পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলীঃ ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, জনসংখ্যা ও উপজাতি, সাগর, নদী, চর, দ্বীপ ও পাহাড় ইত্যাদি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, বিগত ১২ মাসের সাম্প্রতিক পত্রিকা (Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার দেখুন)। এবং সম্ভব হলে সম্পর্কিত বাংলাদেশ সরকারেরে বিভিন্ন ওয়েবসাইট (যেমন, nrigostisanad.gov.bd, bangladesh.gov.bd) থেকে এই টপিকের সাধারণ তথ্যাবলী দেখে নিন। [শিক্ষক নিয়োগের বিগত বছরের প্রশ্নে ২ নভেম্বর থেকে Job Solution বাটনে নিয়মিত পরীক্ষা হচ্ছে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ঢাকায় সর্বপ্রথম কবে ছাত্রজনতা ধর্মঘট পালন করে?
  1. ক) ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ একটি স্মরণীয় দিন। গণপরিষদের ভাষা তালিকা থেকে বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দুকে রাখার প্রতিবাদস্বরূপ ঐ দিন ঢাকা শহরে প্রথম ধর্মঘট পালিত হয়।
ধর্মঘটের পক্ষে ‘রাষ্ট্রভা্ষা বাংলা চাই’ এই স্লোগানে মিছিল করার সময় শেখ মুজিবুর রহমান, কাজী গোলাম মাহবুব, শওকত আলী, আবদুল ওয়াহেদ প্রমুখ গ্রেফতার হন।
একজন পুলিশের নিকট থেকে রাইফেল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের আঘাতে মোহাম্মদ তোয়াহা মারাত্মকভাবে আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ১২-১৫ মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া।
.
প্রথম তৈরি শহিদ মিনার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন কে?
  1. ক) গাজীউল হক
  2. খ) আবুল কালাম শামসুদ্দিন
  3. গ) আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
  4. ঘ) আবুল হাশিম
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্র ড. বদরুল আলমের ডিজাইনে কলেজের ছাত্ররা বর্তমান শহিদ মিনারের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে প্রথম শহিদ মিনার নির্মান করেন। ২৪ ফেব্রুয়ারি শফিউর রহমানের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে এটির উদ্বোধন করেন।
২৬ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক ‘আবুল কালাম শামসুদ্দিন’ আনুষ্ঠানিকভাবে এই শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন। ঐ দিন বিকালবেলা পুলিশ সে শহিদ মিনার ভেঙ্গে দেয়।
এরপর ১৯৬৩ সালে হামিদুর রহমানের নকশায় নির্মিত শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া।
.
ভাষা শহিদদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন কে?
  1. ক) রফিকউদ্দিন আহমেদ
  2. খ) আবদুস সালাম
  3. গ) আবদুল জব্বার
  4. ঘ) আবুল বরকত
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন আবুল বরকত। যার ডাক নাম ছিল আবাই। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ছিলেন।
২১ ফেব্রুয়ারির মিছিলে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
অন্য ভাষা শহিদদের মধ্যে রফিকউদ্দিন আহমেদ ছিলেন মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্রপুর কলেজের ছাত্র।
আব্দুস সালাম ছিলেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি।
সূত্র- বাংলাপিডিয়া এবং একুশ থেকে একাত্তর-আহমেদ রফিক।
.
তমদ্দুন মজলিশের মুখপাত্র হিসেবে কোন পত্রিকাটি প্রকাশিত হতো?
  1. ক) শিখা
  2. খ) সৈনিক
  3. গ) ইত্তেফাক
  4. ঘ) মিল্লাত
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন হলো তমদ্দুন মজলিস। এটি ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেম এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই সংগঠনের মুখপাত্র হিসেবে ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর সাপ্তাহিক ‘সৈনিক’ পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। এর সম্পাদকমন্ডলীর প্রথম সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী। পরবর্তীতে সভাপতি হন আবদুল গফুর। একটি আজিমপুর থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত প্রকাশিত হয়।
অন্যদিকে, ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজ এবং মিল্লাত পত্রিকা বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের উদ্যোগে প্রকাশিত হতো।
সূত্র- বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের ভাষা শহীদদের মধ্যে সবার শেষে শহীদ হন?
  1. ক) আবুল বরকত
  2. খ) রফিকউদ্দিন আহমেদ
  3. গ) আবদুস সালাম
  4. ঘ) আবদুল জব্বার
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে ছাত্ররা রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীতে মিছিল বের করলে্ পুলিশ গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আবুল বরকত, রফিকউদ্দিন আহমেদ এবং আবদুল জব্বারসহ আরো অনেকে শহিদ হন। আবদুস সালাম গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ এপ্রিল মারা যান।
সূত্র : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি একুশে ফেব্রুয়ারি নিয়ে রচিত নয়?
  1. ক) মন না মতি
  2. খ) ঘর মন জানালা
  3. গ) আর্তনাদ
  4. ঘ) চিলে কোটার সেপাই
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন পরবর্তীকালে ভাষা আন্দোলন নিয়েই বাংলা ভাষায় সবচেয়ে বেশি কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক এবং প্রবন্ধ রচিত হয়েছে।
এর মধ্যে জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন,
দিলারা হাশেমের ঘর মন জানালা,
আনিস সিদ্দিকীর মন না মতি,
শওকত ওসমানের আর্তনাদ উপন্যাস উল্লেখযোগ্য। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের বিখ্যাত সৃষ্টি চিলে কোটার সেপাই ’৬৯ এর গণ-অভ্যূত্থানকে কেন্দ্র করে রচিত।
সূত্র : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাস-ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোনটি ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ নামে পরিচিত?
  1. ক) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  2. খ) সংবিধান
  3. গ) ছয়দফা
  4. ঘ) এগারো দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয় দফা দাবীকে ‘বাঙালির ‍মুক্তির সনদ’ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়।
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন। একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু সাংবাদিক সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন। ৭ জুন ছয়দফা দিবস।
সূত্র : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুক্তফ্রন্ট সরকারের কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন?
  1. ক) অর্থ ও পরিকল্পনা
  2. খ) শ্রম ও শিল্প
  3. গ) শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
  4. ঘ) কৃষি ও সমবায়
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং ৪ এপ্রিল এ কে ফজলুল হককে মুখ্যমন্ত্রী করে ৫ সদস্যের মন্ত্রীসভা গঠন করা হয়। ১৪ মে এ মন্ত্রীসভায় আওয়ামীলীগ যোগদান করলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, বন, সমবায় এবং পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী হন। তবে ৩০ মে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় এ মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়।
সূত্র : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী
.
মুজিব নগর সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমদ
  4. ঘ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
সুত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী।
১০.
নিচের কোনটি ৭ মার্চের ভাষণের প্রধান দাবি নয়?
  1. ক) পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা
  2. খ) গণহত্যার তদন্ত
  3. গ) সামরিক আইন প্রত্যাহার
  4. ঘ) ক্ষমতা হস্তান্তর
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানের সমাবেশে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান এবং দেশকে মুক্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তবে তাঁর বজ্রকন্ঠে ঘোষিত বক্তব্যের মূল দাবি বা বিষয় ছিল ৪টি।
যথাঃ
১) চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার
২) সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া
৩) সকল গণহত্যার তদন্ত ও বিচার এবং
৪) নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র হতে ‘বজ্রকণ্ঠ’ নামে প্রচারিত হয়।
সূত্র-বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী
১১.
‘আওয়ামী মুসলীম লীগ’ থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫৪ সালে
  2. খ) ১৯৫৩ সালে
  3. গ) ১৯৫৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
জন্মলগ্ন থেকে আওয়ামী মুসলিম লীগ অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক চেতনায় বিশ্বাসী ছিল। ফলে ১৯৫৫ সালে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দিয়ে দলটিকে একটি অসাম্প্রদায়িক রূপ দেয়া হয় এবং অন্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য এর দ্বার খুলে দেওয়া হয়। এর মূল নেতা নির্বাচিত হন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী
১২.
প্রতিষ্ঠাকালীন আওয়ামী লীগে বঙ্গবন্ধু ছিলেন -
  1. ক) সভাপতি
  2. খ) সহ-সভাপতি
  3. গ) সাধারণ সম্পাদক
  4. ঘ) যুগ্ম-সম্পাদক
ব্যাখ্যা
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে. এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীদের কনভেনশনে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। নতুন এই দলের নামকরণ হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ।
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে সভাপতি, আতাউর রহমান খান, শওকত হোসেন ও আলী আহমদ খানকে সহ-সভাপতি করা হয়।
আবার, ফরিদপুরের শামসুল হককে সাধারণ সম্পাদক, শেখ মুজিবুর রহমান (তখন কারাবন্দি), খোন্দকার মোশতাক আহমদ ও এ.কে রফিকুল হোসেনকে যুগ্ম-সম্পাদক এবং ইয়ার মোহাম্মদ খানকে কোষাধ্যক্ষ করে আওয়ামীলীগ গঠিত হয়।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া
১৩.
‘শহিদ সাগর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নাটোরে
  2. খ) বগুড়ায়
  3. গ) ফরিদপুরে
  4. ঘ) যশোরে
ব্যাখ্যা
নাটোরের লালপুর উপজেলার নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেডের ভিতরে একটি ছোট পুকুরের নাম এখন শহিদ সাগর। ১৯৭১ সালের ৫ মে এই ছোট্ট পুকুরের সিড়িঁতে অর্ধ শতাধিক ব্যক্তিকে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যার মাধ্যমে পুকুরটিকে রক্তের সাগরে পরিণত করা হয়েছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শহীদদের স্বজনেরা পুকুরটির নামকরণ করেন শহিদ সাগর।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া।
১৪.
‍মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘ধীরে বহে মেঘনা’-এর পরিচালক কে?
  1. ক) হুমায়ুন আহমেদ
  2. খ) আলমগীর কবির
  3. গ) নারায়ণ ঘোষ মিতা
  4. ঘ) নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘ধীরে বহে মেঘনা’-এর পরিচালক আলমগীর কবির। তিনি রূপালী সৈকত নামে আরও একটি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন।
এছাড়া হুমায়ুন আহমেদ ‘আগুনের পরশমনি’ এবং ‘শ্যামল ছায়া’ নামক দু’টি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক জননন্দিত চলচ্চিত্রের পরিচালক, নারায়ণ ঘোষ মিতা ‘আলোর মিছিল’ নামক এবং নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু ‘একাত্তরের যীশু’ এবং ‘গেরিলা’ চলচ্চিত্রের পরিচালক।
সূত্র : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা সচিব কে ছিলেন?
  1. ক) এইচ টি ইমাম
  2. খ) রুহুল কুদ্দুস
  3. গ) এস. এ সামাদ
  4. ঘ) নুরুল কাদের
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় : এস এ সামাদ প্রতিরক্ষা সচিব।
মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম. এ. জি ওসমানী,
চীফ অব স্টাফ কর্নেল আবদুর রব,
উপ-সেনাপতি এ.কে খন্দকার।
সূত্র-বাংলাপিডিয়া।
১৬.
‘স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ঘোষণা ও কর্মসূচি’ শীর্ষক ইশতেহার প্রচার হয় কত তারিখে?
  1. ক) ১ মার্চ, ১৯৭১
  2. খ) ৩ মার্চ, ১৯৭১
  3. গ) ৫ মার্চ, ১৯৭১
  4. ঘ) ৭ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
শেখ মুজিবুর রহমান ২ মার্চ ঢাকায় এবং তার পরদিন সারা প্রদেশে হরতাল ডাকেন। সকল সরকারি কর্মকান্ড প্রায় অচল হয়ে পড়ে। ৩ মার্চ, ১৯৭১ পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ঢাকার পল্টন ময়দানের জনসভায় ‘স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ঘোষণা ও কর্মসূচি’ শীর্ষক ইশতেহার প্রচার করে।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া
১৭.
মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্যে প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীরশ্রেষ্ঠ
  2. খ) বীরপ্রতীক
  3. গ) বীরবিক্রম
  4. ঘ) বীরউত্তম
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসমান্য অবদান ও বীরত্বের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করেন। এগুলো হলো বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম এবং বীরপ্রতীক।
এর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব হলো বীর উত্তম।
বীরশ্রেষ্ঠ- ৭ জন
বীরউত্তম- ৬৮ জন
বীরবিক্রম – ১৭৫ জন
বীরপ্রতীক – ৪২৬ জন
সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট
১৮.
‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’-গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) প্রয়াত নজরুল ইসলাম বাবু
  2. খ) গোবিন্দ হালদার
  3. গ) আপেল মাহমুদ
  4. ঘ) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
ব্যাখ্যা
‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’ গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এ গানটি রচিত হয়। এতে কণ্ঠ দেন আপেল মাহমুদ।
গোবিন্দ হালদারের অন্যান্য জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে, পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে ইত্যাদি।
সূত্র : দৈনিক প্রথম আলো।
১৯.
‍মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কত নং সেক্টরের অধীন ছিল?
  1. ক) ১ নং
  2. খ) ২ নং
  3. গ) ৩ নং
  4. ঘ) ৪ নং
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে। এর মধ্যে ফেনী নদী থেকে উত্তর দিকে আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত বৃহত্তর নোয়াখালী, বৃহত্তর কুমিল্লা, ফরিদপুর জেলার অংশ বিশেষ এবং ঢাকা শহর নিয়ে ২ নং সেক্টর গঠিত হয়।
২ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং মেজর এটিএম হায়দার।
সূত্র : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
২০.
বাংলাদেশের একমাত্র খেতাব প্রাপ্ত ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী মুক্তিযোদ্ধা কোন সম্প্রদায়ের?
  1. ক) মারমা
  2. খ) গারো
  3. গ) খাঁসিয়া
  4. ঘ) চাকমা
ব্যাখ্যা
ইউকে চিং (উক্য চিং) মুক্তিযুদ্ধে বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর মুক্তিযোদ্ধা। যিনি মারমা সম্প্রদায়ের লোক। মুক্তিযুদ্ধের সময় ‍তিনি ইপিআর-এর সদস্য হিসেবে ৬ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া।
২১.
চলন বিলের মধ্য দিয়ে কোন নদী প্রবাহিত হয়েছে?
  1. ক) আত্রাই
  2. খ) মহানন্দা
  3. গ) করতোয়া
  4. ঘ) কুশিয়ারা
ব্যাখ্যা
আত্রাই নদী ব্রহ্মপুত্রের সর্বপশ্চিমের শাখা নদী।
পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি শহরের ১০ কি.মি. উত্তরপূর্বে নদীটির উৎপত্তিস্থল। সেখান থেকে এটি যমুনা নদীর পশ্চিমে প্রবাহিত হয়।
দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলা থেকে করতোয়া নদী আত্রাই নাম ধারণ করেছে।
সূত্র : মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণী।
২২.
বাংলাদেশের প্রশস্ততম নদী কোনটি?
  1. ক) মেঘনা
  2. খ) কর্ণফুলি
  3. গ) যমুনা
  4. ঘ) পদ্মা
ব্যাখ্যা
মেঘনা নদী বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নদী ও প্রশস্ততম নদী। চাঁদপুরের পর থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনার মিলিত ধারার নাম মেঘনা। উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী। ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় মেঘনা বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে।
সূত্র : মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণী।
২৩.
বাংলাদেশের একমাত্র গরম পানির ঝর্ণা অবস্থিত?
  1. ক) হিমছড়ি পাহাড়ে
  2. খ) মাধবকুন্ড পাহাড়ে
  3. গ) শুভলং ঝর্ণায়
  4. ঘ) চন্দ্রনাথ পাহাড়ে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র গরম পানির ঝর্ণা অবস্থিত চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে। আর বাংলাদেশের শীতল পানির ঝর্ণা অবস্থিত কক্সবাজারের হিমছড়ি পাহাড়ে।
সূত্র : মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণী।
২৪.
‘চর লরেন্স’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নোয়াখালীতে
  2. খ) সুন্দরবনে
  3. গ) রাজশাহীতে
  4. ঘ) ভোলায়
ব্যাখ্যা
চর লরেন্স, চর শাহাবানী, চর শ্রীজনী, চর কাদিয়া, ঠেঙ্গার চর ইত্যাদি নোয়াখালী জেলার হাতিয়ায় অবস্থিত।
২৫.
বাংলাদেশে বর্তমানে গেজেট আকারে প্রকাশিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কতটি?
  1. ক) ২৭টি
  2. খ) ৪৫টি
  3. গ) ৪৮টি
  4. ঘ) ৫০টি
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এখন ৫০টি। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন ২০১০’এর ধারা ১৯ এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ১৯ মার্চ ২০১৯ উক্ত আইনের তফসিলে ২৭টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর স্থলে ৫০টি ক্ষদ্র নৃ-গোষ্ঠীর তালিকা প্রতিস্থাপন করে। ২৩ মার্চ ২০১৯ তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
২৬.
মারমারা পানি খেলায় মেতে ওঠে কোন উৎসবে?
  1. ক) সাংগ্রাই
  2. খ) বিঝু
  3. গ) বৈসুক
  4. ঘ) সোহরাই
ব্যাখ্যা
মারমারা পুরাতন বর্ষকে বিদায় ও নববর্ষকে বরণ উপলক্ষ্যে সাংগ্রাই উৎসব উদযাপন করে। এ সময় তারা পানিখেলা বা জলোৎসবে মেতে উঠে।
সূত্র : বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, অষ্টম শ্রেণী।
২৭.
পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি বাস করে?
  1. ক) ১৩টি
  2. খ) ১৫টি
  3. গ) ১০টি
  4. ঘ) ২৭টি
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতির সংখ্যা :
১১টি (বাংলা নৃ-গোষ্ঠী পরিচিতি)
১২টি (সরকারি হিসাব)
১৩টি (পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়)
২৮.
চাকমা সার্কেল কোন জেলার অন্তর্গত?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রামে তিনটি সার্কেল বা প্রথাগত প্রশাসনিক এলাকা বিদ্যমান। এগুলো হলো : চাকমা সার্কেল, বোমাং সার্কেল এবং মং সার্কেল।
চাকমা সার্কেল রাঙ্গামাটি জেলায়, বোমাং সার্কেল বান্দরবান জেলায় এবং মং সার্কেল খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত। সার্কেল প্রধানরা রাজা নামে পরিচিত। বর্তমান চাকমা রাজা দেবাশ্বিস রায়। এই প্রথাগত শাসন ব্যবস্থা বাংলাদেশ সরকারের আইন দ্বারা স্বীকৃত।
সূত্র : ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণী এবং পার্বত্য রাঙামাটি জেলা ওয়েবসাইট।