পরীক্ষা আর্কাইভ

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স

পরীক্ষাস্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
টপিক: বাংলাদেশ বিষয়াবলি (সম্পূর্ন সিলেবাস) উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির সংশ্লিষ্ট বোর্ড বই, বিভিন্ন জাতীয় সমীক্ষা, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ কয় দফা দাবি ঘোষণা করেন?
  1. চার
  2. ছয়
  3. এগারো
  4. একুশ
সঠিক উত্তর:
এগারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগারো
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে পূর্বপাকিস্তানের প্রতি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে তার বহি:প্রকাশ ঘটে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে।
- এসময় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। 
- ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্বপাকিস্তানী নিহত হয়েছিলেন।
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা তাদের মধ্যে অন্যতম। 
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে। 
- আগরতলা মামলা বাতিল হয়। 
- শেখ মুজিব জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রেসকোর্সের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২'-এর মেয়াদকাল -
  1. ১৫ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ২৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
ব্যাখ্যা
 বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -২ আর্থ অবজারভেটরি স্যাটেলাইট।
- ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক মহাকাশযান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে। 
- এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে।
- ফলে দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের জন্য অরবিটাল স্লট প্রয়োজন হবে না।
- এই স্যাটেলাইটের লাইফ টাইম হবে ১৮ বছরের মতো।
- দেশের সমুদ্রসীমায় ‘সি রিসোর্স’ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণে এই স্যাটেলাইট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী। 

উৎস: ২৪ জুলাই, ২০২৩, যুগান্তর। 
.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' বলতে বুঝানো হয় -
  1. নদীর মোহনা
  2. একটি প্লাবন ভূমি
  3. একটু ফুটবল প্লে গ্রাউন্ড
  4. বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।
- এটি ১৪ কিলোমিটার ব্যাপী বঙ্গোপসাগরের গভীর খাদ। 
- এটি সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- এই এলাকাটি বিভিন্ন প্রজাতির ডলফিন এবং তিমির মতো বিপন্ন প্রাণীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড ‘গঙ্গাখাদ’ নামেও পরিচিত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. মতিঝিল, ঢাকা
  2. শাহবাগ, ঢাকা
  3. আগারগাঁও, ঢাকা
  4. কুর্মিটোলা, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর:
- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক একটি জাদুঘর।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- এটি ঢাকার এফ-১১/এ-বি, সিভিক সেক্টর, আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এই জাদুঘরের উদ্বোধন হয় ১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ।
- মুক্তিযুদ্ধের অনেক দুর্লভ বস্তু আছে এই জাদুঘরে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় নিচের কোন স্থানে?
  1. সিলেটের জকিগঞ্জে
  2. ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস
  3. সিলেটের হরিপুরে
  4. সিলেটের কৈলাসটিলা
সঠিক উত্তর:
সিলেটের হরিপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেটের হরিপুরে
ব্যাখ্যা
 হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৫৫ সালে সর্বপ্রথম এখানে গ্যাসের খোঁজ পাওয়া যায়।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- এ পর্যন্ত এখানে সর্বমোট ৭টি গ্যাসকূপ খনন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে। 
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বাংলা সাপ্তাহিক মুখপত্র -
  1. জাগ্রত বাংলা
  2. বাংলাদেশ
  3. স্বাধীন বাংলা
  4. জয়বাংলা
সঠিক উত্তর:
জয়বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়বাংলা
ব্যাখ্যা
 জয়বাংলা:
- জয়বাংলা, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বাংলা সাপ্তাহিক মুখপত্র।
- পত্রিকাটি মূলত ছিল মুজিবনগরে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রচার মাধ্যম।
- এর লক্ষ্য ছিল একদিকে মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি ও মুক্তিযোদ্ধাদের কৃতিত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরা এবং অন্যদিকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টি ও আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভ।
- পত্রিকাটি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশনা, তথ্য, বেতার ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় প্রকাশিত হয়।
- সাপ্তাহিক জয়বাংলা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ১১ মে (২৭ বৈশাখ ১৩৭৮)।
- কলকাতার পার্ক সার্কাসের ২১/১ বালু হাক্কাক লেনে ছিল জয়বাংলা পত্রিকার অফিস দপ্তর।
- পত্রিকাটি মুদ্রিত হয় শিয়ালদহ রেলস্টেশনের অদূরে অবস্থিত মুজিবনগর জয়বাংলা প্রেসে।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে পত্রিকাটি প্রকাশ করেন সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি আবদুল মান্নান ‘আহমদ রফিক’ ছদ্মনামে।
- জয়বাংলা পত্রিকার প্রথম সংখ্যায় মুদ্রিত হয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা।
- পত্রিকাটি ১৯৭১ সালের ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিয়মিত প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে -
- মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত পত্র-পত্রিকার মধ্যে ‘স্বাধীন বাংলা’ ছিল অন্যতম।
- ‘জাগ্রত বাংলা’ ছিল মুক্তিফৌজের সাপ্তাহিক মুখপত্র। পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ১ জুন।
- সাপ্তাহিক ‘বাংলাদেশ’ পত্রিকাটি ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটিতে অধিকৃত বাংলার মানুষের সুখ-দুঃখের কাহিনী, মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা, বঙ্গবন্ধুর চিন্তাধারা, মুক্তি সংগ্রামের গতি-প্রকৃতি, ঘটনাপ্রবাহ এবং রাজনৈতিক কথিকা-সংবলিত প্রবন্ধ ও সংবাদ নিখুঁতভাবে প্রকাশ করা হতো। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ৯ ডিসেম্বর ২০২১, দৈনিক জনকণ্ঠ। [link]
.
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপর নাম কী?
  1. পূর্বাশা দ্বীপ
  2. সেন্টমার্টিন
  3. দুবলার চর
  4. কুতুবদিয়া
সঠিক উত্তর:
পূর্বাশা দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বাশা দ্বীপ
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ:
- এটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান (continental shelf) এলাকায় জেগে ওঠা একটি  উপকূলবর্তী দ্বীপ। 
- দ্বীপটি মূলত গঙ্গা-পদ্মা নদীপ্রণালী-এর বিভিন্ন শাখা নদীর পলল অবক্ষেপণের ফলে গড়ে উঠেছে।
- দ্বীপটির বর্তমান আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার। 
- ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অদূরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ জেগে ওঠে।
- ১৯৭১ সালের মাঝামাঝি সময়ে দ্বীপটির অভ্যুদয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়।
- ভারত নতুন জেগে ওঠা দ্বীপটিকে ‘নিউমুর দ্বীপ’ The New Moore Island) নামে চিহ্নিত করে।
- সে সময় পশ্চিমবঙ্গে দ্বীপটিকে কখনও ‘নিউমুর’ আবার কখনও ‘পূর্বাশা’ নামে অভিহিত করা হতো।
- ভারত সরকারও দ্বীপটিকে নিজ রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভূক্ত বলে দাবী করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের মোট উৎপাদন ক্ষমতা কত?
  1. ৮০০ মেগাওয়াট
  2. ১২০০ মেগাওয়াট
  3. ১,৩২০ মেগাওয়াট
  4. ১৪০০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
১,৩২০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৩২০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত।
- এটি একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা: বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাঃ) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)।
- প্রকল্পের ক্ষমতা: ১,৩২০ (২×৬৬০) মেগাওয়াট ক্ষমতা (সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি)।
- প্রকল্প ব্যয়: ১৬,০০০ কোটি টাকা।

উৎস: বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।
.
শেখ রাসেল সেনানিবাস কোথায় অবস্থিত?
  1. মানিকগঞ্জ
  2. গোপালগঞ্জ
  3. ফরিদপুর
  4. শরীয়তপুর
সঠিক উত্তর:
শরীয়তপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীয়তপুর
ব্যাখ্যা
শেখ রাসেল সেনানিবাস:
- শেখ রাসেল সেনানিবাস বাংলাদেশের শরীয়তপুরের জাজিরায় অবস্থিত।
- পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার জন্য এই সেনানিবাস নির্মাণ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই সেনানিবাসের নাম শেখ রাসেলের নামে রেখেছে।
- ২০২২ সালের ২৯ মার্চ তারিখে এই সেনানিবাস উদ্বোধন করা হয়।
- এটি ২৩৫ একর জমি জুড়ে অবস্থিত।
- এই সেনানিবাসে তিনটি প্রধান ইউনিট রয়েছে।
- পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য গঠিত ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড এই সেনানিবাসে থাকছে।

উৎস: ২৯ মার্চ, ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
১০.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার কোনটি?
  1. দুরন্ত
  2. মোজাইক
  3. ডলফিন
  4. তর্জনী
সঠিক উত্তর:
তর্জনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তর্জনী
ব্যাখ্যা
তর্জনী:
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার ‘তর্জনী’।
- ২০২৩ সালের ৭ মার্চে চালু হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দরাজ কণ্ঠের সাতই মার্চের ভাষণই বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
- সেদিন তার তর্জনী আঙ্গুল এর শক্তি দেখেছিলো পাক হানাদার বাহিনী আর উজ্জীবিত করেছিল বাঙালি জাতিকে। 
- সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই এই বাংলা ব্রাউজারের নামকরণ করা হয়েছে ‘তর্জনী’। 
- ৩০ লক্ষ শহীদ এর বিনিময়ে অর্জন করতে হয়েছে লাল সবুজ এর স্বাধীন দেশ এর পতাকা; তাই এই ব্রাউজারটি করা হয়েছে লাল সবুজের মিশ্রণে ।

অন্যদিকে -
- প্রথম ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হচ্ছে 'মোজাইক'।
- ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রয়ারী ভাষার মাসে যাত্রা শুরু করল দেশের প্রথম বাংলা ভাষাভিত্তিক ব্রাউজার ‘দুরন্ত’। 
- ডলফিন ব্রাউজার হলো অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অপারেটিং সিস্টেম সমর্থিত একধরনের ওয়েব ব্রাউজার।

উৎস: Torjoni browser ওয়েবসাইট।
১১.
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক কী ছিল?
  1. লাঙল
  2. নৌকা
  3. হারিকেন
  4. লাঠিম
সঠিক উত্তর:
নৌকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌকা
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা। 
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা। 
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ। 
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চের নির্বাচন ছিল পূর্ব বাংলায় প্রথম অবাধ ও সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন। 
- ২ এপ্রিল নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়। 
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়, বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট।

যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা:
- যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রীসভা গঠন করে।
• মুখ্যমন্ত্রী, অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগ: শেরেবাংলা এ কে ফজলুল।
• বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার: আবু হোসেন সরকার।
• শিক্ষা: সৈয়দ আজিজুল হক।
• কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবির দ্বিতীয় দফা -
  1. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  2. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  4. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩.
নারী মুক্তিযোদ্ধা কাকন বিবি কোন সম্প্রদায়ের?
  1. খাসিয়া
  2. গারো
  3. চাকমা
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
কাকন বিবি:
- নারী মুক্তিযোদ্ধা কাকন বিবি খাসিয়া সম্প্রদায়ের।
- তার জন্ম ১৯৪৮ সালে সুনামগঞ্জ জেলার এক খাসিয়া পরিবারে।
- তিনি ১৯৭১ সালে ৫নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি করেন।
- যুদ্ধে তিনি পাকবাহিনীর হাতে ধরা পড়লে তার উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।
- কাকন বিবি কে মৌখিক ভাবে বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হলেও তার গেজেট প্রকাশিত হয়নি।

উৎস: i) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী।
         ii) ২২ মার্চ ২০১৮, প্রথম আলো।
১৪.
দেশের প্রথম ‘এআই' সংবাদ উপস্থাপক -
  1. হাসনাহেনা
  2. সন্ধ্যাতারা
  3. অপরাজিতা
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অপরাজিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাজিতা
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ‘এআই’ সংবাদ উপস্থাপক:
- দেশের প্রথম ‘এআই' সংবাদ উপস্থাপক অপরাজিতা।
- প্রথমবারের মতো দেশের কোনো টিভি চ্যানেলে দেখা গেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সংবাদ উপস্থাপক।
- ১৯ জুলাই, ২০২৩ তারিখে বেসরকারি টিভি নেটওয়ার্ক চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের পর্দায় হাজির হয়েছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ উপস্থাপক অপরাজিতা।

উৎস: ১৯ জুলাই, ২০২৩, The Daily Star বাংলা।
১৫.
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী, উচ্চ দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. রংপুর
  2. খুলনা
  3. বরিশাল
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ:
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭ শতাংশ।
- অতি দারিদ্রের হার: ৫.৬ শতাংশ। 

• উচ্চ দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: বরিশাল (২৬.৯%)।
• নিম্ন দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা (১৪.৮%)।

অন্যদিকে -
- ঢাকা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৯%।
- রাজশাহী বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৬.৭%।
- চট্টগ্রাম বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৫.৮%। 
- রংপুর বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.৮%। 
- ময়মনসিংহ বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.২%।
- সিলেট বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৪%।

উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২।
১৬.
বাংলাদেশে মেট্রোরেলের যাত্রা শুরু হয় -
  1. ২২ ডিসেম্বর, ২০২২
  2. ১৮ ডিসেম্বর, ২০২২
  3. ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২
  4. ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২
সঠিক উত্তর:
২৮ ডিসেম্বর, ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ডিসেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ তারিখে।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬। 
- মেট্রোরেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।

এমআরটি লাইন-৬ এর অর্থায়নের অংশ:
- জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা মেট্রোরেল প্রকল্পে যোগ দেয়।
- জাইকা (৫৮.৭৮%) এবং বাংলাদেশ  সরকার (৪১.২২%)।
- এমআরটি লাইন ৬ রেলপথের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশের নির্মাণকাজের জন্য ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে।
- জাইকা এই অর্থের ৭৫.৪৫% ঋণ হিসেবে প্রদান করেছে।
- নির্মাণ বাবদ ০.৭০%, পরামর্শ সেবা বাবদ ০.০১% ও ফ্রন্ট এন্ড ফি বাবদ ০.২% সুদে সরকার এই ঋণ নিয়েছে।
- ঋণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এমআরটি লাইন ৬-এর সেবা চালুর দশ বছর পর্যন্ত আসল সমেত ঋণের সুদ প্রদান করতে হবেনা।
- রেলপথ চালুর ত্রিশ বছর মধ্যে সুদসহ সমস্ত টাকা বুঝিয়ে দিতে হবে।

উৎস: Dhaka Metro Mass Rapid Transit System - Railway Technology.
১৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে, দেশে প্রতি বর্গ কি.মি.তে কতজন লোক বাস করে?
  1. ১১১০ জন
  2. ১১১৯ জন
  3. ১১৩৫ জন
  4. ১১৫৩ জন
সঠিক উত্তর:
১১১৯ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১১৯ জন
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.২২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.তে: ১১১৯ জন। 
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৬৬%।
- পুরুষ: ৭৬.৫৬%।
- নারী: ৭২.৮২%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৮.
বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা -
  1. ৬৭৬ জন
  2. ৬৭৪ জন
  3. ৬৭২ জন
  4. ৬৭০ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে প্রাপ্ত খেতাব বাতিল:
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
- ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- যাঁদের খেতাব বাতিল হলো তাঁরা হলেন:
•  লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম, গেজেট নং ২৫),  
• লে. কর্নেল এস এইচ এম এইচ এম বি নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম, গেজেট নং ৯০),
• লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক, গেজেট নং ২৬৭) এবং
• নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক, গেজেট নং ৩২৯)।
- যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

উৎস: ৬ জুন, ২০২১, প্রথম আলো।
১৯.
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভার 'স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন' মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. তাজউদ্দিন আহমদ
  3. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  4. এম. মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
এ এইচ এম কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন। 
- সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
- তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে। 
- আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের (মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত) সদস্যদের শপথ পাঠ করান। 
- শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থ মন্ত্রণালয়: এম. মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব, 
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২০.
গারোদের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. মাতৃতান্ত্রিক পরিবার
  2. ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী
  3. উৎসব: সোহরাই
  4. আদি ধর্ম 'সাংসারেক'
সঠিক উত্তর:
উৎসব: সোহরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎসব: সোহরাই
ব্যাখ্যা
গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- আশ্বিন মাসে একেক গ্রামের মানুষদের সামর্থ্যানুযায়ী সাত দিন কিংবা তিনদিন ধরে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হতো।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'। 

অন্যদিকে -
- বিজু হলো চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসব।
- সোহরাই হলো সাঁওতালদের উৎসব।
- বৈসুক হলো ত্রিপুরাদের উৎসব।
- সাংগ্রাই হলো মারমাদের উৎসব।

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
২১.
দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার -
  1. জিয়াউর রহমান
  2. রিফাত বিন সাত্তার
  3. নিয়াজ মোর্শেদ
  4. আব্দুল্লাহ আল রাকিব
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার:
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান।
- ২০০২ সালে দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার হন জিয়াউর রহমান।
- তিনি বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফিদে রেটিং অর্জন করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৭ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে বাংলাদেশের নিয়াজ মোর্শেদ প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার খেতাব জয় করেন।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- নিয়াজ মোর্শেদ, জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার, আব্দুল্লাহ আল রাকিব, এনামুল হোসেন রাজীব এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে এই পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

উৎস: i) ২২ মে, ২০২২, কালের কন্ঠ।
         ii)  ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, বাংলাদেশ প্রতিদিন।
২২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা কত নং সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ২ নং
  2. ৪ নং
  3. ৫ নং
  4. ১ নং
সঠিক উত্তর:
২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।

তন্মধ্যে,
- চট্টগ্রাম: ১নং সেক্টর,
- ঢাকা: ২ নং সেক্টর,
- রংপুর: ৬ নং সেক্টর,
- রাজশাহী: ৭ নং সেক্টর,
- মুজিবনগর: ৮ নং সেক্টর,
- সুন্দরবন: ৯ নং সেক্টর।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল: ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও -বঙ্গোপসাগর)।

উল্লেখ্য,
- ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৩.
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় 'মিধিলি'-এর নামকরণ করে কোন দেশ?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. মালদ্বীপ
  4. মায়ানমার
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় 'মিধিলি':
- বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় 'মিধিলি' ১৭ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে।
- এর গতিবেগ ছিক ঘণ্টায় ৬৫ কিলোমিটার।
- ‘মিধিলি’ নামটি দিয়েছে মালদ্বীপ।
- ‘মিধিলি’ অর্থ ‘ফলপ্রসু বিষয়’।

উল্লেখ্য,
- বিশ্ব আবহওয়া সংস্থার অধিভুক্ত প্রশান্ত-মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৩টি দেশের প্রস্তাবিত নামগুলো পরপর প্রয়োগ করা হয়।
- আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, যে মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়-তার অববাহিকায় থাকা দেশগুলো নামকরণ করে।
- পৃথিবীতে মোট ১১টি সংস্থা ঝড়ের নামকরণ করে থাকে।
- মিধিলির পরের নামটি মায়ানমারের ‘মিগজাউম’।
- এরপর আসবে ওমানের ‘রেমাল’।
- তারপর আসবে পাকিস্তানের দেওয়া ‘আসনা’।
- বাংলাদেশের দেওয়া সবশেষ নামটি ছিল ‘বিপর্যয়’।
- ২০২০ সালে মোট ১৩টি দেশ ১৩টি করে মোট ১৬৯টি নাম দেয়।
- ১৩ টি দেশ হলো: বাংলাদেশ, ভারত, মলদ্বীপ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ইরান, কাতার, সৌদি আরব, আরব-আমিরাত এবং ইয়েমেন।
- ডব্লিওএমও-র ভারতীয় উপমহাদেশের এই সদস্য দেশগুলোই নাম দেয়।

উৎস: ১৭ নভেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
২৪.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কয়টি পণ্যকে ভৌগোলিক নির্দেশক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৬টি
  2. ১৭টি
  3. ১৮টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭টি
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
- বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।
- এরপর একে একে ঢাকাই মসলিন, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ, বাংলাদেশি কালিজিরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম, ইলিশ, বাগদা চিংড়িসহ ১৭টি পণ্য জিআই সনদ পায়।

উল্লেখ্য,
- দেশে এ পর্যন্ত ১৭টি পণ্যকে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- দেশের ১৭ তম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেল নাটোরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি 'কাঁচাগোল্লা'।

উৎস: i) প্রথম আলো, ০৬ নভেম্বর, ২০২২।
         ii) ১০ আগস্ট, ২০২৩, The Business Standard.
২৫.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন কে?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. আমিরুল ইসলাম
  3. ইউসুফ আলী
  4. এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বলতে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বোঝানো হয়।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়।
- ৭ম  তফসিলে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৬.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল কত সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশ পেয়েছিল প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসর।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের প্রথম জয়টা পায় ২২ ম্যাচ হারের পর। 
- ১৯৯৮ সালে মোহাম্মদ রফিকের অসাধারণ নৈপুণ্যে (৭৭ রান ও ৩ উইকেট) কেনিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের মাটিতে জয় পায় বাংলাদেশ। 
- প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে। 
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে। 

উৎস: প্রথম আলো, ০৬ আগস্ট, ২০২০।
২৭.
কোন রকেটের মাধ্যমে 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১' উৎক্ষেপণ করা হয়?
  1. ফ্যালকন ১
  2. ফ্যালকন ৩
  3. ফ্যালকন ৯
  4. ফ্যালকন ১১
সঠিক উত্তর:
ফ্যালকন ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যালকন ৯
ব্যাখ্যা
 বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১: 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু- ১। 
- বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও রয়েছে এতে।
- বাংলাদেশ সময় ১২ মে, ২০১৮ তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট– ১' মহাকাশে পাঠানো হয়।
- 'ফ্যালকন ৯' রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ-এর মাধ্যমে 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১' উৎক্ষেপণ করা হয়। 
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যায়। 
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
- এর মেয়াদ ১৫ বছর।
- এই স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৮.
বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ে পদ্মা সেতু দিয়ে কোন দুটি ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে?
  1. বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস
  2. সুবর্ণ এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস
  3. বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুবর্ণ এক্সপ্রেস
  4. কুয়াকাটা এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস
ব্যাখ্যা
বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস:
- বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেন দুটি পদ্মা সেতু দিয়ে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
- পদ্মা সেতু দিয়ে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয় নভেম্বর, ২০২৩ থেকে।
- বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে চলাচল করছে বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেন দুটি।
- খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ১ নভেম্বর থেকে পদ্মা সেতু দিয়ে চলাচল শুরু করে।
- ২ নভেম্বর পদ্মা সেতু হয়ে বেনাপোলগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস চলাচল শুরু করবে।

উৎস: ২৯ অক্টোবর ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
২৯.
বাংলাদেশ প্রথম লোহার খনি আবিস্কৃত হয় কোন জেলায়?
  1. দিনাজপুর
  2. রংপুর
  3. কুড়িগ্রাম
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনি।

উৎস: ১৮ জুন ২০১৯, প্রথম আলো।
৩০.
বাংলাদেশে 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন' প্রণীত হয় -
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন:
- দুর্যোগ মোকাবেলা বিষয়ক কার্যক্রমকে সমন্বিত, লক্ষ্যভিত্তিক ও শক্তিশালী করা এবং সকল ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কাঠামো গড়িয়া তুলিবার নিমিত্ত বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- ২০১২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এই আইন প্রণীত হয়।
- ২০১২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করে। 
- বাংলাদেশের সংসদে 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২' পাসের মাধ্যমে এই অধিদপ্তর গঠিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।