পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ বাংলা [১১১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ বাংলা [১১১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৩২
সিলেবাস
ফুল মডেল টেস্ট - ১
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ বাংলা [১১১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ বাংলা [১১১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩২ প্রশ্ন

.
Choose the correct sentence:
  1. It is high time you making a decision.
  2. It is high time you make a decision.
  3. It is high time you made a decision.
  4. It is high time you could make a decision.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: It is high time you made a decision.

• Use of It is time/ It is high time:
- It is time/ It is high time এরপর যদি subject থাকে তাহলে পরবর্তী verb টি past indefinite tense এ হয়।
- কোনো কিছু করার এখনই উপযুক্ত সময় অর্থে It is time/ It is high time ব্যবহৃত হয়।

- নিয়মানুযায়ী, প্রদত্ত বাক্যে It is high time এর পরে subject (you) আছে, তাই এর পরে verb এর past form (made) বসবে।

• More examples:
- It is high time she left the place.
- It is high time you started studying.

• তবে, It is time/It is high time এরপর যদি subject না থাকে তবে to + verb হয়।
- যেমন: It is high time to stop corruption.

অন্য অপশন বিশ্লেষণ-
ক) It is high time you making a decision.
→ ভুল, কারণ verb এর past form হবে।

খ) It is high time you make a decision.
→ ভুল, কারণ verb এর past form (made) হবে।

ঘ) It is high time you could make a decision.
→ ভুল, কারণ could make দ্বারা অতীতের কাজ বুঝানো হয়, কিন্তু It is high time দ্বারা বর্তমানের কাজ বুঝানো হয়।

Source:
1. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
2. Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

.
গুপ্ত বংশের আদি পুরুষ কে ছিলেন?
  1. সমুদ্রগুপ্ত
  2. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  3. শ্রীগুপ্ত
  4. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা

গুপ্ত সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টীয় তিন শতকের শেষ এবং চার শতকের প্রথমদিকে সম্ভবত প্রথম চন্দ্রগুপ্ত অথবা সমুদ্রগুপ্তের মাধ্যমে বাংলায় গুপ্ত শাসন সম্প্রসারিত হয়।
- শ্রীগুপ্ত হচ্ছেন গুপ্ত বংশের আদি পুরুষ।
- এল্যানের মতে, পাটলীপুত্র (মগধের অভ্যন্তরে) নগরের অদূরে শ্রীগুপ্তের রাজত্ব ছিল।
- প্রথম চন্দ্রগুপ্তের হাত ধরে গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথম কুমারগুপ্তের সময় (৪৩২-৪৪৮ খ্রি.) থেকে উত্তর বাংলা গুপ্ত সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে গড়ে ওঠে।
- এটির নাম ছিল তখন ‘পুন্ড্রবর্ধন ভুক্তি’।
- হুনদের আক্রমণের মধ্য দিয়ে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) এর বর্তমান সভাপতি কে? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. সালেহউদ্দিন আহমেদ
  2. আলী ইমাম মজুমদার
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. ফয়েজ আহমদ
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- ECNEC-এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- গঠিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- সভাপতি: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। (অক্টোবর, ২০২৫)
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি: সালেহউদ্দিন আহমেদ। (অক্টোবর, ২০২৫)
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

.
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. দিনাজপুর
  3. পাবনা
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

.
বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় কোন স্থানে?
  1. দিল্লি
  2. পাটনা
  3. কানপুর
  4. বিহার
ব্যাখ্যা

বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় বিহারে।
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে।
- বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন। সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়। মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

.
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অনুযায়ী, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ৩.১%
  2. ৩.৭%
  3. ৪.৩%
  4. ৫.৮%
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা কয়টি? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ২৬টি
  2. ২৭টি
  3. ২৮টি
  4. ২৯টি
ব্যাখ্যা

সিভিল সার্ভিস ক্যাডার:
- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে তার প্রতিরূপ সংস্থাসমূহের মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত মানব সম্পদ পরিকল্পনায় উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন ব্যবস্থাপনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভূমিকা পালন করছে।
- কর্ম কমিশন দেশব্যাপি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার ২৬টি।

তথ্যসূত্র - কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

.
নিচের কোন জেলায় ওরাওঁ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. কক্সবাজার
  2. কুড়িগ্রাম
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী। এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- তারা মুঘল শাসনামলে বরেন্দ্র অঞ্চলে প্রবেশ করে এবং সে অঞ্চলে তাদের স্থায়ী নিবাস গড়ে তোলে।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।
- ওরাওঁরা জড়োপাসক, তাদের ভগবানের নাম ধরমী বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’।
- ওরাওঁরা তাদের সৃষ্টিকর্তা ধরমেশকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য তাঁর উদ্দেশ্যে পূজা করে এবং তাঁর উদ্দেশ্যে ‘ডানডাকাঁটা’ উৎসবের আয়োজন করে।
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

.
ন্যাটো (NATO) চার্টারের কোন ধারায় 'শান্তিপূর্ণ সমাধানের' কথা বলা আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১
  2. অনুচ্ছেদ ২
  3. অনুচ্ছেদ ৩
  4. অনুচ্ছেদ ৪
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে গঠন করা হয় সামরিক জোট NATO।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল)।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

• ন্যাটোর অনুচ্ছেদ: ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ছোট। মাত্র ১৪টি ধারার। এগুলো হলো:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১০.
নিম্নের কোন মতবাদে 'রাষ্ট্রের বিভিন্ন দায়িত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের কথা বলা হয়েছে?
  1. মার্ক্সবাদ
  2. নব্য-উদারতাবাদ
  3. বাস্তববাদ
  4. গঠনবাদ
ব্যাখ্যা

◉ বাস্তববাদ (Realism):
➝ It emphasizes the role of the state, national interest, and power in world politics.
➝ অর্থাৎ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এই তত্ত্বটি রাষ্ট্রের বিভিন্ন দায়িত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের কথা বলে।

◉ মার্ক্সবাদ (Marxism):
➝ Marxism, a body of doctrine developed by Karl Marx and, to a lesser extent, by Friedrich Engels in the mid-19th century. It originally consisted of three related ideas: a philosophical anthropology, a theory of history, and an economic and political program.
➝ মার্ক্সবাদ মূলত একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শন। ঐতিহাসিক বস্তুবাদ , দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ, উদ্বৃত্ত্ব মুল্যতত্ত্ব ও শ্রেণিসংগ্রাম এই চারটি বিষয়কে কেন্দ্র করে মার্কসবাদ বিকশিত হয়েছে।

◉ নব্য-উদারতাবাদ (Neoliberalism):
➝ Neoliberalism, ideology and policy model that emphasizes the value of free market competition.
➝ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নব্য উদারতাবাদের ধারনাটির ব্যাপক পরিচয় তুলে ধরেন রবার্ট কোহেন। এই তত্ত্ব অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহহের জাতীয় স্বার্থ হাসিলের জন্য আন্তর্জাতিক সংগঠেনর কোন বিকল্প নাই।

◉ গঠনবাদ (Constructivism):
➝ According to this approach, the behaviour of humans is determined by their identity, which itself is shaped by society’s values, history, practices, and institutions.
➝ এই তত্ত্বের মূল কথা হলো আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি বিভিন্ন আদর্শের উপর নির্ভরশীল। পাশাপাশি আরো বলা আছে, মানুষের আচরণ তার পারিপার্শিক বিভিন্ন উপাদানের উপর নির্ভর করে। সরাসরি আন্তর্জাতিক সংগঠনের কথা না বলা থাকলেও অন্তর্নিহিত ধারণা হলো, শক্তিশালি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি সামগ্রিকভাবে কল্যাণকর।
এছাড়াও আছে - Regime Theory, Functionalism. etc.

উৎস: Britannica.com এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ; লেখক: তারেক শামসুর রহমান। Liberalism & International theory; A Moravcsik.

১১.
নিম্নের কোন দেশে সমুদ্র বন্দর নাই?
  1. মঙ্গোলিয়া
  2. আজারবাইজান
  3. লাওস
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সমুদ্র বন্দরহীন দেশ:
- যেসব দেশের সাথে সমুদ্র সীমা নেই সেসব দেশকে স্থল বেষ্টিত দেশ (Landlocked country) বলে।

এশিয়ার কয়েকটি স্থল বেষ্টিত দেশ হচ্ছে:
- আফগানিস্তান,
- আর্মেনিয়া,
- আজারবাইজান,
- ভুটান,
- তুর্কমেনিস্তান,
- কাজাখস্তান,
- কিরগিজস্তান,
- লাওস,
- মঙ্গোলিয়া,
- নেপাল,
- তাজিকিস্তান এবং
- উজবেকিস্তান।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১২.
নিম্নের কোন সভ্যতা পতনের পর প্রাচীন গ্রীক সভ্যতার সূচনা হয়?
  1. মাইসেনিয়ান সভ্যতা
  2. মিনোয়ান সভ্যতা
  3. সামারিয়ান সভ্যতা
  4. নিওলিথিক সভ্যতা
ব্যাখ্যা

• গ্রিক সভ্যতা:
- প্রাচীন গ্রিক সভ্যতা, মাইসেনিয়ান সভ্যতার পরের সময়কাল।
- প্রাচীন গ্রিস তার উচ্চতায় এশিয়া মাইনর, দক্ষিণ ইতালি, সিসিলি এবং গ্রীক দ্বীপপুঞ্জের বসতি নিয়ে গঠিত।
- এটি শহর-রাজ্যে বিভক্ত ছিল-এথেন্স এবং স্পার্টা।
- গ্রিক সংস্কৃতি হেলেনীয় সংস্কৃতি নামে বেশি পরিচিত।
- সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রাচীন গ্রিসের সৃষ্টি আজও মানব সমাজের মূল্যবান সম্পদ।
- হোমারের মহাকাব্য 'ইলিয়ড' এবং ‘ওডিসি' মহাকাব্যের অপূর্ব নিদর্শন।
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্ৰ গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।

সূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
'অরেঞ্জ বিপ্লবের' কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কোন শহর পরিচিত?
  1. ওডেসা
  2. মস্কো
  3. কিয়েভ
  4. মিনস্ক
ব্যাখ্যা

অরেঞ্জ বিপ্লব:
- ‘অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব ছিল একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- এটি সংঘটিত হয়েছিল ২০০৪ সালে।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ছিল নাগরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত।

সূত্র - Britannica.com

১৪.
নিম্নের কত তারিখে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৪৪ সালের ২৪ অক্টোবর
  2. ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
  3. ১৯৪৫ সালের ১০ অক্টোবর
  4. ১৯৪৪ সালের ১২ অক্টোবর
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
• সাধারণ পরিষদ
• নিরাপত্তা পরিষদ
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
• অছি পরিষদ ও
• জাতিসংঘ সচিবালয়।

সূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৫.
স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা নিম্নের কে?
  1. হেনরি ডুন্যান্ট
  2. নেলসন ম্যান্ডেলা
  3. মেলভিন জোন্স
  4. রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েল
ব্যাখ্যা

স্কাউট আন্দোলন (Scout Movement):
- বিশ্বব্যাপী তরুণদের চরিত্র, নেতৃত্ব, এবং দায়িত্ববোধ গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক আন্দোলন।
- প্রতিষ্ঠার সাল: ১৯০৭ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: রবার্ট ব্যাডেন -পাওয়েল (Robert Baden-Powell)।
- প্রথম স্কাউট ক্যাম্প: ব্রাউনসি দ্বীপ, ইংল্যান্ড, ১৯০৭ সালৈ।
- মূল সংগঠন: World Organization of the Scout Movement (WOSM).
- প্রধান কার্যালয়: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

• মূল উদ্দেশ্য:
- তরুণদের শারীরিক, মানসিক, নৈতিক ও সামাজিক বিকাশের মাধ্যমে ভালো নাগরিক তৈরি করা
- মূলমন্ত্র (Motto): "Be Prepared" (প্রস্তুত থাকো)
- মূলনীতি: কর্তব্যপরায়ণতা, সাহায্যকারিতা ও চরিত্রগঠন।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৬.
'Inter-Services Intelligence (ISI)' নিম্নের কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. জাপান
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

• Inter Service Intelligence (ISI)
​ - আইএসআই পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালিন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ রবার্ট কাউথম এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
​- ।S। মূলত দেশের বাহিরে পাকিস্তানের স্বার্থ সংরক্ষণে কাজে নিয়োজিত।
- ​তবে পাকিস্তানের অভ্যন্তীরণ রাজনীতিতেও এর ব্যাপক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
- ​আইএসআই -এর নেতৃত্বে থাকেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল/মেজর জেনারেল পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক [ডিজি];
-​ তিনি এখনও পর্যন্ত সেনাবাহিনী থেকে নিযুক্ত একজন কর্মরত কর্মকর্তা।

অন্যদিকে,
• জাপানের গোয়েন্দা সংস্থার নাম নাইচো।
• ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার নাম RAW। ​​

উৎস: ব্রিটানিকা & নিউইয়র্ক টাইমস।

১৭.
সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন -
  1. গ্রিকরা
  2. চীনারা
  3. রোমানরা
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

• গ্রিকদের অবদান:
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- প্রাচীন বিশ্বের প্রাচীনতম মানচিত্র তৈরি করেন - ব্যাবিলনীয়রা.
- পৃথিবীর বৃত্তাকার মানচিত্র প্রথম অংকন করেন গ্রিক বিজ্ঞানিরা।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয় প্রাকৃতিক কারণে ঘটে।
- এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।
- জ্যামিতি বিষয়ে পণ্ডিত ইউক্লিড পদার্থবিদ্যায়ও পারদর্শী ছিলেন।
- বিখ্যাত গণিতবিদ পিথাগোরাস, চিকিৎসা বিজ্ঞানী হিপোক্রেটসের যথেষ্ট খ্যাতি ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]

১৮.
'MERCOSUR' নিচের কোন অঞ্চলের বাণিজ্য জোট হিসেবে পরিচিত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. উত্তর আফ্রিকা
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
ব্যাখ্যা

MERCOSUR:
- 'MERCOSUR' হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার একটি বাণিজ্য জোট।
- প্রতিষ্ঠা: ২৬ মার্চ, ১৯৯১ সাল
- সদরদপ্তর মন্টিভিডিও, উরুগুয়ে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি: 'Treaty of Asuncion'.
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারাগুয়ের রাজধানী আসুনসিয়ন।
- প্রধান ভাষা: স্প্যানিশ ও পর্তুগিজ।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৫টি (আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, বলিভিয়া, উরুগুয়ে। (অক্টোম্বর, ২০২৫)
- ভেনেজুয়েলার সদস্যপদ স্থগিত করা হয় ২০১৬ সালে।
- সহযোগী সদস্য:, পানামা, চিলি, পেরু, ইকুয়েডর, গায়ানা, সুরিনাম, কলম্বিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৯.
যদি a + b + c = 0 হয়, তাহলে (a3 + b3 + c3 )2 = ?
  1. 3a2b2c2
  2. 9abc
  3. 27abc
  4. 9a2b2c2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি a + b + c = 0 হয়, তাহলে (a3 + b3 + c3 )2 = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a + b + c = 0

আমরা জানি,
a3 + b3 + c3 - 3abc = (a + b + c)(a2 + b2 + c2 - ab - bc - ca)
⇒ a3 + b3 + c3 - 3abc = 0
∴ a3 + b3 + c3 = 3abc

প্রদত্ত রাশি,
(a3 + b3 + c3)2 = (3abc)2 = 9a2b2c2

২০.
একজন পরীক্ষার্থীকে 13 টি প্রশ্ন থেকে 6টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এর মধ্যে প্রথম 5টি থেকে ঠিক 3টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সে কত প্রকারে প্রশ্নগুলো বাছাই করতে পারবে?
  1. 480
  2. 560
  3. 720
  4. 360
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন পরীক্ষার্থীকে 13 টি প্রশ্ন থেকে 6টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এর মধ্যে প্রথম 5টি থেকে ঠিক 3টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সে কত প্রকারে প্রশ্নগুলো বাছাই করতে পারবে?

সমাধান:
মোট প্রশ্ন 13 টি
প্রথম 5টি থেকে ঠিক 3টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে,
তাহলে বাকি 8টি থেকে 3টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।

মোট বাছাই সংখ্যা = 5c3 × 8c3
= 10 × 56
= 560

২১.

  1. 64
  2. 48
  3. 16
  4. 32
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:


২২.
দুইটি সংখ্যার অনুপাত 7 : 9 এবং তাদের ল.সা.গু 189। সংখ্যা দুটি কী কী?
  1. 35 এবং 45
  2. 21 এবং 27
  3. 14 এবং 18
  4. 28 এবং 36
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার অনুপাত 7 : 9 এবং তাদের ল.সা.গু 189। সংখ্যা দুটি কী কী?

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যা দুইটি 7x এবং 9x.
∴ সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু. = x
এবং সংখ্যা দুইটির গুণফল = 63x2

আমরা জানি,
দুইটির গুণফল = সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু. × গ.সা.গু.
63x2 = 189 × x
63x = 189
∴ x = 3
∴ সংখ্যা দুইটি যথাক্রমে 3 × 7 = 21 এবং 3 × 9 = 27

২৩.
A(1, 2), B(4, 5) এবং C(7, k) বিন্দুত্রয় সমরেখ হলে k এর মান কত?
  1. 11
  2. 2
  3. - 4
  4. 8
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A(1, 2), B(4, 5) এবং C(7, k) বিন্দুত্রয় সমরেখ হলে k এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
A(1, 2), B(4, 5) এবং C(7, k)

আমরা জানি,
(X1, Y1) ও (X2, Y2) বিন্দুগামী রেখার ঢাল = (y2​ - y1​​)/(x2​ - x1​)
তিনটি বিন্দু A(1, 2), B(4, 5) এবং C(7, k) সমরেখ হলে, তাদের মধ্যে যেকোনো দুইটি বিন্দু দ্বারা নির্ধারিত সরলরেখার ঢাল এবং তৃতীয় বিন্দুর সাথে অন্য একটি বিন্দুর মধ্যকার ঢাল সমান হবে।
এখন,
AB এর ঢাল,
mAB​ = (y2​ - y1​​)/(x2​ - x1​)
= (5 - 2)/(4 - 1)
= 3/3
= 1

আবার,
BC এর ঢাল
mBC = (y2​ - y1​​)/(x2​ - x1​)
= (k - 5)/(7 - 4)
= (k - 5)/3

∴ তিনটি বিন্দু সমরেখ হলে ঢাল দুটি সমান হবে।
∴ (k - 5)/3 = 1
⇒ k - 5 = 3
⇒ k = 5 + 3
⇒ k = 8

সুতরাং, k এর মান 8

২৪.
P(A ∩ B) = 1/3, P(A ∪ B) = 5/6 এবং P(B) = 2/3 হয়, তাহলে P(A) এর মান নির্নয় করুন?
  1. 1/2
  2. 4/3
  3. 2/3
  4. 1/6
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P(A ∩ B) = 1/3, P(A ∪ B) = 5/6 এবং P(B) = 2/3 হয়, তাহলে P(A) এর মান নির্নয় করুন?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
P(A ∩ B) = 1/3
P(A ∪ B) = 5/6
এবং P(B) = 2/3

আমরা জানি,
P(A ∪ B) = P(A) + P(B) - P(A ∩ B)
⇒ 5/6 = P(A) + (2/3) - (1/3)
⇒ P(A) = (5/6) + (1/3) - (2/3)
= (5 + 2 - 4)/6
= 3/6
∴ P(A) = 1/2

২৫.
a + 2a + 3a + 4a + ...................... সমান্তর ধারার n-তম পদ ও সাধারণ অন্তরের অনুপাত কত?
  1. n : 2
  2. 2 : n
  3. n : 1
  4. n2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a + 2a + 3a + 4a + ..............সমান্তর ধারার n-তম পদ ও সাধারণ অন্তরের অনুপাত কত?

সমাধান:
প্রথম পদ, A1 = a
সাধারণ অন্তর, d = 2a - a = a

আমরা জানি,
n তম পদ = A1 + (n - 1)d
= a + (n - 1)a
= a + na - a
= na

∴ n-তম পদ এবং সাধারণ অন্তরের অনুপাত = na : a = n : 1

২৬.
বিষমবাহু ΔABC-এর বাহুগুলির মান এমনভাবে নির্ধারিত যে, AD মধ্যমা দ্বারা গঠিত ΔABD-এর ক্ষেত্রফল y বর্গমিটার। ΔABC-এর ক্ষেত্রফল কত?
  1. y2 বর্গমিটার
  2. (√y/3)3 বর্গমিটার
  3. (y/2)2 বর্গমিটার
  4. 2y বর্গমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বিষমবাহু ΔABC-এর বাহুগুলির মান এমনভাবে নির্ধারিত যে, AD মধ্যমা দ্বারা গঠিত ΔABD-এর ক্ষেত্রফল y বর্গমিটার। ΔABC-এর ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:

আমরা জানি,
যে কোন ত্রিভুজের মধ্যমা ঐ ত্রিভুজকে সমদ্বিখণ্ডিত করে

যেহেতু ত্রিভুজ ABD এর ক্ষেত্রফল y বর্গমিটার
অতএব ,ত্রিভুজ ACD এর ক্ষেত্রফল হবে y বর্গমিটার ।

অতএব , ABC এর ক্ষেত্রফল = ∆ABD এর ক্ষেত্রফল + ∆ACD এর ক্ষেত্রফল
= y + y
= 2y বর্গমিটার

২৭.
গ্যালাক্সির স্পেকট্রাল রেখাগুলি রেডশিফটেড হলে বোঝায়, গ্যালাক্সিটি -
  1. পৃথিবীর দিকে ধাবিত হচ্ছে
  2. পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে
  3. মোটেই নড়ছে না
  4. নিজের অক্ষে ঘূর্ণায়মান
ব্যাখ্যা

• গ্যালাক্সির স্পেকট্রাল রেখার রেডশিফট (Redshift):
- রেডশিফট হলো সেই প্রক্রিয়া যেখানে একটি গ্যালাক্সি বা আকাশীয় বস্তুর আলো দীর্ঘতর তরঙ্গদৈর্ঘ্যে স্থানান্তরিত হয়।
- এর মানে হলো, গ্যালাক্সিটি পর্যবেক্ষকের দিক থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
- এটি মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- রেডশিফটের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে কোন গ্যালাক্সি আমাদের থেকে কত দ্রুত দূরে সরে যাচ্ছে।
- রেডশিফটের কারণ: গ্যালাক্সির গতিবেগ এবং মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ।
- ডপলার ইফেক্টের মতো, আলোও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তন দেখায়, কিন্তু গ্যালাক্সির আপাত অবস্থান পরিবর্তিত হয় না।

• গ্যালাক্সির ব্লুশিফট (Blueshift):
- ব্লুশিফট হলো সেই প্রক্রিয়া যেখানে গ্যালাক্সির আলো ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যে স্থানান্তরিত হয়।
- এর মানে হলো, গ্যালাক্সিটি পর্যবেক্ষকের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
- এটি গ্যালাক্সির আপেক্ষিক গতিবেগ নির্ণয়ে সহায়ক।

• গ্যালাক্সির ঘূর্ণন:
- একটি গ্যালাক্সি নিজ অক্ষে ঘূর্ণায়মান হতে পারে।
- তবে এর ফলে সাধারণভাবে রেডশিফট বা ব্লুশিফট দেখা যায় না।
- ঘূর্ণন শুধুমাত্র গ্যালাক্সির অভ্যন্তরীণ গ্যাস বা তারা গতির পরিবর্তন ঘটায়।

- সুতরাং, গ্যালাক্সির স্পেকট্রাল রেখাগুলি রেডশিফটেড হলে বোঝায় যে গ্যালাক্সিটি পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
- সঠিক উত্তর: খ) পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

সূত্র: NASA [link]

২৮.
'Torque' - এর সঙ্গে জড়িত শব্দ কোনটি?
  1. Acceleration
  2. Mass
  3. Friction
  4. Twist
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'Torque' - এর সঙ্গে জড়িত শব্দ কোনটি?

সমাধান:

• টর্ক (Torque):
- টর্ক হলো একটি ফোর্স যা কোনো বস্তু ঘূর্ণন করানোর ক্ষমতা রাখে।
- এটি সরলরেখার গতি নয়, বরং ঘূর্ণন বা টুইস্টের সাথে সম্পর্কিত।
- টর্ক নির্ভর করে ফোর্সের আকার এবং ফোর্স প্রয়োগের দূরত্বের উপর।
- সরলরেখার ত্বরণ (Acceleration) বা ভর (Mass) সরাসরি টর্কের সংজ্ঞার সাথে সম্পর্কিত নয়।
- ঘর্ষণ (Friction) টর্কে প্রভাব ফেলতে পারে, কিন্তু টর্কের মূল সংজ্ঞা নয়।

সুতরাং, টর্কের সঙ্গে জড়িত শব্দ হলো Twist.
সঠিক উত্তর: ঘ) Twist.

• Acceleration (ত্বরণ):
- ত্বরণ হলো গতির পরিবর্তনের হার, অর্থাৎ কোনো বস্তু কত দ্রুত বা ধীরে গতিশীল হচ্ছে।
- এটি সরলরেখার গতি বা লিনিয়ার মুভমেন্টের সাথে সম্পর্কিত।
- ঘূর্ণন বা টর্কের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
- টর্ক থাকলেও, ত্বরণ শুধু ভর ও ফোর্সের কারণে নির্ধারিত হয়।

• Mass (ভর):
- ভর হলো কোনো বস্তুতে থাকা পদার্থের পরিমাণ।
- এটি জড়তা এবং গাণিতিক গণনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- টর্কের সংজ্ঞার জন্য এটি সরাসরি প্রয়োজন নয়, যদিও টর্ক তৈরি করতে ফোর্স প্রয়োগের ক্ষেত্রে ভরের গুরুত্ব থাকতে পারে।

• Friction (ঘর্ষণ):
- ঘর্ষণ হলো দুটি পৃষ্ঠের মধ্যে প্রতিরোধের শক্তি।
- এটি কোনো বস্তুকে ঘূর্ণন বা সরলরেখায় ধীর করতে পারে।
- ঘর্ষণ টর্কের প্রভাব কমাতে বা বাড়াতে পারে, তবে টর্কের মূল সংজ্ঞা নয়।

২৯.
ক এর চেয়ে খ তত ছোট যতখানি বড় গ এর চেয়ে। ক এবং গ এর বয়সের সমষ্টি ৯৬। খ এর বয়স কত?
  1. ৪৮
  2. ২৪
  3. ৪২
  4. ৫০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ক এর চেয়ে খ তত ছোট যতখানি বড় গ এর চেয়ে। ক এবং গ এর বয়সের সমষ্টি ৯৬। খ এর বয়স কত?

সমাধান:
দেয়া আছে,
ক + গ = ৯৬..............(১)

আবার,
ক - খ = খ - গ
⇒ ক + গ = খ + খ
⇒ ২খ = ৯৬
⇒ খ = ৯৬/২
∴ খ = ৪৮

খ এর বয়স = ৪৮ বছর

৩০.
প্রশ্নবোধকের জায়গায় কোন ছবি বসলে প্যাটার্ন পূর্ণ হবে?

  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধকের জায়গায় কোন ছবি বসলে প্যাটার্ন পূর্ণ হবে?

সমাধান:

প্রশ্নবোধক স্থানে অপশন 4 এর চিত্রটি বসলে প্যাটার্ন সম্পূর্ণ হবে।

৩১.
৮, ১১, ১৭, ২৯,......... ধারাটির ৭ম সংখ্যাটি কত?
  1. ১৯৭
  2. ১০১
  3. ১৯৩
  4. ১৮৭
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৮, ১১, ১৭, ২৯,......... ধারাটির ৭ম সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
(একটি সংখ্যা × ২) - ৫ = পরবর্তী সংখ্যা

যেমন,
(৮ × ২) - ৫ = ১৬ - ৫ = ১১
(১১ × ২) - ৫ = ২২ - ৫ = ১৭
(১৭ × ২) - ৫ = ৩৪ - ৫ = ২৯
(২৯ × ২) - ৫ = ৫৮ - ৫ = ৫৩
(৫৩ × ২) - ৫ = ১০১
(১০১ × ২) - ৫ = ১৯৭

∴ পরবর্তী সংখ্যাটি হলো ১৯৭

বিকল্প সমাধান,
আবার,
৮ + ৩ = ১১
১১ + ৬ = ১৭
১৭ + ১২ = ২৯
২৯ + ২৪ = ৫৩
৫৩ + ৪৮ = ১০১
১০১ + ৯৬ = ১৯৭

৩২.
যদি KHULNA = 67 হয়, তবে CUMILLA = কত?
  1. 65
  2. 67
  3. 69
  4. 71
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি KHULNA = 67 হয়, তবে CUMILLA = কত?

সমাধান:

KHULNA = K + H + U + L + N + A = 11 + 8 + 21 + 12 + 14 + 1 = 67

একই ভাবে,
CUMILLA = 3 + 21 + 13 + 9 + 12 + 12 + 1 = 71

৩৩.
কোন মাসের ৫ তারিখ যদি শুক্রবার হয়, তাহলে সেই মাসের ৩০ তারিখ কোন দিন হবে?
  1. মঙ্গলবার
  2. শুক্রবার
  3. বুধবার
  4. সোমবার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন মাসের ৫ তারিখ যদি শুক্রবার হয়, তাহলে সেই মাসের ৩০ তারিখ কোন দিন হবে?

সমাধান:
৫ম দিন = শুক্রবার
(৫ + ৭) বা, ১২ তম দিন = শুক্রবার
(১২ + ৭) বা, ১৯তম দিন = শুক্রবার
(১৯ + ৭) বা, ২৬তম দিন = শুক্রবার

২৭ তম দিন = শনিবার
২৮ তম দিন = রবিবার
২৯ তম দিন = সোমবার
৩০ তম দিন = মঙ্গলবার

∴ ৩০ তম দিন = মঙ্গলবার

৩৪.
পানিতে যে প্রতিচ্ছবিগুলি দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যে কোনটি ইংরেজি শব্দের অনুরূপ?

  1. A
  2. B
  3. C
  4. D
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পানিতে যে প্রতিচ্ছবিগুলি দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যে কোনটি ইংরেজি শব্দের অনুরূপ?


সমাধান:

সঠিক উত্তর: A

৩৫.
প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন সংখ্যা হবে?

  1. 82
  2. 68
  3. 72
  4. 78
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন সংখ্যা হবে?

সমাধান:
সমাধান:
3 থেকে শুরু করে,
(3 × 2) + 2 = 8
(8 × 2) + 2 = 18

(18 × 2) + 2 = 38
(38 × 2) + 2 = 78

(78 × 2) + 2 = 158

বিকল্প সমাধান,
8 + 10 = 18
18 + 20 = 38
38 + 40 = 78
78 + 80 = 158

৩৬.
কোন শহরটি "Spain"- এর সঙ্গে সেইভাবে সম্পর্কিত, যেমন কায়রো মিশরের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. Madrid
  2. Barcelona
  3. Valencia
  4. Seville
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন শহরটি "Spain"- এর সঙ্গে সেইভাবে সম্পর্কিত, যেমন কায়রো মিশরের সঙ্গে সম্পর্কিত?

সমাধান:

• "Madrid"- Spain এর রাজধানী।
- একইভাবে "Cairo"-এর সঙ্গে সম্পর্কিত দেশ হলো Egypt.

অন্যদিকে,
- "Valencia"- Spain এর একটি শহর।
- "Seville"- Spain এর একটি শহর।
- "Barcelona"- Spain এর একটি শহর; যাকে আমরা "কাতালোনিয়া" হিসেবে চিনি।

৩৭.
‘রুখের তেন্তলি কুমীরে খাঅ” চর্যাটির চর্যাকার কে?
  1. লুইপা
  2. কাহ্নপা
  3. কুক্কুরীপা
  4. ভুসুকুপা
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : কুক্কুরীপা চর্যার ২নং পদ:- 'দুলি দুহি পিঠা ধরণ ন জাই।/রুখের তেন্তলি কুম্ভীরে খাঅ ' (অর্থ- কচ্ছপ দোহন করে পাত্রে রাখা যায় না।/ গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়) এর রচয়িতা।

উৎসঃ চর্যাপদ অতীন্দ্র মজুমদার।  শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৩৮.
‘হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী' এটি কত নং চর্যা?
  1. ৬ নং
  2. ৩৯ নং
  3. ৩২ নং
  4. ৩৩ নং
ব্যাখ্যা

টেগুণ পা রচিত (৩৩ নং পদ) ‘হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী।

উৎসঃ চর্যাপদ, অতীন্দ্র মজুমদার, শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৩৯.
নিচের কোনটি খনার বচন?
  1. জন-জামাই ভাগনা, তিন নয় আপনা
  2. আতি চোর পাতি চোর, হতে হতে সিঁদেল চোর
  3. সে কহে বিস্তর মিছা যে কহে বিস্তর
  4. থেকে বলদ না বয় হাল, তার দুঃখ সর্বকাল
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : 'থেকে বলদ না বয় হাল, তার দুঃখ সর্বকাল হলো খনার বচন। অর্থাৎ যার বলদ আছে কিন্তু মায়া করে খাটায় না, তার দুঃখ অনিবার্য। খাবারের অভাব দেখা দিবে। ক. 'যম-জামাই-ভাগনা তিন নয় আপনা' হলো প্রবাদ। অর্থাৎ, যম বা মৃত্যু, ভাগ্নে বা বোনের ছেলে আর জামাই কখনও আপন হয় না। খ. 'আতি চোর পাতি চোর হতে হতে সিঁদেল চোর' হলো প্রবাদ। অর্থাৎ, সামান্য অপরাধ করতে করতে ক্রমশঃ দাগী আসামীতে পরিণত হয়। গ. ভারতচন্দ্রের একটি শ্লোক 'সে কহে বিস্তর মিছা যে কহে বিস্তর' । অর্থাৎ, যিনি বেশি কথা বলেন, তার কথার অধিকাংশই মিথ্যা বা অপ্রাসঙ্গিক হয় বা খাপছাড়া বা গুরুত্বহীন বা প্রলাপ ।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৪০.
মনসা দেবীকে নিয়ে লেখা বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কী?
  1. মনসা মঙ্গল
  2. মনসাবিজয়
  3. পদ্মাপুরাণ
  4. পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা

• মনসা দেবীকে নিয়ে লেখা বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম: 'পদ্মপুরাণ'।

• পদ্মপুরাণ:
মনসামঙ্গল কাব্যধারার অন্যতম কবি বিজয়গুপ্ত।
পদ্মাপুরাণ নামক মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করে তিনি মঙ্গলকাব্যের ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।
তিনি মনসামঙ্গলকাব্যের যে পুঁথি পাওয়া গেছে, প্রাপ্ত এই পুঁথিভিত্তিক প্রাচীনতম কবি।
মনসামঙ্গল কাব্যের অপর নাম পদ্মাপুরাণ।

এছাড়া, মনসামঙ্গলের অন্যতম কবি নারায়ণ দেব। তাঁর রচিত কাব্যের নামও পদ্মাপুরাণ।
কবি বিপ্রদাস পিপিলাই রচনা করেছেন- মনসাবিজয়।

-------------------
• মনসামঙ্গল:
মনসামঙ্গল মঙ্গলকাব্যগুলির মধ্যে প্রাচীনতম।
'মনসামঙ্গল' কাব্যের অপর নাম 'পদ্মাপুরাণ'।
সাপের দেবী মনসার স্তব, কাহিনি ইত্যাদি নিয়ে রচিত কাব্য 'মনসামঙ্গল'।
চাঁদ সওদাগর প্রথম দিকে মনসা বিরূপতা করে, পরে মনসা দেবীর অলৌকিক শক্তির প্রভাব স্বীকার করে তার বশ্যতা স্বীকার করাই মনসামঙ্গল কাব্যসমূহের প্রধান আখ্যান।
দেবতা ও মানুষের দ্বন্দ্বে সামাজিক শ্রেণিবৈষম্য এবং চাঁদের সঙ্গে মনসার বিবাদে আর্য-অনার্য দ্বন্দ্ব প্রকাশ পেয়েছে।
কানা হরিদত্ত মনসামঙ্গলের আদি কবি।

এই কাব্যের অন্যান্য চরিত্রগুলো
- বেহুলা,
- লখিন্দর,
- সনকা,
- সাপের দেবী মনসা।
- মধ্যযুগের সংগ্রামী নারী চরিত্র হলো বেহুলা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৪১.
কোন কবি ‘ধর্মমঙ্গল' কাব্যের প্রণেতা?
  1. বংশীদাস চক্রবর্তী
  2. রূপরাম চক্রবর্তী
  3. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  4. বলরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা: 'ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারার আদি কবি ময়ূরভট্ট। তার কাব্যের নাম 'হাকন্দ পুরাণ'। এ ধারার অন্যান্য কবি- ঘনরাম চক্রবর্তী,
আদি রূপরাম, রূপরাম চক্রবর্তী, সীতারাম দাস প্রমুখ ।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৪২.
নসীরানামা” কাব্য কার রচনা?
  1. দৌলত কাজী
  2. মরদন
  3. কোরেশী মাগন
  4. আলাওল
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : আরাকান রাজসভার কবি মরদন। তার রচিত কাব্য 'নসীরানামা'।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৪৩.
কৃত্তিবাসী রামায়ণ কার উদ্যেগে সর্বপ্রথম মুদ্রিত হয়? 
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. আলাউদ্দীন খলজী
  4. উইলিয়াম কেরি
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : কৃত্তিবাসী রামায়ণ উইলিয়াম কেরির উদ্যেগে , শ্রীরামপুর মিশন থেকে সর্বপ্রথম মুদ্রিত হয়।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৪৪.
‘সোনাভান' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. সৈয়দ হামজা
  2. মীর মোহাম্মদ সুফী
  3. শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহ
  4. আলাওল
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : ফকির গরীবুল্লাহ রচিত কাব্য- আমীর হামজা, সোনাভান, জঙ্গনামা, সত্যপীরের পুঁথি ও ইউসুফ জোলেখা।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৪৫.
কবিগানের রচয়িতারা ছিল-
  1. উচ্চবর্ণের হিন্দু
  2. নিম্নবর্ণের হিন্দু
  3. বৌদ্ধ
  4. ভারতে বসবাসকারী ইংরেজ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : কলকাতার হিন্দু সমাজে কবিগানের রচয়িতা হলো 'কবিয়াল। অধিকাংশ কবিয়াল ছিল অন্ত্যজবর্ণের। ড. দীনেশচন্দ্র সেন
তাঁর ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' গ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ডে কিছু সংখ্যক কবিদের নামোল্লেখ করে তারা যে সকলেই অন্ত্যজশ্রেণীর এ-কথা বলেছেন।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৪৬.
'বন থেকে বেরুল টিয়ে সোনার টোপর মাথায় দিয়ে - এটি কিসের উদাহরণ?
  1. প্রবাদের
  2. উপমার
  3. ধাঁধাঁর
  4. ছড়ার
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : বন থেকে বেরুল টিয়ে সোনার টোপর মাথায় দিয়ে। ধাঁধার উত্তর : আনারস।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৪৭.
বাংলা লোকসাহিত্য সংশ্লিষ্ট 'আলকাপ' হলো এক প্রকার-
  1. কর্মসংগীত
  2. পালাগান
  3. সারিগান
  4. বিবেকের গান
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : আলকাপ এক প্রকার পালা বা যাত্রাগান। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহ ও বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলে এ
গানের প্রচলন অনেক বেশি। এতে নাচ, গান, কথা, ছড়া, অভিনয় ইত্যাদির মিশ্রণ আছে।  এটি মূলত একটি দলীয় পরিবেশনা। এক দলে ৮-১২ জন লোক থাকে । দলের প্রধানকে বলা হয় সরকার, ওস্তাদ বা মাস্টার। অন্যদের মধ্যে থাকে দু-একজন সঙদার, দু-তিনজন ছোকরা এবং বাকিরা দোহার ও বাদ্যকর। রাত্রিবেলায় উন্মুক্ত মঞ্চে আলকাপের অনুষ্ঠান বসে। বিদ্যুতের বিকল্পে হ্যাজাকের আলোয় প্রায় রাতভর এ অনুষ্ঠান চলে। মঞ্চের চারপাশে দর্শকরা ভিড় করে দাঁড়িয়ে কিংবা বসে গান শোনে, আর দলের সদস্যদের মঞ্চে যাতায়াতের জন্য থাকে একটি সরু পথ।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া, শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৪৮.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম গদ্যগ্রন্থ?
  1. কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
  2. মঙ্গল সমাচার
  3. কথোপকথন
  4. রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : বাংলা কথ্য ভাষার আদি নিদর্শন মনোএল দা আসসম্পাসাঁউ-এর 'কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ' । গ্রন্থটি ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের
রাজধানী লিসবন থেকে রোমান হরফে প্রকাশিত হয়। এটি ১৭৩৫ সালে গাজীপুরের ভাওয়ালে অবস্থানকালে লেখা হয়েছে।

উৎসঃ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

৪৯.
শামসুর রাহমানের রচিত কাব্য-
  1. পতঙ্গ পিঞ্জর
  2. প্রেম একটি লাল গোলাপ
  3. রৌদ্র করোটিতে
  4. অদ্ভুত আঁধার এক
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : শামসুর রাহমানের আত্মজৈবনিক উপন্যাস 'অদ্ভুত আঁধার এক' (১৯৮৫)। মুক্তিযুদ্ধের সময়কে উপজীব্য করে উপন্যাসটি
রচিত হলেও একে পরিপূর্ণ মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস বলা যায় না। কারণ এতে যুদ্ধের চেয়ে ব্যাক্তিগত জীবন বেশি আলোচিত হয়েছে।
শওকত ওসমানের উপন্যাস- 'পতঙ্গ পিঞ্জর' (১৯৮৩), রশীদ করীমের উপন্যাস- 'প্রেম একটি লাল গোলাপ' (১৯৭৮) এবং শামসুর
রাহমানের কাব্য- রৌদ্র করোটিতে (১৯৬৩)।

৫০.
নীড় সন্ধানী ' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. জহির রায়হান
  3. শহীদুল্লা কায়সার
  4. আনোয়ার পাশা
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : আনোয়ার পাশা রচিত 'রাইফেল রোটি আওরাত' (১৯৭৩) মুক্তিযুদ্ধের উপর প্রথম উপন্যাস। একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এপ্রিলে উপন্যাসটি লেখা শুরু হয়, শেষ হয় জুনে। তার অন্যান্য উপন্যাস- নীড় সন্ধানী (১৯৬৮), নিষুতি রাতের গাঁথা (১৯৬৮)।


৫১.
একজন তুর্কি বংশোদ্ভূত আফগান বড়লোকের একমাত্র সুন্দরী মেয়ে শবনমকে নিয়ে উপন্যাস লিখেছেন-
  1. জসীমউদ্‌দীন
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. জহির রায়হান
  4. আবুল ফজল
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত উপন্যাস- 'শবনম' (১৯৬০)। উপন্যাসের বিষয়বস্তু একজন তুর্কি বংশোদ্ভূত আফগান বড়লোকের একমাত্র সুন্দরী মেয়ে শবনম-এর বিপরীতে এক বাঙালি যুবকের অসম প্রেমের কাহিনী।

৫২.
ইলা মিত্রকে নিয়ে সেলিনা হোসেনের উপন্যাসের নাম-
  1. অরণ্য বহ্নি
  2. কাঁটাতারে প্রজাপতি
  3. নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
  4. ওঙ্কার
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : সেলিনা হোসেনের উপন্যাস 'কাঁটাতারে প্রজাপতি (১৯৮৯)। এটি নাচোলের তেভাগা আন্দোলন ও তেভাগা আন্দোলনের
নেত্রী ইলা মিত্রকে নিয়ে লেখা ইতিহাস-নির্ভর জীবনী উপন্যাস।


৫৩.
‘জলোচ্ছ্বাস” উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. জাহানারা ইমাম
  2. জহির রায়হান
  3. সেলিম আল দীন
  4. সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : সেলিনা হোসেনের উপন্যাস- ‘জলোচ্ছ্বাস' (১৯৭২)। বাংলাদেশের মানচিত্রে দক্ষিণের যে অংশ নদীর কূল আর সমুদ্রের উপকূল দ্বারা ঘিরে রেখেছে সে অঞ্চলের মানুষের পাওয়া-না-পাওয়া এবং আনন্দ-বেদনার ঘটনারাজি নিয়েই উপন্যাসের ক্যানভাস।


৫৪.
‘জীবন ঘষে আগুন', ‘বৃত্তায়ন', গ্রন্থ দুটির রচয়িতা কে?
  1. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. শামসুদ্দিন আবুল কালাম
  3. হাসান আজিজুল হক
  4. আবুল মনসুর আহমেদ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : হাসান আজিজুল হকের গল্পগ্রন্থ-  জীবন ঘষে আগুন । উপন্যাস- বৃত্তায়ন, (১৯৯১) আগুনপাখি (২০০৬), শিউলি, সাবিত্রী উপাখ্যান,  ।
 
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৫৫.
আলাউদ্দিন আল আজাদের ‘ক্ষুধা ও আশা' কোন জাতীয় গ্রন্থ?
  1. নাটক
  2. উপন্যাস
  3. কাব্যগ্রন্থ
  4. বন্ধ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : আলাউদ্দিন আল আজাদের উপন্যাস 'ক্ষুধা ও আশা' (১৯৬৪)। যুদ্ধ ও দুর্ভিক্ষপীড়িত সমাজিক, রাজনৈতিক অস্থিরতা এ
উপন্যাসের উপজীব্য। প্রধান চরিত্র জোহা ।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৫৬.
ওয়ারিশ' উপন্যাসটির লেখক কে?
  1. শওকত ওসমান
  2. শওকত আলী
  3. রফিক আজাদ
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : 'ওয়ারিশ' (১৯৮৯) উপন্যাসের লেখক শওকত আলী। তিনি একজন কথাসাহিত্যিক। তার অন্যান্য উপন্যাস- পিঙ্গল আকাশ
(১৯৬৪), যাত্রা (১৯৭৬), উত্তরের খেপ (১৯৯২)।

 

৫৭.
কাজী নজরুল ইসলামের ‘মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসের পটভূমিতে অঙ্কিত হয়েছে-
  1. নদীয়ার চাঁদ সড়কের জনজীবন
  2. কুমিল্লার দৌলতপুরের কৃষিজীবন
  3. ময়মনসিংহের ত্রিশাল গ্রামের সাধারণ মানুষের জন জীবন
  4. . হুগলীর তাজপুরের গ্রামীণ জীবন
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : কাজী নজরুল ইসলাম 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসটি বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন। ১৯২৭ থেকে ১৯২৯ সময়কালে তিনি
মৃৎশিল্পের কেন্দ্রভূমি পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগরে ছিলেন। এ কৃষ্ণনগরের চাঁদসড়কের দরিদ্র্য হিন্দু-মুসলিম-খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের দারিদ্র্য ও দুঃখ ভরা জীবন নিয়ে উপন্যাসের কাহিনী গড়ে উঠেছে।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৫৮.
‘সত্যমিথ্যা' ভাবানুবাদ উপন্যাসের লেখক কে?
  1. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. আবুল মনসুর আহমদ
  3. আবু রুশদ
  4. আবুল ফজল
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : আবুল মনসুর আহমদের 'সত্যমিথ্যা' উপন্যাসটি Johan Bojer-এর The Power of a lie গ্রন্থের বাংলা রূপান্তর ।


৫৯.
যে তুমি হরণ করো' কাব্যগ্রন্থের কবি-
  1. আল মাহমুদ
  2. রফিক আজাদ
  3. আবুল হাসান
  4. আবুল হোসেন
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : বাংলাদেশের একজন আধুনিক কবি ও সাংবাদিক আবুল হাসান। তিনি ষাটের দশকের কবি। ১৯৭০ সালে এশীয় কবিতা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। তার রচিত কাব্য- রাজা যায় রাজা আসে (১৯৭২), যে তুমি হরণ করো (১৯৭৪), পৃথক পালঙ্ক (১৯৭৫)।

 

৬০.
কোনটি নবীনচন্দ্র সেনের কাব্য?
  1. অবকাশ রঞ্জিনী
  2. বৃত্রসংহার
  3. বিরহ বিলাপ
  4. বীরাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের মহাকাব্য- ‘বৃত্রসংহার' (১ম খণ্ড ১৮৭৫, ২য় খণ্ড ১৮৭৭)। মহাভারতের কাহিনী অবলম্বনে রচিত এ কাব্যে মূলত সমসাময়িক সমাজের অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের জয় ঘোষিত হয়েছে। নবীনচন্দ্র সেনের প্রথম কাব্য 'অবকাশ রঞ্জিনী' ।

 

৬১.
সৈয়দ আলী আহসানের কাব্য-
  1. ধূসর পাণ্ডুলিপি
  2. নাম রেখেছি কোমল গান্ধার
  3. একক সন্ধ্যায় বসন্ত
  4. অন্ধকারে একা
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : জীবনানন্দ দাশের রচিত কাব্যগ্রন্থ- ধূসর পাণ্ডুলিপি (১৯৩৬)। বিষ্ণু দের কাব্যগ্রন্থ- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার । সৈয়দ আলী আহসানের কাব্য- একক সন্ধ্যায় বসন্ত (১৯৬৪)। মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহর কাব্য- অন্ধকারে একা (১৯৬৬)।
উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৬২.
আমি জন্মগ্রহণ করিনি' কাব্যগ্রন্থের কবি কে?
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. নির্মলেন্দু গুণ
  3. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  4. অসীম সাহা
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যগ্রন্থ- আমি জন্মগ্রহণ করিনি (১৯৯০), পরাণের গহীন ভিতর (১৯৮০) একদা এক রাজ্যে( ১৯৬১) ।

 উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

৬৩.
‘বন্ধু বিয়োগ” কাব্যটির রচয়িতা কে?
  1. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  2. ঈশ্বরগুপ্ত
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. কামিনী রায়
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : বিহারীলাল চক্রবর্তীর কাব্য 'বন্ধু বিয়োগ" (১৮৭০)। পয়ার ছন্দে চার সর্গে রচিত কবির প্রথম স্ত্রী অভয়া দেবী (সরলা দেবী) এবং তিন বাল্যবন্ধু পূর্ণচন্দ্র, কৈলাস ও বিজয়ের বেদনাময় স্মৃতিসুরভিত শোককাব্য। এতে কবি শেলীর Adonais কাব্যের প্রভাব রয়েছে।

 

৬৪.
‘ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো, যাতে সেনাবাহিনী গোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়ে......আলোচ্য অংশটুকুর রচয়িতা কে?
  1. নির্মলেন্দু গুণ
  2. আল মাহমুদ
  3. আসাদ চৌধুরী
  4. শহীদ কাদরী
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : শহীদ কাদরী ষাটের দশকের অন্যতম প্রধান কবি। দীর্ঘকাল যাবৎ মার্কিন মুলুকে স্বেচ্ছা-নির্বাসনে ছিলেন। তার রচিত কাব্য-
উত্তরাধিকার (১৯৬৭), তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা (১৯৭৪), কোথাও কোন ক্রন্দন নেই (১৯৭৮), আমার চুম্বনগুলো পৌঁছে দাও (২০০৯)। বিখ্যাত কবিতা- ‘ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো, যাতে সেনাবাহিনী গোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়ে...... । .

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৬৫.
‘বিত্ত নাই বেসাতি নাই' এর রচয়িতা কে?
  1. শহীদ কাদরী
  2. আসাদ চৌধুরী
  3. কামিনী রায়
  4. সৈয়দ শামছুল হক
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : কবি আসাদ চৌধুরী রচিত কাব্যগ্রন্থ- তবক দেওয়া পান (১৯৭৫), বিত্ত নাই বেসাত নাই (১৯৭৬), জলের মধ্যে লেখাজোখা
(১৯৮২), মেঘের জুলুম পাখির জুলুম (১৯৮৫) ইত্যাদি।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৬৬.
পাগলা গারদ থেকে প্রেমিকার চিঠি' গ্রন্থের রচয়িতা-
  1. আল মাহমুদ
  2. নির্মলেন্দু গুণ
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. রফিক আজাদ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : কবি রফিক আজাদের কাব্যগ্রন্থ- অসম্ভবের পায়ে (১৯৭৩), সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে (১৯৭৪), চুনিয়া আমার
আর্কেডিয়া (১৯৭৭), পাগলা গারদ থেকে প্রেমিকার চিঠি (১৯৯৫)।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৬৭.
কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. বেলা শেষের গান
  2. নিশান্তিকা
  3. হেমন্ত গোধুলী
  4. পুবের হাওয়া
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ- পূবের হাওয়া (১৯২৫), সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কাব্য- বেলা শেষের গান (১৯২৩),
যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কাব্য- নিশান্তিকা (১৯৫৭), মোহিতলাল মজুমদারের কাব্য- হেমন্ত গৌধুলী (১৯৪১)।


 

৬৮.
বিদীর্ণ দর্পনে মুখ ' কাব্যটির রচয়িতা কে?
  1. ফররুখ আহমদ
  2. আল মাহমুদ
  3. সিকান্দার আবু জাফর
  4. আহসান হাবীব
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : আহসান হাবীবের কাব্য- সারা দুপুর (১৯৬৪), আশায় বসতি (১৯৭৪), বিদীর্ণ দর্পনে মুখ ৷

 


৬৯.
আল মাহমুদের কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. উপমহাদেশ
  2. নাম রেখেছি কোমল গান্ধার
  3. উপদ্রুত উপকূল
  4. পাখির কাছে ফুলের কাছে
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : আল মাহমুদের কাব্য- পাখির কাছে ফুলের কাছে। উপন্যাসঃ উপমহাদেশ। বিষ্ণু দের কাব্য- নাম
রেখেছি কোমল গান্ধার (১৯৫০)। রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর কাব্য- উপদ্রুত উপকূল (১৯৭৯)।

 

৭০.
কাজী নজরুল ইসলামের প্রেমের কাব্য-
  1. অগ্নিবীণা
  2. বিষের বাঁশী
  3. ভাঙার গান
  4. সিন্ধু-হিন্দোল
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : কাজী নজরুল ইসলামের প্রেমপ্রধান কাব্য- সিন্দু হিন্দোল (১৯২৭)। গ্রন্থটি হাবীবুল্লাহ বাহার ও শামসুন্নাহার মাহমুদকে
উৎসর্গ করা হয়। বাকীগুলো বিদ্রোহপ্রধান কাব্য ।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৭১.
কায়কোবাদের 'মহাশ্মশান' কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯০৪
  2. ১৯০৮
  3. ১৮৫৭
  4. ১৯১২
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : কবি কায়কোবাদের মহাকাব্য 'মহাশ্মশান' ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয়। এটি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অবলম্বনে রচিত।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া, শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৭২.
হাসান হাফিজুর রহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ-
  1. বিধ্বস্ত নীলিমা
  2. ভবিতব্যের বাণিজ্যতরী
  3. রাত্রিশেষ
  4. চৈত্রের ভালোবাসা
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : হাসান হাফিজুর রহমানের কাব্যগ্রন্থ- ভবিতব্যের বাণিজ্যতরী (১৯৮৩)। শামসুর রাহমানের কাব্য- বিধ্বস্ত নীলিমা (১৯৬৭), আহসান হাবীবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ- রাত্রিশেষ (১৯৪৭), নির্মলেন্দু গুণের কবিতা- চৈত্রের ভালোবাসা ।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৭৩.
মিঠেকড়া' কোন কবির রচনা?
  1. আহসান হাবিব
  2. ফররুখ আহমদ
  3. মতিউর রহমান মল্লিক
  4. সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা

মিঠেকড়া' সুকান্ত ভট্টাচার্যের রচনা।

 

৭৪.
কোনটি অমিয় চক্রবর্তীর কাব্য নয়?
  1. এক মুঠো
  2. পালাবদল
  3. পারাপার
  4. ছায়াহরিণ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থ- ছায়াহরিণ। অমিয় চক্রবর্তীর কাব্য- এক মুঠো (১৯৩৯), পারাপার (১৯৫৩), পালাবদল
(১৯৫৫)।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৭৫.
জসীমউদ্দীনের নাটক-
  1. রাখালী
  2. মাটির কান্না
  3. পদ্মাপাড়
  4. বোবা কাহিনী
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : জসীমউদ্দীনের নাটক পদ্মাপাড় (১৯৫০), বেদের মেয়ে (১৯৫১), মধুমালা (১৯৫১)। কাব্য- রাখালী (১৯২৭), মাটির
কান্না (১৯৫৮)। উপন্যাস- বোবা কাহিনী (১৯৬৪)।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৭৬.
আবদুল্লাহ আল মামুনের নাটক-
  1. কালবেলা
  2. এখনও ক্রীতদাস
  3. গণনায়ক
  4. চাকা
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : সৈয়দ শামসুল হকের নাটক- গণনায়ক, সাঈদ আহমদের নাটক- কালবেলা, আবদুল্লাহ আল মামুনের নাটক- এখনও
ক্রীতদাস।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৭৭.
‘ মরক্কোর জাদুকর ' নাটকটি কার রচনা? 
  1. সেলিম আল দীন
  2. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  3. দীনবন্ধু মিত্র
  4. আবদুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : বিশ শতকের পঞ্চাশের দশকে সাহিত্যক্ষেত্রে তাঁর আবির্ভাব। এ সময়ে যাঁরা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে তোলার চেষ্টা করেন, তিনি তাঁদের মধ্যে অন্যতম। প্রগতিশীল ও মানবতাবাদী ভাবধারায় তিনি সাহিত্যচর্চা করেছেন। প্রথম জীবনে গ্রামের মানুষ ও তাদের সংগ্রাম, প্রকৃতির ঐশ্বর্য ও সংহারমূর্তি দুইই তাঁর মনে ছাপ ফেলে গেছে। নগরজীবনের কৃত্রিমতা, রাজনীতিক সংগ্রাম, নিপীড়ন, প্রতারণা তিনি তাঁর কথাসাহিত্যের বিষয়বস্ত্ত করেছেন। এ পর্যায়ের তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগন্থ জেগে আছি (১৯৫০), ধানকন্যা (১৯৫১), জীবন জমিন (১৯৮৮) প্রভৃতি। ষাটের দশকে রচিত তাঁর উপন্যাস, তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০) ও কর্ণফুলী (১৯৬২) ব্যাপক সাড়া জাগায়। তেইশ নম্বর তৈলচিত্র উপন্যাসটির বিষয়বস্ত্ত অবলম্বনে বসুন্ধরা নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সুভাষ দত্ত। এ চলচ্চিত্রটি দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। তাঁর অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে শীতের শেষরাত বসন্তের প্রথমদিন (১৯৬২), ক্ষুধা ও আশা (১৯৬৪), শ্যামল ছায়ার সংবাদ (১৯৮৬) উল্লেখযোগ্য। তাঁর মরক্কোর যাদুকর (১৯৫৯), মায়াবী প্রহর (১৯৬৩) ও ধন্যবাদ (১৯৬৫) অত্যন্ত জীবনঘনিষ্ঠ নাটক। তাঁর অন্যান্য নাটকের মধ্যে ধন্যবাদ (১৯৫১), নিঃশব্দ যাত্রা (১৯৭২), নরকে লাল গোলাপ (১৯৭২) প্রধান। তাঁর দুটি কাব্যনাট্য, ইহুদির মেয়ে (১৯৬২) ও রঙিন মুদ্রারাক্ষস (১৯৯৪)।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৭৮.
কোনটি সেলিম আল দীন রচিত নাটক? 
  1. খোলা দুয়ার
  2. এখানে এখন
  3. এখনও ক্রীতদাস
  4. বনপাংশুল
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : সেলিম আল দীনের নাটক- বনপাংশুল (১৯৯৬)। সৈয়দ শামসুল হকের নাটক- এখানে এখন (১৯৮৮)। আবদুল্লাহ আল
মামুনের নাটক- এখনও ক্রীতদাস (১৯৮৪)। ইসহাক খানের উপন্যাস- খোলা দুয়ার (২০১৬)।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৭৯.
প্রথম বিয়োগান্তক নাটকের প্রচেষ্টা-
  1. ভদ্রার্জুন
  2. কীর্তিবিলাস
  3. ভানুমতি চিত্তবিলাশ
  4. হরিশচন্দ্র
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা :  'কীর্তিবিলাস' (১৮৫২) প্রথম বিয়োগান্তক নাটক রচনার প্রচেষ্টা।

উৎসঃ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম। 

৮০.
নিচের যে উত্তরটি বেমানান-
  1. বহিপির, সুড়ঙ্গ
  2. চৌরসন্ধি, ক্রান্তিকাল
  3. চিঠি, দণ্ডকারণ্য
  4. বিসর্জন, রথের রশি
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : 'ক্রান্তিকাল' উপন্যাসের লেখক প্রফুল্ল রায়। 'ক্রান্তিকাল' (১৯৬২) প্রবন্ধগ্রন্থের লেখক আবদুল হক। চৌরসন্ধি (১৯৬৮)
উপন্যাসের লেখক শওকত ওসমান। বহিপীর, সুড়ঙ্গ- নাটকের লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। চিঠি, দণ্ডকারণ্য- নাটকের লেখক মুনীর
চৌধুরী । বিসর্জন, রথের রশি- নাটকের লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৮১.
'নিমজ্জন' নাটকটি লিখেছেন-
  1. আল মাহমুদ
  2. সাঈদ আহমেদ
  3. সেলিম আল দীন
  4. আবদুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা

সেলিম আল দীনের নাটক- নিমজ্জন (২০০২)।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৮২.
প্যারীচাঁদ মিত্রের লেখা নয় কোনটি
  1. রামারঞ্জিকা
  2. মদ খাওয়া বড় দায়-জাত থাকার কি উপায়
  3. বামাতোষিণী
  4. বোধেন্দুবিকাশ
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন। তিনি রামপ্রসাদ সেন রচিত কালীকীর্তন (১৮৩৩) ও প্রবোধ প্রভাকর (১৮৫৮) সম্পাদনা করেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর রচিত হিতপ্রভাকর (১৮৬১) ও বোধেন্দুবিকাশ (১৮৬৩) প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তর কবিতা সংগ্রহ (১৮৮৫) এবং সত্যনারায়ণ ব্রতকথা (১৯১৩)।
বাকীগুলো প্যারীচাঁদ মিত্রের। 



উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৮৩.
কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি ঘোষণা করা হয় কোন সনে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : 'জাতীয় কবি হিসেবে কাজী নজরুল ইসলামের নাম প্রতিষ্ঠিত সত্য হলেও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ছিল না। অবশেষে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে ১৯৭২ সালের ৪ মে থেকে তাকে বাংলাদেশের ‘জাতীয় কবি' হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কাজী নজরুলকে সর্বপ্রথম বাংলার 'জাতীয় কবি হিসেবে আখ্যায়িত করে আবুল কালাম শামসুদ্দীন 'সওগাত' পত্রিকায় প্রবন্ধ লিখেন ।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৮৪.
কবি নজরুলকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়া হয়-
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : ১৯৭৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। একই বছর তিনি 'একুশে পদক'
লাভ করেন।  

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 

৮৫.
কত সালে কাজী নজরুল ইসলামকে সপরিবারে বাংলাদেশে আনা আনা হয়-
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৪
  4. ১৯৭৬
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : কাজী নজরুল ইসলাম স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে আসেন ১৯৭২ সালের ২৪ মে। তিনি মোট ১৩ বার (১৯২৬, প্রথমবার) ঢাকায়
আসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন মোট ৫ বার।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৮৬.
জসীমউদ্দীন তাঁর বন্ধুকে কোন গাঁয়ে নিমন্ত্রণ করেছিলেন?
  1. পল্লী গাঁয়ে
  2. কাজল গাঁয়ে
  3. শ্যামল গাঁয়ে
  4. সবুজ গাঁয়ে
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : জসীমউদ্দীনের 'নিমন্ত্রণ' কবিতার চরণ- ‘তুমি যাবে ভাই- যাবে মোর সাথে, ছোট সে কাজল গাঁয়। গলাগলি ধরি কলা বন;
যেন ঘিরিয়া রয়েছে তায়।'

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৮৭.
মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি যশোর জেলার কোন উপজেলায়?
  1. মনিরামপুর
  2. চৌগাছা
  3. কেশবপুর
  4. অভয়নগর
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি কপোতাক্ষ নদীর তীরবর্তী যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার
সাগড়দাঁড়ি গ্রামে এক কায়স্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৮৮.
ছিন্নপত্রের অধিকাংশ পত্র কাকে উদ্দেশ্য করে লেখা?
  1. কাদম্বরী দেবী
  2. জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
  3. মৃণালিনী দেবী
  4. ইন্দিরা দেবী
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পত্র সংকলন- 'ছিন্নপত্র' (১৯১২)। এতে মোট ১৫৩ টি পত্র আছে। এর প্রথম ৮টি পত্র শ্রীশচন্দ্র মজুমদার
এবং বাকী ১৪৫টি পত্র ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবীকে লেখা ।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৮৯.
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত রবীন্দ্ররচনা-
  1. মুকুট
  2. বলাকা
  3. চোখের বালি
  4. ছিন্নপত্র
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পত্র সংকলন- ‘ছিন্নপত্র' (১৯১২)। এতে মোট ১৫৩ টি পত্র আছে। ছিন্নপত্রের চিঠিগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রবীন্দ্রনাথ প্রায় ২২টি জায়গা থেকে চিঠিগুলো লিখেছিলেন। জায়গাগুলোর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশের শিলাইদহ, শাহজাদপুর, পতিসর, কালিগ্রাম, গোয়ালন্দ, বোয়ালিয়া, নাটোর, কুষ্টিয়া, ইছামতি, দিঘাপতিয়া, পাবনা ইত্যাদি। সবচেয়ে বেশি চিঠি
লিখেছিলেন শিলাইদহ থেকে ৫৬টি । উনিশ শতকের শেষ দশকের বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের মানুষ, প্রকৃতি ও
পরিবেশের চিত্র উঠে এসেছে ছিন্নপত্রে।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৯০.
‘স্বল্পপ্রাণ, স্থূলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ'- এই উক্তিটি কার?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. আবুল ফজল
  3. মোতাহার হোসেন চৌধুরী
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : মোতাহের হোসেন চৌধুরীর ‘জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের উক্তি- ‘স্বল্পপ্রাণ, স্থূলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ । তাদের কাজ নিজের জীবনকে সার্থক ও সুন্দর করে তোলা নয়, অপরের সার্থকতার পথে অন্তরায় সৃষ্টি করা। প্রেম ও সৌন্দর্যের স্পর্শ লাভ করেনি বলে এরা নিষ্ঠুর ও বিকৃতবুদ্ধি।'

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৯১.
“ যাত্রীরা রাত্তিরে হতে এল খেয়া পার, বজ্রেরি তূর্যে এ গর্জেছে কে আবার?” চরণ দুটি কার লেখা?
  1. ফররুখ আহমদ
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. আল মাহমুদ
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : কাজী নজরুল ইসলামের 'খেয়া-পারের তরণী' কবিতার চরণ- ‘যাত্রীরা রাত্তিরে হতে এল খেয়া পার, বজ্রেরি তুর্যে এ গর্জেছে কে আবার? প্রলয়েরি আহ্বান ধ্বনিল কে বিষাণে! ঝন্‌ঝা ও ঘন দেয়া স্বনিল রে ঈশানে। ঢাকার নবাব আহসানুল্লাহর মেয়ে মেহেরবানু খানমের আঁকা একটি ছবি দেখে নজরুল রচনা করেন কবিতাটি রচনা করেন।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৯২.
শুনি নাই, রাখিনি সন্ধান' কবি সুফিয়া কামাল সন্ধান রাখেন নি-
  1. সুখের
  2. যৌবনের
  3. বসন্তের
  4. দুঃখের
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : সুফিয়া কামালের 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার চরণ- ‘শুনি নাই, রাখিনি সন্ধান । কবি বসন্তের সন্ধান রাখেন নি ।
উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৯৩.
‘পারিব না এ কথাটি বলিও না আর, কেন পারিবে না, তাহা ভাব একবার' উক্তিটি কার?
  1. হরিশচন্দ্র মিত্র
  2. ঈশ্বর গুপ্ত
  3. কালীপ্রসন্ন ঘোষ
  4. কামিনী রায়
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : কালীপ্রসন্ন ঘোষের 'পারিব না' কবিতার চরণ- ‘পারিব না এ কথাটি বলিও না আর, কেন পারিবে না, তাহা ভাব একবার।'


৯৪.
‘কতরূপ স্নেহ করি/দেশের কুকুর ধরি/বিদেশের ঠাকুর ফেলিয়া।' চরণটি কোন কবির? [
  1. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  2. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
  3. রামনারায়ন তর্করত্ন
  4. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'স্বদেশ' কবিতার চরণ। এ কবিতায় কবি স্বদেশকে মাতৃরূপে কল্পনা করে দেশবাসীকে তার প্রতি যত্নশীল
হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

 

৯৫.
বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কংকাল মূর্তি' উক্তিটি কোন রচনার অংশ?
  1. যৌবনে দাও রাজটীকা
  2. যৌবনের গান
  3. জীবন বন্দনা
  4. রাজবন্দীর জবানবন্দী
ব্যাখ্যা

বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কংকাল মূর্তি' উক্তিটি কাজী ণোজোড়ূল ইসলামের'যৌবনের গান' প্রবন্ধের অংশ।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৯৬.
‘বুকের রক্ত দিয়া আমাকে যে একদিন দ্বিতীয় সীতাবিসর্জনের কাহিনী লিখতে হইবে, সে কথা কে জানিত'- এ
বাক্যটি কোন লেখায় আছে?
  1. অপরিচিতা
  2. সমাপ্তি
  3. জীবিত ও মৃত
  4. হৈমন্তি
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'হৈমন্তী' ছোটগল্পের নায়ক অপুর উক্তি এটি ।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৯৭.
‘জাতির পতাকা আজ খামচে ধরছে সেই পুরানো শকুন' উক্তিটি কার?
  1. রফিক আজাদ
  2. হেলাল হাফিজ
  3. কামরুল হাসান
  4. রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : ‘জাতির পতাকা আজ খামচে ধরছে সেই পুরানো শকুন' উক্তিটি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ‘বাতাসে লাশের গন্ধ' কবিতার চরণ।
 
উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৯৮.
মাইকেল-রবীন্দ্রনাথ-নজরুল ইসলাম আমার মাতৃভাষা।' উক্তিটি-
  1. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর
  2. মুনীর চৌধুরীর
  3. মুহম্মদ আবদুল হাই-এর
  4. সুকুমার সেন এর
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : মুনির চৌধুরী বাংলা ভাষার অর্জন সম্পর্কে বলতে গিয়ে লিখেছেন, “আমার মাতৃভাষা তিব্বতের গুহাচারী, মনসার দর্পচূর্ণকারী, আরাকানের রাজসভার মণিময় অলঙ্কার, বরেন্দ্রভূমির বাউলের উদাস আহ্বান, মাইকেল-রবীন্দ্রনাথ-নজরুল ইসলাম আমার মাতৃভাষা। আমার মাতৃভাষা বাংলা ভাষা ।”

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

৯৯.
‘যার ভিতরে-----, সে-ই বাইরে ভয় পায়।' শূন্যস্থানে বসবে-
  1. পাপ
  2. মিথ্যা
  3. ভয়
  4. . অসত্য
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : কাজী নজরুল ইসলামের 'আমার পথ' প্রবন্ধের উক্তি ‘যার ভিতরে ভয়, সে-ই বাইরে ভয় পায়।'

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

১০০.
‘পরোপকারই পরম ধর্ম' কোন রচনার অন্তর্গত?
  1. বিড়াল
  2. আমার পথ
  3. জীবন ও বৃক্ষ
  4. তৈল
ব্যাখ্যা

‘পরোপকারই পরম ধর্ম' বঙ্কিমচন্দ্রের 'বিড়াল' নামক রচনার অন্তর্গত।

উৎসঃ বিড়াল', বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

১০১.
বেদীতে না বসলে আমাদের উপদেশ কেউ মানে না।'- উক্তিটি কোন রচনার অন্তর্গত?
  1. বই পড়া
  2. যৌবনে দাও রাজটীকা
  3. সাহিত্যে খেলা
  4. শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব
ব্যাখ্যা

বেদীতে না বসলে আমাদের উপদেশ কেউ মানে না।'- উক্তিটি প্রমথ চৌধুরী রচিত সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের।

উৎসঃ সাহিত্যে খেলা' প্রমথ চৌধুরী ।

১০২.
নিরু’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন ছোটগল্পের চরিত্র?
  1. সমাপ্তি
  2. দেনাপাওনা
  3. মধ্যবর্তিনী
  4. ল্যাবরেটরি
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমাপ্তি গল্পের চরিত্র- মৃন্ময়ী, দেনাপাওনা ছোটগল্পের চরিত্র- নিরু এবং
মধ্যবর্তিনী ছোটগল্পের নায়িকা- হরসুন্দরী।

উৎসঃ দেনাপাওনা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।

১০৩.
‘হুরমতি’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. আগুনপাখি
  2. উপমহাদেশ
  3. কাঁদো নদী কঁদো
  4. সংশপ্তক
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : শহীদুল্লা কায়সারের ‘সংশপ্তক' উপন্যাসের চরিত্র- হুরমতি, লেকু, জাহেদ, রাবু, সেকেন্দার, মালু ও সুবিধাবাদী চরিত্র
রমজান।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

১০৪.
‘কাদম্বিনী' চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গল্পের?
  1. পয়লা নম্বর
  2. সমাপ্তি
  3. জীবিত ও মৃত
  4. মধ্যবর্তীনী
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'জীবিত ও মৃত' গল্পের চরিত্র- কাদম্বিনী। সমাপ্তি গল্পের চরিত্র- মৃন্ময়ী, পয়লা নম্বর এর চরিত্র অনিলা, মধ্যবর্তীনী গল্পের চরিত্র হরসুন্দরী ।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

১০৫.
টেনিদা' যে সাহিত্যিকের কিশোরপাঠ্য লেখার কেন্দ্রীয় চরিত্র
  1. নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
  2. সত্যজিৎ রায়
  3. শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. উপরের কেউই নয়
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : ‘টেনিদা' নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের এক অমর সৃষ্টি। সত্যজিৎ রায়ের যেমন 'প্রফেসর শংকু', 'ফেলুদা' বা প্রেমেন্দ্র মিত্রের
যেমন 'ঘনাদা' তেমনি নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের 'টেনিদা' এক অনন্য স্বকীয় চরিত্র।

উৎসঃ টেনিদা সমগ্র, নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় ।

১০৬.
বুড়ো রহমান’ কোন গল্পের চরিত্র?
  1. মুকুট
  2. মুসলমানীর গল্প
  3. মাসি-পিসি
  4. সমস্যা পূরণ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : মাসি-পিসি গল্পের প্রধান দুই চরিত্র- মাসি ও পিসি। এ গল্পের অপ্রধান চরিত্র- বুড়ো রহমান।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

১০৭.
কোন চরিত্রটি সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্ট সাহিত্য চরিত্র নয়?
  1. সন্দীপ
  2. তপসে
  3. জটায়ু
  4. প্রফেসর শঙ্কু
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : সত্যজিৎ রায় সৃষ্ট বিখ্যাত চরিত্র হল- গোয়েন্দা প্রদোষচন্দ্র মিত্র ওরফে ফেলুদা, বৈজ্ঞানিক প্রফেসর শঙ্কু ও তারিনীখুড়ো।
ফেলুদার দু'জন সঙ্গী তপসে, জটায়ু ওরফে লালমোহন গাঙ্গুলি।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

১০৮.
কোন গ্রন্থটি এয়াকুব আলী চৌধুরী রচিত?
  1. মোস্তফা চরিত
  2. নয়া জাতির সৃষ্টা হযরত মোহাম্মদ (সা.)
  3. বিশ্বনবী
  4. মানব মুকুট
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : এয়াকুব আলী চৌধুরী রচিত গ্রন্থ- ধর্মের কাহিনী (১৯১৪), নূরনবী (১৯১৮), শান্তিধারা (১৯১৯), মানব মুকুট (১৯২২)।
মোহাম্মদ আকরম খাঁ রচিত গ্রন্থ- 'মোস্তফা চরিত। মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ রচিত প্রবন্ধ- ‘নয়া জাতির সৃষ্টা হযরত মোহাম্মদ (সা.)'।
গোলাম মোস্তফা রচিত গ্রন্থ- 'বিশ্বনবী' ।

 

১০৯.
বিখ্যাত প্রবন্ধ ‘তরুণের বিদ্রোহ' এর প্রাবন্ধিক এর নাম কি?
  1. মোতাহার হোসেন চৌধুরী
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

১১০.
বাংলা গদ্য রীতি' গ্রন্থের লেখক?
  1. আহমদ শরীফ
  2. আনিসুজ্জামান
  3. মুনির চৌধুরী
  4. মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী
ব্যাখ্যা

সাহিত্য-সমালোচনার ক্ষেত্রে মুনীর চৌধুরী এক নতুন পথের সন্ধান দিয়েছেন। মীর-মানস (১৯৬৫) ও তুলনামূলক সমালোচনা (১৯৬৯) গ্রন্থদুটিতে তার পরিচয় পাওয়া যায়। কোন কিছুর নিরাসক্ত মূল্যায়ন, দুটি ভাষার সাহিত্যকর্মের তুলনা, আবার একই চরিত্র বিভিন্ন নাট্যকারের হাতে কেমন রূপলাভ করে ইত্যাদি বিশ্লেষণ তাঁর সমালোচনার মৌলনীতি। তাঁর 'বাংলা গদ্যরীতি' (১৯৭০) নামক গ্রন্থে বাংলা গদ্যের, বিশেষত পূর্ব বাংলার সমকালীন বাংলা গদ্যরীতির পরিচয় পাওয়া যায়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

১১১.
‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি” গ্রন্থের রচয়িতা-
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. বিষ্ণু দে
  3. সু্ধীন্দ্রনাথ
  4. অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

বুদ্ধদেব বসু রচিত- হঠাৎ আলোর ঝলকানি (১৯৩৫), কালের পুতুল (১৯৪৬), সাহিত্যচর্চা (১৩৬১ বঙ্গাব্দ)।

১১২.
‘অনুকরণে দোষগুলি অনুকৃত হয়, গুণগুলি হয় না।' কার উক্তি?
  1. শরৎচন্দ্র
  2. বঙ্কিমচন্দ্র
  3. নজরুল
  4. রবীন্দ্রনাথ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে নতুন লেখকদের প্রতি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরামর্শ হলো- খ্যাতি বা অর্থের উদ্দেশ্যে লেখা নয়; লিখতে হবে মানুষের কল্যাণ সাধন কিংবা সৌন্দর্য সৃষ্টির অভিপ্রায়ে ।

 

১১৩.
চাকমাদের জীবন কাহিনী নিয়ে রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. যাপিত জীবন
  2. খোয়াবনামা
  3. সংশপ্তক
  4. কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : আলাউদ্দিন আল আজাদের উপন্যাস 'কর্ণফুলী' (১৯৬২) উপজাতীয় জীবন কাহিনী নিয়ে রচিত। চাকমাদের জীবন সংগ্রামের
চিত্রই এ উপন্যাসে উপজীব্য। এতে চাকমা ভাষাও ব্যবহার করা হয়েছে।

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

১১৪.
‘মরণ বিলাস' কার রচনা?
  1. আহমদ ছফা
  2. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  3. আবুল ফজল
  4. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : আহমদ ছফার রাজনৈতিক উপন্যাস- 'মরণ বিলাস' (১৯৮৯)। মুমূর্ষু মন্ত্রী ফলজে এলাহির স্বীকারোক্তি যাতে ব্যক্ত হয়েছে
তার উপরে উঠার কাহিনী। আর তার সাথে সাথে উঠে আসে এক সমাজের গল্প যেখানে অনৈতিকতাই উপরে উঠে আসার সিঁড়ি। রাত
১২ টা ১৩ মিনিট থেকে ভোর রাত পর্যন্ত সাগরেদ মাওলা বক্সের কাছে মন্ত্রীর করুণ আর্তি প্রকাশিত হয় ।

১১৫.
আফিম’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. পর্তুগিজ
  2. ফরাসি
  3. আরবি
  4. ফারসি
ব্যাখ্যা

আফিম (বিশেষ্য): 
- আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ। 
অর্থ: পোস্তফলের নির্যাস থেকে উৎপাদিত তিক্তস্বাদ মাদকবিশেষ। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।

১১৬.
কাঁচি' কোন ভাষার শব্দ?
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. হিন্দি
  4. তুর্কি
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : 'কাঁচি' তুর্কি ভাষার শব্দ। তুর্কি ভাষার অন্যান্য শব্দ - উজবুক, উর্দু, কাঁচি, কাবু, কুর্নিশ, কুলি (মজুর), কোর্মা, খাতুন, বাবা, বাবুর্চি, বেগম, বোঁচকা, মুচলেকা, লাশ, সওগাত ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

১১৭.
'ঠাকুর'’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
  1. হিন্দি
  2. তুর্কি
  3. আরবি
  4. ফারসি
ব্যাখ্যা

ঠাকুর'’ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

১১৮.
বার্লাক"-এর প্রতিশব্দ-
  1. পুষা
  2. সোম
  3. বিধু
  4. সুধাংশু
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : সূর্য এর প্রতিশব্দ- অর্ক, আদিত্য, মার্তণ্ড, বার্লাক, পুষা। চন্দ্র এর প্রতিশব্দ- বিধু, সুধাংশু, হিমাংশু,সোম।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

১১৯.
'বেসাতি' শব্দের প্রকৃত অর্থ কোনটি?
  1. পোশাক
  2. সাজ সজ্জা
  3. উপকরণ
  4. পণ্য দ্রব্য
ব্যাখ্যা

বেসাতি' শব্দের প্রকৃত অর্থ পণ্য দ্রব্য, পণ্য বিক্রয়ের কাজ, দোকানদারি।

প্রতিপাদিতঃ জামিল চৌধুরী সম্পাদিত বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২০.
'নির্বন্ধ' এর প্রতিশব্দ নয়
  1. বিধান
  2. আগ্রহ
  3. পীড়াপীড়ি
  4. নিবিড়
ব্যাখ্যা

'নির্বন্ধ' এর প্রতিশব্দ বিধান, আগ্রহ, পীড়াপীড়ি।

প্রতিপাদিতঃ জামিল চৌধুরী সম্পাদিত বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২১.
‘বাচ্যার্থ' শব্দের কোন ধরনের অর্থ প্রকাশ করে?
  1. গৌণ
  2. মুখ্য
  3. পরোক্ষ
  4. সমর্থ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : ‘বাচ্যার্থ হলো- স্বাভাবিক অর্থ, মুখ্য অর্থ, অভিহিত অর্থ।

প্রতিপাদিতঃ জামিল চৌধুরী সম্পাদিত বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২২.
‘কবরী' শব্দটির অর্থ
  1. কপাল
  2. হাত
  3. মুখ
  4. চুল
ব্যাখ্যা

‘কবরী' শব্দটির অর্থ চুল

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

১২৩.
শব্দের সঠিক বানান নির্ণয় করুন:
  1. তদানুসারে
  2. তদনুসারী
  3. তদনুসারি
  4. তদানুসারী
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ বানান- তদনুসারী।

প্রতিপাদিতঃ জামিল চৌধুরী সম্পাদিত বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২৪.
কোন বানানটি শুদ্ধ-
  1. পীড়াপীড়ি
  2. পীড়াপিড়ি
  3. পীড়াপীড়ী
  4. পিড়াপীড়ি
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ বানান- পীড়াপীড়ি।

প্রতিপাদিতঃ জামিল চৌধুরী সম্পাদিত বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২৫.
কোন বানানটি শুদ্ধ-
  1. ব্যত্যয়
  2. ব্যাত্যয়
  3. ব্যত্যায়
  4. ব্যাত্যায়
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ বানান- ব্যত্যয়।

প্রতিপাদিতঃ জামিল চৌধুরী সম্পাদিত বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২৬.
কোন বানানটি শুদ্ধ-
  1. ফাগুনসমীরন
  2. ফাগুনসমীরণ
  3. ফাগুনসমিরণ
  4. ফাগুনসমিরন
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ বানান- ফাগুনসমীরণ।

প্রতিপাদিতঃ জামিল চৌধুরী সম্পাদিত বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২৭.
কোন বানানটি শুদ্ধ-
  1. আপদমস্তক
  2. আপাদমস্তক
  3. আপদমস্ত
  4. আপাদমস্ত
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ বানান- আপাদমস্তক।

প্রতিপাদিতঃ জামিল চৌধুরী সম্পাদিত বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২৮.
'ক্ষ্ণ'যুক্তবর্ণটি কিভাবে গঠিত হয়েছে?
  1. ক+ষ+ম
  2. ক+ষ+ন
  3. ক্+ষ
  4. হ্+ম
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা : হ+ম=হ্ম, যেমন-ব্রাহ্মণ, ব্রহ্ম ইত্যাদি। ক্+ষ=ক্ষ, যেমন- শিক্ষা, রক্ষা ইত্যাদি। ক+ষ+ন=ক্ষ্ণ।

ক+ষ+ম=ক্ষ্ম যেমনঃ লক্ষ্মী, লক্ষ্মণ।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১২৯.
কোনটি ভুল?
  1. আদ্য ব্যঞ্জনবর্ণে 'ব'-ফলা সংযুক্ত হলে সাধারণত সে ব-ফলার কোনো উচ্চারণ হয় না। 
  2. শব্দের মধ্যে কিংবা শেষে 'ব'-ফলা থাকলে সংযুক্ত বর্ণের উচ্চারণ-দ্বিত্ব হয় না।
  3. ৎ (উদ্), উপসর্গযোগে গঠিত শব্দের 'ৎ' (দ)-এর সঙ্গে 'ব’-ফলার 'ব' বাংলা উচ্চারণে সাধারণত অবিকৃত থাকে।
  4. বাংলা শব্দে ক্ থেকে সন্ধির সূত্রে আগত- 'গ'-এর সঙ্গে 'ব'-ফলা যুক্ত হলে সেক্ষেত্রে 'ব'-এর উচ্চারণ প্রায়শ অক্ষত থাকে।
ব্যাখ্যা

ব-ফলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম
১. আদ্য ব্যঞ্জনবর্ণে 'ব'-ফলা সংযুক্ত হলে সাধারণত সে ব-ফলার কোনো উচ্চারণ হয় না। যথা : স্বাধিকার (শাধিকার্), স্বদেশ (শদেশ), জ্বালা (জালা), ত্বক (তক্), শ্বাপদ (শাপদ্) ইত্যাদি)।
২. শব্দের মধ্যে কিংবা শেষে 'ব'-ফলা থাকলে সংযুক্ত বর্ণের উচ্চারণ-দ্বিত্ব ঘটে থাকে। যথা : দ্বিত্ব (দিতো), বিশ্ব (বিশ্বশো), বিশ্বাস (বিশ্শাশ), বিদ্বান (বিদ্‌দান), পৰ্ব (পকো) ইত্যাদি ।
৩. উৎ (উদ্), উপসর্গযোগে গঠিত শব্দের 'ৎ' (দ)-এর সঙ্গে 'ব’-ফলার 'ব' বাংলা উচ্চারণে সাধারণত অবিকৃত থাকে। যথা : উদ্বেগ (উদ্‌বেগ), উদ্বোধন (উদবোধন), উদ্বেলিত (উদ্‌বেলিতো), উদ্বিগ্ন (উদ্‌বিনো) ইত্যাদি।
৪. বাংলা শব্দে ক্ থেকে সন্ধির সূত্রে আগত- 'গ'-এর সঙ্গে 'ব'-ফলা যুক্ত হলে সেক্ষেত্রে 'ব'-এর উচ্চারণ প্রায়শ অক্ষত থাকে। যথা : দিগ্বিদিক (দিগ্‌ বিদিক্), দিগ্বলয় (দিগ্‌বলয়), দিগ্বিজয় (নিগ্‌বিজয়), ঋগ্বেদ (রিগবেদ ইত্যাদি।
:
৫. এছাড়া 'ব'-এর সঙ্গে এবং 'ম'-এর সঙ্গে 'ব'-ফলা যুক্ত হলে, সে 'ব'-এর উচ্চারণ অবিকৃত থাকে। যথা : ব-এর সঙ্গে : বাব্বা (বাবা), সব্বাই (শব্বাই), শাব্বাশ (শাব্বাশ), তিব্বত (তিব্বত্‌), নব্বই (নোব্‌বাই) ইত্যাদি।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

১৩০.
কোনটি ভুল?
  1. পদের আদ্য ব্যঞ্জনবর্ণে 'ম'-ফলা সংযুক্ত হলে সাধারণত তার কোনো উচ্চারণ হয় না, তবে প্রমিত উচ্চারণে 'ম'-ফলাযুক্ত বর্ণটির উচ্চারণ সামান্য নাসিক্য-প্রভাবিত হয়ে ওঠে।
  2. পদের মধ্যে বা অন্তে 'ম'-ফলা সংযুক্ত বর্ণের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়ে থাকে।
  3.  বাংলা ভাষায় পদের মধ্যে কিংবা অন্তে সর্বত্র 'ম'-ফলা যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণটির দ্বিত্ব উচ্চারণ হয় না; গ, ঙ, ট, ণ, ম এবং ল-এর সঙ্গে সংযুক্ত 'ম'-এর উচ্চারণ সাধারণত অবিকৃত থাকে।
  4. যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে সংযুক্ত 'ম'-ফলার  উচ্চারণ হয় ।
ব্যাখ্যা

 ম-ফলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম
ক. পদের আদ্য ব্যঞ্জনবর্ণে 'ম'-ফলা সংযুক্ত হলে সাধারণত তার কোনো উচ্চারণ হয় না, তবে প্রমিত উচ্চারণে 'ম'-ফলাযুক্ত বর্ণটির উচ্চারণ সামান্য নাসিক্য-প্রভাবিত হয়ে ওঠে। যথা : স্মরণ (শঁরোন্), শ্মশান (শঁশান্ স্মৃতি (স্মৃতি), স্মারক (শাঁরোক্) ইত্যাদি।
খ. পদের মধ্যে বা অন্তে 'ম'-ফলা সংযুক্ত বর্ণের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়ে থাকে। যথা: ছদ্ম (ছদ্‌দো), পদ্ম (পদো), আত্ম (আর্তো), অকস্মাৎ (অকোশাত্), ভস্ম (ভশোঁ), রশ্মি (রোশি), মহাত্মা (মহাত্‌তা), আকস্মিক (আকোশিক্) ইত্যাদি।
গ. . কিন্তু বাংলা ভাষায় পদের মধ্যে কিংবা অন্তে সর্বত্র 'ম'-ফলা যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণটির দ্বিত্ব উচ্চারণ হয় না; গ, ঙ, ট, ণ, ম এবং ল-এর সঙ্গে সংযুক্ত 'ম'-এর উচ্চারণ সাধারণত অবিকৃত থাকে। যথা : বাগ্মী (বাগ্ মি), যুগ্ম (জুগ্‌মো), বাঙ্ময় (বাঙ্ময়), , উন্মাদ (উন্‌মাদ), জন্ম (জন্‌মো), সম্মান (শম্‌মান), গুল্ম (গুল্‌মো) ইত্যাদি।
ঘ. যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে সংযুক্ত 'ম'-ফলার কোনো উচ্চারণ হয় না। যথা : সূক্ষ্ম (শুক্‌খোঁ), লক্ষ্মী (লোথি), লক্ষ্মণ (লক্‌খোন্) ইত্যাদি।
ও. এছাড়া বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত 'ম’-ফলাযুক্ত কতিপয় সংস্কৃত শব্দ আছে (কৃতঋণ শব্দ) যার বানান ও উচ্চারণ সংস্কৃত রীতি অনুযায়ী হয়। যথা : কুষ্মাণ্ড (কুশ্মান্‌ডো), স্মিত (স্মিতো), সুস্মিতা (শুস্ মিতা) ইত্যাদি।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

১৩১.
শব্দের শেষে  কোন ক্ষেত্রে 'অ' উচ্চারণ লোপ পায়? 
  1. শেষ ব্যঞ্জনের অব্যবহিত আগে অনুষার বা বিসর্গ থাকলে
  2. দ্ব্যক্ষর শব্দের ক্ষেত্রে
  3. শব্দটি ত বা ইত প্রত্যয়ান্ত হলে
  4. শব্দটি তুলনাবাচক –তর, -তম প্রত্যয়ান্ত হলে
ব্যাখ্যা

 কথ্য বাংলায় শব্দের শেষের অ ধ্বনি সাধারণত লোপ পায়। তবে এমন কিছু বিশেষ ক্ষেত্র আছে যেখানে অ্য অ-ধ্বনি লোপ পায় না এবং সংবৃত উচ্চারণ হয়। এগুলো হলো :
ক. শেষ ব্যঞ্জনের অব্যবহিত আগে অনুষার বা বিসর্গ থাকলে : ধ্বংস, বংশ, মাংস, দুঃখ ইত্যাদি।
খ. শব্দটি ত বা ইত প্রত্যয়ান্ত হলে : গত, শত, নন্দিত, লজ্জিত, পুলকিত ইত্যাদি।
গ. শব্দটি তুলনাবাচক –তর, -তম প্রত্যয়ান্ত হলে : বৃহত্তর, মহত্তর, বৃহত্তম, মহত্তম ইত্যাদি ।
ঘ. —ঈয় বা –অনীয় প্রত্যয়ান্ত শব্দে : পানীয়, নমনীয়, দেশীয়, ভারতীয় ইত্যাদি।
ঙ. শব্দের শেস ব্যঞ্জনটি হ হলে : কলহ, দেহ, দাহ, প্রবাহ, মোহ, স্নেহ, লৌহ ইত্যাদি।

বাংলা শব্দ ভান্ডারে এমন কিছু শব্দ আছে যেগুলোর উচ্চারণে শব্দের শেষে 'অ' ধ্বনিটি লোপ পায়। যেমন-
ক. একাক্ষর শব্দের ক্ষেত্রে : ফল, জল ইত্যাদি।
খ. দ্ব্যক্ষর শব্দের ক্ষেত্রে : শ্রবণ, দর্শন, পতন ইত্যাদি ।
গ. ত্র্যক্ষর শব্দের ক্ষেত্রে : মহাবল, অবশেষ ইত্যাদি।


উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৩২.
কোনটি ভুল ?
  1. শব্দের আদ্য ‘অ’ এর পরে 'য' ফলা যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে সেক্ষেত্রে 'অ'-এর উচ্চারণ 'ও' কারের মতো হয়। 
  2. শব্দের গোড়ায় ব-ফলার কোনো উচ্চারণ নেই- শ্বাস, শ্বাপদ, দ্বাপর, দ্বিজ, দ্বার। শব্দের মধ্যে ব-ফলা ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব ঘটায়।
  3.  যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণের সংযুক্ত ম-ফলার উচ্চারণ হয় না, তবে অনুনাসিকতা লাভ করে। 
  4.  শব্দের মাঝে বা শেষে 'ক্ষ'-এর উচ্চারণ অবিকৃত থাকে।
ব্যাখ্যা

বাংলা উচ্চারণের চারটি নিয়ম :

১. শব্দের আদ্য ‘অ’ এর পরে 'য' ফলা যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে সেক্ষেত্রে 'অ'-এর উচ্চারণ 'ও' কারের মতো হয়। যেমন—অদ্য (ওদ্‌দো), কন্যা (কোননা) ইত্যাদি।
২. শব্দের গোড়ায় ব-ফলার কোনো উচ্চারণ নেই- শ্বাস, শ্বাপদ, দ্বাপর, দ্বিজ, দ্বার। শব্দের মধ্যে ব-ফলা ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব ঘটায়। যেমন—বিদ্বান (বিদ্‌দান্), ষত্ব (শৎতো)।
৩. যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণের সংযুক্ত ম-ফলার উচ্চারণ হয় না, তবে অনুনাসিকতা লাভ করে। যেমন- সূক্ষ্ম (শুক্‌খো), যক্ষ্মা (জক্ খাঁ) ইত্যাদি।
৪. শব্দের মাঝে বা শেষে 'ক্ষ'-এর উচ্চারণ 'খ' হয়ে থাকে। যেমন— দক্ষতা (দোক্ খোতা), পক্ষ (পোক্‌খো ইত্যাদি।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।