পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৪: বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের অর্থনীতি ১. উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী (সমসাময়িক ইস্যু), জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২. অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট কতটি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে?
  1. ৩টি
  2. ১৩টি
  3. ১৫টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
- বাংলাদেশে জাতীয় আয় গণনার কাজটি করে থাকে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। এই প্রতিষ্ঠান প্রত্যেক বছর চলতি বাজার মূল্যে ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে থাকে। এ হিসাব করার জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো GDP ও GNI গণনা করার জন্য উৎপাদন ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে। খাতসমূহ হচ্ছে:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৫ লাখ কোটি টাকা
  2. ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা
  3. ৪ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা
  4. ৬ লাখ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

২০২৫-২৬ বাজেট:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেৎ উত্থাপনকারী: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের শিরোনাম: বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়।
- বাজেট ঘোষণা: ২ জুন, ২০২৫।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৫।
- বাজেটের আকার: ৭,৮৯,৯৯৯ কোটি টাকা (জিডিপির ১২.৭ শতাংশ)।
- রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা: ৫,৬৪,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি: ২,২৬,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৬২ শতাংশ)।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৩০,০০০ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।
- সামাজিক নিরাপত্তার ঝার বৃদ্ধি: ১২.১৮%।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৫.৫%।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

.
দেশের ভেতরে প্রশাসনিক কাজ পরিচালনার জন্য সরকারের যে ব্যয় হয় তাকে কী বলে?
  1. রাজস্ব ব্যয়
  2. মূলধনী ব্যয়
  3. স্থানীয় ব্যয় 
  4. কেন্দ্রীয় ব্যয়
ব্যাখ্যা

সরকারি ব্যয়:
- সরকারি ব্যয় বলতে সরকারি ক্রয় ও বিনিয়োগকে বুঝায়। যেমন: সরকার জনগনের স্বার্থে দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় করে, বিনিয়োগ করে, হস্তান্তর করে, জনগনের সামাজিক সুবিধার জন্য পেনশন ভাতা ইত্যাদি প্রদান করে। সরকার জনগণের নিরাপত্তা, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ খাতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে। অর্থাৎ একটি দেশের জনগনের আর্থ-সামাজিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য ঐ দেশের সরকার যে ব্যয় করে তাকে সরকারি ব্যয় বলে। 
- বাংলাদেশ সরকার দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার জন্য বিভিন্ন খাতে অর্থ ব্যয় করে থাকে। সরকারের ব্যয়ের খাত গুলোকে প্রধানত দুভাগে করা যায়। যথা- ক) রাজস্ব ব্যয় ও খ) উন্নয়ন ব্যয়।
 
⇒ রাজস্ব ব্যয়: সরকার তথা রাষ্ট্রের সবোর্চ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে সর্বনিম্ন পর্যায় পর্যন্ত দৈনন্দিন কাজ পরিচালনার জন্য যে ব্যয় হয় তা রাজস্ব ব্যয়। 
১. সেবা ও প্রশাসন: রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, নিবার্চন কমিশন, লোক প্রশাসন ইত্যাদি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের চলতি ব্যয় এ খাতের অন্তর্ভূক্ত।
২. স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয় এ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
৩. প্রতিরক্ষা: দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সরকারে মৌলিক দায়িত্ব। তাই বহিঃশত্রুর আক্রমন থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য সরকার প্রতিরক্ষা খাতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে।
৪. জনশৃংখলা ও নিরাপত্তা: বাংলাদেশ সরকার আইন শৃংখলা রক্ষা ও জনগনের আভ্যন্তরীন জানমালের নিরাপত্তার জন্য অনেক অর্থ ব্যয় করে।
৫. শিক্ষা ও প্রযুক্তি শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। সরকার এটি মাথায় রেখে দেশের নাগরিকদের শিক্ষা দানের উদ্দেশ্যে এবং পাশাপাশি প্রযুক্তির সম্প্রসারণে এ খাতে ব্যয় করে।
৬. স্বাস্থ্য: স্বাস্থ্যই সম্পদ। দেশের জনগনের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সরকার এ খাতে টাকা ব্যয় করে।
৭. সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ সরকার দেশের জনগনকে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। যেমন: মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, বয়স্ক ভাতা ইত্যাদি।
৮. গৃহায়ন: দেশের নাগরিকদের গৃহায়ন নিশ্চিত করার তথ্য সরকার প্রতি বছর এ খাতে অর্থ ব্যয় করে। 
৯. কৃষি: সরকার কৃষি উন্নয়নের জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে।
১০. শিল্প খাত ও অর্থনৈতিক সেবা দেশকে শিল্পোন্নত করার জন্য সরকার শিল্প কল-কারখানা স্থাপন ও যোগাযোগের লক্ষ্যে এ খাত অর্থ ব্যয় করে।
১১. পরিবহন ও যোগাযোগ: সরকার দেশের পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে টাকা ব্যয় করে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।

.
দেশে বর্তমানে আবাদি জমির পরিমাণ কত? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. ৮০,২৮,০০০ হেক্টর
  2. ৮০,৮২,০০০ হেক্টর
  3. ৮২,২৮,০০০ হেক্টর
  4. ৮২,৮২,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- বনাবচল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

.
দেশে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. সার
  2. সুতা
  3. তুলা
  4. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা

আমদানি পরিস্থিতি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই – ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

⇒ সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
 - একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

.
সকল পন্য ও সেবার উপর কত শতাংশ মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়?
  1. ১৫% 
  2. ১৩% 
  3. ৯% 
  4. ৫% 
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়। 
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে মূল্য সংযোজন কর থেকে।
- অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
- দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, দানাজাতীয় কোন শস্যটি বেশি উৎপন্ন হয়?
  1. আউশ ধান
  2. ভুট্টা
  3. বোরো ধান
  4. গম
ব্যাখ্যা

দানা জাতীয় ফসলের উৎপাদন:
⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে,
• দেশের ২৮৮.২০ লক্ষ একর জমিতে মোট ৪০৬.৯৭ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে আউশ ধান উৎপন্ন হয় ২৯.৭৩ লক্ষ মেট্রিক টন, আমন ধান উৎপন্ন হয় ১৬৬.৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন, বোরো ধান উৎপন্ন হয় ২১০.৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
• দেশের ১২.৭২ লক্ষ একর জমিতে মোট ৪৮.৭৬ লক্ষ মেট্রিক টন ভুট্টা উৎপন্ন হয়।
• দেশের ৭.৭০ লক্ষ একর জমিতে মোট ১১.৭২ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপন্ন হয়।
• দেশের ১১.৪৪ লক্ষ একর জমিতে মোট ৬.৩৮ লক্ষ মেট্রিক টন সরিষা উৎপন্ন হয়। 
• দেশের ০.৩৯৮ লক্ষ একর জমিতে মোট ০.১৯৫ লক্ষ মেট্রিক টন যব উৎপন্ন হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

.
বর্তমানে বাংলাদেশে কর রাজস্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. VAT
  2. Exsice Duty
  3. Income Tax
  4. Export Duty 
ব্যাখ্যা

আয়ের উৎস:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা- কর রাজস্ব এবং কর বহির্ভূত রাজস্ব।

• কর রাজস্ব:
- কর বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ: আয় ও মুনাফা কর, আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আবগারি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক, যানবাহন কর, ভূমি রাজস্ব, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়, অন্যান্য কর ও শুল্ক।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে মূল্য সংযোজন কর (VAT) থেকে।
- অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
- দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

• কর বহির্ভূত রাজস্ব:
- লভ্যাংশ ও মুনাফা, সুদ, প্রশাসনিক রাজস্ব, রেলওয়ে, ডাক বিভাগ, সেবা বাবদ প্রাপ্তি ইত্যাদি।

উৎস: i) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
ii) অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
একক দেশ হিসেবে দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ কোনটি?
  1. জার্মানি
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর- এ বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১০.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুসারে, জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান - [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ৩৭.৩২ শতাংশ
  2. ৩৭.৪৪ শতাংশ
  3. ৩৭.৫২ শতাংশ
  4. ৩৭.৮৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা

খাতভিত্তিক জিডিপি:
- সর্বশেষ (মে, ২০২৫) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে -
• কৃষি খাতের অবদান ১০.৯৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৪৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪%।
• সেবা খাতের অবদান ৫১.৬২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭% [উল্লেখ্য, চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%]।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

১১.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মোট আকার নির্ধারণ করা হয়েছে -
  1. ২,২৬,০০০.০০ কোটি টাকা
  2. ২,৩০,০০০.০০ কোটি টাকা
  3. ২,৩৪,০০০.০০ কোটি টাকা
  4. ২,৫৬,০০০.০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

ADP:
- ADP-এর পূর্ণরূপ: Annual Development Programme.
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) হলো বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের কৌশল ও লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা। স্বাধীনতা লাভের পর থেকে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের এডিপি'র আকার ছিল ৫০১ কোটি টাকা।
- ৫৩ বছরের ব্যবধানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মোট আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ২,৩০,০০০.০০ কোটি (জিওবি ১,৪৪,০০০.০০ কোটি ও প্রকল্প ঋণ/অনুদান ৮৬,০০০.০০ কোটি) টাকা।
- এছাড়া, বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা/কর্পোরেশন এর নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পসমূহের অনুকূলে বরাদ্দকৃত ৮,৫৯৯.৭১ কোটি টাকাসহ মোট এডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ২,৩৮,৫৯৯.৭১ কোটি টাকা।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ৯২ মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ২,৮২০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রতিচ্ছবি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন।

১২.
কত সালে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ভিশন 'ডেল্টা প্ল্যান ২১০০' অনুমোদন করা হয়?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

১৩.
নিচের কোনটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক আদায় হয়ে থাকে?
  1. মাদক শুল্ক
  2. আবগারী শুল্ক
  3. স্ট্যাম্প বিক্রয়
  4. ভূমি রাজস্ব
ব্যাখ্যা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং - ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।

⇒ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা। এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে। আয়কর অনুবিভাগ বিসিএস (কর) এবং কাস্টমস ও মূসক অনুবিভাগ বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ) ক্যাডার দ্বারা পরিচালিত হয়।

⇒ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রধান প্রধান কার্যাবলী:
১. প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর আহরণের লক্ষ্যে শুল্ক, ভ্যাট ও আয়কর সংক্রান্ত আইন/নীতি প্রণয়ন;
২. বিদ্যমান আইন ও বিধির ব্যাখ্যা/স্পষ্টীকরণ;
৩. প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর আহরণ;
৪. আয়কর, মূল্য সংযোজন কর ও আবগারী শুল্ক এবং আমদানি ও রপ্তানী শুল্ক আহরণে নিয়োজিত দপ্তরসমূহের কার্যক্রম পরিবীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ;
৫. অর্পিত ক্ষমতাবলে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শুল্ক/কর মওকুফ করা;
৬. রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রার কৌশলগত বিভাজন;
৭. প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের আওতা ও পরিধি নির্ধারণ এবং স্বেচ্ছা প্রতিপালন উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি;
৮. রাজস্ব সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ, রাজস্ব আহরণ মনিটর এবং রাজস্ব পরিস্থিতি পর্যালোচনা;
৯. করভিত্তি সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি রোধকল্পে পরিচালিত জরীপ/নিরীক্ষা কাজে এবং চোরাচালান দমন ও গোয়েন্দা কার্যক্রমে নিয়োজিত দপ্তরসমূহের কার্যক্রম তদারকি ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ;
১০. আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিদেশের সাথে সাধারণ সহযোগিতা চুক্তি, অনুদান ও ঋণ সংক্রান্ত চুক্তি এবং কর-সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদনে সহায়তা প্রদান;
১১. বন্ডেড ওয়‍্যারহাউস ও প্রত্যর্পণ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দেশের রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধিতে এবং দেশীয় শিল্পের বিকাশ ও বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে নীতি প্রণয়নে সহায়তা প্রদান;
১২. করদাতা সেবা প্রদান এবং করদাতাদের কর পরিশোধে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচী আয়োজন।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।