পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৩৭
সিলেবাস
Exam - 1 The Code of Criminal Procedure-1898: Test-1 Topic ➝ Section: 1 - 93C • Preliminary • The constitution of criminal courts and offices • Powers of courts • Aid and information to the magistrates • The police and persons making arrests • Arrest, Escape and Retaking • Processes to compel appearance
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৭ প্রশ্ন

.
"Officer in charge of a police station" সম্পর্কে ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. Section 4(s)
  2. Section 4(q)
  3. Section 4(p)
  4. Section 4(i)
সঠিক উত্তর:
Section 4(p)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 4(p)
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(ত) [Section-4(p): থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer in charge of a police station)- "থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা" বলতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে তাঁর স্থলে থানায় উপস্থিত থাকেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে বোঝাবে, যিনি কনষ্টেবল পদের উপরে এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অব্যবহিত নীচে; অথবা সরকার নির্দেশ দিলে উপস্থিত অন্য যেকোন পুলিশ অফিসারকেও বুঝাবে।

------------------------------------------------------
♦ Section 4(p) "officer in charge of a police-station" includes, when the officer in charge of the police-station is absent from the station-house or unable from illness or other cause to perform his duties, the police-officer present at the station house who is next in rank to such officer and is above the rank of constable or, when the Government so directs, any other police-officer so present.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী নিচের কোনটি নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না?
  1. অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ।
  2. অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত অভিযোগ।
  3. অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অভিযোগ।
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)- "নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে। অর্থাৎ অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে। কিন্ত অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।

♦ পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট নালিশ বলে গণ্য হবে না।

---------------------------------------------
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:
.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী Special Magistrate বা বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট কত ধরণের?
  1. ১ ধরণের
  2. ২ ধরণের
  3. ৩ ধরণের
  4. ৪ ধরণের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরণের
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-

ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);

ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);

iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।

------------------------------------------------------
♦ Special Magistrate
[12. (1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.]
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল-
  1. নিযুক্ত অফিসারবৃন্দের ক্ষমতা
  2. ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ
  3. ক্ষমতা অর্পণের পদ্ধতি
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণের ক্ষমতার্পণ নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল, ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণঃ (১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।

অর্থাৎ ৪১ ধারার বিধান হল সরকার দ্বারা ম্যাজিস্ট্রেটগণের ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ।
--------------------
Withdrawal of powers.
Section 41.(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:

Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় কিশোর অপরাধীর বিচারের এখতিয়ার বিষয়ে বিধান আছে?
  1. ২৮ ধারায়
  2. ২৯ ধারায়
  3. ২৯গ ধারায়
  4. ২৯খ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৯খ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯খ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির  ২৯খ ধারার বিধান কিশোরদের বেলায় এখতিয়ারঃ কোন ব্যক্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।

-----------------------------------
Jurisdiction in the case of juveniles
29B. Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান মতে পর পর কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড প্রদান করা যাবে?
  1. ১০ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. ২০ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা
♦  in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years.

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ (১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ

তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দন্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।

(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।

(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।

------------------------------------
Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
35.(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
 
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate 62[* * *], the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.
.
চুরির অপরাধে বিচার চলাকালে তিন মাস জেলহাজতে থাকার পর "X" জামিন পায়। বিচারের পর "X" এর ছয় মাসের কারাদণ্ড হয়। এক্ষেত্রে 'X' কত দিন সাজা ভোগ করবে?
  1. ৬ মাস ভোগ করতে হবে
  2. আদালতের বিবেচনায় যত দিনের সাজার রায় দেন
  3. জামিন পেয়েছে এই জন্য কোন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে না
  4. ৩ মাস ভোগ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:

♦ ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
 তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদন্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

 ♦ ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদন্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদন্ড থাকলে সেই অর্থদন্ডও মওকুফ হয়ে যাথা

♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারা অনুযায়ী, যেহেতু 'X'  তিন মাস ইতোমধ্যে জেল হাজতে ছিল, তাই তার মোট শাস্তি ৬ মাস থেকে ৩ মাস বাদ দিয়ে বাকি ৩ মাস তাকে কারাগারে থাকতে হবে।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে-
  1. ২য় তফসিলে
  2. ৩য় তফসিলে
  3. ৪র্থ তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিলে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারার বিধান ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতাঃ সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।

-----------------------------------
Section 36. Ordinary powers of Magistrates: All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".
.
"_____________" includes any proceeding in the course of which evidence is or may be legally taken on oath.
  1. Judicial proceeding
  2. Inquiry
  3. Investigation
  4. Judicial confession
সঠিক উত্তর:
Judicial proceeding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial proceeding
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ ধারা অনুযায়ী,
(ড) "বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম" অর্থ সেসব কার্যক্রম অন্তর্ভূক্ত হবে যেন আইনসঙ্গতভাবে শপথপূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে;

(m) "judicial proceeding" includes any proceeding in the course of which evidence is or may be legally taken on oath:

(ট) "ইনকোয়ারী" অর্থ হল এই আইন অনুসারে কোন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা আদালত দ্বারা পরিচালিত বিচার ব্যতীত সমস্ত ইনকোয়ারী;

(ঠ) “তদন্ত" অর্থ সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের লক্ষ্যে কোন পুলিশ অফিসার অথবা ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হতে এতদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অপর কোন ব্যক্তি (ম্যাজিষ্ট্রেট নন) দ্বারা পরিচালিত সকল কার্যক্রম;

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪ ধারা অনুযায়ী বিচারিক দোষ স্বীকার (Judicial confession)- যখন কোন ব্যক্তি আদালত বা বিচারকের নিকট কোন দোষ স্বীকার করে, তখন তাকে বিচারিক দোষ স্বীকার বা Judicial confession বলে।

----------------------------
♦ The code of Criminal Procedure, 1908 Section 4:
(k) "inquiry" includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court: 
 
(l) "investigation" includes all the proceedings under this Code for the Collection of evidence conducted by a police-officer or by any person (other than a Magistrate) who is authorised by Magistrate in this behalf: 

(m) "judicial proceeding" includes any proceeding in the course of which evidence is or may be legally taken on oath:
১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ পাঁচ বৎসরের কারাদণ্ড এর সাজা দিতে পারেন কে?
  1. বিষেশ ক্ষমতা প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ধারা-৩২ঃ ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন।- (১) ম্যাজিস্ট্রেটগণের আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারেন; যথাঃ

(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতঃ আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গে অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দশ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা; বেত্রদণ্ড।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতঃ আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; পাঁচ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতঃ দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দুই হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।

(২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা যেই সকল দণ্ডদানের ক্ষমতা লাভ করিয়াছেন, সেই সকল দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত অপরটি যুক্ত যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড দিতে পারেন।

----------------------
Sec.32: Sentences which Magistrates may pass (1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences  namely:-
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding "five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding "ten thousand taka; Whipping.

(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding "three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding "five thousand taka;
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two thousand taka.

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
১১.
পুলিশ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেন, তবে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তিনি-
  1. তার বিচার করবেন
  2. তাকে আটকে রাখবেন
  3. নিকটস্থ পুলিশ ষ্টেশনে নিয়ে যাবেন
  4. কোর্টে হাজির করবেন
সঠিক উত্তর:
নিকটস্থ পুলিশ ষ্টেশনে নিয়ে যাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকটস্থ পুলিশ ষ্টেশনে নিয়ে যাবেন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এধরণের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ (১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী গ্রাম প্রধান নিয়োগ দিতে পারে-
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা জজ
  3. জেলা জজ
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৫(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী এই ধারার উদ্দেশ্যে কতিপয় ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গ্রাম প্রধান নিয়োগঃ সরকার কর্তৃক এতদ উদ্দেশ্যে প্রণীত বিধিমালার অধীনে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অন্য কোন আইনের বিধান অনুসারে কোন গ্রামের জন্য গ্রাম প্রধান নিযুক্ত হোক বা না হোক, সময়ে সময়ে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে তার বা তাদের সম্মতি নিয়ে এই ধারার বিধান অনুসারে উক্ত গ্রামে গ্রাম প্রধানের কর্তব্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে নিযুক্ত করতে পারবেন।
১৩.
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত রাখা যায়। এই ২৪ ঘণ্টা হিসাব করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন সময় বাদ দিতে হব? 
  1. কোন সময় বাদ দিতে হবে না
  2. গ্রেফতারের পর থেকে FIR লিখা পর্যন্ত সময়
  3. গ্রেফতারের স্থান হতে থানাতে যাওয়ার সময়
  4. গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যাওয়ার সময়
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যাওয়ার সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যাওয়ার সময়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারার বিধান গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে নাঃ কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।

----------------------------------------
Section 61. Person arrested not to be detained more than twenty-four hours: No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি কে করতে পারে?
  1. শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
  2. শুধু মহিলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. শুধু মহিলা দেহ তল্লাশী অফিসার
  4. যে কোন মহিলা পুলিশ
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে গ্রেফতারকারী অফিসার অথবা কোন বেসরকারি লোক গ্রেফতার করলে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যার নিকট অর্পণ করেন সেই পুলিশ অফিসার গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশী করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত তার নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

♦ অর্থাৎ শালীনতা বজায় রেখে যেকোন মহিলা স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করতে পারে। 
১৫.
সমনে তলবী ব্যক্তিকে পাওয়া না গেলে, তার পরিবারের কোন ধরনের ব্যক্তির বরাবর সমনের কপি দিতে হবে?
  1. তার আইনগত অভিভাবকের নিকট
  2. সাবালক যে কোন ব্যক্তির বরাবর
  3. সাবালক পুরুষ ব্যক্তির নিকট
  4. তার পিতামাতার নিকট
সঠিক উত্তর:
সাবালক পুরুষ ব্যক্তির নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবালক পুরুষ ব্যক্তির নিকট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭০ ধারার বিধান খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তির কাছে সমন জারির পদ্ধতিঃ যার উপর সমন জারী করা হবে, সঠিক পদ্ধতিতে চেষ্টা করেও যেক্ষেত্রে তাকে খুঁজে পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে সমনের দুই কপির মধ্যে একটি তার পরিবারের একজন সাবালক পুরুষ সদস্য বরাবর দিয়া সমন জারী করতে হবে এবং জারীকারী অফিসার দাবী করলে, যার নিকট সমন জারী করা হল, তিনি সমনের দুটি নকলের অপর পৃষ্ঠায় স্বাক্ষর করে প্রাপ্তি স্বীকার করবেন।

------------------------
♦ Service when person summoned cannot be found
Section 70. Where the person summoned cannot by the exercise of due diligence be found, the summons may be served by leaving one of the duplicates for him with some adult male member of his family, and the person with whom the summons is so left shall, if so required by the serving officer, sign a receipt therefore on the back of the other duplicate.
১৬.
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীর উপর সমন জারির ক্ষেত্রে, সমন জারি করতে হবে, সে যে অফিসে চাকরী করে-
  1. সেই কর্মচারীকে ব্যক্তিগতভাবে
  2. তার মন্ত্রণালয় বরাবর
  3. তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
  4. তার অফিস বরাবর
সঠিক উত্তর:
তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে।

♦  যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে উক্ত অফিসের প্রধান কর্মকর্তার (head of the office) নিকট আদালত সমনের দ্বি-নকল বা প্রতিলিপি (duplicate copy) প্রেরণ করবেন।
১৭.
কোনো জেলার ফৌজদারি আদালতের ওয়ারেন্ট স্থানীয় অধিক্ষেত্র বহির্ভূত কোনো মেট্রোপলিটন এলাকায় তামিলের জন্য নিচের কার নিকট প্রেরণ করতে হবে?
  1. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির  ৮৩ ধারার বিধান অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরী করবার উদ্দেশ্যে পরোয়ানা প্রেরণঃ (১) যেক্ষেত্রে কোন পরোয়ানা জারীকারী আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে উক্ত পরোয়ানা কার্যকর করা প্রয়োজন দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত পরোয়ানাটি কোন পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত না করে যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা যে জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট অথবা পুলিশ কমিশনার (মহানগরী এলাকা হলে) এর এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে তা কার্যকরী করতে হবে, তাঁর বরাবরে ডাক মারফত অথবা অন্য কোনভাবে তা পাঠাতে পারেন।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট বা পুলিশ কমিশনার বরাবর উক্তরূপে প্রেরণকৃত পরোয়ানার উপর তিনি তার নাম সহি করবেন এবং সম্ভব হলে ইতিপূর্বে উল্লেখিত পদ্ধতিতে নিজের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে তা কার্যকরী করার ব্যবস্থা নিবেন।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৩ ধারায় আদালতের অধিক্ষেত্রের বাহিরে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার বিধান রয়েছে। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকারক আদালতের অধিক্ষেত্রের বাহিরে পরোয়ানা কার্যকর করতে হলে, যে এলাকায় কার্যকর করতে হবে সেই এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা পুলিশ সুপারিন্টেডেন্ট; অথবা মেট্রোপলিটন এলাকা হলে পুলিশ কমিশনার এর নিকট ডাকযোগে বা অন্য কোন উপায়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা পাঠানো যায়। এক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা পুলিশ সুপারিন্টেডেন্ট অথবা মেট্রোপলিটন এলাকা হলে পুলিশ কমিশনার উক্ত গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করবেন।
১৮.
ফৌজদারি সমনে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. আদালতের কর্মচারী
  2. আদালতের বিচারক
  3. বাদির অ্যাডভোকেট
  4. সমন জারিকারক
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারক
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারার বিধান সমনের ফরমঃ (১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।

(২) সমন জারিকারকঃ এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।
১৯.
"A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh". কথাটি উল্লেখ্য আছে-
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৭৯ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৮০ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৮২ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৮৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৮২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৮২ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারার বিধান পরোয়ানা যেখানে বলবৎ করা যাবেঃ গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় কার্যকরী করা যাবে।

♦ Section 82. Where warrant may be executed: A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.
২০.
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করতেছেন এরূপ কোন পুলিশ অফিসার,  যাকে গ্রেফতার করা হবে-
  1. তার থেকে গ্রেফতারী পরোয়ানা গোপন রাখবেন।
  2. তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং অবশ্যই উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।
  3. তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন কিন্তু কোন ভাবে তাকে পরোয়ানাটি দেখাবেন না।
  4. তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।
সঠিক উত্তর:
তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮০ ধারার বিধান পরোয়ানার সারমর্ম নোটিশকরণঃ গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করতেছেন এরূপ কোন পুলিশ অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি, যাকে গ্রেফতার করা হবে, তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।

♦ Section 80. Notification of substance of warrant: The police-officer or other person executing a warrant of arrest shall notify the substance thereof to the person to be arrested, and, if so require, shall show him the warrant.
২১.
কোন পুলিশ অফিসারের নিকট নির্দেশিত পরোয়ানা অপর কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক কার্যকর হতে পারে, যদি-
  1. একই পুশিল ষ্টেশনের হয়।
  2. পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।
  3. পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের একই পদমর্যাদা লিখা থাকেন।
  4. দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার অসুস্থ থাকেন।
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৯ ধারামতে কোন পুলিশ অফিসারের নিকট নির্দেশিত পরোয়ানা অপর কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক কার্যকর হতে পারে, যদি পরোয়ানার উপর অপর কোন পুলিশ অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৯ ধারার বিধান পুলিশ অফিসারের কাছে নির্দেশিত পরোয়ানাঃ কোন পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত কোন পরোয়ানা অপর কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃকও কার্যকরী হতে পারে, যদি নির্দেশ অথবা অনুমোদনপ্রাপ্ত অফিসার পরোয়ানার উপর তাঁর নাম লিখিতভাবে অনুমোদন করে।

♦ Section 79. Warrant directed to police-officer: A warrant directed to any police- officer may also be executed by any other police-officer whose name is endorsed upon the warrant by the officer to whom it is directed or endorsed.
২২.
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যাবলী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সম্পাদনের জন্য কার সাথে পরামর্শ করা হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. প্রধান বিচারপ্রতি
  3. আইন কমিশনের চেয়ারম্যান
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১১(৪) ধারার বিধান হল: এই ধারায় যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, সরকার হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে পরামর্শসাপেক্ষে নির্ধারিত মেয়াদের জন্য যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বাদি পালন করার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ নির্ধারিত মেয়াদকালে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বসমূহ পালন করবেন না।

♦ অর্থাৎ সরকার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যাবলী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সম্পাদনের জন্য হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শ করে থাকেন।

-----------------------------------------------
♦ Section 11(4)- Notwithstanding anything contained in this section, the Government may require any Executive Magistrate to perform the functions of a Judicial Magistrate for a period to be determined in consultation with the High Court Division and during such period, the Magistrate shall not perform the functions of an Executive Magistrate.
২৩.
"Ex-officio Justices of the Peace." নয় কে?
  1. সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ
  3. দায়রা বিচারকগণ
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৫ ধারায় ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' শিরোনামে বলা আছে যে, সমগ্র বাংলাদেশে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ স্ব স্ব এলাকায় Justice of the Peace থাকবেন।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর  ২২ ধারা অনুযায়ী মফম্বল এলাকার জন্য সরকার বিদেশি নাগরিক ব্যতীত উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দিতে পারেন।

♦ সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারক পদাধিকারবলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অফ দি পিস।

♦ দায়রা বিচারকগণ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে তাদের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার জন্য জাস্টিস অফ দি পিস।

♦ অর্থাৎ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে (Ex-officio) জাস্টিস অফ দি পিস নয়।
২৪.
FIR কোথায় করা হয়?
  1. পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকটে
  3. বিচারকের খাস কামরায়
  4. পুলিশ স্টেশনে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ স্টেশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ স্টেশনে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বা এজাহারের (FIR) বিধান রয়েছে। এছাড়া পুলিশ প্রবিধানের (PRB) ২৪৩ বিধিতে FIR বর্ণিত রয়েছে। FIR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে First Information Report। আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা ১৫৪ ধারানুযায়ী বিপি ২৭ নং ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয় যা FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামে পরিচিত।

♦ আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভবে কিংবা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা নির্ধারিত বইতে লিপিবদ্ধ করাকে FIR বা এজাহার বলে।

♦ অর্থাৎ FIR থানায় বা পুলিশ স্টেশনে করা হয়।

------------------------
 A First Information Report (FIR) is officially defined the first collection of information transmitted to the police concerning commission of a major offence.
- Generally victims or witnesses of a heinous crime open criminal proceedings against alleged criminals through filing of an FIR.
২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোনটি 'গ্রেফতারের জন্য ' আবশ্যক?
  1. হাতকড়া পড়ানো
  2. সবরকম চলাফেরায় বাধা দেওয়া
  3. দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করা
  4. জেল খানায় আটকে রাখা
সঠিক উত্তর:
দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় গ্রেফতারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।
♦ গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান গ্রেফতারের পদ্ধতি: (১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধঃ এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন ।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
২৬.
গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসার কোনো বাড়ি সার্চ করতে চাইলে বাড়ির মালিক কী করতে বাধ্য?
  1. নিকটস্থ থানায় খবর নিয়ে যাচাই করবেন
  2. পুলিশকে বাঁধা দেবেন
  3. পুলিশের পরিচয়ত্র দেখবেন
  4. সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন
সঠিক উত্তর:
সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারার বিধান যাহাকে গ্রেফতার করা হইবে, তিনি যেস্থানে প্রবেশ করিয়াছেন, সেই স্থান তল্লাশি:- গ্রেফতারী পরোয়ানা মোতাবেক কার্যরত ব্যক্তি অথবা গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসারের যদি বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হইবে তিনি কোন স্থানে প্রবেশ করিয়াছেন বা কোন স্থানের মধ্যে আছেন, তাহা হইলে উক্ত স্থানে বসবাসকারী বা উক্ত স্থানের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপরোক্তরূপে কার্যরত ব্যক্তি বা উক্ত পুলিশ অফিসারের দাবিক্রমে তাহাকে অবাধে উক্ত স্থানে প্রবেশ করিতে দিবেন এবং উক্ত স্থানে তল্লাশির জন্য সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন।
২৭.
ক্রোককৃত সম্পত্তিতে হুলিয়াধীন ব্যক্তি ব্যতীত অপর কোন ব্যক্তির কোন স্বার্থ থাকলে, কত দিনের মধ্যে ক্রোকী সম্পত্তি বিষয়ে আদালতে আপত্তি দাখিল করতে পারেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা মতে ক্রোককৃত সম্পত্তি নিয়ে আপত্তি- ক্রোককৃত সম্পত্তিতে হুলিয়াধীন ব্যক্তি ব্যতীত অপর কোন ব্যক্তির কোন স্বার্থ থাকলে, উক্ত ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে ক্রোক আদেশ প্রদানকারী আদালতে আপত্তি (objections) উত্থাপন করবেন। তার দাবি অগ্রাহ্য হলে আদেশের তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে সম্পত্তির স্বত্ব (Title) প্রতিষ্ঠার জন্য মামলা দায়ের করতে পারবেন।

♦ অর্থাৎ সম্পত্তি ক্রোকের আদেশের তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে হুলিয়া জারী করা হয়েছে সে ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি ক্রোকী সম্পত্তি বিষয়ে আদালতে আপত্তি দাখিল করতে পারে।

--------------------------------
Section 88(6A) If any claim is preferred to, or objection made to the attachment of, any property attached under this section within six months from the date of such attachment, by any person other than the proclaimed person, on the ground that the claimant or objector has an interest in such property, and that such interest is not liable to attachment under this section, the claim or objection shall be inquired into, and may be allowed or disallowed in whole or in part: 
 
Provided that any claim preferred or objection made within the period allowed by this sub-section may, in the event of the death of the claimant or objector, be continued by his legal representative.
২৮.
পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি-
  1. নিলামে বিক্রি হবে
  2. সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে
  3. কেউ দাবী করলে তাকে দেয়া হবে
  4. রিসিভার নিয়োগ করবে
সঠিক উত্তর:
সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৭) ধারা মতে ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রি- পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে এবং আদালত উপযুক্ত মনে করলে যে কোন সময় ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦ তবে হুলিয়া জারির ৬ মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত এবং কোন আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দেয়া হয় না। কিন্তু ক্রোকের সম্পত্তি প্রাণী সম্পদ অথবা পচনশীল দ্রব্য হলে আদালত তা অবিলম্বে বিক্রির আদেশ দিবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারা মতে পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না; তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
২৯.
পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার কত দিনের মধ্যে ক্রোক আদেশ প্রদানকারী আদালতে হাজির হয়ে সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন করা যায়?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ক্রোকী সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের সময়সীমা- ৮৯ ধারামতে যার সম্পত্তি ক্রোক হয়েছে সেই ব্যক্তি ক্রোকের তারিখ থেকে ২ বৎসরের মধ্যে অথবা উক্ত ব্যক্তি ব্যতীত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কোন ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন করতে পারে।

♦ পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে,
ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা
ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না;

তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির  ১০ ধারার বিধান নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট: (১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।

(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।

(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।

(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।

(৫) সরকার সমীচীন  প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।

(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে জেলা পর্যায়ে কয় ধরণের বিচারিক আদালতের কথা বলা আছে?
  1. ২ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ৫ ধরণের
সঠিক উত্তর:
৪ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ধরণের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার ফৌজদারী আদালতের শ্রেণীবিভাগ: (১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:

(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ (i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ

(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;

(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;

(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট:

(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।

-------------------------------------------------
♦ Classes of Criminal Courts
Section 6.(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- 
(a) Courts of Sessions ; and 
(b) Courts of Magistrates. 
 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 
 
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 
 
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
৩২.
without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a(n) __________________.
  1. Judicial Magistrate.
  2. Executive Magistrate.
  3. District Magistrate.
  4. Cognizance Magistrate.
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate.
ব্যাখ্যা
♦ Construction of references.
Section 4A. (1) In this Code, unless the context otherwise requires, any reference- 
(a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate;

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ক ধারার বিধান: নির্দেশাবলীর অর্থ: এই কোড অনুসারে, প্রসঙ্গ অন্য কোন নির্দেশ না করলে, কাউকে উল্লেখ করলে তার অর্থ দাঁড়াবে নিম্নরূপ:
(ক) কোন বিশিষ্টার্থক শব্দ ছাড়া কেবল ম্যাজিস্ট্রেট বলে বর্ণিত থাকলে তা দ্বারা একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট-কে উল্লেখ করা হয়েছে মর্মে বুঝতে হবে;
৩৩.
মেট্রোপলিটন এলাকায় কোন ধরণের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকে?
  1. ১ম শ্রেণীর
  2. ২য় শ্রেণীর
  3. ৩য় শ্রেণীর
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
১ম শ্রেণীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম শ্রেণীর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬(৩) ধারার বিধান: চার শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকিবে; যথাঃ
(ক) মহানগর এলাকার জন্য মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য এলাকার জন্য মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।

(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বলিয়া অভিহিত হইবে;

(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;

(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

♦ মেট্রোপলিটন এলাকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকে না। 
---------------------
Classes of Criminal Courts
Section 6 (3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 

(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
 
(c) Magistrate of the second class; and 
 
(d) Magistrate of the third class.
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের বেঞ্চ এর বিধান রয়েছে?
  1. ১৫ ধারায়
  2. ১৬ ধারায়
  3. ১৮ ধারায়
  4. ১৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯ ধারার বিধান বেঞ্চ: চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা সাপেক্ষে যে কোন দুই বা ততোধিক মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বেঞ্চ রূপে একসাথে বসতে পারবেন।
♦ Benches
Section 19. Any two or more of Metropolitan Magistrates may, subject to the rules made by the Chief Metropolitan Magistrate, sit together as Bench.
♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯ ধারায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের বেঞ্চ এর বিধান রয়েছে।


♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫ ধারার বিধান ম্যাজিষ্ট্রেটগণের বেঞ্চ: (১) সরকার দুই বা ততোধিক সংখ্যক ম্যাজিষ্ট্রেটকে মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে কোন স্থানে বেঞ্চ গঠন করে একসাথে বসার নির্দেশ দিতে পারেন এবং আদেশ কর্তৃক এধরণের বেঞ্চের উপর উক্ত কোড অনুসারে প্রথম, দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর অর্পিত বা অর্পণযোগ্য ক্ষমতা ন্যস্ত করতে পারবেন এবং সরকার যেভাবে ঠিক করেন, কেবল সেভাবে সকল মোকদ্দমায় বা সেসব শ্রেণীর মোকদ্দমায় ও সেই স্থানীয় এলাকায় উক্ত বেঞ্চকে সেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করার নির্দেশ দিতে পারেন।

(২) বিশেষ নির্দেশ না থাকলে বেঞ্চ যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেনঃ এই ধারা অনুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ কর্তৃক অন্য কোন ধরণের কোন বিধান করা না হয়ে থাকলে বেঞ্চের বর্তমান কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী সদস্যদের মধ্যে সর্বোচ্চ শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটকে এ আইন কর্তৃক যে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে, বেঞ্চের নিকট সে ক্ষমতা থাকবে এবং আইনের উদ্দেশ্যে বেঞ্চকে যথাসম্ভব উক্ত শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে অভিহিত করতে হবে।
৩৫.
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ কার অধঃস্তন হবেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের
  2. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. দায়রা জজের
  4. হাইকোর্ট বিভাগের
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধানঃ নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণঃ (১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন ।

(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।

(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন ।

(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।

♦ অর্থাৎ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধঃস্তন হবেন।

--------------------------
♦ Section 17(2) All Judicial Magistrates appointed under section 11 and 12 (3) and all Benches constituted under section 15 shall be subordinate to the Chief Judicial Magistrate who may, from time to time give special orders consistent with this Code and rules made by the Government under section 16 as to the distribution of business among Magistrates and Benches.
৩৬.
ক্রোককৃত সম্পত্তির বিরুদ্ধে উত্থাপিত দাবি অগ্রাহ্য হলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি কত দিনের মধ্যে সম্পত্তির স্বত্ব (Title) প্রতিষ্ঠার জন্য মামলা দায়ের করতে পারবেন?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা মতে ক্রোককৃত সম্পত্তি নিয়ে আপত্তি- ক্রোককৃত সম্পত্তিতে হুলিয়াধীন ব্যক্তি ব্যতীত অপর কোন ব্যক্তির কোন স্বার্থ থাকলে, উক্ত ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে ক্রোক আদেশ প্রদানকারী আদালতে আপত্তি (objections) উত্থাপন করবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ঘ)ধারা মতে যে ব্যক্তির দাবী বা আপত্তি উপ-ধারা (৬এ) অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশ দ্বারা পুরোপুরি বা আংশিক অগ্রাহ্য করা হয়েছে তিনি বিরোধীয় সম্পত্তিতে তার দাবীকৃত অধিকার প্রতিষ্ঠাকল্পে উক্ত আদেশ প্রদানের তারিখ হতে ১ (এক) বৎসরের মধ্যে মামলা রুজু করতে পারবেন, তবে উক্ত মামলার ফলাফলের শর্তে উক্ত আদেশ চূড়ান্ত রূপে পরিগণিত হবে।

♦ অর্থাৎ তার দাবি অগ্রাহ্য হলে আদেশের তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে সম্পত্তির স্বত্ব (Title) প্রতিষ্ঠার জন্য মামলা দায়ের করতে পারবেন।
৩৭.
ক্রোকী সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন কোথায় করতে হবে?
  1. আদেশ প্রদানকারী আদালত অপেক্ষা উচ্চ আদালতে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. যে আদালত সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিয়েছিল, সেই আদালতে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিয়েছিল, সেই আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিয়েছিল, সেই আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারঃ যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এমর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।