পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৭ টপিক: ডাটাবেজ সিস্টেম, ইন্টারনেট, WWW, সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক। [ক্লাস ১৪, ১৫ ও ১৬]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
GPRS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. General Private Radio Service
  2. General Public Radio System
  3. Global Packet Radio Service
  4. General Packet Radio Service
ব্যাখ্যা

GPRS এর পূর্ণরূপ হলো General Packet Radio Service। 
- এটি 2G এবং 3G সেলুলার মোবাইল নেটওয়ার্কের একটি ডেটা সার্ভিস।
- এটি GSM (Global System for Mobile Communications) নেটওয়ার্কের একটি আপগ্রেড সংস্করণ, যা মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ইন্টারনেটের সঙ্গে সবসময় যুক্ত থাকার সুবিধা দেয়।
- এটি ব্যবহারকারীদের ই-মেইল, MMS (Multimedia Messaging Service) এবং সীমিত ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের মতো পরিষেবাগুলো ব্যবহার করার সুযোগ করে দেয়।

• বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. GSM [Global System for Mobile Communication):
- GSM হল TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়। 
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে। 
২. CDMA (Code Division Multiple Access):
এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২। ব্রিটানিকা।

.
কোন প্রযুক্তি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে তথ্য বিনিময় করতে সক্ষম করে?
  1. সাইবার সিকিউরিটি
  2. মেশিন লার্নিং
  3. ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
  4. ব্লকচেইন
ব্যাখ্যা

"ইন্টারনেট অফ থিংস" (IoT) হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস (যেমন: গাড়ি, বাড়ির সরঞ্জাম, স্মার্ট সেন্সর ইত্যাদি) ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সংযুক্ত করে এবং ডেটা আদান-প্রদানের সুযোগ তৈরি করে।

IoT (Internet of Things):
- IoT হলো ভৌত বস্তু বা ডিভাইসের একটি নেটওয়ার্ক, যেগুলোকে সেন্সর, সফটওয়্যার এবং অন্যান্য প্রযুক্তি দ্বারা সংযুক্ত করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্যান্য ডিভাইস বা সিস্টেমের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করা।
- IoT প্রযুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু যেমন, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স, স্মার্ট স্বাস্থ্য ডিভাইস, স্বচালিত গাড়ি ইত্যাদি স্মার্ট ডিভাইসে রূপান্তরিত হয়।
- এটি মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- এটি ডেটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে।
- IoT প্রযুক্তি মূলত তিনটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত: সেন্সর, নেটওয়ার্ক সংযোগ এবং ডেটা প্রসেসিং সিস্টেম।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

.
নিচের কোন তথ্যটি ওয়াইফাই (Wi-Fi) সম্পর্কিত সঠিক নয়?
  1. এর কাভারেজ অল্প জায়গা জুড়ে থাকে
  2. এটি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে কাজ করে
  3. এটি লাইসেন্সবিহীন স্পেকট্রাম ব্যবহার করে
  4. এর গতি ওয়াইম্যাক্স (Wi-Max) এর চেয়ে বেশি
ব্যাখ্যা

Wi-Max-এর গতি Wi-Fi এর চেয়ে বেশি। Wi-Max-এর গতি ১০-১০০ Mbps পর্যন্ত হতে পারে এবং কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।

Wi-fi:
- ওয়াই-ফাই বা ওয়্যারলেস ফিডালিটি হচ্ছে একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে।
- এটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমন কম্পিউটার, স্মার্টফোন এবং অন্যান্য গ্যাজেটকে ইন্টারনেট বা লোকাল নেটওয়ার্কের সাথে ওয়্যারলেসভাবে সংযুক্ত করে।
- এটি অল্প জায়গা জুড়ে থাকে। ঘরের ভিতর প্রায় ৩২ মিটার ও বাইরে প্রায় ১০০ মিটার পর্যন্ত এর কাভারেজ থাকে।
- এটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে লাইসেন্সবিহীন স্পেকট্রাম ব্যবহার করে।
- এর গতি অপেক্ষাকৃত কম, প্রায় ১০-৫০ মেগাবিট/সেকেন্ড।
- এতে হাফ ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- বর্তমানে এটি আইইইই ৮০২.১১ জি (IEEE 802.11G) স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত।

Wi-Max:
- Wi-Max হচ্ছে একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগলিক অঞ্চলে দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- এর আওতা বা কাভারেজ বিশাল জায়গা জুড়ে থাকে, প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
- এর খরচ অপেক্ষাকৃত বেশি।
- এর গতি অনেক বেশি। দূরত্বের উপর নির্ভর করে ১০-১০০ মেগাবিট/সেকেন্ড হতে পারে।
- এতে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- এটি আইইইই-৮০২.১৬ (IEEE-802.16) স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
একটি রিলেশনাল ডেটাবেজ সারণীতে ডেটার ক্ষুদ্রতম যৌক্তিক একক কোনটি?
  1. রেকর্ড
  2. ফিল্ড
  3. টেবিল
  4. ডেটাবেজ
ব্যাখ্যা

একটি ডেটাবেজ সারণীর প্রতিটি রেকর্ডের মধ্যে ডেটার ক্ষুদ্রতম ও একক অংশকে ফিল্ড বলা হয়।
- এটি একটি নির্দিষ্ট ধরনের তথ্য ধারণ করে, যেমন একজন ব্যক্তির নাম বা বয়স।

ডাটাবেজ (Database):
- 'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
- সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

ফিল্ড (Field):
- ফিল্ড হলো ডেটার সেই একক, যা একটি নির্দিষ্ট অ্যাট্রিবিউট বা বৈশিষ্ট্যকে বর্ণনা করে।
- যেমন, একটি 'শিক্ষার্থী' টেবিলে 'নাম', 'রোল নম্বর', 'শ্রেণি' ইত্যাদি হলো একেকটি ফিল্ড।
- এই ফিল্ডগুলো ডেটাবেজের তথ্যকে সুসংগঠিত করে।
- ফিল্ডগুলো একটি রেকর্ডের অংশ হিসেবে কাজ করে।

উল্লেখ্য,
- রেকর্ড (Record): টেবিলের একটি সারি, যা একাধিক ফিল্ডের সমষ্টি।
- টেবিল (Table): রেকর্ডের সমষ্টি।
- ডেটাবেজ (Database): এক বা একাধিক টেবিলের সমষ্টি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।

.
নিচের কোনটি ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. Google
  2. Yahoo
  3. DuckDuckGo
  4. Firefox
ব্যাখ্যা

Firefox একটি ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন নয়, বরং এটি একটি ওয়েব ব্রাউজার।

সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

বহুল ব্যবহৃত জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে:
- Google,
- Bing,
- Yahoo,
- Yandex,
- DuckDuckGo,
- Baidu ইত্যাদি।

ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যা ব্যবহারকারীদের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব অ্যাক্সেস করতে এবং ওয়েব পেজ দেখতে সহায়তা করে।
- এর প্রধান কাজ হলো এইচটিএমএল ডকুমেন্ট এবং অন্যান্য ডেটা ওয়েব সার্ভার থেকে নিয়ে এসে ব্যবহারকারীর ডিভাইসে প্রদর্শন করা।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো: 
- Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.

• ব্রাউজার এবং সার্চ ইঞ্জিন উভয়ই ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অপরিহার্য হলেও, এদের ভূমিকা ভিন্ন। ব্রাউজার হলো ডেটা দেখার মাধ্যম, আর সার্চ ইঞ্জিন হলো সেই ডেটা খুঁজে বের করার টুল। 
- উদাহরণস্বরূপ, আপনি Firefox নামক ব্রাউজারে Google নামক সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

.
ইন্টারনেটে ডেটা ট্রান্সমিশনের মূল ভিত্তি কি?
  1. HTTP
  2. TCP/IP
  3. FTP
  4. SMTP
ব্যাখ্যা

ইন্টারনেটে ডেটা ট্রান্সমিশনের মূল ভিত্তি হলো TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol) প্রোটোকল স্যুট। 
- এই প্রোটোকল স্যুট-এর কারণেই বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার এবং নেটওয়ার্ক একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।

TCP/IP:
- TCP/IP এর পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol/Internet Protocol.
- TCP/IP হলো এমন এক সেট প্রোটোকল, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিভাইসগুলোর মধ্যে যোগাযোগের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
- TCP (Transmission Control Protocol) → ডাটা ট্রান্সমিশন সঠিকভাবে এবং সিকোয়েন্স অনুযায়ী পাঠানোর নিশ্চয়তা দেয়।
- IP (Internet Protocol) → প্রতিটি ডাটা প্যাকেটকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে (destination address) পাঠায়।
- TCP/IP ইন্টারনেটের backbone, যা ডাটা ট্রান্সফার এবং কমিউনিকেশন পরিচালনা করে।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
- HTTP (Hypertext Transfer Protocol) হলো ওয়েব ব্রাউজার এবং ওয়েব সার্ভারের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোটোকল।
- FTP (File Transfer Protocol) সার্ভার ও ক্লায়েন্টের মধ্যে ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) হলো ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোটোকল।

সূত্র:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

.
ডেটা এনক্রিপশন প্রক্রিয়ায় ডেটাকে পাঠ-অযোগ্য রূপে রূপান্তরিত করতে কোন উপাদানটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ডিপ্লেইনটেক্সট
  2. ফায়ারওয়াল
  3. এনক্রিপশন অ্যালগরিদম
  4. প্লেইনটেক্সট
ব্যাখ্যা

ডেটা এনক্রিপশন প্রক্রিয়ায়, ডেটাকে পাঠ-অযোগ্য (unreadable) ফর্মে রূপান্তর করার জন্য একটি এনক্রিপশন অ্যালগরিদম বা সাইফার ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি গাণিতিক পদ্ধতি, যা ইনপুট (প্লেইনটেক্সট) এবং একটি কী (Key) ব্যবহার করে এনক্রিপটেড ডেটা (সাইফারটেক্সট) তৈরি করে।

ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস থেকে গন্তব্যে পাঠানোর আগে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে পাঠকের পাঠানো ডেটা অন্য কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা পাঠক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে 'মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য সেই এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের আগে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়।

• ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম নিচে দেওয়া হলো:
১. সিজার কোড (Caesar Code)
২. ডেটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard-DES)

ডেটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট:
- প্লেইনটেক্সট হলো এনক্রিপশন প্রক্রিয়ার আগে থাকা আসল বা মূল ডেটা। 
২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজকে এনক্রিপ্ট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট। এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটি দুর্বোধ্য হয়ে যায়।
৩. এনক্রিপশন অ্যালগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মুলা যা মেসেজ এনক্রিপ্ট করার সময় ব্যবহার করা হয়। এনক্রিপশন অ্যালগরিদম এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট উভয় প্রক্রিয়াতেই ব্যবহৃত হয়।
৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
 তৃতীয় প্রজন্মের (3G) মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত প্রধান রেডিও প্রযুক্তি কোনটি?
  1. GSM
  2. LTE
  3. WCDMA
  4. Wi-Max
ব্যাখ্যা

WCDMA (Wideband Code Division Multiple Access) হলো তৃতীয় প্রজন্মের (3G) মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত প্রধান রেডিও প্রযুক্তি।

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম:
- মূলত ডেটা সার্ভিসের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলস্বরূপ সূচনা ঘটে মোবাইলের তৃতীয় প্রজন্ম বা 3G এর।
- ২০০১ সালে জাপানের এনটিটি ডোকোমো (NTT DoCoMo), WCDMA প্রযুক্তি ব্যবহার করে 3G নেটওয়ার্ক চালু করে।
- এ দশকে থ্রিজি প্রযুক্তির মোবাইল টেলিফোনি কমিউনিকেশন প্রটোকল High-Speed Downlink Packet Access (HSDPA) চালু হয়।
- WCDMA পদ্ধতি পরবর্তীতে UMTS (Universal Mobile Telecommunication System) নামে পরিচিত।
- WCDMA প্রযুক্তিতে CDMA-এর একটি উন্নত সংস্করণ ব্যবহৃত হয়, যা আরও বিস্তৃত ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করার মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সফারের গতি এবং নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।