পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৬
সিলেবাস
Exam - 47 Full Model Test-4 Topic ➝ Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৬ প্রশ্ন

.
সর্বপ্রথম কখন সিভিল কোর্ট সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়?
  1. ১৮৬৯ সালে
  2. ১৮৫৯ সালে
  3. ১৮৮৯ সালে
  4. ১৮৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৮৫৯ সালে প্রথম সিভিলকোর্ট সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়।

১৮৫৯ সালের পূর্বে দেওয়ানি আইন ছিল না, এই সালেই সর্বপ্রথম দেওয়ানি আইন প্রণয়ন/ বিধিবদ্ধ/Codified করা হয়। এই আইনের ধারা ছিল- ৩৮৮টি।
পরবর্তীতে আরো দুই বার দেওয়ানি সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করা হয়। সর্বশেষ দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ প্রণয়ন করা হয় করা হয়, যা বর্তমানে বলবৎ আছে।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮:
পূর্বে প্রণীত দেওয়ানি সম্পর্কিত আইনগুলোকে একত্রীকরণ, সংশোধন ও পরিবর্তন করে চূড়ান্তভাবে ২১ মার্চ ১৯০৮ তারিখে (Act No. V) প্রণয়ন করা হয়; যা ১ জানুয়ারি ১৯০৯ হতে কার্যকর করা হয়। দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ধারা ১৫৮টি এবং মোট অর্ডার বা আদেশ রয়েছে ৫১টি।
.
দেওয়ানী কার্যবিধির এর কত ধারায় "আইনজীবী" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২ (৮) ধারায়
  2. ২ (১০) ধারায়
  3. ২ (১৫) ধারায়
  4. ২ (১৮) ধারায়
সঠিক উত্তর:
২ (১৫) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ (১৫) ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(১৫)- আইনজীবী:
"আইনজীবী হলো এমন কোনো ব্যক্তি যিনি আদালতে অন্য কাউকে প্রতিনিধিত্ব করার এবং সেই ব্যক্তির পক্ষে বক্তব্য রাখার অধিকারী।"

Section 2(15)-
"pleader" means any person entitled to appear and plead for another in Court.
.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২৪ ধারায় আদালত কখন বিচারাধীন কোনো মামলা স্থানান্তরিত করতে পারে?
  1. বিচারাকালীন যেকোনো স্তরে
  2. প্রথম শুনানির পূর্বে
  3. চূড়ান্ত শুনানির আগে
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের পূর্বে
সঠিক উত্তর:
বিচারাকালীন যেকোনো স্তরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারাকালীন যেকোনো স্তরে
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২৪- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:

(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যেকোনো স্তরে -

ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা

খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
.
দেওয়ানি আদালতের রায় বাস্তবায়নের জন্য কোনো স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা হলে, উক্ত সম্পত্তি কখন ক্রেতার মালিকানাধীন বলে গণ্য হবে?
  1. দখল গ্রহণের পর
  2. বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার সাথে
  3. বিক্রয় চূড়ান্ত হওয়ার পর
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার সাথে
ব্যাখ্যা
Section 65- Purchaser's title:
Where immovable property is sold in execution of a decree and such sale has become absolute, the property shall be deemed to have vested in the purchaser from the time when the property is sold and not from the time when the sale becomes absolute.

ধারা ৬৫- ক্রেতার স্বত্ব:
যখন কোনো স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিক্রি করা হয় এবং এই বিক্রয় চূড়ান্ত হয়ে যায়, তখন এই সম্পত্তি ক্রেতার অধিকারে গিয়েছে বলে গণ্য হবে সেই সময় থেকে যখন সম্পত্তিটি বিক্রি করা হয়েছিল, না কি সেই সময় থেকে যখন বিক্রয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।
.
যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. বাদীদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে
  2. পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারে
  3. বিবাদীদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
⇒ মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
⇒ মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে।

• তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন। সেই বিষয়ে ১নং আদেশের বিধি ২ তে বলা আছে-
যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদীদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে অথবা পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ অবস্থা বিবেচনায় উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ দিতে পারে।

এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো-
একাধিক বাদী থাকলে যাতে মামলার বিচার জটিল না হয় বা বিলম্বিত না হয়, সেই লক্ষ্যে আদালতকে কিছু বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। আদালত যদি মনে করে যে একাধিক বাদী থাকায় মামলার বিচার জটিল হতে পারে বা বিলম্বিত হতে পারে, তাহলে আদালত নিম্নোক্ত পদক্ষেপ নিতে পারবে:
⇒ বাদীদের তাদের পছন্দ করার সুযোগ দেওয়া, অর্থাৎ তাদের বলা হবে কে বাদী থাকবে আর কে থাকবে না।
⇒ আলাদা আলাদা বিচারের নির্দেশ দেওয়া, অর্থাৎ বাদীদের আলাদা আলাদা মামলা করতে বলা।
⇒ প্রয়োজনীয় অন্য যে কোনো আদেশ প্রদান করা যাতে মামলার বিচার সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে।
.
দায়িকের কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৭ ধারায় তার খোরপোষের হার কে নির্ধারন করবে?
  1. সরকার
  2. বিচারিক আদালত
  3. জেল কর্তৃপক্ষ
  4. ডিক্রিদার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• খোরপোষ হলো কাউকে দেওয়ানী জেলে আটক রাখলে তার ব্যয়ভার।

দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৭ ধারা- খোরপোষ ভাতা:
সরকার পদপর্যাদা, গোত্র এবং জাতীয়তার ক্রমানুসারে দায়িকের খোরপোষের নিমিত্তে প্রদানযোগ্য মাসিক ভাতার হার নির্দিষ্ট করতে পারবে।

Section 57: Subsistence allowance-
The Government may fix scales, graduated according to rank, race and nationality, of monthly allowances payable for the subsistence of judgment-debtors.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৫, বিধি-২ এর অধীন আদালত কাকে মোকদ্দমার দাবীকৃত বস্তু আদালতের হেফাজতে দেয়ার আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. বাদীকে
  2. বিবাদীকে
  3. সাক্ষীকে
  4. ৩য় কোনো পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
বাদীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে
ব্যাখ্যা
•  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী,
স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবি ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।

আদেশ ৩৫ বিধি-১: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আর্জি (Plaint in interpleader-suits):
ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবি করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজশ বা ষড়যন্ত্র নেই।

⇒ আদেশ-৩৫, বিধি-২: দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদান-
যেক্ষেত্রে দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে তা অনুরূপভাবে আদালতে প্রদান করতে তলব করা যেতে পারে।

Order-35 Rule-2: Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.
.
দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ার কোন আইন অনুসারে নির্ধারিত হয়?
  1. The Court Fees act,1870
  2. The Suit Valuation Act,1887
  3. The Civil Courts Act,1887
  4. The Code of Civil Procedure, 1908
সঠিক উত্তর:
The Civil Courts Act,1887
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Civil Courts Act,1887
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে,সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছেন এবং আর্থিক এখতিয়ার The Civil Courts Act,1887 অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
সহকারী জজ আদালত (The Court of Assistant Judge) = ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
সিনিয়র সহকারী জজ আদালত (The Court of Senior Assistant Judge) = ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
যুগ্ম জেলা জজের আদালত (The Court of Joint District Judge) = ২৫ লক্ষ টাকার উপরে
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে কোন বিষয় সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. প্লিডিংস সংশোধন
  2. প্লিডিংস কর্তন
  3. প্লিডিংস সত্যাখ্যান
  4. প্লিডিংস পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
প্লিডিংস সত্যাখ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লিডিংস সত্যাখ্যান
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে-

সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সই হলে, অন্য কোনো ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।
যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন, যে স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

[Verification of pleadings.-
1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
2 ) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.]
১০.
যদি একাধিক ব্যক্তিবর্গ লিখিতভাবে একমত হয়ে একটি বিষয় সম্পর্কে আদালতের মতামত জানার জন্য উপস্থাপন করে, তাহলে দেওয়ানি আদালত নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে-
  1. বিষয়টি পরীক্ষা করবে
  2. মতামত প্রদান করবে
  3. পরীক্ষা ছাড়া মতামত প্রদান করবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
Section 90- Power to state case for opinion of Court:
Where any persons agree in writing to state a case for the opinion of the Court, then the Court shall try and determine the same in the manner prescribed.

বাংলা অর্থ:
যদি কোনো ব্যক্তিরা লিখিতভাবে একমত হয়ে একটি বিষয়কে আদালতের মতামত জানার জন্য উপস্থাপন করে, তাহলে আদালত নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেই বিষয়টি পরীক্ষা করবে এবং মতামত প্রদান করবে।

অর্থাৎ, যদি দুই বা তদধিক ব্যক্তি লিখিতভাবে একটি বিষয়কে আদালতের কাছে উপস্থাপন করে এবং সেই বিষয়ে আদালতের মতামত জানতে চায়, তাহলে আদালত নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেই বিষয়টি পরীক্ষা করবে এবং তার মতামত প্রদান করবে।
১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারায় কাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে?
  1. নাবালকদের
  2. অপ্রকৃস্থ ব্যক্তিদের
  3. সরকারি কর্মচারিদের
  4. কতিপয় স্ত্রীলোকের
সঠিক উত্তর:
কতিপয় স্ত্রীলোকের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কতিপয় স্ত্রীলোকের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারার বিধান: কতিপয় স্ত্রীলোকের ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:

১) দেশের প্রথা ও রীতি অনুযায়ী যে সকল স্ত্রীলোককে জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য করা উচিত নয়, উক্তরূপ মহিলা ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে অব্যাহতি পাবে।
২) এই আইন অনুসারে কোন স্ত্রীলোককে গ্রেফতারের ব্যাপারে যেক্ষেত্রে কোন নিষিদ্ধতা নেই, সেক্ষেত্রে দেওয়ানি পরোয়ানা জারিতে গ্রেফতার হতে উক্তরূপ স্ত্রীলোক অব্যাহতি পাবে বলে এখানে উল্লেখিত কোন কিছু হতে বিবেচনা করা যাবে না।

Section 132- Exemption of certain women from personal appearance:
(1) Women who, according to the customs and manners of the country, ought not to be compelled to appear in public shall be exempt from personal appearance in Court.
(2) Nothing herein contained shall be deemed to exempt such women from arrest in execution of civil process in any case in which the arrest of women is not prohibited by this Code.
১২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ________ অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগ দেওয়া হয়।
  1. আদেশ ৪১ বিধি (১)
  2. আদেশ ৪০ বিধি (১)
  3. আদেশ ৪৪ বিধি (১)
  4. আদেশ ৪২ বিধি (১)
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪০ বিধি (১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪০ বিধি (১)
ব্যাখ্যা
• তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪০ [ORDER - XL] এর বিধি (১) অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগ দেয়া হয়-

(১) আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়ে-

ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন;
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপদ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্ৰহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।

(২) কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল ও জিম্মাদারী হতে অপসারণের জন্য যাকে মামলার কোন একটি পক্ষের অনুরোপভাবে অপসারণের বর্তমান অধিকার নাই, অত্র বিধির কোন কিছু আদালতকেও উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ অপসারণের ক্ষমতা দিবে না।
১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি ২ এর অধীন ক্রোক আদেশ সর্বোচ্চ কত দিন বলবৎ থাকবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে, সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। বিধি ১ অনুযায়ী যখন নালিশী সম্পত্তি কোন পক্ষ কর্তৃক ধ্বংস, ক্ষতিগ্রস্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিমূলে অন্যায়ভাবে বিক্রি হতে পারে, অথবা বিবাদী যখন পাওনাদারকে বঞ্চিত, প্রতারিত করার জন্য তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার হুমকি প্রদান করে বা ইচ্ছা পোষণ করে, তখন আদালত উক্ত নালিশী সম্পত্তি ধ্বংসকরণ, ক্ষতিগ্রস্থকরণ, হস্তান্তর, নিলাম, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ স্থগিত করার উদ্দেশ্যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে বা আদালত কর্তৃক যেরূপ উপযুক্ত বিবেচিত হবে সেরূপ আদেশ দিতে পারেন।

আদেশ ৩৯ বিধি ২-

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
১৪.
'The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court'.- দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. Section 20
  2. Order 20 Rule 1
  3. Section 52
  4. Order 20 Rule 3
সঠিক উত্তর:
Order 20 Rule 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order 20 Rule 1
ব্যাখ্যা
Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.

আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।
১৫.
কোনো ব্যক্তির একটি জমি যদি দুটি ভিন্ন আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় অবস্থিত হয়, তাহলে সেই জমির বিরুদ্ধে যেকোনো মামলা -
  1. হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে
  2. বিবাদীর বাসস্থানের কাছাকাছি আদালতে দায়ের করতে হবে
  3. যে এলাকা বড় সেই এলাকার আদালতে দায়ের করতে হবে
  4. উক্ত দুটি আদালতের যেকোনো একটি আদালতে দায়ের করা যেতে পারে
সঠিক উত্তর:
উক্ত দুটি আদালতের যেকোনো একটি আদালতে দায়ের করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত দুটি আদালতের যেকোনো একটি আদালতে দায়ের করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭: বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.

সুতরাং দেখা যাচ্ছে,
স্থাবর সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারাধীন হয়, তাহলে তার সম্পর্কিত মামলা কোনো একটি আদালতে করা যেতে পারে।
১৬.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে সহকারি জজ আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে, সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার কী?
  1. জেলা জজ আদালতে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
  3. জেলা জজ আদালতে রিভিশন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান-
মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে। আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারা মতে,
মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবে না।

• Section 89A(12):
No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
১৭.
যখন দেওয়ানি সমন জারি না হওয়ায় ফেরত আসে এবং বাদী এক মাসের মধ্যে নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন না করে, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার ফলাফল কী হবে?
  1. স্থগিত থাকবে
  2. খারিজ হবে
  3. চলমান থাকবে
  4. আদালত নিজ থেকে সমন পাঠাবে
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
যখন সমন জারি না হওয়ায় ফেরত আসে এবং অতঃপর এক মাস পর্যন্ত বাদী নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন না করে, তখন মোকদ্দমা খারিজ হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৯ বিধি-৫:

১) বিবাদিকে কিংবা কতিপয় বিবাদির কোন একজনের প্রতি সমন দেয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারি বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদি যদি নতুন সমন দেয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদির বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দিবে। যদি না উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদি নিম্নলিখিত যে কোন কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—

ক) যে বিবাদির উপর সমন জারি হয়নি, বাদি যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও ঐ বিবাদির ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা
খ) উক্ত বিবাদি পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলতেছে; অথবা
গ) সময়ের মেয়াদ বাড়াতে কোন সঙ্গত কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নূতন সমন দেয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদি (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের কোন ধরনের ক্ষমতার বিধান রয়েছে?
  1. ordinary powers
  2. original powers
  3. inherent powers
  4. review powers
সঠিক উত্তর:
inherent powers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
inherent powers
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
১৯.
'চ' একটি জমি 'ম' কে বিক্রি করার চুক্তি করেছে। চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে 'চ' জমির দখল 'ম' কে হস্তান্তর করবে। কিন্তু 'চ' চুক্তি এড়িয়ে যায় এবং জমির দখল দেয় না। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১৯ ধারায় 'ম' কী প্রতিকার পেতে পারে?
  1. জমির দখল পেতে মামলা করতে পারে
  2. চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে
  3. কোনো প্রতিকার পাবে না
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• এক্ষেত্রে 'ম' আদালতে মামলা করে জমির দখল পেতে (সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন) এবং চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। আদালত যদি দেখে যে, 'ম' কে জমির দখল দেয়া উচিত কিন্তু শুধু তা ই যথেষ্ট নয়, তবে আদালত 'চ' কে জমির দখল দিতে নির্দেশ দেবে এবং পাশাপাশি চুক্তি ভঙ্গের জন্য 'ম' কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ১৯- কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোনো ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন। এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।

⇒ এই ধারা চুক্তি ভঙ্গের ক্ষেত্রে আদালতের ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করে। এর মূল বিষয়গুলো হল:
১. যদি কোন ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করে, সে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের পাশাপাশি চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণও দাবি করতে পারে।
২. আদালত যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে, সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করানো প্রয়োজন কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়, তবে আদালত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারে।
৩. আদালত নিজের নির্ধারিত পদ্ধতিতে এই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করবে।
৪. যদি চুক্তি কার্যকর করা অসম্ভব হয়ে যায়, তাতে আদালতের এই ক্ষতিপূরণ দেয়ার ক্ষমতা ক্ষুণ্ন হবে না।
২০.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমায় চুক্তি রদের প্রার্থনাটি কী হিসেবে করা হয়?
  1. মূল প্রার্থনা
  2. স্বতন্ত্র মোকদ্দমা
  3. বিকল্প প্রার্থনা
  4. আপীল আবেদনের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
বিকল্প প্রার্থনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকল্প প্রার্থনা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
২১.
নিচের কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পাওয়া যাবে না?
  1. চুক্তির ক্ষেত্রে
  2. দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে
  3. স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরদ্ধারের ক্ষেত্রে
  4. অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরদ্ধারের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে,
দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

উল্লেখ্য, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে 'বাধ্যবাধকতা’ বলতে কী বোঝায়?
  1. বাদী কর্তৃক বিবাদীর প্রতি আরোপিত কর্তব্য
  2. আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য কর্তব্য
  3. বিবাদীর প্রতি বাদীর দায়িত্ব-কর্তব্য
  4. ডিক্রিদার কর্তৃক দায়িকের উপর আরোপিত দায়িত্ব-কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য কর্তব্য
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩- ব্যাখ্যামূলক অনুচ্ছেদ:

'বাধ্যবাধকতা’ বলতে আইন দ্বারা কার্যকরীকরণযোগ্য প্রতিটি কর্তব্য অন্তর্ভুক্ত হবে।
"obligation" includes every duty enforceable by law.
২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় কোন প্রতিকার সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে, বাধ্যতামূলক বা আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা হল কোন প্রত্যক্ষ কাজ (Positive act) অথবা আইনসংগত বাধ্যবাধকতা (legal obligation) পরিপূর্ণ করার আদেশ, যার মাধ্যমে ইতিপূর্বে যা করা হয়েছিল তা নষ্ট করা অথবা কোন জিনিসকে পূর্ববর্তী অবস্থায় স্থাপন (Restore) করার নির্দেশ থাকে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৫: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:

যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।

Section 55: Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
২৪.
'চুক্তির যে সকল বিধি-নিয়ম সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে, তা প্রয়োজনমত পরিবর্তনসহ উইলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় এই বিধান রয়েছে?
  1. ২৭ ধারায়
  2. ৩০ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৩৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩০:
এই অধ্যায়ের চুক্তি সম্পর্কিত বিধানগুলি, প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ, পুরস্কার এবং উইল বা কোডিসিলে একটি বিশেষ সেটেলমেন্ট নিষ্পন্ন করার নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
[The provisions of this Chapter as to contracts shall, mutatis mutandis, apply to awards and to directions in a will or codicil to execute a particular settlement.]

অর্থাৎ,
চুক্তির যে সকল বিধি-নিয়ম, দ্বিতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে, সেগুলিকে প্রয়োজনমত পরিবর্তন করে পুরস্কার এবং উইল/কোডিসিলের নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
২৫.
আদালত কখন ঘোষনামূলক মোকদ্দমায় প্রতিকার প্রদান করে না?
  1. যখন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার চায়
  2. যখন বিবাদীর অধিকার প্রমাণিত হয় না
  3. যখন প্রতিকারের পরিমাণ নির্দিষ্ট করা যায় না
  4. যখন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার চায় না
সঠিক উত্তর:
যখন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার চায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার চায় না
ব্যাখ্যা
• ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit):
মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামূলক ক্ষমতা অথবা আনুষঙ্গিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়। সহজভাবে বলা যায়, যেকোনো ব্যক্তির আইন সঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে, অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সেই অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটিই ঘোষনামূলক মোকদ্দমা।
⇒ এই মোকদ্দমায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হয়।
⇒ যখন কোন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চায়, তাহলে আদালত তার কোনো প্রতিকার মঞ্জুর করে না।

• Section 42:
Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
২৬.
'ক' তার ২ কাঠা জমি 'খ' কে ৫০ লক্ষ টাকায় বিক্রি করার জন্য একটি লিখিত চুক্তি করে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, চুক্তি সম্পাদনের ৭ দিনের মধ্যে 'খ' ২০ লক্ষ টাকা এবং দলিল রেজিস্ট্রির সময় বাকি ৩০ লক্ষ প্রদান করবে। পরবর্তীতে 'খ' ২০ লক্ষ টাকা প্রদান করে কিন্তু বাকি ৩০ লক্ষ প্রদানে ব্যর্থ হয়। উক্ত চুক্তিকে সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করতে হলে মোকদ্দমা দায়েরের সময় কোন শর্ত পূরণ করা আবশ্যক?
  1. চুক্তির সম্পূর্ণ টাকার দ্বিগুণ টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
  2. চুক্তির সম্পূর্ণ টাকার অর্ধেক টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
  3. চুক্তির সম্পূর্ণ টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
  4. চুক্তির বকেয়া টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
চুক্তির বকেয়া টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির বকেয়া টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকর যোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর যোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

Section 21A- Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.

⇒ এই ধারায়, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তির কার্যকরতার জন্য দুটি পূর্বশর্ত বিধি করেছে:

১. চুক্তিটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে:
(ক) চুক্তিটি লিখিত হতে হবে;
(খ) চুক্তিটি ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে।

২. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা প্রদান করতে হবে:
(ক) চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করার জন্য;
(খ) মোকদ্দমা রুজুর সময় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে।
২৭.
বিচারিক কার্যক্রম বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কী বোঝানো হয়?
  1. পুলিশের তদন্ত কাজ
  2. আদালতের ইনকোয়ারি
  3. শপথ গ্রহণ পূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণ করা
  4. বর্ণিত সবগুলোকেই
সঠিক উত্তর:
শপথ গ্রহণ পূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শপথ গ্রহণ পূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী,
বিচারিক কার্যক্রম বলতে শপথ গ্রহণ পূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণ করা-কে বোঝানো হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ ধারায় বিচারিক কার্যক্রমের সংজ্ঞা দিয়েছে। এই সংজ্ঞা অনুসারে, বিচারিক কার্যক্রম হলো সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী শপথ গ্রহণ পূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণের একটি বিধি।

অন্যদিকে,
পুলিশের তদন্ত কাজ এবং আদালতের ইনকোয়ারি বিচারিক কার্যক্রমের আওতাভুক্ত নয়। কারণ পুলিশের তদন্ত বিচারিক কার্যক্রম নয়, এটি তথ্য সংগ্রহ এবং অপরাধ সনাক্তকরণের একটি পদ্ধতি। ইনকোয়ারি হলো আদালতের দ্বারা নির্দেশিত একটি অনুসন্ধান প্রক্রিয়া, যেখানে শপথ গ্রহণ পূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজন হয় না।
২৮.
কোন ফৌজদারি আদালত আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. সকল দায়রা আদালত
  3. সকল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. সকল ফৌজদারি আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ৩১ ধারা- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

Section 31- Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
২৯.
দুইটি রাজনৈতিক দল একই জায়গায়, একই সময়ে সমাবেশ ডাকলে এবং সেখানে শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হবার সম্ভাবনা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা প্রয়োগ করা হয়?
  1. ১৪৪ ধারা
  2. ১৫৪ ধারা
  3. ১৬৪ ধারা
  4. ১৭৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪ ধারা
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে বা ঘটার সম্ভাবনা থাকলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-

i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা,
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা ;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা ; এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।

• ১৪৪ ধারা জারির ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত সাধারণ নিয়মাবলী অনুসরণ করা হয় । যথা-

i) সাধারণত নোটিশ জারি করার পর ১৪৪ ধারা জারি করা হয় কিন্তু জরুরী পরিস্থিতিতে নোটিশ ব্যতীত একতরফাভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায়। এই আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশ হতে পারে।
(ii) ১৪৪ ধারার আদেশে কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখতে অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি ম্যাজিস্ট্রেটের দখলে বা ব্যবস্থাধীনে নেয়ার নির্দেশ থাকতে পারে।
iii) ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে ।

• ১৪৪(৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন। ১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখিত মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার সময় আদালতের জন্য-
  1. mandatory
  2. Directory
  3. Obligatory
  4. Imperative
সঠিক উত্তর:
Directory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Directory
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।

মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
৩১.
সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ফৌজদারি আদালতের সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ডাদেশ দেয়ার এখতিয়ার রয়েছে?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়।
ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।ধারা ২৬২ এ সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি (Procedure for summary trials) দেয়া আছে। বর্ণিত ব্যতিক্রম ছাড়া বিচারের ক্ষেত্রে বিংশ অধ্যায় (ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার) নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। সেই সাথে কারাদণ্ডের সীমা উল্লেখ করা আছে।

• No sentence of imprisonment for a term exceeding two years shall be passed in the case of any conviction under this Chapter.
অর্থ্যাৎ সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দুই বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া যাবে না।
৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার অধীন কমিশনপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট কীভাবে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন?
  1. নিজের মতো করে প্রশ্ন করে
  2. সাক্ষীর ইচ্ছা অনুযায়ী
  3. পক্ষগণের দেওয়া প্রশ্নমালার ভিত্তিতে
  4. আদালতের নির্দেশিত প্রশ্নমালা অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের দেওয়া প্রশ্নমালার ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের দেওয়া প্রশ্নমালার ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৫: পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন-

(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।

(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী জেরা ও পুনঃ জবানবন্দী, যেখানে যেরূপ, গ্রহণ করতে পারবেন।

Section 505: Parties may examine witnesses-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories.
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.
৩৩.
বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কখন পুলিশ তল্লাশি ও বাজেয়াপ্ত করতে পারে?
  1. কোনো অবস্থাতেই নয়
  2. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আইনত মুক্তি দেয়া গেলে
  3. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জামিন দিতে সক্ষম হলে
  4. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আইনত জামিনে মুক্তি দেয়া না গেলে
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আইনত জামিনে মুক্তি দেয়া না গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আইনত জামিনে মুক্তি দেয়া না গেলে
ব্যাখ্যা
• Section 51- Search of arrested persons:
Whenever a person is arrested by a police-officer under a warrant which does not provide for the taking of bail, or under a warrant which provides for the taking of bail but the person arrested cannot furnish bail, and Whenever a person is arrested without warrant, or by a private person under a warrant, and cannot legally be admitted to bail, or is unable to furnish bail,
the officer making the arrest or, when the arrest is made by a private person, the police-officer to whom he makes over the person arrested, may search such person, and place in safe custody all articles, other than necessary wearing-apparel, found upon him.

ধারা ৫১:
যখনই কোন ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসার দ্বারা গ্রেফতার করা হয় এমন ওয়ারেন্ট দ্বারা যাতে জামিন গ্রহণের বিধান নেই, অথবা এমন ওয়ারেন্ট যাতে জামিন গ্রহণের বিধান আছে কিন্তু গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জামিন দিতে অক্ষম, এবং যখনই কোন ব্যক্তিকে বিনা ওয়ারেন্টে বা কোন ব্যক্তি কর্তৃক ওয়ারেন্ট সাপেক্ষে গ্রেফতার করা হয় এবং আইনত তাকে জামিনে মুক্তি দেয়া যায় না বা সে জামিন দিতে অক্ষম,
তখন গ্রেফতারকারী অফিসার, বা যখন গ্রেফতার কোন ব্যক্তি কর্তৃক করা হয়, যে পুলিশ অফিসারের নিকট গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে হস্তান্তর করা হয়, তিনি ঐ ব্যক্তির তল্লাশি নিতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পোশাক-পরিচ্ছদ ব্যতীত তার কাছ থেকে পাওয়া অন্যান্য সমস্ত জিনিষপত্র নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।
৩৪.
আদালত কখন অভিযুক্তকে মামলা সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্ন করতে পারে?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের পরে
  2. শুধুমাত্র জেরার সময়
  3. রায় ঘোষণার পর
  4. বিচার চলাকালীন যেকোনো সময়
সঠিক উত্তর:
বিচার চলাকালীন যেকোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার চলাকালীন যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়। আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

Section 342- Power to examine the accused:
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence.

(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just.

(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed.

(4) No oath shall be administered to the accused.

উল্লেখ্য,
এই ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।
৩৫.
আপীলকারী জেলে থাকলে আপীলের দরখাস্ত কার বরাবর দাখিল করতে হবে?
  1. সরাসরি আপিল আদালত
  2. নিজের আইনজীবী
  3. জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. বিচারিক আদালত
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২০ ধারা- আপীলকারী জেলে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
আপীলকারী জেলে থাকলে আপীলের নকলসহ তার আপীলের দরখাস্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত অফিসার উক্ত দরখাস্ত ও নকল যথাযথ আপীল আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।

Section 420- Procedure when appellant in jail:
If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকরের পদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. ৩৫৯ ধারায়
  2. ৩৬১ ধারায়
  3. ৩৬৮ ধারায়
  4. ৩৭০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৬৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।

Section- 368:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
৩৭.
ফরিয়াদী 'A' মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। আদালত 'A' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক কত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ, আদালত এক্ষেত্রে 'A' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক অনধিক ১০০০ টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারায় কোন বিষয় সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা
  2. ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতি
  3. ক্ষমতা প্রত্যাহারের পদ্ধতি
  4. ক্ষমতা অর্পণের নিয়মাবলী
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা প্রত্যাহারের পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা প্রত্যাহারের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারা- ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোনো ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করে করতে হয়, সেক্ষেত্রে এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যাহৃত হতে পারবে।

Section 41- Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
৩৯.
অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থ কোন আইন অনুযায়ী ধরে নিতে হবে?
  1. দণ্ড বিধি অনুযায়ী
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী
  3. প্রচলিত সাধারণ আইন অনুযায়ী
  4. যে আইনে অপরাধটি দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
যে আইনে অপরাধটি দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আইনে অপরাধটি দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোনো অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

Section 224: Words in charge taken in sense of law under which offence is punishable-
In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.
৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারায় কোন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারে?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
• আমলে নেয়া অর্থ হলো- অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে। যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:

i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট;
iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা
v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট।
৪১.
'BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363)' মামলায় ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা সংশ্লিষ্ট?
  1. ৪৪ ধারা
  2. ৫০ ধারা
  3. ৫৪ ধারা
  4. ৫৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত। এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:

পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।

মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।

আদালতের রায়:
হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৩ সালে এই মামলার রায় প্রদান করে। হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত। রায়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে হেফাজতে থাকার সময় ও কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। অভিযুক্তর উপস্থিতিতেই এটি করতে হবে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে কাছাকাছি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
৪২.
আদালত পুলিশ ডায়েরী কিসের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারে?
  1. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করার জন্য
  2. অভিযুক্তের দোষ নির্ধারণের জন্য
  3. তদন্তের মান যাচাই করার জন্য
  4. পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের জন্য
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের জন্য
ব্যাখ্যা
• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী । ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।

• ১৭২ ধারায় বলা হয়েছে,
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবে এবং কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।

• পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার-
যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে। পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।
৪৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৬১ ধারায় রেকর্ডকৃত সাক্ষীর জবানবন্দিতে কে স্বাক্ষর করবেন?
  1. সাক্ষী নিজে
  2. নিযুক্তীয় আইনজীবী
  3. সাক্ষ্য রেকর্ডকারী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সাক্ষ্য রেকর্ডকারী তদন্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য রেকর্ডকারী তদন্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য রেকর্ডকারী তদন্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী,
পুলিশ (অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা) অভিযোগের সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে/জবানবন্দি নিতে পারবে এবং পুলিশ জবানবন্দি রেকর্ড বা লিপিবদ্ধ করে নিবে এবং নিজে স্বাক্ষর করবে।

• ১৬১ ধারা- পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা:

(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।

(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।

(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈয়ার করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
৪৪.
ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক কত বছর?
  1. ৬ মাস
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদ-

ধারা ১০৬:
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ৩ বছর।

ধারা ১০৭:
দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১০৮:
রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১০৯:
ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১১০:
অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ৩ বছর।
৪৫.
এক জন চোর এক বাড়িতে প্রবেশ করে এবং বাসিন্দাদের জীবন নাশের হুমকি দিয়ে টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে। এক্ষেত্রে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে?
  1. দস্যুতা
  2. গুরতর চুরি
  3. বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
  4. মারাত্মক আঘাত
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা- দস্যুতা:
প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়। যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।

বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

⇒ উল্লিখিত ঘটনায় অপরাধী মৃত্যুর ভয় দেখিয়েছে এবং চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করেছে। সুতরাং তা দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারায় দস্যুতা হিসেবে বিবেচিত হবে।
৪৬.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশ (House breaking) এর উপায়গুলো বর্ণিত আছে?
  1. ৪৪৫ ধারায়
  2. ৪৪৬ ধারায়
  3. ৪৪৭ ধারায়
  4. ৪৪৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৪৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী,
নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

(i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে;
(ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে;
(iii) নতুন পথ তৈরি করে;
(iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে;
(v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
(vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
৪৭.
অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে কী বলা হয়?
  1. Actus reus
  2. Mens Rea
  3. Guilty act
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Mens Rea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mens Rea
ব্যাখ্যা
• কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
(i) অপরাধী মন [Mens Rea]; এবং
(ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus reus]।

“Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন' (guilty mind)। অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.
৪৮.
"Affray" এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ২ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

দণ্ডবিধির ১৬০ ধারা- মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".

Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৪৯.
The Penal Code, 1860 এ প্রদত্ত বর্ণনানুযায়ী কোনটি সাধারন আঘাত?
  1. হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
  2. কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
  3. মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ;
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ;
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ;
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন;
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ;
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি;
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা;
(viii) এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
৫০.
নিম্নের কোনটি বলপ্রয়োগ নয়?
  1. একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে ধাক্কা দিলে
  2. একজন লোক বল ছুঁড়ে অন্য কাউকে আঘাত করলে
  3. কোন দুর্ঘটনায় অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রাপ্ত আঘাত
  4. কেউ একটি কুকুরকে চালিত করে অন্য কাউকে আক্রমণ করালে
সঠিক উত্তর:
কোন দুর্ঘটনায় অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রাপ্ত আঘাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন দুর্ঘটনায় অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রাপ্ত আঘাত
ব্যাখ্যা
• বলপ্রয়োগের সংজ্ঞা (Force)-
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারায় বলপ্রয়োগের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তি বা বস্তুকে গতিশীল করানো, গতি পরিবর্তন, গতিরোধ করানো অথবা অপর কোন ব্যক্তির দেহে বা পরিহিত পোশাক স্পর্শ করে তার অনুভূতিকে প্রভাবিত করা অর্থাৎ একজনের শক্তি অন্যের উপর প্রয়োগ করাকে বলপ্রয়োগ বা Force বলা হয়।

দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারামতে বলপ্রয়োগ ৩ ভাবে হতে পারে। যথা-
ⅰ) দৈহিক শক্তি প্রয়োগ করার মাধ্যমে (by bodily power);
ii) বস্তুর গতি পরিবর্তন করার মাধ্যমে (by disposing any substance that the motion or change or cessation of motion takes place); এবং
iii) কোন পশু বা জন্তুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন করার মাধ্যমে (by inducing any animal to move, to change its motion or to cease to move)।

যদি কোন ব্যক্তি সচেতনভাবে অন্য কারো গতি পরিবর্তন বা স্তব্ধ করার উদ্দেশ্য না থাকে এবং তাতে অনিচ্ছাকৃতভাবে আঘাত বা ক্ষতির কারণ হয়ে  থাকে, তাহলে তা বলপ্রয়োগের অন্তর্ভুক্ত হবে না। তাই কোন দুর্ঘটনায় যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে আঘাত লাগে, তবে তা বলপ্রয়োগ হবে না।

Section 349: Force:
A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling: Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:

Firstly, By his own bodily power.
Secondly, By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly, By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৫১.
দণ্ডবিধিতে বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ৩ মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান- বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি:
কোনো ব্যক্তি যদি বেআইনী সমাবেশের সদস্য হয়, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ Section 143- Punishment:
Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৫২.
দণ্ডবিধির ৯৭ ধারা অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়?
  1. ১টি ক্ষেত্রে
  2. ২টি ক্ষেত্রে
  3. ৩টি ক্ষেত্রে
  4. ৪টি ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
২টি ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৭ ধারা অনুযায়ী, ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায় দুটি ক্ষেত্রে-
(i) অন্যের আক্রমণ হতে নিজের বা অন্যের দেহ রক্ষা করতে;
(ii) নিজের বা অন্যের সম্পত্তি রক্ষা করতে।

Section 97- Right of private defence of the body and of property:
Every person has a right, subject to the restrictions contained in section 99, to defend-
Firstly.-His own body, and the body of any other person against any offence affecting the human body;
Secondly.-The property, whether moveable or immovable, of himself or of any other person, against any act which is an offence falling under the definition of theft, robbery, mischief or criminal trespass, or which is an attempt to commit theft, robbery, mischief or criminal trespass.
৫৩.
দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারায় কোনটির সংজ্ঞা দেয়া আছে?
  1. Hurt
  2. Mischief
  3. Criminal Trespass
  4. Wrongful confinement
সঠিক উত্তর:
Mischief
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mischief
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগিতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্ট বা ক্ষতি (mischief) বলে।

কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি বা অনিষ্টসাধনের জন্য দায়ী করতে হলে এটা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই যে, যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির দখলে বা মালিকানাধীন ছিল। যেহেতু ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে ক ঘোড়াটিকে গুলিবিদ্ধ করেছে তাই ক” ক্ষতি সাধনের জন্য দোষী হবে।

Section-425: Mischief:
Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".

Explanation-1: It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.

Explanation-2: Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
৫৪.
নিম্নের কোন ক্ষেত্র 'মানহানির' অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে
  2. কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে
  3. অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্র
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্র
ব্যাখ্যা
মানহানি:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম (Exception):
৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবে না-

১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে;
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে;
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে, যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে;
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে;
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে;
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে;
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে।
৫৫.
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় কখন কোনো ব্যক্তি প্ররোচনা দানের শাস্তি পাবে?
  1. কোনো ব্যক্তি যদি আত্মহত্যার পরিকল্পনা করে
  2. কোনো ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে
  3. কোনো ব্যক্তি যদি আত্মহত্যার চেষ্টা করে
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান: আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান-
কোনো ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 306: Abetment of suicide-
If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৫৬.
চুরির অপরাধের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা হয়
  2. সম্মতি ছাড়া সম্পত্তি গ্রহণ করা হয়
  3. চুরির অপরাধ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত হতে পারে
  4. অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নেয়া হয়
সঠিক উত্তর:
চুরির অপরাধ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরির অপরাধ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত হতে পারে
ব্যাখ্যা
• যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। 

চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:
(i) অন্য কোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা।
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন- টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।
৫৭.
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারায় একই অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ-
  1. একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবে
  2. বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারে না
  3. বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮: অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন:
যেক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কার্য সংঘটনে নিয়োজিত কিংবা জড়িত হন, সেক্ষেত্রে তারা উক্ত কাজের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন।

উদাহরণ:
- ‘ক’ এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ‘চ’ কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমনে ‘চ’ নিহত হইলে তাহা শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশ হইবে, যাহা খুন বলিয়া গণ্য হইবে না।

- 'চ' এর প্রতি 'খ' এর বিদ্বেষ থাকায় এবং 'চ' কে হত্যা করিবার জন্য 'খ' এর অভিপ্রায় থাকায়, 'খ' বিনা প্ররোচনায় 'চ' কে হত্যার কার্যে 'ক' কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে 'ক' ও 'খ' উভয়েই 'চ' কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, 'খ' খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে কারন অভিপ্রায় ছিল এবং 'ক' কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।
৫৮.
দণ্ডবিধির অধীন কার বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক অপরাধসমূহ (Unnatural offences) সংঘটিত হলে তা শাস্তিযোগ্য?
  1. পুরুষ
  2. স্ত্রীলোক
  3. প্রাণী বা পশু
  4. পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশু
সঠিক উত্তর:
পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশু
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা- অস্বাভাবিক অপরাধসমূহ:
কোনো ব্যক্তি যদি প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে কোন পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশুর সাথে যৌন সঙ্গম করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দেশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় বর্ণিত অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌন সঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট হবে।

Section 377⇒ Unnatural offences:
Whoever voluntarily has carnal intercourse against the order of nature with any man, woman or animal, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৫৯.
একজন কর্মচারী তার জিম্মায় থাকা প্রতিষ্ঠানের অর্থ বিনা অনুমতিতে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে। এই কাজ নিম্নের দণ্ডবিধির কোন ধারার সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ৩৭৮ ধারা
  2. ৩০৩ ধারা
  3. ৪০৫ ধারা
  4. ৫০৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• এক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার অধীন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।

• দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:

কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
৬০.
দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার অধীন কী উদ্দেশ্যে কোনো দলিল বা দলিলের অংশ প্রস্তুত করলে তা জালিয়াতি হিসেবে গণ্য হবে?
  1. কারো ক্ষতি সাধন করতে
  2. কোনো দাবি বা অধিকার সমর্থন করতে
  3. কোনো লোককে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে
  4. উল্লিখিত সকল উদ্দেশ্যে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় জালিয়াতি কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কোন দলিল বা দলিলের অংশ প্রস্তুত করে;
১. কোনো ব্যক্তি বা জনসাধারণের ক্ষতি সাধন করতে [with intent to cause damage or injury]; বা
২. কোনো দাবি বা অধিকার সমর্থন করতে [to support any claim or title]; বা
৩. কোনো ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তি পরিত্যাগ করতে [to cause any person to part with property]; বা
৪. কোনো লোককে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে [to enter into any express or implied contract]; বা
৫. প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে বা প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে [with intend to commit fraud or fraud may be committed]।
৬১.
দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ডাকাতি
  2. দস্যুতা
  3. খুনসহ ডাকাতি
  4. ডাকাতির প্রস্তুতির
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারা- ডাকাতির সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

Section 395⇒ Punishment for dacoity:
Whoever commits dacoity shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৬২.
দণ্ডবিধির কত ধারায় মনুষ্য হরণের সাজা উল্লেখ আছে?
  1. ৩৫৯ ধারায়
  2. ৩৬০ ধারায়
  3. ৩৬২ ধারায়
  4. ৩৬৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৬৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারা- অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:
যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারা- মনুষ্য হরণের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 362- Abduction:
Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.

Section 363- Punishment for kidnapping:
Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৬৩.
সাক্ষ্য আইনের ৯৯ ধারায় কে দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ দিতে পারবে?
  1. দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
  2. দলিলের পক্ষগণ
  3. পক্ষগণের স্বার্থের প্রতিনিধি
  4. উল্লিখিত কেউ নয়
সঠিক উত্তর:
দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯৯- দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ কে দিতে পারবে:
যে ব্যক্তিরা দলিলের পক্ষ নন বা তাদের স্বার্থের প্রতিনিধি নন, তারা এমন যে কোনো তথ্যের প্রমাণ দিতে পারেন যা দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী সমসাময়িক চুক্তির অস্তিত্ব প্রদর্শন করে।

[Persons who are not parties to a document, or their representatives in interest, may give evidence of any facts tending to show a contemporaneous agreement varying the terms of the document.]
৬৪.
যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তখন সে _________ দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে অপরাধের সময় অন্য কোথাও উপস্থিত ছিল।
  1. Plea of jeopardy
  2. Plea of alibi
  3. Plea of estoppel
  4. Plea of immunity
সঠিক উত্তর:
Plea of alibi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plea of alibi
ব্যাখ্যা
যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তখন সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে অপরাধের সময় অন্য কোথাও উপস্থিত ছিল এবং সুতরাং অপরাধে জড়িত থাকতে পারে না।

'Plea of alibi' হল একটি আইনগত জবাব, যা কোনো অপরাধীকে নিজেকে দোষমুক্ত প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হল "অন্যত্র উপস্থিতি"। এটি হল একটি বিশেষ প্রকৃতির অপরাধমুক্তির প্রমাণ যেখানে প্রসিকিউটরদের দাবিকৃত অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণিত হয়।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে,
অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।
৬৫.
নিম্নলিখিত কোনটি তথ্যগত বিচার্য বিষয়ের উদাহরণ?
  1. সাক্ষী বিশ্বাসযোগ্য কিনা
  2. হত্যাকাণ্ডের সময় ও স্থান
  3. আসামী দোষী কিনা
  4. আসামীর কাজ আইনের ভাষায় অপরাধ কিনা
সঠিক উত্তর:
হত্যাকাণ্ডের সময় ও স্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হত্যাকাণ্ডের সময় ও স্থান
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, বিচার্য বিষয় বা Facts in Issue দুই প্রকারের হয়ে থাকে:

১. তথ্যগত বিচার্য বিষয়:
এগুলি হলো সেই ঘটনাগত বা বাস্তবিক তথ্যসমূহ যা মামলার বিষয়বস্তুর সাথে সম্পর্কিত এবং যেগুলির প্রমাণ প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, একটি হত্যা মামলায় হত্যাকাণ্ডের সময়, স্থান ও নিহতের বয়স প্রভৃতি তথ্যগত বিচার্য বিষয়।

২. আইনগত বিচার্য বিষয়:
এগুলি হলো সেই আইনগত বিষয়সমূহ যেগুলির বিচার করা মামলার আওতাধীন এবং যেগুলি প্রমাণের প্রয়োজন রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, একটি চুরি মামলায় বিচার্য হবে যে আসামীর কাজটি আইনের ভাষায় চুরি কিনা।
৬৬.
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে, এটি প্রমাণ করার জন্য 'ক' তার হিসাবের খাতা দেখালো। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় এই হিসাবের খাতা প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ৪১ ধারা
  3. ৪৭ ধারা
  4. ৪৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী, ব্যবসায়িক কারণে হিসেবের খাতায় যা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে তা প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হিসাবে গণ্য।

৩৪ ধারা অনুযায়ী ব্যবসা প্রসঙ্গে নিয়মিত যে হিসেবের খাতা রাখা হয়, উক্ত খাতায় লিখিত কোন কিছুতে যখন এমন বিষয়ের উল্লেখ থাকে, যে বিষয়ে অনুসন্ধান করা আদালতের কর্তব্য, তখন হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ বিষয় প্রাসঙ্গিক। কিন্তু কেবলমাত্র এরূপ বিবৃতি কারও উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।

যেমন-
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে, এটি প্রমাণ করার জন্য ক তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক। কিন্তু যদি অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকে, তবে 'খ' এর দেনা প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।

Section 34⇒ Entries in books of account or digital record when relevant:
Entries in books of account or digital record, regularly kept in the course of business, are relevant whenever they refer to a matter into which the Court has to inquire, but such statements shall not alone be sufficient evidence to charge any person with liability.

Illustration-
A sues B for Taka 1,000, and shows entries in his account books showing B to be indebted to him to this amount. The entries are relevant, but are not sufficient, without other evidence, to prove the debt.
৬৭.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারানুযায়ী একজন সাক্ষী নিজের লিখিত দেখে তথ্য আদালতে জবানবন্দী দিতে পারবেন?
  1. ১৫৬ ধারা
  2. ১৫৭ ধারা
  3. ১৫৮ ধারা
  4. ১৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দলিল দেখে উত্তর দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সাক্ষী তার নিজের লেখা, অন্যের লেখা বা দলিলের নকল দেখেও উত্তর দিতে পারেন। এটাই হল Refreshing memory। সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায় স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করন বা Refreshing memory এর বিধান রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ থেকে ১৬১ ধারায় এ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-

i) সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকালে তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কেস ডায়েরী দেখতে পারবেন। এভাবে ১৫৯ ধারার অধীন একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক দেখিয়ে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।

ii) সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার তার মামলা তদন্তকালে কেস ডায়েরীতে লিপিবদ্ধকৃত বিষয়াবলী সম্পর্কে আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারেন।

iii) সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় বিবাদী পক্ষ জেরা করতে পারবেন। অর্থাৎ স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কোন সাক্ষী কর্তৃক যে লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করা হয়েছে, বিরোধী পক্ষ উক্ত লিখিত বিবৃতি দেখতে চাইতে পারে, উক্ত সাক্ষীকে জেরা করতে পারে বা উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
৬৮.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র __________।
  1. অপ্রাসঙ্গিক
  2. প্রাসঙ্গিক হবে
  3. প্রাসঙ্গিক নয়
  4. চূড়ান্ত প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারা অনুসারে,
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।

Section 55⇒ Character as affecting damages:
In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant.
৬৯.
যদি কোনো অভিযুক্ত দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে সেই দাবি প্রমাণ করার দায়িত্ব ______ থাকবে।
  1. আদালতের
  2. ফরিয়াদী পক্ষের
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তার
  4. অভিযুক্ত পক্ষের
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত পক্ষের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত পক্ষের
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৫ ধারা অনুযায়ী,
যদি কোনো অভিযুক্ত দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে সেই দাবি প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে অভিযুক্ত পক্ষের।

বলা আছে-
যদি আসামীপক্ষ দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে শুধু দাবি করা যথেষ্ট নয়, বরং সেই দাবি প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণের দায়িত্ব থাকবে আসামীপক্ষের।

Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.
৭০.
"Document" means any matter expressed or described upon any substance by means of letters, figures or marks, or by more than one of those means, intended to be used, or which may be used, for the purpose of recording that matter.- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় এই সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা
The Evidence Act,1872 এর ধারা ৩ মতে-
"Document" means any matter expressed or described upon any substance by means of letters, figures or marks, or by more than one of those means, intended to be used, or which may be used, for the purpose of recording that matter.

'দলিল বা Document' বলতে কোন পদার্থের উপর অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্নের (letters, figures or marks) সাহায্যে প্রকাশিত বা বর্ণিত কোন বিষয়কে বোঝায়।

সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী দলিল বলে গণ্য হয়-
⇒ যে কোনো লিখন;
⇒ মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত শব্দ;
⇒ কোন মানচিত্র বা নকশা, কোন ধাতু খন্ড বা প্রস্তর খন্ডের উপর খোদাইকৃত কোন বিষয় অথবা কোন ব্যঙ্গচিত্র (caricature)।
৭১.
A, B এবং C একটি ডাকাতির ঘটনায় যৌথভাবে অভিযুক্ত এবং তাদের একসাথে বিচার করা হচ্ছে। বিচারের সময় A তার স্বীকারোক্তিতে নিজের দোষ স্বীকার করার পাশাপাশি বলে যে, B ও C ও ডাকাতিতে অংশগ্রহণ করেছে। A এর এই স্বীকারোক্তি-
  1. শুধুমাত্র A এর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে
  2. B ও C এর বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে
  3. B ও C এর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
B ও C এর বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B ও C এর বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৩০ ধারা:
"When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the court may take into consideration such confession as against such other person as well as against the person who makes such confession."

অর্থাৎ, যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য একসাথে বিচার করা হয় এবং তাদের একজন যে স্বীকারোক্তি দেয়, সেখানে তিনি নিজের সাথে অন্য কাউকে যদি জড়িয়ে ফেলেন, তাহলে আদালত সেই স্বীকারোক্তিকে সেই অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত রয়েছে। যেমন, স্বীকারোক্তিটিকে অন্য প্রমাণাদি দ্বারা সমর্থন করতে হবে ইত্যাদি।

A, B এবং C একটি ডাকাতির ঘটনায় যৌথভাবে অভিযুক্ত এবং তাদের একসাথে বিচার করা হচ্ছে। বিচারের সময় A তার স্বীকারোক্তিতে নিজের দোষ স্বীকার করার পাশাপাশি বলে যে, B ও C ও ডাকাতিতে অংশগ্রহণ করেছে। A এর এই স্বীকারোক্তিতে B ও C এর নাম উল্লেখ থাকায়, সেটি B ও C এর বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে। তবে B বা C এর বিরুদ্ধে শুধুমাত্র A এর স্বীকারোক্তির ভিত্তিতেই দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না। A এর স্বীকারোক্তির সত্যতা যাচাই করতে আরও অন্যান্য প্রমাণাদির সমর্থন প্রয়োজন।
যেমন, ডাকাতির স্থান থেকে B ও C এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়া, B ও C এর কাছ থেকে চুরিকৃত মালামাল উদ্ধার ইত্যাদি। এরকম অতিরিক্ত প্রমাণের ভিত্তিতেই A এর স্বীকারোক্তিকে সমর্থন করে B ও C এর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা সম্ভব।
৭২.
সাক্ষ্য আইনের ১২৩ ধারায় কোন ধরনের তথ্য প্রকাশের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ব্যক্তিগত রেকর্ড
  2. প্রকাশিত সরকারি রেকর্ড
  3. অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড
  4. বৈদেশিক রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড
ব্যাখ্যা
• Section 123- Evidence as to affairs of State:
No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.

কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় বিষয়াবলী সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড থেকে প্রাপ্ত কোনো প্রমাণ দেওয়ার অনুমতি পাবেন না, সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ব্যতীত। তিনি যথাযথ মনে করলে এই অনুমতি দিতে বা না দিতে পারবেন।
৭৩.
নিম্নলিখিত কোন বিবৃতিটি সাক্ষ্য আইনের ১৫৭ ধারায় একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যকে সমর্থন করতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না?
  1. আদালতে দেওয়া বিবৃতি
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দেওয়া বিবৃতি
  3. পুলিশের কাছে দেওয়া বিবৃতি
  4. ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পরে বন্ধুকে দেওয়া বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পরে বন্ধুকে দেওয়া বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পরে বন্ধুকে দেওয়া বিবৃতি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৫৭ ধারা:
"কোন সাক্ষীর সাক্ষ্যকে সমর্থন করার জন্য, ঐ একই বিষয়ে উক্ত সাক্ষী কর্তৃক পূর্বে প্রদত্ত যে কোন বিবৃতি, যা ঘটনা ঘটার সময় বা প্রায় সময়ে, অথবা ঘটনা তদন্তে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রদত্ত হয়েছিল, তা প্রমাণ করা যেতে পারে।"

[In order to corroborate the testimony of a witness, any former statement made by such witness relating to the same fact at or about the time when the fact took place, or before any authority legally competent to investigate the fact, may be proved.]

অর্থাৎ 'ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পরে বন্ধুকে দেওয়া বিবৃতি' একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যকে সমর্থন করতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না। কারণ এটি ঘটনার সময় বা প্রায় সময়ে দেওয়া হয়নি এবং আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্তৃপক্ষের কাছেও প্রদত্ত হয়নি।
৭৪.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় নিম্নের কোন ব্যক্তিকে মামলা চলাকালীন যেকোনো সময় সাক্ষীকে প্রশ্ন করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. বিচারককে
  2. বাদীপক্ষের আইনজীবীকে
  3. তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাকে
  4. উভয় পক্ষের আইনজীবীকে
সঠিক উত্তর:
বিচারককে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারককে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-

বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।
⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ এই ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
৭৫.
কোন ফৌজদারী মামলার অভিযুক্ত তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে ______ বলা হয়।
  1. Admision
  2. Confession
  3. Primary Evidence
  4. Secondary Evidence
সঠিক উত্তর:
Confession
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Confession
ব্যাখ্যা
কোন ফৌজদারী মামলার অভিযুক্ত তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে স্বীকারোক্তি বা Confession বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-
i) Inculpatory Confessional Statement; ও
ii) Ex-culpatory Confessional Statement.

⇒ Inculpatory Confessional Statement এর অর্থ হল এমন একটি স্বীকারোক্তি বা বিবৃতি যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি স্পষ্টভাবে তার নিজের বিরুদ্ধে অপরাধের স্বীকারোক্তি করেন।
⇒ আর অভিযুক্ত নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে, অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।
৭৬.
তামাদি আইনের ৪ ধারা কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. মামলার ক্ষেত্রে
  2. আপিলের ক্ষেত্রে
  3. দরখাস্ত দায়েরের ক্ষেত্রে
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়েরের নির্ধারিত সময়ের শেষ দিন অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার দিন যদি আদালত বন্ধ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত যেদিন পুনরায় খুলবে সেদিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত/আবেদন দায়ের বা রুজু করা যাবে।

Section 4: Where Court is closed when period expires:
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
৭৭.
তামাদি আইনের ১৩ ধারায় মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা করতে নিম্নলিখিত কোন সময় বাদ যাবে?
  1. বাদীর বাংলাদেশের বাইরের অবস্থানের সময়
  2. বিবাদীর বাংলাদেশের বাইরের অবস্থানের সময়
  3. বিবাদীকে সমন জারির সময়
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর বাংলাদেশের বাইরের অবস্থানের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর বাংলাদেশের বাইরের অবস্থানের সময়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী-
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদের গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories-
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৭৮.
কোন ধরনের সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে, উক্ত অধিকার একনাগাড়ে ৬০ বছর নিরবচ্ছিন্ন ভােগ করতে হবে?
  1. ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে
  2. সহ-দখলদারের সম্পত্তিতে
  3. সরকারি সম্পত্তিতে
  4. উত্তরাধিকারে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে
সঠিক উত্তর:
সরকারি সম্পত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি সম্পত্তিতে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী-
যে ক্ষেত্রে কোন দালানে আলাে বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে ২০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভােগ করা হয়েছে এবং যে ক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নেতিবাচক যাই হােক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে তাতে স্বত্ব দাবি করে অব্যাহতভাবে এবং বিশ (২০) বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভােগ করেছে; সেক্ষেত্রে অনুরূপ আলাে বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার পথ জলস্রোত পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকারর নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হবে।

সরকারি কোনো সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত অধিকার একনাগাড়ে ৬০ বছর নিরবচ্ছিন্ন ভােগ করতে হবে। সরকারি কোন সম্পত্তি ছাড়া অন্যকোনো সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে, উক্ত জমিতে একনাগাড়ে ২০ বছর পরে ভােগ করতে হবে।
৭৯.
তামাদি আইন ১৯০৮ এর ৯ ধারার বিধান কী?
  1. তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হলে পরবর্তীতে মামলা দায়ের করা যাবে
  2. তামাদির মেয়াদ চলাকালে মামলা করার অক্ষমতা দেখা দিলে মেয়াদ থেমে যাবে
  3. একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু হলে পরবর্তীতে কোন অক্ষমতা তা বন্ধ করবে না
  4. তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হলে আর কোন মামলা করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু হলে পরবর্তীতে কোন অক্ষমতা তা বন্ধ করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু হলে পরবর্তীতে কোন অক্ষমতা তা বন্ধ করবে না
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৯ ধারায় 'সময়ের অবিরাম চলন' নীতির কথা বলা হয়েছে। এর অর্থ হলো, একবার কোন দাবির জন্য তামাদির মেয়াদ (Limitation Period) গণনা শুরু হয়ে গেলে, পরবর্তীতে কোন অক্ষমতা বা প্রতিবন্ধকতার কারণে মামলা দায়ের করতে না পারলেও সেই মেয়াদ থেমে যাবে না। অর্থাৎ মামলা দায়েরে অক্ষমতা দেখা দিলেও সময় অবিরাম চলতে থাকবে এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আর মামলা করা যাবে না।

তবে একটি ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে- যদি পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদারের উপর ন্যস্ত হয়, তখন ঐ দায়িত্ব পালনের সময়কালে দেনা আদায়ের মামলা দায়েরের সময়সীমা স্থগিত থাকবে।

Section 9: Continuous running of time:
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
৮০.
দখল পুনরুদ্ধারের একটি মামলা দায়েরের তামাদি ৬ মাস। কিন্তু 'ক' ৮ মাস পর উক্ত মামলা দায়ের করে। মামলার বিবাদী পক্ষ তামাদির মেয়াদ নিয়ে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করেনি। এক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করবে
  2. বিবাদীর শর্তসাপেক্ষে মামলা বিচারে নিবে
  3. বিবাদী আপত্তি না করায় মামলা গ্রহণ করে বিচার শুরু করবে
  4. বিবাদী আপত্তি না করায় তামাদি মওকুফ করে আদালত মামলা আমলে নিবে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
এই ক্ষেত্রে আদালত মামলা খারিজ করবে।

• তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী-
তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর মামলা, আপীল বা দরখাস্ত দায়ের বা দাখিল করা হলে বিবাদী পক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে তবুও উক্ত মামলা, আপীল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।

এই ধারা অনুযায়ী তামাদির বিষয়বস্তু ৩ টি। যথা-
১) মামলা;
২) আপিল; ও
৩) আবেদনপত্র।

এই ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
৮১.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২১ ধারায় কার প্রতিনিধি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. আদালতের
  2. ৩য় পক্ষের
  3. অক্ষম ব্যক্তির
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অক্ষম ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্ষম ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
• ধারা ২১: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি (Agent of person under disability)-

যথাবিহিতরূপে ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলিতে অপারগতাগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে-
আইন সম্মত অভিভাবক;
কমিটি বা ম্যানেজারকে; অথবা
অনুরূপ অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক স্বীকৃতি স্বাক্ষর করিবার বা অর্থ প্রদান করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বুঝাইবে।
৮২.
'ক' ও 'খ' এর মধ্যে ০১/০১/২০১০ তারিখে একটি লিখিত চুক্তি সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হয়েছে, যার শর্ত ছিল ০১/০৩/২০১০ তারিখের মধ্যে 'খ' কর্তৃক 'ক' কে ১ লক্ষ টাকা প্রদানের। কিন্তু 'খ' উক্ত চুক্তি ভঙ্গ করে এবং টাকাও প্রদান করেনি। 'ক' কে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য চুক্তিভঙ্গের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. ২ বছরের মধ্যে
  2. ৩ বছরের মধ্যে
  3. ৬ বছরের মধ্যে
  4. ১২ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৬ এর বিধান:
লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা ৬ বছর বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

এক্ষেত্রে, 'ক' ও 'খ' এর মধ্যে ০১/০১/২০১০ তারিখে একটি লিখিত চুক্তি সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হয়েছে যার শর্ত ছিল ০১/০৩/২০১০ তারিখের মধ্যে 'খ' কর্তৃক 'ক' কে ১ লক্ষ টাকা প্রদানের। কিন্তু 'খ' উক্ত চুক্তি ভঙ্গ করে এবং টাকাও প্রদান করেনি। এখন ১১৬ ধারা অনুসারে, 'ক' এর উক্ত টাকা আদায়ের জন্য বা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য চুক্তিভঙ্গের তারিখ থেকে ৬ বছরের মধ্যে অর্থাৎ ০১/০৩/২০১৬ তারিখের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। অন্যথায় মোকদ্দমা তামাদি আইনের ১১৬ ধারায় বাধাগ্রস্ত হবে এবং খারিজ হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, চুক্তি অনিবন্ধিত হলে ১১৫ ধারা প্রযোজ্য হবে এবং সময়সীমা হবে ৩ বছর।
৮৩.
মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার দরখাস্ত _________ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
  1. মোকদ্দমা দাখিলের তারিখ
  2. মৃত বাদীর মৃত্যুর তারিখ
  3. প্রথম শুনানির তারিখ
  4. বিবাদীর আবেদনের তারিখ
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদীর মৃত্যুর তারিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদীর মৃত্যুর তারিখ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৭৬ এর বিধান:
মৃত বাদী অথবা আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বাদী বা আপিলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।

অন্যদিকে,
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৭ অনুযায়ী-
মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৮৪.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে বার কাউন্সিলের কার্যাবলী উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬
  2. অনুচ্ছেদ ৯
  3. অনুচ্ছেদ ১০
  4. অনুচ্ছেদ ১৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-
১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া;
২. এরূপ তালিকা প্রণয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা;
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া;
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা;
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা;
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা;
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।

Article-10: Subject to the provisions of this Order and the rules made thereunder the functions of the Bar Council shall be-
(a) to admit persons as advocates on its roll, to hold examinations for purposes of admission, and to remove advocates from such roll;
(b) to prepare and maintain such roll;
(c) to lay down standard of professional conduct and etiquette for advocates;
(d) to entertain and determine cases of misconduct against advocates on its roll and to order punishment in such cases;
(e) to safeguard the rights, privileges and interests of advocates on its roll;
(f) to manage and invest the funds of the Bar Council;
(g) to provide for the election of its members;
(h) to lay down the procedure to be followed by its committees;
(i) to promote legal education and to lay down the standards to such education in consultation with the universities in Bangladesh imparting such education;
(j) to perform all other functions conferred on it by or under this Order;
(k) to do all other things necessary for discharging the aforesaid functions.
৮৫.
The Bar Council Tribunal shall consist of _________ persons according to article 33 of The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972.
  1. two
  2. three
  3. four
  4. five
সঠিক উত্তর:
three
উত্তর
সঠিক উত্তর:
three
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী বার কাউন্সিলের ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে এবং এর সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন।
যথা-
- বার কাউন্সিলের নির্বাচিত দুইজন সদস্য এবং
- তালিকাভুক্ত যে কোনো একজন আইনজীবী।

Article-33:
(1) The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman.
৮৬.
কোনটি বার কাউন্সিলের অস্থায়ী কমিটি?
  1. নির্বাহী কমিটি
  2. আর্থিক কমিটি
  3. আইন শিক্ষা কমিটি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ১১ অনুচ্ছেদে ৩ টি স্থায়ী কমিটির (Standing Committees) উল্লেখ আছে। ১১(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি গঠিত করবে:
১. নির্বাহী কমিটি;
২. আর্থিক কমিটি;
৩. আইন শিক্ষা কমিটি।

অর্থাৎ উল্লিখিত সবগুলো বার কাউন্সিলের স্থায়ী কমিটি।

Article-11: (1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.

(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.
(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.