পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
রিভিশন কুইজ [১৫০ দিনের সিলেবাসের বিগত ৫টি পরীক্ষার টপিকের উপর।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
আধুনিক যুগের প্রথম ভাগের কবি কে?
  1. ক) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
  2. খ) অদ্বৈত মল্লবর্মণ
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
গ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা
আধুনিক যুগের প্রথম ভাগের কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
- উনিশ শতকের শুরুর দিকে ১২১৮ বঙ্গাব্দের ২৫ ফাল্গুন (মার্চ ১৮১২) পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার কাঞ্চনপল্লী বা কাঁচড়াপাড়া গ্রামে তাঁর জন্ম।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহসে যুগসন্ধির কবি হিসেবে পরিচিত।
- ১৭০০-১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দ কে বাংলা সাহিত্যে যুগসন্ধিকাল ধরা হয়ে থাকে। 
- মধ্যযুগের শেষ প্রতিনিধি ভারতচন্দ্র এবং আধুনিক যুগের প্রথম পুরুষ মাইকেল মধুসূদন, এই দুই মনীষীর মধ্যবর্তীকালে  ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের আবির্ভাব।
- তাঁর মধ্যে মধ্যযুগের কাব্য বৈশিষ্ট্য ও আধুনিক যুগের সূচনা বৈশিষ্ট্য সমানভাবে লক্ষ্য করা যায় বলে তাঁকে যুগসন্ধির কবি বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান মারা যান-
  1. ক) ১৪ মে ২০২০
  2. খ) ১৪ আগস্ট ২০২০
  3. গ) ১৪ আগস্ট ২০২১
  4. ঘ) ১৪ মে ২০২১
সঠিক উত্তর:
ক) ১৪ মে ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৪ মে ২০২০
ব্যাখ্যা
জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান এর প্রকৃত নাম এ.টি.এম. আনিসুজ্জামান।
- তিনি ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণা জেলার বসিরহাটে জন্মগ্রহণ করেন।
- গত ১৪ মে ২০২০ জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ৮৩ বছর বয়সে মারা যান।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরিটাস প্রফেসর ছিলেন (বাংলা বিভাগ)। 
- ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ইংরেজি আমলের বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানের চিন্তাধারা' শিরোনামে ডক্টরেট লাভ করেন। 
- তাঁর এই গবেষণা পত্রকে তিনি 'মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য' (১৯৬৪) নামে গ্রন্থরূপ দেন। 
- বাংলাদেশ সরকার ২০১৮ সালের ১৯ জুন তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিযোগ দেন।
- মৃত্যুর পূর্বে তিনি বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।

উৎস: প্রথম আলো এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্যিক উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) মহাশ্মশান
  2. খ) সত্যাসত্য
  3. গ) রক্তাক্ত প্রান্তর
  4. ঘ) মেঘনাধবধ কাব্য
সঠিক উত্তর:
খ) সত্যাসত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সত্যাসত্য
ব্যাখ্যা
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্যিক উপন্যাস 'সত্যাসত্য'। 
- এর রচয়িতা অন্নদাশঙ্কর রায়। 
- 'সত্যাসত্য' উপন্যাসটি ছয় খন্ডে প্রকাশিত।
তাঁর সত্যাসত্য ছয়টি নামে প্রকাশিত হয় যথাক্রমে-
- যার যেথা দেশ (১৯৩২),
- অজ্ঞাতবাস (১৯৩৩),
- কলঙ্কবতী (১৯৩৪),
- দুঃখমোচন (১৯৩৬),
- মর্ত্যের স্বর্গ (১৯৪০),
- অপসরণ (১৯৪২)। 

- ছয় খন্ডে রচিত সত্যাসত্য বাংলায় মননশীল উপন্যাস রচনায় এক স্বতন্ত্র ধারা তৈরি করে।
- এ উপন্যাসের বিশাল পরিসরে রূপায়িত হয়েছে আধুনিক যুগের জটিল জীবন-সমস্যা, সামাজিক, দার্শনিক, রাজনৈতিক মতবাদ ও তত্ত্ব, দাম্পত্য সম্পর্কের আধুনিক ধারণা এবং দেশ-কালের বৃহত্তর আবহ। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত একক চরিত্র বিশিষ্ট নাটক কোনটি?
  1. ক) কোকিলারা
  2. খ) এখনও ক্রীতদাস
  3. গ) ক্রীতদাসের হাসি
  4. ঘ) সুবচন নির্বসনে
সঠিক উত্তর:
ক) কোকিলারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোকিলারা
ব্যাখ্যা
আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত একক চরিত্র বিশিষ্ট নাটক 'কোকিলারা'।
- নাটকটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে।  

নাট্যকার আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত অন্যান্য নাটক - 
- শপথ (প্রথম প্রকাশিত),
- সুবচন নির্বাসনে,
- এখন দুঃসময়,
- এবার ধরা দাও,
- শাহজাদীর কাল নেকাব,
- চারদিকে যুদ্ধ,
- এখনো ক্রীতদাস,
- মেরাজ ফকিরের মা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
শিখা পত্রিকার ৫ম বর্ষের সম্পাদক ছিলেন কে?
  1. ক) আবুল হাসান
  2. খ) আবুল হুসেন
  3. গ) আবুল ফজল
  4. ঘ) আব্দুল কাদির
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল ফজল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল ফজল
ব্যাখ্যা
শিখা পত্রিকার ৫ম বর্ষের সম্পাদক ছিলেন আবুল ফজল। 

আবুল ফজল মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম কর্ণধার হিসেবে 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলন গড়ে তোলেন। 
- এ আন্দোলনের মুখপত্র শিখা পত্রিকা। 
- আবুল ফজল শিখা পত্রিকার ৫ম সংখ্যা (১৯৩১) সম্পাদনা করেন। 
- আবুল ফজল  উপন্যাস,  ছোটগল্প, নাটক, আত্মকথা, ধর্ম, ভ্রমণকাহিনী ইত্যাদি বিষয়ে বহু গ্রন্থ রচনা করেন।

তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উপন্যাসগ্রন্থ হলো:
- চৌচির 
- প্রদীপ ও পতঙ্গ
- রাঙ্গা প্রভাত

গল্পগ্রন্থ:
- মাটির পৃথিবী
- মৃতের আত্মহত্যা প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
"স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো/চারকোটি পরিবার" পঙক্তিদ্বয় কোন কবিতার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) স্মৃতির মিনার
  2. খ) শহীদ মিনার
  3. গ) স্মৃতিস্তম্ভ
  4. ঘ) স্মৃতিসৌধ
সঠিক উত্তর:
গ) স্মৃতিস্তম্ভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্মৃতিস্তম্ভ
ব্যাখ্যা
উপরোক্ত পঙক্তিদ্বয় আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত 'মানচিত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতার অংশ। 
কবিতাটি নিম্নরূপ- 

স্মৃতিস্তম্ভ
-আলাউদ্দিন আল আজাদ

স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো
চারকোটি পরিবার
খাড়া রয়েছি তো ! যে-ভিত কখনো কোনো রাজন্য
পারেনি ভাঙতে
হীরের মুকুট নীল পরোয়ানা খোলা তলোয়ার
খুরের ঝটকা ধুলায় চূর্ণ যে পদ-প্রান্তে
যারা বুনি ধান
গুণ টানি, আর তুলি হাতিয়ার হাঁপর চালাই
সরল নায়ক আমরা জনতা সেই অনন্য ।
ইটের মিনার
ভেঙেছে ভাঙুক ! ভয় কি বন্ধু, দেখ একবার আমরা জাগরী
চারকোটি পরিবার ।


লেখকের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- মানচিত্র (১৯৬১)
- ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ (১৯৬২)

উৎস: স্মৃতিস্তম্ভ, আলাউদ্দিন আল আজাদ এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কৃষক পরিবারকে কেন্দ্র করে রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) আলতাচক্র
  2. খ) নদীবক্ষে
  3. গ) কাবিলের বোন
  4. ঘ) আয়না
সঠিক উত্তর:
খ) নদীবক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নদীবক্ষে
ব্যাখ্যা
কৃষক পরিবারকে কেন্দ্র করে কাজী আবদুল ওদুদ রচিত উপন্যাস 'নদীবক্ষে'। 
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯১৮ সালে। 
- এটি যতটুকু উপন্যাস তার চেয়ে বেশি সমাজচিত্র। 
- গ্রামীণ সমাজের কলহ, বিবাদ, দ্বন্দ্ব আবার মিলনের কথা চারটি কৃষক পরিবারকে কেন্দ্র করে এই গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। 
উপন্যাসের চরিত্র: জমির শেখ, ইরফান মণ্ডল, লালু, মতি প্রমুখ। 

'আলতাচক্র' আহমদ ছফা রচিত মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক উপন্যাস। 
'কাবিলের বোন' কবি আল মাহমুদের মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক উপন্যাস। 
'আয়না' আবুল মনসুর আহমদ রচিত গল্পগ্রন্থ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
এসডিজির কত নং লক্ষ্যমাত্রায় 'শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান' গড়ার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে?
  1. ক) ১৬ নং লক্ষ্যমাত্রা
  2. খ) ৫ নং লক্ষ্যমাত্রা
  3. গ) ৪ নং লক্ষ্যমাত্রা
  4. ঘ) ১০নং লক্ষ্যমাত্রা
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬ নং লক্ষ্যমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬ নং লক্ষ্যমাত্রা
ব্যাখ্যা
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় যা ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যস্থির করা হয়।
এসডিজির লক্ষ্যসমূহ হলো:
- প্রথম : দারিদ্র্য নির্মূল
- দ্বিতীয় : ক্ষুধামুক্তি
- তৃতীয় : সুস্বাস্থ্য
- চতুর্থ : মানসম্মত শিক্ষা
- পঞ্চম : লিঙ্গ সমতা
- ষষ্ঠ : বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সপ্তম : সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- অষ্টম : উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- নবম : শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- দশম : বৈষম্য হ্রাস
- একাদশ : টেকসই শহর ও জনগণ
- দ্বাদশ : পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- ত্রয়োদশ : জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- চতুর্দশ : সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- পঞ্চদশ : স্থলভাগের জীবন
- ষোড়শ : শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- সপ্তদশ : অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

(তথ্যসূত্র: SDG ওয়েবসাইট)
.
বিশ্বব্যাংক সুশাসন মূল্যায়নে কোন খাতের ব্যবস্থাপনার উপর গুরুত্বারোপ করেছে?
  1. ক) আর্থিক
  2. খ) সরকারি
  3. গ) সেবা
  4. ঘ) ব্যক্তি মালিকানা
সঠিক উত্তর:
খ) সরকারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সরকারি
ব্যাখ্যা
- বিশ্বব্যাংক ১৯৯৪ সালে ‘শাসন: বিশ্বব্যাংকের অভিজ্ঞতা’ শীর্ষক একটি প্রকাশ করে।
- এই রিপোর্টে সুশাসনকে নিম্নোক্ত চারটি কার্যক্রম দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয়।যথাঃ
- সরকারি খাতের ব্যবস্থাপনা,
- জবাবদিহিতা,
- উন্নয়নের জন্য আইনী কাঠামো,
- স্বচ্ছতা ও তথ্য 

সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (১ম পত্র) বোর্ড বই।
১০.
নিচের কোনটি সামাজিক মূল্যবোধ?
  1. ক) স্বাধীনতা
  2. খ) সুখ
  3. গ) সাম্যতা
  4. ঘ) মেধা
সঠিক উত্তর:
গ) সাম্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাম্যতা
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ (Values) :মানুষের মধ্যে কিছু স্থায়ী প্রত্যাশা থাকে যা ভাল বলে প্রতীয়মান হয়, তা-ই মূল্যবোধ। এগুলো মানুষের নৈতিক মান গঠনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। মূল্যবোধকে “অন্তর্নিহিত বিশ্বাস” বলে আখ্যায়িত করা যায় যা মানুষের মনোভাব ও কার্যকে প্রভাবিত করে। 

নিচে বিভিন্ন ধরনের মূল্যবোধ সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো:
১। শেষপ্রান্ত মূল্যবোধ (Terminal Values) : শেষপ্রান্ত মূল্যবোধ বলতে এমন কতগুলো প্রত্যাশাকে বুঝায় যা মানুষ সারাজীবনে অর্জন করতে চায়। অর্থাৎ জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও মানুষ সে-ই সকল প্রত্যাশা পূরণ করতে চায়। যা জীবনের শুরুতেই প্রত্যাশা করা হয়েছিল।
২। ব্যক্তিক মূল্যবোধ (Personal Values) : প্রতিটি মানুষের কিছু একান্ত প্রত্যাশা থাকে যা নিজের জীবনের জন্য অর্জন করতে চায়, তা-ই ব্যক্তিক মূল্যবোধ। যেমন- আরাম-আয়েশপূর্ণ জীবন, স্বাধীনতা, সুখ প্রভৃতি।
৩। যান্ত্রিক মূল্যবোধ (Instrumental Values) : এটি এমন মূল্যবোধ যা ব্যবহার করে মানুষ তার জীবনের শেষ প্রান্তের মূল্যবোধকে অর্জন করতে চায়। যেমন- আচরণের ধরন, কাজের ধরন প্রভৃতি ।
৪। নৈতিক মূল্যবোধ (Moral Values) : নৈতিক মূল্যবোধ হলো মানুষের আন্তঃব্যক্তিক গুণাবলি, যা তাদের আচরণকে প্রভাবিত করে। যেমন- সততা, উৎফুল্লতা, সাহসিকতা, অন্যকে সাহায্য করার মানসিকতা প্রভৃতি। এ সকল নৈতিক গুণাবলিসম্পন্ন মানুষ কোনো খারাপ কাজে ব্যথিত হয় ।
৫। উপযুক্ততা মূল্যবোধ (Competence Values) : এটি এমন কতগুলো উপাদানের সমাহারকে বুঝায় যা মানুষকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলে। যেমন- উচ্চাভিলাষী, সক্ষমতা, মেধা, দায়-দায়িত্ব প্রভৃতি। এ সকল গুণ যাদের মধ্যে বিদ্যমান তারা খারাপ কাজে লজ্জিত হয়।
৬। সামাজিক মূল্যবোধ (Social Values) : মানুষ সামাজিক জীব। তাই তারা সমাজে বসবাস করে। তাই সমাজকে বসবাসযোগ্য রাখতে হবে। এ জন্য কতিপয় মূল্যবোধ জাগিয়ে রাখতে হবে। যেমন- সাম্যতা, জাতীয় নিরাপত্তা, বিশ্ব শান্তি প্রভৃতি।
 
উৎস: কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা, এমবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
'On the Genealogy of Morals' - গ্রন্থের রচিয়তা কে?
  1. ক) জাঁ পল সার্ত্রে
  2. খ) ফ্রেডেরিক নিটশে
  3. গ) ভলতেয়ার
  4. ঘ) জন লক
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রেডেরিক নিটশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রেডেরিক নিটশে
ব্যাখ্যা
ফ্রেডেরিক নিটশে 
জন্ম ১৫ অক্টোবর ১৮৪৪, রকেন, স্যাক্সনি, প্রুশিয়া , জার্মানি - মৃত্যু ২৫ আগস্ট ১৯০০, ওয়েইমার, থুরিংজিয়ান স্টেটস।
জার্মান শাস্ত্রীয় পণ্ডিত, দার্শনিক এবং সংস্কৃতির সমালোচক, যিনি সমস্ত আধুনিক চিন্তাবিদদের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন।

তার রচিত বই
- Beyond Good and Evil
- Human, All-Too-Human
- On the Genealogy of Morals
- The Birth of Tragedy
- The Gay Science
- The Will to Power
- Untimely Meditations
 
উৎস: ব্রিটানিকা 
১২.
“জনগণের ভবিষ্যৎ কার্যাবলি নির্দিষ্ট করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ যে আদেশ প্রদান করে তাই আইন।" - উক্তিটি কার প্রদত্ত?
  1. ক) জন অস্টিন
  2. খ) অধ্যাপক গেটেল
  3. গ) টমাস হবস
  4. ঘ) অধ্যাপক স্যালমন্ড
সঠিক উত্তর:
গ) টমাস হবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টমাস হবস
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও আইনবিদগণ বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে আইনের সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।
- এরিস্টটল বলেছেন, “যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হচ্ছে আইন।" (Law is the passionless reason)।
- টমাস হবস (Thomas Hobbes)-এর মতে, “জনগণের ভবিষ্যৎ কার্যাবলি নির্দিষ্ট করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ যে আদেশ প্রদান করে তাই আইন।"
- অধ্যাপক হল্যান্ড (Prof. Holland)-এর মতে, “আইন হচ্ছে, সেই সাধারণ নিয়ম যা মানুষের বাহ্যিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সার্বভৌম রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ যা প্রয়োগ করেন।" (A Law is a general rule of external action enforced by the sovereign political authority.)
- জন অস্টিন (John Austin) বলেন, “আইন হচ্ছে নিম্নতমের প্রতি ঊর্ধ্বতন রাজনৈতিক কর্তৃত্বের আদেশ।" (Law is the command of the political superior i. e. sovereign to the political inferior.) 
- অধ্যাপক স্যালমন্ড (Prof. Salmond)-এর মতে, "ন্যায় সংরক্ষণের তাগিদে রাষ্ট্র যেসব নীতি স্বীকার করে এবং প্রয়োগ করে তাই আইন।”
- অধ্যাপক গেটেল (Prof. Gettel) বলেন, “রাষ্ট্র যেসব নিয়ম-কানুন সৃষ্টি বা স্বীকার করে এবং বলবৎ করে তাই শুধু আইন বলে পরিগণিত হয়।" (Only those rules which the state creates or which as recognises, enforces become law.)

- আইনের একটি সর্বজনগ্রাহ্য ও চমৎকার সংজ্ঞা প্রদান করেছেন আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন (Woodrow Wilson)।
তাঁর মতে, “আইন হলো মানুষের স্থায়ী আচার-ব্যবহার ও চিন্তাধারার সেই অংশ যা রাষ্ট্রের দ্বারা স্বীকৃত বিধিতে পরিণত হয়েছে এবং যার পশ্চাতে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের সুস্পষ্ট সমর্থন আছে।” (Law is that portion of the established thought and habit which has gained distinct and formal recognition in the shape of uniform rules backed by the authority and power of the government.)
 
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৩.
'সাহসিকতা' কোন ধরণের সততা?
  1. ক) পরকেন্দ্রিক সততা
  2. খ) আত্মকেন্দ্রিক সততা
  3. গ) আদর্শকেন্দ্রিক সততা
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) আত্মকেন্দ্রিক সততা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আত্মকেন্দ্রিক সততা
ব্যাখ্যা
সততার শ্রেণীবিন্যাস
সততা ও সদগুণাবলী অসংখ্য। অনেকেই সততাকে তিনটি প্রধান শ্রেণীতে বিভক্ত করেছেন। যথা:
- (ক) আত্মকেন্দ্রিক সততা 
- (খ) পরকেন্দ্রিক সততা এবং 
- (গ) আদর্শকেন্দ্রিক সততা।

(ক) আত্মকেন্দ্রিক সততা : এ ধরনের সততা মূখ্যত ব্যক্তির নিজের কল্যাণ সাধনের উপযোগী। তাই বলে সততা যে শুধু ব্যক্তির কল্যাণে সীমিত থাকবে এমন নয়। কেননা যেহেতু ব্যক্তি সমাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সেহেতু ব্যক্তির কল্যাণ সমাজ কল্যাণের সঙ্গে যুক্ত। আত্মকেন্দ্রিক সততার কতকগুলো উপভাগ দেয়া হবে :
(১) সাহসিকতা : মানুষের দুঃখভীতিকে জয় করার শক্তিকে সাহসিকতা বলা হয়। ভবিষ্যতের বৃহত্তর এবং মহৎ উদ্দেশ্য লাভের জন্যে বর্তমানের দুঃখ-কষ্ট সহ্য করার শক্তি হল সাহসিকতা। মনোবল, ধৈর্য, অধ্যবসায়, দৈহিক সাহস ইত্যাদি এ শ্রেণীর সততার অন্তর্গত।
(২) মিতাচার : ব্যক্তিগত কল্যাণ ও সামাজিক কল্যাণ লাভের ইচ্ছা ও বিচারবুদ্ধির মধ্যে সমন্বয় সাধন করাকে মিতাচার বলা হয়। মানুষ কল্যাণ লাভের জন্যে সংযত ও বিচারবুদ্ধিসন্মত জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়।
(৩) পরিশ্রম ও অধ্যবসায় : সাময়িক আরাম-আয়েশ তুচ্ছ করে উচ্চতর কল্যাণ লাভের জন্যে দেহ ও মনের উৎকর্ষ সাধন করা ব্যক্তির অবশ্য করণীয় ; পরিশ্রম ও অধ্যবসায় ছাড়া জীবনের সীমাহীন সম্ভাবনাকে বাস্তবায়িত করা সম্ভব নয়। সুতরাং মানুষকে মানুষ হিসাবে বাঁচতে হলে পরিশ্রম ও অধ্যাবসায়ের অনুশীলন আবশ্যক।
(৪) মিতব্যয়িতা : মিতব্যয়িতা মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের উৎকর্ষ বিধানের জন্যে অপরিহার্য। বাক্য, কার্য ও চিন্তায় মিতব্যয়ী হওয়া মানুষের উচিত। আর্থিক মিতব্যয়িতাই শুধু পালনীয় নয়। মানুষের ব্যবহারিক জীবনের বিভিন্ন দিকে মিতব্যয়িতার অভ্যাস বাঞ্ছনীয়। মিতব্যয়িতা শুধু ব্যক্তিগত কল্যাণই আনয়ন করে না, সমাজের কল্যাণও সাধন করে।

উৎস: সিভিক এডুকেশন- ১, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
 
১৪.
কোন ধরণের মূল্যবোধ নাগরিকদের মধ্যে জবাবদিহিমূলক মানসিকতা সৃষ্টি করে?
  1. ক) সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ
  2. খ) আধুনিক মূল্যবোধ
  3. গ) গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
  4. ঘ) সামাজিক মূল্যবোধ
সঠিক উত্তর:
গ) গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ফলে নাগরিকদের মধ্যে জবাবদিহিমূলক মানসিকতা, দায়িত্বশীল আচরণের সৃষ্টি হয়।
যারা সরকার পরিচালনা করেন তারা তাদের কাজের জন্য জনপ্রতিনিধিদের নিকট তথা জনগণের নিকট তাদের কাজের জন্য জবাবদিহি করেন, আইনসভায় জনপ্রতিনিধিদের প্রশ্নের উত্তর দেন বা কৈফিয়ত প্রদান করেন।
 সরকার এবং বিরোধী দল দায়িত্বশীল আচরণ করে।
 
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫.
ইংরেজদের বিরুদ্ধে তিতুমীর কোন জেলায় আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ক) চবিবশ পরগনা
  2. খ) নদীয়া
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- তিতুমীরের প্রকৃত নাম সাইয়িদ মীর নিসার আলী।
- পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার বশিরহাট মহকুমার চাঁদপুর (মতান্তরে হায়দারপুর) গ্রামে ১৭৮২ সালে তাঁর জন্ম। 
- তিতুমীর ইংরেজ ও ‍জমিদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর জন্যে ১৮৩১ সালের অক্টোবর মাসে নারকেলবাড়িয়ায় এক দুর্ভেদ্য বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন।
- লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে ১০০ অশ্বারোহী, ৩০০ স্থানীয় পদাতিক, দুটি কামানসহ গোলন্দাজ সৈন্যের এক নিয়মিত বাহিনী তিতুমীরের বিরুদ্ধে প্রেরণ করে।
- তিনি তাঁর মুজাহিদ বাহিনীতে বিপুল সংখ্যক মুজাহিদ নিয়োগ করে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণ দান করেন। 
- অচিরেই তিনি চবিবশ পরগনা, নদীয়া ও ফরিদপুর জেলায় স্বীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন। তিতুমীর তাকি ও গোবরডাঙার জমিদারদের নিকট কর দাবি করলে তারা ইংরেজদের শরণাপন্ন হন। কলকাতা থেকে এক ইংরেজ বাহিনী তিতুমীরের বিরুদ্ধে প্রেরিত হয়। কিন্তু ইংরেজ ও জমিদারদের সম্মিলিত বাহিনী মুজাহিদদের নিকট শোচনীয় পরাজয় বরণ করে। 
- অবশেষে লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে ১০০ অশ্বারোহী, ৩০০ স্থানীয় পদাতিক, দুটি কামানসহ গোলন্দাজ সৈন্যের এক নিয়মিত বাহিনী তিতুমীরের বিরুদ্ধে প্রেরণ করেন।
- ১৮৩১ সালের ১৪ নভেম্বর ইংরেজ বাহিনী মুজাহিদদের উপর আক্রমণ চালায়।
- ১৮৩১ সালের ১৯ নভেম্বর কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ বাহিনীর কামানের গোলায় তিতুমীরের বাঁশেরকেল্লা ধ্বংস হয়ে যায় এবং তিতুমীর শহিদ হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১৬.
পলাশীর যুদ্ধে প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. ক) ফররুখ সিয়া
  2. খ) শওকত জঙ্গ
  3. গ) মীরজাফর
  4. ঘ) মীর কাসেম
সঠিক উত্তর:
গ) মীরজাফর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মীরজাফর
ব্যাখ্যা
- পলাশীর যুদ্ধ ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন নওয়াব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এর মধ্যে সংঘটিত। 
- এ যুদ্ধ আট ঘণ্টার মতো স্থায়ী ছিল এবং প্রধান সেনাপতি মীরজাফর আলী খানের বিশ্বাসঘাতকতার দরুণ নওয়াব কোম্পানি কর্তৃক পরাজিত হন। 
- এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসাত্মক এবং এ কারণে যদিও এটি ছোট খাট দাঙ্গার মতো একটি ঘটনা ছিল, তবু এটিকে যুদ্ধ বলে বাড়িয়ে দেখানো হয়। এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জন্য বাংলা অনেকটা স্প্রিং বোর্ডের মতো কাজ করে, যেখান থেকে ক্রমান্বয়ে ব্রিটিশ শক্তি আধিপত্য বিস্তার করে করে অবশেষে সাম্রাজ্য স্থাপনে সক্ষম হয়। 
- ব্রিটিশ সাম্রাজ্য প্রায় সমগ্র ভারতবর্ষ গ্রাস করে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে এশিয়ার অন্যান্য অনেক অংশও এর অধীনস্থ হয়।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া 
১৭.
ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম কত সালে ভারতে বাণিজ্যকুঠি স্থাপন করে?
  1. ক) ১৬৪৯
  2. খ) ১৭৩২
  3. গ) ১৬৫১
  4. ঘ) ১৭৪৯
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৫১
ব্যাখ্যা
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রথম বাণিজ্যকুঠি ১৬৫১ খিস্টাব্দে উড়িষ্যার বালেশ্বরে স্থাপিত হয়। 
- পরে হুগলি, পাটনা, ঢাকা, কাসিমবাজার ও কলকাতায়ও এ ধরনের বাণিজ্যকুঠি গড়ে ওঠে। 
- এসব বাণিজ্যকুঠির অধীনে অসংখ্য মফস্বল কুঠি ছিল।  
- ইংরেজদের আঞ্চলিক সদর দপ্তর ছিল হুগলিতে। পরে এটি কলকাতায় স্থানান্তরিত হয়।
-  ফরাসিদের সদর দপ্তর ছিল চন্দননগরে।
-  ওলন্দাজ ও দিনেমারদের সদর দপ্তর যথাক্রমে চুঁচুড়া ও শ্রীরামপুরে ছিল। 
- ব্যবসায়-বাণিজ্যের জন্য এগুলি ছিল ইউরোপীয়দের বসতি। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৮.
১৯১৬ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন -
  1. ক) লর্ড কার্জন
  2. খ) লর্ড মিন্টো
  3. গ) লর্ড চেমসফোর্ড
  4. ঘ) লর্ড হার্ডিঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড চেমসফোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড চেমসফোর্ড
ব্যাখ্যা
চেমসফোর্ড, লর্ড (১৮৬৮-১৯৩৩) 
১৯১৬ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল। পুরো নাম ফ্রেডারিক জন থেসিয়ার (Frederic John Thesiger)। 
-  ১৯০৫ সালে তিনি ব্যারন হন, ১৯০৫ থেকে ১৯০৯ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড এবং ১৯০৯ থেকে ১৯১৩ সাল পর্যন্ত নিউ সাউথ ওয়েলসের গভর্নর হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। 
- ১৯১৬ সালে তিনি ভারতের ভাইসরয় হিসেবে লর্ড হার্ডিঞ্জ-এর স্থলাভিষিক্ত হন। মেসোপটেমিয়ায় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর পরাজয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধ যত এগোতে থাকে ভারতীয়দের তত পরিমাণ অসন্তোষ বৃদ্ধিকে অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী হিসেবে সাথে নিয়ে ভারতে তাঁর শাসনকাল শুরু হয়। 
- ব্রিটিশদের যুদ্ধ প্রচেষ্টায় ভারতীয়দের আনুগত্যের ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভারতীয় বিষয়াদি দেখাশোনার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্রিটিশ রাজ্য সচিব এডউইন মন্টেগু হাউস অব কমন্সে ঘোষণা করেছিলেন যে, ভারতে ব্রিটিশ সরকারের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ‘ভারতে ক্রমান্বয়ে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় সফলকাম হওয়া।
- ১৯১৮ সালে ভারত সচিব এডউইন মন্টেগু ও ভাইসরয় লর্ড চেমসফোর্ডের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয় যা মন্টেগু-চেমসফোর্ড রিপোর্ট নামে পরিচিত। 
- এই রিপোর্টে অভিমত ব্যক্ত করা হয় যে, প্রাদেশিক আইনসভায় পরোক্ষ নির্বাচনের পরিবর্তে যতদূর সম্ভব সম্প্রসারিত ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা উচিত। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া 
১৯.
শেরে বাংলা একে ফজলুল হক কত সালে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন?
  1. ক) ১৯৪০
  2. খ) ১৯৪৩
  3. গ) ১৯৪১
  4. ঘ) ১৯৪২
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪০
ব্যাখ্যা
১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানে লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সাধারণ সভায় শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

তার প্রস্তাবে বলা হয়,
ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্ব এলাকাসমূহের মতো যে সকল অঞ্চলে মুসলমানগণ সংখ্যাগরিষ্ঠ, সে সব অঞ্চলে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ’ (স্টেটস) গঠন করতে হবে যার মধ্যে গঠনকারী এককগুলি হবে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম।

২৪শে মার্চ লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়। এই প্রস্তাবে ভারতে একাধিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়। ১৯৪৬ সালের এপ্রিলে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনে লাহোর প্রস্তাব সংশোধন করে একাধিক রাষ্ট্রের (স্টেটস) পরিবর্তে কেবল একটি রাষ্ট্র (স্টেট) প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২০.
'ফ্লাউড কমিশন' কোনটির সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার
  2. খ) শাসন ব্যবস্থা সংস্কার
  3. গ) ভূমি রাজস্ব সংস্কার
  4. ঘ) আর্থিক ব্যবস্থা সংস্কার
সঠিক উত্তর:
গ) ভূমি রাজস্ব সংস্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভূমি রাজস্ব সংস্কার
ব্যাখ্যা
ভূমি রাজস্ব সংক্রান্ত সমস্যাবলির সংস্কারের লক্ষ্যে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক সরকার ১৯৩৮ সালে স্যার ফ্রান্সিস ফ্লাউডকে প্রধান করে ফ্লাউড কমিশন গঠন করে।
এই কমিশন ১৯৪০ সালের ২ মার্চ তার রিপোর্ট পেশ করে।

রিপোর্টে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা তথা জমিদারি ব্যবস্থা বাতিল ও ভূমির উপর কৃষকদের অধিকার পুনস্থাপনের সুপারিশ করা হয়।

আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও ১৯৫০ সালের পূর্বে ফ্লাউড কমিশনের সুপারিশসমূহ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। ১৯৫০ সালের পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের মাধ্যমে ১৯৫১ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা বাতিল হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২১.
বিদ্যুৎ একটি চৌম্বকীয় তরঙ্গ- কে প্রমাণ করেন?
  1. ক) মাইকেল ফ্যারাডে
  2. খ) চার্লস-অগাস্টিন ডি কুলম্ব
  3. গ) ম্যাক্সওয়েল
  4. ঘ) আইনস্টাইন 
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যাক্সওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যাক্সওয়েল
ব্যাখ্যা

১৮৬৪ সালে ম্যাক্সওয়েল প্রমাণ করেন যে, বিদ্যুৎ একটি চৌম্বকীয় তরঙ্গ।
কোন তড়িৎক্ষেত্রে চুম্বক বলরেখার মধ্যে ইলেকট্রন আধানের দ্রুত আন্দোলন বা হ্রাসবৃদ্ধি ঘটলে ইলেকট্রনগুলো অতিরিক্ত শক্তি অর্জন করে বলরেখার সমান্তরালে শক্তি বিকিরণ যা তরঙ্গাকারে চারদিকে দ্রুতবেগে ছড়িয়ে পড়ে। একে তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ বলে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান

২২.
সর্বপ্রথম পরমাণু সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন কে?
  1. ক) ডেমোক্রিটাস
  2. খ) এরিস্টটল
  3. গ) রাদারফোর্ড
  4. ঘ) জেমস রেনেল 
সঠিক উত্তর:
ক) ডেমোক্রিটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডেমোক্রিটাস
ব্যাখ্যা
গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস (460 BC) প্রথম ধারণা দেন যে, পদার্থের অবিভাজ্য একক আছে, যার নাম দেয়া হয়েছিল এটম। তবে, সে সময় তার ধারনাটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় প্রমাণ করবার জন্য কোন উপায় ছিল না বলে, সবার কাছে উনার মতবাদটি গ্রহণযোগ্য হয়নি।
ডেমোক্রিটাসের নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয় যে কারণে তা হলো তার পারমাণবিক তত্ত্ব।
সৌভাগ্যক্রমে তার এই তত্ত্বটি অনেকটাই মৌলিকরূপে টিকে আছে বিভিন্ন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক এবং বিজ্ঞানীর লেখায়।
বিশেষ করে অ্যারিস্টটলের লেখায় ডেমোক্রিটাসের পারমাণবিক তত্ত্বের মৌলিক অংশটিই পাওয়া যায়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান
২৩.
তরল ও বায়বীয় পদার্থে কোন প্রক্রিয়ায় তাপ সঞ্চালিত হয়?
  1. ক) তাপ পরিবহণ
  2. খ) তাপ পরিচলন
  3. গ) তাপ বিকিরণ 
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
খ) তাপ পরিচলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তাপ পরিচলন
ব্যাখ্যা

তরল ও বায়বীয় পদার্থে তাপ পরিচলন প্রক্রিয়ায় তাপ সঞ্চালিত হয়ে থাকে।
যে প্রণালীতে পদার্থের উত্তপ্ত অণুগুলি নিজেরাই উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে গিয়ে তাপ সঞ্চালন করে তাকে পরিচলন বলা হয়।
যে পদ্ধতিতে পদার্থের অণুগুলো তাদের নিজস্ব স্থান পরিবর্তন না করে শুধু স্পন্দনের মাধ্যমে এক অণু তার পার্শ্ববর্তী অণুকে তাপ প্রদান করে পদার্থের উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে তাপ সঞ্চালিত করে সেই পদ্ধতিকে পরিবহন বলে।
তাপ পরিবহনের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন।
যে পদ্ধতিতে তাপ কোন জড় মাধ্যমের সাহায্য ছাড়াই অথবা জড় মাধ্যম থাকলেও সেই মাধ্যমকে উত্তপ্ত না করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয়, তাকে বিকিরণ বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি

২৪.
তড়িৎ অবিশ্লেষ্য পদার্থের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) সালফিউরিক এসিড
  2. খ) নাইট্রিক এসিড
  3. গ) কপার সালফেট
  4. ঘ) পানি
সঠিক উত্তর:
ঘ) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পানি
ব্যাখ্যা

যেসব পদার্থ দ্রবীভূত অবস্থায় তড়িৎ পরিবহন করে না, ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না তাদেরকে তড়িৎ অবিশ্লেষ্য পদার্থ বলে। যেমন- পানি, চিনি, কেরোসিন ইত্যাদি।
যেসব পদার্থ তড়িৎ প্রবাহের ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে অন্য পদার্থে পরিণত হয় তাদেরকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলে। যেমন- সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড, কপার সালফেট।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণির বই।

২৫.
নিচের কোনটি তাপমাত্রার একক?
  1. ক) সেলসিয়াস
  2. খ) কেলভিন
  3. গ) ডিগ্রী 
  4. ঘ) ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
খ) কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কেলভিন
ব্যাখ্যা
SI এককে তাপমাত্রার একক হল কেলভিন। ইহার সংকেত হল K.
তাপমাত্রা হচ্ছে কোনো বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তুটিকে অন্য বস্তুর সংস্পর্শে আনলে বস্তুটি তাপ গ্রহণ করবে না বর্জন করবে তা নির্ধারণ করে।
তাপমাত্রাকে তরলের মুক্ত তলের সাথে তুলনা করা যেতে পারে।
তরল যেমন তার পরিমাণের উপর নির্ভরশীল না হয়ে উঁচু স্থান থেকে নিচু স্থানে প্রবাহিত হয়, তাপও তার পরিমাণের উপর নির্ভরশীল না হয়ে উঁচু তাপমাত্রা থেকে নিচু তাপমাত্রার দিকে প্রবাহিত হয়।

সূত্র: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
২৬.
এক ইঞ্চি সমান কত সেন্টিমিটার?
  1. ক) 1.54
  2. খ) 2.54
  3. গ) 2.57
  4. ঘ) 3.54
সঠিক উত্তর:
খ) 2.54
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 2.54
ব্যাখ্যা
এক ইঞ্চি= ২.৫৪ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে।
১ সেন্টিমিটার= ১০ মিলিমিটার
১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার
১ মিটার = ১০০০ মিলিমিটার
১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান
২৭.
'ঈ' প্রত্যয় যোগে গঠিত কৃদন্ত শব্দ কোনটি?
  1. ক) প্রাণী
  2. খ) নারী
  3. গ) স্থায়ী
  4. ঘ) ছাত্রী
সঠিক উত্তর:
গ) স্থায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্থায়ী
ব্যাখ্যা
'ঈ' প্রত্যয় যোগে গঠিত কৃদন্ত শব্দ, স্থায়ী = স্থা+ঈ

'ঈ' প্রত্যয় যোগে গঠিত তদ্ধিতান্ত শব্দ - 
প্রাণী = প্রাণ+ঈ 
নারী = নর+ঈ 
ছাত্রী = ছাত্র+ঈ 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
২৮.
অর্থগতভাবে শব্দকে কয়ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
⇒ অর্থগতভাবে শব্দকে তিনভাগে ভাগ করা হয়েছে, যথা-
- যৌগিক শব্দ,
- রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ এবং
- যােগরূঢ় শব্দ। 

⇒ উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়:
- তৎসম,
- তদ্ভব,
- দেশি ও
- বিদেশি।

⇒ গঠন বিবেচনায় বাংলা শব্দকে মৌলিক এবং সাধিত – এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
'গৌরব' শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) √গুর্‌ + ব
  2. খ) √গুর্‌ + অ
  3. গ) গুরু + ব
  4. ঘ) গুরু + অ
সঠিক উত্তর:
ঘ) গুরু + অ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গুরু + অ
ব্যাখ্যা
গৌরব (বিশেষ্য)
- সংস্কৃত শব্দ। 
- সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় = গুরু+অ 
অর্থ: 
- গর্ব 
- অহংকার
- মহিমা, কৃপা, করুণা। 
- মর্যাদা, সম্মান। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৩০.
'রাক্ষস' শব্দের যুক্তবর্ণে কোন কোন বর্ণ যুক্ত হয়েছে?
  1. ক) ক্‌+ষ
  2. খ) হ্‌+ষ
  3. গ) হ+ম
  4. ঘ) ক্‌+ষ্‌+ম
সঠিক উত্তর:
ক) ক্‌+ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্‌+ষ
ব্যাখ্যা
'রাক্ষস' শব্দের যুক্তবর্ণে ক্‌+ষ যুক্ত হয়েছে।

ক্ষ= ক্‌+ষ
উদাহরণ: সুরক্ষা, শিক্ষা, ভিক্ষা, কক্ষ, দক্ষ। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
কোন বর্ণটি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বার থেকে বায়ু কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে?
  1. ক) ক
  2. খ) হ
  3. গ) ল
  4. ঘ) ঙ
সঠিক উত্তর:
খ) হ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হ
ব্যাখ্যা
'হ' বর্ণটি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বার থেকে বায়ু কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে। 

কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন
কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বার থেকে বায়ু কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে। হাতি শব্দেরকণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ। 

কণ্ঠ ব্যঞ্জন
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের পিছনের অংশ উঁচু হয়ে আলজিভের কাছাকাছি নরম তালুর কাছে। বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। কাকা, খালু, গাধা, ঘাস, কাঙাল প্রভৃতি শব্দের ক, খ, গ, ঘ, ঙ কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
৩২.
নিম্নের কোনটি ফারসি ভাষার শব্দ?
  1. ক) আদালত
  2. খ) তারিখ
  3. গ) লুঙ্গি
  4. ঘ) বালতি
সঠিক উত্তর:
গ) লুঙ্গি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লুঙ্গি
ব্যাখ্যা
'লুঙ্গি' ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ। 

লুঙ্গি (বিশেষ্য) 
- ফারসি শব্দ। 
অর্থ: দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের ব্যবহার্য নিম্নাঙ্গের পোশাক, তহবন, থামি। 

আদালত, তারিখ = আরবি শব্দ। 
বালতি = পর্তুগিজ শব্দ।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৩৩.
'বৃহৎ' অর্থে কোন প্রত্যয়জাত শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) বেতো
  2. খ) ডিঙা
  3. গ) বাঘা
  4. ঘ) টেকো
সঠিক উত্তর:
খ) ডিঙা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডিঙা
ব্যাখ্যা
'বৃহৎ' অর্থে ব্যবহৃত প্রত্যয়জাত শব্দ = 'ডিঙা'।

প্রত্যয় যোগ করলে শব্দের অর্থ অনেক সময় বদলে যায়- 
- বৃহৎ অর্থে: ডিঙি → ডিঙা।
- সদৃশ  অর্থে: বাঘ→ বাঘা।
- রোগগ্রস্থ অর্থে: বাত → বেতো।
- যুক্ত অর্থে: টাক  → টেকো।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।