ব্যাখ্যা
- ঢাকার শিখা পত্রিকায় ১৯২৮ বার্ষিক সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- প্রকাশকালে এর শিরোনাম ছিল ‘নতুনের গান’। পরে এর নাম হয় চল চল চল।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন
- ঢাকার শিখা পত্রিকায় ১৯২৮ বার্ষিক সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- প্রকাশকালে এর শিরোনাম ছিল ‘নতুনের গান’। পরে এর নাম হয় চল চল চল।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
জীবনানন্দ দাসের মাতা কুসুমকুমারি দাসের সাহিত্যিক প্রসার বেশি একটা বড় নয়। শিশুদের জন্য উনি 'কবিতা ও মুকুল' নামক কাব্যটি রচনা করেন, এছাড়াও তার একটি গদ্যগ্রন্থ রয়েছে- 'পৌরাণিক আখ্যায়িকা'
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি কায়কোবাদ। তাঁর প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরাশী। কায়কোবাদ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
- তিনি মুসলমান কবিদের মধ্যে সর্বপ্রথম সনেট রচনা করেন।
তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ- বিরহ বিলাপ (১৮৭০)। মাত্র তের বছর বয়সে তাঁর এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ- মহাশ্মশান (মহাকাব্য),
- কুসুম কানন,
- অশ্রুমালা,
- শিবমন্দির,
- অমিয়ধারা,-
- শ্মশানভষ্ম,
- মহররম শরীফ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি কায়কোবাদ। তার প্রকৃত নাম - কাজেম আল কোরেশী।
তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ - 'বিরহ-বিলাপ'
তার অন্যান্য রচনা
মহাকাব্য - মহাশ্মশান (১৯০৫)
গীতিকাব্য - অশ্রুমালা (১৮৯৫)
এছাড়াও তিনি - কুসুমকানন, শিবমন্দির, অমিয়ধারা ইত্যাদি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পন নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করে ছাপার জন্য প্রকাশক রেভারেন্ড লঙ নামক এক পাদ্রিকে আদালতে ১০০০ টাকা জরিমানা করা হয়; কারণ অনুবাদে অনুবাদকের নাম উল্লেখ ছিলোনা। পরে সেই জরিমানা কালিপ্রসন্ন সিংহ আদালতে নিজে হাজির হয়ে পরিশোধ করে দেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
গিরিশ্চন্দ্র ঘোষের ঐতিহাসিক নাটক গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল - সিরাজদ্দৌলা, মীর কাসিম, ছত্রপতি শিবাজি।
তার পৌরাণিক নাটক গুলো হলো- রাবনবধ, অভিমন্যুবধ, সীতার বনবাস, সীতাহরণ, জনা, পান্ডব গৌরব।
উৎস- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৮৮১ খ্রিস্টাব্দে এ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তাঁর মৈথিলী ভাষার ব্যাকরণ An Introduction of the Maithili Language of North India এবং এ সংক্রান্ত আলোচনা। বিহারে থাকাকালে গ্রিয়ারসন সেখানকার কৃষকদের সঙ্গে মিশে তাঁদের ভাষা ও জীবন সম্পর্কে অবহিত হন। ফলে ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দের শেষদিকে তিনি Bihar Peasant Life নামে এক অনন্য গ্রন্থ রচনা করেন। এ ছাড়া ১৮৮৩-৯০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে গ্রিয়ারসন রচিত বিহারের সাতটি উপভাষার ব্যাকরণ Seven Grammars of the Dialects and Subdialects of Bihari Language আট খন্ডে প্রকাশিত হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত জন ক্লার্ক মার্শম্যান সম্পাদিত সাপ্তাহিক পত্রিকা 'সমাচার দর্পন' ১৮১৮ সালে প্রথম যাত্রা শুরু করে।পরে জয়গোপাল তর্কালংকার, তারিণীচরণ শিরোমান প্রমুখ এই পত্রিকার সম্পাদনা করেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
জসীমউদ্দীন জারীগান (১৯৬৮) ও মুর্শীদা গান (১৯৭৭) নামে লোকসঙ্গীতের দুখানি গ্রন্থ সংকলন ও সম্পাদনা করেন। ১৯৬৮ সালে তাঁর সম্পাদনায় কেন্দ্রীয় বাঙলা উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত হয় জারীগান। এছাড়াও উনার অন্যান্য গানের সংকলন গুলো হলো- রঙিলা নায়ের মাঝি, গাঙের পার।
অপরপক্ষে তার নাটক গুলো হলো- পদ্মাপার (১৯৫০), বেদের মেয়ে (১৯৫১), মধুমালা (১৯৫১),পল্লীবধূ (১৯৫৬),গ্রামের মেয়ে (১৯৫৯)
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
গোলাম মোস্তফা পাকিস্তানি আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় উর্দুর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন। ১৯৪৯ সালে গঠিত পূর্ববঙ্গ সরকারের ভাষা সংস্কার কমিটির সচিব হিসেবে তিনি কাজ করেন। তিনি গদ্য ও পদ্য রচনায় সমান দক্ষ ছিলেন, তবে কবি হিসেবেই তাঁর মুখ্য পরিচয় ছিল।
১৯৬০- এ পাকিস্তান সরকার সিতারা-ই-ইমতিয়াজ উপাধিতে ভূষিত করেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাসের নাম - একটি কালো মেয়ের কথা।
তার অন্যান্য উপন্যাস-- অরণ্যবহ্নি (সাওতাল বিদ্রোহ নিয়ে),
- কবি,
- চৈতালি ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- গণদেবতা,
- কালিন্দী,
- জলসাগর,
- হাঁসুলী বাঁকের উপকথা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়-এর সামাজিক নাটকগুলো হলোঃ
- পরপারে,
- বঙ্গনারী,
- কল্কি অবতার,
- বিরহ,
- ত্র্যহস্পর্শ,
- প্রায়শ্চিত্ত,
- পুনর্জন্ম,
- আনন্দ বিদায় ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
হেমচন্দ্র বন্দোপাধ্যায় মূলত মহাকব্যের কবি ছিলেন।
তার রচিত মহাকাব্য - বৃত্রসংহার।
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এর রচিত কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো-
- বীরবাহু
- আশাকানন
- ছায়াময়ী
- দশমহাবিদ্যা
- চিত্তবিকাশ
- চিন্তাতরঙ্গিণী
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫ খণ্ডে ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র’ সম্পাদনা করেন হাসান হাফিজুর রহমান।
তিনি ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ নামে সাহিত্য সংকলন সম্পাদনা করেন।
তার প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থঃ বিমুখ প্রান্তর
অন্যান্য কাব্যগ্রন্থঃ আর্ত শব্দাবলী, যখন উদ্যত সঙ্গীন, শোকার্ত তরবারী।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
সৈয়দ সামসুল হকের প্রকাশিত কাব্যনাট্য গুলো হলো-
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
- নুরুলদীনের সারাজীবন
- এখানে এখন
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
অক্সফোর্ডে Sis ও Cherwell নামক দুটি পত্রিকা এবং অক্সফোর্ড থেকে দেশে ফিরে ১৯৩২ সালে বারোমাসি নামে একটি মাসিক পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করেন।
- তবে বাংলা সাময়িক পত্রের ইতিহাসে তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন তাঁর সম্পাদিত অতি উঁচুমানের চতুরঙ্গ (১৯৩৯-৬৯) ত্রৈমাসিকের জন্য।
অন্যান্য পত্রিকাগুলোর সম্পাদকঃ
পূর্বাশা -- সঞ্জয় ভট্টাচার্য
স্বাক্ষর -- রফিক আজাদ ও শিকদার আমিনুল হক
স্বদেশ -- আহমদ ছফা
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
কামিনী রায়ের সাহিত্যিক ছদ্মনাম - 'জনৈক বঙ্গমহিলা'।
তার রচিত কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো-
- আলো ও ছায়া,
- নির্মাল্য,
- পৌরাণিকী,
- গুঞ্জন,
- মাল্য ও নির্মাল্য,
- অশোক সংগীত,
- অম্বা,
- দীপ ও ধূপ,
- জীবনপথে ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও হিন্দু কলেজের অধ্যাপক ছিলেন। হিন্দু কলেজের ছাত্রদের মধ্যে উনার প্রাভাব অনেক গভীর ছিলো।
তার উল্লেখযোগ্য শিষ্যরা ছিলো-
- কালীপ্রসাদ ঘোস
- রামতনু লাহিরী
- প্যারিচাঁদ মিত্র
- দক্ষিণারঞ্জন মিত্র
- হরচন্দ্র ঘোষ
- মাধব চন্দ্র মল্লিক
এই ছাত্রদের দলটিই 'ইয়ংবেঙ্গল' নামে পরিচিত ছিলো।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার ও বাংলাপিডিয়া।
কবি উপন্যাসটিতে ডোম সম্প্রদায়ের একজন যুবকের কবি রূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করার কাহিনী নিয়ে গড়ে উঠেছে। এটি তারাশঙ্করের একটি শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
এই উপন্যাসের 'জীবন এত ছোট ক্যানে' সংলাপটি ক্লাসিক মর্যাদা পেয়েছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
জোশুয়া মার্শম্যান যে পত্রিকাগুলোর সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিলেনঃ
- সমাচার দর্পন,
- দিগদর্শন
- ফ্রেন্ড অব ইন্ডিয়া
প্রথমোক্ত দুটি পত্রিকায় পরবর্তীতে তার ছেলে জন ক্লার্ক মার্শম্যান সম্পাদনা করেন।
অন্যদিকে, বেঙ্গল গেজেট উইলিয়াম কেরী কর্তৃক রামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
জহির রায়হান রচিত উপন্যাস সমূহঃ
- শেষ বিকেলের মেয়ে (১৯৬০); প্রথম উপন্যাস। (রোমান্টিক প্রেমের উপাখ্যান)
- হাজার বছর ধরে (১৯৬৪); আবহমান বাংলার গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত আখ্যান।
- আরেক ফাল্গুন (১৯৬৯); বায়ান্নর রক্তস্নাত ভাষা-আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত কথামালা।
- বরফ গলা নদী (১৯৬৯); অর্থনৈতিক কারণে বিপর্যস্ত ক্ষয়িষ্ণু মধ্যবিত্ত পরিবারের অসহায়ত্ব গাথা।
- আর কতদিন (১৯৭০); অবরুদ্ধ ও পদদলিত মানবাত্নার আন্তর্জাতিক রূপ এবং সংগ্রাম ও স্বপ্নের আত্মকথা।
- কয়েকটি মৃত্যু
- একুশে ফেব্রুয়ারি (১৯৭০)
- তৃষ্ণা (১৯৬২)
অন্যদিকে, কাচের দেয়াল, সঙ্গম, বেহুলা, বাহানা, কখনো আসেনি - এগুলা তার নির্মিত উল্লেখযোগ্য চলচিত্র।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• কবি জীবনানন্দ দাশ বরিশাল শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক, প্রাবন্ধিক ও অধ্যাপক।
• তাঁকে বাংলা ভাষার 'শুদ্ধতম কবি' বলে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। এছাড়াও তিনি 'রূপসী বাংলার কবি', 'নির্জনতার কবি', 'তিমির হননের কবি', 'ধূসরতার কবি' প্রভৃতি নামেও পরিচিত।
• তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থঃ
- ঝরাপালক (প্রথম প্রকাশিত),
- ধূসর পান্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।
• তাঁর রচিত উপন্যাসঃ
- মাল্যবান,
- সুতীর্থ,
- নিরুপম যাত্রা,
- বিভা,
- জলপাইহাটি ইত্যাদি।
• তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ- 'কবিতার কথা'।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
বিশ শতকের মেয়ে- নীলিমা ইব্রাহিমের একটি উপন্যাস।
অন্যদিকে, দাউদ হায়দারের গ্রন্থগুলো হলো-
- জন্মই আমার আজন্ম পাপ
- এই শাওনে এই পরবাসে
- পাথরের পুঁথি
- আমি ভালো আছি, তুমি
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
দীনেশচন্দ্র সেন (রায় বাহাদুর) ছিলেন শিক্ষাবিদ, গবেষক, লোক-সাহিত্যবিশারদ, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার।
কিশোর বয়স থেকে দীনেশচন্দ্র সেন সাহিত্য-অনুরাগী ছিলেন। কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম গ্রন্থ - কুমার ভূপেন্দ্রসিংহ (১৮৯০)। এটি একটি আখ্যান কাব্য।
দেশের সংস্কৃতির প্রতি ছিল তাঁর গভীর মমতা। এ মমতা তাঁকে দেশপ্রেম, কবিবন্দনা এবং অতীতের প্রতি আগ্রহী করে তোলে।
কুমিল্লায় অবস্থানকালে তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে প্রাচীন বাংলার পুথি সংগ্রহ করেন। ব্যাপক শ্রমসাধ্য এ কাজে তিনি গভীরভাবে মনোনিবেশ করেন এবং দীর্ঘ সময়ের গবেষণায় কুমিল্লা থেকে ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর বঙ্গভাষা ও সাহিত্য শীর্ষক একটি আকরগ্রন্থ।
- প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ওপর এটি একটি সুশৃঙ্খল ও ধারাবাহিক তথ্যসমৃদ্ধ গবেষণাগ্রন্থ যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ সমকালের পন্ডিতদের প্রশংসা লাভ করে।
- এ অসাধারণ গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় দীনেশচন্দ্র সেন এ বিষয়ে পথিকৃৎ-এর সম্মান ও পান্ডিত্যের স্বীকৃতি লাভ করেন।
১৮৯৬ সালে দীনেশচন্দ্রের পুথিসংগ্রহ, পুথিপাঠ এর সময় তাঁর কর্মজীবনে এবং গবেষণার ক্ষেত্রে একটি নতুন পর্বের সূচনা হয়। তিনি উপাচার্য স্যর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের আহবানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হন।
- ১৯১১ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর History of Bengali Language and Literature গ্রন্থ। এ গ্রন্থের জন্য তিনি পাশ্চাত্যের গবেষক ও সাহিত্য-সমালোচকদের কাছ থেকে ভূয়সী প্রশংসা লাভ করেন।
সাহিত্য ও গবেষণায় অবদানের জন্য দীনেশচন্দ্র সেন ১৯২১ সালে ভারত সরকার কর্তৃক ‘রায়বাহাদুর’ উপাধি পান। একই সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করে এবং ১৯৩১ সালে তিনি জগত্তারিণী স্বর্ণপদক লাভ করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
• দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ছিলেন একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি, নাট্যকার ও গীতিকার।
- তাঁর সাহিত্যে দেশপ্রেমের পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে।
- তাঁর রচিত ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটক।
- এটি সম্রাট শাহজাহানকে নিয়ে লেখা প্রথম নাটক।
• তাঁর বিখ্যাত গানঃ
ধন ধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা
তাহার মাঝে আছে দেশ এক - সকল দেশের সেরা;
ও সে, স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ, স্মৃতি দিয়ে ঘেরা;
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,
সকল দেশের রানি সে যে - আমার জন্মভূমি।
এই নাটকে ব্যবহৃত হয়।
• তাঁর রচিত অন্যান্য নাটকঃ
- নূরজাহান,
- তারাবাঈ,
- মেবার পতন,
- চন্দ্রগুপ্ত,
- সিংহল বিজয়,
- দুর্গাদাস,
- রানা প্রতাপসিংহ ইত্যাদি।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে জাহানারা ইমাম লেখালেখিতে ব্যস্ত সময় কাটান এবং তাঁর প্রধান গ্রন্থগুলি এ সময়ে প্রকাশ পায়। গল্প, উপন্যাস ও দিনপঞ্জি জাতীয় রচনা মিলিয়ে তাঁর আরও কয়েকটি গ্রন্থ রয়েছে।
সেগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- অন্য জীবন (১৯৮৫),
- বীরশ্রেষ্ঠ (১৯৮৫),
- জীবন মৃত্যু (১৯৮৮),
- চিরায়ত সাহিত্য (১৯৮৯),
- বুকের ভিতরে আগুন (১৯৯০),
- নাটকের অবসান (১৯৯০),
- দুই মেরু (১৯৯০),
- নিঃসঙ্গ পাইন (১৯৯০),
- নয় এ মধুর খেলা (১৯৯০),
চৈতালী ঘূর্নী - তারাশঙ্কর বন্দ্যেপাধ্যায়
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
সৈয়দ শামসুল হক একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী সাহিত্যিক।
কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদ তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাঁকে 'সব্যসাচী' লেখক বলা হয়।
তিনি মাত্র ২৯ বছর বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস- নিষিদ্ধ লোবান ও নীল দংশন।
তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস- সীমানা ছাড়িয়ে, এক মহিলার ছবি, অনুমপ দিন, ত্রাহী, 'দেয়ালের দেশ', 'খেলারাম খেলে যা', তুমি সেই তরবারী ইত্যাদি।
তাঁর রচিত কাব্যনাট্য- গণনায়ক, নুরুলদীনের সারাজীবন, এখানে এখন, বাংলার মাটি বাংলার জল ইত্যাদি।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী,
দেব খোঁপায় তারার ফুল ।
কর্ণে দোলাব তৃতীয়া তিথির,
চৈতী চাঁদের দুল ।
কন্ঠে তোমার পরাবো বালিকা,
হংস-সারির দুলানো মালিকা ।
বিজলী জরীণ ফিতায় বাঁধিব,
মেঘ রং এলো চুল।
- কাজী নজরুল ইসলাম