পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ৯: বিষয় - বাংলা সাহিত্য টপিকসমূহ: ১. মধ্য-যুগের সাহিত্য ধারা; ২. মধ্যযুগের প্রধান প্রধান লেখক ও তাঁদের সাহিত্য কর্ম; ৩. বাংলা গদ্যের উৎপত্তি ও বিকাশ; ৪. বাংলা নাটকের উৎপত্তি ও বিকাশ; ৫. বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের বিভিন্ন সাহিত্য কর্মের চরিত্র। এবং বিষয় - নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন টপিকসমূহ: 1) Definition of Values Education and Good Governance; 2) Relation between Values Education and Good Governance; 3) General Perception of Values Education and Good Governance; 4) Importance of Values Education and Good Governance in the life of an individual as a citizen as well as in the making of society and national ideals."
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
রামরাম বসু রচিত গদ্যপুস্তক কোনটি?
  1. রাজাবলি
  2. হিতোপদেশ
  3. রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
  4. বত্রিশ সিংহাসন
সঠিক উত্তর:
রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
ব্যাখ্যা
• রামরাম বসু ও 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' গ্রন্থ :
- রামরাম বসু রচিত গ্রন্থ 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র'
- এটি ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়।
- বাঙালি রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ হলো 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র'।
- রামরাম বসু, উইলিয়াম কেরিকে বাংলা ভাষা শেখান ( ১৭৯৩ থেকে ১৭৯৬ পর্যন্ত)।
- তাই তিনি কেরি সাহেবের মুন্‌সি নামে পরিচিত ছিলেন।

রামরাম বসু রচিত গ্রন্থ:
- রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র।
- লিপিমালা।

অন্যদিকে,
- রাজাবলি, হিতোপদেশ ও বত্রিশ সিংহাসন মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত গদ্যপুস্তক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘কুবের’ ও ‘ধনঞ্জয়’ চরিত্র দুটি কার রচনা?
  1. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. জহির রায়হান
  3. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. হুমায়ূন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• ‘পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাস:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত 'পদ্মানদীর মাঝি' নামক উপন্যাসটি ১৯৩৪ সাল থেকে 'পূর্বাশা' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে।
- পদ্মা তীরবর্তী ধীবর-জীবন এর মূল কাহিনি।
- কুবের-কপিলা এই দুই প্রধান চরিত্রের আন্তঃ-সম্পর্কও উপন্যাসটির ভিন্নমাত্রা সংযোজন করেছে।
- উপন্যাসে "আমারে নিবা মাঝি লগে?"- বিখ্যাত সংলাপটি কপিলা, কুবের কে উদ্দেশ্য করে বলে ।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি' ইংরেজি, রুশ, চীনা, চেক, নরওয়েজিয়া, সুইডিশ প্রভৃতি ভাষায় অনূদিত হয়।

• উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- কুবের,
- কপিলা,
- মালা,
- ধনঞ্জয়,
- গণেশ,
- শীতলবাবু,
- হোসেন মিয়া ইত্যাদি।

----------------------------
• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কথাসাহিত্যিক।
- ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মে বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
- স্নাতক শ্রেণিতে অধ্যয়নের সময় বিচিত্রা পত্রিকায় তাঁর প্রথম গল্প ‘অতসী মামী’ প্রকাশিত হয়।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জীবনের প্রথম পর্বে মনোবিজ্ঞানী ফ্রয়েড, ইয়ুং, অ্যাডলার প্রমুখ দ্বারা প্রভাবিত হলেও পরবর্তী সময়ে তিনি মার্কসবাদে দীক্ষা নেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য অন্যান্য উপন্যাস:
- জননী,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পুতুলনাচের ইতিকথা,
- শহরতলী,
- অহিংসা,
- স্বাধীনতার স্বাদ,
- আরোগ্য প্রভৃতি।

উৎস: ‘পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাস; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ’ গ্রন্থটি কোন হরফে রচিত?
  1. ফারসি
  2. রোমান
  3. বাংলা
  4. হিন্দি
সঠিক উত্তর:
রোমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমান
ব্যাখ্যা
• ‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ’ গ্রন্থ:
• রোমান ক্যাথলিক পর্তুগিজ পাদ্রি মানোএল দা আসসুম্পসাঁও কর্তৃক ১৭৩৪ সালে রচিত এবং ১৭৪৩ সালে লিসবনে রোমান হরফে মুদ্রিত ‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ’ গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের প্রাথমিক প্রচেষ্টার নিদর্শন হিসেবে উল্লেখযোগ্য।

• গ্রন্থটি ঢাকার ভাওয়াল অঞ্চলের নাগরী নামক স্থানে লিখিত। এই গ্রন্থের বাঁ দিকের পৃষ্ঠায় বাংলা ভাষায় এবং ডান দিকের পৃষ্ঠায় পর্তুগিজভাষায় গুরু ও শিষ্যের কথোপকথনের মাধ্যমে খ্রিষ্টধর্মের মহিমা এবং খ্রিষ্টানদের আচার-অনুষ্ঠানের কথা আলোচিত হয়েছে।

• মূল পর্তুগিজ অংশ মানোএল দা আসসুম্পসাঁও-এর লেখা; তিনি সম্ভবত কোন দেশীয় খ্রিষ্টান দ্বারা বাংলা ভাষায় অনুবাদ করিয়েছিলেন। গ্রন্থাকার ঢাকার ভাওয়াল অঞ্চলের পাদ্রি হিসেবে ধর্মপ্রচারে রত ছিলেন এবং সে অঞ্চলে থাকাকালীন গ্রন্থটি রচিত বলে তাতে স্থানীয় উপভাষার প্রভাব আছে।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
মধ্যযুগের বাংলায় প্রধান সাহিত্যধারা নয় কোনটি?
  1. মঙ্গলকাব্য
  2. শাক্তপদ
  3. চরিত সাহিত্য
  4. পক্ষীর গান
সঠিক উত্তর:
পক্ষীর গান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষীর গান
ব্যাখ্যা
• মধ্যযুগের বাংলায় প্রধান সাহিত্যধারা নয়: পক্ষীর গান।
- ‘পক্ষীর গান’ বাংলায় ঊনবিংশ শতকের মধ্যভাগে খ্যাতি অর্জন করে।

• বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ:

- বাংলা সাহিত্যে ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মধ্যযুগ।
- মধ্যযুগের সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য- ধর্মকেন্দ্রিকতাই মুখ্য, মানবতাসহ সব কিছুই গৌণ।
- মধ্যযুগের সাহিত্যের ধারাগুলোর মধ্যে বৈষ্ণব সাহিত্যধারা পরিমাণে ও গুণে সমৃদ্ধ।
- ‘কানু ছাড়া গীত নাই’ উক্তিটি মধ্যযুগে সত্য ছিল।

• মধ্যযুগের বাংলায় প্রধান সাহিত্যধারা:
বৈষ্ণব সাহিত্য, মঙ্গলকাব্য, শাক্তপদ, অনুবাদ সাহিত্য, নাথ সাহিত্য, জীবনী সাহিত্য বা চরিত সাহিত্য, লোক সাহিত্যধারা ইত্যাদি।

- মধ্যুযুগে লোক সাহিত্যধারা ব্যতিক্রম। কারণ, এই ধারায় ধর্ম বা দেব-দেবী নয়, মানুষের গুরুত্ব অধিক এবং তার প্রণয় ও কামনাকে মুখ্য বিবেচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব কী?
  1. শৃঙ্খলাবোধ জাগ্রত করা
  2. সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করা
  3. দেশাত্মবোধ জাগ্রত করা
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব:
- সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব অপরিসীম।
- যে সমাজ ও রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ধারণা যত বেশি উন্নত, সে সমাজ ও রাষ্ট্র তত বেশি উন্নত ও প্রগতিশীল। 

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব -
১. জাতীয় সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ভিত্তি।
২. জাতীয় উন্নতির চাবিকাঠি।
৩. দেশাত্মবোধ জাগ্রত করে।
৪. সামাজিক বন্ধন ও জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করে।
৫. নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশে সাহায্য করে।
৬. উদারতা ও সহনশীলতার শিক্ষা দেয়।
৭. জবাবদিহিতার মানসিকতা ও দায়িত্বশীল আচরণ।
৮. শৃঙ্খলাবোধ জাগ্রত করে।
৯. নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সরকার পরিবর্তন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
কোথায় সুশাসন নেই?
  1. যেখানে দুর্নীতি আছে
  2. যেখানে শিক্ষা নেই
  3. যেখানে সচেতনতা নেই
  4. যেখানে স্বাধীন প্রচার মাধ্যম নেই
সঠিক উত্তর:
যেখানে দুর্নীতি আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে দুর্নীতি আছে
ব্যাখ্যা
সুশাসন:
- সুশাসন একটি সামাজিক ধারণা।
- সুশাসন মানে হলো যথার্থরূপে শাসন বা ভালোভাবে শাসন।
- সুশাসনের পূর্বশর্ত হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।
- এগুলো ব্যতীত দুর্নীতি রোধ করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয় না।
- অংশগ্রহণ ও ই-গভর্ন্যান্স সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
- স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, অস্বচ্ছতা, স্বেচ্ছাচারিতা প্রভৃতি সুশাসনের অন্যতম অন্তরায়।
- বাংলাদেশে উন্নয়ন ও সুশাসনের বড় অন্তরায় রয়েছে দুর্নীতি ⇒ দুর্নীতি।
- বিশ্বব্যাংকের মতে, বাংলাদেশে সুশাসনের ক্ষেত্রে দুর্নীতি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
- দুর্নীতির কারণে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসনের পথ রুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
- জনগণের সরকারি সুযোগ-সুবিধা কমে যাচ্ছে।
- ক্ষমতাবান কিছু ব্যক্তি ফায়দা লুটছে।
- বাংলাদেশ অনেকবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
- শিক্ষা, স্বাস্থ্যখাত, ভূমি প্রশাসন, জন প্রশাসন, ব্যাংকিং, বিদ্যুৎ সেক্টর, স্থানীয় সরকার- এক কথায় বাজার ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, সকল ক্ষেত্রেই দুর্নীতির সংস্কৃতি লক্ষণীয়।

উল্লেখ্য,
- যেখানে শিক্ষা নেই, সেখানেও সুশাসন নেই। তবে যেহেতু উন্নয়ন ও সুশাসনের বড় অন্তরায় রয়েছে দুর্নীতি তাই অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে দুর্নীতি নেওয়া হয়েছে।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
ii) সিপিডি।
.
কার রচিত গ্রন্থে সুশাসনের ধারণা প্রথম পাওয়া যায়?
  1. প্লেটো
  2. এরিস্টটল
  3. মন্টেস্কু
  4. টমাস হবস
সঠিক উত্তর:
প্লেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেটো
ব্যাখ্যা
সুশাসনের ধারণা:
- সুশাসনের ধারণা প্রথম পাওয়া যায় 'The Republic' গ্রন্থে।
- The Republic গ্রন্থটির লেখক প্লেটো।

অন্যদিকে -
- 'The Spirit of Laws'- গ্রন্থের রচয়িতা ফরাসি দার্শনিক মন্টেস্কু। তিনি এই গ্রন্থে সর্বপ্রথম পরিপূর্ণভাবে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির আধুনিক ব্যাখ্যা দান করেন।
- টমাস হবসের গ্রন্থের নাম Leviathan.
- পিয়েরে ল্যান্ডেল মিলস্ এবং ইসমাইল সেরাজেলডিন তাদের লিখিত ‘Governance and the Eternal Factor' নামক প্রসিদ্ধ গ্রন্থে বলেছেন যে, 'গভর্ন্যান্স বলতে বোঝায় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার ব্যবহার যা একটি রাষ্ট্রকে পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে জনগণের সুষ্ঠু চাহিদা ও তাদের বৈধ অধিকার উপভোগের বাধ্যবাধকতা'।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
         ii) Britannica.
.
ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টি কার ওপর নির্ভর করে?
  1. বিচারক
  2. রাজনীতিবিদ
  3. নাগরিক
  4. বিদেশী রাষ্ট্রদূত
সঠিক উত্তর:
নাগরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগরিক
ব্যাখ্যা
ই-গভর্নেন্স:
- ই-গর্ভনেন্স হল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি সেবা সমাজের সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া।
- ই-গর্ভনেন্স ব্যবস্থায় একজন নাগরিক স্বল্প ব্যয়ে, ঝামেলাবিহীনভাবে সপ্তাহে সাত দিন; দিনে চব্বিশ ঘন্টা সরকারি সেবা পেতে পারে।
- এর ফলে শাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা আসে, দুর্নীতি হ্রাস পায়।
- দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে ই-গভর্নেন্সের লক্ষ্য।
- ই-গভর্নেন্স সর্বস্তরের মানুষের কাছে সরকারি সেবা পাবার একটি জানালা উন্মোচন করে দেয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
কোনটি সুশাসনের উপাদান নয়?
  1. স্বাধীন প্রচার মাধ্যম
  2. বৈধতা
  3. নীতি ও ঔচিত্যবোধ
  4. জনবান্ধব প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
নীতি ও ঔচিত্যবোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীতি ও ঔচিত্যবোধ
ব্যাখ্যা
নীতি ও ঔচিত্যবোধ সুশাসনের উপাদান নয়।

সুশাসনের উপাদান:

- সাধারণ অর্থে সুশাসন হলো এমন এক প্রক্রিয়া যা একটি দেশের রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
- এই শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়।
- সরকারের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার সঙ্গে নিশ্চিত হয় সামাজিক ন্যায় বিচার ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ।
- সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো মূল্যবোধ।

সুশাসনের উপাদানসমূহ:
- গণতন্ত্র,
- নৈতিক মূল্যবোধ,
- স্বচ্ছতা,
- বৈধতা,
- দায়িত্বশীলতা,
- জবাবদিহিতা,
- জনগণের নিকট গ্রহণযোগ্যতা,
- স্বাধীন প্রচার মাধ্যম,
- অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া,
- আইনের শাসন,
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা,
- জনবান্ধব প্রশাসন,
- সততা,
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা,
- সুশীল সমাজ
- দক্ষতা,
- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা,
- বিকেন্দ্রীকরণ,
- লিঙ্গ বৈষম্যের অনুপস্থিতি,
- প্রচার মাধ্যমের স্বাধীনতা ইত্যাদি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।