলা হয়।
- অক্সিসোমে এনজাইমগুলো সাজানো থাকে । প্রতিটি অক্সিসোম এর তিনটি অংশ থাকে। যথা- বৃন্ত, ভিত্তি, এবং মস্তক।
- মাইটোকন্ড্রিয়ার শুষ্ক ওজনের প্রায় ৬৫% প্রোটিন, ২৯% গি]সারাইড, ৪% কোলেস্টেরল থাকে। বাকি ১০% হলো ফ্যাটি অ্যাসিড, ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন ‘E’ এবং কিছু অজৈব পদার্থ।
- মাইটোকন্ড্রিয়ার ভেতরের অর্ধতরল দানাদার পদার্থকে ম্যাট্রিক্স বলা হয়। এতে ডিএনএ থাকে।
- শ্বসনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল এনজাইম মাইটোকন্ড্রিয়ার ভেতরে থাকে, ফলে এগুলো শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
- মাইটোকন্ড্রিয়াকে শক্তি উৎপাদনের উৎস বা ‘Power house' বলা হয়

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
RNA -এর উপাদান নয় কোনটি?
  1. ক) ইউরাসিল
  2. খ) সাইটোসিন
  3. গ) অ্যাডেনিন
  4. ঘ) থায়ামিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) থায়ামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) থায়ামিন
ব্যাখ্যা
আরএনএ (RNA):
- RNA এর পুরো নাম Ribo Nucleic Acid।
- এটি ক্রোমোসোমের স্থায়ী উপাদান নয়।
- ক্রোমোসোমে এর পরিমাণ হচ্ছে ০.২-১.৪%।
- প্রতিটি RNA অণু একসূত্রকবিশিষ্ট।
- এটিও পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা (RNA এর রাইবোজ স্যুগারের ২নং কার্বনে অক্সিজেন অণু বিদ্যমান), অজৈব ফসফেট এবং নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, ইউরাসিল, সাইটোসিন) দিয়ে গঠিত।
- RNA তে নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ ক্ষারক থাইমিনের পরিবর্তে ইউরাসিল উপস্থিত থাকে।
- এটি ১০% ক্রোমোসোমে থাকে। ভাইরাস ক্রোমোসোমে স্থায়ী উপাদান হিসেবে RNA থাকে।

ডিএনএ (DNA)
- Deoxyribo Nucleic Acid (DNA) হলো ক্রোমোসোমের প্রধান এবং স্থায়ী উপাদান। 
- ক্রোমোসোমের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে ডিএনএ এর পরিমাণ হচ্ছে ৪৫%। এটি ৯০% ক্রোমোসোমে থাকে।
- DNA একটি পলিমার। এর একককে নিউক্লিয়োটাইড বলে। 
- নিউক্লিয়োটাইডের তিনটি উপাদান থাকে। যথা- পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ স্যুগার, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, থায়ামিন, সাইটোসিন) এবং ফসফরিক অ্যাসিড।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
পরিবেশের সাথে জীব দেহের সম্পর্ক সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে বলে-
  1. ক) ইভোলিউশন
  2. খ) ইকোলজি
  3. গ) সাইটোলজি
  4. ঘ) আর্কিওলজি
সঠিক উত্তর:
খ) ইকোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইকোলজি
ব্যাখ্যা
জীববিজ্ঞানের বিশেষ শাখা
- জীবের তথা জীববিজ্ঞানের কোন দিকটি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে তার উপর ভিত্তি করে জীববিজ্ঞানকে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত করা হয়ে থাকে। এখানে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শাখার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেয়া হলো-
১। অঙ্গসংস্থান (Morphology): এ শাখায় জীবের গঠন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাহ্যিক গঠনকে বহিঃঅঙ্গসংস্থান (External morphology) এবং অভ্যন্তরীণ গঠনকে অন্তঃঅঙ্গসংস্থান (Internal morphology) বলে। মানুষের দু'টি পা, দু'টি হাত, দু'টি চোখ, একটি মাথা, একটি মুখ, একটি নাক, গড়ন ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা হলো বহিঃঅঙ্গসংস্থান। দেহাভ্যন্তরে হাড়, সন্ধি, পেশির বিন্যাস, বিভিন্ন তন্ত্র ইত্যাদি হলো অন্তঃঅঙ্গসংস্থান। 
২। শ্রেণিবিন্যাস (Classification): বোঝার সুবিধার জন্য এ বিশাল জীবজগৎকে বিভিন্ন দল-উপদলে ভাগ করা হয়। প্রতিটি জীব প্রজাতি পর্যায়ক্রমে একটি গণ, একটি গোত্র, একটি বর্গ এবং একটি শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত হয়। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় এ নিয়ে আলোচনা করা হয় তা হলো শ্রেণিবিন্যাসতত্ত্ব বা শ্রেণিবিন্যাসবিজ্ঞান (Taxonomy)।
৩। শারীরবিদ্যা (Physiology): জীবের শ্বসন, রেচন, প্রজনন, পরিপাক ও আত্তীকরণ, সবুজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ এসব জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াসমূহ এ শাখায় আলোচনা করা হয়।
৪। ভ্রূণবিদ্যা (Embryology): ভ্রূণ সৃষ্টি ও বিকাশের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবের সৃষ্টি হয়। জীবের ভ্রূণ গঠন ও বিকাশ নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।
৫। কোষবিদ্যা (Cytology): জীবদেহের গঠন ও কার্যের একক হলো কোষ। কোষ ও কোষাঙ্গাণুর গঠন, কাজ ও বিভাজন সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।
৬। বংশগতিবিদ্যা (Genetics): মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য সন্তানে স্থানান্তরিত হয়। বংশগতির এ ধারা সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।
৭। বাস্তুবিদ্যা (Ecology): জীবসমূহ যে পরিবেশে বাস করে সেই পরিবেশ এবং সেই পরিবেশের সাথে ঐ জীবসমূহের আন্তঃসম্পর্ক সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়
৮। বিবর্তন (Evolution): আদি কালের অনেক জীবই বর্তমান কালের জীবসমূহ থেকে অন্য রকম ছিল। কালের বিবর্তনের মাধ্যমে বর্তমান পর্যায়ে এসেছে। জীবসমূহের সূচনা ও বিবর্তন নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।
৯ । এথনোবায়োলজি (Ethnobiology): আদিবাসীগণ তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনে (বাসস্থান নির্মাণ, খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা ইত্যাদি) তার চারপাশে বিরাজমান জীবসমূহকে কীভাবে ব্যবহার করে সেই জ্ঞান হলো এথনোবায়োলজি। 
১০। রোগনিরূপণবিদ্যা (Pathology): উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহে রোগ সৃষ্টির কারণ, রোগ সৃষ্টিকারী জীব শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।  
১১। জীবপ্রযুক্তি ও জিন প্রকৌশল (Biotechnology and Genetic Engineering): মানব কল্যাণের উদ্দেশ্যে জীবজ প্রতিনিধিদের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার হলো জীবপ্রযুক্তি, যেমন- অণুজীব থেকে টিকা, অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ, দুধ থেকে দৈ, পনির তৈরি ইত্যাদি। জীবের DNA-তে পরিবর্তন ঘটিয়ে উত্তম কিছু করা হলো জিন প্রকৌশল, যেমন- মানুষের ইনসুলিন উৎপাদনকারী জিন অণুজীবের DNA-তে প্রবেশ ঘটিয়ে মানব ইনসুলিন তৈরি করা।
১২। টিস্যু কালচার (Tissue Culture): জীবের ছোট একটি টিস্যু থেকে চাষের (আবাদের) মাধ্যমে অল্প সময়ে গবেষণাগারে ক্লোন এবং উন্নতমানের জীব উৎপাদন প্রক্রিয়া হলো টিস্যু কালচার।
- কৃষিবিজ্ঞান, অণুজীববিজ্ঞান, বনবিজ্ঞান, প্রাণরসায়ন, চিকিৎসা বিজ্ঞান ইত্যাদি জীববিজ্ঞানের ফলিত শাখা। বর্তমানে এগুলো জীববিজ্ঞান-সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানের স্বতন্ত্র শাখা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
সালোকসংশ্লেষণে কার্বন ডাই-অক্সাইড পানির সাথে বিক্রিয়া করে কোনটি উৎপাদন করে?
  1. ক) শুধু গ্লুকোজ
  2. খ) শক্তি
  3. গ) কার্বনিক এসিড
  4. ঘ) গ্লুকোজ ও অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্লুকোজ ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্লুকোজ ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য। 
- সবুজ উদ্ভিদকুল সালোক সংশ্লেষণ চলাকালে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে।
- যে পদ্ধতিতে সূর্যের আলোয় সবুজ উদ্ভিদেরা তাদের নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে তার নামই হলো সালোকসংশ্লেষণ।
- একমাত্র সবুজ উদ্ভিদেরাই এ কাজটি করতে পারে।
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়। 
- সবুজ প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১২.
জীবের নামকরণ করা হয় কোন ভাষায়?
  1. ক) গ্রীক
  2. খ) ফরাসি
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) ল্যাটিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ল্যাটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ল্যাটিন
ব্যাখ্যা
- বিপুল সংখ্যক প্রাণীর গঠন ও প্রকৃতি সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জনের সঠিক উপায় হলো শ্রেণিবিন্যাস।
- প্রাণীদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও পরস্পরের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়।
- জীবজগতকে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার এই পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে।
- বর্তমানে প্রয়োজনের তাগিতে জীববিজ্ঞানের একটী স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে যার নাম শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা।
- প্রকৃতিবিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসকে শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়।
- তিনিই সর্বপ্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন এবং দ্বিপদ বা দুই অংশ বিশিষ্ট নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন।
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়। এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে। যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম - Homo Sapiens
- বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন ভাষায় লিখতে হয়

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১৩.
পরিণত অবস্থায় ব্যাঙ কোনটির সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়?
  1. ক) ফুসফুসের সাহায্যে
  2. খ) ত্বকের সাহায্যে
  3. গ) ফুলকার সাহায্যে
  4. ঘ) খ + গ উভয়টির সাহায্যে
সঠিক উত্তর:
ক) ফুসফুসের সাহায্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফুসফুসের সাহায্যে
ব্যাখ্যা
ব্যাঙ:
- ব্যাঙ উভচর শ্রেণিভুক্ত প্রাণী।
- এদের জীবনের কিছু সময় ডাঙায় ও কিছু সময় পানিতে বাস করে।
- এদের ত্বকে লোম, আঁইশ বা পালক কিছুই থাকে না।
- দুই জোড়া পা থাকে, পায়ের আঙ্গুলে কোনো নখ থাকে না। 
- ব্যাঙাচি অবস্থায় এরা ফুলকা ও পরিণত অবস্থায় ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি। 
১৪.
উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ১৫টি
  2. খ) ১৬টি
  3. গ) ১৭টি
  4. ঘ) ১৮টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬টি
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন।
- অত্যাবশ্যকীয় ১৬টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে,আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে।
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যেমন: ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান।
- ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
- ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) এবং লৌহ (Fe)।
- মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে।
- মাইক্রো উপাদান ৬টি।যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংঙ্গানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) এবং ক্লোরিন (Cl)।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
১৫.
কোনটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী?
  1. ক) ব্যাঙ
  2. খ) মাছ
  3. গ) কেঁচো
  4. ঘ) টিকটিকি
সঠিক উত্তর:
গ) কেঁচো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কেঁচো
ব্যাখ্যা
- মেরুদণ্ডের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রাণীজগৎকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- অমেরুদণ্ডী ও মেরুদণ্ডী।
অমেরুদণ্ডী প্রাণী: এদের মেরুদণ্ড নেই তাই এরা অমেরুদণ্ডী প্রাণী। যেমন- মশা, মাছি, প্রজাপতি, চিংড়ি, কাঁকড়া, কেঁচো ইত্যাদি।
মেরুদণ্ডী প্রাণী: এদের মেরুদণ্ড আছে বলে এরা মেরুদণ্ডী প্রাণী। যেমন: মাছ, ব্যাঙ, পাখি, টিকটিকি, গরু, ছাগল, মানুষ ইত্যাদি।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১৬.
সবুজ উদ্ভিদ কোথায় খাদ্য তৈরি করে?
  1. ক) কাণ্ডে
  2. খ) মাটিতে
  3. গ) শিকড়ে
  4. ঘ) পাতায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাতায়
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য।
- সবুজ উদ্ভিদকুল সালোক সংশ্লেষণ চলাকালে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে।
- যে পদ্ধতিতে সূর্যের আলোয় সবুজ উদ্ভিদেরা তাদের নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে তার নামই হলো সালোকসংশ্লেষণ।
- একমাত্র সবুজ উদ্ভিদেরাই এ কাজটি করতে পারে।
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়।
- এ প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে।
- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে গণ্য করা হয়। কারণ- 
১. পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি এবং অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়।
২. পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা অনেক বেশি।
৩. পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজে ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি। 
১৭.
নিচের কোনটি বোরনের অভাবজনিত লক্ষণ নয়?
  1. ক) কাণ্ড দুর্বল ও ছোট হওয়া
  2. খ) কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যাওয়া
  3. গ) ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হওয়া
  4. ঘ) কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
ক) কাণ্ড দুর্বল ও ছোট হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাণ্ড দুর্বল ও ছোট হওয়া
ব্যাখ্যা
বোরন (B):
- বোরন কোষপ্রাচীরের কাঠামোর মধ্যে অবস্থান করে।
- প্রাচীরটিকে তথা কোষটিকে দৃঢ়তা দেয়।
- বিপাক ক্রিয়ার বিভিন্ন বিক্রিয়ায় এর নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা রয়েছে।
- তাই বোরনের অভাবে পর্যাপ্ত দৃঢ়তা না পেয়ে এবং বিপাকে গোলযোগ হওয়ার কারণে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়।
- কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যায় এবং পাতা বিকৃত হয়।
- কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়।
- ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়।
লৌহ (Fe):
- লৌহের অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়। 
- তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়।
- কাণ্ড দুর্বল এবং ছোট হয়

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
কোন জাতীয় পদার্থে ক্যালরির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে?
  1. ক) স্নেহ
  2. খ) শর্করা
  3. গ) আমিষ
  4. ঘ) খনিজ
সঠিক উত্তর:
ক) স্নেহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্নেহ
ব্যাখ্যা
ক্যালরি:
- ১ গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১° সেলসিয়াস বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপ হচ্ছে ১ ক্যালরি।
- ১০০০ ক্যালরি = ১ কিলোক্যালরি।
- শর্করা, প্রোটিন ও স্নেহ জাতীয় খাদ্য উপাদান থেকে দেহে তাপ উৎপন্ন হয়। 
- এই তাপ আমাদের দেহের ভিতরে খাদ্যের পরিপাক, বিপাক, শ্বাসকার্য, রক্তসঞ্চালন ইত্যাদি কাজে সাহায্য করে।
- শারীরিক পরিশ্রমে শক্তি ব্যয় হয়। খাদ্যে শক্তি সঞ্চিত থাকে । আমরা খাবার থেকেই শক্তি পাই।
- খাদ্যের তাপশক্তি মাপার একক হলো কিলোক্যালরি। 
- যেসব খাদ্যে শর্করা, প্রোটিন ও স্নেহ পদার্থ থাকে, সেসব খাদ্য থেকে বেশি ক্যালরি পাওয়া যায়।
- যেসব খাদ্যে পানি ও সেলুলোজের পরিমাণ বেশি থাকে, সেসব খাদ্যে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে।
- তেল বা চর্বি জাতীয় পদার্থে ক্যালরির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি। 
১৯.
নিচের কোনটি পরিবেশের অজীব উপাদান?
  1. ক) অ্যামিবা
  2. খ) পানি
  3. গ) গোলাপ
  4. ঘ) শামুক
সঠিক উত্তর:
খ) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পানি
ব্যাখ্যা
পরিবেশের উপাদান
- পরিবেশকে প্রধানত দুটো ভাগে ভাগ করা যায়।
- একটি হলো পরিবেশের সকল সজীব উপাদান, যা জীব উপাদান নামে পরিচিত।
- এই জীব উপাদানকে বাদ দিয়ে অবশিষ্ট সকল উপাদান নিয়ে আর একটি পরিবেশ গঠিত । যাকে বলা হয় জড় পরিবেশ বা অজীব পরিবেশ।
- জীব পরিবেশের উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে সকল উদ্ভিদ ও প্রাণী।
- পরিবেশের প্রাণহীন সব উপাদান নিয়ে জড় পরিবেশ গঠিত । এগুলো অজীব বা জড় উপাদান নামে পরিচিত।
- জড় পরিবেশের মূল উপাদান হচ্ছে মাটি, পানি এবং বায়ু । কারণ এ উপাদানগুলো ছাড়া কোন জীবই বেঁচে থাকতে পারে না।
- মাটি, পানি, বায়ু, আলো, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, জলবায়ু ইত্যাদি বিভিন্ন অজীব উপাদান বিভিন্নভাবে পরিবেশের প্রতিটি জীবের স্বভাব এবং বিস্তৃতিকে প্রভাবিত করে।
- এসব উপাদানের প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট স্থানে কোন ধরনের জীব উপাদান থাকবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
২০.
কৃত্রিম প্রজনন প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট উদ্ভিদকে কী বলে?
  1. ক) মিউটেন্ট উদ্ভিদ
  2. খ) স্পোর উদ্ভিদ
  3. গ) অনুন্নত উদ্ভিদ
  4. ঘ) সংকর উদ্ভিদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংকর উদ্ভিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংকর উদ্ভিদ
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে প্রচলিত ফসল থেকে আরও উন্নত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন নতুন প্রকরণ উদ্ভাবন প্রক্রিয়াকে সাধারণভাবে ব্রিডিং বলা হয়।
- দুটি বৈসাদৃশ্যসম্পন্ন নির্বাচিত উদ্ভিদের মধ্যে যেখানে প্রাকৃতিক উপায়ে পরাগায়ন ও প্রজনন ঘটানো সম্ভব সেখানে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে পরাগায়ন ঘটিয়ে উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন সাধন করে উন্নত জাত বা প্রকরণ সৃষ্টি করাকে উদ্ভিদের কৃত্রিম প্রজনন বলে।
- কৃত্রিম প্রজনন প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট উদ্ভিদকে সংকর (Hybrid) উদ্ভিদ বলে
- উন্নত নতুন ফসল সৃষ্টি প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে সংকরায়ন অন্যতম। 
- প্রকৃতিতে প্রাকৃতিকভাবেও কিছু কিছু সংকরায়ন ঘটে।
- তবে সাধারণত কৃত্রিমভাবে সংকরায়ন ঘটানো হয়।
- সংকরায়ন হলো উদ্ভিদ সুপ্রজননের এমন একটি পদ্ধতি যেখানে এক বা একাধিক জিনগত বৈশিষ্ট্যে ভিন্ন দু' বা ততোধিক উদ্ভিদের মধ্যে ক্রস করিয়ে নতুন ভ্যারাইটি (জাত) উদ্ভাবন করা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে কোনটি?
  1. ক) ধমনি
  2. খ) শিরা
  3. গ) কৈশিকনালী
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধমনি
ব্যাখ্যা
রক্তনালি
- যে নালির মধ্য দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হয়, তাকে রক্তনালি বলে। 
- মানুষের দেহে তিন ধরনের রক্তনালি আছে। যথা- ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালি।

ধমনি:
- যে সকল রক্তবাহী নাশি হূৎপিণ্ড থেকে উৎপন্ন হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে, তাকে ধমনী বলে।
- এরা দেহের ভিতর দিকে অবস্থিত।
- ধমনির প্রাচীর পুরু পর ছোট এবং এর গহ্বরে কপাটিকা থাকে না।
- ধমনি অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে। 
শিরা:
- যে সকল রক্তনালি দ্বারা দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে তাকে শিরা বলে।
- শিরা প্রাচীর অপেক্ষকৃত পাতলা।
- এদের গহ্বরটি বড় ও গহ্বরের প্রাচীরপাত্রে কপাটিকা থাকে।
- দেহের কৈশিক জালিকা থেকে শিরার উৎপত্তি ঘটে।
- কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া শিরা সাধারণত কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত রক্ত বহন করে। 
কৈশিকনালি:
- ধমনি ক্রমান্বয়ে শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত অতিসূক্ষ্ম নালি তৈরি করে। এই সকল সূক্ষ্মনালিকে কৈশিকনালি বা কৈশিক জালিকা বলে। 
- কৈশিকনালি থেকে শিরার উৎপত্তি।
- এক স্তরবিশিষ্ট পাতলা এপিথেলিয়াল কোষ দিয়ে কৈশিকনালির প্রাচীর গঠিত।
- কৈশিকনালি দেহকোষের চারপাশে অবস্থান করে।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২২.
পাট থেকে আঁশ ছাড়াতে কোনটি সাহায্য করে?
  1. ক) ছত্রাক
  2. খ) প্রোটোজোয়া
  3. গ) ভাইরাস
  4. ঘ) ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়া:
- ব্যাকটেরিয়া হলো আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী অণুবীক্ষণিক জীব।
- বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক সর্ব প্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান।
- ব্যাকটেরিয়া কোষ গোলাকার, দণ্ডাকার, কমা আকার, প্যাঁচানো ইত্যাদি নানা ধরণের হতে পারে। 
ক) কক্কাস: কোনো কোনো ব্যাকটেরিয়া কোষের আকৃতি গোলাকার। এরা কক্কাস ব্যাকটেরিয়া। এরা এককভাবে অথবা দলবেঁধে থাকতে পারে। যেমন- নিউমোনিয়া রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া।
খ) ব্যাসিলাস: এরা দেখতে লম্বা দণ্ডের ন্যায় । ধনুষ্টংকার, রক্তামাশ ইত্যাদি রোগ এরা সৃষ্টি করে।
গ) কমা: এরা বাঁকা দণ্ডের ন্যায় আকৃতির ব্যাকটেরিয়া। মানুষের কলেরা রোগের ব্যাকটেরিয়া এ ধরনের।
ঘ) স্পাইরিলাম: এ ধরণের ব্যাকটোরিয়ার আকৃতি প্যাঁচানো। 

ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতা:
• মৃত জীবদেহ ও আবর্জনা পঁচাতে সাহায্য করে।
• একমাত্র ব্যাকটেরিয়াই প্রকৃতি থেকে মাটিতে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
পাট থেকে আঁশ ছাড়াতে ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে
• দই তৈরি করতেও ব্যাকটেরিয়ার সাহায্য নিতে হয়।
• বিভিন্ন জীবন রক্ষাকারী এন্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি হয়। 
- ব্যাকটেরিয়া জীন প্রকৌশলের মূল ভিত্তি।
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে জীবের কাঙ্খিত বৈশিষ্ট্য পাওয়ার জন্য জীনগত পরিবর্তনের কাজে ব্যাকটেরিয়াকে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।