পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, টিস্যু, জেনেটিকস, জীববৈচিত্র্য, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, এনিম্যাল টিস্যু, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, প্রাণিজগৎ, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, পরাগায়ন ইত্যাদি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
কোন অঙ্গাণুটি প্রাককেন্দ্রিক এবং সুকেন্দ্রিক উভয়ধরনের কোষে থাকে?
  1. ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. খ) রাইবোজোম
  3. গ) প্লাস্টিড
  4. ঘ) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
সঠিক উত্তর:
খ) রাইবোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাইবোজোম
ব্যাখ্যা
প্রাককেন্দ্রিক কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম থাকে না তবে রাইবোজোম থাকে৷
সুকেন্দ্রিক কোষে রাইবোজোম সহ সকল অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
.
ফলিত জীববিজ্ঞানের শাখা কোনটি?
  1. ক) বাস্তুবিদ্যা
  2. খ) জীবভূগোল
  3. গ) পরজীবীবিদ্যা
  4. ঘ) কোষবিদ্যা
সঠিক উত্তর:
গ) পরজীবীবিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পরজীবীবিদ্যা
ব্যাখ্যা
ফলিত জীববিজ্ঞান এর শাখা হল: জীবাশ্মবিজ্ঞান, পরজীবীবিদ্যা, জীবপরিসংখ্যানবিদ্যা, মৎস্যবিজ্ঞান, কীটতত্ত্ব, অণুজীববিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান, চিকিৎসাবিজ্ঞান, জিনপ্রযুক্তি, প্রাণরসায়ন, ফার্মেসি ইত্যাদি।
অন্যদিকে অঙ্গসংস্থান, শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা, শারীরবিদ্যা, কোষবিদ্যা, জীবভূগোল, বংশগতিবিদ্যা, বিবর্তনবিদ্যা, বাস্তুবিদ্যা, ভ্রূণবিদ্যা, এন্ডোক্রাইনোলজি, জীবভূগোল ইত্যাদি হল ভৌত জীববিজ্ঞানের শাখা।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কর্ডাটা পর্বের প্রাণি কোনটি?
  1. ক) তারামাছ
  2. খ) প্রজাপতি
  3. গ) জোঁক
  4. ঘ) রুই মাছ
সঠিক উত্তর:
ঘ) রুই মাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রুই মাছ
ব্যাখ্যা
কর্ডাটা পর্বের প্রাণি- মানুষ, কুনোব্যাঙ, রুই মাছ ইত্যাদি৷
একাইনোডারমাটা পর্বের প্রাণি- তারামাছ, সমুদ্র শশা।
কাঁকড়া, প্রজাপতি, চিংড়ি, তেলাপোকা ইত্যাদি আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণি।
অ্যানেলিডা পর্বের প্রাণি হলো- কেঁচো, জোঁক
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
.
কোনটি কৃত্রিম অঙ্গজ জনন?
  1. ক) দেহের খন্ডায়ন
  2. খ) মূলের মাধ্যমে
  3. গ) রূপান্তরিত কাণ্ডের মাধ্যমে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক অঙ্গজ জননঃ
দেহের খন্ডায়ন
মূলের মাধ্যমে
রূপান্তরিত কাণ্ডের মাধ্যমে
পাতার মাধ্যমে

কৃত্রিম অঙ্গজ জননঃ
কলম
শাখা কলম

উৎসঃ বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি
.
কনিডিয়া সৃষ্টির মাধ্যেম বংশ বৃদ্ধি করে -
  1. ক) Penicillium
  2. খ) Azetobactor
  3. গ) Mucor
  4. ঘ) Amebae
সঠিক উত্তর:
ক) Penicillium
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Penicillium
ব্যাখ্যা
প্রধানত নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদে স্পোর বা অণুবীজ উৎপাদনের মাধ্যমে বংশ রক্ষার প্রবণতা দেখা যায়৷
এদের দেহে অণুবীজবাহী অঙ্গের উৎপত্তি হয়৷
বহিঃঅণুবীজের কোনো কোনোটিকে কনিডিয়াম বলে৷ Penicillium কনিডিয়া সৃষ্টির মাধ্যেম বংশ বৃদ্ধি করে৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি
.
অযৌন জনন কয় প্রকার?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
খ) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২
ব্যাখ্যা
নিম্নশ্রেণীর জীবে অযৌন জননের প্রবণতা বেশি৷ অযৌন জনন প্রধানত দুই প্রকার৷
যথা- স্পোর উৎপাদন ও অঙ্গজ জনন৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি
.
পাথরকুচি কিসের মাধ্যমে জনন প্রক্রিয়া সম্পাদন করে?
  1. ক) যৌন জনন
  2. খ) কলম
  3. গ) পাতা
  4. ঘ) রাইজোম
সঠিক উত্তর:
গ) পাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাতা
ব্যাখ্যা
পাতার মাধ্যমে অঙ্গজ জননঃ
কখনো কখনো পাতার কিনারায় মুকুল সৃষ্টি হয়ে নতুন উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়৷
যেমন- পাথরকুচি।
উৎসঃ বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি
.
ডাইব্যাক হয় কিসের অভাবে?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) আয়োডিন
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) সালফার
সঠিক উত্তর:
ঘ) সালফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সালফার
ব্যাখ্যা
সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়।
সালফারের অভাবে মূল, কান্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে যাকে ডাইব্যাক বলে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বর্ণহীন প্লাস্টিড কোনটি?
  1. ক) ক্রোমোপ্লাস্ট
  2. খ) লিউকোপ্লাস্ট
  3. গ) ক্লোরোপ্লাস্ট
  4. ঘ) ক্রোমাটোপ্লাস্ট
সঠিক উত্তর:
খ) লিউকোপ্লাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লিউকোপ্লাস্ট
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় এবং আকর্ষনীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা।
প্লাস্টিড তিন ধরনের।
যথা- ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট।
লিউকোপ্লাস্ট বর্ণহীন অর্থাৎ এদের কোন রঞ্জক পদার্থ থাকে না, ক্রোমোপ্লাস্ট সবুজ বর্ণ ছাড়া অন্যান্য বর্ণ ধারণ করে এবং সবুজ প্লাস্টিডের নাম ক্লোরোপ্লাস্ট।
ক্লোরোপ্লাস্টের ভিতর সবুজ বর্ণ কণিকা ক্লোরোফিল থাকে। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করা এর কাজ।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
ফুলের অত্যাবশকীয় অংশ কোনটি?
  1. ক) বৃতি
  2. খ) পুংস্তবক
  3. গ) দলমণ্ডল
  4. ঘ) পুষ্পাক্ষ
সঠিক উত্তর:
খ) পুংস্তবক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পুংস্তবক
ব্যাখ্যা
আদর্শ ফুলের পাঁচটি স্তবক থাকে।
যথাঃ পুষ্পাক্ষ, বৃতি, দলমণ্ডল, পুংস্তবক এবং স্ত্রীস্তবক।
পুংস্তবক এবং স্ত্রীস্তবক ফুলের অত্যাবশকীয় অংশ৷
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি আলোচনা হয় কোন শাখায়?
  1. ক) হিস্টোলজি
  2. খ) সাইটোলজি
  3. গ) এমব্রায়োলজি
  4. ঘ) ইভোলিউশন
সঠিক উত্তর:
ক) হিস্টোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হিস্টোলজি
ব্যাখ্যা
হিস্টোলজি (Histology): জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলোচনা করা হয়৷
ভ্রূণবিদ্যা (Embryology): জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগােট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলােচনা এ শাখার প্রধান বিষয়।
কোষবিদ্যা (Cytology): জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়৷
বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের তথ্যসমূহ এ শাখার আলোচনার বিষয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট হল-
  1. ক) কপার
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) পটাশিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) কপার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কপার
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান ১০টি।
যথা: নাইট্রোজেন, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, সালফার এবং লৌহ।
উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয়, তাদেরকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বলে৷
উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট হল ৬ টি।
যথা: দস্তা বা জিংক, ম্যাংগানিজ, মোলিবডেনাম, বোরন, তামা বা কপার এবং ক্লোরিন।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
নিডারিয়া পর্বের প্রাণি কোনটি?
  1. ক) জোঁক
  2. খ) হাইড্রা
  3. গ) শামুক
  4. ঘ) গোলকৃমি
সঠিক উত্তর:
খ) হাইড্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাইড্রা
ব্যাখ্যা
প্রজাপতি, চিংড়ি, আরশোলা, কাঁকড়া ইত্যাদি আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণি। এই পর্বটি প্রাণিজগতের সবচেয়ে বৃহৎ পর্ব৷
নিডারিয়া পর্বের প্রাণি হলো- হাইড্রা, অবেলিয়া৷
অ্যানেলিডা পর্বের প্রাণি হলো- কেঁচো, জোঁক৷
নেমাটোডা পর্বের প্রাণি- গোলকৃমি, ফাইলেরিয়া কৃমি ইত্যাদি৷
মলাস্কা পর্বের প্রাণি - শামুক, ঝিনুক।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১৪.
জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় সালোকসংশ্লেষণের আলোচনা হয়?
  1. ক) হিস্টোলজি
  2. খ) কোষবিদ্যা
  3. গ) শারীরবিদ্যা
  4. ঘ) এন্ডোক্রাইনোলজি
সঠিক উত্তর:
গ) শারীরবিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শারীরবিদ্যা
ব্যাখ্যা
শারীরবিদ্যা (Physiology): জীবদেহের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জৈব রাসায়নিক কার্যাদি, যেমন: শ্বসন, রেচন, সালােকসংশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয় এ শাখায় আলােচিত হয়। এছাড়া জীবের যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজের বিবরণ এ শাখায় পাওয়া যায়।
হিস্টোলজি (Histology): জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলােচনা করা হয়।
এন্ডোক্রাইনোলজি (Endocrinology): এ শাখায় জীবদেহের হরমোনের কার্যকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
কোষবিদ্যা (Cytology): জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়৷
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫.
পানি পরাগী ফুল -
  1. ক) কদম
  2. খ) পাতাশেওলা
  3. গ) কচু
  4. ঘ) শিমুল
সঠিক উত্তর:
খ) পাতাশেওলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাতাশেওলা
ব্যাখ্যা
পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে৷
যেমনঃ পাতাশেওলা।
প্রাণীপরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়৷ তবে ছোটো হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সাজানো থাকে৷
যেমনঃ কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি৷
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
নিচের কোনটি স্ত্রীস্তবকের অংশ?
  1. ক) পুংদন্ড
  2. খ) পরাগদন্ড
  3. গ) পরাগধানী
  4. ঘ) গর্ভদন্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) গর্ভদন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গর্ভদন্ড
ব্যাখ্যা
স্ত্রীস্তবক এক বা একাধিক গর্ভপত্র নিয়ে গঠিত হতে পারে৷ একটি গর্ভপত্রের তিনটি অংশ।
যথাঃ গর্ভাশয়, গর্ভদণ্ড, গর্ভমুণ্ড।
পুংদণ্ড বা পরাগদণ্ড এবং পরাগধানী বা পরাগথলি হচ্ছে পুংকেশরের অংশ।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭.
নিচের কোনটিকে ‘এনার্জি কয়েন’ বলে?
  1. ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. খ) নিউক্লিওলাস
  3. গ) এটিপি
  4. ঘ) ক্রোমোজোম
সঠিক উত্তর:
গ) এটিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এটিপি
ব্যাখ্যা
ATP-কে অনেক সময় 'জৈবমুদ্রা' বা 'শক্তি মুদ্রা' (Biological coin or energy coin) বলা হয়৷
এটি শক্তি জমা করে রাখে এবং প্রয়োজন অনুসারে অন্য বিক্রিয়ায় শক্তি সরবরাহ করে৷
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
উদ্ভিদ শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরি করে কিভাবে?
  1. ক) অক্সিজেন ও পানি থেকে
  2. খ) নাইট্রোজেন ও পানি থেকে
  3. গ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও পানি থেকে
  4. ঘ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও অক্সিজেন থেকে
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও পানি থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও পানি থেকে
ব্যাখ্যা
সবুজ উদ্ভিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো যে এরা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন-ডাই-অক্সাইড এবং পানি থেকে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরি করে।
সবুজ উদ্ভিদে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য তৈরির এ প্রক্রিয়াকে সালোকসংশ্লেষণ বলে৷
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯.
নিচের কোনটি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মূল যন্ত্র?
  1. ক) রেস্ট্রিকশন এনজাইম
  2. খ) প্লাজমিড
  3. গ) ডিএনএ
  4. ঘ) rRNA
সঠিক উত্তর:
খ) প্লাজমিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্লাজমিড
ব্যাখ্যা
কাঙ্খিত নতুন বৈশিষ্ট্যের সৃষ্টির জন্য কোন জীবের DNA-এর পরিবর্তন ঘটানোকে জিন প্রকৌশল বা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে।
প্লাজমিড হচ্ছে একখন্ড বৃত্তাকার DNA যা ব্যাকটেরিয়াল কোষের বাইরে অবস্থান করে।
প্লাজমিডই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর আসল যন্ত্র যার দ্বারা নতুন জেনেটিক তত্ত্ব ব্যাকটেরিয়া এবং উদ্ভিদের মধ্যে স্থানান্তর করা হয়।
উৎসঃ উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদ বিজ্ঞান, গাজী আজমল
২০.
কোন আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয় না?
  1. ক) লাল
  2. খ) কমলা
  3. গ) সবুজ
  4. ঘ) বেগুনি
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজ
ব্যাখ্যা
আলােক বর্ণালির লাল, নীল, কমলা এবং বেগুনি অংশটুকুতেই সালােকসংশ্লেষণ ভালাে হয়।
সবুজ কিংবা হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয় না।
আলাের পরিমাণ অত্যধিক বেড়ে গেলে পাতার ভিতরকার এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, ক্লোরােফিল উৎপাদন কম হয়। ফলে সালােকসংশ্লেষণের হারও কমে যায়।
উৎসঃ জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
২১.
‘জনন কোষের উৎপত্তি’ কোন শাখায় আলোচিত হয়?
  1. ক) কোষবিদ্যা
  2. খ) হিস্টোলজি
  3. গ) ভ্রুণবিদ্যা
  4. ঘ) বিবরতনবিদ্যা
সঠিক উত্তর:
গ) ভ্রুণবিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভ্রুণবিদ্যা
ব্যাখ্যা
ভ্রূণবিদ্যা (Embryology): জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগোট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা এ শাখার প্রধান বিষয়।
হিস্টোলজিঃ জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলোচনা করা হয়।
বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলোচনা এ শাখার বিষয়।
কোষবিদ্যা (Cytology): জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
২২.
নিচের কোনটির স্বীকৃত নিয়ম অনুসারে উদ্ভিদের নামকরণ করা হয়?
  1. ক) ICZN
  2. খ) IUCN
  3. গ) ICBN
  4. ঘ) IAEA
সঠিক উত্তর:
গ) ICBN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ICBN
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিকভাবে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম নীতি মেনে জীবের বৈজ্ঞানিক নাম নির্ধারণ করা হয়।
উদ্ভিদের নাম International Code of Botanical Nomenclature (ICBN) এবং প্রাণীর নাম International Code of Zoological Nomenclature (ICZN) কর্তৃক স্বীকৃত নিয়মানুসারে হতে হবে।
প্রকৃতপক্ষে এই কোড পুস্তকাকারে লিখিত একটি দলিল। নামকরণ ল্যাটিন শব্দে হওয়ায় কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম সারা বিশ্বে একই নামে পরিচিত হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২৩.
বংশগতির রাসায়নিক ভিত্তি কোনটি?
  1. ক) ক্রোমোজোম
  2. খ) আরএনএ
  3. গ) ডিএনএ
  4. ঘ) অটোজোম
সঠিক উত্তর:
গ) ডিএনএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিএনএ
ব্যাখ্যা
জেনেটিক্স বা বংশগতির ভৌত ভিত্তি হলো ক্রোমোজোম৷ আর রাসায়নিক ভিত্তি হলো ডিএনএ (DNA) যার পূর্ণরূপ Deoxyribo Nucleic Acid.
DNA থাকে ক্রোমোজোমের ভেতর আর ক্রোমোজোম থাকে নিউক্লিয়াসের ভেতর।
বিজ্ঞানী Watson ও Crick ১৯৫৩ সালে DNA অণুর Double Helix বা দ্বিসূত্র কাঠামোর বর্ণনা দেন৷
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
কোন হরমোনের প্রভাবে উদ্ভিদের কোষের সাইটোকাইনেসিস ঘটে?
  1. ক) ইথিলিন
  2. খ) সাইটোকাইনিন
  3. গ) জিবেরেলিন
  4. ঘ) অক্সিন
সঠিক উত্তর:
খ) সাইটোকাইনিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাইটোকাইনিন
ব্যাখ্যা
সাইটোকাইনিনঃ
এই ফাইটোহরমােন বা উদ্ভিদ হরমােনটি ফল, শস্য এবং ডাবের পানিতে পাওয়া যায়। কোনাে কোনাে উদ্ভিদের মূলেও এদের পাওয়া যায়। সাধারণভাবে এটি বিভিন্ন ঘনত্বে অক্সিনের সাথে যুক্ত হয়ে কোষ বিভাজনকে উদ্দীপিত করে।
কোষবিভাজনের সময় সাইটোকাইনিন হরমোনের প্রভাবে কোষের সাইটোকাইনেসিস ঘটে।
উৎসঃ জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
২৫.
কোন রঞ্জক পদার্থের জন্য টমেটো লাল রঙের হয়?
  1. ক) এরিথ্রিন
  2. খ) লাইকোপেন
  3. গ) জ্যান্থফিল
  4. ঘ) ফাইকোসায়ানিন
সঠিক উত্তর:
খ) লাইকোপেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাইকোপেন
ব্যাখ্যা
ক্রোমোপ্লাস্ট ফুলের পাপড়ি ও ফলের ত্বকে বিভিন্ন বর্ণবৈচিত্র সৃষ্টি করে৷ ক্রোমোপ্লাস্টে লাল, কমলা ও হলুদ বর্ণের ক্যারোটিনয়েড নামক রঞ্জক পদার্থ থাকে৷ টমেটোর যে লাল রঙ তা ক্রোমোপ্লাস্টের লাইকোপেন নামক রঞ্জক পদার্থের জন্য হয়ে থাকে৷
ক্লোরোপ্লাস্টে সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক পদার্থ থাকায় সবুজ বর্ণ ধারন করে৷
উদ্ভিদের যেসব অংশে আলো পৌঁছায় না, সেসব অংশের কোষে লিউকোপ্লাস্টিড থাকে৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।