পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৮৯
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৫০তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯৪ [ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট] [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮৯ প্রশ্ন

.
কোন পাখিকে 'অন্যপুষ্ট' বলা হয়?
  1. কোকিল
  2. ময়না
  3. কাক
  4. কবুতর
সঠিক উত্তর:
কোকিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোকিল
ব্যাখ্যা

• কোকিল এর সমার্থক শব্দ: অন্যপুষ্ট।

• কোকিল এর সমার্থক শব্দ: 

- কলকণ্ঠ, 
- পরপুষ্ট, 
- বসন্তদূত, 
- মধুসখা, 
- মধুস্বর,
- কাকপুষ্ট,
- পরভৃত।

অন্যান্য অপশনগুলো:
• 'কাক' শব্দের সমার্থক শব্দ: বায়স,পরভৃৎ, কানুক, বৃক, বলিভুক। 
• কবুতর এর সমার্থক শব্দ - পারাবত, কপোত, পায়রা, নোটন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
উদার ধর্মবোধ এবং সংকীর্ণ ধর্মীয় বিশ্বাসের মধ্যে দ্বন্দ্ব কোন নাটকের প্রধান উপকরণ?
  1. ডাকঘর
  2. রাজা
  3. বিসর্জন
  4. রক্তকবরী
সঠিক উত্তর:
বিসর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসর্জন
ব্যাখ্যা

• 'বিসর্জন' নাটক: 
- ১৮৯০ সালে বিসর্জন নাটকটি প্রকাশিত হয়।
- 'বিসর্জন' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মঞ্চসফল এবং জনপ্রিয় নাটকগুলির মধ্যে অন্যতম।
- এই নাটকে রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং নিজে প্রধান দুটি চরিত্র অভিনয় করেন।
- ১৮৯০-এ রঘুপতি, এবং ১৯২৩-এ জয়সিংহের ভূমিকায়।
- এই নাটকটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।

- এই নাটকের বিষয়বস্তু হচ্ছে, উদার ধর্মবোধ এবং সংকীর্ণ ধর্মীয় বিশ্বাসের মধ্যে দ্বন্দ্ব যেমন এই নাটকের প্রধান উপকরণ, তেমনি বিশ্বাসের উগ্রতা এবং মানব সম্পর্কের নিবিড়তা এই নাটকের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র গুলো হলো:
- রঘুপতি,
- গুণবতী,
- গোবিন্দমাণিক্য,
- অপর্ণা,
- জয়সিংহ।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটক: 
- বিসর্জন, 
- রাজা, 
- ডাকঘর, 
- অচলায়তন, 
- চিরকুমার সভা,
- রক্তকরবী, 
- তাসের দেশ।
 
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 
২) বাংলাপিডিয়া।

.
"আয়না" শব্দটি 'আইনাহ্‌' থেকে এসেছে। - এখানে, 'আইনাহ্‌' কোন ভাষার শব্দ?
  1. আরবি
  2. পর্তুগিজ
  3. হিন্দি
  4. ফারসি
সঠিক উত্তর:
ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমির অভিগম্য অভিধান অনুসারে,
"আয়না" শব্দটি - ফারসি 'আইনাহ্‌' থেকে এসেছে।

• "আয়না" অর্থ:
- কাচ বা অতি মসৃণ উজ্জ্বল ধাতুপৃষ্ঠ যা থেকে আলো প্রতিফলিত হওয়ার ফলে কোনো ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বন্তুর প্রতিবিম্ব দৃষ্ট হয়।
- দর্পণ।

• ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ: 
- খরগোশ, গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, দারোয়ান, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চাকর, চারপায়, ছয়লাপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
'সধবা'- কোন ধরনের শব্দ?
  1. পুরুষবাচক শব্দ
  2. নিত্য পুরুষবাচক শব্দ
  3. নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ
  4. স্ত্রীবাচক শব্দ
সঠিক উত্তর:
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ
ব্যাখ্যা

• নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ: 
কিছু শব্দ আছে যা কেবল স্ত্রীবাচক এদেরকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে।
যেমন,
- এয়ো, সতীন, সৎমা, সধবা ইত্যাদি।

• 'সধবা' শব্দের অর্থ:
- যে নারীর স্বামীর জীবিত আছে।

অন্যদিকে,
• নিত্য পুরুষবাচক শব্দ:
কিছু শব্দ আছে তা কেবল পুরুষকে নির্দেশ করে এদেরকে নিত্য পুরুষবাচক শব্দ বলে।
যেমন,
- কবিরাজ, কৃতদার, অকৃতদার, ঢাকী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ।

.
শওকত ওসমানের রচনা নয় কোনটি?
  1. নেকড়ে অরণ্য
  2. জুনু আপা ও অন্যান্য গল্প
  3. জাহান্নাম হইতে বিদায়
  4. ক্রীতদাসের হাসি
সঠিক উত্তর:
জাহান্নাম হইতে বিদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহান্নাম হইতে বিদায়
ব্যাখ্যা

• শওকত ওসমানের রচনা নয় - জাহান্নাম হইতে বিদায়। কারণ, এখানে বইটির নামের বানানে ভুল রয়েছে।
- বইটির শুদ্ধ নাম হবে- জাহান্নম হইতে বিদায়।


--------------------
• শওকত ওসমান:
- ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান।
- উপন্যাস ও গল্প রচয়িতা হিসেবেই শওকত ওসমানের মুখ্য পরিচয়; তবে প্রবন্ধ, নাটক, রম্যরচনা, স্মৃতিকথা ও শিশুতোষ গ্রন্থও তিনি রচনা করেছেন। 
- তাঁর 'জননী' ও 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাস দুটি প্রশংসিত হয়েছে। জননীতে সামাজিক জীবন ও ক্রীতদাসের হাসিতে রাজনৈতিক জীবনের কিছু অন্ধকার দিক উন্মোচিত হয়েছে। 
- তিনি  বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬২), আদমজি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৬), একুশে পদক (১৯৮৩), ফিলিপস পুরস্কার (১৯৯১), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৯৭) লাভ করেন।
- তিনি ১৯৯৮ সালের ১৪ই মে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ক্রীতদাসের হাসি, 
- সমাগম, 
- চৌরসন্ধি, 
- রাজা উপাখ্যান,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- পুরাতন খঞ্জর।

• তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- জাহান্নম হইতে বিদায়, 
- দুই সৈনিক, 
- নেকড়ে অরণ্য, 
- জলাংগী।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পিঁজরাপোল, 
- জুনু আপা ও অন্যান্য গল্প,
- প্রস্তর ফলক, 
- উভশৃঙ্গ, 
- শ্রেষ্ঠ গল্প,
- জন্ম যদি তব বঙ্গে,
- ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও বাংলাপিডিয়া।

.
'রি রি করা' - এখানে দ্বিরুক্ত শব্দটি দিয়ে কী নির্দেশ করা হয়?
  1. তীব্র ব্যথা
  2. মাথা ব্যাথা 
  3. তীব্র ক্রোধ
  4. ঘৃণা করা 
সঠিক উত্তর:
তীব্র ক্রোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তীব্র ক্রোধ
ব্যাখ্যা

• রি রি (অব্যয়) - তীব্র ক্রোধ বা অন্য প্রকার অনুভূতি বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত শব্দ।
বাক্য: রাগে গা রি রি করছে।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- ‘অন্ধকার দেখা’ বাগধারাটির অর্থ - দিশেহারা হয়ে পড়া। 
- ‘কেউকেটা’ বাগধারাটির অর্থ - সামান্য।
- ‘অকূল পাথার’ বাগধারাটির অর্থ - ভীষণ বিপদ।
- ‘আদায় কাঁচকলায়’ বাগধারাটির অর্থ - শত্রুতা।

উৎস: বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান; অভিগম্য অভিধান।

.
"আমি কবি- বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গান করার। কাহারও ভালো লাগিলেও গাই , ভালো না লাগিলেও গাহিয়া যাই।" - উক্তিটি কোন কবির?
  1. বিহারীলাল চক্রবর্তী 
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. ফররুখ আহমদ 
  4. নির্মলেন্দু গুণ 
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

• "আমি কবি- বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গান করার। কাহারও ভালো লাগিলেও গাই , ভালো না লাগিলেও গাহিয়া যাই।" - পঙ্‌ক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের অন্তর্গত। 

• ''যৌবনের গান'':
- ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে সিরাজগঞ্জে মুসলিম যুব সমাজের অভিনন্দনের উত্তরে তাদের উদ্দেশ্যে কাজী নজরুল ইসলাম যে ভাষণ দিয়েছিলেন, তারই পরিমার্জিত লিখিত রূপ।
- ভাষণের এ ধরনের লিখিত রূপকে/ এ ধরনের রচনাকে বলা হয় অভিভাষণ।
- এটি ''দুর্দিনের যাত্রী'' প্রবন্ধগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- রাজবন্দীর জবানবন্দি,
- দুর্দিনের যাত্রী,
- যুগবাণী,
- রুদ্র মঙ্গল।

''যৌবনের গান'' প্রবন্ধের অংশবিশেষ:
আমি কবি- বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গান করার। কাহারও ভালো লাগিলেও গাই , ভালো না লাগিলেও গাহিয়া যাই। বায়স-ফিঙে যখন বেচারা গানের পাখিকে তাড়া করে, তীক্ম চঞ্চু দ্বারা আঘাত করে, তখনও সে এক গাছ হইতে উড়িয়া আন গাছে পিয়া গান ধরে। তাহার হাসিতে গান, তাহার কান্নায় গান ৷ সে গান করে আপন মনের আনন্দে- যদি তাহাতে কাহারও অলসতন্দ্রা, মোহনিদ্রা টুটিয়া যায়, তাহা একান্ত দৈব ৷ যৌবনের সীমা পরিক্রমণ আজও আমার শেষ হয় নাই। কাজেই আমি যে গান গাই, তাহা যৌবনের গান । তারুণ্যের ভরা-ভাদরে যদি আমার গান জোয়ার আনিয়া থাকে, তাহা আমার অগোচরে; যে চাঁদ সাগরে জোয়ার জাগায়, সে হয়ত তাহার শক্তি সম্বন্ধে আজও না-ওয়াকিফ ৷

উৎস: বাংলাপিডিয়া; "যৌবনের গান'' প্রবন্ধ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
“ডাক্তারকে রোগীর কথা শুনতে হবে।” - এখানে ‘ডাক্তার’ শব্দটি কী বোঝায়?
  1. শুধু একবচন
  2. শুধু বহুবচন
  3. একবচন ও বহুবচন উভয়ই
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
একবচন ও বহুবচন উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একবচন ও বহুবচন উভয়ই
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) একবচন ও বহুবচন উভয়ই।

ব্যাখ্যা
বাক্য: “ডাক্তারকে রোগীর কথা শুনতে হবে।”

এখানে—

• ‘ডাক্তার’ বলতে একজন ডাক্তার বোঝাতেও পারে।
• আবার সব ডাক্তারদের প্রতিও সাধারণ নির্দেশ হিসেবেও ব্যবহার হতে পারে।

কারণ:
• এখানে, কোনো সংখ্যাবাচক শব্দ নেই (যেমন: একজন, অনেক, সব)। তাই শব্দটি বচন-নিরপেক্ষ।
• প্রেক্ষাপটভেদে একবচন ও বহুবচন—দুই অর্থেই গ্রহণযোগ্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
“একদিন শ্রাবণের শেষাশেষি নিরাক পড়েছে।” — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত ‘লালসালু’ উপন্যাসে ‘নিরাক-পড়া’ দ্বারা কী নির্দেশ করা হয়েছে?
  1. ডাকাতের অতর্কিত আক্রমণ
  2. দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি
  3. ঝড় আসার পূর্বাভাস
  4. বাতাসশূন্য স্তব্ধ পরিবেশ
সঠিক উত্তর:
বাতাসশূন্য স্তব্ধ পরিবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাসশূন্য স্তব্ধ পরিবেশ
ব্যাখ্যা

 "লালসালু" উপন্যাস:
• 'লালসালু' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত 'লালসালু'র একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

• এই উপন্যাসে একদিকে যেমন বাংলার গ্রামজীবনের বাস্তব প্রকৃতি ধরা পড়েছে তার সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কঠোরতা নিয়ে; তেমনই রূপায়িত হয়েছে অসংখ্য গ্রামীণ মানুষের জীবন। সাধারণ মানুষের সরলতাকে কিভাবে ধর্ম ব্যবসার উপাদানরূপে ব্যবহার করা হয় তা লালসালু উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়। 

• নোয়াখালি অঞ্চল থেকে মজিদ নামের একটি কূটচরিত্র গারোপাহাড়ি অঞ্চলে গিয়ে সেই এলাকার মানুষকে ধর্মের নামে কীভাবে শোষণ করে, সেই বাস্তব চিত্র আছে উপন্যাসটিতে। ধর্ম ব্যবসায়ী মজিদ অর্থ ও প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে অল্পবয়সী দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করে। সে গ্রামের মোড়লদেরও প্রভাবিত করে। পাশের গ্রামে অন্য পিরের আগমন হলে, নিজের দাপট খর্ব হবে বিবেচনায়, তাকে মারধর দিয়ে উচ্ছেদ করে। তবে স্বল্পবয়সী স্ত্রী জমিলা কর্তৃক মজিদ লাঞ্ছিত হয়। উপন্যাসে জমিলা বিদ্রোহিণী, প্রতিবাদের প্রতীক।

• ঔপন্যাসিক ধর্মব্যবসায়ীদের উপলক্ষ করে লিখেছেন: 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'
• উপন্যাসটি 'Tree Without Roots' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে (১৯৬৭) খ্যাতি অর্জন করে।
• ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরির 'লালসালু'র ফরাসি অনুবাদের নাম- ল্য অরবরে সামস মায়েমে (১৯৬১)।
--------------------
উপন্যাসের কিছু অংশবিশেষ:
একদিন শ্রাবণের শেষাশেষি - নিরাক পড়েছে। হাওয়াশূন্য স্তব্ধতায় মাঠপ্ৰান্তর আর বিস্তৃত ধান ক্ষেত নিথর, কোথাও একটু কম্পন নেই। আকাশে মেঘ নেই। তামাটে নীলাভ রঙ দিগন্ত পর্যন্ত স্থির হয়ে আছে।

ব্যাখ্যা:
উপন্যাসের অংশবিশেষে বলা হয়েছে—

“হাওয়াশূন্য স্তব্ধতায় মাঠপ্রান্তর আর বিস্তৃত ধানক্ষেত নিথর, কোথাও একটু কম্পন নেই।”
এখানে—
- বাতাস নেই;
- প্রকৃতি সম্পূর্ণ স্থির;
-  নড়াচড়া নেই।

অতএব ‘নিরাক-পড়া’ বলতে নিস্তব্ধ, বাতাসশূন্য পরিবেশকেই বোঝানো হয়েছে।

সঠিক উত্তর - ঘ) বাতাসশূন্য স্তব্ধ পরিবেশ।
-----------------
• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- মজিদ,
- খালেক ব্যাপারি,
- জমিলা,
- রহিমা,
- আমেনা,
- আক্কাস,
- তাহেরের বাপ,
- হাসুনির মা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

১০.
'অ, আ' ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক-এর পর ষ-এর প্রয়োগ হলে তা কী হয়?
  1. 'স' হয়
  2. বিকৃত হয়
  3. অবিকৃত থাকে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অবিকৃত থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিকৃত থাকে
ব্যাখ্যা

• অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে ষ-এর প্রয়োগ হলে তা - 'ষ' ই হয়; অর্থ্যাৎ তা অবিকৃত থাকে।
যেমন,
— ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।

• ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ’ হয়।
যেমন,
— অভিষেক, সুষুপ্ত, অনুষঙ্গ, প্রতিষেধক, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১১.
কল্লোল যুগের কবি ছিলেন না কে?
  1. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  2. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. অমিয় চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা

'কল্লোল' পত্রিকা ও কল্লোল সাহিত্যগোষ্ঠী:
• ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে আধুনিক লেখকদের সাহিত্যিক মুখপত্র হিসেবে কলকাতা থেকে মাসিক ‘কল্লোল’ প্রকাশিত হয়। এ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ।
• এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র সাহিত্যিক বলয় তৈরী হয়েছিল এবং ‘কল্লোল যুগ’ নামে আলাদা একটি যুগের সৃষ্টি হয়।
• কল্লোল যুগের একটি প্রধান বৈশিষ্ট ছিল রবীন্দ্র বিরোধিতা।
• যে সময়ে কল্লোলের আবির্ভাব, তখন বাংলা সাহিত্যের সর্বকোণ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রভাবে প্রোজ্জ্বল।
• কল্লোল যুগের লেখকদের মূল লক্ষ্য ছিল রবীন্দ্র বৃত্তের বাইরে এসে সাহিত্যর একটি মৃত্তিকাসংলগ্ন জগৎ সৃষ্টি করা।
• মূলত বাংলা কবিতায় গদ্যধারার প্রবর্তন শুরু হয় কল্লোল যুগেই।

• কবিতার ক্ষেত্রে যাদের নাম কল্লোল যুগের শ্রেষ্ঠ নায়ক বিবেচনায় প্রচারিত তারা হলেন- 
- কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্ত,
- বুদ্ধদেব বসু,
- অমিয় চক্রবর্তী,
- জীবনানন্দ দাশ,
- বিষ্ণু দে।

এই পাঁচজন বিশিষ্ট কবিকে একসাথে বলা হয় বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপাণ্ডব। এ পঞ্চপাণ্ডবই ছিলেন মূলত কল্লোল যুগের কাণ্ডারি।

• তবে কাজী নজরুল ইসলাম, প্রেমেন্দ্র মিত্র, অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত, সঞ্জয় ভট্টাচর্য, অবনীনাথ রায় প্রমুখ অনেকেরই ভূমিকা কোন অংশে খাটো করে দেখবার উপায় নেই।

অন্যদিকে,
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধিক্ষণের কবি, অবক্ষয় যুগের  (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত।
- তিনি প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা ‘সংবাদ প্রভাকর’ সম্পাদনা করেন।
- সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল তাঁর ছদ্মনাম।
- বঙ্কিমচন্দ্র তাকে 'খাঁটি বাঙালি' কবি বলেছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১২.
'অসুখ' শব্দ দ্বারা-'সুখের অভাব' না বুঝিয়ে- 'রোগ' নির্দেশ করলে 'অসুখ' কোন ধরনের শব্দ হবে?
  1. যৌগিক
  2. রূঢ়ি
  3. যোগরূঢ়
  4. দ্বৈত
সঠিক উত্তর:
যোগরূঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগরূঢ়
ব্যাখ্যা

যোগরূঢ় শব্দ:
- সমাসনিষ্পন্ন যেসব শব্দ তার ব্যাসবাক্যের কোনো অর্থ প্রকাশ না করে, তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় যোগরূঢ় শব্দ।

যেমন:
- 'অসুখ' ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-'সুখের অভাব'। ব্যবহারিক অর্থ-'রোগ'। তাই 'অসুখ' একটি যোগরূঢ় শব্দ। 
- পঙ্কজ: পঙ্কে জন্মে যা। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি উদ্ভিদ পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু 'পঙ্কজ' শব্দটি একমাত্র 'পদ্মফুল' অর্থেই ব্যবহৃত হয়। তাই 'পঙ্কজ' একটি যোগরূঢ় শব্দ।

- শাখার ন্যায় মৃগ শাখামৃগ সমাসবদ্ধ শব্দটি ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলে বিচরণ করে এবং লম্বা লেজ ও লোমাবৃত দেহবিশিষ্ট মাঝারি আকৃতির স্তন্যপায়ী বৃক্ষচর প্রাণীকে বোঝায়। তবে ব্যবহারীক অর্থে শাখামৃগ শব্দটি শুধু 'বানর'কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তাই 'শাখামৃগ' একটি যোগরূঢ় শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৩.
'যৌবনে দাও রাজটিকা' প্রবন্ধটি কে লিখেছেন?
  1. কাজী মোতাহার হোসেন 
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. প্রমথ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• 'যৌবনে দাও রাজটিকা' প্রবন্ধটির রচয়িতা - প্রমথ চৌধুরী।
- রচনাটি প্রমথ চৌধুরীর 'প্রবন্ধ সংগ্রহ' গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
--------------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
- তিনি বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- গদ্য / প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
- ১৯৪৬ সালে শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়।

• 'যৌবনে দাও রাজটিকা' প্রবন্ধের অংশবিশেষ:
প্রকৃতির যৌবন শাসনযোগ্য হলেও তাকে শাসন করবার ক্ষমতা মানুষের হাতে নেই; কেননা, প্রকৃতির ধর্ম মানবধর্মশাস্ত্রবহির্ভূত। সেই কারণে জ্ঞানীব্যক্তিরা আমাদের প্রকৃতির দৃষ্টান্ত অনুসরণ করতে বারণ করেন, এবং নিত্যই আমাদের প্রকৃতির উলটো টান টানতে পরামর্শ দেন; এই কারণেই মানুষের যৌবনকে বসন্তের প্রভাব হতে দরে রাখা আবশ্যক। অন্যথা, যৌবন ও বসন্ত এ দুয়ের আবির্ভাব যে একই দৈবীশক্তির লীলা–এইরূপ একটি বিশ্বাস আমাদের মনে স্থানলাভ করতে পারে।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত,
- গল্পসংগ্রহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও বাংলাপিডিয়া।

১৪.
"দেশের সকল শিক্ষকগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।" - বাক্যটি - 
  1. গুরুচণ্ডালী দোষে অশুদ্ধ
  2. বাহুল্য দোষে অশুদ্ধ
  3. বানানজনিত অশুদ্ধ
  4. বাক্যটি শুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
বাহুল্য দোষে অশুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাহুল্য দোষে অশুদ্ধ
ব্যাখ্যা

• বাহুল্য দোষ:
- প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে বাহুল্য দোষ ঘটে এবং শব্দ তার যোগ্যতা গুণ হারিয়ে ফেলে।
যেমন:
- সকল শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত।
- বাংলা ভাষায় একই বাক্যে দুইবার বহুবচন ব্যবহৃত হয় না। দুইবার বহুবচন বাচক চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করলে শব্দ বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়।

• "সকল শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত"- বাক্যটিতে বাহুল্য দোষ রয়েছে।
শুদ্ধ বাক্যটি হবে: "সকল শিক্ষক আজ উপস্থিত" অথবা "শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত"।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; ভাষা শিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ।

১৫.
"কালি ও কলম" কোন ধরনের প্রকাশনা হিসেবে উল্লেখযোগ্য?
  1. উপন্যাস
  2. প্রবন্ধ
  3. কবিতা
  4. পত্রিকা
সঠিক উত্তর:
পত্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পত্রিকা
ব্যাখ্যা

• "কালি ও কলম" - এক ধরনের পত্রিকা হিসেবে খ্যাতি লাভ করে।
----------
• "কালি ও কলম" পত্রিকা:
- সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি বিষয়ক বাংলা মাসিক প্রত্রিকা, যা ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
- ২০০৪ সাল থেকে এটি বিরতি দিয়ে প্রকাশ হলেও বর্তমানে এটি মাসিক ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়।
- এর সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি ছিলেন - সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম।
- প্রকাশক আবুল খায়ের, এবং সম্পাদক - সুব্রত বড়ুয়া।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬.
'বিরক্ত' - এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ভক্ত
  2. আরক্ত
  3. অনুরক্ত
  4. অনুমোদিত
সঠিক উত্তর:
অনুরক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুরক্ত
ব্যাখ্যা

• ‘বিরক্ত‘ - এর বিপরীতার্থক শব্দ = অনুরক্ত।

উল্লেখ্য,
• 'অনুরক্ত' - অর্থ- আসক্ত।
• 'আরক্ত' - ঈষৎ রক্তবর্ণ।

• কিছু বিপরীতার্থক শব্দযুগল সমূহ- 
- 'হলাহল' -'সুধা/ অমৃত'।
- 'হর্ষ/হরিষ' - 'বিষাদ'।
- 'প্রসন্ন' - 'বিষণ্ণ'।
- 'সন্নিকৃষ্ট' - 'বিপ্রকৃষ্ট'।
- 'সন্ধি' - 'বিগ্রহ/বিবাদ'।
• ‘অনুমোদিত‘ - অননুমোদিত। 
• 'আবশ্যক‘ - অনাবশ্যক
• 'অনুমেয়‘ - অননুমেয়
• 'মতৈক্য‘- মতানৈক্য 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৭.
কবি আল মাহমুদের রচনা নয় কোনটি?
  1. কালের কলস
  2. মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো
  3. আরব্য রজনীর রাজহাঁস
  4. কাশবনের কন্যা
সঠিক উত্তর:
কাশবনের কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাশবনের কন্যা
ব্যাখ্যা

• আল মাহমুদ:
- কবি আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন।
- কবি আল মাহমুদ তার অনবদ্য গল্প ও উপন্যাসের জন্য খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

• কবি আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো,
- আরব্য রজনীর রাজহাঁস,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- উপমহাদেশ,
- ডাহুকী,
- কবি ও কোলাহল  ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- ময়ূরীর মুখ,
- সৌরভের কাছে পরাজিত।

অন্যদিকে, 
• 'কাশবনের কন্যা' বা 'The Girl in the Reeds' শামসুদ্দীন আবুল কালামের উপন্যাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

১৮.
“আর কষ্ট দিয়ে কী লাভ?” এখানে ‘আর’ এর অর্থ কোনটি?
  1. এরপর
  2. অব্যবহিত পরেই
  3. তদুপরি
  4. এখন
সঠিক উত্তর:
তদুপরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদুপরি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) তদুপরি।

ব্যাখ্যা:
"আর কষ্ট দিয়ে কী লাভ?" — এই বাক্যে 'আর' মানে "তদুপরি" অর্থাৎ "এর উপরে আরও" বা "অতিরিক্ত"।
বাক্যের ভাব হলো — ইতোমধ্যে যে কষ্ট হয়েছে তার উপরে আরও (তদুপরি) কষ্ট দিয়ে লাভ কী?
--------------------
আর /আর্‌/ (অব্য.): 

১. এবং, ও (তুমি আর আমি)।
২. এরপর (আমি আর ওখানে যাচ্ছি না)।
৩. অথবা (মারো আর কাটো ও যাবে না)।
৪. তদুপরি (আর কষ্ট দিয়ে কী লাভ)।
৫. এখন (সেই দিন কি আর আছে)।
6. কাজেই (সেখানে আর যাওয়ার প্রশ্ন ওঠে না)।
৭. আক্ষেপ অবসাদ হতাশা ক্রোধ বিস্ময় বিরক্তি প্রভৃতিবোধক শব্দ (ওর কথা আর বোলো না)।

আর /আর্‌/ (বিণ.):
১. দ্বিতীয় (এই বিষয়ে ওঁর চেয়ে ভালো শিক্ষক আর নেই)।
২. বিগত (আর বছরে ভালো ফলন হয়েছিল)।
৩. আগামী (আর বুধবারে আমিও যাব)।
৪. অপর , অন্য (আর কেউ জানে না)।
৫. অধিক, এর বেশি (এরপর আর কী বলব)।
৬. অভিন্ন (উনিশ আর বিশ)।

আর /আর্‌/ (ক্রিবিণ.):
১. ভবিষ্যতে (আর এমন কাজ করো না)।
২. যুগপৎ (দেখি আর অবাক হই)।
৩. পরপর (আমি কেবল যাব আর আসব)।
৪. পক্ষান্তরে (ও খেটে মরছে আর তোমরা বসে আছ)।
৫. অব্যবহিত পরেই (তুমিও গেলে আর বৃষ্টিও থামলো)। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৯.
পদাবলির আদিকবি জয়দেবের 'বৈষ্ণব পদাবলি' কোন ভাষায় রচিত?
  1. বাংলা
  2. সংস্কৃত
  3. ব্রজবুলি
  4. অহমিয়া
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
ব্যাখ্যা

বৈষ্ণব পদাবলি:
- বৈষ্ণব পদাবলি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ফসল।
- বাঙালি কবি জয়দেবকে বৈষ্ণব পদাবলির প্রথম পদকর্তা বা পদাবলির আদিকবি বলা হয়। তাঁর রচিত রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে রচিত 'গীতগোবিন্দম্' কাব্যটি আদি বৈষ্ণব পদাবলির নিদর্শন। তবে গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় নয়, সংস্কৃত ভাষায় রচিত।

উল্লেখ্য,
- পরবর্তীতে বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদ রচনা করেন।
- অবাঙালি কবি বিদ্যাপতিকে ব্রজবুলি ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি বলা হয়। উনি অভিনব জয়দেব নামেও পরিচিত।
- বাংলা ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদাবলি রচনা করেন চণ্ডীদাস।

এই কাব্যে পাঁচটি রস রয়েছে।
যথা:
১. শান্তরস,
২. দাস্যরস,
৩. সখ্যরস,
৪. বাৎসল্যরস ও
৫. মধুররস।

উল্লেখ্য,
['শৃঙ্গার রস'কে মধুররস বলে।]

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম; লাল নীল দীপাবলি - হুমায়ুন আজাদ।

২০.
দ্বিগু কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. মনমাঝি
  2. শশব্যস্ত
  3. ত্রিফলা
  4. পদ্মআঁখি
সঠিক উত্তর:
ত্রিফলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিফলা
ব্যাখ্যা

• দ্বিগু কর্মধারয় সমাস:
- কিছু  কর্মধারয় সমাসের পূর্বপদ সংখ্যা বাচক হয় তাকে দ্বিগু কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন-
তিন ফলের সমাহার = ত্রিফলা।
চার রাস্তার মিলন = চৌরাস্তা।

অন্যদিকে,

• উপমান কর্মধারয় সমাস:
- যার সঙ্গে তুলনা করা হয় তা উপমান। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়।
- এগুলোকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন-
কাজলের মতো কালো = কাজলকালো।
শশের মতো ব্যস্ত = শশব্যস্ত।

• উপমিত কর্মধারয় সমাস:
- যাকে তুলনা করা হয় তা উপমেয়। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের সমাস হয় এগুলকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন-
পুরুষ সিংহের ন্যায়= সিংহপুরুষ।
আঁখি পদ্মের ন্যায় = পদ্মআঁখি।

• রূপক কর্মধারয় সমাস:
- কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমান পদের সাথে উপমান পদের অভেদ কল্পনা করা হয় তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন -
বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু।
মন রূপ মাঝি = মনমাঝি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

২১.
যোগতন্ত্রশাস্ত্র মতে চর্যাপদের কোন কবির অপর নাম 'মীননাথ' হিসেবে উল্লেখ আছে?
  1. লুইপা
  2. ভুসুকুপা
  3. ঢেণ্ডণপা
  4. কাহ্নপা
সঠিক উত্তর:
লুইপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুইপা
ব্যাখ্যা

• প্রথম কবি 'লুইপা' সম্পর্কিত তথ্য:
- 'চয্যাচর্যবিনিশ্চয়'-এর প্রথম কবি লুইপা। তিব্বতি ঐতিহ্যে প্রাপ্ত চুরাশি জন সিদ্ধাচার্যের নামের তালিকায় লুইয়ের নাম আদিতম। অনেক পণ্ডিত লুইপাকে প্রথম চর্যাগীতি রচয়িতা বলে মনে করেন। তাঁর জীবনকাল ৭৩০-৮১০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে। সে সময় ছিল রাজা ধর্মপালের রাজত্বকাল। হিন্দিভাষীরা লুইপাকে মগধ বা বিহারের অধিবাসী বলে দাবি করেন।

উল্লেখ্য,
- যোগতন্ত্রশাস্ত্রেও লুইপার উল্লেখ রয়েছে। তন্ত্রশাস্ত্রের লুইপার অন্য নাম মীননাথ বা মৎস্যেন্দ্রনাথ। মৎস্যের সঙ্গে নামের মিল থাকায় কোনো কোনো পণ্ডিত লুইকে শবরপা-এর শিষ্য ও ধীবর সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে উল্লেখ করেন। এ লুইপা আদি সিদ্ধাচার্য (সকল সিদ্ধাচার্যের গুরু) বলে অনেকের ধারণা।

- লুইপাকে সংস্কৃত টীকাকার মুনি দত্ত আদি সিদ্ধাচার্য বলে উল্লেখ করেছেন। তবে, তারানাথের মতে, লুইপা চতুর্থ সিদ্ধাচার্য, আর সরহ হলেন আদি সিদ্ধাচার্য। তাঁর মতে, লুইপা ছিলেন উড্ডীয়ান-রাজ উদয়নের কর্মচারী। তিনি শবর পা-র শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছিলেন। চর্যাগীতির লুইপা আর তন্ত্রশাস্ত্রের লুইপা অভিন্ন নয় বলেই মনে করা হয়। কেননা বলা হয়েছে, লুইপা ছিলেন গৌড় অঞ্চলের অধিবাসী। আর তন্ত্রশাস্ত্রের মীননাথ বা মৎস্যেন্দ্রনাথের বাড়ি দক্ষিণবঙ্গে। তিনি ছিলেন গোরক্ষনাথের গুরু। তাই ধারণা করা হয়, লুইপা ও মীননাথ অভিন্ন ব্যক্তি নয়।

- হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ধারণা লুইপা ছিলেন বাঙালি। রাহুল সাংস্কৃত্যায়নের মতে, লুইপা রাজা ধর্মপালের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

- লুইপা বহু গ্রন্থ রচনা করেছেন।
এগুলো হলো: 'শ্রীভগবদভিসময়', 'অভিসময়বিভঙ্গ' ও 'তত্ত্বস্বভাবদোহাকোষগীতিকাদৃষ্টিনাম'। প্রথম দুটি বই দর্শনের এবং তৃতীয়টি দোঁহা ও গানের।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম; বাংলাপিডিয়া।

২২.
কোন বর্ণটির সংক্ষিপ্ত রূপ নেই?
  1. ঐ 
  2. আ 
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর- ঘ) অ।
-------------------
• 'অ' নিলীন বর্ণ:
- ‘অ' কোনো বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে দেখা যায় না। কারণ ‘অ’-এর কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ নেই।
- কিন্তু 'অ' ছাড়া বাকি স্বরধ্বনিগুলোর সংক্ষিপ্ত রূপ আছে বলে সেগুলো কোনো বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে দেখা যায়।
যেমন :
কর = কর্ + অ (‘অ') দেখা যায় না।
আবার,
করা = কর্ + আ (‘আ’ দেখা যায়)।

- অর্থাৎ ‘অ’ অন্য বর্ণের সঙ্গে লুকিয়ে থাকতে পারে বা নিঃশেষে লীন হয়ে থাকতে পারে বলে নিলীন বর্ণ ।

বর্ণ সম্পর্কিত আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: 
• স্বরবর্ণের মোট ১০টি সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে। এগুলোর নাম কার বর্ণ। যেমন: আ-কার, ই-কার, ঈ-কার, উ-কার, ঊ-কার, ঋ-কার, এ-কার, ঐ-কার, ও-কার, ঔ-কার। 

• ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ফলা বলে। ব্যঞ্জনবর্ণে মোট ফলা আছে মোট ৬ টি। যেমন: ন-ফলা, ব-ফলা, ম-ফলা, য-ফলা, র- ফলা, ল-ফলা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২৩.
মৈয়মনসিংহ গীতিকার পালাগুলোর মধ্যে 'মহুয়া' পালাটি কে রচনা করেন?
  1. মনসুর বয়াতী
  2. দ্বিজ কানাই
  3. দ্বিজ ঈশান
  4. নয়ানচাঁদ ঘোষ 
সঠিক উত্তর:
দ্বিজ কানাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিজ কানাই
ব্যাখ্যা

• 'মহুয়া পালা':
- নমশূদ্রের ব্রাহ্মণ কবি — দ্বিজ কানাই ১৬৫০ খিষ্ট্রাব্দের দিকে 'মহুয়া পালা' রচনা করেন বলে অধ্যাপক দীনেশচন্দ্রের ধারণা।
- এই পালার কাহিনীর সঙ্গে কবির ব্যক্তিগত প্রেমবঞ্চনার বেদনার সাদৃশ্য রয়েছে।

মহুয়ার পালার প্রধান কয়েকটি চরিত্র:
- মহুয়া,
- নদের চাঁদ,
- হুমরা বেদে,
- সাধু।

মহুয়া পালার পংক্তি:
"কোথায় পাব কলসী কইন্যা কোথায় পাব দড়ী।।
তুমি হও গহীন গাঙ্গ আমি ডুব্যা মরি।।"

উল্লেখ্য,
• চন্দ্রাবতী রচিত কয়েকটি পালা হচ্ছে - মলুয়া, দস্যু কেনারামের পালা ইত্যাদি।
• ‘চন্দ্রাবতী ও জয়চন্দ্র’ নয়ানচাঁদ ঘোষ প্রণীত পালা। 
• ‘কমলা’ দ্বিজ ঈশান প্রণীত পালা।
• 'দেওয়ানা মদিনা' - পালার লেখক মনসুর বয়াতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৪.
'তপোবন' - এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কী?
  1. তপঃ + বন
  2. তপ্‌ + বন
  3. তপ + বন
  4. তপো + বন
সঠিক উত্তর:
তপঃ + বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তপঃ + বন
ব্যাখ্যা

• 'তপোবন' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ - তপঃ + বন।
এটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।
 -------------

• সন্ধির নিয়ম:
- অ-কারের পরস্থিত স্‌-জাত বিসর্গের পর ঘোষ অল্পপ্রাণ ও ঘোষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি, নাসিক্য ধ্বনি কিংবা অন্তঃস্থ য, অন্তঃস্থ ব, র, ল, হ থাকলে অ-কার ও স্‌-জাত বিসর্গ স্থলে ও-কার হয়।
যথা - 
তিরঃ + ধান = তিরোধান,
মনঃ + রম = মনোরম,
মনঃ + যোগ = মনোযোগ,
মনঃ + তাপ = মনস্তাপ,
মনঃ + হর = মনোহর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ); উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং  ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৫.
‘হাসু ও মায়মুন’ চরিত্র দুটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
  1. লালসালু
  2. পদ্মানদীর মাঝি
  3. সূর্য দীঘল বাড়ী
  4. হাজার বছর ধরে 
সঠিক উত্তর:
সূর্য দীঘল বাড়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য দীঘল বাড়ী
ব্যাখ্যা

• 'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাস সম্পর্কিত তথ্য:
- আবু ইসহাকের প্রথম উপন্যাস 'সূর্য দীঘল বাড়ী' প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালে।
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হলে এর রচনাশৈলীও বিষয়বস্তু পাঠকদের আকৃষ্ট করে।
- স্বামী পরিত্যক্তা জয়গুনের দু-সন্তানকে নিয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রাম উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু।
- 'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসটি চলচ্চিত্রায়ন এবং একাধিক বিদেশি ভাষায় অনূদিত হয়।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: 
- জয়গুণ, হাসু, মায়মুন, শফি, ডা. রমেশ চক্রবর্তী, মোড়ল গদু।

• উপন্যাসটির অংশবিশেষ:
পাশাপাশি পিঁড়ে বিছিয়ে বসে দুটি ভাইবোন—হাসু ও মায়মুন। জয়গুন পান্তা বেড়ে ছেলে ও মেয়ের সামনে দুটো থালা এগিয়ে দিয়ে নিজেও একটা নিয়ে বসে। মায়মুন আড়চোখে হাসুর থালার দিকে চায়। রোজ সে এমনি চেয়ে দেখে। রোজই হাসুকে বেশী করে খেতে দেয় মা। কিন্তু মুখ ফুটে কিছু বলার সাহস তার হয় না। জয়গুন বুঝতে পেরে নিজের পাতের একমুঠো ভাত দিয়ে বলে—বিছমিল্লা বুইল্যা মোখে দে। দেখবি এই দুগগায়ই প্যাট ভইরা যাইব।

• উপন্যাসটির কাহিনি সংক্ষেপ:
দুর্ভিক্ষ-পীড়িত জয়গুন অন্নের সন্ধানে প্রথমে গ্রাম ছেড়ে শহরে যায়, কিন্তু নগরজীবনের নিঃস্ব, তিক্ত ও পঙ্কিল অবস্থায় টিকতে না পেরে আবার স্বগ্রামে ফিরে আসে। কিন্তু সমাজপতিদের ধর্মান্ধতা ও প্রতিহিংসার শিকার হয়ে প্রতিকারহীন নির্যাতন ও দুর্দশার মধ্যে পড়ে। লেখক দেখিয়েছেন পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলেও গ্রামের শ্রমজীবী মানুষের আর্থিক পরিবর্তন আনতে পারেনি। দুর্ভোগ বেড়েছে।

অন্যদিকে, 
• 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র- কুবের, কপিলা, মালা, ধনঞ্জয়, গণেশ, শীতলবাবু, হোসেন মিঞা ইত্যাদি।
• 'লালসালু' উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র-  মজিদ, জমিলা, আমেনা, খালেক ব্যাপারী, রহিমা, আক্কাস, তাহেরের বাপ, হাসুনির মা ইত্যাদি।
• "হাজার বছর ধরে" উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলি হলো: মন্তু, টুনি, এবং বুড়ো মকবুল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৬.
'Truce' এর বাংলা পরিভাষা- 
  1. শপথগ্রহণ
  2. অনুমোদন
  3. সম্মেলন
  4. যুদ্ধবিরতি
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধবিরতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধবিরতি
ব্যাখ্যা

• 'Truce' এর বাংলা পরিভাষা- যুদ্ধবিরতি।

অন্য অপশনে,
• 'Affirmation'এর বাংলা পরিভাষা- শপথগ্রহণ।
• 'Approbation' এর বাংলা পরিভাষা - অনুমোদন। 
• 'Conference' এর বাংলা পরিভাষা - সম্মেলন।

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা- বাংলা একাডেমি।

২৭.
"হাথেরে কাঙ্কণ মা লোউ দাপণ।"- পদটি কে লিখেছেন?
  1. লুইপা
  2. সরহপা
  3. কাহ্নপা
  4. শবরপা
সঠিক উত্তর:
সরহপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরহপা
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদে ৬টি প্রবাদ বাক্য পাওয়া গেছে।
এগুলো হলো: 

• অপণা মাংসেঁ হরিণা বৈরী। (ভুসুকুপা, ৬ নম্বর পদ)
আধুনিক বাংলা : হরিণ তার নিজের মাংসের জন্যই সকলের শত্রু।

• হাথেরে কাঙ্কণ মা লোউ দাপণ। (সরহপা, ৩২ নম্বর পদ)
আধুনিক বাংলা : হাতের কঙ্কন দেখতে আয়নার দরকার নেই। নিজেই তুমি নিজের মন বোঝ।

• হাড়ীত ভাত নাঁহি নিতি আবেশী। (ঢেণ্ডণপা, ৩৩ নম্বর পদ)
আধুনিক বাংলা : হাঁড়িতে ভাত নেই কিন্তু নিত্য প্রেমিক আসে।

• দুহিল দুধু কি বেণ্টে ষামায়? (ঢেণ্ডণপা, ৩৩ নম্বর পদ)।
আধুনিক বাংলা : দোহন করা দুধ কি বাটে প্রবেশ করানো যায়?

• বর সুণ গোহালী কি মো দুঠ বলন্দে (সরহপা, ৩৯ নম্বর পদ)।
আধুনিক বাংলা : বরং শূন্য গোয়াল ভালো, কি করব আমি দুষ্ট বলদে।

• আণ চাহন্তে আণ বিনঠা (কঙ্কনপা, ৪৪ নম্বর পদ)।
আধুনিক  বাংলা : এক চাইতে অন্য বিনষ্ট হলো।

উৎস:
চর্যাপদ মূল বই, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্যের কথা, ড, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, লাল নীল দীপাবলি, বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা, গোপাল হালদার।

২৮.
'সত্যপীরের পুঁথি' কে লিখেছেন?
  1. আব্দুল হাকিম
  2. ফকির গরীবুল্লাহ
  3. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  4. ভোলা ময়রা
সঠিক উত্তর:
ফকির গরীবুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফকির গরীবুল্লাহ
ব্যাখ্যা

• 'সত্যপীরের পুঁথি' কাব্যের রচয়িতা - ফকির গরীবুল্লাহ।

------------------
• ফকির গরীবুল্লাহ:
- পুঁথি সাহিত্যর প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি ছিলেন ফকির গরীবুল্লাহ।
- তিনি হুগলি জেলার বালিয়া পরগনার অন্তর্গত হাফিজপুর গ্রামের অধিবাসী ছিলেন।

উল্লেখ্য,
সত্যপীরের পাঁচালি  মধ্যযুগীয় পীরসাহিত্যের একখানা গ্রন্থ। এতে সত্যপীরের মহিমা কীর্তিত হয়েছে। মধ্যযুগে একাধিক কবি বিভিন্ন শিরোনামে এই পাঁচালি কাব্য রচনা করেছেন, যেমন: সত্যপীরের পাঁচালি, সত্যপীরের কথা,  সত্যনারায়ণের পাঁচালি  ইত্যাদি। কবিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:  কবি কংক, শেখ ফয়জুল্লাহ, রামেশ্বর ভট্টাচার্য, রামানন্দ, শাহ্ গরীবুল্লাহ,  ভারতচন্দ্র প্রমুখ।

মিশ্র ভাষারীতিতে ফকির গরীবুল্লাহ রচিত কাব্যসমূহ হলো:
- ইউসুফ জোলেখা,
- আমীর হামজা (প্রথম অংশ),
- জঙ্গনামা,
- সােনাভান ও
- সত্যপীরের পুঁথি।

উল্লেখ্য,
• 'সত্যপীরের পাঁচালি' এর লেখক — ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

২৯.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. অগ্রগণ্য
  2. স্নেহাস্পদ 
  3. উপাচার
  4. স্বত্ব
সঠিক উত্তর:
উপাচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপাচার
ব্যাখ্যা

• উপাচার - বানানটি অশুদ্ধ। 

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
সঠিক বানানটি হবে - 'উপচার' । 

'উপচার' শব্দের অর্থ:
- উপকরণ। 

অন্যদিকে,
অগ্রগণ্য, স্নেহাস্পদ, স্বত্ব - বানানগুলো শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

৩০.
সেলিম আল দীন কত সালে নাট্য-নির্দেশক নাসির উদ্দীন ইউসুফকে সাথে নিয়ে সারাদেশে ‘গ্রাম থিয়েটার' গড়ে তোলেন?
  1. ১৯৮৮-৮৯ সালে
  2. ১৯৮১-৮২ সালে
  3. ১৯৮৪-৮৫ সালে
  4. ১৯৮৯-৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮১-৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮১-৮২ সালে
ব্যাখ্যা

• 'সেলিম আল দীন' সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
- সেলিম আল দীন বাংলা ভাষার আধুনিককাল পর্বের অন্যতম নাট্যকার।
- ১৮ আগষ্ট, ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দে ফেনীর সোনাগাজীর সেনেরখিল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ।
- প্রকৃত নাম মঈনুদ্দিন আহমেদ।
- কর্মজীবন তিনি প্রথমে বিজ্ঞাপনী সংস্থা ‘বিটপী'তে কপিরাইটার হিসেবে চাকরি জীবন শুরু করেন এবং ১৯৭৪ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হন এবং আমৃত্যু এ বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

- বিশেষত্ব তিনি বাংলা নাট্য সাহিত্যে এথনিক থিয়েটারের উদ্ভাবনকারী এবং ‘নাট্যাচার্য' হিসেবে খ্যাত। তাঁর শিল্পচিন্তার নাম ছিল ‘কথানাট্য'।
- সংগঠন বাংলাদেশে ‘গ্রাম থিয়েটার' এর প্রবর্তক সেলিম আল দীন।
- তিনি ১৯৮১-৮২ সালে নাট্য-নির্দেশক নাসির উদ্দীন ইউসুফকে সাথে নিয়ে সারাদেশে ‘গ্রাম থিয়েটার' গড়ে তোলেন। তিনি ‘ঢাকা থিয়েটার' এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।

 তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর হলো:
- বিপরীত তমসায়' (১৯৬৯): এটি রেডিওতে প্রচারিত তাঁর প্রথম নাটক ।
- ‘ঘুম নেই' (১৯৭০): টেলিভিশনে প্রচারিত তাঁর প্রথম নাটক। 
- ‘মুনতাসির’ (১৯৮৬): নাটকটির প্রথমে নাম ছিল ‘মুনতাসির ফ্যান্টাসি'। পরবর্তীতে তিনি নাটকটি থেকে ‘ফ্যান্টাসি' অংশটুকু বাদ দিয়ে শুধু ‘মুনতাসির’ রাখেন। 
- কীত্তনখোলা,
- হরগজ, 
- হাতহদাই, 
- ধাবমান,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

৩১.
"He's more myself than I am. Whatever our souls are made of, his and mine are the same." - Who quoted this line?
  1. Emily Bronte
  2. Virginia Woolf
  3. Jane Austen
  4. Charlotte Bronte
সঠিক উত্তর:
Emily Bronte
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Emily Bronte
ব্যাখ্যা

"He's more myself than I am. Whatever our souls are made of, his and mine are the same." - এটি 
Emily Bronte রচিত novel 'Wuthering Heights' থেকে নেওয়া হয়েছে। 

• Wuthering Heights:

- Emily Bronte wrote the novel 'Wuthering Heights'.
- এই উপন্যাসটি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- লেখক এতে Ellis Bell ছদ্মনাম ব্যবহার করেন।
- এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় রোমান্টিক উপন্যাসগুলোর মধ্যে একটি।

• সার-সংক্ষেপ:
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র একটি এতিম বালক এর। যার নাম Heathcliff.
- অন্যের আশ্রয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে আশ্রয়দাতার কন্যা Catherine Earnshaw এর সাথে তার মনের মিলন ঘটে, দুইজন দুইজনকে ভালবেসে ফেলে।
- কিন্তু Cathrine প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে অন্যত্র বিয়ে করলে Heathcliff নিরুদেশ হয়ে যায়।
- যখন ফিরে আসে তখন সে অথেল সম্পদের মালিক।
- সে তার মালিকের বাড়ি Wuthering Heights কিনে নেয় এবং এর পাশাপাশি প্রাক্তন প্রেমিকা Catherine এর ননদের সাথে প্রেমের অভিনয় করে সম্পত্তির লোভের তাকে বিয়ে করে।
- পরবর্তীতে এই বিয়ে ভেঙ্গে যায় এবং Catherine মারা যায়। তার ভাই Hindley ও মারা যায়। তাদের সন্তানরা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে।
- Heathcliff এর সন্তানও এদের সাথে যোগ দেয়।
- এভাবে কাহিনি এর প্রজন্ম থাকে পরের প্রজন্মের মাঝে এগিয়ে যায়।

• Important Characters
- Catherine Earnshaw,
- Cathy Linton,
- Edgar Linton,
- Heathcliff, Etc.

• Emily Bronte:
- Charlotte Bronte এর ছোট বোন।
- Wuthering Heights তার একমাত্র উপন্যাস এবং এই উপন্যাস ঘিরেই মূলত তার পরিচয়।
- মাত্র ৩০ বছর বয়সে মারা যান।

• Notable works:
- Poems by Currer, Ellis, and Acton Bell;
- Wuthering Heights

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.

৩২.
Which novelist created the famous novel Tom Jones?
  1. Charles Dickens
  2. Thomas Hardy
  3. Philip Sidney
  4. Henry Fielding
সঠিক উত্তর:
Henry Fielding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Henry Fielding
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ঘ) Henry Fielding.
“Tom Jones” হলো Henry Fielding এর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- গল্পটি Tom Jones নামের একটি অনাথ যুবকের জীবন ও প্রেমের গল্প ঘিরে আবর্তিত।

• Tom Jones:
- এটি Henry Fielding রচিত। 
- Tom Jones, in full The History of Tom Jones, a Foundling হচ্ছে একটি comic novel.
- এটি ১৭৪৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি রোমান্স প্লটের উপরে লেখা।
- Tom Jones, Picaresque Novel এর অন্যতম উদাহরণ।
- নায়ক Tom Jones কে পরিত্যাগ করে পালিয়ে যায় তার বাবা মা ।
- অন্যের আশ্রয়ে বড় হয় নায়ক।
- নায়িকা Sophia কে তারা বাবা মা অযোগ্য পাত্রের সাথে বিয়ে ঠিক করলে সে গৃহত্যাগ করে।
- নানা ঘটনা প্রবাহের শেষে নায়ক নায়িকার মিলন হয় ৷

• Henry Fielding:
- He is regarded as the 'Father of Modern English Novel' with Samuel Richardson.
- He is famous for Picaresque Novel.

• His famous Novels:
- Tom Jones,
- Amelia,
- Joseph Andrews etc.

৩৩.
Who is the author of the quote, “Hell is just a frame of mind”?
  1. Shakespeare
  2. Marlowe
  3. John Milton
  4. S.T. Coleridge
সঠিক উত্তর:
Marlowe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Marlowe
ব্যাখ্যা

উত্তর হলো: খ) Marlowe.

"Hell is just a frame of mind." — Christopher Marlowe-এর বিখ্যাত নাটক "Doctor Faustus" থেকে উদ্ভূত।
- এখানে “Hell” বা “নরক”কে একটি মানসিক অবস্থা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, অর্থাৎ মানুষ নিজেই নিজের অনুভূতি ও মনোভাব দিয়ে নরক তৈরি করে।

• Doctor Faustus:
- নাটকটির পুরো নাম The Tragicall History of D. Faustus.
- ১৬০৪ সালে প্রকাশিত হওয়া এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট একটি নাটক।
- ডক্টর ফস্টাস- এ মার্লো Faustus এর গল্প বলেছেন, যিনি ডাক্তার থেকে জাদুবিদ্যায় আগ্রহী হয়ে জ্ঞান ও ক্ষমতা অর্জনের জন্য শয়তানের সাথে চুক্তি করেন।
- In this play, Doctor Faustus and Mephistopheles, who is the devil’s intermediary in the play, are subtly and powerfully portrayed.
- এই নাটকে Mephistopheles হচ্ছে The embodiment of evil.
- নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Doctor Faustus যে অপরিসীম ক্ষমতা লাভের আশায় শয়তান অর্থাৎ Mephistopheles এর কাছের নিজের আত্না বিক্রি করে দিয়েছিল। তিনি শয়তানের সাথে এমন একটি চুক্তি করেন যাতে করে তিনি জ্ঞান ও শক্তি প্রাপ্ত হতে পারেন। পরবর্তীতে ভালো এবং খারাপ দুইজন ফেরেশতা Doctor Faustus কে প্রভাবিত করতে চায়। একপর্যায়ে ফিরে আসতে চাইলেও শেষ অবধি Doctor Faustus বুঝতে পারেন আর ফেরার সুযোগ নেই।

• Some other quotes of Doctor Faustus:
- Pluck up your hearts, since fate still rests our friend.
- Hell is just a frame of mind.
- Fools that will laugh on earth, most weep in hell.
- Money can't buy love, but it improves your bargaining position.
- He that loves pleasure must for pleasure fall.
- The stars move still, time runs, the clock will strike.
- It is a comfort to the wretched to have companions in misery.
- Sweet Helen, make me immortal with a kiss.

• Christopher Marlowe:
- তিনি একজন Elizabethan poet এবং একজন University Wit ছিলেন।
- Shakespeare এর আগে তিনিই ছিলেন English drama এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখক।
- He is noted especially for his establishment of dramatic blank verse.

• Notable work:
- Doctor Faustus,
- Edward II,
- Hero and Leander,
- Tamburlaine the Great,
- The Jew of Malta, etc.

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.

৩৪.
Which playwright wrote the play The Birthday Party?
  1. Thomas Gray
  2. Katherine Mansfield
  3. T.S. Eliot
  4. Harold Pinter
সঠিক উত্তর:
Harold Pinter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Harold Pinter
ব্যাখ্যা

“The Birthday Party” হলো Harold Pinter এর লেখা একটি বিখ্যাত নাটক।

• The Birthday Party:

- এটি ১৯৫৮ সালে লেখা এবং ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই  play টি comedy of menace নামে পরিচিত।
- The Birthday Party হচ্ছে Harold Pinter এর প্রথম full-length play যা তাঁর trademark 'comedy of menace,' সাহিত্য জগতে প্রতিষ্ঠা করে।

• Harold Pinter is an English playwright, who achieved international renown as one of the most complex and challenging post-World War II dramatists.

• উল্লেখ্য যে,
T.S. Eliot - The Cocktail Party.
Katherine Mansfield - The Garden Party.
Harold Pinter - The Birthday Party.

Source: Britannica.

৩৫.
Who said, "Cowards die many times before their deaths; The valiant never taste of death but once"?
  1. Macbeth
  2. Hamlet
  3. Othello
  4. Caesar
সঠিক উত্তর:
Caesar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Caesar
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ঘ) Caesar.

• "Cowards die many times before their deaths; The valiant never taste of death but once."
- এই লাইনটি William Shakespeare এর ট্রাজেডি “Julius Caesar” থেকে।
- এটি Julius Caesar বলেছিলেন, যেখানে তিনি বলেন:

'ভীত মানুষ তার মৃত্যুর আগে বহুবার মানসিকভাবে মারা যায়।
সাহসী মানুষ কেবল একবারই মৃত্যুর মুখোমুখি হয়।'
- অর্থাৎ, সাহস ও ভয়ের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরার জন্য এই লাইন ব্যবহার করা হয়েছে।

• Julius Caesar
- ১৫৯৯-১৬০০ সালের মধ্যে এই নাটকটি লেখা হয় এবং ১৬২৩ সালে Shakespeare -এর First Folio -এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- Julius Caesar, tragedy in five acts by William Shakespeare.
- “Julius Caesar” - William Shakespeare -এর লেখা একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক, যা প্রাচীন রোমের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, বিশ্বাসঘাতকতা এবং ক্ষমতার লড়াই নিয়ে রচিত।
- নাটকটি জুলিয়াস সিজারের হত্যাকাণ্ড ও তার পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতা চিত্রিত করে।
- Julius Ceasar -এর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত ষড়যন্ত্রকারীরা Ceasar -এর বন্ধু Brutus কেও Ceasar -এর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্রে যোগ দিতে রাজি করায়।
- Julius Ceasar -এর আরেক বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষী Mark Antony তাঁর বন্ধুর মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেন।
- এই যুদ্ধে Brutus এবং তার বন্ধু Cassius হেরে যান এবং আত্মহত্যা করেন, Antony রোমের শাসনকর্তা হয়ে উঠেন।

• এই tragedy -এর কয়েকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে-
- "Cowards die many times before death; The valiant never taste of death but once."
- "Veni, Vidi, Vici (I came, I saw, I conquered)"
- "Et tu, Brute? ('You too, Brutus?')"(last words of Julius Ceasar).

• William Shakespeare:
- তাঁর জন্মস্থান Stratford-upon-Avon.
- Shakespeare -কে 'Bard of Avon' or 'Swan of Avon' বলা হয়।
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor।
- তাঁকে English national poet বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time.
- তিনি 154 টি সনেট, 37 টি play লিখেন।
- 1599 সালে তিনি এবং অন্যরা মিলে লন্ডনে প্রতিষ্ঠা করেন "Globe Theatre".

Source: Britannica.

৩৬.
Who is the author of the novel The Da Vinci Code?
  1. Thomas Hardy
  2. J.K. Rowling
  3. Paulo Coelho
  4. Dan Brown
সঠিক উত্তর:
Dan Brown
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dan Brown
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) Dan Brown.

The Da Vinci Code উপন্যাসের লেখক Dan Brown.

• The Da Vinci Code:
- এই novel টি রচনা করেন Dan Brown.
- এই রহস্য-থ্রিলার উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় ঘটনার সূচনা ঘটে লুভর মিউজিয়ামের কিউরেটর নিহত হওয়ার ঘটনায়।

• ড্যান ব্রাউন রচিত এই থ্রিলার উপন্যাসে Robert Langdon, হার্ভার্ডের ধর্মীয় প্রতীকবিদ্যা অধ্যাপক, এক জটিল রহস্যের মুখোমুখি হন।
- Jacques Sauniere, লুভর মিউজিয়ামের কিউরেটর, খুন হলে Langdon-কে তদন্তে ডাকা হয়।
-  তিনি ফরাসি ক্রিপ্টোলজিস্ট Sophie Neveu-এর সঙ্গে মিলে লিওনার্দো দা ভিঞ্চির শিল্পকর্মে লুকানো সংকেত অনুসন্ধান করেন।
- সূত্রগুলো তাদেরকে গোপন সংগঠন Priory of Sion এবং ক্যাথলিক ধর্মীয় গোষ্ঠী Opus Dei-এর দিকে নিয়ে যায়। পথে তারা রহস্যময় সন্ন্যাসী Silas এবং ব্রিটিশ ঐতিহাসিক Sir Leigh Teabing-এর মুখোমুখি হন।
- উপন্যাসটি ধর্ম, ইতিহাস ও শিল্পের জটিল সম্পর্কের মাঝে লুকানো গোপন সত্য উন্মোচনের রোমাঞ্চকর যাত্রা।

• Dan Brown:
- তিনি একজন বিখ্যাত আমেরিকান লেখক।
- Born in June 22, 1964.

• His Famous Novel:
- Angels & Demons,
- The Da Vinci Code, 
- The Lost Symbol,
- Inferno.

Source: Britannica.

৩৭.
Who of the following is Irish author?
  1. John Steinbeck
  2. Jonathan Swift
  3. F. Scott Fitzgerald
  4. D.H. Lawrence
সঠিক উত্তর:
Jonathan Swift
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jonathan Swift
ব্যাখ্যা

The correct answer is: খ) Jonathan Swift.
- Jonathan Swift একজন Irish author.

• Jonathan Swift:
- তিনি একজন Anglo-Irish author এবং clergyman ছিলেন।
- তিনি Neoclassical period এর একজন Author.
- Jonathon Swift, an Anglo-Irish author, who was the foremost prose satirist in the English language.
- অর্থাৎ, ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ব্যঙ্গরচয়িতা বা satirist হলেন Jonathan Swift.
- তার রচিত বিখ্যাত satire হলো ‘Gulliver’s Travels’.
- তাঁর ছদ্মনাম Isaac Bickerstaff.

• Famous works:
- Gulliver's Travels,
- A Tale of a Tub,
- A Modest Proposal,
- The Battle of Books.

অন্যান্য বিকল্প:
- John Steinbeck → American novelist.
- F. Scott Fitzgerald → American novelist.
- D.H. Lawrence → English novelist.

Source: Britannica, Live MCQ Lecture.

৩৮.
Which type of literary work is ‘The Ant and the Grasshopper’ by W. Somerset Maugham?
  1. lyric poem
  2. novel
  3. play
  4. short story
সঠিক উত্তর:
short story
উত্তর
সঠিক উত্তর:
short story
ব্যাখ্যা

“The Ant and the Grasshopper” হলো W. Somerset Maugham এর লেখা short story.
- এটি একটি ছোটগল্প, যা সাধারণত একটি সংক্ষিপ্ত সময়ের ঘটনার উপর কেন্দ্রিত থাকে এবং শেষটি শিক্ষামূলক বা দার্শনিক হতে পারে।
- এই গল্পটি মানব চরিত্র এবং জীবনদর্শন নিয়ে লেখা হয়েছে।

• The Ant and the Grasshopper:
- এটি একটি Short Story, যা লিখেছেন William Somerset Maugham.
- গল্পে, লেখক আমাদের শেখাতে চেয়েছেন যে জীবনে পরিশ্রম ও ভবিষ্যতের প্রস্তুতির গুরুত্ব।

• সার-সংক্ষেপ:
- গ্রীষ্মের এক উজ্জ্বল দিনে এক Grasshopper (ফড়িং) গান গাইছিল, নাচছিল আর আনন্দে সময় কাটাচ্ছিল। পাশেই একটি Ant (পিঁপড়ে) কঠোর পরিশ্রম করে তার জন্য শীতের খাদ্য সংগ্রহ করছিল।
- Grasshopper মজা করে বলল, "তুমি এত কাজ করছো কেন? এসো, গান গাই আর উপভোগ করো!"
- Ant বলল, "আমি শীতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। তখন তোমার খাবার থাকবে না।"
- Grasshopper হাসল আর গানে মেতে রইল।
- কিন্তু যখন শীত এল, সবকিছু বরফে ঢেকে গেল। Grasshopper খিদেতে কষ্ট পাচ্ছিল, তার খাওয়ার কিছুই ছিল না। তখন সে Ant-এর কাছে সাহায্য চাইতে এল।
- Ant বলল, "গ্রীষ্মে তুমি শুধু গান গেয়েছ, এখন শীতেও তাই করো!"

• William Somerset Maugham:
- William Somerset Maugham একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক, নাট্যকার এবং ছোটগল্পকার ছিলেন। 
- তিনি ২৫ জানুয়ারী ১৮७৪ সালে প্যারিসে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৬৫ সালে মারা যান।
- তার লেখায় মানব প্রকৃতি, সামাজিক সম্পর্ক, এবং জীবনের জটিলতা সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি পাওয়া যায়।

• Famous Novels:
- Of Human Bondage,
- The Sacred Flames,
- The Razor's Edge,
- Cakes and Ale,
- The Musician,
- The Moon and Sixpence,
- Lady Frederick.

• Short Stories:
- The Ant and the Grasshopper,
- The Luncheon.

Source: An ABC of English Literature by M Mofizar Rahman, Britannica.

৩৯.
Who is the cunning villain in Oliver Twist who leads a gang of child thieves?
  1. Fagin
  2. Bill Sikes
  3. Mr. Brownlow
  4. Artful Dodger
সঠিক উত্তর:
Fagin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fagin
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ক) Fagin.

• Fagin is the cunning villain in Charles Dickens’ Oliver Twist.
- He trains and leads a gang of child thieves, exploiting them to steal for him.

• Oliver Twist

- Oliver Twist, in full Oliver Twist, or, The Parish Boy's Progress, a novel by Charles Dickens.
- এটি তার ছদ্মনাম "Boz" নামে প্রকাশিত হয়েছিল।
- The novel follows the journey of the titular character, Oliver Twist. an orphan since birth.
- "Oliver Twist" হল চার্লস ডিকেন্স রচিত একটি ক্লাসিক উপন্যাস, যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৩৭ থেকে ১৮৩৯ পর্যন্ত।
- এটি ডিকেন্সের প্রথম পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস এবং এটি ১৯শ শতকের ইংল্যান্ডের সমাজ, বিশেষত দারিদ্র্য, শিশুশ্রম, এবং অনাথদের প্রতি অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে এক তীব্র সমালোচনা।
- লেখক এই কাহিনির দ্বারা তৎকালীন লন্ডন শহরের একটি দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরেছেন।
- তিনি সার্থক ভাবে দেখিয়েছেন কিভাবে দারিদ্রতা মানুষকে অপরাধের দিকে ঠেলে দেয়।

• এই উপন্যাসের গুরুত্বপূরণ চরিত্র:
- Oliver Twist,
- Fagin,
- Bill Sikes,
- Nancy.
- Agnes Fleming.
- Charley Bates, etc.

• Charles Dickens:
- তার পুরো নাম - Charles John Huffam Dickens.
- তিনি একজন ব্রিটিশ novelist.
- Charles Dickens -এর ছদ্মনাম ছিল Boz.
- He was considered the greatest novelist of the Victorian era.

• Best Works:
- Oliver Twist
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Bleak House.
- A Tale of Two Cities,
- Great Expectations,
- Our Mutual Friend,
- Hard Times, etc.

Source: Britannica.

৪০.
"London, 1802" is the work of which literary figure?
  1. P.B. Shelley
  2. William Blake
  3. T.S. Eliot
  4. William Wordsworth
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
ব্যাখ্যা

“London, 1802” হলো William Wordsworth এর লেখা একটি কবিতা।
কবিতায় Wordsworth ইংল্যান্ডের সামাজিক ও নৈতিক অবনতির প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং John Milton কে আদর্শ রূপে তুলে ধরেছেন।
এটি Romantic Era এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কবিতা।

• London, 1802:
- এটি William Wordsworth রচিত একটি কবিতা।
- In "London, 1802," Wordsworth addresses the soul of the dead poet John Milton.
- Wordsworth ১৮০২ সালে ফ্রান্স থেকে লন্ডনে ফিরে আসার পরপরই কবিতাটি রচনা করেছিলেন, যেখানে তিনি ফরাসি বিপ্লবের পরের ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছিলেন।
- এখানে বক্তা মৃত কবি John Milton এর আত্মাকে সম্বোধন করে বলেছেন যে ইতিহাসের এই মুহুর্তে তার বেঁচে থাকা উচিত, কারণ ইংল্যান্ডের তাকে প্রয়োজন।
- The poem depicts the degradation of societal values, and his hope for Milton to restore England to its former glory.

• William Wordsworth:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন April 7, 1770, Cockermouth, Cumberland, England.
- তাকে 'Poet of Nature' বলা হয়।
- তাকে Lake poet বলা হয়, কারণ তিনি North England এর Lake District এ জন্মগ্রহণ করেন।
- Wordsworth was born in the Lake District of northern England, that's why he is called Lake Poet.

• তাঁর বিখ্যাত কবিতা:
- The Solitary Reaper,
- Tintern Abbey,
- Rainbow,
- The Daffodils,
- The Excursion,
- Michael etc.

• উল্লেখ্য যে, William Wordsworth এবং William Blake দুজনেরই 'London' নামে কবিতা রয়েছে, কিন্তু William Wordsworth এর কবিতাটির নাম হচ্ছে London 1802 এবং William Blake এর কবিতাটির নাম 'London'.
- কবিতা দুটির বিষয়বস্তু প্রায় একই।

Source: Britannica.

৪১.
Which among the following is a work of Robert Browning?
  1. The Mask of Anarchy
  2. Gerontion
  3. Rabbi Ben Ezra
  4. Leda and the Swan
সঠিক উত্তর:
Rabbi Ben Ezra
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rabbi Ben Ezra
ব্যাখ্যা

• Rabbi Ben Ezra হলো Robert Browning এর লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা।
- এটি Victorian Era এর পরিচিত কবিতা এবং পাওয়ারফুল মেটাফিজিক্যাল ভাবনা ও জীবনদর্শন নিয়ে রচিত।

• Rabbi Ben Ezra:
- এটি Robert Browning এর একটি বিখ্যাত কবিতা। 
- এটি হচ্ছে একটি dramatic monologue.
- ১৮৬৪ সালে কবিতাটি তাঁর Dramatis Personae সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল।
- কবিতার মূল চরিত্র Rabbi Ben Ezra, যিনি একজন প্রাচীন ইহুদি পণ্ডিত, নিজের জীবন এবং ধর্মের গভীরতা সম্পর্কে আলোচনা করেন। 
- এই কবিতায় মুলত কবির ধর্মীয় দর্শন সম্বন্ধে বর্ণনা করা হয়েছে।
- Rabbi Ben Ezra বিশ্বাস করেন যে, জীবন শুধুমাত্র ভোগের জন্য নয়, বরং আত্ম-উন্নতি ও পবিত্রতার জন্য।
- Through the personage of Rabbi Ben Ezra, a scholarly and learned Jew, the poem sets forth Browning’s religious philosophy.
- কবিতার final metaphor জীবনের তুলনা করেছে একটি মাটির পাত্রের সঙ্গে, যা প্রভুর হাত দ্বারা গঠিত হয় এবং বলে যে, একজন ব্যক্তির মূল্য তার করা কাজ দ্বারা নয়, বরং তার গড়ে ওঠা চরিত্র দ্বারা পরিমাপ করা উচিত।

• Robert Browning:
- তিনি একজন British poet.
- He is noted for his mastery of dramatic monologue.
- His wife Elizabeth Barrett was also a poet of that time.

Notable Works:
Poems:
- My Last Duchess.
- The Pied Piper of Hamelin.
- Fra Lippo Lippi.
- Andrea del Sarto.

Plays:
- Browning's first play, Strafford (1837), closed after only five performances.

অন্যান্য option বিশ্লেষণ:
- The Mask of Anarchy → লেখা হয়েছে Percy Bysshe Shelley দ্বারা।
- Gerontion → লেখা হয়েছে T.S. Eliot দ্বারা।
- Leda and the Swan → লেখা হয়েছে W.B. Yeats দ্বারা।

Source: Britannica.

৪২.
"April is the cruellest month, breeding
______ out of the dead land, mixing"
Complete this famous quote.
  1. Daisies
  2. Lilacs
  3. Daffodils
  4. Tulips
সঠিক উত্তর:
Lilacs
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lilacs
ব্যাখ্যা

"April is the cruellest month, breeding
Lilacs out of the dead land, mixing"
- This is quoted by - 'T.S. Eliot' in his poem 'The Waste Land'.

• The Waste Land:
- It is written by T.S. Eliot.
- It is a long poem. কবিতার লাইন সংখ্যা ৪৩৩,
- এই কবিতাটি উৎসর্গ করা হয়েছিল আরেক জন প্রথিতযশা আধনিক কবি Ezra Pound কে ।
- ২০ শতকের অন্যতম প্রভাবশালী কবিতা এটি।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর পরিবর্তিত পরিস্থিতি এই কবিতার আলোচ্য বিষয়।
- এই কবিতাটি তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়।

• এই কবিতার একটি বিখ্যাত উক্তি -
- "April is the cruellest month, breeding
Lilacs out of the dead land, mixing".

• T.S. Eliot:
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- তিনি একাধারে American-English poet, playwright, literary critic এবং editor.
- He is a leader of the Modernist movement in poetry in such works as The Waste Land and Four Quartets.
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে Nobel Prize পান।

Notable works:
Poetry:
- The Waste Land (1922),
- Four Quartets (1943),
- The Love Song of J. Alfred Prufrock.

Play:
- Murder in the Cathedral (1935),
- The Cocktail Party.

Source: Poemanalysis.com and Poetryfoundation.org

৪৩.
Choose the incorrect sentence.
  1. The company launched the product in 2020.
  2. The principal desired the notice to be hung.
  3. She could not help laughing at the funny video.
  4. She encouraged her friend joining the art club.
সঠিক উত্তর:
She encouraged her friend joining the art club.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
She encouraged her friend joining the art club.
ব্যাখ্যা

Answer: ঘ) She encouraged her friend joining the art club.

- এখানে “encouraged” এর পরে object + infinitive ব্যবহার করতে হবে।
- Correct sentence হবে: She encouraged her friend to join the art club.

• কিছু কিছু শব্দের পর object আসলে সবসময় to-infinitive হয়।
- যথা -Advise, remind, allow, permit, recommend ইত্যাদির পর object থাকলে gerund না বসে infinitive বসে।
• যেমন-
- Rahim reminded me to take medicine.
- She advised me to give up smoking.
- The manager allowed us to leave work early.
- The park permits visitors to bring their food.
- She encouraged her friend to pursue her dreams.
 
• তবে Advise, remind, allow, permit, recommend ইত্যাদির পর object না এসে সরাসরি verb আসলে তখন verb+ ing হবে।
• যেমন-
- They allow fishing here.
- I would advise taking out some Insurance.

------------

• যদি কোনো বাক্যে with a view to, look forward to, conducive to, addicted to, mind, cannot help, could not help, be used to, get used to, worth ইত্যাদির পর কোন verb আসলে উক্ত verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।

Correct sentence: She could not help laughing at the funny video.
-------------

• 'to be' এবং 'having 'এর পর মূল verb এর Past participle হয়। 
- Active voice এ 'having' ব্যবহৃত হয় যখন কর্তা নিজে কাজ করে।
- আর passive voice এ ব্যবহৃত হয় যখন ক্রিয়া দ্বারা কর্তার অবস্থা নির্দেশিত হয়।

Example: 
- The thief ran away, having taken the ornaments. 

Correct sentence: The principal desired the notice to be hung.
----------

• অতীতের একটি নির্দিষ্ট ঘটনা বোঝাতে Simple Past ব্যবহার হয়।

Correct sentence: The company launched the product in 2020.

৪৪.
Fill in the gap with an appropriate preposition: 
There was no denial ______ the fact that mistakes were made.
  1. on
  2. in
  3. of
  4. to
সঠিক উত্তর:
of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
of
ব্যাখ্যা

Correct answer- of.

• denial (of):
Meaning: অস্বীকার; প্রত্যাখ্যান।

• Appropriate preposition এর ক্ষেত্রে,
- denial এর সাথে 'অস্বীকার/ প্রত্যাখ্যান' অর্থ বুঝাতে of বসে।
- এই বাক্যটির ক্ষেত্রে of বসালে বাক্যটির অর্থ পরিপূর্ণ হয়।
- তাই এই বাক্যে preposition হিসেবে of বসবে।

Complete sentence: There was no denial of the fact that mistakes were made.

Source: Accessible Dictionary.

৪৫.
The term 'Sine die' means - 
  1. Time flies
  2. uncertain
  3. By law
  4. It follows logically
সঠিক উত্তর:
uncertain
উত্তর
সঠিক উত্তর:
uncertain
ব্যাখ্যা

Answer -  uncertain.

• Sine die:
English Meaning: without arranging a future date for something.
Bangla Meaning: অনির্দিষ্টকালের জন্য।

Example:
- The meeting adjourned sine die.

Source: Cambridge Dictionary.

৪৬.
They decided to build a bridge. [passive]
  1. They decided that a bridge be built.
  2. They decided that a bridge should be built.
  3. They decided that a bridge to be built.
  4. They decided that a bridge being built.
সঠিক উত্তর:
They decided that a bridge should be built.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They decided that a bridge should be built.
ব্যাখ্যা

• Agree/ be anxious/ arrange/ determine/ be determined/ decide/ demand + infinitive + object যুক্ত Active voice কে passive করার নিয়ম:
- প্রদত্ত Active voice এর subject ও verb বসবে।
- that বসবে।
- infinitive এর পরের Object (direct object) বসবে।
- should be বসবে।
- infinitive এর পরের verb এর past participle বসবে।

• More examples:
- Active: Shakib decided to sell the house.
- Passive: Shakib decided that the house should be sold.

Active: They decided to build a bridge.
Passive: They decided that a bridge should be built.

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.

৪৭.
The word "extemporal" in the context of speech means: 
  1. Prepared
  2. Impromptu
  3. Written
  4. Formal
সঠিক উত্তর:
Impromptu
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Impromptu
ব্যাখ্যা

• Extemporal:
English meaning: done or said without any preparation or thought.
Bangla meaning: তৎক্ষণাত / অপ্রস্তুত / যা আগেই প্রস্তুত করা হয়নি।

Options,

ক) Prepared:
- প্রস্তুত থাকা।

খ) Impromptu:
- প্রত্যুৎপন্ন; অযত্নপূর্ব; অচিন্ত্যপূর্ব; উপস্থিতমতো; প্রত্যুৎপন্নভাবে ইত্যাদি।

গ) Written:
- লিখিত।

ঘ) Formal:
- আনুষ্ঠানিক।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, The word "extemporal" in the context of speech means: Impromptu.

Source: Accessible Dictionary.

৪৮.
Fill in the blank: 
Only after the results were announced ______ how much effort they had put in.
  1. the students did realise
  2. did the students realise
  3. the students had realised
  4. the students realised
সঠিক উত্তর:
did the students realise
উত্তর
সঠিক উত্তর:
did the students realise
ব্যাখ্যা

Answer- did the students realise.
Complete sentence: Only after the results were announced did the students realise how much effort they had put in.

• Only + সময়বাচক adverb/ adverbial phrase বা word (Only then, Only when, Only after, Only later, Only once) ইত্যাদি বাক্যের শুরুতে বসে Verb -এর উপর গুরুত্ব আরোপ করলে Inversion of verb হয়।
- অর্থাৎ, auxiliary verb টি subject -এর পূর্বে বসবে এবং verb টি base form -এ হবে।

• Structure: Negative adverb (Only + সময়বাচক adverb) + Auxiliary verb + Sub + Principal verb + Ext.
- যেমন: Only after doing M.B.A. did Imran qualify for the BCS Exam.

অন্য অপশন ভুল: 
ক) the students did realise → সাধারণ ক্রম, inversion হয়নি → ভুল।

গ) the students had realised → সাধারণ ক্রম + ভুল tense ব্যবহার হয়েছে, এখানে had realised দরকার নেই। 

ঘ) the students realised → সাধারণ ক্রম, inversion হয়নি → ভুল

৪৯.
Choose the correct sentence.
  1. The number of accident has decreased recently.
  2. The number of accidents has decreased recently.
  3. The number of accidents have decreased recently.
  4. The number of accidents has decrease recently.
সঠিক উত্তর:
The number of accidents has decreased recently.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The number of accidents has decreased recently.
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: The number of accidents has decreased recently.

The number সবসময় singular হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যদিও এর পরে plural noun (accidents) থাকে।
তাই এখানে singular verb ব্যবহার করতে হবে।

• Structure:
• The Number of + Plural Noun + Singular Verb হয়।
- যেমন - 
- The number of girls is present in today's program.
- The number of people was very high.

Other options,

ক) The number of accident has decreased recently.
- ভুল — accident এখানে plural হলে সঠিক হতো।

গ) The number of accidents have decreased recently.
- ভুল — have plural verb, কিন্তু subject singular.

ঘ) The number of accidents has decrease recently.
- ভুল — has এর পরে verb-এর past participle (decreased) বসতে হবে, base form নয়।

----------
অন্যদিকে,
- A number of + plural Noun + plural verb.

• আরো কিছু উদাহরণ -
• A number of boys are present in today's class.
- A number of books have been borrowed from the library.
- A number of employees are attending the conference.
- A number of houses were decorated for the holiday season.
- A number of birds migrate south during the winter.
- A number of books fill the library shelves.

৫০.
Choose the correct spelling of the word:
  1. Flabergested
  2. Flabbergasted
  3. Flabergasted
  4. Flabbergested
সঠিক উত্তর:
Flabbergasted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Flabbergasted
ব্যাখ্যা

Answer - Flabbergasted.

• Flabbergasted (verb transitive)
English Meaning: Greatly surprised or astonished.
Bangla Meaning: (কথ্য) বিস্ময়ে অভিভূত করা; হতভম্ব করা।

Example sentence:
- I was flabbergasted to hear that she had won the lottery.
- He was completely flabbergasted when he saw the surprise party.

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Babgla Academy.

৫১.
The synonym of Enigma is —
  1. Generous
  2. Mystery
  3. Weak
  4. Stubborn
সঠিক উত্তর:
Mystery
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mystery
ব্যাখ্যা

• Enigma:
English meaning: something that is mysterious and seems impossible to understand completely.
Bangla meaning: ধাঁধা; হেঁয়ালি; প্রহেলিকা; কোনো বস্তু বা ব্যক্তি যা রহস্যময় এবং যার অর্থ সহজে বোঝা যায় না। 

Options,
ক) Generous:
- উদার; সহৃদয়।

খ) Mystery:
- রহস্য; রহস্যময় ব্যাপার।

গ) Weak:
- দুর্বল; ভঙ্গুর; গুরুভার বহনে বা চাপ, আক্রমণ ইত্যাদি প্রতিরোধে অক্ষম।

ঘ) Stubborn:
- একগুঁয়ে; জেদি; সংকল্পবদ্ধ; শক্ত; কঠিন; বিরূপ; দুঃসাধ্য।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, The synonym of Enigma is — Mystery.

Source: Accessible Dictionary.

৫২.
Fill in the blanks: 
He climbed ____ Mount Everest early in the morning, and then enjoyed the breathtaking view of ____ Himalayas.
  1. Zero article, the
  2. the, the
  3. the, Zero article
  4. Zero article, Zero article
সঠিক উত্তর:
Zero article, the
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Zero article, the
ব্যাখ্যা

Answer- Zero article, the.
- একটিমাত্র পর্বত বা পর্বতশৃঙ্গ এর নামের পূর্বে article হিসাবে the বসে না, তাই Zero article, 'He climbed Mount Everest'.
- পর্বতমালার নামের পূর্বে article হিসাবে the বসে, “the Himalayas” – এটি পর্বতমালা, তাই the ব্যবহার করা হয়েছে।

Complete sentence: He climbed Mount Everest early in the morning, and then enjoyed the breathtaking view of the Himalayas.

• Article এর নিয়মানুযায়ী -

• সাধারণত পর্বতমালার নামের পূর্বে article হিসাবে the বসে।
যেমনঃ The Himalayas, The Bindhays ইত্যাদি।

- কিন্তু একটিমাত্র পর্বত বা পর্বতশৃঙ্গ এর নামের পূর্বে article হিসাবে the বসে না।
- যেহেতু  Mount Everest একটি মাত্র পর্বতশৃঙ্গের নাম সুতরাং এর পূর্বে কোন article বসবে না।

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.

৫৩.
Some light filters through the dense tree cover. Here, 'light' is -
  1. noun
  2. adjective
  3. adverb
  4. verb
সঠিক উত্তর:
noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
noun
ব্যাখ্যা

• Some light filters through the dense tree cover. Here, 'light' is - noun.
- 'light’ এখানে বোঝাচ্ছে প্রাকৃতিক আলো যা গাছের ঘন আচ্ছাদনের মধ্য দিয়ে আসছে।
- যেহেতু এটি কোনো বস্তু বা জিনিসের নাম বোঝাচ্ছে, তাই এটি noun.

• light: [noun]
English meaning: the energy from the sun, a lamp, etc. that makes it possible to see things
Bangla meaning: আলোক; আলো।

Example: 
- The substance causes the bacteria to emit light.
- Some light filters through the dense tree cover.

Source: Oxford Dictionary.

৫৪.
What time does it get dark in summer? Here, 'dark' is -
  1. noun
  2. adjective
  3. adverb
  4. preposition
সঠিক উত্তর:
adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
adjective
ব্যাখ্যা

What time does it get dark in summer? Here, 'dark' is  adjective.
এখানে “dark” শব্দটি “get” (become/হওয়া) verb -এর পরে বসে “অন্ধকার হয়ে যাওয়া”—অর্থাৎ একটি অবস্থার পরিবর্তন বোঝাচ্ছে।
- তাই dark এখানে adjective, কারণ এটি “it” (আকাশ/পরিবেশ)-এর অবস্থা বোঝাচ্ছে (subject complement)।

উল্লেখ্য, 
get + adjective = become (অবস্থা পরিবর্তন) যেমন: get cold, get late, get tired, get dark.
- What time does it get dark in summer? (Oxford Learner's Dictionary) 

• dark: [adjective]
English meaning: with no or very little light, especially because it is night.
Bangla meaning: আঁধার; অন্ধকার।

Example: 
- What time does it get dark in summer?
- Then the theatre went dark.
- The sky was still dark.

Source: Oxford Dictionary.

৫৫.
Choose the antonym of Redundant.
  1. Pulchritude
  2. Callous
  3. Inadequate
  4. Acrimonious
সঠিক উত্তর:
Inadequate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inadequate
ব্যাখ্যা

• Redundant:
English meaning: unnecessary because it is more than is needed.
Bangla meaning: প্রয়োজনাতিরিক্ত; বাড়তি; অনাবশ্যক

Options,
ক) Pulchritude:
- (আনুষ্ঠানিক) দৈহিক সৌন্দর্য।

খ) Callous:
- কিণাঙ্কিত; কড়া পড়া। 

গ) Inadequate:
- অপর্যাপ্ত; অপ্রভূত।

ঘ) Acrimonious:
- (যুক্তিতর্ক, বাগ্‌বিতণ্ডা, শব্দ ইত্যাদি) তিক্ত; কটু।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the antonym of Redundant - Inadequate.

Source: Accessible Dictionary.

৫৬.
Fill in the gap: 
The scandal was kept under _______ for years. 
  1. wraps
  2. covers
  3. tables
  4. carpets
সঠিক উত্তর:
wraps
উত্তর
সঠিক উত্তর:
wraps
ব্যাখ্যা

Answer- wraps.

Complete sentence: The scandal was kept under wraps for years. 

- প্রশ্নটি করা হয়েছে idiom এর উপর ভিত্তি করে, সঠিক idiom টি হলো - under wraps/ keep something under wraps,
- তাই সঠিক উত্তর - wraps, উল্লিখিত অন্য অপশন গুলো এক্ষেত্রে ভুল। 

under wraps/ keep something under wraps: [idiom]
English meaning: secret.
Bangla meaning: বিষয়টি গোপন রাখা।

Example: 
- Next year's collection is still being kept under wraps.
- They tried to keep the report under wraps.

Source: Cambridge Dictionary.

৫৭.
Put the right word in the blank:
The critic's review was so ________ that the author felt deeply humiliated.
  1. acerbic
  2. perfidious
  3. egregious
  4. cathartic
সঠিক উত্তর:
acerbic
উত্তর
সঠিক উত্তর:
acerbic
ব্যাখ্যা

উল্লিখিত অপশন গুলো হলো - 

ক) acerbic:
-  নিষ্ঠুরবাক্য 

খ) perfidious:
- (আনুষ্ঠানিক) বিশ্বাসঘাতক; দুরাচারী।

গ) egregious:
- (আনুষ্ঠানিক) কুখ্যাত; অসাধারণ (খারাপ ব্যক্তি অথবা খারাপ কিছু)

ঘ) cathartic:
- (চিকিৎসাশাস্ত্র) রেচক ওষুধ; বিশোধক পদার্থ।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, শূন্যস্থানে acerbic বসালে বাক্যটি সঠিক হবে। 

Complete sentence: The critic's review was so acerbic that the author felt deeply humiliated.
Bangla: সমালোচকের সমালোচনা এতটাই নিষ্ঠুরবাক্য ছিল যে লেখক গভীরভাবে আপমানিত অনুভব করলেন।

Source: Accessible Dictionary.

৫৮.
Strike while the iron is hot. Here, 'while the iron is hot' is -
  1. Noun clause
  2. Adjective clause
  3. Adverbial clause
  4. None of these
সঠিক উত্তর:
Adverbial clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverbial clause
ব্যাখ্যা

→ [38th BCS Preliminary]

• Strike while the iron is hot. Here 'while the iron is hot' is - Adverbial clause.
- এখানে 'while the iron is hot' একটি Adverbial clause, যা 'Strike' (verb) এর সময় বোঝাচ্ছে।
-  এটি বলে দেয় কখন কাজটি (strike) করা উচিত — অর্থাৎ যখন সুযোগ থাকে বা পরিস্থিতি অনুকূলে থাকে।

• Adverb clause
- যে subordinate clause কোন বাক্যে adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverb clause বলে।
- Adverb এর মত এরা - time, place, cause, effect, purpose ইত্যাদি বুঝায়।
- অর্থাৎ, Adverbial clause সবসময় সময়, স্থান, কাল, কারন, উদ্দেশ্য, ধরন, ফলাফল ইত্যাদি প্রকাশ করে।
-----------

• Noun clause
- A noun clause is a dependent clause that acts as a noun in a sentence.
- যে সব ‘subordinate clause’ noun -এর কাজ করে, তাদেরকে Noun clause বলে।
- অর্থাৎ, noun clause বাক্যে subject, object, complement বা case in apposition -এর কাজ করে থাকে।

• একটি বাক্যের বিভিন্ন স্থানে noun clause বসতে পারে-
- যেমন:
1. Verb -এর subject হিসেবে;
2. Transitive verb -এর object হিসেবে;
3. Verb -এর complement হিসেবে;
4. Preposition -এর object হিসেবে;
5. Noun/pronoun -এর apposition হিসেবে।

• Adjective clause:
- যে sub-ordinate clause কোনো noun/pronoun এর পরে বসে ঐ noun/pronoun কে modify করে তাকে Adjective Clause বলে। 
- অর্থাৎ noun এর post modifier হিসাবে adjective clause বসে।

• Adjective Clause দুইটি স্থানে বসতে পারে - 
- Noun এর post modifier - (subject + verb + noun + adjective clause) 
- Subject এর post modifier - (Subject + adjective clause + verb + object)

৫৯.
'Sovereign' is an example of ______ gender.
  1. masculine
  2. feminine
  3. neuter
  4. common
সঠিক উত্তর:
common
উত্তর
সঠিক উত্তর:
common
ব্যাখ্যা

Answer - common.

• Sovereign শব্দটি রাজা বা রাণী - যে কারোর জন্যই ব্যবহৃত হতে পারে।
- তাই, এটি common gender.

• Sovereign: 
English meaning: a king or queen.
Bangla meaning: সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী শাসক, যেমন রাজা, রানি বা সম্রাট।

Source: Cambridge Dictionary.

৬০.
'They found the child sleeping peacefully.' Here 'sleeping' is a ______.
  1. gerund
  2. finite verb
  3. verbal noun
  4. participle
সঠিক উত্তর:
participle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
participle
ব্যাখ্যা

They found the child sleeping peacefully. Here sleeping is a ঘ) participle.

- "Sleeping" এখানে present participle হিসেবে কাজ করছে।
- এটি child-কে describe/modify করছে এবং "found" verb-এর object হিসেবে কাজ করছে।
- এ ধরনের structure-কে object + present participle বলা হয় (found + the child + sleeping).
 
• Present participle:
- Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও adjective এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
- সংক্ষেপে: present participle = Verb + ing = adjective = Verb + adjective.

• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

Participle মূলত: তিন প্রকার: 
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog. 
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens. 
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed. 

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

৬১.
তিন অঙ্কের দুইটি সংখ্যার গ.সা.গু ১৭ এবং ল.সা.গু ৭১৪ হলে, সংখ্যা দুইটির সমষ্টি কত?  
  1. ১৯১
  2. ২০৪
  3. ২২১
  4. ২৩৮
সঠিক উত্তর:
২২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২১
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: তিন অঙ্কের দুইটি সংখ্যার গ.সা.গু ১৭ এবং ল.সা.গু ৭১৪ হলে, সংখ্যা দুইটির সমষ্টি কত?  

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যা দুটি = ১৭ক এবং ১৭খ  ; [কারণ গ.সা.গু = ১৭]

তাহলে,
১৭কখ = ৭১৪ 
⇒ কখ = ৭১৪/১৭ 
⇒ কখ = ৪২ 

এখন ৪২-এর সহমৌলিক গুণনীয়ক জোড়াগুলো, 
(১, ৪২), (২, ২১), (৩, ১৪), (৬, ৭)

∴ তিন অঙ্কের সংখ্যা গুলো হলো,
১৭ × ৬ = ১০২ এবং ১৭ × ৭ = ১১৯ 

∴ সংখ্যা দুইটির সমষ্টি = ১০২ + ১১৯ = ২২১ 

৬২.
log2log3(log3273) = ?
  1. 0
  2. 2
  3. 1
  4. 4
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log2 log3 (log3273) = ?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
log2 log3 (log3273)
= log2 log3(3log333)
= log2 log3(9log33)
= log2 log39 ; [logaa = 1]
= log2 (log332)
= log2 (2log33)
= log22
= 1

৬৩.
যদি p + q = 7n এবং pq = 10n2 হয়, তবে (p - q) এর মান কত?
  1. ± 2n
  2. ± 3
  3. ± 4n
  4. ± 3n
সঠিক উত্তর:
± 3n
উত্তর
সঠিক উত্তর:
± 3n
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি p + q = 7n এবং pq = 10n2 হয়, তবে (p - q) এর মান কত?  

সমাধান: 
দেওয়া আছে
p + q = 7n
pq = 10n2

আমরা জানি,
(p - q)2 = (p + q)2 - 4pq
⇒ (p - q)2 = (7n)2 - 4 × 10n2
⇒ (p - q)2 = 49n2 - 40n2
⇒ (p - q)2 = 9n2
⇒ p - q = ±√(9n2)
∴  p - q = ± 3n

৬৪.
'JUDGE' শব্দটির বর্ণগুলোকে কত প্রকারে সাজানো যায় যাতে স্বরবর্ণগুলো একত্রে থাকবে?
  1. 48
  2. 120
  3. 124
  4. 160
সঠিক উত্তর:
48
উত্তর
সঠিক উত্তর:
48
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'JUDGE' শব্দটির বর্ণগুলোকে কত প্রকারে সাজানো যায় যাতে স্বরবর্ণগুলো একত্রে থাকবে?

সমাধান:
'JUDGE' শব্দটিতে মোট 5টি বর্ণ আছে যার 2টি স্বরবর্ণ ও 3টি ব্যঞ্জনবর্ণ।
2টি স্বরবর্ণকে 1টি ধরে মোট বর্ণ সংখ্যা 4টি কে সাজানো যায় = 4!
 = 24 উপায়ে

আবার
2টি স্বরবর্ণকে নিজেদের মধ্যে সাজানো যায় = 2!  ; [(UE) বা (EU)]
= 2 উপায়ে

সুতরাং নির্ণেয় সাজানো সংখ্যা = 2 × 24
= 48 উপায়ে।

৬৫.
জাহিদ একটি আয়তাকার বাগানের চারদিকে হাঁটতে বের হলো। বাগানটির দৈর্ঘ্য ১৫ মিটার এবং প্রস্থ ৮ মিটার। বাগানের পরিসীমায় অবস্থিত এমন দুটি বিন্দু আছে, যাদের মধ্যবর্তী দূরত্ব সবচেয়ে বেশি। ঐ দুটি বিন্দুর মধ্যবর্তী সরাসরি দূরত্ব কত?
  1. ২৩ মিটার
  2. ৩৪ মিটার
  3. ৪৬ মিটার
  4. ১৭ মিটার
সঠিক উত্তর:
১৭ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: জাহিদ একটি আয়তাকার বাগানের চারদিকে হাঁটতে বের হলো। বাগানটির দৈর্ঘ্য ১৫ মিটার এবং প্রস্থ ৮ মিটার। বাগানের পরিসীমায় অবস্থিত এমন দুটি বিন্দু আছে, যাদের মধ্যবর্তী দূরত্ব সবচেয়ে বেশি। ঐ দুটি বিন্দুর মধ্যবর্তী সরাসরি দূরত্ব কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
আয়তাকার বাগান যার দৈর্ঘ্য ১৫ মিটার
এবং প্রস্থ ৮ মিটার

এখন, 
আয়তাকারের পরিসীমার যেকোনো দুটি বিন্দুর মধ্যে সর্বোচ্চ দূরত্ব হয় ঠিক বিপরীত কোণের মধ্যে দূরত্ব অর্থাৎ কর্ণের দৈর্ঘ্য।
∴ কর্ণ = √(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)  ; [পিথাগোরাসের উপপাদ্য ব্যবহার করে]
= √(১৫ + ৮)
= √(২২৫ + ৬৪)
= √২৮৯
= ১৭ মিটার

সুতরাং, পরিসীমার দুটি বিন্দুর মধ্যে সর্বোচ্চ দূরত্ব = ১৭ মিটার

৬৬.
একজন ব্যক্তির মাসিক আয় ১৩৫০০ টাকা এবং মাসিক ব্যয় ৯০০০ টাকা। পরের বছর তার মাসিক আয় ১৪% বৃদ্ধি পায় এবং মাসিক ব্যয় ৭% বৃদ্ধি পায়। আগের বছরের মাসিক সঞ্চয় এবং পরের বছরের মাসিক সঞ্চয়ের মধ্যে পার্থক্য কত টাকা?
  1. ১২৬০ টাকা
  2. ৯৮০ টাকা
  3. ১১৭৫ টাকা
  4. ১৭২৫ টাকা
সঠিক উত্তর:
১২৬০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৬০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন ব্যক্তির মাসিক আয় ১৩৫০০ টাকা এবং মাসিক ব্যয় ৯০০০ টাকা। পরের বছর তার মাসিক আয় ১৪% বৃদ্ধি পায় এবং মাসিক ব্যয় ৭% বৃদ্ধি পায়। আগের বছরের মাসিক সঞ্চয় এবং পরের বছরের মাসিক সঞ্চয়ের মধ্যে পার্থক্য কত টাকা?
  
সমাধান: 
প্রথম বছর (আগের),
আয় = ১৩৫০০ টাকা
খরচ = ৯০০০ টাকা

∴ সঞ্চয় = ১৩৫০০ - ৯০০০ = ৪৫০০ টাকা

আবার, 
পরের বছর আয় ১৪% বৃদ্ধি পেলে,
নতুন আয় = ১৩৫০০ × (১১৪/১০০) = ১৫৩৯০ টাকা
এবং ব্যয় ৭% বৃদ্ধি পেলে নতুন খরচ = ৯০০০ × (১০৭/১০০) = ৯৬৩০ টাকা

∴ নতুন সঞ্চয় = ১৫৩৯০ - ৯৬৩০ = ৫৭৬০ টাকা

∴ পার্থক্য = নতুন সঞ্চয় - আগের সঞ্চয় = ৫৭৬০ - ৪৫০০ = ১২৬০ টাকা

সুতরাং, পরের বছরের মাসিক সঞ্চয় আগের তুলনায় ১২৬০ টাকা বেশি হবে।

৬৭.
যদি 64 ÷ (36)3 × 216 = 6(x - 5) হয়, তবে x এর মান কত? 
  1. 0
  2. 5
  3. - 4
  4. 6
সঠিক উত্তর:
6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 64 ÷ (36)3 × 216 = 6(x - 5) হয়, তবে x এর মান কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
64 ÷ (36)3 × 216 = 6(x - 5)
⇒ 64 ÷ (62)3 × 63 = 6(x - 5)
⇒ 6(4 - 6 + 3) = 6(x - 5)   ; [ভাগের ক্ষেত্রে পাওয়ার বিয়োগ হয়]
⇒ 6(7 - 6) = 6(x - 5)
⇒ x - 5 = 1
⇒ x = 1 + 5
∴ x = 6

৬৮.
- 4x2 + 23x + 6 এর উৎপাদক কোনটি?
  1. (4x - 1)(x + 6)
  2. (6 - x)(4x + 1)
  3. (x - 6)(4x - 1)
  4. (x + 4)(x - 6)
সঠিক উত্তর:
(6 - x)(4x + 1)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(6 - x)(4x + 1)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: - 4x2 + 23x + 6 এর উৎপাদক কোনটি?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
- 4x2 + 23x + 6
= - 4x2 + 24x - x + 6
= - 4x(x - 6) - 1(x - 6)
= (x - 6)(- 4x - 1)
= {-(6 - x)}{- (4x + 1)}
= (6 - x)(4x + 1)

৬৯.
দুইটি ছক্কা নিক্ষেপ করলে প্রাপ্ত সংখ্যার গুণফল জোড় সংখ্যা হওয়ার সম্ভাব্যতা কত?
  1. ১/৪
  2. ২/৩
  3. ১/২
  4. ৩/৪
সঠিক উত্তর:
৩/৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩/৪
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি ছক্কা নিক্ষেপ করলে, প্রাপ্ত সংখ্যার গুণফল জোড় সংখ্যা হওয়ার সম্ভাব্যতা কত? 

সমাধান: 
দুটি ছক্কা নিক্ষেপ করলে মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ৬ × ৬ = ৩৬

এখন, 
গুণফল জোড় হবে যদি অন্তত একটি ছক্কায় জোড় সংখ্যা আসে।
জোড় সংখ্যা = ২, ৪, ৬ = মোট ৩টি এবং বিজোড় সংখ্যা = ১, ৩, ৫ = মোট ৩টি

গুণফল জোড় হবে না শুধুমাত্র যখন দুটি ছক্কাতেই বিজোড় সংখ্যা আসবে।
দুটি ছক্কায় বিজোড়-বিজোড় আসার সম্ভাব্য ফলাফল, 
(১, ১), (১, ৩), (১, ৫), (৩, ১), (৩, ৩), (৩, ৫), (৫, ১), (৫, ৩), (৫, ৫) = ৯টি
অর্থাৎ,
গুণফল বিজোড় হওয়ার সম্ভাব্যতা = ৯/৩৬ = ১/৪

∴ গুণফল জোড় হওয়ার সম্ভাব্যতা = ১ - (গুণফল বিজোড় হওয়ার সম্ভাব্যতা)
= ১ - (১/৪)
= ৩/৪

সুতরাং, গুণফল জোড় সংখ্যা হওয়ার সম্ভাব্যতা ৩/৪

৭০.
দুইটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের অনুপাত 4 : 3 এবং তাদের উচ্চতার অনুপাত 3 : 4 হলে ভূমির অনুপাত কত? 
  1. 9 : 8
  2. 5 : 8
  3. 16 : 9
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
16 : 9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16 : 9
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের অনুপাত 4 : 3 এবং তাদের উচ্চতার অনুপাত 3 : 4 হলে ভূমির অনুপাত কত? 

সমাধান: 
ধরি, ত্রিভুজের ভূমি যথাক্রমে x এবং y 
এবং তাদের উচ্চতা যথাক্রমে 3h এবং 4h

আমরা জানি,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (1/2) × ভূমি × উচ্চতা

এখন, 
{(1/2) × x × 3h} : {(1/2) × y × 4h} = 4 : 3
⇒ {(1/2) × x × 3h}/{(1/2) × y × 4h} = 4/3 
⇒ (3x/2)/(2y) = 4/3
⇒ x/y = (4/3) × (4/3)
⇒ x/y = 16/9
∴ x : y = 16 : 9

সুতরাং, ভূমির অনুপাত 16 : 9

৭১.
১৬০০ টাকার ২ বছর ৬ মাসে সরল মুনাফা হিসেবে ২৫০ টাকা পাওয়া গেলে, বার্ষিক সরল মুনাফার হার কত?
  1. ৭.৫%
  2. ৬.২৫%
  3. ৫.২৫%
  4. ৫%
সঠিক উত্তর:
৬.২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.২৫%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১৬০০ টাকার ২ বছর ৬ মাসে সরল মুনাফা হিসেবে ২৫০ টাকা পাওয়া গেলে, বার্ষিক সরল মুনাফার হার কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
মূলধন, P = ১৬০০ টাকা
সরল মুনাফা, I = ২৫০ টাকা
সময়, n = ২ বছর ৬ মাস = ২ + (৬/১২) = ২ + (১/২) = ৫/২ বছর

আমরা জানি, 
সরল মুনাফা, I = (Prn)/১০০ 
⇒ ২৫০ = (১৬০০ × r × ৫/২)/১০০
⇒ ২৫০ = ১৬ × r × ৫/২
⇒ ২৫০ = (১৬ × ৫ × r)/২
⇒ ২৫০ = ৮ × ৫ × r
⇒ ২৫০ = ৪০ × r
⇒ r = ২৫০/৪০
⇒ r = ২৫/৪
∴ r = ৬.২৫ 

সুতরাং, বার্ষিক মুনাফার হার ৬.২৫%

৭২.
একটি সমান্তর ধারার ৩য় পদ এবং ৮ম পদ যথাক্রমে - 13 এবং 2 হলে, ধারাটির ১৪তম পদ কত? 
  1. 17
  2. 25
  3. 30
  4. 20
সঠিক উত্তর:
20
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমান্তর ধারার ৩য় পদ এবং ৮ম পদ যথাক্রমে - 13 এবং 2 হলে, ধারাটির ১৪তম পদ কত?

সমাধান: 
আমরা জানি,
an = a + (n - 1)d
দেওয়া আছে,
a3 = a + 2d = - 13 .......(1)
a8 = a + 7d = 2 .......(2)

এখন (2) থেকে (1) বিয়োগ করে পাই, 
(a + 7d) - (a + 2d) = 2 - (- 13)
⇒ 5d = 15
⇒ d = 15/5 = 3
∴ d = 3

d এর মান (1) বসিয়ে পাই,
⇒ a + 2 × 3 = - 13
⇒ a + 6 = - 13
⇒ a = - 13 - 6
∴ a = - 19

এখন ১৪তম পদ, a14 = a + 13d
= - 19 + 13 × 3
= - 19 + 39
= 20

সুতরাং, ধারাটির ১৪তম পদ = 20

৭৩.
দুইটি সংখ্যার সমষ্টি 9 এবং তাদের গুণফল 18। সংখ্যা দুইটির গুণাত্মক বিপরীত সংখ্যার সমষ্টি কত?
  1. 1/2
  2. 3
  3. 1/9
  4. 12
সঠিক উত্তর:
1/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার সমষ্টি 9 এবং তাদের গুণফল 18। সংখ্যা দুইটির গুণাত্মক বিপরীত সংখ্যার সমষ্টি কত?

সমাধান:
ধরি, সংখ্যাদ্বয় যথাক্রমে x এবং y
শর্তানুসারে,
x + y = 9
xy = 18

এখন, 
∴ (1/x) + (1/y)
= (x + y)/xy
= 9/18
= 1/2

∴ সংখ্যা দুইটির গুণাত্মক বিপরীত সংখ্যার সমষ্টি = 1/2

৭৪.
যদি g(x) = 2x3 - 3x + 7 হলে, g(- 1) + g(1) = ?
  1. - 2
  2. 12
  3. 14
  4. - 8
সঠিক উত্তর:
14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি g(x) = 2x3 - 3x + 7 হলে, g(- 1) + g(1) = ?

 সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
g(x) = 2x3 - 3x + 7

এখন,
g(- 1) = 2(- 1)3 - 3(- 1) + 7
= 2(- 1) + 3 + 7
= - 2 + 3 + 7
= 8

এবং, 
g(1) = 2(1)3 - 3(1) + 7
= 2(1) - 3 + 7
= 2 - 3 + 7
= 6

∴ g(- 1) + g(1) = 8 + 6 = 14

৭৫.
একটি কোণকের ব্যাস 6 সে.মি. এবং উচ্চতা 14 সে.মি. হলে কোণকের আয়তন কত?
  1. 132 ঘন সে.মি.
  2. 126 ঘন সে.মি.
  3. 14.4π ঘন সে.মি.
  4. 138π ঘন সে.মি.
সঠিক উত্তর:
132 ঘন সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
132 ঘন সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি কোণকের ব্যাস 6 সে.মি. এবং উচ্চতা 14 সে.মি. হলে কোণকের আয়তন কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
কোণকের ব্যাস, 2r = 6 সে.মি.
কোণকের ব্যাসার্ধ, r = 6/2 = 3 সে.মি.
এবং কোণকের উচ্চতা, h = 14 সে.মি. 

আমরা জানি,
কোণকের আয়তন = (1/3)πr2h.
= (1/3) × (22/7) × 32 × 14 
= (1/3) × 22 × 9 × 2
= 22 × 3 × 2
= 132 ঘন সে.মি.

সুতরাং, কোণকের আয়তন 132 ঘন সে.মি.।

৭৬.
একটি খাতা এবং একটি ডায়েরির দামের অনুপাত ৭ : ৫। ডায়েরি খাতার চাইতে ৪০ টাকা কম হলে, খাতার দাম কত?
  1. ১২০ টাকা
  2. ১০০ টাকা
  3. ১৮০ টাকা
  4. ১৪০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১৪০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি খাতা এবং একটি ডায়েরির দামের অনুপাত ৭ : ৫। ডায়েরি খাতার চাইতে ৪০ টাকা কম হলে, খাতার দাম কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
খাতা : ডায়েরি = ৭ : ৫

ধরি, খাতার দাম = ৭ক টাকা
এবং ডায়েরির দাম = ৫ক টাকা

প্রশ্নানুসারে, ডায়েরি খাতার চাইতে ৪০ টাকা কম। 
অর্থাৎ, খাতার দাম = ডায়েরির দাম + ৪০
⇒ ৭ক = ৫ক + ৪০
⇒ ৭ক - ৫ক = ৪০
⇒ ২ক = ৪০
⇒ ক = ৪০/২ = ২০
∴ ক = ২০

সুতরাং, খাতার দাম = ৭ক = ৭ × ২০ = ১৪০ টাকা

৭৭.
একজন ব্যক্তি প্রথম দিন 3 টাকা দান করে এবং প্রতিদিন তার দানের পরিমাণ আগের দিনের দ্বিগুণ হয়। 10 দিন পর্যন্ত সে মোট কত টাকা দান করেছে?
  1. 1023
  2. 3069
  3. 2046
  4. 4095
সঠিক উত্তর:
3069
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3069
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন ব্যক্তি প্রথম দিন 3 টাকা দান করে এবং প্রতিদিন তার দানের পরিমাণ আগের দিনের দ্বিগুণ হয়। 10 দিন পর্যন্ত সে মোট কত টাকা দান করেছে?

 সমাধান:
এটি একটি গুণোত্তর ধারা। যার,
প্রথম পদ, a = 3
সাধারণ অনুপাত, r = 2
এবং মোট দিন, n = 10

আমরা জানি, 
গুণোত্তর ধারা সমষ্টি,  Sn = a × (rn - 1)/(r - 1)  ; [r > 1] 
S10 = 3 × (210 - 1)/(2 - 1)
= 3 × (1024 - 1)
= 3 × 1023
= 3069 টাকা

সুতরাং, ঐ  ব্যক্তি 10 দিনে মোট 3069 টাকা দান করেছেন। 

৭৮.
যদি 0 < y < 1  হয়, তবে কোনটি সবচেয়ে ছোট?
  1. y
  2. 1/y
  3. y2
  4. 1/y3
সঠিক উত্তর:
y2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
y2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 0 < y < 1  হয়, তবে কোনটি সবচেয়ে ছোট?

সমাধান: 
0 < y < 1 হলে y = 0.1 ধরে পাই, 

ক) y = 0.1

খ) 1/y = 1/0.1 = 10

গ) y2 = (0.1)2 = 0.01
 
ঘ) 1/y3 = 1/(0.1)3 = 1/0.001 = 1000

সুতরাং সবচেয়ে ছোট মান হলো গ) y2

৭৯.
১০, ৯, ১২, ৬, ১৫, ৭, ৮, ১৪, ১৩ সংখ্যাগুলোর মধ্যক নির্ণয় করুন।
  1. ১৫ 
  2. ১০
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১০, ৯, ১২, ৬, ১৫, ৭, ৮, ১৪, ১৩ সংখ্যাগুলোর মধ্যক নির্ণয় করুন।

সমাধান:
প্রথমে সংখ্যাগুলোকে ক্রমানুসারে (ছোট থেকে বড়) সাজাই। 
৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১২, ১৩, ১৪, ১৫

এখানে, 
মোট সংখ্যা = ৯টি (যা বিজোড় সংখ্যা)

আমরা জানি, 
বিজোড় সংখ্যার ক্ষেত্রে মধ্যক = (n + ১)/২ তম সংখ্যা
= (৯ + ১)/২ ; [এখানে n = ৯] 
= ৫ম তম সংখ্যা

সুতরাং, ক্রমান্বয়ে ৫ম সংখ্যাটি হলো ১০

অতএব, সংখ্যাগুলোর মধ্যক ১০

৮০.
একটি চাকার ব্যাস 0.6 মিটার। চাকাটি 490 বার ঘুরলে কত দূরত্ব অতিক্রম করবে?
  1. 924 মিটার
  2. 1204 মিটার
  3. 776 মিটার
  4. 918 মিটার
সঠিক উত্তর:
924 মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
924 মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি চাকার ব্যাস 0.6 মিটার। চাকাটি 490 বার ঘুরলে কত দূরত্ব অতিক্রম করবে? 

সমাধান:
চাকা একবার পূর্ণ ঘুরলে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তা হলো চাকার পরিধি।
পরিধি = π × ব্যাস
= π × 0.6 মিটার
এখন, 490 বার ঘুরলে মোট দূরত্ব = পরিধি × 490
= 0.6 × π × 490
= 0.6 × (22/7) × 490
= 6 × 22 × 7
= 924

সুতরাং, চাকাটি 490 বার ঘুরলে 924 মিটার দূরত্ব অতিক্রম করবে।

৮১.
Hepatitis : Liver :: Nephritis : ?
  1. Eyes
  2. Kidney
  3. Joints
  4. Lungs
সঠিক উত্তর:
Kidney
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Kidney
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Hepatitis : Liver :: Nephritis : ?

সমাধান:
এখানে সম্পর্কটি হলো 'রোগ : আক্রান্ত অঙ্গ' (Disease : Affected Organ)।

- হেপাটাইটিস (Hepatitis) হলো লিভার বা যকৃতের একটি প্রদাহজনিত রোগ।
- একইভাবে, নেফ্রাইটিস (Nephritis) হলো কিডনি বা বৃক্কের একটি প্রদাহজনিত রোগ।
কিডনির কার্যকারী একক 'নেফ্রন' (Nephron) থেকে নেফ্রাইটিস শব্দটি এসেছে।

উল্লেখ্য:
- Eyes: চোখের প্রদাহজনিত রোগ হলো Conjunctivitis (কনজাংটিভাইটিস)।
- Joints: হাড়ের জোড়া বা জয়েন্টের প্রদাহজনিত রোগ হলো Arthritis (আর্থ্রাইটিস)।
- Lungs: ফুসফুসের প্রদাহজনিত সংক্রমণ হচ্ছে Pneumonia (নিউমোনিয়া) বা Bronchitis (ব্রঙ্কাইটিস)।

৮২.

'P' চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরছে। এমতাবস্থায়, পুরো সিস্টেমটি সচল থাকলে সর্বশেষ চাকা 'S' কোন অভিমুখে ঘুরবে?
  1. A এর দিকে
  2. B এর দিকে
  3. স্থির থাকবে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
B এর দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B এর দিকে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 
'P' চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরছে। এমতাবস্থায়, পুরো সিস্টেমটি সচল থাকলে সর্বশেষ চাকা 'S' কোন অভিমুখে ঘুরবে?

সমাধান:
'P' চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে 'Q' চাকাটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুরবে।
'Q' চাকা ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুরলে 'R' চাকাও ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুরবে।
'R' চাকা ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুরলে 'S' চাকাও ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুরবে।

∴ 'S' চাকাটি B এর দিকে ঘুরবে।

৮৩.
নিচের ধারার প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যা হবে?
6, 11, 21, 36, 56, ?
  1. 90
  2. 66
  3. 81
  4. 75
সঠিক উত্তর:
81
উত্তর
সঠিক উত্তর:
81
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের ধারার প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যা হবে?
6, 11, 21, 36, 56, ?

সমাধান:
এখানে প্রতিটি পদের মধ্যবর্তী পার্থক্য 5-এর গুণিতক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
11 - 6 = 5
21 - 11 = 10
36 - 21 = 15
56 - 36 = 20
81 - 56 = 25

∴ প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে  81 সংখ্যাটি বসবে।

৮৪.
ইংরেজি অভিধানের ক্রম অনুযায়ী সাজালে নিচের কোন শব্দটি সবার শেষে আসবে?
Superior, Superimpose, Superlative, Supervise.
  1. Superior
  2. Supervise
  3. Superlative
  4. Superimpose
সঠিক উত্তর:
Supervise
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Supervise
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ইংরেজি অভিধানের ক্রম অনুযায়ী সাজালে নিচের কোন শব্দটি সবার শেষে আসবে?
Superior, Superimpose, Superlative, Supervise.

সমাধান:
সঠিক ক্রম হবে:
Superimpose
Superior
Superlative
Supervise

∴ সবার পরে আসবে Supervise.

৮৫.
একজন ব্যক্তি উত্তর দিকে 2 কিমি হাঁটেন। তারপর তিনি পূর্ব দিকে মোড় নেন এবং 10 কিমি হাঁটেন। এরপর তিনি উত্তর দিকে মোড় নেন এবং 3 কিমি হাঁটেন। আবার তিনি পূর্ব দিকে মোড় নেন এবং 2 কিমি হাঁটেন। তিনি শুরুর স্থান থেকে কত দূরে আছেন?
  1. 8 কিমি
  2. 13 কিমি
  3. 15 কিমি
  4. 17 কিমি
সঠিক উত্তর:
13 কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
13 কিমি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন ব্যক্তি উত্তর দিকে 2 কিমি হাঁটেন। তারপর তিনি পূর্ব দিকে মোড় নেন এবং 10 কিমি হাঁটেন। এরপর তিনি উত্তর দিকে মোড় নেন এবং 3 কিমি হাঁটেন। আবার তিনি পূর্ব দিকে মোড় নেন এবং 2 কিমি হাঁটেন। তিনি শুরুর স্থান থেকে কত দূরে আছেন?

সমাধান:

উত্তর দিকে মোট দূরত্ব (উল্লম্ব সরণ) = 2 কিমি + 3 কিমি = 5 কিমি
পূর্ব দিকে মোট দূরত্ব (অনুভূমিক সরণ) = 10 কিমি + 2 কিমি = 12 কিমি

শুরুর বিন্দু থেকে সরাসরি দূরত্ব বের করার জন্য পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে,
দূরত্ব, AE = √(মোট উত্তর দিকের দূরত্ব2 + মোট পূর্ব দিকের দূরত্ব2)
⇒ দূরত্ব, AE = √(52 + 122)
⇒ দূরত্ব, AE = √(25 + 144)
⇒ দূরত্ব, AE = √169
⇒ দূরত্ব, AE = 13

অতএব, তিনি শুরুর স্থান থেকে 13 কিমি দূরে আছেন।

৮৬.
প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 360
  2. 464
  3. 550
  4. 625
সঠিক উত্তর:
625
উত্তর
সঠিক উত্তর:
625
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান:
(10 +7)2 = 172 = 289

(2 +3)2 = 52 = 25

(15 +6)2 = 212 = 441

(13+12)2 = 252 = 625

∴ প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে 625 বসবে।

৮৭.
কিছু বন্ধু মিলে পিকনিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল এবং খাবারের জন্য মোট ৯৬ টাকা খরচ করার পরিকল্পনা করল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ৪ জন বন্ধু অনুপস্থিত থাকায় অবশিষ্ট বন্ধুদের প্রত্যেকের মাথাপিছু খরচ ৪ টাকা করে বৃদ্ধি পেল। ঐ বনভোজনে কতজন বন্ধু উপস্থিত ছিল?
  1. ৬ জন
  2. ৮ জন
  3. ৯ জন
  4. ১২ জন
সঠিক উত্তর:
৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কিছু বন্ধু মিলে পিকনিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল এবং খাবারের জন্য মোট ৯৬ টাকা খরচ করার পরিকল্পনা করল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ৪ জন বন্ধু অনুপস্থিত থাকায় অবশিষ্ট বন্ধুদের প্রত্যেকের মাথাপিছু খরচ ৪ টাকা করে বৃদ্ধি পেল। ঐ বনভোজনে কতজন বন্ধু উপস্থিত ছিল?

সমাধান:
মনে করি, শুরুতে মোট বন্ধুর সংখ্যা ছিল x জন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রত্যেকের দেওয়ার কথা ছিল = (৯৬/x) টাকা।
কিন্তু ৪ জন না আসায় উপস্থিত বন্ধুর সংখ্যা = (x - ৪) জন।

এখন বর্তমানে প্রত্যেকের দিতে হবে = ৯৬/(x - ৪) টাকা।

প্রশ্নমতে,
{৯৬/(x - ৪)} - (৯৬/x) = ৪
⇒ ৯৬ {(x - x + ৪)/x(x - ৪) } = ৪
⇒ ৯৬{ ৪/(x - ৪x) } = ৪
⇒ ৯৬/(x - ৪x) = ১
⇒ x - ৪x - ৯৬ = ০
⇒ x - ১২x + ৮x - ৯৬ = ০
⇒ x(x - ১২) + ৮(x - ১২) = ০
⇒ (x - ১২)(x + ৮) = ০
হয়, x - ১২ = ০ ⇒ x = ১২
অথবা, x + ৮ = ০ ⇒ x = - ৮ (বন্ধুর সংখ্যা ঋণাত্মক হতে পারে না)

∴ শুরুতে মোট বন্ধুর সংখ্যা ছিল ১২ জন।

∴ পিকনিকে উপস্থিত বন্ধুর সংখ্যা ছিল = ১২ - ৪ = ৮ জন।

৮৮.
"মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।" এই যে বেঁচে থাকার ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা, একে এক কথায় কি বলে?
  1. জিজীবিষা
  2. জিগীষা
  3. জিগমিষা
  4. বিজিগীষা
সঠিক উত্তর:
জিজীবিষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিজীবিষা
ব্যাখ্যা

• ‘বাঁচতে ইচ্ছা’ এর এক কথায় প্রকাশ - জিজীবিষা।

অন্যদিকে,
- 'গমন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিগমিষা।
- 'বিজয় লাভের ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিজিগীষা।
- 'জয় করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিগীষা।

এরূপ আরও কিছু এক কথায় প্রকাশ-
- 'হনন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিঘাংসা।
- 'নিন্দা করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জুগুপ্সা ।
- 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বুভুক্ষা।
- 'লাভ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - লিপ্সা।
- 'দেখবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - দিদৃক্ষা।
- 'বলবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবক্ষা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৮৯.
যদি সূর্যের বর্তমান ভর অপরিবর্তিত রেখে একে সংকুচিত করে একটি ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত করা হয়, তবে পৃথিবী থেকে এর মহাকর্ষীয় টান বা আকর্ষণ বল কত গুণ হবে?
  1. ২ গুণ
  2. ৪ গুণ
  3. অপরিবর্তিত থাকবে
  4. অর্ধেক হবে
সঠিক উত্তর:
অপরিবর্তিত থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরিবর্তিত থাকবে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি সূর্যের বর্তমান ভর অপরিবর্তিত রেখে একে সংকুচিত করে একটি ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত করা হয়, তবে পৃথিবী থেকে এর মহাকর্ষীয় টান বা আকর্ষণ বল কত গুণ হবে?

সমাধান:
- নিউটনের মহাকর্ষের সূত্র F = G (m1 × m2)/r2 অনুযায়ী, আকর্ষণ বল (F) শুধুমাত্র বস্তুদ্বয়ের ভর এবং তাদের মধ্যবর্তী দূরত্বের ওপর নির্ভর করে।
- এখানে সূর্যের ভর (m1) একই থাকছে এবং পৃথিবী থেকে সূর্যের কেন্দ্রের দূরত্ব (r) পরিবর্তিত হচ্ছে না।
- সূর্যের আয়তন কমে ব্ল্যাক হোল হলেও তার মোট ভর এবং পৃথিবীর সাথে তার দূরত্বের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।
- তাই গাণিতিকভাবে মহাকর্ষ বল অপরিবর্তিত থাকবে। 

৯০.
আগামীকালের পরের দিন যদি বুধবার হয়, তবে গত পরশুর আগের দিন কী বার ছিল?
  1. শনিবার
  2. রবিবার
  3. শুক্রবার
  4. বৃহস্পতিবার
সঠিক উত্তর:
শুক্রবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্রবার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: আগামীকালের পরের দিন যদি বুধবার হয়, তবে গত পরশুর আগের দিন কী বার ছিল?

সমাধান:
আগামীকালের পরের দিন যদি বুধবার
আগামীকাল মঙ্গলবার
আজকে সোমবার
গতকাল রবিবার
পরশু শনিবার

∴ গত পরশুর আগের দিন শুক্রবার।

৯১.
হাসান, কামালের চেয়ে ৩ বছরের বড় এবং কবিরের চেয়ে ৩ বছরের ছোট। আবার কামাল এবং সুমন হলো যমজ। তাহলে কবির, সুমনের চেয়ে কত বছরের বড়?
  1. ২ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: হাসান, কামালের চেয়ে ৩ বছরের বড় এবং কবিরের চেয়ে ৩ বছরের ছোট। আবার কামাল এবং সুমন হলো যমজ। তাহলে কবির, সুমনের চেয়ে কত বছরের বড়?

সমাধান: 
ধরি, কামালের বয়স = x বছর।

যেহেতু কামাল এবং সুমন যমজ,
সুতরাং, সুমনের বয়স = x বছর।

প্রশ্নমতে, হাসান হলো কামালের চেয়ে ৩ বছরের বড়।

অতএব, হাসানের বয়স = (x + ৩) বছর।

আবার,
হাসান হলো কবিরের চেয়ে ৩ বছরের ছোট (অর্থাৎ কবির হলো হাসানের চেয়ে ৩ বছরের বড়)।
অতএব, কবিরের বয়স = (x + ৩) + ৩ = (x + ৬) বছর।

এখন, কবির এবং সুমনের বয়সের পার্থক্য হবে:
= (x + ৬) - x
= ৬ বছর।

∴ কবির, সুমনের চেয়ে ৬ বছরের বড়।

৯২.
নিচের চিত্রটি তৈরি করতে ন্যূনতম কতটি সরলরেখা প্রয়োজন?
  1. 8
  2. 11
  3. 14
  4. 13
সঠিক উত্তর:
11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
11
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রটি তৈরি করতে ন্যূনতম কতটি সরলরেখা প্রয়োজন?


সমাধান:


আনুভূমিক রেখাগুলো হলো DE, FH, IL এবং BC = 4টি।
 তির্যক রেখাগুলো হলো AC, DO, FN, IM, AB, EM এবং HN = 7টি।
সুতরাং, চিত্রটিতে 4 + 7 = 11টি সরলরেখা রয়েছে।

৯৩.
নিচের ধারায় প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি বসবে?
 AC - DF - GI - ? - MO
  1. JL
  2. KM
  3. JM
  4. KL
সঠিক উত্তর:
JL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
JL
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের ধারায় প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি বসবে?
AC - DF - GI - ? - MO

সমাধান:
এখানে, দুটি ধারা বিদ্যমান।

ধারা ১: A, D, G, J, M [প্রতিটি বর্ণের মাঝখানের দুইটি বর্ণ অনুপস্থিত]
A (+3) → D (+3) → G (+3) → J (+3) → M

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে প্রথম বর্ণ হবে J

ধারা ২: C, F, I, L, O [প্রতিটি বর্ণের মাঝখানের দুইটি বর্ণ অনুপস্থিত]
C (+3) → F (+3) → I (+3) → L (+3) → O

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে দ্বিতীয় বর্ণ হবে L

∴ প্রশ্নবোধক স্থানে JL হবে।

৯৪.
ভরটি উঠাতে কত বল প্রয়োগ করতে হবে?
  1. 46.5 lb
  2. 52 lb
  3. 57.5 lb
  4. 115 lb
সঠিক উত্তর:
57.5 lb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
57.5 lb
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ভরটি উঠাতে কত বল প্রয়োগ করতে হবে?


সমাধান:
আমরা জানি,
প্রয়োজনীয় ওজন = প্রদত্ত ওজন/ঝুলন্ত রশির সংখ্যা
এখানে, 230 lb ওজনের সাথে সংযুক্ত কপিকল আছে 2 টি, তাই ঝুলন্ত রশির সংখ্যা হবে 4.

তাই প্রদত্ত ওজনটি উত্তোলন করতে প্রয়োজনীয় ওজন = 230/4
= 57.5 lb

৯৫.
সাধারণ উদ্দ্যেশ্য ব্যবহৃত প্রথম বাণিজ্যিক কম্পিউটার হিসেবে কোনটি পরিচিত?
  1. ENIAC
  2. UNIVAC
  3. Mark I
  4. EDSAC
সঠিক উত্তর:
UNIVAC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNIVAC
ব্যাখ্যা

• UNIVAC (Universal Automatic Computer) হলো বিশ্বের প্রথম সাধারণ উদ্দেশ্যে নির্মিত বাণিজ্যিক কম্পিউটার।
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এটি সর্বপ্রথম সেন্সাস ব্যুরোতে ব্যবহারের জন্য সরবরাহ করা হয়।
- এটি প্রথম কম্পিউটার যা তথ্য ও সংখ্যা- উভয়কেই প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম ছিল এবং এতে ম্যাগনেটিক টেপ ব্যবহারের সুবিধা ছিল।

• UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

উল্লেখ্য:
- ENIAC: এটি প্রথম ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার হলেও বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করা হয়নি।
- Mark I: এটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণামূলক ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার প্রজেক্ট ছিল।
- EDSAC: এটি প্রথম স্টোরড প্রোগ্রাম মেমোরি কম্পিউটার হলেও বাণিজ্যিকভাবে প্রথম ছিল না।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
- ENIAC: Electronic Numerical Integrator and Computer.
- EDVAC: Electronic Discrete Variable Automatic Computer.
- ASSC (MARK-1): Automatic Sequence Control Calculator.
- ABC: Atanasoff-Berry Computer.
- EDSAC: Electronic Delay Storage Automatic Calculator.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬.
কম্পিউটারে 2's Complement প্রধানত কীসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ধনাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
  2. ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
  3. ডেটা এনক্রিপ্ট করতে
  4. মেমরি অ্যাড্রেস গণনা করতে
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যায় কাজ করে। ধনাত্মক সংখ্যা সরাসরি বাইনারি আকারে প্রকাশ করা যায়। কিন্তু ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে 2’s Complement পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

• ২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- এই পদ্ধতির সাহায্যে যোগ এবং বিয়োগের মতো গাণিতিক অপারেশন সহজেই করা যায়, কারণ একই সার্কিট বা লজিক ব্যবহার করে ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যার অপারেশন সম্পন্ন করা সম্ভব।

উদাহরণ: 
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100

সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৯৭.
নিম্নোক্ত কোন ক্ষেত্রে Arduino প্ল্যাটফর্ম সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়?
  1. হাই-এন্ড গেমিং ডেভেলপমেন্ট
  2. IoT এবং রোবটিক্স
  3. সার্ভার অ্যাপ্লিকেশন
  4. গ্রাফিক্স প্রসেসিং
সঠিক উত্তর:
IoT এবং রোবটিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IoT এবং রোবটিক্স
ব্যাখ্যা

• Arduino একটি ওপেন-সোর্স মাইক্রোকন্ট্রোলার প্ল্যাটফর্ম, যা সহজ প্রোগ্রামিং ও হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণের জন্য তৈরি। সাধারণত IoT (Internet of Things), সেন্সর ভিত্তিক প্রজেক্ট, ছোট রোবটিক্স, হোম অটোমেশন, তাপমাত্রা/আলো/আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি প্রকল্পে Arduino বেশি ব্যবহৃত হয়।

• Arduino: 
- ওপেন-সোর্স ইলেকট্রনিক্স প্ল্যাটফর্ম যা সহজে ব্যবহারযোগ্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
- এটি বিভিন্ন সেন্সর, মোটর এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত হয়ে অটোমেশন, রোবোটিক্স, এবং IoT প্রকল্পে ব্যবহৃত হয়।
- বিভিন্ন ইনপুট পড়তে সক্ষম, যেমন: সেন্সরে আলো পড়া, বোতামে আঙুলের চাপ, টুইটার মেসেজ গ্রহণ ইত্যাদি। 
- প্রোগ্রামিংয়ের জন্য Arduino IDE সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- বহুমুখী প্রয়োগ— রোবোটিক্স, IoT (Internet of Things), অটোমেশন, শিক্ষা, প্রোটোটাইপ ডেভেলপমেন্ট, এবং গবেষণা।

উৎস: Arduino ওয়েবসাইট। 

৯৮.
কম্পিউটারের মেমোরি হায়ারার্কি অনুযায়ী গতির উচ্চক্রম থেকে নিম্নক্রমের সঠিক বিন্যাস কোনটি?
  1. Cache > Register > RAM
  2. Register > Cache > RAM
  3. Register > RAM > Cache
  4. RAM > Cache > Register
সঠিক উত্তর:
Register > Cache > RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Register > Cache > RAM
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার মেমোরি হায়ারার্কি অনুযায়ী যে মেমোরি প্রসেসরের যত কাছে থাকে তার গতি তত বেশি হয়। সেই হিসেবে সঠিক ক্রমটি হলো: Register > Cache > RAM

• রেজিস্টার:

- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

• ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

• RAM:
RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Random Access Memory.
- RAM মূলত একটি হার্ডওয়‍্যার ডিভাইস যেটি সাধারণভাবে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে।
RAM কম্পিউটার এর টেম্পোরারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে এটি একটি Read/Write মেমরি।
সমস্ত কিছুকে পড়তে এবং রাইট করতে পারে।
- RAM কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।


উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯.
নিম্নোক্ত কোনটি কী-বোর্ডে একটি 'নেভিগেশন কী' হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. Page Up
  2. Ctrl
  3. Alt
  4. Windows logo key
সঠিক উত্তর:
Page Up
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Page Up
ব্যাখ্যা

• Navigation Keys হলো এমন কী, যা মূলত কার্সর বা স্ক্রল নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এগুলোর মাধ্যমে টেক্সট বা ডকুমেন্টে দ্রুত চলাফেরা করা যায়। উদাহরণ: Arrow Keys (↑ ↓ → ←), Home, End, Page Up, Page Down.
- End কী কার্সরকে লাইনের শেষে অথবা ডকুমেন্টের শেষ প্রান্তে নিয়ে যায়। এজন্য একে নেভিগেশন কী ধরা হয়।

কী-বোর্ড (Key-board):
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

• ফাংশন কী:
- কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

• নেভিগেশন কী:
- কী-বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- Ctrl, Alt, the Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.

১০০.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় সার্ভারের মূল ভূমিকা কোনটি?
  1. অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করা
  2. ডেটা সরবরাহ করা
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার ইনস্টল করা
  4. ডিভাইসের হার্ডওয়্যার আপগ্রেড করা
সঠিক উত্তর:
ডেটা সরবরাহ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা সরবরাহ করা
ব্যাখ্যা

• সার্ভার ক্লায়েন্টের অনুরোধ অনুযায়ী ডেটা, রিসোর্স বা সেবা সরবরাহ করে। যেমন— ওয়েব সার্ভার ওয়েবপেজ দেয়, ডাটাবেজ সার্ভার তথ্য সরবরাহ করে।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক: 
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০১.
Hexadecimal সংখ্যা B3C এর Decimal মান কত?
  1. 2876
  2. 2984
  3. 3076
  4. 3176
সঠিক উত্তর:
2876
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2876
ব্যাখ্যা

• Hexadecimal সংখ্যা B3C এর Decimal মান হচ্ছে - 2876.

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির প্রত্যেক অংককে নিজ নিজ স্থানীয় মান দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলসমূহকে যোগ করতে হবে। এভাবে প্রাপ্ত যোগফলই হবে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক সংখ্যা।
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা,.....গুণ করতে হবে।
- এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির কোন অংক A, B, C, D, E ও F হলে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে,
B3C = (B × 162) + (3 × 161) + (C × 160)
= (11 × 256) + (3 × 16) + (12 × 1)
= 2816 + 48 + 12
= 2876

১০২.
HTTP এবং HTTPS প্রোটোকলের মধ্যে মূল পার্থক্য কোনটি?
  1. ডেটা ট্রান্সফারের গতি
  2. ডেটা এনক্রিপশন বা সুরক্ষা
  3. অপারেটিং সিস্টেমের সামঞ্জস্যতা
  4. ফাইলের আকার বা ধারণক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ডেটা এনক্রিপশন বা সুরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা এনক্রিপশন বা সুরক্ষা
ব্যাখ্যা

• HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) হচ্ছে HTTP-এর সিকিউর ভার্সন, যেখানে ডেটা SSL/TLS encryption ব্যবহার করে এনক্রিপ্ট করা হয়। ফলে ব্যবহারকারীর তথ্য (যেমন পাসওয়ার্ড, ব্যাংকিং ডেটা ইত্যাদি) সুরক্ষিত থাকে।

• HTTP (HyperText Transfer Protocol):
- এটি একটি সাধারণ প্রোটোকল যা ওয়েব ব্রাউজার ও সার্ভারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়। তবে এতে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা (encryption) নেই।

• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১০৩.
LAN কে WAN এর সাথে সংযুক্ত করার জন্য নিম্নোক্ত কোন নেটওয়ার্ক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. Router
  2. Repeater
  3. Bridge
  4. Switch
সঠিক উত্তর:
Router
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Router
ব্যাখ্যা

• Router হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে (যেমন LAN ↔ WAN) একে অপরের সাথে সংযুক্ত করে। এটি IP Address ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেটকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেয় এবং একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা রাউটিং করে।

রাউটার (Router):
- রাউটার হলো একটি বুদ্ধিমান নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একই প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
- রাউটার উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে সবচেয়ে কম দূরত্বের পথ ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেট (ডেটার সমষ্টি) পৌঁছে দেয় ।
- একই সাথে নেটওয়ার্কে ডেটার আধিক্য এবং ব্যস্ততা দেখতে পেলে রাউটার সেই রুট বা পাথ পরিহার করে অন্য রুট বা পাথ দিয়ে ডেটা পাঠাতে সক্ষম হয়।
- একাধিক LAN সংযুক্ত করতে বা WAN এর সাথে LAN-কে সংযুক্ত করতে রাউটার ব্যবহার করা হয়।
- এটি NAT (Network Address Translator) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে থাকে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- সুইচ (Switch): একই LAN-এর ভেতরে একাধিক ডিভাইসকে সংযুক্ত করে, কিন্তু WAN-এর সাথে সংযুক্ত করতে পারে না।
- রিপিটার (Repeater): সিগন্যাল দুর্বল হলে সেটিকে পুনরায় শক্তিশালী করে, নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করতে ব্যবহৃত হয়।
- ব্রিজ (Bridge): একই প্রোটোকল বিশিষ্ট দুটি আলাদা ল্যান (LAN) কে যুক্ত করে একটি বড় নেটওয়ার্ক তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১০৪.
নিচের কোন অপারেটিং সিস্টেমটি সর্বপ্রথম মাল্টিটাস্কিং সুবিধা চালু করেছিল?
  1. MS-DOS
  2. UNIX
  3. CP/M
  4. PC-DOS
সঠিক উত্তর:
UNIX
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNIX
ব্যাখ্যা

• মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমের ইতিহাসে UNIX ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল সিস্টেম যা প্রকৃত মাল্টিটাস্কিং সক্ষমতা প্রদান করেছিল।
- এটি 1969 সালে বেল ল্যাবে বিকশিত হয় এবং 1970-এর দশকের শুরুতে মাল্টিটাস্কিং ফিচার চালু করে। UNIX একই সময়ে একাধিক প্রক্রিয়া (process) চালানোর সুযোগ দিত, যা প্রকৃত মাল্টিটাস্কিংয়ের সংজ্ঞা পূরণ করে।

UNIX:
- UNIX হচ্ছে মাল্টি ইউজার কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম।
- ২০ শতকের শেষের দিকে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম ইন্টারনেট সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটারের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- Unix - একটি Open Source Operating System.
- UNIX অপারেটিং সিস্টেম ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরীতে কেন থমসন ও ডেনিস রিচি প্রথম উদ্ভাবন করেন।
- তাঁরা একটি PDP-7 মিনিকম্পিউটারে জন্য UNIX- এর প্রথম সংস্করণ তৈরি করেছিলেন।
- কেন থমসন ও ডেনিস রিচি পরে কম্পিউটার বিজ্ঞানে মৌলিক অবদানের জন্য টুরিং পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য:
MS-DOS, CP/M এবং PC-DOS হলো মূলত ব্যক্তিগত কম্পিউটারের জন্য তৈরি প্রথম দিকের সিঙ্গেল-টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম যা এক সময়ে কেবল একটি কাজ বা প্রোগ্রাম চালাতে সক্ষম ছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১০৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের 'সিস্টেম বাস' (System Bus)-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ডেটা বাস
  2. কন্ট্রোল বাস
  3. লোকাল বাস
  4. অ্যাড্রেস বাস
সঠিক উত্তর:
লোকাল বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোকাল বাস
ব্যাখ্যা

• সিস্টেম বাস: 
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা -
১. ডেটা বাস (Data Bus ) 
২. অ্যাড্রেস বাস (Address Bus ) 
৩. কন্ট্রোল বাস (Control Bus
 
• এক্সপানশন বাস (Expansion Bus):
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক ধরনের এক্সপানশান বাস আবিষ্কৃত হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
- এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে:
১. আইএসএ বাস (ISA-Industry Standards Architecture), 
২. ইআইএসএ বাস (EISA Extended Industry Standards Architecture), 
৩. লোকাল বাস (Local Bus) -
i. ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture), 
ii. পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect), 
৪. ইউএসবি (USB- Universal Serial Bus), 
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus) বা IEEE 1394, 
৬. এজিপি (AGP - Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৬.
ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক কোন ধরনের মাল্টিপ্লেক্সিং পদ্ধতি ব্যবহার করে?
  1. FDM
  2. TCP
  3. WDM
  4. OFDM
সঠিক উত্তর:
OFDM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OFDM
ব্যাখ্যা

• ওয়াই-ফাই প্রযুক্তিতে সিগন্যালের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ইন্টারফেয়ারেন্স কমানোর জন্য Orthogonal Frequency Division Multiplexing (OFDM) ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি উন্নত ডিজিটাল মড্যুলেশন কৌশল যা একটি উচ্চ গতির সিগন্যালকে অনেকগুলো সাব-ক্যারিয়ারে ভাগ করে প্রেরণ করে।

• ওয়াই-ফাই:
- Wi-Fi-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wireless Fidelity
- Wi-Fi-এর অপর নাম হচ্ছে ওয়‍্যারলেস ইন্টারনেট এক্সেস।
- Wi-Fi হলো তারবিহীন এক ধরনের প্রযুক্তি, যা রেডিও ওয়েব ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- Wi-Fi প্রযুক্তিই বিশ্ব পর্যায়ে মানুষকে জোগাচ্ছে ব্রডব্যান্ড ওয়‍্যারলেস সার্ভিস।
- Wi-Fi-এ ২.৪ গিগাহার্টজ (GHz) ফ্রিকোয়েন্সির রেডিও ওয়েব ব্যবহার করা হয়।
- Wi-Fi-এর স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে IEEE 802.11b (Institute of Electrical and Electronics Engineers)।
- IEEE 802.11 হচ্ছে একটি ওয়‍্যারলেস বা তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড।
- একটি Wi-Fi নেটওয়ার্কে দশটি বা তার অধিক কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইস সংযুক্ত করতে পারে।
- ডাচ কম্পিউটার বিজ্ঞানী ভিক্টর ভিক হেরেসকে Wi-Fi-এর জনক বলা হয়।
- Wi-Fi-এর অন্য স্ট্যান্ডার্ডসমূহ হলো 802.11a, 802.11g, 802.11n ।
- বর্তমানে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে 802.11n স্ট্যান্ডার্ডটি।
- IEEE 802.11a স্ট্যান্ডার্ডটি অধিক ব্যয়বহুল হওয়ায় বর্তমানে এর Public access নেই।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Stanford University.

১০৭.
নিচের কোন প্রযুক্তি রাডার নেটওয়ার্কে হ্যাক করে ভুল তথ্য প্রদর্শন বা সিস্টেমকে অকার্যকর করতে সক্ষম?
  1. Suter Technology
  2. LIDAR Technology
  3. Stealth Technology
  4. GPS Technology
সঠিক উত্তর:
Suter Technology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Suter Technology
ব্যাখ্যা

• শত্রুপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত বা অকার্যকর করার জন্য ব্যবহৃত অত্যন্ত উন্নত এক ধরনের সাইবার-ইলেক্ট্রনিক যুদ্ধকৌশল হলো Suter Technology।
- এটি প্রথাগত জ্যামিংয়ের মতো কেবল সিগন্যাল বাধাগ্রস্ত করে না, বরং রাডারের সিগন্যাল ব্যবহার করে সরাসরি তার নেটওয়ার্কে অনুপ্রবেশ করে।
- এর ফলে অপারেটরের স্ক্রিনে ভুয়া তথ্য দেখানো বা পুরো সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব হয়।

• Suter Technology-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি মূলত একটি সাইবার-ইনট্রুশন সিস্টেম যা শত্রুর রাডার সিগন্যালকে রিসিভ করে এবং তার মাধ্যমেই ম্যালওয়্যার পাঠায়।
- শত্রুর রাডার স্ক্রিনকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে যাতে তারা আসল বিমানকে দেখতে না পায়।
- কোনো ফিজিক্যাল অ্যাটাক বা মিসাইল ছাড়াই পুরো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অচল করে দিতে পারে।
- এই প্রযুক্তিটি মূলত বিএই সিস্টেমস (BAE Systems) দ্বারা তৈরি এবং মার্কিন বিমান বাহিনী এটি ব্যবহার করে।

অন্যান্য অপশন:
- LIDAR প্রযুক্তি: লেজার পালস ব্যবহার করে কোনো বস্তুর দূরত্ব এবং ত্রিমাত্রিক ম্যাপিং করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Stealth প্রযুক্তি: বিমানকে রাডারের কাছে অদৃশ্য রাখার জন্য বিমানের গঠন বা প্রলেপ পরিবর্তন করে, এটি রাডার হ্যাক করে না।
- GPS প্রযুক্তি: মূলত স্যাটেলাইটের মাধ্যমে অবস্থান নির্ণয় এবং নেভিগেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: International Defense Journals [link] এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১০৮.
ChatGPT-এর মতো লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলগুলো মূলত কোন প্রযুক্তিগত কাঠামোর উপর নির্মিত?
  1. Recurrent Neural Network
  2. Generative Pre-trained Transformer
  3. Decision Tree Learning
  4. Convolutional Neural Network (CNN)
সঠিক উত্তর:
Generative Pre-trained Transformer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Generative Pre-trained Transformer
ব্যাখ্যা

• চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) মূলত Generative Pre-trained Transformer (GPT) নামক একটি আধুনিক নিউরাল নেটওয়ার্ক কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- এটি 'ট্রান্সফরমার' আর্কিটেকচার ব্যবহার করে যা বিশাল তথ্যভাণ্ডার থেকে আগে থেকেই প্রশিক্ষিত (Pre-trained) থাকে এবং মানুষের মতো নতুন তথ্য বা বাক্য তৈরি (Generative) করতে সক্ষম। 

• ChatGPT:
- এটি OpenAI নামে আমেরিকান প্রতিষ্ঠান ৩০ নভেম্বর ২০২২ সালে চালু করে।
- ChatGPT হচ্ছে GPT (Generative Pre-trained Transformer) আর্কিটেকচারে তৈরি একটি নিউরাল নেটওয়ার্ক।
- এর কাজ হলো মানুষের মতো স্বাভাবিক লেখা তৈরি করা, যেমন চ্যাটবট, কন্টেন্ট তৈরি, ভাষা অনুবাদে।
- ChatGPT শব্দের সম্ভাবনা হিসাব করে টেক্সট তৈরি করে, পূর্ববর্তী শব্দগুলোর ওপর নির্ভর করে।
- ChatGPT-র কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যেমন ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য তৈরি করা ("হ্যালুসিনেশন")।

• GPT আর্কিটেকচার:
- GPT-এর পূর্ণরূপ হলো Generative Pre-trained Transformer। এটি এক ধরণের বৃহৎ নিউরাল নেটওয়ার্ক যা বিপুল পরিমাণ টেক্সচুয়াল ডেটার উপর প্রশিক্ষণ লাভ করে এবং মানুষের মতো বোধগম্য ভাষা তৈরি করতে সক্ষম।
- এই কাঠামোটি গুগল কর্তৃক উদ্ভাবিত ট্রান্সফরমার (Transformer) নামক বিশেষ নিউরাল নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত, যা ডেটার মধ্যে জটিল সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করে।
- ChatGPT-এর নামটিও এই মডেলের নাম থেকেই এসেছে (Chat + GPT)।

অন্যান্য অপশন:
- Recurrent Neural Network: এটি ভাষা প্রক্রিয়াকরণের (NLP) একটি পুরোনো কাঠামো। GPT মডেলে এর পরিবর্তে উন্নত ট্রান্সফরমার আর্কিটেকচার ব্যবহার করা হয়েছে।
- Decision Tree Learning: এটি ক্লাসিফিকেশন (Classification) ও রিগ্রেশনের (Regression) জন্য ব্যবহৃত একটি ঐতিহ্যবাহী মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম, যা বৃহৎ ভাষা মডেলিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয় না।
- Convolutional Neural Network (CNN): এটি মূলত ছবি বা ভিডিও শনাক্তকরণের (Computer Vision) জন্য ব্যবহৃত হয়, বৃহৎ ভাষা মডেলিং বা টেক্সট তৈরির জন্য উপযুক্ত নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা, IBM website (link)

১০৯.
Mpemba প্রভাব বলতে কী বোঝায়?
  1. বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে
  2. বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডার চেয়ে ধীরে জমে
  3. ঠান্ডা পানি গরমের চেয়ে দ্রুত ফুটে
  4. গরম পানিতে বরফ ধীরে গলে
সঠিক উত্তর:
বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে
ব্যাখ্যা

• Mpemba প্রভাব বলতে এমন একটি বিস্ময়কর ভৌত ঘটনা বোঝায়, যেখানে নির্দিষ্ট কিছু শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির তুলনায় দ্রুত জমে যায়। এটি প্রথম লক্ষ্য করেন তানজানিয়ার এক ছাত্র এরাস্টো মপেম্বা। সাধারণ ধারণা অনুযায়ী ঠান্ডা পানি আগে জমার কথা, কিন্তু বাস্তবে কখনো কখনো গরম পানিতে বাষ্পীভবন বেশি হওয়া, দ্রবীভূত গ্যাস কম থাকা, তাপ পরিবহণের পার্থক্য এবং পরিবেশের সাথে তাপ বিনিময়ের কারণে গরম পানি দ্রুত বরফে পরিণত হয়। এই ঘটনাই Mpemba প্রভাব নামে পরিচিত। সঠিক উত্তর হলো ক) বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে।

• Mpemba প্রভাব (Mpemba Effect):
- Mpemba প্রভাব হলো একটি বিস্ময়কর ভৌত ঘটনা যেখানে নির্দিষ্ট কিছু শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির তুলনায় দ্রুত জমে যায়।
- এই প্রভাবটি প্রথম লক্ষ্য করেন তানজানিয়ার এক ছাত্র এরাস্টো ম্পেম্বা, যার নাম অনুসারেই এর নামকরণ করা হয়েছে।
- সাধারণ ধারণা অনুযায়ী ঠান্ডা পানি আগে জমার কথা, কিন্তু বাস্তবে কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে গরম পানি দ্রুত বরফে পরিণত হতে পারে।
- এর সম্ভাব্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে দ্রুত বাষ্পীভবন, সংবহন প্রবাহ (convection), দ্রবীভূত গ্যাসের পরিমাণ এবং পাত্রের তাপ পরিবাহিতা।
- তবে এই প্রভাব সব সময় ঘটে না, এটি নির্ভর করে পরিবেশ, পানির পরিমাণ ও তাপমাত্রার উপর।

- সুতরাং, Mpemba প্রভাব বলতে বোঝায় - বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে।
- সঠিক উত্তর: ক) বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে। 

Image Source - Theweather.com

সূত্র:
- phys.org [link]

১১০.
ক্রেসকোগ্রাফের সাহায্যে কী নির্ণয় করা হয়?
  1. ট্রান্সপিরেশনের হার
  2. রেসপিরেশনের হার
  3. উদ্ভিদের বৃদ্ধির হার
  4. ফটোসিন্থেসিসের হার
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদের বৃদ্ধির হার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদের বৃদ্ধির হার
ব্যাখ্যা

• ক্রেসকোগ্রাফ (Crescograph) একটি বিশেষ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র, যার সাহায্যে উদ্ভিদের বৃদ্ধির হার নির্ণয় করা হয়। এই যন্ত্রটি উদ্ভিদের কাণ্ড বা মূলের দৈর্ঘ্যের অতি সূক্ষ্ম পরিবর্তনও বহুগুণ বাড়িয়ে দেখাতে সক্ষম। ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে উদ্ভিদের বৃদ্ধি কতটা হচ্ছে তা নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা যায়। বিখ্যাত বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু ক্রেসকোগ্রাফ উদ্ভাবন করেন উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও পরিবেশগত প্রভাব অধ্যয়নের জন্য। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) উদ্ভিদের বৃদ্ধির হার।
 
• ক্রেসকোগ্রাফ:
- ক্রেসকোগ্রাফ ( Crescograph) একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল বৈজ্ঞানিক যন্ত্র, যা উদ্ভিদের বৃদ্ধি বা অতি সূক্ষ্ম নড়াচড়া পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। 

• এই যুগান্তকারী যন্ত্রটি বিংশ শতকের গোড়ার দিকে উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।
- জগদীশচন্দ্র বসুর এই আবিষ্কার উদ্ভিদবিজ্ঞান এবং উদ্ভিদের শারীরবৃত্তীয় গবেষণায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। 
- তিনি প্রমাণ করেন যে উদ্ভিদও সজীব প্রাণীর মতোই সংবেদনশীল এবং বাহ্যিক উদ্দীপনার প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করে।
- আজও কলকাতার বসু বিজ্ঞান মন্দিরে (Bose Institute) ক্রেসকোগ্রাফের একটি মডেল সংরক্ষিত আছে, যা বিজ্ঞানপ্রেমীদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। 
- এটি শুধু একটি যন্ত্র নয়, বরং জগদীশচন্দ্র বসুর বিজ্ঞানমনস্ক দৃষ্টিভঙ্গি, কৌতূহল এবং উদ্ভাবনী শক্তির সাক্ষ্য বহন করে।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি। 
- ব্রিটানিকা। 

১১১.
নিচের কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে নিউটনের তৃতীয় সূত্র ব্যাখ্যা দেওয়া যায়?
  1. একটি বস্তুর ভর 
  2. দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ 
  3. সময়ের সাথে বেগ পরিবর্তন 
  4. শক্তির রূপান্তর 
সঠিক উত্তর:
দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ 
ব্যাখ্যা

• নিউটনের তৃতীয় সূত্র দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ব্যাখ্যা করা যায় (খ)। এই সূত্র অনুযায়ী, প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান মানের কিন্তু বিপরীত দিকের একটি প্রতিক্রিয়া থাকে। অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করে, তখন দ্বিতীয় বস্তুটিও একই সঙ্গে প্রথম বস্তুর ওপর সমান কিন্তু বিপরীতমুখী বল প্রয়োগ করে। সংঘর্ষের সময় এই ক্রিয়া–প্রতিক্রিয়া স্পষ্টভাবে দেখা যায়। যেমন, দুটি বল পরস্পরের সাথে ধাক্কা খেলে উভয়ই একে অপরের ওপর বল প্রয়োগ করে এবং উভয়ের গতি বা দিক পরিবর্তিত হয়।
 
নিউটনের তৃতীয় সূত্র ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া বল: 
- নিউটনের প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র একটি বস্তুর গতি সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করেছে কিন্তু নিউটনের তৃতীয় সূত্র দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ নিয়ে আলোচনা প্রদান করে। 
- নিউটনের তৃতীয় সূত্রানুসারে- " প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া আছে"। 
যেমন- 

১। মাটির উপর দাঁড়ানো: 
- মাটির উপর দাঁড়িয়ে থাকলে মানুষটি স্থির থাকে। কারণ, মানুষটির ওজনের সমান একটি বল নীচের দিকে মাটির উপর ক্রিয়া করে। নিউটনের তৃতীয় সূত্রানুসারে, মাটিও নীচ হতে মানুষটির উপর বল প্রয়োগ করে। এখানে, মানুষটির ওজন ও মাটি দ্বারা প্রযুক্ত প্রতিক্রিয়া বল পরস্পর সমান ও বিপরীত হওয়ায় সাম্যের সৃষ্টি করে। মানুষ দ্বারা মাটির উপর প্রযুক্ত বল ক্রিয়া বল এবং মাটি মানুষটির উপর যে বল প্রয়োগ করে তা প্রতিক্রিয়া বল। 

২। আরোহী নৌকা হতে লাফিয়ে তীরে নামলে যা হয়: 
- আরোহী নৌকা হতে লাফিয়ে তীরে নামলে, নৌকাটি পেছনে চলে যায়। কারণ আরোহী লাফ দেবার সময় নৌকার উপর বল প্রয়োগ করে ফলে নৌকাটি পিছনে সরে যায়। 
- নৌকাটি নিউটনের তৃতীয় সূত্রানুসারে, আরোহীর উপর একটি সমান ও বিপরীতমুখী বল প্রয়োগ করে যা আরোহীকে সামনের তীরের দিকে লাফিয়ে পড়তে সাহায্য করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১২.
লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) উৎপন্ন হয়:
  1. কক্ষ তাপমাত্রায় চাপ বাড়িয়ে
  2. প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে
  3. প্রাকৃতিক গ্যাসকে পানির সাথে মিশিয়ে
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস ধীরে ধীরে জ্বালিয়ে
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে
ব্যাখ্যা

• লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস বা এলএনজি উৎপন্ন হয় প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করার মাধ্যমে, যা (খ) অপশনে উল্লেখ করা হয়েছে। সাধারণত প্রাকৃতিক গ্যাসকে প্রায় মাইনাস ১৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় শীতল করা হলে তা তরল অবস্থায় পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়ায় গ্যাসের আয়তন প্রায় ৬০০ গুণ কমে যায়, ফলে সংরক্ষণ ও পরিবহন অনেক সহজ হয়। কক্ষ তাপমাত্রায় শুধু চাপ বাড়িয়ে এলএনজি তৈরি করা যায় না। একইভাবে পানির সাথে মেশানো বা গ্যাস জ্বালিয়ে এলএনজি উৎপন্ন করা অসম্ভব। তাই সঠিক উত্তর হলো অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করা।
 
প্রাকৃতিক গ্যাস: 
- প্রাকৃতিক গ্যাস শক্তির একটি পরিচিত উৎস। 
- গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ। 
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ। 
- পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস। 
- এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৩.
দুটি প্রায় সমান ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ তরঙ্গ যদি একে অপরের সাথে মিলিত হয়, তখন যেটি ঘটে তাকে বলা হয়:
  1. রেজোন্যান্স
  2. প্রতিধ্বনি
  3. ইকো
  4. বিটস
সঠিক উত্তর:
বিটস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিটস
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর - ঘ) বিটস। 
 
দুটি প্রায় সমান ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ তরঙ্গ যখন একে অপরের সাথে মিলিত হয়, তখন যে ঘটনাটি ঘটে তাকে বিটস (ঘ) বলা হয়। এই ক্ষেত্রে দুটি তরঙ্গ কখনো একে অপরকে শক্তিশালী করে (গঠনমূলক ব্যতিচার) এবং কখনো দুর্বল করে (বিনাশমূলক ব্যতিচার)। ফলে শব্দের তীব্রতা পর্যায়ক্রমে বাড়ে ও কমে, যা আমরা কানে “ধকধক” বা ওঠানামা করা শব্দ হিসেবে শুনি। বিটসের সংখ্যা নির্ভর করে দুই তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সির পার্থক্যের উপর। এই ঘটনা সঙ্গীত যন্ত্র টিউন করার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

শব্দ: 
- শব্দ এক প্রকারের শক্তি। 
- বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ সৃষ্টি হয়। 
- শব্দ সঞ্চারণের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
- জড় মাধ্যমের মধ্যে কোন বস্তুর কম্পন হলে মাধ্যমের কণাগুলো আন্দোলিত হয়ে তরঙ্গের সৃষ্টি করে। 
- এই তরঙ্গ জড় মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সঞ্চারিত হয়ে কানে প্রবেশ করে। কানের মধ্যে বিভিন্ন যান্ত্রিক কৌশলের মাধ্যমে মস্তিষ্কে শব্দের অনুভূতি সৃষ্টি হয় ফলে শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। 

শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
- শব্দ এক ধরনের তরঙ্গ এবং এর কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। 
- বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- 
১. শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 
২. কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয়, অর্থাৎ শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন। 
৩. শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
৪. শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি (ঘনত্ব, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ইত্যাদি)-এর ওপর নির্ভরশীল। 
৫. শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
৬. শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন সম্ভব। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৪.
ডায়াবেটিক চকলেট তৈরীতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ভিনেগার
  2. TBHQ
  3. সরবিটল
  4. লেসিথিন
সঠিক উত্তর:
সরবিটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরবিটল
ব্যাখ্যা

• ডায়াবেটিক চকলেট তৈরিতে সাধারণত সরবিটল ব্যবহৃত হয়, তাই সঠিক উত্তর হলো গ) সরবিটল। সরবিটল একটি সুগার অ্যালকোহল, যা সাধারণ চিনির তুলনায় ধীরে রক্তে শোষিত হয় এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বাড়ায় না। এজন্য ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি তুলনামূলকভাবে নিরাপদ মিষ্টিকারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে ভিনেগার সংরক্ষণ বা স্বাদে ব্যবহৃত হলেও চকলেট তৈরিতে নয়, TBHQ একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা তেলজাত খাদ্যে ব্যবহৃত হয়, আর লেসিথিন ইমালসিফায়ার হিসেবে চকলেটের টেক্সচার উন্নত করতে ব্যবহৃত হলেও এটি মিষ্টি উপাদান নয়।

• ডায়াবেটিক চকলেট তৈরীতে ব্যবহৃত উপাদান:
- ডায়াবেটিক চকলেট হলো এমন একটি চকলেট যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ।
- সাধারণ চকলেটে চিনি ব্যবহৃত হলেও ডায়াবেটিক চকলেটে চিনি ব্যবহার করা হয় না।
- এর পরিবর্তে এমন সুইটেনার ব্যবহার করা হয় যা রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়ায় না।
- এই ধরনের চকলেটে সাধারণত সরবিটল ব্যবহৃত হয়।
- সরবিটল হলো একটি সুগার অ্যালকোহল, যা মিষ্টি স্বাদ দিলেও গ্লুকোজের মতো দ্রুত রক্তে মিশে যায় না।
- তাই এটি ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উপযোগী হিসেবে বিবেচিত।

• অপশন আলোচনা:
- ভিনেগার খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হলেও চকলেট তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না।
- TBHQ একটি কৃত্রিম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা তেল বা চর্বি সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
- লেসিথিন একটি ইমালসিফায়ার, যা চকলেটের গঠন মসৃণ করতে সাহায্য করে, তবে এটি মিষ্টি উপাদান নয়।

সুতরাং, ডায়াবেটিক চকলেট তৈরীতে ব্যবহৃত উপাদান হলো সরবিটল
সঠিক উত্তর: গ) সরবিটল। 

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী ও অধ্যাপক হারাধন নাগ। 

১১৫.
কত ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় আকাশে পানির কনা জমে যায় এবং শিলা আকারে পৃথিবীতে নেমে আসে?
  1. -8° C
  2. -20° C
  3. -50° C
  4. -60° C
সঠিক উত্তর:
-20° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
-20° C
ব্যাখ্যা

• আকাশে পানি কণার জমে যাওয়ার তাপমাত্রা নির্ভর করে মূলত বাতাসের তাপমাত্রা এবং পানির অবস্থা (তরল বা বাষ্প) এর উপর। সাধারণত, তাপমাত্রা -8°C থেকে -10°C-এর মধ্যে হলে ছোট ছোট পানি কণাগুলো বরফে পরিণত হতে শুরু করে। তবে, যখন শিলা বা বরফের আকারে পৃথিবীতে বৃষ্টি বা তুষার নামে নেমে আসে, তখন এটি অনেক কম তাপমাত্রায় ঘটে। সাধারণ আবহাওয়াগত গবেষণায় দেখা যায়, বৃষ্টির পানি বা ধূলিকণার চারপাশে বরফ গঠনের জন্য প্রয়োজন হয় প্রায় -20°C তাপমাত্রা। তাই আকাশে পানি কণা জমে শিলা বা বরফ আকারে পৃথিবীতে নেমে আসার জন্য সবচেয়ে সঠিক তাপমাত্রা হলো খ) -20° C। এটি মূলত বরফবীজণ প্রক্রিয়ার কারণে ঘটে।
 
• আকাশে পানির কনা জমে শিলা আকারে পৃথিবীতে পড়া (Hail Formation):
- যখন মেঘের ভেতরে তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামে, তখন পানির কণা জমে কণা আকারে বরফে পরিণত হয়।
- সাধারণত এই প্রক্রিয়ায় পানি খুব দ্রুত জমে এবং বড় বড় বরফের টুকরা (শিলা) তৈরি হয়।
- বরফের এই শিলাগুলি মেঘের ভেতরের বাতাসের প্রবাহের কারণে উপরের দিকে ওঠানামা করতে থাকে এবং আরও বরফ জমতে থাকে।
- যেহেতু এই প্রক্রিয়ার জন্য তাপমাত্রা খুব নিম্নে (-20° C) থাকা প্রয়োজন, তাই শিলা আকারে বরফ পৃথিবীতে পড়ে।
- বরফের শিলার আকার এবং ওজন মেঘের ভেতরের তাপমাত্রা ও বাতাসের গতির উপর নির্ভর করে।

সুতরাং, আকাশে পানির কনা জমে শিলা আকারে পৃথিবীতে পড়ার জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা হলো -20° C।  
সঠিক উত্তর: খ) -20° C

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

১১৬.
হেনরির লুপের অবস্থান কোথায়?
  1. ইফারেন্ট ধমনিকাতে
  2. রেনাল করপাসোলে
  3. এফারেন্ট ধমনিকাতে
  4. বৃক্কীয় নালিকায়
সঠিক উত্তর:
বৃক্কীয় নালিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃক্কীয় নালিকায়
ব্যাখ্যা

• হেনরির লুপ বৃক্কের নেফ্রনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি মূলত নেফ্রনের মধ্যবর্তী অংশে অবস্থিত এবং প্রসেস করা প্রাথমিক ইউরিনের জলীয় ও খনিজ উপাদান শোষণ ও রিইনটেকশন করে। হেনরির লুপের দুটি অংশ আছে – নিম্নাংশ (ডিসেন্টিং লিম্ব) যা পানি শোষণে সক্রিয় এবং উর্ধ্বাংশ (অ্যাসেন্ডিং লিম্ব) যা সোডিয়াম ও ক্লোরাইড আয়ন শোষণে গুরুত্বপূর্ণ। এটি সরাসরি রেনাল করপাসকেল বা ধমনিকাতে নেই; বরং এটি নেফ্রনের মধ্যবর্তী নালিকায় অবস্থান করে। ফলে, হেনরির লুপ মূলত বৃক্কীয় নালিকায় (nephron tubule) অবস্থান করে।

- উত্তর: ঘ) বৃক্কীয় নালিকা।

• হেনরির লুপের অবস্থান (Loop of Henle):
- হেনরির লুপ হলো একটি U-আকৃতির নালিকা যা বৃক্কের নেফ্রনের অংশ।
- এটি মূলত ইউরিনকে ঘন করার জন্য এবং জল ও ইলেক্ট্রোলাইটের শোষণ ও পুনঃশোষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- হেনরির লুপ রেনাল করপাসোল থেকে শুরু হয়ে বৃক্কীয় নালিকায় অবতীর্ণ হয় এবং পরে কালেক্টিং ডাক্টে যুক্ত হয়।
- এটি সলিউট এবং জল পুনঃশোষণের মাধ্যমে ইউরিনের ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ করে।
- সরাসরি ইফারেন্ট বা এফারেন্ট ধমনিকায় এটি অবস্থান করে না; এটি নেফ্রনের মধ্যবর্তী অংশ।

সুতরাং, হেনরির লুপের সঠিক অবস্থান হলো: ঘ) বৃক্কীয় নালিকা।  

• অপশন আলোচনা:
ক) ইফারেন্ট ধমনিকাতে: হেনরির লুপ ইফারেন্ট আর্টেরিয়োলের ভিতরে অবস্থান করে না।
খ) রেনাল করপাসোলে: রেনাল করপাসোল মূলত ফিল্ট্রেশন হয়, হেনরির লুপ এখানে নেই।
গ) এফারেন্ট ধমনিকাতে: এফারেন্ট আর্টেরিয়োল রেনাল কেপসুলে ফিল্ট্রেশন নিয়ে আসে, হেনরির লুপ এখানে নেই।
ঘ) বৃক্কীয় নালিকায়: হেনরির লুপ মূলত ব্রুক্কীয় নালিকায় (renal tubule) অবস্থান করে, যেখানে ইউরিনের পানির শোষণ ও লবণের পুনঃশোষণ হয়।
 
সূত্র: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল এবং গাজী আসমত। 

১১৭.
ইন্টারফেরন কোন ধরনের পদার্থ?
  1. প্রোটিন
  2. শর্করা
  3. চর্বি
  4. গ্লাইকোলিপিড
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
ব্যাখ্যা

• ইন্টারফেরন হল প্রোটিন ধরনের পদার্থ, যা আমাদের দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি মূলত ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে কাজ করে। যখন কোনো কোষ ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়, তখন সেই কোষ ইন্টারফেরন নিঃসরণ করে। নিঃসৃত ইন্টারফেরন আশেপাশের কোষগুলোকে সতর্ক করে এবং ভাইরাস প্রতিরোধী প্রোটিন উৎপাদন করতে প্ররোচিত করে। এভাবে এটি ভাইরাসের বৃদ্ধি ও সংক্রমণ রোধ করে। ইন্টারফেরন শুধুমাত্র ভাইরাস নয়, কিছু ব্যাকটেরিয়া ও টিউমার কোষের বিরুদ্ধেও কার্যকর। চিকিৎসা ক্ষেত্রেও ইন্টারফেরন বিভিন্ন রোগ যেমন হেপাটাইটিস, ক্যান্সার এবং কিছু অটোইমিউন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। সুতরাং, ইন্টারফেরন একটি প্রোটিন পদার্থ।

- সঠিক উত্তর: ক) প্রোটিন। 

• ইন্টারফেরন (Interferon):
- ইন্টারফেরন হলো একটি প্রোটিন যা মানুষের এবং প্রাণীর দেহে ভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- এটি ভাইরাস সংক্রমণের সময় তৈরি হয় এবং কোষকে ভাইরাসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়।
- ইন্টারফেরন মূলত প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immune response) বৃদ্ধিতে কাজ করে।
- এটি কোনো শর্করা, চর্বি বা গ্লাইকোলিপিড নয়, বরং প্রোটিন।
- চিকিৎসা ও গবেষণায় ইন্টারফেরন ভাইরাসজনিত রোগ, ক্যান্সার এবং অন্যান্য রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

সুতরাং, ইন্টারফেরন হলো - প্রোটিন।  

সূত্র: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল এবং গাজী আসমত। 

১১৮.
সামাজিক আচরণ প্রদর্শনকারী প্রাণী কোনটি?
  1. ব্যাঙ
  2. বাবুই পাখি
  3. কুকুর
  4. মৌমাছি
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি
ব্যাখ্যা

• সামাজিক আচরণ প্রদর্শনকারী প্রাণী হলো এমন প্রাণী যারা দলবদ্ধভাবে বসবাস করে, নিজেদের মধ্যে সংযোগ ও সহযোগিতা করে এবং দলগত কাজ করে। এই ধরনের প্রাণীর মধ্যে একে অপরের সাথে যোগাযোগ, খাদ্য সংগ্রহ, শিকার করা বা শত্রু থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সাধারণ। উপরের উদাহরণগুলোতে ব্যাঙ মূলত একা থাকে এবং সামাজিকতা খুব কম দেখায়। বাবুই পাখি কিছুটা দলবদ্ধ হয়, কিন্তু সামাজিক আচরণ সীমিত। কুকুর মানুষের সাথে এবং নিজেদের মধ্যে সামাজিক আচরণ দেখায়, তবে মৌমাছি সম্পূর্ণ সামাজিক প্রাণী হিসেবে পরিচিত। মৌমাছি ছত্রাকের মতো কাঠামো তৈরি, খাদ্য সংগ্রহ, সন্তান পালন এবং রানী মৌমাছির নেতৃত্বের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সামাজিক জীবন পরিচালনা করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) মৌমাছি।
 
• মৌমাছির সামাজিক আচরণ (Social Behavior of Honey Bee):
- মৌমাছি সামাজিক প্রাণী। একেকটি বড় পরিবার গড়ে বা বসতবদ্ধ হয়ে মৌচাকে বাস করে।
- প্রত্যেকটি কলোনিতে মৌমাছির ৩টি সম্প্রদায়ভুক্ত সদস্যরা সম্মিলিতভাবে সামাজিক উন্নয়নে নিরলস কাজ করে চলে।
- একটি মাত্র রাণীর নেতৃত্বে কয়েকশ ড্রোন (পুরুষ মৌমাছি) এবং ৬০-৮০ হাজার কর্মী মৌমাছি (বন্ধ্যা স্ত্রী মৌমাছি) সুশৃঙ্খলভাবে সামাজিক দায়িত্ব পালন করে।
- এই মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা মৌমাছি গোষ্ঠীর সকল মৌলিক চাহিদা মিটিয়ে প্রাণিজগতে অনন্য নজির স্থাপন করেছে।
- মৌমাছিরা দৃঢ় সমাজবদ্ধ জীব হিসেবে বাস করে এবং একে সমাজবদ্ধ প্রাণীর আদর্শ উদাহরণ বলা হয়।

সুতরাং, সামাজিক আচরণ প্রদর্শনকারী প্রাণী হল মৌমাছি।  
সঠিক উত্তর: ঘ) মৌমাছি। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল এবং গাজী আসমত। 

১১৯.
BMI = 30 - 34.9 kg/m2 হলে মানুষটি কোন শ্রেণীর?
  1. স্থূলতার ৩য় স্তর
  2. স্থূলতার ২য় স্তর
  3. স্থূলতার ১ম স্তর
  4. অতিরিক্ত ওজন
সঠিক উত্তর:
স্থূলতার ১ম স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থূলতার ১ম স্তর
ব্যাখ্যা

• BMI বা Body Mass Index হলো ওজন ও উচ্চতার অনুপাত মাপার একটি সূচক, যা স্বাস্থ্য ঝুঁকি নির্ধারণে সাহায্য করে। যখন BMI 30 থেকে 34.9 kg/m2 এর মধ্যে থাকে, তখন এটি স্থূলতার ১ম স্তর (Obesity Class I) হিসেবে চিহ্নিত হয়। অর্থাৎ, এই পরিসরে একজন ব্যক্তির শরীরের অতিরিক্ত চর্বি রয়েছে এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়, যেমন হৃৎপিণ্ডের সমস্যা, টাইপ ২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি। তবে এটি অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতার উচ্চতর স্তরের চেয়ে কম।
- সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্প গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো: গ) স্থূলতার ১ম স্তর।

 
• বিএমআই (BMI): 
- বডি মাস ইনডেক্স (BMI- Body Mass Index) মানবদেহের গড়ন ও চর্বির একটি সূচক নির্দেশ করে ।
- অর্থাৎ কোন নির্দিষ্ট বয়সে সুস্থ জীবন যাপনের জন্য শরীরের দৈর্ঘ্যের সাথে চর্বির পরিমাণগত সম্পর্ক নির্দেশ করে।
- শরীরের সুস্থতা ও স্থূলতার মান নির্ণয়ে এ মানদন্ড দুটি খুবই উপযোগী।

বিএমআই (BMI) মান নির্ণয়:
বিএমআই = দেহের ওজন (Kg)/দেহের উচ্চতা (মিটার)

মান নির্দেশিকা:
- বিএমআই ১৮.৫ কিলোগ্রাম/(মিটার) এর নিচে হলে শরীরের ওজন কম, পরিমিত খাদ্য গ্রহণে ওজন বাড়াতে হবে।
- বিএমআই ১৮.৫-২৪.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে সুস্বাস্থ্যের আদর্শ মান।
- বিএমআই ২৫-২৯.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন, ব্যায়াম করে ওজন কমানো দরকার।
- বিএমআই ৩০-৩৪.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে মোটা হওয়ার প্রথম স্তর, পরিমিত খাবার ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন।
- বিএমআই ৩৫-৩৯.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে মোটা হওয়ার দ্বিতীয় স্তর, পরিমিত খাবার ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন।
- বিএমআই ৪০ কিলোগ্রাম/(মিটার) এর উপরে হলে অতিরিক্ত মোটাত্ব, মৃত্যু ঝুঁকির সম্ভাবনা, ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২০.
কোনটি জন্মনিয়ন্ত্রণের দীর্ঘস্থায়ী অস্থায়ী পদ্ধতি?
  1. বন্ধ্যাকরণ
  2. স্পার্মিসাইড
  3. স্পঞ্জ
  4. ইমপ্লান্ট
সঠিক উত্তর:
ইমপ্লান্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইমপ্লান্ট
ব্যাখ্যা

• জন্মনিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিগুলো বিভিন্ন সময়ের জন্য কার্যকর হয়। এর মধ্যে কিছু দীর্ঘস্থায়ী এবং স্থায়ী, আবার কিছু অস্থায়ী। উদাহরণস্বরূপ, বন্ধ্যাকরণ স্থায়ী পদ্ধতি, যা একবার করলে তা পরিবর্তন করা যায় না। ইমপ্লান্ট হলো একটি দীর্ঘস্থায়ী কিন্তু অস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। এটি শরীরে ছোট রড হিসেবে প্রতিস্থাপিত হয় এবং কয়েক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকে, কিন্তু প্রয়োজন হলে পরে বের করা যায়। অন্যদিকে, স্পার্মিসাইড এবং স্পঞ্জ অল্প সময়ের জন্য কার্যকর হয়, ব্যবহারের পরপরই প্রভাব হারায়।
- সুতরাং দীর্ঘস্থায়ী কিন্তু অস্থায়ী পদ্ধতি হলো ইমপ্লান্ট, যা নিয়ন্ত্রিত সময়ের জন্য কার্যকর থাকে।

 
• দীর্ঘমেয়াদী অস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি (Long term temporary contraceptive methods):
- এই ধরনের পদ্ধতিগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যাতে দীর্ঘ সময় ধরে গর্ভধারণ রোধ করা যায়, তবে প্রয়োজনে তা বাতিল করা যায়। 
- এগুলো সাধারণত হরমোন বা যান্ত্রিক উপাদান ব্যবহার করে কার্যকর হয়। 

• অন্তঃজরায়ুজ যন্ত্র (Intrauterine Device - IUD):
- এটি একটি ছোট, টি-আকৃতির ধাতব বা প্লাস্টিকের যন্ত্র যা জরায়ুর ভেতরে স্থাপন করা হয়। 
- IUD অত্যন্ত কার্যকরী এবং দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ প্রদান করে। 
- এটি সহজেই স্থাপন ও অপসারণযোগ্য, তাই এটি অস্থায়ী হলেও দীর্ঘস্থায়ী কার্যকারিতা প্রদান করে। 

• ইমপ্লান্ট (Implant):
- ইমপ্লান্ট হলো একটি ছোট, দণ্ডাকৃতি যন্ত্র যা প্রোজেস্টেরন হরমোন সমৃদ্ধ। 
- এটি মহিলাদের বাহুতে প্রতিস্থাপন করা হয় এবং ধীরে ধীরে হরমোন নির্গত করে গর্ভধারণ রোধ করে। 
- ইমপ্লান্টও দীর্ঘমেয়াদী অস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণের একটি উদাহরণ। 

- এই ধরণের পদ্ধতিগুলো দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকর হলেও প্রয়োজন অনুযায়ী অপসারণ করা যায়। 
- সুতরাং, জন্মনিয়ন্ত্রণের দীর্ঘস্থায়ী অস্থায়ী পদ্ধতি হলো ইমপ্লান্ট। 

সঠিক উত্তর: ঘ) ইমপ্লান্ট। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল এবং গাজী আসমত। 

১২১.
কোনো মৌলের বিভিন্ন উপকক্ষের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা জানার জন্য নিম্নের কোন নীতি ব্যবহৃত হয় না?
  1. প্ল্যাঙ্কের নীতি
  2. পলির বর্জন নীতি
  3. হুণ্ডের নীতি
  4. আউফবাউ নীতি
সঠিক উত্তর:
প্ল্যাঙ্কের নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্ল্যাঙ্কের নীতি
ব্যাখ্যা

• কোনো মৌলের বিভিন্ন উপকক্ষের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রধানত তিনটি নীতি ব্যবহার করা হয়-হুণ্ডের নীতি, পলির বর্জন নীতি, এবং আউফবাউ নীতি। আউফবাউ নীতি বলে যে, ইলেকট্রন সবসময় সবচেয়ে কম শক্তির উপকক্ষে প্রথমে অবস্থান করে। হুণ্ডের নীতি অনুযায়ী সমমানের অরবিটালে ইলেকট্রনগুলো একে একে প্রবেশ করে এবং সম্ভব হলে স্পিন একই রাখে। পলির বর্জন নীতি ইলেকট্রনের স্পিন ও কক্ষপথ সম্পর্কিত বিধিনিষেধ নির্ধারণ করে। তবে, প্ল্যাঙ্কের নীতি মূলত কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত এবং এটি ইলেকট্রনের উপকক্ষে সংখ্যা নির্ধারণে সরাসরি ব্যবহার হয় না। তাই নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, প্ল্যাঙ্কের নীতি এখানে প্রযোজ্য নয়।

• প্ল্যাঙ্কের নীতি (Planck’s Principle):
- প্ল্যাঙ্কের নীতি মূলত ক kvant energy (কোয়ান্টাম শক্তি) সম্পর্কিত।
- এটি আলো বা ফোটনের শক্তি এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সাথে সম্পর্কিত।
- মৌলের উপকক্ষের ইলেকট্রনের সংখ্যা নির্ধারণে এটি সরাসরি ব্যবহার হয় না।
- প্ল্যাঙ্কের নীতি ইলেকট্রনের অবস্থান বা গাণিতিক বন্টনের জন্য প্রযোজ্য নয়।

• পলির বর্জন নীতি (Pauli Exclusion Principle):
- পলির বর্জন নীতি বলে যে, কোনো দুটি ইলেকট্রন একই কোয়ান্টাম অবস্থায় থাকতে পারে না।
- এটি মৌলের বিভিন্ন উপকক্ষের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।
- উপকক্ষের প্রতি দুটো ইলেকট্রন একই স্পিনের বিপরীতে থাকতে হবে।

• হুণ্ডের নীতি (Hund’s Rule):
- হুণ্ডের নীতি অনুযায়ী, সমজাতীয় অরবিটালে ইলেকট্রন প্রথমে এককভাবে অবস্থান নেয় যতক্ষণ না তারা জোড়া হয়।
- এটি ইলেকট্রনের বণ্টন প্যাটার্ন নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
- তাই উপকক্ষের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা জানার ক্ষেত্রে এটি প্রাসঙ্গিক।

• আউফবাউ নীতি (Aufbau Principle):
- আউফবাউ নীতি বলে যে, ইলেকট্রন সর্বনিম্ন শক্তির স্তর থেকে শুরু করে উপরের স্তরে যায়।
- এটি ইলেকট্রনের ক্রম অনুযায়ী উপকক্ষে বসবাসের নিয়ম দেয়।
- তাই উপকক্ষের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা নির্ধারণে এটি গুরুত্বপূর্ণ।  

সুতরাং, মৌলের বিভিন্ন উপকক্ষের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা জানার জন্য প্ল্যাঙ্কের নীতি ব্যবহার করা হয় না।  
সঠিক উত্তর: ক) প্ল্যাঙ্কের নীতি।

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী ও অধ্যাপক হারাধন নাগ। 

১২২.
বায়ুমণ্ডলে আপেক্ষিক আর্দ্রতা কমে গেলে উদ্ভিদে প্রস্বেদনের হার-
  1. অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে
  2. অপরিবর্তিত থাকে
  3. কমে যায়
  4. বেড়ে যায়
সঠিক উত্তর:
বেড়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেড়ে যায়
ব্যাখ্যা

• বায়ুমণ্ডলে আপেক্ষিক আর্দ্রতা কমে গেলে উদ্ভিদের প্রস্বেদনের হার বৃদ্ধি পায়। কারণ, প্রস্বেদন হলো উদ্ভিদের পাতার ছিদ্র (স্টোমাটা) দিয়ে জলীয় বাষ্পের ক্ষরণ। যদি বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা কম থাকে, অর্থাৎ বায়ু শুকনো থাকে, তাহলে পাতার ভিতরের জলীয় বাষ্প এবং বাইরের বায়ুর মধ্যে আর্দ্রতার পার্থক্য বেড়ে যায়। এই পার্থক্য যত বেশি, জলীয় বাষ্পের প্রবাহ তত তীব্র হয়। ফলে উদ্ভিদ বেশি জল হারায় এবং প্রস্বেদন বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে, বায়ুর আর্দ্রতা বেশি থাকলে প্রস্বেদন কমে যায়। তাই আর্দ্রতা কমলে উদ্ভিদে প্রস্বেদনের হার বেড়ে যায়। সঠিক উত্তর হলো ঘ) বেড়ে যায়।
 
প্রস্বেদন (Transpiration): 
- উদ্ভিদ অব্যাহতভাবে তার মূলরোম দিয়ে পানি শোষণ করে এবং সেই পানি পাতা পর্যন্ত পৌছায়। 
- উদ্ভিদ কর্তৃক শোষিত পানির সামান্য অংশই তার বিভিন্ন জৈবনিক ক্রিয়া-বিক্রিয়ায় খরচ হয় এবং বেশির ভাগই (শতকরা ৯৯ ভাগ পর্যন্ত) বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়।
- যে শারীরতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের বায়বীয় অঙ্গ (সাধারণত পাতা) হতে অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন বলে। 
- বায়ুমণ্ডলে উন্মুক্ত উদ্ভিদের যে কোনো অংশে প্রস্বেদন সংঘটিত হয়। 
- তবে পাতাই উদ্ভিদের প্রধান প্রস্বেদন অঙ্গ। 
- গড় হিসেবে শোষিত পানির মাত্র ১% দেহে অবস্থান করে ও কাজে লাগে, বাকি ৯৯% পানি দেহ থেকে বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়। 
- এটি উদ্ভিদের অত্যাবশ্যকীয় প্রক্রিয়া, তবে অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতিকরও হতে পারে। 
- বিজ্ঞানী কার্টিস (Curtis) প্রস্বেদনকে 'প্রয়োজনীয় অমঙ্গল' (necessary evil) বলেছেন। 
- গ্যানং পটোমিটার এর সাহায্যে প্রস্বেদন হার নির্ণয় করা যায়। 

প্রস্বেদনের প্রকারভেদ: 
- যে পথে পানি বাষ্পাকারে উদ্ভিদের দেহাভ্যন্তর হতে বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে সে পথের ভিন্নতার উপর নির্ভর করে প্রস্বেদনকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা- 
(১) পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন (Stomatal transpiration): পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে প্রস্বেদন; 
(২) ত্বকীয় বা কিউটিকুলার প্রস্বেদন (Cuticular transpiration): পত্রত্বকের কিউটিকলের মধ্য দিয়ে প্রস্বেদন; 
(৩) লেন্টিকুলার প্রস্বেদন (Lenticular transpiration): কাণ্ডের লেন্টিসেলের মধ্য দিয়ে প্রস্বেদন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।

১২৩.
মানুষের যক্ষ্মা রোগের জীবানু-
  1. Shigella dysenteriae
  2. Mycobacterium tuberculosis
  3. Bacillus anthracis
  4. Escherichia coli
সঠিক উত্তর:
Mycobacterium tuberculosis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mycobacterium tuberculosis
ব্যাখ্যা

• মানুষের যক্ষ্মা রোগের জীবানু হলো Mycobacterium tuberculosis. এটি একটি ধীরে বৃদ্ধি পাওয়া ব্যাকটেরিয়া, যা প্রধানত ফুসফুসে সংক্রমণ সৃষ্টি করে। সংক্রমণ সাধারণত বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়, যখন রোগী কাশির মাধ্যমে ক্ষুদ্র থুদি বা ফোঁটা বের করে। যক্ষ্মা রোগে ফুসফুসে ক্ষয় সৃষ্টি হয়, যাকে 'টিউবারকুলোসিস লেশান' বলা হয়। রোগের প্রধান লক্ষণ হলো দীর্ঘমেয়াদী কাশি, রক্ত মিশ্রিত কফ, জ্বর, রাতের ঘাম এবং ওজন কমে যাওয়া। যদিও অন্যান্য জীবাণু যেমন Shigella dysenteriae পায়খানির অসুখ, Bacillus anthracis এনথ্রাক্স এবং Escherichia coli অন্ত্রের সংক্রমণ ঘটায়, তারা যক্ষ্মার কারণ নয়। Mycobacterium tuberculosis সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকা, স্বাস্থ্যবিধি এবং সময়মতো চিকিৎসা গুরুত্বপূর্ণ।
 
 • অপশন আলোচনা:
ক) Shigella dysenteriae: এটি ডায়রিয়ার ব্যাকটেরিয়া।
খ) Mycobacterium tuberculosis: মানুষের যক্ষ্মা (Tuberculosis) রোগের জীবানু।
গ) Bacillus anthracis: এটি Anthrax রোগের জীবানু।
ঘ) Escherichia coli: এটি সাধারণত আন্ত্রিক জীবাণু, কিছু স্ট্রেইন ডায়রিয়া সৃষ্টি করে।
 
• যক্ষ্মা:
- যক্ষ্মা সাধারণত Mycobacterium Tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয় যক্ষ্মা একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ।
- যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ এই ধারণাটা সঠিক নয়।
- যক্ষ্মা অন্ত্র, হাড়, ফুসফুস এরকম দেহের প্রায় যেকোনো জায়গায় হতে পারে।
- সংক্রমিত গরুর দুধ খেয়েও যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
- যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক হিসেবে দেয়া হয় বিসিজি (Bacillus Calmatte Guerin) টিকা।
- টিকার আবিষ্কারক ক্যালসাট ও গুয়েচিন।
- ব্যাকটেরিয়া থেকে যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা হয়।

• এছাড়াও, 
- Bacillus Calmatte Guerin-BCG হলো যক্ষ্মার প্রতিষেধক।
- ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও টিটেনাস প্রতিষেধক হিসেবে ডিপিটি (DPT) টিকা দেয়া হয়।
- পোলিও রোগের টিকার নাম ওপিভি (Oral Polio Vaccine).
- টিটি (Tetanus Toxoid) প্রতিষেধক টিকা দেয়া হয় মায়েদের গর্ভাবস্থায় শিশুকে টিটেনাস রোগ থেকে রক্ষার জন্য।

উৎস:
- ব্রিটানিকা।
- সূত্র: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল এবং গাজী আসমত। 

১২৪.
কোন রাজবংশের পতনের পর দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় দেব রাজবংশের উত্থান ঘটে?
  1. নাথ রাজবংশ
  2. রাত রাজবংশ
  3. পাল রাজবংশ
  4. খড়গ রাজবংশ
সঠিক উত্তর:
খড়গ রাজবংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খড়গ রাজবংশ
ব্যাখ্যা

⇒ খড়গ রাজবংশের পতনের পর দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় দেব রাজবংশের উত্থান ঘটে।

দেব রাজবংশ:
- সাত শতকের শেষ ভাগ থেকে আট শতকের প্রথমার্ধে (৭৫০-৮০০খ্রি.) দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গ দেব রাজবংশের অধীনে শক্তিশালী রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- তাদের রাজধানী ছিল বর্তমান লালমাই-ময়নামতি অঞ্চলের দেবপর্বত।
- দেব রাজবংশের চারজন বিখ্যাত রাজার নাম শ্রী শান্তিদেব, শ্রী বীরদেব, শ্রী আনন্দদেব ও শ্রী ভবদেব।
- ময়নামতির শালবন বিহার খনন করে এই রাজবংশের চারটি তাম্রশাসন পাওয়া গেছে।
- দেববংশের রাজারা প্রাথমিক যুগের পাল রাজাদের সমসাময়িক ছিলেন।
- পাল রাজারা ময়নামতি অঞ্চলকে কেন্দ্র করে বৌদ্ধধর্মের বিকাশ ঘটিয়েছিলেন।
- এর নিদর্শন শালবন বিহার, আনন্দ বিহার, ভোজ বিহার প্রভৃতির কথা বলা যায়।
- বৌদ্ধ ধর্মীয় স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও পোড়ামাটির ফলক থেকে দেবপর্বত অঞ্চলে বৌদ্ধধর্ম-কেন্দ্রিক একটি সমৃদ্ধ জনবসতি গড়ে ওঠার বিষয়টি সুস্পষ্ট।
- আনন্দদেব ছিলেন দেব রাজবংশের শ্রেষ্ঠ রাজা।
- তিনি প্রায় ৩৯ বছর দেবপর্বতের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি পরমসৌগত, পরমেশ্বর, পরমভট্টারক ও মহারাজাধিরাজ উপাধি ধারণ করেছিলেন বলে জানা যায়। বাংলাদেশে বিকশিত বৌদ্ধ সংস্কৃতির সাথে দেব রাজবংশের ইতিহাস গুরুত্বের সাথে জড়িয়ে আছে।
- দেব রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতায় বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতি রাজকীয় মর্যাদা লাভ করেছিল।
- চন্দ্র ও পাল রাজাদের আমলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করায় বঙ্গ হয়ে উঠেছিল তৎকালীন বৌদ্ধ সংস্কৃতি ও শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৫.
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের রিপোর্ট অনুসারে, মোট মাছ উৎপাদনে ইলিশের পরিমাণ কত শতাংশ? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. ৯.৮২%
  2. ১০.৫৫%
  3. ১১.৯৬%
  4. ১২.৪৭%
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
ব্যাখ্যা

⇒ মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

⇒ ইলিশ: ১০.৫৫%।
⇒ চিংড়ি: ৫.১৯%।
⇒ মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল): ২২.৬৪%।
⇒ এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি): ১১.৩০%।
⇒ অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া): ৩.১৩%।
⇒ তেলাপিয়া: ৮.৭৬%।

⇒ মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

♠ শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ: ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা: ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর: ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

♠ শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম: ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা: ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী: ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১২৬.
স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কীভাবে ত্বরান্বিত হয়?
  1. সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে
  2. প্রবৃদ্ধি উপেক্ষা করে
  3. শুধু কৃষি প্রবৃদ্ধি
  4. প্রবৃদ্ধি হ্রাস করে
সঠিক উত্তর:
সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে
ব্যাখ্যা

স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা:
- সুনির্দিষ্ট কতগুলো আর্থ-সামাজিক লক্ষ্য স্বল্প সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করাকে স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বলে।
- স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনার মধ্যে এমন ধরনের কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে যেগুলো জাতীয় স্বার্থে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন।
- কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, বাণিজ্যের প্রসার, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচ ব্যবস্থার প্রসার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রভৃতি লক্ষ্যগুলো দীর্ঘ সময়ের জন্য ফেলে রাখা যায় না। সামাজিক স্বার্থে এগুলো স্বল্প সময়ের মধ্যে অর্জন দরকার।

⇒ স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য:
• আর্থ-সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ও কর্মসূজির দ্রুত বাস্তবায়ন।
• মেয়াদ ভিত্তিক বৈদেশিক সাহায্যের ব্যবহার নিশ্চিত করা।
• বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির সফলতা ও বিফলতা মুল্যায়ন করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
• দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
• কখনও কখনও দেশে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনার মত একটি স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।
• পরবর্তী পরিকল্পনাগুলোর উন্নয়ন প্রক্রিয়া সহজ ও ত্বরান্বিত করা।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৭.
কততম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া শপথ গ্রহণ করেন?
  1. ৪র্থ
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৫ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ম
ব্যাখ্যা

⇒ পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বেগম খালেদা জিয়া।

পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ ৭৬টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়।
- এই নির্বাচনে ভোট পড়ে ৫২.৩৭ শতাংশ।
- নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিরোধী দল হিসেবে সংসদে যায়।

⇒ নির্বাচনের ফলাফল:
- বিএনপি: ১৪০টি আসন।
- আওয়ামী লীগ: ৮৮টি আসন।
- জাতীয় পার্টি: ৩৫টি আসন।
- জামায়াতে ইসলামী: ১৮টি আসন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১২৮.
রাষ্ট্রপতি সংবিধান সংশোধনী বিলে ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি না দিলে নিচের কোনটি গণ্য হবে?
  1. সম্মতিদান করা হয়েছে বলে গণ্য হবে
  2. সংসদে পুনর্বিবেচনা হবে
  3. স্থগিত হবে
  4. বিলটি বাতিল হবে
সঠিক উত্তর:
সম্মতিদান করা হয়েছে বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মতিদান করা হয়েছে বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রপতি সংবিধান সংশোধনী বিলে ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি না দিলে বিলটিতে সম্মতিদান করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

দশম অধ্যায়:
- সংবিধানের দশম অধ্যায়ের বিষয়বস্তু 'সংবিধানের সংশোধন'।
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধন হতে পারবে।
- সংবিধান সংশোধনী বিলের শিরোনামে 'কোন বিধান সংশোধন করা হবে' স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না।
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন। 
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১২৯.
কোন শাসকের পতনের মধ্য দিয়ে বাংলায় হাবশি শাসনের অবসান ঘটে?
  1. শামসুদ্দিন মুজাফফর শাহ
  2. সুলতান জালালুদ্দিন ফতেহ শাহ
  3. গিয়াসুদ্দিন বারবক শাহ
  4. নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন মুজাফফর শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন মুজাফফর শাহ
ব্যাখ্যা

⇒ শামসুদ্দিন মুজাফফর শাহ এর পতনের মধ্য দিয়ে বাংলায় হাবশি শাসনের অবসান ঘটে।

বাংলায় হাবশি শাসন:
- বাংলার ছয় বছরের হাবশি শাসনামলে চারজন সুলতান বাংলা শাসন করেছেন।
- তাদের প্রত্যেকেই পূর্বসুরীকে হত্যা করে ক্ষমতায় এসেছেন এবং ষড়যন্ত্রকারী উত্তরসূরীর হাতেই নিহত হয়েছেন।
- মূলত হাবশি আমল বলতে মাহমুদ শাহী সুলতান জালালুদ্দিন ফতেহ শাহের পরে বাংলা শাসনকৃত গিয়াসুদ্দিন বারবক শাহ বা সুলতান শাহজাদা, ফিরোজ শাহ, মাহমুদ শাহ এবং মুজাফ্ফর শাহের শাসনকালকে বোঝানো হয়।
- হাবশি নেতা সুলতান শাহজাদা (১৪৮৭ খ্রি.) প্রথম ক্ষমতায় বসে কয়েক মাসের মধ্যে হাবশি সেনাপতি মালিক আন্দিলের হাতে নিহত হন।
- আন্দিল 'সাইফুদ্দিন ফিরুজ শাহ' উপাধি নিয়ে তিনবছর (১৪৮৭-১৪৯০ খ্রি.) শাসন করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর ক্ষমতায় আসেন নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহ।
- কিন্তু তাঁকে হত্যা করে ক্ষতায় বসেন 'শামসুদ্দীন আবু নছর মুজাফফর শাহ' (১৪৯০-১৪৯৩ খ্রি.) নামে এক হাবশি সর্দার।
- তিনি ছিলেন অত্যাচারী শাসক।
- তাই গৌড়ের সম্ভ্রান্ত লোকেরা তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে এবং এই বিদ্রোহে যোগ দেন তাঁর উজির সৈয়দ হোসেন।
- অবশেষে শামসুদ্দিন মুজাফফর শাহ নিহত হন এবং এর মধ্য দিয়ে বাংলায় হাবশি শাসনের অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩০.
BARI-এর উদ্ভাবিত 'নয়নতারা' কোন ফসলের জাত?
  1. বেগুন
  2. তরমুজ
  3. মরিচ
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা

⇒ বেগুনের জাত:
- বারি বেগুন-১(উত্তরা),
- বারি বেগুন-২(তারাপুরি),
- বারি বেগুন-৪(কাজল),
- বারি বেগুন-৫(নয়নতারা)।

⇒ তামাক:
- সুগন্ধী (BAT-2)

⇒ মরিচের জাত:
- ঝাল ও মিষ্টি এ ধরনের মরিচ দেখা যায়।
- ঝাল মরিচের মধ্যে বগুড়া, চাঁদপুরী, ফরিদপুরী উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়া কামরাংগা, আকালী ও কালো মরিচ খুব ঝাল।

⇒ তরমুজ এর জাত:
- পদ্ম
- বারি তরমুজ-১
- বারি তরমুজ-২

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১৩১.
দরিদ্র শিশুদের জন্য খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচি কোন বছর চালু হয়?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি:
- দেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসরত পরিবারের শিশুদেরকে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৯৩-৯৪ অর্থ বছর থেকে শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করা হয়।
- ১৯৯৩ সালে দরিদ্র শিশুদের জন্য খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচি চালু হয়।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩২.
অ্যালান বলের মতে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা কী দ্বারা আবদ্ধ?
  1. অর্থ
  2. সরকারি ক্ষমতা
  3. অংশীদারী মনোভাব
  4. ধর্ম
সঠিক উত্তর:
অংশীদারী মনোভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অংশীদারী মনোভাব
ব্যাখ্যা

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন এক জনসমষ্টি যারা সমজাতীয় স্বার্থে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্য সংখ্যা রাজনৈতিক দলের তুলনায় সাধারণত কম হয় এবং অভিন্ন স্বার্থের পরিপ্রেক্ষিতে গোষ্ঠীর সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ থাকে।
- সাংগঠনিক দিক থেকে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক দল অপেক্ষা দুর্বল।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে সরকারি সিদ্ধান্তকে নিজেদের স্বার্থের অনুকূলে প্রভাবিত করাই হল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রধান উদ্দেশ্য।

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সংজ্ঞা:
⇒ অ্যালান বলের মতে, 'চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন একটি গোষ্ঠী যার সদস্যগণ 'অংশীদারী মনোভাবের' দ্বারা আবদ্ধ'।

⇒ এইচ জিগলার এর মতে, চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হচ্ছে এমন একটি সংগঠিত ব্যক্তি সমষ্টি যার সদস্যগণ সরকারি ক্ষমতা প্রয়োগে অংশগ্রহণ করে না। বরং তাদের লক্ষ্য হল সরকারি সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করা।

⇒ অ্যালমন্ড গ্যাব্রিয়েল ও জি পাওয়েল বলেন, 'স্বার্থগোষ্ঠী বলতে আমরা নির্দিষ্ট স্বার্থের বন্ধনে আবদ্ধ অথবা সুযোগ-সুবিধা দ্বারা সংযুক্ত এমন এক ব্যক্তিসমষ্টিকে বুঝি যারা এরূপ বন্ধন সম্পর্কে সচেতন'।

⇒ অ্যালেন পটার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর পরিবর্তে 'সংগঠিত গোষ্ঠী' শব্দ দু'টি ব্যবহারের পক্ষে। কারণ এ ধারণার মাধ্যমে গোষ্ঠীর সংগঠনের ব্যাপকতাকে আরো যথার্থভাবে অনুধাবন করা সম্ভব।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৩.
বলিহার রাজবাড়ি কোথায় অবস্থিত?
  1. নওগাঁ
  2. নাটোর
  3. রংপুর
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা

বলিহার রাজবাড়ি:
- বলিহার রাজবাড়ি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত।
- নওগাঁ জেলা শহর থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের সনদ বলে বলিহারের এক জমিদার জায়গীর লাভ করেন।
- বলিহারের জমিদারদের মধ্যে অনেকেই উচ্চ শিক্ষিত ছিলেন।
- রাজা কৃষ্ণেন্দ্রনাথ রায় একজন লেখক ছিলেন।
- বলিহারের নয় চাকার রথ প্রসিদ্ধ ছিল।
- বলিহারের জমিদার রাজেন্দ্র ১৮২৩ খিস্টাব্দে লোকান্তরিত হবার পূর্বে এখানকার বিখ্যাত দূর্গামন্দিরে রাজরাজেশ্বরী দেবীর অপরূপা পিতলের মুর্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। 

তথ্যসূত্র - নওগাঁ জেলা ওয়েবসাইট।

১৩৪.
ভারতীয় উপমহাদেশে লর্ড বেন্টিঙ্কের শাসনকালকে কোন যুগ হিসেবে বর্ণনা করা যায়?
  1. যুদ্ধের যুগ
  2. অর্থনৈতিক সংকটের যুগ
  3. সংস্কারের যুগ
  4. ধর্মীয় গোঁড়ামীর যুগ
সঠিক উত্তর:
সংস্কারের যুগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কারের যুগ
ব্যাখ্যা

⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে লর্ড বেন্টিঙ্কের শাসনকালকে সংস্কারের যুগ হিসেবে বর্ণনা করা যায়।

লর্ড বেন্টিঙ্ক:
- লর্ড বেন্টিঙ্ক ভারতীয় উপমহাদেশে গভর্নর জেনারেল হয়ে আসেন ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে।
- প্রথম জীবনে তিনি নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে ওয়াটারলুর যুদ্ধ বিজেতা ডিউক অফ ওয়েলিংটনের সেনা বাহিনীতে ছিলেন।
- লর্ড বেন্টিঙ্ক যখন ভারতীয় উপমহাদেশে গভর্নর জেনারেল হিসেবে আসেন তখন তাঁর এদেশে সামরিক নৈপুণ্য দেখানোর কোনো সুযোগ ছিল না।
- কারণ সে সময়টা ছিল সংস্কারের যুগ।
- বেন্টিঙ্কই প্রথম গভর্নর জেনারেল যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে এদেশে প্রজাদের কল্যাণ সাধনই শাসকের প্রধান কর্তব্য।
- তাঁর প্রচেষ্টার ফলেই এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা ও সভ্যতার অবাধ প্রসারের পথ উন্মুক্ত হয়।
- বেন্টিঙ্কের সমাজ সংস্কার ধর্মীয় গোঁড়ামী ও নিপীড়নের হাত থেকে এদশের জনগণকে রক্ষা করেছিল।
- তাঁর শিক্ষা সংস্কার পরবর্তীকালে এদেশীয়দের মনোজগতে এক বিরাট আলোড়ন ও পরিবর্তন নিয়ে আসে যা এদেশের সমাজ ও সভ্যতার অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে তুলেছিল।
- তাই আজও লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক উপমাহদেশের ব্রিটিশ যুগের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৫.
পাংখোয়া সমাজে সবচেয়ে বড় উৎসব হিসেবে বিবেচিত পূজা কোনটি?
  1. পত্যেন পূজা
  2. খোজিং পূজা
  3. লুসেই পূজা
  4. পুথিয়ান পূজা
সঠিক উত্তর:
খোজিং পূজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খোজিং পূজা
ব্যাখ্যা

⇒ পাংখোয়া সমাজে সবচেয়ে বড় উৎসব হিসেবে বিবেচিত খোজিং পূজা।

পাংখোয়া:
- পাংখোয়া বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে পাংখোয়া অন্যতম।
- পার্বত্য রাঙামাটি জেলার সাজেক উপত্যকা থেকে বান্দরবানের রুমা পর্যন্ত এবং পাশ্ববর্তী ভারতের মিজোরাম রাজ্য সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় পাংখোয়া জাতির বসবাস রয়েছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী নিজেদের ধর্মবিশ্বাসে বৌদ্ধ।
- প্রকৃতি উপাসনাও পাংখোয়া সমাজে প্রচলিত।
- তাদের সৃষ্টিকর্তার নাম ‘পত্যেন’।
- তাদের প্রধান উপাস্য দেবতার নাম ‘খোজিং’।
- খোজিং পূজা শ্রাবণ মাসে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
- এই পূজা পাংখোয়া সমাজে সবচেয়ে বড় উৎসব হিসেবে বিবেচিত হয়।
- পাংখোয়া সমাজে পিতাই পরিবারের প্রধান।
- পিতার মৃত্যুর পর পুত্রসন্তানরা পারিবারিক বিষয়-আশয়ের উত্তরাধিকারী হয়ে থাকে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী দুটো গোত্রে বিভক্ত পাংখোয়া ও ভানজাঙ।
- ধর্মীয় বিশ্বাস, সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান ও পূজাপার্বণ নিয়ে পাংখোয়াদের নিজস্ব সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠীতেই মৃতদেহ কবর দেওয়ার রীতি প্রচলিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৩৬.
২০২৫ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্ট অনুসারে মাথাপিছু জাতীয় আয় কত?
  1. ২,৭৪৯ মার্কিন ডলার
  2. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  3. ২,৯২৪ মার্কিন ডলার
  4. ২,৯৮৫ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১৩৭.
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর কোন পর্যায়ের উপাধি 'অ্যাডমিরাল'?
  1. সেনাবাহিনী
  2. বিমান বাহিনী
  3. নৌ-বাহিনী
  4. বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
নৌ-বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌ-বাহিনী
ব্যাখ্যা

অ্যাডমিরাল:
- 'অ্যাডমিরাল' বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সর্বোচ্চ চার-তারকা পদমর্যাদা।
- এই উপাধি সাধারণত নৌবাহিনী প্রধানকে দেওয়া হয়।
- যা নৌ-বাহিনীর সর্বোচ্চ অর্জনযোগ্য পদবি হিসেবে স্বীকৃত।
- অ্যাডমিরাল সশস্ত্র বাহিনীর নৌবাহিনী পর্যায়ের উপাধি, যা সেনাবাহিনীতে জেনারেল বা বিমানবাহিনীতে এয়ার চিফ মার্শাল-এর সমতুল্য।
- অ্যাডমিরাল উপাধিতে পদোন্নতি সিলেক্টিভ এবং সরকারি অনুমোদনের উপর নির্ভর করে।
- বর্তমানে নৌ-বাহিনীর 'অ্যাডমিরাল' এম নাজমুল হাসান।

তথ্যসূত্র - নৌ-বাহিনীর ওয়েবসাইট।

১৩৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি-জেনারেলের নিয়োগ ও কার্যাবলী সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬৪
  2. অনুচ্ছেদ ৬৭
  3. অনুচ্ছেদ ৭০
  4. অনুচ্ছেদ ৭৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৪
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্নি-জেনারেল।
- অনুচ্ছেদ ৬৫ - সংসদ-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৬৬ - সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৬৭ - সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৬৮ - সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৯ - শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড।
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১৩৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকান কনসাল জেনারেল আর্চার ব্লাডের বিখ্যাত প্রতিবেদনের নাম কী?
  1. East Pakistan Report
  2. Genocide Memo
  3. Blood Telegram
  4. Dhaka Dispatch
সঠিক উত্তর:
Blood Telegram
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Blood Telegram
ব্যাখ্যা

⇒ মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকান কনসাল জেনারেল আর্চার ব্লাডের বিখ্যাত প্রতিবেদনের নাম 'The Blood Telegram'।

The Blood Telegram:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে আমেরিকান অধ্যাপক গ্যারি জে বাসের রচিত বইটির মূল নাম 'দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, নিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগটেন জেনোসাইড'।
- 'ব্লাড টেলিগ্রাম' হল আর্চার ব্লাডের একটি তারবার্তা।
- ১৯৭১ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় আর্চার ব্লাড যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে তৎকালীন চলমান গণহত্যা বন্ধে ব্যর্থ হওয়ায় একটি টেলিগ্রাম বার্তা পাঠান, যা ইতিহাসে 'ব্লাড টেলিগ্রাম' নামে পরিচিতি পায়।
- 'ব্লাড টেলিগ্রাম' বার্তাটি ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- এ বইটি অন্য যেকোনো বইয়ের চেয়ে আলাদা এবং স্বতন্ত্র।
- প্রথম কোনো পশ্চিমা গবেষক ১৯৭১-এ সংঘঠিত বাংলাদেশের গণহত্যাকে 'প্রমাণিত গণহত্যা' হিসেবে বিশ্বের সামনে দাঁড় করানোর প্রয়াস পেয়েছেন।

তথ্যসূত্র - Amazon.com ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১৪০.
সাঁওতালদের বছর শুরু হয় কোন মাসে?
  1. বৈশাখ
  2. ফাল্গুন
  3. আশ্বিন
  4. কার্তিক
সঠিক উত্তর:
ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

⇒ সাঁওতালদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে।

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এই জনগোষ্ঠী মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায় বসবাস করে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজ ব্যবস্থা পুরুষতান্ত্রিক।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৪১.
ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের ফলে সমাজে নারীর কী প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে?
  1. দৃঢ় অবস্থান
  2. অসহায়ত্ব
  3. বেকারত্ব
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দৃঢ় অবস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৃঢ় অবস্থান
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম:
- দরিদ্র জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে দরিদ্র মহিলাদের মধ্যে গোষ্ঠীভিত্তিক ঋণ প্রদানের একটি কর্মসূচি হিসেবে প্রথমে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
- বর্তমানে  বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) এবং  কর্মসংস্থান ব্যাংক-এর মতো বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ৮০০-এর অধিক  এনজিও দেশে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

⇒ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য নিম্নরূপ:
১। উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ।
২। উদ্যোক্তা সৃষ্টি।
৩। নারীর ক্ষমতায়ন।

⇒ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের ফলে সমাজে নারীর অবস্থান:
• গ্রামীণ অর্থনীতিতে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম মূলত নারীদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।
• এ কার্যক্রম নারীর ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করে।
• স্ব-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে নারীরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠছে।
• ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের ফলে সমাজে নারীর দৃঢ় অবস্থান প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।

⇒ তাই বলা যায় ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে নারীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আয়বর্ধক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র -  জাতীয় তথ্য বাতায়ণ এবং অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪২.
পার্বত্য চট্টগ্রামে কতটি সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশে মোট সংসদীয় আসন রয়েছে ৩৫০টি।
- নারীদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিটি জেলায় ১টি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন ছিল ৩টি।
• বান্দরবান।
• রাঙ্গামাটি।
• খাগড়াছড়ি। 

উল্লেখ্য:
⇒ জাতীয় সংসদের ১নং আসন পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত।
- ১নং সংসদীয় আসন: পঞ্চগড়-১।

⇒ জাতীয় সংসদের ৩০০নং আসন বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- ৩০০নং সংসদীয় আসন: বান্দরবান।

অন্যদিকে:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪৩.
'পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল' গানটির সুর করেছেন কে?
  1. গোবিন্দ হালদার
  2. ফজলে খোদা
  3. আপেল মাহমুদ
  4. সমর দাস
সঠিক উত্তর:
সমর দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমর দাস
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারিত গানগুলো মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রেরণা যুগিয়েছে।


স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান:
⇒ তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর - কথা ও সুর: আপেল মাহমুদ, কণ্ঠ: রথীন্দ্রনাথ রায়।
⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল - গীতিকার: গোবিন্দ হালদার, সুরকার: সমর দাস, সমবেত কণ্ঠে গাওয়া।
⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি - গীতিকার: গোবিন্দ হালদার, সুরকার ও কণ্ঠ: আপেল মাহমুদ।
⇒ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে - গীতিকার: গোবিন্দ হালদার, সুরকার: আপেল মাহমুদ, কণ্ঠ: স্বপ্না রায়।
⇒ সালাম সালাম হাজার সালাম - গীতিকার: ফজলে খোদা, সুরকার ও কণ্ঠ: আব্দুল জব্বার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১৪৪.
শরিফ ওসমান হাদির উপর হামলা ও গুলির ঘটনা কবে সংঘটিত হয়?
  1. ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  2. ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  3. ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  4. ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

শরিফ ওসমান হাদি:
- শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন বাংলাদেশের একজন তরুণ রাজনৈতিক কর্মী ও লেখক।
- ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
- পরবর্তীতে তিনি ইনকিলাব মঞ্চ গঠন করে আধিপত্যবাদ ও পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন।
- তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নেন।
- ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন।
- গুলি মাথায় লেগে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যু বরণ করেন (বয়স ৩২)।
- তাঁর মৃত্যু দেশব্যাপী বিক্ষোভ, সহিংসতা ও রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করে।
- তিনি বাংলাদেশের যুব আন্দোলন ও স্বাধীন চিন্তার একটি প্রতীক হয়ে থাকবেন।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পত্রিকার রিপোর্ট।

১৪৫.
২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত তথ্যে শহরে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী কত শতাংশ?
  1. ৪১.৩০%
  2. ৪৫.৭৩%
  3. ৪৯.৮১%
  4. ৫২.৬৮%
সঠিক উত্তর:
৪১.৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১.৩০%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারী (৫বছর ও তদূর্ধ্ব),
- মোট ব্যবহারকারী - ৩০.৬৯%।
- পুরুষ ব্যবহারকারী - ৩৮.০৪%।
- নারী ব্যবহারকারী - ২৩.৫২%।
- ঢাকা বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - ৪০.৪২%।
- রংপুর বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম - ২৩.৫২%।
• শহর - ৪১.৩০%।
• গ্রাম - ২৫.৭৩%।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১৪৬.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের অনুন্নয়ন বাজেটে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ কোন খাতে?
  1. ভর্তুকি ও প্রণোদনা
  2. সুদ
  3. বেতন-ভাতা
  4. পেনশন
সঠিক উত্তর:
সুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদ
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

১৪৭.
বাংলাদেশে গ্রাম আদালত আইন প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে
ব্যাখ্যা

গ্রাম আদালত আইন:
- গ্রাম আদালত আইন বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ সহজ, দ্রুত এবং কম খরচে নিষ্পত্তির জন্য প্রণীত আইন।
- বাংলাদেশে ২০০৬ সালে গ্রাম আদালত আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার সহজলভ্য করা এবং আদালতের চাপ কমানো।
- প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে গ্রাম আদালত গঠিত হয়, যা ইউনিয়নের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় কার্যকর।
- আদালত গঠিত হয় চেয়ারম্যান (সভাপতি), প্রতিপক্ষের মনোনীত ২ জন সদস্য, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্ধারিত সদস্য দিয়ে।
- বিচারযোগ্য মামলায় দেওয়ানি ক্ষতিপূরণ সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা।
- আদালতের রায় সংখ্যাগরিষ্ঠতায় (৩ বা ২ ভোটে) গৃহীত হয় এবং আপিলের সুযোগ রয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট বা সহকারী জজ আদালতে।
- আইনটি গ্রামীণ ন্যায়বিচারকে শক্তিশালী করে এবং স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করে।

তথ্যসূত্র - গ্রাম আদালত আইন।

১৪৮.
বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ মুক্তি লাভ করে কবে?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৫৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

‘মুখ ও মুখোশ’:
- বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- দিনটি ছিল ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।
- বাংলাদেশে চলচ্চিত্রটির প্রথম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
- চলচ্চিত্রটির দৈর্ঘ্য ছিল ৯৯ মিনিট।
- চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন পূর্ণিমা সেন, সাইফুদ্দিন, বিনয় বিশ্বাস, আবদুল জব্বার খান, ইনাম আহমেদ, জহরত আরা।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান। 
- সংগীত পরিচালক ছিলেন সমর দাস।
- গান করেন মাহবুবা হাসনাত ও আবদুল আলীম।
- নৃত্য পরিচালনা করেন গওহর জামিল।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন মুরারী মোহন জামান।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১৪৯.
’লন্ডন ঘোষণা’ কোন সংস্থার প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত?
  1. বিশ্বব্যাংক 
  2. আইএমএফ
  3. কমনওয়েলথ
  4. ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
কমনওয়েলথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমনওয়েলথ
ব্যাখ্যা

কমনওয়েলথ:
- ১৯৪৯ সালে ঐতিহাসিক লন্ডন ঘোষণার মাধ্যমে আধুনিক কমনওয়েলথের যাত্রা শুরু হয়।
- লন্ডন ঘোষণার দিনটিকে অর্থাৎ মার্চের দ্বিতীয় সোমবারকে প্রতিবছর কমনওয়েলথ দিবস পালন করা হয়।
- এর সচিবালয় অবস্থিত মার্লবোরো হাউজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬ টি।
- ২৫ জুন ২০২২ তারিখে কমনওয়েলথের ৫৫তম ও ৫৬তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যোগদান করে গ্যাবন ও টোগো।
- ব্রিটিশ শাসনাধীন না হয়েও কমনওয়েলথের সদস্যদেশ চারটি হলোঃ মোজাম্বিক, গ্যাবন, রুয়ান্ডা ও টোগো।
- বাংলাদেশ‌ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ২৪ থেকে ২৫ জুন, ২০২২কমনওয়েলথের ২৬তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় কিগালি, রুয়ান্ডা।
- কমনওয়েলথের বর্তমান মহাসচিব শার্লি বচওয়ে।।

• উল্লেখ্য ’লন্ডন ঘোষণা জাতিসংঘের সাথে ও জড়িত।

উৎস:কমনওয়েলথ ওয়েবসাইট।

১৫০.
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের লক্ষ্যমাত্রার ৭ম লক্ষ্যমাত্রা কোনটি?
  1. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
  2. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
  3. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
  4. টেকসই শহর ও জনগণ
সঠিক উত্তর:
সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
ব্যাখ্যা

- জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের লক্ষ্যমাত্রার ৭ম লক্ষ্যমাত্রা সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি।

• জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন:

- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
- যা ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যস্থির করা হয়।

• এসডিজির লক্ষ্যসমূহ হলো:
- প্রথম : দারিদ্র্য নির্মূল;
- দ্বিতীয় : ক্ষুধামুক্তি;
- তৃতীয় : সুস্বাস্থ্য;
- চতুর্থ : মানসম্মত শিক্ষা;
- পঞ্চম : লিঙ্গ সমতা;
- ষষ্ঠ : বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন;
- সপ্তম : সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি;
- অষ্টম : উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
- নবম : শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
- দশম : বৈষম্য হ্রাস;
- একাদশ : টেকসই শহর ও জনগণ;
- দ্বাদশ : পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
- ত্রয়োদশ : জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ;
- চতুর্দশ : সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান;
- পঞ্চদশ : স্থলভাগের জীবন;
- ষোড়শ : শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- সপ্তদশ : অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

উৎস: SDG ওয়েবসাইট।

১৫১.
সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কোন বিশেষ সামরিক বাহিনী? 
  1. রেঞ্জারস
  2. ডেল্টা ফোর্স
  3. নেভি সিলস
  4. গ্রিন বারেটস
সঠিক উত্তর:
ডেল্টা ফোর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেল্টা ফোর্স
ব্যাখ্যা

'ডেল্টা ফোর্স':
- মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ মিশন ইউনিট।
- ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নেওয়ার অভিযানে নিজেদের বিশেষায়িত বাহিনী 'ডেল্টা ফোর্স' ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
- ডেল্টা ফোর্স প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৭৭সালে।
-  এটি যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনস কমান্ডের (জেএসওসি) সরাসরি অধীনে কাজ করে।
- নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের ফোর্ট ব্র্যাগভিত্তিক ডেল্টা ফোর্সের মোট ৮টি অপারেশনাল 'সেবরে স্কোয়াড্রন' বা হামলা চালানোর উপযোগী স্বয়ংসম্পূর্ণ ইউনিট রয়েছে।

উৎস: বিবিসি নিউজ।[Link]

১৫২.
সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা(SCO) -এর ২৫তম শীর্ষ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং পরিবেশ সুরক্ষা
  2. নারীর ক্ষমতায়ন এবং লৈঙ্গিক সমতা প্রচার
  3. গ্লোবাল সাউথ-এর অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা
  4. শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
গ্লোবাল সাউথ-এর অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লোবাল সাউথ-এর অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা

• সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (SCO) শীর্ষ সম্মেলন-২০২৫:
- সম্মেলনের আয়োজন ও অংশগ্রহণ চীনের তিয়ানজিন শহরে ৩১ আগস্ট-সেপ্টেম্বর ১, ২০২৫ পর্যন্ত।
- দুই দিনের এই সম্মেলনে বিশ্বের ২০টির বেশি দেশ থেকে রাষ্ট্রপ্রধানরা অংশগ্রহণ করেন।
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতারা এতে উপস্থিত ছিলেন।
• সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল: 
- বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রসারিত করা।
- এবং "গ্লোবাল সাউথ" বা বৈশ্বিক দক্ষিণের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা।

উৎস: SCO ওয়েবসাইট।

১৫৩.
ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি- 
  1. অটোয়া চুক্তি
  2. বাসেল কনভেনশন
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. মন্ট্রিল প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।

- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
- ১৯৮টি দেশ ও অঞ্চল চুক্তিটির অংশীদার। চুক্তি গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজনস্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

অন্যদিকে,
• বাসেল কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয় ২২ মার্চ ১৯৮৯ সালে।
- যা  বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক একটি চুক্তি।

• অটোয়া চুক্তি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- লক্ষ্য: এই চুক্তির মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো অ্যান্টি-পার্সোনেল ল্যান্ডমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন এবং হস্তান্তর সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৫৪.
২০২৬ সালে আইসিসি পুরুষ টি-২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে কোন দেশে? 
  1. অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড
  2. ভারত এবং শ্রীলঙ্কা
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ
  4. ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ভারত এবং শ্রীলঙ্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত এবং শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: 
- ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতের ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে।
- এই টুর্নামেন্টটি সম্ভাব্যভাবে ৭ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।
-  মোট ২০টি দল অংশ নেবে।
- এর মধ্যে ১৫টি দল ইতিমধ্যেই নিশ্চিত হয়েছে,
- এবং বাকি ৫টি দল বাছাইপর্ব থেকে যোগ হবে-আফ্রিকা থেকে ২টি এবং এশিয়া ও পূর্ব এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে ৩টি দল।
- উল্লেখযোগ্য হলো,
- ইতালি প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে।

উৎস: আইসিসি ওয়েবসাইট।

১৫৫.
নেপাল প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে কত সালে? 
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা

নেপাল: 
-
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার পর দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
- রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন শহরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ৭২ জন নিহত হয়।
- বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় আগুন ধ্বংসের ঘটনায় কে পি শর্মা অলি পদত্যাগ করেন।
- নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সুশীলা কার্কি ১৩ সেপ্টেম্বর কাঠমান্ডুতে শপথ গ্রহণ করেন।
নেপালের রাজনৈতিক ইতিহাস: 

- নেপালে ১৯৯০ সালে 'জন আন্দোলন' বা 'পিপলস মুভমেন্ট' মাধ্যমে রাজতন্ত্রের সীমিত ক্ষমতা প্রাপ্ত সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলেও তা স্থায়ী হয়নি।
- ২০০৬ সালে মাওবাদী বিদ্রোহী ও মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো একত্রিত হয়ে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায়।
- এবং ২০০৮ সালে নেপাল প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- তবে প্রজাতন্ত্র ঘোষণার পরও ২০০৮ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে নেপালে ১৩ বার সরকার পরিবর্তন হয়েছে।
- এর মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- রাজনৈতিক দলগুলোর ভাঙন,
- ও মতাদর্শগত পার্থক্য,
- এবং জোট সরকারের অভাবনীয় কার্যকারিতা।

উৎস: নেপাল সরকারি ওয়েবসাইট।

১৫৬.
’কিয়োটো প্রটোকল’ এর সাথে সম্পর্কিত বিষয় কী? 
  1. ওজোন স্তর সুরক্ষা
  2. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
  3. বানিজ্য চুক্তি
  4. গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস 
সঠিক উত্তর:
গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস 
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল:
- চুক্তির নাম: কিয়োটো প্রটোকল,
- স্থান: কিয়োটো, জাপান,
- স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- আয়োজক সংস্থা: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্যে: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা।
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সাউথ সুদান এ প্রটোকল অনুসমর্থন করে নি।
- ২০১২ সালে কানাডা নিজেকে প্রত্যাহার করে।

অপরদিকে,
• কার্টাগেনা প্রটোকল:
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১৫৭.
’স্টিল ডোম’ কোন দেশের তৈরী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা? 
  1. ফ্রান্স
  2. ইসরায়েল
  3. তুরস্ক
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

 স্টিল ডোম: 
- ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে 'স্টিল ডোম' আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা চালু করেছে তুরস্ক।
- '
স্টিল ডোম' একক কোনো আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নয়।
-
এটি মূলত স্বল্প, মাঝারি ও দূরপাল্লার বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারি, সেন্সর ও কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেমের সমন্বিত রূপ।
- তুরস্কের প্রতিরক্ষা কোম্পানি আসেলসান ও রকেটসান এর উন্নয়নে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।
- প্রথম ধাপে সামরিক বাহিনীকে সরবরাহ করা হয়েছে ৪৭টি যান, যার মধ্যে ছিল হিসার-ও প্লাস, সিপের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, আল্প রাডার, পুহু ও রেডেট ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম এবং কোরকুৎ অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট গান।

'
স্টিল ডোমের সংযোজন: 
- ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে 'স্টিল ডোম' আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তুরস্কের সামরিক বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
- মধ্যপ্রাচ্যের টানাপোড়েন, বিশেষত ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত, সিরিয়া ইস্যু এবং ইরানে ইসরায়েলি হামলার পর আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য ওলটপালট হয়ে গেছে। 

উৎস: বিবিসি নিউজ।

১৫৮.
কোন ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাশিয়াকে 'জি-৭' থেকে বহিষ্কার করা হয়?
  1. ডলার সংকট 
  2. তেল সংকট
  3. ক্রিমিয়া সংকট
  4. পারামাণবিক অস্ত্র মজুদ 
সঠিক উত্তর:
ক্রিমিয়া সংকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিমিয়া সংকট
ব্যাখ্যা

জি-৭ (G-7; Group of Seven): 

- বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশকে নিয়ে জি-৭ গঠিত।
- উদ্দেশ্য: শিল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে অংশীদারিত্বমূলক সামষ্টিক অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ।
- প্রতিষ্ঠা: ১৫ জুন, ১৯৭৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ফ্রান্স।
- সদস্য: ৭টি; ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাজ্য, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৬টি; ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাজ্য, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র।
- সদর দপ্তর: নাই।
- ১৯৭৫ সালে গঠনকালে এর নাম ছিল Group of Six (G-6)।
- ১৯৭৬ সালে কানাডা যোগ দেওয়ায় নতুন নাম হয় Group of Seven (G-7)।
- ১৯৭৭ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ১৯৯৪ সালে রাশিয়াকে সদস্য হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।
- ১৯৯৮ সালে রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার পর এর নতুন নাম হয় Group of Eight (G-8)।
- ২০১৪ সালে 'ক্রিমিয়া সংকট'কে কেন্দ্র করে রাশিয়াকে বহিষ্কার করা হয় এবং তখন থেকে এটি আবার Group of Seven (G-7) নামে পরিচিত হয়।

 
উৎস: জি-৭ ওয়েবসাইট।

১৫৯.
৩০তম জলবায়ু সম্মেলনে 'ট্রপিক্যাল ফরেস্ট ফরএভার ফান্ড' (TFFF) কোন উদ্দেশ্যে চালু হয়েছে?
  1. উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য শক্তি সহায়তা
  2. গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন সংরক্ষণে
  3. জলবায়ু স্বাস্থ্য অ্যাকশন প্ল্যান
  4. ট্রানজিশনের জন্য শ্রমিক প্রশিক্ষণ
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন সংরক্ষণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন সংরক্ষণে
ব্যাখ্যা

- ট্রপিক্যাল ফরেস্ট ফরএভার ফান্ড' (TFFF) কপ-৩০-এ উদ্দেশ্যে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন সংরক্ষণের জন্য।

• কপ-৩০ সম্মেলন: 

- কপ-৩০ হলো জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন,
- এটি ২০২৫ সালের ১০-২১ নভেম্বর ব্রাজিলের বেলেমে অনুষ্ঠিত হয়।
- যা প্যারিস চুক্তির অধীনে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।

• মূল অর্জনসমূহ:
- কপ-৩০-এ 'বেলেম প্যাকেজ' গৃহীত হয়, যা জলবায়ু অভিযোজনের জন্য অর্থায়নকে ২০৩৫ সালের মধ্যে তিনগুণ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে (প্রায় ১২০ বিলিয়ন ডলার অভিযোজনের জন্য বরাদ্দ)।
- ব্রাজিলের নেতৃত্বে জীবাশ্ম জ্বালানি-মুক্ত অর্থনীতিতে ন্যায়সঙ্গত স্থানান্তরের জন্য দুটি রোডম্যাপ চালু করা হয়েছে, যা কপের বাইরে কাজ করবে।
- 'ট্রপিক্যাল ফরেস্ট ফরএভার ফান্ড' (TFFF) চালু, যাতে ৬.৭ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে (লক্ষ্য ২৫ বিলিয়ন ডলার)। এছাড়া বন এবং ভূমি অধিকারের জন্য ১.৮ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি।
- জলবায়ু পরিবর্তনের স্বাস্থ্য প্রভাবকে প্রধান থিম করা হয়েছে; 'বেলেম হেলথ অ্যাকশন প্ল্যান' চালু।
-  মহিলা, আদিবাসী এবং আফ্রো-বংশোদ্ভূত সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষা; আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং জলবায়ুর উপর ডায়লগ চালু; গ্লোবাল ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যাক্সিলারেটর লঞ্চ।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট। 

১৬০.
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা কীসের জন্য বিখ্যাত ছিল?
  1. ধর্মীয় সংস্কার
  2. জাহাজ নির্মাণ
  3. লিখন পদ্ধতি উদ্ভাবন
  4. আইন প্রণয়ন
সঠিক উত্তর:
আইন প্রণয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন প্রণয়ন
ব্যাখ্যা

ব্যাবিলনীয় সভ্যতা: 
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা হলো মেসোপটেমিয়ায় গড়ে উঠা দ্বিতীয় সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১৬০০ অব্দে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা বিকশিত হয়।
- অ্যামেরাইট জাতি এই সভ্যতা গড়ে তোলে।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা আইন প্রণয়নের জন্যে বিখ্যাত।
- ব্যাবিলনীয় রাজা হাম্বুরাবি পৃথিবীর প্রথম আইনপ্রণেতা হিসেবে বিবেচিত। ফ্রান্সের লুভ্যর মিউজিয়ামে সংরক্ষিত একটি স্তম্ভে ২৮২টি আইনের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- আইন প্রণয়নের পাশাপাশি বিজ্ঞান, জ্যোতিষশাস্ত্র, গণিত ও শিল্পকলায়ও ব্যাবিলনীয় সভ্যতার অবদান রয়েছে।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতায় মাসকে ৩০দিনে, সপ্তাহকে ৭দিনে এবং দিনকে ২৪ ঘন্টায় বিভক্ত করা হয়।

উৎস: ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণী।

১৬১.
২০২৫ সালের গ্লোবাল পিস ইনডেক্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, এশিয়ার শান্তিপূর্ণ শীর্ষ দেশ- 
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. জাপান
  3. সিঙ্গাপুর
  4. ভুটান
সঠিক উত্তর:
সিঙ্গাপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা

বিশ্বের শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকা: 
- ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) সম্প্রতি গ্লোবাল পিস ইনডেক্স (জিপিআই) প্রকাশ করেছে।
- মোট ১৬৩টি স্বাধীন রাষ্ট্র ও অঞ্চলকে কয়েকটি মা নদণ্ডে মূল্যায়ন করে চলতি বছর বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকা করা হয়েছে। 
- এশিয়ার একমাত্র দেশ সিঙ্গাপুর গ্লোবাল পিস ইনডেক্সের শীর্ষ দশের মধ্যে আছে।
- দেশটির অবস্থান ষষ্ঠ।
- নিরাপত্তা ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে দেশটির র‍্যাংকিং ওপরে। তবে বিশ্বের সর্বোচ্চ মাথাপিছু সামরিক ব্যয়ের দেশ এটি।

•১ম স্থান: আইসল্যান্ড;
•২য়: আয়ারল্যান্ড;
•৩য় নিউজিল্যান্ড;
•৪র্থ: অস্ট্রিয়া;
•৫ম: সুইজারল্যান্ড;
•৬ষ্ঠ সিঙ্গাপুর।

উৎস: ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি রিপোর্ট।

১৬২.
’বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক' প্রকাশ করে কোন সংস্থা?
  1. Earth watch
  2. World watch
  3. German watch
  4. Green watch
সঠিক উত্তর:
German watch
উত্তর
সঠিক উত্তর:
German watch
ব্যাখ্যা

German watch:
- এটি একটি অলাভজনক বেসরকারি পরিবেশ এবং বাণিজ্য সংস্থা।
- এটি শিল্পোন্নত দেশের সাথে অনুন্নত দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।
- এটি প্রতি বছর "বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক" প্রকাশ করে।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৯১ সালে।

উৎস: German watch ওয়েবসাইট।

১৬৩.
ফাইভ আইজ (FVEY) জোটের সদস্য দেশ নয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ভারত 
  4. অস্ট্রেলিয়া 
সঠিক উত্তর:
ভারত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত 
ব্যাখ্যা

• Five Eyes (FVEY): 
- আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা চুক্তি/সহযোগিতা।
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র , যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড।
 - প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৬-এ “UKUSA Agreement” থেকে শুরু,
- আধুনিক Five Eyes আকারে বিকাশ পায় ১৯৫০-এর দশকে।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে কঠোর তথ্য বিনিময় ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করে। 
 • প্রধান সংস্থা সমূহ: NSA (USA), GCHQ (UK), CSE (Canada), ASD (Australia), GCSB (New Zealand).

• মূল কার্যক্রম: 
- সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স (SIGINT) আদান-প্রদান।
- আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী গোয়েন্দা।
- সাইবার নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি শেয়ারিং।
- বিশ্বব্যাপী নজরদারি ও তথ্য বিনিময় ।

উৎস:  Britannica ওয়েবসাইট।

১৬৪.
নিচের কোন দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা রয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. মালদ্বীপ
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা: 
- রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে।
- এবং তিনি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন।
- এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি একই সঙ্গে রাষ্ট্রের প্রধান (Head of State)।
- এবং সরকার প্রধান (Head of Government) হিসেবে কাজ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্র, মালদ্বীপ ও ইন্দোনেশিয়ায় এ পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা রয়েছে।
 
উৎস:  Britannica.

১৬৫.
International Development Association (IDA)- এর বর্তমান সদস্য দেশ কতটি?
  1. ১৯৩টি
  2. ১৭৩টি
  3. ১৭৫টি
  4. ১৮৭টি
সঠিক উত্তর:
১৭৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৫টি
ব্যাখ্যা

IDA:
- IDA এর পূর্ণরূপ: International Development Association.
- বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি সংস্থা। এটি তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- যার কারণে IDA কে Soft Loan Window বলা হয়।

- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশ IDA থেকে সর্বাধিক অর্থ সহায়তা পেয়ে থাকে।
- IDA ১৯৬০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ১৫টি সদস্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IDA বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৫টি।
- সর্বশেষ সদস্য বুলগেরিয়া।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: IDA ওয়েবসাইট।

১৬৬.
V-20-এর প্রথম সভা কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. নাইরোবি, কেনিয়া
  3. লিমা, পেরু
  4. প্যারিস, ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
লিমা, পেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিমা, পেরু
ব্যাখ্যা

• V- 20 বা Vulnerable Twenty Group:
- এটি হলো ২০টি জলবায়ু-সংবেদনশীল (climate-vulnerable) দেশের একটি জোট,
- এই দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১৫ সাল।
- প্রথম সভা: লিমা, পেরুতে।
- উদ্যোক্তা দেশ: ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (CVF)।
- প্রথম সদস্য ২০টি দেশ।
- প্রাথমিক সদস্য দেশ যথা:
- আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, বার্বাডোস, ভুটান, কোস্টা রিকা, ইথিওপিয়া, ঘানা, কেনিয়া, কিরিবাতি, মালদ্বীপ, মাদাগাস্কার, নেপাল, ফিলিপাইন, রুয়ান্ডা, সেন্ট লুসিয়া, দক্ষিণ সুদান, পূর্ব তিমুর, টুভালু, তানজানিয়া, ভিয়েতনাম।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ৭০ টি। 

উৎস: V- 20 ওয়েবসাইট।

১৬৭.
ন্যাটোর (NATO) প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ কোনটি?
  1. পোল্যান্ড
  2. আলবেনিয়া
  3. ডেনমার্ক
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

- ন্যাটোর (NATO) প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ডেনমার্ক।
- আলবেনিয়া ২০০৯ সালে সদস্য পদ লাভ করে।
- পোল্যান্ড ১৯৯ সালে সদস্য পদ লাভ করে।
- স্পেন  ১৯৮২ সালে সদস্য পদ লাভ করে।

• NATO: 
- এর পূর্ণরূপ:  North Atlantic Treaty Organizations.
- এটি সামরিক জোট  ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
- ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ছিলো ১২টি।
- যুক্তরাষ্ট্র; কানাডা; বেলজিয়াম; যুক্তরাজ্য; ফ্রান্স; ইতালি; নেদারল্যান্ডস; নরওয়ে; পর্তুগাল; লুক্সেমবার্গ; ডেনমার্ক; আইসল্যান্ড।

• গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী: 
- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি।
- ন্যাটো সদরদপ্তর ব্রাসেলসে অবস্থিত।
-  NATO বর্তমান মহাসচিব হলেন মার্ক রুটে (Mark Rutte),
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।

• NATO সম্মেলন: 
- ২০২৬ সালে ৩৪তম ন্যাটো সম্মেলন (NATO Summit 2026) অনুষ্ঠিত হবে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায়।
-  ২০২৫ সালে ৩৩তম ন্যাটো সম্মেলন হয় নেদারল্যান্ডে।

উৎস:  NATO ওয়েবাসাইট।

১৬৮.
UNHCR বর্তমানে বিশ্বের কতটি দেশে শরণার্থীদের সুরক্ষা প্রদান করেছে? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. ১৩০টি
  2. ১৩৬টি
  3. ১২০টি
  4. ১৪০টি
সঠিক উত্তর:
১৩৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৬টি
ব্যাখ্যা

- UNHCR বর্তমানে ১৩৬টি দেশে শরণার্থীদের সুরক্ষা প্রদান করছে।
- UNHCR  তার মূল ম্যান্ডেট অনুসারে ১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশন (Convention Relating to the Status of Refugees) এবং এর ১৯৬৭ সালের প্রোটোকলের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে।
- এই চুক্তিগুলো শরণার্থীর সংজ্ঞা নির্ধারণ করে, তাদের অধিকার রক্ষা করে (যেমন নিরাপত্তা, শিক্ষা, কাজের অধিকার)।

• UNHCR:
- পূর্ণ নাম: United Nations High Commissioner for Refugees.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- কার্যক্রম শুরু: ১ জানুয়ারি, ১৯৫১।
- বর্তমান UNHCR-এর হাই কমিশনারের নাম বারহাম সালিহ (Barham Salih)।
- তিনি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পদ গ্রহণ করেছেন এবং ৫ বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন।
- ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে UNHCR নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। 
- দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- স্লোগান / মিশন: "The UN Refugee Agency – Protecting People Forced to Flee"

উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট।

১৬৯.
বিশ্বের প্রথম লেজার সুরক্ষা ব্যবস্থা 'আয়রন বিম'(Iron Beam) চালু করেছে কোন দেশ?
  1. ইরান
  2. ইসরায়েল
  3. তুরস্ক
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

আয়রন বিম:
- প্রথমবারের মতো ইসরায়েল আকাশ পথে আসা যেকোনো ধরনের হামলা প্রতিহত করতে লেজার ভিত্তিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা চালু করেছে।

- আয়রন ডোমের আদলে নতুন এই লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নাম দেওয়া হয়েছে 'আয়রন বিম'।
- এটি ইসরায়েলের সুপরিচিত আয়রন ডোম ও ডেভিড'স স্লিং ব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশটিকে সুরক্ষা দেবে।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা।[লিঙ্ক]

১৭০.
নিচের কোন দেশটি ভেনেজুয়েলার প্রতিবেশী দেশ নয়?
  1. কলম্বিয়া
  2. ব্রাজিল
  3. গায়ানা
  4. বলিভিয়া 
সঠিক উত্তর:
বলিভিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলিভিয়া 
ব্যাখ্যা

- ভেনেজুয়েলার প্রতিবেশী দেশ নয় বলিভিয়া।

• ভেনেজুয়েলা দেশ পরিচিতি:

- রাষ্ট্রীয় নাম: The Bolivarian Republic of Venezuela
- স্বাধীনতা স্পেন থেকে: ৫ জুলাই ১৮১১
- গ্রান কলম্বিয়া থেকে: ১৩ জানুয়ারী ১৮৩০
- বিশ্বে স্বীকৃত: ২৯ মার্চ ১৮৪৫
- রাজধানী :কারাকাস (Caracas).
- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূল; ক্যারিবীয় সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর সংলগ্ন
- সীমান্ত দেশ : কলম্বিয়া (পশ্চিম), ব্রাজিল (দক্ষিণ), গায়ানা (পূর্ব)
- রাষ্ট্রভাষা: স্প্যানিশ
- মুদ্রা: ভেনিজুয়েলান বলিভার
- পার্লামেন্ট: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (National Assembly).

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৭১.
বিশ্ব আবহাওয়া দিবস পালিত হয় কত তারিখে?
  1. ২৩ মার্চ
  2. ৩১ মে
  3. ১৬ অক্টোবর
  4. ২৭ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ
ব্যাখ্যা

- ১৯৫০ সালের ২৩ মার্চ বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি কার্যকর হয়।
- যার কারণে ২৩ মার্চ প্রতিবছর বিশ্ব আবহাওয়া দিবস হিসেবে পালিত হয়।

অন্যদিকে,
- ৩১ মে : বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস
- ২৭ সেপ্টেম্বর : বিশ্ব পর্যটন দিবস
- ১৬ অক্টোবর : বিশ্ব খাদ্য দিবস।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৭২.
ইউরোপের কোন দেশে রেনেসাঁর সূত্রপাত ঘটেছিলো?
  1. জার্মানি
  2. ইতালি
  3. ফ্রান্স
  4. ইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা

রেনেসাঁ: 
- রেনেসাঁ মানে হলো পুনর্জন্ম বা পুনর্জাগরণ।
- মধ্যযুগে ইউরোপের সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চায় প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির পুনর্জাগরণকে রেনেসাঁ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে প্রথম রেনেসাঁর সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে তা ইতালির অন্যান্য শহর এবং ইউরোপের অপরাপর দেশে বিস্তার লাভ করে।
- ১৪শ থেকে ১৬শ শতককে রেনেসাঁর সময়কাল বিবেচনা করা হয়। তৎকালীন সময়ে ইউরোপীয় বিত্তবান ও ধনিক শ্রেণীর পৃষ্ঠপোষকতার ফলে রেনেসাঁ সংঘটিত হয়।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১৭৩.
চিহুয়ান কোন ধরনের মরুভূমি?
  1. উপকূলীয় মরুভূমি
  2. শীতল মরুভূমি
  3. শুষ্ক প্রায় মরুভূমি
  4. উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি
ব্যাখ্যা

- চিহুয়ান উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি।

• উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি:
- আমেরিকার চিহুয়ান, সোনোরান, মোজাভি ও গ্রেট বেসিন মূলত এই প্রকারের মরুভূমি।
- এসব মরুভূমি সারা বছরই খুব উষ্ণ ও শুষ্ক থাকে।
- গ্রীষ্মকালে খুব গরম হয় এবং শীতকালে সামান্য বৃষ্টিপাত হয়।

- এখানে গড় তাপমাত্রা ২০-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ৪৩-৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং কখনো সর্বনিম্ন ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ নেমে আসে।
- এ ধরনের মরুভূমিতে সর্বোচ্চ ২৮ সেমি বৃষ্টিপাত হয়।
- মাটি সাধারণত পাথুরে হয়ে থাকে। এ মরুভূমিতে গাছপালা খুব কম।
- প্রাণিকূলের মধ্যে ক্যাঙ্গারু, ইঁদুর, পোকামাকড়, সরীসৃপ জাতীয় কিছু প্রাণি দেখতে পাওয়া যায়।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৪.
ঘূর্ণিঝড় ’মোন্থা'র নামকরণ করে কোন দেশ?
  1. ভিয়েতনাম
  2. থাইল্যান্ড
  3. ইন্দোনেশিয়া 
  4. মালদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড়:
- সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৫)-এ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ যা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে।
- প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের নাম 'মোন্থা'।
- ঘূর্ণিঝড় 'মোন্থা'র নাম প্রদান করেছে থাইল্যান্ড।
- থাইল্যান্ডের দেওয়া এই নামের অর্থ 'সুগন্ধি ফুল'।
- ২৮ অক্টোবর, ২০২৫ স্থানীয় সময় রাতে ঝড়টি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল অতিক্রম করে।

উল্লেখ্য
- ডব্লিউএমও পাঁচটি বিশেষ আঞ্চলিক আবহাওয়া সংস্থার (আরএসএমসি) সঙ্গে সমন্বয় করে ২০০৪ সাল থেকে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করেছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকার নিউজ।

১৭৫.
পৃথিবীর প্রাচীনতম 'ফিঙ্ক (Finke)' নদী কোন দেশে অবস্থিত?
  1. মিশর
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. জাপান
  4. চীন 
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর প্রাচীনতম 'ফিঙ্ক'(Finke) নদী  অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।
- ধারণা করা হয়, অস্ট্রেলিয়ার ফিঙ্ক নদী পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন নদী।
- এটির বয়স ৩৫ থেকে ৪০ কোটি বছর।
- অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসী জনগণ এই নদীকে 'লারাপিনটা' নামে ডাকে।
- অস্ট্রেলিয়ায় 'অ্যালিস স্প্রিংস ওরোজেনি' গড়ে ওঠার আগে থেকেই ফিঙ্ক নদী প্রবাহিত হচ্ছে বলে ধারণা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- অ্যালিস স্প্রিংস ওরোজেনি হলো একটি ভূতাত্ত্বিক গঠন।
- এ সময়ে অস্ট্রেলিয়ার মধ্যভাগের পাহাড়ি অঞ্চল গঠিত হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৭৬.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার সাইট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. সিলেট
  3. সুনামগঞ্জ
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা

রামসার সাইট:
- রামসার কনভেনশন রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট  হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।
- বাংলাদেশের প্রথম রামসার সাইট সুন্দরবন।
- ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবনকে রামসার সাইট (রামসার কনভেনশন কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জলাভূমি) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর।
- এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি টাঙ্গুয়ার হাওরকে সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।

১৭৭.
নিচের কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক?
  1. আহ্নিক গতি
  2. বায়ুপ্রবাহ
  3. বার্ষিক গতি
  4. বায়ুর ঘনত্ব
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু:
- জলবায়ু হলো কোনো স্থানের ৩০-৪০ বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থা।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো বায়ুর তাপ, চাপ, বারিপাত, আর্দ্রতা এবং বায়ুপ্রবাহ।
• জলবায়ুর প্রধান নিয়ামকগুলো হলো-
- অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ, বনভূমি, সমুদ্রস্রোত, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল ও মৃত্তিকা প্রভৃতি ৷

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৮.
বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য কয়টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে?
  1. ১০টি
  2. ৭টি
  3. ৫টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

- বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে ।

• বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে।
- যথা- বন্যা, ঝড়, মরুকরণ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
- এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি হয়েছে।
- সেই তালিকায় ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে বাংলাদেশের নাম রয়েছে।

এছাড়াও,
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।
- জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে এবং দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে। ’আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে। উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ইত্যাদি ঝুঁকি বাড়বে।

- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলেই এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা যাবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
- ইন্টারগভার্মেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেন্ট চেঞ্জ (আইপিসিসি) এর তথ্যানুযায়ী, ২০৩০ সালের পর এদেশের নদীর প্রবাহ অনেক কমে যাবে

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৯.
মেঘ বিস্ফোরণের (Cloudburst) ক্ষেত্রে কোন ঘটনাটি সত্য? 
  1. এক ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  2. সাধারণত পাহাড়ি অঞ্চলে ঘটে
  3. এর ফলে আকস্মিক বন্যা ও নদীর পানি বৃদ্ধি হয়
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

মেঘ বিস্ফোরণ (Cloudburst): 
- মূলত, মেঘ বিস্ফোরণ এক ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সাধারণত পাহাড়ি অঞ্চলে ঘটে এটি।

কারণ
- এটি সাধারণত বর্ষার সময় পাহাড়ি অঞ্চলে ঘটে থাকে।
- হিমালয়ের পাদদেশে আরব সাগর থেকে আসা আর্দ্র বাতাস পাহাড়ের কারণে ওপরে উঠে যায়, যা 'অরোগ্রাফিক লিফট' নামে পরিচিত।
- এর ফলে বিশাল কিউমুলোনিম্বাস মেঘ (উলম্ব মেঘ) তৈরি হয়, যা বড় আকারের বৃষ্টির ফোঁটা ধারণ করতে পারে।
- এই মেঘ ভারী হয়ে ফেটে গেলে অল্প সময়ে প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত ঘটে।

প্রভাব
- আকস্মিক বন্যা ও নদীর পানি বৃদ্ধি;
- সেতু, রাস্তা, ঘরবাড়ি ধ্বংস;
- কৃষি জমি ও ফসল ক্ষতিগ্রস্ত;
- বহু মানুষের মৃত্যু ও আহত হওয়ার ঘটনা।

• ভারতের জম্মু ও কাশ্মিরের চাশোটি এলাকায় গত ১৪ আগস্ট ২০২৫ সালে ভয়াবহ মেঘ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। 

উৎস: দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।[লিঙ্ক]

১৮০.
ভারতীয় কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোনো সীমান্ত নেই?
  1. মিজোরাম
  2. আসাম
  3. ত্রিপুরা
  4. মণিপুর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর
ব্যাখ্যা

- ভারতের মণিপুর রাজ্যের সাথে বাংলাদেশ কোনো সীমান্ত সংযোগ নেই।

• বাংলাদেশের সাথে ভারতের সেভেন সিস্টার্সভুক্ত চারটি রাজ্যসহ মোট ৫টি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে। এগুলো হলো:
- পশ্চিমবঙ্গ,
- আসাম,
- মেঘালয়,
- ত্রিপুরা এবং
- মিজোরাম৷

- উল্লেখ্য, সেভেন সিস্টার্সভুক্ত মণিপুর, অরুণাচল ও নাগাল্যান্ড রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

১৮১.
'ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন হও' ও 'বাঁচার জন্য মরো' মূলত কার নৈতিক মতবাদ?
  1. হেগেল
  2. জেরেমি বেন্থাম 
  3. রুশো
  4. জন লক
সঠিক উত্তর:
হেগেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেগেল
ব্যাখ্যা

পূর্ণতাবাদ:
- পূর্ণতাকে যে নীতি নৈতিকতার মান হিসেবে গ্রহণ করে তাকে পূর্ণতাবাদ বলে।
- হেগেলের পূর্ণতাবাদের ব্যাখ্যা প্রদান করে তেমন দুটি উক্তি খুবই প্রসিদ্ধ। এগুলো হচ্ছে:
(১) ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন হও (Be a person):
- আত্ম-সচেতনতাই যদি মানুষের লক্ষ্য হয় এ তার মধ্যে এমন একটি বোধের সৃষ্টি করে যাকে আমরা তার ব্যক্তিত্ববোধ বলতে পারি। এ ব্যক্তিত্ববোধ নিছক অন্যান্য প্রাণীদের স্বাতন্ত্র্যবোধের মত নয়। মানুষ ব্যতীত অন্যান্য প্রাণীরা তাদের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব বুঝতে পারে এই অর্থে যে, তারা অন্যের বিরুদ্ধে ভিন্ন সত্তা হিসেবে নিজেকে জাহির করে, অন্যকে তার জীবন থেকে স্বতন্ত্র করে দেখে এবং সময়ে নিজে পরিতৃপ্তির জন্য তাদের সংগে মারামারি করে। কিন্তু মানুষ এর ঊর্ধ্বেও নিজ অস্তিত্ব সম্পর্কে চিন্তা করতে পারে। তার স্বাতন্ত্র্যবোধ তাকে যেখানে অন্যদের থেকে আলাদা করে রাখে, তার ব্যক্তিত্ববোধের কল্যাণে তাদের সংগে সে নিজেকে জড়িত করে ফেলে। আর এর ফলে সময়ে সে অপরের জন্য আত্মাৎসর্গও করে। হেগেলের মতে ব্যক্তিত্ব বলতে তাই নৈতিক ব্যক্তিত্বকে বুঝায়।
 
২) বাঁচার জন্য মরো (Die to live): মানুষ যেহেতু আত্মসচেতন জীব এবং যেহেতু তার ব্যক্তিত্ব রয়েছে, সেহেতু সে অপরাপর জীব থেকে পৃথক। কিন্তু একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, তাদের সংগে তার কিছু মিলও রয়েছে। যেমন তার রয়েছে কিছু ইন্দ্রিয়বৃত্তি। এগুলোকে দমন করতে না পারলে প্রকৃত আত্ম-সচেতনতা তথা বৌদ্ধিক জীবন লাভ হয় না। অথচ ঐ জীবনেই রয়েছে মানুষের মুক্তি তথা সমস্ত ক্ষুদ্রতা, তুচ্ছতা ও স্বার্থপরতা থেকে মুক্তি। এ কারণে মানুষকে তার প্রবৃত্তিগুলোকে দমন করতে হবে; অন্যকথায় তার জীববৃত্তিমূলক জীবনকে হত্যা করতে হবে। এতে করে প্রকৃতপক্ষে সে বেঁচে যাবে। প্রত্যেকটি স্বার্থপর আবেগকে অবশ্যই অস্বীকার করতে হবে অথবা সম্পূর্ণ যৌক্তিক সত্তাময় জীবনের আওতায় আনতে হবে মিথ্যা, অযোগ্য, বিশেষ, স্বতন্ত্র, আলাদা সত্তাকে অবশ্যই লুপ্ত হতে হবে, যদি সত্যিকারের বৌদ্ধিক ব্যক্তিকে বেঁচে থাকতে হয়"।

উৎস: i) নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

১৮২.
জন লকের মতে, মানুষের প্রাকৃতিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. শিক্ষা ও নিরাপত্তা
  2. বিচার ও সুরক্ষা
  3. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  4. জীবন, স্বাধীনতা ও সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
জীবন, স্বাধীনতা ও সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবন, স্বাধীনতা ও সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

জন লক (John Locke):
- জন লক একজন ইংরেজ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, চিন্তাবিদ ও রাজনৈতিক।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক চিন্তাধারার ভিত্তি স্থাপনকারী হিসেবে জন লককেই 'আধুনিক গণতন্ত্রের জনক' বলা হয়। 
- তাঁর রাজনৈতিক দর্শন আধুনিক গণতন্ত্রের তাত্ত্বিক ভিত্তি গড়ে তোলে। 

⇒ প্রাকৃতিক অধিকার তত্ত্ব:
- জন লক মানুষের জন্মগত অধিকারকে রাষ্ট্রের ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।
- জন লকের মতে, প্রতিটি মানুষের তিনটি মৌলিক প্রাকৃতিক অধিকার রয়েছে। এগুলো হলো: জীবন, স্বাধীনতা, সম্পত্তি।
- এই অধিকার রাষ্ট্র দেয় না; বরং রাষ্ট্রের কাজ হলো এসব অধিকার রক্ষা করা।
- আধুনিক গণতন্ত্রে মানবাধিকার ধারণার মূল উৎস এই তত্ত্ব।

উল্লেখ্য,
- তিনি প্রকৃতির রাজ্য সম্পর্কে তার ধারণা তুলে ধরেছেন।
- লকের মতে, প্রকৃতির রাজ্য হল এমন একটি অবস্থা যেখানে মানুষ রাষ্ট্রের বাইরে বাস করে। এই রাজ্যে মানুষ স্বাধীন ও সমান, এবং তারা প্রাকৃতিক আইনের অধীনে পরিচালিত হয়। প্রাকৃতিক আইন হল এমন কিছু নীতি যা সকল মানুষের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য, এবং এগুলি ঈশ্বরের দ্বারা প্রদত্ত বলে ধরে নেওয়া হয়।
- লকের প্রকৃতির রাজ্য ধারণাটি তার সামাজিক চুক্তি তত্ত্বের ভিত্তি। এই তত্ত্বে তিনি যুক্তি দেন যে, মানুষ প্রকৃতির রাজ্যে স্বাধীন ও সমান, কিন্তু তাদের স্বাধীনতা ও সমতার অধিকার রক্ষার জন্য তারা সামাজিক চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র গঠন করে। লকের প্রকৃতির রাজ্য ধারণাটি আধুনিক রাজনৈতিক চিন্তার উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। এটি আমেরিকান বিপ্লবের সময় বিশেষভাবে প্রভাবশালী ছিল।

উৎস: i) রাষ্ট্রবিজ্ঞান-২: রাষ্ট্রচিন্তা, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

১৮৩.
মূল্যবোধ মানুষের কীসের একটি বিশেষ মানদন্ড?
  1. ইচ্ছা
  2. প্রথা
  3. বুদ্ধি
  4. মনোভাব
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছা
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
- সমাজ বিজ্ঞানী উইলিয়াম এর মতে, "মূল্যবোধ মানুষের ইচ্ছার একটি মানদণ্ড।"

⇒ মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাস, আদর্শ ও নীতির সমষ্টি যা ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট কাজে পরিচালিত করে এবং অন্যের কাজের ভাল মন্দ বিচারের মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়।
- মূল্যবোধ, ব্যক্তিদল, পরিবার, সমষ্টি, সমাজ, পেশা, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি সকল পর্যায়েই থাকে।
- মূল্যবোধ ছন্দময় এবং পরিবর্তনশীল।
- স্থান-কাল-পাত্র ভেদে মূল্যবোধ ভিন্ন হতে পারে।
- এটি সম্পূর্ণ বিমূর্ত। তবে দলীয়, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক বিধি-বিধান, আইন, নীতি ইত্যাদিতে সংশ্লিষ্ট মূল্যবোধের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়।
- সামাজিক মূল্যবোধ হলো সমাজের সদস্যদের সিংহভাগের সর্ব সম্মত বিশ্বাস, আদর্শ, নীতি ইত্যাদির সমষ্টি যা তারা ভাল বলে গ্রহণ করে।
- সমাজের মানুষের ভাল মন্দ আচরণ বিচারের মানদন্ড হলো সামাজিক মূল্যবোধ। এটি মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- এম আর উইলিয়ামস বলেছেন যে, "মূল্যবোধ হলো মানুষের ইচ্ছার একটি মানদন্ড যার আদর্শে মানুষের আচরণ ও আইন কানুন নিয়ন্ত্রিত হয় এবং সমাজে মানুষের কাজের ভাল মন্দ বিচার করা হয়"।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮৪.
আইন ও নৈতিক বিধির প্রধান বিষয়বস্তু কী?
  1. রাষ্ট্র
  2. প্রশাসন
  3. মানুষ
  4. সমাজব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
মানুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানুষ
ব্যাখ্যা

আইন ও নৈতিক বিধির সম্পর্ক ও পার্থক্য: 
- আইন ও নৈতিক বিধির মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
- আইন ও নৈতিক বিধি উভয়ের বিষয়বস্তু মানুষ এবং উদ্দেশ্য মানুষের কল্যাণসাধন।
- জনগণের সম্মতি ছাড়া আইন কার্যকর করা দুরূহ। নৈতিকতা বিরুদ্ধ আইন অনেক ক্ষেত্রে জনসম্মতি হারায় বরং জনরোষ সৃষ্টি করতে পারে। আবার নৈতিক বিধি মানুষের আইনগত অধিকার লঙ্ঘনের কারণ হলে রাষ্ট্র সে ক্ষেত্রে আইনের সাহায্যে হস্তক্ষেপ করতে পারে।
- আইন ও নৈতিক বিধির মধ্যে সম্পর্ক ও নির্ভরশীলতা থাকা সত্ত্বেও দুটোর মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে।
- আইন মানবসমাজের দর্পণস্বরূপ।
- মানুষের দেহ, সম্পত্তি, সুনাম ও মর্যাদা সুরক্ষার উদ্দেশ্যে আইন প্রণীত হয়ে থাকে, যা মেনে চলা রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য বাধ্যতামূলক। রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, অনুমোদন এবং আইন মেনে চলার বাধ্যবাধকতা আইনের অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য, যার উপস্থিতি ছাড়া কোনো বিধিনিষেধ আইনে পরিণত হয় না।
- নৈতিক বিধি হলো ধর্ম বা সমাজ আরোপিত বিভিন্ন বিধিনিষেধ, যা মানুষের বিবেকবোধ, নীতিবোধ, ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিতের ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
- আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু নৈতিক বিধি মানুষের চিন্তা ও মনোভাব নিয়ে যে অন্তর্জগৎ, সেটির নিয়ন্ত্রণকে গুরুত্ব দেয়।

⇒ আইনের বিধানগুলো সাধারণত লিখিত ও সুনির্দিষ্ট হয়ে থাকে, অন্যদিকে নৈতিক বিধি আইনের মতো লিখিত ও বিধিবদ্ধরূপে থাকে না। ফলে নৈতিক বিধির প্রয়োগ আইনের মতো স্পষ্ট ও কাঠামোবদ্ধ নয়। রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রতিষ্ঠান আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করে থাকে। আইন ভঙ্গ করলে রাষ্ট্র বা সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে বলপ্রয়োগ ও শাস্তি বিধানের মাধ্যমে আইন মেনে চলতে বাধ্য করতে পারে, কিন্তু নৈতিক বিধি কার্যকর করার বিষয়টি মানুষের নিজস্ব বিবেচনা ও বিবেকবোধের ওপর নির্ভরশীল। সর্বজনীনতা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। অর্থাৎ সব মানুষ আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং রাষ্ট্রের সবার ওপর আইন সমভাবে প্রযোজ্য, অন্যদিকে নৈতিক বিধি অঞ্চল ও ব্যক্তিভেদে আলাদা হতে পারে। আইন বিরুদ্ধ হলেও কোনো বিষয় নৈতিকতা বিরুদ্ধ না-ও হতে পারে, তেমনি নৈতিকতা বিরুদ্ধ হলেও অনেক বিষয় আবার বেআইনি নয়। আইনের অন্যতম একটি সুবিধা হচ্ছে এটি ব্যক্তিগত ইচ্ছাপ্রসূত স্বেচ্ছাচারিতা ও পক্ষপাত প্রতিরোধ করে। অন্যদিকে আইনের অসুবিধা ও সীমাবদ্ধতা হচ্ছে এটির অনমনীয়তা, আনুষ্ঠানিকতা, জটিলতা ও রক্ষণশীলতা।

উৎস: প্রথম আলো।

১৮৫.
কোনটি নৈতিক মূল্যবোধের অন্তর্ভুক্ত?
  1. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
  2. দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো
  3. আইনের শাসন
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো
ব্যাখ্যা

নৈতিক মূল্যবোধ:
- নীতি ও উচিত-অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস।
- নৈতিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব মনোভাব এবং আচরণ যা মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তিবোধ করে।
- সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা, অন্যায়কে অন্যায় বলা, অন্যায় কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং অন্যকে বিরত রাখতে পরামর্শ প্রদান করা, দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও বিপদ থেকে উদ্ধারে তাকে সাহায্য করা, অসহায় ও ঋণগ্রস্ত মানুষকে ঋণমুক্ত হতে সাহায্য করাকে নৈতিক মূল্যবোধ বলা যেতে পারে।
- শিশু তার পরিবারেই সর্বপ্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায়।

⇒ নৈতিক মূল্যবোধ হল এমন কিছু নির্দেশিকা যা একজন ব্যক্তিকে সঠিক এবং ভুলের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। দৈনন্দিন জীবনে সৎ, বিশ্বাসযোগ্য এবং ন্যায্য বিচার এবং সম্পর্ক তৈরি করতে, মানুষের নৈতিকতার সাথে আত্ম-সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নৈতিক মূল্যবোধ একজন ব্যক্তির আচরণকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সাহায্য করে। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১মপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৮৬.
প্লেটোর মতে কোন সদ্গুণ রাষ্ট্র ও ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ অত্যাবশ্যকীয়?
  1. প্রজ্ঞা
  2. সাহস
  3. মিতাচার
  4. ন্যায়
সঠিক উত্তর:
ন্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়
ব্যাখ্যা

সদ্গুণ:
- ইংরেজিতে যাকে Virtue বলে বাংলায় তাকেই আমরা সদ্গুণ বলি।
- Virtue শব্দটির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে Excellence বা উৎকর্ষতা।
- এই হিসেবে মানুষের চরিত্রের যে সব লক্ষণগুলো তার চরিত্রের উৎকর্ষতা প্রমাণ করে তাদেরকেই সদ্গুণ বলা হয়।

⇒ প্লেটো ৪টি প্রধান সদ্গুণের (Cardinal Virtues) কথা উল্লেখ করেছেন।
- এগুলো হচ্ছে: প্রজ্ঞা, সাহস, মিতাচার ও ন্যায়।
- প্লেটোর মতে, ন্যায় হলো রাষ্ট্র ও ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ অত্যাবশ্যকীয় সদ্গুণ যা প্রতিটি অংশকে তার সঠিক ভূমিকা পালন করতে এবং সামগ্রিক সামঞ্জস্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
- এটি ব্যক্তি-আত্মায় যুক্তি (Reason) ও সাহস (Spirit) এবং ভোগপ্রবৃত্তি (Appetite)-এর সঠিক বিন্যাস এবং রাষ্ট্রে শাসক, সৈনিক ও উৎপাদক শ্রেণির নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে অর্জিত হয়। 
- তবে ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের মধ্যে যখন অন্য তিনটি সদ্গুণের অস্তিত্ব থাকে তখনই ন্যায়রূপ সদ্গুণের অভ্যুদয় ঘটে।

উৎস: i) নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) নৈতিক আলোচনায় এরিস্টটলের সদগুণ: একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা, মানববিদ্যা গবেষণাপত্র।

১৮৭.
একজন যোগ্য প্রশাসকের মৌলিক গুণাবলির মধ্যে শ্রেষ্ঠ গুণ কোনটি?
  1. নৈতিকতা
  2. দায়িত্বশীলতা
  3. দক্ষতা
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
নৈতিকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৈতিকতা
ব্যাখ্যা

নৈতিকতা:
- একজন যোগ্য প্রশাসকের মৌলিক গুণাবলীর মধ্যে নৈতিকতাকে শ্রেষ্ঠ গুণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- কারণ এটি ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় পার্থক্য করতে সাহায্য করে এবং দায়িত্বশীলতা ও দক্ষতা প্রদর্শনের ভিত্তি তৈরি করে যা প্রশাসককে জনগণের আস্থা অর্জনে ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য করে তোলে। 

উল্লেখ্য,
- নৈতিকতা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আস্থা, সততা এবং ন্যায়বিচারের ভিত্তি তৈরি করে।
- এটি সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বিশ্বাস ও প্রেরণা জাগাতে সহায়ক।
- নৈতিকতা এমন একটি গুণ যা সততা, ন্যায্যতা, এবং দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে সঠিক ও ন্যায্য সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।
- নৈতিকতা ছাড়া অন্য গুণাবলিগুলো কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব নয়।

অন্যদিকে,
- দায়িত্বশীলতা: দায়িত্বশীলতা একজন প্রশাসকের গুরুত্বপূর্ণ গুণ, তবে এটি নৈতিকতার উপর নির্ভরশীল। যদি কোনো প্রশাসক দায়িত্বশীল হলেও নৈতিক না হন, তবে তিনি তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবেন না। নৈতিকতা দায়িত্ব পালনের পথনির্দেশক।
- দক্ষতা: দক্ষতা প্রশাসকের কাজের ফলাফল উন্নত করে, তবে নৈতিকতা ছাড়া দক্ষতা ক্ষতিকর হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো দক্ষ ব্যক্তি যদি অনৈতিক হয়, তবে সে প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করতে পারে (যেমন: দুর্নীতি বা অন্যায় সিদ্ধান্ত)।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক। 

১৮৮.
আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা কীসের উপর নির্ভরশীল?
  1. রাজনৈতিক দলের উপর
  2. জনমতের উপর
  3. প্রশাসনের উপর
  4. সংসদের উপর
সঠিক উত্তর:
জনমতের উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনমতের উপর
ব্যাখ্যা

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনমতের গুরুত্ব:
- আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা জনমতের ওপর নির্ভরশীল।  

উল্লেখ্য,
- ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দল উভয়ই জনমতকে ভয় করে চলে। সরকার জনকল্যাণ স্থাপনের জন্য যে কর্মসূচি প্রণয়ন ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে তা সাধারণত জনমতের দিকে লক্ষ রেখেই করা হয়ে থাকে। জনমত হচ্ছে আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের ভিত্তি বা প্রাণ।
- গণতন্ত্র হচ্ছে 'জনগণের জন্য, জনগণের দ্বারা জনগণের শাসন।'
- জনসম্মতির ভিত্তিতেই গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়।
- তাই সরকারের উত্থান, পতন, সাফল্য বহুলাংশে জনমতের উপর নির্ভরশীল।

⇒ জনগণের স্বাধীনতা, অধিকার ও স্বার্থের অতন্ত্র প্রহরী হয়ে কাজ করে জনমত।
- আধুনিক গণতন্ত্রে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন ও সরকার গঠনের ক্ষেত্রে জনমত মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
- সরকার জনকল্যাণ সাধনের জন্য যে কর্মসূচি প্রণয়ন ও কার্যকর করার পদক্ষেপ গ্রহণ করে তা মূলত জনমতের দিকে লক্ষ্য রেখেই করা হয়।
- জনমতের চাপে সরকার রক্ষণশীল মনোভাব পরিত্যাগ করে।
- জনমত যতক্ষণ পর্যন্ত কোন সরকারের অনুকূলে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত সরকার দক্ষতা ও দ্রুততার সাথে যে কোন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আইন প্রণয়নও পরিবর্তনে জনমতের প্রভাব অপরিসীম।
- সুতরাং জনমত হচ্ছে আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের ভিত্তি বা প্রাণ।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮৯.
“আইন হল পক্ষপাতহীন যুক্তি”— এ সংজ্ঞাটি কার?
  1. জন অস্টিন
  2. উড্রো উইলসন
  3. স্যার হেনরি মেইন
  4. অ্যারিস্টটল
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটল
ব্যাখ্যা

গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের মতে, "আইন হল পক্ষপাতহীন যুক্তি।"  অ্যারিস্টটল বলেছেন, ‘সমাজের যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হচ্ছে আইন।’

আইন:
- ফারসি ভাষা থেকে আসা ‘আইন’ শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Law, যার আভিধানিক অর্থ হলো স্থির ও অপরিবর্তনীয়।
- আইনের কোনো নির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই।
- বিভিন্ন দার্শনিক ও আইনবিদ নানা দৃষ্টিকোণ থেকে আইনকে সংজ্ঞায়িত করেছেন, কিন্তু আইনের সংজ্ঞা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তনশীল। আইন বলতে সাধারণভাবে সমাজ স্বীকৃত এবং রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত নিয়মকানুনকে বোঝায়, যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। 

⇒ আইনের প্রামাণ্য সংজ্ঞা:
- স্যার হেনরি মেইনের মতে, "আইন হল পরিবর্তনশীল, ক্রমাউন্নতিমূলক, ক্রমবর্ধমান ও দীর্ঘকালীন সামাজিক প্রথার গতির ফল।"
- অধ্যাপক হল্যান্ড বলেন, "আইন হল মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণের এমন কতগুলো সাধারণ নিয়ম যা সার্বভৌম রাজনৈতিক কর্তৃত্ব দ্বারা প্রযুক্ত হয়।"
- আইনের সার্বজনীন ও উৎকৃষ্ট সংজ্ঞা প্রদান করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন। তাঁর মতে, "আইন হল সমাজের সে সব সুপ্রতিষ্ঠিত প্রথা ও রীতিনীতি যেগুলো সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত ও রাষ্ট্র কর্তৃক গৃহীত বিধিতে পরিণত হয়েছে এবং যাদের পিছনে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের সুস্পষ্ট সমর্থন রয়েছে।"

উৎস: i) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।