পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলীঃ ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, জনসংখ্যা ও উপজাতি, সাগর, নদী, চর, দ্বীপ ও পাহাড় ইত্যাদি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, বিগত ১২ মাসের সাম্প্রতিক পত্রিকা (Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার দেখুন)। এবং সম্ভব হলে সম্পর্কিত বাংলাদেশ সরকারেরে বিভিন্ন ওয়েবসাইট (যেমন, nrigostisanad.gov.bd, bangladesh.gov.bd) থেকে এই টপিকের সাধারণ তথ্যাবলী দেখে নিন।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট ছিল -
  1. ক) ভাষা আন্দোলন
  2. খ) গণ-অভ্যুত্থান
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধ
  4. ঘ) যুক্তফ্রন্ট
সঠিক উত্তর:
ক) ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমিঃ
অবস্থান - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে; প্রতিষ্ঠাকাল - ৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫।
প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট - ভাষা আন্দোলন; পুরাতন ভবনের নাম - বর্ধমান হাউস।
প্রথম সভাপতি - মওলানা আকরাম খাঁ।
প্রথম পরিচালক - ড. মুহম্মদ এনামুল হক; প্রথম মহাপরিচালক - ড. মাযহারুল ইসলাম।
মূল মিলনায়তনের নাম - আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তন।

উৎসঃ বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
ওঁরাওদের গ্রামপ্রধান কী নামে পরিচিত?
  1. ক) মাহাতো
  2. খ) কারবারি
  3. গ) বোমাং চীফ
  4. ঘ) রাজা
সঠিক উত্তর:
ক) মাহাতো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাহাতো
ব্যাখ্যা

চাকমা সমাজের প্রধান হচ্ছে রাজা, মারমারা গ্রামপ্রধানকে কারবারি বলে এবং ওঁরাওদের গ্রামপ্রধান ‘মাহাতো’নামে পরিচিত।
’জুম’ হচ্ছে একধরনের কৃষি অর্থনীতি। জুম চাষের বিকল্প পদ্ধতি হলো সল্ট।
বাংলাদেশের অধিকাংশ ক্ষুদ্র জাতিসত্তা পিতৃপ্রধান। গারো, খাসিয়া প্রভৃতি ক্ষুদ্র জাতিসত্তা মাতৃতান্ত্রিক।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়-নবম-দশম শ্রেণি

.
‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৪৮ সালের ১ মার্চ
  2. খ) ১৯৪৭ সালের ২ মার্চ
  3. গ) ১৯৪৮ সালের ৩ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
ব্যাখ্যা

১৯৪৮ সালের ২ মার্চ কামরুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। সংগ্রাম পরিষদ রাষ্ট্রভাষার ক্ষেত্রে সরকারের ষড়যন্ত্র রোধ করার জন্য ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ থেকে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয়।
ঐদিন ঢাকায় বহু ছাত্র আহত এবং বঙ্গবন্ধুসহ অনেকে গ্রেফতার হন।
১৯৪৮-৫২ সালে ১১ মার্চ ভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হতো।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও অসমাপ্ত আত্মজীবনী।

.
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন -
  1. ক) আসাদ
  2. খ) সালাম
  3. গ) বরকত
  4. ঘ) শফিউর
সঠিক উত্তর:
ক) আসাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আসাদ
ব্যাখ্যা

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রেুয়ারি১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ শ্লোগান দিতে দিতে বর্তমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ চত্বরে সমবেত হলে পুলিশ তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দিতে কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করলে ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষ বাধে।
এক পর্যায়ে পুলিশ গুলি বর্ষণ করলে আবদস সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার প্রমুখ শহীদ হন। ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি শোভাযাত্রায় পুলিশ গুলি করলে শফিউর রহমান নিহত হন।

অন্যদিকে,
১৯৬৯ সালের ১৪ই জানুয়ারির হরতাল ও ১৮ই জানুয়ারির ধর্মঘটে পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে ২০শে জানুয়ারি ছাত্ররা পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালন করে। হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান নিহত হন।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন ঘটনাটি আগে ঘটে?
  1. ক) ছয় দফা ঘোষণা
  2. খ) আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলা
  3. গ) গণ-অভ্যুত্থান
  4. ঘ) ভারত- পাকিস্তান দ্বিতীয় যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভারত- পাকিস্তান দ্বিতীয় যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভারত- পাকিস্তান দ্বিতীয় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

অপশনে উল্লেখিত ঘটনাগুলোর মধ্যে,
১. ভারত পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিতীয় যুদ্ধটি আগে সংঘটিত হয়। ১৯৬৫ সালে এই যুদ্ধ হয়।
তার আগে ১৯৪৭ - ৪৯ সময়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

২. ছয়দফা - ১৯৬৬ সালে ঘোষণা করা হয়।
৩. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ১৯৬৮ সালে দায়ের করা হয়েছিলো।
৪. গণ-অভ্যুত্থান বলতে এখানে বাংলাদেশ ভূখন্ডে ১৯৬৯ সালের আন্দোলন সংগ্রামকে বোঝানো হয়েছে।

.
UNESCO কত সালে একুশে পদক লাভ করে?
  1. ক) ২০০১
  2. খ) ১৯৯৯
  3. গ) ২০০৩
  4. ঘ) ২০০০
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৩
ব্যাখ্যা

১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ ইউনেস্কো ৩১তম বৈঠকে ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসাবে স্বীকৃতি দেয়।
২০০০ সালে বিশ্বের ১৮৮টি দেশ সর্বপ্রথম দিবসটি পালিত হয়।
ইউনেস্কো ২০০৩ সালে ‘একুশে পদক’ লাভ করে।

.
পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাসত্ব আইন কত সালে প্রবর্তিত হয়?
  1. ক) ১৯৪৮ সালে
  2. খ) ১৯৫২ সালে
  3. গ) ১৯৫৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা

পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাসত্ব আইন (১৯৫০ খ্রি.)
গণদাবির কারণে মুসলিম লীগ সরকার ১৯৪৮ সালের ৩১ মার্চ পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাসত্ব বিল উপস্থাপন করে। বহুবিতর্কের পর ১৯৫০ সালের ডিসেম্বর মাসে বিলটি আইনে পরিণত হয়। এ আইনের ফলে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

.
অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার দায়িত্ব দেওয়া হয় কাকে?
  1. ক) জেনারেল টিক্কা খান
  2. খ) জেনারেল রাও ফরমান আলী
  3. গ) জেনারেল খাদিম হোসেন রেজা
  4. ঘ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে এবং ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা। এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধায়ন করেন জেনারেল টিক্কা খান।

পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন। ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন। পাঁচ পৃষ্ঠার এই পরিকল্পনাটি রাও ফরমান আলী নিজ হাতে লিখেন। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২৪-২৫ মার্চ জেনারেল হামিদ, জেনারেল এ. ও মিঠঠি, কর্নেল সাদউল্লাহ হেলিকপ্টারে করে বিভিন্ন সেনানিবাসে প্রস্ত্ততি পরিদর্শন করেন। সিদ্ধান্ত হয়, ২৫ মার্চ রাত ১টায় অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় অভিযানে ঢাকায় নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল রাও ফরমান আলী। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল খাদিম রাজা। লে. জেনারেল টিক্কা খান ৩১ ফিল্ড কমান্ডে উপস্থিত থেকে অপারেশনের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন। এ ছাড়া এ অভিযানকে সফল করার জন্য ইতোমধ্যে জেনারেল ইয়াহিয়া খানের দু’জন ঘনিষ্ঠ অফিসার মেজর জেনারেল ইখতেখার জানজুয়া ও মেজর জেনারেল এ.ও মিঠঠিকে ঢাকায় আনা হয়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

.
‘ছয়দফা’ কোন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৬৬ সালের ২২ মার্চ
  2. খ) ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ
  3. গ) ১৯৬৬ সালের ৭ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ
ব্যাখ্যা

১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত। ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

উৎস : বাংলাপিডিয়া।

১০.
বাংলা ভাষাকে পাকিস্তান গণপরিষদ কোন তারিখে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ক) ২১ ফেব্রেুয়ারি, ১৯৫২
  2. খ) ১৬ ফেব্রেুয়ারি, ১৯৫৬
  3. গ) ৯ মে, ১৯৫৪
  4. ঘ) ২৩ মার্চ, ১৯৫৬
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ মে, ১৯৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ মে, ১৯৫৪
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের ৯ মে পাকিস্তান গণপরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়ে একটি বিল পাশ করে।
জাতীয় পরিষদে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের (১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬) এক পর্যায়ে সদস্য ফরিদপুরের আদেলউদ্দিন আহমদের দেওয়া সংশোধনী প্রস্তাব অনুযায়ী বাংলা ও উর্দু উভয় ভাষাই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
১১.
আসাদ গেট কোন স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত হয়?
  1. ক) ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
  2. খ) ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ
  3. গ) ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান
  4. ঘ) ১৯৬৬ সালের ছয় দফা দাবি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ ১৯৬৯ সালের ২০ ই জানুয়ারি ১১ দফা দাবি আদায়ের প্রেক্ষিতে গণ-আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।
গণ-আন্দোলনটি তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে হওয়ায় ঢাকাবাসী আসাদের স্মৃতি রক্ষার্থে আইয়ুব গেটের নাম পরিবর্তন করে রাখেন আসাদগেট।
প্রতিবছর ২০ জানুয়ারি আসাদ দিবস পালিত হয়।

১২.
বাংলাদেশ কত সালে বাংলা ভাষাকে জীবনের সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য আইন পাশ করে?
  1. ক) ১৯৭১
  2. খ) ১৯৭৪
  3. গ) ১৯৮১
  4. ঘ) ১৯৮৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮৭
ব্যাখ্যা

১৯৮৭ সালে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে বাংলা ভাষাকে জীবনের সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য আইন পাশ করে।
সিয়েরালিয়ন বাংলা ভাষাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে।
বর্তমানে ভাষাভাষী জনসংখ্যার বিবেচনায় বাংলা ভাষার অবস্থান বিশ্বে ৭ম।

১৩.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য সর্বমোট কতজনকে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ক) ৬৭৬ জন
  2. খ) ৪২৬ জন
  3. গ) ৫৩৮ জন
  4. ঘ) ৬৭৪ জন
সঠিক উত্তর:
ক) ৬৭৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬৭৬ জন
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।

খেতাবগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব - বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব - বীরউত্তম : ৬৮ জন
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব - বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব - বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্মম হত্যাকান্ডের চার আসামীর খেতাব বাতিল করে।
তারা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো রিপোর্ট)

১৪.
ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা কে ছিলেন?
  1. ক) ঝিলংজা মারমা
  2. খ) ইউ কে চিং মারমা
  3. গ) সন্তু লারমা
  4. ঘ) আরুপ মারমা
সঠিক উত্তর:
খ) ইউ কে চিং মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউ কে চিং মারমা
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে ইউ কে চিং বীর বিক্রম খেতাব লাভ করেন।
- তিনি মারমা সম্প্রদায়ভুক্ত ও বান্দরবান জেলার বাসিন্দা।
- ২০১৪ সালের ২৫ জুলাই তিনি মারা যান।

(সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন নিউজ রিপোর্ট)

১৫.
গাজীপুরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে-
  1. ক) ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ
  2. খ) ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ
  3. গ) ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ১৯শে মার্চ গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ সংঘটিত হয়।
- ৭ মার্চের ভাষণের পর আন্দোলন দুর্বল করতে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী জয়দেবপুরের দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যদের তাঁদের অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু বাঙালি সৈন্যরা অস্ত্র জমা না দিয়ে জনতাকে সাথে নিয়ে চান্দিনা-জয়দেবপুর সড়ক অবরোধ করে।
- এতে পাকবাহিনী গুলিবর্ষণ করলে হুরমত, নিয়ামত, কানু মিয়া ও মনু খলিফা নিহত এবং অনেকে আহত হন। পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে ওটাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধ।
- এটির স্বরণে জয়দেবপুর চৌরাস্তায় জাগ্রত চৌরঙ্গী নামে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য নির্মিত হয়।

(তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো এবং গাজীপুর জেলা ওয়েবসাইট)

১৬.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কোনটি?
  1. ক) সৌদি আরব
  2. খ) ইরাক
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) মিশর
সঠিক উত্তর:
খ) ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইরাক
ব্যাখ্যা

ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।

এটি মধ্যপ্রাচ্যের স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ ছিল।
অন্যদিকে, ইরান ও কাতার বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় যথাক্রমে ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ও ৪ মার্চ এবং সৌদি আরব ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উৎসঃ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।


এছাড়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী কয়েকটি দেশঃ
প্রথম দেশ - ভুটান (৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১); দ্বিতীয় দেশ - ভারত
প্রথম ইউরোপীয় দেশ - পূর্ব জার্মানি; প্রথম আফ্রিকার দেশ - সেনেগাল।
প্রথম সমাজতান্ত্রিক দেশ - পূর্ব জার্মানি; প্রথম মুসলিম (অ-আরব) দেশ - সেনেগাল।
প্রথম উপসাগরীয় দেশ - কুয়েত।

১৭.
‘তমদ্দুন মজলিশ' প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯৪৮ সালের ২ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

তমদ্দুন মজলিশের গঠনতন্ত্রে বিধৃত এই সংগঠনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিম্নরূপ:
১. কুসংস্কার, গতানুগতিকতা ও প্রতিক্রিয়াশীলতা দূর করে ‘সুস্থ ও সুন্দর’ তমদ্দুন গড়ে তোলা;
২. যুক্তিবাদের উপর প্রতিষ্ঠিত সর্বাঙ্গ সুন্দর ধর্মভিত্তিক সাম্যবাদের দিকে মানবসমাজকে এগিয়ে নেওয়া;
৩. মানবীয় মূল্যবোধ ভিত্তিক সাহিত্য ও শিল্পের মাধ্যমে নতুন সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা;
৪. নিখুঁত চরিত্র গঠন করে গণজীবনের উন্নয়নে সহায়তা করা।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
উক্ত পুস্তিকায় নিম্ন লিখিত বিষয়গুলো প্রস্তাব করা হয় -

পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?
- তমদুন মজলিশ

১. বাংলা ভাষাই হবে:
(ক) পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষার বাহন।
(খ) পূর্ব পাকিস্তানের আদালতের ভাষা।
(গ) পূর্ব পাকিস্তানের অফিসাদির ভাষা।
২. পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের ভাষা হবে দুটি - উর্দু ও বাংলা।
৩. বাংলাই হবে পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষা বিভাগের প্রথম ভাষা। ইহা পূর্ব পাকিস্তানের শতকরা একশতজনই শিক্ষা করবেন।
(খ) উর্দু হবে দ্বিতীয় ভাষা। যারা পাকিস্তানের অন্যান্য অংশে চাকরী ইত্যাদি কাজে লিপ্ত হবেন, তারাই শুধু এ-ভাষা শিক্ষা করবেন। ইহা পূর্ব পাকিস্তানের শতকরা ৫ হইতে ১০ জন শিক্ষা করলেও চলবে। মাধ্যমিক স্কুলের উচ্চতর শ্রেণীতে এই ভাষা দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে শিক্ষা দেওয়া যাবে।
(গ) ইংরেজী হবে পূর্ব পাকিস্তানের তৃতীয় ভাষা বা আন্তর্জাতিক ভাষা। পাকিস্তানের কর্মচারী হিসাবে যাঁরা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে চাকরী করবেন বা যারা উচ্চতর বিজ্ঞান শিক্ষায় নিয়ােজিত হবেন তাঁরাই শুধু ইংরেজী শিক্ষা করবেন। তাদের সংখ্যা পূর্ব পাকিস্তানের হাজারকরা ১ জনের চেয়ে কখনাে বেশী হবে না। ঠিক একই নীতি হিসাবে পশ্চিম পাকিস্তানের প্রদাশেগুলিতে ওখানের স্থানীয় ভাষা বা উর্দু ১ম ভাষা, বাংলা ২য় ভাষা, আর ইংরেজী ৩য় ভাষার স্থান অধিকার করবে।
৪. শাসনকার্য ও বিজ্ঞান-শিক্ষার সুবিধার জন্য আপাততঃ কয়েক বৎসরের জন্য ইংরেজী ও বাংলার উভয় ভাষাতেই পূর্ব পাকিস্তানের শাসনকার্য চলবে। ইতিমধ্যে প্রয়ােজন অনুযায়ী বাংলা ভাষার সংস্কার সাধন করতে হবে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

১৮.
যুক্তফ্রন্ট সরকার কত দিন ক্ষমতায় ছিল?
  1. ক) ৭৩
  2. খ) ৫৬
  3. গ) ৫৪
  4. ঘ) ৬২
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৬
ব্যাখ্যা

১৯৫৩ সালের চারটি প্রধান দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠন করা হয়। নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল নৌকা এবং ২১ দফা দাবির ভিত্তিতে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। একুশ দফার প্রথম দাবি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকার করা।
১৯৫৪ সালের ১১ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক নির্বাচনে ২৩৭ টি আসনের মধ্যে ২২৩ আসনে জয়লাভ করে পূর্ব বাংলায় মন্ত্রিসভা গঠন করে। মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী হন এ.কে ফজলুল হক।
বঙ্গবন্ধু হন কৃষি,সমবায়, পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর গোলাম মোহাম্মদ ১৯৫৪ সালের ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট সরকার বাতিল করে কেন্দ্রের শাসন জারি করেন। যুক্তফ্রন্ট সরকার মাত্র ৫৬ দিন ক্ষমতায় ছিল।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়-নবম দশম শ্রেণি।

১৯.
চরমপত্র সিরিজটির পরিকল্পনা করেন কে?
  1. ক) এম আখতার মুকুল
  2. খ) আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
  3. গ) মনি সিং
  4. ঘ) আব্দুল মান্নান
সঠিক উত্তর:
ঘ) আব্দুল মান্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আব্দুল মান্নান
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম স্থাপিত হয়েছিল চট্টগ্রামের কালুরঘাটে।
১৯৭১ সালের ৩০ মার্চ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রটি পাকিস্তান হানাদার বিমান বাহিনীর বোমা বর্ষণের স্বীকার হয়।
স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র’ ও ‘জল্লাদের দরবার’। জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে ‘কেল্লা ফতেহ খান’ চরিত্রের মাধ্যমে চিত্রিত করা হয়েছে।
চরমপত্র সিরিজটির পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আব্দুল মান্নান। চরমপত্র পাঠ করতেন এম আখতার মুকুল।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়-নবম-দশম শ্রেণি

২০.
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর-এর পদবি কী ছিল?
  1. ক) সিপাহী
  2. খ) ল্যান্স নায়েক
  3. গ) ক্যাপ্টেন
  4. ঘ) ল্যাফটেন্যান্ট
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন
ব্যাখ্যা

৭জন বীরশ্রেষ্ঠের পদবি ও সমাধি -
মুন্সী আবদুর রব - ল্যান্স নায়েক (পদবি) - রাঙামাটি জেলার নানিয়ার চরে (সমাধি)।
মোস্তফা কামাল - সিপাহী (পদবি) - ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া মোগড়া গ্রামে (সমাধি)।
মতিউর রহমান - লেফটেন্যান্ট (পদবি) - মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান (সমাধি)।
নূর মোহাম্মদ শেখ - ল্যান্সনায়েক (পদবি) - যশোরের শর্শা উপজেলার কাশিমপুর গ্রামে (সমাধি)।
হামিদুর রহমান - সিপাহী (পদবি) - মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান (সমাধি)।
রুহুল আমিন - ইঞ্জিনরুম আর্টিফিশার (পদবি) - খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে (সমাধি)।
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর - ক্যাপ্টেন (পদবি) - চাঁপাই নবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গনে (সমাধি)।

২১.
‘রাখাইন’ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী প্রধানত বাংলাদেশের কোন জেলায় বাস করে?
  1. ক) পটুয়াখালী
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
ক) পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

রাখাইন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদিনিবাস মায়ানমারের আরাকান রাজ্য। এরা নিজেদের ‘রাক্ষাইন’ নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- রাখাইনরা এক সময় ‘মগ’ নামে পরিচিত ছিলো।
- অনেক গবেষকের মতে রাখাইন এবং মারমারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত। রাখাইনরা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারি।

(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)

২২.
কাঁকন বিবি কোন জেলার অধিবাসী ছিলেন?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা

নারী মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি খাসিয়া সম্প্রদায়ের। তার জন্ম ১৯৪৮ সালে সুনামগঞ্জ জেলার এক খাসিয়া পরিবারে। পরবর্তীতে তিনি ইসলামধর্ম গ্রহণ করে প্রথমে একজন বাঙালি এবং পরে একজন পাকিস্তানিকে বিয়ে করেন।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি ৫ নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি করেন। এক পর্যায়ে তিনি পাকবাহিনীর হাতে ধরা পড়লে তার উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।
কাঁকন বিবি কে ১৯৯৭ সালে মৌখিক ভাবে বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হলেও তার গেজেট প্রকাশিত হয়নি। ২০১৮ সালের ২১ শে মার্চ তিনি মারা যান।

(সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং প্রথম আলো)

এখানে অপশন বিবেচনায় সিলেট সঠিক উত্তর। আর ১৯৭১ সালে তিনি সিলেট অঞ্চলেই যুদ্ধ করেন।

২৩.
মুক্তিযুদ্ধের উপসেনাপতি কে ছিলেন?
  1. ক) কর্নেল এম এ জি ওসমানী
  2. খ) খালেদ মোশাররফ
  3. গ) এ কে খন্দকার
  4. ঘ) মেজর জিয়াউর রহমান
সঠিক উত্তর:
গ) এ কে খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন - কর্নেল এম এ জি ওসমানী।
মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন - এ কে খন্দকার।
মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন - কর্নেল এম এ রব।
জেনারেল এম এ জি ওসমানীর বাড়ি সিলেট জেলায়।
সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটির প্রধান ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।