পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
পার্ট-১) নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন: 1) Impact of Values Education and Good Governance in national development; 2) How the element of Good Governance and Values Education can be established in society in a given social context; 3) The benefits of Values Education and Good Governance and the cost society pays adversely in their absence. পার্ট-২) ১) বাংলাদেশের অর্থনীতি : উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২) অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ। পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC পৌরনীতি বোর্ড বই। পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, বোর্ড বই, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হয় কত সালে?
  1. ক) ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর।
  2. খ) ২০০৭ সালের ১ অক্টবর।
  3. গ) ২০০৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর।
  4. ঘ) ২০০৭ সালের ১ ডিসেম্বর।
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর।
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদটি বাহাত্তরের মূল সংবিধানের অংশ হলেও তা কার্যকর হয় ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
.
সুশাসনের ক্ষেত্রে অন্যতম পূর্বশর্ত কোনটি?
  1. ক) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
  2. খ) সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা
  3. গ) নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম
  4. ঘ) দক্ষ জনশক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
সুশাসনের জন্যে অন্যতম পূর্বশর্ত হলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা।
নিরপেক্ষ ও স্বাধীন বিচার বিভাগ ব্যতীত আইনের শাসন তথা সুশাসন নিশ্চিত সম্ভব নয়। একইভাবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতাও সুশাসনের জন্যে অত্যাবশ্যক।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র – প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক)
.
“সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।” - সুশাসন সম্পর্কিত প্রদত্ত সংজ্ঞাটি কার?
  1. ক) আইএমএফ (IMF)
  2. খ) বিশ্বব্যাংক (WB)
  3. গ) আইএমএফ (IMF)
  4. ঘ) ইউএনডিপি (UNDP)
সঠিক উত্তর:
খ) বিশ্বব্যাংক (WB)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিশ্বব্যাংক (WB)
ব্যাখ্যা
সুশাসন' শব্দটি সর্বপ্রথম বিশ্বব্যাংক সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে।
- ১৯৮৯ সালে সুশাসন প্রত্যয়টি বিশ্বব্যাংক কর্তৃক উদ্ভাবিত আধুনিক শাসন ব্যবস্থার সংযোজিত রূপ।
- বিশ্বব্যাংকের মতে, ''সুশাসন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়।''
উৎসঃ বিশ্বব্যাংকের ওয়েবসাইট।
.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নিচের কোনটি প্রতিবন্ধক?
  1. ক) পেশাদারিত্ব
  2. খ) দারিদ্র
  3. গ) উন্নত কৌশল
  4. ঘ) সহনশীলতা
সঠিক উত্তর:
খ) দারিদ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দারিদ্র
ব্যাখ্যা
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সমস্যা হল ব্যক্তিপূজা, স্বজনপ্রীতি, দারিদ্র।
সুশাসনের একটি উপাদান হলাে পেশাদারিত্ব। সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রশাসনের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পেশাদারী দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে।
রেফারেন্সঃ পৌরনীতি ও সুশাসন – প্রফেসর মােঃ মােজাম্মেল হক।
.
মূল্যবোধের শিক্ষা মানুষকে _____ অর্জন করতে সহায়তা করে।
  1. ক) জ্ঞান
  2. খ) বাস্তবতা
  3. গ) কর্মদক্ষতা
  4. ঘ) মনুষত্ব
সঠিক উত্তর:
ঘ) মনুষত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মনুষত্ব
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধের শিক্ষা মানুষকে মনুষ্যত্বে অর্জন করতে সহায়তা করে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা আর সমস্তই তার অধীন।
- কিন্তু সমাজে এই শিক্ষার খুবই অভাব রয়েছে। তবে একজন সুশিক্ষিত মানুষের ন্যায়টাই তার জীবনের মূল হাতিয়ার।
- বর্তমান পরিস্থিতির দিকে তাকালে আর সুশিক্ষার ব্যাখ্যার সঙ্গে মানুষকে মেলালে সমাজে সুশিক্ষা আছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন(প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক)
.
নিচের কোনটি বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসন মূল্যায়নের স্তম্ভ নয়?
  1. ক) সরকারি খাত ব্যবস্থাপনা
  2. খ) দায়বদ্ধতা
  3. গ) অবাধ তথ্য প্রবাহ
  4. ঘ) বেসরকারি সেক্টরের উপস্থিতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেসরকারি সেক্টরের উপস্থিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেসরকারি সেক্টরের উপস্থিতি
ব্যাখ্যা
১৯৯৪ সালে বিশ্বব্যাংক ''Governance : The World Bank Experience'' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে সুশাসনকে মূল্যায়নের জন্যে চারটি বিষয়ের উল্লেখ করা হয়।
এগুলো হলোঃ
- সরকারি খাত বা প্রশাসন ব্যবস্থাপনা
- দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা
- উন্নয়নের বৈধ বা আইনি কাঠামো
- স্বচ্ছতা ও অবাধ তথ্য প্রবাহ।
(তথ্যসূত্রঃ বিশ্বব্যাংক)
.
মূল্যবোধের শিক্ষা ও সুশাসনের মাধ্যমে-
  1. ক) রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান সমূহের উন্নত করা যায়।
  2. খ) সামাজিক বৈষম্য দূর করা যায়।
  3. গ) সার্বিক জীবনাচরণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
  4. ঘ) সংস্কৃতিহীন জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা যায়।
সঠিক উত্তর:
খ) সামাজিক বৈষম্য দূর করা যায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সামাজিক বৈষম্য দূর করা যায়।
ব্যাখ্যা
.মূল্যবোধের শিক্ষা ও সুশাসনের মাধ্যমে সামাজিক বৈষম্য দূর করা যায়।-
জাতীয় উন্নয়নে মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসন এর প্রভাব পর্যালোচনা করলে দেখা যায়:
- মূল্যবোধ ও সুশাসন জাতীয় জীবনে ঐক্য ও সংহতির সৃষ্টি করে।
- সামাজিক বৈষম্য দূর করে।
- মূল্যবোধের দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টি ও টেকসই জীবনযাত্রার উন্নতিতে ভূমিকা রাখে।
- রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে কর্তব্য পালনে উদ্বুদ্ধ করে।
- শিশু ও সমাজের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন(প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক)
.
সুশাসনের অন্ত:সারের অন্তর্ভুক্ত নয় -
  1. ক) সুষ্ঠু, বাস্তবায়নযোগ্য নীতি
  2. খ) পেশাদারী আমলাতন্ত্র এবং শাসনবিভাগ
  3. গ) শক্তিশালী সুশীল সমাজ ও আইনের শাসন
  4. ঘ) স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও দারিদ্র্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও দারিদ্র্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও দারিদ্র্য
ব্যাখ্যা
সুশাসনের অন্ত:সার হচ্ছে সুষ্ঠু, বাস্তবায়নযোগ্য নীতি এবং নীতি বাস্তবায়নের জন্য একটি পেশাদারী আমলাতন্ত্র এবংচ শাসনবিভাগ, যা এর কর্মকান্ডের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক হবে।
সুশাসনের জন্য আরও প্রয়োজন হচ্ছে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী একটি শক্তিশালী সুশীল সমাজ।
সর্বোপরি, সুশাসন তখনই প্রতিষ্ঠিত হবে, যদি সমাজের সকল সদস্য আইনের শাসন মেনে চলে।
সুশাসন বলতে এমন এক অবস্থাকে বোঝায় যেখানে শাসনের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা, ন্যায়বিচার এবং সম্পদের ও সেবার সুষ্ঠ বণ্টন রয়েছে।

সূত্র- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র(উন্মুক্ত)।
.
টেকসই উন্নয়নের অপরিহার্য অঙ্গ কোনটি?
  1. ক) মূল্যবোধ
  2. খ) শিক্ষা
  3. গ) সুশাসন
  4. ঘ) আইন
সঠিক উত্তর:
গ) সুশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুশাসন
ব্যাখ্যা
একটি দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য অত্যাবশ্যকীয় হলো সুশাসন। তাই টেকসই উন্নয়নের অপরিহার্য অঙ্গ সুশাসন।
বর্তমানে উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোর উন্নয়নে দাতা দেশ ও সংস্থাসমূহ সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে সুশাসনের উপর।
বৈদেশিক সাহায্য বা বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে সুশাসনের বিকল্প নেই।
দুস্থ, দরিদ্র, অসহায় ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর স্বাভাবিক জীবনমানের নিশ্চয়তা বিধান করে সুশাসন।
১০.
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হলো-
  1. ক) রংপুর
  2. খ) লালমনিরহাট
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ - রংপুর  (২১,৯২,৩৪৭ মে.টন)
ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা  - দিনাজপুর (৬,২৭,৮৫০ মে.টন)

গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ -  রাজশাহী  (৪,১২,৮২৫ মে.টন)
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাঁও  (১,৭৫,৬৬৯ মে.টন)

পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ - ঢাকা (২৬,৩০,৪২০ মে.টন)
পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ফরিদপুর  (৮,৯১,৯৩৮ মে.টন)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০
১১.
বোরো ধান রোপনের সময়-
  1. ক) মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  2. খ) মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি
  3. গ) মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট
  4. ঘ) জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
সঠিক উত্তর:
খ) মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট

আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু

বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি
বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০
১২.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)-এর পরিচালিত পাট বীজ উৎপাদন খামার সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ২৪টি
  4. ঘ) ১১টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
ব্যাখ্যা
সারাদেশব্যাপী বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)-এর পরিচালিত বীজ উৎপাদন খামারের সংখ্যা -
- দানা শস্য বীজ উৎপাদন খামার – ২৪টি
- পাট বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
- আলু বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
- ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদন খামার - ৪টি
- সবজি বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
- চুক্তিবদ্ধ চাষী জোন - ১১১টি

[উৎস:অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]

১৩.
ফসলের বীজ আমদানির ক্ষেত্রে 'Post-Entry Quarantine Centre'- এর কাজ হলো- 
  1. ক) আমদানিকৃত বীজের বিতরণ
  2. খ) আমদানিকৃত বীজের সংরক্ষণ
  3. গ) আমদানিকৃত বীজের রোগ-বালাই পরীক্ষা
  4. ঘ) শস্য সংগ্রহোত্তর ফসলের ক্ষতি কমানো
সঠিক উত্তর:
গ) আমদানিকৃত বীজের রোগ-বালাই পরীক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আমদানিকৃত বীজের রোগ-বালাই পরীক্ষা
ব্যাখ্যা
- আমদানিকৃত বীজের রোগ-বালাই পরীক্ষার জন্য Post-Entry Quarantine Centre স্থাপনের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
- শস্য সংগ্রহোত্তর ফসলের ক্ষতি কমানোর জন্য - ‘Post Harvest Management’ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
১৪.
বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের কত শতাংশ?
  1. ক) ৮১%
  2. খ) ৮২%
  3. গ) ৮৬%
  4. ঘ) ৮৯%
সঠিক উত্তর:
গ) ৮৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮৬%
ব্যাখ্যা
 ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ শিকার বন্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৬টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
১৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুসারে, দেশের মোট জিডিপির কত শতাংশ মৎস্য খাতের অবদান?
  1. ক) ৭.৫০ শতাংশ
  2. খ) ৫.৭৪ শতাংশ
  3. গ) ৩.৫৭ শতাংশ
  4. ঘ) ৬.৫০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ৩.৫৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩.৫৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- মৎস্য খাতে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৫.৭৪ শতাংশ।
- দেশের মোট জিডিপির ৩.৫৭ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপি’র ২৬.৫০ শতাংশ মৎস্য খাতের অবদান।
- ২০১৯-২০ অর্থবছরে মৎস্য উৎপাদন হয়েছে ৪৫.০৩ লক্ষ মেট্রিক টন।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
১৬.
কৃষি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার কোনটি?
  1. ক) টিএসপি
  2. খ) জিপসাম
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) ডিএপি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডিএপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডিএপি
ব্যাখ্যা
-  কৃষি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ইউরিয়া সার; পরিমাণ - ২,৪৫০ হাজার/২৪.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ডিএপি (DAP); পরিমাণ – ১,৩০০.০০ হাজার/১৩.০০ লক্ষ মেট্রিক টন।
-  বাংলাদেশের কৃষিতে ২০২০-২১ অর্থবছরে মোট রাসায়নিক সার ব্যবহৃত হয় - ৫,৮৬৫ হাজার মেট্রিক টন/৫৮.৬৫ লক্ষ মেট্রিক টন।

[উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
১৭.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এর চূড়ান্ত হিসাবে, বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় -
  1. ক) ২,০৬৪ ডলার
  2. খ) ২,৫৯১ ডলার
  3. গ) ২,৫৫৪ ডলার
  4. ঘ) ২,৫৮৩ ডলার
সঠিক উত্তর:
খ) ২,৫৯১ ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২,৫৯১ ডলার
ব্যাখ্যা
২০২০-২১ অর্থবছরে ,
চূড়ান্ত হিসাবে মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৯১ ডলারে।
প্রাথমিক হিসাবে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৫৫৪ ডলার। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট
১৮.
কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ সর্বাধিক পাম অয়েল আমদানি করে?
  1. ক) মালয়েশিয়া
  2. খ) ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) কম্বোডিয়া
  4. ঘ) ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
খ) ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সর্বাধিক পাম অয়েল আমদানি করে ইন্দোনেশিয়া থেকে।
- গত বছর সয়াবিন তেলের তুলনায় পাম অয়েলের আমদানি ছিল প্রায় দ্বিগুণ।
- পাম অয়েল বর্তমানে দেশের সর্বাধিক ব্যবহৃত ভোজ্যতেল এবং বিশ্বে এই তেলের অন্যতম বৃহৎ আমদানিকারক।
- পাম তেলের মূল সরবরাহকারী হলো ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া।

উৎসঃ পত্রিকা রিপোর্ট।
১৯.
ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
ক) ২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ ভাগে
ব্যাখ্যা
ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা –
- খরিফ ফসল – বসন্তের শেষে ও গ্রীষ্মের সময়ে রোপন করা হয় এবং শীতের পূর্বেই ফসল তোলা হয়।
- রবি ফসল – শীতের সময়ে রোপন করা হয় এবং বসন্ত বা গ্রীষ্মের শুরুতে ফসল তোলা হয়।

[উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২০]
২০.
কৃষি ও বনজ খাতের উপখাত হলো-
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ২টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
কৃষি ও বনজ খাতের ৩টি উপখাত রয়েছে। 
সেগুলো হচ্ছে -
- শস্য ও শাকসবজি,
- প্রাণিসম্পদ ও
- বনজ সম্পদ।

[উৎস: অৰ্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
২১.
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি নিচের কোন সংস্থার মাধ্যমে অনুমোদিত হয়?
  1. ক) NICAR
  2. খ) BSEC
  3. গ) ECNEC
  4. ঘ) NEC
সঠিক উত্তর:
ঘ) NEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) NEC
ব্যাখ্যা
- এনইসি (NEC) হচ্ছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এনইসি কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত।
- দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদনের জন্য সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ- এনইসি।
- জাতীয় অর্থনীতির নীতি নির্ধারণের সর্বোচ্চ ফোরাম- একনেক।
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি হলো- নিকার।

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
২২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুসারে কর্মসংস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতির ক্ষুদ্রতম খাত হলো-
  1. ক) তৈরি পোশাক খাত
  2. খ) কৃষিখাত
  3. গ) শিল্পখাত
  4. ঘ) সেবাখাত
সঠিক উত্তর:
গ) শিল্পখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শিল্পখাত
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুসারে,
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (৯টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং
- ছোট খাত – কৃষিখাত (২টি খাত নিয়ে গঠিত)।

- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং
- ছোট খাত – শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।

অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার - ৬.১২%।
অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ৩.৪৫%।
২৩.
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট কতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা সম্পূর্ণ হয়েছে?
  1. ক) সাতটি
  2. খ) আটটি
  3. গ) নয়টি
  4. ঘ) দশটি
সঠিক উত্তর:
ক) সাতটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাতটি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিক ও ২টি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা সম্পূর্ণ হয়েছে। 
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয় ১৯৭৩-১৯৭৮ সময়ে।
- সর্বশেষ অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত।
অন্যদিকে,
- প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ ২০১০ থেকে ২০২১ এবং দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ : ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল।

- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী
- ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।

[উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ও বাংলাপিডিয়া]
২৪.
বাংলাদেশের কোন জেলা চা উৎপাদনে শীর্ষে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) মৌলভীবাজার
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয়-সিলেট এবং দ্বিতীয় বিভাগ চট্টগ্রাম
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয় - মৌলভীবাজার এবং দ্বিতীয়  জেলা – হবিগঞ্জ
অন্যদিকে,
বাংলাদেশের আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রাজশাহী। 
বাংলাদেশের আম উৎপাদনে দ্বিতীয় জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

[উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২০]