পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামী শিক্ষা [২০১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামী শিক্ষা [২০১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৩৫
সিলেবাস
Full Model Test - 1
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামী শিক্ষা [২০১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামী শিক্ষা [২০১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩৫ প্রশ্ন

.
Choose the correct sentence:
  1. It is high time you making a decision.
  2. It is high time you make a decision.
  3. It is high time you made a decision.
  4. It is high time you could make a decision.
সঠিক উত্তর:
It is high time you made a decision.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It is high time you made a decision.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: It is high time you made a decision.

• Use of It is time/ It is high time:
- It is time/ It is high time এরপর যদি subject থাকে তাহলে পরবর্তী verb টি past indefinite tense এ হয়।
- কোনো কিছু করার এখনই উপযুক্ত সময় অর্থে It is time/ It is high time ব্যবহৃত হয়।

- নিয়মানুযায়ী, প্রদত্ত বাক্যে It is high time এর পরে subject (you) আছে, তাই এর পরে verb এর past form (made) বসবে।

• More examples:
- It is high time she left the place.
- It is high time you started studying.

• তবে, It is time/It is high time এরপর যদি subject না থাকে তবে to + verb হয়।
- যেমন: It is high time to stop corruption.

অন্য অপশন বিশ্লেষণ-
ক) It is high time you making a decision.
→ ভুল, কারণ verb এর past form হবে।

খ) It is high time you make a decision.
→ ভুল, কারণ verb এর past form (made) হবে।

ঘ) It is high time you could make a decision.
→ ভুল, কারণ could make দ্বারা অতীতের কাজ বুঝানো হয়, কিন্তু It is high time দ্বারা বর্তমানের কাজ বুঝানো হয়।

Source:
1. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
2. Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

.
গুপ্ত বংশের আদি পুরুষ কে ছিলেন?
  1. সমুদ্রগুপ্ত
  2. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  3. শ্রীগুপ্ত
  4. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
সঠিক উত্তর:
শ্রীগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীগুপ্ত
ব্যাখ্যা

গুপ্ত সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টীয় তিন শতকের শেষ এবং চার শতকের প্রথমদিকে সম্ভবত প্রথম চন্দ্রগুপ্ত অথবা সমুদ্রগুপ্তের মাধ্যমে বাংলায় গুপ্ত শাসন সম্প্রসারিত হয়।
- শ্রীগুপ্ত হচ্ছেন গুপ্ত বংশের আদি পুরুষ।
- এল্যানের মতে, পাটলীপুত্র (মগধের অভ্যন্তরে) নগরের অদূরে শ্রীগুপ্তের রাজত্ব ছিল।
- প্রথম চন্দ্রগুপ্তের হাত ধরে গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথম কুমারগুপ্তের সময় (৪৩২-৪৪৮ খ্রি.) থেকে উত্তর বাংলা গুপ্ত সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে গড়ে ওঠে।
- এটির নাম ছিল তখন ‘পুন্ড্রবর্ধন ভুক্তি’।
- হুনদের আক্রমণের মধ্য দিয়ে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) এর বর্তমান সভাপতি কে? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. সালেহউদ্দিন আহমেদ
  2. আলী ইমাম মজুমদার
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. ফয়েজ আহমদ
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- ECNEC-এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- গঠিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- সভাপতি: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। (অক্টোবর, ২০২৫)
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি: সালেহউদ্দিন আহমেদ। (অক্টোবর, ২০২৫)
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

.
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. দিনাজপুর
  3. পাবনা
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

.
বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় কোন স্থানে?
  1. দিল্লি
  2. পাটনা
  3. কানপুর
  4. বিহার
সঠিক উত্তর:
বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিহার
ব্যাখ্যা

বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় বিহারে।
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে।
- বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন। সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়। মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

.
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অনুযায়ী, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ৩.১%
  2. ৩.৭%
  3. ৪.৩%
  4. ৫.৮%
সঠিক উত্তর:
৩.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৭%
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা কয়টি? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ২৬টি
  2. ২৭টি
  3. ২৮টি
  4. ২৯টি
সঠিক উত্তর:
২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬টি
ব্যাখ্যা

সিভিল সার্ভিস ক্যাডার:
- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে তার প্রতিরূপ সংস্থাসমূহের মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত মানব সম্পদ পরিকল্পনায় উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন ব্যবস্থাপনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভূমিকা পালন করছে।
- কর্ম কমিশন দেশব্যাপি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার ২৬টি।

তথ্যসূত্র - কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

.
নিচের কোন জেলায় ওরাওঁ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. কক্সবাজার
  2. কুড়িগ্রাম
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী। এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- তারা মুঘল শাসনামলে বরেন্দ্র অঞ্চলে প্রবেশ করে এবং সে অঞ্চলে তাদের স্থায়ী নিবাস গড়ে তোলে।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।
- ওরাওঁরা জড়োপাসক, তাদের ভগবানের নাম ধরমী বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’।
- ওরাওঁরা তাদের সৃষ্টিকর্তা ধরমেশকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য তাঁর উদ্দেশ্যে পূজা করে এবং তাঁর উদ্দেশ্যে ‘ডানডাকাঁটা’ উৎসবের আয়োজন করে।
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

.
ন্যাটো (NATO) চার্টারের কোন ধারায় 'শান্তিপূর্ণ সমাধানের' কথা বলা আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১
  2. অনুচ্ছেদ ২
  3. অনুচ্ছেদ ৩
  4. অনুচ্ছেদ ৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে গঠন করা হয় সামরিক জোট NATO।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল)।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

• ন্যাটোর অনুচ্ছেদ: ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ছোট। মাত্র ১৪টি ধারার। এগুলো হলো:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১০.
নিম্নের কোন মতবাদে 'রাষ্ট্রের বিভিন্ন দায়িত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের কথা বলা হয়েছে?
  1. মার্ক্সবাদ
  2. নব্য-উদারতাবাদ
  3. বাস্তববাদ
  4. গঠনবাদ
সঠিক উত্তর:
বাস্তববাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তববাদ
ব্যাখ্যা

◉ বাস্তববাদ (Realism):
➝ It emphasizes the role of the state, national interest, and power in world politics.
➝ অর্থাৎ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এই তত্ত্বটি রাষ্ট্রের বিভিন্ন দায়িত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের কথা বলে।

◉ মার্ক্সবাদ (Marxism):
➝ Marxism, a body of doctrine developed by Karl Marx and, to a lesser extent, by Friedrich Engels in the mid-19th century. It originally consisted of three related ideas: a philosophical anthropology, a theory of history, and an economic and political program.
➝ মার্ক্সবাদ মূলত একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শন। ঐতিহাসিক বস্তুবাদ , দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ, উদ্বৃত্ত্ব মুল্যতত্ত্ব ও শ্রেণিসংগ্রাম এই চারটি বিষয়কে কেন্দ্র করে মার্কসবাদ বিকশিত হয়েছে।

◉ নব্য-উদারতাবাদ (Neoliberalism):
➝ Neoliberalism, ideology and policy model that emphasizes the value of free market competition.
➝ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নব্য উদারতাবাদের ধারনাটির ব্যাপক পরিচয় তুলে ধরেন রবার্ট কোহেন। এই তত্ত্ব অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহহের জাতীয় স্বার্থ হাসিলের জন্য আন্তর্জাতিক সংগঠেনর কোন বিকল্প নাই।

◉ গঠনবাদ (Constructivism):
➝ According to this approach, the behaviour of humans is determined by their identity, which itself is shaped by society’s values, history, practices, and institutions.
➝ এই তত্ত্বের মূল কথা হলো আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি বিভিন্ন আদর্শের উপর নির্ভরশীল। পাশাপাশি আরো বলা আছে, মানুষের আচরণ তার পারিপার্শিক বিভিন্ন উপাদানের উপর নির্ভর করে। সরাসরি আন্তর্জাতিক সংগঠনের কথা না বলা থাকলেও অন্তর্নিহিত ধারণা হলো, শক্তিশালি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি সামগ্রিকভাবে কল্যাণকর।
এছাড়াও আছে - Regime Theory, Functionalism. etc.

উৎস: Britannica.com এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ; লেখক: তারেক শামসুর রহমান। Liberalism & International theory; A Moravcsik.

১১.
নিম্নের কোন দেশে সমুদ্র বন্দর নাই?
  1. মঙ্গোলিয়া
  2. আজারবাইজান
  3. লাওস
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সমুদ্র বন্দরহীন দেশ:
- যেসব দেশের সাথে সমুদ্র সীমা নেই সেসব দেশকে স্থল বেষ্টিত দেশ (Landlocked country) বলে।

এশিয়ার কয়েকটি স্থল বেষ্টিত দেশ হচ্ছে:
- আফগানিস্তান,
- আর্মেনিয়া,
- আজারবাইজান,
- ভুটান,
- তুর্কমেনিস্তান,
- কাজাখস্তান,
- কিরগিজস্তান,
- লাওস,
- মঙ্গোলিয়া,
- নেপাল,
- তাজিকিস্তান এবং
- উজবেকিস্তান।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১২.
নিম্নের কোন সভ্যতা পতনের পর প্রাচীন গ্রীক সভ্যতার সূচনা হয়?
  1. মাইসেনিয়ান সভ্যতা
  2. মিনোয়ান সভ্যতা
  3. সামারিয়ান সভ্যতা
  4. নিওলিথিক সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
মাইসেনিয়ান সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইসেনিয়ান সভ্যতা
ব্যাখ্যা

• গ্রিক সভ্যতা:
- প্রাচীন গ্রিক সভ্যতা, মাইসেনিয়ান সভ্যতার পরের সময়কাল।
- প্রাচীন গ্রিস তার উচ্চতায় এশিয়া মাইনর, দক্ষিণ ইতালি, সিসিলি এবং গ্রীক দ্বীপপুঞ্জের বসতি নিয়ে গঠিত।
- এটি শহর-রাজ্যে বিভক্ত ছিল-এথেন্স এবং স্পার্টা।
- গ্রিক সংস্কৃতি হেলেনীয় সংস্কৃতি নামে বেশি পরিচিত।
- সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রাচীন গ্রিসের সৃষ্টি আজও মানব সমাজের মূল্যবান সম্পদ।
- হোমারের মহাকাব্য 'ইলিয়ড' এবং ‘ওডিসি' মহাকাব্যের অপূর্ব নিদর্শন।
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্ৰ গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।

সূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
'অরেঞ্জ বিপ্লবের' কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কোন শহর পরিচিত?
  1. ওডেসা
  2. মস্কো
  3. কিয়েভ
  4. মিনস্ক
সঠিক উত্তর:
কিয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়েভ
ব্যাখ্যা

অরেঞ্জ বিপ্লব:
- ‘অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব ছিল একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- এটি সংঘটিত হয়েছিল ২০০৪ সালে।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ছিল নাগরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত।

সূত্র - Britannica.com

১৪.
নিম্নের কত তারিখে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৪৪ সালের ২৪ অক্টোবর
  2. ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
  3. ১৯৪৫ সালের ১০ অক্টোবর
  4. ১৯৪৪ সালের ১২ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
• সাধারণ পরিষদ
• নিরাপত্তা পরিষদ
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
• অছি পরিষদ ও
• জাতিসংঘ সচিবালয়।

সূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৫.
স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা নিম্নের কে?
  1. হেনরি ডুন্যান্ট
  2. নেলসন ম্যান্ডেলা
  3. মেলভিন জোন্স
  4. রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েল
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েল
ব্যাখ্যা

স্কাউট আন্দোলন (Scout Movement):
- বিশ্বব্যাপী তরুণদের চরিত্র, নেতৃত্ব, এবং দায়িত্ববোধ গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক আন্দোলন।
- প্রতিষ্ঠার সাল: ১৯০৭ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: রবার্ট ব্যাডেন -পাওয়েল (Robert Baden-Powell)।
- প্রথম স্কাউট ক্যাম্প: ব্রাউনসি দ্বীপ, ইংল্যান্ড, ১৯০৭ সালৈ।
- মূল সংগঠন: World Organization of the Scout Movement (WOSM).
- প্রধান কার্যালয়: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

• মূল উদ্দেশ্য:
- তরুণদের শারীরিক, মানসিক, নৈতিক ও সামাজিক বিকাশের মাধ্যমে ভালো নাগরিক তৈরি করা
- মূলমন্ত্র (Motto): "Be Prepared" (প্রস্তুত থাকো)
- মূলনীতি: কর্তব্যপরায়ণতা, সাহায্যকারিতা ও চরিত্রগঠন।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৬.
'Inter-Services Intelligence (ISI)' নিম্নের কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. জাপান
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

• Inter Service Intelligence (ISI)
​ - আইএসআই পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালিন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ রবার্ট কাউথম এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
​- ।S। মূলত দেশের বাহিরে পাকিস্তানের স্বার্থ সংরক্ষণে কাজে নিয়োজিত।
- ​তবে পাকিস্তানের অভ্যন্তীরণ রাজনীতিতেও এর ব্যাপক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
- ​আইএসআই -এর নেতৃত্বে থাকেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল/মেজর জেনারেল পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক [ডিজি];
-​ তিনি এখনও পর্যন্ত সেনাবাহিনী থেকে নিযুক্ত একজন কর্মরত কর্মকর্তা।

অন্যদিকে,
• জাপানের গোয়েন্দা সংস্থার নাম নাইচো।
• ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার নাম RAW। ​​

উৎস: ব্রিটানিকা & নিউইয়র্ক টাইমস।

১৭.
সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন -
  1. গ্রিকরা
  2. চীনারা
  3. রোমানরা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রিকরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিকরা
ব্যাখ্যা

• গ্রিকদের অবদান:
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- প্রাচীন বিশ্বের প্রাচীনতম মানচিত্র তৈরি করেন - ব্যাবিলনীয়রা.
- পৃথিবীর বৃত্তাকার মানচিত্র প্রথম অংকন করেন গ্রিক বিজ্ঞানিরা।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয় প্রাকৃতিক কারণে ঘটে।
- এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।
- জ্যামিতি বিষয়ে পণ্ডিত ইউক্লিড পদার্থবিদ্যায়ও পারদর্শী ছিলেন।
- বিখ্যাত গণিতবিদ পিথাগোরাস, চিকিৎসা বিজ্ঞানী হিপোক্রেটসের যথেষ্ট খ্যাতি ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]

১৮.
'MERCOSUR' নিচের কোন অঞ্চলের বাণিজ্য জোট হিসেবে পরিচিত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. উত্তর আফ্রিকা
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

MERCOSUR:
- 'MERCOSUR' হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার একটি বাণিজ্য জোট।
- প্রতিষ্ঠা: ২৬ মার্চ, ১৯৯১ সাল
- সদরদপ্তর মন্টিভিডিও, উরুগুয়ে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি: 'Treaty of Asuncion'.
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারাগুয়ের রাজধানী আসুনসিয়ন।
- প্রধান ভাষা: স্প্যানিশ ও পর্তুগিজ।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৫টি (আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, বলিভিয়া, উরুগুয়ে। (অক্টোম্বর, ২০২৫)
- ভেনেজুয়েলার সদস্যপদ স্থগিত করা হয় ২০১৬ সালে।
- সহযোগী সদস্য:, পানামা, চিলি, পেরু, ইকুয়েডর, গায়ানা, সুরিনাম, কলম্বিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৯.
যদি a + b + c = 0 হয়, তাহলে (a3 + b3 + c3 )2 = ?
  1. 3a2b2c2
  2. 9abc
  3. 27abc
  4. 9a2b2c2
সঠিক উত্তর:
9a2b2c2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9a2b2c2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি a + b + c = 0 হয়, তাহলে (a3 + b3 + c3 )2 = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a + b + c = 0

আমরা জানি,
a3 + b3 + c3 - 3abc = (a + b + c)(a2 + b2 + c2 - ab - bc - ca)
⇒ a3 + b3 + c3 - 3abc = 0
∴ a3 + b3 + c3 = 3abc

প্রদত্ত রাশি,
(a3 + b3 + c3)2 = (3abc)2 = 9a2b2c2

২০.
একজন পরীক্ষার্থীকে 13 টি প্রশ্ন থেকে 6টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এর মধ্যে প্রথম 5টি থেকে ঠিক 3টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সে কত প্রকারে প্রশ্নগুলো বাছাই করতে পারবে?
  1. 480
  2. 560
  3. 720
  4. 360
সঠিক উত্তর:
560
উত্তর
সঠিক উত্তর:
560
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন পরীক্ষার্থীকে 13 টি প্রশ্ন থেকে 6টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এর মধ্যে প্রথম 5টি থেকে ঠিক 3টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সে কত প্রকারে প্রশ্নগুলো বাছাই করতে পারবে?

সমাধান:
মোট প্রশ্ন 13 টি
প্রথম 5টি থেকে ঠিক 3টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে,
তাহলে বাকি 8টি থেকে 3টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।

মোট বাছাই সংখ্যা = 5c3 × 8c3
= 10 × 56
= 560

২১.

  1. 64
  2. 48
  3. 16
  4. 32
সঠিক উত্তর:
32
উত্তর
সঠিক উত্তর:
32
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:


২২.
দুইটি সংখ্যার অনুপাত 7 : 9 এবং তাদের ল.সা.গু 189। সংখ্যা দুটি কী কী?
  1. 35 এবং 45
  2. 21 এবং 27
  3. 14 এবং 18
  4. 28 এবং 36
সঠিক উত্তর:
21 এবং 27
উত্তর
সঠিক উত্তর:
21 এবং 27
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার অনুপাত 7 : 9 এবং তাদের ল.সা.গু 189। সংখ্যা দুটি কী কী?

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যা দুইটি 7x এবং 9x.
∴ সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু. = x
এবং সংখ্যা দুইটির গুণফল = 63x2

আমরা জানি,
দুইটির গুণফল = সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু. × গ.সা.গু.
63x2 = 189 × x
63x = 189
∴ x = 3
∴ সংখ্যা দুইটি যথাক্রমে 3 × 7 = 21 এবং 3 × 9 = 27

২৩.
A(1, 2), B(4, 5) এবং C(7, k) বিন্দুত্রয় সমরেখ হলে k এর মান কত?
  1. 11
  2. 2
  3. - 4
  4. 8
সঠিক উত্তর:
8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A(1, 2), B(4, 5) এবং C(7, k) বিন্দুত্রয় সমরেখ হলে k এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
A(1, 2), B(4, 5) এবং C(7, k)

আমরা জানি,
(X1, Y1) ও (X2, Y2) বিন্দুগামী রেখার ঢাল = (y2​ - y1​​)/(x2​ - x1​)
তিনটি বিন্দু A(1, 2), B(4, 5) এবং C(7, k) সমরেখ হলে, তাদের মধ্যে যেকোনো দুইটি বিন্দু দ্বারা নির্ধারিত সরলরেখার ঢাল এবং তৃতীয় বিন্দুর সাথে অন্য একটি বিন্দুর মধ্যকার ঢাল সমান হবে।
এখন,
AB এর ঢাল,
mAB​ = (y2​ - y1​​)/(x2​ - x1​)
= (5 - 2)/(4 - 1)
= 3/3
= 1

আবার,
BC এর ঢাল
mBC = (y2​ - y1​​)/(x2​ - x1​)
= (k - 5)/(7 - 4)
= (k - 5)/3

∴ তিনটি বিন্দু সমরেখ হলে ঢাল দুটি সমান হবে।
∴ (k - 5)/3 = 1
⇒ k - 5 = 3
⇒ k = 5 + 3
⇒ k = 8

সুতরাং, k এর মান 8

২৪.
P(A ∩ B) = 1/3, P(A ∪ B) = 5/6 এবং P(B) = 2/3 হয়, তাহলে P(A) এর মান নির্নয় করুন?
  1. 1/2
  2. 4/3
  3. 2/3
  4. 1/6
সঠিক উত্তর:
1/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P(A ∩ B) = 1/3, P(A ∪ B) = 5/6 এবং P(B) = 2/3 হয়, তাহলে P(A) এর মান নির্নয় করুন?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
P(A ∩ B) = 1/3
P(A ∪ B) = 5/6
এবং P(B) = 2/3

আমরা জানি,
P(A ∪ B) = P(A) + P(B) - P(A ∩ B)
⇒ 5/6 = P(A) + (2/3) - (1/3)
⇒ P(A) = (5/6) + (1/3) - (2/3)
= (5 + 2 - 4)/6
= 3/6
∴ P(A) = 1/2

২৫.
a + 2a + 3a + 4a + ...................... সমান্তর ধারার n-তম পদ ও সাধারণ অন্তরের অনুপাত কত?
  1. n : 2
  2. 2 : n
  3. n : 1
  4. n2
সঠিক উত্তর:
n : 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
n : 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a + 2a + 3a + 4a + ..............সমান্তর ধারার n-তম পদ ও সাধারণ অন্তরের অনুপাত কত?

সমাধান:
প্রথম পদ, A1 = a
সাধারণ অন্তর, d = 2a - a = a

আমরা জানি,
n তম পদ = A1 + (n - 1)d
= a + (n - 1)a
= a + na - a
= na

∴ n-তম পদ এবং সাধারণ অন্তরের অনুপাত = na : a = n : 1

২৬.
বিষমবাহু ΔABC-এর বাহুগুলির মান এমনভাবে নির্ধারিত যে, AD মধ্যমা দ্বারা গঠিত ΔABD-এর ক্ষেত্রফল y বর্গমিটার। ΔABC-এর ক্ষেত্রফল কত?
  1. y2 বর্গমিটার
  2. (√y/3)3 বর্গমিটার
  3. (y/2)2 বর্গমিটার
  4. 2y বর্গমিটার
সঠিক উত্তর:
2y বর্গমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2y বর্গমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বিষমবাহু ΔABC-এর বাহুগুলির মান এমনভাবে নির্ধারিত যে, AD মধ্যমা দ্বারা গঠিত ΔABD-এর ক্ষেত্রফল y বর্গমিটার। ΔABC-এর ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:

আমরা জানি,
যে কোন ত্রিভুজের মধ্যমা ঐ ত্রিভুজকে সমদ্বিখণ্ডিত করে

যেহেতু ত্রিভুজ ABD এর ক্ষেত্রফল y বর্গমিটার
অতএব ,ত্রিভুজ ACD এর ক্ষেত্রফল হবে y বর্গমিটার ।

অতএব , ABC এর ক্ষেত্রফল = ∆ABD এর ক্ষেত্রফল + ∆ACD এর ক্ষেত্রফল
= y + y
= 2y বর্গমিটার

২৭.
গ্যালাক্সির স্পেকট্রাল রেখাগুলি রেডশিফটেড হলে বোঝায়, গ্যালাক্সিটি -
  1. পৃথিবীর দিকে ধাবিত হচ্ছে
  2. পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে
  3. মোটেই নড়ছে না
  4. নিজের অক্ষে ঘূর্ণায়মান
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে
ব্যাখ্যা

• গ্যালাক্সির স্পেকট্রাল রেখার রেডশিফট (Redshift):
- রেডশিফট হলো সেই প্রক্রিয়া যেখানে একটি গ্যালাক্সি বা আকাশীয় বস্তুর আলো দীর্ঘতর তরঙ্গদৈর্ঘ্যে স্থানান্তরিত হয়।
- এর মানে হলো, গ্যালাক্সিটি পর্যবেক্ষকের দিক থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
- এটি মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- রেডশিফটের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে কোন গ্যালাক্সি আমাদের থেকে কত দ্রুত দূরে সরে যাচ্ছে।
- রেডশিফটের কারণ: গ্যালাক্সির গতিবেগ এবং মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ।
- ডপলার ইফেক্টের মতো, আলোও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তন দেখায়, কিন্তু গ্যালাক্সির আপাত অবস্থান পরিবর্তিত হয় না।

• গ্যালাক্সির ব্লুশিফট (Blueshift):
- ব্লুশিফট হলো সেই প্রক্রিয়া যেখানে গ্যালাক্সির আলো ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যে স্থানান্তরিত হয়।
- এর মানে হলো, গ্যালাক্সিটি পর্যবেক্ষকের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
- এটি গ্যালাক্সির আপেক্ষিক গতিবেগ নির্ণয়ে সহায়ক।

• গ্যালাক্সির ঘূর্ণন:
- একটি গ্যালাক্সি নিজ অক্ষে ঘূর্ণায়মান হতে পারে।
- তবে এর ফলে সাধারণভাবে রেডশিফট বা ব্লুশিফট দেখা যায় না।
- ঘূর্ণন শুধুমাত্র গ্যালাক্সির অভ্যন্তরীণ গ্যাস বা তারা গতির পরিবর্তন ঘটায়।

- সুতরাং, গ্যালাক্সির স্পেকট্রাল রেখাগুলি রেডশিফটেড হলে বোঝায় যে গ্যালাক্সিটি পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
- সঠিক উত্তর: খ) পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

সূত্র: NASA [link]

২৮.
'Torque' - এর সঙ্গে জড়িত শব্দ কোনটি?
  1. Acceleration
  2. Mass
  3. Friction
  4. Twist
সঠিক উত্তর:
Twist
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Twist
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'Torque' - এর সঙ্গে জড়িত শব্দ কোনটি?

সমাধান:

• টর্ক (Torque):
- টর্ক হলো একটি ফোর্স যা কোনো বস্তু ঘূর্ণন করানোর ক্ষমতা রাখে।
- এটি সরলরেখার গতি নয়, বরং ঘূর্ণন বা টুইস্টের সাথে সম্পর্কিত।
- টর্ক নির্ভর করে ফোর্সের আকার এবং ফোর্স প্রয়োগের দূরত্বের উপর।
- সরলরেখার ত্বরণ (Acceleration) বা ভর (Mass) সরাসরি টর্কের সংজ্ঞার সাথে সম্পর্কিত নয়।
- ঘর্ষণ (Friction) টর্কে প্রভাব ফেলতে পারে, কিন্তু টর্কের মূল সংজ্ঞা নয়।

সুতরাং, টর্কের সঙ্গে জড়িত শব্দ হলো Twist.
সঠিক উত্তর: ঘ) Twist.

• Acceleration (ত্বরণ):
- ত্বরণ হলো গতির পরিবর্তনের হার, অর্থাৎ কোনো বস্তু কত দ্রুত বা ধীরে গতিশীল হচ্ছে।
- এটি সরলরেখার গতি বা লিনিয়ার মুভমেন্টের সাথে সম্পর্কিত।
- ঘূর্ণন বা টর্কের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
- টর্ক থাকলেও, ত্বরণ শুধু ভর ও ফোর্সের কারণে নির্ধারিত হয়।

• Mass (ভর):
- ভর হলো কোনো বস্তুতে থাকা পদার্থের পরিমাণ।
- এটি জড়তা এবং গাণিতিক গণনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- টর্কের সংজ্ঞার জন্য এটি সরাসরি প্রয়োজন নয়, যদিও টর্ক তৈরি করতে ফোর্স প্রয়োগের ক্ষেত্রে ভরের গুরুত্ব থাকতে পারে।

• Friction (ঘর্ষণ):
- ঘর্ষণ হলো দুটি পৃষ্ঠের মধ্যে প্রতিরোধের শক্তি।
- এটি কোনো বস্তুকে ঘূর্ণন বা সরলরেখায় ধীর করতে পারে।
- ঘর্ষণ টর্কের প্রভাব কমাতে বা বাড়াতে পারে, তবে টর্কের মূল সংজ্ঞা নয়।

২৯.
ক এর চেয়ে খ তত ছোট যতখানি বড় গ এর চেয়ে। ক এবং গ এর বয়সের সমষ্টি ৯৬। খ এর বয়স কত?
  1. ৪৮
  2. ২৪
  3. ৪২
  4. ৫০
সঠিক উত্তর:
৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ক এর চেয়ে খ তত ছোট যতখানি বড় গ এর চেয়ে। ক এবং গ এর বয়সের সমষ্টি ৯৬। খ এর বয়স কত?

সমাধান:
দেয়া আছে,
ক + গ = ৯৬..............(১)

আবার,
ক - খ = খ - গ
⇒ ক + গ = খ + খ
⇒ ২খ = ৯৬
⇒ খ = ৯৬/২
∴ খ = ৪৮

খ এর বয়স = ৪৮ বছর

৩০.
প্রশ্নবোধকের জায়গায় কোন ছবি বসলে প্যাটার্ন পূর্ণ হবে?

  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধকের জায়গায় কোন ছবি বসলে প্যাটার্ন পূর্ণ হবে?

সমাধান:

প্রশ্নবোধক স্থানে অপশন 4 এর চিত্রটি বসলে প্যাটার্ন সম্পূর্ণ হবে।

৩১.
৮, ১১, ১৭, ২৯,......... ধারাটির ৭ম সংখ্যাটি কত?
  1. ১৯৭
  2. ১০১
  3. ১৯৩
  4. ১৮৭
সঠিক উত্তর:
১৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৮, ১১, ১৭, ২৯,......... ধারাটির ৭ম সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
(একটি সংখ্যা × ২) - ৫ = পরবর্তী সংখ্যা

যেমন,
(৮ × ২) - ৫ = ১৬ - ৫ = ১১
(১১ × ২) - ৫ = ২২ - ৫ = ১৭
(১৭ × ২) - ৫ = ৩৪ - ৫ = ২৯
(২৯ × ২) - ৫ = ৫৮ - ৫ = ৫৩
(৫৩ × ২) - ৫ = ১০১
(১০১ × ২) - ৫ = ১৯৭

∴ পরবর্তী সংখ্যাটি হলো ১৯৭

বিকল্প সমাধান,
আবার,
৮ + ৩ = ১১
১১ + ৬ = ১৭
১৭ + ১২ = ২৯
২৯ + ২৪ = ৫৩
৫৩ + ৪৮ = ১০১
১০১ + ৯৬ = ১৯৭

৩২.
যদি KHULNA = 67 হয়, তবে CUMILLA = কত?
  1. 65
  2. 67
  3. 69
  4. 71
সঠিক উত্তর:
71
উত্তর
সঠিক উত্তর:
71
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি KHULNA = 67 হয়, তবে CUMILLA = কত?

সমাধান:

KHULNA = K + H + U + L + N + A = 11 + 8 + 21 + 12 + 14 + 1 = 67

একই ভাবে,
CUMILLA = 3 + 21 + 13 + 9 + 12 + 12 + 1 = 71

৩৩.
কোন মাসের ৫ তারিখ যদি শুক্রবার হয়, তাহলে সেই মাসের ৩০ তারিখ কোন দিন হবে?
  1. মঙ্গলবার
  2. শুক্রবার
  3. বুধবার
  4. সোমবার
সঠিক উত্তর:
মঙ্গলবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গলবার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন মাসের ৫ তারিখ যদি শুক্রবার হয়, তাহলে সেই মাসের ৩০ তারিখ কোন দিন হবে?

সমাধান:
৫ম দিন = শুক্রবার
(৫ + ৭) বা, ১২ তম দিন = শুক্রবার
(১২ + ৭) বা, ১৯তম দিন = শুক্রবার
(১৯ + ৭) বা, ২৬তম দিন = শুক্রবার

২৭ তম দিন = শনিবার
২৮ তম দিন = রবিবার
২৯ তম দিন = সোমবার
৩০ তম দিন = মঙ্গলবার

∴ ৩০ তম দিন = মঙ্গলবার

৩৪.
পানিতে যে প্রতিচ্ছবিগুলি দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যে কোনটি ইংরেজি শব্দের অনুরূপ?

  1. A
  2. B
  3. C
  4. D
সঠিক উত্তর:
A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পানিতে যে প্রতিচ্ছবিগুলি দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যে কোনটি ইংরেজি শব্দের অনুরূপ?


সমাধান:

সঠিক উত্তর: A

৩৫.
প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন সংখ্যা হবে?

  1. 82
  2. 68
  3. 72
  4. 78
সঠিক উত্তর:
78
উত্তর
সঠিক উত্তর:
78
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন সংখ্যা হবে?

সমাধান:
সমাধান:
3 থেকে শুরু করে,
(3 × 2) + 2 = 8
(8 × 2) + 2 = 18

(18 × 2) + 2 = 38
(38 × 2) + 2 = 78

(78 × 2) + 2 = 158

বিকল্প সমাধান,
8 + 10 = 18
18 + 20 = 38
38 + 40 = 78
78 + 80 = 158

৩৬.
কোন শহরটি "Spain"- এর সঙ্গে সেইভাবে সম্পর্কিত, যেমন কায়রো মিশরের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. Madrid
  2. Barcelona
  3. Valencia
  4. Seville
সঠিক উত্তর:
Madrid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Madrid
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন শহরটি "Spain"- এর সঙ্গে সেইভাবে সম্পর্কিত, যেমন কায়রো মিশরের সঙ্গে সম্পর্কিত?

সমাধান:

• "Madrid"- Spain এর রাজধানী।
- একইভাবে "Cairo"-এর সঙ্গে সম্পর্কিত দেশ হলো Egypt.

অন্যদিকে,
- "Valencia"- Spain এর একটি শহর।
- "Seville"- Spain এর একটি শহর।
- "Barcelona"- Spain এর একটি শহর; যাকে আমরা "কাতালোনিয়া" হিসেবে চিনি।

৩৭.
পবিত্র কুরআনের সুরা নুর -এ মোট কতটি ‘হুদুদ’ বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

পবিত্র কুরআনের সুরা নুর-এ মোট তিনটি প্রধান হদ/হুদুদ (সীমারেখা / শাস্তি) বর্ণিত হয়েছে।

১. ব্যভিচারের শাস্তি – ১০০ বেত্রাঘাত (আয়াত ২)।

২. মিথ্যা অপবাদ (কযফ) এর শাস্তি – ৮০ বেত্রাঘাত (আয়াত ৪)।

৩. লিয়ানের বিধান – স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ব্যভিচারের অভিযোগ নিয়ে আল্লাহর নামে শপথ (আয়াত ৬-৯)।

৩৮.
বাইআতে রিদওয়ানে প্রথম যে সাহাবি বাইয়াত গ্রহণ করতে এগিয়ে আসেন–
  1. জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রা)
  2. আবু সিনান আসাদি (রা)
  3. উমর ইবনুল খাত্তাব (রা)
  4. সালমান ফারসি (রা)
সঠিক উত্তর:
আবু সিনান আসাদি (রা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সিনান আসাদি (রা)
ব্যাখ্যা

সর্বপ্রথম যিনি এই বাইয়াত গ্রহণ করেছিলেন, তিনি ছিলেন হযরত আবু সিনান আসাদী (রা)। তিনি সকলের আগে অগ্রসর হয়ে বলেন: “হে আল্লাহর রাসুল (সা)! হাত বাড়িয়ে দিন যাতে আমি বাইয়াত গ্রহণ করতে পারি।” তিনি বললেন: “কীসের উপর বাইয়াত গ্রহণ করবে?” উত্তরে তিনি বলেন: “আপনার অন্তরে যা রয়েছে তারই উপর আমি বাইয়াত গ্রহণ করবো।”

৩৯.
মিশকতুল মাসাবিহ গ্রন্থের কিতাবুল ইমানের ১ম হাদিসটির ভিন্ন পরিচয় কী?
  1. উম্মুল আহাদিস
  2. উম্মুস সুন্নাহ
  3. হাদিসে জিবরিল
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা

মিশকতুল মাসাবিহ এর কিতাবুল ইমানের ১ম হাদিসটিতে হযরত জিবরিল (আ) কর্তৃক প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে ইমান, ইসলাম, ইহসান ও কিয়ামতের নিদর্শন সম্পর্কে সত্যায়ন করার কারণে এটিকে হাদিসে জিবরিল, উম্মুস সুন্নাহ এবং উম্মুল আহাদিস বলে।

৪০.
সাহাবিরা কোন আয়াত নাযিল হওয়ার প্রেক্ষিতে রাসুল (সা) কে প্রশ্ন করতে কুণ্ঠিত হতেন?
  1. সুরা হুজরাতের ২য় আয়াত
  2. সুরা আলাকের ১ম আয়াত
  3. সুরা বাকারার ১৮৫ আয়াত
  4. সুরা হুজরাতের ১ম আয়াত
সঠিক উত্তর:
সুরা হুজরাতের ২য় আয়াত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরা হুজরাতের ২য় আয়াত
ব্যাখ্যা

সুরা হুজরাতের ২য় আয়াত নাযিল হলে অনেক সাহাবি রাসুলে কারিম (সা) কে প্রশ্ন করতে দ্বিধান্বিত ছিলেন। যে কারণে হাদিসে জিবরিল এর ঘটনায় হযরত জিবরিল (আ) এসে রাসুল (সা) কে নিজে প্রশ্ন করে সাহাবিদের প্রশ্ন করতে উৎসাহিত করেন।

৪১.
কয়টি বিষয়ের জ্ঞান আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছে নেই?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

আল্লাহ ছাড়া মোট পাঁচটি বিষয়ের জ্ঞান কারো কাছে নেই: ১) কেয়ামত কখন সংঘটিত হবে, ২) গর্ভে কী আছে, ৩) কখন বৃষ্টি হবে, ৪) আগামীকাল কী ঘটবে, এবং ৫) কেউ কোথায় মারা যাবে। এ বিষয়গুলো অদৃশ্য জগতের চাবিসমূহের অন্তর্ভুক্ত এবং একমাত্র আল্লাহই এগুলোর খবর রাখেন।

৪২.
দৃষ্টি সংযমের বিধান মূলত কোন ফিতনা প্রতিরোধ করে?
  1. অশালীনতা
  2. ব্যভিচার
  3. জুয়া
  4. বিশৃঙ্খলা
সঠিক উত্তর:
ব্যভিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যভিচার
ব্যাখ্যা

দৃষ্টি সংযমের বিধান ব্যভিচার প্রতিরোধে সাহায্য করে, কারণ এটি অবাঞ্ছিত যৌন আকাঙ্ক্ষা এবং দৃশ্যমান উস্কানি থেকে দূরে রাখে, যা মানুষকে পাপের দিকে চালিত করতে পারে। এটি ইসলামি ও অন্যান্য ধর্মীয় ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হিসেবে বিবেচিত হয়, যা ব্যক্তি ও সমাজকে অনৈতিক আচরণ থেকে রক্ষা করে।

৪৩.
পবিত্র কুরআনে বৃষ্টির উদাহরণ আল্লাহর কোন গুণ প্রকাশ করে?
  1. রহমত
  2. শক্তিমত্তা
  3. মাগফিরাত
  4. শাস্তি
সঠিক উত্তর:
রহমত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রহমত
ব্যাখ্যা

পবিত্র কুরআনে বৃষ্টিকে আল্লাহর বিশেষ রহমত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা শুষ্ক ভূমিকে পুনরুজ্জীবিত করে, ফসল ও ফল উৎপন্ন করে এবং জীবজগতের জন্য রিজিক সরবরাহ করে। এই আয়াতগুলো আল্লাহর অশেষ ক্ষমতা, কুদরতের নিদর্শন এবং প্রতিপালনের ক্ষমতাকে তুলে ধরে। বৃষ্টির উদাহরণ সাধারণত আল্লাহর রহমতের গুণ প্রকাশ করে থাকে।

৪৪.
সুরা নুরে মুমিনদেরকে কোন বিষয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে?
  1. পার্থিব ভোগ-বিলাস
  2. রাষ্ট্রক্ষমতা
  3. অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি
  4. প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রক্ষমতা
ব্যাখ্যা

“তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে এ মর্মে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তিনি নিশ্চিতভাবে তাদেরকে যমীনের প্রতিনিধিত্ব প্রদান করবেন, যেমন তিনি প্রতিনিধিত্ব প্রদান করেছিলেন তাদের পূর্ববর্তীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই তাদের জন্য শক্তিশালী ও সুপ্রতিষ্ঠিত করবেন তাদের দীনকে।” (সুরা নুর, আয়াত ৫৫)

৪৫.
পবিত্র কুরআনের কোথায় বাইয়াতের রিদওয়ানের কথা আলোচিত হয়েছে?
  1. সুরা ফাতহের ১৮ নং আয়াতে
  2. সুরা ফাতহের ১৯ নং আয়াতে
  3. সুরা ফাতহের ২৮ নং আয়াতে
  4. সুরা নুরের ৩৪ নং আয়াতে
সঠিক উত্তর:
সুরা ফাতহের ১৮ নং আয়াতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরা ফাতহের ১৮ নং আয়াতে
ব্যাখ্যা

বাইয়াতের রিদওয়ানের কথা পবিত্র কুরআনের সুরা ফাতহের ১৮ নং আয়াতে আলোচিত হয়েছে। এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা হুদাইবিয়ার সেই বিশেষ বাইয়াতের অংশগ্রহণকারী সাহাবিদের প্রতি তাঁর সন্তুষ্টির কথা উল্লেখ করেছেন, যেখানে তারা গাছের নিচে রাসুল (সা) এর হাতে হাত রেখে শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

৪৬.
যৌথভাবে ইমাম বুখারি ও ইমাম মুসলিম (র) হযরত আবু হুরায়রা (রা) এর কাছ থেকে কতটি হাদিস বর্ণনা করেছেন?
  1. ১২৫টি
  2. ৩২৫টি
  3. ৭২টি
  4. ৫৩৭৪টি
সঠিক উত্তর:
৩২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২৫টি
ব্যাখ্যা

সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবি আবু হুরায়রা (রা)। তার মূল নাম আবদুর রহমান ইবনে সখর। এছাড়াও তিনি উমায়ের বিন আমের, আব্দুল্লাহ বিন সখর নামেও প্রসিদ্ধ। ইসলাম- পূর্ব যুগে তার নাম ছিল- আবদে শামস, আব্দুল লাত, আব্দুল উযযা ইত্যাদি। তিনি আসহাবুস সুফফার একজন সদস্য ছিলেন এবং একনিষ্ঠ জ্ঞান পিপাসু ছিলেন। তিনি তিন বছর নবি মুহাম্মদ(সা) এর সান্নিধ্যে ছিলেন এবং বহুসংখ্যক হাদিস আত্মস্থ করেন এবং বর্ণনা করেন। হিসাব অনুযায়ী, ৫,৩৭৪ টি হাদিস তার কাছ থেকে লিপিবদ্ধ হয়েছে। উর্বর মস্তিষ্ক ও প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী ছিলেন তিনি। তার কাছ থেকে আটশত তাবেঈ হাদিস শিক্ষা লাভ করেছিলেন। তিনি ৭ম হিজরিতে ইসলাম গ্রহণ করেন। ইমাম বুখারি ও ইমাম মুসলিম যৌথভাবে তার কাছ থেকে ৩২৫টি হাদিস বর্ণনা করেছেন।

৪৭.
হাদিসে জিবরিলে প্রশ্নোত্তর শেষে আল্লাহর রাসুল (সা) কোন আয়াত তেলাওয়াত করেন?
  1. إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ
  2. اَلۡیَوۡمَ اَكۡمَلۡتُ لَكُمۡ دِیۡنَكُمۡ وَ اَتۡمَمۡتُ عَلَیۡكُمۡ نِعۡمَتِیۡ وَ رَضِیۡتُ لَكُمُ الۡاِسۡلَامَ دِیۡنًا
  3. ذٰلِكَ لَهُمۡ خِزۡیٌ فِی الدُّنۡیَا وَ لَهُمۡ فِی الۡاٰخِرَۃِ عَذَابٌ عَظِیۡمٌ
  4. یُرِیۡدُوۡنَ اَنۡ یَّخۡرُجُوۡا مِنَ النَّارِ وَ مَا هُمۡ بِخٰرِجِیۡنَ مِنۡهَا
সঠিক উত্তর:
إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ
ব্যাখ্যা

হাদিসে জিবরিলে হযরত জিবরাইল (আ) এসে আল্লাহর রাসুল (সা) এর সাথে ইমান, ইসলাম, কিয়ামত ও ইহসান সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর সম্পন্ন করেন। শেষে রাসুল (সা) পবিত্র কুরআনের এই আয়াত তেলাওয়াত করেন: إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ

“নিশ্চয় আল্লাহর নিকট কিয়ামতের জ্ঞান রয়েছে। আর তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন।” (সুরা লুকমান, আয়াত ৩৪)

৪৮.
কোন সাহাবি রাসুল (সা)-এর সামনে উচ্চস্বরে কথা বলা প্রসঙ্গে তার আমল বাতিল হয়ে গেছে বলে ভয় পেয়েছিলেন?
  1. আবু বকর (রা)
  2. উমার (রা)
  3. ইবনে আব্বাস (রা)
  4. সাবিত ইবন কায়েস (রা)
সঠিক উত্তর:
সাবিত ইবন কায়েস (রা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবিত ইবন কায়েস (রা)
ব্যাখ্যা

“তোমাদের আওয়াজ নবির আওয়াজের চেয়ে উঁচু কর‎ না” আয়াতটি অবতীর্ণ হলে সাবেত বিন কায়েস (রা) বললেন: আমি নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আওয়াজের ওপর আমার আওয়াজকে উঁচু করেছিলাম। আমার সকল আমল বাতিল হয়ে গেছে। আমি জাহান্নামবাসী। তিনি তাঁর বাড়িতে চিন্তিত অবস্থায় বসে রইলেন। একদা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনেক সময় ধরে পাচ্ছেন না। কিছু মানুষ তাঁর কাছে গেল। তারা বলল: আপনাকে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাচ্ছেন না। আপনার কী হয়েছে? তিনি বললেন : আমি নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আওয়াজের ওপর আমার আওয়াজকে উঁচু করেছিলাম। আমার সকল আমল বাতিল হয়ে গেছে। আমি তো জাহান্নামী হয়ে গেছি। তারা নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে এ খবর জানালো। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : না বরং সে জান্নাতবাসী। তারপর তিনি ইয়ামামার যুদ্ধে শহিদ হন। (সহিহ বুখারি হা. ৪৮৪৬)

৪৯.
হাদিসে জিবরিলে কোন বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রাসুল (সা) বলেন, “যাকে প্রশ্ন করা হয়েছে, তার থেকে প্রশ্নকারীই এ বিষয়ে ভালো জানেন?
  1. ইহসান
  2. কিয়ামতের আলামত
  3. কিয়ামত সংঘটনের সময়
  4. ইমান
সঠিক উত্তর:
কিয়ামত সংঘটনের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়ামত সংঘটনের সময়
ব্যাখ্যা

হাদিসে জিবরিলে হযরত জিবরাইল (আ) এসে আল্লাহর রাসুল (সা) এর সাথে ইমান, ইসলাম, ও ইহসান সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। কিন্তু যখন কিয়ামত সংঘটনের সময় সম্পর্কে রাসুল (সা) কে প্রশ্ন করা হয়, তখন তিনি বলেন, “যাকে প্রশ্ন করা হয়েছে, তার থেকে প্রশ্নকারীই এ বিষয়ে ভালো জানেন।” পরে রাসুল (সা) কে জিবরাইল (আ) কিয়ামতের নিদর্শন সম্পর্কে প্রশ্ন করেন এবং রাসুল (সা) উত্তর দেন।

৫০.
সুফি সাধকদের মতে ২ প্রকার ইলম হলো–
  1. তরিকত ও হাকিকত
  2. হাকিকত ও মারেফাত
  3. শরিয়ত ও মারেফাত
  4. জাহের ও বাতেন
সঠিক উত্তর:
জাহের ও বাতেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহের ও বাতেন
ব্যাখ্যা

সুফি-সাধকদের মতে ইলম প্রধানত ২ প্রকার: (১) ইলমে জাহের বা প্রকাশ্য জ্ঞান (২) ইলমে বাতেন বা অপ্রকাশ্য জ্ঞান।

৫১.
ইসলামে কোন অভ্যাসটি উত্তম?
  1. সালাম দেওয়া ও অপরকে খাবার খাওয়ানো
  2. সালাম দেওয়া ও ইলম অন্বেষণ করা
  3. কুরআন শেখা ও শেখানো
  4. দ্বীনী জ্ঞান আলোচনা করা
সঠিক উত্তর:
সালাম দেওয়া ও অপরকে খাবার খাওয়ানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালাম দেওয়া ও অপরকে খাবার খাওয়ানো
ব্যাখ্যা

মিশকাতুল মাসাবিহ গ্রন্থের কিতাবুল আদাব এর হাদিস অনুসারে সালাম দেওয়া ও অপরকে খাবার খাওয়ানো ইসলামে উত্তম অভ্যাস হিসেবে বিবেচিত।

৫২.
“তোমরা অপবাদ শুনে কেন সৎ ধারণা করলে না”—এ উক্তির উদ্দেশ্য কোন শ্রেণির ব্যক্তিবর্গ?
  1. মুনাফিক
  2. মুমিন
  3. কাফের
  4. বেদুইন
সঠিক উত্তর:
মুমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুমিন
ব্যাখ্যা

“যখন তোমরা এটা শুনলে, তখন কেন মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীরা তাদের নিজদের সম্পর্কে ভাল ধারণা পোষণ করল না এবং বলল না যে, ‘এটা তো সুস্পষ্ট অপবাদ’?” (সুরা নুর, আয়াত ১২) এ আয়াতে কারিমা থেকে সুস্পষ্ট যে, এ উক্তির উদ্দেশ্য মুমিন শ্রেণির ব্যক্তিবর্গ।

৫৩.
হযরত আয়েশা (রা) সম্পর্কে সুরা নুরে অবতীর্ণ আয়াতের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ১৩টি
  3. ৭টি
  4. ১টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা

افك বা মিথ্যা অপবাদের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সুরা নুরের ১১-২০ নং আয়াত পর্যন্ত নাযিল হয় এবং প্রমাণিত হয় যে, আয়েশা (রা) সম্পূর্ণরূপে নির্দোষ। সুতরাং হযরত আয়েশা (রা) সম্পর্কে সুরা নুরে অবতীর্ণ আয়াতের সংখ্যা ১০টি। (সহিহ বুখারি হা: ৪৭৫০, সহিহ মুসলিম হা: ২৭৭০)

৫৪.
হাদিসে জিবরিলে আগন্তুক লোকটির পোশাক কেমন ছিল?
  1. সফরের ক্লান্তিমিশ্রিত
  2. জীর্ণ-শীর্ণ
  3. ধবধবে সাদা
  4. কুচকুচে কালো
সঠিক উত্তর:
ধবধবে সাদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধবধবে সাদা
ব্যাখ্যা

“উমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় জনৈক ব্যক্তি আমাদের নিকট এগমন করলেন। ধবধবে সাদা তাঁর পোশাক। চুল তাঁর কুচকুচে কালো…।” হাদিসে জিবরিল এর এই অনুবাদ থেকে বোঝা যায় যে, আগন্তুক লোকটির পোশাক ধবধবে সাদা ছিল।

৫৫.
সুরা নূরের সমাপনী মূলত কী শিক্ষা দেয়?
  1. আল্লাহ সর্বজ্ঞ
  2. অপরাধীরা শাস্তি পাবেই
  3. জান্নাত চিরস্থায়ী
  4. ইসলাম শক্তিশালী
সঠিক উত্তর:
আল্লাহ সর্বজ্ঞ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল্লাহ সর্বজ্ঞ
ব্যাখ্যা

“এবং যেদিন তাদেরকে তাঁর কাছে ফিরিয়ে নেওয়া হবে, সেদিন তারা যা করত তিনি তাদেরকে তা জানিয়ে দেবেন। আল্লাহ সব কিছু সম্পর্কে সম্যক জ্ঞাত।” (সুরা নুর, আয়াত ৬৪) এখানে আল্লাহ তায়ালা সর্বজ্ঞ হওয়ার বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে।

৫৬.
সুরা নুর -এ মোট কতটি বিধান বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৩টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা

সুরা নুরে বর্ণিত ৮টি গুরুত্বপূর্ণ বিধান: ব্যভিচারের শাস্তি (আয়াত ২), মিথ্যা অপবাদ দেওয়ার শাস্তি (আয়াত ৪), সতীত্ব রক্ষার নির্দেশ (আয়াত ৩০), নারীদের পোশাকের বিধান (আয়াত ৩১), ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা (আয়াত ২৭), ইফক (মিথ্যা অপবাদ) থেকে সতর্কতা (আয়াত ১১-১৯), দাস-দাসীদের মুক্তি (আয়াত ৩৩) ও বিবাহের আদেশ (আয়াত ৩২)।

৫৭.
কখন হদ্দে কযফ বাস্তবায়ন করা যায় না?
  1. হদ্দে যিনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে
  2. লিআনের বিধান বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে
  3. বাদি ৪ জন সাক্ষী উপস্থিত করতে পারলে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা

উপরোক্ত ৩টি অবস্থাতেই হদ্দে কযফ বাস্তবায়ন করা যায় না। হদ্দে কযফ তখনই বাস্তবায়ন করা যায়, যখন-
১। যিনা প্রমাণিত হয় না;
২। স্বামী-স্ত্রী লিআন করতে চায় না;
৩। বাদি যদি ৪জনের কম স্বাক্ষী উপস্থিত করে।
সুতরাং উপরোক্ত ৩টি ক্ষেত্রের কোন ক্ষেত্রেই হদ্দে কযফ (অপবাদের শাস্তি) বাস্তবায়ন করা যায় না।

৫৮.
সুরা নুরের কোন আয়াতে ব্যভিচারীকে শাস্তি দেওয়ার বিধান বর্ণিত হয়েছে?
  1. আয়াত ১
  2. আয়াত ২
  3. আয়াত ৩
  4. আয়াত ৪
সঠিক উত্তর:
আয়াত ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়াত ২
ব্যাখ্যা

“ব্যভিচারিণী ও ব্যভিচারী তাদের প্রত্যেককে একশটি করে বেত্রাঘাত কর। আর যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান এনে থাক তবে আল্লাহর দীনের ব্যাপারে তাদের প্রতি দয়া যেন তোমাদেরকে পেয়ে না বসে। আর মুমিনদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে।” (সুরা নুর, আয়াত ২)

৫৯.
নিচের কোন গোত্রের ভাষায় পবিত্র কুরআন পাঠের অনুমতি ছিল না?
  1. বনু তামিম
  2. হাওয়াযেন
  3. হুজাইল
  4. বনু আসআদ
সঠিক উত্তর:
বনু আসআদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বনু আসআদ
ব্যাখ্যা

পবিত্র কুরআন ৭টি গোত্রের ভাষায় নাযিল হয়েছে। গোত্রগুলো হলো- কুরাইশ, তাই, হাওয়াযেন, আহলে ইয়ামান, সাকিফ, হুজাইল ও বনি তামিম। সুতরাং, বনু আসআদ গোত্রের ভাষায় কুরআন পাঠের অনুমতি ছিল না।

৬০.
আল্লাহ ও তার রাসুল (সা) এর যে মুসলিমের জন্য ওয়াদা আছে; তার মধ্যে কোন বিষয়টি থাকা অপরিহার্য নয়?
  1. মুসলিমদের জবাইকৃত পশু আহার করা
  2. মুসলিমদের কিবলা অনুসরণ করা
  3. হিজরতের সংকল্প রাখা
  4. অন্য মুসলিমদের মতো সালাত আদায় করা
সঠিক উত্তর:
হিজরতের সংকল্প রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিজরতের সংকল্প রাখা
ব্যাখ্যা

“আনাস ইবনু মালিক (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি আমাদের ন্যায় সালাত আদায় করে, আমাদের কাবাকে ক্বিবলা হিসেবে গ্রহণ করে, আমাদের জবাইকৃত পশুর মাংস খায়, সে এমন মুসলিম যার জন্য (জান-মাল, ইজ্জাত-সম্ভ্রম রক্ষায়) আল্লাহ ও রাসুলের ওয়াদা রয়েছে। সুতরাং তোমরা আল্লাহর অঙ্গীকার ভঙ্গ করো না।” সুতরাং আল্লাহ ও তার রাসুল (সা) এর যে মুসলিমের জন্য ওয়াদা আছে; তার মধ্যে হিজরতের সংকল্প থাকা অপরিহার্য নয়।

৬১.
সুরা ফাতহ পবিত্র কুরআনের কোন জুজ-এ অবস্থিত?
  1. ১৭
  2. ১৮
  3. ২৬
  4. ২০
সঠিক উত্তর:
২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬
ব্যাখ্যা

সুরা ফাতহ পবিত্র কুরআনুল কারিমের ২৬ নম্বর পারায় অবস্থিত। এটি কুরআনের ৪৮তম সুরা এবং এই সুরায় হুদায়বিয়া সন্ধি, খায়বার বিজয় ও মক্কা বিজয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

৬২.
কোন সাহাবি হিজরতের আগে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে কাবার সামনে কুরআন তিলাওয়াত করেন?
  1. উমর ইবনুল খাত্তাব
  2. আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ
  3. সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস
  4. যায়েদ বিন সাবিত
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ
ব্যাখ্যা

হিজরতের আগে মক্কায় প্রথম প্রকাশ্যে কুরআন তিলাওয়াত করেন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা)। তিনি কাবা প্রাঙ্গণে গিয়ে সাহসিকতার সাথে কুরআন তিলাওয়াত করেন, যা ছিল মুসলিমদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা)-এর এই সাহসী পদক্ষেপের পর কাফেররা তার উপর নির্যাতন শুরু করে, তবে তিনি এতে ভীত হননি। উমরের ইসলাম গ্রহণের পর মুসলিমরা প্রকাশ্যে নামাজ আদায় করতে পারলেও, কাবার সামনে প্রথম কুরআন তিলাওয়াত করেন আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা)।

৬৩.
কাসিদা বলতে কী বোঝায়?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. গীতি কবিতা
  3. গল্পসমগ্র
  4. উপন্যাস
সঠিক উত্তর:
গীতি কবিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গীতি কবিতা
ব্যাখ্যা

কাসিদা একটি ফার্সি/আরবি শব্দ, যার অর্থ কবিতার ছন্দে কোন প্রিয়জনের প্রশংসা করা। আরবি শব্দ ‘ক্বাসাদ’ বিবর্তিত হয়ে ফার্সি ‘কাসিদা’ হয়েছে। এটি দ্বারা গীতি কবিতা উদ্দেশ্য। এটি একটি দীর্ঘ কবিতা যা সাধারণত প্রশংসামূলক বা বর্ণনামূলক হয় এবং প্রায়শই ধর্মীয় বা মহৎ ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে নিবেদিত হয়। প্রাচীন আরবে কাসিদা একটি জনপ্রিয় কবিতার রূপ ছিল এবং পরবর্তীতে অ-আরবি সংস্কৃতিতেও এর প্রচলন ঘটে।

৬৪.
ইসলামের ইতিহাসে প্রথম খুতবা প্রদান করা হয় কোন মসজিদে?
  1. মসজিদে কুবা
  2. মসজিদে নববি
  3. মসজিদে জুমআ
  4. বায়তুল মাকদাস
সঠিক উত্তর:
মসজিদে জুমআ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মসজিদে জুমআ
ব্যাখ্যা

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম রাষ্ট্রীয় খুতবা প্রদান করা হয় মদিনার বনি সালেম গোত্রের মসজিদে। মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের পর প্রথম জুমার দিন রাসুলুল্লাহ (সা.) এই মসজিদে জুমার নামাজ পড়ান এবং খুতবা দেন। হিজরতের পর রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনার উপকণ্ঠে কুবায় কিছু দিন অবস্থান করেন এবং সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। এরপর তিনি মদিনার দিকে যাত্রা করেন এবং বনি সালেম গোত্রের এলাকায় জুমার নামাজের সময় হলে, সেখানেই তিনি প্রথম জুমার নামাজ পড়ান এবং খুতবা দেন। এই মসজিদটি পরবর্তীতে ‘মসজিদে জুমআ’ নামে পরিচিতি লাভ করে।

৬৫.
‘আমুল হুজন’ দ্বারা কোন বছর উদ্দেশ্য?
  1. ৬১০ খ্রি.
  2. ৬১৯ খ্রি.
  3. ৬১৬ খ্রি.
  4. ৬২২ খ্রি.
সঠিক উত্তর:
৬১৯ খ্রি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬১৯ খ্রি.
ব্যাখ্যা

‘আমুল হুজুন’ (আরবি: عام الحزن) শব্দটি দ্বারা ‘শোকের বছর’ বোঝানো হয়। এটি ইসলামের ইতিহাসে ৬১৯ খ্রিস্টাব্দকে নির্দেশ করে, যখন মহানবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবনে দুইটি বড় শোকের ঘটনা ঘটেছিল। তার স্ত্রী হযরত খাদিজা (রা) এবং চাচা ও আশ্রয়দাতা আবু তালিব একই বছরে মারা যান। এই বছরটি ‘শোকের বছর’ বা ‘আমুল হুজুন’ নামে পরিচিত, যা নবিজির জন্য একটি কঠিন সময় ছিল। অন্য একটি বর্ণনায় এটি ৬২০ খ্রি. বর্ণিত হয়েছে।

৬৬.
শৈশবে রাসুল (সা) কত বছর হালিমা সাদিয়ার তত্ত্বাবধানে ছিলেন?
  1. ৪ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৮ বছর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
ব্যাখ্যা

শৈশবে রাসুলুল্লাহ (সা) মোট চার বছর হালিমা সাদিয়ার (রা) তত্ত্বাবধানে ছিলেন। প্রথমে ২ বছরের জন্য দুগ্ধপানকালীন সময়ে তাঁর কাছে ছিলেন, পরে আরো ২ বছর লালন-পালনের জন্য রেখে দেওয়া হয়েছিল।

৬৭.
প্রাক ইসলামি যুগের আরবি কবিতার সেরা সংকলনকে কী বলা হতো?
  1. সাবআ মুয়াল্লাকা
  2. শাহনামা
  3. মাসনবি
  4. কাসিদা
সঠিক উত্তর:
সাবআ মুয়াল্লাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবআ মুয়াল্লাকা
ব্যাখ্যা

প্রাক-ইসলামী আরবের সেরা কবিতার সংকলনগুলোকে বলা হতো সাবআ মুয়াল্লাকা। এগুলি সাতটি বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতার সংকলন, যা প্রাক-ইসলামী যুগের শ্রেষ্ঠ কবিদের রচনা হিসেবে বিবেচিত। এই কবিতাগুলিকে ‘ঝুলন্ত’ বা ‘সাসপেন্ডেড’ কবিতা বলা হতো, কারণ প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, এগুলি মক্কার কাবা দেয়ালে স্বর্ণাক্ষরে লিখে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিছু পণ্ডিতের মতে, ‘ঝুলন্ত’ শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা বোঝায় যে কবিতাগুলি পাঠকের মনে গেঁথে থাকে।

৬৮.
বিদায় হজের অন্যতম প্রধান শিক্ষণীয় বিষয় হলো—
  1. অমুসলিমদের প্রতি কঠোর নীতি
  2. মানবসমাজে ন্যায় ও সমতা প্রতিষ্ঠা
  3. জিহাদে অংশগ্রহণের বাধ্যবাধকতা
  4. মুসলিম রাষ্ট্রের প্রসার
সঠিক উত্তর:
মানবসমাজে ন্যায় ও সমতা প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানবসমাজে ন্যায় ও সমতা প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

বিদায় হজের অন্যতম প্রধান শিক্ষণীয় বিষয় হলো— মানবসমাজে ন্যায় ও সমতা প্রতিষ্ঠা। বিদায় হজের ভাষণে রাসুলে কারিম (সা) ন্যায় ও সাম্যের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। ন্যায় ও সাম্য বলতে বোঝায় এমন একটি নীতি, যেখানে সমাজের প্রতিটি ব্যক্তির ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বা সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে সমান অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করা হয়।

৬৯.
“আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম” – এই আয়াত কোন দিনে নাজিল হয়?
  1. আরাফার দিন
  2. তাশরীকের দিন
  3. কুরবানির দিন
  4. হিজরতের দিন
সঠিক উত্তর:
আরাফার দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরাফার দিন
ব্যাখ্যা

“আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম…” – এই আয়াতটি বিদায় হজ্জের আরাফাহর দিন জুমু'আহ (শুক্রবার) নাজিল হয়। এটি সুরা আল-মায়িদাহ-এর ৩ নম্বর আয়াত। এটি ছিল রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বিদায় হজ্জের সময়, যখন তিনি আরাফাহর ময়দানে এক ঐতিহাসিক খুতবা দিয়েছিলেন এবং ইসলামের মূলনীতিগুলো মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

৭০.
যুল-হুলাইফা মিকাতটি ভিন্ন কী নামে পরিচিত?
  1. হুদায়বিয়া
  2. বাবে রহমত
  3. আবইয়ারে আলী
  4. মিকাতুন নবি
সঠিক উত্তর:
আবইয়ারে আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবইয়ারে আলী
ব্যাখ্যা

যুল হুলাইফা মিকাতের অপর নাম হলো আবিয়ারে আলী বা বীরে আলী। এই স্থানটি মদীনার নিকটবর্তী এবং বর্তমানে সাধারণ মানুষের কাছে এই নামেই পরিচিত। যুল হুলাইফা মিকাতটির ঐতিহাসিক বা মূল নাম, যা মদীনা থেকে মক্কাগামী হজযাত্রীদের জন্য নির্ধারিত।

৭১.
উহুদের যুদ্ধে রাসুল (সা) এর দাঁত ভেঙে দেন কে?
  1. ইবনে কামিয়া
  2. খালিদ ইবনে ওয়ালিদ
  3. আবু সুফিয়ান
  4. উমাইয়া
সঠিক উত্তর:
ইবনে কামিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইবনে কামিয়া
ব্যাখ্যা

উহুদের যুদ্ধে রাসুল (সা) –এর দাঁত ভেঙে দেন ইবনে কামিয়া নামক এক কাফির। সে-ই আঘাত করে রাসুল (সা)–এর মুখমণ্ডলে আঘাত হানে, ফলে দাঁত মুবারক ভেঙে যায় ও মুখ রক্তাক্ত হয়।

৭২.
রাসুলে কারিম (সা) নিচের কার/কাদের বরাবর ইসলামের দাওয়াত দিয়ে দূত প্রেরণ করেননি?
  1. তায়েফের খ্রিষ্টান
  2. দামেস্কের গভর্নর হারিস ইবন আবি শুমর গাসসানি
  3. ইয়ামামার গভর্নর হাওয়া ইবন আলী
  4. খায়বরের ইহুদি
সঠিক উত্তর:
তায়েফের খ্রিষ্টান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তায়েফের খ্রিষ্টান
ব্যাখ্যা

মহানবি (সা.) পত্রের মাধ্যমে যাঁদের দাওয়াত দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রাদেশিক গভর্নর বা আঞ্চলিক শাসকবর্গ হলেন—এক. ইয়ামামার গভর্নর হাওয়া ইবন আলী, দুই. বাহরাইনের গভর্নর মুনজির ইবন সাওয়া আল-আমিরি আল উবাদি, তিন. ওমানের গভর্নর জায়ফর ইবন জুলন্দি, চার. দামেস্কের গভর্নর হারিস ইবন আবি শুমর গাসসানি। এ ছাড়া খায়বরের ইহুদিদের নামেও তিনি পত্র প্রেরণ করেন। সুতরাং তায়েফের খ্রিষ্টান বরাবর তিনি কোন পত্র প্রেরণ করেননি।

৭৩.
মিরাজ সম্পর্কে নিচের কোন সুরায় বর্ণনা আছে?
  1. সুরা আনফাল
  2. সুরা নাজম
  3. সুরা কাহাফ
  4. সুরা মুলক
সঠিক উত্তর:
সুরা নাজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরা নাজম
ব্যাখ্যা

সুরা নাজমে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, “আর অবশ্যই তিনি তাকে আরেকবার দেখেছিলেন; সিদরাতুল মুনতাহা তথা প্রান্তবর্তী কুলগাছের কাছে; যার কাছে জান্নাতুল মাওয়া অবস্থিত; যখন কুলগাছটিকে যা আচ্ছাদিত করার তা আচ্ছাদিত করেছিল; তার দৃষ্টি বিভ্রম হয়নি, দৃষ্টি লক্ষ্যচ্যুতও হয়নি; অবশ্যই তিনি তার রবের মহান নিদর্শনাবলির কিছু দেখেছিলেন।” (সুরা নাজম: ১৩-১৮) এছাড়া সুরা ইসরাতে মিরাজ সম্পর্কিত বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।

৭৪.
রাসুলে কারিম (সা) আনুষ্ঠানিকভাবে কবে বিদেশি রাজা-বাদশাদের কাছে ইসলাম প্রচার শুরু করেন?
  1. সপ্তম হিজরির মহররম মাস
  2. সপ্তম হিজরির রবিউস সানি মাস
  3. ষষ্ঠ হিজরির মহররম মাস
  4. ষষ্ঠ হিজরির শাবান মাস
সঠিক উত্তর:
সপ্তম হিজরির মহররম মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম হিজরির মহররম মাস
ব্যাখ্যা

রাসুলুল্লাহ (সা.) হোদায়বিয়া সন্ধির পর ৭ম হিজরীর মুহাররম মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদেশি রাজা-বাদশাদের কাছে ইসলাম প্রচার শুরু করেন। তিনি পত্রবাহকদের মাধ্যমে আরব ও আরবের বাইরের বিভিন্ন রাজা-বাদশার কাছে ইসলামের দাওয়াত দিয়ে পত্র প্রেরণ করেন। সপ্তম হিজরির মহররম মাসের একদিন তিনি সাহাবিদের বলেন, “বহুল প্রতীক্ষিত সেই মুহূর্ত এসে গেছে। আমি তোমাদের ইসলামের বার্তা সহকারে রাজা-বাদশাহদের দরবারে পাঠাতে চাই। যাও, আল্লাহর ওপর ভরসা করে রাজা-বাদশাহদের কাছে ইসলামের বার্তা পৌঁছে দাও।” (সিরাত বিশ্বকোষ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

৭৫.
হুদায়বিয়ার সন্ধির আগে মহানবি (সা) কাকে ইয়েমেনে ইসলামের দাওয়াত প্রচারের জন্য পাঠিয়েছিলেন?
  1. উমায়র ইবন ওয়াহাব (রা)
  2. খালিদ ইবন সাঈদ (রা)
  3. খালিদ ইবন আস (রা)
  4. আবু উমামা (রা)
সঠিক উত্তর:
খালিদ ইবন সাঈদ (রা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালিদ ইবন সাঈদ (রা)
ব্যাখ্যা

হুদায়বিয়ার সন্ধির আগে মহানবি (সা)-এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বহির্বিশ্বে যেসব দাঈ ও দাওয়াতি কাফেলা প্রেরিত হয় তা হলো—ইয়েমেনে খালিদ ইবন সাঈদ (রা), বনু বাহিলার কাছে আবু উমামা (রা), বনু সাদের কাছে লায়ছ গোত্রীয় এক সাহাবি (রা), হামাদান গোত্রের কাছে আলী (রা), বনু আদল ও বনু আল-কারার উদ্দেশে ১০ জনের দাওয়াতি কাফেলা, নজদের বনু আমেরের উদ্দেশে ৭০ জনের দাওয়াতি কাফেলা, দুমাতুল জুন্দলের খ্রিস্টানদের উদ্দেশে দাওয়াতি কাফেলা, বালি গোত্রের দাওয়াতি কাফেলা এবং মক্কায় ইসলাম প্রচারের জন্য উমায়র ইবন ওয়াহাব (রা)-কে প্রেরণ করা হয়।

৭৬.
রাসুলে কারিম (সা)-এর মাদানি জীবনের প্রথম মসজিদটি কী নামে পরিচিত?
  1. মসজিদে বনু সালামা
  2. মসজিদে নববি
  3. মসজিদে কিবলাতাইন
  4. মসজিদে কুবা
সঠিক উত্তর:
মসজিদে কুবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মসজিদে কুবা
ব্যাখ্যা

নবি মুহাম্মদ (সা.)-এর মদিনায় নির্মিত প্রথম মসজিদটি মসজিদে কুবা নামে পরিচিত। এটি ইসলামের ইতিহাসে মুসলমানদের প্রথম স্থাপনাসমূহের মধ্যে অন্যতম। মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের পর নবি (সা) এখানে কিছু সময় অবস্থানকালে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন।

৭৭.
মক্কা বিজয়ের পর যে কয়েকজনের মৃত্যুদণ্ড বাস্তবায়ন করা হয়েছিল তাদের মধ্যে একজন ছিলেন—
  1. আবু সুফিয়ান
  2. ইকরিমা ইবনে আবু জাহল
  3. উসমান ইবনে তালহা
  4. আবদুল্লাহ ইবনে খাত্তাল
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ ইবনে খাত্তাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ ইবনে খাত্তাল
ব্যাখ্যা

মক্কা বিজয়ের সময় নবি (সা)-এর হাতে যাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে আবদুল্লাহ ইবনে খাতাল অন্যতম ছিলেন। তিনি ও তাঁর দুই বাঁদি তাঁদের মনিবের সঙ্গে কবিতা ও গানে গানে রাসুল (সা)-এর বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করতেন এবং এই কারণে তাঁদের এই দণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

৭৮.
রাসুল (সা) এর কোন জিনিসটি দেখে খ্রিস্টান সন্ন্যাসী বাহিরা নবি হিসেবে চিহ্নিত করেন?
  1. দেহের তিল
  2. হাতের রেখা
  3. কুরআন তেলাওয়াত
  4. আচরণ
সঠিক উত্তর:
দেহের তিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহের তিল
ব্যাখ্যা

খ্রিস্টান সন্ন্যাসী বাহিরা রাসুল (সা.)-এর আশ্চর্যজনক চিহ্ন ও বৈশিষ্ট্য দেখে তাঁকে নবী হিসেবে চিহ্নিত করেন, যা বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণীর সাথে মিলে যায়। তিনি রাসুল (সা.)-এর উচ্চ ললাট, নবীসুলভ আচরণ, এবং দেহের তিলসহ বিশেষ বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করেন, যা পূর্ববর্তী আসমানি কিতাবগুলোতে বর্ণিত নবীর বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।

৭৯.
রাসুল (সা) এর প্রথম সন্তান কে?
  1. কাসিম
  2. আবদুল্লাহ
  3. ফাতিমা
  4. জয়নাব
সঠিক উত্তর:
কাসিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাসিম
ব্যাখ্যা

রাসুল (সা.)-এর প্রথম সন্তান ছিলেন কাসিম। তিনি ছিলেন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রথম স্ত্রী খাদিজা (রা)-এর গর্ভে জন্মগ্রহণকারী প্রথম সন্তান এবং তাঁর নামেই রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর উপনাম ‘আবুল কাসিম’ রাখা হয়েছিল।

৮০.
হিজরতের সময় রাসুল (সা) কে হত্যার জন্য কুরাইশরা কতটি উট পুরস্কার ঘোষণা করে?
  1. ৫০টি উট
  2. ১০০টি উট
  3. ৭০টি উট
  4. ২০০টি উট
সঠিক উত্তর:
১০০টি উট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০টি উট
ব্যাখ্যা

হিজরতের সময় রাসুল (সা)-কে হত্যার জন্য কুরাইশরা ১০০টি উট পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। এই পুরস্কারের অর্থ ছিল যে, কেউ যদি নবী (সা.)-এর অবস্থান সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে পারে, তবে তাকে একশটি উট দেওয়া হবে। এই পুরস্কার ঘোষণার মাধ্যমে কুরাইশরা রাসুল (সা)-কে খুঁজে বের করার জন্য একটি বড় পুরস্কারের ব্যবস্থা করেছিল, যাতে তারা তাকে মক্কা থেকে বের হওয়ার পর খুঁজে বের করে হত্যা করতে পারে।

৮১.
حرمة المصاهرة বলতে কী বোঝায়?
  1. ব্যভিচারীর অনির্ধারিত শাস্তি
  2. ব্যাভিচারের কারণে নিষিদ্ধ হওয়া
  3. ব্যাভিচারের জন্য বেত্রাঘাত করা
  4. ব্যভিচারীর নির্ধারিত শাস্তি
সঠিক উত্তর:
ব্যাভিচারের কারণে নিষিদ্ধ হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাভিচারের কারণে নিষিদ্ধ হওয়া
ব্যাখ্যা

"حرمة المصاهرة" শব্দটি "বিবাহ/ব্যভিচারের কারণে হারাম হওয়া" বা "বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে নিষিদ্ধ হওয়া" অর্থে ব্যবহৃত হয়। এটি ইসলামের একটি পরিভাষা, যা দ্বারা বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে কিছু আত্মীয়ের সাথে বিবাহ হারাম হয়ে যাওয়াকে বোঝায়।

আরও স্পষ্ট করে বললে, حرمة المصاهرة বলতে বোঝায়, বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে কিছু আত্মীয়ের সাথে আজীবন বিবাহ করা হারাম হয়ে যাওয়া। যেমন, স্ত্রীর মা, নাতনী, শাশুড়ি, ইত্যাদি।

এই হারাম হওয়াটা মূলত দুটি কারণে হয়ে থাকে:

বৈবাহিক সম্পর্ক (عقد الزواج):

যখন কোনো পুরুষ কোনো নারীকে বিয়ে করে, তখন সেই নারীর সাথে তার কিছু আত্মীয়ের (যেমন, স্ত্রীর মা, নাতনী) সাথে তার বিবাহ হারাম হয়ে যায়।

সহবাস/ব্যভিচার (وطء):

ব্যভিচার/সহবাসের মাধ্যমেও কিছু আত্মীয়ের সাথে বিবাহ হারাম হতে পারে, যেমন, কোন নারীর সাথে সহবাসের কারণে তার মায়ের সাথে বিবাহ হারাম হয়ে যায়, যদিও তাদের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক নাও থাকে।

সুতরাং, حرمة المصاهرة দ্বারা বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে কিছু আত্মীয়ের সাথে বিবাহ করাকে চিরতরে হারাম করাকে বোঝানো হয়।

৮২.
বিয়ের পর সহবাসের পূর্বেই মোহর-নির্ধারিত নারী যদি তালাকপ্রাপ্তা হন, তাহলে তাকে-
  1. পরিপূর্ণ মোহর দিতে হবে
  2. অর্ধেক মোহর দিতে হবে
  3. মোহর দেওয়া জরুরি নয়
  4. যেকোন সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে
সঠিক উত্তর:
অর্ধেক মোহর দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধেক মোহর দিতে হবে
ব্যাখ্যা

বিয়ের পর সহবাসের পূর্বে তালাক প্রাপ্তা নারীর জন্য যদি মোহর নির্ধারণ করা হয়, তাহলে তাকে অর্ধেক মোহর দিবে, আর যার মোহর নির্ধারণ করা হয়নি তাকে মুতআহ অর্থাৎ স্বামীর সাধ্য মোতাবেক পোশাক ইত্যাদি প্রদান করবে। আল্লাহ তাআলা বলেন:

لَّا جُنَاحَ عَلَيۡكُمۡ إِن طَلَّقۡتُمُ ٱلنِّسَآءَ مَا لَمۡ تَمَسُّوهُنَّ أَوۡ تَفۡرِضُواْ لَهُنَّ فَرِيضَةٗۚ وَمَتِّعُوهُنَّ عَلَى ٱلۡمُوسِعِ قَدَرُهُۥ وَعَلَى ٱلۡمُقۡتِرِ قَدَرُهُۥ مَتَٰعَۢا بِٱلۡمَعۡرُوفِۖ حَقًّا عَلَى ٱلۡمُحۡسِنِينَ - وَإِن طَلَّقۡتُمُوهُنَّ مِن قَبۡلِ أَن تَمَسُّوهُنَّ وَقَدۡ فَرَضۡتُمۡ لَهُنَّ فَرِيضَةٗ فَنِصۡفُ مَا فَرَضۡتُمۡ

“তোমাদের কোনো অপরাধ নেই যদি তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দাও এমন অবস্থায় যে, তোমরা তাদেরকে স্পর্শ করনি কিংবা তাদের জন্য কোনো মোহর নির্ধারণ করনি। আর উত্তমভাবে তাদেরকে ভোগ-উপকরণ দিয়ে দাও, ধনীর ওপর তার সাধ্যানুসারে এবং সংকটাপন্নের ওপর তার সাধ্যানুসারে। সু-কর্মশীলদের ওপর এটি আবশ্যক। আর যদি তোমরা তাদেরকে তালাক দাও, তাদেরকে স্পর্শ করার পূর্বে এবং তাদের জন্য কিছু মোহর নির্ধারণ করে থাক, তাহলে যা নির্ধারণ করেছে, তার অর্ধেক (দিয়ে দাও)।” [সুরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৩৬-২৩৭]

৮৩.
‘হিদাদ’ বলতে কী বোঝায়?
  1. তালাকপ্রাপ্তা নারীর জন্য নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ
  2. বিধবা নারীর জন্য নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ
  3. বিধবা নারীর অধিকার
  4. তালাকপ্রাপ্তা নারীর অধিকার
সঠিক উত্তর:
বিধবা নারীর জন্য নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধবা নারীর জন্য নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ
ব্যাখ্যা

বিধবা নারীর ইদ্দতে পাঁচটি বস্তু হারাম বা নিষিদ্ধ, যার আরবি নাম হিদাদ। তা হলো-
১। সকল প্রকার সুগন্ধি
২। শারীরিক সাজসজ্জা গ্রহণ করা
৩। সাজসজ্জার কাপড় পরিধান করা
৪। অলঙ্কার
৫। স্ত্রী যে ঘরে থাকাবস্থায় স্বামী মারা যায় সে ঘর ব্যতীত কোথাও রাত-যাপন করা

৮৪.
ইদ্দতপালনরত নারীকে কোন ক্ষেত্রে বিবাহের ইঙ্গিত দেওয়া হারাম?
  1. নারী রজয়ি ইদ্দত পালনকারী হলে
  2. নারী বায়েন ইদ্দত পালনকারী হলে
  3. নারী মুগাল্লাজা ইদ্দত পালনকারী হলে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
নারী রজয়ি ইদ্দত পালনকারী হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারী রজয়ি ইদ্দত পালনকারী হলে
ব্যাখ্যা

নারী রজয়ি ইদ্দত পালনকারী হলে বিবাহের ইঙ্গিত দেওয়া হারাম। এ জাতীয় নারীকে স্পষ্ট বা ইঙ্গিতে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া নিষিদ্ধ। কারণ, সে এখনো সাবেক স্বামীর স্ত্রীর হুকুমে, তাই তাকে প্রস্তাব দেওয়া কারো জন্য বৈধ নয়, এখনো সে আগের স্বামীর নিরাপত্তায় রয়েছে।

৮৫.
মৃত নারীর যদি কোন সন্তান না থাকে, তাহলে স্বামী তার সম্পত্তির কত শতাংশ পাবে?
  1. ১/২
  2. ১/৩
  3. ১/৪
  4. ১/৬
সঠিক উত্তর:
১/২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২
ব্যাখ্যা

ইসলামী উত্তরাধিকার (ফারায়েজ) অনুযায়ী— যদি কোনো স্ত্রী মারা যান এবং তার কোনো সন্তান (পুত্র বা কন্যা) না থাকে, তাহলে তার স্বামী তার সম্পত্তির অর্ধেক (১/২ বা ৫০%) পাবে।

প্রমাণ: আল্লাহ تعالى বলেন— “আর তোমাদের স্ত্রীরা যা কিছু ছেড়ে যায়, যদি তাদের কোনো সন্তান না থাকে তবে তোমরা তার অর্ধেক পাবে। আর যদি তাদের সন্তান থাকে তবে তোমরা যা কিছু তারা রেখে যায় তার এক-চতুর্থাংশ পাবে।” (সুরা আন-নিসা ৪:১২)

৮৬.
নিচের কোনটি করের সাধারণ বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. কর বাধ্যতামূলক
  2. কর সমানুপাতিক উপাকারের আশাহীন
  3. কর ত্যাগমূলক
  4. কর ব্যক্তিগত উন্নয়নকে অপরিহার্য করে
সঠিক উত্তর:
কর ব্যক্তিগত উন্নয়নকে অপরিহার্য করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর ব্যক্তিগত উন্নয়নকে অপরিহার্য করে
ব্যাখ্যা

আধুনিক অর্থব্যবস্থায় কর একটি অনিবার্য ধারণা। করের ধরনের উপর ভিত্তি করে এর বৈশিষ্ট্যও ভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- ১। কর বাধ্যতামূলক ২। কর সমানুপাতিক উপাকারের আশাহীন: অর্থাৎ কর প্রদানের পরিমাণের উপর সরকার কাউকে সেবা প্রদান করে না। বরং সরকার স্বাভাবিকভাবে সেবা প্রদান করে। কেউ বেশি কর দিলে বেশি সুবিধা ভোগ করবে বিষয়টা এমন নয়। ৩। কর ত্যাগমূলক: করদাতাকে কর প্রদানের ফলে কিছুটা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। কোনো আর্থিক লাভ না করার আশায় এটি বড় ধরণের একটি আর্থিক ত্যাগ। তবে কর ব্যক্তিগত উন্নয়নকে অপরিহার্য করে না।

৮৭.
কুরআনের কোন আয়াতে মানবজাতিকে “একক সত্ত্বা থেকে সৃষ্টি” বলে সমাজে সমতার ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছে?
  1. সুরা বাকারাহ, আয়াত ২৮৬
  2. সুরা মায়িদা, আয়াত ৩
  3. সুরা হুজুরাত, আয়াত ১৩
  4. সুরা নিসা, আয়াত ১
সঠিক উত্তর:
সুরা নিসা, আয়াত ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরা নিসা, আয়াত ১
ব্যাখ্যা

“হে মানবমন্ডলী! তোমরা তোমাদের রাব্বকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে একই ব্যক্তি হতে সৃষ্টি করেছেন এবং তা হতে তদীয় সহধর্মিনী সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের উভয় হতে বহু নর ও নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং সেই আল্লাহকে ভয় কর যাঁর নামের দোহাই দিয়ে তোমরা একে অপরকে যাঞ্চা কর, এবং আত্মীয়-জ্ঞাতিদের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন কর। নিশ্চয়ই আল্লাহই তত্ত্বাবধানকারী।” (সুরা নিসা, আয়াত ১)

৮৮.
নিচের কোন প্রকার কর সাধারণত মুসলিমদের ওপর ধার্য করা যায় না?
  1. সাদাকাহ
  2. খারাজ
  3. উশর
  4. ইনফাক
সঠিক উত্তর:
খারাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারাজ
ব্যাখ্যা

মুসলামানদের উপর ধার্যকৃত কর হলো- যাকাত, উশর, সাদাকাহ ইত্যাদি। অমুসলমানদের উপর ধার্যকৃত কর যেমন: জিজিয়া, খারাজ ইত্যাদি। ইসলামিক আইনে খারাজ (الخراج) হলো একটি নির্ধারিত ভূমি কর, যা অমুসলিমদের কাছ থেকে তাদের ব্যবহৃত জমির বিনিময়ে আদায় করা হয়।

৮৯.
সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ সমান কত গ্রাম?
  1. প্রায় ৮৮ গ্রাম
  2. প্রায় ৬৮ গ্রাম
  3. প্রায় ৯৮ গ্রাম
  4. প্রায় ১২৩ গ্রাম
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৮৮ গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৮৮ গ্রাম
ব্যাখ্যা

সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণের ওজন হবে প্রায় ৮৭.৪৭ গ্রাম, কারণ ১ ভরি = ১১.৬৬৪ গ্রাম, তাই ৭.৫ ভরি × ১১.৬৬৪ গ্রাম/ভরি = ৮৭.৪৭ গ্রাম বা প্রায় ৮৮ গ্রাম।

৯০.
মাসারিফুজ জাকাতের খাতগুলো পবিত্র কুরআনের কোথায় রয়েছে?
  1. সুরা তাওবা, আয়াত ৬০
  2. সুরা তাওবা, আয়াত ৬৫
  3. সুরা মায়িদা, আয়াত ৬০
  4. সুরা ইসরা, আয়াত ৪০
সঠিক উত্তর:
সুরা তাওবা, আয়াত ৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরা তাওবা, আয়াত ৬০
ব্যাখ্যা

মাসারিফে যাকাত বা যাকাত বণ্টনের খাতগুলো পবিত্র কুরআনের সুরা আত-তাওবাহ এর ৬০ নং আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে। এই আয়াতে ফকীর, মিসকীন, যাকাত আদায়কারী কর্মচারী, যাদের অন্তরকে ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করতে হয়, দাস মুক্তি, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি, আল্লাহর পথে এবং মুসাফিরদের জন্য যাকাত বণ্টনের কথা বলা হয়েছে।

৯১.
১২০টি ছাগল/ভেড়া/দুম্বার জন্য যাকাত দিতে হবে-
  1. ১টি ছাগল/ভেড়া/দুম্বা
  2. ২টি ছাগল/ভেড়া/দুম্বা
  3. ৩টি ছাগল/ভেড়া/দুম্বা
  4. ১টি গোরু
সঠিক উত্তর:
২টি ছাগল/ভেড়া/দুম্বা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি ছাগল/ভেড়া/দুম্বা
ব্যাখ্যা

ছাগল/ভেড়া/দুম্বার যাকাত হলো ৪০টি হলে ১ টি ছাগল দিতে হবে, ১২০ টি পর্যন্ত ২টি, ৩০০টি পর্যন্ত ৩টি এবং এর অধিক ১০০ বা তার অংশের জন্য ১ টি করে বৃদ্ধি পাবে। সুতরাং ১২০টি ছাগল/ভেড়া/দুম্বার জন্য যাকাত দিতে হবে ২টি ছাগল/ভেড়া/দুম্বা।

৯২.
ইসলামে পরিবার পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ সীমা নির্ধারণে কোনটি প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. চিকিৎসক
  2. শরিয়াহ
  3. রাষ্ট্রীয় নীতি
  4. শারীরিক অসুস্থতা
সঠিক উত্তর:
শরিয়াহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরিয়াহ
ব্যাখ্যা

ইসলামে পরিবার পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ সীমা নির্ধারণে শরীয়াহ-এর প্রধান ভিত্তি হলো পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহ, যা সুস্থ ও সুশৃঙ্খল জীবনযাপন, সন্তানদের প্রতি দায়িত্ব পালন, এবং সমাজের কল্যাণের উপর গুরুত্বারোপ করে। এই ভিত্তিগুলি স্বামী-স্ত্রীর আর্থিক সামর্থ্য, সুস্থ সন্তানের জন্ম ও লালন-পালন, এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। যেকোন সিদ্ধান্ত নেবার আগে শরীয়াহ আলোচনা করে দেখতে হয় আমাদের।

৯৩.
নিচের কোন বিধানটি সঠিক?
  1. ইসলামী আইন অনুযায়ী পরিচালিত রাষ্ট্র ছাড়া কোনো রাষ্ট্রে খারাজের বিধান কার্যকর হবে না
  2. ইসলামী আইন অনুযায়ী পরিচালিত রাষ্ট্র ছাড়া কোনো রাষ্ট্রে যাকাতের বিধান কার্যকর হবে না
  3. ইসলামী আইন অনুযায়ী পরিচালিত রাষ্ট্র ছাড়া কোনো রাষ্ট্রে সাদাকাতুল ফিতরের বিধান কার্যকর হবে না
  4. ইসলামী আইন অনুযায়ী পরিচালিত রাষ্ট্র ছাড়া কোনো রাষ্ট্রে উশরের বিধান কার্যকর হবে না
সঠিক উত্তর:
ইসলামী আইন অনুযায়ী পরিচালিত রাষ্ট্র ছাড়া কোনো রাষ্ট্রে খারাজের বিধান কার্যকর হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামী আইন অনুযায়ী পরিচালিত রাষ্ট্র ছাড়া কোনো রাষ্ট্রে খারাজের বিধান কার্যকর হবে না
ব্যাখ্যা

মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে খারাজ উসুল করে দেয়া ওয়াজিব। ইসলামী আইন অনুযায়ী পরিচালিত রাষ্ট্র ছাড়া কোনো রাষ্ট্রে খারাজের বিধান কার্যকর হবে না। কারণ মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধান খারাজ উসুল করে বায়তুল মালে জমা করে। এ কাজ মুসলিম আইনে পরিচালিত রাষ্ট্র ছাড়া সম্ভব নয়। (জাদীদ ফিকহী মাসায়েল ২/৫৫-৫৬)

৯৪.
ইমাম আবু হানিফা (র) এর মতে উশর ফরয হবার-
  1. নির্ধারিত নিসাব আছে
  2. নির্ধারিত কোনো নিসাব নেই
  3. নিসাব রৌপ্যের মতো
  4. নিসাব স্বর্ণের মতো
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত কোনো নিসাব নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত কোনো নিসাব নেই
ব্যাখ্যা

উশর এর নিসাব আছে কী নেই, এ ব্যাপারে দুটি মত আছে। ইমাম আবু হানিফা (র) এর মতে উশর ফরয হবার জন্য নির্ধারিত কোনো নিসাব নেই। দলীল হলো, নবিজী (সা) এর হাদীস ও পবিত্র কুরআনের আয়াতের আম বর্ণনা কোনো পরিমাণ নির্ধারণ করছে না। আর এতে গরীবদের উপকারও রয়েছে। তাই উশর ফরয হবার জন্য কোনো পরিমাণ নেই। যেমনটি বলা হয়েছে হিদায়ায়- অর্থাৎ, “জমীনে কম বেশি যা-ই উৎপাদিত হবে, তাতে উশর আসবে।” তবে, সাহেবাইন ও আইম্মায়ে সালাসার মতে পাঁচ ওয়াসাক থেকে কম পরিমাণ হলে, তার উপরে উশর আসবে না। দলীল হলো, নবিজী (সা) এর হাদীস: “নবি (সা) বলেন, পাঁচ ওয়াসাকের নিচে কোনো সদকা (উশর) নেই।”

৯৫.
পাঁচ ওয়াসাক পরিমাণ কীসের ক্ষেত্রে নিসাব হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. যারাইব
  2. খারাজ
  3. উশর
  4. জিজিয়া
সঠিক উত্তর:
উশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উশর
ব্যাখ্যা

উশর এর নিসাব আছে কী নেই, এ ব্যাপারে দুটি মত আছে। ইমাম আবু হানিফা (র) এর মতে উশর ফরয হবার জন্য নির্ধারিত কোনো নিসাব নেই। তবে, সাহেবাইন ও আইম্মায়ে সালাসার মতে পাঁচ ওয়াসাক থেকে কম পরিমাণ হলে, তার উপরে উশর আসবে না। ওয়াসাক হলো উশর এর নিসাব পরিমাপের পদ্ধতি।

৯৬.
আত্মীয়দের প্রতি সদাচরণকে কুরআনে কোন শব্দ দিয়ে অভিহিত করা হয়েছে?
  1. সিলাহ্
  2. ইহসান
  3. কিরাম
  4. আদল
সঠিক উত্তর:
সিলাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলাহ্
ব্যাখ্যা

কুরআনে আত্মীয়দের প্রতি সদাচরণকে সিলাহ (صلة) শব্দ দ্বারা অভিহিত করা হয়, যা সম্পর্ক রক্ষা ও সুসম্পর্ক বজায় রাখাকে বোঝায়। এটি পরিবার এবং আত্মীয়দের সঙ্গে দৃঢ় বন্ধন তৈরি এবং বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে, যা ইসলামের একটি অপরিহার্য অংশ।

৯৭.
কোন খলিফার সময়ে প্রথম বায়তুল মাল প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. হযরত আবু বকর (রা)
  2. হযরত উমর (রা)
  3. হযরত উসমান (রা)
  4. হযরত আলি (রা)
সঠিক উত্তর:
হযরত আবু বকর (রা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হযরত আবু বকর (রা)
ব্যাখ্যা

প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা)-এর সময়ে প্রথম বায়তুল মাল প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে হযরত ওমর (রা) এর সময় থেকে বায়তুল মাল প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পূর্ণতা লাভ করে।

৯৮.
গণিমতের সম্পদ যোদ্ধাদের মধ্যে বণ্টন করা হয়-
  1. সম্পূর্ণ অংশ
  2. ১/৫ ভাগ
  3. ৪/৫ ভাগ
  4. ১/২ ভাগ
সঠিক উত্তর:
৪/৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪/৫ ভাগ
ব্যাখ্যা

গণিমতের সম্পদ যুদ্ধের ময়দানে জয়লাভের পর শত্রুদের কাছ থেকে প্রাপ্ত সম্পদ, যা পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। এর চার ভাগ যোদ্ধাদের মধ্যে বণ্টন করা হয় এবং এক ভাগ (খুমুস) রাজকোষে জমা হয়, যা পরে ৫ ভাগে ভাগ করে আল্লাহ, তাঁর রাসুল, আত্মীয়স্বজন, এতিম, মিসকিন এবং মুসাফিরের জন্য খরচ করা হয়। (দেখুন: সুরা আনফাল, আয়াত ৪১)

৯৯.
যুদ্ধলব্ধ গণিমতের সম্পদ বণ্টনের বিস্তারিত নীতি কোথায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. সুরা আনফাল, আয়াত ০১
  2. সুরা আনফাল, আয়াত ৪১
  3. সুরা মায়িদা, আয়াত ৪১
  4. সুরা আরাফ, আয়াত ৩৭
সঠিক উত্তর:
সুরা আনফাল, আয়াত ৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরা আনফাল, আয়াত ৪১
ব্যাখ্যা

সুরা আনফালের ৪১ নম্বর আয়াত যুদ্ধলব্ধ সম্পদ বা গনীমতের বন্টন সম্পর্কিত, যেখানে বলা হয়েছে যে “অর্জিত গনীমতের এক-পঞ্চমাংশ আল্লাহ, তাঁর রাসুল, রাসুলের আত্মীয়স্বজন, এতীম, মিসকীন (দরিদ্র) এবং মুসাফিরদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে, যদি বান্দারা আল্লাহ ও শেষ বিচার দিবসে তাঁর পক্ষ থেকে নাযিল হওয়া বাণীর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে।” আয়াতটির মূল বক্তব্য: এই আয়াতে গনীমতের মালকে পাঁচ ভাগে ভাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চার ভাগ: যুদ্ধের অংশগ্রহণকারী মুজাহিদদের মধ্যে বণ্টন করা হবে। এক ভাগ (এক-পঞ্চমাংশ): এটি আল্লাহ, তাঁর রাসুল, রাসুলের নিকটাত্মীয়, এতীম, মিসকীন ও মুসাফিরদের জন্য নির্ধারিত থাকবে।

১০০.
“অতিরিক্ত ব্যয় করো না” — এ আয়াত দ্বারা ইসলামে কোন নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. মিতব্যয়িতা
  2. ভোগবাদ
  3. কৃপণতা
  4. দানশীলতা
সঠিক উত্তর:
মিতব্যয়িতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিতব্যয়িতা
ব্যাখ্যা

“অতিরিক্ত ব্যয় করো না” এই আয়াতের অর্থ হলো অতিরিক্ত খরচ বা অপচয় করা থেকে বিরত থাকা। এটি একটি আর্থিক পরামর্শ যা মানুষকে তাদের আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখতে এবং অযথা খরচ না করতে উৎসাহিত করে, বিশেষত যখন আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকে বা যখন অপচয় করলে ভবিষ্যতে সমস্যা হতে পারে। وَّ كُلُوۡا وَ اشۡرَبُوۡا وَ لَا تُسۡرِفُوۡا ۚ اِنَّهٗ لَا یُحِبُّ الۡمُسۡرِفِیۡنَ “খাও, পান কর ও অপচয় করো না। নিশ্চয় তিনি অপচয়কারীদেরকে পছন্দ করেন না।” (সুরা আরাফ, আয়াত ৩১)

১০১.
সম্পদ জমিয়ে রাখা ইসলামে কেন নিন্দনীয়?
  1. মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি করে
  2. উৎপাদন কমায়
  3. সামাজিক বৈষম্য বাড়ায়
  4. সম্পদের অপচয় ঘটে
সঠিক উত্তর:
সামাজিক বৈষম্য বাড়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক বৈষম্য বাড়ায়
ব্যাখ্যা

সম্পদ জমিয়ে রাখা সামাজিকভাবে বৈষম্য বাড়ায়, কারণ এতে সম্পদের অসম বন্টন ঘটে, যা সমাজের ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ব্যবধান সৃষ্টি করে। যখন সম্পদ কিছু হাতে কুক্ষিগত হয়, তখন যারা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকে, তাদের জন্য সুযোগ ও মৌলিক চাহিদার সংকট দেখা দেয়। এই বৈষম্য কেবল অর্থনৈতিকভাবে নয়, বরং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো সামাজিক সুযোগের ক্ষেত্রেও বিভেদ তৈরি করে।

১০২.
ইসলামি সমাজনীতির মৌলিক ভিত্তি কোনটি?
  1. ইসলামি অর্থনীতি
  2. সুশাসন
  3. তাকওয়া
  4. ধর্মীয় আচরণ
সঠিক উত্তর:
তাকওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকওয়া
ব্যাখ্যা

ইসলামি সমাজনীতির মৌলিক ভিত্তি হলো তাকওয়া বা আল্লাহভীতি, যা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলার প্রতি গভীর মনোযোগ এবং পাপ ও অন্যায় থেকে নিজেকে রক্ষা করার মানসিকতাকে বোঝায়। এই গুণটি মানুষের ব্যক্তিগত, নৈতিক ও সামাজিক জীবনে চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে এবং একে অপরের প্রতি দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসা বাড়াতে সাহায্য করে।

১০৩.
ইসলামে স্বামী–স্ত্রীর সম্পর্ককে কোন শব্দ দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে?
  1. শিরকাহ (অংশীদারিত্ব)
  2. মিসাক (দৃঢ় অঙ্গীকার)
  3. মুদারাবাহ
  4. উকুদ
সঠিক উত্তর:
মিসাক (দৃঢ় অঙ্গীকার)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিসাক (দৃঢ় অঙ্গীকার)
ব্যাখ্যা

ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক বোঝাতে মিসাক (ميثاق) শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যা পবিত্র কুরআন এবং হাদিস থেকে এসেছে এবং এটি একটি অঙ্গীকার, চুক্তি বা প্রতিশ্রুতির তাৎপর্য বহন করে, যা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিদ্যমান থাকে। এই শব্দটি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেকার পবিত্র বন্ধন এবং একে অপরের প্রতি যে দায়িত্ব ও অঙ্গীকার থাকে, তা তুলে ধরে।

১০৪.
ইসলামি রাষ্ট্রে বৈষম্য দূরীকরণের জন্য কোন অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে মূল হাতিয়ার বলা যায়?
  1. মান্নত
  2. যাকাত
  3. সাদাকাহ
  4. হজ্জ
সঠিক উত্তর:
যাকাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাকাত
ব্যাখ্যা

ইসলামী রাষ্ট্র বৈষম্য দূরীকরণের জন্য যাকাতকে একটি মূল হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ এটি ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে সম্পদের পুনর্বণ্টন করে সামাজিক ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠা করে। যাকাত কেবল একটি ধর্মীয় দায়িত্ব নয়, বরং এটি দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক ঐক্য বৃদ্ধি এবং সমাজের ভারসাম্য বজায় রাখার একটি শক্তিশালী মাধ্যম, যা ধনীদের সম্পদকে পবিত্র করে এবং অভাবগ্রস্তদের অধিকার নিশ্চিত করে।

১০৫.
সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য পবিত্র কুরআনে আল্লাহ কোন শব্দ ব্যবহার করেছেন?
  1. কিস্ত
  2. রাহমাহ
  3. সাদাকাহ
  4. হাসানাহ
সঠিক উত্তর:
কিস্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিস্ত
ব্যাখ্যা

পবিত্র কুরআনে 'কিস্ত' (قسط) শব্দটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা "ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা" বা "ইনসাফ" অর্থে বোঝায়। এটি কেবল ব্যক্তিগত পর্যায়েই নয়, বরং সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি নির্দেশ। কুরআনের বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ মানুষকে ন্যায়বিচার করতে, বিশেষ করে সাক্ষী হিসেবে বা দুই পক্ষের মাঝে ফায়সালা করার সময়ও ন্যায়পরায়ণ হতে বলেছেন।

১০৬.
ইসলামি ভ্রাতৃত্বের বন্ধন ঔরসজাত ভ্রাতৃত্বের চেয়ে-
  1. অধিকতর সহজ
  2. অধিকতর মজবুত
  3. অধিকতর ভঙ্গুর
  4. সহজপ্রাপ্য
সঠিক উত্তর:
অধিকতর মজবুত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকতর মজবুত
ব্যাখ্যা

ইসলামে বিশ্বাসীদের পারস্পরিক সম্পর্ককে 'ইসলামি ভ্রাতৃত্ব' বলা হয়, যা জন্মগত রক্তের সম্পর্কের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও মজবুত বলে বিবেচিত হয়। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত এই ভ্রাতৃত্ববোধে বিশ্বাসী এক আল্লাহতে ঈমান ও রাসুল (সা.)-এর অনুসারী হওয়া মূল ভিত্তি, যা সব ধরনের সামাজিক ও ভৌগলিক ভেদাভেদ দূর করে এক ঐশী বন্ধনে আবদ্ধ করে।

১০৭.
সমাজের দুর্বল শ্রেণির প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শনকে কুরআনিক পরিভাষায় কী বলা হয়?
  1. হাসানাহ
  2. রাহমাহ
  3. হিকমাহ
  4. মাওইযাহ
সঠিক উত্তর:
রাহমাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাহমাহ
ব্যাখ্যা

কুরআনের পরিভাষায় সমাজের দুর্বল শ্রেণীর প্রতি সহানুভূতি ও দয়া প্রদর্শনকে "রাহমাহ" বলা হয়। 'রাহমাহ' শব্দটি আল্লাহ তাআলার একটি অন্যতম গুণ এবং তিনি এই গুণটি মানুষের মধ্যেও দিয়েছেন। এটি কেবল দুর্বলদের প্রতি নয়, বরং সকল সৃষ্টিজগতের প্রতি এক গভীর দয়া, ভালোবাসা ও করুণা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

১০৮.
ইসলামে এতিমদের সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব প্রধানত কাকে দেওয়া হয়েছে?
  1. রাষ্ট্রপ্রধানকে
  2. অভিভাবককে
  3. পরিবারকে
  4. আলিমকে
সঠিক উত্তর:
অভিভাবককে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিভাবককে
ব্যাখ্যা

ইসলামে এতিমের সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব মূলত তার অভিভাবকের উপর অর্পিত। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে এতিমদের সম্পদ উত্তমভাবে ব্যবস্থাপনা করার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে এতিম যখন সাবালক বা আত্মিক ও আর্থিক দিক থেকে পরিপক্ক হয়, তখন তার সম্পদ তাকে ফিরিয়ে দেওয়া যায়।

১০৯.
বিশ্বজনীন উম্মাহ বলতে কোন নবির অনুসারীদের বোঝায়?
  1. হযরত মুহাম্মদ (সা)
  2. হযরত ইবরাহিম (আ)
  3. হযরত নুহ (আ)
  4. হযরত আদম (আ)
সঠিক উত্তর:
হযরত মুহাম্মদ (সা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হযরত মুহাম্মদ (সা)
ব্যাখ্যা

বিশ্বজনীন উম্মাহ বলতে মূলত হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর অনুসারীদের বোঝানো হয়, যারা জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ভাষা বা ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস এবং তাঁর রসুলকে অনুসরণ করার ভিত্তিতে গঠিত একটি সম্প্রদায়। যদিও 'উম্মাহ' শব্দটি যেকোনো নবীর অনুসারীদের বোঝাতে পারে, তবে 'বিশ্বজনীন উম্মাহ' বলতে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর উম্মাহকেই নির্দেশ করা হয়, যা সমগ্র মানবজাতির জন্য একটি সার্বজনীন ও বিশ্বব্যাপী সম্প্রদায়।

১১০.
ইসলামে সমাজ সংস্কারের মূল মাধ্যম কোনটি?
  1. ইসলামি অর্থনীতি
  2. দাওয়াহ
  3. যুদ্ধ
  4. ইসলামি রাজনীতি
সঠিক উত্তর:
দাওয়াহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাওয়াহ
ব্যাখ্যা

ইসলামে সমাজ সংস্কারের মূল মাধ্যম হলো দাওয়াহ (ইসলাম প্রচার)। দাওয়াহ'র মাধ্যমে মানুষকে ইসলামের সঠিক জ্ঞান ও নৈতিকতার পথে আহ্বান করা হয়, যার ফলে মানুষের নৈতিক চরিত্র উন্নত হয় এবং একটি আদর্শ ও সুশৃঙ্খল সমাজ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। দাওয়াহ'র মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষকে আল্লাহর পথে নিয়ে আসা এবং সমাজে নৈতিকতার ভিত্তি স্থাপন করে অপকর্ম ও অন্যায় দূর করা।

১১১.
কোন মুসলিম বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম ত্রিকোণমিতির অনুপাত প্রকাশ করেন?
  1. আবুল ওয়াফা
  2. আবু আবদুল্লাহ ইবনে জাবির ইবনে সিনান
  3. ওমর খৈয়াম
  4. আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খাওয়ারিজমি
সঠিক উত্তর:
আবু আবদুল্লাহ ইবনে জাবির ইবনে সিনান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু আবদুল্লাহ ইবনে জাবির ইবনে সিনান
ব্যাখ্যা

আবু আবদুল্লাহ ইবনে জাবির ইবনে সিনান, যিনি আল-বাত্তানি নামে পরিচিত, তিনিই সর্বপ্রথম ত্রিকোণমিতির অনুপাত (যেমন সাইন ও কোসাইন) ব্যবহার ও প্রকাশ করেন এবং ত্রিকোণমিতিক গণনায় জ্যামিতিক পদ্ধতির পরিবর্তে সাইন ও স্পর্শকের (tangent) ব্যবহার প্রবর্তন করেন।

১১২.
‘হিসাবুল জাবর’ কে লাতিন ভাষায় অনুবাদ করেন?
  1. ইবনে রুশদ
  2. জিরার্ড
  3. আল ইদ্রিস
  4. আল মাসউদি
সঠিক উত্তর:
জিরার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিরার্ড
ব্যাখ্যা

‘হিসাবুল জাবর ওয়াল মুকাবালাহ’ (আল-খাওয়ারিজমীর রচিত) গ্রন্থটি জিরার্ড লাতিন ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন। এই অনুবাদের মাধ্যমেই ইউরোপে বীজগণিতের জ্ঞান প্রবেশ করে এবং আল-খাওয়ারিজমীকে "Algebra-এর জনক" এর আখ্যা দেওয়া হয়।

১১৩.
সালফিউরিক এসিড আবিষ্কারের কৃতিত্ব কার?
  1. ইবনে ওয়াহশিয়া
  2. আল রাজি
  3. আল বিরুনি
  4. ইবনে সিনা
সঠিক উত্তর:
আল রাজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল রাজি
ব্যাখ্যা

সালফিউরিক এসিড আবিষ্কারের কৃতিত্ব আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে জাকারিয়া আল-রাজির। আল-রাজি শুধু সালফিউরিক এসিডই নয়, নাইট্রিক এসিড প্রস্তুতেও কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন।

১১৪.
আল বিরুনি সর্বপ্রথম কোন যন্ত্র ব্যবহার করে ধাতুর ঘনত্ব নির্ধারণ করেছিলেন?
  1. জলঘড়ি
  2. হাইড্রোস্ট্যাটিক ব্যালেন্স
  3. অ্যাস্ট্রোলাব
  4. পেন্ডুলাম
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোস্ট্যাটিক ব্যালেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোস্ট্যাটিক ব্যালেন্স
ব্যাখ্যা

আল-বিরুনি সর্বপ্রথম হাইড্রোস্ট্যাটিক ব্যালেন্স (Hydrostatic Balance) নামক যন্ত্র ব্যবহার করে ধাতুর ঘনত্ব নির্ধারণ করেছিলেন। এ যন্ত্রের মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন ধাতু ও রত্নপাথরের ওজন পানিতে ও বাতাসে মেপে ঘনত্ব নির্ণয় করতেন। এজন্য আল-বিরুনিকে আধুনিক পদার্থবিদ্যা ও ভূবিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ বলা হয়।

১১৫.
আধুনিক অপটিক্স ও ক্যামেরার জনক হিসেবে পরিচিত বিজ্ঞানী—
  1. ইবনুল হাইসাম
  2. ইবনে ইউনুস
  3. আল কারাজি
  4. আবুল ওয়াফা
সঠিক উত্তর:
ইবনুল হাইসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইবনুল হাইসাম
ব্যাখ্যা

আধুনিক অপটিক্স ও ক্যামেরার জনক হিসেবে পরিচিত বিজ্ঞানী হলেন ইবনে আল-হাইসাম। তিনি “কিতাব আল-মানাজির” (Book of Optics) গ্রন্থে আলো, দৃষ্টি ও প্রতিফলন-প্রতিসরণের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেন। তিনি ক্যামেরা অবস্কিউরা (Camera Obscura)-এর কার্যপদ্ধতি প্রথম বর্ণনা করেন। এজন্য তাঁকে “Father of Modern Optics” এবং ক্যামেরার জনক বলা হয়।

১১৬.
ইলেকট্রোউইক ইউনিফিকেশন তত্ত্বের জন্য নোবেল জয়ী মুসলিম পদার্থবিজ্ঞানী কে?
  1. জামাল নজরুল ইসলাম
  2. আবদুস সালাম
  3. আল বিরুনি
  4. আল খাজিনি
সঠিক উত্তর:
আবদুস সালাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুস সালাম
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রোউইক ইউনিফিকেশন তত্ত্বের জন্য ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মুসলিম পদার্থবিজ্ঞানী হলেন আবদুস সালাম। তিনি তার এই কাজের জন্য স্টিভেন ওয়াইনবার্গ ও শেল্ডন লি গ্ল্যাশোর সাথে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। পুরস্কার প্রাপ্তির বছর: ১৯৭৯ সাল।

১১৭.
‘কিতাব মিযান আল-হিকমাহ’ গ্রন্থ রচনা করেছিলেন—
  1. আল-রাজি
  2. আল-খাজিনি
  3. আল কারাজি
  4. আল ফারাবী
সঠিক উত্তর:
আল-খাজিনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল-খাজিনি
ব্যাখ্যা

বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী আল খাজিনি কর্তৃক 'কিতাব মিযান আল-হিকমাহ' (Kitab Mizan al-Hikmah) গ্রন্থটি রচিত হয়েছিল। এই গ্রন্থটিতে জ্যোতির্বিদ্যা এবং পদার্থবিদ্যার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং ইসলামি স্বর্ণযুগের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক অবদান হিসেবে বিবেচিত হয় গ্রন্থটি।

১১৮.
ইহুদি ধর্মের অনুসারীগণ কার বংশধর?
  1. জ্যাকবের
  2. হযরত ইয়াকুব (আ) এর
  3. হযরত ঈসা (আ) এর
  4. ক+খ
সঠিক উত্তর:
ক+খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক+খ
ব্যাখ্যা

ইহুদি ধর্মের অনুসারীরা মূলত হজরত ইয়াকুব (আ.) এর বংশধর। তিনি জ্যাকব নামে অভিহিত। ইহুদি জাতির উৎপত্তি ঐতিহাসিক ইসরায়েল ও যিহূদা রাজ্য থেকে, যাদের পূর্বপুরুষ ছিল ইব্রীয় ও ইসরায়েলীয়রা। ইহুদি ধর্ম ও জাতিসত্তা একে অপরের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই জাতির উদ্ভব হয়েছে হযরত ইব্রাহীম (আ.)-এর মাধ্যমে এবং তারা হযরত ইয়াকুব (আ.)-এর বংশধর। ইহুদি শব্দটি এসেছে ইয়াহুদা থেকে, যিনি ছিলেন হযরত ইয়াকুব (আ.)-এর পুত্র।

১১৯.
আধুনিক সার্জারির জনক হিসেবে খ্যাত মুসলিম বিজ্ঞানী—
  1. আল জাহরাভি
  2. আল রাজি
  3. ইবনে সিনা
  4. আল মাওসুলি
সঠিক উত্তর:
আল জাহরাভি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল জাহরাভি
ব্যাখ্যা

আল-জাহরাভিকে (৯৩৬–১০১৩) আধুনিক সার্জারির জনক হিসেবে গণ্য করা হয়, কারণ তিনি মধ্যযুগীয় মুসলিম বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শল্যচিকিৎসক ছিলেন এবং ২০০টিরও বেশি অস্ত্রোপচারের যন্ত্র তৈরি ও ব্যবহার করেছেন। তিনি "কিতাব আল-তাসরিফ" নামে একটি চিকিৎসা বিশ্বকোষ লিখেছিলেন, যেখানে অস্ত্রোপচারের কৌশল ও সরঞ্জামগুলির বিস্তারিত বিবরণ বর্ণিত হয়েছে।

১২০.
বেদের কোন ভাগটি সর্বপ্রাচীন?
  1. ঋগবেদ
  2. সামবেদ
  3. যজুর্বেদ
  4. অথর্ববেদ
সঠিক উত্তর:
ঋগবেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋগবেদ
ব্যাখ্যা

বেদের চারটি ভাগের মধ্যে প্রাচীনতম বেদ হল ঋগ্বেদ। এটি হিন্দুধর্মের প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থ এবং বিশ্বের প্রাচীনতম গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম।

১২১.
‘ক্যানন অব মেডিসিন’ নামে যে গ্রন্থ ইউরোপে প্রসিদ্ধ ছিল, সেটি কার রচনা?
  1. আল রাজি
  2. ইবনে সিনা
  3. আলি আত তাবারি
  4. ইবনে রুশদ
সঠিক উত্তর:
ইবনে সিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইবনে সিনা
ব্যাখ্যা

'ক্যানন অব মেডিসিন' হলো একাদশ শতাব্দীর ফারসি দার্শনিক এবং চিকিৎসক ইবনে সিনা (আভিসেনা) রচিত একটি বিশ্বকোষ, যা চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি প্রভাবশালী গ্রন্থ। এটি ছিল তার সময়ের চিকিৎসা জ্ঞানের একটি সুসংহত সারসংক্ষেপ, যা পরবর্তীতে ল্যাটিন ভাষায় অনূদিত হওয়ার পর 'ক্যানন অব মেডিসিন' নামে পরিচিতি লাভ করে এবং প্রায় ৫০০ বছর ধরে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যে চিকিৎসা শিক্ষার মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

১২২.
জ্যোতির্বিজ্ঞানী আল-বাত্তানি কোন যন্ত্র ব্যবহার করে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেছিলেন?
  1. সেক্সট্যান্ট
  2. অ্যাস্ট্রোলাব
  3. টেলিস্কোপ
  4. হাইড্রোস্ট্যাটিক ব্যালেন্স
সঠিক উত্তর:
অ্যাস্ট্রোলাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাস্ট্রোলাব
ব্যাখ্যা

মহান জ্যোতির্বিজ্ঞানী আল-বাত্তানি অ্যাস্ট্রোলাব ব্যবহার করে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। তিনি সূর্যের কক্ষপথ, চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণের সময় নির্ণয়ে অ্যাস্ট্রোলাবকে কাজে লাগান। তাঁর পর্যবেক্ষণ ও গণনার কারণে পরবর্তী কালে ইউরোপে জ্যোতির্বিজ্ঞান ব্যাপকভাবে উন্নত হয়।

১২৩.
মুসলিম দার্শনিক আল-ফারাবীকে ইউরোপে বলা হতো—
  1. সেকেন্ড টিচার
  2. ফার্স্ট ফিজিশিয়ান
  3. প্রিন্স অব ফিজিশিয়ান
  4. ফাদার অব কেমিস্ট্রি
সঠিক উত্তর:
সেকেন্ড টিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেকেন্ড টিচার
ব্যাখ্যা

মুসলিম দার্শনিক আল-ফারাবীকে ইউরোপে বা প্রাচ্যের সুধীসমাজে ‘সেকেন্ড টিচার’ বা ‘দ্বিতীয় শিক্ষক’ (আল-মুআল্লিমুস সানী) বা ‘দ্বিতীয় এরিস্টটল’ বলা হতো। এর কারণ হলো, তিনি দর্শন ও জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় অ্যারিস্টটলের পরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে ছিলেন এবং অ্যারিস্টটলের দর্শনকে উন্নত ও জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন।

১২৪.
‘আল-হাসিব’ বা মহান গণনাকারী উপাধি কে পেয়েছিলেন?
  1. আবু কামিল
  2. আল-খাওয়ারিজমি
  3. আল কারাজি
  4. ইবনে ইউনুস
সঠিক উত্তর:
আল-খাওয়ারিজমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল-খাওয়ারিজমি
ব্যাখ্যা

‘আল-হাসিব’ বা মহান গণনাকারী উপাধি পেয়েছিলেন মহান গণিতবিদ আল-খাওয়ারিজমি (Muhammad ibn Musa al-Khwarizmi)। তিনি বীজগণিতের জনক (Father of Algebra) নামে পরিচিত। তাঁর গ্রন্থ “আল-কিতাব আল-মুখতাসার ফি হিসাব আল-জাবর ওয়াল-মুকাবালা” থেকেই Algebra শব্দটির উৎপত্তি। Algorithm শব্দটিও এসেছে তাঁর নাম al-Khwarizmi থেকে।

১২৫.
জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণার ধারা ৭ এর মূল বক্তব্য কোনটি?
  1. অবৈধ গ্রেপ্তার, আটক বা নির্বাসন নিষিদ্ধ
  2. আইনের দৃষ্টিতে সকলের সমতা
  3. প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষের বিবাহের অধিকার
  4. সুষ্ঠু ও প্রকাশ্য বিচারের অধিকার
সঠিক উত্তর:
আইনের দৃষ্টিতে সকলের সমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের দৃষ্টিতে সকলের সমতা
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রের ধারা ৭-এর মূল বক্তব্য হলো আইনের চোখে প্রত্যেকেই সমান এবং জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, ভাষা, রাজনৈতিক বা অন্য কোনো বিশ্বাস, জাতীয় বা সামাজিক উৎস, জন্ম, বা অন্য যেকোনো অবস্থার ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য ছাড়াই আইনের সমান সুরক্ষা পাওয়ার অধিকারী। এর অর্থ হলো সকল মানুষের জন্য আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে এবং কারো বিরুদ্ধে বৈষম্য করা যাবে না।

১২৬.
জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল এর সদস্যদের মেয়াত কতদিন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল এর সদস্যদের মেয়াদ তিন বছর এবং এই মেয়াদ নবায়নযোগ্য নয়। প্রতি বছর কাউন্সিলের এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের মেয়াদ শেষ হয় এবং নতুন সদস্য নির্বাচিত হন।

১২৭.
মানবাধিকার এর কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কোনো অবস্থায় তা কেড়ে নেওয়া যায় না?
  1. সার্বজনীনতা
  2. অবিভাজ্যতা
  3. বৈষম্যহীনতা
  4. স্বীকৃতিতা
সঠিক উত্তর:
অবিভাজ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিভাজ্যতা
ব্যাখ্যা

মানবাধিকার তার অবিচ্ছেদ্য (বা অবিভাজ্য) বৈশিষ্ট্যের কারণে কোনো অবস্থাতেই কেড়ে নেওয়া যায় না। এই বৈশিষ্ট্য মানবাধিকারকে মৌলিক এবং অলঙ্ঘনীয় করে তোলে, যা কোনো মানুষ হওয়ার কারণে তার মধ্যে থাকে এবং তা জাতীয়তা, বর্ণ, ধর্ম, লিঙ্গ বা অন্য কোনো বৈষম্য ছাড়াই সকলের জন্য প্রযোজ্য।

১২৮.
ইসলামে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে কিভাবে দেখা হয়?
  1. বিভাজনের উৎস
  2. আল্লাহর নিদর্শন
  3. শত্রুতার কারণ
  4. অগ্রগতির প্রতিবন্ধক
সঠিক উত্তর:
আল্লাহর নিদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল্লাহর নিদর্শন
ব্যাখ্যা

ইসলামে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে আল্লাহর নিদর্শন হিসেবে দেখা হয়, কারণ আল্লাহ বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায় সৃষ্টি করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি ও জীবনধারা, এবং এই বৈচিত্র্য মানুষের একে অপরের কাছ থেকে শেখার ও পারস্পরিক বোঝার সুযোগ তৈরি করে দেয়। ইসলামী নীতি ও মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই বৈচিত্র্যকে সম্মান করা হয়।

১২৯.
ইহুদি ধর্মের ইতিহাস কত বছরের প্রাচীন?
  1. চার হাজার বছর
  2. পাঁচ হাজার বছর
  3. ছয় হাজার বছর
  4. তিন হাজার বছর
সঠিক উত্তর:
চার হাজার বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার হাজার বছর
ব্যাখ্যা

ইহুদি ধর্মের ইতিহাস প্রায় ৪০০০ বছরের পুরনো। এই একেশ্বরবাদী ধর্মটির উৎপত্তি মধ্যপ্রাচ্যে আব্রাহামকে কেন্দ্র করে হয়েছিল। এদের মূল ধর্মগ্রন্থ হলো "তোরাহ", যা পুরাতন নিয়মের প্রথম পাঁচটি বইকে বোঝায়। তোরাহ শব্দের অর্থ 'আইন'।

১৩০.
‘হিকমাতুল আইন’ গ্রন্থ কার রচনা?
  1. আল রাজি
  2. ইবনে সিনা
  3. আল ফারাবী
  4. ইবনে রুশদ
সঠিক উত্তর:
ইবনে সিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইবনে সিনা
ব্যাখ্যা

‘হিকমাতুল আইন’ গ্রন্থটি রচনা করেছেন মহান দার্শনিক ও চিকিৎসক ইবনে সিনা। এ গ্রন্থটি মূলত চক্ষুবিদ্যা (Ophthalmology) বিষয়ক, যেখানে চোখের গঠন, দৃষ্টি প্রক্রিয়া ও চক্ষু-সংক্রান্ত রোগের চিকিৎসা বর্ণিত হয়েছে। এজন্য ইবনে সিনাকে ইসলামের স্বর্ণযুগে চক্ষুবিদ্যার পথপ্রদর্শক বলা হয়।

১৩১.
মুসলিম রসায়নবিদ আল রাজির আবিষ্কারকৃত প্রসিদ্ধ ঔষধ—
  1. অ্যালকোহল
  2. পেনিসিলিন
  3. সালফানিলামাইড
  4. ইনসুলিন
সঠিক উত্তর:
অ্যালকোহল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালকোহল
ব্যাখ্যা

মুসলিম রসায়নবিদ আল-রাজি (মুহাম্মদ ইবন যাকারিয়া আল-রাজি) মূলত রাসায়নিক ও চিকিৎসা বিজ্ঞানে খ্যাত। তিনি অ্যালকোহল (Ethanol/Spiritus) উদ্ভাবন ও বিশ্লেষণের কৃতিত্বের জন্য পরিচিত। তিনি অ্যালকোহলকে গুঁড়ো বা তরল দ্রব্য থেকে আলাদা করার জন্য গুনিত পদ্ধতি প্রবর্তন করেন। এর ব্যবহার চিকিৎসা, প্রসাধনী ও রসায়নশাস্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

১৩২.
কোন মৌলিক ইবাদাতের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. সিয়াম
  2. যাকাত
  3. সালাত
  4. হজ
সঠিক উত্তর:
সালাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালাত
ব্যাখ্যা

সালাত হলো একটি মৌলিক ইবাদত, যা সামাজিক সাম্য, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জামায়াতে নামাজ আদায়ের সময় ধনী-গরিব, উঁচু-নিচু সব ধরনের মানুষ একই কাতারে দাঁড়ায়, যা সামাজিক সাম্যের এক অনুপম উদাহরণ সৃষ্টি করে। এই অভিন্নতা মানুষকে একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে এবং ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ হতে শেখায়।

১৩৩.
কৃপণতা থেকে মুক্তিদাতা মৌলিক ইবাদত কোনটি?
  1. সালাত
  2. সাদাকাহ
  3. হজ
  4. যাকাত
সঠিক উত্তর:
যাকাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাকাত
ব্যাখ্যা

যাকাত কৃপণতা ও অর্থের প্রতি লোভ থেকে মুক্তিদাতা একটি মৌলিক ইবাদত, যা আত্মিক পবিত্রতা অর্জনে সাহায্য করে এবং সমাজে অর্থনৈতিক বৈষম্য কমিয়ে আনে। যাকাত আদায় করার মাধ্যমে অর্থ শুধু নিজের কাছে জমা না রেখে অসহায় ও অভাবী মানুষের কাছে পৌঁছায়, যা তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করে এবং মানসিক প্রশান্তি নিয়ে আসে।

১৩৪.
নিচের কোনটি New Testament এর ভাগ নয়?
  1. Gospels
  2. Acts
  3. Deeds
  4. Epistles
সঠিক উত্তর:
Deeds
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Deeds
ব্যাখ্যা

নিউ টেস্টামেন্টকে মোট চারটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়: সুসমাচার (Gospels), প্রেরিতদের কার্য (Acts), পত্র (Epistles) এবং প্রকাশিত বাক্য (Revelation)। এই চারটি ভাগেই নিউ টেস্টামেন্টের মোট ২৭টি বই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

১৩৫.
কুরআন মাজিদের কোথায় নামায শেষে জীবিকা অর্জনের জন্য পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে?
  1. সুরা আলাকে
  2. সুরা নিসায়
  3. সুরা বাকারাতে
  4. সুরা জুমুআতে
সঠিক উত্তর:
সুরা জুমুআতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরা জুমুআতে
ব্যাখ্যা

কুরআন মাজিদের সুরা আল-জুমুআহ এর ১০ নম্বর আয়াতে নামাজ শেষ হওয়ার পর পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে আল্লাহর অনুগ্রহ বা জীবিকা সন্ধান করার এবং আল্লাহর স্মরণ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। এই আয়াতটি নামাজের পর জীবিকা অর্জনের জন্য কাজ করা এবং তা করতে গিয়ে আল্লাহর স্মরণ থেকে যেন গাফেল না হওয়া হয়, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেয়। এই আয়াতে যা বলা হয়েছে: "অতঃপর নামায সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান কর ও আল্লাহকে অধিকরূপে স্মরণ কর; যাতে তোমরা সফলকাম হও"।