পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৪: বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের অর্থনীতি ১. উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২. অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ LDC মুক্ত হলে কোন সুবিধা পাবে না?
  1. ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিএসপি
  2. সহজ শর্তে ঋণ
  3. মেধাস্বত্ব থেকে ছাড়
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ LDC উত্তরণের অসুবিধা: 
- এলডিসি থেকে বের হলে সবচেয়ে সমস্যায় পড়তে হবে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে।
- এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) আওতায় শুল্কমুক্ত বাণিজ্য–সুবিধা পায়।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিএসপি সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে। 
- যদিও ইউরোপীয় ইউনিয়নে জিএসপির আওতায় এই শুল্কমুক্ত সুবিধা থাকবে ২০২৯ সাল পর্যন্ত।
- এলডিসি থেকে বের হলে ওষুধশিল্পের ওপর মেধাস্বত্ব বিধিবিধান আরও কড়াকড়ি হবে।
- এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোকে আবিষ্কারক প্রতিষ্ঠানকে মেধাস্বত্বের জন্য অর্থ দিতে দিতে হয় না।
- এ কারণে এলডিসির গরিব নাগরিকেরা স্বল্প মূল্যে ওষুধ পায়।
- ২০৩৩ সালের আগে কোনো দেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে গেলে ওষুধশিল্পের এই সুবিধা থাকবে না।
- এলডিসি হিসেবে যেকোনো দেশ তার দেশে উৎপাদিত পণ্য বা সেবার ওপর নগদ সহায়তা ও ভর্তুকি দিতে পারে।
- বাংলাদেশ এখন যে রপ্তানি আয় বা রেমিট্যান্স আনায় নগদ সহায়তা দেয় তা নিয়ে আপত্তি উঠতে পারে।
- এলডিসি থেকে উত্তরণ হওয়া দেশগুলো আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোর কাছ থেকে সহজ শর্তের ঋণ পাওয়ার সুযোগ সীমিত হতে পারে।
- এলডিসি থেকে বের হলে জাতিসংঘে চাঁদার পরিমাণ বেড়ে যাবে।
- আন্তর্জাতিক সংস্থা ও উন্নত দেশগুলো স্বল্পোন্নত দেশের শিক্ষার্থীদের নানা ধরনের বৃত্তি দেয়।
- এলডিসি থেকে উত্তরণ হলে এ ধরনের বৃত্তির সংখ্যা কমে যাবে।

উৎস: Centre for Policy Dialogue (CPD) ওয়েবসাইট। 
.
অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভাগ কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভাগ: 
- অর্থ মন্ত্রনালয় নিম্নে বর্ণিত চারটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত:   
১. আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি)
২. অর্থ বিভাগ (এফডি)
৩. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)  এবং
৪. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।

- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (FID) ২০১০ সালের জানুয়ারী মাসে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এর আগে এ সংক্রান্ত  কার্যাবলী অর্থ বিভাগের অন্তর্গত একটি উইং-এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিলো।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
উৎপাদন ভিত্তিতে জিডিপি প্রাক্কলনে অর্থনীতিকে নিচের কোন বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়নি?
  1. কৃষি
  2. প্রযুক্তি
  3. শিল্প
  4. সেবা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জিডিপির হিসাব প্রাক্কলনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান।
- আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত System of National Accounts (SNA) ফ্রেমওয়ার্ক অনুসরণ করে বিভিন্ন দেশ জিডিপি প্রাক্কলন করে।
- জিডিপি নিরূপণে তিনটি পদ্ধতি: উৎপাদন (Production Aproach), আয় (Income Approach) এবং ব্যয় (Expenditure Approach) পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- তবে বাংলাদেশ উৎপাদন ও ব্যয় ভিত্তিক জিডিপি প্রণয়ন করে।
- উৎপাদন ভিত্তিতে জিডিপি প্রাক্কলনে অর্থনীতিকে ৩টি বৃহৎ খাত তথা: কৃষি, শিল্প ও সেবায় বিভক্ত করা হয়েছে।
- বর্তমান সময়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রসার বিশেষ করে সেবা খাতে নতুন নতুন খাত/উপখাত অর্থনীতিতে যুক্ত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
.
বাণিজ্য শুল্ক কী?
  1. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর কর
  2. আমদানি ও রপ্তানির ওপর আরোপিত কর
  3. ব্যক্তিগত আয়ের ওপর কর
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য শুল্ক:
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো বাণিজ্য শুল্ক।
- দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে বাণিজ্য শুল্ক বলা হয়।

আবগারি শুল্ক:

- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই, মদ, গাঁজা, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

আয়কর:
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের এটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস আয়কর।
- জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়।
- যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার ঊর্ধ্বে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল (Progressive) হারে আয়কর আদায় করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড  বই। 
.
বর্তমানে জিডিপি কয়টি খাতের মূল্য সংযোজন ভিত্তিতে প্রাক্কলন করা হয়? [মে, ২০২৫]
  1. ৩টি
  2. ৯টি
  3. ১৫টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জিডিপির হিসাব প্রাক্কলনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান।
- আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত System of National Accounts (SNA) ফ্রেমওয়ার্ক অনুসরণ করে বিভিন্ন দেশ জিডিপি প্রাক্কলন করে।
- জিডিপি নিরূপণে তিনটি পদ্ধতি: উৎপাদন (Production Aproach), আয় (Income Approach) এবং ব্যয় (Expenditure Approach) পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- তবে বাংলাদেশ উৎপাদন ও ব্যয় ভিত্তিক জিডিপি প্রণয়ন করে।
- উৎপাদন ভিত্তিতে জিডিপি প্রাক্কলনে অর্থনীতিকে ৩টি বৃহৎ খাত তথা: কৃষি, শিল্প ও সেবায় বিভক্ত করা হয়েছে।
- বর্তমান সময়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রসার বিশেষ করে সেবা খাতে নতুন নতুন খাত/উপখাত অর্থনীতিতে যুক্ত হয়েছে।
- ২০১৫-১৬ ভিত্তিবছরের জিডিপিতে বিদ্যমান কয়েকটি খাতের পুনর্বিন্যাস এবং নতুন খাতসমূহ অন্তভুক্তির ফলে বর্তমানে জিডিপি ১৯টি খাতের মূল্য সংযোজন ভিত্তিতে প্রাক্কলন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদিত হয়? [মে, ২০২৫]
  1. ময়মনসিংহ
  2. কুষ্টিয়া
  3. ফরিদপুর
  4. যশোর
ব্যাখ্যা
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদিত হয় ফরিদপুর জেলায় (৯,৯১,৮৭৫ মে. টন)। 

এছাড়া,
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,০২,৮৫৯ মে. টন)। 
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৬৭,০৬,৯৫৫ মে. টন)।

- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (২৩,৮৬,৯২৭.৪২ মে. টন)। 
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: দিনাজপুর জেলা (৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন)। 

- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: রাজশাহী বিভাগ (৪,৩৮,৩৩০ মে. টন)। 
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: ঠাকুরগাও জেলা (১,৬৫,২৬৪ মে. টন)। 

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৩।
.
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা: 
ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ হলো ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত একটি ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বর্ধিত জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।
- নেদারল্যান্ডস কে অনুসরণ করে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের চাবিকাঠি হিসেবে শতবর্ষী ডেল্টা প্ল্যান তথা ‘ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ প্রণয়ন করা হয়েছে।
- বন্যা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদী কৌশল হিসেবে ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের অনুমোদন পায়।
- এই পরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ৮০টি প্রকল্প গ্ৰহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৬৫টি ভৌত অবকাঠামো প্রকল্প এবং ১৫টি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, দক্ষতা ও গবেষণা বিষয়ক প্রকল্প।
- এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ১৪৫ বিলিয়ন টাকা
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।

উৎস: বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড
.
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বর্তমানে বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা কত? [মে, ২০২৫]
  1. ৪০.০১ লক্ষ জন
  2. ৫০.০১ লক্ষ জন
  3. ৬০.০১ লক্ষ জন
  4. ৭০.০১ লক্ষ জন
ব্যাখ্যা
বয়স্কভাতা কর্মসূচি:
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশনকে এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫৮ লক্ষ ০১ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ৬০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয় এবং এ খাতে বাজেট ৪২০৫.৯৬ কোটি টাকা।
- (২০২৪-২৫) অর্থবছরে ৬০.০১ লক্ষ জন বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসে ৬০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়। 
- বর্তমানে ব্যয় ৪৩৫০.৯৭ কোটি টাকা। 

উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর।
.
আয়কর প্রদানে ব্যর্থ করদাতাকে কী বলে?
  1. দায়মুক্ত করদাতা
  2. খেলাপি করদাতা
  3. নিয়মিত করদাতা
  4. কর অব্যাহত করদাতা
ব্যাখ্যা
- আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী আয়কর প্রদানে ব্যর্থ করদাতাকে খেলাপি করদাতা বলা হয়। 

করদিবসের মধ্যে রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে: 
- একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা ৩০ নভেম্বর ২০২৪ তারিখের মধ্যে, অর্থাৎ করদিবসের মধ্যে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষের রিটার্ন দাখিল করতে ব্যর্থ হলে করদাতার প্রদেয় করদায় আয়কর আইনের ধারা ১৭৪ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে এবং করদাতাকে সে মোতাবেক কর পরিশোধ করতে হবে।

আয়কর আইন, ২০২৩:
(৩২) “খেলাপি করদাতা” অর্থ-
(ক) কোনো ব্যক্তি যিনি এই আইনানুযায়ী কোনো কর পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছেন; বা
(খ) কোনো ব্যক্তি যিনি এই আইনানুযায়ী খেলাপি করদাতা হিসাবে গণ্য হয়েছেন;

উৎস: আয়কর নির্দেশিকা (২০২৪-২০২৫)
বাংলাদেশের আইন।
১০.
মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে কে?
  1. রাজস্ব বোর্ড
  2. জাতীয় সংসদ
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
মুদ্রানীতি: 
- মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার মুদ্রানীতি কাঠামোর অধীনে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য অর্থ সরবরাহ, সুদের হার এবং বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণের জন্য পদ্ধতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
- উচ্চ উৎপাদন প্রবৃদ্ধি এবং কম বেকারত্ব অর্জনের জন্য মুদ্রানীতির চূড়ান্ত লক্ষ্য হল মূল্য স্থিতিশীলতা।
- মূল্য এবং সুদের হার স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য আর্থিক বাজার এবং বৈদেশিক মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল থাকতে হবে।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রানীতির সংকোচনমূলক এবং সম্প্রসারণমূলক উদ্দেশ্যগুলি বাস্তবায়নের জন্য জি-সেকেন্ড ট্রেড করে।
- অর্থ বাজারে তরলতা পরিচালনার জন্য OMO সুবিধাগুলি ব্যবহার করা হয় যোগ্য সিকিউরিটিজ নিয়োগ করে তাদের তরলতা নিযুক্ত করার জন্য, তাদের তরলতা নিয়ন্ত্রন করার জন্য BB প্রায়শই কেন্দ্রীয় ব্যাংক রেপো, রিভার্স রেপো এবং বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের মতো OMO কৌশল ব্যবহার করে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।