পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৮: বিষয় - ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিক - ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব) ও পরিবেশ ১) বাংলাদেশ ও অঞ্চলভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব; ২) অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ (ভূ-প্রাকৃতিক), সম্পদের বণ্টন ও গুরুত্ব; ৩) বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা কোন দিক বরাবর অতিক্রম করেছে?
  1. উত্তর-দক্ষিণ
  2. দক্ষিণ-পশ্চিম
  3. পূর্ব-পশ্চিম
  4. উত্তর-পূর্ব
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer):
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশকে মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে অতিক্রম করেছে।

• কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রান্ত জেলাসমূহ- 
- চুয়াডাঙা
- ঝিনাইদহ
- মাগুরা
- রাজবাড়ি
- ফরিদপুর
- ঢাকা
- মুন্সীগঞ্জ
- নারায়ণগঞ্জ
- কুমিল্লা
- খাগড়াছড়ি
- রাঙামাটি

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখার ছেদবিন্দু: ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

.
পাদদেশীয় পলল সমভূমি বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. উত্তর দক্ষিণাঞ্চল
  2. দক্ষিণ পূর্বাঞ্চল
  3. উত্তর পশ্চিমাঞ্চল
  4. দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল
ব্যাখ্যা

পাদদেশীয় পলল সমভূমি:
- পাদদেশীয় পলল সমভূমি মূলত পলি সঞ্চয়ের ফলে গঠিত।
- অবস্থান: বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চল।
- এই অঞ্চলটি কৃষিকাজের জন্য উপযোগী।
- সমুদ্র সমতল থেকে উচ্চতা: প্রায় ৩০.৫ মিটার।
- পাদদেশীয় পলল সমভূমির মোট আয়তন: প্রায় ৪,০০০ বর্গকিলোমিটার।

• অন্তর্ভুক্ত জেলা
- পঞ্চগড়
- ঠাকুরগাঁও
- দিনাজপুর
- নীলফামারী
- লালমনিরহাট
- কুড়িগ্রাম
- রংপুর
- গাইবান্ধা

• প্রধান নদী
- তিস্তা
- করতোয়া
- আত্রাই

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নাফ নদী কোন উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে?
  1. মিরসরাই
  2. টেকনাফ
  3. রামু
  4. ফটিকছড়ি
ব্যাখ্যা

নাফ নদী: 
- নাফ নদী একটি আন্তর্জাতিক সীমান্তরেখা হিসেবে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের সীমান্ত চিহ্নিত করে।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার দক্ষিণ‑পূর্ব কোণে প্রবাহিত এবং আরাকান (বর্তমান রাখাইন) রাজ্যের সঙ্গে সীমান্ত করে।
- নদীটি আরাকান পাহাড় থেকে শুরু হয় এবং বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) পতিত হয়।
- এই নদীর গড় প্রশস্ততা ১.৬১ কিমি থেকে ৩.২২ কিমি পর্যন্ত।
- এর গড় গভীরতা প্রায় ৩৯ মিটার (১২৮ ফুট)।
- এর সর্বোচ্চ গভীরতা প্রায় ১২০ মিটার (৪০০ ফুট)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
উত্তমাশা অন্তরীপ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. সোমালিয়া
  2. ইথিওপিয়া
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা

উত্তমাশা অন্তরীপ:
- এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অন্তরীপ।
- অবস্থান: আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত, দক্ষিণ আফ্রিকা।
- ইউরোপ- এশিয়া সমুদ্রপথ আবিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- আটলান্টিক মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের সংযোগস্থল।
- আবিষ্কারক: বার্তোলোমিউ ডায়াস।
- আবিষ্কারের সাল: ১৪৮৮ খ্রিষ্টাব্দ।

• বিখ্যাত অন্তরীপ ও তাঁদের অবস্থান:
- হর্ন অন্তরীপ : চিলি
- ট্রাফালগার অন্তরীপ : স্পেন
- মরিস জেসাপ অন্তরীপ : গ্রিনল্যান্ড
- গার্দাফুই অন্তরীপ : সোমালিয়া
- কন্যাকুমারী অন্তরীপ : ভারত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

.
বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয় স্তরে?
  1. ট্রপোবিরতিতে
  2. স্ট্রাটোবিরতিতে
  3. মেসোবিরতিতে
  4. আয়নমন্ডলে
ব্যাখ্যা

তাপমণ্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ৮০ কিলোমিটার ঊর্ধ্বসীমা থেকে অর্থাৎ মেসোবিরতি থেকে তাপমন্ডলের শুরু।
- এ স্তরের উপরের সীমা ৫০০ কি.মি পর্যন্ত।
- এখানে বায়ুমন্ডল অত্যন্ত হালকা এবং বায়ুচাপ ক্ষীণ।
- তাপমন্ডলের ১০০ থেকে ৩০০ কি.মি উচ্চতায় অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন পরমাণু অত্যন্ত ছোট তরঙ্গমাপের সৌরশক্তি শোষণ
করায় উষ্ণতা প্রায় ১০০০০ সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
- তাপমন্ডলে আয়নিত এ অংশ আয়নমন্ডল নামে পরিচিত। 
- আয়নমন্ডল মূলত মেসোমন্ডলের ঊর্ধ্বাংশ থেকে তাপমন্ডলের নিম্নাংশ (৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার) পর্যন্ত সম্প্রসারিত।
- আয়নমন্ডলে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
থর মরুভূমি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. চীন ও মঙ্গোলিয়া
  4. চিলি ও আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা

থর মরুভূমি (Thar Desert): 
- অন্য নাম: Great Indian Desert।
- অবস্থান: দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর-পশ্চিম ভারত (রাজস্থান) এবং পাকিস্তানের কিছু অংশ।
- ভৌগোলিক ধরন: উপকূলীয় বা আধা-শুষ্ক মরুভূমি।
- আয়তন: প্রায় ২০০,০০০ বর্গকিমি।
- উচ্চতা: সমুদ্র সমতল থেকে ২০০-৩০০ মিটার।
- আবহাওয়া: শুষ্ক, বার্ষিক বৃষ্টিপাত ১০০-৫০০ মিমি, গ্রীষ্মে অত্যন্ত গরম, শীতে শীতল।
- প্রধান নদী: লুনা নদী।
- পৃথিবীর প্রধান শুষ্ক মরুভূমির একটি, পরিবেশ, কৃষি ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

• বিশ্বের অন্যান্য মরুভূমিসমূহ:
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা
- আতাকামা মরুভূমি : চিলি
- পাতাগোনিয়া মরুভূমি : চিলি, আর্জেন্টিনা
- ভিক্টোরিয়া মরুভূমি : অস্ট্রেলিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

.
পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে কোন ঘটনা সংঘটিত হয়?
  1. ঋতু পরিবর্তন
  2. জোয়ার-ভাটা
  3. সূর্যের তাপ বৃদ্ধি পায়
  4. রাত্রি দীর্ঘ হয়
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে একবার আবর্তন করতে যা সময় নেয়, তাকে আহ্নিক গতি (Rotation) বলা হয়।
- নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে একবার আবর্তন করতে পৃথিবী সময় নেয় ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড। একে সৌরদিন বলা হয়।

• আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবীতে নানা পরিবর্তন ঘটে, যেমন-
- দিবা-রাত্রি সংঘটন
- জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি
- সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি
- বায়ুপ্রবাহ সৃষ্টি
- তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি
- সময় নির্ধারণ
- উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের প্রভাব

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।

.
পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল কোথায়?
  1. চাঁদপুর
  2. গোয়ালন্দ 
  3. ভৈরববাজার
  4. চিলমারি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রধান নদীর মিলনস্থল:
- পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল- গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)।
- সুরমা + কুশিয়ারা (মেঘনা)- আজরিমিগঞ্জ (হবিগঞ্জ)।
- পদ্মা + মেঘনা মিলনস্থল - চাঁদপুর।
- ব্রহ্মপুত্র + তিস্তার মিলনস্থল- চিলমারি (কুড়িগ্রাম)।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র + মেঘনার মিলনস্থল - ভৈরববাজার (কিশোরগঞ্জ)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
পৃথিবীর সব স্থানে দিন-রাত্রি সমান হয় কত তারিখে?
  1. ২১ জুন ও ২২ ডিসেম্বর
  2. ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  3. ২১ জুন ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর ও ২১ মার্চ
ব্যাখ্যা

• ২২ ডিসেম্বর:
- উত্তর গোলার্ধ: সবচেয়ে ছোট দিন + সবচেয়ে বড় রাত।
- দক্ষিণ গোলার্ধ: সবচেয়ে বড় দিন + সবচেয়ে ছোট রাত।

• ২১ জুন:
- উত্তর গোলার্ধ: সবচেয়ে বড় দিন + সবচেয়ে ছোট রাত।
- দক্ষিণ গোলার্ধ: সবচেয়ে ছোট দিন + সবচেয়ে বড় রাত।

• ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর: পৃথিবীর সব স্থানে দিন-রাত্রি সমান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণী।

১০.
করতোয়া নদী কোন জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. দিনাজপুর
  2. পঞ্চগড়
  3. ঠাকুরগাঁও 
  4. নীলফামারী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রধান নদীর প্রবেশ পথ:
- পদ্মা নদী- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও রাজশাহী–চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
- ব্রহ্মপুত্র নদী- তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
- মেঘনা নদী - ভারতের বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং পরে মেঘনা নামে পরিচিত হয়।
- যমুনা নদী- বাংলাদেশে প্রবেশের পর ব্রহ্মপুত্র নদী যমুনা নামে পরিচিত হয় এবং কুড়িগ্রাম–লালমনিরহাট অঞ্চল দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়।
- করতোয়া নদী- পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মহানন্দা নদী- ভারতের মালদহ জেলা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- কর্ণফুলী নদী- রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- সাঙ্গু নদী- বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদী- বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
বাংলাদেশের কোথায় চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. দিনাজপুর
  2. রাঙামাটি
  3. সুনামগঞ্জ
  4. নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা

চিনামাটি:
- নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর ও এর আশপাশের এলাকায় রয়েছে চিনামাটির খনি।
- খনিজের নাম: চিনামাটি (Kaolin/China Clay)।
- ব্যবহার: সিরামিক শিল্পের প্রধান কাঁচামাল।
- মজুদের পরিমাণ: প্রায় ২৪ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন।
- তথ্য প্রদানকারী সংস্থা: খনিজ সম্পদ ব্যুরো।
- গুরুত্ব: তখনকার হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রায় ৩০০ বছরের চাহিদা পূরণে সক্ষম।
- আহরণ: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর অনুমতি নিয়ে বেসরকারি কোম্পানি।
- শ্রমিক: প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিক খননকাজে নিয়োজিত।
- উত্তোলিত চিনামাটি সিরামিক শিল্পের কারখানায় পাঠানো হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২.
বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপের নাম কি?
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. সেন্টমার্টিন দ্বীপ
  3. মহেশখালী
  4. কুতুবদিয়া 
ব্যাখ্যা

মহেশখালী:
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ।
- মহেশখালী উপজেলা কক্সবাজার জেলার চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক এলাকা।
- এটি কক্সবাজার জেলার 'ভাটি আঁচল দ্বীপ' হিসেবে বিবেচিত।
- বিশেষ করে, প্রায় ২০০ বছর আগে এটি মহেশ খালি নামে পরিচিতি পায়।
- বৌদ্ধ সেন মহেশ্বরের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছিল ।
- মহেশখালী একটি দ্বীপ যা বেশ পাহাড়ি এবং ম্যানগ্রোভ বনে ঘেরা।
- এই দ্বীপটি লবণ উৎপাদনের জন্যও বিখ্যাত। 
- আদিনাথ মন্দির দ্বীপের একটি বিখ্যাত তীর্থস্থান যেখানে প্রতি বছর হাজার হাজার হিন্দু ভক্ত সমাগম করেন।
- দ্বীপটি উপকূলীয় সমুদ্র সৈকতের পাশে বনভূমি পাহাড় এবং ম্যানগ্রোভ গাছ দ্বারা বেষ্টিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩.
কিলিমাঞ্জারো পর্বত কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইথিওপিয়া
  2. উগান্ডা
  3. কেনিয়া
  4. তানজানিয়া
ব্যাখ্যা

কিলিমাঞ্জারো পর্বত:
- আফ্রিকার সর্বোচ্চ পর্বত। 
- অবস্থান: পূর্ব আফ্রিকা, তানজানিয়া।
- উচ্চতা: ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪৫ ফিট)।
- ধরণ: কিলিমাঞ্জারো পর্বতটি একটি নিষ্ক্রিয় তুষারাবৃত স্ট্র্যাটোভলকানো।
- তিনটি শীর্ষ: কিবো, মাসে, শিরা।
- জলবায়ু/ভূপ্রকৃতি: নিম্নভূমি বন, মধ্যভূমি লাউবাল বন, উপরের অংশে হিমবাহ ও বরফপাত।
- বিখ্যাত: পর্বতারোহী ও ট্রেকিং ডেস্টিনেশন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৪.
'আন্দিজ পর্বত' কোন ধরনের পর্বতের উদাহরণ?
  1. আগ্নেয় পর্বত
  2. ভঙ্গিল পর্বত
  3. চ্যুতি-স্তুপ পর্বত
  4. মালভূমি
ব্যাখ্যা

ভঙ্গিল পর্বত: 
- ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি।
- ভঙ্গিল পর্বতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ভাঁজ। 
- কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- এশিয়ার হিমালয়,
- ইউরোপের আল্পস,
- উত্তর আমেরিকার রকি এবং
- দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।

অন্যদিকে,
- আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountains)-এর উদাহরণ- ইতালির ভিসুভিয়াস, জাপানের ফুজিয়ামা।
- চ্যুতি-স্তুপ পর্বত (Fault-block Mountains)-এর উদাহরণ- জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৫.
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি বিস্তৃত কোন অঞ্চলে?
  1. ময়মনসিংহ
  2. গাজীপুর
  3. কুমিল্লা
  4. পার্বত্য চট্টগাম
ব্যাখ্যা

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগাম তথা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে। 
• এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক) ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ) দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।

- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৬.
চুনাপাথর কোন ধরনের শিলা?
  1. আগ্নেয় শিলা
  2. রূপান্তরিত শিলা
  3. পাললিক শিলা
  4. আগ্নেয়-পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা

চুনাপাথর:
- চুনাপাথর এক প্রকার পাললিক শিলা।
- প্রধান উপাদান: ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO₃)।
- খনিজ রূপ: ক্যালসাইট, কখনো ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেট সহ বা ব্যতীত।
- বাংলাদেশে মজুতের ধরন: ভূ-পৃষ্ঠীয় ও ভূগর্ভস্থ উভয়।
- ভূ-পৃষ্ঠীয় মজুত (Surface): সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ (কক্সবাজার)।
- ভূ-পৃষ্ঠীয়/স্বল্পগভীর মজুত: ভাঙ্গেরঘাট–লালঘাট–টাকেরঘাট (সুনামগঞ্জ)।
- ভূগর্ভস্থ মজুত (Sub-surface): জয়পুরহাট জেলা।
- সর্বপ্রথম আবিষ্কার: ১৯৫৭ সাল।
- প্রথম আবিষ্কারের স্থান: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ।
- সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৭.
বাংলাদেশের বৃহত্তম জলাভূমি কোনটি?
  1. হাইল
  2. চলনবিল
  3. হাকালুকি হাওর
  4. টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা

হাকালুকি হাওড়:
- হাকালুকি হাওড় মূলত মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় অবস্থিত। 
- ভারতের আসাম সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি জলাভূমি হল হাকালুকি হাওড়। 
- এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম এবং এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ জলাভূমি।
- হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮১.১৫ বর্গ কিমি।
- হাওরটি ৫টি উপজেলা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে বিস্তৃত।
- হাওরের ৪০% বড়লেখা, ৩০% কুলাউড়া, ১৫% ফেঞ্চুগঞ্জ, ১০% গোলাপগঞ্জ এবং ৫% বিয়ানীবাজার উপজেলার অন্তর্গত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

১৮.
তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র কোথায় আবিষ্কৃত হয়?
  1. হবিগঞ্জ
  2. সিলেট
  3. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

তিতাস গ্যাসক্ষেত্র: 
- তিতাস গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয় ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে। 
- প্রতিষ্ঠা: ২০ নভেম্বর ১৯৬৪।
- প্রতিষ্ঠানের নাম: তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি।
- প্রথম পাইপলাইন: ১৪ ইঞ্চি ব্যাস, ৫৮ মাইল দীর্ঘ তিতাস-ডেমরা।
- পাইপলাইন নির্মাণকারী: তৎকালীন শিল্প উন্নয়ন সংস্থা।
- বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু: ২৮ এপ্রিল ১৯৬৮।
- প্রথম গ্যাস সরবরাহ: সিদ্ধিরগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- মাতৃ কর্পোরেশন: বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা)।
- প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
- অধিভূক্ত এলাকা: বৃহত্তর ঢাকা ও বৃহত্তর ময়মনসিংহ।

উৎস: তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি, ওয়েবসাইট।