পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ০২: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বিজ্ঞান) টপিক: প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান (রসায়ন বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট) গুরুত্বপূর্ণ টপিক: পদার্থের অবস্থা, পরমাণুর গঠন, পর্যায় সারণি, রাসায়নিক বিক্রিয়া, এসিড, ক্ষার, লবণ, জৈব রসায়ন। উৎস: বিজ্ঞান বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
আধুনিক পর্যায় সারণিতে কতটি পর্যায় আছে?
  1. ৫ টি
  2. ৭ টি
  3. ১৮ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ টি
ব্যাখ্যা
• পর্যায় সারণি (Periodic Table):
- পর্যায় সারণি হলো এমন একটি সারণি, যেখানে মৌলগুলোকে তাদের পারমাণবিক সংখ্যা অনুযায়ী সাজানো হয়।

• আধুনিক পর্যায় সারণির বৈশিষ্ট্য-
- পর্যায় সারণিতে ৭ টি পর্যায় বা আনুভূমিক সারি রয়েছে।
- সারণিতে ১৮ টি গ্রুপ বা খাড়া স্তম্ভ রয়েছে।
-  প্রতিটি পর্যায় বাম দিকে গ্রুপ ১ থেকে শুরু করে ডানদিকে গ্রুপ ১৮ পর্যন্ত বিস্তৃত। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
.
লিটমাস পেপার নীল থেকে লাল হয় কোনটির সংস্পর্শে?
  1.  KOH
  2.  NaCl
  3. NaOH
  4.  HCl
সঠিক উত্তর:
 HCl
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 HCl
ব্যাখ্যা
• লিট্মাস পেপার:
- লিট্মাস পেপার হলো একধরণের নির্দেশক যা কোন দ্রবণের প্রকৃতি অ্যাসিডিক নাকি ক্ষারকীয় তা নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
- এসিড নীল লিট্মাস পেপারকে লাল বর্ণে পরিণত করে।
- ক্ষার লাল লিট্মাস পেপার কে নীল বর্ণে পরিণত করে। 

HCl হলো এসিড যা নীল লিট্মাস পেপার কে লাল বর্ণে পরিণত করে।

অন্যদিকে, 
• NaOH ও KOH হলো ক্ষারক যা লাল লিট্মাস পেপারকে নীল বর্ণে পরিণত করে।
• NaCl হলো নিষ্ক্রিয় লবণ যা লিট্মাস পেপারে কোন বর্ণ প্রদর্শন করে না। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
.
মিথেনের অণুতে কার্বন ও হাইড্রোজেনের অনুপাত কত?
  1. ১ : ২
  2. ১ : ৩
  3. ১ : ৪
  4. ১ : ৫
সঠিক উত্তর:
১ : ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ : ৪
ব্যাখ্যা
• হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে।
- জৈব যৌগের মধ্যে সরলতম যৌগ হলো এ হাইড্রোকার্বন। 

• অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন:
- যে সকল হাইড্রোকার্বন অণুর কার্বন শিকলে কেবলমাত্র একক বন্ধন বিদ্যমান এবং এদের অবশিষ্ট যোজনীগুলো হাইড্রোজেন দ্বারা পূর্ণ থাকে তাদেরকে অ্যালিফেটিক বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন (alkane) বলা হয়।
- এদের সাধারণ সংকেত হলো Cn H2n+2 , n=1,2,3............. ইত্যাদি। 

• মিথেন (Methane) হলো একটি সরল হাইড্রোকার্বন যার রাসায়নিক সংকেত: CH₄
এখানে- 
কার্বন (C) = ১টি
হাইড্রোজেন (H) = ৪টি

সুতরাং, মিথেনের অণুতে কার্বন ও হাইড্রোজেনের অনুপাত = ১ : ৪

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পরমাণুর বহিঃস্থ শক্তিস্তরে অবস্থিত ইলেকট্রনকে কী বলে?
  1. নিউক্লিয়ন
  2. ভ্যালেন্স ইলেকট্রন
  3. কোয়ার্ক
  4. ফোটন
সঠিক উত্তর:
ভ্যালেন্স ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যালেন্স ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
• যোজ্যতা ইলেকট্রন (Valence Electron):
- কোন মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ কক্ষপথে যে ইলেকট্রন বা ইলেকট্রনসমূহ থাকে তার সংখ্যাকে যোজ্যতা ইলেকট্রন বলা হয়। 
- এই ইলেকট্রন গুলোই রাসায়নিক বিক্রিয়া ও রাসায়নিক বন্ধন এর জন্য দায়ী। 

• উদাহরণ
সোডিয়াম (Na) পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস: 1s2 2s2 2p6 3s1
এখানে দেখা যায় যে,  শেষ শক্তিস্তর বা ৩য় শক্তিস্তরে ১টি ইলেকট্রন আছে, সেটিই ভ্যালেন্স বা যোজ্যতা ইলেকট্রন।  

অন্যদিকে,
• কোয়ার্ক হলো একটি মৌলিক কণা যা প্রোটন ও নিউট্রনের উপাদান। এটি পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে (নিউক্লিয়াসে) অবস্থিত কণাগুলোর অংশ।

• নিউক্লিয়ন বলতে বোঝানো হয় প্রোটন এবং নিউট্রনকে, যেগুলো পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে থাকে। এগুলো ইলেকট্রনের মতো শক্তিস্তরে অবস্থান করে না।

• ফোটন হলো আলোর কণা। এটি পরমাণুর শক্তিস্তরের কোন অংশ নয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন গ্রুপের মৌলগুলোকে নোবেল গ্যাস বলা হয়?
  1. গ্রুপ ১৭
  2. গ্রুপ ১৮
  3. গ্রুপ ২
  4. গ্রুপ ১
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ ১৮
ব্যাখ্যা
• নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
- পর্যায় সারণির যেসব মৌলের পরমাণু সমূহ ইলেকট্রন আদান, প্রদান বা শেয়ারের মাধ্যমে বন্ধন গঠন করে না তাদেরকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলা হয়। 
- যৌগ গঠন না করার বৈশিষ্ট্যের কারণে এদেরকে নোবেল গ্যাস বলা হয়। 

• পর্যায় সারণির গ্রুপ ১৮ এর মৌল গুলোকে বলা হয় নিষ্ক্রিয় গ্যাস।
• এ গ্রুপের মৌল গুলো হল -
- হিলিয়াম (He),
- নিয়ন (Ne), 
- আর্গন (Ar), 
- ক্রিপটন (Kr), 
- জেনন (Xe), 
- রেডন (Rn), 
- ওগানেসন (Og)।

• গ্রুপ ১৮ এর মৌল অর্থাৎ নিষ্ক্রিয় গ্যাস গুলোকে বলা হয় নোবেল গ্যাস।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।

.
প্লাজমা অবস্থায় পদার্থের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. মুক্ত ইলেকট্রন ও আয়ন থাকে
  2. শুধু কঠিন পদার্থে পাওয়া যায়
  3. অণুগুলো স্থির থাকে
  4. তাপ পরিবাহিতা নেই
সঠিক উত্তর:
মুক্ত ইলেকট্রন ও আয়ন থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্ত ইলেকট্রন ও আয়ন থাকে
ব্যাখ্যা
• প্লাজমা:
-  প্লাজমা হলো পদার্থের একটি অবস্থা যা গ্যাসের মতো কিন্তু এর মধ্যে মুক্ত ইলেকট্রন ও ধনাত্মক আয়ন থাকে।
-  এটি সাধারণত উচ্চ তাপমাত্রা বা শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগের মাধ্যমে তৈরি হয়।

• প্লাজমার বৈশিষ্ট্য-
 - এটি পদার্থের চতুর্থ অবস্থা নামে পরিচিত।
 - এটি তড়িৎ পরিবাহী এবং চৌম্বক ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়া করে।
 - সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র, বজ্রপাত ইত্যাদিতে প্লাজমা দেখা যায়।
-  পারমানবিক চুল্লীর মধ্যে যখন নিউক্লিয়ার ফিউশান ঘটানো হয় তখন পদার্থকে প্লাজমা অবস্থায় পরিবর্তন করে নেয়া হয়।

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের সীমাবদ্ধতা?
  1. ইলেকট্রনের চার্জের প্রকৃতি নির্ধারণ করতে ব্যর্থ
  2. নিউট্রনের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে ব্যর্থ
  3. পরমানুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ
  4. প্রোটনের চার্জ নির্ণয় করতে ব্যর্থ
সঠিক উত্তর:
পরমানুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমানুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ
ব্যাখ্যা
• রাদারফোর্ড ১৯১১ সালে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু মডেল দেন।

• যেখানে তিনি দেখান যে:-
-  প্রত্যেকটি পরমাণুর একটি কেন্দ্র আছে। এই কেন্দ্রের নাম নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটন ও নিউট্রন এবং নিউক্লিয়াসের বাইরে ইলেকট্রন অবস্থান করে।
যেহেতু আপেক্ষিকভাবে ইলেকট্রনের ভর শূন্য ধরা হয় কাজেই নিউক্লিয়াসের ভেতরে অবস্থিত প্রোটন এবং নিউট্রনের ভরই পরমাণুর ভর। 

- নিউক্লিয়াস অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং নিউক্লিয়াসের বাইরে ও পরমাণুর ভেতরে বেশির ভাগ জায়গাই ফাঁকা।

- ধনাত্মক চার্জবাহী নিউক্লিয়াসের প্রতি ঋণাত্মক চার্জবাহী ইলেকট্রন এক ধরনের আকর্ষণ বল অনুভব করে।
এই আকর্ষণ বল কেন্দ্রমুখী এবং এই কেন্দ্রমুখী বলের কারণে পৃথিবী যেরকম সূর্যের চারদিকে ঘুরে ইলেকট্রন সেরকম নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘুরে।

• তবে তাঁর মডেলের প্রধান সীমাবদ্ধতা ছিল:
 - ইলেকট্রন কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে শক্তি হারায় (তড়িৎ চৌম্বক বিকিরণের কারণে) ফলে তা অবশেষে নিউক্লিয়াসে পতিত হতো এবং পরমাণু স্থিতিশীল থাকে না।
 কিন্তু প্রকৃতিতে পরমাণু স্থিতিশীল, তাই এই মডেল পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য নয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।

.
প্রোপেনের অণুতে কার্বন পরমাণু সংখ্যা কত?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
• হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত সরলতম জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে।

• সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন:
- যে সকল হাইড্রোকার্বন অণুর কার্বন শিকলে কেবলমাত্র একক বন্ধন বিদ্যমান এবং এদের অবশিষ্ট যোজনীগুলো হাইড্রোজেন দ্বারা পূর্ণ থাকে তাদেরকে অ্যালিফেটিক বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন (alkane) বলা হয়।
- এদের সাধারণ সংকেত হলো Cn H2n+2 , n=1,2,3............. ইত্যাদি। 

• প্রোপেন একটি সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন। প্রোপেনের রাসায়নিক সংকেত হলো: C3H8
অর্থাৎ এটি হলো ৩ কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেন। যাতে ৩ টি কার্বনের সাথে ৮ টি হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পর্যায় সারণিতে ধাতব মৌলের ক্ষেত্রে একই গ্রুপে উপর থেকে নিচে গলনাঙ্কের মানের কী ধরণের পরিবর্তন ঘটে?
  1. হ্রাস পায়
  2. অল্প বৃদ্ধি পায়
  3. একই থাকে
  4. অনেক বেশী বৃদ্ধি পায়
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
• পর্যায় সারণির সাধারণ পর্যায়ভিত্তিক ধর্ম থেকে দেখা যায় যে একই গ্রুপে যত উপর থেকে যত নিচের দিকে যাওয়া যায় মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ততই বৃদ্ধি পায়।
- এর কারণ হলো একই গ্রুপে যত উপর থেকে নিচে যাওয়া যায় মৌলের একটি করে স্তর বৃদ্ধি পায় কিন্তু পারমাণবিক সংখ্যা একই থাকে।
- ফলে পরমাণুর আকার বৃদ্ধি পাওয়ায় বহিঃস্থ স্তরের সাথে নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ হ্রাস পায়। 

• ক্ষার ধাতুগুলোর ক্ষেত্রে গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্কের মানের হ্রাসের কারণ হলো ধাতুগুলোর কেলাস ল্যাটিসের বন্ধন দুর্বল হওয়ায় এরা নরম প্রকৃতির হয়।
- এ ধাতুগুলোর প্রতিটি পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ কক্ষে একটি মাত্র ইলেকট্রন থাকে। 
- এর ফলে একই গ্রুপে উপর থেকে নিচে গেলে গ্রুপের উপরের ক্ষার ধাতুর থেকে নিচের ক্ষার ধাতুর পারমাণবিক ব্যাসার্ধ যথেষ্ট বড় হয় এবং পরমাণুর আকারও বড় হয়। এর ফলে পরমাণুর মধ্যে বন্ধন শক্তি দুর্বল প্রকৃতির হয়। 
- বন্ধন শক্তি দুর্বল হওয়ার কারণে গলনাংকের মানও কম হয়। অর্থাৎ ক্ষার ধাতুর ক্ষেত্রে একই গ্রুপে উপর থেকে নিচে গেলে গলনাংকের মান হ্রাস পায়। 


তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
পলিথিন কোন বিক্রিয়ার মধ্যমে তৈরি হয়?
  1. সংযোজন
  2. ঘনীভবন
  3. পানিগ্রাহী
  4. সালফোনেশন
সঠিক উত্তর:
সংযোজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযোজন
ব্যাখ্যা
• সংযোজন বিক্রিয়া:
- যে বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক যৌগ বা মৌল যুক্ত হয়ে নতুন যৌগ উৎপন্ন করে সে বিক্রিয়াকে সংযোজন বিক্রিয়া বলা হয়। 

• সংযোজন পলিমার:
- যে পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় কোন ক্ষুদ্র অণুর অপসারণ ব্যাতিত মনোমার অণুসমূহ পরস্পর যুক্ত হয়ে দীর্ঘ শিকল পলিমার গঠন করে এবং গঠিত পলিমারের আণবিক ভর মনোমারের আণবিক ভরের পূর্ণ গুণিতক হয় তাকে সংযোজন পলিমার বলে।
- সাধারণত দ্বিবন্ধন যুক্ত যৌগসমূহ যেমন অ্যালকিন, প্রতিস্থাপিত অ্যালকিন ও ভিনাইল যৌগসমূহে সংযোগ পলিমারকরণ (addition polymerization) ঘটে।

• পলিথিন:
- ১০০০-১২০০ বায়ু চাপে ইথিন গ্যাসকে তরলীকৃত করে সমান্য অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ২০০০০ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে ইথিনের অসংখ্য অণু পরপর যুক্ত হয়ে যুত পলিমার পলিথিন গঠন করে।
- পলিথিন তৈরির এই প্রক্রিয়া টি সংযোজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে। 
- পলিথিন একটি সাদা অসচ্ছ ও শক্ত প্লাস্টিক পদার্থ।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী। 
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
CH4(g) + 2O2(g) →  CO2 (g) + 2H2O(g) বিক্রিয়াটি কোন ধরণের?
  1. দহন
  2. পলিমারকরণ
  3. বিয়োজন
  4. প্রতিস্থাপন
সঠিক উত্তর:
দহন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দহন
ব্যাখ্যা
• দহন বিক্রিয়া (Combustion Reaction):
-  কোনো মৌলকে বা যৌগকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার উপাদান মৌলের অক্সাইডে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে দহন বিক্রিয়া বলে।
দহন বিক্রিয়ায় সব সময় তাপ উৎপন্ন হয়। এই প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রন এর আদান-প্রদান ঘটে। যেমন- প্রাকৃতিক গ্যাস বা মিথেন বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়ায় করে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি উৎপন্ন করে , এটি দহন বিক্রিয়ার ফলে ঘটে। 

• দহন বিক্রিয়ার উদাহরণ:
CH4(g) + 202(g) →  CO2 (g) + 2H2O(g) + তাপ

• দহন বিক্রিয়া জারন-বিজারন বিক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
১২.
pH স্কেলের উদ্ভাবন করেন কে?
  1. মেন্ডেলিফ
  2. সোরেনসেন
  3. ডাল্টন
  4. ল্যাভয়সিয়ে
সঠিক উত্তর:
সোরেনসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোরেনসেন
ব্যাখ্যা
•  pH :
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের [H+] মোলার ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে pH বলে।
- 1909 সালে ড্যানিশ প্রাণ-রসায়নবিদ সোরেনসেন কোনো দ্রবণের H+ ও OH- আয়নের ঘনমাত্রা প্রকাশের জন্য pH স্কেল ব্যবহার করেন।
- pH হলো Puissance d' Hydrogen অর্থাৎ হাইড্রোজেন আয়নের প্রাবল্য। 

• pH pOH এর মধ্যে সম্পর্ক-
pH + pOH = 14

• বিশুদ্ধ পানির pH এবং pOH একই অর্থাৎ pH = pOH = 7 I অর্থাৎ বিশুদ্ধ পানি নিরপেক্ষ।
- বিশুদ্ধ পানিতে এসিড যোগ করা হলে pH এর মান কমতে থাকে এবং ক্ষার যোগ করলে pH এর মান বাড়তে থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
জৈব যৌগের নামকরণের পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. ইউপ্যাক (IUPAC) পদ্ধতি
  2. ট্রিভিয়াল পদ্ধতি
  3. ডেকেন পদ্ধতি
  4. উদ্ভূত পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ডেকেন পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেকেন পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• জৈব যৌগ:
-  হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত সরলতম জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে। হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতক সমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। 

•  জৈব যৌগের নামকরণের ক্ষেত্রে সার্বজনিনভাবে কিছু বিধি বিধান অনুসরণ করা হয়।

• বর্তমানে প্রচলিত তিনটি পদ্ধতিতে জৈব যৌগের নামকরণ করা হয়। যথা-
- সাধারণ বা ট্রিভিয়াল পদ্ধতি (Common or trivial system)
- উদ্ভূত বা জাত পদ্ধতি (Derived system)
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বা জেনেভা পদ্ধতি বা ইউপ্যাক পদ্ধতি (International system or Genava system or
IUPAC system) .

অন্যদিকে,
• ডেকেন কোন নামকরণ পদ্ধতি নয়। এটি একটি উচ্চতর অ্যালকেন। এর সংকেত হলো C10H22

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।