পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
[For iPad Mania] --------------------------- বিষয় - নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন টপিকসমূহ: 1) Impact of Values Education and Good Governance in national development; 2) How the element of Good Governance and Values Education can be established in society in a given social context; 3) The benefits of Values Education and Good Governance and the cost society pays adversely in their absence. উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির পৌরনীতি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], জাতিসংঘসহ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
কোনটি অনুশীলনের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আসে?
  1. ক) সহমর্মিতা
  2. খ) মানবিকতা
  3. গ) শ্রমের মর্যাদা
  4. ঘ) শৃঙ্খলা
ব্যাখ্যা
• মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ একটি অর্জিত বিষয়, যা কোন সমাজে দীর্ঘ সময় বসবাসের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির মাঝে গড়ে ওঠে।

• শ্রমের মর্যাদা:
→ শ্রমের মর্যাদা দেওয়া প্রত্যেকের কর্তব্য।
→ এটি অনুশীলনের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আসে।
→ এর মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তি অন্য একজন ব্যক্তিকে সম্মান করতে শিখে।  

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (SSC Programme), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'দারিদ্র দূরীকরণ ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সম্ভবত সুশাসনই একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ উপাদান’- কে বলেছেন?
  1. ক) জাতিসংঘ সাবেক মহাসচিব
  2. খ) বিশ্বব্যাংক প্রধান
  3. গ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  4. ঘ) সার্ক 
ব্যাখ্যা
• সুশাসন:
- জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণে সুশাসনের বিকাশ নেই।
- এ বিষয়ে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের বক্তব্য স্বরণযোগ্য।
- তিনি বলেন- ‘দারিদ্র্য দূরীকরণ ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য ‘সম্ভবত সুশাসনই একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ উপায়'।
- তবে এই সুশাসন প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী আইনী কাঠামো, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পূর্বশর্ত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাধা কোনটি?
  1. ক) নিরপেক্ষ ন্যায়পাল
  2. খ) স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন
  3. গ) সরকারের জবাবদিহিতার অভাব
  4. ঘ) দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা
• সুশাসন:
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাধা হচ্ছে -
- আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা।
- আইনের শাসনের অভাব।
- সরকারের জবাবদিহিতার অভাব
- বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ।
- দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা।
- স্বজনপ্রীতি।
- দারিদ্র্য।
- জনসচেতনতার অভাব।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইনের তফসিল কয়টি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
• তথ্য অধিকার আইন:
- বাংলাদেশে ২০০৯ সালে প্রণীত তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 
- ২০০৯ সালের এপ্রিল মাসে তথ্য অধিকার আইন পাশ করে।
- এ আইনে অধ্যায় আছে - আটটি।
- তফসিল আছে - ১ টি
- ধারা আছে - ৩৭টি।
- এর মূল কথা হল কয়েকটি দপ্তর ব্যতীত যেকোন কর্তৃপক্ষের নিকট হতে প্রত্যেকন নাগরিকের তথ্য লাভের অধিকার থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা প্রদান করতে বাধ্য থাকবে। 

• তথ্য কমিশন:
- এ আইন প্রণয়নের ৯০ দিনের মধ্যে একটি তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেয়া হয়।
- এটি একটি সংবিধিবদ্ধ স্বাধীন সংস্থা।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকায়।
- কমিশন গঠন বিষয়ে আইনটির ১২ নং ধারায় বলা হয়েছে যে একজন প্রধান তথ্য কমিশনার এবং ২ জন তথ্য কমিশনার নিয়ে এটি গঠিত হবে। কমিশনারদের মধ্যে অন্তত: একজন হবেন নারী। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সহনশীলতা কোন ধরনের রাষ্ট্রের নাগরিকদের অন্যতম গুণ?
  1. ক) রাজতন্ত্র
  2. খ) গণতন্ত্র
  3. গ) সমাজতন্ত্র
  4. ঘ) পুঁজিবাদ
ব্যাখ্যা
• সহনশীলতা:
- সহনশীলতা বা পরমতসহিষ্ণুতা গণতন্ত্রের প্রাণ।
- অপরের বা অন্য দলের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে। অন্য ব্যক্তি ও দলকে মত প্রকাশের সুযোগ প্রদান করতে হবে।
- সহনশীল মনোভাব না থাকলে গণতন্ত্র সফল হতে পারে না।
- যে সমাজের জনগণ যত বেশি সহনশীল সে সমাজ তত বেশি গণতান্ত্রিক।

তথ্যসুত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
.
অনুন্নত বিশ্বে আমলারা নিজেদেরকে কী মনে করেন?
  1. ক) জনগণের প্রভু
  2. খ) জনগণের সেবক
  3. গ) জনগণের বন্ধু
  4. ঘ) জনগণের রক্ষক
ব্যাখ্যা
আমলাতন্ত্র:
- আমলাতন্ত্র আধুনিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অঙ্গ।
- আমলা বা সিভিল সাভের্ন্ট ছাড়া কোনো দেশে  পক্ষেই সরকার পরিচালনা করা সম্ভন নয়।
- আমল আরবি শাব্দ। এর অর্থ আদেশ পালন ও বাস্তাবায়ন।
- শব্দগতভাবে তাই যে সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সরকারের আদেশ পালন ও বাস্তাবায়ন করে তাদেরকে আমল বলে।
- আমলাদেরে সংগঠনকে বলে আমলাতন্ত্র।
- আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Bureaucracy
- অনুন্নত বিশ্বে আমলাগণ নিজেদেরকে জনগণের সেবক না ভেবে জনগণের প্রভু মনে করেন।

তথ্যসুত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
.
ই-গভর্নেন্স এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ক) তথ্যের অবাধ প্রবাহ সৃষ্টি করে জনগণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  2. খ) দ্রুততম সময়ে কাজ সম্পন্ন করা
  3. গ) কম খরচে কাজটি সম্পন্ন করা
  4. ঘ) ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার সাধন করা
ব্যাখ্যা
 • ই-গভর্নেন্স-এর উদ্দেশ্য নিম্নরূপ:
→ ই-গভর্নেন্স-এর মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
→ সরকার পরিচালনা ও প্রশাসনে স্বচ্ছতা আনয়ন করা ।
→ প্রশাসনকে গতিশীল করা।
তথ্যের অবাধ প্রবাহ সৃষ্টি করে জনগণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা 
→ দ্রুত জনগণের নিকট বিভিন্ন সেবা ও সুযোগ পৌঁছে দেওয়া ।
→ দক্ষ ও সাশ্রয়ী পন্থায় জনগণের নিকট সেবা পৌঁছানো ।
→ সরকারি তথ্য ও সেবা জনগণের মাঝে দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়া ।

→ ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এবং জনগণের নিকট তথ্য প্রাপ্তিকে সহজলভ্য করা ।
→ দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণের বা সংশ্লিষ্টতার সুযোগ সৃষ্টি।
→ নাগরিকদের মধ্যে সেবার মান উন্নীতকরণ।
→ জনগণকে ঘরে বসেই সেবা ও সুযোগ লাভের সুযোগ করে দেওয়া ।

→ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা ।
→ তথ্যপ্রবাহে অবাধ স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা ।
→ গণতন্ত্রের ভিত্তিকে মজবুত করা ৷
→. ই-কমার্সের উন্নয়ন সাধনের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন সাধন করা ।
→ শাসন ব্যবস্থাকে সহজ ও উন্নত করা।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
.
রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ হচ্ছে -
  1. ক) আইনের শাসন
  2. খ) স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
  3. গ) ভোটদান
  4. ঘ) নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা
ব্যাখ্যা
• অংশগ্রহণ:
- পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে প্রত্যেক নাগরিকের অংশগ্রহণ সুশাসনের অন্যতম একটি উপাদান।
- সুশাসনের মূল ভিত্তি নারী এবং পুরুষ উভয়রেই অংশগ্রহণ।
- বিশ্বব্যাংক মনে করে, সকলের অংশগ্রণের মাধ্যমেই কার্যকরী উন্নয়ন সম্ভব।
- অংশগ্রহণের উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণকে অধিক ক্ষমতাশীল করা।
- রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ হচ্ছে ভোটদান। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন মূল্যবোধের ফলে রাজনৈতিক সততা, শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ তৈরি হয়?
  1. ক) ধর্মীয়
  2. খ) সামাজিক
  3. গ) গণতান্ত্রিক
  4. ঘ) নৈতিক
ব্যাখ্যা
⇒ সামাজিক মূল্যবোধ:
• সামাজিক মূল্যবোধ হলো মানুষের ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক আচরণ ও কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণকারী রীতিনীতির সমষ্টি। সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে -
- শিষ্টাচার,
- সততা,
- ন্যায়পরায়ণতাবোধ,
- সহনশীলতা,
- সহমর্মিতাবোধ,
- শৃঙ্খলাবোধ,
- সৌজন্যবোধ।

⇒ রাজনৈতিক মূল্যবোধ:
• যে চিন্তাভাবনা লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের রাজনৈতিক আচার-ব্যবহার ও কর্মকান্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও প্রভাবিত করে তার সমষ্টিকে রাজনৈতিক মূল্যবোধ বলে। যেমন -
- রাজনৈতিক সততা,
- শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ,
- রাজনৈতিক সহনশীলতা,
- রাজনৈতিক জবাবদিহিতার মানসিকতা,
- পরমতসহিষ্ণুতা,
- বিরোধী মতকে প্রচার প্রসারের সুযোগ প্রদান,
- নির্বাচনে জয়-পরাজয় মেনে নেয়া,
- আইনসভাকে কার্যকর রাখা।

['রাজনৈতিক সততা, শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ' হচ্ছে রাজনৈতিক মূল্যবোধ। কিন্তু অপশনে রাজনৈতিক মূল্যবোধ না থাকায় সামাজিক মূল্যবোধের সাথে অধিক সম্পৃক্ত হওয়ায় উত্তর হিসেবে 'সামাজিক মূল্যবোধ' নেওয়া হয়েছে।]

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১০.
নিচের কোনটি নাগরিকের সামাজিক অধিকার?
  1. ক) বিদেশে নিরাপত্তা লাভ
  2. খ) দায়মুক্তি
  3. গ) সরকারি চাকুরি
  4. ঘ) বিনা বিচারে আটক না হওয়া
ব্যাখ্যা
• সামাজিক অধিকার:
- সমাজে সুন্দরভাবে সুখ-শান্তিতে বসবাসের জন্য নাগরিকগণ যেসব অধিকার ভোগ করে, সেগুলোকে সামাজিক অধিকার ভোগ বলে।
যেমন -
 → জীবন রক্ষা,
 → মত প্রকাশ,
 → চলাফেরা,
 → বিনা বিচারে আটক না হওয়া,
 → সংঘবদ্ধ হওয়া,
 → সভা-সমিতি,
 → চুক্তি স্থাপন,
 → সম্পত্তি ভোগ,
 → আইনের চোখে সমতা লাভ,
 → শিক্ষা লাভ,
 → সংবাদপত্রের স্বাধীনতা,
 → পরিবার গঠন,
 → নিজ-নিজ সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার অধিকার।
- সভ্য জীবন-যাপনের জন্য এসব অধিকার নাগরিকের জন্য অপরিহার্য। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
জাতীয়তা গঠনের অপরিহার্য উপাদান কোনটি?
  1. ক) ভাষাগত ঐক্য
  2. খ) ধর্মীয় ঐক্য
  3. গ) সাংস্কৃতিক ঐক্য
  4. ঘ) মানসিক ঐক্য
ব্যাখ্যা
জাতীয়তা:
⇒ কতকগুলি বাহ্যিক উপাদানের দ্বারা যখন কোন জনগোষ্ঠী নিজদেরকে এক এবং অন্য জনগোষ্ঠী থেকে আলাদা মনে করে তখন তারা একটি জাতীয়তা গঠন করে।

⇒ জাতীয়তার বাহ্যিক উপাদানগুলো হল—
- অভিন্ন ভাষা,
- সাহিত্য,
- ধর্ম,
- ইতিহাস,
- ঐতিহ্য,
- ভৌগোলিক এলাকা প্রভৃতি।

⇒ তবে উপাদানগুলো জাতীয়তা গঠনের ক্ষেত্রে অপরিহার্য নয়। কেননা জাতীয়তা মূলত একটি মানসিক ব্যাপার।
⇒ জন স্টুয়ার্ট মিল বলেন, “মানব জাতির সেই অংশ জাতীয়তা গঠন করেছে বলা যাবে যদি তারা সাধারণ সহানুভূতির দ্বারা পরস্পর আবদ্ধ হয়।”
⇒ ফরাসী চিন্তাবিদ রেনান বলেন, “জাতীয়তা একটি মানসিক সত্তা ও সজীব মানসিকতা।”
⇒ অধ্যাপক লাস্কি বলেন, “জাতীয়তা একটি মানসিকতার ব্যাপার যা তাদেরকে অবশিষ্ট মানবজাতি থেকে পৃথক করে।”

অর্থাৎ আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, জাতীয়তার বাহ্যিক জাতীয়তা গঠনের ক্ষেত্রে অপরিহার্য নয় বরং মানসিক ঐক্যের মাধ্যমেই জাতীয়তা গঠিত হয়।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [বিস্তারিত পড়ুন]
১২.
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ গৃহীত হয় -
  1. ক) ৬ ডিসেম্বর, ১৯৪৮
  2. খ) ১৪ আগস্ট, ১৯৪৯
  3. গ) ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮
  4. ঘ) ১৫ আগস্ট, ১৯৫০ 
ব্যাখ্যা
• মানবাধিকারের ধারণা:
- অধিকারবোধ থেকে মানবাধিকারের উৎপত্তি হয়েছে।
- মানবাধিকার বলতে সেসব আইনগত ও নৈতিক অধিকারকে বোঝায়, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং সমগ্র বিশ্বের মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ মানবাধিকার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অধিকার। প্রতিটি মানুষ এ অধিকার নিয়ে জন্মগ্রহণ করে।

- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত নং ২১৭ বিশ্বজনীন মানব অধিকার সমূহ গ্রহণ ও ঘোষণা করে।
- বিশ্ববাসীকে মানবাধিকারের ঘোষণাপত্র প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন করার জন্যই এই প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে।  
যেমন:
১. সকল মানুষ সমান মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে জন্মগ্রহণ করে।
২. সকল মানুষ যেকোন প্রকার পার্থক্য, যথা: জাতি, গোত্র, বর্ণ, লিঙ্গ, ভাষা, ধর্ম, মতাদর্শ, জাতীয় ও সামাজিক পরিচিতি, সম্পত্তি, জন্ম বা অন্য কোন মর্যাদা নির্বিশেষে ঘোষণায় উল্লেখিত সকল অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগের অধিকারী।
৩. মানবাধিকার সমগ্র বিশ্বের সর্বস্থানে সর্বকালের সকল মানুষের প্রাপ্য।
৪. বিশ্বের যেকোন রাষ্ট্রের নাগরিককে তাঁর দেশের বা আন্তর্জাতিক মর্যাদার ভিত্তিতে কোন পার্থক্য করা হবে না। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।