পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৫ টপিক: রিভিশন পরীক্ষা [Exam – 13 & 14] ক্লাস মেন্টর: তপন ভট্টাচার্য
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
কোন বাঙালী শিল্পী 'দ্য কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর সূচনা সঙ্গীত পরিবেশন করেন?
  1. মোর্শেদ খান অপু
  2. শহীদ হাসান
  3. আলী আকবর খান
  4. রথীন্দ্রনাথ রায়
সঠিক উত্তর:
আলী আকবর খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলী আকবর খান
ব্যাখ্যা
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এমন একটি আয়োজনে যোগ দিয়েছিলেন।

⇒ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিশ্বখ্যাত সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর।
- বাংলাদেশের জনগণের সাহায্যার্থে কিছু করার জন্য তিনি প্রথম যোগাযোগ করেন জনপ্রিয় বিটলসের অন্যতম সদস্য জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে।
- জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ১৯৭১ সালের ১লা অগাস্টের সেই আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন পপ সঙ্গীতের তৎকালীন সুপারস্টার বব ডিলান, জর্জ হ্যারিসন এবং এরিক ক্ল্যাপটনের মত তারকারা।

উল্লেখ্য,
- ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ শুরু হয়েছিল পণ্ডিত রবিশঙ্করের একটি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দিয়ে।
- এ কনসার্টের জন্য তিনি তৈরি করেছিলেন ‘বাংলাদেশ ধুন’ বলে নতুন একটি সুর।
- আর তাঁর সঙ্গে সরোদে যুগলবন্দী ছিলেন ওস্তাদ আলী আকবর খান।
- তবলায় সহযোগিতা করেছিলেন বিখ্যাত আল্লারাখা।
- তানপুরায় ছিলেন কমলা চক্রবর্তী। সেদিন ম্যাডিসন স্কয়ারের অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রতিবাদী গানের রাজা বব ডিলান। 
- সেদিন বব ডিলানের সঙ্গে গিটার বাজিয়েছিলেন জর্জ হ্যারিসন, ব্যাস লিওন রাসেল ও ট্যাম্বুরিন রিঙ্গো স্টার।
- সে অনুষ্ঠানে বিটলসের অন্যতম সদস্য রিঙ্গো স্টার, লিওন রাসেল, এরিক ক্ল্যাপটন, বিলি প্রেস্টন, ডন প্রেস্টন প্রমুখ গান গেয়েছেন, গিটার বাজিয়েছেন।

এছাড়াও,
- জন লেনন শেষ পর্যন্ত কনসার্ট ফর বাংলাদেশে অংশ নেননি।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC।
.
পদ্মা সেতু নির্মাণকারী কোম্পানির নাম কী?
  1. এসমেক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড
  2. ক্লিভল্যান্ড ব্রিজ অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি
  3. চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি
  4. এইসিওম
সঠিক উত্তর:
চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- দ্বিতল পদ্মা সেতুর এক অংশ মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায়, আরেক অংশ শরীয়তপুরের জাজিরায়।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

⇒ মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার ।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়। 
- পদ্মা সেতু ঢাকার সাথে দক্ষিণাঞ্চলের  ২১টি জেলার সংযোগ স্থাপন করেছে।
উল্লেখ্য,
- পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক : মোঃ শফিকুল ইসলাম।
- পদ্মা সেতুর নকশার দায়িত্ব ছিল নিউজিল্যান্ড ভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এইসিওম (AECOM)।
- পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজের তদারকি দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের নাগরিক রবার্ট জন এভস।
- পদ্মা সেতুর পুরো নির্মাণ কাজ তদারকির কাজ পেয়েছিল কোরিয়ান কোম্পানি কোরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে কর্পোরেশন (কেইসি)।
- পদ্মা সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম : চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কো. লি.।
- পদ্মা সেতু নির্মাণে একমাত্র বাংলাদেশীর নারী প্রকৌশলী – ইশরাত জাহান। =
- পদ্মা নদীর দুই পাড়ের সংযোগ সড়ক আর সার্ভিস এরিয়া তৈরির দায়িত্ব পেয়েছিল বাংলাদেশি কোম্পানি আব্দুল মোনেম লিমিটেড।
- পদ্মা সেতু নির্মাণের সঙ্গে অন্তত ২০টি দেশের নাগরিকরা জড়িত ছিলেন। 
- পদ্মা সেতুর সমীক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নাম JICA (জাপান)।

উৎস: i) বিবিসি।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
.
ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল কোনটি?
  1. মহিষমারি
  2. ফালানপুর
  3. দহগ্রাম
  4. দুর্গাপুর
সঠিক উত্তর:
দহগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দহগ্রাম
ব্যাখ্যা
দহগ্রাম ছিটমহল:
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয়।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
সুশীল সমাজ কাদের পক্ষে কাজ করে?
  1. বিরোধীদলের পক্ষে
  2. জনগণের পক্ষে
  3. সরকার পক্ষে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জনগণের পক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণের পক্ষে
ব্যাখ্যা
সুশীল সমাজ:
- সুশীল সমাজের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Civil Society.
- সুশীল সমাজ হলো এমন এক ধরনের গোষ্ঠী, যারা সবসময় জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করে।
- সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ স্বতন্ত্র কোন রাজনীতি করে না।
- কারণ এরা কোন দলের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত থাকে না, হোক সরকারি বা বিরোধী কোন দল।
- সুতরাং সুশীল সমাজ হলো এমন এক ধরনের গোষ্ঠী যারা কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সংযুক্ত না থেকে সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ১ম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
ii) Britannica.
.
মেট্রোরেল-এর অর্থায়নের উৎস –
  1. বাংলাদেশ ও চীন
  2. বাংলাদেশ ও এডিবি
  3. বাংলাদেশ ও জাইকা
  4. বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ও জাইকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ও জাইকা
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের নাম Dhaka Mass Transit Company Limited.
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- বাংলাদেশে প্রথম মেট্রোরেল চালু হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেল জনসাধারণের জন্য চালু হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- এশিয়ার মধ্যে ২২তম দেশ হিসেবে মেট্রোরেল সিস্টেম চালু হয়েছে বাংলাদেশে।
- প্রথম পর্যায়ের মেট্রোরেল চলাচলের লাইন নম্বর ছিল- ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট লাইন ৬ (MRT Line-6)।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-
- বাংলাদেশের মেট্রোরেলের লোগোর ডিজাইনার- আলী আহসান নিশান।
- মেট্রোরেলের পরিচালনা ব্যবস্থার নাম - কমিউনিকেশন বেজড ট্রেন কন্ট্রোল সিস্টেম।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।
- ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে- জাইকা ও বাংলাদেশ সরকার।
- মেট্রোরেল উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট চালু করেছে।
- মেট্রোরেলের জন্য গঠিত পুলিশের বিশেষ ইউনিটের নাম - এমআরটি পুলিশ।

উৎস: i) Dhaka Metro Mass Rapid Transit System - Railway Technology.
ii) বিবিসি বাংলা।
.
'ভাষা ও সাহিত্যে' কতজন ২০২৪ সালে একুশে পদক লাভ করেন?
  1. ৪ জন
  2. ৬ জন
  3. ১২ জন
  4. ১ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২৪:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিতে ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক ২০২৪ সালে একুশে পদক পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন।

⇒ পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন - 
- ভাষা আন্দোলননে ২ জন: মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়ার (মরণোত্তর)।
- শিল্পকলায় ১২ জন: জালাল উদ্দীন খা(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যানী ঘোষ (মরণোত্তর), বিদিত লাল দাস(মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর), শুভ্রদেব, শিবলী মোহাম্মদ, ডলি জহুর, এম এ আলমগীর, খান মো.মুস্তাফা ওয়ালিদ(শিমুল মুস্তাফা), রূপা চক্রবর্তী, শাহজাহান আহমেদ বিকাশ, কাওসার চৌধুরী।
- সমাজসেবায় ২ জন: মো. জিয়াউল হক, রফিক আহামদ।
- ভাষা ও সাহিত্যে ৪ জন: মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর, রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ (মরণোত্তর)।
- শিক্ষায় ১ জন: প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে কোন টুর্নামেন্টে?
  1. এশিয়া কাপ
  2. আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি
  3. বিশ্বকাপ
  4. ব্রিটিশ নকআউট কাপ
সঠিক উত্তর:
এশিয়া কাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া কাপ
ব্যাখ্যা
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
.
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নিয়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রায় দেয় -
  1. PCA
  2. ITLOS
  3. ICJ
  4. ICC
সঠিক উত্তর:
ITLOS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ITLOS
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়:
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালের গোড়ার দিকে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের বিষয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ
- সংবিধানের ১৪৩ নং অনুচ্ছেদের (২) নং ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত Territorial Waters and Maritime Zones Act. 1974 জারি করে। যা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪। এই আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার আঞ্চলিক বা উপকূলীয় সমুদ্র অঞ্চল, সন্নিহিত বা সংলগ্ন সমুদ্র অঞ্চল, অর্থনৈতিক অঞ্চল, সংরক্ষিত এলাকা, মহীসোপান বিষয়ে বাংলাদেশের আইনগত কর্তৃত্বের ঘোষণা দেয়।

• বাংলাদেশ বনাম মিয়ানমার:
- জার্মানিতে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে (ITLOS) ২০১২ সালের ১৪ মার্চ তারিখে এই মামলার রায় দেয়া হয়। রায় অনুসারে বাংলাদেশ তার উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। এছাড়াও সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানা বাংলাদেশ পায়।

ITLOS:
- ITLOS এর পূর্ণরূপ - International Tribunal for the Law of the Sea.
- ১৯৮২ সালে সাগরের আইন সম্পর্কিত জাতিসংঘের কনভেনশন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- অবস্থান: জার্মানির হামবুর্গে।

• বাংলাদেশ বনাম ভারত:
- ২০১৪ সালের ৭ জুলাই নেদারল্যান্ডস-এ অবস্থিত স্থায়ী সালিশি আদালত (Permanent Court of Arbitration-PCA) এই রায় আদালতের রায়ে বাংলাদেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে ১, ১৮, ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল, ১২ নটিক্যাল মাইল রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা, ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone - EEZ) এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
.
‘ভিক্টোরিয়া পার্ক'-এর নাম পরিবর্তন করে কী নামকরণ করা হয়?
  1. আর্মেনীয় ক্লাব
  2. ‘খাজা হাফিজুল্লাহ পার্ক
  3. লালবাগকেল্লা
  4. বাহাদুর শাহ পার্ক
সঠিক উত্তর:
বাহাদুর শাহ পার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাহাদুর শাহ পার্ক
ব্যাখ্যা
বাহাদুর শাহ পার্ক:
- বাহাদুর শাহ পার্ক বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত।
- পার্কটি আন্টাঘর ময়দান নামে পরিচিত ছিল।
- এরপর এর নামকরণ হয় ভিক্টোরিয়া পার্ক।
- এখন এটি বাহাদুর শাহ পার্ক নামে পরিচিত।

⇒ ঢাকার আর্মেনীয়দের বিলিয়ার্ড ক্লাব ছিল এই ময়দানে। স্থানীয়ভাবে ‘আন্টাঘর’ নামে পরিচিত ছিল এটি। ক্লাবঘরটির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন ঢাকার নবাব আব্দুল গণি ও নবাব আহসান উল্লাহ। 

⇒ ১৮৫৭ সালে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের আমলে এই ময়দান বিশেষ খ্যাতি অর্জন করে। ১৮৫৭ সালের ২২ নভেম্বর ইংরেজ মেরিন সেনারা ঢাকার লালবাগের কেল্লায় দেশীয় সেনাদের নিরস্ত্র করার লক্ষ্যে আক্রমণ চালায়। কিন্তু সিপাহীরা বাধা দিলে যুদ্ধ বেঁধে যায়। যুদ্ধে আহত ও পালিয়ে যাওয়া সিপাহীদের ধরে এনে সংক্ষিপ্ত কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। বিচারের পর ১১ জন সিপাহীকে আন্টাঘর ময়দানে এনে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়া হয়। 

উল্লেখ্য,
- ১৮৫৮ সালে রানি ভিক্টোরিয়া ভারতবর্ষের শাসনভার গ্রহণের পর এই ময়দানের নামকরণ হয় ‘ভিক্টোরিয়া পার্ক’। ১৯৫৭ সালের আগ পর্যন্ত পার্কটি এই নামেই পরিচিত ছিল।
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহী বিদ্রোহের শতবার্ষিকী উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের মধ্য দিয়ে ময়দানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০.
নিয়াজ মোরশেদ কত সালে গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।
- ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।

উৎস: i) কালের কন্ঠ।
ii) প্রথম আলো।
১১.
'তিন নেতার মাজার'-এর সাথে সংশ্লিষত ব্যক্তি নয় কে?
  1. আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. এ কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
'তিন নেতার মাজার'-এর সাথে সংশ্লিষত ব্যক্তি নয় আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। 

তিন নেতার মাজার
:
- রাজধানী ঢাকার দোয়েল চত্বরের কাছে অবস্থিত তিন নেতার মাজার বাংলাদেশের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম নিদর্শন।
- বাংলাদেশের জাতীয় তিন নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, খাজা নাজিমুদ্দিন এবং এ কে ফজলুল হক-এর সমাধির উপর ১৯৬৩ সালে স্থপতি মাসুদ আহমদ ও এস এ জহিরুদ্দিনের নকশায় তিন নেতার মাজার স্থাপনাটি নির্মাণ করা হয়েছে।
- তিন নেতার মাজারের কাছেই রয়েছে হাইকোর্ট এবং শিশু একাডেমি।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতার পূর্ব সময়ে এই তিন মহান নেতাই তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন। বাংলার বাঘ খ্যাত শের-এ-বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী। ফজলুল হক ১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া যুক্তফ্রন্ট গঠনে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।
- খাজা নাজিমুদ্দিন ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন। ১৯৫১ সালে তাঁকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করা হয়।
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯২৪ সালে কলকাতা পৌরসভার ডেপুটি মেয়র হন এবং খাজা নাজিমুদ্দিনের মন্ত্রীসভায় তিনি শ্রমমন্ত্রী নিযুক্ত ছিলেন। ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Daily Star.
১২.
বাংলাদেশ- ভারত ছিটমহল প্রটোকল সই হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
ছিটমহল বিনিময়:
- বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশ মিলে ১৬২টি ছিটমহলের মোট জমি ২৪ হাজার ২৭০.৮৩ একর।
- এর মধ্যে ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের আয়তন সাত হাজার ১১০.২০ একর এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি ছিটমহলের আয়তন ১৭ হাজার ১৫৮.৫ একর।

⇒ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক স্থলসীমা চুক্তি অনুসারে ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হয়। 
- ছিটমহল বিনিময়ের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালের ১৬ মে নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল। 

⇒ ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ঢাকা সফরের সময় বাংলাদেশের সাথে ছিটমহল সর্ম্পকিত একটি স্মারকচুক্তি স্বাক্ষর করেন। এচুক্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল যার অধিবাসী ৩৭,৩৩৪ এবং ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল যার জনসংখ্যা প্রায় ১৪,২১৫ জন।

⇒ ১ আগস্ট ২০১৫ রাত ১২টা ১ মিনিটে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের চুক্তি কার্যকর হয়। বিনিময়ের ফলে বাংলাদেশ পায় লালমনিরহাটে ৫৯টি, পঞ্চগড়ে ৩৬টি, কুড়িগ্রামে ১২টি, নীলফামারীতে ৪টি সহ মোট ১১১টি ছিটমহল।

উৎস: i) বিবিসি বাংলা।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৩.
'বজরা শাহী মসজিদ' কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া
  3. নোয়াখালী
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
বজরা শাহী মসজিদ:
- নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নে নির্মিত ঐতিহাসিক মসজিদের নাম বজরা শাহী মসজিদ।
- দিল্লির শাহী জামে মসজিদের নকশার অনুকরণে বজরা শাহী মসজিদটি গড়ে তোলা হয়েছে।
- মসজিদের সাথে যে শিলালিপি আছে তা থেকে জানা যায় যে, সম্রাট মোহাম্মদ শাহ এর রাজত্বকালে ১৭৪১ সালে আমানউল্লাহ নামক এক ব্যক্তি মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- বজরা শাহী মসজিদটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১১৬ ফুট, প্রন্থ প্রায় ৭৪ ফুট এবং মসজিদটির উচ্চতা প্রায় ২০ ফুট। ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটির ভীত মাটির প্রায় ২০ ফুট নিচ থেকে তৈরী করা হয়েছে। ভিনিটি গম্বুজই সুদৃশা মার্বেল পাথর সুসজ্জিত।
- ১৯৯৮ সালে ২৯ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ঐতিহাসিক বজরা শাহী মসজিদের ঐতিহ্য রক্ষা এবং দুর্লভ নিদর্শন সংরক্ষণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
- মোগল সম্রাট মোহাম্মদ শাহের অনুরোবে সৌদি আরবের পবিত্র কাবা শরীফ হতে মাওলানা শাহ আবু সিদ্দীক বজরা শাহী মসজিদের প্রথম ইমাম হিসেবে স্থায়ীত্ব পালন শুরু করেন।
- মাওলানা শাহ আবু সিদ্দীক সাহেবের বংশয়রগণ যুগ যুগ ধরে বজরা শাহী মসজিদের ইমামের দায়িত্ব পালন করে চলছেন।
- বর্তমানে শাহ আবু সিদ্দীক সাহেবের ৭ম পুরুষ ইমাম হাসান সিদ্দীকি বজরা শাহী মসজিদে ইমাম হিসাবে নিযুক্ত আছেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪.
'ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' কবে পালিত হয়?
  1. ৪ নভেম্বর
  2. ৫ নভেম্বর
  3. ৬ নভেম্বর
  4. ৭ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
৭ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস:
- 'ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' ৭ নভেম্বর পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবে দেশের তৎকালীন রাজনীতির গতিধারা পাল্টে গিয়েছিল।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনার ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনীর তৎকালীন উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ তার অনুসারী সেনা সদস্যদের নিয়ে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করেন।
- নিজেকে সেনাপ্রধান হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ৬ নভেম্বর বঙ্গভবনে গিয়ে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদকে গ্রেপ্তার করে করে মন্ত্রিসভা বাতিল ও জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন খালেদ। 
- প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে দেশের প্রেসিডেন্টের পদে বসান।
- ওই রাতেই সেনাবাহিনীর সাধারণ সিপাহিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
- সিপাহি-জনতার মিলিত সেই বিপ্লবে বন্দি অবস্থা থেকে মুক্ত হন জিয়াউর রহমান।
- পাল্টা অভ্যুত্থান ঠেকাতে গিয়ে ৭ নভেম্বর সকালে কয়েকজন অনুসারীসহ প্রাণ হারান খালেদ মোশাররফ। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।