পরীক্ষা আর্কাইভ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

পরীক্ষাসহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
[ATEO - নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা - ১] সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা - ১ টপিক: ১. বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলি [নদ-নদী, সাগর-মহাসাগর, পাহাড় ইত্যাদি] ২. বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের ইতিহাস প্রাচীন জনপদ ও মধ্যযুগ, ৩. বাংলাদেশের গুরত্বপূর্ণ স্থাপনা, ব্যক্তি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO) · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ব্রিটেনের 'নাইট' উপাধি লাভ করেন -
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ফজলে হাসান আবেদ
  3. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  4. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
সঠিক উত্তর:
ফজলে হাসান আবেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
ফজলে হাসান আবেদ:
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বাবার নাম মরহুম সিদ্দিক হাসান এবং মায়ের নাম মরহুমা সৈয়দা সুফিয়া খাতুন।
- ফজলে হাসান আবেদ ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক উপাধি 'নাইট'।
- দ্বিতীয় বাঙালি এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে এ গৌরবময় উপাধি অর্জন করেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদ।

অন্যদিকে -
- ২০১৭ সালে ‘নাইট’ উপাধি পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আখলাকুর রহমান চৌধুরী।
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম বাঙালি হিসেবে ‘নাইট’ খেতাব পেয়েছিলেন।

উৎস: i) ব্র্যাক ওয়েবসাইট।
ii) ৩ নভেম্বর ২০১৭, প্রথম আলো।
.
কোন বাংলাদেশী প্রথম সাঁতরে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন?
  1. মিজানুর রহমান
  2. আব্দুল মালেক
  3. শাহ আলম
  4. ব্রজেন দাস
সঠিক উত্তর:
ব্রজেন দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রজেন দাস
ব্যাখ্যা
ব্রজেন দাস:
- ব্রজেন দাস বাংলাদেশের একজন বাঙালি সাঁতারু।
- তিনিই প্রথম দক্ষিণ এশীয় ব্যক্তি যিনি সাঁতার কেটে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।
- ১৯৫৮ সালের ১৮ আগস্ট তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- তিনি মোট ৬ বার ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।
- সর্বশেষ ১৯৬১ সালে ১০ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েন।
- ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে তিনি মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৯৮ সালের ১ জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ইংলিশ চ্যানেল:
- ইংলিশ চ্যানেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ।
- এটি উত্তর ফ্রান্স থেকে গ্রেট ব্রিটেনের দ্বীপকে পৃথক করে।
- এই চ্যানেল উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
        ii) Britannica.
.
আয়তনে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাসাগর কোনটি?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. দক্ষিণ মহাসাগর
  3. উত্তর মহাসাগর
  4. ভারত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
উত্তর মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর মহাসাগর
ব্যাখ্যা
মহাসাগর (Ocean):
- উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ জলরাশি বা পানিরাশিকে মহাসাগর (Ocean) বলে।
- পৃথিবীতে মোট পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে।
- যথা:
i) প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean), 
ii) আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean),
ii) ভারত মহাসাগর (Indian Ocean),
iv) উত্তর মহাসাগর (Arctic Ocean),
v) দক্ষিণ মহাসাগর (Southern Ocean)।

প্রশান্ত মহাসাগর:
- মহাসাগরসমূহের মধ্যে আয়তন এবং গভীরতার দিক থেকে প্রশান্ত মহাসাগর সবচেয়ে বড়।
- এর আয়তন ১৬,৮৭,২৩,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- অবস্থান: আমেরিকা ও এশিয়ার মধ্যবর্তী।

আটলান্টিক মহাসাগর:
- আয়তনের দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয় এবং গভীরতার দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান তৃতীয়।
- এর আয়তন ৮,৫১,৩৩,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- অবস্থান: আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা।

ভারত মহাসাগর:
- ভারত মহাসাগরের আয়তন ৭,০৫,৬০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- অবস্থান: আফ্রিকা, ভারত ও অস্ট্রেলিয়া।

দক্ষিণ মহাসাগর:
- পৃথিবীর দক্ষিণ মেরুতে দক্ষিণ মহাসাগর অবস্থিত।
- দক্ষিণ মহাসাগরের আয়তন ২,১৯,৬০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- অবস্থান: এন্টার্কটিকা ও ৬০° দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যবর্তী অংশ।

উত্তর মহাসাগর:
- পৃথিবীর উত্তর মেরুর চারদিকে উত্তর মহাসাগর রয়েছে এর আয়তন ১,৫৫,৫৮,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- অবস্থান: পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ।
- এটি আয়তনে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাসাগর।

উৎস: Britannica.
.
নওগাঁ জেলার পাহারপুরে অবস্থিত সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. গোপাল
  2. ধর্মপাল
  3. মহীপাল
  4. দেবপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের টারশিয়ারিযুগের পাহাড়?
  1. কিওক্রাডং
  2. তাজিনডং
  3. ক ও খ
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। 
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

⇒ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

⇒ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোন বিজ্ঞানী পাটের জীবন রহস্য আবিষ্কারের নেতৃত্ব দিয়েছেন?
  1. ফজলে হাসান আবেদ
  2. কাজী ফারুক আহমেদ
  3. সফিকুল ইসলাম
  4. মাকসুদুল আলম
সঠিক উত্তর:
মাকসুদুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম:
- মাকসুদুল আলম ছিলেন জিনতত্ত্ববিদ।
- ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন মাকসুদুল আলম।
- জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৭ সালে প্রাণরসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
- তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য।
- ২০১০ সালের ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন
- পাট ছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হয়ে পেঁপে, মালয়েশিয়ার হয়ে রাবারসহ মোট আটটি উদ্ভিদের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।

উল্লেখ্য,
- ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম মারা গেছেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২২ ডিসেম্বর ২০১৪, প্রথম আলো।
.
নাটোরের দিঘাপতিয়ার জমিদার বাড়িটি বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
  1. উত্তরবঙ্গ সংসদ ভবন
  2. বঙ্গভবন
  3. গণভবন
  4. উত্তরা গণভবন
সঠিক উত্তর:
উত্তরা গণভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরা গণভবন
ব্যাখ্যা
উত্তরা গণভবন:
- ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন নাটোরে অবস্থিত।
- নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন।
- ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষরাজা প্রতিভানাথ রায় সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান।
- পরবর্তীতে রাজ প্রাসাদটি ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিঘাপতিয়া রাজবাড়িকে ‘উত্তরা গণভবন’ নামকরণ করেন।
- উত্তরা গণভবন ৪১.৫১ একর জমির উপর অবস্থিত।
- বর্তমানে এই রাজপ্রাসাদ থেকে হারিয়ে যাওয়া রাজা-রাণীর ব্যবহৃত ঐতিহাসিক দ্রব্যসামগ্রী উদ্ধার করে একটি সংগ্রহশালা নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য,
- ঢাকার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র বাসভবন নাটোরের উত্তরা গণভবন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।