কোন পদ্ধতি ব্যবহার করে কম্পিউটার ও স্মার্টফোন একই সাথে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায়?
ক
Bluetooth
খ
Wi-Fi
গ
WAN
ঘ
LAN
সঠিক উত্তর: খ
Wi-Fi
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Wi-Fi
খ
ব্যাখ্যা
• Wi-Fi ব্যবহার করে কম্পিউটার ও স্মার্টফোন একই সাথে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায়।
♦ ওয়াই-ফাই (Wi-Fi): - Wi-Fi-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wireless Fidelity। - Wi-Fi-এর অপর নাম হচ্ছে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট এক্সেস। - Wi-Fi হলো তারবিহীন এক ধরনের প্রযুক্তি, যা রেডিও ওয়েব ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। - Wi-Fi প্রযুক্তিই বিশ্ব পর্যায়ে মানুষকে জোগাচ্ছে ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস সার্ভিস। - Wi-Fi-এ ২.৪ গিগাহার্টজ (GHz) ফ্রিকোয়েন্সির রেডিও ওয়েব ব্যবহার করা হয়। - Wi-Fi-এর স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে IEEE 802.11b (Institute of Electrical and Electronics Engineers)। - IEEE 802.11 হচ্ছে একটি ওয়্যারলেস বা তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড। - একটি Wi-Fi নেটওয়ার্কে দশটি বা তার অধিক কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইস সংযুক্ত করতে পারে। - ডাচ কম্পিউটার বিজ্ঞানী ভিক্টর ভিক হেরেসকে Wi-Fi-এর জনক বলা হয়। - Wi-Fi-এর অন্য স্ট্যান্ডার্ডসমূহ হলো 802.11a, 802.11g, 802.11n । - বর্তমানে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে 802.11n স্ট্যান্ডার্ডটি। আর IEEE 802.11a স্ট্যান্ডার্ডটি অধিক ব্যয়বহুল হওয়ায় বর্তমানে এর Public access নেই।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২.
আলোক রশ্মির এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য এক স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে দিক পরিবর্তন করাকে কি বলে?
ক
আলোর প্রতিফলন
খ
আলোর প্রতিসরণ
গ
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ
ঘ
সংকট কোণ
সঠিক উত্তর: খ
আলোর প্রতিসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
আলোর প্রতিসরণ
খ
ব্যাখ্যা
• প্রতিসরণ (Refraction): - কোনো সমসত্ব ও স্বচ্ছ মাধ্যমে আলো সরলরেখায় চলে। এর গতির কোন পরিবর্তন হয় না। - কিন্তু আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন এর গমন পথ বেঁকে যায় (আলো লম্বভাবে মাধ্যম পরিবর্তন করলে দিক পরিবর্তন হয় না তবে বেগের পরিবর্তন হয়)। - এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে তীর্যকভাবে আপতিত আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। - অর্থাৎ দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। - বিভেদ তলের উপর আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত লম্বকে অভিলম্ব বলে। - আপতন বিন্দুতে আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে আপতন কোণ এবং প্রতিসরিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে প্রতিসরণ কোণ বলে।
• প্রতিসরণের সূত্র (Laws of Refraction): - আলোর প্রতিসরণ দু'টি সূত্র মেনে চলে এদের প্রতিসরণের সূত্র বলে। - সূত্র দু'টি হলো: (১) দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে অবস্থান করে। (২) এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব। অর্থাৎ, sin i/sin r = একটি ধ্রুব (সংখ্যা)। - প্রতিসরণের দ্বিতীয় সূত্রটি জার্মান বিজ্ঞানী স্নেলের নামানুসারে স্নেলের সূত্র নামে অভিহিত হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩.
চোখের কোনটি মস্তিষ্কে দর্শনের অনুভূতি জাগায়?
ক
চোখের মণি
খ
আইরিস
গ
রেটিনা
ঘ
কর্ণিয়া
সঠিক উত্তর: গ
রেটিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
রেটিনা
গ
ব্যাখ্যা
• রেটিনা: - রেটিন হলো চক্ষু লেন্সের পেছনের দিকে অবস্থিত অক্ষিগোলকের ভিতরের পৃষ্টে গোলাপী রঙের ইষদচ্ছ আলোকসংবেদন আবরণ। - রেটিনা রড ও কোণ নামক কতগুলি স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা গঠিত । - রেটিনার ওপর আলো পড়লে তা স্নায়ুতন্ত্রে এক প্রকার উত্তেজনা সৃষ্টি করে ফলে মস্তিষ্কে দর্শনের অনুভূতি জাগে। - রেটিনা ক্যামেরার ফিল্মের মতো কাজ করে, ফটোরেসেপ্টরের মাধ্যমে চিত্রটি ক্যাপচার করে। - রেটিনার কাজ হলো: ১) বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠন করা। ২) আলোক গ্রাহক হিসেবে কাজ করে উজ্জ্বল আলোতে দেখতে সাহায্য করে ।
- মানব চোখের লেন্সটি উভ উত্তল বা দ্বি উত্তল। - কোনো বস্তু হতে আলোক রশ্মি চোখের লেন্স দ্বারা প্রতিসরিত হয়ে রেটিনায় বিম্ব গঠন করে। - রেটিনায় গঠিত বিম্বটি হয় সদ, উল্টো ও খর্বিত। - রেটিনা আলোক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে পরিণত করে। - মানুষের চোখে রেটিনা ও চক্ষুলেন্সের মধ্যবর্তী স্থান ভিট্রিয়াস হিউমার নামক জেলী জাতীয় পদার্থ দ্বারা পূর্ণ থাকে।
উৎস: ১. জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ] ২. পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪.
মানুষের হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক এবং পেশিজনিত কার্যক্রমগুলো পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
ক
এক্স-রে
খ
ইসিজি
গ
ইটিটি
ঘ
সিটি স্ক্যান
সঠিক উত্তর: খ
ইসিজি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ইসিজি
খ
ব্যাখ্যা
- ইসিজি করে মানুষের হৃদপিন্ডের বৈদ্যুতিক ও পেশীজনিত কাজকর্মগুলো পর্যবেক্ষন করা যায়।
• ই.সি.জি (ECG): - ইসিজি শব্দের সম্প্রসারিত অর্থ হলো ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (Electrocariogram)। - ইসিজি হলো সবচেয়ে সহজ, ব্যাথাহীন, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন একটি পরীক্ষা। - ইসিজি বা ইলেট্রোকার্ডিওগ্রাম পরীক্ষার মাধ্যমে হৃদপিন্ডের বর্তমান ও পূর্বের সমস্যা বোঝা যায়। - হৃদপিন্ড সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা, হৃদকম্পেনের বিকশিত হার বেশি, কম বা অনিয়মিত কিনা, শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গে রক্ত চলাচল সঠিক আছে কিনা তাও এর মাধ্যমে বুঝা যায়।
- শরীরে কোনো স্থানে কোষের দ্রুত, অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বিভাজন হলে তাকে ক্যান্সার বলে। - দেহে অস্বাভাবিক কোষ বিভাজনের ফলে ক্যান্সার রোগ হয়। - এই রোগে মৃত্যুর হার অনেক বেশি। - মৃত সেলের ভিতর ক্ষতিগ্রস্ত DNA থেকে এক ধরনের কোষের সৃষ্টি হয়। - প্রদাহ, ইনফেকশনের কারনে বা ক্ষতিকর ক্যামিকেলের প্রভাবে কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে এসব মৃত কোষের DNA থেকে এক ধরনের কোষ সৃষ্টি হয় যা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পায়।
উৎস: ১. উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। ২. ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৬.
বাংলাদেশের সংবিধানে প্রথম সংশোধনী আনয়ন করা হয় কবে?
ক
১৯৭২
খ
১৯৭৩
গ
১৯৭৪
ঘ
১৯৭৫
সঠিক উত্তর: খ
১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১৯৭৩
খ
ব্যাখ্যা
→ ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই সংবিধান প্রথমবার সংশোধন করা হয়। - সংবিধান (প্রথম সংশোধন) আইন, ১৯৭৩ এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধে লিপ্ত বন্দি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের বিচারের জন্য এই সংশোধনী আনা হয়। → প্রথম সংশোধনীর প্রধান উদ্দেশ্যই ছিলো- - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা - সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৭(৩) ও ৪৭ক সংযোজন করা হয়। এটি সংসদে উত্থাপন করেছিলেন- তৎকালীন আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর।
৭.
বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি ভাগ আছে?
ক
৯
খ
১০
গ
১১
ঘ
১২
সঠিক উত্তর: গ
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১১
গ
ব্যাখ্যা
সংবিধান: - বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে। - সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। - সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে। - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। - সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি। - তফসিল আছে ৭টি। - প্রস্তাবনা আছে ১টি। - মূলনীতি আছে ৪টি। - ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন। - ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়। - ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৮.
বাংলাদেশের সংবিধানে ৩৬ নং অনুচ্ছেদে কোন মৌলিক অধিকারের কথা বলা রয়েছে?
ক
চলাফেরার স্বাধীনতা
খ
সমাবেশের স্বাধীনতা
গ
সংগঠনের স্বাধীনতা
ঘ
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর: ক
চলাফেরার স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
চলাফেরার স্বাধীনতা
ক
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদের বিধান চলাফেরার স্বাধীনতা: - জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ- সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, ইহার যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থাপন এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে। ----------- ⇒ The Constitution of the People’s Republic of Bangladesh Article 36. Freedom of movement: - Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the public interest, every citizen shall have the right to move freely throughout Bangladesh, to reside and settle in any place therein and to leave and re-enter Bangladesh.
৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়-
ক
এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
খ
দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
গ
উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
ঘ
মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
সঠিক উত্তর: গ
উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
গ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি: - (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে (ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে; (খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন; (গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।
- (২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
১০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার বিধানটি বলা হয়েছে?
ক
১০৩
খ
১০৪
গ
১০৫
ঘ
১০৬
সঠিক উত্তর: গ
১০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১০৫
গ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদের বিধান আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা: - সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে। ----------- ⇒ The Constitution of the People’s Republic of Bangladesh Article 105. Review of judgments or orders by Appellate Division: The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.
১১.
অযাচিত প্রভাবজনিত চুক্তির পরিণতি কী?
ক
বাতিল
খ
বৈধ
গ
বাতিলযোগ্য
ঘ
কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: গ
বাতিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বাতিলযোগ্য
গ
ব্যাখ্যা
- চুক্তি আইনের ১৯ক ধারার বিধান: অনুচিৎ প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত চুক্তি বাতিলের ক্ষমতা: যে পক্ষের সম্মতি অনুচিত প্রভাব দ্বারা আদায় করা হয়েছে সে পক্ষের ইচ্ছানুসারে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য।
- বাতিলযোগ্য চুক্তি (Voidable agreement) : ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে যে চুক্তি বাতিল করা যায় তাকে বাতিলযোগ্য চুক্তি বলে। তবে যতোক্ষণ ঐ পক্ষ চুক্তি বাতিল ঘোষণা না করে ততক্ষণ পর্যন্ত ইহা আইনত বলবৎযোগ্য।
- চুক্তি আইনের ২ (ঝ) ধারা মতে- যে সকল সম্মতি এক বা একাধিক পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে বলবৎযোগ্য হয়, কিন্তু অপর পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে বলবৎযোগ্য হয় না, তাকে বাতিলযোগ্য সম্মতি বলে। - সাধারণত অনুচিত প্রভাব, বলপ্রয়োগ, প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনার দ্বারা আদায়কৃত সম্মতিগুলোই পরবর্তীতে বাতিলযোগ্য সম্মতি বলে গণ্য হয়। উল্লেখ্য যে, যার উপর এসব প্রয়োগ করে সম্মতি আদায় করা হয়েছে। তার ইচ্ছানুসারে এই সম্মতি বাতিলযোগ্য হয়।
------------ Section 19A. Power to set aside contract induced by undue influence: -When consent to an agreement is caused by undue influence, the agreement is a contract voidable at the option of the party whose consent was so caused. - Any such contract may be set aside either absolutely or, if the party who was entitled to avoid it has received any benefit thereunder, upon such terms and conditions as to the Court may seem just.
Illustrations (a) A's son has forged B's name to a promissory note. B, under threat of prosecuting A's son, obtains a bond from A for the amount of the forged note. If B sues on this bond, the Court may set the bond aside. (b) A, a money-lender, advances Taka 100 to B, an agriculturist, and, by undue influence, induces B to execute a bond for Taka 200 with interest at 6 per cent per month. The Court may set the bond aside, ordering B to repay the Taka 100 with such interest as may seem just.
১২.
কোন চুক্তি, আইন বা প্রথার অবর্তমানে কৃষির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত স্থাবর সম্পত্তির ইজারার মেয়াদ কত?
ক
৬ মাস
খ
ইজারা গ্রহীতার ইচ্ছামাফিক
গ
১ বছর
ঘ
ইজারা দাতার ইচ্ছামাফিক
সঠিক উত্তর: গ
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১ বছর
গ
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৬ ধারার বিধান লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ: - কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য। - অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য। - এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।
- The Transfer of Property Act, 1882 -এর ধারা ১০৬ মোতাবেক লিখিত চুক্তি, আঞ্চলিক আইন বা প্রথার অবর্তমানে কৃষির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত স্থাবর সম্পত্তির মেয়াদ হবে বার্ষিক ইজারা বা বাৎসরিক প্রজাস্বত্ব [From year to year] অর্থাৎ ১ বছর। --------- - The Transfer of Property Act, 1882 Section 106. Duration of certain leases in absence of written contract or local usage: - In the absence of a contract or local law or usage to the contrary, a lease of immoveable property for agricultural or manufacturing purposes shall be deemed to be a lease from year to year, terminable, on the part of either lessor or lessee, by six months' notice expiring with the end of a year of the tenancy; and a lease of immoveable property for any other purpose shall be deemed to be a lease from month to month, terminable, on the part of either lessor or lessee, by fifteen days' notice expiring with the end of a month of the tenancy.
- Every notice under this section must be in writing signed by or on behalf of the person giving it, and either be sent by post to the party who is intended to be bound by it or be tendered or delivered personally to such party, or to one of his family or servants at his residence, or (if such tender or delivery is not practicable) affixed to a conspicuous part of the property.
১৩.
The Transfer of Property Act, 1882 এর কত ধারায় 'চুক্তির আংশিক সম্পাদন নীতি' বর্ণিত হয়েছে?
ক
৫৩
খ
৫৩ক
গ
৫৩খ
ঘ
৫৩গ
সঠিক উত্তর: খ
৫৩ক
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৫৩ক
খ
ব্যাখ্যা
- The Transfer of Property Act, 1882 এর ৫৩ক ধারায় The Doctrine of Part performance সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে অর্থাৎ চুক্তি অনুযায়ী আংশিক কার্য সম্পাদন।
- The Transfer of Property Act, 1882 এর ৫৩ক ধারার বিধান চুক্তির আংশিক সম্পাদন: যেখানে কোন ব্যক্তি লিখিত ও তার দ্বারা স্বাক্ষরিত বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত দলিল দ্বারা মূল্যের বিনিময়ে কোন স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য চুক্তি সম্পাদন করে যা হতে হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলি যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ধারণ করা যেতে পারে এবং হস্তান্তর গ্রহীতা চুক্তির আংশিক প্রতিপালনের জন্য সম্পত্তি বা এর অংশবিশেষের দখল গ্রহণ অথবা পূর্বে দখলে থাকলে দখল বজায় রেখে চুক্তিটি আংশিক ভাবে পালন করে এবং চুক্তি অনুসারে আরও কোন কাজ করে, এবং হস্তান্তরগ্রহীতা চুক্তিতে তার অংশ পালন করে বা করতে ইচ্ছুক থাকে।
সেখানে হস্তান্তরের দলিল থাকলে হস্তান্তর তৎকালীন আইন অনুসারে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ করা না হলেও হস্তান্তরকারী বা তার কোন ওয়ারিশ চুক্তিপত্রে সুস্পষ্টরূপে উল্লিখিত অধিকার ছাড়া সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির ব্যাপারে অন্য কোন অধিকার হস্তান্তরগ্রহীতা বা তার ওয়ারিশগণের উপর প্রয়োগ করতে পারবে না।
তবে এই ধারার কোন বিধান মূল্যের বিনিময়ে এবং এই চুক্তি বা এর আংশিক পালন সম্পর্কে অনবহিত হস্তান্তর গ্রহীতার কোন অধিকারকে প্রভাবিত করবে না। ----------- - The Transfer of Property Act, 1882 Section 53A. Part performance: Where any person contracts to transfer for consideration any immoveable property by writing signed by him or on his behalf from which the terms necessary to constitute the transfer can be ascertained with reasonable certainty, and the transferee has, in part performance of the contract, taken possession of the property or any part thereof, or the transferee, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract and has done some act in furtherance of the contract, and the transferee has performed or is willing to perform his part of the contract,
then, where there is an instrument of transfer, that the transfer has not been completed in the manner prescribed therefore by the law for the time being in force, the transferor or any person claiming under him shall be debarred from enforcing against the transferee and persons claiming under him any right in respect of the property of which the transferee has taken or continued in possession, other than a right expressly provided by the terms of the contract:
Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.
১৪.
The Registration Act, 1908 অনুযায়ী দলিল নিবন্ধনের রেজিস্ট্রারের অস্বীকৃতির প্রতিকারের জন্য কোথায় যাওয়া যায়?
ক
বিভাগীয় কমিশনার
খ
ভূমি আপীল বোর্ড
গ
মহাপরিচালক, নিবন্ধন অধিদপ্তর
ঘ
দেওয়ানী আদালত
সঠিক উত্তর: ঘ
দেওয়ানী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
দেওয়ানী আদালত
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ The Registration Act, 1908 এর ৭৭ ধারার বিধান: রেজিস্ট্রার কর্তৃক অগ্রাহ্যের আদেশের ক্ষেত্রে মামলা:- (১) যেক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার ধারা ৭২ বা ধারা ৭৬ এর অধীন দলিল নিবন্ধনের জন্য আদেশ প্রদানে অস্বীকৃতিজ্ঞাপন করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত দলিলের কোন গ্রহীতা, তাহার প্রতিনিধি, মনোনীত ব্যক্তি বা এজেন্ট উক্ত অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদানের পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে যে দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে অবস্থিত কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছিল, সেই কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধিত হওয়ার নির্দেশ-সংবলিত ডিক্রি লাভের উদ্দেশ্যে উক্ত আদালতে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন, যদি এইরূপ ডিক্রি প্রদানের পর ত্রিশ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দলিলটি যথাযথরূপে দাখিল করা হয়।
তবে শর্ত থাকে যে, মামলা দায়ের করিতে ব্যর্থতা বা এই ধারার অধীন দায়েরকৃত মামলার খারিজ হইয়া যাওয়া, পক্ষকে অন্য কোন প্রতিকার পাওয়ার অধিকার হইতে বঞ্চিত করিবে না, যাহা তিনি অনিবন্ধিত দলিলের ভিত্তিতে পাইতে পারিতেন।
(২) প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ ধারা ৭৫ এর উপ-ধারা (২) ও (৩) এ বর্ণিত বিধানাবলি এইরূপ কোন ডিক্রি অনুসারে নিবন্ধনের জন্য দাখিলকৃত সকল দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, এবং, এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, দলিলটি উক্তরূপ মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে। -------- ⇒ The Registration Act, 1908 Section 77. Suit in case of order of refusal by Registrar: (1) Where the Registrar refuses to order the document to be registered, under section 72 or section 76, any person claiming under such document, or his representative, assign or agent, may, within thirty days after the making of the order of refusal, institute in the Civil Court, within the local limits of whose original jurisdiction is situate the office in which the document is sought to be registered, a suit far a decree directing the document to be registered in such office if it be duly presented for registration within thirty days after the passing of such decree: Provided that failure to file a suit or the dismissal of a suit filed under this section shall not disentitle a party to any other remedy to which he may be entitled, on the basis of the unregistered document.
(2) The provisions contained in sub-sections (2) and (3) of section 75 shall, mutatis mutandis, apply to all documents presented for registration in accordance with any such decree, and, notwithstanding anything contained in this Act, the document shall be receivable in evidence in such suit.
১৫.
The Contract Act, 1872 এর বিধান মতে কোন শর্তটি জিম্মা (bailment) এর আবশ্যকীয় উপাদান নয়?
ক
চুক্তি থাকতে হবে
খ
বিষয়বস্তু অর্পণ বা হস্তান্তর করতে হবে
গ
স্থাবর সম্পত্তি হতে হবে
ঘ
বিশেষ উদ্দেশ্যে জিম্মা
সঠিক উত্তর: গ
স্থাবর সম্পত্তি হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
স্থাবর সম্পত্তি হতে হবে
গ
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৪৮ ধারার বিধান "জিম্মা", "জিম্মাদাতা" এবং "জিম্মাদার" এদের সংজ্ঞা (Bailment, bailor, and bailee defined):
- জিম্মা- চুক্তির ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তিকে কোনো উদ্দেশ্যে কোন মালপত্র এরূপভাবে প্রদান করা হয় যে, যখন উদ্দেশ্য সাধিত হয় তখন মাল প্রদানকারীর নির্দেশ অনুসারে তা ফেরত দিতে বা অন্যভাবে এর বিলি ব্যবস্থা করতে হবে।
- জিম্মাদাতা- মালামাল প্রদানকারী ব্যক্তিকে জিম্মাদাতা বলা হয়।
- জিম্মাদার- যে ব্যক্তির নিকট এগুলি প্রদান করা হয় তাকে জিম্মাদার বলা হয়।
- জিম্মা এমন একধরনের চুক্তি যেখানে ২টি পক্ষ থাকে। যেমন: জিম্মাদাতা ও জিম্মাদার। - এই ধরনের চুক্তি দ্বারা অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়।
অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে Contract of Bailment এ জামানত হিসেবে স্থাবর সম্পত্তি হতে হবে শর্তটি জিম্মা (bailment) এর আবশ্যকীয় উপাদান নয়। ----------- Section 148. "Bailment", "bailor", and "bailee" defined: A "bailment" is the delivery of goods by one person to another for some purpose, upon a contract that they shall, when the purpose is accomplished, be returned or otherwise disposed of according to the directions of the person delivering them. The person delivering the goods is called the "bailor". The person to whom they are delivered is called the "bailee".
Explanation – If a person already in possession of the goods of another contracts to hold them as a bailee, he thereby becomes the bailee, and the owner becomes the bailor, of such goods although they may not have been delivered by way of bailment.
১৬.
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তিতে (Contract for sale) দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য ভিন্নরূপ সময় উল্লেখ না থাকলে তা কত সময়ের মধ্যে কার্যকর হবে?
ক
৩০ দিন
খ
৩ মাস
গ
৬ মাস
ঘ
১ বছর
সঠিক উত্তর: গ
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৬ মাস
গ
ব্যাখ্যা
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ৫৪ক ধারার বিধান বিক্রয় চুক্তি নিবন্ধিত হতে হবে, প্রভৃতি: হস্তান্তরগ্রহীতা সম্পত্তি বা এর কোন অংশের দখল গ্রহণ করুক বা না করুক, কোন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি শুধুমাত্র লিখিত দলিল সম্পাদন এবং The Registration Act, 1908 এর আওতায় রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে করা যাবে। - স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তিতে বিক্রয় দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য যে সময়ের উল্লেখ থাকবে রেজিস্ট্রেশনের তারিখ হতে তা কার্যকর হবে এবং যদি কোন সময় উল্লেখ না থাকে তাহলে এই সময় ৬ মাস ধরে নিতে হবে। --------------------- ⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section 54A. Contract for sale to be registered, etc. Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immoveable property can be made only by an instrument in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof.
In a contract for sale of any immoveable property, a time, to be effective from the date of registration, shall be mentioned for execution and registration of the instrument of sale, and if no time is mentioned, six months shall be deemed to be the time.
১৭.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 অনুযায়ী কৃষি বর্ষ এর প্রথম তারিখ কোনটি?
ক
১ বৈশাখ
খ
১ অগ্রহায়ণ
গ
১ ফাল্গুন
ঘ
১ চৈত্র
সঠিক উত্তর: ক
১ বৈশাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
১ বৈশাখ
ক
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ২(৩০) অনুযায়ী- বর্ষ বা কৃষিবর্ষ বলতে ১ লা বৈশাখ থেকে শুরু হওয়া বাংলা সনকে বুঝায়। ----------- ⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 Section 2(30) 'year' or 'agricultural year' means the Bengali year commencing on the 1st day of Baishakh.
১৮.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৫ ধারা অনুযায়ী খাইখালাসি বন্ধকের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত বছর?
ক
৫
খ
৭
গ
৯
ঘ
১২
সঠিক উত্তর: খ
৭
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৭
খ
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৫ ধারার বিধান রায়তি জোতের বন্ধকের উপর সীমাবদ্ধতা জমির পরিমাণ ও সময়ের সীমাবদ্ধতা: -কোন রায়ত তার জোত বা তার অংশ বিশেষ সম্পূর্ণ খাইখালাসী রেহেন ব্যতীত অন্য কোনরূপ রেহেন দিতে পারবে না এবং এরূপ সম্পূর্ণ খাইখালাসী রেহেনের চুক্তির মেয়াদ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ৭ বছরের বেশি হবে না। - এরূপ খাইখালাসী রেহেন উক্ত মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে যে কোন সময় মুক্ত করতে পারে অর্থাৎ ৭ বছর উত্তীর্ণ হওয়ার আগে কোন জমি উদ্ধার করতে চাইলে অবশিষ্ট দেনা আনুপাতিক হারে পরিশোধ করতে হবে। ------- Section 95. Limitation on mortgage of raiyat holdings: (1) Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, a raiyat shall not enter into any form of usufructuary mortgage other than a complete usufructuary mortgage in respect of his holding or of a portion or share thereof, and every such complete usufructuary mortgage shall be subject to the same limitations as are imposed by section 90 on a transfer of the holding of a raiyat or of any share or portion thereof; and the period for which such complete usufructuary mortgage may be entered into by any raiyat shall not exceed, by any agreement express or implied, seven years:
Provided that any such usufructuary mortgage may be redeemed at any time before the expiry of the said period, on payment of an amount which shall bear the same proportion to the total consideration money received by the mortgagor, as the unexpired period bears to the total period for which the mortgage had been entered into.
১৯.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারা অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের আবেদন করা কালে সংশ্লিষ্ট দলিলে উল্লিখিত বিক্রয়মূল্যের উপর শতকরা কত হারে সুদ জমা দিতে হয়?
ক
৫%
খ
৪%
গ
৮%
ঘ
২৫%
সঠিক উত্তর: গ
৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৮%
গ
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারার বিধান: অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of pre-emption) ১) আবেদন দাখিল: - জোতের সহ-শরীক প্রজা নন এমন কোন ব্যক্তির নিকট জোতের খন্ড বা অংশ বিক্রয় করা হলে সেক্ষেত্রে- - ৮৯ ধারা অনুযায়ী নোটিশ প্রদানের ২ মাসের মধ্যে; বা - নোটিশ জারি না হয়ে থাকলে বিক্রয়ের বিষয়ে অবগত হওয়ার ২ মাসের মধ্যে উক্ত খন্ড বা অংশ তার বা তাদের নিকট বিক্রয় করার জন্য আদালতে আবেদন পেশ করতে পারবেন। তবে:- i) উত্তরাধিকারসূত্রে সহ-শরীক প্রজা না হলে এবং ii) বিক্রয়ের দলিল নিবন্ধন করার ৩ বছর পর এই ধারা অনুযায়ী কোন আবেদন করা যাবে না, iii) ৯০ ধারার অধীনে ইতিমধ্যে ৩৭৫ বিঘার বেশি ভূমি ধারণ করলে সেক্ষেত্রে আবেদন করা যাবে না।
২) পক্ষভুক্তি: - এরূপ আবেদনের ক্ষেত্রে জোতের উত্তরাধিকারীসূত্রে অন্যান্য সহ-শরীকগণ এবং ক্রেতাকে পক্ষভুক্ত করতে হবে।
৩) ক্ষতিপূরন ও সুদ: আবেদনকারী আবেদন দাখিলের সময় নিম্ন বর্ণিত অর্থ জমা না দিলে আবেদন খারিজ করা হবে- - ধারা ৮৯ এর নোটিশ বা বিক্রয় দলিলে উল্লিখিত হোল্ডিং বা জোতের মোট মূল্য; - উল্লিখিত মোট মূল্যের ২৫% ক্ষতিপূরণ; - বিক্রয় চুক্তি বা দলিল সম্পাদনের তারিখে থেকে অগ্রক্রয়ের আবেদন করার সময়কালের জন্য মোট মূল্যের উপর বার্ষিক ৮% সুদ প্রদান করতে হবে। --------------------- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 Section 96.Right of pre-emption: (1) If a portion or share of a holding of a raiyat is sold to a person who is not a co-sharer tenant in the holding, one or more co-sharer tenants of the holding may, within two months of the service of the notice given under section 89, or, if no notice has been served under section 89, within two months of the date of the knowledge of the sale, apply to the Court for the said portion or share to be sold to himself or themselves:
Provided that no application under this section shall lie unless the applicant is- (a) a co-sharer tenant in the holding by inheritance; and (b) a person to whom sale of the holding or the portion or share thereof, as the case may be, can be made under section 90: Provided further that no application under this section shall lie after expiry of three years from the date of registration of the sale deed.
(2) In an application under sub-section (1), all other co-sharer tenants by inheritance of the holding and the purchaser shall be made parties. (3) An application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant or applicants, at the time of making it, deposit in the Court- (a) the amount of the consideration money of the sold holding or portion or share of the holding as stated in the notice under section 89 or in the deed of sale, as the case may be; (b) compensation at the rate of twenty five per centum of the amount referred to in clause (a); and (c) an amount calculated at the rate of eight per centum simple annual interest upon the amount referred to in clause (a) for the period from the date of the execution of the deed of sale to the date of filing of the application for preemption. (4) On receipt of such application accompanied by such deposits, the Court shall give notice to the purchaser and to the other persons made parties thereto under sub-section (2) to appear within such period as it may fix and shall require the purchaser to state what other sums he has paid in respect of rent since the date of sale and what expenses he has incurred in annulling encumbrances on, or for making any improvement in respect of the holding, portion or share sold. (5) The Court shall, after giving all the parties an opportunity of being heard after holding an enquiry as to rent paid and the expenses incurred by the purchaser as referred to in sub-section (4), direct the applicant or applicants to deposit a further sum, if necessary, within such period as the Court thinks reasonable. (6) When an application has been made under sub-section (1), any of the remaining co-sharer tenants may, within the period referred to in sub-section (1) or within two months of the date of the service of the notice of the application under sub-section (4), whichever be earlier, apply to join in the said application; any co-sharer tenant who has not applied either under sub-section (1) or under this sub-section, shall not have any further right to purchase under this section. (7) On the expiry of the period within which an application may be made under sub-section (6), the Court shall determine, in accordance with the provisions of this section, which of the applications filed under sub-section (6) shall be allowed. (8) If the Court finds that an order allowing the applications made under sub-section (7) is to be made in favour of more than one applicant, the Court shall determine the amount to be paid by each of such applicants and, after apportioning the amount, shall order the applicant or applicants who have joined in the original application under sub-section (6) to deposit in the Court the amounts payable by him or them within such period as it thinks reasonable; and if the deposit is not made by any such applicant within such period, his application shall be dismissed.
(9) On the expiry of the period within which a deposit, if any, is to be made under sub-section (8), the Court shall pass orders- (a) allowing the application or applications made by the applicant or applicants who are entitled to purchase under, and have complied with the provisions of, this section; (b) apportioning the holding or the portion or share of the holding among them in such manner as it deems equitable when such orders are passed in favour of more than one applicant under sub-section (8); (c) refunding money to any one if entitled to such refund of any money from the amount deposited by the applicant or applicants under sub-sections (3) and (5); (d) directing that the purchaser be paid out of the deposits made under sub-sections (3) and (5); (e) directing the purchaser to execute and register deed or deeds of sale within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed; and no tax, duty or fee shall be payable for such registration. (10) If the purchaser fails to execute and register deed or deeds of sale in pursuance of the directions under clause (e) of sub-section (9), within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed, the court shall execute and present deed or deeds of sale for registration within sixty days thereafter in favour of such person or persons whose application or applications have been allowed. (11) From the date of the registration of sale deed or deeds under clause (e) of sub-section (9) or under sub-section (10), the right, title and interest in the holding or portion or share thereof accruing to the purchaser from the sale shall, subject to any orders passed under sub-section (9), be deemed to have vested, free from all encumbrances which have been created after the date of sale, in the co-sharer tenant or tenants whose application or applications to purchase have been allowed under sub-section (9).
(12) The Court on further application of such applicant or applicants may place him or them, as the case may be, in possession of the property vested in him or them. (13) No apportionment ordered under clause (b) of sub-section (9) shall operate as division of the holding. (14) An application under this section shall be made to the Court which would have jurisdiction to entertain a suit for the possession of the land in connection with which the application is brought. (15) An Appeal shall lie to the ordinary Civil Appellate Court from any order of the Court under this section. (16) Nothing in this section shall be deemed to apply to homestead land. (17) Nothing in this section shall take away the right of pre-emption conferred on any person by the Mohammadan Law. (18) Nothing in this section shall apply to any transfer of any portion or share of a holding of a raiyat or any application under section 96 of this Act, made prior to coming into force of the State Acquisition and Tenancy (Amendment) Act, 2006.]
২০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী বিচারের উদ্দেশ্যে দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে পলাতক আসামীকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া যায়?
ক
৯০
খ
৬০
গ
৩০
ঘ
১৫
সঠিক উত্তর: গ
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৩০
গ
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার: (১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং (খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।
(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।
২১.
কেবল তোমার জন্যই আমার এ দুর্ভোগ। এ বাক্যে 'কেবল' হচ্ছে-
ক
উপসর্গ
খ
অনুসর্গ
গ
ধাতু
ঘ
প্রকৃতি
সঠিক উত্তর: খ
অনুসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
অনুসর্গ
খ
ব্যাখ্যা
• কেবল তোমার জন্যই আমার এ দুর্ভোগ। এ বাক্যে 'কেবল' হচ্ছে - অনুসর্গ।
• অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয়: - বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদ রূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে। - অনুসর্গগুলো কখনো প্রাতিপদিকের পরে ব্যবহৃত হয়, আবার কখনো বা 'কে' এবং 'র' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে বসে। যেমন - → বিনা: দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? (প্রাতিপদিকের পরে) → সনে: ময়ূরীর সনে নাচিছে ময়ূর। (ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে) → দিয়ে: তোমাকে দিয়ে আমার চলবে না। (দ্বিতীয়ার 'কে' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে) → কেবল: কেবল তোমার জন্যই আমার এ দুর্ভোগ। - বাংলা ভাষায় বহু অনুসর্গ আছে। যেমন - প্রতি, বিনা, বিহনে, সহ, ওপর, অবধি, হেতু, মধ্যে, মাঝে, পরে, ভিন্ন, বই, ব্যতীত, জন্যে, জন্য, পর্যন্ত অপেক্ষা, সহকারে, তরে, পানে, নামে, মতো, নিকট, অধিক, পক্ষে, দ্বারা, দিয়া, দিয়ে, কর্তৃক, সঙ্গে, হইতে, হতে, থেকে, চেয়ে, পাছে, ভিতর, ভেতর, কেবল ইত্যাদি। - এদের মধ্যে দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক, হইতে (হতে), চেয়ে, অপেক্ষা, মধ্যে প্রভৃতি কয়েকটি অনুসর্গ বিভক্তিরূপে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২২.
'Epic' শব্দের পরিভাষা কোনটি?
ক
গীতিকাব্য
খ
পুরাণ
গ
মহাকাব্য
ঘ
পত্রকাব্য
সঠিক উত্তর: গ
মহাকাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
মহাকাব্য
গ
ব্যাখ্যা
• ‘Epic' শব্দের পরিভাষা - মহাকাব্য।
• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ: • ‘Myth’ শব্দের পারিভাষা - অতিকথা, পুরাকাহিনী। • 'Elevator' শব্দের পরিভাষা - উত্তোলক। • 'Suffrage' শব্দের পরিভাষা - ভোটাধিকার। • 'Dualism' শব্দের পরিভাষা - দ্বৈতবাদ।
উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।
২৩.
চলনসই শব্দের 'সই'-
ক
বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
খ
বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
গ
সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
ঘ
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়
সঠিক উত্তর: ঘ
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়
ঘ
ব্যাখ্যা
• চলনসই শব্দের 'সই' - বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়।
• তদ্ধিত প্রত্যয়: - শব্দের সঙ্গে (শেষে) যেসব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয়। যেমন - → লাজ + উক = লাজুক, → বড় + আই = বড়াই, → ঘর + আমি = ঘরামি।
- বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলা হয় প্রাতিপদিক। প্রাতিপদিক তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি বলে প্রাতিপদিককে নাম প্রকৃতিও বলা হয়। - ধাতু যেমন কৃৎ-প্রত্যয়ের প্রকৃতি, তেমনি প্রাতিপদিকও তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি। - প্রত্যয় যুক্ত হলে ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি এবং প্রাতিপদিককে বলা হয় নাম প্রকৃতি। - তদ্ধিত প্রত্যয়গুলো বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়।
• বাংলা ভাষায় তদ্ধিত প্রত্যয় তিন প্রকার। যথা: ক. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়। খ. বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়। গ. তৎসম বা সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়।
দ্রষ্টব্য: 'টিপসই' ও 'নামসই' শব্দ দুটোর 'সই' প্রত্যয় নয়। এটি 'সহি' (অর্থ-স্বাক্ষর) শব্দ থেকে উৎপন্ন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৪.
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
ক
ঢাকা
খ
গোপালগঞ্জ
গ
মুন্সিগঞ্জ
ঘ
নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর: খ
গোপালগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
গোপালগঞ্জ
খ
ব্যাখ্যা
• কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস - গোপালগঞ্জ।
• সুকান্ত ভট্টাচার্য: - ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় মাতুলালয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ায়। - তিনি ছিলেন মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি। - সুকান্ত ভট্টাচার্য কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা দৈনিক স্বাধীনতা-র (১৯৪৫) ‘কিশোর সভা’ বিভাগ সম্পাদনা করতেন। - সুকান্তের সাহিত্য-সাধনার মূল ক্ষেত্র ছিল কবিতা। সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, যন্ত্রণা ও বিক্ষোভ তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়বস্তু। - তাঁর রচনাকর্মে গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাণীসহ শোষণহীন এক নতুন সমাজ গড়ার অঙ্গীকার উচ্চারিত হয়েছে। - ‘এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাবো আমি' - সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত উক্তি। - তিনি ২৯শে বৈশাখ, ১৩৫৪; ১৩ই মে, ১৯৪৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
• তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ: - ছাড়পত্র, - ঘুম নেই, - পূর্বাভাস, - মিঠে কড়া, - অভিযান, - হরতাল, - গীতিগুচ্ছ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২৫.
'অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ' চরণটির কবি-
ক
জীবনানন্দ দাশ
খ
সুভাষ মুখোপাধ্যায়
গ
ফররুফ আহমেদ
ঘ
আহসান হাবীব
সঠিক উত্তর: ক
জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
জীবনানন্দ দাশ
ক
ব্যাখ্যা
• 'অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ-পৃথিবীতে আজ' চরণটির কবি - জীবনানন্দ দাশ।
অদ্ভুত আঁধার এক, --- জীবনানন্দ দাশ
অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ-পৃথিবীতে আজ, যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দ্যাখে তারা; যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই – প্রীতি নেই – করুণার আলোড়ন নেই পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া। যাদের গভীর আস্থা আছে আজো মানুষের প্রতি এখনো যাদের কাছে স্বাভাবিক ব’লে মনে হয় মহত্ সত্য বা রীতি, কিংবা শিল্প অথবা সাধনা শকুন ও শেয়ালের খাদ্য আজ তাদের হৃদয়।
• জীবনানন্দ দাশ: - 'রূপসী বাংলার কবি', 'নির্জনতার কবি', 'তিমির হননের কবি', 'ধূসরতার কবি' নামে পরিচিত জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ। - তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে। - তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। - মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন বিখ্যাত কবি। - জীবনানন্দ ছিলেন বাংলা কাব্যান্দোলনে রবীন্দ্রবিরোধী তিরিশের কবিতা নামে খ্যাত কাব্যধারার অন্যতম কবি। - তাঁর 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' কাব্যের অন্তর্গত 'মৃত্যুর আগে' কবিতার সাথে আইরিশ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস-এর 'The falling of the Leaves' কবিতার মিল রয়েছে। - তাঁর 'মহাপৃথিবী' কাব্যের অন্তর্গত 'হায় চিল' কবিতার সাথে ইয়েটস্-এর 'He reproves the curlow' কবিতার মিল রয়েছে। - 'বনলতা সেন' কবিতাটিতে অ্যাডগার এলেন পো-র 'টু হেলেন' কবিতার প্রভাব রয়েছে। - বাংলাদেশে ষাটের দশকে বাঙালির জাতিসত্তা বিকাশের আন্দোলনে এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে সংগ্রামী বাঙালি জনতাকে তাঁর 'রূপসী বাংলা' তীব্রভাবে অনুপ্রাণিত করে। - জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত (১৯৫৩) হয়। - এছাড়া জীবনানন্দ দাশের 'শ্রেষ্ঠ কবিতা' গ্রন্থটিও ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৫৪) লাভ করে। - ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; 'অদ্ভুত আঁধার এক' কবিতা, জীবনানন্দ দাশ।
২৬.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান অবলম্বনে রচিত উপন্যাস?
ক
বং থেকে বাংলা
খ
চাঁদের অমাবস্যা
গ
কাঁটাতারে প্রজাপতি
ঘ
চিলেকোঠার সেপাই
সঠিক উত্তর: ঘ
চিলেকোঠার সেপাই
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
চিলেকোঠার সেপাই
ঘ
ব্যাখ্যা
• ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান অবলম্বনে রচিত উপন্যাস - চিলেকোঠার সেপাই।
• চিলেকোঠার সেপাই: - ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের মহাকাব্যোচিত উপন্যাস 'চিলেকোঠার সেপাই'। - উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র ওসমান। - কোন বাড়ির চিলেকোঠায় বাস করেও স্বাধীনতার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে সেদিন মিলিত হয়েছিল ওসমান।
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস: - ১৯৪৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার গোহাটি গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম। - তিনি ছিলেন মূলত কথাসাহিত্যিক। - তাঁর পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস। - তিনি বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। - এদেশের প্রগতিশীল ও মানবতাবাদী সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতিও তাঁর পরোক্ষ সমর্থন ছিল। - তাঁর লেখায় সমাজবাস্তবতা ও কালচেতনা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। - বাংলা ভাষা ও বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ‘বাংলা একাডেমি পুরস্কার’ (১৯৮২), 'খোয়াবনামা' উপন্যাসের জন্য ‘সাদত আলী আখন্দ পুরস্কার’ (১৯৯৫) ও কলকাতার ‘আনন্দ পুরস্কার’ (১৯৯৬) লাভ করেন। - তিনি ১৯৯৭ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
• তাঁর রচিত উপন্যাস: - চিলেকোঠার সেপাই, - খােয়াবনামা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
• সলিল চৌধুরী: - তিনি ১৯২৫ সালের ১৯ নভেম্বর আসামে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি ছিলেন গীতিকার ও সুরকার। - স্নাতক পড়াকালীন ১৯৪৪ সালে তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সংস্পর্শে আসেন। - পার্টির সাংস্কৃতিক সংগঠন 'ভারতীয় গণনাট্য সংঘ' (আইপিটিএ) যোগ দিয়ে সক্রিয়ভাবে প্রচুর কাজ করেন।
- মাত্র ২২ বছর বয়সে তিনি ‘গাঁয়ের বধূ’র মতো গান লিখে সুর করেন, যা এক বিস্ময়কর ব্যাপার বটে। - সলিল চৌধুরী ৭৫টির বেশি হিন্দি সিনেমায় সংগীত পরিচালনা করেন। এ ছাড়া তাঁর ৪৫টি বাংলা সিনেমা, ২৬টি মালয়ালাম সিনেমা, কিছু তামিল, তেলেগু, কানাড়া, গুজরাটি, অসমিয়া ও উড়িয়া চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনা করেন।
- তাঁর কিছু কালজয়ী সংগীত সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘রানার’, ‘অবাক পৃথিবী’, মাইকেলের ‘রেখ মা দাসেরে মনে’, সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ‘পাল্কির গান’, বিমল ঘোষের ‘উজ্জ্বল একঝাঁক পায়রা’ প্রভৃতি কবিতায় ও গানে সুর সংযোজন করেন। - যুদ্ধ ও দুর্ভিক্ষের পটভূমিকায় ‘বিচারপতি তোমার বিচার’, ‘ও আলোর পথযাত্রী’, ‘জন্মভূমি’, ‘হাতে মোদের কে দেবে’, ‘কোনো এক গাঁয়ের বধূ’, ‘কালো মেয়ে’, ‘তেলের শিশি ভাঙলো বলে’ ও ‘শান্তির গান’ প্রভৃতি অনবদ্য স্মরণীয় গান রচনা ও সুরকার হিসেবে প্রভূত খ্যাতি অর্জন করেন। - ১৯৯৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর এই বিস্ময়কর বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী মানুষটির মহাপ্রয়াণ ঘটে।
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা, রিপোর্ট প্রকাশের তারিখ: ২০ নভেম্বর, ২০২৩।
২৮.
কোন কবিতা রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলাম কারাবরণ করেছিলেন?
ক
আনন্দময়ীর আগমনে
খ
নারী
গ
প্রলয়োল্লাস
ঘ
বিদ্রোহী
সঠিক উত্তর: ক
আনন্দময়ীর আগমনে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
আনন্দময়ীর আগমনে
ক
ব্যাখ্যা
• 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতা রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলাম কারাবরণ করেছিলেন। - কবিতাটি ধূমকেতুর পূজা সংখ্যায় (২৬শে সেপ্টেম্বর, ১৯২২) প্রকাশিত হলে তিনি গ্রেফতার হন।
• কাজী নজরুল ইসলাম: - তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে, ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। - তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাযারের খাদেম। - কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত। - ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়। - বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কবির অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। - ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে। - ২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র, ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
• তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: - অগ্নিবীণা, - বিষের বাঁশি, - ভাঙার গান, - সাম্যবাদী, - সর্বহারা, - ফণি-মনসা, - জিঞ্জির, - সন্ধ্যা, - প্রলয় শিখা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
অন্যদিকে, • আরবি শব্দ - এজলাস, খারিজ। • পর্তুগিজ শব্দ - কার্তুজ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩০.
'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কে ছিলেন?
ক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ
প্রমথ চৌধুরী
গ
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ
দীনবন্ধু মিত্র
সঠিক উত্তর: গ
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ
ব্যাখ্যা
• 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা: - 'বঙ্গদর্শন' (১৮৭২) পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - এর প্রকাশ ও সম্পাদনা তাঁর অন্যতম কীর্তি। - তিনি এই পত্রিকায় প্রথম প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের ভাবধারার মিলন ঘটিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও 'বঙ্গদর্শন' (১৯০১) পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: - তিনি ১৮৩৮ সালে চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ। - তাঁকে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়। - তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ললিতা তথা মানস' (১৮৫৬)। - তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'। এটি ইংরেজিতে লেখা। - তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫)। - আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস। - তিনি ১৮৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস: - কপালকুণ্ডলা, - মৃণালিনী, - বিষবৃক্ষ, - ইন্দিরা, - যুগলাঙ্গুরীয়, - চন্দ্রশেখর, - রাধারানী, - রজনী, - কৃষ্ণকান্তের উইল, - রাজসিংহ।
• তাঁর রচিত প্রবন্ধ: - লোকরহস্য, - কমলাকান্তের দপ্তর, - বিবিধ সমালোচনা, - সাম্য, - কৃষ্ণচরিত্র, - ধর্মতত্ত্ব অনুশীলন ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৩১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৯ অনুযায়ী বাংলাদেশে মাথাপিছু জিডিপি'র পরিমাণ (মার্কিন ডলারে) -
ক
১৯০৯
খ
২০০৯
গ
১৮২৭
ঘ
১৯২৭
সঠিক উত্তর: গ
১৮২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১৮২৭
গ
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯: - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুযায়ী বাংলাদেশে মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ ১৮২৭ মার্কিন ডলার।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩: - বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৬৯.৮৩ মিলিয়ন। - জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩%। - মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২৭৬৫ মার্কিন ডলার। - মাথাপিছু জিডিপি: ২৬৫৭ মার্কিন ডলার। - মোট রপ্তানি আয়: ৩৪৯৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। - মোট আমদানি ব্যয়: ৪৮,৭৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৩২.
তারামন বিবি কত নম্বর সেক্টর থেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন?
ক
৫
খ
৭
গ
৯
ঘ
১১
সঠিক উত্তর: ঘ
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
১১
ঘ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান: - ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিয়েছেন। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ প্রকৃত অর্থেই ছিল জনযুদ্ধ। - নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বাত্মক এই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল সমানভাবে। - মোট গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২০৩ জন। - বর্তমানে মোট বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৪৮ জন। - এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২ জন। - ২ জন নারী বীর প্রতীক: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।
উল্লেখ্য, - তারামন বিবি ১১ নং সেক্টর থেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। - তখন ১১ নং সেক্টরের নেতৃত্বে ছিলেন সেক্টর কমান্ডার আবু তাহের। - মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার তাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে। - ১৯৯৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তারামন বিবির হাতে তুলে দেন বীর প্রতীক সম্মাননা। - ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর সবাইকে ছেড়ে যান মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী নারী মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি বীর প্রতীক।
উৎস: i) বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ওয়েবসাইট। ii) ডিসেম্বর ১, ২০২১, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৩৩.
বাংলাদেশে তৈরি প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইটের নাম কী?
ক
বিকন
খ
ব্র্যাক অন্বেষা
গ
নোয়া
ঘ
বঙ্গবন্ধু-১
সঠিক উত্তর: খ
ব্র্যাক অন্বেষা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ব্র্যাক অন্বেষা
খ
ব্যাখ্যা
• স্পেস সেন্টার: - দেশের প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট “ব্র্যাক অন্বেষা” যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে কক্ষপথের উদ্দেশে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। - স্পেস সেন্টার থেকে বাংলাদেশ সময় রাত ৩টার দিকে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়। - বাংলাদেশের ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনজন শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ হিল কাফি, রায়হানা শামস ইসলাম অন্তরা এবং মাইসুন ইবনে মনোয়ার জাপানের কিউশু ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজিতে ন্যানো স্যাটেলাইটটি তৈরি করেছেন।
উৎস: ডেইলি স্টার এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৪.
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে ঘোষণা করেছে-
ক
১ জুন ২০১৫
খ
১ জুলাই ২০১৫
গ
১ জুন ২০১৬
ঘ
১ জুলাই ২০১৬
সঠিক উত্তর: খ
১ জুলাই ২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১ জুলাই ২০১৫
খ
ব্যাখ্যা
নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ: - বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে। - একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ, অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ। - প্রতিবছর ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় অনুসারে দেশগুলোকে চারটি আয় গ্রুপে ভাগ করে। - যাদের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ। - বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।
উল্লেখ্য, - ১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে ঘোষণা করেছে।
উৎস: ২ জুলাই, ২০১৫, প্রথম আলো।
৩৫.
সম্প্রতি জাপানে সংঘটিত ঘূর্ণিঝড়ের নাম কী?
ক
গোর্কি
খ
টয়োহাসি
গ
হাগিবিস
ঘ
মিয়াজাকী
সঠিক উত্তর: গ
হাগিবিস
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
হাগিবিস
গ
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
টাইফুন হাগিবিস: - ১৯৫৯ সালে টাইফুন ভেরা'র পর থেকে এটিকেই জাপানের সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড় মনে করা হয়েছিল। - টাইফুন হাগিবি দক্ষিণ-পশ্চিম টোকিওর ইজু উপদ্বীপে ২০১৯ সালের অক্টোবরে আঘাত হানে। - ফিলিপিনের তাগালগ ভাষায় হাগিবিস অর্থ 'গতি। - বহু মানুষ নিহত ও আহত হয়েছে।
উৎস: ১৩ অক্টোবর ২০১৯, বিবিসি।
৩৬.
আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারকের সংখ্যা কত জন?
ক
১০
খ
১৫
গ
২০
ঘ
২৫
সঠিক উত্তর: খ
১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১৫
খ
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত: - জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গসংস্থা: International Court of Justice বা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত। - সদর দপ্তর অবস্থিত: দি হেগ, নেদারল্যান্ডস। - এটি ১৯৪৫ সালের জুন মাসে জাতিসংঘ সনদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৬ সালের এপ্রিলে। - বিচারকের সংখ্যা ১৫ জন। - একজন বিচারক নির্বাচিত হন ৯ বছরের জন্য। - সভাপতি নির্বাচিত হন ৩ বছরের জন্য। - বর্তমান প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের জোয়ান ই. ডনোহু।
উৎস: International Court of Justice ওয়েবসাইট।
৩৭.
জাপান ও রাশিয়ার বিরোধপূর্ণ দ্বীপটির নাম কী?
ক
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
খ
দিয়াগো গার্সিয়া
গ
কুরিল দ্বীপপুঞ্জ
ঘ
গ্রেট বেরিয়ার রীফ
সঠিক উত্তর: গ
কুরিল দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
কুরিল দ্বীপপুঞ্জ
গ
ব্যাখ্যা
কুরিল দ্বীপপুঞ্জ: - রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুরিল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ। - কুরিল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। - কুরিল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়। - বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির। - চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে এই কুরিল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের নর্দান টেরিটরি হিসাবে অভিহিত করে। - এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা হওয়া শান্তি চুক্তিতেও স্বাক্ষর করেনি।
উৎস: Britannica.
৩৮.
Persona-non-grata কোন শ্রেণির ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
ক
রাজনীতিবিদ
খ
ক্রীড়াবিদ
গ
ব্যবসায়ী
ঘ
কূটনীতিক
সঠিক উত্তর: ঘ
কূটনীতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
কূটনীতিক
ঘ
ব্যাখ্যা
- Persona-non-grata একটি Latin Term আক্ষরিক অর্থ Unwelcomed Person বা অবাঞ্চিত/অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। - Persona-non-grata বলতে অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধিকে বোঝায়। - দেশে দেশে প্রেরিত ব্যক্তি বা নিযুক্ত দূত যদি সে দেশের আস্থাভাজন না হয়, তবে তাকে অবাঞ্ছিত ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। শব্দটি সাধারণত কূটনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। - সুতরাং এটি কূটনীতিক শ্রেনির ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অগ্রহণযোগ্য কূটনৈতিক প্রতিনিধি বা Persona-non-grata হলো এমন একজন কূটনীতিক প্রতিনিধি যিনি আমন্ত্রণকারী রাষ্ট্রের নিকট অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধি এবং এই ক্ষেত্রে প্রেরক রাষ্ট্র উক্ত অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধিকে ফেরত নেওয়া উচিত। - যদি না করে, তাহলে আমন্ত্রণকারী রাষ্ট্র উক্ত কূটনীতিক প্রতিনিধিকে অগ্রাহ্য করতে বা বহিষ্কার করতে পারে।
৩৯.
উপকূল থেকে 'Exclusive Economic Zone'_______ নটিক্যাল মাইল।
ক
২২
খ
৪৪
গ
২০০
ঘ
৩৫০
সঠিক উত্তর: গ
২০০
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
২০০
গ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরে দেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ৩৭০.৪ কিলোমিটার বা ২০০ নটিক্যাল মাইল।
এছাড়া, - টেরিটোরিয়াল বা রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য : ১২ নটিক্যাল মাইল - মহীসোপানের দৈর্ঘ্য : ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।
তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা।
৪০.
২০১৯ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী -
ক
নাদিয়া মুরাদ
খ
অভিজিৎ ব্যানার্জি
গ
আবী আহমেদ আলী
ঘ
কাজুও ইশিগুরো
সঠিক উত্তর: গ
আবী আহমেদ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
আবী আহমেদ আলী
গ
ব্যাখ্যা
২০১৯ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী: - ২০১৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলি। - তিনি ১০০তম নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী। - প্রতিবেশী ইরিত্রিয়ার সঙ্গে নিজ দেশের দ্বন্দ্ব সমাধানে ভূমিকা রাখায় তাকে সম্মানজনক এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
২০২৩ সালের নোবেল বিজয়ী: - সাহিত্য: জন ফসে। - শান্তি: নার্গিস মোহাম্মদী। - চিকিৎসাবিজ্ঞান: ক্যাটালিন কারিকো এবং ড্রু উইসম্যান। - পদার্থবিজ্ঞান: পিয়েরে অ্যাগোস্টনি, ফিরেন্স ক্রাসজ এবং অ্যান লরিয়েল। - রসায়ন: মুঙ্গি জি বাউইন্ডি, লুইস ই ব্রাস এবং আলেক্সি ই.ইকিমভ। - অর্থনীতি: ক্লদিয়া গোল্ডিন।
উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।
৪১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৫ ধারার ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়?
ক
গণ-উৎপাত
খ
রাজনৈতিক অসন্তোষ
গ
পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষা
ঘ
ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কারোধ
সঠিক উত্তর: ঘ
ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কারোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কারোধ
ঘ
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে। - ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়। - ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না। -১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
৪২.
ফৌজদারী মামলার কোন পর্যায়ে আসামী ডিসচার্জের আবেদন করতে পারেন?
ক
অপরাধ আমলে নেওয়ার সময়
খ
চার্জ গঠনের সময়
গ
চার্জ গঠনের পরে
ঘ
সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামী পরীক্ষাকালে
সঠিক উত্তর: খ
চার্জ গঠনের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
চার্জ গঠনের সময়
খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। - ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। - উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। - অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রতীয়মাণ হলে, আদালত চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।
⇒ অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে- - অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র - প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং - প্রসিকিউশন এবং অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে
⇒ মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ : - মামলার রেকর্ড অর্থ হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা, মেডিকেল রিপোর্ট ইত্যাদি।
৪৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন?
ক
১৯০ ধারায়
খ
২০০ ধারায়
গ
২০১ ধারায়
ঘ
২০২ ধারায়
সঠিক উত্তর: খ
২০০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
২০০ ধারায়
খ
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু ২০০ ধারায় নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
- ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা।
- ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে নালিশকারীকে বা উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন। নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।
- যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই- ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০(ক)] খ. যেকোন মামলায় যেক্ষেত্রে আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে [ধারা ২২০ (কক)] বা গ. সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০ (কক)]। --------- The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 200 Examination of complainant: - A Magistrate taking cognizance of an offence on complaint shall at once examine upon oath the complainant and such of the witnesses present, if any, as he may consider necessary, and the substance of the examination shall be reduced to writing and shall be signed by the complainant or witness so examined, and also by the Magistrate:
Provided as follows:- (a) when the complaint is made in writing, nothing herein contained shall be deemed to require such examination before transferring the case under section 192; (aa) when the complaint is made in writing nothing herein contained shall be deemed to require such examination in any case in which the complaint has been made by a Court or by a public servant acting or purporting to act in the discharge of his official duties; (c) when the case has been transferred under section 192 and the Magistrate so transferring it has already examined the complainant and witness if any, the Magistrate to whom it is so transferred shall not be bound to re-examine them.
৪৪.
The Penal Code, 1860 এর ১৯৩ ধারা মতে কোনো বিচারিক কার্যধারায় ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের সর্বোচ্চ শাস্তি কোনটি?
ক
৫ বৎসর কারাদণ্ড
খ
৭ বৎসর কারাদণ্ড তদুপরি অর্থদণ্ড
গ
১৪ বৎসর কারাদণ্ড তদুপরি অর্থদণ্ড
ঘ
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর: খ
৭ বৎসর কারাদণ্ড তদুপরি অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৭ বৎসর কারাদণ্ড তদুপরি অর্থদণ্ড
খ
ব্যাখ্যা
- The Penal Code, 1860 এর ১৯১ ধারায় মিথ্যা সাক্ষ্যের সংজ্ঞা, ১৯২ ধারায় মিথ্যা সাক্ষ্য সাজানোর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- The Penal Code, 1860 এর ১৯৩ ধারায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি (Punishment for false evidence ) দেওয়া আছে : মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করার শাস্তিঃ ১) অন্য কোন ক্ষেত্রে হলে-৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদন। ২) বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম হলে- ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
------------- - দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- উদাহরণ: জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।
৪৫.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় প্রতারণার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
ক
৪২০ ধারায়
খ
৪১৫ ধারায়
গ
৪০৬ ধারায়
ঘ
৪০৫ ধারায়
সঠিক উত্তর: খ
৪১৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৪১৫ ধারায়
খ
ব্যাখ্যা
- The Penal Code, 1860 এর ৪১৫ ধারায় প্রতারণার বিধান রয়েছে। প্রতারণা বলতে ফাঁকি দিয়ে বা মিথ্যা বর্ণনার দ্বারা কাউকে এমনভাবে প্রভাবিত করা যে, প্রতারিত ব্যক্তি যেন প্রতারণাকারীর ইচ্ছামাফিক কোন কাজ করে যা প্রতারিত ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি করে (damage or harm to that person in body,mind,reputation or property) অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা না করতে বা সম্পত্তি অর্পনে বাধ্য করে।
- যে ব্যক্তি প্রতারণা করেন তাকে প্রতারণাকারী বলে, অন্যদিকে যে ব্যক্তি প্রতারণার শিকার হন তাকে প্রতারিত বলে।
- The Penal Code, 1860 এর ৪১৫ ধারা অনুযায়ী অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা (A dishonest concealment of facts) ছলনা (deception) বলে গণ্য হবে।
৪৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এ নিম্নোক্ত কোন শব্দটির প্রয়োগ নেই?
ক
Inquiry
খ
Investigation
গ
Re-investigation
ঘ
Further investigation
সঠিক উত্তর: গ
Re-investigation
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
Re-investigation
গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)
• অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। - ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই। অর্থাৎ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর মাঝে Re-investigation শব্দটির প্রয়োগ নেই।
• তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।
• ১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
৪৭.
জি.আর. মামলায় খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপীল না করলে সংবাদদাতার প্রতিকার হচ্ছে-
ক
আপীল
খ
রিভিউ
গ
রিভিশন
ঘ
রেফারেন্স
সঠিক উত্তর: গ
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
রিভিশন
গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী পুলিশকে আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য উভয় ধরণের মামলা বা অপরাধ সংঘটনের সংবাদ প্রদান করা যায়। পুলিশকে আমলযোগ্য অপরাধের [Cognizable offence] সংবাদ দিলে, তা পুলিশ ১৫৪ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে। এই ধারায় দায়েরকৃত মামলা এফআইআর কেস (FIR case) বা পুলিশ কেস (Police Case) বা জি.আর (G.R) কেইস নামে পরিচিত। এই মামলার ক্ষেত্রে ১৫৬(১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে। ফৌজদারি মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ/পাবলিক প্রসিকিউটর দুই বার আপিল করতে পারেন। অর্থাৎ, ১ম বার মূল মামলার বিরুদ্ধে, ২য় বার আপিলের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন। কিন্তু পাবলিক প্রসিকিউটর/রাষ্ট্রপক্ষ ১ম আপিল না করলে GR মূল মামলায় প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী/সংবাদদাতা রিভিশন করতে পারে।
- অর্থাৎ GR মূল মামলায় প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ/পাবলিক প্রসিকিউটর আপিল না করলে অভিযোগকারী/সংবাদদাতা ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্টে বা ৪৩৯এ ধারায় দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করতে পারে।
৪৮.
চুরি করতে গিয়ে আসামী স্বেচ্ছায় আঘাত করলে অপরাধটি হবে-
ক
চুরি
খ
ডাকাতি
গ
দস্যুতা
ঘ
বলপূর্বক আদায়
সঠিক উত্তর: গ
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
দস্যুতা
গ
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
- দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে। - দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান- i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল; ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল; iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
- দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
- প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে। - ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
৪৯.
The Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় 'Comparison of signature, writing of seal with others admitted or proved' সংক্রান্ত বিধানটি বর্ণিত আছে?
ক
৭১ ধারায়
খ
৭২ ধারায়
গ
৭৩ ধারায়
ঘ
৭৪ ধারায়
সঠিক উত্তর: গ
৭৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৭৩ ধারায়
গ
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 73. Comparison of signature, writing or seal with others, admitted or proved: - In order to ascertain whether a signature, writing or seal is that of the person by whom it purports to have been written or made, any signature, writing or seal admitted or proved to the satisfaction of the Court to have been written or made by that person may be compared with the one which is to be proved, although that signature, writing or seal has not been produced or proved for any other purpose. - The Court may direct any person present in Court to write any words or figures for the purpose of enabling the Court to compare the words or figures so written with any words or figures alleged to have been written by such person. - This section applies also, with any necessary modifications, to finger-impressions.
৫০.
The Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় 'An accomplice shall be a competent witness against an accused person'-সংক্রান্ত বিধানটি বর্ণিত আছে?
ক
১৩১ ধারায়
খ
১৩২ ধারায়
গ
১৩৩ ধারায়
ঘ
১৩৪ ধারায়
সঠিক উত্তর: গ
১৩৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১৩৩ ধারায়
গ
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 133. Accomplice: - An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice. --------- ⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান: দুষ্কর্মের সহযোগীঃ-আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনি হবে না।
৫১.
Who says 'If there were no bad people, there would be no good lawyers"?
ক
Benjamin franklin
খ
Charles Dickens
গ
Theodore Roosevelt
ঘ
Stephen Breyer
সঠিক উত্তর: খ
Charles Dickens
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Charles Dickens
খ
ব্যাখ্যা
• Charles Dickens says 'If there were no bad people, there would be no good lawyers"
• Charles Dickens: - Born: February 7, 1812, Portsmouth, Hampshire, England - Death: June 9, 1870. - Boz' was the pseudonym of Charles Dickens. - He was considered the greatest novelist of the Victorian era.
• Famous quotes of Charles Dickens: If there were no bad people, there would be no good lawyers. Accidents will occur in the best-regulated families. I only ask to be free. The butterflies are free. It is a melancholy truth that even great men have their poor relations. Any man may be in good spirits and good temper when he's well dressed. There ain't much credit in that.
• Best Works: - A Christmas Carol, - David Copperfield, - Bleak House. - A Tale of Two Cities, - Great Expectations, - Our Mutual Friend. - Hard Times
Source: Britannica.
৫২.
The phrasal verb 'write off' means
ক
ending a letter
খ
cancelling debt
গ
reducing rates
ঘ
ending of writing
সঠিক উত্তর: খ
cancelling debt
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
cancelling debt
খ
ব্যাখ্যা
• Write something off English meaning: Cancel the record of a bad debt; acknowledge the loss of or failure to recover an asset. Bangla Meaning: বাতিল করা; কোনোকিছুকে আর গণ্য বলে বিবেচনা না-করা।
Example: He urged the banks to write off debt owed by poorer countries.
Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy and Oxford Learner's Dictionary,
৫৩.
'Known secret' in example of-
ক
open secret
খ
oxymoron
গ
romanticism
ঘ
Nazism
সঠিক উত্তর: খ
oxymoron
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
oxymoron
খ
ব্যাখ্যা
• 'Known secret' in example of - oxymoron.
• Oxymoron: - A figure of speech in which apparently contradictory words are put together. - Oxymoron এর মাঝে দুটি বিপরীতার্থক শব্দ পাশাপাশি বসে। - When we use phrases like male-female, host-guest, civil war, an open secret, magic realism, or wise fool, we use oxymorons.
• Example: All changed, changed utterly: A terrible beauty is born. (Yeats: ''Easter 1916'')
Source: An ABC of English Literature, Live MCQ Lecture and Britannica.
৫৪.
It is time to go home. Here 'home' is a/an-
ক
noun
খ
adverb
গ
adjective
ঘ
pronoun
সঠিক উত্তর: খ
adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
adverb
খ
ব্যাখ্যা
• It is time to go home. Here 'home' is an - adverb.
• Adverb: - যেসব word noun বা pronoun ছাড়া অন্য যেকোন parts of speech, বিশেষ করে verb কে modify করে সেগুলোকে adverb বলে। - Adverb এমন একটি part of speech যা একটি verb, adjective, অন্য আর একটি adverb অথবা পুরো একটি বাক্যকে মডিফাই করতে পারে।
• এখানে home একটি adverb যা verb ‘go’ কে modify করেছে। - Home শব্দটি এখানে adverb of place. - where, why, how, when ইত্যাদি শব্দগুলো দিয়ে Verb-কে প্রশ্ন করে পাওয়া উত্তরই হল adverb. - Home শব্দটির মাধ্যমে আমরা Where-এর উত্তর পাচ্ছি এবং জানতে পারছি কোথায় যাওয়ার (go) কথা বলা হচ্ছে। - Home, abroad, here, there, nowhere বাক্যকে adverb of place কে নির্দেশ করে এবং where প্রশ্নের উত্তর প্রদান করে।
৫৫.
Working in the morning is good for health
Here 'working' is a/an
ক
pronoun
খ
present participle
গ
gerund
ঘ
adjective
সঠিক উত্তর: গ
gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
gerund
গ
ব্যাখ্যা
• Working in the morning is good for health. - Here 'working' is a gerund. • Gerund: - Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে noun এর কাজ করে অর্থাৎ verb ও noun এর কাজ করে, তাকে Gerund বলে। - Gerund: Verb + ing = noun = Verb + noun. - It is a word ending in '-ing' that is made from a verb and used like a noun. - Gerunds don't describe action, they act as nouns.
• একটি বাক্যের বিভিন্ন স্থানে gerund বসতে পারে। - প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে, - Subject হিসেবে এটি বসেছে। - Verb+ing – Noun হিসেবে ব্যবহৃত হলে এটা Gerund হয়। - তাই, প্রদত্ত বাক্যে 'Working' একটি gerund.
৫৬.
What does this Latin expression 'i.e' stand for?
ক
ideal energy
খ
inner edge
গ
id est
ঘ
it east
সঠিক উত্তর: গ
id est
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
id est
গ
ব্যাখ্যা
• The term i.e. is a shortening of the Latin expression 'id est', which translates to “that is.” - It is used to introduce a rephrasing or elaboration on something that has already been stated.
• The term e.g. is an abbreviation of the Latin expression exempli gratia, meaning “for the sake of example” or more colloquially, “for example.” - This term is used to introduce examples of something that has already been stated.
৫৭.
I was debarred from ___ examination.
ক
taking
খ
appearing
গ
sitting
ঘ
giving
সঠিক উত্তর: ক
taking
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
taking
ক
ব্যাখ্যা
• পরীক্ষা দেওয়ার অর্থে take/appear at/sit for বসে। - বাক্যে taking এরপর সরাসরি object আসে। - He was debarred from taking examination.
• অন্যদিকে, খ) appearing এরপর at +the examination এভাবে আসে। - He was debarred from appearing at the examination
গ) sitting এরপর for + examination এভাবে আসে। - He was debarred from sitting for the examination.
ঘ) giving + an/the examination এভাবে আসে - He was debarred from giving an/the examination.
৫৮.
'Animal Farm' was written by-
ক
George Eliot
খ
Grorge Orwell
গ
Ernest Hemingway
ঘ
Thomas Hardy
সঠিক উত্তর: খ
Grorge Orwell
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Grorge Orwell
খ
ব্যাখ্যা
• Animal Farm: - It is a political allegory/ satirical allegorical novella about revolution and power. - অর্থাৎ, Animal Farm লেখা হয়েছে allegorical form এ। - Allegory is a literary term in which one story is told in the guise of another story. - Through the tale of a group of farm animals who overthrow the owner of the farm, Animal Farm explores themes of totalitarianism, the corruption of ideals, and the power of language.
• এই উপন্যাসের চরিত্র সমূহ দুই দলে বিভক্ত - ১. মানুষ হিসাবে রয়েছেন - Mr. Jones, Mr. Whymper, Mr. Pilkington,Mr. Frederick ২. পশু হিসাবে রয়েছে - Napoleon, Snowball, Old Major, Squealer, Boxer, Benjamin, Mollie, Clover, Moses, Muriel.
• George Orwell, Modern Period এর একজন সুপরিচিত লেখক। - তিনি একাধারে English novelist, essayist, and critic. - তাঁর প্রকৃত নাম হচ্ছে - Eric Arthur Blair. - তিনি তাঁর 'Animal Farm' এবং Nineteen Eighty-four নামক novel এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
• Notable work: - A Clergyman’s Daughter - A Hanging - Animal Farm” - Burmese Days - Coming Up for Air - Down and Out in Paris and London - Homage to Catalonia - Keep the Aspidistra Flying - Nineteen Eighty-four
Source: Britannica.
৫৯.
Who said 'A Thing of beauty is a joy forever'?
ক
John Keats
খ
P.B. Shelley
গ
Robert Frost
ঘ
Auden
সঠিক উত্তর: ক
John Keats
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
John Keats
ক
ব্যাখ্যা
• 'A thing of beauty is a joy for ever' was stated by John Keats in his poem Endymion. - Endymion appeared in 1818. - এই কবিতাটি John Ketas এর first long poem. - This work is divided into four 1,000-line sections, and its verse is composed in loose rhymed couplets. • 'A thing of beauty is a joy for ever' এই কবিতার একটি বিখ্যাত উক্তি। - এটি তাঁর কবিতাটির প্রথম লাইন।
• John Keats, an English Romantic lyric poet who devoted his short life to the perfection of a poetry marked by vivid imagery, great sensuous appeal, and an attempt to express a philosophy through classical legend. - He is also called the ‘Poet of beauty’.
• John Keats's poems are - - Ode to Psyche - Ode on Melancholy - To Autumn - Bright Star - On First Looking into Chapman's Homer - Lamia - The Eve of St - La Belle Dame Sans Merci
Source: Britannica and Poetry Foundation.
৬০.
'Justice must not only be done, it must be soon to be believed' - Who said this?
ক
Martin Luther King
খ
Seamus Heaney
গ
J.B. Morton
ঘ
James Mathew
সঠিক উত্তর: গ
J.B. Morton
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
J.B. Morton
গ
ব্যাখ্যা
- "Justice must not only be done, it must be seen to be believed.' - ব্রিটিশ লেখক J. B. Morton এর বিখ্যাত উক্তি এটি। তার অন্য একটি উক্তি হচ্ছে- "A library is a room where the murders take place."
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৪ ধারার বিধান অপরাধের বিচার, ইত্যাদি: (১) এই আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধসমূহ অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক বিচার্য হইবে।
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংশ্লিষ্টদায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, উহারএখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য, কেবল মাদকদ্রব্য অপরাধ বিচারের নিমিত্ত, প্রয়োজনে, এক বা একাধিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত নির্দিষ্ট করিবেন।
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২০ সালে সংশোধন করে মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করা হয়েছে। ২০২০ সালের আগের ট্রাইব্যুনাল স্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত- জেলার দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করবেন ধারা ৪৪(৪) এমন বিধান ছিল।
- বর্তমানে ৪৪ ধারায় বলা হয়েছে, এই আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধসমূহ অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক বিচার্য হবে।
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নের অপশনের যে কোন আদালত এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত হতে পারবে। -এজন্য প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।
৬২.
একজন যুগ্ম দায়রা জজ সমন্বয়ে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে-
ক
দায়রা আদালতে
খ
সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে
গ
হাইকোর্ট বিভাগে
ঘ
বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে
সঠিক উত্তর: গ
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
হাইকোর্ট বিভাগে
গ
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ২৬(২) ধারা অনুসারে প্রত্যেক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ তার নিজস্ব দায়রা বিভাগের মধ্যে এই আইন অনুসারে বিচারযোগ্য অপরাধসমূহের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বলে গণ্য হবে। ⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩০ ধারা অনুসারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল যে দণ্ডই প্রদান করুক না কেন আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে ৩০ দিনের মধ্যে। -------------- ⇒ Section 26. Offences under this Act and certain other offences to be tried by Special Tribunals: (1) Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force, the offences specified in the Schedule to this Act shall be triable exclusively by a Special Tribunal constituted under sub-section (2).
(2) Every Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Assistant Sessions Judge shall, for the areas within his sessions division, be a Special Tribunal for the trial of offences triable under this Act 21:
Provided that the Government may, for the purpose of trial of offences mentioned in paragraphs 3 and 4 of the Schedule to this Act, constitute one or more additional Special Tribunals for such areas as may be specified by the Government and an additional Special Tribunal so constituted shall consist of one member, to be appointed by the Government, who shall be a person who is a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class.
(3) A Special Tribunal consisting of the Sessions Judge may transfer, at any stage of the trial, any case from one Special Tribunal to another Special Tribunal within his sessions division. ⇒ Section 30. Appeals and confirmation of death sentences: (1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof. (2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.
৬৩.
'জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস' কত তারিখে -
ক
২৬ জানুয়ারি
খ
২৮ এপ্রিল
গ
২৭ আগস্ট
ঘ
২২ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর: খ
২৮ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
২৮ এপ্রিল
খ
ব্যাখ্যা
- সরকার আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার পেতে অসমর্থ বিচার প্রার্থী জনগণকে সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রদান করার জন্য ২০০০ সালে "আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০" পাস করে। - এই আইনের আওতায় সরকারি আইন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকার একই বছর "জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা" নামে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা প্রতিষ্ঠা করে। উক্ত সংস্থার অধীনে ইতোমধ্যে দেশের ৬৪টি জেলায় জেলা ও দায়রা জজের নেতৃত্বে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করা হয়েছে। - জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির পাশাপাশি সারাদেশের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করা হয়েছে। - বিগত ২৯/০১/১৩ খ্রিঃ তারিখে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকার "আইনগত সহায়তা প্রদান আইন ২০০০" কার্যকরের তারিখ অর্থাৎ ২৮ এপ্রিল কে 'জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস' ঘোষণা করে।
৬৪.
শিশু আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যায়-
ক
দায়রা জজ আদালতে
খ
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
গ
হাইকোর্ট বিভাগে
ঘ
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে
সঠিক উত্তর: গ
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
হাইকোর্ট বিভাগে
গ
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪১ ধারার বিধান আপিল ও পুনর্বিবেচনা: - (১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে।
- (২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।
- (৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
৬৫.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এ বর্ণিত অপরাধ সমূহের বিচার করেন-
ক
দায়রা জজ
খ
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
গ
স্পেশাল জজ
ঘ
মহানগর দায়রা জজ
সঠিক উত্তর: গ
স্পেশাল জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
স্পেশাল জজ
গ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৮ ধারার বিধান অপরাধের বিচার, ইত্যাদি: - (১) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ কেবলমাত্র স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য হইবে৷
- (২) এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷
- (৩) The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর কোন বিধান এই আইনের কোন বিধানের সহিত অসংগতিপূর্ণ হইলে এই আইনের বিধান কার্যকর হইবে৷
৬৬.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের দণ্ড-
ক
৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড
খ
২ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
গ
২ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত
ঘ
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর: গ
২ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
২ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত
গ
ব্যাখ্যা
⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৪ ধারার বিধান অপরাধের শাস্তি:
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্জন্য আদালত তদ্বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷
৬৭.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় ইলেকট্রনিক তথ্য প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে?
ক
২৯ ধারায়
খ
৩০ ধারায়
গ
৩১ ধারায়
ঘ
৩২ ধারায়
সঠিক উত্তর: খ
৩০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৩০ ধারায়
খ
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৩০ ধারার বিধান ইলেকট্রনিক তথ্য প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা: - অডিও ভিস্যুয়াল যন্ত্র বা কোন ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে ধারণকৃত সাক্ষ্য প্রমাণ ট্রাইব্যুনালের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য (admissible) হইবে।
৬৮.
ডিজিটাল মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা জাতির পিতার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুসারে প্রথমবার সংঘটিত অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
ক
৫ বৎসর
খ
১০ বৎসর
গ
২০ বৎসর
ঘ
যাবজ্জীবন
সঠিক উত্তর: খ
১০ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১০ বৎসর
খ
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২১ ধারার বিধান: মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রপাগান্ডা বা প্রচারণার দণ্ড: -(১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রপাগান্ডা ও প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ। - (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১(এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। - (৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা ৩(তিন) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
বর্তমানের সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড: - (১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ। - (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
উল্লেখ্য: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ কে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ ( ২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন ) দ্বারা রহিত করা হইয়াছে।
অর্থাৎ বর্তমানের সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান মতে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ৫ বৎসর কিন্তু তখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২১ ধারার বিধান মতে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ১০ বৎসর ছিলো।
৬৯.
জনপ্রিয়তা : গর্ব :: প্রত্যাখ্যান:?
ক
অবহেলা
খ
ব্যর্থতা
গ
হতাশা
ঘ
অযোগ্যতা
সঠিক উত্তর: গ
হতাশা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
হতাশা
গ
ব্যাখ্যা
জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেলে গর্ব হয় এবং প্রত্যাখ্যান বৃদ্ধি পেলে হতাশা বাড়ে এমন একটি সম্পর্ক নির্দেশ করছে এখানে। ------------ অন্য অপশনগুলোর ক্ষেত্রে এমন সম্পর্ক পাওয়া যায় না।
৭০.
আকস্মিকভাবে কোনো কঠিন বিপদে পড়লে আপনি কী করবেন?
ক
কোনমতেই প্রকাশ করবেন না
খ
বিপদ এড়িয়ে চলবেন
গ
বন্ধু বান্ধবদের সহায়তায় উদ্ধার পাওয়ার চেষ্টা করবেন
ঘ
ধীরস্থীরভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেই বিপদ জয় করতে চেষ্টা করবেন
সঠিক উত্তর: ঘ
ধীরস্থীরভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেই বিপদ জয় করতে চেষ্টা করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ধীরস্থীরভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেই বিপদ জয় করতে চেষ্টা করবেন
ঘ
ব্যাখ্যা
- যে কোনো বিপদে উত্তেজিত না হয়ে ধীর স্থির থাকলে বিপদ অতিক্রম করার কোন না কোন উপায় মাথায় আসে অন্যথায় হিতে বিপরীতও হতে পারে। নিজের বিপদ একা কাটানোর চেষ্টা করলে নিজের পছন্দ মত উপায়ে তা অতিক্রম করা যাবে। - যদি একান্তই নিজে একা বিপদ মোকাবিলা না করা যায় তখন বন্ধুদের সাহায্য নিতে হবে।
উল্লিখিত প্রশ্নে অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর (ঘ)"ধীরস্থীরভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেই বিপদ জয় করতে চেষ্টা করবেন"
৭১.
'Areeat' শব্দটির সাথে সম্পর্কযুক্ত-
ক
দান
খ
বিক্রয়
গ
উইল
ঘ
ওয়াকফ
সঠিক উত্তর: ক
দান
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
দান
ক
ব্যাখ্যা
- আরিয়ত (Areeat): এর অর্থ সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর বুঝায় না বরং আরিয়ত হলো এমন ধরনের দান যেক্ষেত্রে দাতার ইচ্ছাধীন সময়কাল পর্যন্ত সম্পত্তির আয় এবং লভ্যাংশ ভোগ করার অস্থায়ী অনুমতি দেওয়া হয়। আরিয়ত চাইলে রদ করা যায়। অর্থাৎ আরিয়ত (Areeat) শব্দটির সাথে সম্পর্কযুক্ত হচ্ছে দান।
- দাতার ইচ্ছাধীন সময়কালে পুনঃপ্রবর্তনযোগ্য কোনো কিছু গ্রহণ ও তার আয় ভোগ করার অস্থায়ী অনুমতিকে আরিয়ত (Areeat) বলে।
৭২.
'ক', 'খ' -এর বরাবরে প্রদত্ত একটি হেবানামায় উল্লেখ করেন যে, "আমি যতদিন বেঁচে আছি সম্পত্তি ভোগ করবো এবং বিক্রয় বা দান করবো না, আমার মৃত্যুর পর তুমি মালিক হবে" দানটি-
ক
বৈধ
খ
অবৈধ
গ
অনিয়মিত
ঘ
কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ
অবৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
অবৈধ
খ
ব্যাখ্যা
শর্তসাপেক্ষে দান: - যদি কেউ কোনো সম্পত্তি, এমন শর্তে দান করে যার মাধ্যমে দান গ্রহীতাকে সম্পত্তিটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম বাধা নিষেধ দেয়া হয়, যেমন গ্রহীতা সেটি বিক্রি করতে পারবে না, তাহলে দানটি বৈধ হবে কিন্তু শর্তটি অবৈধ হবে। - কেউ যদি ঘটনা সাপেক্ষে কোনো দান করে তাহলে দানটি অবৈধ হবে। - কেউ যদি ভবিষ্যৎ সম্পত্তি দান করে তাহলেও দানটি অবৈধ হবে। -হেবা বা দান সাধারণত The Transfer of Property Act, 1882 অনুযায়ী পরিচালিত হয়। -মুসলিম আইন অনুসারে দান বা হেবার কোনো আইন বাংলাদেশে নেই। কিন্তু মুসলিম আইনের হেবার বিধানটি The Transfer of Property Act, 1882 তে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। - The Transfer of Property Act, 1882 এর ১২৩ নং ধারায় বলা হয়েছে। অন্য কোনো আইনে যা-ই থাকুক না কেন মুসলিম আইনের দান অত্র আইনের অধীন কোনো দান বলে গণ্য হবে। - The Registration Act, 1908 এর ১৭(১) (AA) ধারায় বলা হয়েছে- মুসলিম আইনের অধীন প্রত্যেকটি দান অবশ্যই নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে হতে হবে।
বর্ণিত দানটি ঘটনাসাপেক্ষ দান (Contingent Gift) তাই এটি অবৈধ হবে। সম্ভাব্য কোনো ঘটনাসাপেক্ষে কিছু দান করা হলে এমন দান বৈধ হবে না। আলোচ্য প্রশ্নের দানটি দাতার মৃত্যুর পর কার্যকর হবে, অর্থাৎ ভবিষ্যতে কোনো একটি ঘটনা ঘটার শর্তে দান। ভবিষ্যতে কোনো ঘটনা ঘটা সাপেক্ষে কিছু দান করা হলে তা অবৈধ হবে। পাশাপাশি হেবার ক্ষেত্রে-সম্পত্তি তাৎক্ষণিক হস্তান্তর করতে হয়।
৭৩.
'Doctrine of Cy-pres' এর সাথে সম্পর্কযুক্ত -
ক
দান
খ
বিবাহ
গ
ওয়াকফ
ঘ
মোহরানা
সঠিক উত্তর: গ
ওয়াকফ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ওয়াকফ
গ
ব্যাখ্যা
⇒ "সাইপ্রেস" অর্থ- যতদূর সম্ভব। সাইপ্রেস নীতিটি ন্যায়পরায়নতার নীতি। যার ব্যবহারিক অর্থ হচ্ছে যতদূর সম্ভব কাছাকাছি। যেখানে ওয়াফ্ফনামায় একটি সুস্পষ্ট দাতব্য মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে তা ব্যর্থ হবেনা।
⇒ ওয়াক্ত সৃষ্টির উদ্দেশ্য সুনির্দিষ্ট থাকতে হবে। অন্যথায় এটা অবৈধ বলে গণ্য হবে। ওয়াফ্ফনামায় দান করার সদিচ্ছা সুস্পষ্টভাবে প্রকাশিত হলে, যে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ওয়াক্ত করা হয়েছে তা যদি কোন কারণে ব্যর্থ হয় তবে, ওয়াফ্ফের সম্পত্তি দরিদ্রের উপকারের জন্য অথবা যে উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়েছে তার নিকটতম অপর কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে হবে। ওয়াফ্ফের এই নীতি কে "সাইপ্রেস (Cy-press) মতবাদ বলা হয়।
অর্থাৎ 'Doctrine of Cy-pres' এর সাথে সম্পর্কযুক্ত হচ্ছে ওয়াকফ।
৭৪.
'Factum valet' নীতি পরিশুদ্ধ করে-
ক
নির্দেশসূচক বিধান অমান্যকরণ
খ
মৌলিক নীতি অমান্যকরণ
গ
লেনদেনের উপাদান অমান্যকরণ
ঘ
উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর: ক
নির্দেশসূচক বিধান অমান্যকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
নির্দেশসূচক বিধান অমান্যকরণ
ক
ব্যাখ্যা
⇒ Quod fieri non debet factum valet (বিধিমত যা অকর্তব্য, তা করা হলে বিধিসম্মত বলে ধরা হয়) এই প্রবচনের উপর ভিত্তি করে factum valet মতবাদের উৎপত্তি হয়েছে। ফ্যাকটাম ভ্যালেট হিন্দু দায়ভাগা আইনের একটি নীতি। হিন্দু আইনে এই মতবাদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ হিসেবে পরিচিত। যে কাজ করা উচিৎ নয় বা করা হয়েছে, তাকে বৈধ হিসেবে গণ্য করার নীতি ‘factum valet’ নামে পরিচিত।
আইনের বিধানগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়- - নির্দেশাত্মক বিধান (Directory provision of law), - অবশ্য পালনীয় বিধান (mandatory provision of law) বলা হয়।
অবশ্য পালনীয় বিধান অমান্য করলে সেই কাজটি বেআইনী বলে গণ্য হবে এবং অন্য কোন সূত্র প্রয়োগ করে তা বৈধ করা যায় না। তবে আইনের সুপারিশমূলক/নির্দেশাত্মক বিধান উপেক্ষা করেও কোন একটি কাজ করা হলে, এরূপ কৃত কার্যকে আইনতঃ সিদ্ধ বলে গ্রহণ করাকে ফ্যাকটাম ভ্যালেট নীতি বলা হয়। অর্থাৎ ‘directory’ নির্দেশের পরিপন্থী কাজ অনুচিত হলেও উক্ত কাজকে সরাসরি বেআইনী বলা যায় না। হিন্দু আইনে অনুরূপ কাজ factum valet নীতি অনুযায়ী বৈধ করা যায়।
যেমন- হিন্দু ধর্ম মতে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া কোন বিয়ে হতে পারে না। কিন্তু অনুরূপ বিধান লংঘন করে কোন বিয়ে হয়ে গেলে তা ফ্যাকটাম ভ্যালেট নীতি অনুযায়ী বৈধ গণ্য হয়ে থাকে। একইভাবে শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে কোন ব্যক্তি তার একমাত্র সন্তানকে দত্তক দিতে পারেন না। কিন্তু ঐ বিধি উপক্ষো করে যদি কেউ তার একমাত্র পুত্রকে দত্তক দিয়েই ফেলেন তাহলে তা অসিদ্ধ বলে বিবেচিত হয় না। তবে উভয়ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করতে হয়। এছাড়াও ফ্যাক্টাম ভ্যালেট নীতির কারণে এক বা একাধিক স্ত্রী থাকা সত্তেও একজন হিন্দু পুনরায় বিবাহ করতে পারে।
৭৫.
একজন মুসলিম ১৯৬৯ সনে এক কন্যা ও এক মৃত ছেলের কন্যাকে রেখে মারা যান। কন্যার অংশ-
ক
(১/৩)
খ
(১/২)
গ
(২/৩)
ঘ
(১/৪)
সঠিক উত্তর: ক
(১/৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
(১/৩)
ক
ব্যাখ্যা
⇒ প্রশ্নমতে, একজন মুসলিম ব্যক্তি ১৯৬৯ সনে এক কন্যা ও এক মৃত ছেলের কন্যাকে রেখে মারা যান। অর্থাৎ ঘটনাটি 'Muslim Family Laws ordinance, 1961' আইন প্রণয়নের পরের। - Muslim Family Laws ordinance, 1961 -এর ৪ ধারার "Doctrine of Representation" নীতি অনুযায়ী মৃত ছেলের কন্যা, তার পিতার প্রতিনিধিত্ব (Representation) করবে অর্থাৎ, উক্ত ছেলে বেঁচে থাকলে যে পরিমাণ সম্পত্তি পেত, মৃত ছেলের কন্যা সেই পরিমাণ সম্পত্তি পাবে। উল্লিখিত প্রশ্নে, যেহেতু পুত্রের কন্যা, পুত্রের সমান অংশ পাবে Doctrine of Representation অনুসারে এজন্য কন্যা ও পুত্র ধরে হিসাব করলে ২:১ অনুপাতে সম্পত্তিতে কন্যা ও পুত্রের কন্যার অংশ যা হবে।যথা: ক) কন্যা পাবে সম্পত্তির ১/৩ অংশ। খ) পুত্র পাবে মোট সম্পত্তির ২/৩ অংশ। (Doctrine of Representation অনুসারে পুত্র মৃত তাই পুত্রের কন্যা পাবে পুত্রের সম্পত্তি)
৭৬.
সালিসি কাউন্সিল দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি দিলে প্রথম স্ত্রীর প্রতিকার-
ক
পারিবারিক আদালতে আপীল করা
খ
পারিবারিক আদালতে রিভিশন করা
গ
সহকারী জজের নিকট আপীল করা
ঘ
সহকারী জজের নিকট রিভিশন করা
সঠিক উত্তর: ঘ
সহকারী জজের নিকট রিভিশন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
সহকারী জজের নিকট রিভিশন করা
ঘ
ব্যাখ্যা
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারার বিধান: বহুবিবাহ: ১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।
২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।
৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।
৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে- ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয়দণ্ড। ----------- ⇒ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 Section 6. Polygamy: (1) No man, during the subsistence of an existing marriage, shall, except with the previous permission in writing of the Arbitration Council, contract another marriage, nor shall any such marriage contracted without such permission be registered under the Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 (LII of 1974).
(2) An application for permission under sub-section (1) shall be submitted to the Chairman in the prescribed manner, together with the prescribed fee, and shall state the reasons for the proposed marriage, and whether the consent of the existing wife or wives has been obtained thereto.
(3) On receipt of the application under sub-section (2), the Chairman shall ask the applicant and his existing wife or wives each to nominate a representative, and the Arbitration Council so constituted may, if satisfied that the proposed marriage is necessary and just, grant, subject to such conditions, if any, as may be deemed fit, the permission applied for.
(4) In deciding the application the Arbitration Council shall record its reasons for the decision, and any party may, in the prescribed manner, within the prescribed period, and on payment of the prescribed fee, prefer an application for revision to the Assistant Judge concerned and his decision shall be final and shall not be called in question in any Court.
(5) Any man who contracts another marriage without the permission of the Arbitration Council shall- (a) pay immediately the entire amount of the dower, whether prompt or deferred, due to the existing wife or wives, which amount, if not so paid, shall be recoverable as arrears of land revenue; and (b) on conviction upon complaint be punishable with simple imprisonment which may extend to one year, or with fine which may extend to ten thousand taka, or with both.
৭৭.
'Mahr-i-Misl' হলো ______ দেহমোহর।
ক
সুনির্দিষ্ট
খ
উপযুক্ত
গ
আশু
ঘ
বিলম্বিত
সঠিক উত্তর: খ
উপযুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
উপযুক্ত
খ
ব্যাখ্যা
⇒ দেনমোহরের প্রকারভেদ:দেনমোহর প্রথমত দুই প্রকার, যথা- i) নির্ধারিত দেনমোহর বা (Mahr-i-Musamma) (fixed/specified dower) ii) যথার্থ দেনমোহর বা (Mahr-i-Misl) (Proper dower)
i) নির্ধারিত দেনমোহর বা (Mahr-i-Musamma): বিবাহের সময় বা বিবাহের পর স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের মধ্যে অথবা তাদের পক্ষে যে দেনমোহর হণ করা হয় তাকে মোহরে মুসাম্মা বা fixed/specified dower বলে।
ii) যথার্থ দেনমোহর বা (Mahr-i-Misl): বিবাহের চুক্তিতে দেনমোহরের পরিমাণ উল্লেখ করা না হলে শরিয়ত অনুযায়ী তা নিরূপিত বলে। গণ্য হবে এবং স্বামীর উপর মোহরে মিসল বা Proper dower বা উপযুক্ত মোহর ওয়াজিব হবে।
৭৮.
মুসলিম আইনানুসারে একই শ্রেণিভুক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকলে-
ক
কেউ পাবেন না
খ
মূল মালিকের সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পাবে
গ
প্রয়োজন বিবেচনায় বণ্টন করা হবে
ঘ
প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবেন
সঠিক উত্তর: ঘ
প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবেন
ঘ
ব্যাখ্যা
অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ: - Sharif Sharik, Sharif Khalit Ges Sharif Jar এই তিন প্রকারের অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগ্যগিতা হলে ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে। - বিভিন্ন শ্রেণির অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে প্রথম স্তরের অধিকারী দ্বিতীয় স্তরকে এবং দ্বিতীয় স্তরের অধিকারী তৃতীয় স্তরকে রহিত করবে। - একই স্তরের একাধিক ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে তারা সবাই অগ্রক্রয়ের অধিকারকৃত ভূমির সমান ভাগ পাবে। - যদি এমন হয় যে, অগ্রক্রয়ের অধিকার দাবিকারীরা একই স্তরের হলেও তাদের কেউ একজন অন্যকোনো যুক্তিতে অধিকতর যোগ্য দাবিদার হলে সে ব্যক্তি অগ্রাধিকার পাবে। - বিক্রি সম্পন্ন হবার পরই অগ্রক্রয়ের অধিকারের প্রশ্ন আসে। তাই অপরিচিত কোনো ব্যক্তি বরাবর বিক্রি সম্পন্ন হবার পূর্বে এই তিন শ্রেণির কোনো ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের কোনো অধিকার দাবি করতে পারে না। - অগ্রক্রয়ের অধিকারের মামলা তখনই করা যাবে যখন কোনো অগ্রক্রয়ের অধিকারধারী ব্যক্তি ব্যতিরেকে তৃতীয় কোনো ব্যক্তির নিকট সম্পত্তিটি বিক্রি করা হয়।
- একই শ্রেণীভুক্তি অগ্রক্রয়াধিকারীদের মধ্যে অগ্রক্রয়: - মুসলিম আইনানুসারে একই শ্রেণিভুক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকলে, প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবে। - কারণ অগ্রক্রয়াধিকারীদের একই শ্রেণীর মধ্যে নৈকট্যের ক্রমকে মুসলিম আইন স্বীকৃতি প্রদান করেনা। - যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন পথাধিকারের অংশ গ্রহণের যুক্তিতে অগ্রক্রয়ের দাবি করে তখন তাদের সকলেই সমান অধিকার লাভ করবে, - যদিও তাদের মধ্যে কোন একজন পার্শ্ববর্তী বা সংলগ্ন প্রতিবেশী।
৭৯.
মনুসংহিতা, যাজ্ঞাবাল্ক ও নারদ কর্তৃক সংকলিত বিধান হিন্দু আইনের কোন উৎসের অন্তর্গত?
ক
শ্রুতি
খ
স্মৃতি
গ
পুরান
ঘ
প্রথা
সঠিক উত্তর: খ
স্মৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
স্মৃতি
খ
ব্যাখ্যা
স্মৃতি: - স্মৃতি অর্থ যা স্মরণে রাখা হয়েছিল, প্রাচীনকালে মানুষের পালনীয় ঐশ্বরিক নির্দেশাবলি যা আর্য ঋষিগণ গুরুশিষ্য-পরম্পরায় স্মরণে রেখেছিলেন এবং পরবর্তীকালে যা মুনিগণ পুস্তক আকারে সংকলন করেছিলেন, তা-ই সংহিতা বা স্মৃতিশাস্ত্র নামে পরিচিত। স্মৃতি সম্বন্ধীয় প্রধানত তিনটি গ্রন্থ হচ্ছে- ক. মনু কর্তৃক সংকলিত মনু সংহিতা। খ. যাজ্ঞবল্ক কর্তৃক সংকলিত যাজ্ঞবন্ধ্য সংহিতা। গ. নারদ কর্তৃক সংকলিত নারদ সংহিতা।
- ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ ধর্মীয় অনুশাসনে বিভিন্ন স্মৃতির মধ্যে জটিলতা দেখা দিলে ব্যাখ্যার উদ্ভব হয়। আঞ্চলিক রীতিনীতির সাথে সামঞ্জস্য রক্ষা করে পণ্ডিতগণ নিজেদের মতামত বা ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে প্রাচীন আইনের সংশোধন করে থাকেন। ব্যাখ্যাসমূহের মধ্যে দুটি মতবাদই অনুসরণ করা হয়ে থাকে- (১) মিতাক্ষরা মতবাদ, (২) দায়ভাগ মতবাদ।
৮০.
পারিবারিক আদালত অবমাননার দায়ে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করা যায়?
ক
১০০
খ
২০০
গ
৫০০
ঘ
কোন সীমা নেই
সঠিক উত্তর: খ
২০০
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
২০০
খ
ব্যাখ্যা
- পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ২৩ ধারার বিধান-পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি আইনসংগত কারণ ব্যতিরেকে- (ক) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেন, বা (খ) পরিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের কার্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, বা (গ) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক জিজ্ঞাসিত কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদানে বাধ্য থাকা সত্ত্বেও, উত্তর প্রদানের অস্বীকার করেন, বা (ঘ) সত্য কথা বলিবার জন্য শপথ গ্রহণ করিতে অথবা পারিবারিক আদালতে বা পারিবারিক আপিল আদালতে তৎকর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতিতে স্বাক্ষরদান করিতে অস্বীকার করেন, তাহা হইলে তিনি পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা করিয়াছেন মর্মে গণ্য হইবেন।
Bangladesh Italian Marble Works Limited Vs Government of the People's Republic of Bangladesh (2010) is popularly known as the -
ক
Second Amendment Case
খ
Third Amendment Case
গ
Fourth Amendment Case
ঘ
Fifth Amendment Case
সঠিক উত্তর: ঘ
Fifth Amendment Case
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
Fifth Amendment Case
ঘ
ব্যাখ্যা
- Fifth Amendment: The Constitution Act was accepted by the Jatiya Sangsad on 6 April 1979. ⇒ Bangladesh Italian Marble Works Limited Vs Government of the People's Republic of Bangladesh (2010) is popularly known as the -Fifth Amendment Case. - Bangladesh Italian Marble Works Limited VS Government of the People's Republic of Bangladesh মামলায় ২০০৫ সালের ২৯ আগষ্ট হাইকোর্ট বিভাগ এবং ২০১০ সালের ১লা ফেব্রুযারী সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ ৫ম সংশোধনী বাতিল করে রায় প্রদান করে। এই মামলাটি পঞ্চম সংশোধনী মামলা [Fifth Amendment Case] নামে পরিচিত।
৮৭.
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ প্রদান করতে পারেন?
ক
অ্যাটর্নি জেনারেল
খ
প্রধান বিচারপতি
গ
হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
ঘ
প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর: খ
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
প্রধান বিচারপতি
খ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত। তিনি প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্য সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কর্ম সম্পাদন করে থাকেন।
- জরুরি অবস্থা জারি, সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত বা ভঙ্গ করা, প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত মন্ত্রীসভার অন্যান্য সদস্যের নিয়োগ সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ গ্রহণ করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে- এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।
৮৮.
কোন ব্যক্তির কার্যভার গ্রহণের পূর্বে শপথ নেওয়া আবশ্যক নয়?
ক
ডেপুটি স্পীকার
খ
সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য
গ
অ্যাটর্নি জেনারেল
ঘ
মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
সঠিক উত্তর: গ
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
অ্যাটর্নি জেনারেল
গ
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানে সাংবিধানিক পদের মূলভিত্তি ১৪৮ অনুচ্ছেদ'র আলোকে ৩য় তফসিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ৩য় তফসিল অনুযায়ী ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথ গ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যেখানে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের নাম উল্লেখ নাই।
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান অ্যাটর্নি-জেনারেল: (১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন। (২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন। (৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে। (৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।
- সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কার্যভার গ্রহণের পূর্বে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের শপথ নেওয়া আবশ্যক নয়।
৮৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোনো দলিলপত্র উদঘাটন বা দাখিল করার আদেশ দিতে পারেন -
ক
হাইকোর্ট বিভাগ
খ
আপীল বিভাগ
গ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
ঘ
জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ
সঠিক উত্তর: খ
আপীল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
আপীল বিভাগ
খ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের বিধান: আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ: - কোন ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোন দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করিবার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হইতে পারে, উক্ত বিভাগ সেইরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করিতে পারিবেন। ------------ ⇒ The Constitution of the People’s Republic of Bangladesh Article 104. Issue and execution of processes of Appellate Division: - The Appellate Division shall have power to issue such directions, orders, decrees or writs as may be necessary for doing complete justice in any cause or matter pending before it, including orders for the purpose of securing the attendance of any person or the discovery or production of any document.
৯০.
কোন আইন পূর্ববর্তী আইনকে বাতিল করে প্রণীত হলে পূর্ববর্তী বাতিলকৃত আইনের কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ কোনো সুবিধা ভোগ করলে সেই সুবিধা-
ক
অকার্যকর হয়ে যাবে
খ
যথাযথভাবে ফেরত দিতে হবে
গ
ক্ষুণ্ণ হবে না
ঘ
যথাযথভাবে ফেরত দিতে হবে না, কিন্তু চলমান থাকবে না
সঠিক উত্তর: গ
ক্ষুণ্ণ হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ক্ষুণ্ণ হবে না
গ
ব্যাখ্যা
⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:
১. রহিতকরণ আইন রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না। ২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না। ৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না। ৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না। ৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না। পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই। ------------ -The General Clauses Act, 1897 Section 6: Effect of repeal: Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not- (a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or (b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or (c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed; or (d) after any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or (e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid; and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
৯১.
Discovery by Interrogatories এর দরখাস্ত দাখিল করতে হয় বিচার্য বিষয় গঠনের ______ দিনের মধ্যে।
ক
১০
খ
১৫
গ
২০
ঘ
৩০
সঠিক উত্তর: ক
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
১০
ক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি-১ এর বিধান: প্রশ্নাবলী দ্বারা আবিষ্কার: কোন মোকদ্দমায় বাদি কিংবা বিবাদিপক্ষ অপর পক্ষসমূহকে অথবা তাদের মধ্যে একজন বা একাধিক জনকে পরীক্ষা করার জন্য আদালতের অনুমতিক্রমে, বিচার্য বিষয়প্রণয়নের তারিখ থেকে দশ দিনের মধ্যে লিখিতরূপে প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারে এবং অনুরূপ প্রশ্নমালা প্রদান করা হলে এর মধ্যে কোন কোন প্রশ্নের উত্তর অনুরূপ ব্যক্তির কাউকে প্রদান করতে হবে তা প্রশ্নমালার পাদটিকায় লিখিত থাকবে - তবে শর্ত থাকে যে, কোন পক্ষ অপর পক্ষকে আদালতের আদেশ ব্যতিরেকে এক প্রন্থের অধিক প্রশ্নমালা প্রদান করবে না। - তবে আরও শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার সাথে কোনভাবেই সম্পর্কীত নয়, এরূপ প্রশ্নমালা সাক্ষীর মৌখিক জেরায় জিজ্ঞাসা করা চললেও এক্ষেত্রে তা অবান্তর বলে গণ্য হবে।
৯২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোথায় Cross-objection এর বিধান রয়েছে?
ক
Order XLI rule 22
খ
Order XXI rule 22
গ
Order XLVII rule 4
ঘ
Order XL rule 2
সঠিক উত্তর: ক
Order XLI rule 22
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
Order XLI rule 22
ক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২২ এর বিধান: শুনানিকালে উত্তরদায়ক তৎকর্তৃক ডিক্রীতে আপত্তি দিতে পারে, যেন সে স্বাতন্ত্র্য আপিল দায়ের কয়েছে। ১) কোন উত্তরদায়ক যদিও কোন ডিক্রীর অংশ হতে আপিল করেনি, তথাপি সে শুধুমাত্র নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তকৃত ডিক্রীর কোন সঙ্গত কারণ শুধু সমর্থন করেনি, বরং সে আপিলক্রমে যেভাবে পারত ঠিক সেভাবে উক্ত ডিক্রীর পাল্টা আপত্তি উত্থাপন করতে পারবে এ শর্তে যে, আপিল শুনানির জন্য নির্ধারিত দিন সম্পর্কে তার উপর বা তার উকিলের উপর নোটিশ জারির তারিখ হতে সে আপিল আদালতে এক মাসের মধ্যে কিংবা আপিল আদালত মঞ্জুর করতে উপযুক্ত মনে করে এরূপ মঞ্জুরীকৃত অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে অনুরূপ পাল্টা আপত্তি দাখিল করেছে।
২) আপত্তির ফরম এবং তাতে প্রযোজ্য বিধানসমূহ: অনুরূপ পাল্টা আপত্তি স্মারকের আকারে হতে হবে এবং আপিলের স্মারকের ফরম এবং বিষয়বস্তু সঙ্গে যতদূর সম্পর্কিত হয়, ততদূর ১ বিধির বিধানাবলী তাতে প্রযোজ্য হবে। ৩) আপত্তির নকল গ্রহণ সম্পর্কে ঐ আপত্তি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের বা তার উকিল কর্তৃক এটির নকল গ্রহণের লিখিত স্বীকৃতিপত্র উত্তরদায়ক আপত্তির সঙ্গে দাখিল না করলে আপিল আদালত এটির একটি নকল আপত্তি দাখিল হওয়ার পর যথা সম্ভব শীঘ্র উত্তরদায়কের খরচে উক্ত পক্ষের বা তার উকিলের প্রতি এটির নকল প্রদান করাবে। ৪) যে কোন ক্ষেত্রে এই বিধির অধীনে উত্তরদায়ক আপত্তির স্মারক দাখিল করে থাকলে যেক্ষেত্রে মূল আপিলটি প্রত্যাহৃত বা তদ্বিরের অভাবে খারিজ হলেও উপরোক্ত মতে দাখিলকৃত আপত্তির, অন্য পক্ষকে উপযুক্ত নোটিশ দেয়ার পর শুনানি এবং সিদ্ধান্ত করা যাবে। ৫) নিঃস্ব আপিল সম্পর্কিত বিধানসমূহ যতদূর সম্ভব এ বিধির অধীনে আপত্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। -------------- The Code of Civil Procedure, 1908 Order 41 Rule-22. Upon hearing, respondent may object to decree as if he had preferred separate appeal: 1) Any respondent, though he may not have appealed from any part of the decree, may not only support the decree on any of the grounds decided against him in the Court below but take any cross- objection to the decree which he could have taken by way of appeal, provided he has filed such objection in the Appellate Court within one month from the date of service on him or his pleader of notice of the day fixed for hearing the appeal, or within such further time as the Appellate Court may see fit to allow.
2) Form of objection and provisions applicable thereto: - Such cross objection shall be in the form of a memorandum, and the provisions of rule 1, so far as they relate to the form and contents of the memorandum of appeal, shall apply thereto.
3) Unless the respondent files with the objection a written acknowledgment from the party who may be affected by such objection or his pleader of having received a copy thereof, the Appellate Court shall cause a copy to be served, as soon as may be after the filing of the objections, on such party or his pleader at the expense of the respondent.
4) Where in any case in which any respondent has under this rule filed a memorandum of objection, the original appeal is withdrawn or is dismissed for default, the objection so filed may neverthless be heared and determined after such notice of the other parties as the Court thinks fit.
5) The provisions relating to pauper appeals shall, so far as they can be made applicable, apply to an objection under this rule.
৯৩.
ডিক্রি জারি মামলার কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী দায়িককে কত দিন পর্যন্ত দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা যায়?
ক
১২০
খ
৯০
গ
৬০
ঘ
৩০
সঠিক উত্তর: ঘ
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৩০
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৪ ধারার বিধান ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান: যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দান দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।
৯৪.
The Limitation Act, 1908 এর কোন ধারা অনুযায়ী জাবেদা নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময় তামাদির মেয়াদ গণনা হতে বাদ যাবে?
ক
১১
খ
১২
গ
১৩
ঘ
১৪
সঠিক উত্তর: খ
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১২
খ
ব্যাখ্যা
- তামাদি আইনের ১২ ধারায় বলা আছে তামাদির মেয়াদ হিসাব করার সময় কোন কোন সময় বাদ দিয়ে হিসাব করতে হবে। - তামাদি আইনের ১২ ধারা মতে কতিপয় সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যথা- ১) মামলা, আপিল বা দরখাস্তের মেয়াদ আরম্ভের দিন। ২) রায় ঘোষণার দিন। ৩) রায়ের নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময়। ৪) রোয়েদাদ উত্তোলন করতে যে সময় ব্যয় হয়।
তামাদি আইনের ১২ ধারার বিধান আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে- (১) কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যেদিন হতে উক্ত মেয়াদ গণনা করতে হবে সেই দিন বাদ দিতে হবে।
(২) কোনো আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যে রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হবে, তা যেদিন ঘোষণা করা হয়েছে, সেইদিন এবং যে ডিক্রি, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপিল করা হবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হবে, তার নকল গ্রহণ করতে যেই সময় আবশ্যক, তা বাদ দিতে হবে।
(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি সম্পর্কে আপিল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি যেই রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত, সেই রায়ের নকল পেতে যে সময় লাগে, তাও বাদ দিতে হবে। (৪) কোনো রোয়েদাদ নাকচ করার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, রোয়েদাদের নকল পেতে যে সময় লাগে, তা বাদ দিতে হবে। -------- - Section 12: Exclusion of time in legal proceedings- (1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. (2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. (3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. (4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৯৫.
দলিল সংশোধনের মামলা কত বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়?
ক
৩
খ
৫
গ
৬
ঘ
কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক
৩
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৩
ক
ব্যাখ্যা
-The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯৬ এর বিধান ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
- প্রতারণা বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের কারণে লিখিত দলিল বা চুক্তি সত্যিকারভাবে পক্ষগণের উদ্দেশ (intention) প্রকাশ না করলে, প্রকৃত উদ্দেশ্য দলিলে সন্নিবেশ করার জন্য দলিল সংশোধন করা যায়।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। - দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। (Discretionary Power) - চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে। - দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর (‘তামাদি আইন, ১৯০৮' অনুচ্ছেদ ৯৫ ও ৯৬)।
৯৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order VIII rule ________ এ Legal Set-off এর বিধান আছে?
- যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট, সেক্ষেত্রে Legal Set-off দাবি করা যায়। কিন্তু, যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ অনির্দিষ্ট সেক্ষেত্রে Equitable Set-off মঞ্জুর করা যেতে পারে (আদালতের Discretion-এর উপর)।
- Counter Claim: বাদীর দাবির চেয়ে বিবাদীর দাবি বেশি হলে দাবিটি Counter Claim (পাল্টা দাবি) হবে। এর জন্য আলাদা মোকদ্দমা না করে, তা লিখিত জবাবে উল্লেখ করে চাইতে হয়।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি ৬ মোতাবেক- বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা হলে বিবাদী লিখিত জবাব দাখিল করেন; এসময় বিবাদী তার পাওনা টাকার জন্য Set-off এর দাবী ও উত্থাপন করতে পারেন। দাবী সমন্বয়ের দাবীসহ বিবাদীর লিখিত জবাব বিবেচিত হয় পাল্টা মামলার আরজির ন্যায়। এ ক্ষেত্রে বিবাদী কোর্ট ফি দিতে বাধ্য।
- আদেশ-৮, বিধি-৬ এর বিধান পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ (Set off)- সহজ ভাষায়, সেট অফ অর্থ হল কোন দাবীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত আরেকটি দাবী।
৯৭.
The Family Courts Ordinance, 1985 এর কোন ধারায় আপস মীমাংসার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে?
ক
৮ ও ৯
খ
৮ ও ১০
গ
১০ ও ১৩
ঘ
২০ ও ২১
সঠিক উত্তর: গ
১০ ও ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১০ ও ১৩
গ
ব্যাখ্যা
- The Family Courts Ordinance, 1985 এর ১০ ও ১৩ ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে। এই আইনে ২ ধরণের উপায়ে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে- ১. আপোষ (Compromise) বা ২. মীমাংসা (Reconciliation)
- এই আইনে, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পর্যায় উল্লেখ করা হয়েছে- ১. বিচার-পূর্ব কার্যধারায় ২. বিচার-পরবর্তী কার্যধারায়
- ১০ ধারায় বিচার-পূর্ব শুনানীর পর্যায়ে এবং ১৩ ধারায় বিচার-পরবর্তী পর্যায়ে আপোষ-মীমাংসার বিধান উল্লেখ আছে। - ১০(৩) ধারা অনুযায়ী, বিচার-পূর্ব শুনানীর পর্যায়ে আদালত পক্ষগণের মধ্যেকার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করবে এবং যদি সম্ভব হয়, পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা করার চেষ্টা করবে। - ১৩(১) ধারায় দেয়া আছে, সকল পক্ষের সাক্ষ্য সমাপ্তির পর পারিবারিক আদালত পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা করার আরও একটি চেষ্টা করবে। --------- বর্তমান Family Courts Ordinance, 1985 রহিতপূর্বক সময়োপযোগী করিয়া উহা পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩এর ১১ ও ১৪ ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে। এই আইনে ২ ধরণের উপায়ে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে।
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ধারার বিধান বিচার-পূর্ব কার্যক্রম: (১) লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে। (২) বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে। (৩) আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে। (৪) উপধারা (৩) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে আদালত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করিবে এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১৪ ধারার বিধান বিচারের সমাপ্তি: (১) পারিবারিক আদালত, সকল পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হইবার পর, উভয় পক্ষের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠার জন্য পুনরায় প্রচেষ্টা চালাইবে। (২) উপধারা (১) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে, আদালত রায় ঘোষণা করিবে এবং উক্ত রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে অথবা অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে রায় সম্পর্কে পক্ষগণ বা তাহাদের প্রতিনিধি বা আইনজীবীগণকে যথাযথ নোটিশ প্রদান করিতে হইবে ও ডিক্রি প্রদত্ত হইবে।
৯৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order VII rule 11 অনুসারে কয়টি কারণে আরজি প্রত্যাখ্যান করা যায়?
ক
৩
খ
৪
গ
৫
ঘ
৬
সঠিক উত্তর: খ
৪
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৪
খ
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ নং বিধি অনুযায়ী আদালত ৪ (চার) টি কারণে আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
- আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে- ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি; খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে: গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না। - ধারা-২ (২) এর বিধান মতে আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে।
আরজি নাকচ / প্রত্যাখ্যানের কারণ ৪টি ১) মোকদ্দমার কারণ উল্লেখ না করলে (Cause of action) ২) দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেয়া হলে (undervalued) ৩) অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্প পেপারে লিখা হলে (insufficiency stamped) ৪) মোকদ্দমাটি আইন/তামাদিতে বারিত হলে (Barred by law)
-দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেখালে বা অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্পের ক্ষেত্রে আদালত তা সংশোধনের জন্য অনধিক ২১ দিন সময় দিতে পারে।
- প্রতিকার ১) বিধি: ১৩ অনুযায়ী পুনরায় একই বিষয়ে নতুন আরজি দাখিল। ২) আপিল করা যাবে
- বিবাদীর আবেদনক্রমে বা আদালত নিজ উদ্যোগে আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। - বিবাদী কর্তৃক আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন নামঞ্জুর হলে রিভিশন করা যাবে।
৯৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১১ ধারায় res judicata কত বার ব্যবহৃত হয়েছে?
ক
৩
খ
২
গ
১
ঘ
ব্যবহৃত হয়নি
সঠিক উত্তর: গ
১
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১
গ
ব্যাখ্যা
-The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১ তে Principle of Res judicata আছে। একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে ।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় Res-Judicata শব্দটি শিরোনামে ১ বার ব্যবহৃত হয়েছে।
এর অর্থ: দোবারা-দোষ, পূর্ববিচারিত, আদালত কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত বিষয়। এটি ২ প্রকার: (১) প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ (২) পরোেক্ষ দোবারা দোষ।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:- ১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা]। ২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা] ৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ]। ৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ]। ৫ম ব্যাখ্যা: প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে না। ৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights
১০০.
The Specific Relief Act, 1877 এর 21A ধারায় ‘স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত অরেজিস্ট্রিকৃত কোনো চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়’ - বিধান সংযোজন করা হয় কোন সালে?
ক
২০০৩
খ
২০০৪
গ
২০০৫
ঘ
২০১২
সঠিক উত্তর: খ
২০০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
২০০৪
খ
ব্যাখ্যা
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১(ক) ধারাটি ২০০৪ সালের সংশোধনী দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে যা ১লা জুলাই ২০০৫ থেকে কার্যকর রয়েছে অর্থাৎ ১লা জুলাই ২০০৫ সালের পূর্বে সম্পাদিত স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি অরেজিস্ট্রিকৃত বা অনিবন্ধিত হলেও সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেত, কিন্তু ১লা জুলাই ২০০৫ সালের পর ২১(ক) ধারার শর্তাবলি পূরণ করতে হবে।
- উল্লেখ্য যে, ২১(ক) ধারাটি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির জন্য প্রযোজ্য কিন্তু স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক, লিজ বা দান ইত্যাদি চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- অর্থাৎ বন্ধক, লিজ বা দান ইত্যাদি চুক্তি লিখিত এবং রেজিষ্ট্রিকৃত বা নিবন্ধিত না হলেও তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে; কিন্তু স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি (contract for sale) অবশ্যই লিখিত এবং নিবন্ধিত হতে হবে অন্যথায় তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না।
- সহজভাবে বলা যায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কিন্তু অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অরেজিষ্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।
- The Specific Relief Act, 1877 এর 21A ধারাটি সংযুক্ত হয় ২০০৪ সালের ২৭ নং আইন দ্বারা। আর কার্যকর হয় ১ জুলাই ২০০৫ তারিখ হতে। কার্যকরের তারিখ হতে চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য জমা প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়।