১.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় “অপহরণ” এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
সঠিক উত্তর: ক
ধারা ২(খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ধারা ২(খ)
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(খ):
“অপহরণ” অর্থ বলপ্রয়োগ বা প্রলুব্ধ করিয়া বা ফুসলাইয়া বা ভুল বুঝাইয়া বা ভীতি প্রদর্শন করিয়া কোন স্থান হইতে কোন ব্যক্তিকে অন্যত্র যাইতে বাধ্য করা।
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(খ) অনুযায়ী, “অপহরণ” অর্থ এমন একটি কার্য, যেখানে বলপ্রয়োগ, প্রলুব্ধ করা, ফুসলানো, ভুল বুঝানো বা ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে এক স্থান থেকে অন্যত্র যেতে বাধ্য করা হয়।
উদাহরণস্বরূপ,
কেউ যদি একটি মেয়েকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বলে যে সে তাকে বিয়ে করবে, আর সেই আশ্বাসে মেয়েটি বাড়ি ছেড়ে তার সঙ্গে চলে যায়- তাহলেও এটি “অপহরণ” হিসেবে গণ্য হবে। আবার যদি কোনো শিশুকে লজেন্স দেখিয়ে বা খেলনার লোভ দেখিয়ে এক স্থান থেকে তুলে নেওয়া হয়, সেটাও অপহরণ।
“অপহরণ” অর্থ বলপ্রয়োগ বা প্রলুব্ধ করিয়া বা ফুসলাইয়া বা ভুল বুঝাইয়া বা ভীতি প্রদর্শন করিয়া কোন স্থান হইতে কোন ব্যক্তিকে অন্যত্র যাইতে বাধ্য করা।
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(খ) অনুযায়ী, “অপহরণ” অর্থ এমন একটি কার্য, যেখানে বলপ্রয়োগ, প্রলুব্ধ করা, ফুসলানো, ভুল বুঝানো বা ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে এক স্থান থেকে অন্যত্র যেতে বাধ্য করা হয়।
উদাহরণস্বরূপ,
কেউ যদি একটি মেয়েকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বলে যে সে তাকে বিয়ে করবে, আর সেই আশ্বাসে মেয়েটি বাড়ি ছেড়ে তার সঙ্গে চলে যায়- তাহলেও এটি “অপহরণ” হিসেবে গণ্য হবে। আবার যদি কোনো শিশুকে লজেন্স দেখিয়ে বা খেলনার লোভ দেখিয়ে এক স্থান থেকে তুলে নেওয়া হয়, সেটাও অপহরণ।