পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

পরীক্ষাবিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯৪
সিলেবাস
৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি: বিসিএস জব সল্যুশন রিভিশন পরীক্ষা - ২ পরীক্ষার টপিক: ৪৮তম বিশেষ বিসিএস (স্বাস্থ্য) প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট) ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ৩৯তম বিশেষ বিসিএস (স্বাস্থ্য) প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট)। ১০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৯৪ প্রশ্ন

.
বাংলা শব্দ ভান্ডারে অনার্য জাতির ব্যবহৃত শব্দ- 
  1. তৎসম 
  2. তদ্ভব
  3. দেশি 
  4. বিদেশি
ব্যাখ্যা

বাংলা শব্দ ভাণ্ডারে অনার্য জাতির ব্যবহৃত শব্দই দেশি শব্দ।

• দেশি শব্দ:
- বাংলার প্রাচীন অধিবাসীদের ভাষা থেকে নেওয়া যে শব্দগুলো আজও অপরিবর্তিতভাবে ব্যবহৃত হয়, সেগুলো দেশি শব্দ নামে পরিচিত।
- বাংলার প্রাচীন অধিবাসী—যেমন দ্রাবিড়, অনার্য, কোল, মুণ্ডাসহ ইত্যাদি জনগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি থেকে কিছু শব্দ আজও বাংলায় টিকে আছে। এই শব্দগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়।
- অনেক ক্ষেত্রে এসব শব্দের সঠিক উৎস জানা না গেলেও কোন ভাষা থেকে এসেছে, তার ধারণা পাওয়া যায়; যেমন—
- কুড়ি (বিশ) কোল ভাষা থেকে এসেছে;
- পেট (উদর) তামিল থেকে এসেছে;
- আর চুলা (উনুন) মুণ্ডারী ভাষা থেকে এসেছে।
- আর ও কিছু উদাহরণ: জমজম, জারুল, কুলা, গঞ্জ, ঢেঁকি, টোপর, বেগুনী, কালো, পেট, ডাব, গজ, টোপ, ডিঙ্গা, চাউল, ময়না, খিচুড়ি, রুই, সেমাই ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• তৎসম শব্দ:
- যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং ব্যবহারের সময় যেগুলোর মূল রূপ সাধারণত অপরিবর্তিত থাকে সেগুলোই তৎসম শব্দ।
- “তৎসম” শব্দটি ‘তৎ’ (তার) ও ‘সম’ (সমান)—এই দুই অংশ থেকে এসেছে, অর্থাৎ “সংস্কৃতের সমান”।
- উদাহরণ: কমলা, ধর্ম, শাক, নারিকেল, চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, গৃহ, ভাষা, দধি, নীল ইত্যাদি।

• তদ্ভব শব্দ:
- যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় পৌঁছেছে, সেগুলো তদ্ভব শব্দ।
- এসব শব্দের মূল সংস্কৃত হলেও ধ্বনিগত পরিবর্তনের ফলে বাংলায় এদের রূপ অনেকটাই ভিন্ন হয়েছে। বাংলায় নিজস্ব রূপে ব্যবহৃত এসব শব্দকে একেবারে স্বতন্ত্র ধরা হয়।
- তদ্ভব শব্দকে অনেকে খাঁটি বাংলা শব্দও বলে থাকেন।
- উদাহরণ : আকাশ, বাতাস, পাখি, পাতা, কান, হাত, চাঁদ, চামার, মা ইত্যাদি।

উৎস: 
ভাষা-শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ, 
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ),
বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

• বাংলা বর্ণমালায় মোট দুটি যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ পাওয়া যায়।

♦যৌগিক স্বর:
- যখন পাশাপাশি দুটো স্বরধ্বনি দ্রুত উচ্চারিত হয়ে একটিমাত্র মিলিত ধ্বনি সৃষ্টি করে, তাকে যৌগিক স্বর বা দ্বিস্বর বলা হয়।
- এই সংযুক্ত ধ্বনি তৈরি হয় দুইটি স্বর একসঙ্গে উচ্চারণের ফলে।
- উদাহরণ:
• অ + ই → অই (কৈশোর)।
• অ + উ → অউ (ছাউনি)।
• অ + এ → অয় (ময়না)।
• অ + ও → অও (হও, লও)
- বাংলা ভাষায় এ ধরনের যৌগিক স্বরধ্বনি প্রায় পঁচিশটি আছে।
- তবে বাংলা বর্ণমালায় শুধুমাত্র দুটি স্বরবর্ণই যৌগিক স্বরজ্ঞাপক, তা হলো— ঐ এবং ঔ।
- উদাহরণ: কৈ, বৌ।
- অন্যান্য যৌগিক স্বরের আলাদা কোনো বর্ণচিহ্ন নেই।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
চন্ডীচরণ মুনশী কে?
  1. শ্রীরামপুর মিশনের লিপিকর
  2. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত
  3. কেরী সাহেবের মুন্সী গ্রন্থের রচয়িতা
  4. সমাচার চন্দ্রিকা পত্রিকার সম্পাদক
ব্যাখ্যা

 • চণ্ডীচরণ মুনশী:
- চণ্ডীচরণ মুনশী ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম বাঙালি লেখক ছিলেন।
- এছাড়া, তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা ভাষার অধ্যাপক ও ছিলেন।
- তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গদ্যকর্ম ‘তোতা ইতিহাস’।
- ফার্সি গ্রন্থ ‘তুতিনামা’-এর বাংলা অনুবাদ থেকেই এই গ্রন্থটি তৈরি।
- তিনি ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দে অনুবাদটি সম্পন্ন করেন।
- এই গ্রন্থটি বাংলা গদ্য সাহিত্যের প্রাচীনতম উদাহরণগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত।

 অন্যদিকে,
• ‘কেরী সাহেবের মুনশী' উপন্যাসটি লিখেছেন প্রমথনাথ বিশী।
• এটি ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার জন্য তিনি ১৯৬০ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন।
• উইলিয়াম কেরি যখন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান হলেন, সে সময় রামরাম বসু খ্রিস্টান মিশনারি পাদ্রিদের বাংলা শেখাতেন।
•পরে কেরি তাঁর কাজের দক্ষতা দেখে রামরাম বসুকে বাংলা বিভাগের মুনশী  হিসেবে নিয়োগ দেন।
• রামরাম বসুকে ‘কেরী সাহেবের মুনশী' বলা হয়, কারণ তিনি উইলিয়াম কেরীকে বাংলা ভাষা শিক্ষা দিয়েছিলেন।
• ‘সমাচার চন্দ্রিকা’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। 

উৎস: 
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকের ইংরেজি অনুবাদক -
  1. জশুয়া মার্শম্যান
  2. ডেভিড হেয়ার
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা

♦ নীলদর্পণ নাটক:
- ‘নীলদর্পণ’ (১৮৬০) দীনবন্ধু মিত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাটক এবং তাঁর সাহিত্যজীবনের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।
- নাটকের মূল বিষয় হল সে সময়ের নীলচাষ ব্যবস্থা, নীলকর সাহেবদের নির্যাতন, এবং শাসকগোষ্ঠীর পক্ষপাতমূলক আচরণ।
- প্রকাশের পর এই নাটক তৎকালীন সমাজে ব্যাপক আলোড়ন তোলে এবং কৃষকদের নীলবিদ্রোহে উৎসাহ জোগায়।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেন।
- পাদ্রি জেমস লং অনুবাদটি প্রকাশ করায় আদালত তাঁকে অর্থদণ্ড দেয়।
- বঙ্কিমচন্দ্র এই নাটকটিকে ‘আঙ্কল টমস কেবিন’—এর সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।
- রচনার পর থেকে আজ পর্যন্ত এটি জাতীয় চেতনার এক উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।
- এটি বিদেশি ভাষায় অনূদিত প্রথম বাংলা নাটক।
- ১৮৬০ সালে ‘কস্যচিৎ পথিকস্য’ ছদ্মনামে প্রথম ঢাকায় নাটকটি প্রকাশিত হয়।
- ১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর সাধারণ রঙ্গালয়-এর অভিনয় শুরু হয় এই নাটক দিয়েই।

♦ দীনবন্ধু মিত্র:
- দীনবন্ধু মিত্র ১৮৩০ সালে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম ছিল গন্ধর্বনারায়ণ।
- ১৮৭১ সালে লুসাই যুদ্ধ চলাকালে তিনি কাছাড় অঞ্চলে ডাক বিভাগের দায়িত্ব সফলভাবে সম্পন্ন করেন; এই কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার তাঁকে ‘রায়বাহাদুর’ উপাধি দেয়।
- তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা ও নাটক হলো ‘নীলদর্পণ’।

• দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন:
- সধবার একাদশী,
- বিয়ে পাগলা বুড়ো,
- জামাই বারিক।

• দীনবন্ধু মিত্রের নাটক:
- লীলাবতী,
- নবীন তপস্বিনী,
- কমলে কামিনী।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

.
'যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী,
সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।' - কবিতাংশটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
  1. নূরনামা
  2. নসিহতনামা
  3. মধুমালতী
  4. ইউসুফ-জুলেখা
ব্যাখ্যা

যে সব বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী,
 সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি”—
এই পংক্তি আবদুল হাকিমের ‘নূরনামা’ কাব্যের অন্তর্গত ‘বঙ্গবানী’ কবিতা থেকে নেওয়া
- এতে কবি বলেন – যারা বাঙালি হয়ে বাংলা ভাষাকে হেয় করে, তাদের জন্ম-পরিচয় পর্যন্ত বোঝা যায় না।

• আবদুল হাকিম:
- আবদুল হাকিম ছিলেন সপ্তদশ শতকের একজন বিশিষ্ট মুসলিম কবি।
- তাঁর বসবাস নোয়াখালীর বাবুপুর গ্রামে; কারও মতে তিনি সন্দ্বীপের সুধারাম এলাকায় অধিবাসী ছিলেন।
- আবদুল হাকিম প্রধানত প্রণয়োপাখ্যানের কবি ছিলেন।
- আরবি, ফারসি ও সংস্কৃত – এই তিন ভাষায় তিনি ছিলেন অত্যন্ত পারদর্শী।
- হাদিস, কোরআন, ফিকহসহ ইসলামী শাস্ত্রে যেমন দক্ষ ছিলেন, তেমনি রামায়ণ, মহাভারত ও পুরাণ সম্পর্কেও তাঁর গভীর জ্ঞান ছিল।

• আবদুল হাকিমের ৫টি কাব্য পাওয়া যায়:
- ইউসুফ জোলেখা,
- নূরনামা,
- দুররে মজলিশ,
- লালমোতি সয়ফুলমুলক,
- হানিফার লড়াই।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

.
'তাম্বূলিক' শব্দের সমার্থক নয় কোনটি?
  1. তামসিক
  2. বারুই
  3. পান-ব্যবসায়ী
  4. পর্ণকার
ব্যাখ্যা

• তাম্বূলিক’ শব্দের সমার্থক নয় –‘তামসিক’; 
কারণ ‘তামসিক’ অর্থ : ঘন অন্ধকারপূর্ণ বা অন্ধকারাচ্ছন্ন।

অন্যদিকে,
• তাম্বূলিক’ বলতে বোঝায় পান-ব্যবসায়ী।
• ‘বারুই’ হলো সেই সমস্ত লোক, যারা পান চাষ ও বিক্রি উভয় কাজই করে।
• ‘পর্ণকার’ শব্দও পান বিক্রেতা বা পান ব্যবসায়ী অর্থে ব্যবহৃত হয়।
• অতএব, ‘তাম্বূলিক’ শব্দের সমার্থক →পান ব্যবসায়ী, বারুই ও পর্ণকার।

উৎস: 
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
কোনটি ব্যতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ?
  1. অজানা
  2. দোতলা
  3. আশীবিষ
  4. কানাকানি
ব্যাখ্যা

• কানাকানি ব্যতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ।

♦ বহুব্রীহি সমাস:

যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ:
- নদী মাতা যার = নদীমাতৃক, 
- বান্ধবসহ বর্তমান = সবান্ধব, 
- বি (বিগত) হয়েছে পত্নী যার = বিপত্নীক, 
- নীল বসন যার = নীলবসনা। 

ব্যতিহার বহুব্রীহি:
ব্যতিহার বহুব্রীহি এমন এক ধরনের বহুব্রীহি সমাস, যেখানে একই ধরনের দুটি বিশেষ্য পদের পারস্পরিক বা একজাতীয় ক্রিয়া থেকে একটি নতুন অর্থ তৈরি হয়।
- এ সমাসে সাধারণত পূর্ব  পদের সঙ্গে ‘আ’ এবং পরপদের সঙ্গে ‘ই’ যুক্ত হয়ে শব্দগঠিত হয়।
-  ব্যতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ:
• হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি।
• কানে কানে যে কথা = কানাকানি।
• গলায় গলায় যে মিলন = গলাগলি।
• লাঠিতে লাঠিতে যে সংঘর্ষ = লাঠালাঠি।
• একে অপরকে কোলাকুলি করে = কোলাকুলি।
• হাসিতে হাসিতে যে কাজ = হাসাহাসি।
• ঘুসা দিয়ে যে মারামারি = ঘুসাঘুষি।

অন্যদিকে, 
- না (নয়) জানা যা = অজানা; এটি নঞবহুব্রীহি সমাস।
- দুই তলা যার = দোতলা, এটি প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস।
- আশাতে বিষ যার = আশীবিষ; এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাস।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
'বেদান্তগ্রন্থ' ও 'বেদান্তসার' কার রচনা?
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. গোলকনাথ শর্মা
  3. রামরাম বসু
  4. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
ব্যাখ্যা

‘বেদান্তগ্রন্থ’ এবং ‘বেদান্তসার’ রচনা করেছেন রাজা রামমোহন রায়।

রাজা রামমোহন রায়:
- রাজা রামমোহন রায় ছিলেন একজন ভারতীয় সমাজ সংস্কারক।
- তিনি কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, ভারতীয় শিক্ষার একজন পথিকৃৎ ছিলেন এবং
- বাংলা গদ্য ও ভারতীয় সংবাদপত্রের ধারা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- বাংলার নবজাগরণের আদি পুরুষ রাজা রামমোহন রায় জন্মগ্রহণ করেন ১৭৭২ সালের ২২ মে, হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত ব্রাহ্মণ পরিবারে।
- ১৮৩০ সালে মুগল সম্রাট দ্বিতীয় আকবর তাঁকে ‘রাজা’ খেতাব প্রদান করেন।
- ২০ আগস্ট, ১৮২৮ সালে কলকাতায়, প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের সহায়তায় তিনি ‘ব্রাহ্মসমাজ’ প্রতিষ্ঠা করেন।
- রামমোহন রায় প্রায় ৩০টি গ্রন্থ রচনা করেছেন।

- প্রধান রচনাসমূহ:
• বেদান্তগ্রন্থ,
• বেদান্তসার,
• ভট্টাচার্যের সহিত বিচার,
• গোস্বামীর সহিত বিচার,
• সহমরন বিষয়ক প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ,
• গৌড়ীয় ব্যাকরণ।

উৎস: 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

.
'খনার বচন' - এর মূলভাব কী?
  1. লৌকিক প্রণয়সঙ্গীত
  2. শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি
  3. সামাজিক মঙ্গলবোধ
  4. রাষ্ট্র পরিচালনা নীতি
ব্যাখ্যা

• ‘খনার বচন’ একটি প্রসিদ্ধ বাংলা সাহিত্যকর্ম, যা মানুষের জন্য শুদ্ধ ও সঠিক জীবনযাপনের গুরুত্বকে উজ্জীবিত করে।

খনার বচন:
- খনার বচন হলো মূলত কৃষি, জ্যোতিষ, এবং জীবনযাপন সম্পর্কিত উপদেশমূলক ছড়া বা উক্তি।
- আনুমানিক ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে একজন জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী বাঙালি নারী খনা এই বচনগুলো রচনা করেন।
- খনার বচন রচয়িতার প্রকৃত নাম লীলাবতী। 
- 'খনার বচন'- এর মূলভাব: শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি।
- ইংরেজির saying বা proverb এবং বাংলার প্রবাদর সঙ্গে এর মিল থাকলেও, খনার বচনের তাৎপর্য আরও বিস্তৃত ও ভিন্ন।
- সাধারণত বিধিবিধান, নীতি ও উপদেশমূলক বাক্যকে বচন বলা হয়। যেমন: গুরুর বচন, মহাপুরুষের বচন ইত্যাদি।
- বাংলায় ডাক ও খনার উক্তি বচনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
- খনার বচনের উদাহরণ:
• 'কলা রুয়ে না কেটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত' বা 
• 'নারিকেল গাছে নুনে মাটি, শীঘ্র শীঘ্র বাধে গুটি'।

উৎস: 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 
বাংলাপিডিয়া।

১০.
'তুমি তো ভারি সুন্দর ছবি আঁক!' -বাক্যটিতে কোন প্রকারের অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অনন্বয়ী অব্যয়
  2. অনুকার অব্যয়
  3. পদান্বয়ী অব্যয়
  4. অনুসর্গ অব্যয়
ব্যাখ্যা

♦ অনন্বয়ী অব্যয়:
- অনন্বয়ী অব্যয় হলো এমন একটি অব্যয়, যা বাক্যের অন্য কোনো পদের সঙ্গে ব্যাকরণগতভাবে যুক্ত নয়। এই ধরনের অব্যয় মূলত মনের আবেগ, সম্বোধন বা বিস্ময় প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়। বাক্যের অন্যান্য পদের সঙ্গে এরা কোনো সংযোগ স্থাপন করে না।

- 'তুমি তো ভারি সুন্দর ছবি আঁক!'- বাক্যটিতে 'তো' অব্যয়টি অনন্বয়ী অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা বাক্যের অন্য পদের সাথে সরাসরি সম্বন্ধ না রেখে একটি বিশেষ ভাব (এখানে প্রশংসা বা জোর) প্রকাশ করে।

উদাহরণ:
• আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ:
- "বাঃ!" কী সুন্দর দৃশ্য!
- "আহা!" বেচারি খুব কষ্ট পেয়েছে।

• আফসোস প্রকাশ:
- "হায়," আমার কপালে কি এই ছিল?

• সম্বোধন প্রকাশ:
- "ওহে," এদিকে এসো।
- "মা," আমাকে আশীর্বাদ করো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১১.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. দুর্বলবশত অনাথিনী বসে পড়ল।
  2. দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল।
  3. দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল।
  4. দুর্বলবশত অনাথা বসে পড়ল।
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বাক্য: দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল।
- অনাথা: ‘অনাথ’ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ।
- যেহেতু বাক্যে একজন নারীকে নির্দেশ করা হয়েছে, তাই স্ত্রীবাচক শব্দ ‘অনাথা’ ব্যবহার করা হলো।
- ‘অনাথিনী’ ব্যাকরণগতভাবে ভুল বা অপ্রচলিত।

অন্যদিকে, 
• দুর্বলবশত অনাথিনী বসে পড়ল: এখানে ‘দুর্বলবশত’ এবং ‘অনাথিনী’ উভয়ই ভুল।
• দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল: এখানে ‘অনাথিনী’ ভুল।
- এবং বাংলা ভাষার বর্তমান রীতি অনুযায়ী শব্দের শেষে ‘ঃ’ ব্যবহার হয় না, তাই ‘দুর্বলতাবশতঃ’ অশুদ্ধ।
• দুর্বলবশত অনাথা বসে পড়ল: এখানে ‘দুর্বলবশত’ ভুল।

- কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্যশুদ্ধি:
• অশুদ্ধ: ইহার আবশ্যক নেই।
 শুদ্ধ: ইহার আবশ্যকতা নেই।
• অশুদ্ধ: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্য হয়েছে।
 শুদ্ধ: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।
• অশুদ্ধ: বিধি লঙ্ঘন হয়েছে।
 শুদ্ধ: বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।

উৎস: 
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; 
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২.
'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত প্রথম কবিতা-
  1. অগ্রপথিক
  2. বিদ্রোহী
  3. প্রলয়োল্লাস
  4. ধূমকেতু
ব্যাখ্যা

• বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' (১৯২২) ।
- এ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা ' প্রলয়োল্লাস'।

♦ কাজী নজরুল ইসলাম :
- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন একজন বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার, দার্শনিক, এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার ডাকনাম ছিল দুখু মিয়া।
- বাংলা সাহিত্যে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে পরিচিত।
- আধুনিক বাংলা সঙ্গীতে তিনি বুলবুল নামে খ্যাত।
- নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো — অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, চক্রবাক, প্রলয় শিখা, দোলনচাঁপা ও ভাঙার গান।
- অগ্রপথিক কবিতাটি নজরুল ইসলামের 'জিঞ্জীর' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
-তাঁর গল্পগ্রন্থ — শিউলিমালা, বেদনার দান ও পদ্মগোখরা।
-তাঁর নাটক — আলেয়া, ঝিলিমিলি, মধুমালা ও পুতুলের বিয়ে।
-তাঁর উপন্যাস — বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা।

♦ অগ্নিবীণা :
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় কবিতা হলো বিদ্রোহী, যার জন্য মূলত তাকে ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়।
- কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হলো প্রলয়োল্লাস।
- নজরুল তাঁর কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেছেন।
- ধূমকেতু ও বিদ্রোহী কবিতাও অগ্নিবীণার অন্তর্গত। 

- অগ্নিবীণা তে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে। এগুলো হলো:
• প্রলয়োল্লাস, 
• বিদ্রোহী,
• রক্তাম্বর-ধারিণী মা,
• আগমণী,
• ধূমকেতু,
• কামাল পাশা,
• আনোয়ার,
• রণভেরী,
• শাত-ইল-আরব,
• খেয়াপারের তরণী,
• কোরবানী,
• মহররম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

১৩.
'আনারস' এবং 'চাবি' শব্দ দুটি বাংলা ভাষা গ্রহণ করেছে-
  1. পর্তুগিজ ভাষা হতে
  2. আরবি ভাষা হতে
  3. দেশী ভাষা হতে
  4. ওলন্দাজ ভাষা হতে
ব্যাখ্যা

• আনারস ও চাবি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ।

♦ পর্তুগিজ শব্দ:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু পর্তুগিজ শব্দ হলো:
• গির্জা,
•  চাবি,
• গুদাম,
• আলমারি,
• আনারস,
• পেয়ারা,
• সাবান,
• কেরানি,
• পাদ্রি,
• বালতি,
• কেদারা,
• কামরা,
• জানালা,
• বারান্দা,
• আলমারি,
• গুদাম,
• পেঁপে,
• পাউরুটি,
• তোয়ালে,
• বোতাম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৪.
'রত্নাকর' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ-
  1. রত্না + কর
  2. রত্ন + কর
  3. রত্না + আকার
  4. রত্ন + আকর
ব্যাখ্যা

'রত্নাকর' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ- রত্ন + আকর।
• স্বরসন্ধির নিয়মে ‘রত্ন’ এর শেষ ‘অ’ এবং ‘আকর’ এর প্রথম ‘আ’ ধ্বনির মিলনে আ-কার উৎপন্ন হয়েছে।

♦ স্বরসন্ধি:
- দুটি শব্দের মধ্যে প্রথম শব্দের শেষ স্বর এবং দ্বিতীয় শব্দের প্রথম স্বর মিলিত হয়ে একটি নতুন স্বরধ্বনি তৈরি করে।
• স্বরসন্ধির কিছু নিয়ম ও উদাহরণ:
• অ + অ = আ।
- উদাহরণ:
- নর + অধম = নরাধম,
- উত্তরাধিকার = উত্তর + অধিকা্‌
- হিমাচল = হিম + অচল,
- প্রাণাধিক = প্রাণ + অধিক, ইত্যাদি।

• অ + আ = আ।
- উদাহরণ:
- হিমালয়: হিম + আলয় = হিমালয়,
- দেবালয়: দেব + আলয় = দেবা লয়,
- রত্ন + আকর = রত্নাকর,
- সিংহাসন = সিংহ + আসন, ইত্যাদি।

• আ + অ = আ।
- উদাহরণ:
- যথা + অর্থ = যথার্থ,
- আশাতীত =আশা + অতীত,
- কথামৃত = কথা + অমৃত,
- মহার্ঘ = মহা + অর্ঘ, ইত্যাদি।

• আ + আ = আ।
- উদাহরণ:
- বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়,
- কারাগার = কারা + আগার,
- মহাশয় =মহা + আশয়,
- সদানন্দ = সদা + আনন্দ, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৫.
কোন শব্দে বিদেশি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. নিখুঁত
  2. আনমনা
  3. অবহেলা
  4. নিমরাজী
ব্যাখ্যা

'নিমরাজী' শব্দটিতে বিদেশি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে।

♦উপসর্গ:
- এক ধরণের অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা কোনো শব্দ বা ধাতুর আগে যুক্ত হয়ে তার অর্থে পরিবর্তন, সংকোচন বা সম্প্রসারণ ঘটায়।
- উপসর্গের নিজস্ব আলাদা অর্থ না থাকলেও শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থযুক্ত শব্দ গঠন করতে পারে।
- উপসর্গ ৩ প্রকার: বিদেশি উপসর্গ, খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ।

• বিদেশি উপসর্গ:
- বিদেশি উপসর্গগুলো মূলত ফারসি, আরবি, উর্দু-হিন্দি, এবং ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে। পাশাপাশি কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলা ভাষায় প্রচলিত হয়েছে।
- তবে বিদেশি উপসর্গের তালিকা নির্দিষ্ট বা স্থির নয়।
- নিমরাজী' শব্দটিতে 'নিম' একটি বিদেশি উপসর্গ কারণ এটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।
- ফারসি ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গ: না, নিম, ফি, বে, ব, দর, কার, বর, বদ, কম।
- আরবি উপসর্গ যেমন: আম, খাস, খয়ের,  গর্,  বাজে, লা।
-উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উল্লেখ্য, 
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
- বাংলা ভাষার নিজস্ব ২১টি উপসর্গ আছে:
- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
- উল্লেখযোগ্য যে, আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।
- আনমনা এর ‘আন’ → দেশি উপসর্গ।
- নিখুঁত এর ‘নি’ = দেশী উপসর্গ।

• তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ:
- তৎসম উপসর্গ হলো সেই উপসর্গ যা সংস্কৃত থেকে এসেছে এবং সংস্কৃত ধাতু/শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে—যেমন প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির্, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ।
- অবহেলা এর ‘অব’ = তৎসম উপসর্গ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১৬.
বাক্যের অন্তর্গত শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
  1. সন্ধি
  2. পদ
  3. কাল
  4. কারক
ব্যাখ্যা

• বাক্যের অন্তর্গত শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক ব্যাকরণের কারক অংশে আলোচিত হয়।

কারক:
- বাক্যে ক্রিয়াপদের সঙ্গে যে নামপদের (বিশেষ্য বা সর্বনাম) সম্পর্ক থাকে, তাকে কারক বলে।
- কারক বলে দেয় নামপদটি ক্রিয়ার সঙ্গে কিভাবে যুক্ত।
- কারক দেখায় যে, কে কাজটি করছে, ক্রিয়াটি কার ওপরে ঘটছে, কোথায় বা কীভাবে ঘটছে ইত্যাদি।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে ‘কে’ বা ‘কী’ প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তার ভিত্তিতেই কারক নির্ধারিত হয়।
• উদাহরণ:
- সাকিব ব্যাট দিয়ে ক্রিকেট খেলে।
- সাকিব → কর্তৃকারক (ক্রিয়ার সম্পাদক/যে কাজটি করে);
- ব্যাট দিয়ে → করণ কারক (কী দিয়ে কাজটি সম্পাদিত হচ্ছে);
- ক্রিকেট → কর্মকারক (ক্রিয়ার লক্ষ্যবস্তু)।
- এখানে সাকিব, ব্যাট দিয়ে এবং ক্রিকেট → এই তিনটির সঙ্গে ক্রিয়া “খেলে”—র সম্পর্ক কারকের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে।
- “কী দিয়ে খেলে?” → ব্যাট দিয়ে ⇒ করণ কারক।
- “কে খেলে?” → সাকিব ⇒ কর্তৃকারক।
- “কি খেলে?” → ক্রিকেট ⇒ কর্মকারক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

১৭.
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের প্রথম খণ্ডের নাম কী?
  1. জন্মখন্ড
  2. তাম্বুলখণ্ড
  3. দানখণ্ড
  4. রাধাবিরহ
ব্যাখ্যা

 • ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’:
- ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য এবং চর্যাপদের পর আবিষ্কৃত দ্বিতীয় প্রাচীনতম বাংলা সাহিত্যকর্ম।
- এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস, যিনি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃত।
-এই কাব্য ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় কর্তৃক আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
-কাব্যের মূল উপজীব্য রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমকাহিনী :
-যেখানে কৃষ্ণের জন্ম, বড়াইয়ের সহযোগিতায় রাধার সঙ্গে তাঁর প্রণয়, এবং অবশেষে মথুরায় গমন—এই তিনটি পর্যায়ে কাহিনী বিন্যস্ত।
-‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের প্রধান চরিত্র তিনটি — রাধা, কৃষ্ণ, ও বড়াই (যিনি রাধার সহচরী ও প্রণয়-দূতিকা হিসেবে উপস্থিত)।
- এটি ‘শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ’ নামেও পরিচিত।
- 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের প্রথম খণ্ড - জন্ম খণ্ড।
 - এই কাব্যটি মোট ১৩টি খণ্ডে বিভক্ত:
♦ জন্ম খণ্ড,
♦  তাম্বুল খণ্ড,
♦ দান খণ্ড,
♦ নৌকা খণ্ড,
♦ ভার খণ্ড,
♦  ছত্র খণ্ড,
♦ বৃন্দাবন খণ্ড,
♦  কালিয়দমন খণ্ড,
♦ যমুনা খণ্ড,
♦  হার খণ্ড,
♦ বাণ খণ্ড,
♦ বংশী খণ্ড ও
♦ বিরহ খণ্ড।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

১৮.
'Transparency' শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?
  1. যথার্থতা
  2. নির্ভরযোগ্যতা
  3. স্বচ্ছতা
  4. দুর্নীতিদমন
ব্যাখ্যা

Transparency শব্দটির বাংলা পরিভাষা হলো স্বচ্ছতা।

♦ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা:
• Accuracy (নির্ভুলতা),
• Precision (যথাযথতা),
• Anti-corruption (দুর্নীতি দমন),
• Reliable (নির্ভরযোগ্য / বিশ্বাসযোগ্য),
• Reliability (নির্ভরযোগ্যতা),
• Invoice (চালান),
• Equation (সমীকরণ),
• Edition (সংস্করণ),
• Appendix (পরিশিষ্ট),
• Memorandum (স্মারকলিপি),
• Adviser (উপদেষ্টা),
•  Agenda (কার্যসূচি),
•  Affidavit (হলফনামা),
•  Democracy (গণতন্ত্র),
•  Subsidy (ভর্তুকি),
•  Biography (জীবনচরিত),
• Goods (পণ্য),
• Manifesto (ইশতেহার),
•  Acting (ভারপ্রাপ্ত),
• War crime (যুদ্ধাপরাধ),
•  Significant (গুরুত্বপূর্ণ),
• Design (নকশা),
• Designation (পদমর্যাদা),
• Debate (বিতর্ক),
• Agent (প্রতিনিধি),
• Law (আইন),
• Adaptation (উপযোগীকরণ),
• Admission (ভর্তি),
• Admit-card (প্রবেশপত্র),
• Advice (পরামর্শ),
• Act (আইন),
• Ballot (ভোটপত্র),
• Principle (নীতি)।

উৎস: 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলা ব্যাকরণ ও সাহিত্য।

১৯.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কৌতুক নাটক হচ্ছে-
  1. বৈকুণ্ঠের খাতা
  2. জামাই বারিক
  3. বিবাহ-বিভ্রাট
  4. হিতে বিপরীত
ব্যাখ্যা

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কৌতুক নাটক হচ্ছে বৈকুণ্ঠের খাতা।

'বৈকুণ্ঠের খাতা':
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বৈকুণ্ঠের খাতা’ একটি জনপ্রিয় কৌতুক-নাটক, যেখানে সমাজে তোষামোদ, চাটুকারিতা ও স্বার্থসিদ্ধির প্রবণতাকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
- নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র বৈকুণ্ঠ একজন সাদাসিধে, আত্মভোলা, শখের লেখক; যিনি সঙ্গীত বিষয়ে লেখালিখি করেন।
- তার পরিবারে আছে ছোট ভাই অবিনাশ, বিধবা কন্যা নিরুপমা এবং বিশ্বস্ত চাকর ঈশান।
- পারিবারিক টানাপোড়েনের মাঝেও বৈকুণ্ঠের উদার, সরল ও নির্লোভ চরিত্র নাটকটিকে কৌতুকপূর্ণ করে তোলে।
- নাটকটি ১৮৮৭ সালে প্রকাশিত হয়। 

অন্যদিকে,
- ‘জামাই বারিক’ দীনবন্ধু মিত্রের রচিত প্রহসন। 
- ‘বিবাহ-বিভ্রাট’ নওরীন জাহান রচিত গ্রন্থ।
-  ‘হিতে বিপরীত সুকুমার রায়ের কবিতা।
---------------------------------------------------

  ♦রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
- রবীন্দ্রনাথের প্রথম কবিতা “হিন্দু মেলার উপহার”,
- প্রথম কাব্য বনফুল (১৮৭৬), প্রথম কাব্যগ্রন্থ কবিকাহিনী (১৮৭৮); আর বনফুল গ্রন্থরূপে প্রকাশিত হয় ১৮৮০ সালে।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস বউঠাকুরানির হাট,
- প্রথম ছোটগল্প ভিখারিনী, সফল ছোটগল্প দেনা-পাওনা এবং
- বিখ্যাত ভৌতিক গল্পগুলো হলো : কঙ্কাল, খুদিত পাষাণ, মনিহারা, জীবিত ও মৃত ও নিশীথে।
• তাঁর রচিত কিছু নাটক:
- বিসর্জন,
- রাজা,
- অচলায়তন,
- চিরকুমার সভা,
- তাসের দেশ,
- শারদোৎসব,
- প্রায়শ্চিত্ত,
- ডাকঘর,
- বসন্ত,
- চণ্ডালিকা,
- নটীর পূজা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২০.
"Lord of the flies" written by William Gerald Golding, is a-
  1. Poem
  2. Play
  3. Novel
  4. Short story
ব্যাখ্যা

Correct answer: Novel.

Lord of the Flies:
- William Gerald Golding রচিত একটি novel.
- এটি লেখকের প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস। ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- The book explores the dark side of human nature and stresses the importance of reason and intelligence as tools for dealing with the chaos of existence.
- কাহিনিতে দেখানো হয়, পারমানবিক যুদ্ধের আশঙ্কা থেকে ব্রিটিশ শিশু কিশোরদের একটি প্লেনে করে সূদুরে কোন অখ্যাত একটি দ্বীপে রেখে আসা হয়।
- তাদের সাথে প্রাপ্তবয়স্ক কিছু মানুষও ছিলো তবে প্লেন দুর্ঘটনার সূত্রে তারা নিহত হয়। এরপর সেই শিশু কিশোররা এক পর্যায়ে ভয়ংকর হয়ে ওঠে। নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত নিষ্ঠুর মানুষে পরিণত হয়।
- ভাল এবং মন্দের মধ্যে যুদ্ধ এবং মানবতার লুকানো বর্বরতা সম্পর্কিত বিষয়গুলি নিয়ে উপন্যাসটি লেখা।

William Gerald Golding:
- William Gerald Golding was a British novelist, dramatist, and poet.
- He was an English novelist who, in 1983, won the Nobel Prize for Literature for his parables of the human condition.
- His other novels:
- Pincher Martin,
- Darkness Visible,
- Free Fall,
- The Spire,
- The Inheritors, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

২১.
What is the meaning of 'French leave'?
  1. Leave from France to another country.
  2. Spending time in France.
  3. Leave without permission.
  4. Emergency leave.
ব্যাখ্যা

The correct answer is: Leave without permission.

Take French leave:
- English meaning: to leave work without asking permission first.
- Bangla meaning: অননুমোদিত ছুটি (নেওয়া)।

Example sentence:
- The caretaker had taken French leave.
- I think I might take a French leave this afternoon and go to the cinema.

Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

২২.
Doctor Faustus, written by Christopher Marlowe, is a- 
  1. Two-act play
  2. One-act play
  3. Three-act play
  4. Five-act play
ব্যাখ্যা

Correct answer: Five-act play.

Doctor Faustus:
- "Doctor Faustus" হলো Christopher Marlowe-এর লেখা একটি বিখ্যাত নাটক। এটি একটি ট্র্যাজেডি (tragedy).
- নাটকটির পুরো নাম The Tragical History of D. Faustus.
- ১৬০৪ সালে প্রকাশিত হওয়া এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট নাটক।

সার-সংক্ষেপ:
- Doctor Faustus হলো Christopher Marlowe-র লেখা একটি ট্র্যাজেডি নাটক, যেখানে Faustus নামে একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী বিজ্ঞানী,
- শয়তান Mephistopheles এর মাধ্যমে Lucifer-এর কাছে আত্মা বিক্রির বিনিময়ে অলৌকিক ক্ষমতা অর্জন করে।
- Faustus তার আত্মা শয়তানকে বিক্রি করে এবং ২৪ বছর পর্যন্ত অসীম ক্ষমতা লাভ করতে চায়।
- এই সময়ের মধ্যে Faustus বিভিন্ন ধরনের অলৌকিক ক্ষমতা ব্যবহার করে, তবে তার ভিতরে গভীর অনুশোচনা ও দ্বিধা থাকে। যদিও তার কাছে বিভিন্ন সুযোগ আসে পরিত্রাণ লাভের, তবে সে কখনোই নিজেকে ত্যাগ করতে রাজি হয় না এবং শেষ পর্যন্ত তার আত্মাকে শয়তানের হাতে সমর্পণ করে।
- নাটকের শেষে, Faustus কে নরককুণ্ডে টেনে নেওয়া হয়, যেখানে সে চিরকাল শাস্তি ভোগ করে।

Christopher Marlowe:
- তিনি Elizabethan Period এর কবি।
- তাঁকে 'The Father of English Tragedy' বলা হয়।
- তিনি একজন 'University Wit' ছিলেন।

His Notable Works: [plays]
- Doctor Faustus,
- The Jew of Malta,
- Tamburlaine the Great,
- Dido, Queen of Carthage.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman

২৩.
I love to read books and _______ football.
  1. play
  2. to play
  3. playing
  4. to have played
ব্যাখ্যা

Correct answer: to play.
Correct answer: I love to read books and to play football.

- Parallelism এর নিয়ম অনুসারে শব্দের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পূর্বে Infinitive থাকলে and এর পরেও Infinitive বসে।

Parallelism:
- The use of matching sentence structure, phrases, or longer parts so as to balance ideas of equal importance is called Parallelism.
- Parallelism এর নিয়ম অনুসারে শব্দের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হয়।
- এই নিয়মানুসারে and এর পূর্বে Infinitive থাকলে and এর পরেও Infinitive বসে।
- এখানে " to read" এবং পরের verb (football-এর সাথে) একই ধরনের হওয়া উচিত - অর্থাৎ parallel structure অনুসরণ করতে হবে।
- তাই পরেও Infinitive form ব্যবহৃত হবে - অর্থাৎ "to play" football.

অন্যান্য অপশন ভুল:
ক) play 
- এটি base form, parallel structure নয়।

গ) Playing
- এটি "gerund" form, parallel structure নয়।

ঘ) to have played
- এটি perfect infinitive, অপ্রয়োজনীয় ও parallel structure নয়।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

২৪.
Choose the correct spelling-
  1. Repeatition
  2. Repeatation
  3. Repetition
  4. Ripitetion
ব্যাখ্যা

Correct answer: Repetition.

Repetition: (noun)
- English meaning:  the act or an instance of repeating or being repeated.
- Bangla meaning: পুনরাবৃত্তি।

Example sentence:
- Repetition is the mother of knowledge.
- The teacher used repetition to help the students memorize the poem.

Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

২৫.
The novel "Ministry of Utmost Happiness" was written by-
  1. Arundhati Roy
  2. Salman Rushdie
  3. Ruskin Bond
  4. R. K. Narayan
ব্যাখ্যা

Correct answer: Arundhati Roy.

• The Ministry of Utmost Happiness:
- এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Anjum যে একজন transgender woman এবং আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের নাম হচ্ছে Tilo.
- সমসামিয়ক ভারতীয় সমাজের বিভিন্ন অন্ধকারতম দিক, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অগ্রগতি, এগুলো এই উপন্যাসটির অন্যতম উপজীব্য বিষয়।

Arundhati Roy:
- Born: November 24, 1961, Shillong, Meghalaya, India.
- Indian author, actress, and political activist.
- She is best known for the award-winning novel The God of Small Things (1997) and for her involvement in environmental and human rights causes.
- ১৯৯৮ সালে তিনি Man Booker Prize লাভ করেন ফিকশন রচনার জন্য।

Notable Literary works:
- The God of Small Things
- The Cost of Living 
- The Algebra of Infinite Justice 
- Walking with the Comrades
- Capitalism: A Ghost Story
- The End of Imagination
- An Ordinary Person's Guide to Empire

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

২৬.
Which of the following words can be used as a verb?
  1. Mobile
  2. Sugar
  3. Media
  4. Success
ব্যাখ্যা

Correct answer: Sugar.
• Sugar:
- (noun) – চিনি বা শর্করা।
- Example Sentence: I don't take sugar in my coffee, thanks.
- (verb transitive) - মিষ্টি করা; চিনি মেশানো; শর্করাযুক্ত করা।
- Example Sentence: He sugared the rims of the martini glasses.

অন্য অপশনগুলো -
ক) Mobile
- (adjective): সচল; ভ্রাম্যমাণ; গতিময়।
- (noun) : ভাস্কর্য বা অনুরূপ বস্তু, যার অংশসমূহ বাতাসে নড়ে।

গ) Media
- (noun): যোগাযোগমাধ্যম; গণমাধ্যম (টিভি, রেডিও, খবরের কাগজ ইত্যাদি)।

ঘ) Success
- (noun): সাফল্য; সফলতা; সিদ্ধি; চরিতার্থতা; কৃতকার্যতা।

Source:
1. Cambridge Dictionary,
2. Merriam-Webster Dictionary,
3. Accessible Dictionary.

২৭.
The email concerning the upcoming meeting was sent yesterday.
Here, the underlined word is a -
  1. Adjective
  2. Adverb
  3. Noun
  4. Preposition
ব্যাখ্যা

Correct answer: Preposition.

Concerning(Preposition):

- এটা হচ্ছে Participle Preposition, যা এখানে about বা সম্পর্কে অর্থে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- The email concerning the upcoming meeting was sent yesterday.
- এই বাক্যে 'concerning'  শব্দটি "the upcoming meeting" - Noun Phrase  এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্যান্য অংশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে।
- তাই, এখানে 'concerning' শব্দটি preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

• আবার 'concerning' শব্দটি Adjective হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে
- Concerning (adjective)
- Causing concern or worry: creating reason for concern: troubling.


Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

২৮.
'Lieutenant Frederic Henry' is the protagonist of the novel-
  1. Arms and the Man
  2. Man and Superman
  3. A Farewell to Arms
  4. The Sun Also Rises
ব্যাখ্যা

Correct answer: A Farewell to Arms.

A Farewell to Arms:

- এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত Ernest Hemingway এর তৃতীয় novel.
- আত্মজৈবনিক উপাদান থাকার কারণে এই উপন্যাসটিকে লেখক রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে গণ্য করা হয়।
- এই novel এ arms বলতে একই সাথে অস্ত্র এবং প্রেমিকার হাত বোঝানো হয়েছে।
- The plot is set during the Italian campaign of World War I. First published in 1929, it is a first-person account of an American, Frederic Henry, serving as a lieutenant in the ambulance corps of the Italian Army.
- The title is taken from a poem by the 16th-century English dramatist George Peele.

• A Farewell to Arms এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ -
- Lieutenant Frederic Henry (Protagonist),
- Henry Catherine Barkley( female protagonist),
- Helen Ferguson,
- Lieutenant Rinaldi, etc.

• Ernest Hemingway (1899-1961):
- Ernest Hemingway, in full Ernest Miller Hemingway একজন আমেরিকান novelist এবং short-story writer.
- He was noted both for the intense masculinity of his writing and for his adventurous and widely publicized life.
- তাঁর সংক্ষিপ্ত এবং সুস্পষ্ট গদ্যশৈলী ২০ শতকে American and British কথাসাহিত্যে একটি শক্তিশালী প্রভাব ফেলেছিল।
- ১৯৫৪ সালে The Old Man and The Sea Novel এর জন্য Ernest Hemingway, Noble Prize লাভ করেন করেন।

• তাঁর বিখ্যাত novel সমূহ -
- The old man and The Sea,
- A Farewell to Arms,
- Green Hills of Africa,
- The Sun Also Rises

Source: 
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

২৯.
Rising early in the morning is a good habit.
The underlined part is an example of-
  1. Adjective phrase
  2. Adverbial Phrase
  3. Noun phrase
  4. Verb Phrase
ব্যাখ্যা

Correct answer: Noun phrase.
- এই বাক্যে 'Rising early in the morning' phrase টি Subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং একই সাথে এটি একটি Gerund phrase.
- তাই এটি হচ্ছে Noun phrase.
• Noun phrase:
- যে phrase বা শব্দগুচ্ছ noun এর কাজ করে তাই মূলত Noun phrase.
- অর্থ এবং বাক্যে অবস্থান অনুযায়ী Noun phrase বিভিন্ন ভূমিকা পালন করে।
- যেমন: Subject হিসেবে; (এই বাক্যে 'Writing a diary' phrase টি Subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটি Noun Phrase.)

অন্যদিকে,
ক) Adjective phrase:
- যে phrase গুলো sentence-এ adjective-এর মত কাজ করে, অর্থাৎ Noun/Pronoun কে modify করে, সেই phrase গুলোকে Adjective phrase বলে।
- Example: The boy playing with the toy is my brother

খ) Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয় adverb-এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ।
- সাধারণত verb-কে কখন (when), কোথায় (where), কেন (why) ও কীভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটিই Adverbial phrase.
- যেমন: Last week he received the mail.

ঘ) Verb Phrase:
- যে phrase - verb-এর কাজ করে তাকে Verb Phrase বলে।
- যেমন: We looked for a smart boy.

Source: A Passage To The English Language, S.M. Zakir Hussain.

৩০.
An animated speech is likely to-
  1. be incomprehensible.
  2. appeal primarily to emotions.
  3. put one to sleep.
  4. stimulate action.
ব্যাখ্যা

Correct answer: stimulate action.

Animated(adjective)
- English meaning: full of vigor and spirit: lively.
- Bangla meaning: যখন কোনো ব্যক্তি উদ্যমী বা সজীব থাকে।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
ক) be incomprehensible- বোঝা কঠিন হওয়া / বোধগম্য না হওয়া।
খ) appeal primarily to emotions- প্রধানত আবেগকে আকর্ষণ করা।
গ) put one to sleep- নিদ্রার উদ্রেক করে এমন।

Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary
3. Cambridge Dictionary.

৩১.
Complete the following sentence:
__________________________ I would have invited you to come in.
  1. Have I known you were waiting outside
  2. Had I known you were waiting outside
  3. If I know you were waiting outside
  4. If I knew  you were waiting outside
ব্যাখ্যা

Correct answer: Had I known you were waiting outside.
Complete sentence: Had I known you were waiting outside, I would have invited you to come in.
- প্রদত্ত বাক্যটি 3rd Condition এর উদাহরণ।

• 3rd Conditional এর নিয়মানুযায়ী,
- Had + sub + V, এবং পরের অংশে sub + would have/could have/might have + V3 + extension. 
- অর্থাৎ, Had + Subject + verb এর past participle form হলে এরপরের অংশে Subject + would/could/might + have + verb এর past participle form+ ext হয়।
- Negative অর্থ প্রকাশ করলে would/could/might + not হয়।
- তাই যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যের ২য় অংশে I would have invited you to come in আছে তাই তাই নিয়মানুযায়ী, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে Had I known you were waiting outside.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩২.
"Brevity is the soul of wit" is a famous quotation from-
  1. Hamlet
  2. Macbeth
  3. Othello
  4. King Lear
ব্যাখ্যা

Correct answer: Hamlet.

Hamlet.

- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- এটিও 5acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই ট্র্যাজিডিটি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- হ্যামলেট জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে তার চাচা Claudius, তার মা Gertrude কে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
-এরপর প্রিন্স হ্যামলেট তার বাবার খুনের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন এবং বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায়।
- এই নাটকে antagonist অর্থাৎ ভিলেন হিসেবে দেখানো হয়েছে Claudius কে।
- শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• Famous quotations of Hamlet:
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend.
- To be or not to be that is the question.
- Frailty, thy name is woman.
- Brevity is the soul of wit.
- Listen to many, speak to a few.
- There is divinity that shapes our end.

• William Shakespeare:
- He was an English dramatist and poet of the sixteenth century এবং The Great Dramatist of All Time.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তাকে English national poet এর পাশাপাশি 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Dr. Samuel Johnson Shakespeare কে Poet of Human Nature হিসাবেও আখ্যায়িত করেছেন।
- Shakespeare তাঁর সাহিত্যি জীবনে মোট ১৫৪ টি Sonnet এবং ৩৭টি Drama লিখেছেন।

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman

৩৩.
The writing of a good letter is a difficult task.
Here, the word "writing" is an example of-
  1. Adverb
  2. Adjective 
  3. Verb
  4. Noun
ব্যাখ্যা

Correct answer: Noun.
- The writing of a good letter is a difficult task.
- Here writing does the function of- noun.
- বাক্যে শব্দটি মূলত verbal noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

• Verbal Noun:
- কোন বাক্যের Verb + ing এর পুর্বে the এবং পরে of থাকলে তাকে Verbal Noun বলে।
- The+ verb+ ing + of = verbal noun.
- Verbal Noun দ্বারা Noun এর কাজ সম্পন্ন হয়।
- নিয়মানুযায়ী, প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে warming এর পূর্বে the ও পরে of বসেছে, তাই এটি verbal noun হয়েছে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩৪.
'Pediatrics' is the branch of medicine concerned with the diseases and care of-
  1. adults
  2. old women
  3. infants and children
  4. old people
ব্যাখ্যা

Correct answer: infants and children.

Pediatrics (noun)
- English meaning:  a branch of medicine dealing with the development, care, and diseases of infants, children, and adolescents
- Bangla meaning: শিশুচিকিৎসা।

Example sentence:
1. The college's pediatrics program was ranked the best in the country.
2. He received a Bachelor's degree in Pediatrics.

Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

৩৫.
What kind of noun is the word "planet"?
  1. Proper noun
  2. Common noun
  3. Collective noun
  4. Material noun
ব্যাখ্যা

Correct answer: Common noun.
- A common noun is one which is common to each member of class of persons or things.
- অর্থাৎ, যে noun কোন এক শ্রেণির ব্যাক্তি বা বস্তুর প্রত্যেকের সাধারণ নাম বুঝায় তাকে common noun বলে।
Examples of common nouns:
- Flower, Poet, Girl, Planet, Dress, boy, etc.

অন্যদিকে,
ক) Proper noun:
- যে Noun দ্বারা নির্দিষ্ট একটি ব্যক্তি, বা বস্তুর নামকে বুঝায় তাকে proper noun বলে।
- এখানে Dhaka দ্বারা শুধু বাংলাদেশ এর রাজধানীকে বুঝানো হয়েছে। তাই এটি Proper noun.

গ) Collective Noun:
- Collective Noun হলো এমন এক ধরনের বিশেষ্য, যা এক জাতীয় একাধিক ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়।
- সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দ দ্বারা একদল বা একঝাঁক জিনিস বোঝানো হয়, তখন তাকে Collective noun বলে।
- এখানে jury শব্দ দ্বারা একদল বিচারক বুঝানো হয়েছে। তাই এটি collective noun. Example: army, jury, class, family, etc.

ঘ) Material Noun হলো এমন বিশেষ্য যা কোনো পদার্থ বা বস্তুর নাম বোঝায়, যা সাধারণত গণনা করা যায় না কিন্তু ওজন বা পরিমাপ করা যায়। 
- Example: water, gold, cotton, salt, iron, etc.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

৩৬.
Choose the correct sentence-
  1. The woman whom lives next door is a doctor.
  2. The woman who lives next door is a doctor. 
  3. The woman that lives next door is a doctor.
  4. The woman which lives next door is a doctor.
ব্যাখ্যা

Correct sentence: The woman who lives next door is a doctor. 
- এখানে "who": এটি একটি Relative Pronoun (আপেক্ষিক সর্বনাম), যা "the woman" (antecedent) শব্দটিকে নির্দেশ করছে এবং দুটি খণ্ডবাক্যকে সংযুক্ত করেছে।

• Rules of the sentence:
- Who এর পর সরাসরি verb আসে আর whom এর পর আসে noun বা pronoun.
- ব্যক্তিবাচক noun এর relative pronoun form হিসেবে তাই এখানে who ব্যবহৃত হবে।
- সাধারণত ব্যক্তির পরে Relative Pronoun Who বসে।
- person + who+ verb (according to person)
- Example: The man who stole my bag was tall.

Other options:
ক) The woman whom lives next door is a doctor.
- ব্যক্তিবাচক noun এর relative pronoun form হিসেবে তাই এখানে who ব্যবহৃত হবে।তাই এখানে "whom" এর ব্যবহার সঠিক নয়।

গ) The woman that lives next door is a doctor.
- ব্যক্তিবাচক noun এর relative pronoun form হিসেবে তাই এখানে who ব্যবহৃত হবে। তাই এখানে "that" এর ব্যবহার সঠিক নয়।

ঘ) The woman which lives next door is a doctor.
- বস্তুবাচক  noun এর relative pronoun form হিসেবে তাই এখানে Which ব্যবহৃত হয়। এখানে subject "The woman" ব্যক্তিবাচক তাই  "which" এর ব্যবহার সঠিক নয়।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

৩৭.
What is the synonym of 'competent'?
  1. Circumspect
  2. Discrete
  3. Capable
  4. Prudent
ব্যাখ্যা

Correct answer: Capable.

Competent (adjective)
- English meaning: having requisite or adequate ability or qualities: fit.
- Bangla meaning: উপযুক্ত; সক্ষম; দক্ষ।

Capable (adjective)
- English meaning: having or showing general efficiency and ability.
- Bangla meaning: শক্তিমান; সক্ষম; শক্তিধর; দক্ষ।

Other options:
ক) Circumspect
- English meaning: careful to consider all circumstances and possible consequences: prudent.
- Bangla meaning: কাজে নামার আগে সবকিছু খুঁটিয়ে খেয়াল করে এমন; সতর্ক।

খ) Discrete
- English meaning: constituting a separate entity or item.
- Bangla meaning:- পৃথক; বিযুক্ত; ধারাবাহিকতাহীন; অসংলগ্ন।

ঘ) Prudent
- English meaning: characterized by, arising from, or showing prudence: such as.
- Bangla meaning: সতর্ক; দূরদর্শী; কৃতাবধান; পরিণামদর্শী; সুবিবেচক; বিচক্ষণ।

Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

৩৮.
Which of the following is  an allegorical novella?
  1. The sun also rises
  2. Animal farm
  3. Pride and Prejudice
  4. Nineteen Eighty-four
ব্যাখ্যা

Correct answer: Animal Farm.

• Animal Farm:
- It is a novel written by George Orwell.
- এটি একটি political allegory/ satirical allegorical novella about revolution and power.
- অর্থাৎ, Animal Farm লেখা হয়েছে allegorical form এ।
- Allegory is a literary term in which one story is told in the guise of another story.
- Through the tale of a group of farm animals who overthrow the owner of the farm, Animal Farm explores themes of totalitarianism, the corruption of ideals, and the power of language.

• এই উপন্যাসের চরিত্র সমূহ দুই দলে বিভক্ত -
১. মানুষ হিসাবে রয়েছেন Mr. Jones, Mr. Whymper, Mr. Pilkington, Mr. Frederick
২. পশু হিসাবে রয়েছে - Napoleon, Snowball, Old Major, Squealer, Boxer, Benjamin, Mollie, Clover, Moses, Muriel.

• George Orwell
- Modern Period এর একজন সুপরিচিত লেখক।
- তিনি একাধারে English novelist, essayist, and critic.
- তাঁর প্রকৃত নাম হচ্ছে - Eric Arthur Blair.
- তিনি তাঁর 'Animal Farm' এবং Nineteen Eighty-four নামক novel এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

Source: 
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman

৩৯.
Choose the correct sentence.
  1. Each of the three girl got a prize.
  2. Each of the three girls got a prize.
  3. Each of the three girls gots a prize.
  4. All of the three girls got a prize.
ব্যাখ্যা

Correct sentence: Each of the three boys got a prize.
- কোনো বাক্যে Each of the, one of the, neither of the, either of the থাকলে এদের পর noun (plural) কিন্তু verb (singular) এবং possessive (singular) হয়।

ক) Each of the three girl got a prize.
- বাক্যটি ভুল। কারণ কোনো বাক্যে Each of the, one of the, neither of the, either of the থাকলে এদের পর noun (plural) হয়।

গ) Each of the three girls gots a prize.
- বাক্যটি ভুল। কারণ 'got' verb টি Past form এ রয়েছে তাই এর সাথে "s" যোগ করা যাবে না।

ঘ) All of the three boys got a prize
- বাক্যটি ভুল।
- সঠিক বাক্যটি হতো "All three boys got a prize".
- "All of the three boys" is somewhat redundant and less natural.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

৪০.
যদি B = {x : x হলো 6, 8 দ্বারা বিভাজ্য এবং x < 100} হয় তবে P(B) এর সদস্য সংখ্যা কত?
  1. 8
  2. 16
  3. 32
  4. 64
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি B = {x : x হলো 6, 8 দ্বারা বিভাজ্য এবং x < 100} হয় তবে P(B) এর সদস্য সংখ্যা কত?

সমাধান:
x যদি 6 এবং 8 উভয় দ্বারা বিভাজ্য হয়, তাহলে x অবশ্যই 6 এবং 8 এর লসাগু দ্বারা বিভাজ্য হবে।
6 এবং 8 এর লসাগু = 24

এখন, 100 এর চেয়ে ছোট যেসব সংখ্যা 24 দ্বারা বিভাজ্য:
24, 48, 72, 96

সুতরাং, B = {24, 48, 72, 96}
∴ n(B) = 4

আমরা জানি,
যদি কোনো সেটে n সংখ্যক সদস্য থাকে, তবে তার পাওয়ার সেট P(B) এর সদস্য সংখ্যা = 2n
∴ P(B) এর সদস্য সংখ্যা = 24 = 16

৪১.
নিচের কোন ভগ্নাংশটি ৩/৪ হতে বড়?
  1. ৫/৭
  2. ৭/৯
  3. ১১/১৫
  4. ১৩/১৮
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন ভগ্নাংশটি ৩/৪ হতে বড়?

সমাধান:
৩/৪ = ০.৭৫

এখানে,
৫/৭ = ০.৭১
৭/৯ = ০.৭৮
১১/১৫ = ০.৭৩
১৩/১৮ = ০.৭২

এখানে, ৩/৪ < ৭/৯

∴ ৭/৯ ভগ্নাংশটি ৩/৪ হতে বড়।

৪২.
যদি CAT = 24 এবং DOG = 26 হয় তবে FOX-এর মান কত?
  1. 51
  2. 45
  3. 41
  4. 38
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি CAT = 24 এবং DOG = 26 হয় তবে FOX-এর মান কত?

সমাধান:


দেওয়া আছে, CAT = 24 এবং DOG = 26
ইংরেজি বর্ণমালা হতে পাই,
C + A + T = 3 + 1 + 20 = 24
D + O + G = 4 + 15 + 7 = 26

সেই অনুসারে,
FOX = F + O + X = 6 + 15 + 24 = 45
অর্থাৎ, FOX এর মান 45

৪৩.
১০% হারে ৫০০০ টাকার ২ বছরের সরল মুনাফা এবং চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?
  1. ৫৪.১ টাকা
  2. ৩২ টাকা
  3. ৫০ টাকা
  4. ৬২ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১০% হারে ৫০০০ টাকার ২ বছরের সরল মুনাফা এবং চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
আসল, P = ৫০০০ টাকা
মুনাফার হার, r = ১০%
সময়, n = ২ বছর

আমরা জানি,
সরল মুনাফা = Prn/১০০
= (৫০০০ × ১০ × ২)/১০০
= ১০০০ টাকা

আবার,
চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = P(১ + r/১০০)n - P
= ৫০০০(১ + ১০/১০০) - ৫০০০
= ৫০০০(১১০/১০০) - ৫০০০
= ৫০০০ × (১১/১০) × (১১/১০) - ৫০০০
= ৫০০০ × (১২১/১০০) - ৫০০০
= ৬০৫০ - ৫০০০
= ১০৫০ টাকা

পার্থক্য = ১০৫০ - ১০০০ = ৫০ টাকা

∴ সরল মুনাফা এবং চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য ৫০ টাকা।

৪৪.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
  1. ৩২
  2. ২৭
  3. ৪৫
  4. ৩৪
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?


সমাধান:
এখানে,
নিচের সংখ্যা দুইটির বিয়োগফলের সমান উপরের সংখ্যা।
১ম চিত্রে,
১৭ - ৮ = ৯

২য় চিত্রে,
৪০ - ২৮ = ১২

৩য় চিত্রে,
৫০ - ? = ১৬
⇒ ? = ৫০ - ১৬
∴ ? = ৩৪

∴ প্রশ্নবোধক স্থানে ৩৪ সংখ্যাটি বসবে।

৪৫.
x2 - 5x + 6 ≤ 0 এর সমাধান সেট -
  1. (- ∞, 2]
  2. (2, 5)
  3. [2, 3]
  4. [3, ∞)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x2 - 5x + 6 ≤ 0 এর সমাধান সেট -

সমাধান:
x2 - 5x + 6 ≤ 0
⇒ x2 - 2x - 3x + 6 ≤ 0
⇒ x(x - 2) - 3(x - 2) ≤ 0
∴ (x - 2)(x - 3) ≤ 0

x2 - 5x + 6 ≤ 0 সত্য হবে যদি x - 2 ≤ 0 এবং x - 3 ≥ 0 হয়।
এখন, x - 2 ≤ 0 এবং x - 3 ≥ 0
অর্থাৎ, x ≤ 2 এবং x ≥ 3
2 এর চেয়ে ছোট বা সমান এবং 3 এর চেয়ে বড় বা সমান x এর কোন মান নাই।
এক্ষেত্রে অসমতাটির কোন সমাধান পাওয়া যাবে না।

আবার, x2 - 5x + 6 ≤ 0 সত্য হবে যদি x - 2 ≥ 0 এবং x - 3 ≤ 0 হয়।
এখন, x - 2 ≥ 0 এবং x - 3 ≤ 0
অর্থাৎ x ≥ 2 এবং x ≤ 3
x এর মান 2 এর চেয়ে বড় বা সমান এবং 3 এর চেয়ে ছোট বা সমান।
সুতরাং অসমতাটির সমাধান পাওয়া যাবে।

সুতরাং নির্ণেয় সমাধান: 2 ≤ x ≤ 3
x2 - 5x + 6 ≤ 0 এর সমাধান সেট [2, 3]

৪৬.
3x + y - 5 = 0 এবং x - 3y + 7 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?
  1. 1/2
  2. - 1
  3. 1/3
  4. - 1/4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3x + y - 5 = 0 এবং x - 3y + 7 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 3x + y - 5 = 0 এবং x - 3y + 7 = 0
আমরা জানি,
সরল রেখার সাধারণ সমীকরণ y = mx + c (যেখানে m = ঢাল)

এখন, প্রথম রেখার ঢাল:
3x + y - 5 = 0
সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
⇒ y = - 3x + 5
সুতরাং, প্রথম রেখার ঢাল m1 = - 3

দ্বিতীয় রেখার ঢাল:
x - 3y + 7 = 0
সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
⇒ 3y = x + 7
⇒ y = (1/3)x + 7/3
সুতরাং, দ্বিতীয় রেখার ঢাল m2 = 1/3

∴ ঢালদ্বয়ের গুণফল = m1 × m2 = (- 3) × (1/3) = - 1

উল্লেখ্য: রেখাদ্বয় পরস্পর লম্ব, কারণ তাদের ঢালদ্বয়ের গুণফল - 1

৪৭.
ঘড়িতে যখন ৫ টা ৪৫ মিনিট বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত ডিগ্রী হবে?
  1. ১০৫°
  2. ৯৭.৫°
  3. ৯৩.৫°
  4. ১১৫°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ঘড়িতে যখন ৫ টা ৪৫ মিনিট বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত ডিগ্রী হবে?

সমাধান:
এখানে, H = ৫ এবং M = ৪৫

মধ্যবর্তী কোণ = |(১১M - ৬০H)/২|
= |(১১ × ৪৫ - ৬০ × ৫)/২|
= |(৪৯৫ - ৩০০)/২|
= |১৯৫/২|
= |৯৭.৫|
= ৯৭.৫°

৪৮.
যদি log5(x + 1) + log53 = log5(2x - 1) + 1 হয়, তাহলে x এর মান কত?
  1. 11/7
  2. 8/7
  3. 5/8
  4. 2/5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি log5(x + 1) + log53 = log5(2x - 1) + 1 হয়, তাহলে x এর মান কত?

সমাধান:
log5(x + 1) + log53 = log5(2x - 1) + 1
⇒ log5{(x + 1) × 3} = log5(2x - 1) + log5 51 [logaM + logaN = loga(MN) এবং 1 = log55]
⇒ log5(3x + 3) = log5{5(2x - 1)}
⇒ log5(3x + 3) = log5(10x - 5)
⇒ 3x + 3 = 10x - 5
⇒ 3x - 10x = - 5 - 3
⇒ - 7x = - 8
∴ x = 8/7

৪৯.
Which of the following words is spelled correctly?
  1. Deteoriorate
  2. Deteriorate
  3. Deteraorate
  4. Detteriorate
ব্যাখ্যা

Correct answer: খ) Deteriorate.

• Deteriorate (verb):
- Bangla Meaning: অবনতি ঘটা বা ঘটানো।
- English Meaning: To become progressively worse; to decline in quality or condition over time. to make inferior in quality or value.

Synonyms:
Worsen - খারাপ হওয়া; দুর্বল হওয়া।
Decline - ক্রমশ ক্ষুদ্রতর/দুর্বলতর/নিম্নতর হওয়া; হ্রাস পাওয়া; ক্ষীণতর/অপচিত হওয়া।
Degenerate - পর্যবসিত/অধপতিত/পরিভ্রষ্ট হওয়া।

Antonyms:
Improve - উন্নতিসাধন/উন্নতি বিধান/শ্রীবৃদ্ধি/উৎকর্ষবিধান করা; উন্নতি বা উৎকর্ষ লাভ করা।
Enhance - বাড়ানো; বৃদ্ধি করা (যেমন মূল্য, আকর্ষণ, শক্তি ইত্যাদি)।
Strengthen - শক্তিশালী হওয়া বা করে তোলা।

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary, Live MCQ lecture.

৫০.
1/√3, 1, √3, ............... ধারাটির কোন পদ 27√3 হবে?
  1. 9তম পদ
  2. 11তম পদ
  3. 12তম পদ
  4. 10তম পদ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 1/√3, 1, √3, ............... ধারাটির কোন পদ 27√3 হবে?

সমাধান:
এটি একটি গুণোত্তর ধারা।
এখানে,
প্রথম পদ, a = 1/√3
সাধারণ অনুপাত, r = √3
ধরি, n তম পদ হবে = 27√3
আমরা জানি, 
গুণোত্তর ধারার n তম পদ = arn - 1

প্রশ্নমতে,
arn - 1 = 27√3
বা, (1/√3) × (√3)n - 1 = 27√3
বা, (√3)n - 1 = 27√3 × √3
বা, (√3)n - 1 = 27 × 3
বা, (√3)n - 1 = 81
বা, (√3)n - 1 = 34
বা, (√3)n - 1 = (√3)8
বা, n - 1 = 8
∴ n = 9

∴ 9 তম পদ = 27√3

৫১.
  1. 18√6
  2. 36√6
  3. 42√6
  4. 54√6
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

৫২.
একটি থলিতে ৮টি লাল, ১২টি সবুজ, ১৬টি হলুদ বল আছে। দৈব চয়নের মাধ্যমে একটি বল তুললে সেটি সবুজ না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ১/৩
  2. ২/৩
  3. ৩/৪
  4. ১/৪
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি থলিতে ৮টি লাল, ১২টি সবুজ, ১৬টি হলুদ বল আছে। দৈব চয়নের মাধ্যমে একটি বল তুললে সেটি সবুজ না হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
থলিতে মোট বল আছে = (৮ + ১২ + ১৬)টি = ৩৬টি

বলটি সবুজ হওয়ার সম্ভাবনা = ১২/৩৬ = ১/৩

বলটি সবুজ না হওয়ার সম্ভাবনা = ১ - (১/৩)
= (৩ - ১)/৩
= ২/৩

৫৩.
উভয় পাশে ভারসাম্য রক্ষা করতে হলে '?' চিহ্নিত বস্তুর ভর কত হতে হবে?
  1. 9 kg
  2. 10 kg
  3. 7 kg
  4. 6 kg
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: উভয় পাশে ভারসাম্য রক্ষা করতে হলে '?' চিহ্নিত বস্তুর ভর কত হতে হবে?


সমাধান:
ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে উভয় পাশের দূরত্ব ও ভরের মোট গুণফল সমান হতে হয়।
তাহলে,
(7 + ?) × 9 = 12 × 12
⇒ 7 + ? = 144/9
⇒ 7 + ? = 16
⇒ ? = 16 - 7
⇒ ? = 9

∴ বস্তুর ভর 9 কেজি হতে হবে।

৫৪.
সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ কোন খনিজ উপাদানের ভালো উৎস?
  1. আয়োডিন
  2. সোডিয়াম
  3. ক্যালসিয়াম 
  4. ফসফরাস
ব্যাখ্যা

খনিজ লবণ (Mineral salts): 
- দেহকোষ ও দেহের তরল অংশের জন্য খনিজ লবণ অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- মানুষের শরীরে ক্যালসিয়াম, লৌহ, সালফার, দস্তা, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, আয়োডিন ইত্যাদি থাকে। 
- এ উপাদানগুলো কখনো মৌলিক উপাদানরূপে মানবদেহে অবস্থান করে না, এগুলো খাদ্য ও মানবদেহে বিভিন্ন পরিমাণে অন্য পদার্থের সাথে মিলিত হয়ে নানা জৈব এবং অজৈব যৌগের লবণ তৈরি করে। 
- খনিজ লবণ দেহ গঠন ও দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- হাড়, দাঁত, পেশি, এনজাইম এবং হরমোন গঠনের জন্য খনিজ লবণ একটি অপরিহার্য উপাদান। 
- স্নায়ুর উদ্দীপনা, পেশি সংকোচন, দেহকোষে পানির সাম্যতা বজায় রাখা, অম্ল ও ক্ষারের সমতাবিধান, এসব কাজে খনিজ লবণের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। 

- দুধ, দই, ছানা, পনির, ছোট মাছ (মলা-ঢেলা), নানা রকম ডাল, সবুজ শাকসবজি, ঢেঁড়স, লাল শাক, কচু শাক ইত্যাদি ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস। 
- কলিজা, সবুজ শাকসবজি, মাংস, ডিমের কুসুম, কচু শাক ইত্যাদিতে লৌহ থাকে। 
- দুধ, মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল থেকে ফসফরাস পাওয়া যায়। 
- খাবার লবণ, চিপস, নোনতা খাবার, পনির, বাদাম, আচার ইত্যাদিতে সোডিয়াম থাকে। 
- মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল, কলা, আলু, আপেল ইত্যাদিতে পটাশিয়াম থাকে। 
- আয়োডিনের উৎস হলো সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ, মাংস এবং শেওলা। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৫.
RAM-এর মধ্যে তথ্য কতক্ষণ সংরক্ষিত থাকে- 
  1. সবসময়
  2. হার্ড ডিস্কে সংরক্ষণ পর্যন্ত 
  3. শুধুমাত্র বন্ধ থাকা অবস্থায়
  4. কম্পিউটার চালু থাকা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

RAM: 
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. 
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়। 
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি। 
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে। 
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়। 
 
ROM: 
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম। 
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়। 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 

৫৬.
গ্রীন হাউজ প্রভাব সৃষ্টি করে এমন গ্যাসগুলোর মধ্যে কোনটির পরিমাণ বায়ুমণ্ডলে সর্বাধিক?
  1. ওজোন
  2. মিথেন
  3. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  4. নাইট্রাস অক্সাইড
ব্যাখ্যা

- গ্রীন হাউজ প্রভাব সৃষ্টি করে এমন গ্যাসগুলোর মধ্যে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)-এর পরিমাণ সর্বাধিক। 

গ্রীন হাউজ গ্যাস: 
- যে সব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রীন হাউজ গ্যাস বলে। 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) গ্যাসকে প্রধান গ্রীন হাউজ গ্যাস বলা হয়। 
- এছাড়াও জলীয় বাষ্প (H2O), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC) ও ওজোন গ্যাস (O3) গ্রীন হাউজ প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে। 
- শেষের গ্যাসগুলোর ঘনত্ব বায়ুমণ্ডলে CO2 গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা CO2 গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি, তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। 

গ্রিন হাউজ গ্যাস ⇔ বায়ুতে % পরিমাণ:
১। কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) গ্যাস ⇔ 49%, 
২। মিথেন (CH4) গ্যাস ⇔ 18%, 
৩। নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) গ্যাস ⇔ 6%, 
৪। ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC) গ্যাস ⇔ 14%, 
৫। ওজোন (O3) গ্যাস ⇔ 8% এবং 
৬। জলীয় বাষ্প ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।

৫৭.
উইন্ডোজ কোন প্রতিষ্ঠানের তৈরি অপারেটিং সিস্টেম? 
  1. অ্যাপল
  2. লিনাক্স
  3. মাইক্রোসফট
  4. গুগল
ব্যাখ্যা

Windows: 
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। 
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। 
- সাধারণ ব্যবহারকারীন সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে। 
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়। 
- ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়। 
- ১৯৯৪ সালে WIN 95/97 Operating System স্বতন্ত্র Operating System হিসেবে চালু হয়। 
- Windows 95 চালনার জন্য ডসের প্রয়োজন হয় না। 
- তবে ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৯৫ সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর চালু হয় উইন্ডোজ ৯৮। 
- বর্তমানে উইন্ডোজ এক্সপি (XP), ভিস্তা, Windows 7, Windows 10, Windows 11 বিপুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং geeksforgeeks ওয়েবসাইট ।

৫৮.
লাউড স্পিকার কোন শক্তিকে রূপান্তর করে?
  1. যান্ত্রিক → তড়িৎ
  2. শব্দ → যান্ত্রিক
  3. তড়িৎ → যান্ত্রিক 
  4. তড়িৎ → শব্দ
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর: 
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯.
কম্পাইলারের মাধ্যমে তৈরি এক্সিকিউশন ফাইলের বৈশিষ্ট্য কী? 
  1. অত্যন্ত ধীরগতিতে চলে 
  2. দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়
  3. শুধুমাত্র উৎস কোড সংরক্ষণ করে
  4. ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া চলতে পারে না 
ব্যাখ্যা

অনুবাদক প্রোগ্রাম: 
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে। 
- অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন ধরনের হয়ে থাকে। 
যথা: ১. কম্পাইলার, ২. ইন্টারপ্রেটার ও ৩. অ্যাসেম্বলার। 

কম্পাইলার: 
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে। ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না। 
- কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে। 
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে। 

কম্পাইলারের প্রধান কাজ: 
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা। 
- সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা। 
- প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা। 
- রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে। 
- প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি, ভোকেশনাল।

৬০.
রক্তের লোহিত কণিকার প্রধান কাজ কোনটি? 
  1. অক্সিজেন পরিবহন করা 
  2. রোগ প্রতিরোধ করা 
  3. কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহন করা 
  4. নাইট্রোজেন পরিবহন করা 
ব্যাখ্যা

লোহিত রক্ত কণিকা: 
- লোহিত রক্ত কণিকার আয়ু ১২০ দিন। 
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়। 
- লোহিত রক্তকণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়। 
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। 
- লোহিত রক্তকণিকা শ্বাসকার্যে অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল। 

উৎস: জীববিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।

৬১.
pH স্কেলে দ্রবণের সীমা কোনটি?
  1. 0–7
  2. 7–14
  3. 0–14
  4. 1–10
ব্যাখ্যা

pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয় 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 
 
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬২.
পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে পূর্ব–পশ্চিমে অতিক্রম করা অক্ষরেখাটির নাম কী?
  1. কর্কটক্রান্তি রেখা
  2. নিরক্ষরেখা
  3. সুমেরুবৃত্ত
  4. মকরক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা

নিরক্ষরেখা: 
- পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে। 
- নিরক্ষরেখার অপর নাম হলো- বিষুবরেখা (Equator), ০° অক্ষরেখা (০° Latitude), মহাবৃত্ত (Great circle)। 

কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি রেখা: 
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলে। 
- বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। 
- এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে। 

সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত: 
- উত্তর গোলার্ধে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত এবং ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৩.
Twitter-এর নাম পরিবর্তন করে কখন X করা হয়? 
  1. মার্চ, ২০২৩ সালে 
  2. জুলাই, ২০২২ সালে 
  3. অক্টোবর, ২০২২ সালে 
  4. জুলাই, ২০২৩ সালে 
ব্যাখ্যা

X (Twitter): 
- X এর পূর্বনাম টুইটার।
- অক্টোবর, ২০২২ সালে ইলন মাস্ক টুইটার কিনে নেয়।
- জুলাই, ২০২৩ সালে ইলন মাস্ক Twitter এর নাম পরিবর্তন করেন এবং নতুন নাম দেন X.
- X এ সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের বার্তা পোস্ট করা যায়। 
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২১ মার্চ ২০০৬ এবং চালু হয় ১৫ জুলাই ২০০৬ সালে।
- সদরদপ্তর: San Francisco, California, United States.
- প্রতিষ্ঠাতা: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass.
- বর্তমান CEO: Linda Yaccarino.

উৎস: ব্রিটানিকা এ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৬৪.
দুটি আহিত কণা একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. দুর্বল নিউক্লীয় বল
  3. তড়িৎ চৌম্বক বল
  4. সবল নিউক্লীয় বল
ব্যাখ্যা

বল: 
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। 
- বল সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়া করে। 
- প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে। 
যথা:
 ১। মহাকর্ষ বল: 
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল। 
- এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। 
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে। 
- এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই। 
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে। 
 
২। তাড়িতচৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল: 
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে
 
৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল: 
- দুর্বল নিউক্লীয় বলকে দুর্বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎ চৌম্বক বল থেকে দুর্বল (প্রায় ট্রিলিওন গুণ) কিন্তু মোটেও মহাকর্ষ বল থেকে দুর্বল নয়। 
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৮ m) কাজ করে। 
 
৪। সবল নিউক্লীয় বল: 
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৫ m) কাজ করে। 
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 
 
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৫.
নিচের কোন উদ্ভিদটি পানির পাশাপাশি মাটিতেও জন্মায়? 
  1. শাপলা 
  2. হাইড্রিলা 
  3. ওড়িপানা 
  4. কলমি
ব্যাখ্যা

জলজ উদ্ভিদের জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা: 
- কচুরিপানা, ক্ষুদিপানা, ওড়িপানা, সিংগারা, টোপাপানা, শাপলা, পদ্ম, শ্যাওলা, হাইড্রিলা, কলমি, হেলেঞ্চা, কেশরদাম ইত্যাদি নানা রকম জলজ উদ্ভিদ। এদের বেশির ভাগই পানিতে জন্মে এবং কিছু কিছু আছে (যেমন- কলমি, হেলেঞ্চা, কেশরদাম) যারা পানিতে আর মাটিতে দু'জায়গাতেই জন্মে। 
অর্থাৎ, পানি না থাকলে বেশির ভাগ জলজ উদ্ভিদ জন্মাতই না, কিছু কিছু হয়তো জন্মাত কিন্তু বাঁচতে পারত না কিংবা বেঁচে থাকলেও বেড়ে উঠতে পারত না। 
- তখন পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটত, কারণ এই জলজ উদ্ভিদগুলো একদিকে যেমন সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে অক্সিজেন তৈরি করে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা ঠিক রাখে, অন্যদিকে এদের অনেকগুলো বিশেষ করে শ্যাওলাজাতীয় জলজ উদ্ভিদগুলো জলজ প্রাণীদের খাদ্যভান্ডার হিসেবে কাজ করে। 

- এসব জলজ উদ্ভিদ না থাকলে মাছসহ অনেক জলজ প্রাণী বাঁচতেই পারত না, যেটি পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকির কারণ হতো। যে উদ্ভিদগুলো সাধারণত মূলের মাধ্যমে পানি আর অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহ করে। 
- কিন্তু জলজ উদ্ভিদগুলো সারা দেহের মাধ্যমেই পানিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান বিশেষ করে খনিজ লবণ সংগ্রহ করে থাকে। তাই এদের পুরো দেহ পানির সংস্পর্শে না এলে এদের বেড়ে ওঠাই হতো না। 
- জলজ উদ্ভিদের কাণ্ড আর অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খুব নরম হয়, যেটা পানির স্রোত আর জলজ প্রাণীর চলাচলের সঙ্গে মানানসই। 
- পানি ছাড়া শুকনো মাটিতে এদের জন্ম হলে এরা ভেঙে পড়ত এবং বেড়ে উঠতে পারত না, এমনকি বাঁচতেও পারত না। 
- পরিবেশের সঙ্গে লড়াইয়ে টিকে থাকতে গিয়ে লক্ষ কোটি বছরের প্রাকৃতিক নির্বাচনের দ্বারা এসব উদ্ভিদ উল্লিখিত বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে। 
- জলজ উদ্ভিদগুলো সাধারণত অঙ্গজ উপায়ে বংশবিস্তার করে, পানি না থাকলে এই বংশবিস্তার বাধাগ্রস্ত হতো। 
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য জলজ উদ্ভিদগুলোর জন্ম খুবই জরুরি এবং তাদের বেড়ে উঠার জন্য পানির ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৬.
’নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ’- বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. ২২নং
  2. ২৩নং
  3. ২৯নং
  4. ২৭নং
ব্যাখ্যা

• ’নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ’ -বিষয়টি সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে,
’উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি’ -বিষয়টি সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে।
’সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ -বিষয়টি সংবিধানের ২৯নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে।
’আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ -বিষয়টি সংবিধানের ২৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৬৭.
মায়া সভ্যতার বর্তমানে অবস্থান কোনটি?
  1. এশিয়া
  2. আফ্রিকা
  3. ইউরোপ
  4. মধ্য আমেরিকা
ব্যাখ্যা

মায়া সভ্যতা আবিষ্কৃত হয় মধ্য আমেরিকায়।

মায়া সভ্যতা:

- মায়া সভ্যতা মধ্য আমেরিকার গুয়েতেমালা, বেলিজ, ও মেক্সিকোর কিছু অংশে খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দে গড়ে উঠেছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দ থেকে ২৫০ অব্দ পর্যন্ত সময় প্রারম্ভিক মায়া সভ্যতা যুগ।
- ২৫০ অব্দ থেকে ৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মায়ার সভ্যতার ক্লাসিক যুগ ছিল।
- ৯০০ খ্রিস্টাব্দে মায়া সভ্যতার পতন ঘটে।
- মায়া সভ্যতা পাথুরে স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত ছিল।

এছাড়াও,
 - আমেরিকায় গড়ে উঠা অপর দুটি সভ্যতা হলো ইনকা সভ্যতা (পেরু) ও অ্যাজটেক সভ্যতা (মেক্সিকো)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের নির্বাহী ক্ষমতা কার কর্তৃত্বে যুক্ত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. মন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা

• প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ ব্যবস্থায় দেশের সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
 - যে সংসদ-সদস্য জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতীয়মান তাঁকে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- সংবিধান মোতাবেক প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।
- তবে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয় কিংবা সংসদ ভেঙে দেবার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দান করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে তাঁর মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- তাই প্রধানমন্ত্রীকে সরকারের স্তম্ভ বলা হয়।
- তিনি একইসাথে সংসদের নেতা ও সরকারপ্রধান।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬৯.
”ডেনমার্ক” -এর আইন সভার নাম কী?
  1. ফোকেটিং
  2. এডুসকুন্টা 
  3. দ্যা ফেডারেল অ্যাসেম্বলি
  4. স্টর্টিং 
ব্যাখ্যা

ডেনমার্ক:
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমের দেশ ডেনমার্ক।
- ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিকভাবে ডেনমার্ক স্ক্যান্ডিনেভীয় একটি অংশ।
- দেশটির রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর কোপেনহেগেন।
- এছাড়া আরাফাস, আলব্রোগা দেশটির বৃহত্তম শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- ডেনমার্কের আয়তন ৪২,৯২৪ বর্গকিলোমিটার।
- ডেনমার্কের রাষ্ট্র ভাষা 'ডেনীয়'।
- ডেনমার্কের আইনসভা-ফোকেটিং।

অন্যদিকে,
• নরওয়ের আইন সভার নাম- স্টর্টিং ।
• নরওয়ের আইন সভার নাম- এডুসকুন্টা ।
• সুইজারল্যান্ডের আইনসভা- দ্যা ফেডারেল অ্যাসেম্বলি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭০.
কার ঘোষণার মাধ্যমে বঙ্গ ভঙ্গ ঘটে?
  1. রাজা পঞ্চম জর্জ
  2. লর্ড ক্লাইভ
  3. লর্ড ব্যামফিল্ড ফুলার
  4. লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গ :
- বঙ্গভঙ্গ অবিভক্ত বাংলায় তথা সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- ১৯০৫ সালের পূর্বে 'বাংলা প্রেসিডেন্সি' ছিল ভারতের সর্ববৃহৎ প্রদেশ।
- ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
- ঘোষনা করেন বড় লাট লর্ড কার্জন। 

- ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ'।
- ঢাকায় এ নতুন প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয়।
- পশ্চিম বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় ‘পশ্চিমবঙ্গ’ প্রদেশ। এর রাজধানী হয় কলিকাতা । 

- বঙ্গভঙ্গের পর নবগঠিত ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম’ প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হন স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার এবং ‘পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের' গভর্নর নিযুক্ত হন এনডু ফ্রেজার।
- নবাব স্যার সলিমুল্লাহ্ বঙ্গভঙ্গের সমর্থনে পূর্ববঙ্গের মুসলমান জনগণকে সংগঠিত করেন। 

- ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ রহিত করে।
- রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লী দরবারে এ ঘোষণা দেন।  

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং
           ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭১.
OPEC কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. বাগদাদ
  2. ভিয়েনা
  3. তেহরান
  4. জেদ্দা
ব্যাখ্যা

 • ওপেক (OPEC):
- বাগদাদ কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- OPEC এর পূর্ণরূপ: Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- এটি তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট।
- ওপেক গঠনের প্রস্তাবনা করে: ভেনেজুয়েলা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: এটি সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে বাগদাদ, ইরাক।
- সদরদপ্তর:  ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- OPEC এর প্রথম পাঁচ বছর সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে সদর দপ্তর ছিল।
- প্রাথমিক সদস্য: ৫টি দেশ ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা।
- বর্তমানে OPEC এর সদস্য সংখ্যা ১২টি। 

•মূল লক্ষ্য: 
- আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল রাখা,
- সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা,
- বিশ্বজুড়ে তেলের নিরাপদ ও নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য,
- কাতার: জানুয়ারি ২০১৯ সালে সদস্যপদ বাতিল করেছে।
- ইন্দোনেশিয়া: জানুয়ারি ২০০৯ সালে সদস্যপদ স্থগিত করে;
- জানুয়ারি ২০১৬ সালে পুনরায় সক্রিয় করে, কিন্তু নভেম্বরে আবার স্থগিত করে।

উৎস: OPEC ওয়েবসাইট।

৭২.
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায়?
  1. মহস্থানগড়
  2. নেত্রকোনা
  3. খুলনা
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

শাহ সুলতান বলখীর মাজার:
- বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান মাহিসওয়ার (রঃ) একজন দরবেশ।
- তিনি বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে সমাহিত।
- শাহ সুলতান বলখীর মাজার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুলতান মাহিসওয়ারের ইতিহাস অস্পষ্ট।
- কথিত আছে যে, তিনি বলখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন এবং এজন্য তিনি বলখী নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র।
- এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র মহাস্থানগড়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৭৩.
বিখ্যাত ’তারা মসজিদ’ কে নির্মাণ করেন?
  1. শায়েস্তা খান
  2. ইসলাম খান চিশতী
  3. মির্জা আহমদ জান
  4. নওয়াব আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা

তারা মসজিদ:
- বাংলাদশের পুরানো ঢাকার আরমানিটোলা-র আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত ‘তারা মসজিদ’।
- খ্রিষ্টীয় আঠারো শতকে ঢাকার জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।
- তারা মসজিদের আরও কিছু প্রচলিত নাম আছে, যেমন, মির্জা গোলাম পীরের মসজিদ বা সিতারা মসজিদ।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

⇒ সতের শতকে দিল্লি, আগ্রা ও লাহোরে নির্মিত মোঘল স্থাপত্য শৈলী অনুসরণে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
- মসজিদের কোথায়ও এর তৈরির সময় উল্লেখ নেই বলে কবে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়, তার সুস্পষ্ট কোনো নথি পাওয়া যায়নি।
- তবে, মসজিদটি তৈরির পর ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে মির্জা গোলাম পীর মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন।
- এই সময় মসজিদটির আকার বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটির পুনরায় সংস্কার করা হয়।
- এই সময় পুরনো একটি মেহরাব ভেঙে দুটো গম্বুজ আর তিনটি নতুন মেহরাব বানানো হয়।
- সব মিলিয়ে বর্তমানে এর গম্বুজ সংখ্যা পাঁচটিতে দাঁড়িয়েছে।
- এর ফলে মসজিদের জায়গা সম্প্রসারিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৭৪.
জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা নয় কোনটি?
  1. আরবি
  2. জার্মানী
  3. স্প্যানিশ
  4. ফ্রাঞ্চ
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা নয়- জার্মানী।

জাতিসংঘ:

- প্রতিষ্ঠা লাভ করে–  ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে।
- বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য দেশ ১৯৩ টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশ ১৫ টি (স্থায়ী ৫ টি এবং অস্থায়ী ১০ টি)।
- অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য। 
- জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা ৬টি (ইংরেজি, আরবি, চাইনিজ, ‍রুশ, ফ্রাঞ্চ, স্প্যানিশ)।
- জাতিসংঘের আলাপ আলোচনার মূল সভা সাধারণ পরিষদ।
- অধিবেশনে একটি দেশ সর্বোচ্চ ৫ জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারেন, কিন্তু একটি দেশ শুধু একটি ভোট দিতে পারে।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব পর্তুগালের নাগারিক আন্তোনিও গুতেরেস (১ জানুয়ারি, ২০১৭ সালে থেকে-বর্তমান)।  

উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

৭৫.
’বলাকা ও দোয়েল’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ভুট্টা
  2. তামাক
  3. ধান
  4. গম
ব্যাখ্যা

উন্নতজাতের ফসলের জাত:
ধান: হীরা, ব্রিশাইল,ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড, সোনার বাংলা, টিয়া, ময়না, ঝলক, বিজলি, মধুমতি ইত্যাদি। 
গম: বলাকা, দোয়েল, শতাব্দী, অগ্রণী, সোনালিকা, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন ইত্যাদি। 
ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ ইত্যাদি।
তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা। 
আলু: গ্রানূলা, মাল্টা, পেট্রোনিজ, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, ফেন্সিনা, ক্যারেজ, লেডিরোজ ইত্যাদি। 
আম: হিমসাগর, ল্যাংরা, গোপালভোগ, খিরশাপতি, ফজলী, বোম্বাই, আম্রপালি, বারিআম-১, বারিআম-৪, থোকাফজলী, মহানন্দা, মোহনভোগ, ল্যাংড়া, গোপালভোগ ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলাদেশের জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৬.
কোন মোঘল সম্রাট বাংলার নাম রাখেন জান্নাতাবাদ?
  1. শাহজান
  2. হুমায়ুন
  3. আকরব
  4. জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা

সম্রাট হুমায়ুন:
- মুঘল বংশের প্রতিষ্ঠাতা জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের জ্যেষ্ঠপুত্র হুমায়ুন।
- বাবরের শাসনামলে হুমায়ুন বাদাখশান, হিসার ফিরোজা এবং সম্বলের শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- পিতা বাবরের মৃত্যুর পর ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দের ৩০শে ডিসেম্বর মাত্র ২৩ বছর বয়সে পিতৃ মনোনয়ন অনুসারে হুমায়ুন ‘নাসির উদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ুন' নাম ধারণ করে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- হুমায়ুনের শাসনামলে বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়।
- সম্রাট হুমায়ুন বাংলার নতুন নামকরণ করেন 'জান্নাতাবাদ'।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই এবং বাংলাপিডিয়া।

৭৭.
জার্মানি মিত্রশক্তির নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে কখন?
  1. সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯
  2. মে, ১৯৪৫
  3. ডিসেম্বর, ১৯৪১
  4. সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫
ব্যাখ্যা

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে জার্মান কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল- জার্মান, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিল- ফ্রন্স, পোল্যান্ড, সোভিয়েত ইউনিয়ন, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- যুক্তরাষ্ট্র ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে।
- জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্থন করে- ৭ মে, ১৯৪৫ সালে।
- জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্থনের মাধ্যমে ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে।

উৎস: Britannica & History.com

৭৮.
বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু হয় কোন সালে?
  1. ১৭০০ সালে
  2. ১৭৯৩ সালে
  3. ১৭৮৩ সালে
  4. ১৭৫১ সালে
ব্যাখ্যা

চিরস্থায়ী বন্দোবস্থ
• ১৭৯৩ সালের ২২মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
• ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
• চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কারণে কৃষক জমির উপর তাদের অধিকার হারায়। বিপরীতে জমির উপর জমিদারদের স্থায়ী মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
• ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ত্ব আইনের ফলশ্রুতিতে জমিদারি প্রথা ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার উচ্ছেদ ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৯.
বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. মিশর
  2. তুরস্ক
  3. গ্রিস
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা

ট্রয় নগরী:
- ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর বর্ণনা পাওয়া যায় হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াড -এ।
- ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের হেসারলিক বা আনাতোলিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- ট্রয়ের যুদ্ধ শুরু খ্রিষ্টপূর্ব ১২৫০ শতকে এবং শেষ খ্রিষ্টপূর্ব ১২৪০ শতকে।
- দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলেছিল যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধ ট্রোজান যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল, সেই সময়ে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী নারী স্পার্টার রানি ও ট্রয় রাজপুত্র প্যারিসের প্রেমিকা হেলেনের জন্য।
- ১৯৯৮ সালে ইউনেসকোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় যুক্ত হয় ট্রয়।

উল্লেখ্য,
- ইলিয়াড এবং ওডিসির কারনে এই রোমান্টিক ট্রয়ের ট্র্যাজেডি অমর হয়ে আছে।
- এই ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর রাজা ছিলেন প্রিয়াম এবং রাণীর নাম ছিলেন হেকবা।
- তাদের আদরের পুত্রের নাম ছিল প্যারিস।
- এই প্যারিসই ছিল মূলত ট্রয় যুদ্ধের পেছনে মূল হোতা।
- সেই সময় পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী রমণী ছিল হেলেন।
- হেলেন ছিলেন স্পার্টার রাজা মেনেলাউস এর স্ত্রী।
- প্যারিস স্পার্টা থেকে হেলেনকে নিয়ে ট্রয়ে পালিয়ে যায়।
- এতে ক্রোধান্বিত হয়ে মেনেলাউস তার ভাই আগামেমনন এর সহায়তায় ট্রয় আক্রমণ করে।
- গ্রিক ও ট্রোজানদের মধ্যে দীর্ঘ দশ বছর ধরে যুদ্ধ হয়।
- পরবর্তীতে গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

উৎস: Britannica.

৮০.
বাংলার প্রাচীন জনপথ হরিকেল-এর বর্তমান নাম কী?
  1. ফরিদপুর
  2. রাজশাহী 
  3. বগুড়া
  4. সিলেট 
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম জনপদ হরিকেল - এর অন্তর্ভূক্ত অঞ্চল বর্তমানে সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত।

• প্রাচীন জনপদ:
- প্রাচীন যুগে বাংলা বিভিন্ন জনপদে বিভক্ত ছিল এবং এই জনপদবাসীরাই স্ব-স্ব জনপদের নামেই পরিচিতি লাভ করে।
- প্রাচীন কাল থেকে আরম্ভ করে আনুমানিক ষষ্ঠ ও সপ্তম শতক পর্যন্ত প্রাচীন বাংলা ⎯ পুন্ড্রু, গৌড়, রাঢ়, সূহ্ম, তাম্রলিপ্ত, সমতট, বঙ্গ, বরেন্দ্র, চন্দ্রদ্বীপ ইত্যাদি জনপদে বিভক্ত ছিলো।
- এই জনপদগুলো স্বতন্ত্র ও পৃথক, মাঝে মাঝে বিরোধ মিলনে একের সাথে অন্যের যোগাযোগের বিষয়টি লক্ষ করা যায়।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।

• হরিকেল:
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে। চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ ⎯ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন বলে উল্লিখিত।

• পুন্ড্র: 
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ জনপদ।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর। বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। পরবর্তী কালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান ⎯ বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
• বঙ্গ:
- বৃহত্তর ফরিদপুর, বিক্রমপুর, বাখেরগঞ্জ, পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি নিয়ে ‘বঙ্গ’ জনপদ গঠিত হয়েছিল।
- এই অঞ্চলে বসবাসকারী ‘বঙ্গ’ জনগোষ্ঠী থেকে ‘বঙ্গ’ নামের উৎপত্তি ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়।
 থাকে।  

উৎস:
i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, উন্মুক্ত উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৮১.
ঢাকা থেকে পূর্বদিকে অবস্থিত একটি স্থানের সাথে দ্রাঘিমার পার্থক্য ৩০°। ঢাকার সময় মধ্যাহ্ন ১২:০০ টা হলে ঐ স্থানটির স্থানীয় সময় হবে-
  1. সকাল ০৯:০০ টা
  2. বিকাল ০২:০০ টা
  3. সন্ধ্যা ০৬:০০ টা
  4. রাত ০৯:০০ টা
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
→ ৩০° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের প্রার্থক্য হবে, ৩০×৪ = ১২০ মিনিট বা ২ ঘণ্টা।
→ যেহেতু পূর্বে গেলে সময় বাড়ে সেহেতু ঢাকার সময় মধ্যাহ্ন ১২:০০ টা হলে ঐ স্থানটির স্থানীয় সময় হবে বিকেল ২টা।
 
আন্তর্জাতিক টাইম জোন:
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- কোন স্থান থেকে পশ্চিমে গেলে সময় কমবে আর পূর্বে গেলে সময় বাড়বে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৮২.
”বাংলাদেশ চা বোর্ড” কোন মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত?
  1. পরিকল্পনা
  2. শিল্প
  3. বাণিজ্য
  4. কৃষি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ চা বোর্ড বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত।  

চা বোর্ড এর ইতিহাস: 

- বাংলাদেশ চা বোর্ড একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- পাকিস্তান টি অ্যাক্ট-১৯৫০ এর অধীনে ১৯৫১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান টি বোর্ড গঠন করা হয়।
- ১৯৫৯ সালের ০৮ আগস্ট পাকিস্তান টি অ্যাক্ট-১৯৫০ বাতিল করে টি বোর্ড পরিচালনার লক্ষ্যে চা অধ্যাদেশ ১৯৫৯ জারী করা হয়।
- ১৯৭৭ সালে চা অধ্যাদেশ-১৯৫৯ বাতিল করে চা অধ্যাদেশ -১৯৭৭ জারী করা হয় এবং এ অধ্যাদেশের অধীনে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ০১ আগস্ট ২০১৬ তারিখে এক গেজেটের মাধ্যমে চা অধ্যাদেশ-১৯৭৭ রহিত করে সরকার চা আইন,২০১৬ জারী করেন।
- চা আইন, ২০১৬ অনুযায়ী বাংলাদেশ চা বোর্ড পরিচালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের আওতাধীন দুটি প্রতিষ্ঠান হলো:
১। বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) এবং
২। প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিট (PDU)

এছাড়াও, 
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ১০টি দপ্তর/সংস্থা রয়েছে। [ডিসেম্বর- ২০২৫]
- এ দপ্তর/সংস্থা সমূহের প্রশাসনিক কার্যক্রম প্রশাসন অনুবিভাগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এ ছাড়াও বিসিএস (ট্রেড) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সকল কার্যাদি এ অনুবিভাগের মাধ্যমে হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ নিম্নরূপ:
১) বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন, 
২) বাংলাদেশ ট্রেড এণ্ড ট্যারিফ কমিশন, 
৩) যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্ম সমূহের পরিদপ্তর, 
৪) বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট, 
৫) বাংলাদেশ চা বোর্ড, 
৬) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, 
৭) আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস, 
৮) রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো, 
৯) ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
১০) বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল। 

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। 

৮৩.
ট্রপোমণ্ডলে প্রতি কিলোমিটার উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে বায়ুর তাপমাত্রা গড়ে হ্রাস পায়-
  1. ৭.৩° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
  2. ৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
  3. ৮.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
  4. ৬.৯° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

⇒ ট্রপোমণ্ডলে প্রতি ১ কিলোমিটার উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে তাপমাত্রা হল - ৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার। 

• ট্রপোমন্ডল (Troposphere):
- ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর।
- ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন হওয়ায় এ স্তর জীবজগতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার। এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে।
- ফলে আবহাওয়ার বিভিন্ন পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় এবং এই স্তরেই আবহাওয়া ও জলবায়ুর সব রকমের বৈচিত্র্য দেখা যায়।
- এ মন্ডলটিকে ক্ষুদ্রমন্ডলও বলা হয়ে থাকে। এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।
- উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫° সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার (Normal Lapse Rate বা Environmental Lapse) নামে পরিচিত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। এ স্তরের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪.
জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল নীতিমালা কত সালে পাশ হয়?
  1. ২০১১
  2. ২০১০
  3. ২০১৩
  4. ২০১২
ব্যাখ্যা

- জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল নীতিমালা ২০১২ সালে পাশ হয়।

• জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল:
- দুর্নীতি দমন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করেছে।
- এতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অংশীদারদের ভূমিকা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
- এই কৌশলে শুদ্ধাচার বলতে নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষতাকে নির্দেশ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল হলো - দুর্নীতি ঠেকাতে নাগরিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, এবং সততা নিশ্চিত করণে সরকার প্রণীত একটি সুশাসন কৌশল।

⇒ স্লোগান: সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

৮৫.
ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী? 
  1. সাংগ্রাই
  2. বাইশু
  3. বিজু
  4. রাস 
ব্যাখ্যা

➝ ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম ⎯ বৈসুখ/বৈসু/বাইশু,

অন্যদিকে,
➝ মারমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম ⎯ সাংগ্রাই,
➝ চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম ⎯ বিজু।
➝ রাস হলো মণিপুরিদের প্রধান উৎসব। শরতের পূর্ণিমায় এই রাস হয়।

• বৈসাবি:
- পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কাছে বর্ষবরণ উৎসবই সবচেয়ে বড় এবং ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। বাংলাদেশের ৩ বড় নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবকে একত্রে বৈসাবি বলা হয়।
- এই ৩ বড় উৎসবকে একত্রে বৈসাবি বলা হয়। সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।

• ত্রিপুরা:
- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু ।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই।

৮৬.
নীতিবিদ্যার মূল ধারা কতটি?
  1. পাঁচটি
  2. সাতটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা

⇒ নীতিবিদ্যা:
- মানুষের আচরণের নৈতিক মূল্য ও আদর্শ নির্ধারণ করা নীতিবিদ্যার কাজ।
- নীতিবিদ্যায় মানুষের আচরণ বলতে মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়াকে বুঝানো হয়।
- নীতিবিদ্যা শুধু মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া বিচার করে।
- ঐচ্ছিক ক্রিয়ার স্বরূপ, ঐচ্ছিক ক্রিয়ার সাথে অনৈচ্ছিক ক্রিয়ার পার্থক্য, ঐচ্ছিক ক্রিয়ার ধাপ, ঐচ্ছিক ক্রিয়ার উৎস, উদ্দেশ্য, অভিপ্রায় প্রভৃতি নীতিবিদ্যার অন্তর্ভুক্ত।

নীতিবিদ্যার মূল ধারা চারটি
যথা:
ক) পরানীতিবিদ্যা
খ) ব্যবহারিক নীতিবিদ্যা
গ) বর্ণনামূলক নীতিবিদ্যা এবং
ঘ) মানমূলক নীতিবিদ্যা।

উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৭.
নিচের কোনটি কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ (Hazard)?
  1. ভূমিধস
  2. জলোচ্ছ্বাস 
  3. ভূমিকম্প 
  4. খরা
ব্যাখ্যা

• কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ (Hazard) হচ্ছে- খরা।

খরা ( Drought):
- কোনো এলাকা দীর্ঘদিন বৃষ্টিহীন অবস্থা থাকলে অথবা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে উক্ত এলাকাটির মাটির স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে শুষ্ক হয়ে পড়ে।
- উক্ত এলাকার মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যায় ও ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায়। মাটির এরূপ অবস্থাকে খরা বলা হয়।
- বাংলাদেশের উওর-পশ্চিমাঞ্চল অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়।
- খরা উপদ্রুত অঞ্চলে কৃষিজ ফসলের উৎপাদন কমে যায়।
- উপদ্রুত অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গিয়ে পানির অভাব দেখা দেয়।
- বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল পর্যাপ্ত ফসলের অভাবে খাদ্যদ্রব্যের অভাব প্রকট হয়ে পড়ে।
- গাছপালা বিহীন শুষ্ক প্রকৃতি ও তীব্র গরমে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের অসুখের প্রাদুর্ভাব ঘটে।
 
অন্যদিকে: 
- ভূমিকম্প, ভূমিধস, জলোচ্ছ্বাস ,কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ (Hazard) নয়। 

 উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৮.
বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোক্তা এর প্রস্তাবক হচ্ছে -
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. জাপান
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোক্তা-এর প্রস্তাবক হচ্ছে ⎯ চীন। 

বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ (জিডিআই):
- জিডিআই হচ্ছে মূলত স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ডিজিটাল অর্থনীতিকে ঘিরে উন্নয়ন সহযোগিতার উদ্যোগ।
- 'বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ' চীনের প্রস্তাবিত।
- মূলত জিডিআইতে উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগে (গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভন-জিডিআই) বাংলাদেশকে যুক্ত করতে চায় চীন।
- স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবিলা, সংযুক্তির জন্য যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন, ডিজিটাল অর্থনীতিসহ আটটি ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দিয়ে জিডিআইয়ে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে শিগগিরই সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করতে চায় দেশটি।

উৎস: CGTN ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।

৮৯.
'সুশাসন চারটি স্তম্ভের উপর নির্ভরশীল' - এই অভিমত প্রকাশ করে কোন সংস্থা?
  1. বিশ্বব্যাংক 
  2. ইউএডিপি
  3. জাতিসংঘ
  4. এডিবি
ব্যাখ্যা

'সুশাসন চারটি স্তম্ভের উপর নির্ভরশীল' - বিশ্বব্যাংক এই অভিমত প্রকাশ করে।

◉ বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:
→ বিশ্বব্যাংকের মতে, সুশাসন হল এমন এক প্রক্রিয়া যেখানে রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদ সমাজের সমস্যা ও চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হয়।
→ সংস্থাটি সুশাসনকে সংজ্ঞায়িত করেছেন এভাবে ‘Governance is the manner in which power is exercised in the management of a countries economic and social resources for development.’
→ ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক ‘শাসন: বিশ্বব্যাংকের অভিজ্ঞতা' শীর্ষক এক রিপোর্টে সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে।

◉ স্তম্ভ চারটি হলো:
- দায়িত্বশীলতা,
- স্বচ্ছতা,
- আইনি কাঠামো,
- অংশগ্রহণ।

অন্যদিকে,
- বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম সুশাসনের ধারণা দেয় ১৯৮৯ সালে।
- ১৯৯২ সালে সর্বপ্রথম সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৯০.
জাতিসংঘ মাদক ও অপরাধ সংক্রান্ত সংস্থা (UNODC) -্এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. মাদ্রিদ
  2. ভিয়েনা
  3. লন্ডন
  4. নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা

- UNODC এর সদর দপ্তর অস্টিয়ার ভিয়েনাতে যেটি মাদক, সংঘটিত অপরাধ, দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কাজ করে।
 
• UNODC: 
- UNODC হলো জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক সংস্থা। 
- UNODC এর পূর্ণরূপ: United Nations Office on Drugs and Crime
- এটি মাদক, সংঘটিত অপরাধ, দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কাজ করে।
- UNODC ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক মাদক নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম (ইউএনডিসিপি) এবং জাতিসংঘ অপরাধ দমন ও বিচার বিভাগ এর সমন্বয়ে এই সংস্থাটি গঠিত হয়। 
- এর সদর দপ্তর ⎯ অস্টিয়ার ভিয়েনা। 

উৎস: UNODC ওয়েবসাইট।

৯১.
"মানুষ হও এবং মরে বাঁচো।" - এটি কার উক্তি?
  1. প্লেটো 
  2. সক্রেটিস
  3. জি. ই. ম্যূর
  4. হেগেল
ব্যাখ্যা

 "মানুষ হও এবং মরে বাঁচ (Be a person, Die to live)" - এটি জার্মান দার্শনিক জর্জ উইলহেলম ফ্রেডরিখ হেগেলের উক্তি।

জর্জ উইলহেলম ফ্রেডরিখ হেগেলের (১৭৭০-১৮৩১):
- আধুনিক কালের পূর্ণতাবাদ বা কল্যাণবাদের প্রসিদ্ধ চিন্তাবিদ হলেন হেগেল।
- তার ভাববাদের উপর ভিত্তি করেই তার নীতিদর্শন স্থাপিত।
- তিনি মনে করেন যে, পরমাত্মা বা পরমসত্তাই একমাত্র স্বনির্ভর সত্তা এবং জীবাত্মাও। জড়বস্তু পরমাত্মারই খণ্ড প্রকাশ মাত্র।

হেগেলীয় পূর্ণতাবাদ:
জার্মান দার্শনিক জর্জ উইলহেলম ফ্রেডরিখ হেগেলের দর্শন অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও জটিল। তাঁর নীতিদর্শনও তাই জটিলতামুক্ত নয়। তবে কয়েকটা বিষয় বেশ স্পষ্ট আর তা হচ্ছে ⎯
১. জগতের সব কিছুই এক পরম সত্তার (absolute) প্রকাশ এবং এই প্রকাশটি ঘটে বিবর্তনের ধারায় একটা ক্রমবিকাশমান প্রক্রিয়া হিসেবে।
- এ প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে আত্ম-সচেতনতার (self-consciousness) সৃষ্টি যা পরম সত্তার গুণ। জগতে এর চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটে মানুষের মধ্যে।
- হেগেলের মতে যার মধ্যে এর প্রকাশ যত বেশি সে তত বেশি আত্ম-বাস্তবায়ন সাধন করে এবং পূর্ণ মানুষে পরিণত হয়।
২. মানুষ পূর্ণ আত্ম-সচেতনতায় পৌঁছে একটি দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
- এ প্রক্রিয়ার মূলকথা হচ্ছে মানুষের চিন্তা প্রথমে একটি মত গঠন করে। এরপর সে তা বাতিল করে দ্বিতীয় একটি প্রতিমত গঠন করে এবং এ দুটো মিলে এরপর সে আবার ততীয় একটি সমন্বয়-মত গঠন করে। এ সমন্বয় মত আবার সময়মত একটি মত হিসেবে অপর একটি প্রতি-মতের সষ্টি করে এবং এভাবে চিন্তা পর্ণতার দিকে এগিয়ে চলে।
৩. জগতে একটা আঙ্গিক ঐক্য রয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে জগৎ একটি সামগ্রিক সত্তা এবং এর কোন অংশকে অন্য একটি অংশের সঙ্গে কিংবা সমগ্রের সঙ্গে সম্পর্কিত হিসেবে না দেখে উপায় নেই। অন্যভাবে বলা যায়, জগতে কোন কিছুরই আলাদা ও স্বনির্ভর অস্তিত্ব নেই।
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯
হেগেলের পূর্ণতাবাদের ব্যাখ্যা প্রদান করে তেমন দুটি উক্তি খুবই প্রসিদ্ধ। এগুলো হচ্ছে ⎯
i) Be a person ⎯ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন হও/মানুষ হও।
ii) Die to live ⎯ বাঁচার জন্য মরো/মরে বাঁচ।
এই মতবাদ ও উক্তি দুটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে তার - The Phenomenology of Spirit (1807) গ্রন্থে।

i) ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন হও/মানুষ হও (Be a person):
- আত্ম-সচেতনতাই যদি মানুষের লক্ষ্য হয় এ তার মধ্যে এমন একটি বোধের সষ্টি করে যাকে আমরা তার ব্যক্তিত্ববোধ বলতে পারি। এ ব্যক্তিত্ববোধ নিছক অন্যান্য প্রাণীদের স্বাতন্ত্র্যবোধের মত নয়।
- মানুষ ব্যতীত অন্যান্য প্রাণীরা তাদের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব বুঝতে পারে এই অর্থে যে, তারা অন্যের বিরুদ্ধে ভিন্ন সত্তা হিসেবে নিজেকে জাহির করে, অন্যকে তার জীবন থেকে স্বতন্ত্র করে দেখে এবং সময়ে নিজে পরিতপ্তির জন্য তাদের সংগে মারামারি করে।
- কিন্তু মানুষ এর ঊর্ধ্বেও নিজ অস্তিত্ব সম্পর্কে চিন্তা করতে পারে। তার স্বাতন্ত্র্যবোধ তাকে যেখানে অন্যদের থেকে আলাদা করে রাখে, তার ব্যক্তিত্ববোধের কল্যাণে তাদের সংগে সে নিজেকে জড়িত করে ফেলে। আর এর ফলে সময়ে সে অপরের জন্য আত্মোৎসর্গও করে।
- হেগেলের মতে ব্যক্তিত্ব বলতে তাই নৈতিক ব্যক্তিত্বকে বুঝায়। ইন্দ্রিয়বৃত্তি নির্মূল করে বৌদ্ধিক জীবন লাভ করাতেই মানুষের পূর্ণতা নিহিত।

ii) বাঁচার জন্য মরো/মরে বাঁচ (Die to live):
- মানুষ যেহেতু আত্মসচেতন জীব এবং যেহেতু তার ব্যক্তিত্ব রয়েছে, সেহেতু সে অপরাপর জীব থেকে পৃথক।
- কিন্তু একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, তাদের সংগে তার কিছু মিলও রয়েছে। যেমন তার রয়েছে কিছু ইন্দ্রিয়বত্তি। এগুলোকে দমন করতে না পারলে প্রকত আত্ম-সচেতনতা তথা বৌদ্ধিক জীবন লাভ হয় না।
- অথচ ঐ জীবনেই রয়েছে মানুষের মুক্তি তথা সমস্ত ক্ষুদ্রতা, তুচ্ছতা ও স্বার্থপরতা থেকে মুক্তি। এ কারণে মানুষকে তার প্রবৃত্তিগুলোকে দমন করতে হবে; অন্যকথায় তার জীববত্তিমূলক জীবনকে হত্যা করতে হবে। এতে করে প্রকতপক্ষে সে বেঁচে যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিবিদ্যা বই (SSHL), নীতিবিজ্ঞান ও ভারতীয় দর্শন [সংস্করণ-৭] এবং ব্রিটানিকা।

৯২.
নিম্নের কোন ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধরিত্রী দিবসের সূচনা হয়?
  1. ব্যাপক বায়ু দূষণ
  2. জলবায়ু পরিবর্তন
  3. ব্যাপক তেল নিঃসরণ
  4. ব্যাপক পানি দূষণ
ব্যাখ্যা

- ধরিত্রী দিবস বা Earth Day-এর সূচনা হয় ১৯৬৯ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারা উপকূলে সংঘটিত একটি ভয়াবহ তেল নিঃসরণের ঘটনা থেকে। ঐ সময় ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানির একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে তেল সমুদ্রে ছড়িয়ে পড়ে। 

ধরিত্রী দিবস:
- পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা তৈরিতে প্রতিবছর ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস পালন করা হয়।
- এটি জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত একটি দিবস।
- সর্বপ্রথম ১৯৭০ সালে দিবসটি পালিত হয়।
- বর্তমানে আর্থ ডে নেটওয়ার্ক কর্তৃক বিশ্বব্যাপি এ দিবসটি পালন করা হয়।
- ১৯৯০ সালে বাৎসরিক পঞ্জিকায় দিবসটিকে স্থান দেয় জাতিসংঘ।
- জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহকে তা পালনের জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়।
- এরপর দিবসটি ‘বিশ্ব ধরিত্রী দিবস’ নামে আন্তর্জাতিক ভাবে পালিত হচ্ছে।
- বর্তমানে ১৯৩টি দেশে প্রতি বছর ধরিত্রী দিবস পালিত হয়।

উৎস: United Nations Foundation ও Earth Day 2025 ওয়েবসাইট। 

৯৩.
'সৃষ্টিরহস্য' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. আরজ আলী মাতুব্বর
  2. আহমদ ছফা
  3. আব্দুশ শুকর আলী
  4. আব্দুল মতিন
ব্যাখ্যা

• আরজ আলী মাতুববর:
→ আনুষ্ঠানিক উচ্চশিক্ষাবিহীন স্বশিক্ষিত একজন মননশীল লেখক ও যুক্তিবাদী দার্শনিক ছিলেন আরজ আলী মাতুববর (১৯০০-১৯৮৫)।
→ তিনি লড়াই করেছেন ধর্মীয় গোঁড়ামি ও অন্ধ কুসংস্কারের বিরুদ্ধে এবং সহজ-সরল ভাষায় প্রকাশ করেছেন জগৎ ও জীবন সম্পর্কে তাঁর অভিমত।
→ তিনি মূলত বস্ত্তবাদী দর্শনে বিশ্বাসী ছিলেন।
→ মানবজীবন, প্রকৃতি-পরিবেশ, জড়জগৎ ও বিশ্ব-সংসার থেকে পাঠ নিয়ে তিনি নিজস্ব মতবাদ গড়ে তোলেন।
→ তিনি দৃঢ় মনোবল ও বিশ্বাস নিয়ে সকল অন্ধতা, অজ্ঞানতা, কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।
→ তাঁর বিশ্বাস ও অভিজ্ঞতার কথা তিনি একাধিক গ্রন্থে প্রকাশ করেন।

◉ তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
- সত্যের সন্ধান (১৯৭৩),
- সৃষ্টিরহস্য (১৯৭৭),
- অনুমান (১৯৮৩),
- মুক্তমন (১৯৮৮) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯৪.
ভোমরা স্থল বন্দরটি বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. শেরপুর
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
• ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগনা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- এটি ১২ জানুয়ারি ২০০২ স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- এবং ১৯ মে ২০১৩ স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।

• স্থলবন্দর:
 
- স্থলবন্দর সীমান্তে অবস্থিত আন্তদেশীয় পণ্য ও যাত্রী যাতায়াত এবং বিনিময় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র। 
- স্থলবন্দরে শুল্ক, অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা বিধান দপ্তর ছাড়াও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণমূলক দপ্তরসমূহের অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়। 
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- দেশের প্রধান ও বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল ।
- এটি যশোর জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৫টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১৫ টি।
- চালুকৃত ১৫টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনা মসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

কয়েকটি স্থলবন্দর ও অবস্থান দেওয়া হলো: 
→ হিলি স্থল বন্দর- হাকিমপুর, দিনাজপুর।
→ নাকুগাঁও স্থল বন্দর- নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
→ ভোমরা স্থল বন্দর- সাতক্ষীরা সদর, সাতক্ষীরা।
→ সোনামসজিদ স্থল বন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
→ বিবির বাজার স্থল বন্দর- কুমিল্লা সদর, কুমিল্লা।
→ বিরল স্থল বন্দর- বিরল, দিনাজপুর।
→ টেকনাফ স্থল বন্দর- টেকনাফ, কক্সবাজার।
→ হালুয়াঘাট স্থল বন্দর- হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ।
→ আখাউড়া স্থল বন্দর- আখাউড়া, ব্রাম্মণবাড়িয়া।
→ বুড়িমারী স্থলবন্দর- পাট গ্রাম, লালমনিহাট।
→ দর্শনা স্থল বন্দর- দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
→ তামাবিল স্থল বন্দর- গোয়াইনঘাট, সিলেট।
→ সোনাহাট স্থলবন্দর- ভুরুঙ্গামারী, কুুুড়িগ্রাম।  

উৎস: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।