পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৫৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৮৫: রিভিশন পরীক্ষা - ১০ Topic: Optional Law-1, Optional Law-2 (পরীক্ষা ৮১, ৮২, ৮৩ এবং ৮৪)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৫৪ প্রশ্ন

.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় “অপহরণ” এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(খ)
  2. ধারা ২(গ)
  3. ধারা ২(ঘ)
  4. ধারা ২(চ)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(খ)
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(খ):
“অপহরণ” অর্থ বলপ্রয়োগ বা প্রলুব্ধ করিয়া বা ফুসলাইয়া বা ভুল বুঝাইয়া বা ভীতি প্রদর্শন করিয়া কোন স্থান হইতে কোন ব্যক্তিকে অন্যত্র যাইতে বাধ্য করা।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(খ) অনুযায়ী, “অপহরণ” অর্থ এমন একটি কার্য, যেখানে বলপ্রয়োগ, প্রলুব্ধ করা, ফুসলানো, ভুল বুঝানো বা ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে এক স্থান থেকে অন্যত্র যেতে বাধ্য করা হয়।

উদাহরণস্বরূপ,
কেউ যদি একটি মেয়েকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বলে যে সে তাকে বিয়ে করবে, আর সেই আশ্বাসে মেয়েটি বাড়ি ছেড়ে তার সঙ্গে চলে যায়- তাহলেও এটি “অপহরণ” হিসেবে গণ্য হবে। আবার যদি কোনো শিশুকে লজেন্স দেখিয়ে বা খেলনার লোভ দেখিয়ে এক স্থান থেকে তুলে নেওয়া হয়, সেটাও অপহরণ।
.
নিম্নের কোন ধরনের ব্যক্তি 'মাদকাসক্ত' এর সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত?
  1. মানসিকভাবে নির্ভরশীল
  2. অভ্যাসবশে মাদক সেবনকারী
  3. শারীরিকভাবে মাদকের উপর নির্ভরশীল
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২(৩১):
‘মাদকাসক্ত’ অর্থ শারীরিক অথবা মানসিকভাবে মাদকদ্রব্যের উপর নির্ভরশীল কোনো ব্যক্তি অথবা অভ্যাসবশে মাদকদ্রব্য ব্যবহারকারী অথবা সেবনকারী কোনো ব্যক্তি।

এই সংজ্ঞাটির মাধ্যমে “মাদকাসক্ত” বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে তা পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানে মূলত তিন শ্রেণির ব্যক্তিকে “মাদকাসক্ত” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে:

শারীরিকভাবে নির্ভরশীল ব্যক্তি:
এমন ব্যক্তি যিনি মাদকদ্রব্য না পেলে শরীরিকভাবে অস্বস্তি অনুভব করেন।

মানসিকভাবে নির্ভরশীল ব্যক্তি:
এখানে বোঝানো হয়েছে এমন ব্যক্তি, যিনি মানসিকভাবে মনে করেন মাদক না পেলে তিনি স্বাভাবিক চিন্তা বা কাজ করতে পারবেন না। এটি মানসিক অভ্যাস বা আসক্তি।

অভ্যাসবশে ব্যবহারকারী বা সেবনকারী ব্যক্তি:
এমন ব্যক্তি যিনি হয়তো শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্ভরশীল নন, কিন্তু নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করে মাদক সেবন করেন। এটি সামাজিক বা ব্যক্তিগত অভ্যাসের কারণে হতে পারে।
.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এ “স্পেশাল জজ” বলতে কোন আইনের অধীনে নিযুক্ত জজকে বোঝায়?
  1. The Anti-Corruption Act, 1957
  2. The Criminal Law Amendment Act, 1958
  3. The Code of Criminal Procedure, 1898
  4. The Anti-Corruption (Tribunal) Ordinance, 1960
সঠিক উত্তর:
The Criminal Law Amendment Act, 1958
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Criminal Law Amendment Act, 1958
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২(ঠ):
“স্পেশাল জজ” অর্থ the Criminal Law Amendment Act, 1958 (Act No. XL of 1958) এর section 3 এর অধীন নিযুক্ত Special Judge৷
.
Within how many days must the Government place the detention order’s grounds before the Advisory Board under The Special Powers Act, 1974?
  1. 30 days
  2. 60 days
  3. 90 days
  4. 120 days
সঠিক উত্তর:
120 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
120 days
ব্যাখ্যা
Section 10 of The Special Powers Act, 1974: Reference to Advisory Board:
In every case where a detention order has been made under this Act, the Government shall, within one hundred and twenty days from the date of detention under the order, place before the Advisory Board constituted under section 9 the grounds on which the order has been made and the representation, if any, made by the person affected by the order.

উপদেষ্টা বোর্ডের কাছে রেফারেন্স (ধারা ১০):
যে কোনো ক্ষেত্রে, যেখানে এই আইনের অধীনে কোনো আটকাদেশ জারি করা হয়েছে, সরকারকে আটকাদেশের তারিখ থেকে একশো বিশ (১২০) দিনের মধ্যে ধারা ৯ অনুযায়ী গঠিত উপদেষ্টা বোর্ডের সামনে সেই আটকাদেশ জারির কারণ এবং সেই আটকাদেশে প্রভাবিত ব্যক্তির পক্ষ থেকে যদি কোনো আপত্তি বা দাবি থাকে তা উপস্থাপন করতে হবে।
.
মানব পাচারের জন্য অপরাধীকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি দেয়া যেতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৫: মানব পাচার নিষিদ্ধকরণ ও দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি ধারা ৩ এ উল্লিখিত কোন কার্য করিলে উহা মানব পচার অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
 
(২) মানব পাচার অপরাধ সংঘটনকারী কোন ব্যক্তি অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯ অনুযায়ী, কত বছর কম-বয়সী ব্যক্তির ক্ষেত্রে সম্মতিসহ যৌন সম্পর্ক “ধর্ষণ” হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ২১ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ১৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯- ধর্ষণ ও ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু ইত্যাদির শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

ব্যাখ্যা-
(১) যদি কোন ব্যক্তি বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন করিয়া বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন শিশুর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনকর্ম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, “ধর্ষণ” অর্থে বলাৎকারও অন্তর্ভুক্ত হইবে।
.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৩(২) ধারায় কোন আইনকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  2. তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯
  3. সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫
  4. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
সঠিক উত্তর:
তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৩ ধারা- অধ্যাদেশের প্রযোজ্যতা:
(১) এই অধ্যাদেশের কোনো বিধানের সহিত অন্য কোনো আইনের কোনো বিধান যদি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহা হইলে উক্ত আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানের সহিত এই অধ্যাদেশের বিধানটি যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয় ততখানির ক্ষেত্রে এই অধ্যাদেশের বিধান কার্যকর থাকিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, তথ্য অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ২০ নং আইন) এর বিধানাবলি কার্যকর থাকিবে।
.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এ স্পেশাল মেডিয়েটরগণের তালিকা প্রস্তুত করবে কে?
  1. আইন মন্ত্রণালয়
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. বিশেষ কমিটি
  4. জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা
সঠিক উত্তর:
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ক: স্পেশাল মেডিয়েটরগণের (Special Mediators) তালিকা:
(১) এই আইনের অধীনে স্পেশাল মেডিয়েটর হিসাবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ এবং মধ্যস্থতা বিষয়ে অভিজ্ঞ ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে স্পেশাল মেডিয়েটরগণের একটি তালিকা প্রস্তুত করিবে।

(২) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, উক্ত তালিকা হইতে প্রত্যেক লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্পেশাল মেডিয়েটর নিয়োগ প্রদান করিবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরগণ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়িত্ব পালন করিবে।

(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্মানি বা ফি প্রদান করা হইবে।
.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ ধারার শাস্তির মধ্যে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. চেকের মূল অঙ্কের দ্বিগুণ অর্থদণ্ড
  2. চেকের মূল অঙ্কের তিন গুণ অর্থদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. কোনো অর্থদণ্ড নেই, শুধু কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
চেকের মূল অঙ্কের তিন গুণ অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেকের মূল অঙ্কের তিন গুণ অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।
১০.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বা অস্ত্র সম্পর্কে আদালত কোনটি করতে পারেন?
  1. পুলিশকে হস্তান্তরের নির্দেশ দিতে পারে
  2. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করতে পারে
  3. মালিককে ফেরত দেওয়ার আদেশ দিতে পারে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৭: অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি:
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে৷
১১.
নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটাতে দহনকারী, ক্ষয়কারী বা বিষাক্ত পদার্থ ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৪- দহনকারী, ইত্যাদি পদার্থ দ্বারা সংঘটিত অপরাধের শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব বিশ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী বা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীকে এমনভাবে আহত করেন যাহার ফলে উক্ত শিশু বা নারীর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয় বা শরীরের কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হয় বা তাহার শরীরের অন্য কোন স্থান আহত হয়, তাহা হইলে উক্ত শিশুর বা নারীর-

(ক) দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট বা মুখমণ্ডল, স্তন বা যৌনাংগ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) শরীরের অন্য কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার বা শরীরের কোন স্থানে আঘাত পাওয়ার ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যক্তি অনধিক চৌদ্দ বৎসর কিন্তু অন্যূন সাত বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পাঁচ লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
(৩) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ কোন শিশু বা নারীর উপর নিক্ষেপ করেন বা করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি, তাহার উক্তরূপ কার্যের দরুণ সংশ্লিষ্ট শিশু বা নারীর শারীরিক, মানসিক বা অন্য কোনভাবে কোন ক্ষতি না হইলেও, অনধিক সাত বৎসর কিন্তু অন্যূন তিন বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পাঁচ লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৪) এই ধারার অধীন অর্থদণ্ডের অর্থ প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ, বা তাহার মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সময় রাখিয়া যাওয়া সম্পদ হইতে আদায় করিয়া অপরাধের দরুণ যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটিয়াছে তাহার উত্তরাধিকারীকে বা, ক্ষেত্রমত, যেই ব্যক্তি শারীরিক বা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হইয়াছেন, সেই ব্যক্তিকে বা সেই ব্যক্তির মৃত্যুর ক্ষেত্রে, তাহার উত্তরাধিকারীকে প্রদান করা হইবে।
১২.
“অন্তর্ঘাতমূলক কার্য (Sabotage)” এর শাস্তি কোন আইনের অধীনে নির্ধারিত?
  1. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪
  2. বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪
  3. মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮
  4. মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ১৫ ধারার বিধান- অন্তর্ঘাতী কার্য/নাশকতা (Sabotage):
(১) কোনো ব্যক্তি যদি নিম্নলিখিত কোনো সম্পদ বা সেবার কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে, তবে তা অন্তর্ঘাত হিসেবে গণ্য হবে:
(ক) সরকার বা কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা জাতীয়কৃত বাণিজ্যিক বা শিল্প প্রতিষ্ঠান দ্বারা ব্যবহৃত বা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কোনো ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ বা অন্যান্য সম্পদ;
(খ) কোনো রেলপথ, আকাশ রোপওয়ে, সড়ক, খাল, সেতু, কালভার্ট, কজওয়ে, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমানবন্দর, টেলিগ্রাফ বা টেলিফোন লাইন বা পোস্ট, বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপন;
(গ) কোনো রেলপথের রোলিং স্টক বা কোনো জাহাজ বা বিমান;
(ঘ) কোনো ভবন বা অন্যান্য সম্পদ যা কোনো মৌলিক পণ্য উৎপাদন, বিতরণ বা সরবরাহের সাথে সম্পর্কিত, কোনো স্যুয়েজ কাজ, খনি বা কারখানা;
(ঙ) এই আইনের অধীনে বা অন্য কোনো আইনের অধীনে নিষিদ্ধ বা সুরক্ষিত কোনো স্থান বা এলাকা;
(চ) কোনো পাট, পাটজাত পণ্য, পাট গোডাউন, পাট মিল বা পাট বেলিং প্রেস।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক এইরূপ কোনো কার্য করা হইতে বিচ্যুতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক যে কার্য করা সরকারের বা সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোনো ব্যক্তির প্রতি তাহার কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

(৩) কোনো ব্যক্তি যদি এই ধারার কোনো বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।
১৩.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ২০ ধারা অনুযায়ী, শিশুর বয়স নির্ধারণের জন্য কোন তারিখটি প্রাসঙ্গিক?
  1. গ্রেপ্তারের তারিখ
  2. জন্ম সনদের তারিখ
  3. অভিযোগ দাখিলের তারিখ
  4. অপরাধ সংঘটনের তারিখ
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের তারিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের তারিখ
ব্যাখ্যা
ধারা ২০ (শিশু আইন, ২০১৩): শিশুর বয়স নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তারিখ:
আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন, আদালতের রায় বা আদেশে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অপরাধ সংঘটনের তারিখই হইবে শিশুর বয়স নির্ধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক তারিখ।
১৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এ প্রদত্ত লাইসেন্স বা পারমিটের মেয়াদ কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. ৬ মাস
  2. উল্লেখিত নির্ধারিত সময়
  3. অর্থবছর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৩: লাইসেন্স, ইত্যাদি:
(১) লাইসেন্স, পারমিট ও পাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ফরমে, শর্তে এবং ফিস প্রদান সাপেক্ষে মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদান করা যাইবে। 

(২) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের মেয়াদ উহাতে উল্লিখিত শর্তে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অথবা উহার প্রদানের তারিখ হইতে সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে: 
তবে শর্ত থাকে, কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।
১৫.
দুর্নীতি দমন কমিশন কতজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৫: কমিশন গঠন, ইত্যাদি:
(১) কমিশন তিন জন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত হইবে এবং তাঁহাদের মধ্য হইতে রাষ্ট্রপতি একজনকে চেয়ারম্যান নিয়োগ করিবেন।

(২) শুধুমাত্র কোন কমিশনার পদে শূন্যতা বা গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে কমিশনের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তত্সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
১৬.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এ মধ্যস্থতা চুক্তিকে কী হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ডিক্রি
  2. চূড়ান্ত আদেশ
  3. প্রাথমিক রিপোর্ট
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০: ধারা ২১গ - মধ্যস্থতা-চুক্তির কার্যকারিতা:
(১) পক্ষগণের সহি/স্বাক্ষর ও মধ্যস্থতাকারীর স্বাক্ষরক্রমে সম্পাদিত এবং চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রত্যায়িত প্রতিটি মধ্যস্থতা চুক্তি চূড়ান্ত, বলবৎযোগ্য এবং পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন চুক্তি আদালতের ডিক্রি অথবা ক্ষেত্রমত, চূড়ান্ত আদেশ হিসাবে গণ্য হইবে এবং এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের মাধ্যমে উক্ত ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাইবে।
১৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় “শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল” গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২৫
  2. ধারা ২৫ক
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৬ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬ক
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৬ক: শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল:
(১) ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সরকার এই আইনের অধীন শিশু ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধ বিচারের নিমিত্ত প্রত্যেক জেলায় ও মহানগর এলাকায় এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে এবং এইরূপ ট্রাইব্যুনাল শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হইবে।

(২) একজন বিচারক সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিবে।

(৩) সরকার, প্রয়োজনবোধে, কোন জেলা ও দায়রা জজকে তাহার দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবে।

(৪) এই ধারায় জেলা ও দায়রা জজ বলিতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও অন্তর্ভুক্ত।

(৫) শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি প্রয়োজনীয় অভিযোজন সহকারে অনুসরণ করিবে।

(৬) এই ধারার অধীন ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ধারা ২৬ এর অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনাল এই ধারায় উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করিতে পারিবে।]
১৮.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর নিরাপত্তা নিরীক্ষা প্রতিবেদন কার নিকট উপস্থাপন করতে হয়?
  1. সরকার
  2. বিটিআরসি
  3. জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি
  4. জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ১৬: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা:
(১) মহাপরিচালক, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলি যথাযথভাবে প্রতিপালিত হইতেছে কি না উহা নিশ্চিত করিবার জন্য, সময় সময়, কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন করিবেন এবং এতৎসংক্রান্ত প্রতিবেদন কাউন্সিলের নিকট দাখিল করিবেন।

(২) এই অধ্যাদেশের আওতায় ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসমূহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রত্যেক বৎসর উহার অভ্যন্তরীণ ও বহিঃস্থ পরিকাঠামো নিরীক্ষাপূর্বক একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদন কাউন্সিলের নিকট উপস্থাপন করিবে এবং উক্ত প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু মহাপরিচালককে অবহিত করিবে।

(৩) মহাপরিচালকের নিকট যদি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, তাহার অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে কোনো ব্যক্তির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর জন্য হুমকিস্বরূপ বা ক্ষতিকর, তাহা হইলে তিনি, স্ব-প্রণোদিতভাবে বা কাহারও নিকট হইতে কোনো অভিযোগপ্রাপ্ত হইয়া, উহার অনুসন্ধান করিতে পারিবেন।

(৪) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা কার্যক্রম সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা সম্পন্ন করিতে হইবে।

(৫) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো এর সংজ্ঞা ও অন্তর্ভুক্তির শর্তসমূহ সর্বশেষ হালনাগাদকৃত সংশ্লিষ্ট গাইডলাইন অনুসারে নির্ধারিত হইবে।

(৬) বাংলাদেশে বলবৎযোগ্য মান অবকাঠামো মোতাবেক এজেন্সি কর্তৃক স্বীকৃত সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ (স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন) সংস্থা বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট কনসোর্টিয়াম মানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষাগার বা সনদধারি প্রতিষ্ঠান দ্বারা নিরাপত্তা নিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করা যাইবে।
১৯.
চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ কত বার মাদকদ্রব্য ক্রয় করা যাবে?
  1. ৩ বার
  2. ২ বার
  3. ১ বার
  4. যতবার প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
১ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বার
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১২: মাদকদ্রব্যের ব্যবস্থাপত্র প্রদান সম্পর্কে বিধি-নিষেধ:
(১) চিকিৎসক ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য ঔষধ হিসাবে ব্যবস্থাপত্র প্রদান করিতে পারিবেন না। 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত ব্যবস্থাপত্রের ভিত্তিতে একবারের অধিক মাদকদ্রব্য ক্রয় করা যাইবে না।
২০.
কার অনুমোদন ব্যতিরেকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীন অপরাধ বিচারার্থ আমলে নেয়া যাবে না?
  1. সরকার
  2. স্পেশাল জজ
  3. বাছাই কমিটি
  4. দুর্নীতি দমন কমিশন
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩২ – মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অনুমোদন, ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নির্ধারিত পদ্ধতিতে কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ব্যতিরেকে কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ আমলে (Cognizance) গ্রহণ করিবে না। 
 
(২) এই আইনের অধীন মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সরকার ও কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত অনুমোদনপত্রের কপি মামলা দায়েরের সময় আদালতে দাখিল করিতে হইবে।
২১.
শিশু আইন, ২০১৩ এর অধীন সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন কে দাখিল করবেন?
  1. শিশুকল্যাণ বোর্ড
  2. শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা
  3. প্রবেশন কর্মকর্তা
  4. সমাজসেবা কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
প্রবেশন কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবেশন কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩১: সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন-
(১) আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে শিশু-আদালতে হাজির করিবার অনধিক ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে প্রবেশন কর্মকর্তা, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, শিশু-আদালতে একটি সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করিবেন এবং উহার অনুলিপি নিকটস্থ বোর্ড-এ ও অধিদপ্তরে দাখিল করিবেন। 

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, মনস্তাত্ত্বিক, নৃতাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতা, পটভূমি এবং কোন্ অবস্থায় ও এলাকায় সে বসবাস করে এবং কোন্ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে, ইত্যাদির বর্ণনা অন্তর্ভুক্ত থাকিবে। 

(৩) প্রবেশন কর্মকর্তার সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনসহ শিশু সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিবেদন গোপনীয় বলিয়া গণ্য হইবে।
২২.
What is the maximum punishment for violating a curfew order under Section 24 of The Special Powers Act, 1974?
  1. 6 months imprisonment
  2. 1 year imprisonment
  3. 2 years imprisonment
  4. 3 years imprisonment
সঠিক উত্তর:
1 year imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 year imprisonment
ব্যাখ্যা
Correct Answer: খ) 1 year imprisonment.

• বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪: ধারা ২৪: সান্ধ্য আইন:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনার সান্ধ্য আইন [Curfew] জারি করতে পারে। উক্ত কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া সান্ধ্য আইন এর আদেশে নির্ধারিত কোন এলাকা বা এলাকাসমূহের মধ্যে এবং নির্ধারিত সময়ের ভিতর কোন ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে পারবে না। যদি কেউ এই আদেশ ভঙ্গ করে তাহলে সে ১ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

Section 24: Curfew:
(1) The District Magistrate or the Police Commissioner in a Metropolitan Area may, subject to the control of the Government, by order direct that, subject to any exemption specified in the order, no person present within any area or areas specified in the order shall, between such hours as may be specified in the order, be out of doors except under the authority of a written permit granted by a specified authority or person.

(2) If any person contravenes any order made under this section, he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
২৩.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন পুলিশ কখন প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করতে পারে?
  1. যেকোন সময়
  2. এজাহার দাখিলের পর
  3. এজাহার দাখিলের পূর্বে
  4. অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর
সঠিক উত্তর:
এজাহার দাখিলের পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজাহার দাখিলের পূর্বে
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৯: তদন্ত:
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন। 

(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন। 
 
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবেঃ 
 
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে। 
 
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে। 

(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।
২৪.
দ্রুত বিচার আদালত গঠন করা হয় মূলত কোথায়?
  1. বিভাগীয় শহরে
  2. থানা পর্যায়ে
  3. মেট্রোপলিটন ও জেলা পর্যায়ে
  4. উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ও জেলা পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ও জেলা পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৮- দ্রুত বিচার আদালত গঠন:
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত প্রজ্ঞাপনে প্রত্যেকটি দ্রুত বিচার আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে৷ 

(২) সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত আদালতের বিচারক নিযুক্ত করিবে।
২৫.
কোন কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী ব্যক্তি সম্মতি বা অসম্মতি দিতে অক্ষম হলে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে কী অনুমান করতে পারে?
  1. উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল
  2. উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল না
  3. উক্ত কার্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করবে না
  4. কোনো অনুমান করতে পারে না
সঠিক উত্তর:
উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল না
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২৪ক (সম্মতি সংক্রান্তে অনুমান):
যেক্ষেত্রে কোন কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে অপরাধের শিকার ব্যক্তির সম্মতি বা অসম্মতি দানের সক্ষমতা থাকে না, সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ধরিয়া লইতে পারিবে যে, উক্ত কার্যে তাহার সম্মতি ছিল না
২৬.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী কে?
  1. চেয়ারম্যান
  2. পরিচালক
  3. কমিশনার
  4. মহাপরিচালক
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৭: মহাপরিচালক:
(১) অধিদপ্তরের একজন মহাপরিচালক থাকিবে এবং তিনি অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী হইবেন। 
(২) মহাপরিচালক সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবে এবং তাহার চাকরির শর্তাদি সরকার কর্তৃক স্থিরীকৃত হইবে।
২৭.
অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন কী জারি করতে পারে?
  1. রুল
  2. সমন
  3. নোটিশ
  4. ওয়ারেন্ট
সঠিক উত্তর:
নোটিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটিশ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৯ – অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ;
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা;
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷ 
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷ 
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
২৮.
'শিশুকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে না' - এই বিধান শিশু আইন, ২০১৩ এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩৩
  3. ধারা ৩৫
  4. ধারা ৩৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩৩: শিশুর ওপর নির্দিষ্ট ধরনের দণ্ড আরোপে বাধা-নিষেধ:
(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদণ্ড প্রদান করা যাইবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, কোন শিশুকে যখন এইরূপ কোন মারাত্নক ধরনের অপরাধ সংঘটন করিতে দেখা যায় যে, তজ্জন্য এই আইনের অধীন প্রদানযোগ্য কোন আটকাদেশ আদালতের মতে পর্যাপ্ত নহে, অথবা আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে শিশুটি এত বেশি অবাধ্য অথবা ভ্রষ্ট চরিত্র যে তাহাকে কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করা চলে না এবং অন্যান্য যে সকল আইনানুগ পন্থায় মামলাটির সুরাহা হইতে পারে উহাদের কোন একটিও তাহার জন্য উপযুক্ত নহে, তাহা হইলে শিশু-আদালত শিশুকে কারাদণ্ড প্রদান করিয়া কারাগারে প্রেরণের জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে : 
 
আরও শর্ত থাকে যে, এইরূপে প্রদেয় কারাদণ্ডেরর মেয়াদ তাহার অপরাধের জন্য প্রদেয় দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদের অধিক হইবে না : 
 
আরও শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ কারাদণ্ডে থাকাকালীন যেকোন সময়ে শিশু-আদালত উপযুক্ত মনে করিলে এই মর্মে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে যে, এইরূপ কারাদণ্ডে আটক রাখিবার পরিবর্তে অভিযুক্ত শিশুকে, তাহার বয়স ১৮ (আঠারো) বৎসর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত, কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে আটক রাখিতে হইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশের অধীন কোন শিশুকে কারাদণ্ড প্রদান করা হইলে, তাহাকে কারাগারে অবস্থানরত অন্যান্য প্রাপ্তবয়স্ক আসামীর সহিত মেলামেশা করিতে দেওয়া যাইবে না।
২৯.
সাইবার জালিয়াতির সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড বা ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড ও ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড ও ২৫ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২১: “সাইবার স্পেসে জালিয়াতির অপরাধ ও দণ্ড”:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেস ব্যবহার করিয়া জালিয়াতি করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘সাইবার স্পেসে জালিয়াতি’ অর্থ কোনো ব্যক্তি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এজেন্ট কর্তৃক বিনা অধিকারে বা প্রদত্ত অধিকারের অতিরিক্ত হিসাবে বা অনধিকার চর্চার মাধ্যমে সাইবার স্পেস ব্যবহার করিয়া কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসের ইনপুট বা আউটপুট প্রস্তুত, পরিবর্তন, মুছিয়া ফেলা ও লুকাইবার মাধ্যমে অশুদ্ধ ডাটা বা প্রোগ্রাম, তথ্য বা ভ্রান্ত কার্য, তথ্য সিস্টেম, কম্পিউটার বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা বা ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বা স্বাক্ষরবিহীন ডিজিটাল ডকুমেন্টস উৎপাদন বা ইলেক্ট্রনিক ফাইল উৎপাদন বা বিদ্যমান ফাইল পরিবর্তন বা ডিজিটাল মানি বা ইলেক্ট্রনিক মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সি উৎপাদন বা অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্রে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করিয়া মোবাইল ব্যাংকিং পরিচালনা, হুন্ডি কার্যে নিযুক্তি কিংবা জুয়ার পোর্টাল পরিচালনা করা।
৩০.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় ডোপ টেস্ট (Dope Test) এর বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২০ (৪)
  2. ধারা ২২ (৪)
  3. ধারা ২৪ (৪)
  4. ধারা ২৬ (৪)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪ (৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪ (৪)
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ধারা ২৪ (৪)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৪: দেহ তল্লাশির জন্য বিশেষ পরীক্ষা:

(১) এই আইনের অধীন কোনো তদন্ত অথবা তল্লাশি পরিচালনাকালে কোনো অফিসারের যদি ইহা বিশ্বাস করিবার যথেষ্ট কারণ থাকে যে কোনো ব্যক্তি তাহার শরীরের কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গে মাদকদ্রব্য লুকাইয়া রাখিয়াছেন, তাহা হইলে, অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, তিনি তাহাকে তাহার শরীরের এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাম, এন্ডোসকপি, কোলনস্কপি কিংবা রক্ত ও মলমূত্রসহ অন্য যে-কোনো প্রকার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করিবার নিমিত্তে নিজেকে সমর্পণ করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন এবং উক্ত নির্দেশ অমান্য করিলে নির্দেশ প্রদানকারী অফিসার তাহাকে নির্দেশ পালনে বাধ্য করিবার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে। 

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুসারে পরীক্ষার পর কোনো ব্যক্তির অঙ্গপ্রত্যঙ্গে যদি কোনো মাদকদ্রব্যের উপস্থিতি সনাক্ত হয়, তাহা হইলে তাহাকে প্রযোজ্যক্ষেত্রে ধারা ৩৬ এর সারণির ক্রমিক নম্বর ৬ হইতে ১১ কিংবা ১৩ হইতে ২০ এর বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য গ্রেফতার করা যাইবে। 

(৩) উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুসারে পরীক্ষার পর যদি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক কোনো মাদকদ্রব্য গ্রহণের, সেবনের, ব্যবহারের অথবা প্রয়োগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় এবং উহা যদি ধারা ৯ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) কিংবা উপ-ধারা (২) এর দফা (গ) কিংবা ধারা ১০ এর (চ) এর বিধান লঙ্ঘনকারী হয় তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তিকে ধারা ৩৬ এর সারণি ক্রমিক নম্বর ১৬, ২১, ২৫, ২৯ অথবা ৩১ অনুসারে শাস্তিযোগ্য মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার করা যাইবে। 

(৪) মাদকাসক্ত ব্যক্তি শনাক্ত করিবার প্রয়োজনে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ডোপ টেস্ট (Dope Test) করা যাইবে। ডোপ টেস্ট (Dope Test) পজেটিভ হইলে ধারা ৩৬(৪) অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।
৩১.
রিমার বিয়ের পর থেকে তার স্বামী যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকে। একপর্যায়ে মারধর করে তাকে গুরুতর আহত করে। এই অবস্থায় অভিযুক্ত স্বামীর সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন 28[কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবে

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর] সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৩২.
What is the time limit for filing a complaint under Section 138, as per Section 141 of the Negotiable Instruments Act, 1881?
  1. Within 15 days of dishonour
  2. Within three months of cheque issuance
  3. Within one month of the cause of action
  4. Within six months of dishonour
সঠিক উত্তর:
Within one month of the cause of action
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Within one month of the cause of action
ব্যাখ্যা
The Negotiable Instruments Act, 1881: Section 141: Cognizance of offences:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898),- 
(a) no court shall take cognizance of any offence punishable under section 138 except upon a complaint, in writing, made by the payee or, as the case may be, the holder in due course of the cheque; 
(b) such complaint is made within one month of the date on which the cause of action arises under clause (c) of the proviso to section 138; 
(c) no court inferior to that of a Court of Sessions shall try any offence punishable under section 138.

ধারা ১৪১: ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;

(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;

(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।
৩৩.
নিচের কোন ব্যক্তি আইনগত সহায়তা পাওয়ার উপযুক্ত বিবেচিত হবেন না?
  1. ভবঘুরে ব্যক্তি
  2. পলাতক অভিযুক্ত
  3. এসিড দগ্ধ নারী
  4. মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
পলাতক অভিযুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলাতক অভিযুক্ত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) পলাতক অভিযুক্ত।

• আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ এর অধীন নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণও আইনগত সহায়তা পাইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন:-

⇒ কোন শিশু;
মানব পাচারের শিকার কোন ব্যক্তি;
⇒ শারীরিক, মানসিক এবং যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু;
⇒ নিরাশ্রয় ব্যক্তি বা ভবঘুরে;
⇒ ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের কোন ব্যক্তি;
⇒ পারিবারিক সহিংসতার শিকার অথবা সহিংসতার ঝুঁকিতে রহিয়াছেন এইরূপ কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি;
⇒ বয়স্ক ভাতা পাইতেছেন এইরূপ কোন ব্যক্তি;
⇒ ভি জি ডি কার্ডধারী কোন দুঃস্থ মাতা;
⇒ দুর্বৃত্ত কর্তৃক এসিড দগ্ধ নারী বা শিশু;
⇒ আদর্শ গ্রামে গৃহ বা ভূমি বরাদ্দপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি;
⇒ অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা এবং দুস্থ মহিলা;
⇒ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি;
⇒ আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা বা আত্মপক্ষ সমর্থন করিতে অসমর্থ ব্যক্তি;
⇒ বিনা বিচারে আটক এমন কোন ব্যক্তি যিনি আত্মপক্ষ সমথর্নের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে আর্থিকভাবে অসচ্ছল;
⇒ আদালত কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া বিবেচিত ব্যক্তি;
⇒ জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া সুপারিশকৃত বা বিবেচিত কোন ব্যক্তি;
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংস্থা কর্তৃক সময় সময় চিহ্নিত আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন, নানাবিধ আর্থ-সামাজিক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি যিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে স্বীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা বা মামলা পরিচালনায় অসমর্থ।
৩৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রায় বা আদেশে ক্ষুব্ধ পক্ষ আপীল করতে পারেন-
  1. আপীল বিভাগে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. বিশেষ আপীল ট্রাইব্যুনালে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৮: আপীল:
ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।
৩৫.
"Trial de-novo" বলতে কী বোঝায়?
  1. তদন্ত শুরু করা
  2. সাক্ষ্যগ্রহণ বন্ধ রাখা
  3. নতুন করে বিচার শুরু করা
  4. আপিল আবেদন দায়ের করা
সঠিক উত্তর:
নতুন করে বিচার শুরু করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন করে বিচার শুরু করা
ব্যাখ্যা
"Trial de-novo" বলতে বোঝায় "নতুন করে বিচার শুরু করা"।

⇒ "De-novo" শব্দটি ল্যাটিন ভাষার, যার অর্থ হলো "from the beginning" বা "আবার নতুন করে"। সুতরাং, "Trial de-novo" মানে হলো, পূর্বে যে বিচার কার্যক্রম বা সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ করা হয়েছিল তা উপেক্ষা করে একেবারে শুরু থেকে আবার নতুন করে পুরো বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা।

উদাহরণ:
যদি কোনো আদালতে বিচার চলাকালীন বিচারক বদলানো হয়, তবে নতুন বিচারক চাইলে মামলাটি "trial de-novo" হিসাবে শুরু করতে পারেন — অর্থাৎ আগের রেকর্ড বাদ দিয়ে আবার নতুনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ ও বিচার শুরু করতে পারেন।

The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ৩১: নতুনভাবে পুনঃবিচারের উপর নিষেধাজ্ঞা (Bar on trial de-novo):
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, যদি ভিন্নভাবে কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়, তবে- এমন কোনো সাক্ষীকে পুনরায় হাজির করানো বা পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণ করতে বাধ্য থাকবে না, যার সাক্ষ্য ইতোমধ্যে রেকর্ড করা হয়েছে; বা পূর্বে গৃহীত কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে বাধ্য থাকবে না; বরং,
ট্রাইব্যুনাল পূর্বে গৃহীত বা রেকর্ডকৃত সাক্ষ্য ও প্রমাণের উপর ভিত্তি করে বিচার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে এবং মামলা যেই পর্যায়ে রয়েছে, সেই পর্যায় থেকেই বিচার চালিয়ে যেতে পারবে।
৩৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এ সাক্ষী বা ভিকটিমকে হুমকি প্রদানের অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. যাবজ্জীবন
  2. ৭ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
ভিকটিম বা মামলার সাক্ষীকে হুমকি প্রদানের দণ্ড (ধারা ১৪, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২):
কোন ব্যক্তি মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি বা মামলার সাক্ষীকে বা তাহার পরিবারের কোনো সদস্যকে হুমকি প্রদান, ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া এই আইনের অধীন রুজুকৃত কোন মামলার তদন্ত বা বিচারকার্যে কোনরূপ গুরুতর বিঘ্ন সৃষ্টি করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৩৭.
অপরাধ সংঘটনের সময় বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সাথে বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া গেলে, প্রাপ্ত বৈধ মাদকদ্রব্য-
  1. ফেরত দেওয়া হবে
  2. বিক্রি করে দেয়া হবে
  3. বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
  4. আদালতে পেশ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৬: বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্য, বস্তু, ইত্যাদি:
(১) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হইলে মাদকদ্রব্য, মাদকদ্রব্যের সহিত জব্দকৃত অর্থ, সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, উপকরণ, আধার, পাত্র, মোড়ক, যানবাহন অথবা অন্য কোনো বস্তু সম্পর্কে অথবা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সহিত যদি কোনো বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তাহা হইলে উক্ত মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৩) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি অথবা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো যানবাহন ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা জব্দযোগ্য হইবে এবং মামলা রুজুকারী অফিসার সরকারি কার্যের স্বার্থে উক্ত যানবাহন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের জিম্মায় প্রদান করিতে পারিবেন, তবে বিষয়টি এজাহারে উল্লেখ করিতে হইবে।

(৪) জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের আদেশক্রমে উহা ধ্বংস করিতে হইবে।
৩৮.
শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে কী ধরণের আবেদন করা যায়?
  1. শুধু রিট
  2. শুধু আপিল
  3. শুধু রিভিশন
  4. আপিল ও রিভিশন উভয়
সঠিক উত্তর:
আপিল ও রিভিশন উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল ও রিভিশন উভয়
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১: "আপিল ও পুনর্বিবেচনা":
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায়] প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
৩৯.
জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তি দখলের জন্য সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ১০ বছর।
⇒ যদি কেউ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তির ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন, তবে সর্বোচ্চ ১০ বছর এবং সর্বনিম্ন ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৭ – জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল:
(১) কোন ব্যক্তি তাহার নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তির নামে, এমন কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, যাহা অসাধু উপায়ে অর্জিত হইয়াছে এবং তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসংগতিপূর্ণ বলিয়া মনে করিবার যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে এবং তিনি উক্তরূপ সম্পত্তি দখল সম্পর্কে আদালতের নিকট বিচারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বছর এবং অন্যুন ০৩ (তিন) বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; এবং উক্তরূপ সম্পত্তিসমূহ বাজেয়াপ্ত যোগ্য হইবে৷ 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের বিচার চলাকালীন যদি প্রমাণিত হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অপর কোন ব্যক্তির নামে, তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করিয়াছেন বা অনুরূপ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অনুমান করিবে (shall presume) যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধে দোষী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে উক্ত অনুমান খণ্ডন (rebut) করিতে না পারেন; এবং কেবল উক্তরূপ অনুমানের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত কোন দণ্ড অবৈধ হইবে না৷
৪০.
দ্রুত বিচার আইনে বিচার পদ্ধতির জন্য ফৌজদারী কার্যবিধির কোন অধ্যায় অনুসরণ করতে বলা হয়েছে?
  1. Chapter IX
  2. Chapter XX
  3. Chapter XXI
  4. Chapter XXII
সঠিক উত্তর:
Chapter XXII
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chapter XXII
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১০-বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
৪১.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় ইলেকট্রনিক তথ্য প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতার বিধান আছে?
  1. ২৫ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ৩০ ধারা
  4. ৩২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৩০ ধারা: ইলেকট্রনিক তথ্য প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা:
অডিও ভিস্যুয়াল যন্ত্র বা কোন ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে ধারণকৃত সাক্ষ্য প্রমাণ ট্রাইব্যুনালের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য (admissible) হইবে।
৪২.
একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল সর্বোচ্চ কী সাজা দিতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৮: বিশেষ ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা (Powers of Special Tribunals):

যেকোনো প্রচলিত আইনে ভিন্নরূপ কিছু থাকলেও, এই ধারার অধীন নিম্নরূপ ব্যবস্থা করা হয়েছে:
(ক) যদি কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয় সেশন জজ, অতিরিক্ত সেশন জজ, অথবা সহকারী সেশন জজ দ্বারা, তবে
- উক্ত ট্রাইব্যুনাল যে অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে,
- তার জন্য আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করিতে পারিবে।

(খ) যদি কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা, তবে
- উক্ত ট্রাইব্যুনাল যে অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে, তার জন্য
- আইনে অনুমোদিত দণ্ড প্রদান করিতে পারিবে, তবে নিম্নোক্ত দণ্ড প্রদান করিতে পারিবে না:
• মৃত্যুদণ্ড;
• যাবজ্জীবন কারাদণ্ড;
• সাত বছরের বেশি মেয়াদে কারাদণ্ড;
• ১০,০০০ টাকার বেশি অর্থদণ্ড।
৪৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৩ ধারায়, মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত অবৈধ সম্পদ ও অর্থ যাচাইয়ের জন্য কোন আইনের আওতায় ব্যবস্থা নিতে হবে?
  1. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  2. আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪
  3. মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২
  4. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৩: ব্যাংক হিসাব, ইত্যাদি নিরীক্ষা ও নিষ্ক্রিয়করণ:
(১) যদি মহাপরিচালক অথবা তদন্তকারী অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার যথেষ্ট কারণ থাকে যে, কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের সহিত জড়িত থাকিয়া অবৈধ অর্থ ও সম্পদ সংগ্রহে লিপ্ত রহিয়াছেন এবং উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের বিধান অনুসারে কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত তাহার ব্যাংক হিসাব অথবা আয়কর অথবা সম্পদের কর সম্পর্কীয় রেকর্ডপত্র পরীক্ষা করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।

(২) তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ২ এর উপ-ধারা (শ) এ উল্লিখিত সম্পৃক্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ (অবৈধ মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবসা) নিয়ন্ত্রণের জন্য তদন্তকারী অফিসার হিসাবে গণ্য হইবেন এবং তিনি অবৈধ মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ অথবা সম্পদ সম্পর্কে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী তদন্তসহ পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবেন।

(৩) প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত হিসাব অথবা রেকর্ডপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করা কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব নিষ্ক্রিয়করণ (Freezing) করা কিংবা সম্পদ যাচাই-বাছাইয়ের (Scrutinizing) অনুমতি প্রদানের জন্য 23[এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে] আবেদন করিতে পারিবে।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন পেশকৃত আবেদন পর্যালোচনা করিয়া এবং আবেদনকারীকে শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া 24[এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত] আবেদনটি নিষ্পত্তি করিবে এবং যদি তিনি প্রার্থিত অনুমতি যুক্তিসংগত বলিয়া মনে করেন, তাহা হইলে অনুমতি প্রদান করিবেন এবং উহার একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, কর অফিসার অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবে।

(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন অনুমতিপ্রাপ্ত অফিসার তাহার পরীক্ষা-নিরীক্ষার অগ্রগতি ও ফলাফল সম্পর্কে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে নির্ধারিত সময়ে অবহিত করিবে।
৪৪.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী আইনানুগ কর্তৃত্ব ছাড়া ই-ট্রানজেকশন করলে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ২৪ ধারা: আইনানুগ কর্তৃত্ব বহির্ভূত ই ট্রানজেকশনের অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি-
(ক) কোনো ব্যাংক, বিমা বা অন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা মোবাইল আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হইতে কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করিয়া আইনানুগ কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে ই-ট্রানজেকশন করেন, বা

(খ) সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময় সময়, জারিকৃত কোনো ই-ট্রানজেকশনকে অবৈধ ঘোষণা করা সত্ত্বেও ই-ট্রানজেকশন করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘ই-ট্রানজেকশন’ অর্থ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তাহার তহবিল স্থানান্তরের জন্য কোনো ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান অথবা ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব নম্বরে অর্থ জমা প্রদান বা উত্তোলন বা উত্তোলন করিবার জন্য প্রদত্ত নির্দেশনা, আদেশ বা কর্তৃত্বপূর্ণ আইনানুগ আর্থিক লেনদেন এবং কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর।
৪৫.
The Special Powers Act, 1974- এ চোরাচালানের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ২৫খ: চোরাচালানের জন্য শাস্তি (Penalty for smuggling):
(১)যে কেউ- বাংলাদেশে প্রযোজ্য কোনো আইনের অধীনে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে, অথবা যে কেউ কর বা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে-
(ক) পাট, স্বর্ণ বা রূপার বুলিয়ন, স্বর্ণ বা রূপার তৈরি দ্রব্য, মুদ্রা, খাদ্যদ্রব্য, ওষুধ, আমদানিকৃত পণ্য বা অন্য যেকোনো পণ্য বাংলাদেশের বাইরে নেয়, অথবা
(খ) যেকোনো পণ্য বাংলাদেশে নিয়ে আসে,

তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি হবে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা সর্বোচ্চ ১৪ বছর ও ন্যূনতম ২ বছর মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ডে, দণ্ডিত হবেন এবং জরিমানারও অধিকারী হবেন।

(২) যে কেউ-
যেকোনো পণ্য, যার বাংলাদেশে প্রবেশ আইনত নিষিদ্ধ, তা বিক্রি করে, বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে, বা বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের দখলে বা নিয়ন্ত্রণে রাখে, তাহা হইলে তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর ও ন্যূনতম ১ বছর মেয়াদে কারাদণ্ডে, এবং জরিমানায় দণ্ডিত হবেন।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, যদি এ ধরনের নিষিদ্ধ পণ্য কোনো আবাসিক উদ্দেশ্যে নয় এমন ভবনে পাওয়া যায়, তাহলে ধরা হবে- ওই ভবনের মালিক, ভাড়াটে বা দখলকারী ব্যক্তি-ই ওই পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করেছেন। এই ক্ষেত্রে, এটা প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে মালিক বা দখলকারীর উপর যে,
- তিনি উক্ত পণ্য রাখেননি, অথবা
- পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়নি, অথবা
- পণ্য এমন সময় আনা হয়েছিল যখন তা নিষিদ্ধ ছিল না।
৪৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার কত দিনের মধ্যে পলাতক আসামিকে হাজির করার জন্য বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২১ (আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার):
ফৌজদারী কার্যবিধির Section 87, 88 ও 339B এ ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যেক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন এবং তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র গৃহীত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী বিশ দিনের মধ্যে উক্ত অনুপস্থিত বা পলাতক অভিযুক্ত ব্যক্তিকে হাজির করিবার নিমিত্ত তথ্যপ্রযুক্তির যে কোন উপযুক্ত মাধ্যমে বা একটি বাংলা দৈনিক জাতীয় খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা বা অন্যবিধ যুক্তিসংগত যে কোন উপায়ে উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নোটিশ জারি করিয়া হাজির হইবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির না হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করিবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উল্লিখিত বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।]
৪৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ১৪ ধারায় কোন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. জামিন সংক্রান্ত বিধান
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ
  3. আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার
  4. ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১৪- ক্যামেরায় গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা ইত্যাদির সাক্ষ্যমূল্য:
কোন পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত কোন অপরাধ সংঘটন বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ বা উহা সংঘটনে সহায়তা সংক্রান্ত কোন ঘটনার চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র ধারণ বা গ্রহণ করিলে বা কোন কথাবার্তা বা আলাপ আলোচনা টেপ রেকর্ড বা ডিস্কে ধারণ করিলে উক্ত চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র বা টেপ বা ডিস্ক উক্ত অপরাধের বিচারে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।
৪৮.
নিচের কোনটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর অধীনে নিয়ন্ত্রিত বিলির অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তির কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ট্র্যাকিং ডিভাইস স্থাপন
  2. বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা ত্যাগ করতে দেওয়া
  3. বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করতে দেওয়া
  4. উপরোক্ত সব
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৫: গোপন অভিযোগ ও নিয়ন্ত্রিত বিলি:
(৪) উপ-ধারা (১) এর সামগ্রিকতা ক্ষুণ্ন না করিয়া, উক্ত উপ-ধারার অধীন অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি, নিয়ন্ত্রিত বিলি ও গোপন অভিযান চলাকালে এবং তদুদ্দেশ্যে, নিম্নরূপ কার্যাবলি সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:- 
(ক) কোনো বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া; 
(খ) কোনো বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করিতে দেওয়া; 
(গ) কোনো বাহনে প্রবেশ ও তল্লাশির জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তিসংগত শক্তি প্রয়োগ করা; 
(ঘ) কোনো বাহনে গোপন সংকেত প্রদানকারী যন্ত্র (Tracking Device) স্থাপন করা; এবং 
(ঙ) যে ব্যক্তির অধিকারে অথবা হেফাজতে মাদকদ্রব্য রহিয়াছে তাহাকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া। 
(৫) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো গোপন অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণকারী কোনো অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী, উক্ত অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণের জন্য কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের দায়ে দায়ী হইবে না।
৪৯.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এ তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি তথ্য প্রদান করলে, তার বিরুদ্ধে কোন ধরনের মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. দেওয়ানি মামলা
  2. ফৌজদারি মামলা
  3. ক এবং খ উভয়
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৯: "তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের গোপনীয়তা":
(১) তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারী কোনো তথ্য প্রদান বা প্রকাশ করিলে উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনে অভিযোগ দায়ের করা যাইবে না।

(২) এই অধ্যাদেশের অধীন তদন্তের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যাদির গোপনীয়তা রক্ষা করিবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে অনুরূপ লঙ্ঘন হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৪) উপ-ধারা (১) এর আওতায় তদন্তের স্বার্থে প্রকাশিত তথ্য বা উপাত্তের তালিকা উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীকে ষাণ্মাষিক ভিত্তিতে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে জমা প্রদান করিতে হইবে।
৫০.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩৩ ধারা কোন বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. আদালতের রায় কার্যকরকরণ
  2. অপরাধ তদন্তের সময়সীমা নির্ধারণ
  3. মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকরণ
  4. সরকারকে প্রতিবেদন প্রেরণ
সঠিক উত্তর:
সরকারকে প্রতিবেদন প্রেরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারকে প্রতিবেদন প্রেরণ
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ধারা ৩৩: সরকারকে পুলিশ অফিসারের প্রতিবেদন প্রেরণ:
এই আইনের অধীন বিচারযোগ্য কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্কিতভাবে যদি কোনো পুলিশ অফিসার কাউকে গ্রেফতার করেন, তবে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে পেশ করার পরপরই, ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত গ্রেফতারের সংক্রান্ত প্রতিবেদনটির একটি অনুলিপি সরকারকে প্রেরণ করবেন—যাহা সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশিত কোনো অফিসারের মাধ্যমে সম্পন্ন করিতে বলিতে পারে।
৫১.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০- এ ডিএনএ পরীক্ষার ক্ষেত্রে কার অনুমতি আবশ্যক?
  1. ট্রাইব্যুনালের
  2. চিকিৎসকের
  3. পরীক্ষিত ব্যক্তির
  4. তদন্তকারী কর্মকর্তার
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৩২ক অনুযায়ী,
এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং ভুক্তভোগীর ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড) পরীক্ষা করা যেতে পারে। এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য হলো- তদন্তে বৈজ্ঞানিকভাবে সত্যতা যাচাই এবং অপরাধের প্রমাণ সংগ্রহ। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি থাক বা না থাক, তদন্তকারী কর্মকর্তা যদি মামলার ঘটনা ও প্রেক্ষাপট বিচার করে মনে করেন যে ডিএনএ পরীক্ষা প্রয়োজন, তাহলে তিনি ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইন, ২০১৪ (২০১৪ সনের ১০ নং আইন) এবং উক্ত আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালা এর বিধান অনুযায়ী তা করতে পারেন।

তবে, এই পরীক্ষার আগে ট্রাইব্যুনাল বা এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন নিতে হবে। যদি তদন্তকারী কর্মকর্তা অনুমোদন নিয়েও ডিএনএ পরীক্ষা না করেন, তবে তাকে কেন পরীক্ষা করা হয়নি, সেই কারণ এবং অনুমোদনের বিস্তারিত তথ্য তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে।

ধারা ৩২ক-এর উপধারা (২) অনুসারে, যদি এই আইনের অধীনে সংঘটিত ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা ডিএনএ ল্যাবে পাঠানো হয়, তাহলে সেই পরীক্ষা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করতে হবে। পরীক্ষার ফলাফল যত দ্রুত সম্ভব তদন্তকারী কর্মকর্তা, ট্রাইব্যুনাল, অথবা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫২.
'ক' একজন ভিক্ষুক। সে ১০ বছর বয়সী একটি শিশুকে প্রতিদিন তার সঙ্গে রাস্তায় ভিক্ষা করায়। এই কাজের জন্য তার সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৭১: “শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের দণ্ড”:
কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগ করেন বা কোন শিশুর দ্বারা ভিক্ষা করান অথবা শিশুর হেফাজত, তত্ত্বাবধান বা দেখাশুনার দায়িত্বে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগদানে প্রশ্রয়দান করেন বা উৎসাহ প্রদান করেন বা ভিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রদান করেন, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৫৩.
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ কমিশনার সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বন্ধ করতে পারেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৯: মাদকদ্রব্যের দোকান অথবা পানশালা (Bar) সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করিবার ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালকের অনুমোদন ব্যতীত লাইসেন্স প্রাপ্ত কোনো মদের দোকান অথবা পানশালা বন্ধ করা যাইবে না: 

তবে শর্ত থাকে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ কমিশনার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে তাঁহার অধীন কোনো এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বা পানশালা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি লিখিত আদেশ দ্বারা অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের জন্য উক্ত দোকান বা পানশালা বন্ধ করিতে পারিবেন। 

(২) বিশেষ জরুরি অবস্থায় মহাপরিচালকের পূর্বানুমোদনক্রমে এই মেয়াদ আরও ৩০ (ত্রিশ) দিন পর্যন্ত বর্ধিত করিতে পারিবেন। 

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন জারিকৃত কোনো আদেশের অনুলিপি অবিলম্বে মহাপরিচালকের নিকট তাঁহার অবগতির জন্য প্রেরণ করিতে হইবে।
৫৪.
নিচের কোন বয়সের নারীর ক্ষেত্রে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ প্রযোজ্য?
  1. যেকোন বয়স
  2. ১৬ বছরের কম
  3. ১৬ বছরের বেশি
  4. ১৮ বছরের কম
সঠিক উত্তর:
১৬ বছরের বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছরের বেশি
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।]